Author: suman-das

  • Ramakrishna 482: “এদের কি বাড়ি ঘর-দোর নাই? আর কাজকর্ম নাই? এরা আসে কেমন করে?”

    Ramakrishna 482: “এদের কি বাড়ি ঘর-দোর নাই? আর কাজকর্ম নাই? এরা আসে কেমন করে?”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল
    কামিনী-কাঞ্চন ও তীব্র বৈরাগ্য

    “আর তোমার তো ছেলেপুলে নাই যে মন অন্যমনস্ক হবে। একজন ডেপুটি, আটশো টাকা মাইনে, কেশব সেনের বাড়িতে (নববৃন্দাবন) নাটক দেখতে গিছল। আমিও গিছলাম, আমার সঙ্গে রাখাল আরও কেউ কেউ গিছল। নাটক শুনবার জন্য আমি—যেখানে বসেছি তারা আমার পাশে বসেছে। রাখাল তখন একটু উঠে গিছল। ডেপুটি এসে ওইখানে বসল। আর তার ছোট ছেলেটিকে রাখালের জায়গায় বসালে। আমি বললুম, এখানে বসা হবে না,—আমার এমনি অবস্থা যে, কাছে যে বসবে সে যা বলবে তাই করতে হবে, তাই রাখালকে কাছে বসিয়েছিলাম। যতক্ষণ নাটক হল ডেপুটির কেবল ছেলের সঙ্গে কথা। শালা একবারও কি থিয়েটার দেখলে না! আবার শুনেছি নাকি মাগের দাস—ওঠ বললে ওঠে, বোস বললে বসে,—আবার একটা খাঁদা বানুরে ছেলের জন্য এই… তুমি ধ্যান-ট্যান তো কর?”

    মহেন্দ্র—আজ্ঞে, একটু একটু হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—যাবে এক-একবার?

    মহেন্দ্র (সহাস্যে)—আজ্ঞে, কোথায় গাঁট-টাঁট আছে আপনি জানেন,—আপনি দেখবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—আগে যেও।—তবে তো টিপে-টুপে দেখব, কোথায় কি গাঁটি আছে! যাও না কেন?

    মহেন্দ্র—কাজকর্মের ভিড়ে আসতে পারি না,—আবার কেদেটির বাড়ি মাঝে মাঝে দেখতে হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদের দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করিয়া, মহেন্দ্রের প্রতি)—এদের কি বাড়ি ঘর-দোর নাই? আর কাজকর্ম নাই? এরা আসে কেমন করে?

    হরি—আজ্ঞা, না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তবে কেন ভুলে গেলি?

    হরি—আজ্ঞা, অসুখ করেছিল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদের)—কাহিল হয়ে গেছে,—ওর ভক্তি তো কম নয়, ভক্তির চোট দেখে কে! উৎপেতে ভক্তি। (হাস্য)

    ঠাকুর একটি ভক্তের পরিবারকে ‘হাবীর মা’ বলতেন। হাবীর মার ভাই আসিয়াছে, কলেজে পড়ে, বয়স আন্দাজ কুড়ি। তিনি ব্যাট খেলিতে যাইবেন,—গাত্রোত্থান করিলেন। ছোট ভাইও ঠাকুরের ভক্ত, সেই সঙ্গে গমন করিলেন। কিয়ৎ পরে দ্বিজ ফিরিয়া আসিলে ঠাকুর বলিলেন, “তুই গেলিনি?”

    একজন ভক্ত বলিলেন, “উনি গান শুনিবেন তাই বুঝি ফিরে এলেন।”

    আজ ব্রাহ্মভক্ত শ্রীযুক্ত ত্রৈলোক্যের গান হইবে। পল্টু আসিয়া উপস্থিত। ঠাকুর বলিতেছেন, কে রে,—পল্টু যে রে!

  • Gujarat: গুজরাট মন্ত্রিসভায় বিরাট রদবদল, বহু নতুন মুখ, মন্ত্রী হলেন ক্রিকেটার জাডেজার স্ত্রী

    Gujarat: গুজরাট মন্ত্রিসভায় বিরাট রদবদল, বহু নতুন মুখ, মন্ত্রী হলেন ক্রিকেটার জাডেজার স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে (Gujarat) বিজেপি সরকারের বড়সড় প্রশাসনিক রদবদলে ২৬ জন নতুন মন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেছে। মন্ত্রী পদে একাধিক নতুন মুখ উঠে এসেছে। যার মধ্যে বিশেষ চমক রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটার রবীন্দ্র জাদেজার স্ত্রী রিভাবা জাদেজা। তবে মন্ত্রীপরিষদে এই রদবদলের আগে মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল (Bhupendra Patel) ছাড়া বাকি সমস্ত মন্ত্রীকে ইস্তফাপত্র দিতে হয়েছিল। ২০২৭ সালে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এক কৌশলগত রণনীতির প্রয়োগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই লাগাতার গুজরাটে একক ভাবে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। তাই আগামী নির্বাচনে বিজেপির জয়কে আরও সুনিশ্চিত করতে আড়াই বছরের মাথায় এই রদবদল বিরাট ইঙ্গিত দেবে বলে মনে করেছে রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহল।

    ২৬ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেছেন (Gujarat)

    বৃহস্পতিবার গুজরাট (Gujarat) বিজেপির এক প্রবীণ বিজেপি নেতা সাংবাদিক সম্মলেন করে জানিয়েছিলেন, দুপুরের মধ্যে সমস্ত মন্ত্রীরা পদত্যাগপত্র দেবেন। সেই মতোই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে দফতরও খালি করাও হয়েছিল। এরপর মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল (Bhupendra Patel) রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং নতুন মন্ত্রিসভার নাম সহ তালিকা জমা করেছিলেন। শুক্রবার আনুষ্ঠানিক ভাবে গুজরাটের নতুন উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হর্ষ সাংভি শপথ গ্রহণ করেন।

    নতুন মন্ত্রীসভায় ভুপেন্দ্রের নেতৃত্বে মোট ২৬ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেছেন। মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ত্রিকম বিজলি ছাঙ্গা, স্বরূপজি সরদারজি ঠাকোর, প্রভেণকুমার মালি, রুষিকেশ গণেশভাই প্যাটেল, পিসি বারাণ্ডা, দর্শনা এম ভাগেলা, কান্তারতালাল শিবলাল আমরুতিয়া, কুন্বরজি মোহনভাই বাভালিয়া, রিভাবা রবীন্দ্রসিনহ্ জাদেজা, অর্জুনভাই দেবাভাই মোঢ ভাডিয়া, ড. প্রদ্যুমান বাজা, কৌশিক কান্তিভাই ভেজারিয়া, পুরুষোত্তম ও. সোলাঙ্কি এবং জিতেন্দ্রভাই সাভজিভাই ভাগানি।

    এছাড়াও মন্ত্রী সভায় রয়েছেন রামনভাই ভিখাভাই সোলাঙ্কি, কামলেশভাই রমেশভাই প্যাটেল, সঞ্জয়সিনহ্ রাজয়সিনহ্ মাহিদা, রমেশভাই ভুরাভাই কাটারা, মনীষা রাজীবভাই ভাকিল, ঈশ্বরসিনহ্ ঠাকোরভাই প্যাটেল, প্রফুল পন্সেরিয়া, হর্ষ সাংঘভি (উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন), ড. জয়রামভাই চেমাভাই গামিত, নরেশভাই মাগনভাই প্যাটেল এবং কানুভাই মোহনলাল দেশাই। ১৮২ বিধানসভা আসনবিশিষ্ট গুজরাটের সর্বোচ্চ ২৭ জনকে মন্ত্রী করা যায়। আগের মন্ত্রীসভায় মোট ১৭ জন সদস্য ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও আটজন পূর্ণমন্ত্রী এবং আটজন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এইবারে সংখ্যাটা বৃদ্ধি হওয়ায় একে সম্প্রসারণই বলা যায়।

    ফের ২০২৭ সালে ক্ষমতায়নের লক্ষ্য

    নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে জাতি ভিত্তিক অঙ্ককেও মাথায় রেখে সমীকরণ করা হয়েছে। গুজরাটের (Gujarat) নতুন মন্ত্রীসভায় আটজন সদস্য ওবিসি তালিকা ভুক্ত। যার মধ্যে ছয়জন গুজরাটের প্রভাবশালী পাটিদারগোষ্ঠীর মানুষ। চারজন আদিবাসী সম্প্রদায় ভুক্ত, তিনজন তফশিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ। মন্ত্রীদের মধ্যে দুজন ক্ষত্রিয় সম্প্রদায়, একজন ব্রাহ্মণ আর একজন জৈন। গুজরাট বিজেপির পর্যবেক্ষকদের অবশ্য মত নতুন মন্ত্রীসভা গঠনে দল আরও মজবুত হবে। দলের সাংগঠনিক কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে। সরকারের নানা জনমুখী প্রকল্পের বাস্তবায়ন আরও দ্রুত হবে। রাজনৈতিক, প্রশাসনিক এবং সাংগঠনিক ভাবে বিজেপির শক্তিকে ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে আরও সুদূরপ্রসারী করতেই দলের এই সিদ্ধান্ত বলে বলে মনে করেছেন বিশেজ্ঞরা।

    রাজনৈতিক ওঠা-পড়া

    গুজরাটে (Gujarat) বিজেপির সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিক রদবদল অবশ্য নতুন কিছু নয়। আগেও একাধিকবার পট পরিবর্তন হয়েছে। ২০১৪ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব গ্রহণের পর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন আনন্দীবেন প্যাটেল। তিনি অবশ্য পরবর্তী সময়ে উত্তর প্রদেশের রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত হন। কিন্তু ২০১৬ সালের অগাস্ট মাসেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে পদত্যাগপত্র দিলে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেন বিজয় রুপাণী। বিজয়ের নেতৃত্বে সেই বছর বিধানসভা নির্বাচন লড়ে বিজেপি। কিন্তু বিজয়কে ২০২১ সালে দলের নির্দেশে নির্বাচনের আগেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয়। পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হন ভুপেন্দ্র প্যাটেল (Bhupendra Patel) এবং তাঁর নেতৃত্বে ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় আসে। ২০২৭ সালের গুজরাট নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বিজেপির এই রণকৌশল আরও সাফল্য অর্জন করবে বলে আত্মবিশ্বাসী বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।

  • Suvendu Adhikari: এসএইআর করতে না দিলে বাংলায় হবে রাষ্ট্রপতি শাসন”, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এসএইআর করতে না দিলে বাংলায় হবে রাষ্ট্রপতি শাসন”, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসএইআর করতে না দিলে বাংলায় হবে রাষ্ট্রপতি শাসন”, মমতা সরকারের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে ঠিক এইভাবেই আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নাগরাকাটায় বন্যাবিধস্থ এলাকায় ত্রাণ পরিষেবা দিতে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য নাগরাকাটায় বন্যাকবলিত মানুষকে ত্রাণ দিতে গিয়ে মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দ্বারা মারত্মাক ভাবে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এরপর থেকেই বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে।

    বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা এবং ভূতুড়ে ভোটার বাদ (Suvendu Adhikari)

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী নাগরাকাটায় গিয়ে বলেন, “বাংলায় এসএইআর করতে না দিলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে। নিবিড় সংশোধন হলে তালিকা থেকে বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা এবং ভূতুড়ে ভোটারদের নাম বাদ যাবে। তবে এক্ষেত্রে ভারতীয় মুসলমানদের নাম বাদ যাবে না। ছাব্বিশে বিজেপি ক্ষামতায় এসে সরকার গড়বে, তারপর বদলাও হবে এবং বদলও হবে।” এদিন এলাকায় ধিক্কার মিছিল করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, “২৬ সালে হলেই সুদে আসলে বদলা হবে। কালী পুজোর পরই বামনডাঙায় অভিযান হবে। সবে তো ট্রেলার দেখিয়েছি, এরপর সিনেমা দেখাব।”

    সময় শেষ হওয়ার আগেই মমতা সরকারের পতন?

    ভোটার তালিকায় সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং মমতা সরকারের নানা স্তরের সংঘাত নজরে এসেছে। এসআইআর নিয়ে খোদ মমতা (Mamata Banerjee) একাধিকবার সোচ্চার হয়েছেন। গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের একাধিক আধিকারিকরা বৈঠক করে সবরকম প্রস্তুতি করে গিয়েছেন। কালীপুজোর পর থেকেই রাজ্যে এসআইআর কাজ শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু যদি রাজ্য সরকার নির্বাচন কমিশনের কাজে বাঁধা প্রধান করে তাহলে সেই ক্ষেত্রে রাজ্যে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে। আর তা যদি আরও প্রকটরূপ ধারণ করে তাহলে সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারিও হয়ে যেতে পারে। ফলে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই মমতা সরকারের পতন হয় কিনা তাই এখন দেখার।

  • AI Curriculum: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই তৃতীয় শ্রেণির স্কুল পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    AI Curriculum: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই তৃতীয় শ্রেণির স্কুল পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-২৭ সালের শিক্ষাবর্ষে তৃতীয় শ্রেণির স্কুল পাঠ্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Curriculum) বা এআই চালু করবে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই পাঠ্যক্রম চালু করা হবে। ইতিমধ্যে সিবিএসই এক কোটির বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্কুলের কাঠামো নির্মাণের ভাবনাচিন্তাকে সম্প্রসারিত করার লক্ষ্য মাত্রা স্থির করেছে। পরিচালনা ব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সাক্ষরতা প্রদান বিষয় বর্তমান প্রজন্মের কাছে কতটা প্রয়োজনীয় সেই দিকগুলিকেই সামনে রেখে বিস্তৃত ভাবে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক (School Education)।

    ১ কোটি শিক্ষককে বিশেষ প্রশিক্ষণ (AI Curriculum)

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে বিকশত ভারত হতে গেলে সমস্ত প্রযুক্তি এবং টেকনোলজিকে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Curriculum) একটি উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তি। এআই ছাড়া কোনও ভাবেই নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তির শিক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ভবিষ্যতের কথা ভেবে ভারতকে বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শিক্ষা দিতেই হবে। কেন্দ্রীয় স্কুল সচিব সঞ্জয় কুমার বলেন, “কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে এআই সম্পর্কে পড়াশুনার একটি পরিমণ্ডল তৈরি করতে চলেছে। দেশের মোট ১ কোটি শিক্ষককে এই সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং তাকে কীভাবে জানা যাবে, শিক্ষার জন্য কোন কোন দক্ষতা থাকবে ইত্যাদি, সমস্ত বিষয়ের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশের বেশিরভাগ শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এই প্রযুক্তির শিক্ষাকে দ্রুত ছড়িয়ে দিতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। আমাদের পদক্ষেপ এমন থাকবে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা (School Education) যেন আগামী ২-৩ বছরের মধ্যেই এই প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেরা সামাঞ্জ্যপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করতে পারেন।”

    ১৮০০০০- এর বেশি সিবিএসই স্কুলে পাঠ

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI Curriculum) জন্য আগে প্রয়োজন উপযুক্ত শিক্ষকের। শিক্ষকদের সঠিক পাঠ দিতে ইতিমধ্যেই ‘পাইলট প্রোজেক্ট’-এর কথা ভাবা হয়েছে। এই পর্যায় সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য প্রস্তুত করতে হবে। ১.৮ লক্ষের বেশি সিবিএসই স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১৫ ঘণ্টার বিশেষ মডিউল ঠিক করা হয়েছে। একই ভাবে আবার নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত এআইকে ঐচ্ছিক বিষয় করে রাখা হয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে ইন্টেল, আইবিএম এবং ন্যাশনাল ইনস্টিউট অফ ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি এর সহায়তায় ১০ হাজারের বেশি শিক্ষককে প্রশিক্ষণের কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডিউলে শিক্ষার্থী ভর্তির হার তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়ছে। নবম-দশম শ্রেণিতে ৭.৯ লক্ষ এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ৫০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীরা এআইকে বেছে নিয়েছে। তবে শিক্ষাবিদদের মতে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় মৌলিক সাক্ষরতা (School Education) বিষয়েও এআই দারুণ ভাবে কার্যকর হবে।

    ৮ মিলিয়ন কর্মসংস্থান বৃদ্ধি

    এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI Curriculum) নীতিটি জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সকল স্কুল পাঠ্যক্রমের মধ্যে এআই এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) এর মতো উদীয়মান প্রযুক্তিগুলিকে একীভূত করার ভাবনাকে একই সংযোজন করে রাখা হয়েছে। শুধু পড়াশুনাই নয় এআই অপর দিকে চাকরি বা ব্যবহারিক প্রয়োগের উপর নির্ভর করে পাঠ্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রের নীতি আয়োগের একটি প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জরুরি প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে এআইকে তুলে ধরা হয়েছে। নীতি আয়োগের সিইও বিভিআর সুব্রহ্মণ্যম সতর্ক করে বলেছেন, “কৌশলগত ভাবে প্রযুক্তির সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার না দেওয়া হলে ভারতের ৭.৫ মিলিয়ন আইটি কর্মী ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ মিলিয়নে নেমে আসবে। এআই কাজ, কর্মী এবং কর্মক্ষেত্রে বিরাট পরিবর্তন করে দিয়েছে। প্রায় দুই মিলিয়ন প্রথাগত বা ঐতিহ্যবাহী কাজের পরি সমাপ্তি ঘটতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে কর্মেরচ্যুতিও। তবে আমরা যদি সঠিক ভাবে পরিকাঠামো গড়তে পারি তাহলে ৮ মিলিয়ন নতুন কর্ম ক্ষমতাকে বৃদ্ধি ঘটাতে পারি।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেবল ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবেই থাকবে না। মৌলিক পাঠেও এই এআইকে রাখা হবে। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে এখনই যদি শিক্ষা বা জ্ঞান অর্জন না করা যায় তাহলে ২০৩৫ সালের মধ্যে যে সব পড়ুয়ারা স্নাতক হবেন তাঁদের জন্য সবথেকে বেশি অসুবিধা হবে। তাই সময় এবং যুগের চাহিদাকে মাথায় রেখে প্রযুক্তি এবং কৌশলকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়া একান্ত আবশ্যক বলে মনে করে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক (School Education)।

  • Ramakrishna 481: “মহেন্দ্র গৌরবর্ণ ও সদা হাস্যমুখ, শরীর দোহারা, মহেন্দ্র ভূমিষ্ঠ হইয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন”

    Ramakrishna 481: “মহেন্দ্র গৌরবর্ণ ও সদা হাস্যমুখ, শরীর দোহারা, মহেন্দ্র ভূমিষ্ঠ হইয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল

    কামিনী-কাঞ্চন ও তীব্র বৈরাগ্য

    এই কথা বলিতে বলিতে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের আবার ভাবাবেশের উপক্রম হইতেছে। হঠাৎ আপনা-আপনি বলিতেছেন, “সংহারমূর্তি কালী!—না নিত্যকালী!”

    ঠাকুর অতি কষ্টে ভাব সম্বরণ করিলেন। এইবার একটু জলপান করিলেন। যশোদার কথা আবার বলিতে যাইতেছেন, শ্রীযুক্ত মহেন্দ্র মুখুজ্জে আসিয়া উপস্থিত। ইনি ও ইঁহার কনিষ্ঠ শ্রীযুক্ত প্রিয় মুখুজ্জে ঠাকুরের কাছে নূতন যাওয়া-আসা করিতেছেন। মহেন্দ্রের ময়দার কল ও অন্যান্য ব্যবসা আছে। তাঁহার ভ্রাতা ইঞ্জিনিয়ারের কাজ করিতেন। ইঁহাদের কাজকর্ম লোকজনে দেখে, নিজেদের খুব অবসর আছে। মহেন্দ্রের বয়স ৩৬। ৩৭ হইবে, ভ্রাতার বয়স আন্দাজ ৩৪।৩৫। ইঁহাদের বাটী কেদেটি গ্রামে। কলিকাতা বাগবাজারেও একটি বসতবাটী আছে। তাঁহাদের সঙ্গে একটি ছোকরা ভক্ত আসা-যাওয়া করেন, তাঁহার নাম হরি। তাঁহার বিবাহ হইয়াছে; কিন্তু ঠাকুরের উপর বড় ভক্তি। মহেন্দ্র অনেকদিন দক্ষিণেশ্বরে যান নাই। হরিও যান নাই, আজ আসিয়াছেন। মহেন্দ্র গৌরবর্ণ ও সদা হাস্যমুখ, শরীর দোহারা। মহেন্দ্র ভূমিষ্ঠ হইয়া ঠাকুরকে প্রণাম করিলেন। হরিও প্রণাম করিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কেন এতদিন দক্ষিণেশ্বরে যাওনি গো?

    মহেন্দ্র—আজ্ঞা, কেদেটিতে গিছলাম, কলকাতায় ছিলাম না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—কিগো ছেলেপুলে নাই,—কারু চাকরি করতে হয় না,—তবুও অবসর নাই! ভাল জ্বালা!

    ভক্তেরা সকলে চুপ করিয়া আছেন। মহেন্দ্র একটু অপ্রস্তুত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মহেন্দ্রের প্রতি)—তোমায় বলি কেন,—তুমি সরল, উদার—তোমার ঈশ্বরে ভক্তি আছে।

    মহেন্দ্র—আজ্ঞে, আপনি আমার ভালোর জন্যই বলেছেন।

    বিষয়ী ও টাকাওয়ালা সাধু—সন্তানের মায়া 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—আর এখানকার যাত্রায় প্যালা দিতে হয় না। যদুর মা তাই বলে, ‘অন্য সাধু কেবল দাও দাও করে; বাবা, তোমার উটি নাই’। বিষয়ী লোকের টাকা খরচ হলে বিরক্ত হয়।

    “এক জায়গায় যাত্রা হচ্ছিল। একজন লোকের বসে শোনবার ভারী ইচ্ছা। কিন্তু সে উঁকি মেরে দেখলে যে আসরে প্যালা পড়ছে, তখন সেখান থেকে আস্তে আস্তে পালিয়ে গেল। আর-এক জায়গায় যাত্রা হচ্ছিল, সেই জায়গায় গেল। সন্ধান করে জানতে পারলে যে এখানে কেউ প্যালা দেবে না। ভারী ভিড় হয়েছে। সে দুই হাতে কুনুই দিয়ে ভিড় ঠেলে ঠেলে আসরে গিয়ে উপস্থিত। আসরে ভাল করে বসে গোঁপে চাড়া দিয়ে শুনতে লাগল। (হাস্য)

  • NCS Portal: বার্ষিক ২.৫ লক্ষ চাকরি দিতে জোম্যাটোর সঙ্গে চুক্তি কেন্দ্রের

    NCS Portal: বার্ষিক ২.৫ লক্ষ চাকরি দিতে জোম্যাটোর সঙ্গে চুক্তি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনসিএস পোর্টালের (NCS Portal) মাধ্যমে বার্ষিক ২.৫ লক্ষ চাকরি তৈরি করতে জোম্যাটোর সাথে ভারত সরকার চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ২০১৫ সালে এই পোর্টাল চালু হয়েছিল। আর সেই সময় থেকে কাজও শুরু করেছিল। ইতিমধ্যে ৭.৭ কোটির বেশি শূন্যপদে কর্মসংস্থান দিতে পারার কথা নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি। এবার চুক্তি করে পোর্টালের মাধ্যমে চাকরি প্রার্থী এবং নিয়োগকর্তাদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক।

    প্রযুক্তি এবং সক্ষম জীবিকার সুযোগ (NCS Portal)

    গত মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ভারত সরকারের অনলাইন খাদ্যবিতরণ প্ল্যাটফর্ম (NCS Portal) জোম্যাটোর (Zomato) সঙ্গে একটি চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির ফলে ন্যাশনাল কেরিয়ার সার্ভিস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নমনীয় এবং প্রযুক্তি-সক্ষম জীবিকার সুযোগগুলিকে আরও সহজ ও নির্ভরযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করা যাবে। ফলে আনুমানিক বছরে আড়াই লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয় বলেছেন, “এই চুক্তির ফলে পোর্টালে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আর্থিক পরিসরগুলির নানান দিকগুলিকে উন্মুক্ত করার পরিসরও খুলে যাবে। যুবক-যুবতী-মহিলাদেরও মর্যাদাসম্পন্ন প্রযুক্তি এবং সক্ষম জীবিকার মাধ্যমে সংযুক্ত করা যাবে। শুধু তাই নয় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে এই এনসিএস পোর্টাল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। লক্ষ লক্ষ কর্ম সংস্থান এবং জীবিকার সঙ্গে যুক্ত করতে আরও বেশি বেশি সুবিধা দেবে।”

    ভারত রোজগার যোজনার অন্তর্গত

    কেন্দ্রের শ্রম এবং কর্মসংস্থান বিষয়ের ভাবনাচিন্তাকে আরও প্রসারিত করে প্রতিমন্ত্রী শোভা কারান্দলাজে বলেন, “দেশের প্রতিটি সংগঠিত এবং অসংগঠিত শ্রমিকের জন্য সামাজিক সুরক্ষাকে আরও মজবুত করতেই এই পদক্ষেপ (NCS Portal)। এটি একটি যুগান্তকরী সিদ্ধান্ত হতে চলেছে। এই প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে পারলে বিকশিত ভারতের পথে দেশ আরও অগ্রসর হবে। ভারত রোজগার যোজনা এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গঠনে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত কার্যকর হবে। নতুন ‘অ্যাগ্রিগেটর’ বিভাগের অধীনে, জোম্যাটো এনসিএস পোর্টালে বার্ষিক প্রায় ২.৫ লক্ষ অতি সহজ জীবিকার সুযোগ তালিকাভুক্ত করবে। এই তালিকায় রয়েছে ডেলিভারি পার্টনার (Zomato) এবং গিগ কর্মীদের জন্য রিয়েল-টাইম আয়ের বিশেষ সুবিধা।

  • Bangladesh: ১৭ দিন পরেও বাংলাদেশে অপহৃত হিন্দু কিশোরী আদুরির খোঁজ মেলেনি, চরম উদ্বেগে মা!

    Bangladesh: ১৭ দিন পরেও বাংলাদেশে অপহৃত হিন্দু কিশোরী আদুরির খোঁজ মেলেনি, চরম উদ্বেগে মা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের ঘটনায় কার্যত ভয়ঙ্কর রূপ ধারন করেছে। এইবারের ঘটনা ঘটেছে গাইবান্ধা জেলার ঠেঙামারা এলাকায়। গ্রামের এক হিন্দু সম্প্রদায়ের (Hindu minority) অন্তর্গত এক পরিবার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আদুরির অপহরণের ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবার। অপহরণের পর ১৭ দিনের বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও খোঁজ মেলেনি আদুরির।  উদ্বেগ এবং দুশ্চিন্তায় পরিবারের মধ্যে তীব্র বেদনায় আচ্ছন্ন। মেয়ের মা চিন্তায় মৃত্যু পথযাত্রী। উল্লেখ্য গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দুহত্যাকাণ্ড ঘটে চলেছে। কট্টর মৌলবাদীরা দেশে চরম অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

    ১০ বছরের কিশোরী অপহরণ 

    স্কুল থেকে ফেরার সময় অপহরণ (Bangladesh) নিখোঁজ আদুরির (Bangladesh) পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১ অক্টোবর মাত্র ১০ বছরের কিশোরী যখন স্কুল থেকে ফিরছিল সেই সময় রাস্তা থেকেই হাত ধরে জোর করে অপহরণ করে শিবলু মিঞাঁ নামক এক দুষ্কৃতী। ঘটনা জানাজানি হতেই গ্রামবাসীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক ভাবে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ন্যায় বিচার চেয়ে অপরাধীর শাস্তি এবং মেয়েকে ফিরিয়ে আনার জন্য জোরালো দাবি শুরু করেন। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালীরা সাময়িক বিচার-সালিশের ব্যবস্থা করে দ্রুত ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিলেও আদুরিকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আর তাতেই চরম আতঙ্কে পরিবার।

    মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন মা

    আদুরির পরিবার অগত্যা স্থানীয় (Bangladesh) থানায় মামলা দায়ের করে। তবে মামলা দায়ের করার পরও কোনও রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি পুলিশ। সূত্রের খবর মূল অভিযুক্ত এবং অনুগামীরা এখনও পলাতক। তবে স্থানীয়দের দাবি প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা প্রশ্রয় দিয়ে ছত্রছায়ায় রেখেছেন। ফলে প্রশাসন এবং পুলিশও ধরপাকড় করতে পারছে না। প্রশাসন এবং পুলিশ দুই-ই রাজনৈতিক নেতাদের কারণে নিষ্ক্রিয়। অপরে নির্যাতিতার পরিবারও মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, মা মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন। কথা বলা এবং খাওয়া দাওয়া এক প্রকার ছেড়েই দিয়েছেন। যদিও বা মা কথা বলেন, তখন শুধু দিনরাত কেবল মেয়ের (Hindu minority) নাম ধরেই ডাকাডাকি করেন।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ঘটনা

    তবে গাইবান্ধার (Bangladesh) এই ঘটনা কোনও বিছিন্ন ঘটনা নয়। একাধিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, অপহরণ, খুনের ঘটনা এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ঘটনা গত এক বছরে ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ জন করে নারী বাংলাদেশে অপহরণ, ধর্ষণ, এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত হওয়ার মতো ঘটনার শিকার হচ্ছে। বর্তমানে অস্থায়ী সরকারের উপদেষ্টারা অবশ্য এই ঘটনাগুলি নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। কারণ হিন্দু নির্যাতন (Hindu minority) নিয়ে তাঁদের প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলেরই একাংশ।

  • Ramakrishna 480: “যশোদা বললেন, মা, আর কি লব? তবে এই বল, যেন কায়মনোবাক্যে কৃষ্ণেরই সেবা করতে পারি”

    Ramakrishna 480: “যশোদা বললেন, মা, আর কি লব? তবে এই বল, যেন কায়মনোবাক্যে কৃষ্ণেরই সেবা করতে পারি”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল
    সত্যকথা কলির তপস্যা — ঈশ্বরকোটি ও জীবকোটি

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—অবতার বা অবতারের অংশ, এদের বলে ঈশ্বরকোটি আর সাধারণ লোকদের বলে জীব বা জীবকোটি। যারা জীবকোটি তারা সাধনা করে ঈশ্বরলাভ করতে পারে; তারা সমাধিস্থ হয়ে আর ফেরে না।

    “যারা ঈশ্বরকোটি—তারা যেমন রাজার বেটা; সাততলার চাবি তাদের হাতে। তারা সাততলায় উঠে যায়, আবার ইচ্ছামতো নেমে আসতে পারে। জীবকোটি যেমন ছোট কর্মচারী, সাততলা বাড়ির খানিকটা যেতে পারে ওই পর্যন্ত।”

    জ্ঞান ও ভক্তির সমন্বয় 

    “জনক জ্ঞানী, সাধন করে জ্ঞানলাভ করেছিল; শুকদেব জ্ঞানের মূর্তি।”

    গিরিশ—আহা!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সাধন করে শুকদেবের জ্ঞানলাভ করতে হয় নাই। নারদেরও শুকদেবের মতো ব্রহ্মজ্ঞান ছিল, কিন্তু ভক্তি নিয়ে ছিলেন—লোকশিক্ষার জন্য। প্রহ্লাদ কখনও সোঽহম্‌ ভাবে থাকতেন, কখনও দাসভাবে—সন্তানভাবে। হনুমানেরও ওই অবস্থা।

    “মনে করলে সকলেরই এই অবস্থা হয় না। কোনও বাঁশের বেশি খোল, কোনও বাঁশের ফুটো ছোট।”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল

    কামিনী-কাঞ্চন ও তীব্র বৈরাগ্য

    একজন ভক্ত—আপনার এ-সব ভাব নজিরের জন্য, তাহলে আমাদের কি করতে হবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ভগবানলাভ করতে হলে তীব্র বৈরাগ্য দরকার। যা ঈশ্বরের (Kathamrita) পথে বিরুদ্ধ বলে বোধ হবে তৎক্ষণাৎ ত্যাগ করতে হয়। পরে হবে বলে ফেলে রাখা উচিত নয়। কামিনী-কাঞ্চন ঈশ্বরের পথে বিরোধী; ও-থেকে মন সরিয়ে নিতে হবে।

    “ঢিমে তেতালা হলে হবে না। একজন গামছা কাঁধে স্নান করতে যাচ্ছে। পরিবার বললে, তুমি কোন কাজের নও, বয়স বাড়ছে, এখন এ-সব ত্যাগ করতে পারলে না। আমাকে ছেড়ে তুমি একদিনও থাকতে পার না। কিন্তু অমুক কেমন ত্যাগী!

    স্বামী—কেন, সে কি করেছে?

    পরিবার—তার ষোলজন মাগ, সে এক-একজন করে তাদের ত্যাগ করছে। তুমি কখনও ত্যাগ করতে পারবে না।

    স্বামী—এক-একজন করে ত্যাগ! ওরে খেপী, সে ত্যাগ করতে পারবে না। যে ত্যাগ করে সে কি একটু একটু করে ত্যাগ করে!

    পরিবার—(সহাস্যে) — তবু তোমার চেয়ে ভাল।

    স্বামী—খেপী, তুই বুঝিস না। তার কর্ম নয়, আমিই ত্যাগ করতে পারব, এই দ্যাখ্‌ আমি চললুম!

    “এর নাম তীব্র বৈরাগ্য। যাই বিবেক এল তৎক্ষণাৎ ত্যাগ করলে। গামছা কাঁধেই চলে গেল। সংসার গোছগাছ করতে এল না। বাড়ির দিকে একবার পেছন ফিরে চাইলেও না।

    “যে ত্যাগ করবে তার খুব মনের বল চাই। ডাকাত পড়ার ভাব। অ্যায়!!!—ডাকাতি করবার আগে যেমন ডাকাতেরা বলে মারো! লোটো! কাটো! (Kathamrita)

    “কি আর তোমরা করবে? তাঁতে ভক্তি, প্রেম লাভ করে দিন কাটানো। কৃষ্ণের অদর্শনে যশোদা পাগলের ন্যায় শ্রীমতীর কাছে গেলেন। শ্রীমতী তাঁর শোক দেখে আদ্যাশক্তিরূপে দেখা দিলেন। বললেন, মা, আমার কাছে বর নাও। যশোদা বললেন, মা, আর কি লব? তবে এই বল, যেন কায়মনোবাক্যে কৃষ্ণেরই (Ramakrishna) সেবা করতে পারি। এই চক্ষে তার ভক্তদর্শন,—যেখানে যেখানে তার লীলা, এই পা দিয়ে সেখানে যেতে পারি,—এই হাতে তার সেবা আর তার ভক্তসেবা,—সব ইন্দ্রিয়, যেন তারই কাজ করে।”

  • Suvendu Adhikari: “ছাব্বিশে বদল হলে সুদে আসলে আমরা বদল নেব”, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ছাব্বিশে বদল হলে সুদে আসলে আমরা বদল নেব”, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা উত্তর লোকসভার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর উপর হামলার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিলে একযোগে ময়দানে নেমেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করেছে রাজ্য বিজেপি। একই ভাবে রাজ্যে লাগাতার নারী নির্যাতনের মতো ঘটনার প্রতিবাদে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন সুকান্ত-শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    বদলাও হবে বদলও হবে (Suvendu Adhikari)

    বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর উপর হামলার বিরুদ্ধে তোপ দেগে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পুলিশকে একমাস সময় দিয়েছি। তার মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে হবে। না হলে বিজেপি ট্রিটমেন্ট করবে। নাগরাকাটার বুকেই ট্রিটমেন্ট হবে। বিজেপিকে মারধর করে ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে দেওয়া যাবে না।” একই সঙ্গে মিছিলের শেষে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “রাজ্যের নানা প্রান্তে রাজনৈতিক আক্রমণের শিকার হচ্ছে অনেকেই। এই সরকার সম্পূর্ণ ভাবে আদিবাসী বিরোধী সরকার। মিছিলের শেষ মানে আন্দোলনের শেষ নয়। বদলা চাইলে বদল করতে হবে। ছাব্বিশে বদল হলে সুদে আসলে আমরা বদল নেবো। বদলাও হবে বদলও হবে।”

    তির-ধনুক নিয়ে মিছিল বিজেপির

    বঙ্গ বিজেপির এসটি মোর্চার ডাকে প্রতিবাদ মিছিলে নেতৃত্বদেন বিরোধীদল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর পাশে স্বাভাবিক ভাবেই উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), রাহুল সিনহা, দীপক বর্মণ সহ আরও অনেকে। মহিলা নেত্রীদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তবে শারীরিক অসুস্থতার জন্য মিছিলে উপস্থিত ছিলেন না রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আদিবাসী সমাজের অস্ত্রকে মিছিলে প্রতীকী প্রতিবাদ রূপে ব্যবহার করতে দেখাও যায়। প্রত্যেক নেতানেত্রীর হাতে ছিল তির, ধনুক। জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা করে। এরপরেই রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। অভিযুক্তদের ছবি ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়। বিজেপির স্পষ্ট দাবি অভিযুক্তরা সকলেই তৃণমূলের নেতা। আর তাই তৃণমূলের অঙ্গুলি হেলনেই দুষ্কৃতীদের পাকড়াও করছে না পুলিশ।

  • Weather Update: চলতি মাসের শেষে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে বড় ঘূর্ণিঝড়! ফের কি ভিজবে রাজ্য?

    Weather Update: চলতি মাসের শেষে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে বড় ঘূর্ণিঝড়! ফের কি ভিজবে রাজ্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যে বর্ষার বিদায় আগেই ঘটেছে। তবে তবুও বর্ষা পিছু ছাড়ছে না। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে চলেছে। নিম্নচাপের জেরে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় (Weather Update) আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ানের অধীন একটি সংস্থা ওয়েদার ফোরকাস্টিং সিস্টেম জানিয়েছে, ২৫ অক্টোবর ভোর তিনটে নাগাদ দক্ষিণ আন্দামান সাগরে ইন্দিরা পয়েন্টের কাছে বঙ্গোপসাগরে একটি অতি শক্তিশালী নিম্নচাপ (Cyclone Update) তৈরি হবে। তাই চলতি মাসেই একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।

    রাতে বাতাসে ঠান্ডার আমেজ (Weather Update)

    দুর্গা পুজোর পর দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলার তাপমাত্রা (Weather Update) নামতে শুরু করেছে। কলকাতা, হাওড়া, মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলার সকাল এবং রাতে বাতাসে ঠান্ডার আমেজ দারুণ ভাবে বোঝা যাচ্ছে। তবে খুব একটা ভালো করে শীত এখনই পড়ছে না। অক্টোবরের শেষ এবং নভেম্বরের শুরুতে তাপমাত্রা আরও নামতে শুরু করবে বলে ইঙ্গিত করেছেন আবহাওয়াবিদদের একাংশ। উত্তরবঙ্গে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও দক্ষিণবঙ্গের আকাশ সম্পূর্ণ ভাবে পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে ধীরে ধীরে কুয়াশা দেখা যাবে। বিশেষ করে নদিয়া, মুর্শিদবাদ, বীরভূম, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ একাধিক এলাকায় কুয়াশার প্রভাব বেশি বেশি করে দেখা যাবে।

    কলকাতায় তাপমাত্রা কমছে

    গত কয়েকদিনের তাপমাত্রার (Weather Update) বিচার করলে দেখা যাবে, কলকাতার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে রয়েছে। সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে তা স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৭ ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা আবার স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৭ ডিগ্রি কম। তবে সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার তাপমাত্রার (Cyclone Update) পরিমাণ সামান্য কমেছে।

    ২৭-এ আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়

    ২৭ অক্টোবর সকালে তামিলনাড়ু উপকূলের কাছে আসবে নিম্নচাপের ঝড়। এরপর তামিলনাড়ু হয়ে পশ্চিম দিকে পুদুচেরি উপকূল বরাবর আরব সাগরের দিকে যেতে পারে। আবার তামিলনাড়ু উপকূল থেকে বঙ্গপোসাগর হয়ে অন্ধ্র প্রদেশ ওড়িশ্যা উপকূলের কাছেও আছড়ে পড়বে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের (Weather Update) গঠন এবং শক্তি সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভাবে না জানা পর্যন্ত নিশ্চিত করে এখনই কিছু বলা সম্ভবপর নয়।

LinkedIn
Share