Category: পড়াশোনা

Get updated Education and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • JEE Main: জেইই মেইন সেশন ১ – এর ফল প্রকাশিত হল, কী করে দেখবেন?

    JEE Main: জেইই মেইন সেশন ১ – এর ফল প্রকাশিত হল, কী করে দেখবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা মেইন (JEE Main) সেশন ১-এর ফল। মঙ্গলবার  ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির তরফে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা jeemain.nta.nic.in– এই ওয়েবসাইটে গিয়ে ফল দেখতে পারেন। তার জন্যে লাগবে আবেদনপত্র নম্বর। এই নম্বর ব্যবহার করে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট  গিয়ে ফলাফল দেখতে এবং ডাউনলোড করতে পারবেন। খুব তারাতারি মেধা তালিকাও প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছে এনটিএ। জেইই মেইন ২০২৩ সেশন ১ পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল ২৪, ২৫, ২৯, ৩০, ৩১ জানুয়ারি এবং এই বছরের ১ ফেব্রুয়ারি।    

    ৯ লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী জেইই মেইন (JEE Main) সেশন ১-এর জন্যে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। এর মধ্যে ৮.৬ লক্ষ পেপার ১ বিই, বিটেক এবং ০.৪৬ লক্ষ পেপার ২ বিআর্কিটেকচার এবং বিপ্ল্যানিং-এর জন্য নিজেদের রেজিস্ট্রার করেছিলেন। এবছর পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৯৫.৭৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী। যা কিনা এযাবৎ কালে সর্বাধিক। 

    এক জাতীয় সংবাদমাধ‍্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পরিসংখ্যান (JEE Main) অনুযায়ী, এবছরও মহিলা পরীক্ষার্থীর থেকে পুরুষ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। রেজিস্ট্রার প্রার্থীদের মধ্যে ৬ লক্ষেরও বেশি পুরুষ, যা কিনা প্রায় ৭০ শতাংশের কাছাকাছি। প্রথমবার, মহিলা পরীক্ষার্থী প্রায় ৩০ শতাংশেরও বেশি। গত বছরের তুলনায় সংখ্যাটা সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২.৫ লক্ষ ছিল তা ২.৬ লক্ষে দাঁড়িয়েছে।

    কী করে দেখবেন ফল?

    • প্রথমে jeemain.nta.nic.in– লিঙ্কে যেতে হবে। 
    • ফলাফলের লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। 
    • আবেদনপত্র নম্বর, জন্ম তারিখ এবং সিকিউরিটি পিন সহ প্রয়োজনীয় তথ‍্যগুলো দিতে হবে। 
    • আপনার জেইই মেইন সেশন ১ ফলাফল স্ক্রিনে দেখা যাবে। 

    রিপোর্ট অনুযায়ী, এনটিএ এইবার চূড়ান্ত উত্তর পত্র পাঁচটি প্রশ্ন বাদ দিয়েছে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য প্রার্থীরা চার নম্বর পাবেন। যারা বাদ দিয়েছে সেই প্রশ্নেগুলি তাঁদের কোনও নম্বর দেওয়া হবে না।

    আরও পড়ুন: ফের ভেস্তে গেল দিল্লির মেয়র নির্বাচন, এই নিয়ে তৃতীয়বার

    জেইই মেইন (JEE Main) সেশন ১ পরীক্ষা ইংরেজি, হিন্দি, গুজরাটি, কন্নড়, অসমীয়া, বাংলা, মালয়ালম, মারাঠি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, তামিল, তেলেগু এবং উর্দু সহ ১৩টি ভাষায় পরিচালিত হয়েছে। জেইই মেইনের পেপার ১ হল বিটেক/বিই কোর্সের জন্য, পেপার ২ হল ব্যাচেলর অফ আর্কিটেকচারের জন্য, এবং পেপার ৩ হল ব্যাচেলর অফ প্ল্যানিং প্রোগ্রামের জন্য৷ এই বছরের ৬ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত জেইই মেইনের দ্বিতীয় সেশন হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

  • CUET 2023: কুয়েট স্নাতক স্তরের রেজিস্ট্রেশন শুরু হতে চলেছে খুব শীঘ্রই, জানুন বিস্তারিত

    CUET 2023: কুয়েট স্নাতক স্তরের রেজিস্ট্রেশন শুরু হতে চলেছে খুব শীঘ্রই, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই সপ্তাহের মাধ্যমে স্নাতক স্তরের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রবেশিকা পরীক্ষার (CUET 2023) রেজিস্ট্রেশন শুরু করতে চলেছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এই নিয়ে নোটিস জারি করেছে এনটিএ। সেই নোটিস অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই শুরু হবে রেজিস্ট্রেশন। কুয়েট ইউজি-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট cuet.samarth.ac.in– তে গিয়ে আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন যোগ্য প্রার্থীরা। 

    ইউজিসি চেয়ারম্যান জগদেশ কুমার বলেন, “প্রশ্নপত্র এবং বিষয় সংখ্যায় কোনও বদল হবে না। পরীক্ষার্থীরা ৬টি বিষয় নির্বাচন করতে পারেন। এর মধ্যে থাকতে পারে একটি বা দুটি ভাষা। একটি সাধারণ পরীক্ষা নেওয়া হবে। অসমিয়া, বাংলা, ইংরাজি, গুজরাটি, হিন্দি, কানাড়া, মালায়ালাম, মারাঠি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, তামিল, তেলেগু, উর্দু ভাষায় নেওয়া হবে পরীক্ষা।”

    রেজিস্ট্রেশনে কী কী তথ্য লাগবে?

    • সক্রিয় মোবাইল নম্বর
    • ফটোগ্রাফের স্ক্যানড কপি
    • সিগনেচারের স্ক্যানড কপি
    • পরিচয়পত্র
    • দশম শ্রেণির মার্ক শিটের স্ক্যানড কপি
    • যদি কাস্ট সার্টিফিকেট থাকে তবে তার স্ক্যানড কপি
    • দ্বাদশ শ্রেণির মার্ক শিটের স্ক্যানড কপি

    কী করে আবেদন করবেন? 

    • cuet.samarth.ac.in অফিসিয়াল ওয়েবসাইটটিতে যান। 
    • হোমপেজে রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক পেয়ে যাবেন।
    • লগইন তথ্য দিয়ে রেজিস্টার করুন।
    • আবেদনপত্রটি ফিলআপ করুন।
    • আবেদন ফি অনলাইনে জমা করুন।
    • সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।
    • পেজটি ডাউনলোড করে ভবিষ্যতের জন্যে হার্ডকপি রেখে দিন। 

    ইউজিসি চেয়ারম্যান টুইটে লিখেছেন, কুয়েট ২০২৩ (CUET 2023) এর যে পরীক্ষা ২১ থেকে ৩১ মে-র মধ্যে হওয়ার কথা, তার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে। যে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর অথবা ডিপ্লোমা করার পরিকল্পনা করেছেন, তাঁদের কমন ইউনিভার্সিটি এনট্রান্স টেস্ট দিতে হয়। ২০২৩ এর কুয়েট-র ফলাফল প্রকাশিত হতে পারে জুন মাসে।

    আরও পড়ুন: ধৃত জঙ্গি আগে স্কুলশিক্ষক ছিলেন! প্রথমবার ‘পারফিউম বম্ব’ উদ্ধার কাশ্মীরে

    কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি যদি জুলাই মাসের মধ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে তা হলে, অগাস্টের ১ তারিখ থেকেই ২০২৩ সালের শিক্ষাবর্ষ শুরু করা যেতে পারে। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির তরফ থেকে প্রায় ১০০০টি পরীক্ষা কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৪৫০ থেকে ৫০০টি কেন্দ্র প্রতিদিন ব্যাবহার করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Madhyamik Exam: সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন! পিছিয়ে গেল মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষা

    Madhyamik Exam: সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন! পিছিয়ে গেল মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে বিধানসভায় উপনির্বাচনের জেরে পরিবর্তন করা হল চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার সূচি (Madhyamik Exam 2023)। বৃহস্পতিবার  মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে এক বিবৃতি দিয়ে একথা জানান হয়। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দেওয়া সূচি অনুযায়ী, চলতি বছর ২৭ ফেব্রুয়ারি, সোমবার হওয়ার কথা ছিল ইতিহাস পরীক্ষা। কিন্তু ওই দিন মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন (By-Election) ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই কারণেই ইতিহাস বিষয়ের পরীক্ষাটি ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে না। পরিবর্তে পরীক্ষা হবে ১ মার্চ। 

    একই জায়গায় পরীক্ষা 

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইতিহাস পরীক্ষার তারিখ পাল্টানো হচ্ছে। তবে একই জায়গায় পরীক্ষা নেওয়া হবে। এছাড়াও বাকি অন্যান্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোনও বদল হচ্ছে না। প্রসঙ্গত, সদ্য প্রয়াত হন রাজ্যের মন্ত্রী তথা মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির বিধায়ক সুব্রত সাহা। সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের কথা জানায় কমিশন। কিন্তু একই দিনে মাধ্যমিক পরীক্ষা পড়ে যাওয়ায় চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বুধবারই এই বিষয় খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বস্ত করেছিলেন পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই মতো পিছিয়ে দেওয়া হল পরীক্ষা। পর্ষদ সভাপতি বলেন, ‘‘শিক্ষা দফতরকে জানিয়ে এবং জেলা ও পর্ষদের সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই দিন পরিবর্তন করা হয়েছে।’’ 

    আরও পড়ুন: সিবিএসই বোর্ডের দশম শ্রেণির পরীক্ষায়, বিজ্ঞান বিভাগে ভাল রেজাল্ট করতে কিছু টিপস

    বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট। সেই সঙ্গে ৭ ফেব্রুয়ারি সাগরদিঘিতে বিধানসভা উপনির্বাচন হবে এমনটাই জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এরপরই পর্ষদের তরফে এই সিদ্ধান্ত। পর্ষদের নোটিসে বলা হয়েছে, ‘বৃহত্তর জনস্বার্থে’ উপনির্বাচনের জন্য মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষার দিন বদল করা হল। 

    মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সূচি অনুযায়ী কবে কী পরীক্ষা 

    ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম ভাষা
    ২৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ভাষা
    ২৫ ফেব্রুয়ারি ভূগোল 
    ২৮ ফেব্রুয়ারি জীবনবিজ্ঞান 
    ২ মার্চ অঙ্ক
    ৩ মার্চ ভৌতবিজ্ঞান
    ৪ মার্চ ঐচ্ছিক 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • UGC: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তির নেওয়ার জন্য কুয়েটকে বেছে নেওয়ার আহ্বান জানাল ইউজিসি

    UGC: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তির নেওয়ার জন্য কুয়েটকে বেছে নেওয়ার আহ্বান জানাল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)- এর চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার সমস্ত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য কুয়েট-পিজি-কে বেছে নেওয়ার আবেদন জানালেন। এখনও অবধি, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তির জন্য কুয়েটকে বেছে নেওয়ার বিষয়টি বিকল্প ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ইচ্ছে করলে এতদিন নিজস্ব প্রবেশিকা পরীক্ষাও নিতে পারত।  

    ইউজিসি (UGC) প্রধান বিশ্বাস করেন যে কুয়েট সারা দেশে প্রার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন এবং ন্যায়সঙ্গত প্ল্যাটফর্ম। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব, গ্রামীণ এবং অন্যান্য প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রার্থীদের জন্যে এই পরীক্ষাই সবচেয়ে সুবিধাজনক বিকল্প। কুয়েট-পিজির মাধ্যমে প্রার্থীরা বহু সংখ্যক কেন্দ্রীয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুমাত্র একটি পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। এই পরীক্ষা অনেক বেশি পড়ুয়াকে কভার করতে পারে। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি কে কুয়েট-ইউজি/পিজি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আদালতের নির্দেশে রক্ষাকবচ রইল না অভিষেক-শ্যালিকার, পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি? 

    কী বলেছেন ইউজিসি প্রধান? 

    সংবাদমাধ্যমকে এম জগদেশ কুমার (UGC) এই বিষয় বলেন, “কুয়েট সারাদেশের প্রার্থীদের, বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব, গ্রামীণ এবং অন্যান্য প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রার্থীদের জন্য একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্ম এবং সবাইকে সমান সুযোগ প্রদান করে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে পড়ুয়াদের আরও ভালো সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করে। একটি একক পরীক্ষা প্রার্থীদের অনেক বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার জন্যে আবেদন করার সুযোগ দেয়।”  

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত 

    তিনি (UGC) আরও বলেন, “ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি- কে কুয়েট-ইউজি এবং পিজি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কুয়েট- ইউজি- র মতো সমস্ত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েট-পিজি- তেও যোগদান করা উচিত। এটি দেশের পড়ুয়াদের ভারতের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়ার সুযোগ করে দেবে। আমি সমস্ত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে পিজি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য কুয়েট-পিজি- র স্কোর ব্যবহার করার অনুরোধ জানাচ্ছি।”   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • JEE Advanced: ২০২৩ সালের  জেইই অ্যাডভান্সডের দিন ঘোষিত, জানুন বিস্তারিত

    JEE Advanced: ২০২৩ সালের জেইই অ্যাডভান্সডের দিন ঘোষিত, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেন পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে জাতীয় পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা (এনটিএ)। বৃহস্পতিবার রাতে পরের বছরের জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড (JEE Advanced) পরীক্ষার দিন ঘোষণা করল আইআইটি গুয়াহাটি। এই বছর জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষার দায়িত্বে রয়েছে আইআইটি গুয়াহাটি। আইআইটিতে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা হল আইআইটি অ্যাডভান্সড।  দিনক্ষণ, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, রেজিস্ট্রেশনের সময়সূচি-সহ নানা তথ্য প্রকাশ করেছে আইআইটি গুয়াহাটি। পরীক্ষার্থীরা জেইই অ্যাডভান্সড-এর ওয়েবসাইটি jeeadv.ac.in-এ গিয়ে সমস্ত তথ্য বিস্তারিত দেখতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: ন্যাজাল ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র সরকার, জেনে নিন ইনকোভ্যাকের অ আ ক খ…

    জেনে নিন এই বিষয়ে কিছু তথ্য: 

    কবে নেওয়া হবে পরীক্ষা

    পরের বছর জেইই অ্যাডভান্সড- এর (JEE Advanced) দুটি পেপারেই হবে কম্পিউটার-ভিত্তিক পরীক্ষা হবে। আগামী ৪ জুন সকাল ও দুপুরে দুটি পর্বে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার সকালের পর্বটি ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এবং দুপুরের পর্বটি ২.৩০টে থেকে বিকেল ৫.৩০টা পর্যন্ত চলবে।

    আবেদন প্রক্রিয়া  

    পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার জন্যে অনলাইনে ফর্ম ফিলআপ করতে হবে।

    আবেদনের শেষ তারিখ 

    অনলাইন রেজিস্ট্রেশন চলবে ৩০ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ৪ মে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা দেওয়ার শেষ দিন ৫ মে বিকেল ৫টা। 

    আবেদন ফি 

    মহিলা, এসসি, এসটি এবং পিডব্লিউডি ক্যাটেগরিভুক্ত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশনের জন্য ১,৪৫০ টাকা এবং অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের ২,৯০০ টাকা জমা দিতে হবে। বিদেশি নাগরিকরা এই পরীক্ষা দিতে চাইলে তাঁদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৯০ মার্কিন ডলার জমা দিতে হবে।

    যোগ্যতা

    যে পরীক্ষার্থীরা ২০২৩-এর জেইই মেন পরীক্ষার বিই বা বিটেক পেপারে পাশ করবেন, তাঁরাই এই জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় বসতে পারবেন। এ ছাড়া, পরীক্ষার্থীদের ২০২২ বা ২০২৩-এ প্রথম বার পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও অঙ্ক-সহ দ্বাদশ বা এর সমতুল পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।

    বয়ঃসীমা

    ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থীদের জন্মতারিখ হতে হবে ১ অক্টোবর, ১৯৯৮ বা তার পরে। 

    জাতীয় পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষাটি পর পর দুবছর সর্বাধিক দুবার দিতে পারবেন। পরীক্ষার্থীদের এর আগে আইআইটিতে ভর্তির কোনও রেকর্ড থাকা চলবে না। পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডটি ডাউনলোড করা যাবে ২৯ মে সকাল ১০টা থেকে ৪ জুন দুপুর আড়াইটের মধ্যে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • NTA: আগামী বছর কবে হবে জেইই মেইন, নীট? সময়সূচী প্রকাশ করল এনটিএ

    NTA: আগামী বছর কবে হবে জেইই মেইন, নীট? সময়সূচী প্রকাশ করল এনটিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের একাধিক প্রবেশিকা পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশ করল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। আগামী বছর সর্বভারতীয় মেডিক্যাল পরীক্ষার প্রবেশিকা নীট ৭ মে হতে চলেছে।

    এনটিএয়ের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ২১ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ‘কমন ইউনিভার্সিটি এন্ট্রাস টেস্ট’ -র পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষাগুলির আয়োজক সংস্থা (NTA) আরও জানিয়েছে, আগামী বছরের ২৪ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জেইই-মেন পরীক্ষা হবে। শুধুমাত্র প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পরীক্ষায় বিরতি থাকবে। দ্বিতীয় সেশনের পরীক্ষা হবে আগামী এপ্রিল মাসে।  

    ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (NTA) এক আধিকারিক এ বিষয়ে বলেছেন, “চলতি বছর অনেকটাই আগে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। ওই প্রবেশিকা পরীক্ষাগুলির আগে যাতে পরীক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত সময় পান, সেজন্যই আগেভাগে পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: শুভেন্দু ইস্যুতে হাইকোর্টে ফের একবার মুখ পুড়ল রাজ্যের, কী নির্দেশ দিলেন বিচারপতি?  

    আশা করা হচ্ছে আগামী জানুয়ারি থেকেই শুরু হতে পারে আবেদন গ্রহন প্রক্রিয়া। ২০২২ সালে, ১৭ জুলাই নীট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নীট ২০২৩- এর পরীক্ষা দু মাস এগিয়ে এসেছে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরে, প্রার্থীরা নীট-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, neet.nta.nic.in-এ গিয়ে আবেদন করতে পারেন। 

    ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট আয়োজন করে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। নীট ছাড়াও, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ট্রান্স পরীক্ষার জেইই মেইন এবং কুয়েট-এর আয়োজক সংস্থাও এনটিএ।

    ২০২৩-এর জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু করল এনটিএ (NTA)। পরীক্ষার জন্য যোগ্যতার মাপকাঠির ক্ষেত্রেও বেশ কিছু পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছে এনটিএ। বৃহস্পতিবার রাতেই পরীক্ষা সংক্রান্ত ঘোষণাগুলি করা হয় সংস্থার তরফে। পরীক্ষার জানুয়ারি সেশনের জন্য পরীক্ষার্থীরা আগামী ১২ জানুয়ারি রাত ৯টা পর্যন্ত তাঁদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। এর পর আবার এপ্রিল সেশনের জন্য রেজিস্ট্রেশন করা যাবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চের মধ্যে। যাঁরা পরের বছর পরীক্ষাটি দিতে চান, তাঁরা জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেন-এর নিজস্ব ওয়েবসাইট-https://nta.ac.in/-এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে আবেদন জানাতে পারবেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • UGC: চার বছরের স্নাতকের পরেই পিএইচডির সুযোগ, নতুন নিয়ম আনছে ইউজিসি

    UGC: চার বছরের স্নাতকের পরেই পিএইচডির সুযোগ, নতুন নিয়ম আনছে ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে ভারতীয় শিক্ষানীতিতে। পরিবর্তিত শিক্ষানীতিতে, পিএইচডি করার জন্যে আর মাস্টার্স বাধ্যতামূলক থাকবে না। চার বছরের স্নাতক কোর্সের পরেই যোগ দেওয়া যাবে গবেষণার কোর্সে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার জানিয়েছেন, চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা সরাসরি পিএইচডি করতে পারবেন। তাদের স্নাতকোত্তর ডিগ্রির প্রয়োজন হবে না।   
     
    চার বছরের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের (এফওয়াইইউপি) সুবিধার কথা জানিয়ে এম জগদেশ কুমার (UGC) বলেন, “প্রথম সুবিধা হল পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগদানের জন্য তাদের স্নাতকোত্তর ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। তারা এর জন্য একটি সিঙ্গেল বা ডাবল মেজরও নিতে পারে।”

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে ৭১- এর নৃশংসতার জন্যে ক্ষমা চাইতে হবে, রাষ্ট্রসংঘে স্মারকলিপি পেশ মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের

    ইউজিসি (UGC) চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার এও জানিয়েছেন যে, চার বছরের স্নাতক প্রোগ্রাম সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত তিন বছরের স্নাতক কোর্সটি বন্ধ করা হবে না। তিনি আরও বলেন যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে তিন বা চার বছরের প্রোগ্রামের (এফওয়াইউপি) মধ্যে বেছে নেওয়ার বিকল্প দেওয়া হবে পড়ুয়াদের। বুধবার সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া একটি সাক্ষাত্কারে, তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির জন্য অনার্স ডিগ্রির চার বছরের প্যাটার্নে স্থানান্তর করা বাধ্যতামূলক হবে কি না। ইউজিসি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। 

    কী সেই নতুন নিয়ম? 

    সম্প্রতি অনার্স ডিগ্রি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশন (UGC)। নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে বদলে যাচ্ছে অনার্স ডিগ্রির নিয়ম। এতদিন পর্যন্ত অনার্স কোর্সের মেয়াদ ছিল তিন বছর। নতুন শিক্ষবর্ষ থেকে তিন বছরের বদলে চার বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এই সংক্রান্ত নতুন নিয়মের খসড়াও তৈরি করেছে তারা।

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় শিক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ‘কারিক্যুলাম অ্যান্ড ক্রেডিট ফ্রেমওয়ার্ক ফর ফোর-ইয়ার আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামস’ নামে খসড়া প্রস্তাবটি তৈরি করা হয়েছে। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC) নতুন নিয়মের কথা ঘোষণা করবে। 

    খসড়া প্রস্তাবটিতে বলা হয়েছে, ৩ বছরে স্নাতক হতে গেলে শিক্ষার্থীকে ১২০ ক্রেডিট পয়েন্ট লাভ করতে হবে। অন্য দিকে, ৪ বছরে স্নাতক হতে গেলে শিক্ষার্থীর ১৬০ ক্রেডিট পয়েন্ট প্রয়োজন। খসড়া প্রস্তাবটিতে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও পড়ুয়া ভবিষ্যতে গবেষণা করতে চান, তবে তাদের চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি (UGC) চলাকালীনই রিসার্চ প্রজেক্ট বেছে নিতে হবে। এতে তারা কোর্সের মেয়াদ শেষে রিসার্চ স্পেশালাইজেশনের সঙ্গে স্নাতক ডিগ্রি পাবেন।

    বর্তমানে যারা ‘চয়েস বেসড ক্রেডিট সিস্টেমে’ তিন বছরের অনার্স ডিগ্রিতে ভর্তি হয়েছেন এবং পড়াশোনা করছেন, তাঁরা চাইলে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিতে পড়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের (UGC) তরফে অফলাইন ও অনলাইনে ক্লাস সহ একাধিক পদ্ধতিতে দুই কোর্সকে মিলিত করে দেওয়া হতে পারে।

    আবার এই নতুন নিয়মের প্রস্তাবে পড়ুয়াদের বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। যেমন-ইউজিসি-এর (UGC) তরফে জানানো হয়েছে, চার বছরের অনার্স কোর্স পড়ার মাঝে কোনও পড়ুয়া যদি পড়াশোনা ছেড়ে দেন ও তবে তিনি পরে আবার তা শুরু করার সুযোগ পাবেন। তবে অনার্স কোর্স ছেড়ে যাওয়ার তিন বছরের মধ্যে তা শুরু করতে হবে। আবার কোর্সটি শেষ করার জন্য পড়ুয়া ৭ বছর সময় পাবেন।

    এছাড়াও পড়ুয়ারা চাইলে দ্বিতীয় সেমেস্টারে নিজেদের স্নাতক ডিগ্রির মূল বিষয় পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন। কোনও পড়ুয়া চাইলে একসঙ্গে দুটি বিষয় নিয়েও স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করতে পারবেন। স্নাতক ডিগ্রির জন্য পড়ুয়াদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতেই হবে।

    খসড়া প্রস্তাবে (UGC) বিভিন্ন শাখা, অন্যান্য কোর্স ও তার নিয়ম নিয়েও উল্লেখ করা হয়েছে। ভাষার কোর্স, পরিবেশ শিক্ষা,  ডিজিটাল ও প্রযুক্তিগত সমাধান, স্বাস্থ্য, যোগশিক্ষা, ক্রীড়া ও শরীরচর্চা নিয়েও কোর্সের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • ISC and ICSE: ২০২৩ সালের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষাসূচি ঘোষণা  আইএসসি ও আইসিএসই বোর্ডের

    ISC and ICSE: ২০২৩ সালের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষাসূচি ঘোষণা আইএসসি ও আইসিএসই বোর্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্য কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এক্সামিনেশনস (CISCE) আগামী বছরের জন্য দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষাসূচি ঘোষণা করল। ইন্ডিয়ান সার্টিফিকেট অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (ICSE ক্লাস 10) এবং ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট (ISC ক্লাস 12)-এর ২০২৩ সালের পরীক্ষাসূচী ইতিমধ্যে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, cisce.org-তে প্রকাশ করেছে তারা। দ্বাদশ শ্রেণির আইএসসি পরীক্ষা হবে ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী থেকে এবং দশম শ্রেণির আইসিএসই পরীক্ষা হবে ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ থেকে শুরু হবে৷

    আরও পড়ুন: আর নিজস্ব প্রবেশিকা পরীক্ষা নয়, স্নাতকোত্তরের জন্য কুয়েটেই ভরসা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের

    CISCE বোর্ড পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা দিয়েছে

    – পরীক্ষা শুরুর পাঁচ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে বসার নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড।

    – পরীক্ষার্থীদের কেবলমাত্র প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বোর্ড।

    – উত্তরপত্রে শুধুমাত্র কালো/নীল বল-পয়েন্ট কলম ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে বোর্ড।

    – প্রশ্নপত্রে যেভাবে নম্বর দেওয়ার পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে, সেভাবেই ব্যবহার করতে বলেছে বোর্ড।

    – যে কোনও ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ডেস্ক বা অন্যান্য ধরনের গণনা যন্ত্রের ব্যবহার পরীক্ষা কেন্দ্রে নিষিদ্ধ করেছে বোর্ড।

    – উত্তরপত্রের পৃষ্ঠাগুলিতে লেখা শেষ করার পরেই আবার শিট দেওয়া হবে।

    – ব্যবহৃত বা অব্যবহৃত সমস্ত শিট অবশ্যই মূল উত্তরপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

    – রাফ কাজ সহ সমস্ত কাজ, বাকি উত্তরের মতো একই শীটে করা উচিত।

    – যদি কোনও পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতরে বা বাইরে অসাধু উপায় অবলম্বন করে, তাহলে পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হবে।

    আরও পড়ুন: স্বল্পমেয়াদী কোর্সের এত চাহিদা কেন? এগুলো করার সুবিধা কী কী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • CUET: আর নিজস্ব প্রবেশিকা পরীক্ষা নয়, স্নাতকোত্তরের জন্য কুয়েটেই ভরসা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের

    CUET: আর নিজস্ব প্রবেশিকা পরীক্ষা নয়, স্নাতকোত্তরের জন্য কুয়েটেই ভরসা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্নাতকোত্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষা, ‘দিল্লি ইউনিভার্সিটি এনট্রান্স টেস্ট’ বা ডুয়েট। পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ থেকেই স্নাতকোত্তর স্তরের ভর্তি পুরোটাই হবে কুয়েট থেকে। অর্থাৎ যারা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপন দেখছেন তাদেরকে অবশ্যই কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় (CUET) পাশ করতে হবে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা পরিষদও এই সিদ্ধান্তে সহমত পোষণ করেছে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের প্রবেশিকা পরীক্ষা কীভাবে নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যে ১০ জনের একটি দল গঠন করা হয়েছিল। সেই দলই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

    এই মুহূর্তে কী নিয়মে নেওয়া হচ্ছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি?

    এই মুহূর্তে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ কলেজ থেকে পাশ করা পড়ুয়াদের মেধার ভিত্তিতে ৫০ শতাংশ আসনে ভর্তি নেওয়া হয়। বাকি ৫০% আসনে ভর্তি নেওয়া হয় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষার ভিত্তিতে। 

    এখন থেকে কীভাবে নেওয়া হবে প্রবেশিকা পরীক্ষা?

    নতুন নিয়মে যে ৫০% আসনে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের নেওয়া হয় মেধার ভিত্তিতে, তা একই থাকবে। বাকি ৫০%- এ পড়ুয়াদের নেওয়া হবে কমন ইউনিভার্সিটি এনটান্স টেস্টের (CUET) ভিত্তিতে। 

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ধাক্কা খেল স্কুল সার্ভিস কমিশন! এবার কি সুপ্রিম দুয়ারে যাবে রাজ্য সরকার?

    ১-১২ সেপ্টেম্বর দেশের ৫০০টি শহর এবং দেশের বাইরের ১৩টি শহরে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। মোট ৩.৫৭ লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় বসেন। দেশের প্রথম সারির ৬৬টি বিশ্ববিদ্যালয় কুয়েটের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের ভর্তি নেয়। এর মধ্যে রয়েছে বহু কেন্দ্রীয়  বিশ্ববিদ্যালয়।  

    কুয়েট পিজির ফল প্রকাশের পরেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে ইউজিসি। ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি দিয়ে ওয়েবসাইট এবং ওয়েব পোর্টাল খোলার নির্দেশ দিয়েছে। যাতে পড়ুয়াদের ভর্তির প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়। 

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় (Delhi University) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রোগ্রামে কেন্দ্রীয় বিশ্ব বিদ্যালয় প্রবেশিকা পরীক্ষার (CUET 2022) মাধ্যমে ভর্তির জন্য পোর্টাল (Portal) চালু করেছে। সেই পোর্টালে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দেশজুড়ে প্রায় ৬.১৪ লক্ষ পড়ুয়া দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হওয়ার আবেদন করেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Foreign Language Courses: ভারতে বিদেশি ভাষা শিক্ষার সুযোগ

    Foreign Language Courses: ভারতে বিদেশি ভাষা শিক্ষার সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশি ভাষা শিক্ষার (Foreign Language Courses) চাহিদা ভারতে বরাবরই রয়েছে। বৃহৎ এই পৃথিবীতে অঞ্চল, দেশ এবং সংস্কৃতি ভেদে ভাষার অভাব নেই। কিন্তু আমাদের মনে প্রশ্ন থেকেই যায় কোন কোন বিদেশি ভাষা (Foreign Language Courses) আয়ত্ত করতে পারলে ভালো বেতনের কাজের সুযোগ পাওয়া যাবে। ২০২২ সালে এসে কোন কোন বিদেশি ভাষা শিখলে আমাদের ভালো কেরিয়ার তৈরি হবে। মনে রাখতে হবে বিদেশি ভাষার উপর দখল থাকলে বিদেশে কাজ পাওয়াও সহজ হবে। 

    আমরা এবার সংক্ষিপ্তভাবে জেনে নিই কিছু বিদেশি ভাষার কোর্স (Foreign Language Courses) সম্পর্কে, যাতে একটি গাইডলাইন তৈরি হয়, আগ্রহী দের জন্য।

    এ বিশ্বের সবথেকে বেশি সংখ্যক মানুষ কথা বলে এই পাঁচটি ভাষায় English, Mandarin Chinese, Spanish, Arabic, French. ইংরাজি ভারতে বহু পঠিত ভাষা, সেজন্য আমরা এখানে ইংরাজি ছাড়া অন্য ভাষাগুলির বিষয়ে আলোকপাত করলাম।
     
    German এবং Japanese এই দুটি ভাষাও ভারতে খুব জনপ্রিয়। এর কারণ হলো জাপান এবং জার্মানির অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই উন্নত। ফলে এখানে বিভিন্ন বিষয়ে কেরিয়ার তৈরি করতে এই দুটি ভাষা শিখতেই হয়। বিগত কয়েক বছরে আরও কতগুলি ভাষার চাহিদা এবং জনপ্রিয়তা তুঙ্গে উঠেছে ভারতবর্ষে, সেগুলি হল Portuguese, Italian, Korean এবং Russian.

    আমাদের দেশে যে দশটি বিদেশি ভাষা (Foreign Language Courses) শেখার উপর আগ্রহ সবথেকে বেশি রয়েছে, সেগুলি এক নজরে দেখে নেব।

    ১) ফরাসি

    ভারতে যে সমস্ত বিদেশি ভাষা (Foreign Language Courses) শেখার উপর চাহিদা রয়েছে, তাদের মধ্যে ফরাসি সবথেকে জনপ্রিয়। ভারতবর্ষের দিল্লি এবং অন্যান্য রাজ্যে এক লাখের উপর ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে যারা ফরাসি ভাষা আয়ত্ত করার কাজে লেগে রয়েছে। প্রতিদিনই এই সংখ্যা বাড়ছে। বিদেশি ভাষার (Foreign Language Courses) মধ্যে এটি অন্যতম যে ভাষাটি জানলে কর্পোরেট দুনিয়ার চাকরিতে সহজেই প্রবেশ করা যায়। অনেক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজের ভাষা হিসেবে ফরাসি ব্যবহার করা হয়। ফ্যাশান, শিক্ষা, ডিজাইন, ব্যাঙ্কিং, ফাইন্যান্স, এক্সপোর্ট ইমপোর্ট, ট্রাভেলিং, রিটেইলিং, লাক্সারি গুডস ইত্যাদি সেক্টরে এই ভাষার প্রচলন রয়েছে। অর্থাৎ কিছু সেক্টরে কাজ করার জন্য এই ভাষা শেখা অপরিহার্য। এই পৃথিবীতে ৩০টিরও বেশি দেশের মানুষ ফরাসি ভাষায় কথা বলেন। এই ভাষার প্রচলন পাঁচটি মহাদেশে রয়েছে। বিশ্বব্যাপী যে সমস্ত ভাষা শেখার উপর মানুষের আগ্রহ সবথেকে বেশি রয়েছে, তাদের মধ্যে ফরাসি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

    ২) জার্মান

    ফরাসি এবং স্প্যানিশ ভাষার মতোই জার্মান ভাষাতেও অসংখ্য মানুষ বিশ্বব্যাপী কথা বলেন এবং এই ভাষা শিখলে কাজের সুবিধা রয়েছে, এমন ক্ষেত্র নেহাত কম নয়। ফরাসির পরে এটি হল দ্বিতীয় ভাষা যেটা শিখতে ভারতীয়দের আগ্রহ তুঙ্গে থাকে। এই ভাষার প্রতি আগ্রহ থাকার কারণ গুলি নিচে ব্যাখ্যা করা হল

    i) ইউরোপের বেশিরভাগ মানুষের মাতৃভাষা হলো জার্মান। জার্মানি, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ডের অফিসিয়াল ভাষা হল জার্মান। 

    ii) অর্থনৈতিকভাবে জার্মানি দেশ হল খুব উন্নত। তাই জার্মান ভাষা শেখার আগ্রহ মানুষের বেশি থাকে। কারণ এই ভাষা শিখলে Volkswagen, BASF, Daimler, BMW, Bosch, Siemens প্রভৃতি কোম্পানিতে কাজ খুঁজে নেওয়া সহজ হয়। বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, অটোমোবাইল প্রভৃতি ক্ষেত্রেও জার্মান ভাষার প্রচলন রয়েছে।

    iii) পাঁচশোর অধিক ভারতীয় স্কুল এবং কলেজে এবং আড়াইশোর বেশি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে জার্মান ভাষা পোড়ানো হয়।

    iv) ১৯৫৭ তে জার্মানি সরকার জার্মান ভাষা শিক্ষা প্রসারের জন্য কলকাতাতে ম্যাক্স মুলার ভবন তৈরি করে। 

    v) বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সেরার তালিকায় থাকে। তাই এই ভাষা শিখলে কদর অনেক বেড়ে যায়। জার্মানি বা অস্ট্রিয়াতে উচ্চশিক্ষা লাভের পরিকল্পনা থাকলে এই ভাষা শিখতে আর দেরি করা উচিত নয়।

    ৩) স্প্যানিশ

    সারা বিশ্বব্যাপী কুড়িটি এমন দেশ রয়েছে, যেখানে স্প্যানিশ ভাষায় (Foreign Language Courses) কথা বলা হয়। বিশ্বব্যাপী স্প্যানিশ ভাষার চাহিদা ব্যাপক রয়েছে। ফ্রেঞ্চ এবং জার্মান ভাষার পরে এটি হল তৃতীয় ভাষা, যেটি শেখার আগ্রহ মানুষের যথেষ্ট থাকে। ট্রাভেল, ট্যুরিজম, জার্নালিজম ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে স্প্যানিশ ভাষা ব্যবহৃত হয়। লিখিত এবং কথ্য স্প্যানিশ ভাষা যেকোনো ব্যক্তির কেরিয়ার তৈরিতে সম্পদ। বিপিওতে চাকরি, ভাষা শিক্ষক ইত্যাদি পেশাতেও কেরিয়ার তৈরি করা যায় এই ভাষা (Foreign Language Courses) জানা থাকলে। দক্ষিণ এবং মধ্য আমেরিকার সাথে ভারতবর্ষের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্প্যানিশ মিউজিক, স্প্যানিশ ফুটবল লিগ এর অসম্ভব জনপ্রিয়তা রয়েছে পৃথিবীব্যাপী এবং ভারতবর্ষ তার বাইরে নয়। তাই স্প্যানিশ ভাষা এত গুরুত্বপূর্ণ।

    ৪) জাপানি

    বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত জাপানের উন্নত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে। প্রযুক্তিবিদ্যার উন্নত দেশ হিসেবে জাপান পরিচিত। যদি ভাবেন কোন ভাষা শিখলে, সবথেকে বেশি বেতনের চাকরি পাবেন, তবে সেটা নিঃসন্দেহে জাপানি ভাষা। জাপানি ভাষার (Foreign Language Courses) উপর দখল একটি ভালো কেরিয়ার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    ৫) মান্দারিন চাইনিজ 

    পৃথিবীব্যাপী কয়েক কোটি মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন। পৃথিবীর অর্থনৈতিক মানচিত্রে চীন দেশের স্থান অত্যন্ত লক্ষণীয়। বিভিন্ন চাইনিজ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানিতে ভালো বেতনের চাকরি পেতে এই ভাষা (Foreign Language Courses) কাজে লাগে। বর্তমান ভারতে চাইনিজ দোভাষী কাজের খুবই চাহিদা রয়েছে।

    ৬) রাশিয়ান

    রাশিয়ান ভাষা (Foreign Language Courses) শেখার আগ্রহ ভারতবর্ষে খুব বেশি। সারা পৃথিবীতে ৩০ কোটি মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন। ভারত এবং রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বর্তমান। রাশিয়ান ভাষা শেখা থাকলে ইঞ্জিনিয়ারিং, তেল এবং গ্যাস তথা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রতে ভালো কাজের সুযোগ রয়েছে। রাশিয়ান ভাষা শেখা থাকলে, রাশিয়ান সাহিত্য ক্ষেত্রতেও কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়। একটা সময় ছিল, যখন ভারতবর্ষের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ান ভাষা (Foreign Language Courses) শেখানো হতো। রাশিয়ান সরকার বর্তমানে তাদের ভাষার প্রসারের জন্য উদ্যোগ নিয়েছে।

    ৭) পর্তুগিজ 

    পর্তুগিজ ভাষার (Foreign Language Courses) ওপর দখল রয়েছে যাঁদের, তাঁদের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে ফাইন্যান্স, ট্রাভেলিং, টেকনোলজি, আইটি, এডুকেশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে। ভারতের দিল্লি এবং গোয়াতে এই ভাষা এখনও অনেকটা জনপ্রিয় রয়েছে। পৃথিবীর যে আটটি দেশে পর্তুগিজ ভাষায় কথা বলা হয় তার মধ্যে ব্রাজিল এবং পর্তুগালের সাথে ভারতের সম্পর্ক দিন দিন উন্নত হচ্ছে। বাণিজ্যিক সমেত অন্যান্য বিষয়েও সম্পর্ক স্থাপন হচ্ছে। তাই পর্তুগিজ ভাষা জানা থাকলে বিদেশে কাজ পাওয়া সম্ভব।

    ৮) ইতালিয়ান

    বিদেশী ভাষা শিখতে যাদের আগ্রহ রয়েছে তাঁদের জন্য ইতালিয়ান ভাষাও গুরুত্বপূর্ণ। এই ভাষার উপর দখল থাকলে Banco, Fiat, Benetton, Gucci, Lloyd, Ferrari, Marconi, Pinnacle প্রভৃতি কোম্পানিতে কাজ পাওয়ার সহজ হয়। কারণ এই সমস্ত কর্তৃপক্ষ ইতালিয়ান ভাষা যাঁরা জানে তাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়। অন্যান্য ভাষার থেকে তুলনামূলকভাবে অনেকটা সহজ হয় ইতালিয়ান ভাষা শেখা।

    ৯) আরবি

    তেল সম্পদে পরিপূর্ণ এবং অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হল আরব দেশ। এদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ কর্মসূত্রে আরব দেশ গুলিতে যান। কাতার, ওমান, কুয়েত প্রভৃতি দেশে বিভিন্ন কোম্পানি ও সংস্থায় কাজ করতে চাইলে আরবি ভাষা শেখা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এই সমস্ত দেশগুলিতে বেতন প্যাকেজ খুবই ভালো।

    ১০) কোরিয়ান

    উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়াতে অফিসিয়াল ভাষা হল কোরিয়ান। দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনৈতিকভাবে খুবই উন্নত। Hyundai, Posco, Lotte, Samsung, LG, Kia ইত্যাদি কোম্পানিগুলি আমাদের খুবই পরিচিত। এগুলো আন্তর্জাতিক কোরিয়ান কোম্পানি। কোরিয়ান নাটক, কোরিয়ান গান, কোরিয়ান পপ এগুলোর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই কোরিয়ান ভাষা জানা থাকলে ভালো কেরিয়ার তৈরি করা সম্ভব।

LinkedIn
Share