Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • lpg distribution: গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি থেকে রেলওয়ে টাইম টেবিল! জেনে নিন নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে বদলে যাওয়া নিয়মগুলি

    lpg distribution: গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি থেকে রেলওয়ে টাইম টেবিল! জেনে নিন নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে বদলে যাওয়া নিয়মগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ নভেম্বর থেকে দেশের ১০০টি স্মার্ট শহরে নতুন নিয়মে গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি গ্যাস সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী দিনে দেশজুড়ে নয়া ব্যবস্থা চালু করার ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত সমস্যা এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গ্যাসের ডিলারদের কাছে যে ঠিকানা এবং ফোন নম্বর নথিভুক্ত আছে গ্রাহকদের তা একবার যাচাই করে দেওয়া প্রয়োজন। মোবাইল নম্বর আপডেট না করা থাকলে বা অসম্পূর্ণ বাড়ির ঠিকানার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সমস্যার মধ্যে পড়তে পারেন তাঁরা। এই ব্যবস্থা আপাতত শুধুমাত্র গার্হস্থ্য রান্নার গ‍্যাসের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বাড়িতে পৌঁছে দিতে নয়া ব্যবস্থা চালু করেছে ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম-সহ বিভিন্ন তেল কোম্পানি। এর পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে DAC বা ডেলিভারি অথেনটিকেশন কোড। এই ব্যবস্থায় গ্রাহকের রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি কোড পাঠানো হচ্ছে। ডেলিভারি পার্সন গ্যাস সিলিন্ডার বাড়িতে ডেলিভারির জন্য এলে গ্রাহককে তেল কোম্পানির পাঠানো সেই অথেনটিকেশন কোর্ড (OTP) তাঁকে জানাতে হবে। তেল কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে, এই দু’টি কোড মিললেই তবে গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি করা হবে। 

    আরও পড়ুন: প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছে শি জিনপিংয়ের জিরো-কোভিড টলারেন্স নীতি…   

    ভারতীয় রেলের নতুন টাইম টেবিল
    ১ নভেম্বর থেকে ভারতীয় রেলের নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, কয়েক হাজার ট্রেনের টাইম টেবিল পরিবর্তন হবে। তাই আপনি যদি ১ নভেম্বর বা তার পরে ট্রেনে যাত্রা করবেন বলে ভাবেন,তাহলে অবশ্যই যাত্রার সময় পরীক্ষা করে নিন। ১ নভেম্বর থেকে প্রায় ১৩ হাজার প্যাসেঞ্জার ট্রেন, ৭ হাজার মালগাড়ি এবং ৩০টি রাজধানী এক্সপ্রেসের সময় পরিবর্তন করা হচ্ছে।

     স্বাস্থ্য ও সাধারণ ইন্সিওরেন্স ক্লেইমের জন্য KYC বাধ্যতামূলক
    ইন্সিওরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (IRDAI) ১ নভেম্বর থেকে বিমাকারীদের KYC করা বাধ্যতামূলক করতে পারে। এখনও পর্যন্ত, একটি নন-লাইফ ইন্সিওরেন্স পলিসি কেনার সময় KYC-র বিশদ বিবরণ দিতে হয়, যা আগামী ১ নভেম্বর থেকে বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। KYC সম্পর্কিত নিয়মগুলি নতুন ও পুরনো উভয় গ্রাহকদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। এর আওতায় ইন্সিওরেন্স ক্লেইম করার সময় আপনি KYC নথি না দিলে আপনার ক্লেইম বাতিল হতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Manik Bhattacharya: ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত! এবার সিবিআইয়ের জেরার মুখে মানিক

    Manik Bhattacharya: ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত! এবার সিবিআইয়ের জেরার মুখে মানিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেট নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিপদ বাড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya)। ফের তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত।  সেইসঙ্গে সিবিআইয়ের (CBI) আবেদন মঞ্জুর করে আদালত জানিয়েছে, জেলে গিয়ে মানিককে জেরা করা যাবে। মানিককে জেরা করতে চেয়ে আদালতে একটি পিটিশন জমা দিয়েছিল সিবিআই। তাতেই সম্মতি মিলল। এর ফলে এবার সিবিআই-এর জেরার মুখেও বসতে বাধ্য মানিক। একইসঙ্গে জেরা চলবে ইডি-রও (ED)।

    আরও পড়ুন: ডিসেম্বরেই পতন হচ্ছে তৃণমূল সরকারের? কী বললেন শুভেন্দু?

    শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয় মানিককে।  আদালতে ইডির তরফে দাবি করা হয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে স্ত্রী ও ছেলেকে নামিয়েছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে আদালতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, লেনদেনের অধিকাংশটাই মানিকের স্ত্রী ও ছেলের মারফত হতো। ইডির দাবি, মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রীর সঙ্গে মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী নামের একজনের জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এই মৃত্যুঞ্জয়  ২০১৬ সালে মারা গেলেও তাঁর অ্যাকাউন্টে কয়েক কোটি টাকা রয়েছে বলে দাবি ইডির।

    আরও পড়ুন: সশস্ত্র ও কলমধারী দুই ধরনের নকশালকেই নির্মূল করতে হবে, জানালেন মোদি

    তদন্তকারীদের নজরে বেসরকারি ডিএলএড কলেজ। মানিকের ছেলে শৌভিক ভট্টাচার্যের নামে সেই কলেজ। সেখান থেকে প্রায় ২ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা লাভ হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। পার্থ এবং মানিকের হোয়াটস অ্যাপ চ্যাটও নজরে তদন্তকারীদের। মানিকের ছেলের যে সংস্থা, তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মানিকের কথোপকথনের বিষয়ও ইডির চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, চাকরি বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা পেয়েছেন মানিক। সিবিআই বহুবার মানিককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ থাকায় গ্রেফতার করতে পারেনি। এখন জেলবন্দি মানিককে জিজ্ঞসাবাদ করতে চায় সিবিআই। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। ফলে আরও বিপাকে পড়লেন মানিক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kolkata Dengue: বাংলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ হাজার ছুঁইছুঁই!  প্রশাসনের গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ মানুষ

    Kolkata Dengue: বাংলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ হাজার ছুঁইছুঁই! প্রশাসনের গাফিলতিতে ক্ষুব্ধ মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue)পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বাংলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ হাজার ছুঁইছুঁই। উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্যভবনও। শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ভবন যে বুলেটিন দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ হাজার ৬৬৬ জন। চলতি সপ্তাহে মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৯৩৬ জন। সাপ্তাহিক আক্রান্তের রেখচিত্রে এই সপ্তাহেই সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ঘটেছে।  এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনায়। এ ছাড়া হাওড়া, হুগলি, কলকাতা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। 

    আরও পড়ুন: ফের করোনার দাপট ভারতে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬

    এরই মধ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে রাজ্যে মৃত্যু হল এক পুলিশ (Police) কর্মীর। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) এএসআই (ASI) উৎপল নস্কর বৃহস্পতিবার থেকে সিএমআরআই হাসপাতালে (CMRI Hospital) ভর্তি ছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর,পঞ্চাশোর্ধ ওই পুলিশ কর্মী শনিবার ভোর ৫টা নাগাদ মারা যান। এদিকে পুলিশ বাহিনীর আরও কয়েকজন কর্মী ডেঙ্গি আক্রান্ত বলে পুলিশ সূত্রে খবর। 

    আরও পড়ুন: সিবিআই-এর তলব এড়িয়ে ই-মেল করলেন কেষ্ট কন্যা, কী লিখেছেন চিঠিতে?

    ডেঙ্গির সঙ্গেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ম্যালেরিয়া। চিকিত্‍সকরা বলছেন, একই সঙ্গে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। কমবয়সী ও মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে ডেঙ্গির প্রবণতা। ভালভাবে শীত না পড়া পর্যন্ত ডেঙ্গির প্রকোপ চলবে বলে অনুমান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।  স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খ‍বর, বেশ কিছু জায়গায় মারাত্মক হারে বাড়ছে ডেঙ্গি। তার মধ্যে, শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। গত এক সপ্তাহে কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছে ৭৪৫ জন। ব্যারাকপুর পুরসভায় এক সপ্তাহে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩৬। শ্রীরামপুর পুরসভায় ৪৪০ জন।  বহু জায়গায় ডেঙ্গি প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মানুষ। আবার প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হচ্ছে,সাধারণ মানুষ সচেতন না হলে পুরসভার পক্ষে  ডেঙ্গি ঠেকানো সম্ভব নয়। বাড়িতে জমা জল পরিষ্কারের ব্যাপারে নাগরিক অনিহাকে দায়ী করা হচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • T-20 world cup: কোহলির বদলে কোনও পাক ক্রিকেটার হলে ম্যাচটা হেরে যেত! বিরাট স্বীকারোক্তি কামরান আকমলের

    T-20 world cup: কোহলির বদলে কোনও পাক ক্রিকেটার হলে ম্যাচটা হেরে যেত! বিরাট স্বীকারোক্তি কামরান আকমলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে যে পরিস্থিতিতে থেকে বিরাট কোহলি ম্যাচ জিতিয়েছে, সেখানে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে অন্য ক্রিকেটার হলে  ৩০-৪০ রানে হারত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে কোহলির ইনিংসের ভূয়সী প্রশংসা করলেন কামরান আকমল। সঙ্গে বাবর আজমদের খোঁচা দিতেও ছাড়লেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারটি।

    ঘোর এখনো কাটেনি ক্রিকেট বিশ্বের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T-twenty World Cup) আসরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিরাট কোহলির (Virat Kohli) ম্যাচ জেতানো ইনিংস নিয়ে চর্চা অব্যাহত। গত রবিবার মেলবোর্নে এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে পাকিস্তানকে চার উইকেটে হারায় ভারত। জয়ের জন্য টিম ইন্ডিয়ার (Team India) প্রয়োজন ছিল ১৬০ রান। কিন্তু শুরুতেই রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল, সূর্য কুমার যাদবরা ডাগ আউটে ফিরে যান।

    আরও পড়ুন: হটস্টারের ভিউয়ার্সে রেকর্ড! ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আবেগ -উন্মাদনায় ভাসল ক্রীড়াপ্রেমীরা

    দলের হাল ধরেন বিরাট কোহলি। হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে যোগ করেন ১১৩ রান। এই পার্টনারশিপি পাকিস্তানকে লড়াই থেকে ছিটকে দেয়। শেষ তিন ওভারে দুর্ধর্ষ ব্যাটিং করেন কোহলি। ঠান্ডা মাথায় কিভাবে শত্রুর ডেরায় সফল হামলা চালানো সম্ভব তা দেখিয়ে দিয়েছেন ভিকে। তার সেই অসাধারণ ইনিংসের প্রশংসা শোনা গিয়েছে, পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের মুখে। কোহলিকে ভিনগ্রহের ক্রিকেটার রূপে তুলে ধরেছিলেন ওয়াসিম আক্রাম। এবার বাবর আজমদের খোঁচা দিয়ে পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার কামরান আকমল বলেছেন, ‘ভারতকে যে পরিস্থিতিতে থেকে বিরাট কোহলি ম্যাচ জিতিয়েছে, সেখানে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে অন্য ক্রিকেটার হলে  ৩০-৪০ রানে হারত। আমরা ওই চাপটা নিতেই পারতাম না। কোহলির এই ইনিংস বুঝিয়ে দিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটে ওই আসল রাজা। আমাদের বড় ক্রিকেটারদের বলবো সবাই যেন কোহলির এই ব্যাটিং বারবার দেখে। অনেক কিছু শেখার রয়েছে। চাপের মুখে মাথা ঠান্ডা রেখে কিভাবে কঠিন ম্যাচ বের করতে হয় সেটা দেখিয়ে দিল বিরাট কোহলি। ১৯ তম ওভারে রউফের বলে ব্যাক ফুটে ও যে ছক্কাটা মেরেছে তা সবার পক্ষে সম্ভব হবে না। ওটা বিরাট বলেই পেরেছে। ও কত বড় ব্যাটসম্যান সেটা আমরা আবার দেখতে পেলাম।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • T-20 World Cup: প্র্যাকটিস সেরে মিলল না গরম খাবার! তারপর কী করলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা?

    T-20 World Cup: প্র্যাকটিস সেরে মিলল না গরম খাবার! তারপর কী করলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্র্যাকটিস শেষে ঠিকমতো খাবার না পেয়ে ফিরে আসতে হল হোটেলে। বিরক্ত ভারতীয় ক্রিকেটাররা। টি ২০ বিশ্বকাপে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মঙ্গলবার অনুশীলন করে ভারতীয় দল। মঙ্গলবার প্র্যাকটিসে হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদব, অক্ষর প্যাটেল-সহ সব ফাস্ট বোলারদের বিশ্রাম দেয়া হয়েছিল। বাকি ভারতীয় প্লেয়াররা কয়েকঘণ্টা ধরে কঠোর অনুশীলন করেন। এরপর তাঁরা খাবার টেবিলে গিয়ে দেখেন সেখানে স্যান্ডউইচ ও ফল রাখা রয়েছে। স্যান্ডউইচ ঠান্ডা। ঐচ্ছিক অনুশীলনের শেষে মধ্যাহ্নভোজ সারতে গিয়ে এই ধরনের খাবার দেখে অসন্তুষ্ট হন ক্রিকেটাররা। অনেকেই ঠিক করেন, হোটেলে ফিরে কিছু খাবেন।

    এ প্রসঙ্গে বিসিসিআইয়ের (BCCI) এক কর্তা জানান, ক্রিকেটাররা খাবার বয়কট করেননি, কয়েকজন ফল খান। কিন্তু সকলেরই বক্তব্য ছিল, মধ্যাহ্নভোজের সময় হয়ে গিয়েছে। তাই তারা হোটেলে ফিরেই খাবেন। তিনি বলেন, “আসলে আইসিসি গরম খাবারের ব্যবস্থা করছে না। দ্বিপাক্ষিক সিরিজের সময় অন্য দেশের বোর্ড ক্রিকেটারদের জন্য গরম ভারতীয় খাবার রাখে। কিন্তু আইসিসি সব দেশের প্লেয়ারদের জন্য একই খাবার রাখে। কিন্তু দুই ঘণ্টা ধরে মাঠে কঠোর অনুশীলনের পর শসা, টমেটো এবং অ্যাভাকেডো দিয়ে ঠাণ্ডা স্যান্ডউইচ নিঃসন্দেহে যথেষ্ট খাবার নয়।”

    আরও পড়ুন: হটস্টারের ভিউয়ার্সে রেকর্ড! ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আবেগ -উন্মাদনায় ভাসল ক্রীড়াপ্রেমীরা

    বোর্ড সূত্রে খবর, নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে আজ, বুধবার ভারতীয় দল অনুশীলন করবে না। সেটাও বাধ্য হয়ে।  আইসিসি ভারতের প্র্যাকটিসের বন্দোবস্ত করেছিল ব্ল্যাকটাউনে। যেটা টিম হোটেল থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে। বৃহস্পতিবার সিডনিতে দুটি ম্যাচ রয়েছে। ভারত বনাম নেদারল্যান্ডস ম্যাচের পাশাপাশি রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ। দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের প্র্যাকটিস সেশন কাল সিডনি ক্রিকেটে গ্রাউন্ডে রাখা হলেও ভারতকে কেন এত দূরে প্র্যাকটিসে যেতে বলা হলো তা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলছেন। এর আগে হোটেল নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ভারতীয় প্লেয়াররা। প্র্যাকটিস ম্যাচ চলার সময় অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানকে পাঁচ তারা হোটেলে রাখা হয়। ভারতীয় টিমকে রাখা হয়েছিল চার তারা হোটেলে। তা নিয়েও ক্ষোভ ছিল ভারতীয় দলের।

  • Kali Puja 2022: রাত বাড়তেই বাজির দাপট! শহরের রাস্তায় দেখা মিলল না পুলিশের

    Kali Puja 2022: রাত বাড়তেই বাজির দাপট! শহরের রাস্তায় দেখা মিলল না পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  নিম্নচাপ ভ্রূকুটি দেখালেও কালীপুজোর রাত বাড়তে বৃষ্টির আশঙ্কা কিছুটা কমে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে শব্দ বাজির দাপট। একাংশের অভিযোগ, দীপাবলির রাতে শব্দ দূষণের মাত্রা জানান দেয়,  এই রাতে পুলিশ প্রশাসন ‘ঘুমিয়ে’ ছিল।  রাত বাড়তেই কলকাতার বাগবাজার, শোভাবাজার, গিরিশ পার্কের মতো বসতি এলাকায় শব্দ বাজির দাপট শুরু হয়। রাত বারোটার পরে বেহালার একাধিক জায়গায় রীতিমত ‘বাজি প্রতিযোগিতায়’ নামে ক্লাবগুলো। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, সন্ধ্যা থেকে আতস বাজি পোড়ানো শুরু হয়। যার ধোঁয়ার তীব্রতায় বাইরে তাকানো কঠিন হয়ে যায়। আর রাতে একের পর এক তীব্র আওয়াজ। যা জানান দেয়, শব্দ বাজির দাপট।

    তবে, শুধু কলকাতা নয়। উত্তর চব্বিশ পরগনা, হুগলি, হাওড়া, নদিয়া সহ একাধিক জেলাতেও কালীপুজোর রাতে বাজির দাপটে অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো, কালীপুজোতে সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত পরিবেশ বান্ধব বাজি পোড়ানো যাবে। পরিবেশের দূষণ করে এমন ধোঁয়া ও শব্দ বাজি ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আদালতের নির্দেশকে বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব পুলিশ প্রশাসনের। কিন্তু কলকাতাবাসীদের একাংশ মনে করছেন, এই দায়িত্ব পালনে কার্যত ব্যর্থ প্রশাসন।

    পরিবেশ বান্ধব নয়, এমন বাজি বিক্রি রুখতেই পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। দীপাবলির কয়েক দিন আগে থেকেই প্রকাশ্য রাস্তায় আতস বাজি, শব্দ বাজি দেদার বিক্রি হয়েছে। টালা থেকে টালিগঞ্জ, উত্তর থেকে দক্ষিণ, কলকাতার একাধিক ফুটপাত দখল করেছিলেন বাজি বিক্রেতারা। আর সেই সব অস্থায়ী দোকানে অধিকাংশ বাজি পরিবেশ বান্ধব ছিল না। কিন্তু সেই বাজি বিক্রিতে পুলিশের নজরদারি ও ছিল না। 
    একাংশের মত, পরিবেশ বান্ধব বাজি বিক্রি নিশ্চিত করতে না পারলে, বারবার এই রকম পরিস্থিতিই তৈরি হবে।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ রাজা-রানির থেকেও বেশি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফুসফুস ও হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য এই পরিবেশ একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। যেভাবে কালীপুজোর রাতে আকাশে সাদা ধোঁয়া দেখা গিয়েছে, তাতে স্পষ্ট অধিকাংশ আতস বাজি পরিবেশ বান্ধব ছিলো না। ফলে, এতে বায়ু দূষণ মারাত্মক ভাবে বেড়েছে। এর জেরে ক্রনিক পালমোনারি অবস্ট্রাক্টিভ ডিজিজ কিংবা হাপানি রোগীদের আরও সমস্যা বাড়তে পারে। পাশপাশি শব্দ বাজির জন্য শ্রবণশক্তি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। বিশেষত শিশুদের শ্রবণ ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা ও থাকছে বলে মনে করছেন ইএনটি চিকিৎসকেরা। হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য ও এই পরিবেশ বেশ বিপজ্জনক বলে মত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের। হঠাৎ তীব্র আওয়াজে হৃদরোগীদের সমস্যা বাড়ে। তাই বড় বিপদ ঘটার ঝুঁকি ও থাকে। বিশেষত যাদের পেসমেকার রয়েছে, এমন রোগীদের ক্ষেত্রে এই তীব্র আওয়াজ, সমস্যার সৃষ্টি করে।

    তবে, শুধু মানুষ নয়। অন্যান্য প্রাণীদের জন্য ও এই পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর। বিশেষত, যাদের বাড়িতে পোষ্য রয়েছে, তাদের অধিকাংশ জানাচ্ছেন, কালীপুজোর রাতে বাজির দাপটে, পোষ্যদের শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ভুক্তভোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, বছরের পর বছর এমন পরিস্থিতি চললেও এর সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না। দীপাবলির রাতে পরিস্থিতি খারাপ হলেও অভিযোগ করে বিশেষ লাভ হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই বাজির অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না বলেও ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষকে সচেতন করার দায়িত্ব প্রশাসনের। বেআইনি বাজি বিক্রি রুখবে পুলিশ। কিন্তু সেই ভূমিকা ঠিকমতো পালন না হলে সুস্থ পরিবেশ পাওয়া কার্যত অসম্ভব। কিন্তু এই সব ক্ষেত্রে পুলিশের সক্রিয়তা চোখে পড়ে না।

  • Cyclone Sitrang: কমল সিত্রাংয়ের দাপট! আজ সকাল থেকেই ঝলমলে আকাশ

    Cyclone Sitrang: কমল সিত্রাংয়ের দাপট! আজ সকাল থেকেই ঝলমলে আকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর রাতে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া আর ঝিড়ঝিড়ে বৃষ্টির পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঝলমলে আকাশ। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের (Cyclone Sitrang) বিপদ কেটে গিয়েছে, বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। এদিন আবহাওয়ার ক্রমশ উন্নতি হয়েছে। ভোর রাত থেকেই বৃষ্টি কমে যায়। কমেছে ঝোড়ো হাওয়ার বেগ। তবে এপার বাংলা রক্ষা পেলেও ওপার বাংলা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বিধ্বস্ত। পূর্বাভাস মতো সোমবার রাতে বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ে সিত্রাং। স্থলভাগ ছুঁয়ে সিত্রাংয়ের  গতিপথ এখন ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির দিকে। ভারতীয় মৌসম ভবনের (IMD) তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, ‘গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। এদিন ভোর থেকেই তা দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে এবং তারপর পরবর্তী ৬ ঘণ্টায় আরও দুর্বল হবে।’বাংলাদেশে আঘাত হানলেও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় তেমন কোনও ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, নিম্নচাপ কাটলেও আজও এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে।

    আরও পড়ুন: আজ বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ, কখন শুরু হবে ও কোথায় দেখা যাবে?

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সময় রাত সাড়ে নটা থেকে সাড়ে এগারোটার মধ্যে সিতরাং বাংলাদেশের বরিশালের কাছে তিনকোনা ও সন্দীপের মধ্যবর্তী জায়গায় ল্যান্ডফল করে। সেই সময় তার বেগ ছিল ঘন্টায় প্রায় ৯০ কিমি। রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ সিতরাং-এর অবস্থান ছিল ঢাকা থেকে ৪০ কিমি পূর্বে, আগরতলা থেকে ৫০ কিমি পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং বাংলাদেশের বরিশাল থেকে ১২০ কিমি উত্তর-উত্তর-পূর্বে।

    আরও পড়ুন: উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    দক্ষিণ বাংলাদেশের খেপুপাড়ার কাছে স্থলভাগে আঘাত হানার পর থেকে সেখানে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়ে। বাংলাদেশে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাড়িঘর এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছে। গাছ পড়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এখনও পর্যন্ত দেওয়াল চাপা পড়ে এবং বাড়ি ধসে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে কুমিল্লায় ৩, ভোলায় ২, সিরাজগঞ্জে ২ এবং নড়াইল এবং বরগুনায় ১ জন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘন্টা তাণ্ডব চালানোর পরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং রাতেই বাংলাদেশের সীমা অতিক্রম করেছে। অন্ততপক্ষে ২৮,১৫৫ জন মানুষ ও ২,৭৩৬ গবাদি পশুকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরিয়ে আনা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ স্থানীয় প্রশাসনের তরফে। মঙ্গলবার খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রামে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • Tarapith: তারা মায়ের অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা! জানেন কী কী থাকে তারাপীঠে মায়ের ভোগে?

    Tarapith: তারা মায়ের অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা! জানেন কী কী থাকে তারাপীঠে মায়ের ভোগে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শক্তিপীঠ, সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ (Tarapith)। কালীপুজোয় (Kali Puja 2022)জমজমাট বীরভূমের তারাপীঠ। অনেকে ভাবেন এটি সতীপীঠ কিন্তু তারাপীঠ সতীপীঠ নয়। কথিত আছে, একবার দেবীর মাতৃরূপ দর্শন চান বশিষ্ঠ মুনি ৷ দেবীও নিরাশ করেননি ৷ এখানেই তাঁকে মাতৃরূপে দর্শন দেন দেবী। এখানেই তপস্যা করে সিদ্ধিলাভ করেন তারা মায়ের ভক্ত বামাক্ষ্যাপা। ফলে এটি সিদ্ধ পীঠ হিসেবেও পরিচিত। আজ, সোমবার অমাবস্যায় রীতি মেনে পুজো হবে এখানে। আলোয় সেজে উঠেছে মন্দির চত্বর।

    আরও পড়ুন: জনশ্রুতি, তাঁর নামেই হয়েছে রানাঘাট শহরের নামকরণ, জানুন রণ ডাকাতের কালীপুজোর গল্প

    এদিন সকালে স্নানের পর দেবীর শিলাব্রহ্মময়ী মূর্তিকে রাজবেশে সাজিয়ে তোলা হয়।  পরানো হয় চুনরি। এরপর পঞ্চ উপাচারে মঙ্গলারতি এবং নিত্যপুজো সম্পন্ন হয়। কালী পুজোর দিন খুব সকালে ডাবের জল দিয়ে শুরু হয় মায়ের ভোগ। সকালের ভোগে থাকে পাঁচ রকম বা ন’রকমের ভাজা, সাদা অন্ন, পায়েস ও মিষ্টি। এখানে মাকে পঞ্চব্যঞ্জন সহযোগে ভোগ নিবেদন করা হয় ৷ আমিষ ভোগের মূল উপাদান হল শোল মাছ। ভোগের পাতে এই মাছ না থাকলে ভোগ গ্রহণ করেন না মা তারা। কালীপুজোর দিন তারা ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা। 

    আরও পড়ুন: জানুন, সাতের দশকের কলকাতার ডন ‘ফাটাকেষ্ট ও তাঁর কালীপুজোর গল্প‌’

    দীপান্বিতা অমাবস্যা উপলক্ষ্যে নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে হয় বিশেষ সন্ধ্যারতি। এরপর নিবেদন করা হয় লুচি, পায়েস, সুজি দিয়ে শীতল ভোগ। তারা মায়ের যে ভাবে ভোগ পুজো হয়, সেই একই ভাবে পুজো করা হয় শ্মশান কালীকে। শ্মশানেই রয়েছে মায়ের আসল শিলা পাদুকা। তার পাশে বামদেবের সমাধি। তারাপীঠের নিয়ম অনুযায়ী সন্তানকে খাইয়ে তবেই তারা মা ভোগ গ্রহণ করেন। তাই বামদেবের ভোগ আগে দেওয়া হয়। ভোগের তালিকায় রয়েছে প্রেত ভোগও। ডাকিনী যোগিনীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এই ভোগ শ্মশানেই দেওয়া হয়। রাতে এক বারই এই ভোগ আয়োজন থাকে। বামদেবের খুব প্রিয় কুকুর ছিল শিবা। তার জন্যও থাকে বিশেষ ভোগের আয়োজন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • T20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়-পরাজয়ের দৌড়ে কে কোথায় ?

    T20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়-পরাজয়ের দৌড়ে কে কোথায় ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মাদার অব অল ব্যাটলস’। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে এভাবেই দেখে ক্রিকেট দুনিয়া। বিশ্বের যে প্রান্তই হোক না, দুই প্রতিবেশী দেশের ব্যাট-বলের যুদ্ধ ঘিরে দারুণ উন্মাদনা চোখে পড়ে। একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে একটা সময় একচেটিয়া প্রাধান্য ছিল ভারতের। টি-২০ বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত দুই দলের সাক্ষাৎ ঘটেছে ছ’বার। দেখে নেওয়া যাক, করা কতবার জিতেছে?
    ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব
    প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। ম্যাচ টাই হয়। শেষ পর্যন্ত বোল-আউটে ৩-০ ব্যবধানে জয়ী হয় মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত।
    ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনাল
    ফাইনালে ফের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে ভারত ১৫৭ রান তুলেছিল। জবাবে মিসবা-উল-হকের ৪৩ রানের সুবাদে জয়ের আশা জাগিয়ে তুলেছিল পাকিস্তান। কিন্তু নাটকীয়ভাবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ১৫২ রানে থেমে যায় পাকিস্তানের লড়াই। ৫ রানে ম্যাচ জিতে প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।
    ২০১২ টি-২০ বিশ্বকাপ
    গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ের পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়েছিল ভারত। লক্ষ্মীপতি বালাজির অনবদ্য বোলিংয়ের সুবাদে পাকিস্তানকে ১২৮ রানে আটকে রাখতে সফল হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিল ভারত। ৭৮ রানে অপরাজিত ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি।
    ২০১৪ টি-২০ বিশ্বকাপ
    দাপটের সঙ্গে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছিল ভারত। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৩০ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। জবাবে ন’বল বাকি থাকতেই জয়ের কড়ি জোগাড় করে নেয় ‘মেন ইন ব্লু’।
    ২০১৬ টি-২০ বিশ্বকাপ
    বিশের ফরম্যাটে ভারতের দাপট অব্যাহত থাকে। পর পর পাঁচটি ম্যাচ জেতার পর ভারতের বিরুদ্ধে মুখ থুবড়ে পড়েছিল পাকিস্তান। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ১১৯ রান। কোহলি ফের ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। ১৩ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টিম ইন্ডিয়া।
    ২০২১ টি-২০ বিশ্বকাপ
    অবশেষে চাকা ঘোরে। দুবাইয়ে ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়ে দেয় পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদির পেসের সামনে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা সেভাবে মাথা তুলতে পারেনি। ১৫১ রানেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় কোহলিদের। কিন্তু বাবর আজমরা কোনও উইকেট না হারিয়েই ম্যাচ জিতে যায়।

  • T20 World Cup: হটস্টারের ভিউয়ার্সে রেকর্ড! ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আবেগ -উন্মাদনায় ভাসল ক্রীড়াপ্রেমীরা

    T20 World Cup: হটস্টারের ভিউয়ার্সে রেকর্ড! ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আবেগ -উন্মাদনায় ভাসল ক্রীড়াপ্রেমীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেলবোর্নের বাইশ গজে পাকিস্তানের (Pakistan) বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-twenty World Cup) প্রথম ম্যাচে এক মহাকাব্যিক ইনিংস উপহার দিয়েছেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। ৫২ বলে তাঁর ৮২ রানের অপরাজিত ইনিংসের সুবাদে এক রোমাঞ্চকর জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত (India)। যদি একটা সময় মনে হয়েছিল রোহিত বাহিনীর পক্ষে হয়তো পাকিস্তানের বাধা টপকানো সহজ হবে না। কিন্তু সেই অসাধ্য সাধন করে দেখিয়েছিলেন কোহলি। যা দীপাবলিতে (Diwali) দেশবাসীর কাছে ছিল সবচেয়ে বড় উপহার।

    ভারত পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে বরাবরই বাড়তি উন্মাদনা থাকে। কিন্তু গত রবিবার দুই প্রতিবেশী দেশের ব্যাট-বলের যুদ্ধ অতীতের যাবতীয় পরিসংখ্যানকে ছাপিয়ে গিয়েছে। শুধু ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ডিজনি হটস্টারে এই ব্লকবাস্টার ম্যাচটি দেখেছেন ১.৮ কোটি রেকর্ড দর্শক। টিভিতে কত মানুষ খেলাটা দেখেছেন তার হিসেব পেতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। তবে ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্লাটফর্মে বিপুল ভিউয়ার্স দেখে অনেকেই বিস্মিত। অতীতে কোনও ক্রিকেট ম্যাচে ডিজনি হটস্টারে এত সংখ্যক ভিউয়ার্স হয়নি। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এশিয়া কাপে ভারত পাক ম্যাচ দেখেছিলেন ১.৪ কোটি দর্শক।

    আরও পড়ুন: এক ক্যালেন্ডার বর্ষে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতার রেকর্ড! অস্ট্রেলিয়াকে টেক্কা দিল ভারত

    ভুবনেশ্বর কুমার যখন প্রথম বল করেছিলেন তখন কিন্তু ডিজনি হটস্টারের ভিউয়ার্স ছিল ছত্রিশ লক্ষ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ম্যাচের উত্তেজনা। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ভিউয়ার্সও। পাকিস্তানের ইনিংস যখন শেষ হয় তখন ১.১ কোটি ক্রিকেটপ্রেমী ডিজিটাল প্লাটফর্মে চোখ রেখেছিলেন। ভারতের ইনিংস তখনও শুরু হয়নি। ধীরে ধীরে ভিউয়ার্স বাড়তে থাকে। পৌঁছে যায় ১.৪ কোটিতে। ভারতীয় ব্যাটিংয়ের শুরুতে অনেকেই ম্যাচ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। ভিউয়ার্স নেমে এসেছিল ৩৬ লক্ষে। আসলে রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুলরা দ্রুত ফিরে যাওয়ায় অনেকেরই মনে হয়েছিল ভারত হয়তো জিততে পারবে না। কিন্তু হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে ফের আসা জাগিয়ে তোলেন বিরাট কোহলি। ম্যাচে ফিরে আসে ভারত। শেষ তিন ওভারে টানটান উত্তেজনা ছিল খেলায়। কোহলির দুর্ধর্ষ ব্যাটিং ফের ডিজনি হটস্টারের ডিজিটাল প্লাটফর্মে টেনে আনে ক্রিকেটপ্রেমীদের। অন্তিম বলে অশ্বিন যখন উইনিং শট নেন, তখন ভিউয়ার্স ছিল ১.৮ কোটি। যা সর্বাধিক।

    বলিউডের একাধিক সিনেমা ফ্লপ হওয়ায় আইনক্স এবং পিভিআর এর মত মাল্টিপ্লেক্সে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দুটি সংস্থায় ভারত পাকিস্তান ম্যাচে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখার জন্য দর্শকদের বিপুল উৎসাহ দেখে ভীষণই খুশি। টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২-এর শুরুটা এর থেকে আর ভালো হয় না বলে মনে করছেন সকলেই। এই হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ দেখার পর এবার বিশ্বকাপ বন্ধ করারও দাবি তুললেন অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার মিচেল মার্শ।  তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের বিশ্বকাপ বন্ধ করে দেওয়া উচিত। ভারত পাকিস্তান ম্যাচের থেকে ভালো কিছু হবে না। আমরা এখানে একটা দুর্দান্ত তিন সপ্তাহ কাটাতে এসেছি। ভারত পাকিস্তান ম্যাচ সবসময় দুর্দান্ত হয়। আমি অনুভব করতে পারছি না এই ধরনের ম্যাচে দর্শকদের মধ্যে খেলার অনুভূতি কী হতে পারে।’ 

LinkedIn
Share