Author: suman-das

  • Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    Governor CV Ananda Bose: মাত্র ৫ মিনিটেই রাজ্যপালের ভাষণ শেষ! শুভেন্দু বললেন, “কুর্ণিশ জানাই”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রীতি মেনে ভাষণ শুরু করলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই বক্তব্য শেষ করে দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। রাজ্যের বাজেট অধিবেশনে এমন ঘটনা নজির বিহীন। রাজ্যপাল বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জানিয়ে দেন, আর পড়বেন না। রাজ্য বিধানসভায় এই ঘটনা বেনজির। তবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যপালের সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল নিজের মেরুদণ্ড সোজা রেখে, সংবিধান এবং ভারত সরকারকে মর্যাদা দিয়ে যেটা করেছেন, তার জন্য হ্যাটস অফ টু গভর্নর অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে কুর্ণিশ জানাই।”

    পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান (Governor CV Ananda Bose)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) মমতা সরকারকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “সরকারের লেখা মিথ্যা ভাষণ পড়তে চাননি রাজ্যপাল। তামিলনাড়ুর পর বাংলাতেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছে। বিধানসভায় রাজ্যপাল লে করা মানেই ভাষণটি গ্রহণ করেননি।” জানা গিয়েছে রাজ্যপালের (Governor CV Ananda Bose) ভাষণের জন্য বরাদ্দ সময়ছিল প্রায় ৪৫ মিনিট। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে চার থেকে পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই থেমে যান। রাজ্য সরকারের দেওয়া ভাষণে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়েছে। তবে এই সব বক্ত্যব্যের পিছনে কোনো সঠিক তথ্য ছিল না। আর সেই কারণেই হয়তো রাজ্যপাল ভাষণের অংশ পাঠ করেননি।

    কথা অসত্য তাই পড়া যাবে না

    বিধানসভায় যখন রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণ পড়ে থেমে যান সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন ভাষণ পড়বেন না, রাজ্যপাল তখন নির্দিষ্ট লাইন তুলে ধরে বলেন এই কথা অসত্য, পড়া যাবে না। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অনুরোধ না শুনে বাইরে বেড়িয়ে যান রাজ্যপাল।

    এর বেশি আমি পড়ব না!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভাষণে লেখা ছিল, ‘দ্য ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হেল্ড আপ বাই দ্য সেন্টার ফর এ লং টাইম’ অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকার দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রেখেছে। উনি ঠিক এই জায়গাতেই থামেন এবং বলেন, ‘আই উইল নট রিড মোর’, এর বেশি আমি পড়ব না। এরপরই তিনি বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম করেন। রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose) ভাষণে রাজ্যের বকেয়া বা ঋণের বিষয়ে আপত্তি জানাননি। কিন্তু যখনই ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’-এর প্রসঙ্গ আসে, তখনই তিনি বেঁকে বসেন। এখানেই থেমে থাকেননি শুভেন্দু, তিনি আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার তো আগেই ৫০:৫০ অংশীদারিত্বে এই সেচ প্রকল্পটি করতে বলেছিল। শর্ত ছিল, জমি অধিগ্রহণের পর স্কিম পাঠাতে হবে। রাজ্য সরকার তো জমি অধিগ্রহণই করেনি। রাজ্যপাল কেন এমন একটি বিষয় পড়বেন, যার স্বপক্ষে কোনও ডকুমেন্ট রাজ্যের কাছে নেই? সরকার যা লিখে দেবে, তিনি কি তাই পড়তে বাধ্য?’’

  • Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের (Nabanna) আবেদন খারিজ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ জন অফিসারকে ট্রেনিংয়ে ডাকা হয়েছে। প্রত্যেক আধিকারিককেই নির্ধারিত সময়সূচি মেনে ব্রিফিং বৈঠকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্রিফিং বৈঠক ঘিরে কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই মোতাবেক রাজ্যের ২৪ আইএএস-আইপিএস অফিসারকে দিল্লি যেতে হল।

    বৈঠকে অংশগ্রহণ করতেই হচ্ছে (Nabanna)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্ধারিত ব্রিফিং বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে আগে জমা পড়া ছাড়ের আবেদন বিবেচনার পর তা বাতিল করা হয়েছে। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছিল তাঁদের নির্ধারিত দিন ও সময়ে বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে হবে।

    ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক

    পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের ২৫ জন সিনিয়র অফিসারকে কেন্দ্রীয় অবজারভার হিসেবে নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। ওই তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনা সহ ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক। এই সিদ্ধান্তকে পুর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছ নবান্ন কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল। এই আবেদনকে খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আইপিএস হৃষীকেশ মীনাকে বৈঠক ও প্রশিক্ষণপর্বে যোগ দিতে হবে না। ফলে, ২৫ জনের মধ্যে ২৪ জনকেই দিল্লি যেতে হচ্ছে।

    রাজ্যের আবেদন মানা সম্ভব নয়

    রাজ্যের অবশ্য দাবি ছিল, ভোটের মুখে প্রথম সারির প্রশাসনিক (Nabanna) আধিকারিকদের বৈঠকে পাঠানো হলে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই বিকল্প ১৭ জন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে হয়েছিল। কমিশন বুধবার স্পষ্ট করে জানিয়েছে এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও আবেদন মানা সম্ভব নয়। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছে তাঁদের নির্ধারিত দিন এবং সময়ে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করতেই হবে। কমিশনের নির্দেশ সকল আধিকারিকদের নজরে আসতে হবে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের মধ্যে যাতে কোনও বিভ্রান্তি না থাকে সেই জন্য এই নির্দেশিকা দ্রুত কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

  • Ramakrishna 573: “আমার ইচ্ছা যে টাকা দিয়ে কতকগুলি হাসপাতল, ডিস্পেন্সারি, স্কুল, এইসব করে দিই; হলে অনেকের উপকার হবে”

    Ramakrishna 573: “আমার ইচ্ছা যে টাকা দিয়ে কতকগুলি হাসপাতল, ডিস্পেন্সারি, স্কুল, এইসব করে দিই; হলে অনেকের উপকার হবে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ—Sir Humphrey Davy ও অবতারবাদ

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘জগতের উপকার’ বা কর্মযোগ 

    মাস্টার—ওরা বলে জগতের উপকার করব। তাই আমি আপনার কথা বললাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে— কি কথা?

    মাস্টার—শম্ভু মল্লিকের কথা। সে আপনাকে বলেছিল, ‘আমার ইচ্ছা যে টাকা দিয়ে কতকগুলি হাসপাতল, ডিস্পেন্সারি, স্কুল, এইসব করে দিই; হলে অনেকের উপকার হবে।’ আপনি তাকে যা বলেছিলেন, তাই বললুম, ‘যদি ঈশ্বর সম্মুখে আসেন, তবে তুমি কি বলবে, আমাকে কতকগুলি হাসপাতাল, ডিস্পেনসারি, স্কুল করে দাও!’ আর-একটি কথা বললাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, থাক আলাদা আছে, যারা কর্ম করতে আসে। আর কি কথা?

    মাস্টার—বললাম, কালীদর্শন যদি উদ্দেশ্য হয়, তবে রাস্তায় কেবল কাঙ্গালী বিদায় করলে কি হবে? বরং জো-সো করে একবার কালীদর্শন করে লও; — তারপর যত কাঙ্গালী বিদায় করতে ইচ্ছা হয় করো (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আর কিছু কথা হল?

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের ভক্ত ও কামজয়

    মাস্টার—আপনার কাছে যারা আসে তাদের অনেকে কামজয় করেছেন, এই কথা হল। ডাক্তার তখন বললে, ‘আমারও কামটাম উঠে গেছে, জানো?’ আমি বললাম, আপনি তো বড় লোক। আপনি যে কাম জয় করেছেন বলছেন তাতো আশ্চর্য নয়। ক্ষুদ্র প্রাণীদের পর্যন্ত তাঁর কাছে ইন্দ্রিয় জয় হচ্ছে, এই আশ্চর্য! তারপর আমি বললাম, আপনি যা গিরিশ ঘোষকে বলেছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—কি বলেছিলাম?

    মাস্টার—আপনি গিরিশ ঘোষকে বলেছিলেন, ‘ডাক্তার তোমাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে নাই।’ সেই অবতারে কথা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তুমি অবতারের কথা তাকে (ডাক্তারকে) বলবে। অবতার — যিনি তারণ করেন (Kathamrita)। তা দশ অবতার আছে, চব্বিশ অবতার আছে আবার অসংখ্য অবতার আছে।

    মদ্যপান ক্রমে ক্রমে একেবারে ত্যাগ

    মাস্টার—গিরিশ ঘোষের ভারী খবর নেয়। কেবল জিজ্ঞাসা করেন, গিরিশ ঘোষ কি সব মদ ছেড়েছে? তার উপর বড় চোখ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তুমি গিরিশ ঘোষকে ও-কথা বলেছিলে?

    মাস্টার—আজ্ঞা হাঁ, বলেছিলাম। আর সব মদ ছাড়বার কথা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—সে কি বললে?

    মাস্টার—তিনি বললেন, তোমরা যে কালে বলছো সেকালে ঠাকুরের কথা বলে মানি—কিন্তু আর জোর করে কোনও কথা বলব না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (আনন্দের সহিত)—কালীপদ বলেছে (Kathamrita), সে একেবারে সব ছেড়েছে।

  • Rahul Gandhi: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে “বিশ্বাসঘাতক” কটাক্ষ রাহুলের, পাল্টা পেলেন “দেশ কে দুশমন” তকমা

    Rahul Gandhi: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে “বিশ্বাসঘাতক” কটাক্ষ রাহুলের, পাল্টা পেলেন “দেশ কে দুশমন” তকমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সংসদের সিঁড়িতে এক উত্তপ্ত রাজনৈতিক মুখোমুখি সংঘর্ষ শুরু হয়। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু (Ravneet Singh Bittu) জনসমক্ষে একে অপরের বিরুদ্ধে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন। ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে এই ভিডিও ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।)

    “দেশ কে দুশমন” (Rahul Gandhi)

    সংসদে নিয়ম ভঙ্গের অপরাধে আটজন সাংসদকে বরখাস্ত করার ঘটনায় লোকসভা মুলতবি করার পর এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কংগ্রেস নেতারা এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে সংসদের মকরা দ্বারের কাছে জড়ো হয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিট্টু (Ravneet Singh Bittu), সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন সেই সময় তাঁকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে আক্রমণ করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। বলেন, “এই যে একজন বিশ্বাসঘাতক ঠিক পাশ দিয়ে হেঁটে আসছে। মুখের দিকে তাকান…”। তারপর, ঠাট্টা-বিদ্রুপের মিশ্রণে তিনি বিট্টুর দিকে হাত বাড়িয়ে বলেন, “হ্যালো ভাই, আমার বিশ্বাসঘাতক বন্ধু। চিন্তা করো না, তুমি কংগ্রেস ফিরে আসবে।” সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিট্টু রাহুলের করমর্দন প্রত্যাখ্যান করেন। বরং, তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, “দেশ কে দুশমন, গান্ধীকে জাতির শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে।” ক্যামেরায় ধারণকৃত এই কথোপকথন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দেয়।

    বার বার অসংসদীয় আচরণ

    সংসদে উত্তেজনা বৃদ্ধির পটভূমিতে এই ঝগড়া শুরু হয়। মঙ্গলবার, লোকসভায় রাহুল গান্ধী বক্তৃতা দেওয়ার সময় সংসদীয় নিয়ম ভঙ্গ করেন। সংসদের কাজে বার বার বাধা প্রদান করেন। শুধু তাই নয়, অধ্যক্ষের চেয়ারের দিকে কাগজপত্র ছোড়ার অভিযোগে বাজেট অধিবেশনের বাকি সময় আটজন সাংসদকে বরখাস্ত করা হয়। বিরোধী সদস্যদের তীব্র স্লোগানের মধ্যে বুধবার দুপুর পর্যন্ত সংসদের অধিবেশন মুলতবি করা হয়।

    আট সাংসদ বরখাস্ত

    বরখাস্ত হওয়া সাংসদরা হলেন কংগ্রেস নেতা হিবি ইডেন, অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং, মানিকম ঠাকুর, গুরজিৎ সিং আউজলা, প্রশান্ত ইয়াদোরাও পাডোলে, চামালা কিরণ কুমার রেড্ডি, ডিন কুরিয়াকোস এবং সিপিআই(এম) সাংসদ এস ভেঙ্কটেসন। সকলেই পরে সংসদের বাইরে বিক্ষোভ করেন।

    রাহুলের (Rahul Gandhi) পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ আনন্দ ভাদৌরিয়া অভিযোগ করে বলেন, “শাসক দল বিরোধীদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছে। বিরোধী দলনেতা তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করেন যাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন এবং মতবিরোধ দমনের ষড়যন্ত্র চলছে। যুক্তি দিয়ে কথা বলতে সরকার জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়গুলিতে কথা বলতে ভয় পায়।”

    ম্যাগাজিন নিবন্ধ বা অপ্রকাশিত স্মৃতিকথা উদ্ধৃত করা যায় না

    রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের বিতর্কের সময় পূর্ব লাদাখে ২০২০ সালে চিনের সঙ্গে সংঘর্ষের উল্লেখ উত্থাপনের জন্য রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিকৃত তথ্য উত্থাপনই হল বিশৃঙ্খলার মূল কারণ। কোনও ম্যাগাজিন নিবন্ধ বা অপ্রকাশিত স্মৃতিকথা উদ্ধৃত করা যায় না। কিন্তু রাহুল তাতে অনড় ছিলেন। সরকার তীব্র আপত্তি জানিয়ে বলে, অপ্রকাশিত উপাদানের উল্লেখ অনুমোদিত নয়। নির্ধারিত নিয়মের মধ্যে  বক্তৃতা দিতে হবে। এরপর নিয়ম ভঙ্গ করায় কড়া অবস্থান নেন লোকসভার অধ্যক্ষ।

  • Dhurandhar: খোদ পাকিস্তানেই সুপারহিট পাক-বিরোধী ভারতীয় ছবি ‘ধুরন্ধর’! কীভাবে সম্ভব হল?

    Dhurandhar: খোদ পাকিস্তানেই সুপারহিট পাক-বিরোধী ভারতীয় ছবি ‘ধুরন্ধর’! কীভাবে সম্ভব হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-বিরোধী (Pakistan) বক্তব্যের জন্য সমালোচিত ভারতীয় বলিউড ছবি ‘ধুরন্ধর’ পাকিস্তানের নেটফ্লিক্স (Dhurandhar)চার্টে এক নম্বর স্থানে পৌঁছে গিয়েছে। আর এই খবর ফলাও করে প্রকাশ করেছে সেদেশেরই সংবাদমাধ্যম।  পাক সংবাদ মাধ্যম ‘পাকিস্তান টুডে’ প্রকাশিত খবরে আবারও মুখ পুড়ল পাকিস্তানের। এই ভারতীয় সিনেমা পাকিস্তানের জন্য রাজনৈতিক ভাবে অত্যন্ত অস্বস্তির। ভারতের বিরুদ্ধে হাজার ষড়যন্ত্র করেও ভারতীয় ছবিটি পাকিস্তানি দর্শকদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বর স্থান দখল করে নিয়েছে।

    পাক বিরোধী অ্যাকশন-ভিত্তিক সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ (Dhurandhar)

    পাকিস্তান (Pakistan) টুডে নিজের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতীয় জাতীয়তাবাদী থিমকে কেন্দ্র করে নির্মিত অ্যাকশন-ভিত্তিক সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ (Film Dhurandhar) বর্তমানে পাকিস্তানে নেটফ্লিক্সের সর্বাধিক দেখা সিনেমাগুলির শীর্ষে রয়েছে। ছবিটিতে পাকিস্তানকে একটি কেন্দ্রীয় প্রতিপক্ষ হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে, যেখানে আঞ্চলিক শত্রুতার পরিচিত রূপগুলি তুলে ধরা হয়েছে। যদিও দীর্ঘদিন ধরে মূলধারার ভারতীয় সিনেমার একটি অংশ পাকিস্তানের কার্যকলাপকে এই ভাবেই চিহ্নিত করা হয়। তবে পাকিস্তানে এই ছবির বিপুল জনপ্রিয় হওয়ার বিষয়টি অনেক সমালোচকদের রীতিমতো অবাক করেছে। কারণ এই ধরণের আখ্যান নতুন নয়, বরং ছবিটি কোথায় এবং কীভাবে কোন বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে সেটাও বিশেষ ভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। এমনটাই মনে করেছেন অনেক সিনেমা সমালোচকরা।

    এক অদ্ভুত বৈপরীত্য

    যখন পাকিস্তান ও ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক চরম  উত্তেজনাপূর্ণ  অবস্থায় রয়েছে, ঠিক সেই সময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বৈরী দৃষ্টিভঙ্গিতে নির্মিত একটি ভারতীয় ছবির পাকিস্তানেরই স্ট্রিমিং চার্টে সাফল্য ডিজিটাল যুগের এক অদ্ভুত বৈপরীত্যকে তুলে ধরছে। জাতীয় শত্রুতার আবহে নির্মিত একটি ছবিই এখন সবচেয়ে বেশি দেখা হচ্ছে সেই দেশের দর্শকদের মধ্যেই, যাদের লক্ষ্য করেই ছবিটি তৈরি করা হয়েছে, তা বিস্ময়ের বৈকি! পাকিস্তান বিরোধিতার উপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি ভারতীয় ছবি পাক দর্শকদের সবচেয়ে বেশি আকর্ষিত করেছে— এই ট্রেন্ড নির্ঘাত পাক প্রশাসনের রাতের ঘুম উড়িয়ে নিয়েছে।

    নেটফ্লিক্সে পাক নাগরিকদের ব্যাপক ভিড়

    শিল্প বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, নেটফ্লিক্সের র‍্যাঙ্কিং অনুমোদন মোট দর্শক সংখ্যার উপর নির্ভর করে। কৌতূহল, বিতর্ক এবং সোশ্যাল মিডিয়া আলোচনার ফলে প্রায়শই দর্শকদের দেখার আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে। তবে ছবির বার্তার সঙ্গে সকলে একমত হবেন এমনটা নাও হতে পারে। ‘ধুরন্ধর’ (Film Dhurandhar) সিনামা যখন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল সেই সময় পাক সরকার সিনেমার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু পরে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেলে পাকিস্তানে (Pakistan) ঐতিহাসিকভাবে আগ্রহ দেখা যায়। সমস্ত নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধকে উপেক্ষা করে নেটফ্লিক্সের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিতে পাক দর্শকরা ভিড় জমান। কৌশলগত ভাবে এটাও ঠিক।

    বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হচ্ছে

    এই সিনেমা সমসাময়িক মিডিয়াকে ব্যবহারের মধ্যে একটি বৃহত্তর দ্বন্দ্বকে তুলে ধরেছে। আধিপত্য বা শত্রুতাকে জাহির করার জন্য তৈরি জাতীয় আখ্যানগুলি আর সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হচ্ছে। পাকিস্তানে (Pakistan) ‘ধুরন্ধর’ (Film Dhurandhar)  যখন ট্রেন্ডিং করে চলেছে, তখন এর সাফল্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, স্ট্রিমিং যুগে সাংস্কৃতিক প্রভাব আর কেবল উদ্দেশ্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। চলচ্চিত্র শক্তি প্রদর্শনের জন্য তৈরি করা যেতে পারে। সীমান্তের ওপারে ওপারের দর্শকের সংখ্যাটাও তুলনামূলক কম নয়। ভাবনাকে প্রভাবিত করতে সিনেমার ভাষা কতটা শক্তিশালী তা আরও একবার প্রমাণিত হয়।

    বিশদে জানতে পড়ুন…

    Anti-Pakistan film Dhurandhar tops Netflix chart in Pakistan, highlighting a streaming-era irony

  • Saif Al Islam Gaddafi: লিবিয়ার প্রয়াত স্বৈরাচারী শাসক মুয়াম্মার গদ্দাফির ছেলেকে গুলি করে হত্যা

    Saif Al Islam Gaddafi: লিবিয়ার প্রয়াত স্বৈরাচারী শাসক মুয়াম্মার গদ্দাফির ছেলেকে গুলি করে হত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিবিয়ার (Libya) প্রয়াত স্বৈরাচারী শাসক মুয়াম্মার গদ্দাফির ছেলেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার ফেসবুকে দুটি পৃথক পোস্টে ৫৩ বছর বয়সি সাইফ আল-ইসলাম গদ্দাফির (Saif Al Islam Gaddafi) মৃত্যুর খবর ঘোষণা করেন তাঁর আইনজীবী খালেদ আল-জাইদি এবং তাঁর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান। তাঁদের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, অজ্ঞাত পরিচয় চারজন অস্ত্র-সশস্ত্র নিয়ে নজরদারিতে রাখা ক্যামেরাকে প্রথমে নিষ্ক্রিয় করে। এরপর সাইফ আল-ইসলাম গদ্দাফির বাসভবনে হামলা চালায় এবং তারপর তাঁকে হত্যা করা হয়।  এই খবর আল-আহরার টিভি চ্যানেলকে জানিয়েছেন তাঁর উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান আবদুর রহিম।

    কমান্ডো ইউনিট এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে (Saif Al Islam Gaddafi)

    আল-আহরার টিভি খবর অনুযায়ী, জাইদি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লিবিয়ার (Libya) জিনতান শহরে সাইফ গদ্দাফির বাড়িতে চার সদস্যের কমান্ডো ইউনিট এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে রয়েছে। গদ্দাফির (Saif Al Islam Gaddafi)  মৃত্যু সম্পর্কিত আর কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আবার বিবিসি অনুসারে জানা গিয়েছে, সাইফ আল-ইসলাম গদ্দাফির বোন নিজে এই মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত ঘটনাগুলির ভিন্ন বর্ণনা উপস্থাপন করেছেন। একই ভাবে লিবিয়ান টিভিকে বলেছেন, “আলজেরিয়ার কাছে লিবিয়ার সীমান্তের কাছে মারা গেছেন আল-ইসলাম গদ্দাফি।” আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারি সংস্থা ত্রিপোলি-ভিত্তিক হাই স্টেট কাউন্সিলের প্রাক্তন প্রধান খালেদ আল-মিশরি সাইফ আল-ইসলাম গদ্দাফির হত্যার প্রয়োজনীয় ও স্বচ্ছ তদন্ত করার দাবি তুলেছেন।

    বাবার মৃত্যুর পর ছেলেকেও রাখা হয়েছিল জেলে

    ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর জাতীয় অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ (এনটিসি) কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর সাইফ আল-ইসলাম গদ্দাফিকে (Saif Al Islam Gaddafi)  তাঁর পিতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যদিও সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি কোনও সরকারি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন না, তবুও তিনি তাঁর পিতার পরে একজন শক্তিশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। লিবিয়াকে নিজের হাতের মুঠোয় রেখেছিলেন মুয়াম্মার গদ্দাফি। ১৯৬৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত লিবিয়া শাসন করেছিলেন। সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সাল থেকে লিবিয়ায় (Libya) গদ্দাফি শাসনের পতন না হওয়া পর্যন্ত পশ্চিমাদের সঙ্গে লিবিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নে সাইফ আল-ইসলাম গদ্দাফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। কিন্তু তাঁর বাবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর, সরকার বিরোধী বিক্ষোভের নৃশংস দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের অভিযোগে তাঁকে জিনতানে একটি প্রতিদ্বন্দ্বী মিলিশিয়া প্রায় ছয় বছর ধরে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল।

    মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ

    আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ২০১১ সালে বিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় সাইফ আল-ইসলাম গদ্দাফির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে চেয়েছিল। ২০১৫ সালে ত্রিপোলির একটি আদালত একই অপরাধের জন্য তাঁকে তাঁর অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়, যেখানে জাতিসংঘ-সমর্থিত সরকার রায় দেয়। দুই বছর পর টোব্রুক থেকে সাধারণ ক্ষমা আইনের আওতায় তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। গদ্দাফির পতনের পর থেকে, লিবিয়া বিভিন্ন মিলিশিয়া শাসিত অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে এটি দুটো সরকার পরস্পর বিরোধী। এই অবস্থায় গদ্দাফির ছেলের মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগের।

  • RSS: “সংঘকে বুঝতে হলে অনুভব করতে হবে, সকল স্বয়ংসেবকদের স্বতন্ত্রতা দেয় সংঘ”, বার্তা মোহন ভাগবতের

    RSS: “সংঘকে বুঝতে হলে অনুভব করতে হবে, সকল স্বয়ংসেবকদের স্বতন্ত্রতা দেয় সংঘ”, বার্তা মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাগ্যনগরে (হায়দরাবাদ) ‘সংঘের ১০০ বছরের যাত্রা–নতুন দিগন্ত’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনদের উদ্দেশে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘকে (RSS) সঠিকভাবে বোঝার জন্য সংঘের অংশ হয়ে সেই অভিজ্ঞতা অর্জন করা প্রয়োজন। স্বয়ংসেবকদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে না সংঘ। সম্পূর্ণ স্বায়ত্ত শাসনের দ্বারা সকলে কাজ করেন। সংঘের আদর্শ এবং মূল্যবোধের দ্বারা কাজ করে প্রত্যেক স্বয়ংসেবক।”

    সংঘকে বোঝা সহজ নয় (RSS)

    সংঘের (RSS) কাজ গত ১০-২০ বছরে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ভাগবত সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “সংঘকে বোঝা সহজ কাজ নয় এবং সমাজে সংঘের সমতুল্য অন্য কোনও প্রকার কাজ নেই। ওপর ওপর দেখে বিচার করলে সংঘ (Mohan Bhagwat) সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। তাই সংঘের অংশ হয়েই এর কাজকে প্রকৃতভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব। সংঘের শাখায় এসে সংঘের আদর্শকে বুঝতে হবে।”

    ব্যক্তি গঠন ও দেশ গড়া

    ভাগবত জানান, সংঘের (RSS) মূল নীতি হল ব্যক্তির চরিত্র গঠন, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হল, একটি শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্র নির্মাণ করা। সংঘ সম্পূর্ণভাবে এই কাজের ওপরই আলোকপাত করে। ব্যক্তি যে ভাবে নির্মিত হয় তাঁকে সেই ভাবেই জীবন যাপন করতে হয়। এই কাজে অনেক সময় নেয় কিন্তু দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় কাজ করতে পারেন উক্ত ব্যক্তি। সংঘ সব সময় ব্যক্তি নির্মাণের উপর কাজ করে। ব্যক্তি নির্মাণ হলে তবেই সংঘের আদর্শ বাস্তবায়ন হয়।

    সেবামূলক কাজের ধরণ

    সর সংঘ সঙ্ঘ (RSS) চালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “বর্তমানে স্বয়ংসেবকরা সারা দেশে ১ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি ছোট-বড় সেবা কেন্দ্র পরিচালনা করছেন। সংঘ কেবল একটি সেবা সংস্থা নয়, বরং এটি একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। শাখাগুলোতে লাঠি চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও এটি কোনও সাধারণ আখড়া নয়। একইভাবে সংঘের নিয়ম শৃঙ্খলা সামরিক বাহিনীর মতো হলেও এটি কোনও প্রকার আধাসামরিক বাহিনী নয়।”

    পঞ্চ পরিবর্তন

    জাতির সর্বাঙ্গীণ উন্নতির জন্য মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) পাঁচটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। যথা-

     ১. কুটুম্ব প্রবোধন: ভজন, ভোজন, ভাষা, ভূষা, ভবন ও ভ্রমণের মাধ্যমে পারিবারিক মূল্যবোধ রক্ষা করা। ২. পরিবেশ সুরক্ষা: পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কাজ করা। ৩. সামাজিক সমরসতা: জাতিভেদ দূর করে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। ৪. স্বদেশী: দেশীয় পণ্য ব্যবহার ও স্বনির্ভরতা। ৫. নাগরিক কর্তব্য: সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করা।

    সাংস্কৃতিক জাগরণ

    আরএসএস (RSS) প্রধান ভাগবত স্পষ্ট করে বলেন, “সংঘ কোনো রাজনৈতিক লাভালাভের জন্য কাজ করে না। এর মূল লক্ষ্য হলো সাংস্কৃতিক জাগরণ এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে সঠিক মানসিকতার মানুষ ও সংগঠনের একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা।”

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট

    ভারতের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “প্রতিটি দেশ তার জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী চলে এবং ভারতকেও নিজের স্বার্থে আপষহীন হতে হবে। ভারত অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে শক্তিশালী হলেই বিশ্ব দরবারে প্রভাব ফেলতে পারবে।”

    ভাগবত পরিশেষে বলেন, সংঘের কাজ এখনও অসম্পূর্ণ। সমাজকে জাগ্রত করার এই প্রক্রিয়া জারি থাকবে। যারা সংঘের (RSS) মতো কাজ স্বতন্ত্রভাবে করছেন, তাদের প্রতিও তিনি শ্রদ্ধা জানান। তিনি আহ্বান জানান, সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যেন নিজেদের আচরণের মাধ্যমে উদাহরণ তৈরি করেন, যাতে সমাজ তাদের দেখে অনুপ্রাণিত হতে পারে।

  • Ramakrishna 572: “একটি কথা আছে, ঈশ্বরের বাণী মানুষের ভিতর দিয়ে না এলে মানুষ বুঝতে পারে না”

    Ramakrishna 572: “একটি কথা আছে, ঈশ্বরের বাণী মানুষের ভিতর দিয়ে না এলে মানুষ বুঝতে পারে না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর

    শ্রীরামকৃষ্ণ—Sir Humphrey Davy ও অবতারবাদ

    ঠাকুর (Ramakrishna) মাস্টারের সহিত ডাক্তার সরকারের কথা কহিতেছেন। পূর্বদিনে ঠাকুরের সংবাদ লইয়া মাস্টার ডাক্তারের কাছে গিয়াছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — তোমার সঙ্গে কি কি কথা হল?

    মাস্টার—ডাক্তারের ঘরে অনেক বই আছে। আমি একখানা বই সেখানে বসে বসে পড়ছিলাম। সেই সব পড়ে আবার ডাক্তারকে শোনাতে লাগলাম। Sir Humphrey Davy-র বই। তাতে অবতারের প্রয়োজন এ-কথা আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— বটে? তুমি কি কথা বলেছিলে (Kathamrita)?

    মাস্টার — একটি কথা আছে, ঈশ্বরের বাণী মানুষের ভিতর দিয়ে না এলে মানুষ বুঝতে পারে না। (Divine Truth must be made human Truth to be appreciated by us)। তাই অবতারাদির প্রয়োজন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বাঃ, এ-সব তো বেশ কথা!

    মাস্টার — সাহেব উপমা দিয়েছে, যেমন সূর্যের দিকে চাওয়া যায় না, কিন্তু সূর্যের আলো যেখানে পড়ে, (Reflected rays) সেদিকে চাওয়া যায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বেশ কথা, আর কিছু আছে?

    মাস্টার — আর এক যায়গায় ছিল, যথার্থ জ্ঞান হচ্ছে বিশ্বাস।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— এ তো খুব ভাল কথা। বিশ্বাস হল তো সবই হয়ে গেল (Kathamrita)।

    মাস্টার — সাহেব আবার স্বপ্ন দেখেছিলেন রোমানদের দেবদেবী।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — এমন সব বই হয়েছে? তিনিই (ঈশ্বর) সেখানে কাজ করছেন। আর কিছু কথা হল?

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘জগতের উপকার’ বা কর্মযোগ

    মাস্টার — ওরা বলে জগতের উপকার করব। তাই আমি আপনার কথা বললাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — কি কথা?

    মাস্টার — শম্ভু মল্লিকের কথা। সে আপনাকে বলেছিল, ‘আমার ইচ্ছা যে টাকা দিয়ে কতকগুলি হাসপাতল, ডিস্পেন্সারি, স্কুল, এইসব করে দিই; হলে অনেকের উপকার হবে।’ আপনি তাকে যা বলেছিলেন, তাই বললুম, ‘যদি ঈশ্বর সম্মুখে আসেন, তবে তুমি কি বলবে, আমাকে কতকগুলি হাসপাতাল, ডিস্পেনসারি, স্কুল করে দাও!’ আর-একটি কথা বললাম।

  • Jammu-kashmir: শীতের ভোরে জম্মু-কাশ্মীরে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, আতঙ্কিত জনজীবন!

    Jammu-kashmir: শীতের ভোরে জম্মু-কাশ্মীরে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, আতঙ্কিত জনজীবন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ভোরে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu-kashmir) বারামুল্লা জেলায় ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের জাতীয় ভূতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ বা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি। দফতরের কর্মকর্তারা জানান, ভোর ৫.৩৫ মিনিটে কম্পনটি অনুভূত হয় এবং পাত্তন এলাকা ছিল এর কেন্দ্রস্থল। তবে এদিন ভোররাতে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জেও ভূমিকম্প (Earthquakes) হয়েছে। এনসিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে সেখানকার কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬।

    যার কেন্দ্রস্থল হানজিওয়েরা বালা (Jammu-kashmir)

    এখনও পর্যন্ত ভূমিকম্পের ফলে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। অ্যান্ড্রয়েড ভূমিকম্প (Earthquakes) সতর্কতা ব্যবস্থা থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পটি ভারতীয় সময় ভোর ৫:৩৫ মিনিটে ঘটেছিল, যার কেন্দ্রস্থল হানজিওয়েরা বালা থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে ছিল। ভূমিকম্পের এলাকা শ্রীনগর, বারামুল্লা, সোপোর, গান্ডারবাল, পুলওয়ামা এবং আশেপাশের এলাকা সহ বিস্তৃত অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়েছিল, এবং প্রভাব অঞ্চলটি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের কিছু অংশেও বিস্তৃত ছিল।

    একমুহূর্তের মধ্যেই সকলে আতঙ্কিত

    পাশাপাশি স্থানীয়রা (Jammu-kashmir) জানিয়েছেন, হঠাৎ ভূমিকম্পে (Earthquakes) আমরা ঘুম থেকে জেগে উঠেছিলাম। অনেকেই ভয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছেন। বেশ কয়েকটি পাড়ায় জানালা, দরজা এবং গৃহস্থালীর জিনিসপত্র ঝাঁকুনি দিয়ে উঠেছিল। ফলে একমুহূর্তের মধ্যেই সকলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে সময়টা এমন ছিল যখন শীতের ভোরে সকলে ঘুমিয়ে ছিলেন।

    কোনও ধরনের গুজবে কান দেবেন না

    এসডিএমএ-র এক সিনিয়র অফিসার বলেন, “এই ভূমিকম্পের (Earthquakes) কারণে কোনও ধরনের জীবনহানির খবর নেই। প্রশাসন (Jammu-kashmir) পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। প্রশাসন সাধারণ নাগরিককে অযথা আতঙ্ক না করার পরামর্শ দিয়েছে। কোনও ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্যেও বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয়, তবে জনগণকে আগে থেকেই সতর্ক করে দেওয়া হবে। এখন আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।”

    ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ড্‌স একটি জাতীয় ভূকম্পন মানচিত্র প্রকাশ করেছিল। সেখানে কাশ্মীর-সহ হিমালয় অঞ্চলকে ছ’নম্বর সিস্‌মিক জ়োনে রাখা হয়েছে। অপর দিকে আন্দামানের এই মানচিত্রে রয়েছে পাঁচ নম্বর তালিকায়।

  • Baloch liberation Army: পাকিস্তানে হামলার পিছনে দুই বালুচ তরুণী! আত্মঘাতী বোমায় উড়িয়েছেন শেহবাজের বহু সেনা  

    Baloch liberation Army: পাকিস্তানে হামলার পিছনে দুই বালুচ তরুণী! আত্মঘাতী বোমায় উড়িয়েছেন শেহবাজের বহু সেনা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) একাধিক জেলায় হামলার ঘটনায় সরাসরি নিজেদের ভূমিকার কথা জানালো বালুচ লিবারেশন আর্মি (Baloch liberation Army)। ইতিধ্যে দুই আত্মঘাতী বোমারুর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে বিএলএ-র তরফে। শনিবার হামলার পরেই বালুচ লিবারেশন আর্মি জানিয়েছিল, তাঁদের সশস্ত্র সংগ্রামে একাধিক তরুণী যোদ্ধারা যোগদান করেছেন। এইবারে তাঁদের ছবি প্রকাশ করেছে বিলএ। দীর্ঘ দিন ধরে পাকিস্তানের কট্টর মৌলবাদী সরকার বালুচিস্তানের মানুষদের দাবি-দাওয়া, আন্দোলনকে স্বীকৃতি দেয়নি। পাল্টা বালুচ সম্প্রদায়ের মেয়ে, সাংবাদিক, সমাজকর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের গত কয়েক দশক ধরে খুন, অপহরণ করছে পাক সেনা। নিজেদের ভূমির জল, জঙ্গল, সম্পত্তির উপর জোর পূর্বক পাকিস্তান কব্জা করে রেখেছে। তাই পাক সরকার এবং সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বালুচ লিবারেশন আর্মি নিজদের অস্তিত্বের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

    ২৪ বছরের তরুণী (Baloch liberation Army)

    শনিবার ৩১ জানুয়ারি পরপর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে পাকিস্তানের (Pakistan) বালুচিস্তান (Baloch liberation Army) প্রদেশ। বিস্ফোরণের মধ্যে কোনওটা ছিল আত্মঘাতী আবার কোনওটা সাধারণ বিস্ফোরণ। তবে এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে দুই নারী। রবিবার বালুচ লিবারেশন আর্মি নাম এবং ছবি প্রকাশ করেছে। একজনের নাম আসিফা মেঙ্গাল, বয়স ২৪ বছর। দ্বিতীয় জনের ছবি প্রকাশিত হলেও নাম জানা যায়নি। তবে হামলার নেতৃত্বে ছিলেন দুই নারী, এই কথা স্বীকার করে নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফও।

    পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিবৃতি

    একটি বিবৃতিতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা জানিয়েছে, “বালুচিস্তানের (Baloch liberation Army) নুশিক এলাকার বাসিন্দা আসিফা। ২০০২ সালের ২ অক্টোবর তাঁর জন্ম। মাত্র ২১ বছর বয়সে আসিফা বালুচ লিবারেশন আর্মির মজিদ ব্রিগেডে যোগদান করেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি আত্মঘাতী হামলায় যোগদানদের সিদ্ধান্ত নেন। শনিবার নুশকিতে পাকিস্তানের (Pakistan) গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর দফতরে হামলা চালিয়েছিলেন আসিফাই।”

    বালুচ জাতিকে জাগ্রত করতে হবে

    হামলাকারী নারীদের মধ্যে দ্বিতীয় নারীর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে বিএলএ। তাতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে পাক সরকারের আগ্রাসন নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ ঘটাচ্ছেন। অপর আরেকটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে হাতে বন্দুক নিয়ে অন্য এক তরুণীকে তিনি বলছেন, “পাক সরকার (Pakistan) আমাদের জোর করে দমিয়ে রাখতে বল প্রয়োগ করে। সরাসরি আমাদের মুখোমুখি হতে পারে না। সেই ক্ষমতাও নেই। বালুচ (Baloch liberation Army) জাতিকে জাগ্রত করতে হবে। আমাদের অবশ্যই বালুচ সরমাচারদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে। শত্রুর দিন শেষ; তাদের খুব বেশি শক্তি নেই। বালুচ জাতিকে বুঝতে হবে যে এই শত্রুর সাথে কোনও আপস করা যাবে না।”

    গত কয়েক মাসে বালুচিস্তানে (Baloch liberation Army) পাক সেনার সঙ্গে সংঘর্ষ চরমে উঠেছে। নিজেদের অধিকার অর্জন না করা পর্যন্ত কখনও বিএলএ থেমে থাকবে না। রবিবার এই এলাকার কোয়েটা, নুশকি, মাসটাং, ডালবান্দিন, খারান, পাঞ্জগুর, গদর এবং পাসনিতে একযোগে হামলা চালায় বালোচ লিবারেশন আর্মি।

LinkedIn
Share