Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Ram Mandir Inauguration: বাণিজ্যের নতুন দিশা! রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে রেকর্ড আয়

    Ram Mandir Inauguration: বাণিজ্যের নতুন দিশা! রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে রেকর্ড আয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা (Ram Mandir Inauguration) ভারতের অর্থনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। সোমবার, এই অনুষ্ঠানটি বহু ইতিহাস সৃষ্টি করল। এই  ঐতিহাসিক ঘটনাকে সামনে রেখে ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে। অনেকে একে “সনাতন অর্থনীতি”র ধারণা বলে অভিহিত করেছেন। এর মধ্যে উত্তর প্রদেশ থেকে ৪০,০০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছে। দিল্লিতে নানা পণ্য বিক্রি করে আয়ের পরিমাণ ২৫ হাজার কোটি টাকা।

    কীভাবে রেকর্ড আয়

    কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT) অনুসারে, রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা (Ram Mandir Inauguration) অনুষ্ঠান উপলক্ষে ইতিমধ্যে ভক্তরা সারা দেশে নানা পণ্য বিক্রি করে ১.২৫ লক্ষ কোটি রুপি আয় করেছে৷  সিএআইটি এর জাতীয় সভাপতি বিসি ভরতিয়া এবং প্রবীণ খান্ডেলওয়াল বলেন,”ভারতের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বাস এবং ভক্তির কারণে ব্যবসার মাধ্যমে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ বাজারে এসেছে। লক্ষণীয় বিষয় হল ছোট ব্যবসায়ী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের দ্বারা যে সমস্ত বাণিজ্য সংঘটিত হয়েছিল, তা অর্থনৈতিক বাজারে বিপুল সাফল্য এনেছে।”

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের পর আয় বাড়বে যোগী রাজ্যের, কত হবে জানেন?

    হর ঘর অযোধ্যা অভিযানে  সাড়া

    খান্ডেলওয়াল জানান, রাম মন্দির (Ram Mandir Inauguration) খোলার ফলে দেশে ব্যবসার জন্য অনেক নতুন সুযোগ এসেছে। বৃহৎ পরিসরে এর ফলে মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে “হর শহর অযোধ্যা, হর ঘর অযোধ্যা” প্রচারের অংশ হিসাবে, সারা দেশে ৩০ হাজারেরও বেশি ছোট এবং বড় ব্যবসায়িক সংগঠন ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি কর্মসূচি পালন করেছে। এর ফলে  রাম মন্দিরের মডেল, মালা, ঝুলন্ত সজ্জা-সহ নানা সামগ্রী বিক্রি হয়েছে সারা দেশে। হিন্দু পুরোহিতরাও অসংখ্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ‘দক্ষিণা’ হিসেবে যথেষ্ট পরিমাণ উপার্জন করেন। রেকর্ড সংখ্যক মিষ্টি ও শুকনো ফল বিক্রি হয় প্রসাদ হিসেবে।  লাখ লাখ টাকার আতশবাজি, মাটির প্রদীপ, পিতল এবং অন্যান্য জিনিসপত্রও সারাদেশে বিক্রি হয়। ইতিমধ্যেই উপহার হিসেবে রাম মন্দিরের মডেল বিক্রি হতে শুরু করেছে দেশ জুড়ে। পর্যটন-ব্যবসা তো রয়েছেই। তাই শীঘ্রই রাম মন্দির বাণিজ্য ক্ষেত্রে আরও নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AFC Asian Cup 2024: সিরিয়ার কাছে শেষ ম্যাচেও হার, এশিয়ান কাপ থেকে বিদায় ভারতের

    AFC Asian Cup 2024: সিরিয়ার কাছে শেষ ম্যাচেও হার, এশিয়ান কাপ থেকে বিদায় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এএফসি এশিয়ান কাপে ভারতের প্রাপ্তি খাতায়-কলমে শূন্য। শুধুই ভাল দলের বিপক্ষে খেলার শিক্ষা নিয়েই ফিরতে হচ্ছে ব্লু টাইগারসদের। পরপর তিন ম্যাচে হার মানল ভারত। প্রথমে অস্ট্রেলিয়া, তারপর উজবেকিস্তান। শেষ ম্যাচে দুর্বল সিরিয়ার কাছে জয়ের আশা করেছিল স্টিমাচের ছেলেরা। কিন্তু ম্যাচের ৭৬ মিনিটের মাথায় একমাত্র গোল খেয়ে শেষ ম্যাচেও পরাজিত সুনীলরা।

    সুনীলের শেষ এএফসি কাপ 

    সুনীল ছেত্রী কেরিয়ারের শেষ এএফসি কাপ খেললেন। টুর্নামেন্টে ৩৯-এর সুনীলের লড়াই ছিল দুর্দান্ত। কিন্তু টিম গেম হল না। তাই কাতার থেকে খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে ভারত অধিনায়ককে। গোলের একাধিক সহজ সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে সিরিয়ার কাছেও হেরে গেল ভারত। গ্রুপের শেষ ম্যাচে সুনীলেরা হারলেন ০-১ ব্যবধানে। এ দিনের হারের ফলে তিন ম্যাচে ভারতের প্রাপ্তি শূন্য পয়েন্ট। ৭৬ মিনিটে সিরিয়ার পক্ষে এক মাত্র গোলটি করেন ওমর খরিবিন।

    গ্রুপ থেকেই বিদায়

    এএফসি এশিয়া কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা হল না সুনীল ছেত্রীদের। প্রতিযোগিতার পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে সিরিয়ার বিরুদ্ধে জিততেই হত ভারতকে। প্রথমার্ধে সিরিয়ার সঙ্গে সমানে সমানে লড়াইকরে ভারতীয় দল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে কৌশল বদলে মাঝ মাঠের দখল ধীরে ধীরে নিয়ে নেন সিরিয়ার ফুটবলারেরা। জিততেই হবে— এ রকম ম্যাচে যেমন ফুটবল খেলা উচিত, সে ভাবেই খেলার চেষ্টা করেছে সিরিয়া। সিরিয়ার ফুটবলারদের গতি এবং শরীরিক সক্ষমতার সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেনি ভারতীয় দল। সাত বছর পর এএফসি এশিয়ান কাপে কোনও ম্যাচ জিততে পারল সিরিয়া ফুটবল দল। আর সেইসঙ্গে ক্যাসিয়ান ঈগলসের দল খুব সম্ভবত এই প্রতিযোগিতার শেষ ১৬-তেও পৌঁছে গেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ICC Team: অধিনায়ক রোহিত, এক দিনের ক্রিকেটে আইসিসি’র সেরা একাদশে ভারতের ৬

    ICC Team: অধিনায়ক রোহিত, এক দিনের ক্রিকেটে আইসিসি’র সেরা একাদশে ভারতের ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসি টি ২০ ক্রিকেটের দলের মতোই ওয়ান ডে দলেও ভারতের ক্রিকেটারদের আধিপত্য। মঙ্গলবার বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা ২০২৩ সালের এক দিনের ক্রিকেটের সেরা একাদশ বেছে নিল। সেই দলে রয়েছেন ভারতের ৬জন ক্রিকেটার। নেতা বিবেচিত হয়েছেন রোহিত শর্মা। দলে এক দিনের বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারের সংখ্যা দুই।

    ভারতের কারা কারা

    গত বছর, ২০২৩ সালে একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া ও ভারত। বিশ্বকাপে ভারত টানা ১০টি ম্যাচ জিতে ফাইনালে উঠেছিল। কিন্তু ট্রফি জিততে পারেনি। ওয়ান ডে বিশ্বকাপে ভারতীয় দল হয়তো ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার মেনেছিল, কিন্তু রোহিতের নেতৃত্ব নজর কেড়েছে। তিনি শুধু ভাল ফর্মই দেখাননি, বরং পাশাপাশি দলকে সুনিপুণভাবে পরিচালনা করেছেন। রোহিত গত মরশুমে রান করেছেন ১২৫৫, এমনকী ১৩১ রানের সেঞ্চুরি ইনিংসও খেলেছেন। রোহিত ছাড়াও আইসিসি দলে রয়েছেন বিরাট কোহলি, শুভমন গিল, মহম্মদ সিরাজ, কুলদীপ যাদব ও মহম্মদ শামি।

    কারা কোন জায়গায়

    একদিনের দলে ভারতের দুই ওপেনারকেই রেখেছে আইসিসি। ফাইনালে শতরান করা অস্ট্রেলিয়ার ট্রেভিস হেডকে রাখা হয়েছে তিন নম্বরে। যদিও তিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বিশ্বকাপে ওপেনার হিসাবেই খেলেছিলেন। চার নম্বরে রয়েছেন বিরাট কোহলি। এ বারের বিশ্বকাপে সব থেকে বেশি রান করেছিলেন তিনি। মিডল অর্ডার সামলানোর জন্য রয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার হেনরিখ ক্লাসেন। বিশ্বকাপে ধারাবাহিক ভাবে রান করতে দেখা গিয়েছিল তাঁদের। অলরাউন্ডার হিসেবে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কো জানসেন।

    আরও পড়ুন: ব্যক্তিগত কারণ! ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুই টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি

    দলে রয়েছেন চার জন বোলার। তার মধ্যে দু’জন স্পিনার এবং দু’জন পেসার। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম জাম্পা ছাড়া তিনজনই ভারতীয় বোলার। স্পিনার কুলদীপ যাদব এবং দুই পেসার মহম্মদ সিরাজ ও মহম্মদ শামি। এ বারের বিশ্বকাপে শামি সব থেকে বেশি উইকেট নিয়েছিলেন।

    সেরা একাদশ (ICC Team): রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমন গিল, ট্রেভিস হেড, বিরাট কোহলি, ড্যারিল মিচেল, হেনরিখ ক্লাসেন, মার্কো জানসেন, অ্যাডাম জাম্পা, মহম্মদ সিরাজ, কুলদীপি যাদব এবং মহম্মদ শামি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incidents: সন্দেশখালিকাণ্ডের জের! কেন্দ্রের কাছে ১ কোম্পানি বাহিনী চাইল ইডি

    Sandeshkhali Incidents: সন্দেশখালিকাণ্ডের জের! কেন্দ্রের কাছে ১ কোম্পানি বাহিনী চাইল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধিকারিকদের নিরাপত্তায় এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে চিঠি পাঠাল ইডি।  এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি লিখেছেন ইডির যুগ্ম নির্দেশক। ওই বাহিনী বিধাননগরের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির সদর দফতরেই থাকবে বলে জানা গিয়েছে। সন্দেশখালিতে (SandeshKhali Incidents) দফায় দফায় বেপরোয়া হামলার ঘটনার পর থেকেই সতর্ক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    কেন কোম্পানি চাইছে ইডি

    রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহনের বাড়িতে ইডির অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রে চেহারা নেয় উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি। আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকরা। ওই রাতেই রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে বনগাঁয় গিয়ে আরও একবার হামলার মুখে পড়ে ইডি। তারপর ৬ জানুয়ারি থেকে বাড়ানো হয় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা। ধাপে ধাপে আনা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। আর এবার নিজেদের জন্য এক কোম্পানি সিআরপিএফ চাইল ইডি। তবে অনেকে এর পিছনে অন্য কারণ দেখছেন। অনেকের অনুমান, আগামী দিনে আরও বড় কোনও নেতার বাড়িতে তল্লাশির প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই অভিযানে গেলে ইডি আধিকারিকদের বড় প্রতিরোধের মুখে পড়তে হতে পারে। তাই আগে থেকেই সতর্ক হয়ে পা ফেলতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: দুয়ারে লোকসভা ভোট, মোদিকে দিয়ে শতাধিক সভা করাতে চাইছে বিজেপি

    কী বলছে ইডি

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন সিবিআইয়ের জন্য বরাদ্দ বাহিনী নিয়ে অভিযানে যেতেন ইডি আধিকারিকরা। সেই বাহিনী থাকে নিজাম প্যালেসে। কিন্তু সন্দেশখালির ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চান না ইডি আধিকারিকরা। তাই ইতিমধ্যে সিজিও কমপ্লেক্সে নিরাপত্তায় মোতায়েন বাহিনীর সংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছে। আগে সিজিও কমপ্লেক্সে জওয়ানের সংখ্যা ছিল ১৫, এখন তা বাড়িয়ে ৩০ করা হয়েছে। সঙ্গে আরও ১ কোম্পানি বাহিনী চেয়ে পাঠানো হয়েছে। দরকার মতো ইডি আধিকারিকদের সঙ্গে তল্লাশিতে যাবেন এই বাহিনীর সদস্যরা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Antibiotics Misuse: কেন দিচ্ছেন অ্যান্টিবায়োটিক্স? প্রেসক্রিপশনে কারণ জানাতে চিকিৎসকদের নির্দেশ কেন্দ্রের

    Antibiotics Misuse: কেন দিচ্ছেন অ্যান্টিবায়োটিক্স? প্রেসক্রিপশনে কারণ জানাতে চিকিৎসকদের নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বর-জ্বালা, সর্দি-কাশি, পেটের গণ্ডগোল, দাঁতে ব্যাথা ফটাফট অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics Misuse) খেয়ে নেওয়ার দিন শেষ। অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধের অপব্যবহার রোধ করতে বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। নয়া সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে, ডাক্তাররা যখন প্রেসক্রিপশনে এই ওষুধগুলি লিখবেন, তখন ঠিক কী কারণে এবং কোন পরিস্থিতিতে তিনি এই ওষুধগুলি দিচ্ছেন, তা লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই বিষয়ে একটি ‘জরুরি আবেদন’ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের শাখা, ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেস।

    সরকারি নির্দেশিকায় কী বলা হয়েছে

    স্বাস্থ্য অধিকর্তা অতুল গোয়েল মেডিক্যাল কলেজগুলির কাছে চিঠি লিখে আর্জি জানিয়েছেন, যাতে প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়ালগুলির নাম লেখার সময় বাধ্যতামূলক ভাবে সঠিক ইঙ্গিত, কারণ এবং যৌক্তিকতা উল্লেখ করা হয়। শুধু চিকিৎসকদেরই নয়, ওষুধ বিক্রেতাদেরও সতর্ক করা হয়েছে, যাতে কোনও রকম বৈধ প্রেসক্রিপশন ছাড়া গ্রাহকদের কোনও অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ না দেওয়া হয়। চিকিৎসকেদের নির্ধারণ করা ডোজ ও কারণ দেখে তবেই দিতে হবে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ। মেডিকেল কলেজের ডাক্তারদের আলাদা চিঠি পাঠানো হয়েছে। বলা হয়েছে, মেডিকেল কলেজগুলো শুধু স্বাস্থ্য পরিষেবা দেয় না, তরুণ প্রজন্মের চিকিৎসকদের শিক্ষাও দেয়। পরবর্তী প্রজন্মের ডাক্তাররা যাতে বিবেচনা করে অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল ওষুধগুলি ব্যবহার করেন, মেডিকেল কলেজের ডাক্তারদের সেই শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    কেন এই নির্দেশ

    কেন্দ্রীয় সরকারের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ব্যাক্টেরিয়াল এএমআর-এর কারণে ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০ লক্ষ ২৭ হাজার রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যখন-তখন ইচ্ছেমতো ওষুধ সেবনে ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স’ বা ‘অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স’ (এএমআর) তৈরি হতে পারে। যা আগামী দিনে মারাত্মক বিপদের আশঙ্কা বাড়িয়ে তোলে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে অ্যান্টিবায়োটিকের এই যথেচ্ছ ব্যবহার ২০৫০ সাল নাগাদ  এক কোটিরও বেশি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই এখন থেকেই এর বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি বলে অভিমত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Virat Kohli: ব্যক্তিগত কারণ! ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুই টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি 

    Virat Kohli: ব্যক্তিগত কারণ! ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুই টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে বড় ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে প্রথম দু’টি টেস্টে বিরাট কোহলিকে পাবেন না রোহিত শর্মারা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ছুটি চেয়েছিলেন কোহলি। বোর্ড তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেছে।  বোর্ড কর্তাদের পাশাপাশি, অধিনায়ক রোহিত, কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবং জাতীয় নির্বাচকদেরও ব্যক্তিগত সমস্যার কথা জানিয়েছেন কোহলি (Virat Kohli)।

    কী কারণে ছুটি নিলেন কোহলি

    সোমবার হায়দ্রাবাদে প্রথম টেস্টের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারত। এ দিনই কোহলির না খেলার কথা জানিয়েছে বিসিসিআই। ঠিক কী কারণে কোহলি হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন, তা জানানো হয়নি বোর্ডের পক্ষ থেকে। মনে করা হচ্ছে তাঁর স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা সন্তানসম্ভবা। হয়তো সেই কারণেই তিনি ভারতীয় টিম থেকে ছুটি নিয়েছেন। বিসিসিআই যে বিবৃতি জারি করেছে, তাতে এই খবর জানানোর পাশাপাশি বিরাটের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকেও সম্মান জানিয়েছে। যার পর মোটামুটি পরিষ্কার, এই সময়ই আবার বাবা হবেন বিরাট। ভারতীয় বোর্ডের সচিব জয় শাহ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুটো টেস্ট খেলবেন না বিরাট কোহলি। ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা আর টিম ম্যানেজমেন্টকে এ ব্যাপারে জানিয়েছেন তিনি। বিসিসিআই বিরাটের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছে।’

    ভারত-ইংল্যান্ড টেস্টের গুরুত্ব

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রেক্ষাপটে এই সিরিজ ভারত ও ইংল্যান্ড দুই দলের কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। পয়েন্ট টেবলের দুইয়ে রয়েছে ভারত। সেখান থেকে একে উঠতে গেলে এই সিরিজ জিততেই হবে রোহিতদের। ইংল্যান্ড রয়েছে সাতে। অনেক দিন ভারতের মাটিতে ৫ টেস্টের সিরিজ খেলতে এসেছে ইংল্যান্ড। ২৫ জানুয়ারি হায়দরাবাদ টেস্ট দিয়ে সিরিজ শুরু। ২-৬ বিশাখাপত্তনমে দ্বিতীয় টেস্ট। ওই টেস্ট পর্যন্ত খেলবেন না বিরাট। সিরিজের বাকি তিনটে টেস্টে হয়তো খেলবেন, কিং কোহলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee Sanghati Rally: ‘ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি’, সংহতি যাত্রা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ বিজেপির

    Mamata Banerjee Sanghati Rally: ‘ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি’, সংহতি যাত্রা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির তুষ্টিকরণ করে বাংলার দশ কোটি মানুষকে আলাদা করার চেষ্টা করছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার, রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিনে তৃণমূলের সংহতি যাত্রাকে কটাক্ষ করল বিজেপি। ৫০০ বছর লড়াইয়ের পর রাম এদিন তাঁর নতুন গৃহে প্রবেশ করেন। রাম সর্বদাই সর্বত্র বিরাজমান। তাই এদিন মমতার এই মিছিল বিজেপির মতে, ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি ছাড়া আর কিছুই নয়। এই রাজনীতি করে তিনি বাংলাকে আলাদা করতে চাইছেন বলে অভিমত গেরুয়া শিবিরের।

    শুভেন্দু যা বললেন

    এই মিছিল প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া, অন্য কোনও রাজ্যে এইভাবে প্রকাশ্যে রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন পাল্টা কর্মসূচি ডেকে, পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করা হয়নি। যেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করছেন।’ শুভেন্দু বলেন, ‘উনি ২টো কারণে মিছিল করছেন, মুসলিম ভোটকে লোকসভা ভোটের আগে একজোট করার জন্য। কারণ ওনার কাছ থেকে মুসলিম ভোট সরে গেছে। হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে সবাই ওনাকে চোর বলে ডাকে। তাই তিনি মুসলিম ভোট ফেরাতে চান। দ্বিতীয় তিনি, রাজ্যে দাঙ্গা লাগিয়ে যারা গেরুয়া ধ্বজ নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছেন তাদেরকে জেলে পুরতে চান। রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তরফে ফোন করে ‘না’ বলা হয়েছে। হাজার হাজার জায়গায় তৃণমূলের কাউন্সিলররা রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে বাধা সৃষ্টি করছে’।

    সুকান্তর তোপ

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘রাম নিজেই সম্প্রীতির প্রকৃষ্ট উদাহরণ। রাম সবার। সেজন্যই তৃণমূল কংগ্রেস সহ যারা এই ধরণের সম্প্রীতি যাত্রা, সম্প্রীতি সভা যা করার চেষ্টা করছেন, এগুলো আসলে উস্কানিমূলক কাজকর্ম তার বেশি কিছু না।’ এদিন সিঙ্গুর স্টেশন সংলগ্ন রাম মন্দিরে পূজো দিয়ে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘উনি শুধুমাত্র ভোটের পলিটিক্সের জন্য রামের মধ্যে ধর্ম ঢোকাচ্ছে আর পশ্চিমবঙ্গটাকে দেশ থেকে আলাদা করতে চাইছেন। ১৪০ কোটি মানুষ আজ রাম নাম করছেন, আর আজকে মুখ্যমন্ত্রী রামের বিরুদ্ধে গিয়ে মিছিল করছেন। উনার কোনওদিন ভালো হতে পারে না।’ 

    আরও পড়ুন: ‘রাম সিয়া রাম’-এর সুরে ভাসল সরযূতীর, রামভজনে মগ্ন অযোধ্যা

    সংহতি কোথায়?

    সোমবার দুপুর ৩টেয় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে সংহতি যাত্রার সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর হাজরা মোড় থেকেই মিছিল শুরু করেন তিনি। পার্ক সার্কাস ময়দানে মিছিল শেষ হবে। এরইমাঝে একটি গির্জা ও একটি মসজিদেও যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মিছিলকে কটাক্ষ করে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এই সংহতির নামে পশ্চিমবাংলায় সব জায়গায় গান গাওয়া হয়েছে। সেই দেশভাগের পর থেকে সংহতির আয়োজন আগেও ছিল। কেন সংহতি হয়নি? যাঁরা সংহতি মিছিলের নামে সংহতি নষ্ট করেন, তাঁরা আবার রাস্তায় নেমেছেন। কেবল যাঁরা টিএমসির উচ্ছিষ্টভোগী, তাঁদের আমলে করে খাচ্ছে সেরকম কিছু দোকলা লোক যাবে।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir Inauguration: ‘রাম সিয়া রাম’-এর সুরে ভাসল সরযূতীর, রামভজনে মগ্ন অযোধ্যা

    Ram Mandir Inauguration: ‘রাম সিয়া রাম’-এর সুরে ভাসল সরযূতীর, রামভজনে মগ্ন অযোধ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম, রাম জয় রাজা রাম, রাম রাম জয় সীতা রাম…! রাম-নামে মাতল অযোধ্যা। রাম-ভজনে ভাসল সরযূ তীর। সোনু নিগম, শঙ্কর মহাদেবণ, অনুরাধা পারোয়ালের কণ্ঠে  রামসীতার ভজনে মোহিত গোটা অযোধ্যা। অযোধ্যায় গত কয়েকদিন ধরেই সাজোসাজো রব। অবশেষে এসেই গেল সেই বহু প্রতিক্ষীত দিন। ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল রাম মন্দিরে। অযোধ্যা জুড়ে ভারতীয় সংস্কৃতির উদযাপন চোখে পড়ল।

    সোনুর সুরে চোখে জল

    রাম মন্দির অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র পেয়েই আপ্লুত হয়েছিলেন সোনু নিগম। সেই ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে গায়ক লিখেছিলেন, ‘ঐতিহাসিক নিমন্ত্রণ’। এদিন দেখা গেল সাদা পোশাকে মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করছেন সোনু। কপালে কমলা রঙের টিকা। তাঁর ‘রাম সিয়া রাম, সিয়া রাম জয় জয় রাম’ গানটি শুনে চোখে জল এল অনেকেরই। 

    সুরে সুরে রাম-নাম

    ইতিমধ্যেই মূল যজমান হিসেবে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা করে ফেলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টিভি এবং মোবাইলের পর্দায় সেই অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকল গোটা দেশ। এদিন রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠায় গর্ভগৃহের মধ্যে মোদি ছাড়াও ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।

    অযোধ্যায় এদিন ছিল তারকার সমাহার। শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি ও নীতা আম্বানি।  ছিলেন  রণবীর কপুর, আলিয়া ভাট, ভিকি কৌশল, ক্য়াটরিনা কাইফ, কঙ্গনা রানাওয়াত, অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন। অযোধ্যায় ঐতিহাসিক মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক ক্রীড়াতারকাও। ছিলেন সচিন তেন্ডুলকর অনিল কুম্বলে, সাইনা নেওয়াল, মিতালি রাজ, বাইচুং ভুটিয়ারা। এদিন উদ্বোধনের পুণ্য লগ্নে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়েছে আকাশ থেকে। হেলিকপ্টার থেকে ফুল ছড়িয়ে দেওয়া হয় অযোধ্যার উপর। হাজার হাজার ভক্তের ভিড়ে মিশে যান ভগবান রাম। রাম নামে মুখরিত হয়ে ওঠে অযোধ্যা নগরী। আজ, গোটা দেশের একটাই সুর “ভজে হাম, ভজে হাম সদা রামচন্দ্রম…”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: শহরে মরশুমের শীতলতম দিন! এক ধাক্কায় তাপমাত্রা কমল তিন ডিগ্রি 

    Weather Update: শহরে মরশুমের শীতলতম দিন! এক ধাক্কায় তাপমাত্রা কমল তিন ডিগ্রি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কনকনে ঠান্ডায় (Winter in Bengal) জুবুথুবু কলকাতাবাসী। দমদমের তাপমাত্রা (Weather Update) বাঁকুড়ার থেকেও নীচে। আবহাওয়া অফিস বলছে, সোমবার মহানগরে মরশুমের শীতলতম দিন। একদিনেই ৩ ডিগ্রি পারদপতন। ১৫.২ ডিগ্রি থেকে সটান ১২.১ ডিগ্রিতে নামল আলিপুরের পারদ।  গত ১৩ জানুয়ারি তাপমাত্রা ১২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। আজ বাঁকুড়ার তাপমাত্রা নেমেছে ১১.২ ডিগ্রি। আর দমদমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৮ ডিগ্রি। সল্টলেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৩ ডিগ্রি।

    কাঁপছে কলকাতা

    সোমবার সকাল থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে (Weather Update) ঢেকে ছিল চারিদিক। সঙ্গে রয়েছে উত্তুরে হাওয়ার দাপট। বেলা বাড়তে রোদের দেখা মিললেও শীতে কাঁপছে শহরবাসী। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এক ধাক্কায় কলকাতার তাপমাত্রা তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গিয়েছে। সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকতে পারে। রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ছ’ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। 

    রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    আলিপুর আবহাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে খবর, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রার পারদ নীচের দিকেই থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তাপমাত্রা কমার পাশাপাশি রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাসও। বুধবার দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের। বুধবার হালকা বৃষ্টিতে ভিজতে পারে কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং মালদহ জেলার কয়েকটি এলাকা। 

    আরও পড়ুন: রামময় অযোধ্যা, মহোৎসবের অনুষ্ঠানে এলেন যজমান নরেন্দ্র মোদি

    উত্তরের আবহাওয়া

    উত্তরের সমতলেও হাড়কাঁপানো ঠান্ডা (Winter in Bengal)। কালিম্পংকেও টেক্কা কোচবিহারের। কালিম্পংয়ের তাপমাত্রা নেমেছে ৮.৫ ডিগ্রিতে। অপরদিকে, কোচবিহারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.১ ডিগ্রি। দিনেও তাপমাত্রা কম। কুয়াশার চাদরে আকাশ ঢেকে যাওয়ায় রোদ ওঠেনি। তাই তাপমাত্রা বাড়তেই পারেনি। দৃশ্যমানতা কম থাকায় গাড়ি চালানো দায়। মঙ্গলবার এবং বুধবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলার কয়েকটি এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রয়েছে তুষারপাতের সম্ভাবনাও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Vs Bangladesh: বাংলাদেশকে ৮৪ রানে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু ভারতের

    India Vs Bangladesh: বাংলাদেশকে ৮৪ রানে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বড় জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করল ভারত। শনিবার গ্রুপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব ১৯ দলকে ৮৪ রানে হারালেন উদয় সাহারানের দল। ভারতের ৭ উইকেটে ২৫১ রানের জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয়ে গেল ১৬৭ রানে। ভারতের হয়ে এই ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্স দেখালেন অধিনায়ক উদয় সাহারান, ওপেনার আদর্শ সিং ও বাঁ হাতি বোলার সাওমি পাণ্ডে। দলের জয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। 

    দুরন্ত ভারত

    এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান রাব্বি। প্রথমে ৩১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। এই পরিস্থিতিতে ইনিংসের হাল ধরেন আদর্শ ও উদয়ন। তাঁদের জুটিতে যোগ হয় ১১৬ রান। আদর্শ ৯৬ বলে ৭৬ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ৬টি বাউন্ডারি। উদয় ৯৪ বলে ৬৪ রান করেন। তিনি ৪টি বাউন্ডারি মারেন। প্রিয়াংশু মলিয়া করেন ২৩ রান। উইকেটকিপার-ব্যাটার আরাভেল্লি অবনীশও ২৩ রান করেন। ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন সচিন ধাস। ৪ রান করেন মুরুগান অভিষেক। ২ রান করে অপরাজিত থাকেন রাজ লিম্বানি।

    জয়ের জন্য ২৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে কোনও সময়ই প্রয়োজনীয় জুটি তৈরি করতে পারেননি বাংলাদেশের ক্রিকেটারেরা। ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারায় ২০২০ সালের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ীরা। দলের ব্যাটিং ভরাডুবির মধ্যে কিছুটা লড়াই করলেন আরিফুল ইসলাম (৪১) এবং মহম্মদ শিহাব জেমস (৫৪)। আরিফুল ৭১ বলের ইনিংসে মারলেন ৩টি চার। জেমসের ৭৭ বলের ইনিংসে রয়েছে ৭টি চার। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সফলতম সাওমি পান্ডে। তিনি ২৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিলেন। ৩৫ রান খরচ করে ২ উইকেট মুশিরের। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন রাজ লিম্বানি, আর্শিন এবং প্রিয়াংশু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share