Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই আর রাজ্য পুলিশকে নিয়ে সিট গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Sandeshkhali Case: সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই আর রাজ্য পুলিশকে নিয়ে সিট গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২ দিন অতিক্রান্ত। এখনও অধরা সন্দেশখালি-কাণ্ডের (Sandeshkhali Case) অন্যতম অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান। নিখোঁজ শাহজাহানের খোঁজে এবার বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সিটের মাথায় থাকবেন সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশের একজন করে এসপি পদমর্যাদার অফিসার। তবে ওই বিশেষ তদন্তকারী দলে ন্যাজাট থানার কোনও পুলিশ আধিকারিক বা কর্মী থাকতে পারবেন না। বুধবার এই নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। 

    কী বলল আদালত

    সন্দেশখালি-কাণ্ডে (Sandeshkhali Case) মোট তিনটি এফআইআর হয়েছে ন্যাজাট থানায়। তার মধ্যে একটি এফআইআর করেছে ইডি। একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। তৃতীয় এফআইআরটি করেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়ির কেয়ারটেকর। আদালত জানিয়েছে, প্রথম দুটি এফআইআরের তদন্ত করবে সিট। দলে সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশের এসপি পদমর্যাদার অফিসার থাকবে। । রাজ্য জানিয়ে দিয়েছে তাদের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দলে থাকবেন ইসলামপুর পুলিশ ডিস্ট্রিক্টের এসপি জাসপ্রীত সিং। তবে সিবিআইয়ের তরফে এখনও কোনও আধিকারিকের নাম বলা হয়নি। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রয়োজনে আধা সেনা ও রাজ্য পুলিশের সহযোগিতা নিতে পারবে সিট। 

    আরও পড়ুন: আরও চাপে শাহজাহান! বিজেপি কর্মী খুনের মামলার কেস ডায়েরি চাইল হাইকোর্ট

    আদালতে রিপোর্ট জমা দেবে সিট

    বিচারপতি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, আদালতের নজরদারিতেই চলবে যৌথ তদন্ত। এই বিশেষ তদন্তকারী দল রাজ্য বা কেন্দ্র কোথাও রিপোর্ট জমা দিতে পারবে না। সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া জমা দেওয়া যাবে না চূড়ান্ত রিপোর্টও। গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে মারধর খেয়েছিলেন ইডি অফিসাররা। শাহজাহানকে এখনও ধরতে পারেনি পুলিশ। এই অবস্থায় ইডি আদালতে দাবি করে যে সন্দেশখালি কাণ্ডে তদন্তের ভার রাজ্য পুলিশের হাত থেকে নিয়ে সিবিআইকে দেওয়া হোক। তবে এসব ক্ষেত্রে সাধারণত যৌথ তদন্তের নির্দেশই দিয়ে থাকে আদালত। আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারের মধ্যে সিটকে যাবতীয় নথি দিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ওই দিন তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট দিতে হবে বিশেষ তদন্তকারী দল বা (সিট)-কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya-Kolkata Flight: কলকাতা-অযোধ্যা বিমান পরিষেবা চালু, মাত্র তিন ঘণ্টাতে রামলালার দর্শন

    Ayodhya-Kolkata Flight: কলকাতা-অযোধ্যা বিমান পরিষেবা চালু, মাত্র তিন ঘণ্টাতে রামলালার দর্শন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল কলকাতা-অযোধ্যা সরাসরি বিমান পরিষেবা (Ayodhya-Kolkata Flight)। আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা। তার আগেই ১৭ জানুয়ারি চালু হল কলকাতা-অযোধ্য উড়ান। কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পৌনে ৩ ঘণ্টায় সরাসরি পৌঁছে যাওয়া যাবে অযোধ্য়া। আজ, বুধবার বেলা ১২.৪৫-মিনিটে যাত্রীদের নিয়ে কলকাতা থেকে অযোধ্যার উদ্দেশ্যে বিমান রওনা দেয়। বিকেলেই বিমান অযোধ্যা পৌঁছয়।

    যাত্রীদের উৎসাহ

    সম্প্রতি অযোধ্যার (Ayodhya-Kolkata Flight) মহর্ষি বাল্মীকি বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের প্রায় সব প্রান্ত থেকে এই বিমানবন্দরে যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকছে। এদিন কলকাতা থেকে অযোধ্যার মহর্ষি বাল্মিকী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত যাত্রীদের চাহিদা দেখে পরবর্তীকালে বিমানের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে জানা গিয়েছে। এই বিমানের ভাড়া এ দিন রয়েছে ৬ হাজার ৬১৯ টাকা৷ বিমান সংস্থার তরফ থেকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে কলকাতা থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত বিমানের বোর্ডিং পাস তুলে দেওয়া হয়। যাত্রীদের মধ্যে সবার আগে বিমানবন্দরের সিকিউরিটি পাস তুললেন জুনাগড়ের বাসিন্দা নেহাল যোগিরাজ। এই সন্ন্যাসী বিগত প্রায় ৪০ বছর দেশের নানা ধর্মস্থানে যাযাবরের মতো ঘুরে বেড়ান। এবার কুম্ভ মেলা না থাকায় এসেছিলেন গঙ্গাসাগর মেলায়। মেলা শেষের পর তাঁর গন্তব্য অযোধ্যা। 

    আগে আগেই অযোধ্যা পাড়ি

    আগামী ২২ শে জানুয়ারি অযোধ্যায় (Ayodhya-Kolkata Flight) রাম মন্দিরের উদ্বোধন। তার আগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রেন পরিষেবার ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে। কলকাতা থেকেও অযোধ্যা যাওয়ার ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার কলকাতা থেকে সরাসরি অযোধ্যা পর্যন্ত নয়া বিমান পরিষেবাও চালু করা হল। আগামী ১৯ তারিখের পর কার্যত হাউস ফুল অযোধ্যায় মাথা গোঁজা তো দূরের কথা, তিল ধারণের জায়গা থাকবে না। মূলত এই আশঙ্কা থেকেই অনেকেই প্রথম দিনের প্রথম ডাইরেক্ট ফ্লাইটে পাড়ি দিলেন সরয়ু নদীর তীরে। তাদের বিমানবন্দরে অভিবাদন জানাতে উপহার ও মিষ্টি নিয়ে হাজির ছিলেন বিজেপি রাজ্য কমিটি সদস্য নারায়ণ চ্যাটার্জি-সহ বেশকিছু নেতা কর্মী।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MS Dhoni: ধোনির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা! জানেন কেন দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ মাহির বন্ধু?

    MS Dhoni: ধোনির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা! জানেন কেন দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ মাহির বন্ধু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। সম্প্রতি ব্যাট হাতে নেটে দেখা গিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে (MS Dhoni)। তার মধ্যেই বিপত্তি। আইনি জটিলতায় ফাঁসলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করলেন এক সময়ে ধোনির ব্যবসায়িক সঙ্গী মিহির দিবাকর। কিছু দিন আগেই প্রাক্তন ব্যবসায়িক সহযোগীদের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ এনেছিলেন মাহি। এবার সেই সহযোগীরাই আদালতে ধোনির বিরুদ্ধে পাল্টা মানহানির মামলা করলেন। 

    ধোনির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সম্প্রতি ধোনি তাঁর প্রাক্তন ব্যবসায়িক সঙ্গী মিহির দিবাকর, তাঁর স্ত্রী সৌম্যা দাস এবং তাঁদের কোম্পানি অর্ক স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণার মামলা করেছিলেন। ধোনি এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ ছিল, চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে দিবাকরের সংস্থা। অন্তত ১৫ কোটি টাকা ধোনির বকেয়া রয়েছে বলেও জানানো হয়েছিল। পরবর্তীকালে চুক্তি ভেঙে দেওয়া হয়। বারবার দিবাকরকে ওই বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলা হলেও, তাতে কোনও লাভ হয়নি। অনেক চিঠির জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ ওঠে। এরই পাল্টা হিসেবে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মিহির ও তাঁর স্ত্রী। আগামী ১৮ জানুয়ারি বিচারপতি প্রতিভা এম সিং মামলাটি শুনানি করবেন। মিহির এবং সৌম্যা জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে। ধোনি যে অভিযোগ করেছেন তার কোনও সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন তাঁরা। এই কারণেই ধোনির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্সের দৌড়ে! হকিতে ইতালিকে ৫-১ গোলে হারাল ভারতের মেয়েরা

    ধোনির দাবি

    ২০০০ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে ছিলেন মিহির দিবাকর। ধোনির সঙ্গে তাঁর দারুণ ঘনিষ্ঠতাও ছিল। এখন সেই সম্পর্ক আদালতের চৌকাঠে এসে দাঁড়িয়েছে। ধোনির যাবতীয় অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং অবমানকর বলে দাবি করে মানহানির মামলা করেছেন মিহির। তবে জানা যায়, ধোনি প্রথমেই আদালতের দ্বারস্থ হননি। প্রথমে দিবাকর এবং সৌম্যার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। চুক্তির শর্ত কেন অমান্য করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন করেন। যথাযথ উত্তর না পাওয়ায়, ২০২১ সালের ১৫ অগস্ট, আর্কা স্পোর্টসকে নিজের নাম ব্যবহার করার অনুমতি প্রত্যাহার করে নেন চিঠি দিয়ে। তাতেও কাজ না হওয়ায় বেশ কয়েক বার আইনি চিঠিও দেন ধোনি। কিন্তু সংস্থাটির পক্ষ থেকে সদুত্তর না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir Pran Pratishtha: রাম মন্দির উদ্বোধনে চাঁদের হাট, আমন্ত্রণ পত্র পেলেন সচিন-কোহলি, আশা-ঊষা

    Ram Mandir Pran Pratishtha: রাম মন্দির উদ্বোধনে চাঁদের হাট, আমন্ত্রণ পত্র পেলেন সচিন-কোহলি, আশা-ঊষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন ঘিরে প্রস্তুতি প্রায় সারা। রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চার হাজার সাধু-সন্ত উপস্থিত থাকবেন। সমাজের বিভিন্ন অংশের প্রায় ২,৫০০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানান হয়েছে। বিশিষ্টদের তালিকায় খেলাধুলা, চলচ্চিত্র, শিক্ষা জগতের স্বনামধন্য ও পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা থাকবেন। রাজনৈতিক জগতের বহু নামীদামি ব্যক্তিত্ব সেখানে উপস্থিত থাকবেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের কাছে নিমন্ত্রণ পত্র পৌঁছে গিয়েছে। আমন্ত্রণ পত্র হাতে পেয়েছেন আশা ভোঁসলে, ঊষা মঙ্গেশকর, বিরাট কোহলি, সচিন তেন্ডুলকর-সহ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

    বলিউডের আমন্ত্রিতরা

    শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Shree Ram Janmabhoomi Tirtha Kshetra Trust) ২২শে জানুয়ারি দুপুরবেলা রাম লালার মূর্তিকে সিংহাসনে বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সতেন্দ্র দাস আগেই জানিয়েছিলেন যে, প্রাণ প্রতিষ্ঠা ট্রাস্টের (Pran Pratishtha) পক্ষ থেকে অমিতাভ বচ্চন, অক্ষয় কুমার ও আরও কলাকুশলীদের আমন্ত্রিত করা হয়েছে। রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছেন অজয় দেবগণ, প্রভাস, যশ, মোহনলাল, অরুণ গোভিল, মাধুরী দীক্ষিত, ধনুষ, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, আয়ুষ্মান খুরানা, কঙ্গনা রানওয়াত, অনুষ্কা শর্মা, সুভাষ ঘাই-দের মত চলচ্চিত্র তারকারা। সকলেই রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠায় অংশ নিতে পারবেন ভেবে খুশি। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের জন্য প্রথমে মরিয়দা পুরুষোত্তম শ্রী রাম বিমানবন্দরে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর শ্রী রাম জন্মভূমি কমপ্লেক্স, কুবের টিলা, শিব মন্দিরে যাবেন। তারপর মন্দিরের গর্ভগৃহের প্রাণ প্রতিষ্ঠায় অংশ নেবেন। পুজোর পর রামলালার আরতি হবে।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দিরের যজ্ঞশালায় মূর্তি নির্মাণের কাজ করছেন বঙ্গের শিল্পীরা, শুরু হল পূজাচার

    কবে থেকে সাধারণ দশর্নার্থীরা যাবেন

    উদ্বোধনের দিন সাধারণ মানুষদের অযোধ্যায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আবেদন করেছেন, রামলাল্লার অসুবিধার কথা মাথায় রেখে ২২ জানুয়ারি যেন আমন্ত্রিতরা ছাড়া কেউ যেন অযোধ্যায় না আসেন। সাধারণ মানুষদের প্রবেশ রুখতে অযোধ্যা বর্ডারে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও তৈরি হয়েছে। শুধু ২২ জানুয়ারি নয়, উদ্বোধনের আগের দু দিন মানে ২০ ও ২১ জানুয়ারিও অযোধ্যা রামমন্দিরের সামনে আসতে পারবেন না কোনও সাধারণ মানুষ। সেদিন থেকেই অযোধ্যায় সাধারণ মানুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হচ্ছে। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রর সাধারণ সচিব চম্পত রাই জানালেন, উদ্বোধনের পরদিন মানে আগামী ২৩ জানুয়ারি থেকে সাধারণ মানুষদের জন্য অযোধ্যায় রাম মন্দির দর্শনের জন্য দরজা খুলে যাচ্ছে। সেদিন থেকেই সাধারণ মানুষ অযোধ্যায় রাম মন্দিরে ঢুকে প্রাণ খুলে ভগবান রামের দর্শন করতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Australian Open 2024: অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ইতিহাস, বিশ্বের ২৭ নম্বরকে হারালেন ভারতের নাগাল

    Australian Open 2024: অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ইতিহাস, বিশ্বের ২৭ নম্বরকে হারালেন ভারতের নাগাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের প্রথম রাউন্ডে ইতিহাস গড়লেন ভারতের সুমিত নাগাল। পুরুষদের সিঙ্গলসে প্রথম রাউন্ডে বিশ্বের ২৭ নম্বর খেলোয়াড় অ্যালেক্সান্ডার বুবলিককে হারিয়ে দিলেন ভারতের টেনিস তারকা। ঙ্গলবার মেলবোর্নে ছয় নম্বর কোর্টে কাজাখস্তানের অ্যালেক্সজান্ডার বুবলিককে ৬-৪, ৬-২, ৭-৬ (৭-৫) ব্যবধানে পরাজিত করেন ভারতীয় তারকা। যিনি আপাতত এটিপির ক্রমপর্যায়ে ১৩৯ নম্বরে রয়েছেন। কেরিয়ারের নাগালের সর্বোচ্চ র‍্যাঙ্কিং ছিল ১২২।

    সুমিতের রেকর্ড

    ১৯৮৯ সালের পর প্রথম কোনও ভারতীয় টেনিস তারকা গ্র্যান্ড স্ল্যামে বাছাই খেলোয়াড়কে হারিয়ে দিলেন। নাগালের আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন রমেশ কৃষ্ণণ। হারিয়েছিলেন সেই সময়কার ক্রমতালিকায় এক নম্বর ম্যাটস উইল্যান্ডারকে। সেই ম্যাচটিও ছিল অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের।  ৩৫ বছর পরে গ্র্যান্ডস্ল্যামে কোনও বাছাই খেলোয়াড়কে হারানোর নজির গড়েছেন সুমিত। যিনি কোয়ালিফায়ার-পর্বের গণ্ডি পেরিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মূলপর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। আর তাতেই বাজিমাত করলেন।

    মঙ্গলবার কাজাখস্তানের অ্যালেক্সান্ডার বুবলিককে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে দেন নাগাল। টেনিস বিশ্বে সাসা নামে পরিচিত বুবলিক। ক্রমতালিকায় তিনি ২৭ নম্বর। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে তিনি ৩১ নম্বর বাছাই। প্রথম রাউন্ডে শুরুটা দুর্ধর্ষ করেন নাগাল। ম্যাচের প্রথম গেমেই বুবলিকের সার্ভিস ব্রেক করেন। কিন্তু পরের গেমে নিজের সার্ভ ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। ফলে দ্বিতীয় গেমের শেষে স্কোর দাঁড়ায় ১-১। তারপর ফের দু’বার কাজাখস্তানের খেলোয়াড়ের সার্ভিস ব্রেক করে ৪২ মিনিটেই ৬-৪ গেমে প্রথম সেট জিতে ফেলেন ২৬ বছরের নাগাল। নাগাল জেতেন ৬-৪, ৬-২, ৭-৬ গেমে। শেষ সেট গড়ায় টাইব্রেকারে, সেখানে নাগাল জেতেন ৭-৫ ব্যবধানে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lionel Messi: অটুট রইল মুকুট! এমবাপ্পে-হালান্ডকে পিছনে ফেলে অষ্টমবার ফিফার বর্ষসেরা মেসি

    Lionel Messi: অটুট রইল মুকুট! এমবাপ্পে-হালান্ডকে পিছনে ফেলে অষ্টমবার ফিফার বর্ষসেরা মেসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃদ্ধ রাজা, তবু মুকুট টলল না। গত ৪ বছরে মোট ৩ বার ফিফার বিচারে বর্ষসেরার (Fifa Award) তকমা পেলেন লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। ২০২২ সালের সেরা ফুটবলার হয়েছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের নিরিখেও সেই পুরস্কার পেলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। তাঁর সঙ্গে কড়া টক্কর ছিল আর্লিং হালান্ডের। হালান্ড ও মেসির সঙ্গে লড়াইয়ে ছিলেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেও। শেষ পর্যন্ত তাঁদের টেক্কা দিলেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। অষ্টম বার ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলার হলেন লিয়োনেল মেসি।

    মেসি ভোট দেন হালান্ডকে

    লন্ডনে সোমবার রাতে ‘দা বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ডস’ উপলক্ষে জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনেকেই ভেবেছিলেন এবার হয়তো মেসিকে (Lionel Messi) হারিয়ে সেরার শিরোপা উঠবে হালান্ডের মাথায়। অবশ্য দুই প্রজন্মের দুই সেরা ফুটবলারের মধ্য়ে ভোটিংয়ের ময়দানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইও হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হাসলেন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। ৩৭ বছর বয়সে এসেও এখনও তিনি পাল্লা দিয়ে লড়ে যাচ্ছেন তরুণ প্রজন্মের তাককাদের সঙ্গে। বুঝিয়ে দিলেন তাঁর সাম্রাজ্য-আধিপত্য এখনও অটুট। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই মেসি জানিয়েছিলেন যে আসন্ন কোপা আমেরিকা পর্যন্ত আপাতত খেলা চালিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য তাঁর। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ”যত দিন মন থেকে ফুটবলটা উপভোগ করছি, তত দিনই খেলব। আমার লক্ষ্য এখন শুধু ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা। সময় বলবে আমি পরের বিশ্বকাপে থাকব কি না। সেই সময় আমার বয়স ৩৯ বছর হবে। তাতে বিশ্বকাপ খেলা কঠিন।”

    সুনীলের পছন্দ মেসি

    ছেলেদের ‘দ্য বেস্ট’ বেছে নিতে ভোট দিয়েছেন জাতীয় দলের কোচ, অধিনায়ক, সংবাদকর্মী ও বিশ্বব্যাপী ভক্তরা। মেসি এবং হালান্ড দুজনেই ৪৮ পয়েন্ট পেয়েছেন ভোটে। কিন্তু জাতীয় দলের অধিনায়কদের ভোটে সেরা মনোনীত হন মেসি। উল্লেখ্য, মেসি নিজে হালান্ডকে ভোট দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, ভারত অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী ভোট দিয়েছিলেন মেসিকে। যদিও এদিন লন্ডনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না মেসি। তাঁর হয়ে অ্যাওয়ার্ড নেন থিয়েরি অঁরি। মেয়েদের ফুটবলের বর্ষসেরা (Fifa Award) হয়েছেন স্পেন ও বার্সেলোনার মিডফিল্ডার আইতানো বনমাতি। ছেলেদের ‘দ্য বেস্ট’ কোচের পুরস্কার ওঠে পেপ গুয়ার্দিওলার হাতে। ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ব্রাজিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Deepfake: সচিনের ক্ষোভ! সজাগ কেন্দ্র, ডিপফেক রুখতে কড়া আইন আনছে সরকার

    Deepfake: সচিনের ক্ষোভ! সজাগ কেন্দ্র, ডিপফেক রুখতে কড়া আইন আনছে সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে বাড়ছে অনলাইন প্রতারণা। সম্প্রতি সোশ্যাল সাইটে ভুয়ো ভিডিয়ো নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের তথা বিশ্বের কিংবদন্তী ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর। এবার তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে সমাজ মাধ্যমগুলিতে নজরদারি বাড়ানোর কথা বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর। ডিপফেক রুখতে দ্রুত কড়া তথ্য-প্রযুক্তি আইন আনা হবে বলে জানালেন তিনি।

    সচিনের অভিযোগ

    সেলিব্রিটি থেকে আমজনতার মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ডিপফেক (Deepfake) প্রযুক্তি। আর এই ডিপফেকের রমরমা রুখতে এবার তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলির জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র। সচিনের অভিযোগ, একটি অনলাইন গেমিং সংস্থা প্রযুক্তির সাহায্যে অন্য ব্যক্তির কণ্ঠস্বরকে তাঁর বলে চালিয়ে প্রচার করছে। এই ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে সচিন কন্যা সারা সংস্থাটির অনলাইন গেম খেলছে। এবং সচিন বার্তা দিচ্ছেন, গেমটি খেলে উপার্জনও করা যায়। এরপরই প্রযুক্তির ব্যাপক অপব্যবহার নিয়ে সোচ্চার হন সচিন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানান তিনি।

    কঠোর আইনের আশ্বাস

    প্রাক্তন ক্রিকেটারের বার্তা দ্রুত পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে। কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর।  সমাজমাধ্যমে দেওয়া উত্তরে তিনি বলেছেন,‘‘এই বার্তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ সচিন। এআইয়ের মাধ্যমে ডিপফেক এবং ভুল তথ্য ভারতের সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের কাছে হুমকির মতো হয়ে যাচ্ছে। তঁদের নিরাপত্তা এবং বিশ্বাসভঙ্গ হচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে। যে প্ল্যাটফর্ম বা সংস্থাগুলো এ সব করছে, তাদের উচিত এ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক নির্দেশিকা সম্পূর্ণ ভাবে মেনে চলা। সংস্থাগুলো যাতে নির্দেশিকা মেনে চলে তা নিশ্চিত করতে আইন কঠোর করা হবে।’’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar Rebel:  ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী শহরের দখল নিল বিদ্রোহীরা! উদ্বিগ্ন মায়ানমার সরকার

    Myanmar Rebel: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী শহরের দখল নিল বিদ্রোহীরা! উদ্বিগ্ন মায়ানমার সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তের অদূরে মায়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর পালেতাওয়ার দখল করল সেখানকার বিদ্রোহীরা। রাখাইন প্রদেশের অন্তর্গত কালাদান নদীর তীরবর্তী ওই শহর  দখল করেছে মায়ানমারের শক্তিধর সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। ওই বন্দরের সাহায্যে ভারত ও বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য চালাত মায়ানমার। এই বন্দর বিদ্রোহীদের হাতে গেলে মানানমারের সামরিক জুন্টা সরকার আর্থিক ও বাণিজ্যিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে অনুমান কূটনীতিকদের। একই সঙ্গে এর ফলে নতুন করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শরণার্থীদের অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    মায়ানমারে বিদ্রোহ

    মায়ানমারের পশ্চিমাংশের রাখাইন প্রদেশ থেকে সশস্ত্র কার্যকলাপ পরিচালনা করে ‘আরাকান আর্মি’। মায়ানমারের তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠী— ‘তাঙ ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি’ (টিএনএলএ), ‘আরাকান আর্মি’ (এএ) এবং ‘মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি’ (এমএনডিএএ)-র জোট ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’ নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে সে দেশের সামরিক জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছে। বিদ্রোহীদের হামলার জেরে ইতিমধ্যেই সে দেশের অর্ধেক এলাকা সরকারি সেনার হাতছাড়া হয়েছে। বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মির পক্ষ থেকে সোমবার জানানো হয়েছে, সীমান্তে স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তাঁরা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার চেষ্টা চালিয়ে চালাবেন।’ সংগঠনের মুখপাত্র খিন থু খা এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘‘পালেতাওয়ার প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব নেব আমরা।’’

    আরও পড়ুন: পাঞ্জাব সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে সেনার হাতে আসছে দেশীয় ড্রোন ‘দৃষ্টি-১০’

    আরাকান আর্মির দাবি

    বিষয়টি নিয়ে আপাতত মায়ানমার সরকারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, পালেতাওয়ার অঞ্চলে গত সপ্তাহে মায়ানমারের সামরিক বাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। তবে অধিকাংশ মানুষই চলতি মাসের গোড়ার দিকে পালেতাওয়া ছেড়ে চলে গিয়েছেন। স্থানীয় গ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন। কয়েকজন বাসিন্দাই শুধুমাত্র পালেতাওয়ায় থেকে গিয়েছেন। যেখানে ইন্টারনেট এবং মোবাইল সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। মায়ানমারে গৃহযুদ্ধের জেরে ঘরছাড়া হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ , যার মধ্যে কয়েক হাজার আশ্রয় নিয়েছেন উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য মিজেরামে। উল্লেখ্য, মায়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে ২০১৫ সালে ওই পালেতাওয়া অঞ্চলে প্রথমবার পা রেখেছিল আরাকান আর্মি। যে অঞ্চলের অধিকাংশ বাসিন্দা আদতে চিন গোষ্ঠীর। যত দ্রুত সম্ভব পালেতাওয়া অঞ্চলে সুরক্ষা এবং আইনের শাসন কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন আরাকান আর্মির এক মুখপাত্র।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Prakhar Chaturvedi: ফাইনালে অপরাজিত ৪০৪! ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস প্রখর চতুর্বেদীর

    Prakhar Chaturvedi: ফাইনালে অপরাজিত ৪০৪! ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস প্রখর চতুর্বেদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাজিত ৪০৪ রান! ভারতীয় ক্রিকেটে ইতিহাস তৈরি করলেন কর্নাটকের ব্যাটার প্রখর চতুর্বেদী (Prakhar Chaturvedi)। কোচবিহার ট্রফির ফাইনালে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে নজির গড়লেন প্রখর। অনূর্ধ্ব ১৯ এই টুর্নামেন্টে তাক লাগানো ব্যাটিং করলেন তিনি। যুবরাজ সিংয়ের ২৪ বছর পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন প্রখর।

    প্রখর-তেজ

    কোচবিহার ট্রফির ফাইনালে মুখোমুখি মুম্বই ও কর্নাটক। বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে কোনও টিমকে শক্তিশালী দুর্বল বলা যায় না। এই ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে  ফিল্ডিং নেয় কর্নাটক। ব্যাট করে মুম্বই। হার্দিক রাজের ৪ উইকেট, রাহুল দ্রাবিড়-পুত্র সমিতের ২ উইকেট। মুম্বইয়ের ইনিংস শেষ হয় ৩৮০ রানে। ফাইনালে এত বড় রান সামনে থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিপক্ষ টিম আত্মবিশ্বাস হারায়। যদিও কর্নাটকের ক্ষেত্রে হল উল্টো। ওপেনার প্রখর চতুর্বেদী (Prakhar Chaturvedi) শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করলেন। ম্যাচ অমীমাংসিত থাকলেও প্রথম ইনিংস লিডে কোচবিহার ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হল কর্নাটক।

    ভাঙল যুবির রেকর্ড

    ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে মহেন্দ্র সিং ধোনির বিহারের বিরুদ্ধে জামশেদপুরের ম্যাচে ৩৫৮ রান করেছিলেন যুবরাজ। এদিন সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন প্রখর (Prakhar Chaturvedi)। তিনি অপরাজিত ৪০৪ করেছেন ৬৩৮ বলে। ইনিংসে ৪৬টি চার এবং ৩টি ছয় মেরেছেন তিনি। প্রথম শ্রেনির ক্রিকেটে হোক বা টেস্ট। সর্বাধিক স্কোরের রেকর্ড কিংবদন্তি ব্রায়ান চার্লস লারার দখলে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা সেন্ট জনসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৪০০ রান করেছিলেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে লারা ১৯৯৪ সালে ডারহ্যামের বিপক্ষে অপরাজিত ৫০১ রান করেছিলেন তা-ও রেকর্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: শহরে এলেন কোচ হাবাস, সুপার কাপের শেষ চারে যেতে ডার্বি জিততেই হবে মোহনবাগানকে 

    Mohun Bagan: শহরে এলেন কোচ হাবাস, সুপার কাপের শেষ চারে যেতে ডার্বি জিততেই হবে মোহনবাগানকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় ম্যাচের তিনদিন আগে কলকাতা এসে গেলেন মোহনবাগান (Mohun Bagan) কোচ আন্তনিও লোপেজ হাবাস (Antonio Lopez Habas)। মঙ্গলবার দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। কলিঙ্গ সুপার কাপের ডার্বি শুক্রবার। তার আগে টিমের সঙ্গে হাবাসের যোগ দেওয়া নিশ্চিত ভাবেই মনোবল বাড়াবে সবুজ-মেরুন শিবিরের। সুপার কাপের (Super Cup) সেমিফাইনালে পৌঁছতে হলে ডার্বি জিততেই হবে মোহনবাগানকে। অন্যদিকে  ডার্বি ড্র হলেই শেষ চারে চলে যাবে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। 

    ডার্বিতে সুবিধা জনক জায়গায় ইস্টবেঙ্গল

    সুপার কাপে এখনও পর্যন্ত মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল  দু’দলই নিজেদের দু’টি ম্যাচ জিতেছে। ফলে দু’দলেরই পয়েন্ট ৬। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার ডার্বিতে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে যে দল জিতবে তারা যাবে সুপার কাপের সেমিফাইনালে। সহজ হিসাব। কিন্তু ম্যাচ ড্র হলে সেমিফাইনালে উঠবে ইস্টবেঙ্গল। সুপার কাপের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপের দু’দলের পয়েন্ট সমান থাকলে দেখা হয় গোলপার্থক্য। দু’দলেরই গোলপার্থক্য সমান (২)। অর্থাৎ, ডার্বি ড্র হলে গোলপার্থক্য একই থাকবে। তখন দেখা হবে কোন দল বেশি গোল করেছে। আর সেখানেই এগিয়ে লাল-হলুদ। গ্রুপের দুই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল গোল করেছে ৫টি। গোল খেয়েছে ৩টি। ফলে গোলপার্থক্য ২। অন্য দিকে মোহনবাগান গোল করেছে ৪টি। খেয়েছে ২টি। ফলে তাদেরও গোলপার্থক্য ২। যদি ডার্বি ড্র হয় তা হলে বেশি গোল করার নিরিখে মোহনবাগানকে টপকে সুপার কাপের সেমিফাইনালে উঠবে ইস্টবেঙ্গল। 

    আরও পড়ুন: চিন্তায় রাখলেন রোহিত-বিরাট! শিবম-যশস্বীর দাপটে সিরিজ ভারতের

    মোহন-শিবিরে যোগ দিচ্ছেন হাবাস

    কার্যত কোচ ছাড়াই সবুজ-মেরুন সুপার কাপের প্রথম দুটো ম্যাচ খেলেছে। সহকারী কোচ ক্লিফোর্ড মিরান্ডা টিম সামলেছেন। প্রথম ম্যাচে শ্রীনিদি ডেকানকে ২-১ হারিয়েছিল টিম। পরের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসিকে একই স্কোরলাইনে হারিয়েছে। পর পর দুটো ম্যাচ জেতায় মনোবল তুঙ্গে টিমের। হাবাস যোগ দিলে ডার্বির ছকও সাজিয়ে নিতে পারবেন। সুপার কাপের এই গ্রুপ নিশ্চিত ভাবে কঠিন। গ্রুপ থেকে একটিই টিম যাবে সেমিফাইনালে। মোহনবাগানের কাছে ডার্বি যে কারণে খুব গুরুত্বপূর্ণ।  কলকাতার দুই বড় টিমের পয়েন্ট সমান। এমনকি গোল পার্থক্য দুই টিমের সমান। কিন্তু গোল করার নিরিখে এগিয়ে লাল-হলুদ। তাই কিছুটা হলেও ডার্বিতে এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share