Author: suman-das

  • SIR: কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হয়েছে? তদন্ত চান অগ্নিমিত্রা

    SIR: কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হয়েছে? তদন্ত চান অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা সরাসরি বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছে মমতা সরকার। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যে এসআইআর (SIR) আবহে অনুপ্রবেশকারীদের সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। উল্লেখ্য জাতীয় নির্বাচন কমিশন দেশজুড়ে নিবিড় সংশোধনের কাজ শুরু করতেই উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হাকিমপুরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপক ভিড় জমেছে। তাঁদের লক্ষ্য এখন সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে যাওয়া। অনুপ্রবেশকারী খোদ বাংলাদেশিদের মুখে শোনা গিয়েছে, কীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ রেশনের মতো সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন! আর তাতেই তৃণমূলকে তোপ দেগেছে বিজেপি।

    রাজ্যের টাকা কেন অনুপ্রবেশকারীদের পকেটে?

    বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “আমাদের করের টাকা থেকে কীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে ঢুকল? এই প্রকল্প ২ কোটি ১৫ লক্ষ বাংলার মহিলাকে দেওয়া হয়। এই রাজ্যের বহু সংখ্যক মহিলাদের মধ্যে বাংলাদেশের অনেক মহিলারাও রয়েছে। তৃণমূল সরকার তাদেরও টাকা দিচ্ছে! কত সংখ্যক বাংলাদেশি মহিলাদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmi Bhandar) টাকা দেওয়া হয়েছে, তার তদন্ত দাবি করছি আমরা। আমাদের রাজ্যের ভাইবোনদের জন্য এই টাকা খরচ করা হোক, এটাই কাম্য।”

    এসআইআর-এর গুঁতোয় ফের বাংলাদেশ ফিরতে হচ্ছে

    উল্লেখ্য, বসিরহাটের হাকিমপুর সীমান্তে হাজার হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা জমায়েত হয়েছেন। এ যেন ঠিক শুভেন্দুর কথায় কার্বলিক অ্যাসিড দেওয়ায় অনুপ্রবেশকারীরা বের হতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের পথে বাংলাদেশিরা। রাতের অন্ধকারে দালাল ধরে মোটা টাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল তারা। পরে টাকার বিনিময়ে জাল কাগজপত্র (Lakshmi Bhandar) বের করে সরকারি সুবিধা নিয়েছে। তাদের মধ্যে রোকেয়া বিবি নামক এক বাংলাদেশি বলেন, “ভারতে ঢুকে আধার-ভোটার কার্ড বানিয়ে দুবার ভোটও দিয়েছি আমরা। দশ বছর আগে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে প্রবেশ করেছি। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ ঝুপড়িতে বাস করতাম। এখন এসআইআর-এর (SIR) গুঁতোয় ফের বাংলাদেশ ফিরতে হচ্ছে আমাদের।” আবার অপর আরেক অনুপ্রবেশকারী বলেছেন, “সীমান্তে অবৈধভাবে টাকার বিনিময়ে এখানে এসেছি। আমরা কাগজ কোরানোর কাজ করি। জায়গায় জায়গায় ময়লা ফেলার কাজ করি। স্থানীয় নেতারা টাকা নিয়ে কাজপত্র বানিয়ে দিয়েছিল।”

  • Nitish Kumar: দশম বারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার, ২ উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির

    Nitish Kumar: দশম বারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নিলেন নীতীশ কুমার, ২ উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাটনায় দশম বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন ৭৪ বছরের নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। ২০ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার রাজধানী পাটনায় ঐতিহাসিক গান্ধী ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বেলা ১১ টায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন নীতীশ। তাঁর সঙ্গে মন্ত্রীসভার আরও ২৫ জন বিধায়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এদিন একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসবে শপথ গ্রহণ (Bihar Oath Ceremony) করেন বিজেপির সম্রাট চৌধুরি এবং বিজয় কুমার।

    আরও মজবুত এনডিএ (Nitish Kumar)

    মাঝের কিছু সময় বাদ দিলে ২০০৫ থেকে টানা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদের দায়িত্ব সামলেছেন নীতীশ কুমার। ২০ বছরে দেশের এবং বিহারের রাজনৈতিক ব্যাপক অদলবদল ঘটেছে। সময় এবং নেতাদের চাহিদা অনুসারে একাধিক বার জোটের সমীকরণ বদলে গিয়েছে বিভিন্ন ভাবে। কখনও জোট ধরেছেন আবার কখন ছেড়েছেন। তবে জোট আর রাজনীতিতে সিদ্ধহস্ত নীতীশ। কিন্তু বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে বার বার নীতীশকেই দেখা গিয়েছে। ২০২০ সালের লড়াইতেও এনডিএ জোট এবং মহাজোটের ব্যবধান ছিল সামান্য সিটের। এইবার ২০২৫ বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ-র ঝুলিতে গিয়েছে ২০২টি আসন, যা সরকার গঠনের জন্য দরকারি সংখ্যা ১২২-র চেয়ে অনেক বেশি। নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছে একক ভাবে ৮৯টি আসন। অপর দিকে পাল্লা দিয়ে আসন বাড়িয়েছে নীতীশেরও। জেডিইউ পেয়েছে ৮৫টি আসন।

    এনডিএ জোটের বড় শক্তি প্রদর্শন

    গতকাল বুধবারেই বিদায়ী সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন নীতীশ (Nitish Kumar)। এরপর রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খানের কাছে নতুন সরকার গড়ার দবি জানিয়ে চিঠি দেন। এদিন শপথ গ্রহণ (Bihar Oath Ceremony) অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। ছিলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা।

    এনডিএ জোটের ঐক্যবদ্ধতা এবং শক্তি প্রদর্শনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান, হিন্দুস্থান আওয়াম মোর্চার নেতা জিতনরাম মাঝি। তবে মন্ত্রকের বিভাজন এবং মন্ত্রিত্ব বণ্টনে এনডিএ শরিক দলের প্রাপ্ত আসনের প্রেক্ষিতে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা আরএলএম-এ ১টি, হিন্দুস্থান আওয়াম মোর্চা সেকুলার অথবা হ্যাম (এস) ১টি এবং চিরাগ পাসোয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বলাস) ৩টি করে মন্ত্রিত্ব পাবেন বলে জানা গিয়েছে। আর বাকি মন্ত্রিত্ব ভাগাভাগি করা হয়েছে বিজেপি এবং জেডিইউএর মধ্যে।

    কোন কোন বিধায়ক শপথ নিয়েছেন?

    এদিনের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে জেডিইউ-র পক্ষে শপথ নেন বিজয়কুমার চৌধুরি, বিজেন্দ্রপ্রসাদ যাদব, শ্রেয়ান কুমার, আশোক চৌধুরি, লেসি সিংহ, মদন সাহনি, সুনীল কুমার এবং মহম্মদ জামা খান। বিজেপি বিধায়কদের মধ্যে সম্রাট এবং বিজয় ছাড়াও শপথ গ্রহণ করেন দিলীপ জয়সওয়াল, মঙ্গল পান্ডে, সঞ্জয় সিংহ টাইগার, রমা নিষাদ, অরুণশঙ্কর প্রসাদ, রামকৃপাল যাদব, নিতিন নবীন ও সুরেন্দ্র প্রসাদ মেহতা। জিতনরামের দল হামের তরফে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সন্তোষ সমন।

    শপথ ময়দানের গুরুত্ব

    বিহারের গান্ধী ময়দান এক ঐতিহাসিক স্থান। ১৯৭৪ সালে এই ময়দান থেকেই লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ ইন্দিরা সরকারের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ক্রান্তির ডাক দিয়েছিলেন। তিনি অবশ্য রাজনৈতিক গুণ এবং ব্যক্তিত্বের জন্য জেপি নামেই বেশি পরিচিত। নীতীশের (Nitish Kumar) কাছেও এই জায়গার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ২০০৫, ২০১০, ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ (Bihar Oath Ceremony) এখানেই গ্রহণ করেছিলেন। ২০২৫ সালে দশম বারের জন্য ফের আরেকবার শপথ নেন এই ঐতিহাসিক ময়দান থেকেই।

  • Mohan Bhagwat: “ভারত এবং হিন্দু সমার্থক, হাজার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক প্রবাহ”, বার্তা ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: “ভারত এবং হিন্দু সমার্থক, হাজার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক প্রবাহ”, বার্তা ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং হিন্দু সমার্থক, একে অপরের পরিপূরক। ঠিক এই ভাবেই হিন্দুত্বকে ব্যাখ্যা করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) সরসংঘ চালক মোহন ভাগবাত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “হিন্দু কেবলমাত্র একটি ধর্মীয় শব্দ নয়, হাজার হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার অন্তর্নিহিত প্রবাহ। ভারত এই ঐতিহ্যের ধারক বাহক। ভারত কোনও একক সত্ত্বা নয়, বহু ধারার মিলিত প্রবাহ।”

    কোনও সরকারি ঘোষণার প্রয়োজন নেই (Mohan Bhagwat)

    অসমের গুহাহাটিতে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপচারিতায় আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেছেন, “যাঁরাই ভারত নিয়ে গর্ব করেন, তাঁরাই হিন্দু। ভারত এবং হিন্দু সমার্থক। ভারতের হিন্দু রাষ্ট্র হওয়ার জন্য কোনও সরকারি ঘোষণার প্রয়োজন নেই। ভারতীয় সমাজ এবং সভ্যতার নীতি ইতিমধ্যেই প্রতিফলিত হয় হিন্দুত্বে। আরএসএস কারো (RSS) বিরোধিতা বা ক্ষতি করার জন্য তৈরি হয়নি বরং চরিত্র গঠনে মনোনিবেশ করা এবং ভারতকে বিশ্বগুরু হিসেবে গড়ে তোলাই প্রধান কাজ। বৈচিত্র্যের মধ্যে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করার পদ্ধতিকে বলা হয় আরএসএস। বিবিধের মধ্যে মহামিলনকেই খোঁজ করা ভারতের একমাত্র সত্ত্বা।

    ভূমির পরিচয়ে দৃঢ় আসক্তির আহ্বান

    অসমে অস্বাভাবিক জনসংখ্যার পরিবর্তন সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সতর্কতা এবং নিজের ভূমির পরিচয়ের প্রতি দৃঢ় আসক্তির আহ্বান জানান। তিনি অবৈধ অনুপ্রবেশ, হিন্দুদের জন্য তিন সন্তানের আদর্শ নীতিকে জনসংখ্যার ভারসাম্য বিষয়ে স্পষ্ট মত রাখেন। বিভেদমূলক ধর্মীয় ধর্মান্তরনীতিকে ভারতীয় সমাজের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করেছেন। সমাজকে পুনর্নির্মাণ এবং সমাজের মূল সত্ত্বাকে অক্ষুন্ন রাখতে এই প্রতিরোধের মতো বিষয়গুলিকে মাথায় রাখা বলে মনে করেন মোহন ভাগবত।

    একই ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে দায়িত্বশীল ব্যবহারের পক্ষেও কথা বলেন ভাগবত। উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, “লাচিত বরফুকন এবং শ্রীমন্ত শঙ্করদেবের মতো ব্যক্তিত্বরা কেবল আঞ্চলিক গুরুত্বই রাখেন না, বরং রাষ্ট্রীয় প্রাসঙ্গিকতাও রাখেন, এক কথায় সমস্ত ভারতীয়কে অনুপ্রাণিত করেন। তাই ভারতীয় সমাজের সকল জাতি সম্প্রদায়ের মানুষের গঠনের জন্য সম্মিলিতভাবে এবং নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতে হবে।”

  • YUVA AI For ALL: ইন্ডিয়াএআই মিশনের অধীনে ১ কোটি যুবককে দেওয়া হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাঠ

    YUVA AI For ALL: ইন্ডিয়াএআই মিশনের অধীনে ১ কোটি যুবককে দেওয়া হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়াএআই মিশনের অধীনে ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক এবার (MeitY) সকলের জন্য যুবা এআই (YUVA AI For ALL) কোর্স চালু করেছে। এটি একটি বিনামূল্যের স্বল্পমেয়াদী কোর্স যা ভারত জুড়ে মানুষকে-বিশেষ করে তরুণদের-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Mission) সম্পর্কে মৌলিক ধারণা অর্জনে সহায়তা করবে। খুব সহজ ভাবেই এর পাঠ্যক্রম তৈরি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় গতিসম্পন্ন ৪.৫ ঘন্টার কোর্সের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় বাস্তব জীবনের উদাহরণ। সবটাই খুব সহজ করে উপস্থাপনা করা হয়েছে। এআই শেখাকে আরও সহজ, আকর্ষণীয় এবং সম্পর্কিত করে তুলবে বলে বলা হয়েছে।

    ১ কোটি নাগরিককে মৌলিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাঠ (YUVA AI For ALL)

    এই কোর্সে (YUVA AI For ALL) তুলে ধরে হয়েছে কীভাবে এআই দিয়ে আরও বিশ্বাস যোগ্য করে তুলে ধরা যায়। রূপ থেকে রূপান্তর করাও একটা বড় বিদ্যা। শিক্ষার্থীদের এবং পেশাদারিত্বের কাজে এআই ব্যবহার করে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।  MeitY-এর লক্ষ্য হল ১ কোটি নাগরিককে মৌলিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে দক্ষ করে তোলা। ডিজিটাল বৈষম্য দূর করা, নৈতিক ভাবে এআই ব্যবহার সহ একাধিক প্রচারকে সম্পন্ন করাও এই পাঠ্যক্রমের অন্যতম দিক।  ভবিষ্যতের জন্য ভারতে বিশেষ কর্মীবাহিনীকে প্রস্তুত করাও এই ভাবনার প্রধান লক্ষ্য। দেশের প্রতিটি কোণে এই কোর্সটি পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান, স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ইন্ডিয়াএআই-এর সঙ্গে সহযোগিতাম করতে পারবে বলে জানা গিয়েছে। ছয়টি সংক্ষিপ্ত মডিউলের মাধ্যমে, শিক্ষার্থীরা এই পাঠ্যক্রমে যুক্ত হতে পারেন।

    যুবা এআই ফর অল কোর্সে (YUVA AI For ALL) ঠিক কী কী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?

    • এআই আসলে কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে তা বুঝুন
    • শিক্ষা, সৃজনশীলতা এবং কর্মক্ষেত্রে এআই কীভাবে পরিবর্তন আনছে তা জানুন
    • নিরাপদে এবং দায়িত্বশীলভাবে এআই সরঞ্জামগুলি কীভাবে ব্যবহার করবেন তা অন্বেষণ করুন
    • ভারত জুড়ে বাস্তব-বিশ্বের এআই অ্যাপ্লিকেশনগুলি দেখুন
    • এআই-এর ভবিষ্যৎ এবং উদীয়মান সুযোগগুলির এক ঝলক দেখুন

    আপনি কোথায় কোর্সটি করতে পারবেন?

    শিক্ষার্থীরা ফিউচারস্কিলস প্রাইম, আইজিওটি কর্মযোগী এবং অন্যান্য প্রধান শিক্ষা-প্রযুক্তি পোর্টালের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিতে কোর্সটি অ্যাক্সেস করতে পারবেন। যারা সফলভাবে এটি সম্পন্ন করবে তারা ভারত সরকারের কাছ থেকে একটি শংসাপত্র পাবেন।

    সরাসরি লিঙ্ক – ‘সকলের জন্য যুবা এআই’ (AI Mission) বিনামূল্যে কোর্স

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    • প্রদত্ত লিঙ্কটি দেখার পর, “এনরোল” এ ক্লিক করুন এবং আপনার জিমেইল আইডি বা লিঙ্কডইন দিয়ে লগইন করুন।
    • আপনার ব্যক্তিগত বিবরণ, শিক্ষা, পেশা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিবরণ লিখুন।
    • একবার নিবন্ধিত হয়ে গেলে, আপনি স্ব-গতির এআই কোর্সটি করতে পারবেন।
  • Ramakrishna 512: “চৈতন্যকে ভেবে কি অচৈতন্য হয়? — ঈশ্বরকে চিন্তা করে কেউ কি বেহেড হয়?—তিনি যে বোধস্বরূপ!”

    Ramakrishna 512: “চৈতন্যকে ভেবে কি অচৈতন্য হয়? — ঈশ্বরকে চিন্তা করে কেউ কি বেহেড হয়?—তিনি যে বোধস্বরূপ!”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুলাই
    কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ ও পূর্ণাদি
    তেজচন্দ্রের সংসারত্যাগের প্রস্তাব

    ছটা বাজে। গিরিশের ভ্রাতা অতুল, ও তেজচন্দ্রের ভ্রাতা আসিয়াছেন। ঠাকুর (Ramakrishna) ভাবসমাধিস্থ হইয়াছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ভাবে বলিতেছেন, “চৈতন্যকে ভেবে কি অচৈতন্য হয়? — ঈশ্বরকে চিন্তা করে কেউ কি বেহেড হয়?—তিনি যে বোধস্বরূপ!”

    আগন্তুকদের ভিতর কেউ কি মনে করিতেছিলেন যে, বেশি ঈশ্বরচিন্তা করিয়া ঠাকুরের মাথা খারাপ হইয়া গিয়াছে?

    এগিয়ে পড়’—কৃষ্ণধনের সামান্য রসিকতা

    ঠাকুর কৃষ্ণধন (Ramakrishna) নামক ওই রসিক ব্রাহ্মণকে বলিতেছেন — “কি সামান্য ঐহিক বিষয় নিয়ে তুমি রাতদিন ফষ্টিনাষ্টি করে সময় কাটাচ্ছ। ওইটি ঈশ্বরের দিকে মোড় ফিরিয়ে দাও। যে নুনের হিসাব করতে পারে, সে মিছরির হিসাবও করতে পারে।”

    কৃষ্ণধন (সহাস্যে) — আপনি টেনে নিন!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আমি কি করব, তোমার চেষ্টার উপর সব নির্ভর করছে। ‘এ মন্ত্র নয় — এখন মন তোর!’

    “ও সামান্য রসিকতা ছেড়ে ঈশ্বরের পথে এগিয়ে পড়,—তারে বাড়া, তারে বাড়া,—আছে! ব্রহ্মচারী কাঠুরিয়াকে এগিয়ে পড়তে বলেছিল (Kathamrita)। সে প্রথমে এগিয়ে দেখে চন্দনের কাঠ, — তারপর দেখে রূপার খনি,— তারপর সোনার খনি,— তারপর হীরা মাণিক!”

    কৃষ্ণধন — এ-পথের শেষ নাই!

    শ্রীরামকৃষ্ণ — যেখানে শান্তি সেইখানে ‘তিষ্ঠ’।

    ঠাকুর একজন আগন্তুক সম্বন্ধে বলিতেছেন —

    “ওর ভিতর কিছু বস্তু দেখতে পেলেম না। যেন ওলম্বাকুল।”

    সন্ধ্যা হইল। ঘরে আলো জ্বালা হইল। ঠাকুর জগন্মাতার চিন্তা ও মধুর স্বরে নাম করিতেছেন। ভক্তেরা চতুর্দিকে বসিয়া আছেন।

    কাল রথযাত্রা। ঠাকুর আজ এই বাটীতেই রাত্রিবাস করিবেন।

    অন্তঃপুরে কিঞ্চিৎ জলযোগ করিয়া আবার ঘরে ফিরিলেন। রাত প্রায় দশটা হইবে। ঠাকুর মণিকে বলিতেছেন, ‘ওই ঘর থেকে (অর্থাৎ পার্শ্বের পশ্চিমের ছোট ঘর থেকে) গামছাটা আন তো’।

    ঠাকুরের (Ramakrishna) সেই ছোট ঘরটিতেই শয্যা প্রস্তুত হইয়াছে। রাত সাড়ে দশটা হইল। ঠাকুর শয়ন করিলেন।

    গ্রীষ্মকাল। ঠাকুর মণিকে বলিতেছেন(Kathamrita), “বরং পাখাটা আনো।” তাঁহাকে পাখা করিতে বলিলেন। রত বারটার সময় ঠাকুরের একটু নিদ্রাভঙ্গ হইল। বলিলেন, “শীত করছে, আর কাজ নাই।”

  • Dr. S Somanath: এবিভিপির ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথি ড.এস সোমনাথ

    Dr. S Somanath: এবিভিপির ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথি ড.এস সোমনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ৭১ তম রাষ্ট্রীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে। এই অধিবেশনের মুখ্য অতিথি হিসেবে থাকবেন ইসরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান ডক্টর এস সোমনাথ (Dr. S Somanath)। তিনি এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করবেন। উল্লেখ্য এবিভিপির এই বার্ষিক অনুষ্ঠান প্রত্যেক বছর হয়ে থাকে। এই বছরের অধিবেশনে সারা ভারত থেকে প্রায় ১৫০০ ছাত্র-ছাত্রী প্রতিনিধি যোগদান করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    চন্দ্রযান-৩ সাফল্যে সোমনাথ (Dr. S Somanath)

    বিদ্যার্থী পরিষদের অধিবেশনের অর্থ হল কাশ্মীর থেকে কন্যা কুমারী এবং কচ্ছ থেকে কোহিমা পর্যন্ত ভারতের ছাত্রছাত্রীদের মহাসামাগম। আরও ভালো করে বললে, ভারতের সারমর্মকে তুলে ধরা হয় এই অনুষ্ঠানে। সারা দেশের ছাত্রছাত্রীদের উজ্জীবিত করাই প্রধান উদ্দেশ্য। এবারের অধিবেশনে ২৮ নভেম্বর ভাষণ দেবেন এস সোমনাথ (Dr. S Somanath)। তিনি একজন বিশিষ্ট মহাকাশ বিজ্ঞানী। ঐতিহাসিক চন্দ্রযান-৩, আদিত্য এল ওয়ান, সৌর মিশন, এক্সপিওএসএটি উক্ষেপণ এবং আইএনএসএটি সিরিজের জন্য কাজ করে তিনি বিরাট সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। ভারতের মহাকাশ জগতে গবেষণায় আমূল পরিবর্তন, প্রগতি এবং উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। বেশ কিছু পরিমাণে স্টার্ট আপের সূচনাও করেছেন তিনি। দেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে কাজ করে বিশ্বের দরবারে ভারতকে অনেক উপরে নিয়ে গিয়েছেন।

    সকলকে অনুপ্রাণিত করবে

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের রাষ্ট্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার বিরেন্দ্র সোলাঙ্কি বলেছেন, “ডক্টর এস সোমনাথের (Dr. S Somanath) মহাকাশ গবেষণা বিশ্বের দরবারে বিরাট কৃতিত্ব পেয়েছে। তিনি ভারতকে বিশ্বের কাছে উন্নত রাষ্ট্রের পর্যায়ের দিকে নিয়ে যাওয়াতে আরও অনেকটা এগিয়ে দিয়েছেন। তাঁর ভাবনা আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। তরুণ প্রজন্মকে গবেষণায় আগ্রহ যোগাবে। তাঁকে আমরা আমাদের অধিবেশনে স্বাগত জানাই।”

  • Pm Modi: ২৫ নভেম্বর অযোধ্যার রামমন্দিরে ১৬১ ফুট উঁচুতে গৈরিক ধ্বজ উত্তোলন করবেন মোদি

    Pm Modi: ২৫ নভেম্বর অযোধ্যার রামমন্দিরে ১৬১ ফুট উঁচুতে গৈরিক ধ্বজ উত্তোলন করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৫ নভেম্বর অযোধ্যার রামমন্দিরে (Ayodhya Ram Temple) গৈরিক ধ্বজ উত্তোলনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি চরম তুঙ্গে। সারা দেশজুড়ে রামভক্তদের মনে এখন ব্যাপক উন্মাদনা। রাম মন্দির নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হওয়ার পথে। এই আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Pm Modi)। গেরুয়া পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে দেশের ভর কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে রামনগরী। ইতিমধ্যে শহর জুড়ে নানা আলোকসজ্জা এবং রঙিন আর্টে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্ত এবং গণ্যমান্য অতিথিদের আগমন শুরু হয়েছে।

    মন্দির পূর্ণতার দিকে (Ayodhya Ram Temple)

    আযোধ্যা রামমন্দির (Ayodhya Ram Temple) হিন্দু সংস্কৃতির প্রধান ধারক বাহক। রামায়ণের শ্রীরাম এবং অযোধ্যানগরী অত্যন্ত ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। রামকে অযোধ্যা ছাড়া কল্পনা করা যেমন অসাধ্য ঠিক তেমনি অযোধ্যাকে ছাড়া রামও অসম্পূর্ণ। ৫০০ বছরের ঐতিহাসিক, সামাজিক, ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতীক রাম। রাম নাম ছাড়া জগত উদ্ধার সম্ভব নয়। হিন্দু ধর্মের পুনঃজাগরণ এবং রামলালার জন্মস্থানে মন্দির স্থাপনা করা ভারতীয় সনাতন সংস্কৃতির গভীর আস্থা এবং বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ভাবনা। ২০২৪ সালে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা থেকে গৈরিক ধ্বজ উত্তোলনের সময় পর্যন্ত মন্দির যে ক্রমশ পূর্ণ থেকে পূর্ণত্তোমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তা অনেকেই রামভক্তরা মনে করছেন। তবে এই গেরুয়া বর্ণের পতাকা শ্রী রামের ধর্মীয় মহিমার প্রতীক। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই পতাকা তৈরি করা হয়েছে।

    ১৬১ ফুট উঁচু শিখরের উপর স্থাপন

    সূর্য, ওঁ এবং কোভিদার গাছের প্রতীক বহন করবে ২২ ফুট বাই ১১ ফুট লম্বা এই পতাকাটি। আনুমানিক ১৬১ ফুট উঁচু শিখরের উপর স্থাপন করা হবে। তবে ৪২ ফুট উঁচু কাঠামো থেকে একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে উঠবে। এই বিরাট পতাকা বা ধ্বজ উত্তোলন করতে দশ সেকেন্ডের মতো সময় লাগবে। উত্তোলনের সময় ব্যবহার করা হবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। ধ্বজ উত্তোলনের সময় মন্দিরের ঘণ্টা বাজানো হবে এবং বৈদিক মন্ত্রের প্রতিধ্বনিত দেওয়া হবে। পতাকাটি তিন কিলোমিটার দূর থেকেও আকাশে দেখা যাবে।

    পতাক উত্তোলনের সময় দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Pm Modi) তিন ঘন্টার মতো সময় ব্যয় করে ভ্রমণ করবেন। পথে হনুমানগড়ি এবং রাম লালার গর্ভগৃহে পূজা করবেন। তারপরে সপ্ত মন্দির পরিকোটা, শেষাবতার মন্দির এবং রামায়ণের দেয়ালচিত্র পরিদর্শন একে একে পরিদর্শন করবেন। মন্দির নির্মাণের পিছনে বিভিন্ন প্রযুক্তিবিদ, শ্রমিক, ইঞ্জিনিয়ার, রক্ষীকর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বার্তালাপ করবেন।

    ৮,০০০ অতিথি আসার সম্ভাবনা

    সামগ্রিক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের কারণে ২৫ নভেম্বর জনসাধারণের দর্শনকে স্থগিত করা হয়েছে। ২৬ নভেম্বর থেকে ভক্তদের আবার প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। পতাকা (Ayodhya Ram Temple) উত্তোলনে দিনব্যাপী উৎসবে প্রায় ৮,০০০ অতিথি আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে মন্দিরে প্রথম রাম-সীতা বিবাহ অনুষ্ঠান দেখানো হবে। এই তীর্থ পুরমে ২,৫০০ দর্শনার্থীর জন্য তাবুতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যদিকে অযোধ্যা জুড়ে ৫,০০০ এরও বেশি কক্ষ বুক করা হয়েছে। রাম মন্দির ট্রাস্ট এই কক্ষগুলির মধ্যে ১,৬০০টি কক্ষকে তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে সামগ্রিক ভাবে ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য।

    রামমন্দিরের এই গৈরিক পতাকা আমেদাবাদে তৈরি করা হয়েছে। পতাকাটি নাইলন প্যারাসুট ফ্যাব্রিক দিয়ে তৈরি, যা তাপ, বৃষ্টি এবং তীব্র বাতাস সহ্য করার জন্য তৈরি। এর ডাবল-কোটেড সিন্থেটিক স্তর আর্দ্রতা শোষণ এবং তাপমাত্রার প্রভাব কমাবে। অন্যদিকে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ফলে পুরোহিতদের উচ্চ শিখরে উঠতে হবে না। তবে শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট এখনও ধ্বজ উত্তোলনের সময়সূচী নির্ধারণ করেনি।

    অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু ২১ নভেম্বর থেকেই

    মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র বলেন, “শুভ মুহুর্তটি বেছে নেওয়া হয়েছে কারণ এটি ভগবান রামের (Ayodhya Ram Temple) জন্মের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত আচার-অনুষ্ঠানের জন্য সবচেয়ে শুভ সময়গুলির মধ্যে একটি। প্রস্তুতিমূলক অনুষ্ঠানগুলি ২১ নভেম্বর শুরু হবে, মূল অনুষ্ঠান পর্যন্ত যজমানরা কমপ্লেক্সের ভিতরে থাকবেন।

    থাকবেন মোহন ভাগবত এবং যোগী আদিত্য নাথ 

    রাম-সীতা বিবাহ অনুষ্ঠানে নেপালের জনকপুর থেকে অংশগ্রহণ করবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মতো নেতারা উপস্থিত থাকবেন। তীর্থক্ষেত্র পুরমে ১,৬০০ অতিথির জন্য একটি তাবুর শহর প্রায় প্রস্তুত, যেখানে খাবারের কাউন্টার, প্রসাদের স্টল এবং সরাসরি দেখার জন্য এলইডি স্ক্রিনও থাকবে।”

    মন্দিরের প্রসাদ প্রসঙ্গে নৃপেন্দ্র মিশ্র  আরও বলেন, “রাম লালার উদ্দেশ্যে নিবেদন এবং উপস্থিতদের মধ্যে বিতরণের জন্য ঘি, বেসন এবং শুকনো ফল দিয়ে তৈরি পাঁচশো কেজি লাড্ডু প্রস্তুত করা হচ্ছে। দর্শনার্থীদের জিনিসপত্রের জন্য ১০,০০০ এরও বেশি লকার স্থাপন করা হয়েছে। মন্দিরে প্রবেশ এবং প্রস্থান পথের পাশে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ছাউনি ছায়া এবং আশ্রয় প্রদানের জন্য একটি শেড প্রস্তুত করা হয়েছে। অযোধ্যা এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতির মুহূর্তে সেজে উঠছে। সনাতনী ধর্মীয় বিশ্বাস এবং রাষ্ট্রীয় নৈপুণ্যের একটি ঐতিহাসিক চিত্র প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।

  • SIR: ২৮ বছর পর ‘মৃত’ ব্যক্তিকে পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দিল এসআইআর

    SIR: ২৮ বছর পর ‘মৃত’ ব্যক্তিকে পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দিল এসআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর (SIR) ফলে পরিবারের মৃত ভাবা এক ব্যক্তি তিন দশক পর বাড়িতে ফিরলেন। জানা গিয়েছে ২৮ বছর ধরে তাঁর বাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না। পশ্চিমবঙ্গ নিবিড় তালিকা সংশোধনের কাজ চলার মধ্যে অবশেষে বাড়ি ফিরে এলেন। ভোটার তালিকায় তাহলে কেন জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বলা হয়েছে, নির্বাচনী ভোটার তালিকায় এমন রেকর্ড কীভাবে বা এসেছে। এই রকম নানা প্রশ্নে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় (North 24 Parganas)।

    ১৯৯৭ সাল থেকেই নিখোঁজ

    সোমবার বিকেলে সুপ্রিয়া মণ্ডল নিজের বাড়িতেই দরজা খুলে দেখেন, যে পুরুষের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছিলেন, সেই তাঁর স্বামী জগদ্বন্ধু মণ্ডল সশরীরে উপস্থিত। তাঁর বয়স এখন ৫৫, তাঁর বাবা বিজয় মণ্ডল দেখেই তাৎক্ষণিক ভাবে দেখেই চিনতে পেরেছেন ছেলেকে। তবে নির্বাচনী ভোটার তালিকায় জগদ্বন্ধু মণ্ডলের নাম মৃত ঘোষণা করে বাদ দিয়ে দিয়েছিল। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শীতকালে জগদ্বন্ধু নিজের স্ত্রী এবং ছোট দুই সন্তানকে রেখে নিখোঁজ হয়েছিলেন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ডায়েরি, আত্মীয়-স্বজনদের কাছে আবেদন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদও চলেছিল লাগাতার। পরে প্রশাসনের তরফে তাঁর মৃত্যু ঘোষণা করলে অসহায় পরিবারটি অবশেষে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে বাধ্য হয়। প্রায় তিন দশক ধরে পরিবারের তরফে মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন যে জগদ্বন্ধু আর কোনও দিন বাড়ি ফিরবেন না।

    জগদ্বন্ধুকে নিয়ে নানা মহলে গুঞ্জন

    এলাকার (North 24 Parganas) বুথ কমিটির সদস্য সমীর গুহ (SIR) বলেন, “বুথ লেভেল অফিসারের কাছে গত ২৮ বছর ধরে জগদ্বন্ধু সম্পর্কে কোনও নথিপত্র এবং তথ্য ছিল না। ২০০২ সালের পর থেকে তাঁর নাম উধাও হয়ে যায়। এইবার এসআইআর আবহে তিনি আবার ফিরে এসেছেন।” তবে এসআইআর-এর জন্য যখন প্রত্যেকে ভোটার আইডি, জমির কাগজপত্র এবং বসবাসের প্রমাণপত্র দেখানোর বিষয় উঠে এসেছে তখনই জগদ্বন্ধুকে পুনরায় বাড়িতে ফিরে আসতে বাধ্য করেছে।

    তবে এলাকাবাসীদের (North 24 Parganas) জগদ্বন্ধুকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন বাঁকুড়ার ভোটার তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। তবে সেখানে সুলেখা মণ্ডল নামক এক মহিলার সঙ্গে বসবাস করেন। সুলেখার স্বামীর নাম জগদ্বন্ধু মণ্ডল নামেই নথিবদ্ধ। আবার অপর আরেক মহলের মত, জগদ্বন্ধু নিজে সঠিক তথ্য দেননি। গুজরাট, মুম্বই, বাঁকুড়া এবং ছত্তিশগড়ে কাজ করেছেন। তবে সম্প্রতি কাজ হারিয়েছেন তাই ফিরে এসেছেন। এদিকে জগদ্বন্ধুর পুরনো ভোটার লিস্টে (SIR) নাম বাদ গেলেও এইবার সঠিক কাগজ বা উপযুক্ত নথি দিয়ে আবার নিজের নাম তালিকায় তুলতে পারবেন। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যে বিরাট শোরগোল পড়েছে।

  • Ramakrishna 511: “ঠাকুর কর্তাভজাদের সম্বন্ধে অনেক কথা বলিলেন,—রূপ, স্বরূপ, রজঃ, বীজ, পাকপ্রণালী ইত্যাদি”

    Ramakrishna 511: “ঠাকুর কর্তাভজাদের সম্বন্ধে অনেক কথা বলিলেন,—রূপ, স্বরূপ, রজঃ, বীজ, পাকপ্রণালী ইত্যাদি”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুলাই
    কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ ও পূর্ণাদি

    তেজচন্দ্রের সংসারত্যাগের প্রস্তাব 

    ঠাকুর তেজচন্দ্রের সহিত কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (তেজচন্দ্রের প্রতি) — তোকে এত ডেকে পাঠাই, — আসিস না কেন? আচ্ছা, ধ্যান-ট্যান করিস, তা হলেই আমি সুখী হব। আমি তোকে আপনার বলে জানি, তাই ডাকি।

    তেজচন্দ্র — আজ্ঞা, আপিস যেতে হয়, — কাজের ভিড়।

    মাস্টার (সহাস্যে) — বাড়িতে বিয়ে, দশদিন আপিসের ছুটি নিয়েছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তবে!— অবসর নাই, অবসর নাই! এই বললি সংসারত্যাগ করবি।

    নারাণ—মাস্টার মহাশয় একদিনে বলেছিলেন—wilderness of this world — সংসার অরণ্য।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—তুমি ওই গল্পটা বল তো, এদের উপকার হবে। শিষ্য ঔষধ খেয়ে অজ্ঞান হয়ে আছে। গুরু এসে বললেন, এর প্রাণ বাঁচতে পারে, যদি এই বড়ি কেউ খায়। এ বাঁচবে কিন্তু বড়ি যে খাবে সে মরে যাবে।

    “আর ওটাও বল—খ্যাঁচা ম্যাঁচা। সেই হঠযোগী যে মনে করেছিল যে পরিবারাদি — এরাই আমার আপনার লোক।”

    মধ্যাহ্নে ঠাকুর শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের প্রসাদ পাইলেন (Kathamrita)। বলরামের জগন্নাথদেবের সেবা আছে। তাই ঠাকুর বলেন, ‘বলরামের শুদ্ধ অন্ন।’ আহারান্তে কিঞ্চিৎ বিশ্রাম করিলেন।

    বৈকাল হইয়াছে। ঠাকুর ভক্তসঙ্গে (Kathamrita) সেই ঘরে বসিয়া আছেন। কর্তাভজা চন্দ্রবাবু ও রসিক ব্রাহ্মণটিও আছেন। ব্রাহ্মণটির স্বভাব একরকম ভাঁড়ের ন্যায়,—এক-একটি কথা কন আর সকলে হাসে।

    ঠাকুর কর্তাভজাদের সম্বন্ধে অনেক কথা বলিলেন,—রূপ, স্বরূপ, রজঃ, বীজ, পাকপ্রণালী ইত্যাদি।

    ঠাকুরের ভাবাবস্থা—শ্রীযুক্ত অতুল ও তেজচন্দ্রের ভ্রাতা

    ছটা বাজে। গিরিশের ভ্রাতা অতুল, ও তেজচন্দ্রের ভ্রাতা আসিয়াছেন। ঠাকুর ভাবসমাধিস্থ হইয়াছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ভাবে বলিতেছেন, “চৈতন্যকে ভেবে কি অচৈতন্য হয়? — ঈশ্বরকে চিন্তা করে কেউ কি বেহেড হয়?—তিনি যে বোধস্বরূপ!”

    আগন্তুকদের ভিতর কেউ কি মনে করিতেছিলেন যে, বেশি ঈশ্বরচিন্তা করিয়া ঠাকুরের মাথা খারাপ হইয়া গিয়াছে?

    এগিয়ে পড়’—কৃষ্ণধনের সামান্য রসিকতা

    ঠাকুর কৃষ্ণধন (Ramakrishna) নামক ওই রসিক ব্রাহ্মণকে বলিতেছেন — “কি সামান্য ঐহিক বিষয় নিয়ে তুমি রাতদিন ফষ্টিনাষ্টি করে সময় কাটাচ্ছ। ওইটি ঈশ্বরের দিকে মোড় ফিরিয়ে দাও। যে নুনের হিসাব করতে পারে, সে মিছরির হিসাবও করতে পারে।”

  • Saalumarada Thimmakka: ১১৪ বছর বয়সে প্রয়াত গাছেদের মা পদ্মশ্রী সালুমারাদা থিম্মাক্কা

    Saalumarada Thimmakka: ১১৪ বছর বয়সে প্রয়াত গাছেদের মা পদ্মশ্রী সালুমারাদা থিম্মাক্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১১৪ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন গাছমাতা পদ্মশ্রী সালুমারাদা থিম্মাক্কা (Saalumarada Thimmakka)। বেঙ্গালুরুর এই মহিলা ছিলেন পরিবেশবিদ এবং গাছপ্রেমী (Vrikshamate)। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় ৩৮৫টি বটগাছ লাগিয়েছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন, চিকিৎসাও চলছিল। তাঁর মৃত্যুতে পরিবেশবিদদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    গাছ ছিল তাঁর সন্তান (Saalumarada Thimmakka)

    ১৯১১ সালের ৩০ জুন কর্নাটকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন থিম্মাক্কা (Saalumarada Thimmakka) । তাঁর কোনও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। তা সত্ত্বেও পরিবেশ রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে গিয়েছেন তিনি। রামনগর জেলার হুলিকাল এবং কদুরের মধ্যে ৪.৫ কিমি দীর্ঘ রাস্তায় ৩৮৫টি বট গাছের চারা রোপণ করেছেন তিনি। এজন্য জাতীয় ওআন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি। থিম্মাক্কা নিঃসন্তান হওয়ায় গাছ লাগানোর মধ্যেই মাতৃত্বকে খুঁজে বেড়াতেন। একজন নারী হয়ে বৃক্ষ রোপণ এবং পরিচর্যার মধ্যে দিয়ে মা হওয়ার শখ পূরণ করেছেন।

    স্নেহময়ী সালুমারাদার কন্নড় ভাষায় অর্থ হল গাছের সারি। কয়েক প্রজন্মের মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন নিজের পরিবেশপ্রেমী ভাবনার দ্বারা। তিনি নিজে বেঁচে থাকাকালীন একাধিক সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি পান পদ্মশ্রী। ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী বৃক্ষমিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন ১৯৯৭ সালে। জাতীয় নাগরিক পুরস্কার পান ১৯৯৫ সালে। ২০১০ সালে হাম্পি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পান নাদোজা পুরস্কার।

    রাজনৈতিক মহলে শোক প্রকাশ

    তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলেও। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া শোক প্রকাশ করে বলেন, “বৃক্ষমাতা সালুমারাদা থিম্মাক্কার (Saalumarada Thimmakka) মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি দুঃখিত। হাজার হাজার গাছ লাগিয়ে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করে, থিম্মাক্কা (Vrikshamate) তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময়টা পরিবেশ সংরক্ষণে উৎসর্গ করেছেন।”

    কর্নাটক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আর অশোক বলেন, “আমাদের গর্বিত পদ্মশ্রী পুরষ্কারপ্রাপ্ত বৃক্ষমাতা ডঃ সালুমারা থিম্মাক্কার মৃত্যুর খবর শুনে আমি দুঃখিত। তিনি রাস্তার ধারে বটগাছ রোপণ করেছিলেন এবং ঘোষণা করেছিলেন গাছেরাই আমার সন্তান। থিম্মাক্কার আত্মা চির শান্তিতে বিরাজমান থাকুক। আসুন আমরা পরিবেশ সেবক, রক্ষক এবং আমাদের চারপাশের পরিবেশ লালন-পালনের ক্ষেত্রে তাঁর উদাহরণ অনুসরণ করে শ্রদ্ধা জানাই।”

LinkedIn
Share