Category: পড়াশোনা

Get updated Education and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • CBSE Results: প্রকাশিত সিবিএসই দ্বাদশের ফল, পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    CBSE Results: প্রকাশিত সিবিএসই দ্বাদশের ফল, পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল সিবিএসই (Central Board of Secondary Education) দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল। চলতি বছর, পাশের হার ৮৮.৩৯ শতাংশ , যা গত বছরের তুলনায় ০.৪১% বেশি। ২০২৪-এ ছিল ৮৭.৯৮ শতাংশ। পরীক্ষা শেষের ৩৯ দিনের মাথায় ফল ঘোষণা করল বোর্ড (CBSE) । এ বার পাশের হারে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে মেয়েরা। মেয়েদের পাশের হার ৯১.৬৪ শতাংশ, ছেলেদের পাশের হার ৮৫.৭০ শতাংশ।

    জোন ভিত্তিক পাশের হার

    পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সান্যম ভরদ্বাজ বলেন, চলতি বছর মোট ১৭,০৪,৩৬৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। এর পর মোট ১৬,৯২,৭৯৪ জন পরীক্ষা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১৪,৯৬,৩০৭ জন। পাশের হারের নিরিখে দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে বিজয়ওয়াড়া। পাশের হার ৯৯.৬০ শতাংশ। যেখানে তিরুবনন্তপুরম ৯৯.৩২% পাসের হার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে চেন্নাই। সেখানে পাসের হার ৯৭.৩৯%। জওহর নবোদয় বিদ্যালয় (JNVs) ৯৯.২৯% পাসের হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে, এরপর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় (KVs) ৯৯.০৫% এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে কেন্দ্রীয় তিব্বতি স্কুল (STSS) যেখানে পাসের হার ৯৮.৯৬%। অঞ্চল-ভিত্তিক ফলাফলের নিরিখে পূর্ব ভারত বেশ কিছুটা পিছিয়ে আছে। দক্ষিণ ভারত এগিয়ে কয়েক কদম।

    কীভাবে দেখবেন ফলাফল

    পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের (CBSE) ওয়েবসাইট cbseresults.nic.in এবং results.cbse.nic.in -এ গিয়ে তাঁদের রেজাল্ট দেখতে পারবেন। এ ছাড়াও ফল দেখা যাবে ডিজিলকার এবং উমং অ্যাপের মাধ্যমে। পরীক্ষার্থীদের প্রথমে সিবিএসই-র ওয়েবসাইট cbseresults.nic.in বা results.cbse.nic.in-এ যেতে হবে। এর পর ‘হোমপেজ’ থেকে রেজাল্ট লেখা লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। সেখানে নিজেদের রোল নম্বর, স্কুল নম্বর এবং অ্যাডমিট কার্ড আইডি লিখে ক্লিক করলে রেজাল্ট দেখতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। এর পর সেটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট আউট নিয়ে রাখতে হবে তাঁদের। ডিজিলকার থেকেও জানা যাবে রেজাল্ট। তাদের ওয়েবসাইট results.digilocker.gov.in। এই প্রথমবার সিবিএসই পরীক্ষার্থীদের জন্য আনল ৬ সংখ্যার অ্যাক্সেস কোড। এর মাধ্যমে চালু করা যাবে পড়ুয়াদের ডিজিলকার অ্যাকাউন্ট। এই অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভেট হওয়ার পর ওখানে একটি সেকশন দেখতে পাওয়া যাবে, নাম ‘ইস্যুড ডকুমেন্টস’। সেখানে গিয়ে ক্লিক করলে অ্যাকাডেমিক রেকর্ডের ডিজিটাল ভার্সন দেখতে পাবেন পড়ুয়ারা।

  • HS Result 2025: প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ, বার্ষিক ব্যবস্থায় শেষ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত

    HS Result 2025: প্রথম বর্ধমানের রূপায়ণ, বার্ষিক ব্যবস্থায় শেষ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চমাধ্যমিকের ফল (HS Result 2025) প্রকাশিত হল বুধবার। এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ ২০২৫ সালের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করল উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। গত ৩ মার্চ থেকে শুরু হয়েছিল পরীক্ষা। শেষ হয়েছিল ১৮ মার্চ। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৫০ দিন পর ফল প্রকাশ করল সংসদ। সাংবাদিক বৈঠকে সাংসদ জানিয়েছে, কোভিডকালের তিন বছর বাদ দিলে গত ১০ বছরে সেরা ফলাফল হয়েছে এই বছর। দীর্ঘদিন ধরে যে ধাঁচে উচ্চমাধ্যমিক হয়ে আসছিল, আজ ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে-সঙ্গে সেটা ‘ইতিহাস’-র জায়গা করে নিল। আগামী বছর (২০২৬ সাল) থেকে সেমিস্টার-ভিত্তিক উচ্চমাধ্যমিক হবে। যে পড়ুয়ারা ২০২৪ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একাদশ শ্রেণিতে ভরতি হয়েছিলেন, তাঁরাই সেমেস্টার প্রথার আওতায় প্রথম উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেবেন। আর তৃতীয় ও চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে উচ্চমাধ্যমিকের চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে আগামী বছর থেকে।

    প্রথম বর্ধমানের ছাত্র

    উচ্চমাধ্যমিকে ৯৯.৪ শতাংশ নম্বর (HS Result 2025) পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন পূর্ব বর্ধমানের রূপায়ণ পাল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৭। রূপায়ণ বর্ধমান সিএমএস হাইস্কুলের ছাত্র। দ্বিতীয় স্থানে কোচবিহারের তুষার দেবনাথ। বক্সিরহাট হাইস্কুলের ছাত্র। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬ (৯৯.২ শতাংশ)। ৪৯৫ (৯৯ শতাংশ) নম্বর পেয়ে এ বছর তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন আরামবাগের রাজর্ষি অধিকারী। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন বাঁকুড়ার সৃজিতা ঘোষাল। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪ (৯৮.৮ শতাংশ)। পঞ্চম স্থান অধিকারী করেছেন ছয় জন। প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩ (৯৮.৬ শতাংশ)। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন আট জন। প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯২ (৯৮.৪ শতাংশ)।

    উচ্চমাধ্যমিকে জেলার জয়জয়কার

    সংসদ জানিয়েছে, উচ্চমাধ্যমিকে (HS Result 2025) এই বছর প্রথম দশে হুগলি থেকে সবচেয়ে বেশি পড়ুয়া রয়েছেন। মোট ১৪ জন রয়েছেন প্রথম দশে। কলকাতার মাত্র তিন জন। উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় প্রথম দশে রয়েছে ৭২ জন। তাদের মধ্যে কলকাতার স্কুল থেকে তিন জন রয়েছে। ৪৯০ পেয়ে তথাগত রায় অষ্টম স্থান অধিকার করেছে। সৌনক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সৃজিতা দত্ত দু’জনেই নবম স্থানে রয়েছে। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯। উচ্চ মাধ্যমিকে এ বছর পাশের হার ৯০.৭৯ শতাংশ। শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর। পাশের হারে দ্বিতীয় উত্তর ২৪ পরগনা এবং তৃতীয় কলকাতা। পাশের হারে এগিয়ে ছাত্ররা। তাদের পাশের হার ৯২%-এর বেশি। মেয়েদের মধ্যে পাশের হার ৮৮%-এর বেশি। গত বছর উচ্চ মাধ্যমিকে পাশের হার ছিল ৯০ শতাংশ। বিজ্ঞান বিভাগে পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ। বাণিজ্যে ৯৭.৫২ শতাংশ এবং কলা বিভাগে ৮৮.২৫ শতাংশ।

    কীভাবে জানবেন রেজাল্ট

    বুধবার দুপুর ২:০০ টো থেকে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপে উচ্চমাধ্যমিক ২০২৫-এর রেজাল্ট (HS Result 2025) পাওয়া যাচ্ছে। ৮ মে, বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টার পর স্কুল থেকে মার্কসিট ও সার্টিফিকেট পাবেন ছাত্রছাত্রীরা। মোবাইলে উচ্চ মাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফলের লিঙ্ক বা রেজাল্ট অপশনে ক্লিক করুন। নির্দিষ্ট বক্সে আপনার রোল নম্বর এবং জন্ম তারিখ লিখুন। বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার পর, সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। এবার আপনার ফলাফল স্ক্রিনে দেখাবে

    বার্ষিক ব্যবস্থায় শেষ উচ্চমাধ্যমিক

    বার্ষিক ব্যবস্থায় শেষ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা (HS Result 2025) হল এ বছরই। আগামী বছর থেকে সেমেস্টার ব্যবস্থা চালু হবে উচ্চমাধ্যমিকে। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, পড়ুয়ারা যে স্কুলে পড়ছেন, সেই স্কুলে তৃতীয় এবং চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা হবে না। বাইরের স্কুলে গিয়ে দিতে হবে দুটি সেমেস্টারের পরীক্ষা। সংসদের সভাপতির কথায়, ‘(পরেরবার থেকে) বছরে ২টো উচ্চমাধ্যমিক নেওয়া হবে।’ সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, ভোকেশনাল সাবজেক্ট, ভিস্যুয়াল আর্টস এবং মিউজিক বাদ দিয়ে বাকি বিষয়গুলির পরীক্ষা হবে ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের। সকাল ১০ টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। চলবে সকাল ১১ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত। আর ভোকেশনাল সাবজেক্ট, ভিস্যুয়াল আর্টস এবং মিউজিকের পরীক্ষার সময় হল ৪৫ মিনিট। সকাল ১০ টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে সকাল ১০ টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত।

    আগামী উচ্চমাধ্যমিকের রুটিন

    তৃতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা

    ১) ৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার): বাংলা (প্রথম ভাষা), ইংরেজি (প্রথম ভাষা), হিন্দি (প্রথম ভাষা), নেপালি (প্রথম ভাষা), উর্দু, সাঁওতালি, ওড়িয়া, তেলুগু, গুজরাটি এবং পঞ্জাবি।

    ২) ৯ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার): হেলথ কেয়ার, অটোমোবাইল, অর্গানাইজড রিটেলিং, সিকিউরিটি, আইটি অ্যান্ড আইটিইএস, ইলেকট্রনিকস, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি, প্লাম্বিং, কনস্ট্রাকশন, অ্যাপ্ররেল, বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, এগ্রিকালচার, পাওয়ার – ভোকেশনাল সাবজেক্ট।

    ৩) ১০ সেপ্টেম্বর (বুধবার): ইংরেজি (দ্বিতীয় ভাষা), বাংলা (দ্বিতীয় ভাষা), হিন্দি (দ্বিতীয় ভাষা), নেপালি (দ্বিতীয় ভাষা) এবং অল্টারনেটিভ ইংলিশ।

    ৪) ১১ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার): অর্থনীতি, অ্যাথ্রোপলজি, সায়েন্স অফ ওয়েল বিয়িং, অ্যাপ্লায়েড আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স।

    ৫) ১২ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার): ফিজিক্স, নিউট্রিশন, এডুকেশন এবং অ্যাকাউন্টেন্সি।

    ৬) ১৩ সেপ্টেম্বর (শনিবার): কম্পিউটার সায়েন্স, মর্ডান কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ, হেলথ অ্যান্ড ফিজিক্যাল এডুকেশন, মিউজিক এবং ভিস্যুয়াল আর্টস।

    ৭) ১৫ সেপ্টেম্বর (সোমবার): স্ট্যাটিসটিকস, সাইকোলজি, কমার্শিয়াল ল অ্যান্ড প্রিলিমিনারিস অফ অডিটিং এবং ইতিহাস।১০) ১৬ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার): কেমিস্ট্রি, ভূগোল, হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এবং বিজনেস স্টাডিজ।

    ১১) ১৮ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার): ফিলোজফি।

    ১২) ১৯ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার): অঙ্ক, এগ্রিকালচার, জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন, সংস্কৃত, পার্সিয়ান এবং আরবিক।

    ১৩) ২০ সেপ্টেম্বর (শনিবার): সাইবার সিকিউরিটি, আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স, ডেটা সায়েন্স, সোশিয়োলজি।

    ১৪) ২২ সেপ্টেম্বর (সোমবার): বায়োলজিক্যাল সায়েন্স, পলিটিকাল সায়েন্স, কস্টিং অ্যান্ড ট্যাক্সেশন।

    চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষার পুরো রুটিন

    ১) ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার): বাংলা (প্রথম ভাষা), ইংরেজি (প্রথম ভাষা), হিন্দি (প্রথম ভাষা), নেপালি (প্রথম ভাষা), উর্দু, সাঁওতালি, ওড়িয়া, তেলুগু, গুজরাটি এবং পঞ্জাবি।

    ২) ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার): ইংরেজি (দ্বিতীয় ভাষা), বাংলা (দ্বিতীয় ভাষা), হিন্দি (দ্বিতীয় ভাষা), নেপালি (দ্বিতীয় ভাষা) এবং অল্টারনেটিভ ইংলিশ।

    ৩) ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার): ফিজিক্স, নিউট্রিশন, এডুকেশন এবং অ্যাকাউন্টেন্সি।

    ৪) ১৮ ফেব্রুয়ারি (বুধবার): হেলথ কেয়ার, অটোমোবাইল, অর্গানাইজড রিটেলিং, সিকিউরিটি, আইটি অ্যান্ড আইটিইএস, ইলেকট্রনিকস, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি, প্লাম্বিং, কনস্ট্রাকশন, অ্যাপ্ররেল, বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, এগ্রিকালচার, পাওয়ার – ভোকেশনাল সাবজেক্ট।

    ৫) ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার): অঙ্ক, এগ্রিকালচার, জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন, সংস্কৃত, পার্সিয়ান এবং আরবিক।

    ৬) ২০ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার): বায়োলজিক্যাল সায়েন্স, পলিটিকাল সায়েন্স, কস্টিং অ্যান্ড ট্যাক্সেশন।

    ৭) ২১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার): স্ট্যাটিসটিকস, সাইকোলজি, কমার্শিয়াল ল অ্যান্ড প্রিলিমিনারিস অফ অডিটিং এবং ইতিহাস।

    ৮) ২৩ ফেব্রুয়ারি (সোমবার): কেমিস্ট্রি, ভূগোল, হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এবং বিজনেস স্টাডিজ।

    ৯) ২৪ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার): ফিলোজফি।

    ১০) ২৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার): অর্থনীতি, অ্যাথ্রোপলজি, সায়েন্স অফ ওয়েল বিয়িং, অ্যাপ্লায়েড আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স।

    ১১) ২৬ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার): সাইবার সিকিউরিটি, আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স, ডেটা সায়েন্স, সোশিয়োলজি।

    ১২) ২৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার): কম্পিউটার সায়েন্স, মর্ডান কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ, হেলথ অ্যান্ড ফিজিক্যাল এডুকেশন, মিউজিক এবং ভিস্যুয়াল আর্টস।

  • Madhyamik Result 2025: মাধ্যমিকে প্রথম রায়গঞ্জের আদৃত, ৬৬ জনের মেধাতালিকা প্রকাশ

    Madhyamik Result 2025: মাধ্যমিকে প্রথম রায়গঞ্জের আদৃত, ৬৬ জনের মেধাতালিকা প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফলাফল (Madhyamik Result 2025)। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৭০ দিন পর ফল প্রকাশ হল। সকাল ৯টায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত করা হয় মাধ্যমিকের ফলাফল। এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীদের সংখ্যা ছিল বেশি। ৬৬ জনের সম্পূর্ণ মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়েছে শুক্রবার। প্রথম হয়েছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের আদৃত সরকার। সে পেয়েছে ৬৯৬। দ্বিতীয় স্থানে আছে দু’জন। মালদার রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের অনুভব বিশ্বাস (৬৯৪) এবং বাঁকুড়া বিষ্ণুপুর হাইস্কুলেরসৌম্য পাল (৬৯৪)। মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থানে বাঁকুড়ার ঈশানী চক্রবর্তী। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩।

    প্রথম দশে কলকাতার এক

    প্রথম দশে কলকাতার মাত্র এক জন রয়েছে। বাগবাজারের রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সিস্টার নিবেদিতা গার্লস স্কুলের ছাত্রী অবন্তিকা রায় অষ্টম স্থান অধিকার করেছে। সে পেয়েছে ৬৮৮। মাধ্যমিকে এ বছর চতুর্থ স্থানে রয়েছে দু’জন। পূর্ব বর্ধমানের মহম্মদ সেলিম এবং পূর্ব মেদিনীপুরের সুপ্রতিক মান্নার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। এ বছর মাধ্যমিকে পঞ্চম হয়েছে চার জন। তাদের মধ্যে হুগলি থেকেই রয়েছে তিন জন— সিঞ্চন নন্দী, মহম্মদ আসিফ এবং দীপ্তজিৎ ঘোষ। এ ছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোমতীর্থ করণও পঞ্চম হয়েছে। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। মাধ্যমিকের ষষ্ঠ স্থানে এ বছর রয়েছে পাঁচ জন, সপ্তম স্থানে রয়েছে পাঁচ জন, অষ্টম স্থানে কলকাতার ওই ছাত্রী-সহ রয়েছে মোট ১৬ জন। এ ছাড়া, নবম স্থানে ১৪ জন এবং দশম স্থানে ১৬ জন পরীক্ষার্থীর নাম রয়েছে।

    পাশের হার সর্বকালের সেরা

    পর্ষদ জানিয়েছে, এ বছর মাধ্যমিকের (Madhyamik Result 2025) পাশের হার সর্বকালের সেরা— ৮৬.৫৬ শতাংশ। গত বার ছিল ৮৬.৩১ শতাংশ। মাধ্যমিকে পাশের হারে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর। তার পর যথাক্রমে কালিম্পং, কলকাতা এবং পশ্চিম মেদিনীপুর রয়েছে। এ বছরও মাধ্যমিকে রয়েছে গ্রেড ব্যবস্থা। সর্বোচ্চ ‘এএ’ গ্রেড পেয়েছে ১০,৬৫৯ জন। ‘এ+’ গ্রেড পেয়েছে ২৫,৮২০ জন এবং ‘এ’ গ্রেড পেয়েছে ৯১,২৩৭ জন। পর্ষদের পরিসংখ্যান বলছে, ১ লক্ষ ২২ হাজার ৭৯৫ জন মাধ্যমিকে এ বছর পাশ করতে পারেনি। পরের বছরের পরীক্ষায় তাদের সাফল্য কামনা করেছেন পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়।

  • ICSE: আইসিএসই ও আইএসসি বোর্ডের ফলাফল প্রকাশিত, এগিয়ে ছাত্রীরা, কীভাবে জানা যাচ্ছে রেজাল্ট?

    ICSE: আইসিএসই ও আইএসসি বোর্ডের ফলাফল প্রকাশিত, এগিয়ে ছাত্রীরা, কীভাবে জানা যাচ্ছে রেজাল্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের আইসিএসই (ICSE) ও আইএসসি ফলাফল প্রকাশিত হল (ICSE 10th Result)। মঙ্গলবারই রেজাল্ট ঘোষণার দিন জানায় সিআইএসসিই বোর্ড। প্রসঙ্গত, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ২৫ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করল বোর্ড। মেয়েদের পাশের হার ৯৯.৪৫ শতাংশ। ছেলেদের পাসের হার ৯৮.৬৪ শতাংশ। ফলাফল দেখা যাচ্ছে cisce.org ওয়েবসাইটে।

    চলতি বছরে দশম শ্রেণির (আইসিএসই) পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৫৭ জন। তার মধ্যে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ২৬৮ জন ছাত্র ও ১ লক্ষ ১৮ হাজার ১১৬ জন ছাত্রী। সার্বিক পাশের হার ৯৯.০৯ শতাংশ। মেয়েদের পাশের হার – ৯৯.৩৭ শতাংশ, ছেলেদের – ৯৮.৮৪ শতাংশ। অন্যদিকে, দ্বাদশ শ্রেণির (আইএসসি) পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯৯ হাজার ৫৫১ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৫২ হাজার ৬৯২ এবং ছাত্রী ৪৭ হাজার ৩৭৫ জন। ৯৮ হাজার ৫৭৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। সার্বিক পাশের হার ৯৯.০২ শতাংশ। মেয়েদের পাশের হার – ৯৯.৪৫ শতাংশ, ছেলেদের – ৯৮.৬৪ শতাংশ।

    আইসিএসই বোর্ডের (ICSE) ফলাফল: অঞ্চল ভিত্তিক পাশের হার

    উত্তর ভারত: ৯৮.৭৮ শতাংশ
    পূর্ব ভারত: ৯৮.৭০ শতাংশ
    পশ্চিম ভারত: ৯৯.৮৩ শতাংশ
    দক্ষিণ ভারত: ৯৯.৭৩ শতাংশ
    বিদেশ: ৯৩.৩৯ শতাংশ

    কীভাবে দেখা যাচ্ছে ফলাফল

    ফলাফল দেখতে ক্লিক করুন: cisce.org।

    এরপর নিজের কোর্স নির্বাচন করুন।

    UID এবং Index নম্বর লিখুন।

    এরপর ক্যাপচা কোড দিতে হবে।

    ফলাফল দেখুন বোতামে ক্লিক করুন।

    একইসঙ্গে দশম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীরা ICSE টাইপ করে unique ID code লিখে 09248082883 নম্বরে মেসেজ করলেও নিজেদের ফলাফল দেখতে পাবে।

    ডিজিলকার থেকেও রেজাল্ট দেখা যাচ্ছে

    এ ছাড়া ডিজিলকার থেকেও রেজাল্ট (ICSE) দেখা যাচ্ছে। তার জন্য প্রথমে ডিজিলকার পোর্টালে https://results.digilocker.gov.in ওয়েব অ্যাড্রেসে যেতে হবে পরীক্ষার্থীকে। সেখানেই সিআইএসসিই-র আলাদা বিভাগ রয়েছে। সেখানে গিয়ে রেজাল্ট জানতে আইসিএসই অথবা আইএসসি বোতামে ক্লিক করতে হবে। পরের পাতায় ইনডেক্স নম্বর এবং অ্যাডমিট কার্ডে লেখা জন্মতারিখ দিয়ে ‘সাবমিট’ করলে ফলাফল দেখতে পাবে পরীক্ষার্থীরা। এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে খুশি না হলে, উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য পাঠানো যায়। এর জন্য যেতে হবে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের ‘Public Services’ সেকশনে। রেজিস্টার্ড ইমেল আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করতে হবে। ৩০ এপ্রিল এই পুনর্মূল্যায়নের উইন্ডো খুলবে বলে জানানো হয়েছে, এটি বন্ধ হবে ৪ মে।

  • NCERT: এনসিইআরটি-র সপ্তম শ্রেণির পাঠ্য বইয়ে বাদ মুঘল এবং সুলতানি শাসন, স্থান পেল ভারতীয় সাম্রাজ্যের কথা

    NCERT: এনসিইআরটি-র সপ্তম শ্রেণির পাঠ্য বইয়ে বাদ মুঘল এবং সুলতানি শাসন, স্থান পেল ভারতীয় সাম্রাজ্যের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনসিইআরটি (ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং)-র পাঠ্যবইয়ে (NCERT) সপ্তম শ্রেণির নতুন সমাজবিজ্ঞান বইয়ে বাদ পড়ল দিল্লির মুঘল এবং সুলতানি সাম্রাজ্যের অধ্যায়। তার পরিবর্তে নতুন সংযোজন করা হয়েছে প্রাচীন ভারতীয় সাম্রাজ্যের কথা। রাখা হয়েছে মগধ, মৌর্য, শুঙ্গ এবং সাতবাহন সাম্রাজ্যকে। একইসঙ্গে ২০২৫ সালে প্রয়াগরাজে হওয়া মহাকুম্ভও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে নতুন পাঠ্যবইয়ে।

    জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী পরিবর্তন

    এই পরিবর্তনগুলি জাতীয় শিক্ষানীতি (এনইপি) ২০২০ এবং স্কুল শিক্ষার জন্য জাতীয় পাঠ্যক্রম কাঠামো (এনসিএফএসই) ২০২৩ অনুযায়ী করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই দুই নীতিই স্কুল শিক্ষায় ভারতীয় ঐতিহ্য, দর্শন, সভ্যতাকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছে। এনসিইআরটির এমন সিদ্ধান্তে তারই প্রতিফলন দেখা গেল (Indian Heritage)। প্রসঙ্গত, এর আগে তুঘলক, খিলজি, লোধি প্রভৃতি শাসন ব্যবস্থা বাদ দেওয়া হয়েছিল। তবে এই প্রথম মুঘল এবং দিল্লির সুলতান সম্পর্কিত অধ্যায়গুলি বাদ পড়ল।

    তীর্থভূমি ভারত নিয়ে আলাদা অধ্যায় (NCERT)

    সমাজ বিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তক (NCERT) ‘এক্সপ্লোরিং সোসাইটি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড বিয়ন্ড’ এই বইয়ে ভারতীয় সাম্রাজ্যগুলির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে মগধ, মৌর্য, শুঙ্গ এবং সাতবাহনের মতো প্রাচীন ভারতীয় রাজবংশগুলির শাসন। এই অধ্যায়েই দেশের ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ, চারধাম যাত্রা এবং নদীসঙ্গম, পর্বত ও জঙ্গল সহ শক্তিপীঠের স্থানগুলিকে ‘ধর্মীয় ভূগোল’ (Sacred geography) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি আসলে ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের প্রেক্ষাপট সম্বলিত স্থানগুলির অধ্যয়ন। এর মাধ্যমে স্থানগুলির প্রতীকী ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য বোঝাতে চাওয়া হয়েছে। এটি এমন স্থানগুলিকে চিহ্নিত করে যা ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রথার সঙ্গে সম্পর্কিত। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর একটি উদ্ধৃতি উল্লেখ করা হয়েছে এই অধ্যায়ে, যেখানে ভারতবর্ষকে তীর্থভূমি হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। অন্যদিকে ইসলাম, খ্রিস্টান, ইহুদি এবং হিন্দু, বৌদ্ধ এবং শিখ- এই ধর্মগুলি নিয়ে একটি নয়া অধ্যায় রাখা হয়েছে।

    স্থান পেয়েছে মহাকুম্ভ

    নতুন সংশোধিত পাঠ্যপুস্তকে (NCERT) দাবি করা হয়েছে, ‘বর্ণ-জাতি ব্যবস্থা’ প্রাচীন ভারতীয় সমাজ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা প্রদান করলেও, পরে তা বৈষম্যের আকার নেয়। বিশেষত ব্রিটিশ শাসনের অধীনে কঠোর হয়ে ওঠে। ২০২৫ সালে উত্তরপ্রদেশে অনুষ্ঠিত হওয়া মহাকুম্ভ সম্পর্কেও উল্লেখ রয়েছে বইতে। এখানেই বলা হয়েছে ৬৬ কোটি মানুষ এই বিরাট ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন।

    নাগরিকদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনও স্থান পেয়েছে (Indian Heritage)

    ভারতের সংবিধান সম্পর্কিত একটি অধ্যায় স্থান পেয়েছে বইটিতে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘‘একটা সময় ছিল যখন সাধারণ নাগরিকদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অনুমতি ছিল না। কিন্তু পরে ২০০৪ সালে এই নিয়মের পরিবর্তন করা হয়। নাগরিকদের নিজেদের দেশের প্রতি গর্ব প্রকাশ করতে বাড়িতে জাতীয় পতাকা তোলার আর্জি জানান। সুপ্রিম কোর্টও এবিষয়ে সম্মতি জানিয়ে বলেছিল যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করাও মৌলিক অধিকারের অঙ্গ। বর্তমানে আমরা গর্বের সঙ্গে নিজেদের বাড়িতে তেরঙ্গা উড়াতে পারি, এটা মাথায় রেখেই যে জাতীয় পতাকার যাতে কোনও অসম্মান না হয়।’’ এনসিইআরটি কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমকে আরও জানিয়েছেন, এই সংশোধনী কেবল বইয়ের প্রথম অংশের জন্য করা হয়েছে। দ্বিতীয় অংশের সংশোধনী আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছে এনসিআরটি।

    ভারতের উন্নয়নের একাধিক প্রকল্প স্থান পেয়েছে

    একই সঙ্গে নয়া পাঠ্যপুস্তকে একটি অধ্যায় (NCERT) আনা হয়েছে। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে ভারতবর্ষের ঐতিহাসিক এবং সামাজিক পরিবর্তনগুলিকে। এই বইতে স্থান পেয়েছে মোদি সরকারের উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বগুলিও। যথা মেক-ইন-ইন্ডিয়া, বেটি বাঁচাও-বেটি পড়াও, একই সঙ্গে অটল টানেলের মতো ভারতবর্ষের বড় পরিকাঠামোগত সাফল্যগুলিও এই বইতে স্থান পেয়েছে। এনসিআরটি-র তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই অধ্যায়গুলির সংযোজনের আসল লক্ষ্য হল- ছাত্র-ছাত্রীদের অবগত করানো দেশের উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং মাইলস্টোনগুলিকে।

    ভারতীয় লেখকদের লেখা প্রাধান্য পেয়েছে

    প্রসঙ্গত, সমাজবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু ইংলিশ কারিকুলাম বিষয়টিও সংশোধন করা হয়েছে। আগের পাঠ্যপুস্তকের নাম ছিল Honeycomb. বর্তমানে তা বদলে করা হয়েছে Poorvi. আগের Honeycomb-এ ১৭টি অংশ ছিল সাহিত্যের। যার মধ্যে মাত্র চারটি ছিল ভারতীয় লেখকদের অধ্যায়। নতুন Poorvi-তে পনেরোটি বিভিন্ন গল্প ও কবিতা রয়েছে। যেগুলির মধ্যে ৯টি লেখা রয়েছে ভারতীয় লেখকদের। এখানেই স্থান পেয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এপিজে আবদুল কালামের লেখা। বিদেশীদের মধ্যে স্থান পেয়েছে রাসকিন বন্ডের লেখা।

  • JEE Result: প্রকাশিত সর্বভারতীয় জেইই (মেনস) রেজাল্ট, ১০০ পার্সেন্টাইল পেয়ে দেশের সেরা ২৪-এ বাংলার দুই

    JEE Result: প্রকাশিত সর্বভারতীয় জেইই (মেনস) রেজাল্ট, ১০০ পার্সেন্টাইল পেয়ে দেশের সেরা ২৪-এ বাংলার দুই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় জয়েন্ট এন্ট্রাস পরীক্ষায় বাজিমাত বাংলার। জেইই মেইন পরীক্ষায় যে ২৪ জন প্রার্থীর প্রাপ্ত ‘স্কোর’ ১০০-তে ঠেকেছে, তাঁদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের দু’জন পড়ুয়া রয়েছেন। ওই ২৪ জনের মধ্যে আলাদাভাবে আপাতত কোনও র‍্যাঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি। অ্যাপ্লিকেশন নম্বরের ভিত্তিতে পরপর ওই ২৪ জন প্রার্থীর নাম দেওয়া হয়েছে। সর্বভারতীয় জয়েন্টের (JEE Result) আয়োজক ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে অর্চিষ্মান নন্দী এবং দেবদত্তা মাঝির প্রাপ্ত পার্সেন্টাইল হল ১০০।

    মাধ্যমিকের পর জয়েন্টে সেরা দেবদত্তা

    ২০২৩-এর মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিল দেবদত্তা মাঝি। এবার সর্বভারতীয় জয়েন্ট পরীক্ষায় (JEE Result) বাজিমাত করল পূর্ব বর্ধমানের মেয়ে। দুর্গাদাসী চৌধুরী গার্লস হাই স্কুলের পড়ুয়া দেবদত্তা। মাধ্যমিকে ৭০০ নম্বরের পরীক্ষায় তিনি পেয়েছিলেন ৬৯৭ নম্বর। যা শতাংশের নিরিখে ৯৯.৫৭। দেবদত্তার মা তাঁর স্কুলেরই শিক্ষিকা, বাবা আসানসোলের একটি কলেজের অধ্যাপক। বাড়িতে সব সময়েই পড়াশোনার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেন তিনি। দেবদত্তা বলেন, ‘‘আমি সারা বছর উচ্চ মাধ্যমিক নিয়ে অতখানি প্রস্তুতি নিইনি। বেশির ভাগ সময়টাই জয়েন্টের পরীক্ষার জন্যই তৈরি করেছি নিজেকে।’’

    দুর্ঘটনাও আটকাতে পারেনি অর্চিষ্মানকে

    দেবদত্তার সঙ্গেই রাজ্যে যুগ্ম ভাবে (WB Toppers in JEE 2025) প্রথম হয়েছে অর্চিষ্মান নন্দী। অথচ তার এই পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রায় নষ্ট হয়ে যেতে বসেছিল আচমকা দুর্ঘটনার কারণে। সর্বভারতীয় স্তরে ২৪ জন এনটিএ স্কোর ১০০ পার্সেন্টাইল পেয়েছে, যাঁদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে অর্চিষ্মান। খড়্গপুরের চাঙ্গুয়াল গ্রামে অর্চিষ্মানের বাড়িতে এখন আনন্দের আবহ। অর্চিষ্মানের বাবা মিঠুন নন্দী জানিয়েছেন, ২৯ জানুয়ারি প্রথম সেশনের পরীক্ষার তিন দিন আগেই দুর্ঘটনা ঘটে ছেলের। সপরিবারে কলকাতা যাওয়ার পথে উলুবেড়িয়া চেক পয়েন্টের কাছে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁদের গাড়ি। পেছন থেকে ডাম্পার এসে ধাক্কা মারলে গুরুতর আহত হয় পিছনের সিটে থাকা অর্চিষ্মান। সেই আতঙ্ক কাটিয়ে চিকিৎসা করিয়ে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার জন্য তাঁরা উৎসাহ এবং সাহস যোগাতে থাকেন ছেলেকে। পেরেন্টাল কাউন্সেলিং-ও করান তাঁরা। একটি বেসরকারি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মী হিসাবে বর্তমানে ভুবনেশ্বরে কর্মরত মিঠুন। তিনি বলেন, “এত বড় দুর্ঘটনার পরও জেইই মেনসের প্রথম সেশনে ৯৯.৯৮৭৫৭ পার্সেন্টাইল স্কোর করেছিল অর্চিষ্মান। দ্বিতীয় সেশনের ফলাফলে রাজ্যের সেরা দু’জন কৃতী হিসাবে আমার ছেলে জায়গা করে নিয়েছে, এটাই আমার কাছে গর্বের।” অর্চিষ্মানের মা অনিন্দিতা নন্দী বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের কর্মী। তিনি ছেলের এই সাফল্য উচ্ছ্বসিত। তিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিক স্তরের পড়াশোনা বাংলা মাধ্যমে হলেও পরবর্তীতে সিআইএসসিই এবং সিবিএসই বোর্ডের অধীনে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন অর্চিষ্মান। একাধিক বার স্কুল এবং পড়াশোনার মাধ্যম বদলে গেলেও মেধার জোরে ছেলে নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকেছে।

    সকালেই ফল ঘোষণা

    জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন (JEE)-এর ফলাফল প্রকাশ করল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। শনিবার সকালে অফিশিয়াল পোর্টাল jeemain.nta.nic.in-এ সেই ফল প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৪ জন পরীক্ষার্থী ফুল মার্কস অর্থাৎ ১০০ তে ১০০ পেয়েছেন। শীর্ষে থাকা ২৪ জন হল মহম্মদ আনাস, আয়ুষ সিংহল, অর্চিষ্মান নন্দী, দেবদত্তা মাজি, আয়ুষ রবি চৌধুরী, লক্ষ্য শর্মা, কুশাগ্র গুপ্ত, হর্ষ এ গুপ্তা, আদিত প্রকাশ ভাগাড়ে, দক্ষ, হর্ষ ঝা, রাজিত গুপ্তা, শ্রেয়স লোহিয়া, সাকশম জিন্দাল, সৌরভ, ভাংগালা অজয় রেড্ডি, সানিধ্য সরফ, বিষাদ জৈন, অর্ণব সিং, শিবেন বিকাশ তোষনিওয়াল, কুশাগ্র বাইনাঘা, সাই মানোগনা গুথিকোন্ডা, ওম প্রকাশ বাহেরা ও বানীব্রত মাজি।

    কীভাবে দেখবেন ফলাফল

    jeemain.nta.nic.in ওয়েবসাইটে লগ ইন করুন।
    JEE Main 2025 paper 2 লিঙ্ক ক্লিক করতে হবে।
    দিতে হবে অ্যাপ্লিকেশন নম্বর ও জন্মতারিখ।
    স্ক্রিনে দেখা যাবে স্কোরকার্ড।
    সেই স্কোরকার্ড ডাউনলোড করে রেখে দিতে পারবেন।

    পশ্চিমবঙ্গের আশপাশের রাজ্যের টপাররা

    রাজ্যভিত্তিক টপারের নিরিখে অসম থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন প্রাঞ্জলকুমার সিং। তাঁর পার্সেন্টাইল হল ৯৯.৯৮৩৭৯৫২। ঝাড়খণ্ড থেকে শীর্ষস্থান অধিকার করেছেন আরিয়ান মিশ্র। তাঁর পার্সেন্টাইল হল ৯৯.৯৯৯০৯৬৮। ত্রিপুরা থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন অর্ঘ্যদীপ দেব। তাঁর পার্সেন্টাইল হল ৯৯.৯৮০৭৫৭৮।

    রাজস্থানের আধিপত্য

    রাজস্থান এবারও তার শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে এবং সর্বোচ্চ ৭ জন টপার দিয়েছে। তেলঙ্গানা, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে ৩ জন করে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। ১০০ শতাংশ নম্বর পাওয়াদের মধ্যে দিল্লি, গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গের দুইজন করে এবং কর্নাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশের একজন করে ছাত্র রয়েছেন। এই বছরের জেইই অ্যাডভান্সডের (JEE Result) প্রস্তুতি নেওয়া পড়ুয়াদের জন্য কাটঅফও প্রকাশ করা হয়েছে। সাধারণ বিভাগের পড়ুয়াদের জন্য কাটঅফ ৯৩.১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ইডব্লুএস-এর জন্য কাটঅফ ৮০.৩৮, ওবিসি-র জন্য ৭৯.৪৩, এসসি-র জন্য ৬১.১৫ এবং এসটি-র জন্য ৪৭.৯০ শতাংশ রাখা হয়েছে।

  • CBSE: দশম ও দ্বাদশের জন্য নতুন সিলেবাস প্রকাশ করল সিবিএসই, জেনে নিন কী কী বদল

    CBSE: দশম ও দ্বাদশের জন্য নতুন সিলেবাস প্রকাশ করল সিবিএসই, জেনে নিন কী কী বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিএসই (CBSE) সম্প্রতি দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের সিলেবাস প্রকাশ করল। এই সদ্য প্রকাশিত পাঠ্যক্রমে বিস্তারিতভাবে শিক্ষাবর্ষের সম্পূর্ণ কার্যক্রম (CBSE Syllabus) উল্লিখিত রয়েছে। ২০২৬ সালের সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষার জন্য কী কী জরুরি, কী কী বদল আসছে নিয়মে তা সবই বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এখানে। পরীক্ষা পদ্ধতিতে আমূল বদল আনছে সিবিএসই। এবার থেকে দশম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীরা বছরে দু’বার বোর্ড পরীক্ষা (CBSE) দিতে পারবেন। একটি হবে ফেব্রুয়ারি মাসে এবং আরেকটি হবে এপ্রিলে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নিয়ম চালু হতে চলেছে।

    বিস্তারিত জানবেন কোথা থেকে

    সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির (৯, ১০, ১১ এবং ১২) পাঠ্যক্রম ঘোষণা করেছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকরা বোর্ডের একাডেমিক ওয়েবসাইট cbseacademic.nic.in থেকে সিবিএসই নবম, দশম, একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম দেখে নিতে পারেন। ২০২৬ সালের সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষার জন্য কী কী জরুরি, কী কী বদল আসছে নিয়মে তা সবই বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এখানে। ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক (NCF) ২০২৩-এর সুপারিশ অনুসারে স্কুলগুলিকে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষার চাহিদা পূরণের জন্য প্রাসঙ্গিক এবং নমনীয় শিক্ষা পদ্ধতি বাস্তবায়নের পরামর্শ দিয়েছে বোর্ড। এতে আরও বলা হয়েছে যে স্কুলগুলিকে শিক্ষাকে আরও আকর্ষক এবং অর্থবহ করার জন্য প্রোজেক্ট-ভিত্তিক শিক্ষা, রিসার্চ-চালিত পদ্ধতি এবং প্রযুক্তি-সক্ষম শিক্ষার উপর জোর দেওয়া উচিত।

    দশম শ্রেণির সিলেবাসে কী কী বদল

    গ্রেডিং সিস্টেম: ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য সিবিএসই-র দশম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে উল্লেখ করা হয়েছে ৯ পয়েন্ট গ্রেডিং সিস্টেমের কথা। এর মাধ্যমে নম্বরকে সহজেই গ্রেডে রূপান্তর করা হবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য বোর্ড পরীক্ষা হবে ৮০ নম্বরের, এর সঙ্গে বাধ্যতামূলক বিষয়ও রয়েছে। আর এর সঙ্গে ২০ নম্বর থাকবে শিক্ষার্থীদের আভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের জন্য। এতে পাশ করতে গেলে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

    স্কিল-বেসড বিষয়: পড়ুয়ারা তিনটি স্কিল-বেসড বিষয়ের ক্ষেত্রে যে কোনও একটি বেছে নিতে পারবেন– কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ইনফরমেশন টেকনোলজি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। এছাড়া নবম ও দশম শ্রেণির জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের ইংরেজি অথবা হিন্দি যে কোনও একটি ভাষা বেছে নিতে হবে।

    কোর বিষয়: সিবিএসই জানিয়েছে, যদি কোনও ছাত্র-ছাত্রী একটি কোনও কোর বিষয়ে অকৃতকার্য হয়, যেমন গণিত, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান কিংবা ভাষার কোনও পেপারে, কিন্তু কোনও স্কিল বিষয়ে বা ঐচ্ছিক বিষয়ে পাশ করে থাকেন, তাহলে যে বিষয়ে ফেল করেছে পড়ুয়া তার বদলে রেজাল্ট গণনার সময় পাশ করা বিষয়গুলি বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।

    দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস

    ২০২৬ সালে যারা দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা দেবেন, তাদেরকেও ৯ পয়েন্টের গ্রেডিং সিস্টেমে মূল্যায়ন করা হবে। এছাড়া চারটি নতুন স্কিল ইলেক্টিভ বিষয় যুক্ত হয়েছে পাঠ্যক্রমে। এর মধ্যে রয়েছে ল্যান্ড ট্রান্সপোর্টেশন অ্যাসোসিয়েট, ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড হার্ডওয়্যার, ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ট্রেনার, ডিজাইন থিঙ্কিং, ইনোভেশন। তবে ইনফরমেটিক্স প্র্যাক্টিসেস, কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইনফরমেশন টেকনোলজি এই তিনটি বিষয়ের ক্ষেত্রে যে কোনও একটি বিষয় বেছে নেবেন শিক্ষার্থীরা। দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাসে ৭টি প্রধান শিখন ক্ষেত্র রয়েছে- ভাষা, কলাবিদ্যা, গণিত, বিজ্ঞান, স্কিল বিষয়, জেনারেল স্টাডিজ, স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা।

    নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি

    সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন এবার থেকে দশম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পরীক্ষা পদ্ধতিতে আমল বদল এনেছে। ছাত্র-ছাত্রীরা এবার থেকে দু’বার বোর্ড পরীক্ষা (CBSE) দিতে পারবেন। যার মধ্যে একটি হবে ফেব্রুয়ারি মাসে আর অপরটি হবে এপ্রিলে। এই নিয়ম চালু হতে চলেছে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই। তবে, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বছর একবার করেই আয়োজিত হবে। ২০২৬ সালে সিবিএসইর দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি তারিখ থেকে। বোর্ড অনুমান করছে ২০২৬ সালে মোট ২০ লক্ষ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষা দিতে চলেছে।

    কেন এই পরিকল্পনা

    ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি (NEP) ২০২০-র সুপারিশ মেনে, বছরে দু’বার বোর্ড পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এর ফলে প্রথমবার পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না হলে, দ্বিতীয়বার সেই বিষয়ে আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে ফের পরীক্ষায় বসা যাবে। প্রথম পরীক্ষার পরই হাতে মার্কশিট পাওয়া যাবে না। ডিজি লকার থেকে প্রাপ্ত নম্বর ব্যবহার করে পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ থাকবে। তবে চূড়ান্ত রেজাল্ট দ্বিতীয় পরীক্ষার পর প্রকাশিত হবে। যদি কোনও শিক্ষার্থী প্রথম পরীক্ষার পর রেজাল্ট দেখে সন্তুষ্ট থাকেন, তবে তার দ্বিতীয় পরীক্ষায় বসার প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ, চাইলে দ্বিতীয় পরীক্ষার জন্য ‘অপ্ট-আউট’ করার সুযোগও থাকছে। পড়ুয়াদের উপর চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন,  শুধুমাত্র পরীক্ষার নম্বরের উপরে নির্ভরশীল না থেকে এখন পড়ুয়ারা নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে।

     

     

     

     

  • UGC New Rule: এক বছর আগেই হাতে ডিগ্রি! স্নাতকস্তরে নতুন নিয়ম আনতে চলেছে ইউজিসি

    UGC New Rule: এক বছর আগেই হাতে ডিগ্রি! স্নাতকস্তরে নতুন নিয়ম আনতে চলেছে ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিগ্রি কোর্সের ক্ষেত্রে ইউজিসি (UGC New Rule) কর্তৃপক্ষ বড়সড় নতুন নিয়ম চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা পড়ুয়াদের কাছে সুখবর। মূলত, স্নাতক ডিগ্রি পেতে আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না এবার। তিন বছরের ডিগ্রি কোর্সে (Bachelor’s Degree) ভর্তি হলে আড়াই বছরের মাথায় সেই কোর্স শেষ করা যাবে। আবার কেউ যদি চার বছরের ডিগ্রি কোর্সে ভর্তি হন, তবে সেটি শেষ করা যাবে তিন বছরের মাথায়। সম্প্রতি নতুন ধরনের এমনই এক ব্যবস্থা জারি করার কথা ভাবছে ইউজিসি। আগামী শিক্ষাবর্ষ অর্থাৎ ২০২৫-২৬ সাল থেকেই এই ব্যবস্থা শুরু করতে পারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।

    নতুন নিয়মে কী কী সুবিধা মিলবে? (UGC New Rule)

    চেন্নাইয়ে সার্দান জোন কনফারেন্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই বিষয়টির উল্লেখ করেন ইউজিসি (UGC New Rule) চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার। ২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে এই বিশেষ কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। সেখানেই নতুন ধরনের এই শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বৃহস্পতিবার মুখ খোলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান। এই পদ্ধতি চালু হলে পড়ুয়ারা হাতে বেশ কিছুটা সময় পাবে। ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় তাঁরা হাতে পাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই সময়টুকু কেরিয়ার গড়ার পিছনে অন্যভাবে ব্যয় করতে পারবে পড়ুয়ারা। মাঝপথে ছাড়া যাবে কোর্স। ধীরে ধীরে অর্থাৎ পুরানো সময়সীমা মেনে কোর্স শেষ করার বদলে মাঝপথেও একজন কোর্স ছেড়ে দিতে পারে। পরে কোর্সটি শেষ করার জন্য ছেড়ে যাওয়া অংশটি থেকেই শুরু করতে পারবে পড়ুয়া। এই নতুন ব্যবস্থায় সময় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।

    আরও পড়ুন: ভীত বাংলাদেশ! ত্রিপুরার উপ-দূতাবাস বন্ধ করল ঢাকা, অমিল ভিসা পরিষেবা

    কী বললেন ইউজিসি চেয়ারম্যান?

    ইউজিসি চেয়ারম্যান (UGC New Rule) এম জগদীশ কুমার বলেন, ‘‘যেসব পড়ুয়ারা দ্রুত কোর্স শেষ করতে সমর্থ, তাদের জন্য ইউজিসি এই বিশেষ সুবিধা দেবে। এমন একটা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। সবটাই এখনও আলোচনার স্তরে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে নতুন ধরনের এই নিয়ম চালু হলেও পুরোনো নিয়ম আগের মতোই বহাল থাকবে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, যারা ধীরে সুস্থে কোর্স শেষ করতে চান, তাঁরা চার বছরের শিক্ষা কাঠামো মেনেই কোর্স শেষ করতে পারবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JEE Advanced 2025: জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড পরীক্ষা হবে ১৮ মে, নিয়মে এল কোন বড় বদল?

    JEE Advanced 2025: জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড পরীক্ষা হবে ১৮ মে, নিয়মে এল কোন বড় বদল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড ২০২৫ পরীক্ষার নিয়মের বদল নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। কারা পরীক্ষায় (JEE Advanced 2025) বসতে পারবেন, আর কারা পারবেন না তার গাইড লাইন নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। এই আবহের মাঝে এবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড ২০২৫ পরীক্ষার সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ করেছে কানপুর আইআইটি (Kanpur IIT)।  

    কবে পরীক্ষা? (JEE Advanced 2025)

    জানা গিয়েছে, আগামী বছরের ১৮ মে রবিবার আয়োজিত হতে চলেছে এই পরীক্ষা। যে সমস্ত প্রার্থীরা জয়েন্ট এন্ট্রান্সের (JEE Advanced 2025) অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে এই পরীক্ষার জন্য আবেদন করেছিলেন, তারা jeedv.ac.in ওয়েবসাইটে গিয়ে এই পরীক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানতে পারবেন এবং পরীক্ষার সূচি ছাড়াও অ্যাডমিট কার্ড  ডাউনলোড করতে পারবেন এই ওয়েবসাইট থেকেই। গত বছর ২০২৩ সালে জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড পরীক্ষা আয়োজিত হয়েছিল ২৬ মে। এবার প্রায় এক সপ্তাহ আগে আয়োজিত হবে এই পরীক্ষা।

    আরও পড়ুন: দ্রুত নামবে পারদ! মাঝ-ডিসেম্বর থেকেই শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং, বলছে পূর্বাভাস

    দুটি শিফটে হবে এই পরীক্ষা

    আগামী ১৮ মে ২০২৫ তারিখে মোট দুটি শিফটে (JEE Advanced 2025) আয়োজিত হবে এই পরীক্ষা। প্রথম শিফট সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে চলবে বেলা ১২টা পর্যন্ত। পরের শিফট আয়োজিত হবে দুপুর আড়াইটে থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট সমস্ত কিছুই জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। এমনকী, নিয়মিত আপডেট পেতে হলে নজর রাখতে হবে ওয়েবসাইটে।

    পরীক্ষার নিয়মে কী বদল হল?

    কিছুদিন আগেই জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের (JEE Advanced 2025) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এবারের পরীক্ষার নিয়মে কিছু বদল আসবে। এর আগে পর্যন্ত জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের নিয়মে দু’বারের বদলে তিন বার এই পরীক্ষায় বসার ছাড়পত্র পেতেন পরীক্ষার্থীরা। তবে এবার থেকে আর তিনবার সুযোগ পাওয়া যাবে না, পুরনো সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে বোর্ড। ফলে তৃতীয়বারের জন্য যারা বসতে চাইছিলেন ২০২৫ সালের জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় তাদের জন্য হতাশাজনক খবর। জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ২০১৩ সালের আগের সমস্ত নিয়মই পুনঃস্থাপিত হচ্ছে। ২০০০ সালের ১ অক্টোবর তারিখের আগে যে সকল প্রার্থীর জন্ম তাঁরা এই পরীক্ষায় বসতে পারবেন না, তবে সংরক্ষিত সম্প্রদায়ের প্রার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Subscription: গবেষণায় ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’-কে ছাড়পত্র কেন্দ্রের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    One Nation One Subscription: গবেষণায় ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’-কে ছাড়পত্র কেন্দ্রের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সব গবেষণাকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা হবে। একই ভাবে সমান সুযোগ পাবে কেন্দ্র এবং রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) অধীনে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি গবেষণার কাজ করবে। সোমবার এমনই ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ (One Nation One Subscription) একটি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। শীতকালীন সংসদের অধিবেশনের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (Modi cabinet) বিশেষ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    ২০২২ সালে মোদি উল্লেখ করেছিলেন (One Nation One Subscription)  

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২২ সালে স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় গবেষণার উপর জোর দেওয়ার কথা প্রথম বলেছিলেন। ভাষণে উঠে এসেছিল ‘জয়-অনুসন্ধান’-এর কথা। আধুনিক ভারতে দেশের গবেষকরা বড় ভূমিকা নেওয়ার কথা তুলে ধরেছিলেন। ঠিক তার পরবর্তী পদক্ষেপ স্বরূপ উঠে আসল এবারের গবেষকদের কথা। গবেষণার কথা ভেবেই এবার মোদির মন্ত্রী পরিষদের নতুন প্রকল্পের সূচনা হয়েছে। এই প্রকল্পের নাম ‘এক দেশ এক সাবস্ক্রিপশন’ (One Nation One Subscription)। এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হল রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের কোনও বিভাজন করা হবে না। সকলে একই সংস্থার অধীনে গবেষণায় যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। একই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করতে চান মোদি (Modi cabinet)। আগামী ২০২৫, ২০২৬ এবং ২০২৭ সালে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হবে।

    কেন্দ্র ৬০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (Modi cabinet) বৈঠকে জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধীনে থাকা কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা নিজের গবেষণা কাজ করবেন। এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র ৬০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই টাকা ৩ বছরে খরচ করা হবে। ২০২৫ সাল থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই প্রকল্পে (One Nation One Subscription) ৬ হাজার ৩০০ প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে অনুমানিক ২ কোটি গবেষক সুবিধা পাবেন। কাজের সুবিধার জন্য বিশেষ গ্রন্থাগারের ব্যবস্থা করা হবে। তথ্য এবং আইএনএফএলআইবিএনইটি (INFLIBNET) হল ইউজিসির একটি অন্তর্ভুক্ত একটি সংস্থা। এখানে ৩০টি প্রধান আন্তর্জাতিক জার্নাল প্রকাশককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রকাশকদের প্রায় ১৩ হাজার ই-জার্নাল গবেষণার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।”

    ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ স্কিমের মূল বিষয় গুলি হল–

    ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন (One Nation One Subscription) স্কিমটি গবেষণায় উৎসাহ বাড়াতে এবং ভারতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে এক একটি গবেষণা-ভিত্তিক সংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত করতে চায়। এই উদ্যোগটিতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, পরীক্ষাগারগুলিতে গবেষণা এবং নানা উদ্ভাবনী প্রচারের জন্য অনুসন্ধান কেন্দ্র বা ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (NRF) এর মতো প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে চায় কেন্দ্র সরকার।

    তথ্য ও গ্রন্থাগার নেটওয়ার্ক (INFLIBNET) গবেষণার কাজের জন্য আবশ্যক করা হবে প্রকল্পে। সেই সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত ইউজিসি (UGC) স্কিমটিকে কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকার দ্বারা পরিচালিত ৬,৩০০ টিরও বেশি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা কেন্দ্রগুলিকে সুবিধা প্রদান করবে।

    আরও পড়ুনঃ প্যান কার্ডে জুড়ছে কিউআর কোড, সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, আরও বাড়বে সুরক্ষা

    বিকশিত ভারতের অঙ্গ এই প্রকল্প

    এই প্রকল্প (One Nation One Subscription) বিকশিত ভারত (Viksitbharat@2047), ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি বা জাতীয় শিক্ষা নীতির (NEP 2020) এবং অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (Anusandhan National Research Foundation)-এর লক্ষ্যগুলির সঙ্গে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই প্রকল্প শহর-গ্রামীণ সমস্ত শাখার ছাত্র, গবেষকেরা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লেখক তথা বরিষ্ঠ গবেষক, বিজ্ঞানী এবং নানা ধরনের জার্নালগুলিকে ব্যবহার করে নিজের গবেষণার কাজকে খুব সহজেই প্রস্তুত করতে পারবেন। অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ ব্যবহার এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলির ভারতীয় লেখকদের প্রকাশনা পর্যালোচনা করবে।

    কেন্দ্রীয় উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এবং অন্যান্য মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যাদের এইচইআই (HEI) এবং রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (R&D) প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তাদের ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলির ছাত্র, শিক্ষক এবং গবেষকদের মধ্যে এই প্রকল্পের সুবিধা এবং পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করবে। একই ভাবে সারা দেশে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’-এর (One Nation One Subscription) সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাত্র, শিক্ষক এবং গবেষকদের অনন্য সুবিধার সর্বাধিক ব্যবহাররের জন্য সর্ব স্তরে প্রচার চালানো হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share