Author: suman-das

  • Ramakrishna 613: “শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃত পান করিয়া ডাক্তার একেবারে মুগ্ধ হইয়া যান…কামিনী-কাঞ্চন-ত্যাগপ্রদর্শী সোপান আরোহণ করিতে সবে শিখিতেছেন”

    Ramakrishna 613: “শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃত পান করিয়া ডাক্তার একেবারে মুগ্ধ হইয়া যান…কামিনী-কাঞ্চন-ত্যাগপ্রদর্শী সোপান আরোহণ করিতে সবে শিখিতেছেন”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    বিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ—গিরিশ, মাস্টার, ছোট নরেন্দ্র, কালী, শরৎ রাখাল, ডাক্তার সরকার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    পরদিন আশ্বিনের কৃষ্ণা তৃতীয়া তিথি, সোমবার, ১১ই কার্তিক — ২৬শে অক্টোবর, ১৮৮৫। শ্রীশ্রীপরমহংসদেব (Ramakrishna) কলিকাতায় ওই শ্যামপুকুরের বাটীতে চিকিৎসার্থ রহিয়াছেন। ডাক্তার সরকার চিকিৎসা করিতেছেন। প্রায় প্রত্যহ আসেন, আর তাঁহার নিকট পীড়ার সংবাদ লইয়া লোক সর্বদা যাতায়াত করে।

    শরৎকাল। কয়েকদিন হইল শারদীয়া দুর্গাপূজা হইয়া গিয়াছে। এ মহোৎসব শ্রীরামকৃষ্ণের শিষ্যমণ্ডলী হর্ষ-বিষাদে অতিবাহিত করিয়াছেন। তিন মাস ধরিয়া গুরুদেবের কঠিন পীড়া — কণ্ঠদেশে — ক্যান্সার। সরকার ইত্যদি ডাক্তার ইঙ্গিত করিয়াছেন, পীড়া চিকিৎসার অসাধ্য। হতভাগ্য শিষ্যেরা এ-কথা শুনিয়া একান্তে নীরবে অশ্রু বিসর্জন করেন। এক্ষণে এই শ্যামপুকুরের বাটীতে আছেন। শিষ্যরা প্রাণপণে শ্রীরামকৃষ্ণের সেবা করিতেছেন। নরেন্দ্রাদি কৌমারবৈরাগ্যযুক্ত শিষ্যগণ এই মহতী সেবা উপলক্ষে কামিনী-কাঞ্চন-ত্যাগপ্রদর্শী সোপান আরোহণ করিতে সবে শিখিতেছেন।

    এত পীড়া কিন্তু দলে দলে লোক দর্শন করিতে আসিতেছেন (Kathamrita)— শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) কাছে আসিলেই শান্তি ও আনন্দ হয়। অহেতুক-কৃপাসিন্ধু! দয়ার ইয়ত্তা নাই — সকলের সঙ্গেই কথা কহিতেছেন, কিসে তাহাদের মঙ্গল হয়। শেষে ডাক্তারেরা, বিশেষতঃ ডাক্তার সরকার, কথা কহিতে একেবারে নিষেধ করিলেন। কিন্তু ডাক্তার নিজে ৬।৭ ঘণ্টা করিয়া থাকেন। তিনি বলেন, “আর কাহারও সহিত কথা কওয়া হবে না, কেবল আমার সঙ্গে কথা কইবে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃত পান করিয়া ডাক্তার একেবারে মুগ্ধ হইয়া যান। তাই এতক্ষণ ধরিয়া বসিয়া থাকেন।

    বেলা দশটার সময় ডাক্তারকে সংবাদ দিবার জন্য মাস্টার যাইবেন, তাই ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের সহিত কথাবার্তা হইতেছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি) — অসুখটা খুব হাল্কা হয়েছে। খুব ভাল আছি। আচ্ছা, তবে ঔষধে কি এরূপ হয়েছে? তাহলে ওই ঔষধটা খাই না কেন?

    মাস্টার — আমি ডাক্তারের কাছে যাচ্ছি, তাঁকে সব বলব; তিনি যা ভাল হয় তাই বলবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— দেখ, পূর্ণ দুই-তিনদিন আসে নাই, বড় মন কেমন কচ্ছে।

    মাস্টার — কালীবাবু, তুমি যাও না পূর্ণকে ডাকতে (Kathamrita)।

    কালী — এই যাব।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—ডাক্তারের ছেলেটি বেশ! একবার আসতে বলো।

  • Petrol Pump: ইরান-আমেরিকার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, করোসিন মিলবে পেট্রোল পাম্পে

    Petrol Pump: ইরান-আমেরিকার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, করোসিন মিলবে পেট্রোল পাম্পে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে। পেট্রো জ্বালানি, রান্নার গ্যাসে বিরাট প্রভাব পড়ছে। তাই এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকার বড় ঘোষণা করেছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং কালোবাজারি রুখতে আরও একটি বড় পদক্ষেপ নিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। এবার থেকে খোলা বাজারের কেরোসিন তেল (Kerosene) পেট্রোল পাম্পেই (Petrol Pump) পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে রেশন দোকানের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং সাধারণ মানুষ সহজেই উন্নত মানের কেরোসিন সংগ্রহ করতে পারবেন। জ্বালানি তেল সংগ্রহে এই ঘোষণা সাধারণ মানুষের দারুণ ভাবে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    নতুন সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য (Kerosene)

    এতদিন পর্যন্ত কেরোসিন (Kerosene) মূলত গণবণ্টন ব্যবস্থা বা রেশন দোকানের মাধ্যমেই উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছাত। কিন্তু সেখানে প্রায়শই জালিয়াতি এবং কালোবাজারির অভিযোগ উঠত। মোদি সরকারের এই নতুন পদক্ষেপের ফলে মানুষের প্রয়োজনীয়তা এবং দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    • সহজলভ্যতা: রেশন কার্ড থাকুক বা না থাকুক, যে কেউ এখন পেট্রোল পাম্প থেকে নির্ধারিত মূল্যে কেরোসিন কিনতে পারবেন।
    • স্বচ্ছতা: পেট্রোল পাম্পে (Petrol Pump) ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিক্রি হওয়ায় জালিয়াতির সুযোগ কমবে।
    • মান নিয়ন্ত্রণ: পাম্প থেকে সরাসরি তেল পাওয়ায় তেলের গুণমান বজায় থাকবে।

    রেশন ডিলারদের বিকল্প পথ

    সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র পেট্রোল পাম্প নয়, চাইলে রেশন ডিলাররাও তাদের দোকানে ছোট সিলিন্ডার এলপিজি বা অন্যান্য পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। এর ফলে রেশন ডিলারদের আয় যেমন বাড়বে, তেমনই প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ হাতের কাছেই রান্নার জ্বালানি (Kerosene) পাবেন। জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নজর রাখতে একটি আন্তঃমন্ত্রকীয় গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বে আয়োজিত প্রথম বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির ওপর জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে নির্মলা সীতারামন, কিরেন রিজিজু, হরদীপ সিং পুরি, মনোহর লাল খট্টর এবং জেপি নাড্ডাসহ শীর্ষ মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ভর্তুকিহীন কেরোসিন

    উল্লেখ্য, পেট্রোল পাম্পে (Petrol Pump) যে কেরোসিন (Kerosene) পাওয়া যাবে তা হবে ভর্তুকিহীন বা ‘নন-সাবসিডাইজড’। যারা রান্নার গ্যাস (LPG) ব্যবহার করেন না বা যাদের অতিরিক্ত কেরোসিনের প্রয়োজন হয়, তারা এই সুবিধা নিতে পারবেন। তবে যারা দারিদ্র্যসীমার নিচে (BPL) রয়েছেন, তাদের জন্য রেশন দোকানের মাধ্যমে ভর্তুকিযুক্ত কেরোসিন সরবরাহ আগের মতোই জারি থাকবে কি না, তা নিয়ে রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে। সেক্ষেত্রে ভয়ের কোনও ব্যাপার নেই।

    পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের মাধ্যমে বণ্টন

    ২৯ মার্চ জারি হওয়া এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সীমিত সময়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্পের মাধ্যমে কেরোসিন (Kerosene) বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের কাছে এই জ্বালানি সহজে পৌঁছে যায়। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, গুজরাট-সহ মোট ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের (Petrol Pump) মাধ্যমে উন্নত মানের কেরোসিন সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে। উল্লেখ্য, এই সব জায়গায় আগে ধাপে ধাপে কেরোসিন সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

    পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০০২ শিথিল

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পেট্রোল পাম্পগুলো (Petrol Pump) রান্না ও আলোর ব্যবহারের জন্য কেরোসিন মজুত ও সরবরাহ করতে পারবে। তবে প্রতিটি পাম্প সর্বোচ্চ ৫,০০০ লিটার পর্যন্ত কেরোসিন সংরক্ষণ করতে পারবে। জেলায় জেলায় সর্বাধিক দুটি করে এমন আউটলেট নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন।

    ই-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০০২-এর কিছু শর্তকে এখন শিথিল করা হয়েছে। ফলে কেরোসিন ডিলার ও পরিবহণকারী যানবাহনের জন্য লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়মও সহজ করা হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে পেট্রোল ও গ্যাস সরবারহেকে নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। জ্বালানির (Kerosene) প্রাপ্যতা ও সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যমান খুচরা পাম্পগুলিকে ব্যবহার করে দ্রুত কেরোসিন পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই তেল সংস্থাগুলিকে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সমস্ত ক্ষেত্রে পেট্রোলিয়াম (Petrol Pump) ও বিস্ফোরক নিরাপত্তা সংস্থার নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মেনে চলতে হবে। এই বিজ্ঞপ্তি আপাতত ৬০ দিন বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

    বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি (Kerosene) ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এটি মোদি সরকারের একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। এর ফলে খনিজ তেলের খোলা বাজার আরও বিস্তৃত হবে এবং সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন।

  • UPI: অনলাইন লেনদেনে বড় বদল! ১ এপ্রিল থেকে শুধুমাত্র ওটিপি-তে কাজ হবে না, কড়া নিয়ম আনল আরবিআই

    UPI: অনলাইন লেনদেনে বড় বদল! ১ এপ্রিল থেকে শুধুমাত্র ওটিপি-তে কাজ হবে না, কড়া নিয়ম আনল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি ইউপিআই (UPI), নেট ব্যাঙ্কিং বা ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন করেন? তবে আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর। বুধবার, ১ এপ্রিল থেকে ডিজিটাল পেমেন্টের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বড়সড় পরিবর্তন আনছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনলাইন জালিয়াতি রুখতে এখন থেকে শুধুমাত্র ওটিপি (OTP) বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড দিয়ে লেনদেন করা যাবে না। তার সঙ্গে যুক্ত হবে নিরাপত্তার আরও একটি স্তর।

    কী এই নতুন নিয়ম (UPI)?

    আরবিআই (RBI) জানিয়েছে, এতদিন পর্যন্ত অনলাইনে (UPI) টাকা পাঠাতে বা কেনাকাটা করতে মোবাইলে আসা ওটিপি-ই ছিল প্রধান ভরসা। কিন্তু সাইবার অপরাধীরা যেভাবে ওটিপি চুরির মাধ্যমে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দিচ্ছে, তাতে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। তাই এবার থেকে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ (2FA) বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। নতুন নীতি অনুযায়ী, প্রতিটি লেনদেন সম্পন্ন করতে কমপক্ষে দুটি আলাদা নিরাপত্তা পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। এর মধ্যে একটি অবশ্যই হতে হবে ‘ডায়নামিক’ বা পরিবর্তনশীল ওটিপি। অন্যটি হতে পারে আপনার পিন (PIN), পাসওয়ার্ড, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি-র মতো বায়োমেট্রিক তথ্য।

    গ্রাহকদের ওপর কী প্রভাব পড়বে?

    আরবিআই আরও জানিয়েছে যে, আন্তঃসীমান্ত লেনদেনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এই নিয়মগুলো আন্তর্জাতিক কার্ড পেমেন্টের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি বৈশ্বিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সমপরিমাণ নিরাপত্তা ও সরক্ষাকে নিশ্চিত করবে। ওটিপি (UPI) কোনওভাবে হ্যাক হলেও দ্বিতীয় স্তরের নিরাপত্তা (যেমন বায়োমেট্রিক বা পিন) ছাড়া টাকা হাতানো সম্ভব হবে না।

    ঝুঁকিভিত্তিক যাচাইকরণ

    সব লেনদেনের জন্য একই নিয়ম থাকবে না। আপনার লেনদেনের পরিমাণ, ব্যবহৃত ডিভাইস এবং লোকেশনের ওপর ভিত্তি করে ব্যাঙ্ক ঠিক করবে বাড়তি কতটুকু নিরাপত্তা যাচাই প্রয়োজন। বাড়তি একটি স্তরের যাচাইকরণের ফলে পেমেন্ট সফল হতে আগের চেয়ে কয়েক সেকেন্ড বেশি সময় লাগতে পারে। আন্তর্জাতিক কার্ড পেমেন্টের ক্ষেত্রেও এই কড়া নিয়ম কার্যকর হবে, যা ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে পুরোপুরি বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

    ব্যাঙ্কগুলির দায়বদ্ধতা বাড়ছে

    আরবিআই (RBI) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম নিরাপদ রাখার মূল দায়িত্ব ব্যাঙ্ক এবং পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলির। যদি সিস্টেমের ত্রুটির কারণে কোনো গ্রাহক আর্থিক প্রতারণার শিকার হন, তবে ব্যাঙ্ককে দ্রুত সেই অভিযোগ সমাধান করতে হবে এবং প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল ইন্ডিয়ার প্রসারের সাথে সাথে সাইবার ক্রাইম যে হারে বাড়ছে, তা রুখতে এই পদক্ষেপ এক যুগান্তকারী ভূমিকা নেবে। প্রাথমিকভাবে গ্রাহকদের কিছুটা অভ্যস্ত হতে সময় লাগলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত উপার্জনের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

  • Leander Paes: জল্পনায় সিলমোহর, পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন পদ্মপ্রাপক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

    Leander Paes: জল্পনায় সিলমোহর, পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন পদ্মপ্রাপক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes)। মঙ্গলবার দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে ভারতীয় জনতা পার্টিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলেন অলিম্পিক পদকজয়ী এই কিংবদন্তি। গত সপ্তাহেই কলকাতার নিউটাউনের এক অভিজাত হোটেলে বিজেপি (Bengal BJP) নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর গোপন বৈঠক ঘিরে যে গুঞ্জন দানা বেঁধেছিল, এদিন তাতেই শিলমোহর পড়ল।

    নিউ টাউনের সেই ‘পাকা কথা’ (Leander Paes)

    ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে। কলকাতায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সফরের সময় নিউটাউনের একটি হোটেলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের (Bengal BJP) সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন লিয়েন্ডার। সেই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়—তবে কি ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই যোগদান করবেন টেনিস মহাতারকা (Leander Paes)? মঙ্গলবার দিল্লিতে তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়ার পর সেই জল্পনাই বাস্তব রূপ পেল। পদ্ম-শিবিরে যোগদান করে পদ্মপ্রাপক (২০১৪ সালে পদ্মভূষণ পুরস্কার বিজয়ী) ক্রীড়াবিদ লিয়েন্ডার বলেন, “আমার জন্ম পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু আমি যখন খেলা শুরু করি, তখন ওখানে টেনিসের এত পরিকাঠামো ছিল না। আজও দেশে কোনও ইন্ডোর টেনিস কোর্ট নেই। এখন আগের চেয়ে পরিস্থিতি ভালো হয়েছে। তবে ক্রীড়া এবং ক্রীড়া প্রশিক্ষণে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে।”

    কেন এই দলবদল?

    ২০২১ সালের অক্টোবরে গোয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন লিয়েন্ডার। গোয়া নির্বাচনে দলের হয়ে প্রচারও করেছিলেন। তবে গত কিছু সময় ধরে জোড়া-ফুল শিবিরের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে খবর। এদিন বিজেপিতে (Bengal BJP) যোগ দিয়ে লিয়েন্ডার (Leander Paes) বলেন, “আমি ৪০ বছর দেশের হয়ে খেলেছি। এবার দেশের যুব সমাজ ও ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নতির জন্য কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মপদ্ধতি এবং দেশের খেলাধুলার প্রসারে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।”

    বঙ্গ-রাজনীতিতে লিয়েন্ডারের গুরুত্ব

    লিয়েন্ডারের যোগদানের সময় সুকান্ত মজুমদার তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes) মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের উত্তরসূরি। বাংলার মাটির সঙ্গে তাঁর এই গভীর যোগসূত্রকে আগামী নির্বাচনে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। বিশেষ করে কলকাতার শহুরে এবং শিক্ষিত ভোটারদের কাছে লিয়েন্ডারের গ্রহণযোগ্যতা দলকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে। দেশের যুবক-যুবতীদের এই খেলায় আসার জন্য অনুপ্রাণিত করেছে। লিয়েন্ডারের ছবি, খেলার ভিডিও, তাঁর ম্যাচ দেখে বাঙালি যুব সমাজ বড় হয়েছে। আজ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির (Bengal BJP) জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে আমার মনে হয়।” তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে দল আরও শাক্তিশালী হবে।

    বিধানসভায় কি প্রার্থী হবেন?

    লিয়েন্ডারকে (Leander Paes) আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও দলের তরফে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর, কলকাতার কোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে তাঁকে লড়াইয়ে নামানোর কথা ভাবছে পদ্ম-শিবির। শুধুমাত্র প্রার্থী হিসেবেই নয়, রাজ্যজুড়ে বিজেপির তারকা প্রচারক হিসেবেও বড় ভূমিকায় দেখা যেতে পারে তাঁকে। খেলার কোর্টে বহুবার প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ বের করে এনেছেন লিয়েন্ডার। এবার রাজনীতির পিচে তিনি কতটা সফল হন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

  • West Bengal Elections 2026: আরও ১৩ আসনে নাম ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় চমক, প্রার্থী বদল ময়নাগুড়িতে

    West Bengal Elections 2026: আরও ১৩ আসনে নাম ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় চমক, প্রার্থী বদল ময়নাগুড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল সাজাতে কোমর বেঁধে নামল ভারতীয় জনতা পার্টি। মঙ্গলবার দলের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) জন্য আরও ১৩ জন প্রার্থীর নামের চতুর্থ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি পুরোনো আসনেও প্রার্থী বদল করেছে গেরুয়া শিবির (BJP Bengal)। আরও ৬ আসনের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা এখনও বাকি।

    কারা পেলেন টিকিট (West Bengal Elections 2026)?

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির (CEC) অনুমোদিত এই তালিকায় বিভিন্ন জেলার গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:

    • সিতাই (SC): আশুতোষ বর্মা
    • নাটাবাড়ি: গিরিজা শঙ্কর রায়
    • বাগদা (SC): সোমা ঠাকুর
    • সোনারপুর উত্তর: দেবাশিস ধর
    • চৌরঙ্গী: সন্তোষ পাঠক
    • হাওড়া দক্ষিণ: শ্যামল হাটি
    • পাঁচলা: রঞ্জন কুমার পাল
    • মগরাহাট পূর্ব: উত্তম কুমার বণিক
    • ফলতা: দেবাংশু পাণ্ডা
    • চণ্ডীপুর: পীযূষ কান্তি দাস
    • গড়বেতা: প্রদীপ লোধা
    • মেমারি: মানব গুহ
    • বারাবনি: অরিজিৎ রায়

    বাগদায় ননদ-বৌদির লড়াই

    নাম ঘোষণা হতেই জোর রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে বাগদা কেন্দ্র নিয়ে। কারণ এই কেন্দ্রে এবার ননদ বনাম বৌদির লড়াই। বাগদা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা ঠাকুরকে। সোমা ঠাকুর কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী ছাড়াও মতুয়া মহাসঙ্ঘের মাতৃ সেনার প্রধান। মতুয়া মহাসঙ্ঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠান মঞ্চে এই বছরে তাঁকে নিয়মিত দেখা গিয়েছে৷ এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছে দলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের কন্যা মধুপর্ণা ঠাকুরকে। মধুপর্ণা শান্তনু ঠাকুরের জেঠুর মেয়ে। সোমা এবং মধুপর্ণা দু’জনেই মতুয়া ঠাকুরবাড়ির সদস্য, সম্পর্কে তাঁরা ননদ-বৌদি। এ বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, ‘‌ঘরের সম্পর্ক ঘরের জায়গায়, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়াই করতে আসলে সেখানে লড়াই তো হবেই। বাগদায় তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে।’‌ অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুর বলেন, ‘‌পরিবার পরিবারের মতো। ভোট অন্য বিষয়। ভারতীয় জনতা পার্টি আমাকে প্রার্থী করেছে এবং বাগদার মাটি বিজেপির মাটি। আমরা জয়লাভ করব।’‌

    ময়নাগুড়িতে প্রার্থী বদল

    চতুর্থ তালিকা (West Bengal Elections 2026) প্রকাশের পাশাপাশি দল তাদের আগের একটি সিদ্ধান্তে বদল এনেছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি (SC) আসনে কৌশিক রায়ের পরিবর্তে এবার প্রার্থী (BJP Bengal) করা হয়েছে ডালিম রায়-কে। স্থানীয় সমীকরণ এবং সাংগঠনিক রণকৌশলের কথা মাথায় রেখেই এই রদবদল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    এক নজরে নির্বাচনের প্রেক্ষাপট

    বিজেপি এখনও পর্যন্ত মোট ২৮৭টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে ফেলেছে। এর আগে প্রথম তালিকায় ১৪৪ জন, দ্বিতীয় তালিকায় ১১১ জন এবং তৃতীয় তালিকায় ১৯ জনের নাম জানানো হয়েছিল। উল্লেখ্য, তৃতীয় তালিকায় আরজি কর কাণ্ডের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথকে পানিহাটি আসন থেকে প্রার্থী (BJP Bengal) করে বড় চমক দিয়েছিল বিজেপি। এবারের তালিকা বিশেষ চমক সন্তোষ পাঠক, প্রাক্তন পুলিশ অফিসার দেবাশিস ধর, সোমা ঠাকুর এবং সন্তোষ পাঠক।

    ভোটের নির্ঘণ্ট

    পশ্চিমবঙ্গে মোট দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে— ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। প্রথম দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল। রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি টক্কর দিতে বিজেপি যেভাবে ধাপে ধাপে এবং বিচার-বিবেচনা করে প্রার্থী তালিকা (West Bengal Elections 2026) সাজাচ্ছে, তাতে এই ১৩ জনের নাম ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আরও ৬ আসনের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা এখনও বাকি। ৬টি নাম নিয়ে এখনও চর্চা চলছে বিজেপির অন্দরে।

  • Ramakrishna 612: “সখি, তোর চক্ষে জল নাই…তোর হৃদয়ে বিরহ অগ্নি সদা জ্বলছে; চক্ষে জল উঠছে আর সেই অগ্নির তাপে শুকিয়ে যাচ্ছে!”

    Ramakrishna 612: “সখি, তোর চক্ষে জল নাই…তোর হৃদয়ে বিরহ অগ্নি সদা জ্বলছে; চক্ষে জল উঠছে আর সেই অগ্নির তাপে শুকিয়ে যাচ্ছে!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৫শে অক্টোবর
    ভক্তসঙ্গে— শ্রীরামকৃষ্ণ ও ক্রোধজয়

    এই কাণ্ডের পর সকলে আবার আসন গ্রহণ করিলেন। রাত আটটা হইয়া গিয়াছে। আবার কথাবার্তা হইতে লাগিল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি — এই যা ভাব-টাব দেখলে তোমার সায়েন্স কি বলে? তোমার কি এ-সব ঢঙ বোধ হয়?

    ডাক্তার (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — যেখানে এত লোকের হচ্ছে সেখানে natural (আন্তরিক) বোধ হয়, ঢঙ বোধ হয় না। (নরেন্দ্রের প্রতি) যখন তুমি গাচ্ছিলে ‘দে মা পাগল করে, আর কাজ নাই মা জ্ঞান বিচারে’ তখন আর থাকতে পারি নাই। দাঁড়াই আর কি! তারপর অনেক কষ্টে ভাব চাপলুম; ভাবলুম যে display করা হবে না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি, সহাস্যে) — তুমি যে অটল অচল সুমেরুবৎ। (সকলের হাস্য) তুমি গম্ভীরাত্মা, রূপসনাতনের ভাব কেউ টের পেতো না — যদি ডোবাতে হাতি নামে, তাহলেই তোলপাড় হয়ে যায়। কিন্তু সায়ের দীঘিতে নামলে তোলপাড় হয় না। কেউ হয়তো টেরও পায় না। শ্রীমতী সখীকে বললেন, ‘সখি, তোরা তো কৃষ্ণের বিরহে কত কাঁদছিস। কিন্তু দেখ, আমি যে কঠিন, আমার চক্ষে একবিন্দুও জল নাই।’ তখন বৃন্দা বললেন, সখি, তোর চক্ষে জল নাই, তার অনেক মানে আছে। তোর হৃদয়ে বিরহ অগ্নি সদা জ্বলছে; চক্ষে জল উঠছে আর সেই অগ্নির তাপে শুকিয়ে যাচ্ছে!

    ডাক্তার — তোমার সঙ্গে তো কথায় পারবার জো নাই। (হাস্য)

    ক্রমে অন্য কথা পড়িল। শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) নিজের প্রথম ভাবাবস্থা বর্ণনা করিতেছিলেন। আর কাম-ক্রোধাদি কিরূপে বশ করিতে হয়।

    ডাক্তার — তুমি ভাবে পড়েছিলে, আর-একজন দুষ্ট লোক তোমায় বুট জুতার গোঁজা মেরেছিল — সে-সব কথা শুনেছি।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)— সে কালীঘাটের চন্দ্র হালদার। সেজোবাবুর কাছে প্রায় আসত। আমি ঈশ্বরের আবেশে মাটিতে অন্ধকারে পড়ে আছি। চন্দ্র হালদার ভাবত, আমি ঢঙ করে ওইরকম হয় থাকি, বাবুর প্রিয়পাত্র হব বলে। সে অন্ধকারে এসে বুট জুতার গোঁজা দিতে লাগল। গায়ে দাগ হয়েছিল। সবাই বলে, সেজোবাবুকে বলে দেওয়া যাক। আমি বারণ করলুম।

    ডাক্তার — এও ঈশ্বরের খেলা; ওতেও লোক শিখবে, ক্রোধ কিরকম করে বশীভূত করতে হয়। ক্ষমা কাকে বলে, লোক শিখবে।

    বিজয় ও নরেন্দ্রের ঈশ্বরীয় রূপ দর্শন

    ইতিমধ্যে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের সম্মুখে বিজয়ের সঙ্গে ভক্তদের অনেক কথাবার্তা হইতেছে।

    বিজয় — কে একজন আমার সঙ্গে সদা-সর্বদা থাকেন, আমি দূরে থাকলেও তিনি জানিয়ে দেন, কোথায় কি হচ্ছে।

    নরেন্দ্র — Guardian angel-এর মতো।

    বিজয় — ঢাকায় এঁকে (পরমহংসদেবকে) দেখেছি! গা ছুঁয়ে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita) হাসিতে হাসিতে) — সে তবে আর-একজন!

    নরেন্দ্র — আমিও এঁকে নিজে অনেকবার দেখেছি! (বিজয়ের প্রতি) তাই কি করে বলব — আপনার কথা বিশ্বাস করি না।

  • West Asia Crisis: “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু”, পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটের মাঝে জ্বালানি সহায়তা ভারতের, বিশেষ ধন্যবাদ শ্রীলঙ্কার

    West Asia Crisis: “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু”, পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটের মাঝে জ্বালানি সহায়তা ভারতের, বিশেষ ধন্যবাদ শ্রীলঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির (West Asia Crisis) জেরে জ্বালানি সঙ্কটে পড়া শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়াল ভারত। বিপদের সময় এই দ্রুত সহায়তার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে (Sri Lanka)। শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক মহলেও ভারতের এই পদক্ষেপ প্রশংসিত হয়েছে। ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুরা কুমারা বলেছেন, “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু চেনা যায়।”

    জ্বালানি আমদানিতে বাধা ও ভারতের পদক্ষেপ (West Asia Crisis)

    পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) সংক্রান্ত সমস্যার কারণে শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছিল। গত ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে টেলিফোন কথোপকথনে প্রেসিডেন্ট দিশানায়েকে এই সমস্যার কথা তুলে ধরেন। ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ (Neighbourhood First) নীতির প্রতিফলন ঘটিয়ে ভারত সরকার দ্রুত সাড়া দেয়।

    সহায়তার পরিমাণ

    রবিবার কলম্বো (Sri Lanka) পৌঁছনো এই বিশেষ জাহাজে মোট ৩৮,০০০ মেট্রিক টন জ্বালানি রয়েছে। এর মধ্যে ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল রয়েছে। ‘লঙ্কা আইওসি’ (Lanka IOC)-র মাধ্যমে ভারত এই জরুরি সরবরাহ নিশ্চিত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিমাণ জ্বালানি (West Asia Crisis)  দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ যানবাহনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।

    প্রেসিডেন্টের বার্তা

    সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে প্রেসিডেন্ট দিশানায়েকে লিখেছেন, “কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে শ্রীলঙ্কার জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নঘটা নিয়ে কথা বলেছিলাম। ভারতের দ্রুত সহায়তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। গতকাল ৩৮,০০০ মেট্রিক টন জ্বালানি কলম্বো পৌঁছেছে। সমন্বয়ের জন্য বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকেও আমার ধন্যবাদ।”

    আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা

    ভারত ও শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আলোচনায় শুধুমাত্র জ্বালানি নয়, বরং লোহিত সাগর ও সংলগ্ন অঞ্চলে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন, ভারত তার ‘সাগর’ (SAGAR) ভিশন এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে দায়বদ্ধ। এর আগে গত সপ্তাহে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী বিজিথা হেরাথের সঙ্গে এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছিলেন।

  • Dhurandhar-2: বক্স অফিসে দুরন্ত ব্যাটিং ‘ধুরন্ধর ২’-এর, ১২০০ কোটির গণ্ডি পার রণবীর সিংয়ের ছবি

    Dhurandhar-2: বক্স অফিসে দুরন্ত ব্যাটিং ‘ধুরন্ধর ২’-এর, ১২০০ কোটির গণ্ডি পার রণবীর সিংয়ের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্স অফিসে দাপট অব্যাহত রেখে ইতিহাস গড়ল রণবীর সিং (Ranveer Singh) অভিনীত ও আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’ (Dhurandhar-2)। মুক্তির দ্বিতীয় শনিবার অর্থাৎ ১০ম দিনে ছবিটির ব্যবসার গ্রাফ এক ধাক্কায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় (Global Gross) ১২০০ কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে গেল।

    দ্বিতীয় শনিবারের রেকর্ড ব্যবসা (Dhurandhar-2)

    বক্স অফিস ট্র্যাকার (Dhurandhar-2) ‘স্যাকনিল্ক’ (Sacnilk)-এর প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০ম দিনে ভারতে ছবিটির নেট কালেকশন হয়েছে প্রায় ৬২.৮৫ কোটি টাকা। শুক্রবারের তুলনায় ৪১.৫৫ কোটি এই আয় অবিশ্বাস্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে ভারতে ছবিটির মোট নেট কালেকশন দাঁড়িয়েছে ৭৭৮.৭৭ কোটি টাকায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আজ রবিবারের মধ্যেই এটি ৮০০ কোটির গণ্ডি অনায়াসেই পার করে ফেলবে।

    ১২০০ কোটির গ্লোবাল গ্রস

    আন্তর্জাতিক বাজারেও ‘ধুরন্ধর ২’-এর (Dhurandhar-2) জয়জয়কার চলছে। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী ছবিটির গ্রস কালেকশন এখন ১২২৬.৪৪ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে ছবিটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে দ্রুততম ১০০০ কোটি এবং ১২০০ কোটি ক্লাবে প্রবেশ করা অন্যতম সফল ছবি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করল। এটি ইতিমধ্যেই শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’ ও ‘পাঠান’-এর মতো মেগা ব্লকবাস্টারগুলির লাইফটাইম রেকর্ডকে চ্যালেঞ্জ করছে।

    ভাষাগত পরিসংখ্যান

    • হিন্দি: ১০ম দিনে হিন্দি ভার্সন থেকে এসেছে ৫৮ কোটি টাকা।
    • তেলগু: অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে।
    • তামিল ও অন্যান্য: তামিলনাড়ু ও কেরালা থেকেও সন্তোষজনক সাড়া মিলেছে।

    ছবির বিষয়বস্তু ও সাফল্য

    আদিত্য ধরের এই স্পাই-থ্রিলারটিতে রণবীর সিংকে এক দুর্ধর্ষ ভারতীয় এজেন্টের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে। করাচির অপরাধ জগতের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ছবিটির টানটান চিত্রনাট্য ও রণবীরের অনবদ্য অভিনয় দর্শকদের হলমুখী করছে। রণবীর সিং (Ranveer Singh) ছাড়াও এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন, অর্জুন রামপাল এবং সারা অর্জুন।

    ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ধুরন্ধর’-এর (Dhurandhar-2) সিক্যুয়েল হিসেবে এই ছবিটি প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে গিয়েছে। চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, যেভাবে ছবিটির ব্যবসা এগোচ্ছে, তাতে খুব শীঘ্রই এটি ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী ছবির তালিকায় শীর্ষস্থানে জায়গা করে নিতে পারে।

  • Vijaypat Singhania: প্রয়াত রেমন্ড গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজয়পত সিংহানিয়া, শোকস্তব্ধ শিল্প জগৎ

    Vijaypat Singhania: প্রয়াত রেমন্ড গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিজয়পত সিংহানিয়া, শোকস্তব্ধ শিল্প জগৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেমন্ড গ্রুপের (Raymond Group) প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা পদ্মভূষণ শিল্পপতি বিজয়পত কৈলাশপত সিংহানিয়া প্রয়াত (Vijaypat Singhania)। শনিবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ে ৮৭ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে ভারতের শিল্প মহলে শোকের ছায়া।

    পরোপকারী এবং এক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব

    বিজয়পত সিংহানিয়ার (Vijaypat Singhania) প্রয়াণের খবর নিশ্চিত করেছেন প্রয়াত শিল্পপতির ছেলে তথা রেমন্ড গ্রুপের (Raymond Group) বর্তমান চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর গৌতম সিংহানিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন তিনি। লিখেছেন, “গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, পদ্মভূষণ বিজয়পত কৈলাশপত সিংহানিয়া আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি ছিলেন এক দূরদর্শী নেতা, পরোপকারী এবং এক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব। তাঁর উত্তরাধিকার আগামী প্রজন্মের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবেন।”

    বর্ণময় কর্মজীবন

    ১৯৩৮ সালের ৪ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিজয়পত সিংহানিয়া (Vijaypat Singhania)। ১৯৮০ সালে রেমন্ড গ্রুপের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই রেমন্ড একটি সাধারণ টেক্সটাইল মিল থেকে বিশ্বের অন্যতম বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়। পুরুষের পোশাকে ‘দ্য কমপ্লিট ম্যান’ ট্যাগলাইনটি তাঁর সময়কালেই রেমন্ডকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়। শুধু সুতির কাপড় নয়, ইস্পাত এবং সিমেন্ট শিল্পেও তিনি বাড়িয়েছিলেন ব্যবসার পরিধি।

    অ্যাডভেঞ্চার ও অনন্য কৃতিত্ব

    ব্যবসার বাইরে বিজয়পত সিংহানিয়া (Raymond Group) ছিলেন একজন দক্ষ বৈমানিক এবং রোমাঞ্চপ্রিয় মানুষ। ২০০৫ সালে ৬৭ বছর বয়সে তিনি একটি হট এয়ার বেলুনে চড়ে প্রায় ৬৯,০০০ ফুট উচ্চতায় উঠে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। ১৯৮৮ সালে লন্ডন থেকে দিল্লি পর্যন্ত মাইক্রোলাইট বিমানে এককভাবে উড়ে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে ভারত সরকার তাঁকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘পদ্মভূষণে’ ভূষিত করে। মুম্বইয়ের শেরিফ (২০০৬-২০০৭) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

    শেষ বিদায়

    পারিবারিক সূত্রে খবর, আজ রবিবার দুপুর ১:৩০ মিনিটে মুম্বইয়ের এলডি রুপারেল মার্গের ‘হবেলি’-তে তাঁর (Vijaypat Singhania) মরদেহ অন্তিম দর্শনের জন্য রাখা হবে। এরপর বিকেল ৩টের সময় চন্দনবাড়ি শ্মশানঘাটে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা। স্ত্রী আশাদেবী এবং তিন সন্তান— গৌতম, মধুপতি ও শেফালিকে রেখে গিয়েছেন তিনি।

  • PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়নে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইল দেশ। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে উদ্বোধন হল ‘নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (Noida International Airport) বা জেওয়ার বিমানবন্দরের। এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশ নয়, বরং গোটা ভারতের বিমান চলাচল ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে এক আমূল পরিবর্তন আনতে চলেছে।

    এশিয়ার বৃহত্তম বিমানবন্দর (PM Modi)

    জেওয়ারে নির্মিত এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) সম্পন্ন হওয়ার পর এটি ভারতের তো বটেই, এমনকি এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বিমানবন্দর হতে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ এই বিমানবন্দরটি উত্তর ভারতের ‘লজিস্টিক গেটওয়ে’ হিসেবে কাজ করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “জেওয়ার বিমানবন্দর কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি উত্তর ভারতের উন্নয়নের নতুন ইঞ্জিন হয়ে উঠবে।”

    উত্তরপ্রদেশের রূপান্তর ও যোগী মডেল

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ যে ‘উত্তম প্রদেশ’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে, এই প্রকল্প তারই এক বড় প্রমাণ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) আগামী দিনে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের শিল্পায়নে জোয়ার আনবে।” তিনি একে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ‘গতি শক্তি’ প্রকল্পের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ভারতের বিমান চলাচলের ভবিষ্যৎ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, জেওয়ার বিমানবন্দর (Noida International Airport) দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেবে। এটি দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের মানুষের জন্য দ্বিতীয় একটি বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া আর যে সব সুবিধা মিলবে, সেগুলি হল, কানেক্টিভিটি: জেওয়ার বিমানবন্দর সরাসরি যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে এবং দিল্লি-বারাণসী হাই স্পিড রেলের (বুলেট ট্রেন) সঙ্গে যুক্ত হবে।

    অর্থনৈতিক প্রভাব: বিমানবন্দরের (Noida International Airport) আশপাশে ফিল্ম সিটি, মেডিকেল ডিভাইস পার্ক এবং ডেটা সেন্টার তৈরির কাজ চলছে, যা এই অঞ্চলকে একটি বিশ্বমানের অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করবে।

    নেট জিরো এমিসন: এই বিমানবন্দরটি পরিবেশবান্ধব উপায়ে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি ভারতের প্রথম ‘নেট জিরো’ কার্বন নির্গমনকারী বিমানবন্দর হওয়ার পথে।

    বিরোধীদের তোপ ও উন্নয়নের জবাব

    উত্তরপ্রদেশে বিগতদিনের কংরেস-সপা-বসপা সরকারের সমালোচনা করে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, জেওয়ার প্রকল্পের পরিকল্পনা বহু দশক আগে হলেও ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগীর ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলেই এই স্বপ্ন সত্যি হল।

LinkedIn
Share