Author: suman-das

  • Ramakrishna 594: “আমিই সকলের চেলা! সকলেই ঈশ্বরের ছেলে, সকলেই ঈশ্বরের দাস—আমিও ঈশ্বরের ছেলে; আমিও ঈশ্বরের দাস”

    Ramakrishna 594: “আমিই সকলের চেলা! সকলেই ঈশ্বরের ছেলে, সকলেই ঈশ্বরের দাস—আমিও ঈশ্বরের ছেলে; আমিও ঈশ্বরের দাস”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    ডাক্তার (মাস্টার, গিরিশ ও অন্যান্য ভক্তদের প্রতি)—দেখ, আমি তোমাদেরই রইলুম। ব্যারামের জন্য যদি মনে কর, তাহলে নয়। তবে আপনার লোক বলে যদি মনে কর, তাহলে আমি তোমাদের।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি—একটি আছে অহৈতুকী ভক্তি। এটি যদি হয়, তাহলে খুব ভাল। প্রহ্লাদের অহৈতুকী ভক্তি ছিল। সেরূপ ভক্ত বলে, হে ঈশ্বর! আমি ধন, মান, দেহসুখ, এ-সব কিছুই চাই না। এই কর যেন তোমার পাদপদ্মে আমার শুদ্ধাভক্তি হয়।

    ডাক্তার—হাঁ, কালীতলায় লোকে প্রণাম করে থাকে দেখেছি; ভিতরে কেবল কামনা—আমার চাকরি করে দাও, আমার রোগ ভাল (Kathamrita) করে দাও,—এই সব।

    শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি—“যে অসুখ তোমার হয়েছে, লোকেদের সঙ্গে কথা কওয়া হবে না। তবে আমি যখন আসব, কেবল আমার সঙ্গে কথা কইবে।” (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এই অসুখটা ভাল করে দাও। তাঁর নামগুণ করতে পাই না।

    ডাক্তার—ধ্যান করলেই হল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সে কি কথা! আমি একঘেয়ে কেন হব? আমি পাঁচরকম করে মাছ খাই। কখন ঝোলে, কখন ঝালে অম্বলে, কখন বা ভাজায়। আমি কখন পূজা, কখন জপ, কখন বা ধ্যান, কখন বা তাঁর নামগুণগান করি, কখন তাঁর নাম করে নাচি।

    ডাক্তার—আমিও একঘেয়ে নই।

    অবতার না মানিলে কি দোষ আছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তোমার ছেলে অমৃত — অবতার মানে না। তাতে দোষ কি? ঈশ্বরকে নিরাকার বলে বিশ্বাস থাকলেও তাঁকে পাওয়া যায় (Kathamrita)। আবার সাকার বলে বিশ্বাস থাকলেও তাঁকে পাওয়া যায়। তাঁতে বিশ্বাস থাকা আর শরণাগত হওয়া। এই দুটি দরকার। মানুষ তো অজ্ঞান, ভুল হতেই পারে। একসের ঘটিতে কি চারসের দুধ ধরে? তবে যে পথেই থাকো, ব্যাকুল হয়ে তাঁকে ডাকা চাই। তিনি তো অন্তর্যামী — সে আন্তরিক ডাক শুনবেনই শুনবেন। ব্যাকুল হয়ে সাকারবাদীর পথেই যাও, আর নিরাকারবাদীর পথেই যাও, তাঁকেই (ঈশ্বরকেই) পাবে।

    “মিছরির রুটি সিধে করেই খাও, আর আড় করেই খাও; মিষ্ট লাগবে। তোমার ছেলে অমৃতটি বেশ।”

    ডাক্তার—সে তোমার চেলা (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি)—আমার কোন শালা চেলা নাই। আমিই সকলের চেলা! সকলেই ঈশ্বরের ছেলে, সকলেই ঈশ্বরের দাস—আমিও ঈশ্বরের ছেলে; আমিও ঈশ্বরের দাস।

    “চাঁদা মামা সকলেরই মামা।” (সভাস্থ সকলের আনন্দ ও হাস্য।)

  • Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    Nitin Nabin: শিলিগুড়িতে গোর্খা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক নিতিন নবীনের, কী নিয়ে কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার শিলিগুড়িতে গোর্খা সম্প্রদায়ের (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই বৈঠককে কেন্দ্র করে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো পুনরায় আলোচনায় উঠে এসেছে। বিজেপির তরফে দেওয়া হয়েছে আশ্বাস।

    গোর্খাল্যান্ড ও বিকল্প দাবি (Nitin Nabin)

    বঙ্গ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ উপলক্ষে বর্তমানে রাজ্যে অবস্থান করছেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। এই সফরের মধ্যেই পাহাড়ের গোর্খা নেতাদের (Gorkha Community) সঙ্গে তাঁর এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের আবেগ ও দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকে উপস্থিত গোর্খা প্রতিনিধিরা পুনরায় পৃথক ‘গোর্খাল্যান্ড’ রাজ্যের দাবি উত্থাপন করেন। তাঁরা স্পষ্ট জানান, যদি পৃথক রাজ্য গঠন সম্ভব না হয়, তবে উত্তরবঙ্গকে একটি ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ (Union Territory) হিসেবে ঘোষণা করা হোক। উত্তরবঙ্গের মানুষ দীর্ঘ দিন বাম এবং তৃণমূলের শাসনে উন্নয়নের ধারা থেকে উপেক্ষিত রয়েছে। তাই উত্তরবঙ্গের মানুষ সার্বিক উন্নয়ন চান। তবে বাংলার পরিবর্তন এলে পাহাড় সমস্যার গঠন মূলক সমাধান যে হবেই এই নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    জিটিএ-র ব্যর্থতা

    গোর্খা নেতাদের অভিযোগ, ২০০৭ সালের আন্দোলনের পর গঠিত হওয়া গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (GTA) পাহাড়ের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও পাহাড়ের আর্থ-সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। র্জিলিংয়ের বিজেপি বিধায়ক নীরজ জিম্বা বলেন, “গোর্খারা বৈঠকে থাকলে গোর্খাল্যান্ড প্রসঙ্গ আসবেই।” তৃণমূলের শাসনে পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন পাহাড়ের নেতারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের আশ্বাস সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান

    গোর্খা (Gorkha Community) প্রতিনিধিদের অভাব-অভিযোগ শোনার পর দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “বিজেপি বরাবরই পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান চায়। ২০২৬ সালে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই সমস্যার সম্মানজনক ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।” অন্যদিকে, শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “পাহাড়ের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে এবং রাজ্যের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ভারসাম্য বজায় রেখেই বিজেপি সমাধানের পথ খুঁজবে।”

  • Amit Shah: ‘তৃণমূল জিতলে ভাইপো হবেন শাসক’, মথুরাপুরের পরিবর্তন যাত্রায় মমতাকে তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘তৃণমূল জিতলে ভাইপো হবেন শাসক’, মথুরাপুরের পরিবর্তন যাত্রায় মমতাকে তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনলে ভাইপো শাসক হবে”, মাথুরাপুরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ডাক দিয়ে নির্বাচনী প্রচারের এক নতুন অধ্যায় শুরু করল ভারতীয় জনতা পার্টি।

    কুশাসনে বিপর্যস্ত বাংলার জনগণ (Amit Shah)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) রায়দিঘিতে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন। তিনি তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করে রাজ্যে সুশাসন ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কুশাসনে বিপর্যস্ত বাংলার জনগণ এখন পরিবর্তন চাইছে। এই জনসঙ্কল্পকে আরও শক্তিশালী ও মুখর করে তুলতে বাংলার বিজেপি ‘পরিবর্তন যাত্রা’ (Parivartan Yatra) শুরু করেছে। আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র উদ্বোধনী কর্মসূচিতে কর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত থাকব। এই যাত্রার মাধ্যমে বিজেপির কর্মীরা রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে ‘অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা’র অঙ্গীকার পৌঁছে দেবেন।”

    যুবকদের চাকরিতে ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে

    এরপর মথুরাপুরে ভাষণ দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “বিজেপি সরকার হলে যুবকদের চাকরিতে ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে। আমরা ক্ষমতায় এলেই সপ্তম পে কমিশন করব। হুমায়ুন কবীরকে দিয়ে চক্রান্ত করে বাবরি মসজিদ করানো হচ্ছে। হুমায়ুন ও মমতা একই মুদ্রার দুই পিঠ। হুমায়ুন কবীরকে পরিকল্পনা করেই বাইরে বার করে বাবরি মসজিদ তৈরি করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বদলাতে আমরা আসিনি। পরিবর্তন (Parivartan Yatra) জনতাই করবে। আমরা অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বিদায় করবই।”

    এজেন্ডা কি মাদ্রাসার উন্নতি?

    তৃণমূলের শাসনে ভাইপোর দৌরাত্ম্য নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “ভাইপোর শাসন থেকে মুক্তি চাইলে বিজেপিকে ভোট দিন। বঙ্গে ৫ দিক থেকে ছুটবে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা (Parivartan Yatra)। বিজেপিকে ৩৮ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন, ৭৭ আসন দিয়েছিলেন, কংগ্রেস-বামেদের শূন্যে পৌঁছেছিলেন। বিধানসভায় বাংলার বাজেট হয়েছে। সায়েন্স ও টেকনোলজির জন্য ৮০ কোটি টাকা দিয়েছেন। মাদ্রাসাগুলোর জন্য ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা দিয়েছেন। এজেন্ডা কী? রাজ্যে বিজ্ঞান প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্য়মে কর্মসংস্থান এজেন্ডা নাকি মাদ্রাসার উন্নতি?”

    সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্ব

    পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, “এই যাত্রা রাজ্যের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে যাবে এবং মানুষের কাছে পরিবর্তনের (Parivartan Yatra) বার্তা পৌঁছে দেবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সরকারের বিকল্প হিসেবে বিজেপিকে তুলে ধরা।”

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোট শুরুর আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রক্রিয়ার সমান্তরালে বিজেপির এই কর্মসূচি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ (Parivartan Yatra) বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো স্পর্শকাতর জেলায় অমিত শাহের (Amit Shah) এই সভা থেকে দুষ্কৃতীদের বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় উন্নয়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে শাসক দলকে চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    বিজেপি সূত্রে খবর, এই পরিবর্তন যাত্রা রাজ্যের বিভিন্ন জেলা অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত কলকাতায় এক বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। এই যাত্রার প্রতিটি ধাপে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের হেভিওয়েট নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আজ রায়দিঘিতে গিয়েছেন অমিত শাহ। ইসলামপুরে থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাওড়ার আমতায় সভা করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

  • Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    Election Commission: দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (Election Commission) ২০২৬-এর নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি আধাসামরিক আগামী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, দুই দফায় মোট ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। সেই অনুযায়ী, প্রথম দফায় ১ মার্চের মধ্যে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী ঢুকেছে। নির্ধারিত জেলায় পৌঁছে গিয়েছে প্রথম দফায় রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) এসে পৌঁছাবে। জেলায় জেলায় চালানো হবে কঠোর নজরদারি (Election Security)।দ্বিতীয় দফায় আসা ২৪০ কোম্পানি আগামী ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যে তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।

     

    জেলা ভিত্তিক মোতায়েন পরিকল্পনা (Election Commission)

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ (CRPF), বিএসএফ (BSF), সিআইএসএফ, আইটিবিপি ও এসএসবি। নির্বাচনে (Election Commission) তাঁদের দ্বারা ইভিএম ও স্ট্রংরুম পাহারা, ভোটের দিন (Election Security) নিরাপত্তা, এলাকা দখলমুক্ত রাখা এবং আস্থা ফেরানোর কাজ করানো হবে। সব দায়িত্বের মূলে হল এলাকাকে ভয়মুক্ত করা। প্রত্যেক কোম্পানির ৯টি সেকশনের (Election Security) মধ্যে ৮টি সেকশন সরাসরি বুথ ও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে আর বাকি ১টি কিউআরটি ও তদারকির কাজে থাকবে।

     

    কোথায় কত বাহিনী

    ১০ মার্চের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এই জেলায় আসছে ৩৩ কোম্পানি। বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৩, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১১ ও সুন্দরবন পুলিশ জেলায় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯ কোম্পানি। জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে ২৮ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Election Commission) মোতায়েন করা হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২০, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১৯, মালদায় ১৮, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৫, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১০ কোম্পানি মোতায়েন (Election Security) করা হচ্ছে।

    বাহিনী কোন কোন কাজ করবে?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, এই বাহিনী (Election Commission) মূলত নিম্নলিখিত কাজগুলো সম্পন্ন করবে।

    • ১>এরিয়া ডমিনেশন: নিয়মিত টহলদারির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।
    • ২>আস্থা বৃদ্ধি (Election Security): সাধারণ ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ তৈরি করা।
    • ৩>নজরদারি: বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য জিপিএস (GPS) এবং বডি ক্যাম ব্যবহার করা হবে।

    সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় সহ বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক অশান্তির খবরের পরিপ্রেক্ষিতে এই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ১০ মার্চের মধ্যে আসা এই বাহিনীর একটি বড় অংশ এই জেলার ডায়মন্ড হারবার, বারুইপুর এবং সুন্দরবন পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • SSC Recruitment Case: প্রাথমিকের পর এবার এসএসসি! দোলের পরেই পার্থ-অর্পিতাকে ফের তলব ইডির

    SSC Recruitment Case: প্রাথমিকের পর এবার এসএসসি! দোলের পরেই পার্থ-অর্পিতাকে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি (SSC Recruitment Case) কেলেঙ্কারিতে ফের ইডির নোটিশ ‘অপা’-কে! দোলের পরেই তলব করা হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং বান্ধবী অর্পিতাকে। সূত্রের খবর, দোল মিটে গেলেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিতে হবে। উল্লেখ্য এই তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাকরি বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে আদালতে বিশেষ চার্জশিটে নাম থাকার কথাও জানা গিয়েছে।

    আর্থিক অনিয়ম, সম্পত্তি ও অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য (SSC Recruitment Case)

    এর আগে, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় দুর্নীতির (SSC Recruitment Case) অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা প্রথমে গ্রেফতার করেছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee)। একই মামলায় বান্ধবী অর্পিতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। অনেক দিন জেলে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি জানিয়েছে, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক লেনদেন পার্থ এবং অর্পিতার নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্রেই তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর্থিক অনিয়ম, সম্পত্তি ও অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখতেই এই তলব। দোলের পর চলতি মাসের ১৬ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে দু’জনকে তলব করা হয়েছে। দু’জনকেই হাজিরা দিতে বলা হয়েছে, এমনটাই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন।

    দু’টি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার

    ২০২২ সালের জুলাই মাসে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (SSC Recruitment Case) গ্রেফতার হয়েছিলেন তৃণমূলের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কমিটির চেয়ারম্যান পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘ সময়ের তল্লাশির পর অর্পিতার দু’টি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। সেই সঙ্গে উদ্ধার হয় সোনাও। ৩০ ঘণ্টা ধরে একাধিক মেশিন লাগিয়ে টাকা গোনার পালা চলে। এরপরন দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে সিবিআই-এর এসএসসি এবং প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও পার্থকে হেফাজতে নেয়। তবে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় এর আগে ইডি কখনও পার্থ কিংবা অর্পিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। গত নেভেম্বরে ৩ বছর ৩ মাস পরে জামিন পেয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অপরে অর্পিতা গ্রেফতার হওয়ার ২ বছর ৩ মাস পর মুক্ত হন। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতের চার্জশিটে স্পষ্ট জানিয়েছে নাকতলার বাড়িতেই টাকা নিয়ে অযোগ্যদের লিস্ট করেছিলেন পার্থ। এরপর রাজ্যের মন্ত্রীসভা এবং কমিশনকে দিয়েছিলেন। দুর্নীতিকাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল সরকারের বড় মাথা।

  • Parivartan Yatra: শিক্ষক থেকে পুর নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি! সর্বত্র তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তুলেছে, মমতাকে তোপ নিতিনের

    Parivartan Yatra: শিক্ষক থেকে পুর নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি! সর্বত্র তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তুলেছে, মমতাকে তোপ নিতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার (Parivartan Yatra) সূচনা হয়েছে। কোচবিহারে সূচনা করেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অপর দিকে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সূচনা করেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এই যাত্রার সূচনা পর্বে ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    মানুষের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে (Parivartan Yatra)

    পরিবর্তন যাত্রা (Parivartan Yatra) কোচবিহার থেকে শুরু হয়ে ৫০০০ কিমি পথ অতক্রম করবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের অনুপ্রবেশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, “মমতার সরকার দুর্নীতি, হপ্তা তোলা আর অনুপ্রবেশকারীদের উপর ভর করে চলছে। বাংলার মানুষের প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। এতদিন মানুষের বাড়িতে শুধু প্রতিশ্রুতি আর অহংকারই পৌঁছেছে। এ বার পৌঁছবে বিশ্বাস ও পরিবর্তনের বার্তা। দিদি, আপনার মমতা অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি, বাংলার মানুষের প্রতি নয়। এই আচরণ আর চলবে না। এ বার বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার গড়ে উন্নয়নের রথ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এই মাটির ঐতিহ্য দুর্নীতির সঙ্গে যায় না। বাংলাকে আবার উন্নয়নের পথে ফেরাতে হবে। যেখানে আইটি হাব হওয়ার কথা ছিল, সেখানে দাদাগিরি চলছে।”

    মমতাকে আক্রমণ নবীনের

    মমতার সরকারকে নিশানা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, এসএসসি কেলেঙ্কারি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি— এমন কোনও ক্ষেত্র নেই যেখানে তৃণমূলের গুন্ডারা টাকা তোলেনি। আপনার আধ ডজন মন্ত্রী জেলে গিয়েছেন, তাঁরা কি তীর্থ করতে গিয়েছিলেন?” দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বিজেপি সভাপতির দাবি, “দেশের যত দুর্নীতিবাজ নেতা, তাঁদের সমর্থন পান আপনি !” নিতিন আরও বলেন, “মা-মাটি-মানুষের স্লোগান তুলে ক্ষমতায় এসেছেন, কিন্তু মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে পারেননি । উল্টে বলছেন, রাতে একা বেরোবেন না!” এর জবাবে মহিলাদের আরও বেশি করে সঙ্ঘবদ্ধভাবে প্রতিবাদ সংগঠিত করার আহ্বানও জানান তিনি ৷ হোলির উদাহরণ টেনে রাজনৈতিক ভবিষ্যদ্বাণীও করেছেন। “৪ মার্চ হোলি খেলব, আর বিধানসভা নির্বাচনের দিন বাংলায় হোলি খেলবেন বিজেপি কর্মীরা।”

    বিজেপি সরকার গড়লে ‘জঙ্গলরাজ’ শেষ হবে

    পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার (Parivartan Yatra) সূচনা মঞ্চ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২০২৬–এর বিধানসভা নির্বাচনে পরিবর্তন আনতেই হবে। বিজেপির বর্তমান ভোটের সঙ্গে আর মাত্র ৫ শতাংশ ভোট যোগ হলেই সরকার গড়া সম্ভব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তা, আবাসন থেকে শুরু করে নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি থেকে মুক্ত করে বিজেপি সরকার গড়লে ‘জঙ্গলরাজ’ শেষ হবে।” অপর দিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “দিল্লি থেকে একটি ইঞ্জিন টান দেবে, আর রাজ্য থেকে আরেকটি ইঞ্জিন ঠেলা দেবে—তাহলেই বাংলার উন্নয়ন দ্রুত হবে। কেন্দ্রের পাঠানো উন্নয়নমূলক প্রকল্পের টাকা রাজ্যে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি।”

    মনীষী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি দিয়ে যাত্রা শুরু

    রবিবারের সভায় বাংলার মনীষী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি দিয়ে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করা হয়। ১৯৯১ সালে গড়বেতায় যে সব বিজেপি কর্মীদের হত্যা কড়া হয়েছিল তাঁদের ছবি টাঙিয়ে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই বিজেপির এই যাত্রার (Parivartan Yatra) কথা জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। অপর দিকে বিজেপির এদিনের সভায় যোগদান করলেন কুড়মী সংগঠনের সভাপতি রাজেশ মাহাতো। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজে বিজেপির পতাকা তুলে দেন। রাজেশ বলেন, “আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি এবং দাবিপত্র জমা দিয়েছি। আশা করি দাবি পূরণ হবে।”

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলাই লক্ষ্য

    বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাধিক শীর্ষ নেতা অংশ নেবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গডকরি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবিশ প্রমুখ। রাজ্য বিজেপির  দাবি, এই যাত্রার মাধ্যমে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। রাজ্যের ন’টি আলাদা জায়গা থেকে ন’টি পৃথক র‍্যালি বেরোচ্ছে। তবে ৩ ও ৪ মার্চ ‘দোল যাত্রা’ এবং হোলির কারণে কোনও কর্মসূচি রাখা হয়নি। ৫ মার্চ থেকে আবার যাত্রা শুরু হবে এবং ধাপে ধাপে রাজ্যের সব ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রকে কভার করা হবে। বিজেপির এক রাজ্য কমিটির সদস্য জানিয়েছেন, “১৫ মার্চ ব্রিগেডের জনসভা দিয়েই পরিবর্তন যাত্রার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে, যদিও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে শেষ মুহূর্তে সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।”

  • Ramakrishna 593: “স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল, মনে করলে, মুখে জল সরে, আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না”

    Ramakrishna 593: “স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল, মনে করলে, মুখে জল সরে, আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    ডাক্তার—আবার এমন ঔষধ আছে, যাতে বুকে হাঁটু দিতে হয় না। যেমন হোমিওপ্যাথিক।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— উত্তম বৈদ্য বুকে হাঁটু দিলে কোন ভয় নাই।

    “বৈদ্যের মতো আচার্যও তিনপ্রকার। যিনি ধর্ম উপদেশ দিয়ে শিষ্যদের আর কোন খবর লন না, তিনি অধম আচার্য। যিনি শিষ্যদের মঙ্গলের জন্য তাদের বারবার বুঝান, যাতে উপদেশগুলি ধারণা করতে পারে, অনেক অনুনয় বিনয় করেন, ভালবাসা দেখান (Kathamrita)—তিনি মধ্যম আচার্য। আর যখন শিষ্যেরা কোনও মতে শুনছে না দেখে, কোনও আচার্য জোর পর্যন্ত করেন, তাঁকে বলি উত্তম আচার্য।”

    স্ত্রীলোক ও সন্ন্যাসী—সন্ন্যাসীর কঠিন নিয়ম

    (ডাক্তারের প্রতি)—“সন্ন্যাসীর পক্ষে কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ। স্ত্রীলোকের পট পর্যন্ত সন্ন্যাসী দেখবে না। স্ত্রীলোক কিরূপ জান? যেমন আচার তেঁতুল। মনে করলে, মুখে জল সরে। আচার তেঁতুল সম্মুখে আনতে হয় না।

    “কিন্তু এ-কথা আপনাদের পক্ষে নয়,—এ সন্নাসীর পক্ষে। আপনারা যতদূর পার স্ত্রীলোকের সঙ্গে অনাসক্ত হয়ে থাকবে। মাঝে মাঝে নির্জনে গিয়ে ঈশ্বরচিন্তা করবে। সেখানে যেন ওরা কেউ না থাকে। ঈশ্বরেতে বিশ্বাস ভক্তি এলে, অনেকটা অনাসক্ত হয়ে থাকতে পারবে। দুই-একটি ছেলে হলে স্ত্রী-পুরুষ দুইজনে ভাই-বোনের মতো থাকবে, আর ঈশ্বরকে সর্বদা প্রার্থনা করবে, যাতে ইন্দ্রিয় সুখেতে মন না যায়,—ছেলেপুলে আর না হয়।”

    গিরিশ (সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি) আপনি এখানে তিন-চার ঘণ্টা রয়েছেন; কই, রোগীদের চিকিৎসা করতে যাবেন না?

    ডাক্তার—আর ডাক্তারী আর রোগী! যে পরমহংস হয়েছে, আমার সব গেল! (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দেখ কর্মনাশা বলে একটি নদী আছে। সে নদীতে ডুব দেওয়া এক মহাবিপদ। কর্মনাশ হয়ে যায় — সে ব্যক্তি আর কোন কর্ম করতে পারে না। (ডাক্তার ও সকলের হাস্য)

    ডাক্তার (মাস্টার, গিরিশ ও অন্যান্য ভক্তদের প্রতি)—দেখ, আমি তোমাদেরই রইলুম। ব্যারামের জন্য যদি মনে কর, তাহলে নয়। তবে আপনার লোক বলে যদি মনে কর, তাহলে আমি তোমাদের।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি—একটি আছে অহৈতুকী ভক্তি। এটি যদি হয়, তাহলে খুব ভাল। প্রহ্লাদের অহৈতুকী ভক্তি ছিল। সেরূপ ভক্ত বলে, হে ঈশ্বর! আমি ধন, মান, দেহসুখ, এ-সব কিছুই চাই না। এই কর যেন তোমার পাদপদ্মে আমার শুদ্ধাভক্তি হয়।

    ডাক্তার—হাঁ, কালীতলায় লোকে প্রণাম করে থাকে দেখেছি; ভিতরে কেবল কামনা—আমার চাকরি করে দাও, আমার রোগ ভাল (Kathamrita) করে দাও,—এই সব।

  • Ayatollah Khameneis: আয়াতুল্লাহ খামেইনির মৃত্যুতে ইরানে উল্লাস, স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে রাজপথে নারীরা

    Ayatollah Khameneis: আয়াতুল্লাহ খামেইনির মৃত্যুতে ইরানে উল্লাস, স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে রাজপথে নারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা তথা সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো ইরান জুড়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দশক ধরে চলা কট্টর মুসলিম শাসনের অবসান ঘটার আশায় হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এসেছেন। বিশেষ করে ইরানের মহিলারা এই পরিবর্তনকে তাঁদের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

    দেশজুড়ে উদযাপন (Ayatollah Khameneis)

    শিয়া ধর্মগুরু খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যুকে ঘিরে তেহরান-সহ ইরানের প্রধান শহরগুলিতে মানুষ আতশবাজি ফাটিয়ে, মিষ্টি বিলি করে আনন্দ প্রকাশ করছেন। গত শনিবার মার্কিন ও ইজরায়েলি বিমান হামলায় খামেইনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই এই উল্লাস শুরু হয়। অনেক জায়গায় মানুষকে তাঁদের বাড়ির ছাদ থেকে “স্বৈরাচারী শাসকের পতন হোক” বলে স্লোগান দিতে শোনা গিয়েছে। ইতিমধ্যে খামেইনির ছবি, মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে।

    নারীদের প্রতিবাদ ও জয়

    ইরানের কারাজ, বেসাত, ফুলাদ, বোরাজ্জন, মামাসানিটে ক্ষেপণাস্ত্র এবং সামরিক হামলা হলেও নারীরা পতাকা নিয়ে মেতে উঠেছেন আনন্দে। এই উল্লাস উদযাপনের অগ্রভাগে রয়েছেন ইরানের সাধারণ নারীরা। অনেক নারী জনসমক্ষে তাঁদের হিজাব পুড়িয়ে, চুল কেটে দীর্ঘদিনের দমনমূলক আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ (Woman, Life, Freedom) স্লোগানটি আবারও তেহরানের রাস্তায় প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। তাঁদের মতে, খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যু মানে কয়েক দশকের লিঙ্গবৈষম্য ও নিপীড়নের সমাপ্তি।

    আর্ন্তজাতিক প্রতিক্রিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে, প্রবাসে থাকা ইরানিরাও লন্ডন, প্যারিস এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের রাস্তায় নেমে নেচে-গেয়ে আনন্দ করছেন। তাঁরা একে “ইরানের দ্বিতীয় জন্ম” হিসেবে অভিহিত করছেন।

    নিরাপত্তা বাহিনীর অবস্থান

    আমেরিকা এবং ইজরায়েল অপারেশন রোইয়ারিং লায়ন এবং অপারেশন এপিক ফিউড়ি নামে যৌথ অভিযান চালায়।  যদিও ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে, তবে অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভিড়ের সামনে তারা পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। কিছু কিছু সামরিক সদস্য সাধারণ মানুষের মিছিলে যোগ দিচ্ছেন বলেও সূত্রের খবর।

    ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খামেইনির এই আকস্মিক বিদায় ইরানে এক বিশাল ক্ষমতাশূন্যতা তৈরি করেছে। একদিকে যেমন গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের এই জোয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান একটি গণতান্ত্রিক ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের পথে পা বাড়াতে পারে। আয়াতুল্লাহ খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যু কেবল একটি রাজনৈতিক নেতার প্রস্থান নয়, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী ধর্মতান্ত্রিক শাসনের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের রাজপথ এখন পরিবর্তনের গানে মুখরিত, যেখানে সাধারণ মানুষ একটি নতুন ও মুক্ত ইরানের স্বপ্ন দেখছেন।

  • TMC Rajya Sabha: রাজ্যসভায় তৃণমূলের সমকামী প্রার্থীর মনোনয়ন, এই সিদ্ধান্ত ‘ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী’, বললেন মৌলানা রিজভী

    TMC Rajya Sabha: রাজ্যসভায় তৃণমূলের সমকামী প্রার্থীর মনোনয়ন, এই সিদ্ধান্ত ‘ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী’, বললেন মৌলানা রিজভী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) আসন্ন রাজ্যসভা (TMC Rajya Sabha) নির্বাচনের জন্য একজন সমকামী (Homosexual) মেনকা গোস্বামীকে মনোনীত করে টিকিট দেওয়ার পর রাজ্যে নতুন করে বিরাট রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিশিষ্ট মুসলিম ধর্মগুরু মৌলানা শাহাবুদ্দিন রিজভী।

    তৃণমূলের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত (TMC Rajya Sabha)

    তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Rajya Sabha) সম্প্রতি তাদের রাজ্যসভা প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে এমন একজন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যিনি প্রকাশ্যেই নিজের সমকামী পরিচয়ের কথা স্বীকার করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এই প্রথম কোনও প্রধান রাজনৈতিক দল উচ্চকক্ষে পাঠানোর জন্য এমন কোনও প্রার্থীকে বেছে নিল। আর এখানেই মুসলিম নেতাদের তীব্র আপত্তির সূত্রপাত। অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামায়াতের সভাপতি মৌলানা শাহাবুদ্দিন রিজভী এই মনোনয়নের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “সমকামিতা  (Homosexual) ইসলামি শরীয়ত এবং নৈতিক শিক্ষার সম্পূর্ণ বিরোধী। একজন সমকামীকে সংসদীয় প্রতিনিধি হিসেবে পাঠানো মুসলিম সমাজের মূল্যবোধে আঘাত করার শামিল। সমকামিতাকে উৎসাহ দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। মেনকা গোস্বামীর একজন মহিলা সঙ্গীও রয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিকোণে এই ভাবনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।”

    ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী

    মৌলানা রিজভী আরও উল্লেখ করে বলেন, “পবিত্র কুরআন এবং হাদিসে সমকামিতাকে (Homosexual) কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই আমি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (TMC Rajya Sabha)  কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানাই। এই পদক্ষেপ মুসলিম ভোটারদের মধ্যে ভুল বার্তা দেবে।”

    রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া

    এই মনোনয়ন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পক্ষ থেকেও কটাক্ষ করা হয়েছে। বিজেপি নেতাদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Rajya Sabha) তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে এখন এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে তারা ধর্মীয় অনুভূতি এবং সামাজিক ঐতিহ্য—উভয়কেই উপেক্ষা করছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি তারা প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক (inclusive) সমাজ গঠনে বিশ্বাসী।

    তৃণমূলের অবস্থান

    তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC Rajya Sabha) শীর্ষ নেতৃত্ব এই বিতর্কের জবাবে জানিয়েছে যে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবন বা যৌন পরিচয় তাঁর রাজনৈতিক যোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না। দল যোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করেছে। দল সব ধরণের বৈষম্যের বিরুদ্ধে।

    সামাজিক উত্তেজনা

    এই মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই ধরণের মত দেখা যাচ্ছে। একদল এই পদক্ষেপকে এলজিবিটিকিউ (LGBTQ+) সম্প্রদায়ের অধিকারের জয় হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলো একে সামাজিক অবক্ষয় হিসেবে চিহ্নিত করছেন। তবে মাওলানা রিজভি নানা সময়ে নানা ভাবে বিতর্কের জড়িয়েছেন। যেমন—২০২৫ সালের মহাকুম্ভের স্থান ওয়াকফ সম্পত্তি, ম্যাচের সময় শামির বিরুদ্ধে রোজ না পালন করায় সমালোচনা করেন। বেরেলির বিশ্বাসকে সমুদ্র আর দেওবন্দীদের শিয়া সম্প্রদায়কে নদী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ২০২৫ সালে নববর্ষ উদযাপনকে হারাম ঘোষণা করেছেন। নিজের গুণে নিজে কুখ্যাত হয়েছেন এই মুসলিম ধর্মগুরু।

    রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের (TMC Rajya Sabha) এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে। একদিকে প্রগতিশীল চিন্তাধারা (Homosexual) এবং অন্যদিকে ধর্মীয় অনুভূতির সংঘাত এই বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছে।

  • Pradhan Mantri Ujjwala Yojana: উত্তরপ্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবারের জন্য ১৫০০ কোটি টাকার এলপিজি ভর্তুকি ঘোষণা আদিত্যনাথের

    Pradhan Mantri Ujjwala Yojana: উত্তরপ্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবারের জন্য ১৫০০ কোটি টাকার এলপিজি ভর্তুকি ঘোষণা আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) হোলি উৎসবের প্রাক্কালে রাজ্যের দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলির জন্য একটি বড় উপহার ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) আওতায় থাকা ১.৮৬ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী পরিবারকে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার দেওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার ১৫০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বরাদ্দ করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় রাজ্যের মহিলা মহলে খুশির জোয়ার।

    জনকল্যাণকর পদক্ষেপ

    উত্তরপ্রদেশ সরকার ঘোষণা করেছে, রাজ্যের ১.৮৬ কোটি উজ্জ্বলা যোজনার কার্ডধারী পরিবার এই হোলিতে একটি করে বিনামূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) পাবে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ১৫৪৭.৪৮ কোটি টাকা সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের (DBT) প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় ভারতজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবার গ্যাস সংযোগ পেয়েছে, যার মধ্যে কেবল উত্তর প্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবার রয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, “মহামারী বহু বছর আগে শেষ হয়ে গেলেও, দেশব্যাপী ৮০ কোটি নাগরিক বিনামূল্যে রেশন সহায়তা পাচ্ছেন, যার মধ্যে উত্তরপ্রদেশে ১৫ কোটি সুবিধাভোগীও রয়েছেন। একইভাবে, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার আওতায় যোগ্য পরিবারগুলি বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কভারেজ পায়। ৭০ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক এবং শিক্ষা খাতের কর্মীদের জন্য বর্ধিত সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ

    ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহারে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, প্রতি বছর হোলি এবং দীপাবলিতে উজ্জ্বলা যোজনার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) সুবিধাভোগীদের দুটি করে বিনামূল্যে সিলিন্ডার দেওয়া হবে। যোগী (Yogi Adityanath) সরকার সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

    সরাসরি সুবিধা প্রদান (DBT)

    সুবিধাভোগীরা প্রথমে সিলিন্ডারটি কিনবেন এবং পরবর্তীতে সেই সিলিন্ডারের সম্পূর্ণ অর্থ সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া হবে। এর ফলে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং মাঝপথে কোনও দুর্নীতির সুযোগ থাকবে না। অন্যদিকে, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য রাজ্যব্যাপী জরায়ুমুখ ক্যান্সার টিকাকরণ অভিযান শুরু করেছেন, যার লক্ষ্য প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কভারেজ সম্প্রসারণ করা। মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে টিকার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং সুবিধাভোগীদের জন্য বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

    বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, মাতৃ বন্দনা যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী কন্যা সুমঙ্গলা যোজনা এবং মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক বিবাহ যোজনার মতো স্কিমগুলি বিবাহের মাধ্যমে জন্ম থেকে মেয়ে ও মহিলাদের আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা দিয়ে চলেছে৷

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, “আমাদের সরকার দরিদ্র মানুষের জীবনের মান উন্নত করতে এবং উৎসবের আনন্দ সবার ঘরে পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ভর্তুকি (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) কোটি কোটি মায়ের চোখে রান্নার ধোঁয়া থেকে মুক্তি দেবে এবং তাঁদের আর্থিক বোঝা কমাবে।”

    আগের রেকর্ড

    গত বছর দীপাবলির সময়ও যোগী সরকার একইভাবে ১.৭৫ কোটির বেশি পরিবারকে বিনামূল্যে সিলিন্ডার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) সরবরাহ করেছিল। চলতি বছরে সুবিধাভোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় বরাদ্দের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। যোগী আদিত্যনাথের এই সিদ্ধান্তে উত্তরপ্রদেশের গ্রামীণ এবং পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের মানুষের মধ্যে খুশির জোয়ার দেখা দিয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কোনও যোগ্য পরিবার এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয় এবং দ্রুত যেন টাকা অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়।

LinkedIn
Share