Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Anubrata Mondol: অবশেষে দিল্লির পথে কেষ্ট! গরু পাচারকাণ্ডে ইডির আবেদনে সম্মতি আসানসোল আদালতের

    Anubrata Mondol: অবশেষে দিল্লির পথে কেষ্ট! গরু পাচারকাণ্ডে ইডির আবেদনে সম্মতি আসানসোল আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় আপাতত দিল্লি যেতেই হচ্ছে তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে।  অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে ইডির করা আবেদনে বৃহস্পতিবার সম্মতি দিল আসানসোল আদালত। যার ফলে কেষ্টর দিল্লিযাত্রা এখন সময়ের অপেক্ষা বলা চলে। শুক্রবারই তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে। 

    দিল্লির পথে অনুব্রত!

    দু’দিন আগে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট ইডিকে প্রশ্ন করেছিল, অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) কেন এখনও দিল্লি (Delhi) নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়নি? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে আদালতে জানানো হয়, দিল্লি আসা রুখতে আগেই দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করে রেখেছেন অনুব্রত। সেই মামলা বিচারাধীন। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, সেই মামলায় তো কোনও রায় বেরোয়নি, দিল্লি হাইকোর্টে কোনও স্থগিতাদেশও দেয়নি। অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে আসা যেতেই পারে। সেখানে কোনও বাধা থাকতে পারে না। এরপরই দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের নির্দেশ নিয়ে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে (CBI Court) আর্জি জানিয়েছিল ইডি। বৃহস্পতিবার তাতে সবুজ সঙ্কেত দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। 

    আরও পড়ুন: অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি

    গরু পাচার মামলায় যৌথ ভাবে তদন্ত চালাচ্ছে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডি। ওই মামলায় গ্রেফতার অন্যতম অভিযুক্ত তথা অনুব্রতের এক সময়ের দেহরক্ষী সহগল হোসেন রয়েছেন তিহাড় জেলে। গত ২০ ডিসেম্বর আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ইডি। তখনই শিবঠাকুর মণ্ডল নামে এক তৃণমূলি পঞ্চায়েত প্রধানের করা খুনের চেষ্টার অভিযোগে অনুব্রতকে আসানসোল জেলে গিয়ে গ্রেফতার করে দুবরাজপুর থানার পুলিশ। এর পর তাকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। কিন্তু এবার আর শেষ রক্ষা হল না। সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে আগামী কাল শুক্রবার দিল্লি নিয়ে যাবে ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Naushad Siddique: নওশাদ সিদ্দিকি মামলায় বিচারপতি দেবাংশু বসাকের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ রাজ্য

    Naushad Siddique: নওশাদ সিদ্দিকি মামলায় বিচারপতি দেবাংশু বসাকের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (Naushad Siddique) মামলায় বিচারপতি দেবাংশু বসাকের প্রশ্নবাণে বিদ্ধ রাজ্য সরকার (West Bengal Govt)। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে জেলে রয়েছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ। তাঁর নির্দেশেই পুলিশকে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) শুনানিতে তাই, নওশাদের বক্তব্যের ভিডিয়ো শুনলেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক। তারপরই তিনি রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, ‘৬৫ জন মামলাকারি আছেন, ঘটনায় প্রত্যেকের ভূমিকা প্রমাণ করতে পারবেন তো? সবাই গন্ডগোলের সঙ্গে যুক্ত আছে জানলেন কি করে ? যে বক্তব্যগুলি পেশ হয়েছে, তার যৌক্তিকতা কোথায় দাঁড়িয়ে ?’

    নওশাদ-মামলায় রাজ্যকে প্রশ্ন আদালতের

    বুধবার শুনানি চলাকালীন এজলাসে বসেই ল্যাপটপে সিদ্দিকির (Naushad Siddique) ভাষণের ভিডিও দেখেন তিনি। এরপরই বিচারপতি বসাকের প্রশ্ন, “পুলিশকে মারতে বলছে সেই প্রমাণ কোথায়?” গত ২১ জানুয়ারি ভাঙড়ের অশান্তির জের পৌঁছয় ধর্মতলায়। আইএসএফের কর্মী-সমর্থকেরা পথ অবরোধ শুরু করলে তাঁদের সরাতে যায় পুলিশ। তখনই পুলিশের সঙ্গে নওশাদ (Naushad Siddique) শিবিরের কার্যত খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা ধর্মতলা চত্বর। সেদিনই গ্রেফতার করা হয় নওশাদ-সহ ১৮ আইএসএফ কর্মী-সমর্থককে। আপাতত জেলেই রয়েছেন তিনি জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইএসএফের বিধায়ক।

    আরও পড়ুন: ‘সব ক্রিয়ারই বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে’, উদয়নকে মনে করালেন সুকান্ত 

    নওশাদের আইনজীবীকেও প্রশ্ন বিচারপতির

    এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক রাজ্যের কাছে জানতে চান, ‘কোনও ব্যক্তি হয়ত পাশ থেকে হেঁটে যাচ্ছিলেন, সেই সময় গণ্ডগোল শুরু হয়েছে। তিনি হয়ত পাশে দাঁড়িয়েছিল। তাঁর এই গণ্ডগোলে কী ভূমিকা থাকতে পারে?’একই সঙ্গে নওশাদের (Naushad Siddique) আইনজীবীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, যদি রাজ্য দেখায় যে নওশাদ সিদ্দিকির উস্কানিমূলক বক্তব্যের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে, তাহলে? মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, এই ধরনের কোনও প্রমাণ পুলিশ দেখাতে পারবে না। এই প্রশাসনের ওপর কোনও ভরসা নেই বলে দাবি করে নওশাদের আইনজীবী বলেন, ‘পুলিশকে মারতে বলা হয়েছে এমন কোনও প্রমাণ নেই। এই ধরনের কোনও আক্রমণের নির্দেশ দেওয়া হয়নি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Earthquake: ভূমিকম্প মেঘালয়, মণিপুরে! ফের কাঁপল তুরস্ক, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তানও

    Earthquake: ভূমিকম্প মেঘালয়, মণিপুরে! ফের কাঁপল তুরস্ক, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তানও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দিনে বারবার ভূমিকম্পের (Earthquake) জেরে মাটি কেঁপেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এ বার কাঁপল মেঘালয়। মঙ্গলবার সকালে কম্পন অনুভূত হয়েছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের তুরা এলাকায়। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৩.৭। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৫৭ মিনিটে তুরা এলাকায় ভূমিকম্প হয়েছে। কম্পনে ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি। মেঘালয়ে ভূমিকম্পের ৫ ঘণ্টা আগেই উত্তর-পূর্বের আরও এক রাজ্যে কম্পন অনুভূত হয়। রাত ২টো ৪৫ মিনিট নাগাদ কম্পন(Earthquake) অনুভূত হয়েছে মণিপুরের নোনে জেলায়। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৩.২।

    গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কম্পন (Earthquake)অনুভূত হয় অরুণাচলপ্রদেশে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি ভূমিকম্প হয় দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকায়। রিখটার স্কেলে কম্পাঙ্ক ছিল ৪.৪। এর অভিঘাত অনুভূত হয় উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং হরিয়ানার বিস্তীর্ণ এলাকায়। গত রবিবার কম্পন অনুভূত হয় গুজরাটে। এর আগে সুরাটেও কম্পন অনুভূত হয়। রবিবার সকালে মহারাষ্ট্রের কোলাপুরেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

    ফের ভূমিকম্প তুরস্কে

    সোমবার ফের ভূমিকম্প (Earthquake) হয় তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৬। ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত অন্তত ৬৯ জন। এর আগে ৬ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ ভূমিকম্প হয় তুরস্ক ও সিরিয়ায়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.‌৮। বেশ কয়েকবার আফটারশক অনুভূত হয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। সোমবারের ভূমিকম্পের (Earthquake)কেন্দ্র ছিল মালাতিয়া প্রদেশের ইসিলিউরত শহর। তুরস্কের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী জানিয়েছে, কাহরামানমারাসে একটি কারখানা ধসে পড়ায় এক ব্যক্তি মারা গেছেন। ইসিলিউরত শহরের মেয়র জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে একাধিক বহুতল ভেঙে পড়েছে। আটকে বেশ কয়েকজন। তাই মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আজ জাতীয় বিজ্ঞান দিবস, জানেন এই দিনের তাৎপর্য?

    ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান ও তাজিকিস্তান

    ফের ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে উঠল আফগানিস্তান ও তাজিকিস্তানও। মঙ্গলবার ভোরে আফগানিস্তানে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়। যদিও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই। তবে এই নিয়ে গত পাঁচদিনের মধ্যে ফের কেঁপে উঠল আফগানিস্তানের মাটি। ফলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আফগানিস্তানের জাতীয় ভূমিকম্প (Earthquake) কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার ভোর ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে আফগানিস্তান। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.১ এবং ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। প্রায় একই সময়ে ভোর পাঁচটা নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয় তাজিকিস্তানে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.৩।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • AITC: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক! নেপথ্যে কে বা কারা?

    AITC: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক! নেপথ্যে কে বা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার রাতেই অ্যাকাউন্টের ছবি এবং নাম বদলে যায়। সর্বভারতীয় তৃণমূলের (AITC) ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে দলের নামের পাশে নীল চিহ্ন ছিল। হ্যাক হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, সেই নীল চিহ্নের পাশে তৃণমূলের নাম নেই। পেজের নাম বদলে হয়েছে ‘যুগ ল্যাবস’ (Yuga Labs), ছবিটি বদলে হয়েছে ইংরেজি অক্ষর ‘ওয়াই’ ও ‘এল’ সম্বলিত একটি লোগো। এ বিষয়ে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন।

    রাতেই হ্যাক AITC-র অ্যাকাউন্ট

    রিপোর্ট অনুযায়ী, রাত দেড়টা থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের নাম ও ছবি বদলে যায়। কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট (AITC)হ্যাক করেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে AITC-র বদলে বর্তমানে যে লোগো রয়েছে, সেই Yuga Labs আদতে একটি মার্কিন ব্লকচেইন প্রযুক্তি কোম্পানি। এই সংস্থাটি ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ডিজিটাল মিডিয়াতেও বিশেষজ্ঞ। এই অ্যাকাউন্টের নাম ও প্রতীক বদলালেও সেখানে অপরিবর্তিত রয়েছে জোড়াফুল শিবিরের অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক। উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের এই অ্যাকাউন্টটিতে ব্লু টিক রয়েছে। ট্যুইটারে তৃণমূল ফলো করে ৬০ জনকে। 

    আরও পড়ুন: শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও কি অ্যাডিনোয় আক্রান্ত? নয়া ভ্যারিয়েন্ট চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের

    AITC-র অ্যাকাউন্ট থেকে শেষ ট্যুইট

    ট্যুইটারের কর্মীদের সঙ্গে এ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, তাঁরা দ্রুত বিষয়টি ঠিক করার আশ্বাস দিয়েছে।  অ্যাকাউন্ট (AITC) হ্যাক হওয়ার পর কোনও ভুলভাল ট্যুইট অবশ্য করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। পেজের শেষ ট্যুইট ১১ ঘণ্টা আগে করা। ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ তৃণমূলকে জানিয়েছেন, অ্যাকউন্ট (AITC) হ্যাক হওয়ার বিষয়ে যদি তারা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে চায়, সে ক্ষেত্রে কলকাতা পুলিশেই অভিযোগ জানাতে হবে। কে বা কারা এই সাইবার হানার নেপথ্যে রয়েছেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এই পেজের ফলোয়ার সংখ্যা ৬ লাখ ৪৯ হাজার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: মানিকের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নির্দেশ আদালতের

    SSC Scam: মানিকের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের দেশ-বিদেশের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। তিনি জানান, এক মাসের মধ্যে মানিকের যাবতীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে। সোমবার তিনি হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এই নির্দেশ দিয়েছেন। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam)তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অথবা সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) মানিকের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারবে।  

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিককে জরিমানা

    সোমবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে মানিকের একটি মামলার শুনানি চলাকালীন এই নির্দেশ দেন তিনি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) জেলবন্দি রয়েছেন পলাশীপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক। এর আগে দুটি আলাদা মামলায় মানিককে ২ লক্ষ এবং ৫ লক্ষ, মোট ৭ লক্ষ টাকা জরিমানা করে আদালত। সেই জরিমানার টাকা দেননি মানিক। এমনকি আদালতে কোনও আবেদনও জানাননি তিনি। সেই জরিমানার টাকা অনাদায়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার মামলার শুনানিতে তদন্তকারী সংস্থাকে এই নির্দেশ দেন তিনি। দেশে, বিদেশে মানিকের যত সম্পত্তি আছে, তা শীঘ্রই বাজেয়াপ্ত করা হবে। জরিমানার অর্থ না মেটানো পর্যন্ত তাঁকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে না।

    আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের পরে বরখাস্ত করা হবে নবম-দশমের ‘অবৈধ’ শিক্ষকদের! মন্তব্য বিচারপতি বসুর

    দিন পাঁচেক আগেই মানিকের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য ও ছেলে শৌভিককে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল আলিপুর আদালত। ইডি আদালতে দাবি করে, শৌভিক যে কয়েকবার লন্ডনে গিয়েছেন তাতে তাঁর ভিসায় ‘পার্পাস’ হিসেবে লেখা ছিল ‘রেসিডেন্সিয়াল।’ কেন্দ্রীয় এজেন্সির প্রশ্ন, বাড়ি বা জমি না থাকলে কী করে রেসিডেন্সিয়াল পার্পাস হয়? যদিও মানিক তাঁর বিদেশে সম্পত্তির কথা অস্বীকার করেছেন। ইডির দাবি, ২০১২ সাল থেকে শুরু করে অন্তত ২০বার বিদেশ সফরে গিয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের পরিবার। বিদেশ সফরের তালিকায় ব্রিটেন, মালয়েশিয়া, ফ্রান্স, নাইজেরিয়া, মালদ্বীপ, ভিয়েতনামের মতো একাধিক দেশ রয়েছে। প্রতিটি সফরে খরচ হয়েছে অন্তত ৪০-৫০ লক্ষ টাকা। পুরোটাই কী নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) টাকায়, তারই খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Eastern Command: চিনকে কড়া বার্তা! ভারতীয় সেনায় প্রথম মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট

    Eastern Command: চিনকে কড়া বার্তা! ভারতীয় সেনায় প্রথম মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন সীমান্তে (India-China Border) গুরুত্ব দিয়ে ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ড (Indian Army Eastern Command)। সেই লক্ষ্যেই তৈরি হল মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট (MRSAM Regiment)। ভারতীয় সেনায় প্রথম এই ধরনের রেজিমেন্ট গড়ে তোলা হল। সেনা পূর্বাঞ্চলের সদর দফতর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামের মাধ্যমে এই রেজিমেন্ট পরিচালিত হবে। 

    কীভাবে কাজ করবে এই রেজিমেন্ট

    সেনা সূত্রে খবর, ইস্টার্ন কমান্ডের অধীন কাজ করবে এই রেজিমেন্ট। ভারত- চিন সীমান্তকে ঘিরে কোথাও যাতে সুরক্ষার ক্ষেত্রে ফাঁক না থাকে সেটাই নিশ্চিত করতে চাইছে ভারতীয় সেনা। তাই এই ধরনের রেজিমেন্ট গড়ে তোলা হল। এই রেজিমেন্টের সঙ্গে থাকবে মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল যা একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করেছে ডিআরডিও। এই ধরনের মিসাইল সিস্টেমকে বলা ‘অভ্র’ ওয়েপন সিস্টেমও বলা হয়। প্রসঙ্গত, এই মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেমের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্ষেত্রও। আসলে প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার উপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছে ভারত। তারই অঙ্গ হিসাবে তৈরি হয়েছে এই দেশীয় প্রযুক্তি নির্ভর এই নয়া সিস্টেম।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, গ্রেফতার ডিআরডিও আধিকারিক

    লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরপি কালিটা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একটি লম্বা লাফের মতো। দেশের আত্মনির্ভর ভারত-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিরক্ষা সামগ্রী তৈরির ক্ষেত্রেও ভারত দ্রুত স্বনির্ভর হয়ে উঠবে বলে আশাবাদী তিনি। এই রেজিমেন্ট গঠন হওয়া উত্তর-পূর্ব ভারতে সেনার শক্তি আরও বাড়াবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশে এই রেজিমেন্টকে পরিচালিত করা হবে।  বিশেষ করে আকাশপথে দেশের প্রতিরক্ষা আরও নিশ্ছিদ্র করার পথে এই মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস ও এয়ার মিসাইল রেজিমেন্ট একটি বড় পদক্ষেপ হতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • ED: রাজ্যে কাজের পরিধি বাড়ছে! কলকাতায় নয়া দফতর নিচ্ছে ইডি

    ED: রাজ্যে কাজের পরিধি বাড়ছে! কলকাতায় নয়া দফতর নিচ্ছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মামলার চাপ। বাড়ছে কর্মীর সংখ্যাও। তাই এবার সল্টলেকের ডিএফ ব্লকে সিজিও কমপ্লেক্সেই (CGO Complex) নতুন অফিস নিচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। আগামী দিনে এ রাজ্যে কাজের পরিধি বাড়তে পারে। তাই কলকাতায় নয়া দফতর চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইডি।

    নয়া দফতর

    সূত্রের খবর, কলকাতায় বিভিন্ন মামলায় ইডির তদন্তের অগ্রগতি এবং শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য শহরে পা দিয়েছেন ইডি অধিকর্তা সঞ্জয় মিশ্র। তাঁর উপস্থিতিতেই নতুন অফিসের হস্তান্তর হবে। সিজিও কমপ্লেক্সে তৃতীয় এমএসও বিল্ডিংয়ের সাত তলায় নতুন অফিস খুলছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই ভবনের সাত তলার একটি উইংজুড়ে রয়েছে ইডির অফিস।

    জায়গার অভাব

    ২০১৯ সালে তদন্ত এবং বাকি কাজ মসৃণ করতে কলকাতার দফতরকে দুটি জোনে ভাগ করা হয়। প্রতিটি জোনের নেতৃত্বে একজন যুগ্ম অধিকর্তা পদমর্যাদার আধিকারিক। তাদের মাথায় গোটা কলকাতা দফতরের কাজ দেখার জন্য রয়েছেন স্পেশ্যাল ডিরেক্টর। দুটি জোন ভাগ করার পর ধাপে ধাপে তদন্তকারীআধিকারিকদের সংখ্যা বেড়েছে। তদন্তকারী আধিকারিকদের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে বিভিন্ন পদে অধস্তন কর্মীদের সংখ্যাও। কিন্তু বাড়েনি অফিসের জায়গা। এর ফলে বিভিন্ন সময়ে কাজের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন আধিকারিকরা। এক সঙ্গে বেশি অভিযুক্তদের রাখার জন্য পর্যাপ্ত ব্যাবস্থাও নেই বর্তমান অফিসে। সম্প্রতি মামলার চাপ বাড়তে থাকায় তদন্ত সংক্রান্ত বিপুল নথি রাখা নিয়েও সমস্যায় পড়ছেন আধিকারিকরা। তাই নতুন অফিস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: ভোটার সংখ্যা বাড়ল! পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে মার্চেই

    কড়া নিরাপত্তা

    নয়া দফতরের সঙ্গে সঙ্গেই পুরনো অফিসে নজরদারিও বাড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ইতিমধ্যেই বর্তমানে দুটি অফিস সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে মুড়ে দেওয়া হয়েছে। মোট ৪৪ টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রতিটি ক্যামেরার নাইট ভিশন রয়েছে। ১০ মিটার পর্যন্ত স্পষ্ট ছবি তুলতে পারে এই ক্যামেরাগুলো। দুঘণ্টার পাওয়ার ব্যাক আপ সহ ৩২ চ্যানেলের নেটওয়ার্ক ভিডিও রেকর্ডার কেনা হয়েছে। ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য উন্নত মানের সিসি ক্যামেরাগুলি ১৮ মাস পর্যন্ত সমস্ত তথ্য মজুত করে রাখাতে পারবে। ইডি সূত্রের খবর, তৃতীয় অফিসও সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হবে। অভিযুক্তদের রাখতে তৈরি করা হবে নতুন লকআপও, যাতে একসঙ্গে একাধিক হাই প্রোফাইল অফিযুক্তকে রাখতে কোনও সমস্যা না হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rani Mukherjee: বাঙালি মায়ের সঙ্গে একটা গোটা রাষ্ট্রের লড়াই! গল্প হলেও সত্যি ‘মিসেস চ্যাটার্জী ভার্সেস নরওয়ে’র ঘটনা

    Rani Mukherjee: বাঙালি মায়ের সঙ্গে একটা গোটা রাষ্ট্রের লড়াই! গল্প হলেও সত্যি ‘মিসেস চ্যাটার্জী ভার্সেস নরওয়ে’র ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বাঙালি মায়ের সঙ্গে একটা গোটা রাষ্ট্রের লড়াই। মা, তাঁর সন্তানকে খাইয়ে দেন, নিজের সঙ্গে নিয়ে ঘুমোতে যান। সন্তানের মাথায় লাগান আশীর্বাদি টিকা, এটাই তাঁর অপরাধ। মায়ের কোল থেকে দুধের সন্তানকে কেড়ে নেয়ে রাষ্ট্র। লড়াই শুরু হয়। দীর্ঘ লড়াইয়ে জয় হয় মায়েরই। রানি মুখোপাধ্যায় ও অনির্বাণ ভট্টাচার্যের ছবি ‘মিসেস চ্যাটার্জী ভার্সেস নরওয়ে’র ট্রেলারেই ফুটে উঠেছে সেই ছবির গল্প। রানির তুখোড় অভিনয়শৈলী, ব্রেস্টমিল্ক পাম্প করে রাখার মতো করুণ ও অর্থবহ দৃশ্য সাড়া ফেলেছে। কিন্তু জানেন, এই ছবি, গল্প হলেও সত্যি। যে সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি এই ছবি, তা জানতে ফিরে যেতে হবে ১২ বছর আগে। 

    সত্য কাহিনী

    ২০১১, স্বামী ও দুই ছেলে মেয়ের সঙ্গে নরওয়েতে গিয়ে সংসার বেঁধেছিলেন সাগরিকা ভট্টাচার্য। ২০১১, স্বামী ও দুই ছেলে মেয়ের সঙ্গে নরওয়েতে গিয়ে সংসার বেঁধেছিলেন সাগরিকা ভট্টাচার্য। হঠাতই একদিন নরওয়ের শিশু সুরক্ষা কমিশন তাঁর কোল থেকে কেড়ে নিয়ে যায় দুই সন্তানকে। তখন তাঁর ছেলে অভিজ্ঞানের বয়স মাত্র ৩। আর মেয়ে ঐশ্বর্যা তখন এক বছরের, দুধ খাওয়াও ছাড়েনি সে। নরওয়ে কর্তৃপক্ষের মনে হয়েছিল, সন্তানকে হাত দিয়ে খাওয়ানো মানে তাকে জোর করে খাওয়ানো, একজন সুস্থ বাবা-মা নাকি এমনটা করতেই পারেন না। এখানেই শেষ নয়, তিন বছরের পুত্র সন্তান কেন তার বাবার সঙ্গে শোবে? কেন নেই তার আলাদা বিছানা– এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তাঁরা। অভিযোগ ছিল, বাচ্চাদের জন্য নাকি ঘরে খেলার পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এই ধরনের নানা অভিযোগে সাগরিকার থেকে সন্তান কেড়ে নিয়ে রাখা হয়েছিল সরকারি হেফাজতে।

    আরও পড়ুন: মহারাজের ভূমিকায় কে প্রায় নিশ্চিত! সৌরভের বায়োপিকের শ্যুটিং শুরু শীঘ্রই

    সন্তান হারানোর যন্ত্রণায় স্বামী-স্ত্রীয়ের নিত্য ঝগড়া লেগে থাকত। সন্তানকে ফিরে পেতেই অনুরূপ ও সাগরিকা আলাদা হয়ে যান। বিদেশ মুলুকে একা লড়াই করেছিলেন সাগরিকা। অনেক টানাপড়েনের পর ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে ভারত সরকার। অবশেষে বাচ্চার কাকার কাছে তাদের দায়িত্ব ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় নরওয়ে। কিন্তু সন্তানকে নিজের কাছে ফিরে পেতে মরিয়া মা। ২০১৩ সালে প্রায় দুই বছর লড়াইয়ের পর কলকাতা হাইকোর্ট মা’কে তাঁর দুই সন্তানের দায়িত্ব দেন। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন সাগরিকা। মায়ের মমতা, ভালবাসা, বিশ্বাসের কাছে হার মানে সবকিছু সমাজ থেকে রাষ্ট্র।

    ফিরছেন রানি

    সাগরিকার এই লড়াইকেই পর্দায় নিয়ে আসছেন রানি মুখোপাধ্যায়। মর্দানি অবতার একেবারে দূরে সরিয়ে এই ছবিতে বাঙালি বউ ও মায়ের অবতারে দেখা যাবে রানিকে। ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ ছবিতে রানির স্বামীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য। এই ছবি থেকেই বলিউডের পা রাখলেন অনির্বাণ। ছবিটি মুক্তি পাবে ১৭ মার্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Panchayat: ভোটার সংখ্যা বাড়ল! পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে মার্চেই

    Panchayat: ভোটার সংখ্যা বাড়ল! পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে মার্চেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে ৫৮ লক্ষ ভোটার বাড়ল। ২০১৮ সালের তুলনায় এ বছর রাজ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ। নবান্ন সূত্রে খবর মার্চ মাসে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা মিটলেই পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayet Election 2023) বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সমন্বয় করে বিভিন্ন নির্দেশিকা পাঠাতে শুরু করেছে জেলায় জেলায়।

    ভোটার সংখ্যা

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও তার আগে ভোটার সংখ্যা নিয়ে তথ্য জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। গতবার সংখ্যাটি ছিল ৫ কোটি ৮ লক্ষ ৩৫ হাজার ২জন। এবারে সেটাই বেড়ে হয়েছে ৫ কোটি ৬৬ লক্ষ ৮৬ হাজার ১১৯জন। কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এ বছর রাজ্যে ৬৩ হাজার ২২৯টি আসনে পঞ্চায়েত ভোট হবে। পঞ্চায়েত সমিতিতে আসন সংখ্যা ৯ হাজার ৭৩০। জেলা পরিষদে আসন সংখ্যা ৯২৮। বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এর পর রয়েছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। এই পরীক্ষা পর্ব মিটলেই পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা করা হতে পারে মনে করা হচ্ছে।

    ব্যালট বক্সে কিউআর কোড

    কমিশন সূত্রে খবর, ব্যালট বক্সে এবার আলাদা আলাদা কিউআর কোড রাখছে নির্বাচন কমিশন। জেলা ধরে, ব্লক ওয়াড়ি ট্র্যাকিং সিস্টেমকে আরও দৃঢ় করতেই এই কোড ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কমিশন দফতরে ব্যালট বাক্সে সেই কিউ আর কোড লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে। ভোটের সময় কোন বুথে কোন ব্যালট বাক্স পাঠানো হচ্ছে, সেই গতিবিধি জানতেই এই ব্যবস্থা। এতে স্বচ্ছতাও বজায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চন্দন-যোগ! ‘‘বস্তা বস্তা টাকা গিয়েছে কলকাতায়’’, দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতার

    তিন দফায় ভোট!

    নির্বাচনের একাধিক বিষয় নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দায়ের করা একটি মামলা আদালতে ঝুলে রয়েছে। সেই মামলার অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্ট বলেছে, নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে না। তবে নবান্ন ও কমিশন কর্তাদের আশা, উচ্চমাধ্যমিক শেষ হওয়ার আগেই ওই মামলার নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। বিজ্ঞপ্তি জারির অন্তত ২৪ দিন পর পঞ্চায়েত ভোট করতে হবে। সেই অনুযায়ী, এপ্রিলের একেবারে শেষে বা মে মাসের গোড়ায় রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে পারে। কমিশন ৩ দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচন করাতে চাইছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির জন্য একটি দফা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির জন্য ২টি দফায় ভোট করাতে চাইছে কমিশন। যদিও নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে রাজ্য সরকার চাইছে এক দফায় ভোট। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের জন্যও ‘ইন্টারভিউ’ নেওয়া হতো বিকাশ ভবনে! কুন্তলকে জেরা করে মিলল নানা তথ্য

    SSC Scam: নিয়োগ পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের জন্যও ‘ইন্টারভিউ’ নেওয়া হতো বিকাশ ভবনে! কুন্তলকে জেরা করে মিলল নানা তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির গোটা প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। এবার তাঁর নিজস্ব এজেন্টদেরও সন্ধান মিলল। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সূত্রে খবর, শুধু তাপস মণ্ডল মারফতই নয়, ‘অযোগ্য চাকরিপ্রার্থী’ নিয়োগে কুন্তলের নিজস্ব এজেন্টদের তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। এ রকম ২২ জনকে তাঁরা চিহ্নিত করেছেন।

    অনুত্তীর্ণদের জন্যও ‘ইন্টারভিউ’

    ইডি সূত্রে খবর, চাকরির পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের জন্যও ‘ইন্টারভিউ’ নেওয়া হতো বিকাশ ভবনে খোদ শিক্ষা দফতরের অফিসে। ইন্টারভিউ নিতেন কুন্তল। তাঁর সঙ্গে হাজির থাকতেন সরকারি কর্তারাও। ইন্টারভিউয়ের নামে কার্যত হতো চাকরি বিক্রির ‘ডিল’। সেই প্রক্রিয়া শেষে এসএসসি অফিস থেকে নিয়োগপত্র হাতে পেতেন অনুত্তীর্ণরা। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে বলে দাবি  অফিসারদের। এই ইন্টারভিউতে বসা অফিসারদের তালিকা তৈরি করে ফেলেছে ইডি। শীঘ্রই তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এক নেতার মাধ্যমে পার্থ–কুন্তল পরিচয় ঘটে। সেখান থেকেই কুন্তল চাকরি বিক্রির সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য হয়ে ওঠেন। নামের তালিকা পাঠাতেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীকে। কুন্তলের তালিকার প্রার্থীদের অধিকাংশই টেট, নবম–দশম এবং একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক পদে চাকরি পেয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চন্দন-যোগ! ‘‘বস্তা বস্তা টাকা গিয়েছে কলকাতায়’’, দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতার

    কুন্তলের এজেন্ট

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় কুন্তলের এজেন্টরা চাকরি করিয়ে দেওয়ার নাম করে ‘অযোগ্য’ প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা তুলতেন। তার পর সেই টাকা তাঁরা পৌঁছে দিতেন কুন্তলের কাছে। এখনও পর্যন্ত ‘কুন্তলের হয়ে কাজ করা’ ২২ জন এজেন্টের হদিস পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের একে একে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার ওই সূত্রের দাবি, চাকরির টাকা মূলত নগদে লেনদেন হয়েছে। হুগলির এক এজেন্ট জিজ্ঞাসাবাদের সময় ইডিকে জানিয়েছেন, কুন্তলকে তিনি ৩ কোটি ৪ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় যে কুন্তলের একাধিক এজেন্ট ছিলেন, সে ব্যাপারেও এক প্রকার নিশ্চিত ইডির আধিকারিকেরা। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কুন্তলের হয়ে কাজ করা ৯ জন এজেন্টকে তলব করা হয়েছে। বয়ান নেওয়া হচ্ছে তাঁদের। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮ কোটি টাকার হিসাবের হদিস মিলেছে খবর তদন্তকারীদের সূত্রে। তদন্ত যত এগোবে, টাকার অঙ্ক আরও বাড়তে থাকবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। কুন্তলের অবশ্য দাবি, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share