Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়
-

T20 World Cup: এক ক্যালেন্ডার বর্ষে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতার রেকর্ড! অস্ট্রেলিয়াকে টেক্কা দিল ভারত
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি ২০ বিশ্বকাপে দুরন্ত সূচনা করেছে ভারত। রোমাঞ্চকর ম্যাচে চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে (India vs Pakistan) চার উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে রোহিত বাহিনী। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভারত গড়ে ফেলেছে এক অনন্য রেকর্ড। এক ক্যালেন্ডার বর্ষে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতার রেকর্ড এখন ভারতের ঝুলিতে। বিরাট কোহলিরা, টপকে গিয়েছেন গতবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে। চলতি বছরের মেন ইন ব্লু ৫৭ টি ম্যাচ খেলে, জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ৩৯ টি। ২০০৩ সালে ৪৭ টি ম্যাচ খেলে অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল ৩৮ টি।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে পাখির চোখ করে বছর শুরু করেছিলেন রোহিত শর্মারা (Rohit Sharma)। এবছর কুড়ি-বিশের ফরম্যাটে বড় সাফল্য আসে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। ক্যারিবিয়ান ব্রিগেডকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেছিল টিম ইন্ডিয়া। সাফল্যের সেই ধারা অব্যাহত থাকে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। টি-টোয়েন্টি সিরিজে দ্বীপ রাষ্ট্রকে দ্রাবিড়ের ছেলেরা হারিয়েছিলেন তিন শূন্য ব্যবধানে। আর টেস্ট সিরিজের ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। এরপর পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ফের দেশের মাটিতেই দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়েছিল রোহিত বাহিনী। তবে এই সিরিজ ২-২ ব্যবধানে শেষ হয়। কারণ বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছিল পঞ্চম ম্যাচটি।এরপর ভারতীয় দল পাড়ি দিয়েছিল। ইংল্যান্ডে। একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি সুখের না হলেও, টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে সিরিজ দুই-এক ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। বিরাট কোহলিরা যখন ইংল্যান্ডের টেস্ট খেলতে ব্যস্ত ছিলেন তখন ভিভিএস লক্ষণের প্রশিক্ষণে ভারতের দ্বিতীয় দলটি আয়ারল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি সিরিজে অংশ নিয়েছিল। জয় এসেছিল প্রত্যাশিত পথেই (২-০)। ভারতীয় দল গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে ৩-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। আর একদিনে সিরিজে মেন ইন ব্লু ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধেও সিরিজ জেতে ভারত। -

Diwali 2022: হোয়াইট হাউসে দীপাবলি পালন! প্রদীপ জ্বালালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমুদ্র পারেও পালিত হল দীপাবলি। হোয়াইট হাউসে ধূমধাম করে দীপাবলির (Diwali) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হল। নিজের হাতে প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। দীর্ঘদিন ধরে হোয়াইট হাউসে দীপাবলি পালন করা হলেও প্রথমবার এত জাঁকজমক চোখে পড়ে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকার ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস সহ বিশিষ্ট জনেরা। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে আতসবাজি ফাটাতেও দেখা গিয়েছে।
In celebration of the Festival of Lights, President Biden and the First Lady hosted a Diwali reception at the White House. pic.twitter.com/3kGqCgEebK
— The White House (@WhiteHouse) October 25, 2022
আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বলেছেন, “গোটা বিশ্ব জুড়ে প্রায় একশো কোটি মানুষ আজ দিওয়ালির উৎসব পালন করছেন। মন্দকে পরাজিত করে ভালো-র জয় উদযাপন করতে প্রদীপ জ্বালিয়েছেন সকলে। দিওয়ালির দিনে অজ্ঞানতা আর অন্ধকারের বিনাশ ঘটে। জয়ী হয় আলো আর জ্ঞান।” ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা আরও বলেছেন, “দিওয়ালির দিনে জগতের সমস্ত আলোকিত বিষয়গুলির দিকে আমাদের নজর দেওয়া উচিত। অশুভ শক্তি যতই আমাদের হিংসার দিকে ঠেলে দিক না কেন, আমরা যেন শুভবুদ্ধির আলো সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারি।”
To everyone celebrating the Festival of Lights here in the United States and around the world, happy Diwali! pic.twitter.com/0DPlOaqhMO
— Vice President Kamala Harris (@VP) October 24, 2022
অন্তত ২০০ জন ভারতীয়কে হোয়াইট হাউসের (White House) এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। নাচ গানে ছিল ভারতের ছন্দ, তাল, সুর। হোয়াইট হাউসে উপস্থিত সকলেই সামিল হয়েছিলেন এই আনন্দ উৎসবে। বলিউডের গানে নাচ আর ভারতীয় সেতারবাদক ঋষভ শর্মার সুরের মূর্চ্ছনায় ভরে ওঠে সন্ধ্যা। ভারতীয় পোশাকেই সেজে উঠেছিলেন অতিথিরা। ছিল ভারতীয় ভোজনের ব্যবস্থা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনও। কোভিড পরবর্তী সময়ে আমেরিকাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ভারত-সহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির ভূমিকা অনস্বীকার্য, এমনটাই মত বাইডেনের। তিনি বলেছেন, “সকলের জন্য সমান ভাবে কাজ করে মার্কিন অর্থনীতি। আর সেই শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছে দক্ষিণ এশীয় গোষ্ঠী।”
-

bhai phonta: দুদিন ভাইফোঁটা! জেনে নিন কখন এবং কীভাবে ভাইকে ফোঁটা দেবেন
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা/যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা এই মন্ত্র উচ্চারণ করেই ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেয় বোনেরা। ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে। ভাইয়েরাও বোনেদের জন্য প্রার্থনা করে। আর দাদারা তাঁদের আশীর্বাদী হাত রাখে বোনেদের মাথায় । দিদিরাও ভাইদের বড় হওয়ার আশীর্বাদ করে। প্রতিবছর কার্তিক মাসের শুক্ল পক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে ভ্রাতৃ দ্বিতীয়া বা ভাই ফোঁটা পালিত হয়। তবে এ বছর ভাই ফোঁটা দুই দিন। কারও মতে ২৬ অক্টোবর ভাই ফোঁটা আবার কেউ কেউ ২৭ অক্টোবর ভাই ফোঁটা পালন করবেন।
আরও পড়ুন: জনশ্রুতি, তাঁর নামেই হয়েছে রানাঘাট শহরের নামকরণ, জানুন রণ ডাকাতের কালীপুজোর গল্প
পঞ্জিকা অনুযায়ী ২৬ অক্টোবর দুপুর ২টো ৪২ মিনিট থেকে দ্বিতীয়া তিথি শুরু হচ্ছে। যা ২৭ অক্টোবর ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। অর্থাৎ ২৬ ও ২৭ অক্টোবর এই দুই দিনই দ্বিতীয়া তিথি থাকবে। শাস্ত্রে ভ্রাতৃ দ্বিতীয়া তিথিটি যম দ্বিতীয়া নামেও পরিচিত। এই তিথিতে নিজের বোন যমুনার বাড়ি যান যম। কাহিনি অনুযায়ী কার্তিক শুক্ল পক্ষের দ্বিতীয়া তিথি বোনের নিমন্ত্রণ স্বীকার করে তাঁর বাড়ি যান যম। সে দিন যমুনার পুজো গ্রহণ করে তাঁর গৃহ ভোজন করেন তিনি। যমুনা আশীর্বাদ চাইলে যম বলেন যে, এই তিথিতে যে ভাই নিজের বোনের বাড়ি গিয়ে তাঁর পুজো স্বীকার করবে ও তাঁর হাতে তৈরি রান্না গ্রহণ করবে, তাঁর ভাগ্যে অকালমৃত্যুর ভয় থাকবে না।
আরও পড়ুন: জানুন, সাতের দশকের কলকাতার ডন ‘ফাটাকেষ্ট ও তাঁর কালীপুজোর গল্প’
এই পবিত্র দিনে বোনেরা ভাইয়ের কপালে চন্দনের ফোঁটা দেন। বাস্তুতন্ত্র অনুসারে ভাইকে ফোঁটা দেওযার সময় তাঁর মুখ যেন পূর্ব, উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে থাকা উচিত। এই দিনে ভাইকে ফোঁটা দেওয়ার আগে কিছু খাওয়া উচিত নয়। ভাইফোঁটার দিন ভাই-বোনেরা যেন নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করবেন না। ভাইয়ের থেকে পাওয়া উপহার যেমনই হোক না কেন ,তাকে ও তার দেওয়া উপহারকে কখনও অসম্মান করবেন না। ভাইফোঁটার দিন কপালে ফোঁটা দেওযার আগে দুজনেই কিছু খাবেন না। ওই দিন মিথ্যা কথা একেবারেই বলবেন না। পুজোর সময় কালো কাপড় একেবারেই পরবেন না।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
-

Dhanteras: ২৭ বছর পর দুদিন ধনতেরাসের যোগ! জানুন কখন ঘরে আনবেন সোনা-রুপো
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর দু’দিন আগে ত্রয়োদশীতে পালিত হয় ধনতেরস উৎসব। ধনতেরস কথাটি এসেছে ধন এবং তেরস এই দুই শব্দের মিলনে। এর মধ্যে ধনের অর্থ হল সম্পদ। আর, তেরসের অর্থ হল তেরো বা ত্রয়োদশী। পঞ্জিকা অনুযায়ী যা কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী তিথি। এই বিশেষ তিথিতে লক্ষ্মী, কুবের এবং ধন্বন্তরীর পুজো করা হয়। তাতে আরোগ্য, ধন, আয়ু-সহ বিভিন্ন আশীর্বাদ মেলে বলেই বিশ্বাস। এদিন সোনা,রুপো,কাঁসা, পিতল-সহ বিভিন্ন মূল্যবান ধাতু এবং নির্দিষ্ট কিছু জিনিস কেনার চল রয়েছে।
আরও পড়ুন: জনশ্রুতি, তাঁর নামেই হয়েছে রানাঘাট শহরের নামকরণ, জানুন রণ ডাকাতের কালীপুজোর গল্প
২৭ বছর পর এবার দু’দিন ধরে ধনতেরসের শুভমুহূর্ত পড়েছে। দৃক সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে এবছর ধনতেরস পড়েছে শনিবার ২২ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ১ থেকে পরদিন রবিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। আবার, অন্য পঞ্জিকা মতে শনিবার ২২ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা ২ নাগাদ শুরু হবে ধনতেরস। থাকবে রবিবার ২৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা ৩ পর্যন্ত। ধনতেরসের পুজো শনিবার শেষ হবে রাত ৮টা ১৭-র মধ্যে। পুরাণ মতে, এদিন আবির্ভাব হয়েছিল দেবতাদের চিকিৎসক ধন্বন্তরীর। সমুদ্র মন্থনের ফলে দেবী লক্ষ্মীর পাশাপাশি অমৃতের কলসি হাতে দেবতাদের বৈদ্য ধন্বন্তরীও উঠে এসেছিলেন। তাই এদিন তাঁরও আরাধনা করা হয়। এই বিশেষ দিনে কোনও ধাতব পাত্র কিনে আনতে হয়। তবে কখনওই সেই পাত্র খালি নিয়ে ফিরবেন না। বরং তাতে চাল,দুধ কিংবা শস্যদানা ভরে নিয়ে ফিরতে হয়। তবেই পরিবারের শ্রীবৃদ্ধি হয়।
আরও পড়ুন: জানুন, সাতের দশকের কলকাতার ডন ‘ফাটাকেষ্ট ও তাঁর কালীপুজোর গল্প’
শাস্ত্র আনুযায়ী, এই দিনটিতে ধনের দেবতা কুবেরেরও আবির্ভাব ঘটে। আজ, সন্ধ্যায় একটি রৌপ্য মুদ্রা কিনুন যার উপর গণেশ-লক্ষ্মী চিত্রিত রয়েছে। জাফরানের তিলক দিয়ে তাদের পূজা করুন এবং লাল বা হলুদ কাপড়ে রাখুন। এমনকি দীপাবলির পূজাতেও এই মুদ্রা বা মূর্তিগুলির পূজা করুন এবং তারপরে সেগুলি আপনার লকারে রাখুন। দেখবেন আপনার জীবনে কোনওদিন অর্থের অভাব হবে না। ঘরে দারিদ্র্য যোগ দূর হবে বলেই বিশ্বাস অনেকের।
-

Sukhoi: ব্রহ্মোস বহনে সুখোই-এর আধুনিকীকরণ করছে বায়ুসেনা! জানেন কী হবে এর প্রভাব?
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুশ নির্মিত মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্ট “সুখোই ৩০-এমকেআই” হল ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান স্তম্ভ। আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বহনের জন্য এই বিমানের আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বহনের জন্য ৪০টি সুখোই-৩০ এম কে আই-এর আধুনিকীকরণ করছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ব্রহ্মোস ৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। কিন্তু এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। সেক্ষেত্রে ব্রহ্মোস বহনের জন্য সুখোই-এর আধুনিকীকরণও জরুরি। সেই পরিকল্পনা নিয়েই চলছে বায়ুসেনা।
আরও পড়ুন: শীতের শুরুতে আরেকটা করোনার প্রকোপ? সতর্কতা জারি করল ‘হু’
বায়ুসেনা সূত্রে খবর, ব্রহ্মোস বহনের জন্য সুখোই-এর বেশ কিছু অংশকে আরও শক্ত করতে হবে। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এই কাজ সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে করবে হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)। ইতিমধ্যেই ৩৫ টি ফাইটার জেটের আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আরও ২০ থেকে ২৫ টি ফাইটার জেট উন্নত করা হবে। বিশ্বের অন্যতম সেরা চতুর্থ প্রজন্মর যুদ্ধবিমান হল এই সুখোই-৩০। এর আধুনিকীকরণ করা হলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, গোটা এশিয়াতে এটি গেম চেঞ্জার হয়ে উঠতে পারে।
আরও পড়ুন: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ ওঠায় পূর্বতন শাসকদের দুষলেন মোদি
প্রধানত এয়ার-টু-এয়ার সুপিরিওরিটি যুদ্ধবিমান হল সুখোই-৩০। অর্থাৎ, মাঝ-আকাশে ডগ-ফাইটে এই বিমানের জুড়ি মেলা ভার। এই বিমান শত্রুর কোনও সামরিক ঘাঁটি বা ভূমিতে থাকা কোনও লক্ষ্যবস্তুকে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। সুখোইয়ের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২ হাজার ১২০ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ টেক-অফ লিফ্ট ৩৮ হাজার ৮০০ কেজি। বিভিন্ন ধরনের বম্ব, রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম সুখোই। মোট বহন ক্ষমতা প্রায় ৮ হাজার কেজি। দুই আসন বিশিষ্ট, দুই ইঞ্জিনের সুখোইতে রয়েছে একটি ৩০এমএম বন্দুক। মাঝারি পাল্লার গাইডেড এয়ার-টু-এয়ার, ইনফ্রারেড হোমিং স্বল্প পাল্লার মিসাইল সহ একাধিক ক্ষপণাস্ত্র বহন করতে পারে সুখোই। পারমাণবিক অস্ত্রবহন করতেও সক্ষম সুখোই-৩০। এবার এই বিমানে বিশ্বের একমাত্র সুপারসনিক ব্রহ্মোস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের এয়ার-ভার্সান অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। একবার তা সম্পন্ন হলে, সুখোই-৩০ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠবে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
-

T20 World Cup: দেখা যাবে না ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো! টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার-১২ এ পৌঁছতেই পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের লজ্জা। টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২-এর যোগ্যতা অর্জন করতে পারল না দু’বারের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যাঁদের শেষ চারে দেখার আশা প্রকাশ করেছিলেন ক্যারিবিয়ান তারকা ক্রিস গেইল তারা যোগ্যতাই অর্জন করতে পারল না। ২০১২ ও ২০১৬। টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু শুক্রবার আয়ারল্যান্ডের কাছে ৯ উইকেটে হেরে এবারের প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হল ক্যারিবিয়ানদের।
হোবার্টে শুক্রবার টস জিতে শুরুতে ব্যাটিং নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৪৬ রান করে ক্যারিবিয়ানরা। লড়াই করেন একমাত্র ব্র্যান্ডন কিং। চার নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে তিনি ৪৮ বলে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ৬টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের আর কোনও ব্যাটার বড় রান পাননি। ১৫ বল বাকি থাকতেই মাত্র এক উইকেট হারিয়ে সেই রান টপকে যায় আইরিশরা। ৬৬ রান করে অপরাজিত থাকে ওপেনার পল স্টার্লিং। তাঁর ৪৮ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি বাউন্ডারি ও একজোড়া ছক্কা। অপর ওপেনার অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বলবির্নি ২৩ বলে ৩৭ রান করেন। তিন নম্বরে নামা লরকান টাকার ৩৫ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।
আরও পড়ুন: দীর্ঘ সাত বছর পর বাংলাদেশ সফরে যাবে ভারতীয় ক্রিকেট টিম, দেখে নিন সূচি
গ্রুপ পর্যায়ে তিন ম্যাচের মধ্যে দু’টিতেই হেরে গেলেন জেসন হোল্ডার, নিকোলাস পুরানরা। প্রথম ম্যাচে তাঁদের সহজেই হারিয়ে দিয়েছিল স্কটল্যান্ড। ব্যাটিং ব্যর্থতার জেরে সেই ম্যাচে ৪২ রানে হারতে হয় ক্যারিবিয়ানদের। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে ৩১ রানে হারিয়ে সুপার ১২-এর আশা জিইয়ে রাখতে সক্ষম হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এদিন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও জয় দরকার ছিল। কিন্তু ব্যর্থ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হতাশ ক্রিকেটপ্রেমীরা। টি২০ বিশ্বকাপে এবারের মতো আর দেখা যাবে না ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
-

Bhai phonta: ভাইফোঁটার শুরু কবে জানেন? এর পিছনের গল্পগুলো ভারি সুন্দর
শুভ্র চট্টোপাধ্যায়: জলযোগে বিভিন্ন রকমের মিষ্টি জাতীয় খাবার, লুচি,ঘুগনি। দুপুরে মাংস অথবা মাছ ভাত। ভাইফোঁটা মানেই যে কোনও বাঙালি বাড়ির পাতে এগুলো থাকবেই। সাধারণত কালীপুজোর এক দিন পর সম্পন্ন হয় ভাইফোঁটা। এবছর অবশ্য ব্যতিক্রম। সকাল থেকেই বাঙালি বাড়িতে ব্যস্ততা তুঙ্গে ওঠে। একদিকে জলযোগের আয়োজন তো অন্যদিকে সাজগোজ। ভাই-দাদারা পাঞ্জাবি পড়বে তো দিদি-বোনেরা শাড়ি। হিন্দু ধর্মের যে কোনও পুজো বা ব্রত সম্পন্ন হয় পরিবার, আত্মীয় স্বজনদের মঙ্গল কামনার উদ্দেশ্যে। ভাইফোঁটা হলো ভাই ও বোনের মঙ্গল কামনার ব্রত। উভয়ের জীবনেই যেন সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি বিরাজ করে , সেই প্রার্থনাই ভাই-বোনেরা একে অপরের উদ্দেশ্যে করে থাকে এই বিশেষ তিথিতে।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, এই উৎসব কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়াতে উদযাপিত হয়। মাঝেমধ্যে এটি শুক্লপক্ষের প্রথম দিনেও উদযাপিত হয়ে থাকে। বাঙালির ঘরোয়া এই উৎসবে অন্যান্য পুজোর মতো রীতি, আচার বা মন্ত্রোচ্চারণ সেভাবে নেই বললেই চলে। ছড়ার মতো পাঠ করা হয় –
“ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা।
যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা,
আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা”॥ভাইফোঁটা যেন বাঙালির নিজস্ব উৎসব। সবকিছুতেই বাঙালি মোড়ক। তবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভাইফোঁটার বিভিন্ন নাম রয়েছে। উত্তর ও পশ্চিম ভারতের এই উৎসব ভাইদুজ নামে পরিচিত। সেখানে ভাইফোঁটা পাঁচ-দিনব্যাপী দীপাবলি উৎসবের শেষদিন। আবার, মহারাষ্ট্র, গোয়া ও কর্ণাটকে ভাইফোঁটাকে বলে ভাইবিজ। নেপালে ও পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলে এই উৎসব পরিচিত ভাইটিকা নামে পরিচিত। ভাঁইফোটা, ভাই ও বোনদের উপহার পাওয়ার দিনও বটে। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে আধুনিক প্রজন্মকে ভাঁইফোটার দিন ভাই ও বোনদের জন্য পছন্দ মতো ‘গিফট আইটেম’ কিনতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও সামাজিক সদ্ভাবনার উদ্দেশ্যে গণ ভাইফোঁটার আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন: হিন্দু যুবককে গোমাংস খাইয়ে, সুন্নত করিয়ে ইসলামে দীক্ষা, কাঠগড়ায় কং নেতা সহ ১১
ভাইফোঁটার নেপথ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি পৌরাণিক কাহিনী। কথিত আছে, সূর্যদেব ও তার পত্নী সংজ্ঞার যমুনা নামে কন্যা এবং যম নামে পুত্র সন্তান ছিল। পুত্র কন্যা সন্তানের জন্মের পরে সূর্যদেবের উত্তাপ স্ত্রী সংজ্ঞা সহ্য করতে পারতেন না। তিনি তখন নিজের প্রতিলিপি ছায়াকে স্বর্গলোকে রেখে মর্তে নেমে আসেন। সংজ্ঞার প্রতিরূপ হওয়ার কারনে, দেবতারা ছায়াকে চিনতে পারে না। স্বর্গে বিমাতা ছায়া যমুনা ও যমের প্রতি দুর্ব্যবহার করতে শুরু করেন। কিন্তু ছায়ার মোহে অন্ধ সূর্যদেব কোন প্রতিবাদ না করায় অত্যাচারের মাত্রা দিনের পর দিন বাড়তেই থাকে। এভাবেই একদিন বিমাতা কর্তৃক স্বর্গরাজ্য থেকে বিতাড়িত হন যমুনা। যমুনার বিয়ে হয় এক উচ্চ বংশ জাত পরিবারে। বিয়ের পর দীর্ঘকাল যমুনাকে দেখতে না পেয়ে মনে আকুলতা তৈরী হয় যমের। এরপরই মন শান্ত করতে দিদির বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় যম। কালী পুজোর দুদিন পরে যমুনার বাড়ি পৌঁছায় যম। ভাই এর আগমনে তারজন্য জন্য নানা রকমের খাবারের আয়োজন করেন দিদি যমুনা। দিদির আন্তরিকতায় ও ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে দিদিকে উপহার স্বরূপ বরদান প্রার্থনা করতে বলেন যম। সেই সময় যমুনা ভাইয়ের কাছে প্রার্থনা করেন যে, ‘ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার দিন প্রত্যেক ভাই যেন তার বোনের কথা স্মরণ করে এবং প্রত্যেক বোন যেন তার ভাইয়ের মঙ্গল ময় দীর্ঘ জীবন কামনা করে।’ তখন থেকেই নাকি ভাইফোঁটার প্রচলন।
অন্য একটি পৌরাণিক মত হলো , নরকাসুর বধের পূর্বে শ্রী কৃষ্ণ , সুভদ্রার কাছে আসেন। সুভদ্রা তখন শ্রী কৃষ্ণের মঙ্গল ও বিজয় কামনা করে , কপালে ফোঁটা দিয়ে মিষ্টি খেতে দেন শ্রী কৃষ্ণকে। এরপরই নরকাসুরকে বধ করেন শ্রী কৃষ্ণ। আবার আরও একটি কাহিনী হলো, বালির হাতে পাতালে বন্দি হন ভগবান বিষ্ণু। তখন মাতা লক্ষ্মী বালিকে ভাই হিসেবে স্বীকার করে তাঁর কপালে তিলক এঁকে দেন। বালি উপহার স্বরূপ মাতা লক্ষ্মীকে কিছু দিতে চাইলে , দেবী লক্ষ্মী ভগবান বিষ্ণুকে চেয়ে নেন। তখন থেকেই নাকি ভাঁইফোটা প্রচলিত।
-

Saurav Ganguly: সরে দাঁড়ালেন সৌরভ, সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়, আর কে কে কোন পদে?
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়ালেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সিএবির (CAB Election) নির্বাচনে সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দিলেন না তিনি। পরিবর্তে তাঁর দাদা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় (Snehasish Ganguly) বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বঙ্গীয় ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার শীর্ষস্থানে বসবেন।
বিসিসিআই (BCCI) সভাপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার সৌরভ ঘোষণা করেছিলেন, তিনি সিএবি’র নির্বাচনে লড়বেন। শনিবারই তাঁর মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি দেননি। তার পরেই জল্পনা শুরু হয়েছিল প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে ঘিরে। তাহলে কি সৌরভ সিএবি সভাপতি পদে লড়বেন না? সেটাই সত্যি হল। রবিবার সিএবিতে এসে নিজের ঘরে ডেকে নেন সংস্থার বাকি সদস্যদের। সেখানেই তিনি মনোনয়ন জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন।
আরও পড়ুন: বিরাট-ব্যাটে মুগ্ধ ক্রিকেট বিশ্ব! পাক-বধে কোহলির ইনিংসে আপ্লুত শচীন থেকে যুবি
সৌরভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম সিএবি’র সভাপতি পদে ভোটে লড়ব। কিন্তু ভোট হচেছ না। বিরোধীরা কোনও প্রার্থী দেননি। তাই বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বতায় সবাই জয়ী হবে। আমি চাইলেই সিএবি সভাপতি পদে বসতে পারতাম। কিন্তু সেটা ঠিক হত না। অন্যদেরও কাজের সুযোগ দেওয়া উচিত। আপাতত তিন বছর আমি ক্রকেট প্রশাসন থেকে দূরে থাকব। দেখা যাক তার পর কী হয়।’
সৌরভ দ্বিতীয়বার বিসিসিআই সভাপতি না হওয়ার পর তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে ফেসবুকে তাঁকে খোঁচা দিয়ে একটি লেখা পোস্ট করেছিলেন। শুধু তাই নয়, বিশ্বরূপবাবু লিখেছিলেন, সৌরভ সিএবি কিংবা বিসিসিআই সভাপতি হয়েছেন ভোটে না লড়ে। তৃণমূল নেতার এই মন্তব্য আঘাত করেছিল মহারাজকে। তাই হয়তো তিনি আবেগের সঙ্গে সিএবি’র সভাপতি পদে লড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বলে মত তাঁর ঘনিষ্ঠদের। তবে যখন তিনি বুঝতে পেরেছেন, সিএবিতে এখন বিরোধী বলে কিছু নেই, তাই সরে এলেন সৌরভ। বরং পদে না থেকেও রিমোট থাকবে তাঁরই হাতে। কারণ, সিএবি যাঁরা আগামী তিন বছর পরিচালনা করবেন, তাঁরা প্রত্যেকেই সৌরভ অনুগামী।
আরও পড়ুন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন রজার বিনি! জানেন তিনি কে?
দেখে নেওয়া যাক সিএবিতে কে কোন পদে বসছেন—
সভাপতি-স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়
সহ-সভাপতি-অমলেন্দু বিশ্বাস
সচিব-নরেশ ওঝা
কোষাধ্যক্ষ-প্রবীর চক্রবর্তী
যুগ্নসচিব-দেবব্রত দাসদেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।
-

T20 World Cup: বিরাট-ব্যাটে মুগ্ধ ক্রিকেট বিশ্ব! পাক-বধে কোহলির ইনিংসে আপ্লুত শচীন থেকে যুবি
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেলবোর্নে টি-২০ বিশ্বকাপে (T-20 World Cup) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের (India vs Pakistan) অবিশ্বাস্য জয়ের নায়ক বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। ৫৩ বলে তাঁর সংগ্রহ অপরাজিত ৮২ রান। অতীতেও অনেক ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছেন কোহলি। তবে চাপের মুখে পাকিস্তানের মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে যেভাবে তিনি একা ম্যাচটা বের করেছেন, তা দেখে বিস্মিত ক্রিকেট মহল। শচীন তেন্ডুলকর, থেকে সুনীল গাভাসকর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় থেকে ইয়ান বিশপ, প্রত্যেকেই কোহলির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্ক ও ট্যুইটে জানান,
Geeze I don’t think I can ever recall a better game of T20 cricket than what we’ve just seen at the MCG. Amazing stuff from both teams. Virat’s dig one of a kind.👏👏
— Mark Waugh (@juniorwaugh349) October 23, 2022
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন তারকা ব্যাটসম্যান এবি ডি’ভিলিয়ার্সের সঙ্গে বিরাটের বন্ধুত্ব সকলেরই জানা। তাঁরা একসঙ্গে খেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কঠিন সময়ে বার বার কোহলির পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে এবি’কে।
Virat, that was incredibly special my friend! The best of the best👏
— AB de Villiers (@ABdeVilliers17) October 23, 2022
সুদিনেও বন্ধুর জয়গান শোনা গেল ডিভিলিয়ার্সের কণ্ঠে।
.@imVkohli, it was undoubtedly the best innings of your life. It was a treat to watch you play, the six off the back foot in the 19th over against Rauf over long on was spectacular! 😮
Keep it going. 👍 #INDvPAK #T20WorldCup pic.twitter.com/FakWPrStMg— Sachin Tendulkar (@sachin_rt) October 23, 2022
কোহলিতে মুগ্ধ শচীন তেন্ডুলকর ট্যুইটবার্তায় জানান, ‘প্রশ্নাতীতভাবে এটাই যে তোমার জীবনের সেরা ইনিংস, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। ১৯তম ওভারে রউফের বলে ব্যাকফুটে গিয়ে লং অন দিয়ে তোমার ছক্কা মারা দেখে আমি অভিভূত। তুমি এগিয়ে চলো।’
At a loss for words… Wouldn’t have preferred anyone else with me out there @imVkohli 👑🫡 One of the best games of my life 🇮🇳 pic.twitter.com/jWge1qy5lj
— hardik pandya (@hardikpandya7) October 23, 2022
হার্দিক পান্ডিয়া বলেন, ‘আমি বাকরুদ্ধ। বিরাট ভাইয়ের এই মহাকাব্যিক ইনিংসের বর্ণনা দেওয়ার মতো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। এটা আমার জীবনের অন্যতম একটি সেরা ম্যাচ।’
A match for the ages! A match that’ll go down in the history books. Well done India 🇮🇳 Well done @imVkohli 👏 pic.twitter.com/Fs5bDFe2jW
— Jasprit Bumrah (@Jaspritbumrah93) October 23, 2022
যশপ্রীত বুমরাহের কথায়, ‘এই ম্যাচ ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। দুর্দান্ত খেলেছে ভারত। অনবদ্য ব্যাটিং বিরাট কোহলির।’
Kept his cool @ashwinravi99 leaving that ball for a wide !!! What a game unbelievable!!’ #indiavspak is always more than a game ‘ it’s an emotion !!! 🇮🇳 greatness personified @imVkohli 👏
— Yuvraj Singh (@YUVSTRONG12) October 23, 2022
ওয়েস্টইন্ডিজের প্রাক্তন বোলার ইয়ান বিশপ
Oh my gosh. What a game #ICCT20WorldCup That was wild!!!!
— Ian Raphael Bishop (@irbishi) October 23, 2022
অসি তারকা ব্র্যাড হগ জানান,
Pakistan and India thank you for not letting the hype before the game turn into a fizzle. Another great match between you both, need more of it. Fans of both teams be proud of all players. #INDvPAK #T20worldcup22
— Brad Hogg (@Brad_Hogg) October 23, 2022
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার মারনাস লাবুসানেও আপ্লুত কিং কোহলিকে দেখে
Wow this game is unbelievable!!! 🤯🤯 #INDvsPAK
— Marnus Labuschagne (@marnus3cricket) October 23, 2022
দক্ষিণ আফ্রিকার ডেল স্টেইন ট্যুইট করে জানিয়েছেনThis game is ridiculous!!!!
— Dale Steyn (@DaleSteyn62) October 23, 2022
-

Dhanteras: ধনতেরাসের পিছনে রয়েছে নানান কাহিনী! জানেন এই টুকরো গল্পগুলি?
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। বিশেষত এই সময়টা অর্থাৎ শরৎকাল এবং হেমন্তকাল যেন পুজোর ঋতু। মহালয়া থেকে শুরু, দুর্গাপূজা ,লক্ষ্মী পুজো, কালীপুজো। পরপরই চলতে থাকে। কিন্তু কালীপুজোর ঠিক একদিন আগে পালন করা হয় আরো একটি উত্সব, যার নাম ধনতেরাস। দীপাবলীর দিন অর্থাৎ কালীপুজোর আগে অলক্ষীকে বিদায় করে লক্ষ্মী পুজোর রীতি রয়েছে। এই লক্ষ্মী পুজোর আগে পালিত হয় ধনতেরাস। ধন শব্দের অর্থ সম্পদ, এবং তেরাস শব্দের অর্থ ত্রয়োদশী। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কার্তিক মাসের ১৩ তম দিনে কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে এই উত্সব পালিত হয়। আলোর ঝরনায় যখন মেতে ওঠে সম্পূর্ণ বিশ্ব ,তখন আত্মীয় স্বজন, পরিবারের মঙ্গল কামনায় এবং ধন-সম্পদের আশায় বহু মানুষ দেবতা কুবেরের আরাধনা করেন। কুবের হলো ধন দেবতা। বিশ্বাস মতে, এই দিন কোন না কোন মূল্যবান ধাতু, বাসনপত্র অথবা নতুন পোশাক কিনলে মা লক্ষ্মী সন্তুষ্ট হন। আশীর্বাদ করেন তাঁর ভক্তদের। ধনতেরাসকে ঘিরে রয়েছে অজস্র পৌরাণিক কাহিনী। তারই মধ্যে একটি জনপ্রিয় কাহিনী হলো, প্রাচীন কালে হিম নামে এক রাজা ছিলেন। তাঁর পুত্রের একটি অভিশাপ ছিল যে বিয়ের চার দিনের মাথায় তাঁর সর্প দংশনে মৃত্যু হবে। এই দিনের কথা সকলেই জানতেন। তাই স্বামীকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানোর জন্য নববধূ সারারাত স্বামীকে ঘুমাতে দেননি, নানা কৌশলে জাগিয়ে রেখেছিলেন তাঁর স্বামীকে।
তাঁদের শয্যা কক্ষের বাইরে প্রচুর ধন-সম্পদ, সোনা রুপোর গয়না, বাসনপত্র সাজিয়ে রেখেছিল নববধূ। ঘরের সর্বত্র প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছিলেন। এতো ভালো, উজ্জ্বল ,আলোকময় পরিবেশের জন্য সারারাত সেই ঘরে কোনো সাপ প্রবেশ করতে পারেনি। স্বামীকে জাগিয়ে রাখার জন্য সারারাত নববধূ গল্প এবং গান করে কাটিয়ে ছিলেন।
পরদিন মৃত্যুর দেবতা যমরাজ সেখানে আসেন। ঘরের দরজায় গয়নার জৌলুস এবং প্রদীপের আলোতে চোখ ধাঁধিয়ে যায় তাঁর। তিনি রাজপুত্রের কাছে পৌঁছাতে পারলেন না। রাজপুত্রের ঘরের বাইরে সারারাত ওই গয়নার ওপর শুয়ে শুয়ে রানীর গান এবং গল্প শুনে বিভোর হয়ে পরের দিন তিনি ফিরে যান। এই ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর রাজ পরিবারে সোনার এবং রুপোর তিথি ধনতেরাস উত্সব পালন করা শুরু হয়ে যায়। কুবেরের সাথে এই দিন লক্ষ্মী দেবীর আরাধনা করা হয়, একথা পূর্বেই বলা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের জন্য এই দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই দিন ধনদেবী লক্ষ্মীরও আরাধনা করা হয় । অর্থাৎ একই মাসে দুবার লক্ষ্মী পুজোর রীতি হিন্দু ধর্মে দেখা যায়। ধনতেরাস বা ধন ত্রয়োদশীর দিন লক্ষ্মী পুজোর কারণ কি? পুরাণে বলা হয়েছে যে, একসময় দুর্বাসা মুনির অভিশাপে সৌভাগ্যের দেবী লক্ষ্মী স্বর্গ থেকে চলে যান এবং মহাসাগরে বসবাস শুরু করেন। লক্ষ্মী চলে যাওয়াতে স্বর্গলোক শ্রীহীন হয়ে পড়ে। এরপর দেবতারা অসুরের সঙ্গে ব্যাপক যুদ্ধ করে সমুদ্র মন্থনে ফিরিয়ে এনেছিলেন লক্ষ্মীকে। এই দিনটি ছিল ধনতেরাসের দিন মানে কার্তিক মাসের কৃষ্ণা পক্ষের ত্রয়োদশী তিথি। তাই তখন থেকেই দেবী লক্ষ্মীর উদ্দেশ্যে সূচনা করা হয়েছিল দীপাবলি উত্সব এবং তার আগে ধনদেবীর আরাধনা করা হয়।
আরও পড়ুন: ধনতেরাসে দুর্ভাগ্য এড়াতে কী করবেন? জেনে নিন সৌভাগ্য ফেরানোর উপায়ও
আবার অন্য একটি মতে, ধনতেরাসের এই দিনটি আবার ধন্বন্তরি ত্রয়োদশী নামেও পরিচিত। ধন্বন্তরি হিন্দু ধর্মের একজন দেবতা এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক । এই বিশেষ দিনে দেবতা ধন্বন্তরি সকলকে আরোগ্য থাকার আশীর্বাদ প্রদান করেন। ধন্বন্তরি দুধের মহাসাগর থেকে উত্থিত হয়েছিলেন বলেই পৌরাণিক মত রয়েছে। ভাগবত পুরাণে বর্ণিত আখ্যান অনুযায়ী সমুদ্র মন্থন কালে অমৃতের পাত্রের সাথে ধন্বন্তরি উঠেছিলেন। এটাও বিশ্বাস করা হয় যে ধন্বন্তরি আয়ুর্বেদ প্রথা চালু করেছিলেন। এই কারণের জন্য, ২৮ শে অক্টোবর ২০১৬ থেকে কার্তিক মাসের কৃষ্ণা পক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে ভারত সরকার ধনতেরাসের দিনটি জাতীয় আয়ুর্বেদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।
অন্য একটি পৌরাণিক কাহিনী হলো, একসময় বিষ্ণু মৃত্যু লোকে বিচরণ করতে এলে লক্ষ্মী ও তার সঙ্গে যান। তখন বিষ্ণু বলেন তার কথা মেনে চললে মা লক্ষ্মী তার সঙ্গে যেতে পারেন। তার কথা মান্য করে মা লক্ষ্মী বিষ্ণুর সঙ্গে পৃথিবীতে আসেন। একটি জায়গায় এসে বিষ্ণু মা লক্ষীকে অপেক্ষা করতে বলেন। তিনি বলেন যে, তিনি দক্ষিণ দিকে যাচ্ছেন এবং তার না আসা পর্যন্ত লক্ষ্মী যেন সেখান থেকে কোথাও না যায়। লক্ষ্মীর মনে দক্ষিণ দিকে বিষ্ণুর যাওয়ার কারণ জানার কৌতুহল জেগে ওঠে। এরপর তিনি বিষ্ণুর পিছু নেন। কিছু দূর এগোনোর পর সর্ষের ক্ষেতে ফুল ফুটে থাকতে দেখে সেই ফুল দিয়ে লক্ষ্মী নিজেকে সাজানোর জন্য সেই দিকে অগ্রসর হন। কিছুদূর যাওয়ার পর আখের ক্ষেত থেকে আখ তুলে তার রস পান করেন। সেই সময় বিষ্ণু সেখানে আসেন এবং লক্ষ্মী কে দেখে ভীষণ রেগে যান। এরপর বিষ্ণু মা লক্ষ্মী কে অভিশাপ দেন, বলেন যে বারণ সত্বেও লক্ষ্মী তার পিছু নেন ও দরিদ্র কৃষকের ক্ষেত থেকে চুরির অপবাদ করে বসেন। লক্ষ্মী কে ১২ বছর পর্যন্ত কৃষকের সেবা করতে বলে ক্ষীর সাগরের উদ্দেশ্যে প্রস্থান করেন বিষ্ণু। সেই কৃষকের বাড়িতে কৃষকের স্ত্রীকে স্নান করে লক্ষ্মীপুজো ও তারপর রান্না করার কথা বলেন। পুজোর পর কৃষক এর স্ত্রীর সমস্ত মনস্কামনা পূর্ণ হয়ে যায়। ফলে দ্বিতীয় দিন থেকেই কৃষকের ঘর অন্ন, বস্ত্র, রত্ন, তে ভরে যায়। এভাবে বারো বছর পর্যন্ত খুব আনন্দে কাটে কৃষকের। ১২ বছর পর বিষ্ণু লক্ষীকে নিতে এলে কৃষকের স্ত্রী তাকে যেতে দেন না। তখন বিষ্ণু জানান, লক্ষ্মী কে কেউ যেতে দিতে চায় না। লক্ষ্মী চঞ্চলা, কোথাও টিকতে পারেন না। তখন লক্ষ্মী কৃষককে জানান তার কথা মত চললে পরিবারে কখনো অর্থাভাব থাকবে না। ধনতেরাসের দিনে ঘরবাড়ি পরিষ্কার করার কথা বলেন লক্ষ্মী, এরপর রাতে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখে সন্ধ্যাকালে পুজো করতে বলেন, একটি রূপোর ঘটে তার জন্য টাকা ভরে রাখার কথাও বলেন তিনি।