Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Thalassemia Examination: সরকারি হাসপাতালের সুযোগ সুবিধা পেতে চান! গর্ভবতী হলে করাতেই হবে থ্যালেসেমিয়ার পরীক্ষা

    Thalassemia Examination: সরকারি হাসপাতালের সুযোগ সুবিধা পেতে চান! গর্ভবতী হলে করাতেই হবে থ্যালেসেমিয়ার পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে থ্যালাসেমিয়া ও সিক্‌ল সেল অ্যানিমিয়া— এই দুই রক্তের রোগে আক্রান্ত না হয়, সে বিষয়ে জোর দিল স্বাস্থ্য দফতর। নির্দেশিকা জারি করে সমস্ত স্তরের সরকারি হাসপাতালে প্রসূতিদের ওই রোগ নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হল। গর্ভবতী হওয়ার পরে সরকারি হাসপাতালের সুযোগ সুবিধা পেতে হলে এবার থেকে থ্যালাসেমিয়া ও সিকল সেল রোগের পরীক্ষা করাতেই হবে।

    নির্দেশিকায় যা বলা হয়েছে

    স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বলা হয়, সরকারি হাসপাতালে গর্ভাবস্থায় পরীক্ষানিরীক্ষার সময় এই দুটি পরীক্ষা করাতে হবে সবাইকেই। পরীক্ষা পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করার জন্য প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে ইতিমধ্যেই থ্যালাসেমিয়া কন্ট্রোল ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। শহরের মোট পাঁচটি সরকারি হাসপাতাল আইটিজিএমইআর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ, ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজ, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ, ক্যালকাটা স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে এই পরীক্ষাগুলি করা হবে। এক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কথায়, এতদিন গর্ভবস্থায় থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা থ্যালাসেমিয়া কন্ট্রোল ইউনিটেই করা হত। তবে এবার থেকে সমস্ত সরকারি হাসপাতালের জন্যই এই পরীক্ষার নমুনা সংগ্ৰহ করা বাধ্যতামূলক করা হল। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমাতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নিল স্বাস্থ্য দফতর।

    আরও পড়ুন: চিন্তা বাড়াচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস! আরটি-পিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, নয়া নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দফতরের

    থ্যালাসেমিয়া একটি জিনঘটিত সমস্যা। সাধারণত বাবা মায়ের জিনে রোগটি প্রচ্ছন্ন থাকলেও শিশুর মধ্যে তা প্রকট হতে পারে।স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রক্তের সংগৃহীত নমুনা ঠিক তাপমাত্রায় রেখে তা তিন দিনের মধ্যে পাঠাতে হবে থ্যালাসেমিয়া কন্ট্রোল ইউনিটে (টিসিইউ)। স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিভাগ থেকে পাঠানো ওই নমুনার রিপোর্ট তিন দিনের মধ্যে দিতে হবে। প্রসূতির পরীক্ষায় যদি থ্যালেসেমিয়া পজিটিভ আসে, তখন স্বামীরও পরীক্ষা করা হবে। তাঁরও রিপোর্ট পজিটিভ এলে, গর্ভস্থ ভ্রূণের জিন পরীক্ষা করে দেখা হবে। যদি দেখা যায়, ওই ভ্রূণও একই ভাবে আক্রান্ত, তা হলে ২০ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত করানোর বিষয়ে বোঝানো হবে দম্পতিকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Hizbul: সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দিচ্ছে পাকিস্তান! রাওয়ালপিন্ডির রাস্তায় সেনা নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরছেন হিজবুল প্রধান

    Hizbul: সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দিচ্ছে পাকিস্তান! রাওয়ালপিন্ডির রাস্তায় সেনা নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরছেন হিজবুল প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বমঞ্চে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার কথা বললেও, দেশের মাটিতে সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দিচ্ছে পাকিস্তান। সম্প্রতি তারই প্রমাণ মিলল একটি ভিডিও ফুটেজে। ওই ভিডিওয় দেখা গেল রাওয়ালপিন্ডির রাস্তায় সেনা নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরছেন হিজবুল মুজাহিদ্দিনের (Hizbul Mujahideen) প্রধান তথা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী তকমাপ্রাপ্ত সইদ সালাহুদ্দিন (Syed Salahuddin)।  ভারতের তরফে ঘোষণা করা মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি বসির আহমেদ পীরের শেষযাত্রাতেই তাঁকে প্রার্থনা করতে দেখা যায়।  প্রকাশ্যে ভারত বিরোধী বক্তৃতাও দিতে দেখা যায় এই হিজবুল নেতাকে।

    জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য পাকিস্তান

    এই ভিডিও সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে পড়তেই পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই এফএটিএফ-এর ধূসর তালিকায় ছিল পাকিস্তান। তবে সম্প্রতি সেই তালিকা থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে তারা। তবে পাকিস্তান যে জঙ্গিদের জন্য স্বর্গরাজ্য, এই ভিডিও ফুটেজ সামনে আসাতে তা ফের একবার প্রমাণিত হল। 

    আরও পড়ুন: ভারতকে জব্দ করতে গিয়ে চিনের থেকে অস্ত্র কিনে ডাহা ঠকল পাকিস্তান, জানুন বিশদে

    সম্প্রতিই পাকিস্তানে নিকেশ করা হয় মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি বসির আহমেদ পীরকে। দিন কয়েক আগে তাঁর শেষযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই দেখা যায়, আন্তর্জাতিক জঙ্গি তথা হিজবুল মুজাহিদ্দিন প্রধান সইদ সালাহুদ্দিনকে। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, সালাহুদ্দিনকে চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে পাকিস্তানি সেনা। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির একটি সুরক্ষিত জায়গায় ওই কুখ্যাত জঙ্গির শেষযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। ভাইরাল ভিডিয়োয় সালাহুদ্দিনকে ভারতকে ধ্বংস করার শপথ নিতেও দেখা যায়। একদিকে যেমন পাক সেনারা তাঁকে চারপাশ থেকে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘিরে রেখেছিল, তেমনই উপস্থিত জনতাদের হিজবুল প্রধানদের সমর্থনে স্লোগান দিতেও দেখা যায়। প্রসঙ্গত, রাওয়ালপিন্ডি পাক সেনার সদর দফতর। সেই শহরে হিজবুল প্রধানকে দেখতে পাওয়া বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Earthquake: ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান! পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় প্রাণহানির শঙ্কা কম

    Earthquake: ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান! পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় প্রাণহানির শঙ্কা কম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান (Afghanistan) ও তাজিকিস্তান (Tajikistan)। বৃহস্পতিবার সকালে চিনা সীমান্তের কাছে আফগানিস্তান এবং তাজিকিস্তানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানের ফৈজাবাদ শহর থেকে ২৬৫ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পের উৎসস্থল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬.৮। 

    প্রাণহানির সম্ভাবনা কম

    তুরস্ক-সিরিয়ার ভূমিকম্পের (Turkey-Syria Earthquake) রেশ কাটতে না কাটতেই আবার এই ধরনের ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। ভূমিকম্পের জেরে এখনও অবধি কোনও প্রাণহানির খবর না মিললেও, কম্পনের মাত্রা অনেকটাই বেশি থাকায়  ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভূমিকম্পের পরে বেশ কয়েকবার শক্তিশালী আফটারশকও অনুভূত হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। প্রথম কম্পনের ২০ মিনিট পর আবার একটি আফটার শকে কেঁপে ওঠে ওই এলাকা। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫। আগামী কয়েক ঘণ্টায় আরও কয়েকটি আফটারশক অনুভূত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: মাঝারি ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, ভবিষ্যতে বড় ক্ষতির আশঙ্কা ভারতেও! সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

    সম্প্রতি তুরস্ক এবং সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় ৪১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, বলে আশঙ্কা। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৩৭ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প হয় পূর্ব তাজিকিস্তানে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০.৫ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল।  ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল গরনো-বাদাখসান এলাকা, যা আফগানিস্তান ও চিনের সীমান্তের মাঝামাঝি স্বশাসিত অঞ্চল। পামির পাহাড় দিয়ে ঘেরা এই অঞ্চল খুব একটা জনবহুল নয়। এই কারণে সাধারণ মানুষের প্রাণহানির সম্ভাবনাও কম। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের জেরে ধস নামার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে ওই অঞ্চলে খুব একটা জনসংখ্যা না থাকায়, জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bogtui Massacre: বগটুই গণহত্যার তদন্তে রাজ্যে আসছে ‘লইয়ার্স ফর জাস্টিস’-এর প্রতিনিধি দল

    Bogtui Massacre: বগটুই গণহত্যার তদন্তে রাজ্যে আসছে ‘লইয়ার্স ফর জাস্টিস’-এর প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বগটুই গণহত্যার তদন্তের স্বার্থে বেসরকারি সংস্থা ‘লইয়ার্স ফর জাস্টিস’–এর প্রতিনিধিরা ফেব্রুয়ারি মাসেই আবার কলকাতায় আসছেন।  এই প্রতিনিধিদের মুখ্য গন্তব্যই হবে বগটুই। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা আগামী শনিবার, রবিবার ও সোমবার বীরভূম জেলায় থাকবে। ওই দল রাজ্যে আসবে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি। প্রথমে রায়গঞ্জে যাবেন তাঁরা। সেদিনই মালদা হয়ে বোলপুরে চলে যাবেন। টানা দু’দিন বীরভূমে থাকবেন তাঁরা। সেখানে বগটুই কাণ্ড নিয়ে অনুসন্ধান করবেন তাঁরা। পরে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গেও কথা বলবেন ‘লইয়ার্স ফর জাস্টিস’–এর প্রতিনিধিরা। 

    বগটুইয়ের স্মৃতি

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রভূমের বগটুইকাণ্ডের স্মৃতি উস্কে দিতে তৎপর গেরুয়া শিবিরও। রাজ্যে ভোট সন্ত্রাস বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর বিজেপি। গত বছর ২১ মার্চ গণহত্যার অভিযোগ ওঠে বগটুইয়ে। রামপুরহাট-১ ব্লকের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ খুন হওয়ার ‘প্রতিক্রিয়া’য় বগটুইয়ের গ্রামে কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তাতে সব মিলিয়ে মৃত্যু হয় দশ জনের। সেই সময়ে এ নিয়ে উত্তপ্ত হয় রাজ্য রাজনীতি। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যো‌পাধ্যায় বগটুই গিয়ে ক্ষতিপূরণ ও তদন্তের ঘোষণা করেন। যদিও পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ সিবিআই তদন্ত শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট কীভাবে নিতে হয় জানতেন না টেট পরীক্ষকরাই! মন্তব্যে ‘বিস্মিত’ বিচারপতি

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘লইয়ার্স ফর জাস্টিস’–এর ওই দল রাজ্যে আসবে আগামী শুক্রবার। রায়গঞ্জে হামলার অভিযোগ ওঠা একটি মন্দির পরিদর্শন করবেন তাঁরা। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পরে তাঁরা ওই দিনই মালদহ হয়ে বোলপুরে আসবেন। পরের দু’দিন বীরভূমে থাকার কথা। সেখানে বগটুইকাণ্ডের তথ্যানুসন্ধার ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা এবং ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে খোঁজ খবর নেবেন। প্রসঙ্গত, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ওই সংগঠনের প্রতিনিধিরা কলকাতায় এসেছিলেন। সেই দলে ছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি এল নরসিংহ রেড্ডি, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার রাজপাল সিংহ, মহিলাদের অধিকার সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করা আইনজীবী চারু ওয়ালি খান্না,সাংবাদিক সঞ্জীব নায়ক এবং দুই আইনজীবী ওমপ্রকাশ ব্যাস এবং রোজি তাবা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Scam: কে ‘কালীঘাটের কাকু’ তা খোলসা করলেন তাপস মণ্ডল, জানেন তাঁর বাড়ি কোথায়?

    SSC Scam: কে ‘কালীঘাটের কাকু’ তা খোলসা করলেন তাপস মণ্ডল, জানেন তাঁর বাড়ি কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বার বার শোনা গিয়েছে তাঁর নাম। কিন্তু প্রকাশ্যে আসেনি তাঁর পরিচয়। এবার কালীঘাটের কাকুর নাম ফাঁস করে দিলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তাপস মণ্ডল। তাপসের দাবি, কালীঘাটের কাকুর নাম সুজয় ভদ্র। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর গাড়িতে ওঠার সময়ই তাপসকে প্রশ্ন করা হয় কালীঘাটের কাকু কে? হেসে তাপস  উত্তর দেন, ‘সেটা কুন্তল বলবে’। আপনি জানেন না? ‘নামটা জানি, নামটা বলেছে.. কী যেন সুজয় ভদ্র নাকি’। কে সুজয় ভদ্র? হাত নেড়ে তাপসের জবাব, ‘আমি চিনি না, চিনি না।’

     কে সুজয় ভদ্র

    এর আগেও তাপস মণ্ডল নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত অনেকের নাম সামনে এনেছেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়েছিল হুগলির তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষের বিরুদ্ধে। কুন্তল ঘোষ গ্রেফতার হওয়ার পর বলেছিলেন, গোপাল দলপতি সব জানেন। সেই গোপালই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেছিলেন এই কাকুর কথা। কুন্তলের সঙ্গে নাকি যাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। সূত্রের খবর, দক্ষিণ কলকাতার কোনও এক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল সুজয়ের। তিনি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১১): ১৮ বছর ধরে আটকে সিউড়ি-প্রান্তিক রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    কালীঘাটের কাকুর বাড়ি 

    নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে নতুন নাম কালীঘাটের কাকু। সুজয় ভদ্র নামে যে ব্যক্তিকে কুন্তল ঘোষ কালীঘাটের কাকু বলে ডাকতেন, তিনি কিন্তু আদপে কালীঘাটের বাসিন্দা নন। সূত্রের খবর, এই সুজয় ভদ্র-র বাড়ি  বেহালায়। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা এখনও পর্যন্ত নিয়োগ দুর্নীতির সবচেয়ে বড় মাথা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছে। বেহালা পশ্চিম বিধানসভার ফকির পাড়ায় তাঁর বাড়ি। ১৭বি/১, রাধারাণি। এই হচ্ছে বাড়ির ঠিকানা। কালীঘাটের কাকু প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘কাকু, কাকুর ভাইপো, কাকীমা, মাসিমা, পিসিমা, ভাইপো সবার নামই এবার সামনে আসছে।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tapas Mondal: ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন! ইডির হাতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তাপসের ডায়েরি

    Tapas Mondal: ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন! ইডির হাতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তাপসের ডায়েরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় তাপস ও কুন্তলকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চায় সিবিআই। ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আপাতত সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন তাপস মণ্ডল, কুন্তল ঘোষ ও নীলাদ্রি ঘোষ। অভিযোগ, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল।

    মুখোমুখি জেরা

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগে জেরায় তাপস দাবি করেছিলেন, কুন্তল ঘোষকে নাকি ১৯ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। সোমবার আদালতে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘তাপস-কুন্তল-নীলাদ্রি সবাই টাকা তুলেছেন। কার কাছ থেকে কত টাকা তুলেছেন এবং সেই টাকা কার কাছে দিয়েছেন? তা জানতে ধৃতদের হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন’। তদন্তকারীদের দাবি, কুন্তলকে  ১৯ কোটি ৪৩ লক্ষ ব্যক্তিগতভাবে ধার দেননি তাপস। অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়ার জন্য ওই টাকা তুলেছিলেন। এখনও পর্যন্ত যা খবর, ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেটের ৩২৫ জন প্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন তাপস!

    আরও পড়ুন: টাকা দিলেই মিলত সার্টিফিকেট! একাধিক বিএড কলেজ খুলে এভাবেই উপার্জন করতেন তাপস

    তাপসের ডায়েরি

    এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সূত্রের খবর, তাপসের একটি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে। যাতে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের হিসাব রয়েছে। গোটা গোটা অক্ষরে লেখা একের পর এক নাম। রয়েছে নানান জায়গারও উল্লেখ। বেহালা থেকে পাঁশকুড়া, ‘হাই কোর্ট’ থেকে ‘আরবানা’। এই সব ব্যক্তির নাম আর স্থান রহস্যই এখন সমাধান করতে চাইছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাপস কার সঙ্গে, কবে, কোথায় টাকার লেনদেন করেছেন, তারই হিসাব রয়েছে এই ডায়েরিতে। সব চেয়ে বেশি বার লেখা হয়েছে ‘কুন্তল ঘোষ’-এর নাম। তবে কোথাও বিশদে কিছু বলা নেই।  ইডির দাবি, ডায়েরিতে যা লেখা রয়েছে, তা নিশ্চিত ভাবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত। ডায়েরির পাতায় ‘নোট’ লিখে রাখার মতো করে নানা হিসেব রয়েছে। হিসেব রয়েছে ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ থেকে ২০২১-২০২২ পর্যন্ত নানা সময়ের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Women T20 World Cup: মাইল ফলক ছুঁলেন হরমনপ্রীত! আইসিসি টি-২০ মহিলা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    Women T20 World Cup: মাইল ফলক ছুঁলেন হরমনপ্রীত! আইসিসি টি-২০ মহিলা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৫ রানে হারিয়ে আইসিসি টি-২০ মহিলা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত। এই জয়ের সুবাদে ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ভারত লিগ টেবিলের প্রথম দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করে। ইংল্যান্ড আগেই বি-গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে কারা, তা নির্ভর করছে পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড ম্য়াচের ফলাফলের উপর। ইংল্যান্ড এই গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হলে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে এ গ্রুপের প্রথম দল অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত। 

    ম্যাচ রিপোর্ট

    এদিন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামে ভারত। তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৫৫ রান তোলে। স্মৃতি মন্ধনা ৮৭, শেফালি বর্মা ২৪, জেমিমা রডরিগেজ ১৯ ও হরমনপ্রীত কউর ১৩ রান করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ড ৮.২ ওভারে ২ উইকেটের বিনিময়ে ৫৪ রান তুললে বৃষ্টিতে ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায়। নতুন করে খেলা শুরু না হওয়ায় ভারত জয়ী ঘোষিত হয়। 

    হরমনপ্রীতের জোড়া রেকর্ড

    ব্যাটে বেশি রান না পেলেও সোমবার জোড়া নজির গড়ে ফেললেন ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত কউর। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার নজির গড়লেন তিনি। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ৩০০০ রান হয়ে গেল তাঁর। পুরুষ এবং মহিলা সব ধরনের ক্রিকেটার মিলিয়ে হরমনপ্রীতই প্রথম, যিনি ১৫০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেললেন। টসে জেতার পর তিনি বলেন, “আমার কাছে এটা বিরাট সম্মান। দলের তরফেও আবেগপূর্ণ বার্তা পেয়েছি। বিসিসিআই এবং আইসিসি-কে ধন্যবাদ, যারা আমাদের এত ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিয়েছে।”


    আরও পড়ুন: তৃতীয় ও চতুর্থ টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করে দিল বিসিসিআই

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Adeno: নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস! শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন রসুন, নিম, কাঁচা হলুদ

    Adeno: নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস! শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন রসুন, নিম, কাঁচা হলুদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস। ছোট ছোট মুখগুলো আবার মাস্কবন্দি। স্কুলে, স্কুলে উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের মুখ। কলকাতা থেকে জেলা প্রায় প্রতিটি ঘরেই জ্বর-সর্দি-কাশি লেগে রয়েছে। কাশি হলে তো সারছেই না। করোনা, ডেঙ্গির পর এ এক নয়া উপসর্গ। জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে চলতি মরশুমে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১১ জন শিশুর। শহর থেকে জেলা হাসপাতালগুলির সাধারণ শয্যা থেকে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (পিকু)— সর্বত্রই শিশুদের ভিড়। যে শিশুদের বয়স দু’বছরের কম, তাদের ক্ষেত্রে ভয় বেশি। বয়স এক বছরের কম হলে ঝুঁকির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে কয়েক গুণ। এই সময় বাচ্চাদের ভাল রাখতে ইমিউনিটি বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। রোজকার খাবারে যাতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে তার দিকে নজর দিতে বলা হচ্ছে। শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন এরকমই কয়েকটি খাবার।

    শিশুদের কী খাওয়াবেন

    নিম বা উচ্ছে: ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে রোজকার খাবারের পাতে রাখুন তেতো। প্রথম পাতে নিম পাতা বা উচ্ছে দিয়ে খাওয়া শুরু করুন। এ সবের অ্যান্টিভাইরাল উপাদান শরীর মজবুত রাখে ও এই সময়ে বাতাসে উড়ে বেড়ানো রোগ-জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে।

    প্রোটিন: শরীর সুস্থ রাখতে প্রোটিন জাতীয় খাবার খান। পাতে উদ্ভিজ্জ বা প্রাণীজ, যে কোনও রকমের প্রোটিন রাখুন রোজ। মাছ, মাংস, সয়াবিন, মুসুর ডাল, ডিম থেকে পাওয়া পুষ্টিগুণ শরীরকে ভিতর থেকে মজবুত করবে।

    লবঙ্গ-দারচিনি-কাঁচা হলুদ: ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বেশ কিছু মশলাপাতি ব্যবহারের কথা বলা হয়। তার মধ্যে লবঙ্গ-দারচিনি-কাঁচা হলুদও রয়েছে। এই সব মশলাপাতিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। নিয়মিত দারচিনি, লবঙ্গ দিয়ে কাড়া বানিয়ে বাচ্চাকে খাওয়ান। কাঁচা হলুদ বেটে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খান প্রতি দিন।

    আরও পড়ুন: শহর জুড়ে অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপট! আক্রান্ত খুদেরা, শিশু হাসপাতালে আইসিইউ-র সঙ্কট

    রসুন: সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন।  প্রাকৃতিক ভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ঠাসা এই সব্জি ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে  ভাল কাজ করে।

    টক দই: টক দইয়ের ফারমেন্টেড এনজাইম খাবার হজমের জন্য ভীষণ উপযোগী। শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দই খাওয়ার কথা বলেন পুষ্টিবিদরা।

    ফল ও সব্জি: সবুজ শাক সব্জি ও মরশুমি ফল খাওয়ান। 

    জল: শরীরে জলের ভাগ কমলে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে তেমনই ডিহাইড্রেশন থেকে হওয়া নানা সমস্যায় জেরবার শরীর সহজেই ভাইরাসের শিকার হয়। তাই জলের বিষয়ে সচেতন থাকুন। প্রতিদিন শিশুদের দুই লিটার জর খাওয়ান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    Recruitment Scam: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই তদন্তের আসল জায়গাতেই বড় ফাঁক রয়ে গিয়েছে, অভিমত আদালতের।  নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার আদালতে হাজির করা হয়েছিল কুন্তল ঘোষ, নীলাদ্রি ঘোষ, আব্দুল খালেক, তাপস মণ্ডল, শাহিদ ইমাম, শেখ আলি ইমাম এবং কৌশিক ঘোষকে।  তাঁদের হেফাজতে চেয়ে  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতে গেলে সিবিআইয়ের তদন্তের ধরন নিয়েই প্রশ্ন তোলেন বিচারক। তিনি বলেন, ‘‘সিবিআই পনির বাটার মসালা বানাবে ভাবছে অথচ পনিরই নেই তাদের কাছে!’’ 

    সওয়াল-জবাব

    সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে এদিন সরাসরিই প্রশ্ন তোলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আব্দুল খালেকের আইনজীবী। তিনি বলেন, তাঁর মক্কেলকে তিন দিন হেফাজতে নিয়ে রাখলেও সিবিআই নতুন কিছু দেখাতে পারেনি। বাড়ি থেকে একটি মোবাইল এবং ল্যাপটপই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে শুধু। কিন্তু সরাসরি যোগের কোনও তথ্যই দেখাতে পারেনি সিবিআই। এর জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে তদন্তকারী অফিসার পাল্টা যুক্তি দেখাতে গেলে সেই যুক্তি খারিজ করে দেয় আদালত।

    খালেকের অভিযোগ প্রসঙ্গে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘‘একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতিতে খালেকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। বেশ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থীর হয়ে সুপারিশপত্র পাঠিয়েছিলেন খালেক।’’এসএসসির সুপারিশ সংক্রান্ত বিষয়ের দায়িত্বে ছিল উপদেষ্টা কমিটি। সেই কমিটির প্রধান ছিলেন শান্তিপ্রসাদ সিনহা। সিবিআই তাদের হেফাজতের দাবিতে বলতে চেয়েছিল, শান্তিপ্রসাদের সঙ্গেই খালেকের যোগাযোগ ছিল। যা শুনে বিচারক বলেন, ‘‘এসপি সিনহাকে টাকা দেওয়ার কথা বলছেন, কিন্তু তাঁকেই তো এই মামলায় আপনারা হেফাজতে নেননি। পনির বাটার মসালা বানাবেন ভাবছেন, পনিরই নেই আপনার কাছে…!’’

    আরও পড়ুন: কালিয়াচক ধর্মান্তরের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার

    আদালতে এদিন সিবিআই (CBI) দাবি করে, আলি ইমাম ৬ কোটি ৭ লক্ষ টাকা, শাহিদ ইমাম ১ কোটি ৪ লক্ষ এবং কৌশিক ঘোষ ১ কোটি ৯ লক্ষ টাকা তুলেছে চাকরি দেওয়ার নাম করে।  আদালত সূত্রের খবর, শাহিদ ইমাম, আলি ইমাম এবং কৌশিক ঘোষ আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে চায়। এদিন আদালত তাপস, কুন্তল, নীলাদ্রিকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন। অন্য চারজনের ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal: ভাল নেই অনুব্রত! জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল কেন?

    Anubrata Mondal: ভাল নেই অনুব্রত! জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে আসানসোল জেলা হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হল তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। আসানসোল সংশোধনাগার থেকে হাসপাতাল যাওয়ার পথে এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অনুব্রত বলেন, ‘‘শরীর ভাল নেই।’’হাসপাতালে ঢোকার মুখে বুকে ব্যথার কথাও জানান তিনি। দিন দিন ওজন কমছে তাঁর। গত তিনমাসে ৯ কেজি ওজন কমেছে অনুব্রতর। 

    অনুব্রতের সমস্যা

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, ফিসচুলার সমস্যা নিয়ে জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এসেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)। প্রায় এক ঘন্টা ধরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশে স্পেশ্যাল অবজার্ভেশন রুমে তাঁর স্বাস্থ্যপরীক্ষা হয়। এমনিতেই অনুব্রত মণ্ডলের সুগার, রক্তচাপ, ফিসচুলা -সহ মোট ৩৭ রকমের ওষুধ চলে। তার জন্য সংশোধনাগারের মেডিক্যাল ওয়ার্ডে রাখা রয়েছে নিবুলাইজার ও অক্সিজেন কনসিন্টারেটর। তবে সূত্রের খবর,অনুব্রত মণ্ডল সুস্থই আছেন। আসানসোল জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, চিকিৎসক শুভজিৎ দত্ত, সার্জন স্মরণ হেমব্রম, জয়ন্ত গঙ্গোপাধ্যায় এবং হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার উত্তমকুমার রায় অনুব্রতের চিকিৎসা করবেন। তাঁর নানা পরীক্ষা করা হবে বলেও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: একশো দিনের কাজে ‘পুকুর চুরি’! মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টেও ঢুকেছে মজুরি!

    গরু পাচার মামলায় গত শুক্রবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে হাজির করানো হয়েছিল অনুব্রতকে। তাঁকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। পরবর্তী শুনানি ৩ মার্চ। জেল সূত্রে খবর, এটা রুটিন চেকআপ। প্রতি দু’মাস অন্তর জেলবন্দিদের হাসপাতালে চেকআপ করার নিয়ম। সেই মত অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোল জেলা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে আনা হচ্ছে। গত অগস্ট মাস থেকে আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে রয়েছেন বীরভূমের জেলা সভাপতি। অগস্ট মাসে তাঁকে জেলা হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তারপর ২০ নভেম্বর অনুব্রত মণ্ডলকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল বুকে ব্যথার জন্য। সেদিন তাঁর ‘বডি ওয়েট’ করা হয়েছিল। তাতে দেখা যায়, তাঁর ওজন ১০০ কেজি। অর্থাৎ আগে থেকে ওজন কমে গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share