Author: suman-das

  • Suvendu Adhikari: ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি, চাঁচলের সভা থেকে সরকার গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি, চাঁচলের সভা থেকে সরকার গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তিন দিনের সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ। তিনি বঙ্গ বিজেপির নেতাদের টার্গেট আসন সংখ্যা দিয়ে গিয়েছেন ২০০। তবে শুক্রবার মালদার (Malda) চাঁচলে বিজেপির এক জনসভা থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করেন ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনে নারী ধর্ষণ, চাকরি চুরি, কয়লা-বালি-মাটি-পাথর পাচার চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। ২৬০০০ স্কুল শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে মমতার শাসনে। ফলে সবটা মিলিয়ে আপামর জনসাধারণের তীব্র ক্ষোভ, অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় আসার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদী বলে মনে করছেন বঙ্গবিজেপির নেতারা।

    মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ (Suvendu Adhikari)

    শুক্রবার চাঁচলের (Malda) জনসভা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তার ইস্যুতে স্বমহিমায় মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি আগত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বলেন, “ঠিক সময়ে দলটা ছেড়েছিলাম। দেশের হাল নরেন্দ্র মোদি ছাড়া গতি নেই। আগামী বিধানসভায় বিজেপি ২২০টি আসন পাবে। সরকার বিজেপিই গড়বে। রাজ্যের সমস্ত সনাতনীরা এগিয়ে আসলে ২২০ আসন হবেই।”

    ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মে ভোট

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূলকে সমালচনা করে বলেন, “চোরের দলে গেলে সবাই বদলে যাবে। আগে বুঝেছিলাম বলে ৬ বছর আগেই পালিয়ে এসেছি। একে একে সবাই এসেছে গেরুয়ার নিচে, কারণ মোদিজি ছাড়া দুর্বৃত্তদের আর কেউ আটকাতে পারবে না। পশ্চিমবঙ্গের দুটি লোকসভায় হিন্দুদের জোট চোখে পড়ার মতো ছিল। উত্তর মালদায় (Malda) হিন্দুরা অনেক বেশি সংঘবদ্ধ। ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মে ভোট দিয়েছেন। সকল সনাতনীদের এগিয়ে আসতে হবে।”

    প্রশাসন চরম অসহযোগিতা করে

    রাজ্যে বাকি সমস্ত রাজনৈতিক দলের দলীয় কর্মসূচিতে অনুমতি দিলেও বিজেপির ক্ষেত্রে মমতা প্রশাসন চরম অসহযোগিতা করে বলে তোপ দাগেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মালদার (Malda) চাঁচলের সভা থেকে শুভেন্দু তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলেন, “এই নিয়ে ১০৪ বার সরকারের বিরোধিতার জন্য আদালত থেকে সভা করার অনুমতি করতে হয়েছে। তবে প্রশাসনের এই অসহযোগীতাও বেশিদিন থাকবে না। আগামী এপ্রিল মাসের পর রাজ্যের বিরোধী দল হয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ে হিসেব হবে। রাজ্যের চটিচাটা পুলিশের নাম লিস্ট করে রেখেছি। সবাইকার নাম লেখা রয়েছে, সবার হিসেব তোলা থাকবে।”

    ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দেবে

    হিন্দু ভোটের ঐক্যের কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “২০২১ সালে নন্দীগ্রামে হিন্দুভোট একত্রিত হয়েছিল। সেই সময় ৬৫ শতাংশ ভোট একত্রিত হয়েছিল। মমতাকে প্রায় ২০০০ ভোটে হারিয়েছিলাম। ২০২৪ সালে নন্দীগ্রামে হিন্দুভোট হয়েছিল ৭২ শতাংশ। আবার লোকসভার ভোটে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ১২০০০ ভোটে লিড পেয়েছিলেন। হাতে মাত্র ৩ মাস। এখানেও উত্তর মালদার মতো ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দেবে। বিজেপি প্রার্থী ২০ হাজার ভোটে জয়ী হবেন। ২৪ সালে জয় জগন্নাথ বলে ওড়িশায় বিজেপি সরকার গড়েছে। এবার বাংলার পরিবর্তন হবে। নাগরাকাটায় খগেন মুর্মুর আক্রান্ত হওয়া নিয়েও সরব হন শুভেন্দু। তিনি ত্রাণ দিতে গিয়েছিলেন, ভোট চাইতে যাননি, খগেন মুর্মুর রক্ত হবে না ব্যর্থ। পাশের জেলা হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসকে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। হিন্দু অস্তিত্ব অত্যন্ত সঙ্কটের। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের জয় হবেই।”

    ১০ শতাংশের তফাত

    উল্লেখ্য বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ ভোটের পার্থক্য রিয়েছে। এদিকে ২০২১ সালে বিজেপি আসন পেয়েছিল ৭৭টি, তৃণমূল পেয়েছিল ২১৩টি। তৃণমূলের ভোট শতাংশ ছিল ৪৭.৯৪ এবং বিজেপির ছিল ৩৮.১৩ শতাংশ। সংযুক্ত মোর্চার দিকে ছিল ৮.৬ শতাংশ। যদিও এসআইআর-এর কাজে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। ফলে শতাংশের বিচারে বিজেপির সম্ভাবনাও ব্যাপক রয়েছে। ২০০ বা ২২০ আসন বিজেপি পাওয়ার সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন ওয়াকিবহাল মহল।

  • SIR: ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে, সাফ নির্দেশ কমিশনের

    SIR: ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে, সাফ নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর (SIR) আবহে চলছে শুনানি পর্ব। আর এই শুনানিতে কেবলমাত্র ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই গ্রহণযোগ্য হবে বলে নির্দেশিকা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ থেকে জারি হওয়া ওবিসি সার্টিফিকেট এসআইআরের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। এই মর্মে ইতিমধ্যে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক ডিইও-দের নির্দেশিকাও (Election Commission) পাঠানো হয়েছে।

    গ্রাহ্য হবে না ২০১০-২০২৪ সার্টিফিকেট (SIR)

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বক্তব্য, ২০১০ সালের পর থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। তারই জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে এই খবর। চলতি বছর ১২ জুন রাজ্য ওবিসির যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেই তালিকাও এই নির্দেশিকার আওতায় পড়বে। ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রোত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পরে দেওয়া সমস্ত ওবিসি শংসাপত্র বাতিল করে দিয়েছিল। ২০১০ সালের আগে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৬টি জনগোষ্ঠী ওবিসি বলে ধরা হত। ২০১০ সালে তৎকালীন বাম সরকারের আমলে আরও ৪২টি এবং ২০১২ সালে তৃণমূল সরকারের আমলে ৩৫টি জনগোষ্ঠীকে নতুন করে ওবিসি বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সব শংসাপত্র বাতিল করে দিয়েছে হাইকোর্ট। এসআইআর (SIR) শুনানিতে গ্রাহ্য হবে না এই সার্টিফিকেট।

    তবে ওই রায়ে হাইকোর্টের স্পষ্ট কথা ছিল, সামাজিক, আর্থিক এবং পেশাগত ভাবে সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমীক্ষা করতে হবে। তারপর নতুন করে ওবিসি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। চাকরি এবং কলেজের পরীক্ষায় ২০১০ সালের আগে পর্যন্ত যে ৬৬টি জনগোষ্ঠী অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির অংশ ছিল, তাঁদের শংসাপত্রই গ্রাহ্য হবে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর তালিকার অংশ হিসেবে।

    ১১টি নথির মধ্যে বাদ ওবিসি সার্টিফিকেট

    ২০১০ সাল থেকে যাঁদের ওবিসিতে নথিভুক্ত করা হয়েছে, হাইকোর্টের রায়ে ওই শংসাপত্র বাতিল হবে। রাজ্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর শুরু হয়েছে। প্রাথমিক খসড়া প্রকাশিত হওয়ার পর শুনানি পর্ব চলছে রাজ্যে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় যে ১১টি নথিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ওবিসি সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে কমিশন (Election Commission) স্পষ্ট করে বলেছে, ২০১০ সালের আগে যারা সার্টিফিকেট পেয়ে তালিকাভুক্ত হয়েছে তাঁদের এই শংসাপত্র এসআইআর-এ (SIR) গ্রাহ্য হবে।

  • SIR: নথি না থাকলে একতরফাভাবে বাতিল নয় আশ্রমিক-আদিবাসীদের নাম, স্পষ্ট করল কমিশন

    SIR: নথি না থাকলে একতরফাভাবে বাতিল নয় আশ্রমিক-আদিবাসীদের নাম, স্পষ্ট করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যৌনকর্মী, আদিবাসী, আশ্রমের বাসিন্দা এবং দুর্বল-প্রান্তিক মানুষদের নাম একতরফাভাবে ভোটার তালিকা (SIR) থেকে বাদ দেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটার লিস্টের নিবিড় তালিকা সংশোধনে কোনও যোগ্য ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায় সেই দিকে যেমন নজর রাখতে হবে, একইভাবে অবৈধ ভোটারের নাম যাতে লিস্টে না থাকে সেই দিকেও স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

    প্রান্তিক এবং দুর্বলদের ডাকা যাবে না (SIR)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, সমাজের মধ্যে যাঁরা প্রান্তিক এবং দুর্বল যেমন-যৌনকর্মী, আদিবাসী গোষ্ঠী, আশ্রমের বাসিন্দা— এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যাঁদের নাম হয়তো ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই, তাঁদের কোনও রকম নথির (SIR) প্রয়োজন নেই। শুধু নথির অভাবে তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা থাকলে তাঁদের নাম লিস্ট থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। কমিশনের এই বিষয়ে সাফ কথা, কোনও যোগ্য ব্যক্তি বৈধ বা বাস্তব কারণে প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারেন, তাহলে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া যাবে না।

    বাড়িতে গিয়ে শুনানি করতে হবে

    পাশাপাশি বিএলও-কে সতর্ক করে কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, ৮৫ বছরের ঊর্ধ্ব এমন কাউকে শুনানি (SIR) কেন্দ্রে দেখা গেলে শাস্তি পেতে হবে। একইভাবে শুনানিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে অসুস্থ এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমদেরও। ইতিমধ্যে শুনানিতে অনেক অসুস্থ, প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধ ভোটারকে দেখা গিয়েছে। যদিও কমিশনের তরফে আগে থেকে কোনও এই বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়নি। ফলে শুনানির লাইনে অনেক অসুস্থ প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধ ভোটারকে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে। আর তাতেই নানা মহলে এই নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে। এরপর মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি করে জানানো হয়েছে যে, ৮৫ বছরের ঊর্ধ্ব ভোটারদের শুনানিতে ডাকা যাবে না, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি করতে হবে। কোনও ভোটারকে যদি শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়ে গিয়ে থাকে, তবে তাঁদের সঙ্গে আলাদা করে যোগাযোগ করতে হবে আধিকারিকদের। শুনানিতে যেন না আসেন তার অনুরোধ করতে হবে। তাঁদের নথি যাচাই করতে হবে বাড়িতে গিয়ে। এই বিষয়টি নিয়ে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখাতে হবে বিএলও, ইআরও এবং এইআরও-দের। আর যদি শুনানিতে যেতে বাধ্য করা হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজারকে দায়ী করা হবে।

  • RailOne: নববর্ষের উপহার! রেলওয়ান অ্যাপে অসংরক্ষিত টিকিট কেনায় ৩ শতাংশ ছাড়, ঘোষণা রেলের

    RailOne: নববর্ষের উপহার! রেলওয়ান অ্যাপে অসংরক্ষিত টিকিট কেনায় ৩ শতাংশ ছাড়, ঘোষণা রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল লেনদেনকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার উদ্দেশ্যে ভারতীয় রেলের মন্ত্রক একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে। এখন থেকে রেলওয়ান (RailOne) মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে যে কোনও ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে অসংরক্ষিত টিকিট (Unreserved Tickets) কিনলে, যাত্রীরা টিকিটের মূল্যের উপর ৩ শতাংশ ছাড় পাবেন। এই উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য হল যাত্রীদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দিকে আরও বেশি উৎসাহিত করা। তবে এই ছাড়টি রেলওয়ান অ্যাপের (Indian Rail) সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্ট মোডে প্রযোজ্য হবে।

    কবে থেকে কবে ছাড় (RailOne)?

    ৩০ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখের এক সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাটি ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ছয় মাস জুড়ে কার্যকর থাকবে। বর্তমানে রেলওয়ান অ্যাপ ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র অ্যাপের নিজস্ব ওয়ালেট পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে লেনদেন (Indian Rail) করলে ৩ শতাংশ ক্যাশব্যাকের সুবিধাও পাবেন। তবে রেল মন্ত্রক (RailOne) এখন এই উৎসাহমূলক সুবিধাটিকে ডিজিটাল পেমেন্টের বিস্তৃত পরিসরে প্রসারিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ডিজিটাল বুকিংকে আরও জনপ্রিয়

    রেলে মন্ত্রক (Indian Rail) সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম (CRIS)-কে পাঠানো এক চিঠিতে জানিয়েছে, ডিজিটাল বুকিংকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার উদ্দেশ্যে রেলওয়ান (RailOne) অ্যাপে সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্ট মোডের মাধ্যমে অসংরক্ষিত টিকিট বুকিংয়ের উপর ৩ শতাংশ ছাড়-এর পরিষেবা দেবে। একই ভাবে রেলের প্রযুক্তিগত বিভাগ সিআরআইএ (CRIS)-কে এই নতুন সুবিধাটি চালু করার আগে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়াও হয়েছে।

    রেলের (Indian Rail) এক আধিকারিক এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বিদ্যমান ৩ শতাংশ ক্যাশব্যাক অফারটি নতুন ছাড়ের প্রকল্পের পাশাপাশি চলতে থাকবে। তবে ৩ শতাংশ ছাড়ের এই নতুন সুবিধাটি শুধুমাত্র রেলওয়ান অ্যাপের মাধ্যমে করা সমস্ত ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য প্রযোজ্য হবে। অন্য কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে টিকিট কাটলে এই ছাড় পাওয়া যাবে না।

  • Ramakrishna 546: “শুধু পুঁথি পড়লে চৈতন্য হয় না—তাঁকে ডাকতে হয়। ব্যাকুল হলে তবে কুলকুণ্ডলিনী জাগেন”

    Ramakrishna 546: “শুধু পুঁথি পড়লে চৈতন্য হয় না—তাঁকে ডাকতে হয়। ব্যাকুল হলে তবে কুলকুণ্ডলিনী জাগেন”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই অগস্ট
    ঠাকুর মুক্তকণ্ঠ—শ্রীরামকৃষ্ণ কি সিদ্ধপুরুষ না অবতার?

    “আবার কখনও পাখির মতো এ-ডাল থেকে ও-ডাল, ও-ডাল থেকে এ-ডাল,—মহাবায়ু উঠতে থাকে! সে ডালে বসে, সে স্থান আগুনের মতো বোধ হয়। হয়তো মূলাধার থেকে স্বাধিষ্ঠান, স্বাধিষ্ঠান (Ramakrishna) থেকে হৃদয়, এইরূপ ক্রমে মাথায় উঠে (Kathamrita)।

    “কখনও বা মহাবায়ু তির্যক গতিতে চলে—এঁকে বেঁকে! ওইরূপ চলে চলে শেষে মাথায় এলে সমাধি হয়।”

    পূর্বকথা — ২২/২৩ বছরে প্রথম উন্মাদ ১৮৫৮ খ্রী: — ষট্‌চক্র ভেদ 

    “কুলকুণ্ডলিনী না জাগলে চৈতন্য হয় না।

    “মূলাধারে কুলকুণ্ডলিনী। চৈতন্য হলে তিনি সুষুম্না নাড়ীর মধ্য দিয়ে স্বাধিষ্ঠান, মণিপুর এই সব চক্র ভেদ করে, শেষে শিরিমধ্যে গিয়ে পড়েন। এরই নাম মহাবায়ুর গতি — তবেই শেষে সমাধি হয়।

    “শুধু পুঁথি পড়লে চৈতন্য হয় না—তাঁকে ডাকতে হয়। ব্যাকুল হলে তবে কুলকুণ্ডলিনী জাগেন। শুনে, বই পড়ে জ্ঞানের কথা!—তাতে কি হবে!

    “এই অবস্থা যখন হল, তার ঠিক আগে আমায় দেখিয়ে দিলে—কিরূপ কুলকুণ্ডলিনীশক্তি (Ramakrishna) জাগরণ হয়ে, ক্রমে ক্রমে সব পদ্মগুলি ফুটে যেতে লাগল, আর সমাধি হল। এ অতি গুহ্যকথা। দেখলাম, ঠিক আমার মতন বাইশ-তেইশ বছরের ছোকরা, সুষুম্না নাড়ির ভিতর দিয়ে যোনিরূপ পদ্মের সঙ্গে রমণ করছে! প্রথমে গুহ্য, লিঙ্গ, নাভি। চতুর্দল, ষড়দল, দশদল পদ্ম সব অধোমুখ হয়েছিল — ঊর্ধ্বমুখ হল।

    “হৃদয়ে যখন এল—বেশ মনে পড়ছে—জিহ্বা দিয়ে রমণ করবার পর দ্বাদশদল অধোমুখ পদ্ম ঊর্ধ্বমুখ হল, — আর প্রস্ফুটিত হল! তারপর কণ্ঠে ষোড়শদল, আর কপালে দ্বিদল। শেষে সহস্রদল পদ্ম প্রস্ফুটিত হল! সেই অবধি আমার এই অবস্থা।”

    ঠাকুর একটু পাশ ফেরার পর আবার কথা (Kathamrita) কহিতেছেন। মানুষের ভিতর তিনি অবতীর্ণ হইয়া লীলা করেন, এই কথা হইতেছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তোমার ওই ঘর। আমার আগে রূপদর্শন হত না, এমন অবস্থা গিয়েছে। এখনও দেখছ না, আবার রূপ কম পড়ছে।

    মণি—লীলার মধ্যে নরলীলা বেশ ভাল লাগে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তাহলেই হল;—আর আমাকে দেখছো!

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কি বলিতেছেন যে, আমার ভিতর ঈশ্বর নররূপে অবতির্ণ হইয়া লীলা করিতেছেন?

  • PM Modi: অযোধ্যায় রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: অযোধ্যায় রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম লালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এক ঐশ্বরিক উদযাপন রূপে বর্ণনা করেছেন। কোটি কোটি ভক্তের শত শত বছরের ভক্তি ও আকাঙ্ক্ষা সফল রূপ পেয়েছে রামমন্দিরে। রামা লালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা ছিল একটি ভব্য এবং দিব্য উৎসব। ৫০০ বছরের আন্দোলন এবং রামভক্তদের স্বপ্ন প্রতিফলিত হয়েছে। শ্রী রামই ভারতীয় সংস্কৃতির আসল প্রতীক।

    শত শত বছরের আকাঙ্ক্ষার সফল পরিণতি (PM Modi)

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ৩১ ডিসেম্বর অযোধ্যায় রাম লালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ভারত এবং বিশ্বজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এই দিন সম্পর্কে বলেন, “আমাদের আস্থা এবং ঐতিহ্যের এক দিব্য উৎসব। শত শত বছরের হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত গৌরবের মাহেন্দ্রক্ষণ। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী ভগবান শ্রী রামের চরণে প্রণাম জানান। সেই সঙ্গে লিখেছেন, “অযোধ্যায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিনটির অত্যন্ত গৌরবের এবং আধ্যাত্মিক ভক্তি ভাবুকতায় পরিপূর্ণ। রাম ভক্তদের শত শত বছরের আকাঙ্ক্ষার সফল পরিণতি পেয়েছে। ঐতিহাসিক ভাবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। আজ অযোধ্যার পবিত্র ভূমিতে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। এই বার্ষিকী আমাদের আস্থা এবং ঐতিহ্যের এক দিব্য উৎসব। এই পবিত্র ও পুণ্য তিথিতে দেশে-বিদেশে থাকা সকল রাম ভক্তের পক্ষ থেকে প্রভু শ্রী রামের চরণে আমার কোটি কোটি নমস্কার।”

    রাম আমাদের অনুপ্রেরণা

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) এই বছরেই আরেকটি নতুন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন যা হল অযোধ্যার ধর্ম ধ্বজার উত্তোলন। ফলে এই বছরই আবার প্রথমবার নব উত্তোলিত ধর্ম ধ্বজ রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সাক্ষী থাকছে। রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) এই ধ্বজ ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য এবং নৈতিক মূল্যবোধের প্রতীক। তাই মোদি বলেছেন, “আমার সৌভাগ্য যে গত মাসে আমি এই পবিত্র ধ্বজ স্থাপনায় অংশ নেওয়ার শুভ সুযোগ পেয়েছিলাম। শ্রীরামের মর্যাদা পূর্ণ প্রতীকের অনুপ্রেরণা প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে সেবা, নিষ্ঠা এবং সহানুভূতির অনুভূতিকে আরও গভীর ভাগে জাগিয়ে তুলবে। সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভর ভারত গড়তে শ্রী রাম আমাদের অনুপ্রেরণা।”

    ধর্ম ধ্বজার আনুষ্ঠানিক উত্তোলনকে ধর্মীয় তাৎপর্যের বাইরে গিয়ে ভারতের বৃহত্তর জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে যুক্ত করেছেন মোদি। একই ভাবে দেশবাসীর কাছে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভগবান রাম সবসময় মর্যাদা পুরুষোত্তম হিসেবে পূজিত হন। তাঁর আদর্শগুলি নাগরিকদের মধ্যে সেবা, নিষ্ঠা এবং সহানুভূতির মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

  • Ayodhya Ram Mandir: কীভাবে ধর্মীয় আধ্যাত্মিকতার শক্তি একটি সনাতন সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করে তার প্রমাণ অযোধ্যার রামমন্দির

    Ayodhya Ram Mandir: কীভাবে ধর্মীয় আধ্যাত্মিকতার শক্তি একটি সনাতন সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করে তার প্রমাণ অযোধ্যার রামমন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা (Pran Pratishtha Anniversary) বার্ষিকী ভারতের আধুনিক ইতিহাসে অন্যতম সুদূরপ্রসারী বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। পৌষ শুক্ল পক্ষের দ্বাদশী, ৩১ ডিসেম্বর পালিত হয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী হিসেবে। ফলে এই মাহেন্দ্রক্ষণ কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা, যা বিশ্বাস-আস্থা- ইতিহাস-সংস্কৃতি এবং জাতীয় চেতনাকে একসূত্রে বেঁধে রেখেছে। রামমন্দির ভারতীয় সংস্কৃতির প্রধান পরিচয়।

    অযোধ্যা নগরী ত্রেতা যুগের রাজধানী (Ayodhya Ram Mandir)

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) অযোধ্যায় দণ্ডায়মান, যা ভগবান শ্রী রামের (Pran Pratishtha Anniversary) জন্মস্থান হিসেবে পূজিত হয়। শ্রী রাম হিন্দু সভ্যতার এক কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব। প্রভু রাম হলেন ধর্ম, ন্যায় ও আদর্শ শাসনের মূর্ত প্রতীক। শতাব্দী ধরে, অযোধ্যা ভারতের আধ্যাত্মিক মানচিত্রে এক পবিত্র স্থান অধিকার করে আছে। রাম ভক্ত, সাধুসন্ত, তীর্থযাত্রী, পণ্ডিতদের আকর্ষণীয় কেন্দ্র। রাম লালা নিজের মহান মানব গুণে ভগবানের পর্যায়ে উন্নীত হয়েছেন। তিনি মর্যাদা পুরুষোত্তম রাম। অযোধ্যানগরী ত্রেতা যুগের রাজধানী। তাই অযোধ্যা ধামকে সনাতন ঐতিহ্যের সাতটি পবিত্র স্থানের মধ্যে অন্যতম হিসেবে ধরা হয়।

    সাংস্কৃতিক আত্মমর্যাদার প্রতীক

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) নির্মাণ কয়েক দশক ধরে চলা এক দীর্ঘ ঐতিহাসিক ও আইনি প্রক্রিয়ার ফল। ভক্তরা কয়েক প্রজন্ম ধরে এই বিশ্বাসে ছিলেন রাম জন্মভূমিতে (Pran Pratishtha Anniversary) এক বিশাল মন্দির একদিন গড়ে উঠবে। এই মন্দির বা রাম লালার বিগ্রহ কেবল ভক্তি নয়, সাংস্কৃতিক আত্মমর্যাদারও প্রতীক। সাংবিধানিক উপায়ে এই মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনায় ভারতের গণতান্ত্রিক ও বিচার ব্যবস্থার উপর বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে। তাই মন্দিরটি কেবল একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, সভ্যতার অবিচলতার আরও এক প্রতীক।

    রাম আশ্রয়স্থল

    সনাতন ধর্মে, প্রাণ প্রতিষ্ঠা মন্দির পূজার অন্যতম পবিত্র আচার। শব্দটি আক্ষরিক অর্থে বোঝায় জীবনের সঞ্চার। প্রভু রাম আগে এখানেই ছিলেন। মন্দির পুনঃপ্রতিষ্ঠায় রামলালাকে আরেকবার গর্ভগৃহে স্থাপনা করা হয়েছে। সেই মুহূর্তটিকে নির্দেশ করে যখন আনুষ্ঠানিকভাবে দেবতার ঐশ্বরিক উপস্থিতি মূর্তিতে আহ্বান করা হয়, এটিকে একটি নির্মিত রূপ থেকে পূজার যোগ্য এক জীবন্ত মূর্তিতে রূপান্তরিত করেছে। সমস্ত সনাতন হিন্দু ধর্মের (Pran Pratishtha Anniversary) মানুষের কাছে এই মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) সকল আস্থার ভর কেন্দ্র।

    প্রাণ প্রতিষ্ঠা ছিল অনুষ্ঠানটির ছিল বহুমাত্রিক

    ২০২৪ সালে শ্রী রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান প্রাচীন শাস্ত্র এবং বৈদিক নির্দেশাবলী কঠোরভাবে পালন করে সম্পন্ন হয়েছিল। ভগবান শ্রী রামকে (Ayodhya Ram Mandir) আনুষ্ঠানিকভাবে গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত করা হয়েছিল। ভক্তদেরকে শ্রী রাম লালার সঙ্গে সরাসরি আধ্যাত্মিক সম্পর্ক স্থাপন করে দেয়। প্রাণ প্রতিষ্ঠার হিন্দুধর্মে গভীর ধর্মতাত্ত্বিক ও দার্শনিক গুরুত্ব রয়েছে। বিশ্বাস করা হয় যে এই আচারের মাধ্যমে মূর্তির মধ্যে ঐশ্বরিক চেতনা জাগ্রত হয়, যা ভক্তদের (Pran Pratishtha Anniversary) আধ্যাত্মিক সংযোগ এবং ঐশ্বরিক কৃপা অনুভব করতে সক্ষম করে।

    শ্রী রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা ছিল অনুষ্ঠানটির ছিল বহুমাত্রিক তাৎপর্য:

    • ধর্মীয় তাৎপর্য: এটি মন্দিরের আধ্যাত্মিক ভিত্তি সম্পূর্ণ হয়েছে, সনাতন ঐতিহ্য অনুসারে পূর্ণাঙ্গ পূজা পরিচালনার পথ খুলে দিয়েছে।
    • সাংস্কৃতিক তাৎপর্য: এটি ভারতের প্রাচীন আচার-অনুষ্ঠানগুলিকে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করেছে এবং সহস্রাব্দ-প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
    • সভ্যতার তাৎপর্য: এটি ভারতীয় সভ্যতার সহনশীলতার প্রতীক, যা ঐতিহাসিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তার বিশ্বাস এবং পরিচয়কে ধরে রেখেছিল।

    ভক্তদের জন্য, প্রাণ প্রতিষ্ঠা প্রতীকী অভিনয় নয়; এটি মানব ও ঐশ্বরিকতার মধ্যে মিলনের এক গভীর মুহূর্ত।

    শুদ্ধিকরণ, অভিষেক, মন্ত্রপাঠ

    রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানটি আচারের এক সুচিন্তিতভাবে কাঠামোগত ক্রম অনুসরণ করা হয়েছিল।

    বিগ্রহের শুদ্ধিকরণ: ভগবান শ্রী রামের বিগ্রহকে পবিত্র জল, পঞ্চামৃত (দুধ, দই, ঘি, মধু এবং চিনির মিশ্রণ) এবং বৈদিক মন্ত্র ব্যবহার করে আনুষ্ঠানিকভাবে শুদ্ধ করা হয়েছিল। এই পদক্ষেপটি শারীরিক ও আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধি নির্দেশ করে।

    অভিষেক: দেবতাকে গঙ্গা জল এবং অন্যান্য পবিত্র পদার্থ দিয়ে স্নান করানো হয়েছিল, যা ঐশ্বরিক পবিত্রতা এবং আধ্যাত্মিক জাগরণের (Pran Pratishtha Anniversary) প্রতীক।

    মন্ত্র পাঠ এবং যজ্ঞ: বৈদিক পণ্ডিতরা বিস্তৃত যজ্ঞ সম্পাদন করেছিলেন, ঐশ্বরিক শক্তি এবং আশীর্বাদ আহ্বান করার জন্য শক্তিশালী মন্ত্র জপ করার সময় পবিত্র অগ্নিতে নৈবেদ্য প্রদান করেছিলেন।

    মূল প্রাণ প্রতিষ্ঠা: এই কেন্দ্রীয় আচারটিতে শাস্ত্রীয় পদ্ধতি অনুসারে বিদ্বান পুরোহিত এবং সাধুদের দ্বারা কঠোরভাবে পরিচালিত মূর্তির মধ্যে প্রতীকীভাবে প্রাণ শক্তি সঞ্চালন জড়িত ছিল।

    গর্ভগৃহে স্থাপন: প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর, আরতি, ভজন এবং ভক্তিমূলক স্তোত্রের মাধ্যমে বিগ্রহকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্থায়ীভাবে গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল।

    প্রতিটি পদক্ষেপই নিয়ম, পবিত্রতা এবং শ্রদ্ধার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এগুলি আচারের গভীরতা এবং তাৎপর্যকে প্রতিফলিত করে।

    শ্রী রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Pran Pratishtha Anniversary) প্রভাব সুদূরপ্রসারী

    • ধর্মীয় প্রভাব: বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের জন্য, অনুষ্ঠানটি সম্মিলিত বিশ্বাস এবং ভক্তিকে শক্তিশালী করেছে, ধর্ম এবং আধ্যাত্মিক শৃঙ্খলার উপর আস্থা জোরদার করেছে।
    • সাংস্কৃতিক প্রভাব: এই ঘটনাটি ভারতের জীবন্ত ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছে, তরুণ প্রজন্মকে রামায়ণ-ভিত্তিক আচার, মূল্যবোধ এবং সভ্যতার আখ্যানগুলির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।
    • সামাজিক ঐক্য: মন্দিরটি একটি ঐক্যবদ্ধ প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা অঞ্চল, জাতি এবং ভাষাগত পটভূমি নির্বিশেষে ভক্তদের আকর্ষণ করছে, একীভূত আধ্যাত্মিক পরিচয়কে উৎসাহিত করছে।

    এছাড়াও, অযোধ্যা ধর্মীয় পর্যটন (Ayodhya Ram Mandir), অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের পুনর্জাগরণ দেখছে, যা আঞ্চলিক বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক দৃশ্যমানতায় অবদান রাখছে।

    রামরাজ্যের মূল নীতি

    রাম রাজ্যের ধারণা ভারতীয় দার্শনিক চিন্তাধারায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। রামায়ণে ন্যায়বিচার, নৈতিক শাসন এবং সম্মিলিত কল্যাণের যুগ হিসাবে বর্ণিত, রাম রাজ্য কোনো ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্র না হয়ে একটি আদর্শ সামাজিক শৃঙ্খলাকে প্রতিনিধিত্ব করে। রাম রাজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত মূল নীতিগুলির মধ্যে রয়েছে:

    • ন্যায়বিচার এবং সমতা: সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সাথে ন্যায্য আচরণ।
    • ধর্মের প্রাধান্য: নৈতিক এবং নীতিগত মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত শাসন।
    • সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ: সামাজিক ঐক্যের সাথে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।
    • পরিবেশগত ভারসাম্য: প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং সুস্থির জীবনযাপন।
    • মানবিক মর্যাদা: ভয়, ক্ষুধা এবং শোষণের অনুপস্থিতি।

    তুলসীদাস, রামচরিতমানসে, এই আদর্শ সমাজকে দুঃখ, ভয়, রোগ এবং বৈষম্যমুক্ত হিসাবে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন—যা একটি ঐতিহাসিক দাবি না হয়ে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

    আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে সামাজিক রূপ

    পরিশেষে, শ্রী রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা বিচ্ছিন্নতার পরিবর্তে সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার প্রতিনিধিত্ব করে। প্রাচীন বিশ্বাসকে আধুনিক শাসনের সঙ্গে আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে সামাজিক দায়িত্বের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। মূল ভাব ভক্তির মধ্যে নিহিত হলেও, এর বৃহত্তর বার্তাটি নৈতিক জীবনযাপন, ঐক্য এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে।

    অযোধ্যার গর্ভগৃহে ভক্তরা প্রার্থনা করার সময়, মন্দিরের কেবল উপাসনার স্থান হিসাবেই নয়, ভারতীয় সভ্যতার একটি জীবন্ত প্রতীক হিসাবেও কাজ করে। এই যাত্রা ঐতিহ্য এবং আধুনিকতা, বিশ্বাস এবং যুক্তি, ব্যক্তিগত ভক্তি এবং সম্মিলিত কল্যাণের মধ্যে সমন্বয়ের আদর্শে পরিপূর্ণ।

  • Ramakrishna 545: “সমাধি পাঁচপ্রকার—তা তোমার সবই হয় দেখছি, পিপীলিকাবৎ, মীনবৎ, কপিবৎ, পক্ষীবৎ, তির্যগ্‌বৎ”

    Ramakrishna 545: “সমাধি পাঁচপ্রকার—তা তোমার সবই হয় দেখছি, পিপীলিকাবৎ, মীনবৎ, কপিবৎ, পক্ষীবৎ, তির্যগ্‌বৎ”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই অগস্ট
    ঠাকুর মুক্তকণ্ঠ—শ্রীরামকৃষ্ণ কি সিদ্ধপুরুষ না অবতার?

    রাত্রি আটটা হইয়াছে। ঠাকুর (Ramakrishna) মহিমাচরণের সহিত কথা কহিতেছেন। ঘরে রাখাল, মাস্টার, মহিমাচরনের দু-একটি সঙ্গী,—আছেন।

    মহিমাচরণ আজ রাত্রে থাকিবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আচ্ছা, কেদারকে কেমন দেখছো? — দুধ দেখেছে না খেয়েছে?

    মহিমা — হাঁ, আনন্দ ভোগ করছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— নিত্যগোপাল?

    মহিমা — খুব! — বেশ অবস্থা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — হাঁ। আচ্ছা, গিরিশ ঘোষ কেমন হয়েছে?

    মহিমা (Kathamrita)— বেশ হয়েছে। কিন্তু ওদের থাক আলাদা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — নরেন্দ্র?

    মহিমা — আমি পনর বৎসর আগে যা ছিলুম এ তাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — ছোট নরেন? কেমন সরল?

    মহিমা — হাঁ, খুব সরল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — ঠিক বলেছ। (চিন্তা করতে করতে) আর কে আছে?

    “যে সব ছোকরা এখানে আসছে, তাদের—দুটি জিনিস জানলেই হল। তাহলে আর বেশি সাধন-ভজন করতে হবে না। প্রথম, আমি কে—তারপর, ওরা কে। ছোকরারা অনেকেই অন্তরঙ্গ।

    “যারা অন্তরঙ্গ, তাদের মুক্তি হবে না। বায়ুকোণে আর-একবার (আমার) দেহ হবে।

    “ছোকরাদের দেখে আমার প্রাণ শীতল হয়। আর যারা ছেলে করেছে, মামলা মোকদ্দমা করে বেড়াচ্ছে—কামিনী-কাঞ্চন নিয়ে রয়েছে—তাদের দেখলে কেমন করে আনন্দ হবে? শুদ্ধ-আত্মা না দেখলে কেমন করে থাকি!”

    মহিমাচরণ শাস্ত্র হইতে শ্লোক আবৃত্তি করিয়া শুনাইতেছেন — আর তন্ত্রোক্ত ভূচরী খেচরী শাম্ভবী প্রভৃতি নানা মুদ্রার কথা বলিতেছেন।

    ঠাকুরের পাঁচপ্রকার সমাধি-ষট্‌চক্রভেদ—যোগতত্ত্ব—কুণ্ডলিনী

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— আচ্ছা, আমার আত্মা সমাধির পর মহাকাশে পাখির মতো উড়ে বেড়ায়, এইরকম কেউ কেউ বলে।

    “হৃষীকেশ সাধু এসেছিল। সে বললে যে, সমাধি পাঁচপ্রকার—তা তোমার সবই হয় দেখছি। পিপীলিকাবৎ, মীনবৎ, কপিবৎ, পক্ষীবৎ, তির্যগ্‌বৎ।

    “কখনও বায়ু উঠে পিঁপড়ের মতো শিড়শিড় করে কখনও সমাধি অবস্থায় ভাব-সমুদ্রের ভিতর আত্মা-মীন আনন্দে খেলা করে!

    “কখনও পাশ ফিরে রয়েছি, মহাবায়ু, বানরের ন্যায় আমায় ঠেলে—আমোদ করে। আমি চুপ করে থাকি। সেই বায়ু হঠাৎ বানরের ন্যায় লাখ দিয়ে সহস্রারে উঠে যায়! তাই তো তিড়িং করে লাফিয়ে উঠি (Kathamrita)।

  • Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সরকারি বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সংঘাত বন্ধ করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের প্রতিই কূটনৈতিক আলাপ আলোচানার ওপর জোর দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এই উত্তেজনা ফের আরেকবার প্রকাশ্যে চলে আসায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন (Narendra Modi)

    রাশিয়া সরকারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) সতর্ক করে বলেন, কোনও উত্তেজনা সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত নিরসনে চলমান আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে আরও দুর্বল করতে পারে। সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-হ্যান্ডলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আমি রাশিয়ান (Vladimir Putin) ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের বাসভবনে হামলার খবরে ভীষণ ভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি সব পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান যা শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যহত করতে পারে। তাই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন করবো।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদির এই মন্তব্যটি এমন সময়ে এলো যখন এর আগের দিন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ অভিযোগ করেন যে ইউক্রেন মস্কো এবং সেন্ট পিটার্সবার্গের মধ্যবর্তী নভগোরোদ অঞ্চলে পুতিনের সরকারি বাসভবনে দূরপাল্লার ৯১টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে। লাভরভ দাবি করেন, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা সমস্ত ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে এবং এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে, তিনি এই বলেও সতর্ক করেন যে এই হামলার কারণে চলমান শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার ভূমিকা বদলে যাবে।”

    ভলোদিমির জেলেনস্কির অস্বীকার

    অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানানো বলে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “মস্কো কিয়েভে আক্রমণকে ন্যায় বিচার করুক। আসলে যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন শান্তি আলোচনাকে দুর্বল করার জন্য এই মিথ্যা কাহিনী তৈরি করা হচ্ছে।”

    তবে ভারত শুরু থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন (Vladimir Putin) সংঘাতে সংলাপ এবং কূটনীতিকেই শান্তির একমাত্র স্থায়ী পথ হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) এই বিবৃতি সেই অবস্থানকেই পুনর্বার তুলে ধরে, যেখানে তিনি সকল পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে বা চলমান কূটনৈতিক চ্যানেলগুলিকে দুর্বল করতে পারে।

  • Amit shah: ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে চরম অসন্তোষ! তৃণমূলকে তোপ আমিত শাহের

    Amit shah: ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে চরম অসন্তোষ! তৃণমূলকে তোপ আমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah) মঙ্গলবার বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকারকে (BJP Government) নির্বাচিত করার সংকল্প গ্রহণ করেছে। বিজেপিই বাংলায় উন্নয়নের পাশাপাশি রাজ্যের ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনবে এবং গরিব কল্যাণ-এর উপর জোর দেবে। খুব দ্রুত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কুশাসন মুক্ত হবে পশ্চিমবঙ্গ।”

    ১৫ বছরের শাসনে রাজ্যে ভয় আর দুর্নীতি (Amit shah)

    তৃণমূল সরকার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের উৎসাহিত করে। এই অভিযোগ করে আমিত শাহ (Amit shah) বলেন, “৩০ ডিসেম্বর ভারতীয়দের জন্য গর্বের দিন, কারণ এই দিনেই ১৯৪৩ সালে বাংলার সুপুত্র সুভাষ চন্দ্র বসু পোর্ট ব্লেয়ারে ভারতের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। আজ থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই সময়টা বাংলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সময়েই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (BJP Government) অনুষ্ঠিত হবে। বাংলার মানুষ এমন একটি শক্তিশালী সরকার বেছে নেওয়ার সংকল্প করেছে যা ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অনুপ্রবেশের বদলে ঐতিহ্য, উন্নয়ন এবং কল্যাণ নিয়ে আসবে। বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের গত ১৫ বছরের শাসনে রাজ্যে ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের কারণে নাগরিকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।”

    জাতীয় গ্রিড গঠনের ঘোষণা

    আমিত শাহ (Amit shah) পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা হবে এবং অন্যান্য রাজ্যে যেমন করা হয়েছে, তেমনি দরিদ্রদের কল্যাণের (BJP Government) ওপর অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে।” অনুপ্রবেশকারীদের সীমান্ত থেকে দূরে রাখার জন্য আমিত শাহ একটি জাতীয় গ্রিড গঠনের ঘোষণা করেন এবং পশ্চিমবঙ্গে অবৈধভাবে বসবাসকারী প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “মানুষ ছেড়ে দিন, একটি পাখিও পা রাখতে পারবে না। আমরা এই ধরনের একটি শক্তিশালী গ্রিড তৈরি করব। আমরা কেবল অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের প্রবেশ বন্ধ করব না। আমরা নিশ্চিত করব যে প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়।” পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সুযোগ থাকবে

    তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাজ্যে চলমান ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজের বিরোধিতা করছে। এমন সময়েই অমিত শাহের (Amit shah) এই সফর হলো। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা সংশোধন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভোটারদের তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানিয়ে দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ আগামী ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত খোলা থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

LinkedIn
Share