Category: পড়াশোনা

Get updated Education and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Charu Pandey: ১৯ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু পান্ডে

    Charu Pandey: ১৯ সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাফল্য, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু পান্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীদের কাছে অনুপ্রেরণার আর এক নাম ছত্তিশগড়ের তিলদা-নেওরার বছর তেইশের তরুণী চারু পান্ডে (Charu Pandey)। এক বা দু’টি নয়, সব মিলিয়ে মোট ১৯টি প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরির পরীক্ষায় (Government Exams) উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়েছেন তিনি। চারু এখন বিশাখাপত্তনমে ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG) দফতরে অ্যাসিস্ট্যান্ট অডিট অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। এটি তাঁর স্বপ্নের চাকরি।

    স্বর্ণপদক পাচ্ছেন চারু (Charu Pandey)

    চারুর এই অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর হাতে তুলে দেবেন স্বর্ণপদক। গণিতে স্নাতক চারু কলেজে পড়াশোনা করা কালীনই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেন। কোনও কোচিং সেন্টারে ভর্তি না হয়ে সেল্ফ-স্টাডির মাধ্যমে একের পর এক পরীক্ষায় সফল হন তিনি। চারুর সাফল্যের তালিকায় রয়েছে এসএসসি সিজিএল, এসএসসি সিএইচএসএল, এসএসসি এমটিএস, এসএসসি জিডি, এসএসসি সিপিও, এসবিআই পিও, এসবিআই ক্লার্ক, আইবিপিএস পিও, আইবিপিএস ক্লার্কের পাশাপাশি বিভিন্ন রেলওয়ে এবং রাজ্যস্তরের নিয়োগ পরীক্ষা।

    চারুর কঠোর ‘সাধনা’

    চারু জানান, প্রথমে এতগুলি পরীক্ষায় বসার কোনও পরিকল্পনা তাঁর ছিল না। একটি পরীক্ষার ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগত, তাই অপেক্ষা না করে তিনি পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি সেরে ফেলতেন। এভাবেই একের পর এক সুযোগ কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছে তাঁর এই অনন্য সাফল্যের ইতিহাস। প্রস্তুতির জন্য চারু ছত্তিশগড়ের রায়পুরে একটি গেস্ট হাউসে ছ’মাস একা একা কাটিয়েছেন, যাতে পড়াশোনায় কোনও বাধা না আসে। সেই সময় তিনি দিনে প্রায় ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত পড়াশোনা করতেন। তবে শুধু পড়াশোনা নয়, মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে অন্যান্য কাজেও সময় দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। ওই সময় তিনি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পড়াতেন, যা তাঁর নিজের বিষয়ভিত্তিক ধারণাকেও আরও শক্তিশালী করেছিল।

    সাফল্যের মূল চাবিকাঠি

    চারুর (Charu Pandey) মতে, সফলতার মূল চাবিকাঠি হল গভীরভাবে পড়াশোনা করা। তিনি বলেন, “পুরো সিলেবাস শেষ করার পেছনে না ছুটে যতটুকু পড়বেন, সেটাকে একেবারে পোক্ত করে তুলুন।” কোচিং না করেও অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়েছেন চারু। বিভিন্ন শিক্ষকের ইউটিউব লেকচার দেখে প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং কোনও বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হলে সাহায্য নিয়েছেন এআইয়ের (AI)। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে তাঁর (Charu Pandey) পরামর্শ, সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে হবে, ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে এবং মানসিক চাপের বিষয়ে পরিবারের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে (Government Exams)। চারুর বাবা-মা জানান, তাঁরা মেয়েকে খুব বেশি বইপত্র নিয়ে বসে থাকতে দেখতেন না, যদিও তাঁর ওপর সবসময়ই আস্থা ছিল। ছোট শহরের এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে থেকে দেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সরকারি চাকরিতে চারুর (Charu Pandey) পৌঁছানোর এই যাত্রা প্রমাণ করে, ব্যয়বহুল কোচিং নয়, বরং ধারাবাহিকতা, আত্মনিয়োগ এবং সঠিক কৌশলই সাফল্যের আসল (Government Exams) চাবিকাঠি।

     

  • NEET-UG 2026: নিট রি-এক্সামের আগে ডিজিটাল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক কেন্দ্রের! ভুয়ো খবর, প্রশ্নফাঁস রুখতে ২২ জুন পর্যন্ত দেশজুড়ে নিষিদ্ধ টেলিগ্রাম

    NEET-UG 2026: নিট রি-এক্সামের আগে ডিজিটাল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক কেন্দ্রের! ভুয়ো খবর, প্রশ্নফাঁস রুখতে ২২ জুন পর্যন্ত দেশজুড়ে নিষিদ্ধ টেলিগ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠিত হতে চলা নিট (NEET-UG 2026) পুনর্পরীক্ষার ঠিক আগে বড়সড় ডিজিটাল স্ট্রাইক করল কেন্দ্রীয় সরকার। পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভুয়ো খবর ছড়ানো রুখতে দেশজুড়ে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (Ban) করা হল জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ ‘টেলিগ্রাম’ (Telegram)। জাতীয় পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা বা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র সুনির্দিষ্ট সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) তথ্যপ্রযুক্তি আইনের (IT Act, 2000) ধারা ৬৯এ (Section 69A)-এর অধীনে এই জরুরি নির্দেশিকা জারি করেছে। আগামী ২২ জুন পর্যন্ত ভারতে টেলিগ্রামের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে, যা নিট পুনর্পরীক্ষার দিন এবং তার ঠিক পরের সময়টুকুকে কভার করবে।

    কেন এই নিষেধাজ্ঞা? সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য (NEET-UG 2026)

    ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে একাধিক সুসংগঠিত চিটিং র‍্যাকেট এবং সাইবার প্রতারক চক্র টেলিগ্রামকে (Telegram) হাতিয়ার করে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ফাঁদে ফেলছিল। গোয়েন্দা ও সাইবার ক্রাইম শাখার নজরে আসে যে, টেলিগ্রামে— ‘‘PAPER LEAKED NEET’’, ‘‘Re-NEET 2026’’, ‘‘Private Mafia’’ এবং ‘‘REE NEET MAFIAA’’— এর মতো নামে অসংখ্য ভুয়ো চ্যানেল চালানো হচ্ছিল। এই চ্যানেলগুলির মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছিল যে তাদের কাছে পরীক্ষার আসল প্রশ্নপত্র রয়েছে। এর বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক হাজার টাকা থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছিল। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NEET-UG 2026) স্পষ্ট করে জানিয়েছে— ‘‘সুরক্ষিত পরীক্ষা ব্যবস্থার বাইরে কোনও প্রশ্নপত্র কোথাও উপলব্ধ নেই। যারা এই ধরণের প্রশ্নপত্র পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, তারা প্রত্যেকেই বড়সড় জালিয়াতি চক্রের অংশ।’’

    কীভাবে তৈরি হত জাল ‘পেপার লিক-এর প্রমাণ?

    টেলিগ্রাম (Telegram) অ্যাপটি পুরোপুরি ব্যান করার পাশাপাশি সরকার আরও একটি কড়া নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ভারতে টেলিগ্রামের ‘মেসেজ এডিটিং’ (Message-editing) ফিচারটি সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় বা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। তদন্তে নেমে সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানতে পেরেছেন, এই জালিয়াতি চক্রগুলি টেলিগ্রামের একটি বিশেষ টেকনিক্যাল লুপহোল (ত্রুটি) ব্যবহার করছিল।

    • ১> পরীক্ষার আগে: প্রতারকরা চ্যানেলে একটি সাধারণ মেসেজ বা সাধারণ কোনো পিডিএফ পোস্ট করে রাখত।
    • ২> পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর: যখন আসল পরীক্ষা শেষ হয়ে যেত, তখন তারা পুরোনো মেসেজটি এডিট করে সেখানে আসল প্রশ্নপত্রটি ঢুকিয়ে দিত।
    • ৩> ফলাফল: যেহেতু মেসেজ এডিট করলেও তার মূল ‘টাইমস্ট্যাম্প’ (কোন সময়ে পোস্ট করা হয়েছিল) অপরিবর্তিত থাকে, তাই স্ক্রিনশট দেখে মনে হত পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই বুঝি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গেছে! এইভাবে বাজারে কৃত্রিম ‘‘প্রশ্ন ফাঁসের’’ গুজব ছড়িয়ে কোটি কোটি টাকার খেলা চলছিল। ৩০ জুন পর্যন্ত এডিটিং ফিচার বন্ধ করে এই জালিয়াতির রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ করা হল।

    দেশজুড়ে বড়সড় অ্যাকশন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে থাকা ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (I4C) বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশের সঙ্গে মিলে এই চক্রগুলির বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই আহমেদাবাদ সিটি সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ (Telegram) এমন একটি আন্তঃরাজ্য চক্রের সন্ধান পেয়েছে যারা ৮টি টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে প্রায় ১.৫ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা চালিয়েছে। গত ৯ জুন বিহার পুলিশের ইকোনমিক অফেন্সেস উইং (EOU)-ও এই বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের সতর্ক করে একটি অ্যাডভাইজরি জারি করেছিল।

    ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র দুঃখপ্রকাশ ও পরীক্ষার্থীদের বার্তা

    হঠাৎ করে টেলিগ্রাম বন্ধ হওয়ায় দেশের লক্ষ লক্ষ সাধারণ ব্যবহারকারী সাময়িক সমস্যায় পড়বেন স্বীকার করে আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ করেছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। তবে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই কড়া পদক্ষেপ (NEET-UG 2026) নেওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী কোনও সমস্যা ছাড়াই তাদের অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করেছেন। কোনও পরীক্ষার্থী যদি ইন্টারনেটে এমন কোনও প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবি বা জালিয়াতির মুখোমুখি হন, তবে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সাইবার ক্রাইম হেল্পলাইন নম্বর ১৯৩০ (1930)-এ যোগাযোগ করে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে।

  • NEET-UG 2026: নিট পরীক্ষায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা! প্রশ্নপত্র সামলাবে বায়ুসেনা, গোপন ডেরায় ঠাই পেপার-সেটারদের

    NEET-UG 2026: নিট পরীক্ষায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা! প্রশ্নপত্র সামলাবে বায়ুসেনা, গোপন ডেরায় ঠাই পেপার-সেটারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘নিট-ইউজি’ (NEET-UG 2026)-এর পুনর্পরীক্ষা ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠিত হতে চলা এই পুনর্পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেশের ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে প্রথমবারের মতো ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। নিট পুনর্পরীক্ষাকে (NEET-UG Re-Exam) সম্পূর্ণ নিশ্ছিদ্র ও সুরক্ষিত করতে শিক্ষা মন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার শীর্ষ স্তরের বৈঠকের পর একটি বিশেষ ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে।

    একাধিক কঠোর পদক্ষেপ

    দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক এবং প্রশ্নফাঁসের গুরুতর অভিযোগের জেরে গত ৩ মে অনুষ্ঠিত হওয়া ‘নিট-ইউজি’ (NEET-UG 2026) পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছিল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। আগামী ২১ জুন এই পরীক্ষার রি-টেস্ট বা পুনর্পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা এবং পুনরায় যে কোনও ধরণের জালিয়াতি রুখতে এবার ভারতের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র সরকার। নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার সরাসরি আসরে নামছে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)। এবার যাতে কোনওভাবেই প্রশ্নপত্র ফাঁস বা কারচুপির অভিযোগ না ওঠে, সেজন্য একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান ব্যবহার

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র পরিবহনের পুরো প্রক্রিয়াকে আরও সুরক্ষিত ও স্বচ্ছ করতে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান ব্যবহার করা হবে। এর ফলে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবহণের সময় কোনও ধরনের হস্তক্ষেপ বা কারচুপি রোধ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সমস্ত রকম ঝুঁকি এড়াতে এবার আর সাধারণ ডাক বিভাগ বা সড়কপথের ওপর নির্ভর করা হচ্ছে না। বায়ুসেনার বিশেষ পরিবহন বিমান এবং শক্তিশালী ‘মি-১৭’ (Mi-17) হেলিকপ্টারের মাধ্যমে প্রশ্নপত্রগুলি আকাশপথে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠানো হবে।

    ১৮টি স্ট্র্যাটেজিক লোকেশন চিহ্নিতকরণ

    দেশের মোট ১৮টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। বায়ুসেনার তত্ত্বাবধানে মূল বিতরণ কেন্দ্র থেকে এই ১৮টি লোকেশনে প্রশ্নপত্রের গোপন প্যাকেটগুলি উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখান থেকে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে প্রশ্নপত্র পৌঁছাবে পরীক্ষাকেন্দ্রে।

    প্রায় ৫ লক্ষ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন

    এছাড়াও, দেশজুড়ে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে প্রায় ৫ লক্ষ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে। পরীক্ষার উপর নজরদারি চালাতে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহারেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে। সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এই প্রযুক্তি কাজে লাগানো হবে।

    কঠোর নজরদারির মধ্যে প্রশ্নপত্র তৈরি

    পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়নের ক্ষেত্রেও নেওয়া হয়েছে কড়া সতর্কতা। বিশেষজ্ঞ শিক্ষক ও বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল কঠোর নজরদারির মধ্যে প্রশ্নপত্র তৈরি করেছেন। তাঁদের সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি। নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরিকারক, মডারেটর এবং অনুবাদকদের সম্পূর্ণ গোপন একটি সুরক্ষিত আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা একপ্রকার নজরবন্দি অবস্থায় থাকবেন। তাঁদের মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেটের মতো বাহ্যিক যোগাযোগের সমস্ত মাধ্যম সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।

    শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সক্রিয় সরকার

    বিগত দিনে নিট পরীক্ষা নিয়ে হওয়া কেলেঙ্কারি দেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা সম্পূর্ণ নাড়িয়ে দিয়েছিল। বর্তমানে পুরো বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI) তদন্ত চালাচ্ছে। এমতাবস্থায় আগামী ২১শে জুনের পুনর্পরীক্ষাকে সরকারের পক্ষ থেকে একটি আস্থা ফেরানোর লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের একটি শিক্ষাগত প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সুরক্ষিত রাখতে সামরিক বাহিনীর সাহায্য নেওয়া যেমন নজিরবিহীন, তেমনই এটি প্রমাণ করে যে সরকার এবার পরীক্ষার শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কতটা মরিয়া ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    বহুস্তরীয় নিরাপত্তা কাঠামো

    গত ২ মে ২২ লাখ পরীক্ষার্থী নিট পরীক্ষা দিয়েছিলেন। এরপরই সামনে আসে সেই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের তথ্য। ঘটনার তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের বেশিরভাগই অধ্যাপক এবং তাঁরা পরীক্ষক সংস্থা এনটিএ-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অর্থাৎ সর্ষের মধ্যেই ছিল ভূত। এই ঘটনায় বিতর্ক চরমে উঠতেই নিটের পুনঃপরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় এনটিএ। আগামী ২১ জুন হতে চলেছে সেই পরীক্ষা। এখানে যাতে কোনওরকম জালিয়াতির ঘটনা না ঘটে তা নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে কেন্দ্র। নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শীর্ষ আধিকারিকদের তরফে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা প্রক্রিয়াকে সুরক্ষিত রাখতে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে যার প্রথম ধাপ হল, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারীদের পৃথক রাখা। প্রশ্নপত্র তৈরি ও অনুবাদ থেকে শুরু করে নিরীক্ষণ, মুদ্রণ, প্যাকেজিং, পরিবহন এবং তা পরীক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছন পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়কে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। শুধু তাই নয়, প্রশ্নপত্র পরিবহণকে নিরাপদ রাখতে বায়ুসেনার বিমান এবং তা পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছন পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলা হচ্ছে।

  • CBSE: অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম নিয়ে প্রবল বিতর্ক, সরানো হল সিবিএসইর চেয়ারম্যান-সচিবকে

    CBSE: অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম নিয়ে প্রবল বিতর্ক, সরানো হল সিবিএসইর চেয়ারম্যান-সচিবকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন চালু হওয়া অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম (On Screen Marking System) নিয়ে প্রবল বিতর্কের জেরে সরিয়ে দেওয়া হল সিবিএসই (CBSE)-এর চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তকে। এই পদক্ষেপ এমন একটা সময়ে নেওয়া হল, যখন সিবিএসই পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেমের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

    তদন্তের জন্য কমিটি (CBSE)

    অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা ক্রয় প্রক্রিয়া তদন্তের জন্য একটি কমিটিও গড়া হয়েছে। এক সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন এসরাধা চৌহান। তিনি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কমিশনের চেয়ারপার্সন। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে ডিপার্টমেন্ট অব পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং (DoPT)-এর কাছে তাদের রিপোর্ট পেশ করতে হবে। অনিয়মগুলির মধ্যে ছিল উত্তরপত্রের অদলবদল, মূল্যায়নে ভুল, ত্রুটিপূর্ণ যাচাই এবং নম্বর বা গ্রেড বরাদ্দে গরমিল। যেসব শিক্ষার্থী তাদের উত্তরপত্রের স্ক্যান করা কপি চেয়েছিল, তারা দেখতে পায় যে আপলোড করা কপিগুলি তাদের নিজেদের উত্তরপত্র নয়। সিবিএসই আধিকারিকরা স্বীকার করেছেন, মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সময় প্রায় ২০টি উত্তরপত্রের অমিলের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে।

    প্রযুক্তিগত সমস্যা

    শিক্ষার্থী এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরাও ওয়েবসাইটের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা ও দুর্বলতার কথা তুলে ধরেছেন। মূল্যায়ন পোর্টালে অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা, ঝাপসা বা অনুপস্থিত পৃষ্ঠা দেখানোর মতো সমস্যাও দেখা গিয়েছে। অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম (On Screen Marking System) পরিচালনাকারী পরিষেবা প্রদানকারী অনমার্ক (OnMark) পোর্টালকে ঘিরে সাইবার নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলার জন্য সিবিএসই একটি নতুন পোর্টাল চালু করে। রবিবার বোর্ড জানায়, তারা বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং আইআইটির সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একটি টিমকে কাজে লাগিয়েছে, যাতে প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা যায়। পোর্টালটি চালু থাকবে ৬ জুন, ২০২৬ রাত ১২টা পর্যন্ত।

    চুক্তির শর্ত

    সিবিএসই (CBSE) ডিজিটাল স্ক্যানিং এবং অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন ব্যবস্থার দায়িত্ব দিয়েছিল হায়দরাবাদ-ভিত্তিক সংস্থা Coempt Edu Teck-কে। তাদের কাজ ছিল, উত্তরপত্র স্ক্যান এবং ডিজিটাল মূল্যায়ন পরিচালনা করা। অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম ব্যবস্থাকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশের পর টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। জানা গিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী, পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে এবং প্রয়োজনে চুক্তি বাতিলও করা যেতে পারে, যদিও, তাদের ব্ল্যাকলিস্ট করা যাবে না। চুক্তিতে এও বলা হয়েছিল, সিবিএসইর পক্ষ থেকে চিহ্নিত কোনও গুরুতর সমস্যা সমাধানে প্রতি ১৫ মিনিট দেরির জন্য ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে (On Screen Marking System)।

    সিকিউরিটি ডিপোজিট বাজেয়াপ্ত করার শর্ত

    সমস্যার মূল কারণ বিশ্লেষণ এবং সংশোধনমূলক কর্মপরিকল্পনা জমা দিতে প্রতি ৬০ মিনিট দেরির জন্যও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে।গুরুতর অনিয়মের ক্ষেত্রে সিবিএসই সিকিউরিটি ডিপোজিট বাজেয়াপ্ত এবং চুক্তি বাতিল করতে পারবে। মঙ্গলবার দুই শীর্ষ আধিকারিককে সরানোর সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে বিষয়টি লোকসভায় ওঠার পর। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতারা সিবিএসই এবং সরকারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁরা ঝাপসা উত্তরপত্র, মোবাইল ফোন দিয়ে স্ক্যানিং এবং শিক্ষার্থীদের তথ্য ফাঁসের মতো ঘটনাগুলির উল্লেখ করেন। মূল্যায়নে ত্রুটি এবং পুনর্মূল্যায়নের চড়া ফি নিয়ে জবাবদিহির জন্য সিবিএসই (CBSE) আধিকারিকদের এবং শিক্ষা সচিবকে তলব করেছিল শিক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটি।

     

  • NEET UG 2026: প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব এনটিএর চেয়ারম্যানকে

    NEET UG 2026: প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব এনটিএর চেয়ারম্যানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিজ্ঞাসাবাদ ও পর্যালোচনা বৈঠকের জন্য তলব করা হল এনটিএর (NTA) চেয়ারম্যান প্রদীপ কুমার জোশী এবং শিক্ষামন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের। ২১ মে ওই বৈঠকে তাঁদের হাজির থাকতে বলেছে সংসদের পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটি অন (NEET UG 2026) এডুকেশন, উইমেন, চিলড্রেন, ইয়ুথ অ্যান্ড স্পোর্টস। জানা গিয়েছে, দ্বিগ্বিজয় সিংয়ের নেতৃত্বাধীন এই সংসদীয় প্যানেল পূর্ববর্তী জাতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার বিতর্কের পর গঠিত কে রাধাকৃষ্ণণ (K Radhakrishnan) কমিটির সুপারিশ করা সংস্কারগুলির বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করবে। শিক্ষামন্ত্রকের উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বিনীত জোশীকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে। বিতর্ক-সংক্রান্ত অগ্রগতি এবং ভবিষ্যতের পরীক্ষা সংস্কারের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করতেই তলব করা হয়েছে তাঁকে।

    বৈঠকে গুরুত্ব কোন কোন বিষয়ে (NEET UG 2026)

    ওই বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে এনটিএর জবাবদিহি ব্যবস্থা, পরীক্ষার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার ওপর জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধারে প্রস্তাবিত সংস্কার। ৩ মে নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষা নিয়েছিল এনটিএ (NTA)। নাম নথিভুক্ত করেছিলেন প্রায় ২৩ লাখ শিক্ষার্থী। পরীক্ষার পরপরই অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। বিতর্কের জেরে পরীক্ষা বাতিল করে দেয় এনটিএ। পরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ঘোষণা করেন, ওই পরীক্ষাটি ফের নেওয়া হবে ২১ জুন। তিনি এও জানান, আগামী বছর থেকে নিট পরীক্ষা হবে কম্পিউটার-ভিত্তিক পদ্ধতিতে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা যাতে বাড়ে এবং অসদুপায়ের সম্ভাবনা কমে, তাই এই ব্যবস্থা। সূত্রের খবর, নিট বিতর্ক ছাড়াও কমিটি শিক্ষাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI)  ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উপায় নিয়েও আলোচনা করবে। বৈঠকে অংশ নেবেন আইআইটি মাদ্রাজ-সহ আরও কয়েকটি সংস্থার প্রতিনিধিরা।

    কারা থাকবেন বৈঠকে

    আর একটি বৈঠকে কমিটি আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি এবং ন্যাশনাল কমিশন ফর মাইনোরিটি এডুকেশনাল ইনস্টিটিউটের আধিকারিকদের সঙ্গে সংরক্ষণ নীতি, শিক্ষকের শূন্যপদ এবং ন্যাশনাল এডুকেশন পলিশি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। এছাড়াও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সংস্কার, ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশনের কার্যকারিতা এবং মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রকের সঙ্গে সম্পর্কিত সুপারিশগুলিও পর্যালোচনা করা হবে (NEET UG 2026)। নিট ইউজি ২০২৬ বিতর্কের জেরে লাখ লাখ শিক্ষার্থী প্রভাবিত হওয়ায়, সংসদীয় পর্যালোচনায় এনটিএর কার্যক্রম কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে চলেছে। আগামী দিনের আলোচনা ও সংস্কার প্রস্তাবগুলি ভারতের পরীক্ষা ব্যবস্থায় আস্থা (NTA), স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে (NEET UG 2026)।

     

  • CBSE: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়তে হবে, জানিয়ে দিল সিবিএসই

    CBSE: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়তে হবে, জানিয়ে দিল সিবিএসই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়তে হবে বলে জানিয়ে দিল সিবিএসই (CBSE)। আগামী ১ জুলাই থেকেই চালু হবে ত্রি-ভাষা শিক্ষার পাঠ (Three Language Policy)। ন্যাশনাল এডুকেশন পলিশি (এনইপি) ২০২০ এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর স্কুল এডুকেশন ২০২৩-এর অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৫ মে সিবিএসইর তরফে জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের আর-১, আর-২ এবং আর-৩ নামে তিনটি ভাষা বেছে নিতে হবে। এর মধ্যে অন্তত দু’টি ভাষা অবশ্যই ভারতীয় মাতৃভাষা হতে হবে। তবে দশম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা (R3)-এর আলাদা কোনও বোর্ড পরীক্ষা হবে না। এর মূল্যায়ন করা হবে স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মাধ্যমে।

    সিবিএসইর মূল লক্ষ্য (CBSE)

    সিবিএসই জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষার চাপ কমানো এবং পরীক্ষার পরিবর্তে শেখার ওপর জোর দেওয়া। তবে তৃতীয় ভাষায় প্রাপ্ত নম্বর বা পারফরম্যান্সের উল্লেখ থাকবে সিবিএসইর দেওয়া সার্টিফিকেটে। বোর্ড এও জানিয়েছে, তৃতীয় ভাষার নিয়মের কারণে কোনও শিক্ষার্থীকে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়া যাবে না। স্কুলগুলি সিবিএসইর বিষয় তালিকায় থাকা যে কোনও ভাষা পড়াতে পারবে। তবে শিক্ষার্থীরা বিদেশি ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে তখনই নিতে পারবে, যদি বাকি দু’টি ভাষা ভারতীয় হয়। বিদেশি ভাষা ঐচ্ছিক চতুর্থ ভাষা হিসেবেও নেওয়া যেতে পারে (CBSE)।

    নয়া ব্যবস্থা

    সিবিএসই জানিয়েছে, নতুন ব্যবস্থা কীভাবে চালু করা হবে। যেহেতু তৃতীয় ভাষার জন্য বিশেষ মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই এখনও প্রস্তুত নয়, তাই নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আপাতত নির্বাচিত আর-৩-এর ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবই ব্যবহার করবে। স্কুলগুলিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে তারা এই পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে স্থানীয় ও রাজ্যস্তরের সাহিত্যিক উপকরণ যুক্ত করবে, যাতে শিক্ষার্থীরা ভাষা সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা পায়। বোর্ড স্বীকার করেছে, কিছু স্কুলে যোগ্য ভাষা শিক্ষক নিয়োগে সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যার সমাধানে সিবিএসই অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে, যেমন— বিভিন্ন স্কুলের মধ্যে শিক্ষক ভাগাভাগি করা, ভার্চুয়াল শিক্ষার সাহায্য নেওয়া, অথবা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও যোগ্য স্নাতকোত্তরদের নিয়োগ করা (CBSE)।

    সিবিএসই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের, বিদেশ থেকে ভারতে ফেরা শিক্ষার্থীদের এবং বিদেশে অবস্থিত স্কুলগুলির জন্য বিশেষ ছাড়ের (Three Language Policy) কথাও ঘোষণা করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

     

  • NEET CBT Mode: আগামী বছর থেকে অনলাইনে হবে নিট পরীক্ষা, প্রশ্নফাঁসের পর কড়া সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    NEET CBT Mode: আগামী বছর থেকে অনলাইনে হবে নিট পরীক্ষা, প্রশ্নফাঁসের পর কড়া সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশ্নফাঁস বিতর্কে উত্তাল দেশজুড়ে মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজি ২০২৬ (NEET-UG 2026)। এই আবহেই বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। শুক্রবার তিনি জানান, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ থেকে নিট পরীক্ষা সম্পূর্ণ কম্পিউটার-ভিত্তিক (Computer-Based Test বা CBT) ফরম্যাটে নেওয়া হবে। ২০২৬ সালের পরীক্ষায় কথিত প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের পর পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, সুরক্ষিত এবং জবাবদিহিমূলক করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সরকার ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে, বাতিল হওয়া নিট-ইউজি (NEET UG 2026)-এর পুনঃপরীক্ষা আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ৩ মে অনুষ্ঠিত মূল পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের জেরে বাতিল করা হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তে লাখ লাখ পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাতে চেয়েছে কেন্দ্র।

    আগামী বছর থেকে বদলাচ্ছে নিট-এর ফরম্যাট

    মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে ধমেন্দ্র প্রধান জানান, আগামী বছর থেকে নিট-ইউজিকে ওএমআর (OMR) ভিত্তিক পেন-পেপার মোড থেকে সরিয়ে সিবিটি ফরম্যাটে নিয়ে যাওয়া হবে। তাঁর কথায়, “দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রবেশিকা পরীক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষা ব্যবস্থাই এখন সময়ের দাবি।” যদিও ২০২৬ সালের পুনঃপরীক্ষা এখনও ওএমআর শিটের মাধ্যমেই হবে। তবে পরীক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য ওএমআর শিট পূরণে অতিরিক্ত ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।

    সিবিআই-এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, গোড়া পর্যন্ত খতিয়ে দেখা হবে

    প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে তদন্তভার ইতিমধ্যেই সিবিআই (CBI)-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ধমেন্দ্র প্রধান জানান, এই তদন্তে শুধু দোষীদের চিহ্নিত করাই নয়, কীভাবে প্রশ্ন বাইরে গেল, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং কোনও সংঘবদ্ধ শিক্ষা মাফিয়া বা প্রতারণা চক্র সক্রিয় ছিল কি না—সবটাই খতিয়ে দেখা হবে। তিনি বলেন, “এই অনিয়মের শিকড় পর্যন্ত পৌঁছনো হবে। কোনও যোগ্য ছাত্রছাত্রী যেন প্রতারণার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটাই সরকারের অগ্রাধিকার।”

    ‘গেস পেপার’ অভিযোগ থেকেই শুরু তদন্ত

    ঘটনার সূত্রপাত নিয়ে বিস্তারিত জানান শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর কথায়, ৩ মে পরীক্ষা হওয়ার পর ৭ মে এনটিএ-র (NTA) কাছে একটি অভিযোগ আসে, যেখানে দাবি করা হয়, বাজারে ছড়িয়ে পড়া একটি তথাকথিত ‘গেস পেপার’ (Guess Paper)-এর কিছু প্রশ্ন হুবহু মূল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ধমেন্দ্র প্রধান বলেন, “৭ মে অভিযোগ পাওয়ার পরই এনটিএ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে এবং উচ্চশিক্ষা বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করে।” পরে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা এবং রাজ্য প্রশাসনের সহায়তায় অনুসন্ধান চালানো হয়। ১২ মে-র মধ্যে তদন্তে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ‘guess paper’-এর আড়ালে আসলে পরীক্ষার প্রকৃত প্রশ্নই ফাঁস হয়েছিল। মন্ত্রী বলেন, “১২ মে-র মধ্যে আমরা নিশ্চিত হই যে, গেস পেপারের নামে আসল প্রশ্নপত্র বাইরে চলে গিয়েছিল।”

    কেন বাতিল করা হল পরীক্ষা?

    পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার মুখেও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন ধমেন্দ্র প্রধান। তাঁর দাবি, সৎ ও মেধাবী পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষা করতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমরা চাইনি কোনও যোগ্য ছাত্রছাত্রী ভুয়ো পরীক্ষার্থী, প্রতারণা চক্র বা শিক্ষা মাফিয়ার ষড়যন্ত্রের কারণে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হোক।” এই সিদ্ধান্তের পর বহু পরীক্ষার্থী প্রথমে মানসিক চাপে পড়লেও, নতুন পরীক্ষার তারিখ ঘোষণায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ধমেন্দ্র প্রধান জানান, অতীতে বিভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর সরকার একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছিল। সেই রাধাকৃষ্ণন কমিটি-র সুপারিশ ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের পরীক্ষায় কার্যকরও করা হয়েছিল। মন্ত্রী বলেন, “রাধাকৃষ্ণন কমিটির সুপারিশ অক্ষরে অক্ষরে কার্যকর করার পরেও এই ঘটনা ঘটেছে। তাই আমাদের প্রথম সিদ্ধান্ত ছিল পরীক্ষা বাতিল করা।” এতে স্পষ্ট, ভবিষ্যতে পরীক্ষার নিরাপত্তা আরও বাড়াতে সরকার অতিরিক্ত প্রযুক্তিগত এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে চলেছে।

    পুনঃপরীক্ষায় লাগবে না অতিরিক্ত ফি

    পুনঃপরীক্ষা নিয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পুনঃপরীক্ষার জন্য পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনও অতিরিক্ত ফি নেওয়া হবে না। অর্থাৎ যাঁরা ইতিমধ্যেই আবেদন করেছিলেন, তাঁরাই বিনামূল্যে পুনরায় পরীক্ষায় বসতে পারবেন। তিনি আরও জানান, পরীক্ষার্থীদের নিজেদের পছন্দের পরীক্ষাকেন্দ্রের শহর বেছে নেওয়ার সুযোগ আবার দেওয়া হবে, এবং এই প্রক্রিয়ার জন্য এক সপ্তাহের সময়সীমা রাখা হয়েছে। সংশোধিত ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি আজ সন্ধ্যার মধ্যেই প্রকাশ করবে এনটিএ (NTA)। পাশাপাশি, পুনঃপরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ১৪ জুন প্রকাশ করা হবে।

    উদ্বেগে লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া

    নিট-ইউজি ভারতের অন্যতম বৃহত্তম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এমবিবিএস, বিডিএস এবং অন্যান্য মেডিক্যাল কোর্সে ভর্তি হতে এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলে পরীক্ষা বাতিল এবং প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ স্বাভাবিকভাবেই ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি করেছে। এখন নজর ২১ জুনের পুনঃপরীক্ষার দিকে। একইসঙ্গে আগামী বছর থেকে সিবিটি ফরম্যাট চালু হলে নিট পরীক্ষার ধরনে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে, যা পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পদ্ধতিতেও প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • NEET-UG 2026 Re-Exam: ২১ জুন ফের পরীক্ষা, প্রশ্নফাঁস বিতর্কের পর নতুন করে নিটের দিন ঘোষণা এনটিএ-র

    NEET-UG 2026 Re-Exam: ২১ জুন ফের পরীক্ষা, প্রশ্নফাঁস বিতর্কের পর নতুন করে নিটের দিন ঘোষণা এনটিএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ (NTA) অবশেষে নিট-ইউজি পরীক্ষা (NEET-UG 2026) পুনরায় পরীক্ষার নতুন দিন ঘোষণা করল। প্রশ্নফাঁস বিতর্কের জেরে আগের পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর দেশজুড়ে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে জানানো হয়েছে, আগামী ২১ জুন ২০২৬, রবিবার অনুষ্ঠিত হবে নিট-এর পুনরায় পরীক্ষা। সরকারি অনুমোদন নিয়ে জারি করা এনটিএ-র সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) শুক্রবার সকালে সাংবাদিক বৈঠকে আসন্ন নিট-ইউজি পরীক্ষা নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।

    প্রশ্নফাঁস বিতর্কে দেশজুড়ে ক্ষোভ

    এর আগে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং একাধিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসতেই নিট-ইউজি (NEET-UG 2026) পরীক্ষা বাতিল করা হয়। বিষয়টি সামনে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। লক্ষাধিক মেডিক্যাল পড়ুয়া, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের অভিযোগ ছিল, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশিকা পরীক্ষায় নিরাপত্তার এমন গাফিলতি গোটা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে রাস্তায় নেমেও বহু জায়গায় বিক্ষোভ দেখা যায়।

    ২১ জুন ‘দ্বিতীয় সুযোগ’ লক্ষাধিক পরীক্ষার্থীর জন্য

    নতুন সূচি ঘোষণার ফলে এমবিবিএস (MBBS), বিডিএস (BDS) এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক মেডিক্যাল কোর্সে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া পরীক্ষার্থীরা ফের একটি ন্যায্য সুযোগ পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর বহু পড়ুয়া মানসিক চাপ, অনিশ্চয়তা এবং অল্প সময়ের মধ্যে ফের প্রস্তুতির চাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার পরীক্ষার দিকে গোটা দেশের নজর থাকবে, কারণ এই পরীক্ষা শুধু ভর্তি-পর্ব নয়, এনটিএ-র বিশ্বাসযোগ্যতা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক শিক্ষা বিশ্লেষকের কথায়, “এই পুনঃপরীক্ষা শুধুমাত্র আরেকটি পরীক্ষা নয়, বরং পরীক্ষাব্যবস্থার উপর ছাত্রদের আস্থা ফেরানোর পরীক্ষা।”

    শুধুমাত্র সরকারি তথ্যেই ভরসা করার পরামর্শ

    এনটিএ তাদের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়েছে, নিট-ইউজি (NEET-UG 2026) সংক্রান্ত সমস্ত আপডেট শুধুমাত্র সরকারি সূত্র থেকেই দেখতে হবে। পরীক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বা অন্যান্য মাধ্যমে ছড়ানো গুজব ও যাচাইহীন তথ্য থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন থাকলে এনটিএ-র হেল্পলাইন নম্বর ০১১-৪০৭৫৯০০০ এবং ০১১-৬৯২২৭৭০০-এ যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়াও neet-ug@nta.ac.in আইডিতে ইমেল আইডিতে প্রশ্ন পাঠানো যাবে।

    এবার আরও কড়া নিরাপত্তা?

    প্রশ্নফাঁস বিতর্কের পর ২১ জুনের পুনরায় পরীক্ষায় নিরাপত্তা অনেক বেশি কড়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, পরীক্ষাকেন্দ্রে উন্নত ডিজিটাল নজরদারি, শক্তিশালী নজরদারি ব্যবস্থা, গোপন নথি পরিচালনার ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রোটোকল চালু হতে পারে। কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, পরীক্ষাকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বিতর্কমুক্ত করা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা।

    নতুন চ্যালেঞ্জ, নতুন সুযোগ

    লক্ষাধিক নিট পরীক্ষার্থীর কাছে ২১ জুন এখন শুধুই আরেকটি পরীক্ষার দিন নয়—এটি নতুন করে লড়াই শুরু করার দিন। কয়েক সপ্তাহের বিতর্ক, হতাশা এবং উদ্বেগের পর আবারও প্রস্তুতিতে ফিরতে হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের। এখন সকলের একটাই আশা—এইবারের নিট পরীক্ষা যেন কোনও বিতর্ক ছাড়াই, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়।

  • West Bengal HS Result 2026: প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিকের ফল, ৪৯৬ পেয়ে প্রথম নরেন্দ্রপুরের আদৃত পাল

    West Bengal HS Result 2026: প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিকের ফল, ৪৯৬ পেয়ে প্রথম নরেন্দ্রপুরের আদৃত পাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। ৭৬ দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার সকালে ফল প্রকাশ করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সাংবাদিক বৈঠক করে সংসদের দফতরে এই ফল প্রকাশ করা হল। এই বছর উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ১২ ফেব্রুয়ারি। চতুর্থ সেমেস্টারের পাশাপাশি তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষাও নেওয়া হয়। আবার পুরনো বার্ষিক পদ্ধতিতেও এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়।

    পাশের হারে এগিয়ে কে?

    চলতি বছর পরীক্ষায় নাম নথিভুক্ত করেছিল ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৩১ জন। পরীক্ষা দিয়েছে ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ২৫৮ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৩৫৫ জন। পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। পাশের হারে এগিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর (৯৪.১৯ শতাংশ)। এর পর রয়েছে হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, পুরুলিয়া, দার্জিলিং। মোট ৬৪ জন প্রথম দশের তালিকায়। প্রথম দশে ৮ জন ছাত্রী। প্রথম দশে কলকাতার ৪ জন।

    মেধাতালিকায় প্রথম কে?…

    ৪৯৬ পেয়ে প্রথম নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের আদৃত পাল। দ্বিতীয় স্থানে তিনজন রয়েছেন পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠের জিষ্ণু কুণ্ডু, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ঋতব্রত নাথ এবং ঐতিহ‍্য পাঁচাল। তৃতীয় স্থানে ৫ জন— দেবপ্রিয় মাঝি রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠ পুরুলিয়া, তণ্ময় মণ্ডল রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠ পুরুলিয়া, সৌম‍্য রায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন, শুভায়ন মণ্ডল সিউড়ি পাবলিক, এবং প্রীতম বল্লভ পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠ। চতুর্থ স্থানে ৬ জন— অরিত্র কুমার চক্রবর্তী (হুগলি), গোলাম ফাইসল (কলকাতা), অর্কদ্যুতি ধর (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), চন্দ্রচূড় সেন (কোচবিহার), মেঘনা মজুমদার (হুগলি) এবং ত্রিদেব চক্রবর্তী (পুরুলিয়া)।

    কী ভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    • ● প্রথমে https://result.wb.gov.in/ এই ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
    • ● এর পরই ফলাফল দেখার পাতাটি খুলে যাবে।
    • ● সেখানে রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।
    • ● তা হলেই পড়ুয়ারা দেখতে পেয়ে যাবেন ফল।

    এদিন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার জানিয়েছেন, নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করতে চলেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ফল প্রত্যাশিত না হলে, চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষার্থীরা ফের পরীক্ষায় বসতে পারবেন। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই জারি করা হবে।

  • NEET UG 2026: নিট ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য, জানুন বিশদে

    NEET UG 2026: নিট ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি ২০২৬ (NEET UG 2026)-এর কথিত প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৩ মে, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) পরিচালিত এই পরীক্ষায় বসেছিলেন ২২ লাখেরও বেশি ছাত্রছাত্রী। “লিক-প্রুফ” পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, এনটিএ এমন একটি “গেস পেপার” রুখতে পারেনি, যার সঙ্গে আসল প্রশ্নপত্রের (Sikar Coaching Hub) অনেক মিল ছিল। পরীক্ষার কয়েকদিন আগেই হোয়াটস অ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে বিক্রি হচ্ছিল ওই গেস পেপার।

    “গেস পেপারে”ই কারিকুরি! (NEET UG 2026)

    কেলেঙ্কারির সূত্রপাত হয় তখন, যখন একটি হাতে লেখা “গেস পেপারে”র সঙ্গে আসল প্রশ্নপত্রের বিশেষ করে বায়োলজি ও কেমিস্ট্রির অংশের উল্লেখযোগ্য মিল দেখা যায়। প্রায় ৪১০টি প্রশ্ন-সহ একটি নোট, যার মধ্যে ২৮১টি প্রশ্নের সেট ছিল, তা হোয়াটস অ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে এবং কোচিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে রাজস্থানের সিকার ও উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে। সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার আগে রাজস্থান পুলিশের এসওজি (SOG) দেখতে পায়, আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে গেস পেপারের ১২০–১৪০টি প্রশ্ন হুবহু এক। প্রায় ১৩৫টি প্রশ্ন মিলে যাওয়ায় মোট ৭২০ নম্বরের মধ্যে প্রায় ৬০০ নম্বর নিশ্চিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কারণ প্রতিটি প্রশ্নের মান ৪ নম্বর।

    কীভাবে ছড়াল প্রশ্নপত্র?

    প্রশ্ন হল, কীভাবে ছড়াল প্রশ্নপত্র? জানা গিয়েছে, “প্রাইভেট মাফিয়া” (Private Mafia) নামের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে সদস্যপদ পেতে ৫,০০০ টাকা নেওয়া হত (NEET UG 2026)। সদস্যদের প্রশ্নপত্র শেয়ার করতে না বলা হলেও, সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভরকেন্দ্র হতে পারে মহারাষ্ট্রের নাসিক। পরে নাসিক পুলিশ শুবহম খৈরনার নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তাকে তুলে দেওয়া হয় সিবিআইয়ের হাতে। কে এই শুবহম খৈরনার? জানা গিয়েছে, সে ভোপালের এক বিএএমএসের ছাত্র। পুণে থেকে প্রশ্নপত্র জোগাড় করে হার্ড কপি থেকে হোয়াটসঅ্যাপে সফট কপি ছড়ায়। ১০ লাখে প্রশ্ন কিনে সে ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ। সে গুরগাঁও-সহ বিভিন্ন জায়গায় প্রশ্নপত্র পাঠায়। সেখান থেকেই তা ছড়িয়ে পড়ে রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে (NEET UG 2026)। প্রসঙ্গত, রাজস্থানের সিকার (যা এখন “মিনি-কোটা” নামে পরিচিত) এই কাণ্ডের মূল কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। এখানে অসংখ্য নিট/জেইই (NEET/JEE) কোচিং সেন্টার, পিজি ও হস্টেল রয়েছে।

    এনটিএর ডিরেক্টরের দাবি

    তদন্তে জানা গিয়েছে, এমবিবিএস কাউন্সেলর রাকেশ মাণ্ডাওয়ারিয়া প্রশ্নপত্র বিক্রি করতেন ৩০,০০০ টাকায়। বিভিন্ন কোচিং নেটওয়ার্ক ও দালালরা এতে জড়িত ছিল। ২০২৪ সালের নিটে রেজাল্টেও সন্দেহের (Sikar Coaching Hub) কেন্দ্রে ছিল সিকার। ২০২৪ সালে ৬৫০-এর বেশি নম্বর পাওয়া পড়ুয়ার মধ্যে বিপুল সংখ্যক ছিল সিকার থেকে। ১৪৯ জন পরীক্ষার্থী ৭০০-এর বেশি নম্বর পেয়েছিল। এক ছাত্র পেয়েছিল পুরোপুরি ৭২০ নম্বরই। ১২ মে এনটিএ নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষা বাতিল করে। জানিয়ে দেয়, ফের পরীক্ষা নেওয়া হবে (NEET UG 2026)।এনটিএর ডিরেক্টর অভিষেক সিং বলেন, “সম্পূর্ণ প্রশ্নপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়নি।” তবে তিনি স্বীকার করেন যে কিছু প্রশ্ন আগে থেকেই সার্কুলেটিং গেস পেপারে ছিল, যা পরীক্ষার বৈধতাই নষ্ট করেছে।

    গুচ্ছের প্রশ্ন

    এর পরেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ফেডারেল অফ অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোশিয়েশন। তাদের দাবি, এটিএকে পুনর্গঠন করতে হবে বা বদলে দিতে হবে, বিচারপতির তত্ত্বাবধানে নিতে হবে ফের পরীক্ষা, চালু করতে হবে কম্পিউটার-বেসড টেস্ট এবং প্রয়োগ করতে হবে ডিজিটাল লকিং সিস্টেম (NEET UG 2026)। প্রশ্ন হল, কীভাবে বাইলে এল প্রশ্নপত্র? ভেতরের কেউ জড়িত ছিল কি? প্রিন্টিং পর্যায় থেকেই কি ফাঁস হয়? কেন এখনও সিবিটি চালু করা হয়নি? কবে বন্ধ হবে প্রশ্নফাঁস–বাতিল–পুনঃপরীক্ষার চক্র (Sikar Coaching Hub)?

     

LinkedIn
Share