Author: suman-das

  • Draupadi Murmu: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধন বিল খারিজ রাষ্ট্রপতির, মমতার আচার্য হওয়ার স্বপ্নের ইতি

    Draupadi Murmu: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধন বিল খারিজ রাষ্ট্রপতির, মমতার আচার্য হওয়ার স্বপ্নের ইতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) সম্মতি মিলল না মমতা সরকারের পাঠানো বিলে। রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার বিল ফেরত পাঠিয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি। ফলে এটা নিশ্চিত পশ্চিমবঙ্গে সহায়তা প্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যপদে আপাতত কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। ফের একবার মুখ পুড়ল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রাজ্য এবং রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) মধ্যে এই নিয়ে দ্বন্দ্ব চরম আকারে নিয়েছিল। এবার তা মিটবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজেপির অবশ্য দাবি, সততার প্রতীক মমতার আর আচার্য হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হল না।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যপদে থাকছেন রাজ্যপাল (Draupadi Murmu)

    পশ্চিমবঙ্গে সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধনী বিল ২০২২-এর দুটি বিলে সম্মতি দেননি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফলে আচার্যপদে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। রাষ্ট্রপতি বিলগুলিকে অনুমতি না দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যপদে থাকছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। লোকপাল ভবন থেকে সাফ জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল আগের মতোই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। উল্লেখ্য ২০ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে রাজ্যপাল নিজে বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনী বিল ২০২২, রাষ্ট্রপতির কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বিলে বলা হয়েছিল রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আচার্য হিসেবে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করবেন। যদিও রাজ্য সরকারে পক্ষে যুক্তি ছিল এতে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গতি আসবে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সুবিধা হবে। তবে কেন্দ্র সরকার বিলের সবটা বিবেচনা করে সম্মত প্রদান থেকে বিরত থাকে।

    বিলে আইন গত ত্রুটি!

    আবার সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) পদাধিকার বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হন। সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে গেলে সাংবিধানের অবমাননা হবে। তবে নিয়ম বদলের ক্ষেত্রে সংবিধানের মান্যতাকে খেয়াল রাখতে হবে। যেহেতু রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) সম্মতি দেননি তাই রাজ্যের পাশ করা বিলে আইনগত ত্রুটি অবশ্যই রয়েছে। তবে রাজ্যের অবশ্য দাবি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়েগুলি দীর্ঘ সময় ধরে যেহেতু উপাচার্য নিয়োগের সংকটে ভুগছিল তাই এই সংশোধন আনা হয়েছে। তবে বিল নিয়ে বিধানসভার প্রথম থেকেই তৃণমূলের বিপরীত মেরুতে অবস্থান করেছিল বিজেপি। সংবিধান এবং সংশোধন সম্পূর্ণ অনৈতিক বলে বার বার দাবি করেছে বিজেপি। এই বিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়ত্ত্ব শাসন খর্ব করবে এবং রাজনীতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে বলে মনে করে করছে বিজেপি।

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকায় নাম না থকালে কোনও চিন্তা নেই। কী কী করবেন আগেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মঙ্গলবার বের হচ্ছে খসড়া তালিকা। প্রত্যকের মনে মনে একটা চিন্তা ঘুরছে নাম থাকবে তো। আর নাম না থাকলে কী হবে? খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমকে। তিনি সাফ জানান, “খসড়া তালিকায় যদি নিজেদের নাম না দেখেন তাহলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। অনলাইনেই ফর্ম ৬-এ আবেদন করতে পারেন। আবেদনের পর আপনাকে হেয়ারিং-এ ডাকা হবে। এরপর উপযুক্ত কাগজ দেখিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রোলে তুলে দিতে হবে। যদি কেউ এখানকার নাগরিক হন তাহলে ভয়ের কিছু নেই। উপযুক্ত কাগজ দেখালেই নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে।”

    ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ (SIR)

    সুব্রত গুপ্ত বলেন, “এসআইআর (SIR) হল নির্বাচনী ভোটার তালিকার (Election Commission) নিবিড় সংশোধনের কাজ। যে কোনও কাজ অল্প সময়ের মধ্যে করতে হলে সেখানে চাপ একটু বেশিই থাকে। এই রকম চাপে আমরাও আছি। সাধারণ একজন সরকারি কর্মচারি যে রকম চাপে থাকে এই চাপ অনেকটাই বেশি। তবে আবার এটাও নয় যে কাজ চাপের কারণে থমকে গিয়েছে। আর যদি তাই হতো তাহলে ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দিতে হতো না। এই কাজ করতে তো হয়েছে।”

    সুব্রত গুপ্ত আরও বলেন, “কমিশন যখন আমাকে নিয়োগ করেছে তখন সাফ নির্দেশ ছিল, কোনও অবৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকায় না থাকে। আর অপর দিকে কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকার বাইরে না থাকে। আমাদের কাজ এটাই, এই কাজটাই দায়িত্ব নিয়ে করছি। এই জন্যই বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন। দুই মাস খসড়া তালিকা থাকবে পোর্টালে। একই সময়ে শুনানিও চলবে। লোকে আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্যে যদি কোনও ভুল ভ্রান্তি ধরা পড়ে তাহলে মানুষ আবেদন করতে পারবেন। তারপর তাঁর নাম আসবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে হেয়ারিং-এ কতজনকে ডাকা হবে তা নিয়ে এখনও কোনও নাম ঠিক হয়নি। ৩০ লক্ষ মানুষের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই, নিঃসন্দেহে তাঁদের শুনানিতে ডাকা হবে। বাকি আর কাদের ডাকা হবে সেই নির্দেশের অপেক্ষা করছি। কমিশনের নির্দেশ ছাড়া তা বলা সম্ভবপর নয়।”

    কীভাবে চেনা যাবে বাংলাদেশি

    সুব্রত গুপ্ত অবৈধ বাংলাদেশি ভোটার বা জাল ভোটারদের ক্ষেত্রে বলেছেন, “কেউ অবৈধ ভোটারের লেবেল মাথায় লাগিয়ে ঘুরছে এমনটা নয়। আমি বলতে পারি ১ কোটির বেশি ভুলভ্রান্তি মিলে মিশে রয়েছে। আরও অন্য রকম কিছু ভুলভ্রান্তিও রয়েছে। তবে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে শুনানি না হলে আপাতত কিছু বলা সম্ভবপর নয়। কেউ বাংলাদেশি তা হেয়ারিং-এ বলা সম্ভব। কমিশন (Election Commission) উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করবে।”

    শুনানি পর্ব শুরু হবে আগামী সপ্তাহে

    আবার কমিশন (Election Commission) সূত্রে বলা হয়েছে, খসড়া তালিকায় (SIR) নাম থাকলেই যে চূড়ান্ত হবে এমনটা নয়, যদি কোনও অসঙ্গগতি থাকে তাহলে সকলকেই ডাকা হবে। আনম্যাপড থাকা সকলকেই শুনানিতে ডাকা হবে। খসড়া তালিকায় নাম থাকলেই সব গেল এমনটাও নয়। সব নথি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় যদি নাম না ওঠে তাহলেও ভয় নেই। ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিতে হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুনানি পর্ব শুরু হতে আগামী সপ্তাহ লাগবে। ইতিমধ্যেই সব বুথে এএসডি তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। সিইও ওয়েবসাইডে এই তথ্য পাওয়া যাবে।

    ৫৮,২০,৮৯৮ জনের নাম বাদ

    গত ২৭ অক্টোবর এই রাজ্যে এসআইআরের ঘোষণা করেছিল কমিশন। ওই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত রাজ্যে মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। কমিশন জানিয়েছে মোট ভোটারের নামেই এনুমারেশন ফর্ম ছাপানো হয়েছিল। প্রত্যেকের কাছেই ফর্ম নিয়ে গিয়েছিলেন বুথ স্তরের অফিসাররা। রবিবার পর্যন্ত মোট ভোটার থেকে নাম বাদ পড়েছে ৫৮,২০,৮৯৮ জনের। বাকিদের নাম খসড়া তালিকায় ওঠার কথা। আজ খসড়া লিস্ট বের হলেই সব স্পষ্ট হবে।

  • Ramakrishna 534: “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও”

    Ramakrishna 534: “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শ্রীরামকৃষ্ণ ও গৃহস্থের মঙ্গলকামনা—রজোগুণের চিহ্ন

    ঠাকুর (Ramakrishna) দক্ষিণে বারান্দার দিকে উঠিয়া গেলেন। মণিকে আজ্ঞা করিলেন, “আমার হাতে জল দাও।” মণি ভৃঙ্গার হইতে জল ঢালিয়া দিলেন। ঠাকুর নিজের কাপড়ে হাত পুঁছিয়া আবার বসিবার স্থানে ফিরিয়া আসিলেন। ভদ্রলোকদের জন্য রেকাবি করিয়া পান আনা হইয়াছিল। সেই রেকাবির পান ঠাকুরের কাছে লইয়া যাওয়া হইল, তিনি সে পান গ্রহণ করিলেন না।

    ইষ্টদেবতাকে নিবেদন—জ্ঞানভক্তি ও শুদ্ধাভক্তি

    নন্দ বসু (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—একটা কথা বলব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—কি?

    নন্দ বসু—পান খেলেন না কেন? সব ঠিক হল, ওইটি অন্যায় হয়েছে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ঈষ্টকে দিয়ে খাই;—ওই একটা ভাব আছে।

    নন্দ বসু—ও তো ইষ্টতেই পড়ত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — জ্ঞানপথ একটা আছে; আর ভক্তিপথ একটা আছে। জ্ঞানীর মতে সব জিনিসই ব্রহ্মজ্ঞান করে লওয়া যায়! ভক্তিপথে একটু ভেদবুদ্ধি হয়।

    নন্দ—ওটা দোষ হয়েছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—ও আমার একটা ভাব আছে। তুমি যা বলছ ও ঠিক বটে — ও-ও আছে।

    ঠাকুর গৃহস্বামীকে মোসাহেব হইতে সাবধান করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আর একটা সাবধান! মোসাহেবরা স্বার্থের জন্য বেড়ায়। (প্রসন্নের পিতাকে) আপনার কি এখানে থাকা হয়?

    প্রসন্নের পিতা—আজ্ঞে না, এই পাড়াতেই থাকা হয়। তামাক ইচ্ছা করুন।

    নন্দ বসুর বাড়িটি খুব বড় তাই ঠাকুর বলিতেছেন (Kathamrita)— যদুর বাড়ি এত বড় নয়; তাই তাকে সেদিন বললাম।

    নন্দ— হাঁ, তিনি জোড়াসাঁকোতে নূতন বাড়ি করেছেন।

    ঠাকুর নন্দ বসুকে উৎসাহ দিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নন্দ বসুর প্রতি) — তুমি সংসারে থেকে ঈশ্বরের প্রতি মন রেখেছ, এ কি কম কথা? যে সংসারত্যাগী সে তো ঈশ্বরকে ডাকবেই। তাতে বাহাদুরি কি? সংসারে থেকে যে ডাকে, সেই ধন্য! সে ব্যক্তি বিশ মন পাথর সরিয়ে তবে দেখে।

    “একটা ভাব আশ্রয় করে তাঁকে ডাকতে হয়। হনুমানের জ্ঞানভক্তি, নারদের শুদ্ধাভক্তি।

    “রাম জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হনুমান! তুমি আমাকে কি ভাবে অর্চনা কর?’ হনুমান বললেন, ‘কখনও দেখি, তুমি পূর্ণ আমি অংশ; কখনও দেখি তুমি প্রভু আমি দাস; আর রাম যখন তত্ত্বজ্ঞান হয়, তখন দেখি, তুমিই আমি — আমিই তুমি।’ —

    “রাম নারদকে বললেন, ‘তুমি বর লও।’ নারদ বললেন, ‘রাম! এই বর দাও, যেন তোমার পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি হয়, আর যেন তোমার ভুবনমোহিনী মায়ায় মুগ্ধ না হই!”

    এইবার ঠাকুর গাত্রোত্থান করিবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নন্দ বসুর প্রতি) — গীতার মত — অনেকে যাকে গণে মানে, তাতে ঈশ্বরের বিশেষ শক্তি অছে। তোমাতে ঈশ্বরের শক্তি আছে।

    নন্দ বসু — শক্তি সকল মানুষেরই সমান।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (বিরক্ত হইয়া)—ওই এক তোমাদের কথা;—সকল লোকের শক্তি কি সমান হতে পারে? বিভুরূপে তিনি সর্বভূতে এক হয়ে আছেন বটে, কিন্তু শক্তিবিশেষ!

    “বিদ্যাসাগরও (Kathamrita) ওই কথা বলছিল,—‘তিনি কি কারুকে বেশি শক্তি কারুকে কম শক্তি দিয়েছেন?’ তখন আমি বললাম—যদি শক্তি ভিন্ন না হয়, তাহলে তোমাকে আমরা কেন দেখতে এসেছি? তোমার মাথায় কি দুটো শিং বেরিয়েছে?”

    ঠাকুর গাত্রোত্থান করিলেন। ভক্তেরাও সঙ্গে সঙ্গে উঠিলেন। পশুপতি সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যুদগমন করিয়া দ্বারদেশে পৌঁছাইয়া দিলেন।

  • Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য ৫০০ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক এবং ভক্তদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust)। সেইসঙ্গে প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে যেখানে প্রভু শ্রী রাম এবং তাঁর ভাইদের বাসনো হয়েছিল, সেখানে একটি মন্দিরও নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার, মন্দিরের মহন্ত নৃত্য গোপাল দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ট্রাস্টের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিনের সভায় রাম জন্মভূমি মন্দিরে ভগবান রামের প্রাণ-প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকী সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনাও করা হয়।

    কর সেবকদের গুলি করেছিল মুলায়ম সিং (Ram Mandir)

    ১৯৯০ সালের ২ নভেম্বর অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালীন, মুলায়ম সিং যাদবের সমাজবাদী পার্টি সরকারের নির্দেশে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক করসেবকের ওপর গুলি চালিয়েছিল। বাবরি মসজিদে পৌঁছাতে গেলে পুলিশের গুলিতে অসংখ্য কর সেবক নিহত হয়েছিলেন। যদিও মুলায়ম সিং যাদব ২৮ জন কর সেবকের মৃত্যুর কথা জানালেও, হিন্দু সংগঠনের দাবি এই মৃত্যুর সংখ্যাটি অনেক বেশি।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    রাম মন্দির ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) জানিয়েছে, বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠা দ্বাদশীর অনুষ্ঠানগুলি অঙ্গদ টিলায় অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে শ্রী রাম কথা পাঠ, সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে। আগামী ২৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরে মণ্ডল পুজো এবং শ্রী রামচরিতমানসের একটি সঙ্গীতময় অখণ্ড পারায়ণের আয়োজনও করা হবে। এদিন ভজন সন্ধ্যা পরিবেশন করবেন প্রখ্যাত গায়ক শ্রী অনুপ জালোটা, শ্রী সুরেশ ওয়াডেকর এবং শ্রীমতী তৃপ্তি শাক্য। এছাড়াও, কথ্যক নৃত্যনাট্য সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। একই ভাবে এই অনুষ্ঠানে কবি সম্মেলনেরও আয়োজন করা হবে। এখানে কবিরা প্রভু শ্রী রামের গুণাবলীর প্রশংসায় যুক্ত কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করবেন।

    আরও একটি ঘোষণায়, ট্রাস্ট জানিয়েছে যে রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণে জড়িত প্রায় ৪০০ কর্মীকে হিন্দু নববর্ষ উপলক্ষে আগামী ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হবে। উল্লেখ্য গত ২৫ নভেম্বর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যার রাম মন্দিরের উপরে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ধর্মধ্বজ উত্তোলন করেন। এই কাজ ছিল রাম মন্দিরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার উপলক্ষ্যে বিশেষ কর্মকাণ্ড।

  • PM Narendra Modi: “দক্ষ সংগঠক নবীন”, বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    PM Narendra Modi: “দক্ষ সংগঠক নবীন”, বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতির নাম ঘোষণা করল বিজেপির সংসদীয় বোর্ড। দলের নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হলেন নিতিন নবীন (Working President Nitin Nabin)। তিনি বিহারের এনডিএ জোটের বিজেপি বিধায়ক। একই ভাবে তিনি বিহার সরকারের মন্ত্রী সভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। দিল্লির সদর দফতর থেকে বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে বিহারের একনিষ্ঠ কর্মী নিতিন নবীন। এরপর তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।

    ভালো কাজের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন (PM Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) দলের তরফ থেকে একটি পোস্ট করে বলেন, “নিতিন নবীন একজন পরিশ্রমী কর্মী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন। তিনি সাংগঠনিক ভাবে অনেক দক্ষ। বিহারে একাধিকবার বিধায়ক হিসবে নির্বাচিত হয়েছেন। দলের বিধায়ক হিসেবে ভালো কাজের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। নিতিনের বিনয়ী স্বভাব, মানুষের সঙ্গে মেলা মেশার ক্ষমতা এবং জনসংযোগের কাজে বিরাট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি তাঁর উদ্যম এবং নিষ্ঠা আগামী দিনে আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করবে। বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে নিতিন জি (Working President Nitin Nabin) দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

    বাংলাকেও জয় করব

    বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি হিসেবে এতোদিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জগত প্রকাশ নাড্ডা। নবীন (Working President Nitin Nabin) বিহারের নির্বাচনে বাঁকিপুর আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। আরজেডি রেখা কুমারীকে ৫১ হাজার ভোটে পরাজিত করেছেন। তিনি দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন কার্যনির্বাহী সভাপতি হওয়াদের মধ্যে। বছর ঘুরলেই ২০২৬ সালের বঙ্গ নির্বাচন। নতুন দায়িত্ব পেয়েই বাংলা মিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন নিতিন নবীন। তিনি বলেন, “অগ্রাধিকার হল দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করা। একটি সর্বব্যাপী নেতৃত্ব যেমনটি কেন্দ্রীয় নেতারা আমাদের রাজ্যে আস্থা রেখেছেন। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কারণেই আজ আমি এখানে এসেছি। আমরা বসে সব কিছুকে ঠিক করব। সংগঠনের নিচ থেকে উওর পর্যন্ত এতটাই শক্তিশালী যে আমরা এবার বাংলাকেও জয় করব।”

  • Bondi Beach Attack: বন্ডি বিচের ২ হামলাকারীর পাকিস্তান-আইসিস যোগ! ইহুদিদের উৎসবে আচমকা গুলিবর্ষণে মৃত কমপক্ষে ১৬

    Bondi Beach Attack: বন্ডি বিচের ২ হামলাকারীর পাকিস্তান-আইসিস যোগ! ইহুদিদের উৎসবে আচমকা গুলিবর্ষণে মৃত কমপক্ষে ১৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইহুদিদের হানুক্কা মানে আলোর উৎসব। ক্রিসমাসের আগে আটদিন ধরে আনন্দের উৎসব করেন ইহুদিরা। এবার ইহুদিদের উৎসবকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা জঙ্গিদের। অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি বিচে (Bondi Beach Attack) গুলি চালানোর ঘটনায় উৎসবের চিত্র শোকে পরিণত হল। রবিবার সেখানে ইহুদিদের হনুকা উৎসব চলছিল। দুই জঙ্গির হামলায় গুলি বর্ষণে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জনের। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। এলোপাথাড়ি ৫০ রাউন্ড গুলি চলে বলে জানা গিয়েছে। তবে হামলাকারী জঙ্গিদের মধ্যে একজন ঘটনাস্থলেই খতম এবং অপর জনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীদের পরিচয় পাকিস্তানের বংশোদ্ভূত। হামলার (Australia Gunmen Attack) সময়ে তাঁর পাকিস্তানের ক্রিকেট দলের জার্সি পরা একটি ছবি ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। উল্লেখ্য পাকিস্তান যে জঙ্গি উৎপাদনের কারখানায় পরিণত হয়েছে তা আরও একবার প্রমাণিত হল বন্ডি বিচ গুলিকাণ্ডে। ইতিমধ্যে উদ্ধার হয়েছে আইএসআইএস-এর পতাকা। আইসিসের সঙ্গে জঙ্গিদের যোগ থাকার বিষয়টিকেও খোঁজ করে দেখা হচ্ছে।

    জঙ্গির পরনে ছিল পাকিস্তনি জার্সি (Bondi Beach Attack)

    অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ মাধ্যম এবিসি নিউজ–এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী বলা হয়েছে, দুই জঙ্গিদের মধ্যে একজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। দুই জঙ্গির সম্পর্ক হল বাবা-ছেলে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ কমিশনার মাল ল্যানয়নের বক্তব্যের সূত্র জানা গিয়েছে, “সন্দেহজনক জঙ্গির নাম নাভেদ আক্রম (Bondi Beach Attack)। তবে এখনও পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়েছে কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা যায়নি। তবে সিডনির আল-মুরাদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছে নাভেদ। তদন্তকারী অফিসারদের কাছে একাধিক ছবি ধরা পড়েছে। তবে এই জঙ্গির পরনে পাকিস্তনি একটি জার্সি ছিল। সেই ছবি এখন প্রকাশ্যে এসেছে।” অপর দিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম জেরুহজালেম পোস্ট ও নাভেদকে পাকিস্তানি বলে উল্লেখ করেছে। বিভিন্ন পরিচয়ের সূত্রে ধরে এখন অস্ট্রেলিয়ার তদন্তকারী অফিসাররা তদন্ত শুরু করেছেন। ভারতেও গত এপ্রিল মাসে কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে পাকিস্তানের জঙ্গিরা হামলা করেছিল। ধর্ম পরিচয় জিজ্ঞাসা করে ২৬ জন ভারতীয়কে নৃশংস ভাবে হত্যা (Australia Gunmen Attack) করেছিল।

    তল্লাশি এবং ফরেনসিক পরীক্ষা

    আবার পুলিশ জানিয়েছে হামলার স্থল (Bondi Beach Attack) থেকে একটি গাড়ির ভিতরে বিস্ফোরক পাওয়া গিয়েছে। আশেপাশের বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তুকে তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে। সম্পূর্ণ এলাকাকে ঘিরে রেখে তল্লাশি এবং ফরেন্সিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে সূত্র ধরে নিউ সাউথ ওয়েলসের বনিরিগ এলাকায় অবস্থিত নাভেদ আক্রমের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনায় তৃতীয় কোনও বন্দুকবাজের ভূমিকা থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখনই সব নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। আবার অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা এএসআইও প্রধান মাইক বার্জেস জানিয়েছেন, হামলাকারীদের (Australia Gunmen Attack) পরিচয় এবং সমাজে তাদের মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে আর কেউ সক্রিয় আছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে দুজনের মধ্যে একজন পরিচিত বলে জানা গিয়েছে।

    ইহুদিদের উপরে হামলা তিনগুণ বৃদ্ধি

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী জানা গিয়েছে, প্রায় ২ কোটি ৮০ লক্ষ জনসংখ্যার অস্ট্রেলিয়ার ১ লক্ষ ১৭ হাজার ইহুদির বসবাস রয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ থাকে নিউ সাউথ ওয়েলসে। তবে গত কয়েক বছরে ইহুদি বিদ্বেষ সীমা ছাড়িয়েছে, এমন অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। সরকারের অ্যান্টিসেমিটিজম মোকাবিলায় নিযুক্ত বিশেষ দূত জিলিয়ান সেগাল গত জুলাইতে বলেছিলেন, “২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে হামাসের আক্রমণের পরে অস্ট্রেলিয়ায় ইহুদিদের উপরে হামলা (Australia Gunmen Attack) তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।” বন্ডি বিচে (Bondi Beach Attack) এই হামলার ঘটনায় অস্ট্রেলিয়া জুড়ে এখন শোকের ছায়া। তদন্ত যত এগিয়ে যাচ্ছে ততই সমানে আসছে নতুন নতুন তথ্য। আতঙ্কের পরিবেশ এখনও গোটা দেশে বর্তমান।

  • Ramakrishna 533: “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও”

    Ramakrishna 533: “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শ্রীযুক্ত নন্দ বসুর বাটীতে শুভাগমন

    চৈতন্যলাভ ভোগান্তে—না তাঁর কৃপায় 

    পশুপতি—আমাদের বিকার চিরকাল বুঝি থাকবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কেন ঈশ্বরেতে মন রাখো, চৈতন্য হবে।

    পশুপতি (সহাস্যে)— আমাদের ঈশ্বরে যোগ ক্ষণিক। তামাক খেতে যতক্ষণ লাগে। (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তা হোক; ক্ষণকাল তাঁর সঙ্গে যোগ হলেই মুক্তি।

    “অহল্যা বললে, রাম! শূকরযোনিতেই জন্ম হউক আর যেখানেই হউক যেন তোমার পাদপদ্মে মন থাকে, যেন শুদ্ধাভক্তি (Kathamrita) হয়।

    “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও, আর যেন তোমার ভুবনমোহিনী মায়ায় মুগ্ধ না হই, এই আশীর্বাদ করো। আন্তরিক তাঁর কাছে প্রার্থনা করলে, তাঁতে মন হয়,—ঈশ্বরের (Ramakrishna) পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি হয়।”

     ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও গৃহস্থের মঙ্গলকামনা—রজোগুণের চিহ্ন

    এ পর্যন্ত গৃহস্বামী ঠাকুরের মিষ্ট মুখ করাইবার কোনও চেষ্টা করেন নাই। ঠাকুর স্বতঃপ্রবৃত্ত হইয়া গৃহস্বামীকে বলিতেছেন —

    “কিছু খেতে হয়। যদুর মাকে তাই সেদিন বললুম — ‘ওগো কিছু (খেতে) দাও’! তা না হলে পাছে গৃহস্থের অমঙ্গল হয়!”

    গৃহস্বামী কিছু মিষ্টান্ন আনাইয়া দিলেন। ঠাকুর খাইতেছেন (Kathamrita)। নন্দ বসু ও অন্যান্য সকলে ঠাকুরের দিকে একদৃষ্টে চাহিয়া আছেন। দেখিতেছেন তিনি কি কি করেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) হাত ধুইবেন, চাদরের উপর রেকাবি করিয়া মিষ্টান্ন দেওয়া হইয়াছিল, সেখানে হাত ধোয়া হইবে না। হাত ধুইবার জন্য একজন ভৃত্য পিকদানি আনিয়া উপস্থিত হইল।

    পিকদানি রজোগুণের চিহ্ন। ঠাকুর দেখিয়া বলিয়া উঠিলেন, “নিয়ে যাও, নিয়ে যাও।” গৃহস্বামী বলিতেছেন, “হাত ধুন।”

    ঠাকুর অন্যমনস্ক। বলিলেন, “কি? — হাত ধোবো?

  • Kolkata Metro: ১৫ ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো চলবে

    Kolkata Metro: ১৫ ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো চলবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংরেজি নববর্ষের আগেই মেট্রো যাত্রীদের জন্য বড় ঘোষণা করল কলকাতা মেট্রো। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো (Kolkata Metro) চালাবে কলকাতা মেট্রো (Metro Services)। তবে এখন তা পরীক্ষামূলক ভাবেই করা হবে। অফিস আওয়ার বা ব্যস্ততার সময়ে এই পরিষেবা চালানো হবে। একটি চলবে সকালের ব্যস্ততার সময়ে আরেকটি চলবে বিকেলের ব্যস্ততার সময়ে।

    দুটো মেট্রো চলবে (Kolkata Metro)

    কলকাতা মেট্রো (Kolkata Metro) সূত্রে জানা গিয়েছে, সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি সরাসরি ট্রেন চলবে। একটি সকালে এবং অপরটি বিকেলে। যে সময় পিক আওয়ার এবং যাত্রীদের ভিড় বেশি থাকবে সেই সময়েই চালানো হবে ট্রেন। আগে যারা বিমান বন্দর থেকে এসপ্ল্যানেড, কালীঘাট কিংবা মহানায়ক উত্তম কুমার বা শহিদ ক্ষুদিরামের-এর দিকে যেতে চান আগে তাদের ট্রেন বদল করতে হতো। এখন থেকে বিমান বন্দরে যারা নামেন তাদের আর নোয়াপাড়া স্টেশনে ট্রেন বদলাতে হবেনা। ভোগান্তি কমবে এবং যাত্রা হবে আরও সুন্দর এবং স্বচ্ছ বলে মত অনেকের। তবে মেট্রো নিজের সূচি দিয়ে জানিয়েছে, প্রথম ডাইরেক্ট পরিষেবা সকাল ৯ টা ৩৬ মিনিটে জয় হিন্দ বিমান বন্দর স্টেশন থেকে ছাড়বে ট্রেন (Metro Services)। আর দ্বিতীয় পরিষেবাটি ছাড়বে রাত্রি ৯টায়। তবে দুই ট্রেন যাবে ক্ষুদিরাম পর্যন্ত। এই যাতায়েত পরিষেবায় কোন রকম যাত্রীদের ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে না।

    এখনও চিংড়িঘাটা মোড়ের জট

    মেট্রো (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষের অবশ্য বক্তব্য, এই পরীক্ষামূলক পরিষেবার মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ কলকাতা ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ আরও মজবুত হবে। তবে যাত্রীদের সুবিধা এবং চাহিদা অনুযায়ী গাড়ির সংখ্যা আগামীতে আরও বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, কবি সুভাষ থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পরিষেবা এখনও পুরোপুরি শুরু হয়নি। চিংড়িঘাটা মোড়ের জট না কাটায় এখনও পর্যন্ত তিন পিলারের লাইনে পাতার কাজ বাকি। সেই কাজ সম্পন্ন হলেই সরাসরি পৌঁছে যাবে বিমানবন্দর (Metro Services) পর্যন্ত। বর্তমানে কবি সুভাষ থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত মেট্রো চলছে।

  • MGNREGA: এবার ১২৫! ১০০ দিনের কাজে রোজগার বাড়াল মোদি সরকার, বদলে যাচ্ছে নামও

    MGNREGA: এবার ১২৫! ১০০ দিনের কাজে রোজগার বাড়াল মোদি সরকার, বদলে যাচ্ছে নামও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের এনডিএ জোটের মোদি (Pm Modi) সরকারের তরফে বাড়ানো হল ন্যূন্যতম কাজের দিন (MGNREGA)। বদল করে দেওয়া হল প্রকল্পের নাম। মনরেগা নিয়ে বড় ঘোষণা মোদি সরকারের। গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে মনরেগা প্রকল্পের নাম বদলে রাখা হল ‘পুজ্য বাপু গ্রামীণ রোজগার গ্যারান্টি’। একই ভাবে এই বছরে কাজের দিনের পরিমাণ আগে ছিল ১০০, এখন তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১২৫ দিন। এবার থেকে বছরে এই প্রকল্পে ১২৫ দিনের কাজ দেওয়া দেওয়া হবে। আর কমপক্ষে দেওয়া হবে দিনপ্রতি ২৪০ টাকা।

    নাম বদলের মানসিকতার বদল

    এই নাম পরিবর্তনকে বিজেপির (Pm Modi) ভাবনায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ। দেশ থেকে ব্রিটিশরা চলে গেলেও ঔপনিবেশিক মানসিকতার তেমন বদল ঘটেনি। তাই নাম এবং নামের সঙ্গে যুক্ত মানসিকতাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যেমন- প্রধানমন্ত্রীর অফিসের নাম হয়েছে সেবা তীর্থ, রাজপথ হয়েছে কর্তব্য পথ, রাজভবনের নাম হয়েছে লোকভবন, রাজ্যপালের নাম লোকপাল। রেড কোর্স রোডের নাম হয়েছে লোক কল্যাণ মার্গ। এবার মনরেগার (MGNREGA) নাম বদল করে রাখা হয়েছে বাপুজির নামে। তবে নাম বদল যে শুধু কাজের জন্যই হয়েছে তা নয়, এই বদলের সঙ্গে মানসিকতার বদলও ভীষণ ভাবে প্রয়োজন। জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন প্রথম ২০০৫ সালে পাস হয়েছিল। ২০০৯ সালে, ইউপিএ সরকারের আমলে, এর নামকরণ করা হয় মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (মনরেগা)। এই আইন ওই বছরের ২ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়। এইবার এনডিএ সরকার এটির নাম পরিবর্তন করে ১২৫ দিন কাজের গ্যারান্টি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    ১০০ দিনের কাজ সুনিশ্চিত

    ২০০৯ সালে যখন ইউপিএ (MGNREGA) আইনটির নাম পরিবর্তন করে, তখন তৎকালীন সরকার যুক্তি দিয়েছিল যে মহাত্মা গান্ধীর নাম আইনের সাথে যুক্ত করলে সমতা এবং অন্তর্ভুক্তির উপর মনোযোগ আরও জোরদার হবে। যদিও আইনে প্রত্যেক যোগ্য ব্যক্তিকে ১০০ দিন পর্যন্ত কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে সরকারী তথ্য অনুসারে, গত বছর ৪০.৭০ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের পুরো কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছিল। ২০২৫-২৬ সালে মাত্র ৬.৭৪ লক্ষ পরিবার ১০০ দিনের কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরেছে। ফলে, এই প্রকল্পে অনেক ফাঁকফোকড় ছিল, যা প্রকট হয়েছে। মোদি সরকার, সেগুলিকে ভরাট করতে তৎপর।

    সারা দেশে প্রায় ২৯০ কোটি কর্ম দিবস

    ২০২৪-২৫ সালে, মনরেগা (MGNREGA) সারা দেশে প্রায় ২৯০ কোটি কর্মদিবসের কর্মসংস্থান তৈরি করেছিল। তবে, রাজ্য সরকারগুলি তাদের নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করে মাত্র ৪.৩৫ কোটি কর্মদিবস তৈরি করেছিল। মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, হিমাচল প্রদেশ, কেরালা, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং তেলঙ্গানার মতো রাজ্যগুলি কেন্দ্রীয় সীমার বাইরে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের জন্য তাদের নিজস্ব বাজেট ব্যবহার করেছে।

    ৪,৮৭২ কোটিরও বেশি কর্মসংস্থান

    আইনত মনরেগা আইনের ৩(১) ধারায় প্রতি পরিবারকে বছরে ন্যূনতম একশো দিনের কাজের সংস্থান দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবে, ১০০ দিনের কাজ ন্যূনতম হওয়ার পরিবর্তে সর্বোচ্চ সীমা হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ প্রকল্পের সফ্টওয়্যার এই সীমার অতিরিক্ত এন্ট্রি করার অনুমতি দেয় না। তাই কাজকে একটি বিশেষ নিয়েমে বাঁধা রাখা হয়েছে। তবে ২০০৫ সালে চালু হওয়ার পর থেকে মনরেগা (MGNREGA) ৪,৮৭২ কোটিরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। এই প্রকল্পের অধীনে মোট ব্যয় এখন পর্যন্ত প্রায় ১১.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা। ২০০৬-০৭ সালে ২০০টি পিছিয়ে পড়া জেলায় প্রাথমিকভাবে এটি চালু করা হয়েছিল,পরের বছর এটি আরও ১৩০টি জেলায় সম্প্রসারিত হয়েছিল এবং ২০০৮-০৯ সালের মধ্যে সমগ্র দেশে বাস্তবায়ন করা হয়।

    কোভিডের ধাক্কা

    কোভিড-১৯ মহামারীর সময় (MGNREGA) এর চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। ২০২০-২১ সালে, রেকর্ড ৭.৫৫ কোটি গ্রামীণ পরিবার এই প্রকল্পের অধীনে কাজ চেয়েছিল কারণ লকডাউনের সময় পরিযায়ী শ্রমিকরা তাদের গ্রামে ফিরে এসেছিল। তারপর থেকে, অংশগ্রহণ ক্রমাগত হ্রাস পেয়েছে, ২০২১-২২ সালে ৭.২৫ কোটি পরিবার থেকে ২০২৪-২৫ সালে ৫.৭৯ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। গত তিন বছরের তথ্যে পশ্চিমবঙ্গ অন্তর্ভুক্ত নয়, যেখানে ২০২২ সালের মার্চ থেকে এই প্রকল্পটি স্থগিত রয়েছে। সিএজির রিপোর্টে মনরেগার টাকা নয়ছয় করার অভিযোগের ভিত্তিতে বরাদ্দ টাকার প্রবাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের সাফ কথা হিসেব না দিলে টাকা মিলবে না। তবে মোদির এই ঘোষণায় বিরাট সুফল পাবে সাধারণ মানুষ। এমনটাই মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

  • Census 2027: ২০২৭ সালের জনগণনায় ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ মোদি মন্ত্রিসভার

    Census 2027: ২০২৭ সালের জনগণনায় ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ মোদি মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৭ সালের জনগণনায় (Census 2027) ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। শুক্রবার রেলমন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়াছেন, দেশে মোট দুটি দফায় জন গণনা হবে। সমগ্র প্রক্রিয়া হবে অনলাইনে এবং এই জনগণনার সঙ্গে জাতিগণনাও যুক্ত করা হবে। সর্ব শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। কিন্তু ২০১৯ সালে করোনা অতিমারির কারণে এনপিআর-এর কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এইবার সেই কাজে ফের আরেকবার গণনা শুরু হবে।

    প্রথম পর্যায়ে বাসস্থান ও সম্পত্তি গণনা হবে (Census 2027)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “শেষ বার দেশে জনগণনা (Census 2027) হয়েছিল ২০১১ সালে। তারপর ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিশ্বজুড়ে কোভিড অতিমারির জন্য এই কাজকে সাময়িক ভাবে স্থগিত করে রাখা হয়। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আগেই ঘোষণা করে দেওয়া হয়, ২০২৭ সালে জনগণনা করা হবে। শুক্রবার সেই কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়। ২০২৭ সালের ১ মার্চ থেকে এই নতুন হিসেব বাস্তবায়ন করা হবে।” রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, “প্রথম পর্যায়ে বাসস্থান ও সম্পত্তি গণনা হবে। বাড়ি, জমি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করবে সরকার। ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে সেই প্রক্রিয়া চলবে। তবে সরকারের সুবিধামতো এক একজায়গায় ৩০ দিনের মধ্যে জনগণনা করা হবে। এরপর শুরু হব দ্বিতীয় পর্যায়ের জনগণনা। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এই দ্বিতীয় পর্যায়ের জনগণনা হবে। উল্লেখ্য বেশ কিছু এলাকা যেমন- লাদাখ, হিমাচল, জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তরাখণ্ডে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা এবং তুষারপাতের জন্য ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই গণনা সম্পন্ন করা হবে।”

    মোট ৩০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ

    কীভাবে এই জনগণনার (Census 2027) কাজ হবে তা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Cabinet) অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান, ডিজিটাল পদ্ধতিতে জগণনার জন্য বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করা হবে। অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে পোর্টালে আপলোড করতে হবে। আধুনিক অ্যাপ ব্যবহার করে সংস্কারের কাজ করতে হবে। তবে গণনার কাজের সঙ্গে যুক্ত সকল গণনাকারীদের মোবাইলে তথ্য জোগাড় করতে হবে। আবার যদি কেউ খাতায় কলমে তথ্য সংগ্রহ করেন তাহলেও সঙ্গে সঙ্গে তাকে পোর্টালে তুলতে হবে। ফলে তথ্য সময়ে আপডেট থাকলে ভুলের সম্ভাবনা অনেক কম থাকবে। তাই গণনা কাজের প্রাথমিক স্তর থেকেই ডিজিটালাইজ হবে। গণনার তথ্যকে পেতে আর কোনও অসুবিধা হবে না। সারা দেশজুড়ে এই কাজে মোট ৩০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করা হবে।

    কেন প্রয়োজন?

    ভারতবর্ষে বিগত ১৫০ বছর ধরে সেনসাস বা আদম শুমারির কাজ হয়ে আসছে। আগামী ২০২৭ সালে ভারতে ১৬তম আদমশুমারি এবং স্বাধীনতার পর থেকে অষ্টম আদমশুমারি হতে চলেছে। ছোট গ্রাম, শহরাঞ্চল, থেকে ওয়ার্ড লেভেল পর্যন্ত প্রতিটি জায়গায় জনবৈচিত্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আর্থিক অবস্থা, ইত্যাদি বিষয়গুলি এই জনগণনা বা আদম শুমারির মাধ্যমেই ফুটে উঠবে। সরকারের বাজেট এবং আয় ব্যায়ের হিসেবের জন জনগণনা একান্ত প্রয়োজন। তবে সম্প্রতি ইন্ডিজোটের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে জনগণনা এবং জাতি গণনায় আপত্তি করা হয়েছে। তাদের যুক্তি দেশে জতির পরিচয়ে বিশেষ বিশেষ ধর্মের মানুষের মধ্যে বিভেদ বৈষম্য বাড়বে। তবে বিজেপি অবশ্য বিরোধীদের তোষণের রাজনীতিকেই দায়ী করেছে।

LinkedIn
Share