Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Diwali 2022: ‘মুহুরতে’ কেনাবেচা করুন শেয়ার, লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন বছরভর

    Diwali 2022: ‘মুহুরতে’ কেনাবেচা করুন শেয়ার, লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন বছরভর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুরু নতুন সম্বৎ (Samvat) ২০৭৯। এই হিসেব বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বছরের হিসেব নয়। এক সময় দিওয়ালিতে (Diwali 2022) বর্ষ গণনা শুরু হত। সেই হিসেবে এবারও দীপাবলির দিন শুরু হচ্ছে ২০৭৯ সম্বৎ। এদিন এক ঘণ্টার ট্রেডিং সেশনের মুহুরত হবে বিএসই (BSE) এবং এনএসইতে (NSE)। বিএসই এবং এনএসই হল দুটি প্রমিনেন্ট স্টক এক্সচেঞ্জ। এই দুই স্টক এক্সচেঞ্জের তরফে মুহুরতের নির্ঘণ্টও ঘোষণা করা হয়েছে। সন্ধে ৬টা ১৫ থেকে ৭ টা ১৫। শেয়ার কারবারিদের বিশ্বাস, এই মুহুরত মুহূর্তে কোনও শেয়ার কেনাবেচা করলে মিলবে কাঙ্খিত সাফল্য। সমৃদ্ধি আসবে উজিয়ে।

    দিওয়ালির (Diwali 2022) এই মুহুরত মুহূর্তে শেয়ার কেনাবেচা করলে যেহেতু ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় বলে বিশ্বাস, তাই এই শুভক্ষণের অপেক্ষায় মুখিয়ে থাকেন শেয়ার কারবারিরা। এই সময় তাঁরা কেনাবেচা করেন ইক্যুইটি শেয়ার, কমোডিটি ডেরিভেটিভস, কারেন্সি ডেরিভেটিভস, ইক্যুইটি ফিউচার্স অ্যান্ড অপশানস, সিকিউরিটিজ লেন্ডিং অ্যান্ড বরোয়িং। এই মুহুরতের সময় মাত্র এক ঘণ্টা। তাই এই সময় শেয়ার বাজার খেয়ালি বলেই বিবেচনা করা হয়। তাই শেয়ার বাজারে একেবারেই যাঁরা নতুন, তাঁরা সাবধানে শেয়ার কেনাবেচা করবেন। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিক সাফল্যের চেয়ে কাজটা সুচারুরূপে করতে পারাই সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    আরও পড়ুন: তারা মায়ের অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা! জানেন কী কী থাকে তারাপীঠে মায়ের ভোগে?

    যে কোনও শুভ কাজ দীপাবলিতে (Diwali 2022) করাই শুভ বলে বিবেচিত হয়। যেহেতু এই দিনে নয়া সম্বৎ শুরু হয়, তাই কাজে সাফল্যও মেলে বেশি। তাই এদিন মুহুরতের সময়টা শেয়ার বাজার থাকে চাঙা। এই সময় সব ধরনের শেয়ার কেনাবেচা হয়। মুহুরতের সময় কোনও শেয়ার কেনা হলে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হন বলেই লোক বিশ্বাস। কেবল এই দিনটিতেই তাঁরা যে লাভ করবেন তা নয়, বছর ভর ঘরে তুলবেন লাভের কড়ি। এক বাজার বিশেষজ্ঞ বলেন, দীপাবলির মুহুরতের সময় শেয়ার কেনাবেচা করাটা ব্যবসায়ীদের পক্ষে শুভ ফলদায়ক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shivraj Patil:  ‘গীতা-জিহাদ’ মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়, শিবরাজের ব্যাপারে হাত ধুয়ে ফেলতে চাইছে কংগ্রেস?   

    Shivraj Patil:  ‘গীতা-জিহাদ’ মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়, শিবরাজের ব্যাপারে হাত ধুয়ে ফেলতে চাইছে কংগ্রেস?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপাকে পড়ে প্রবীণ নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ পাতিলের (Shivraj Patil) সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করল কংগ্রেস (Congress)। গীতা (Gita) নিয়ে শিবরাজের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলেও জানিয়ে দিল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh)। রমেশের পাল্টা দাবি, ভারতীয় সভ্যতার মূল ভিত্তিস্তম্ভ স্বরূপ হল শ্রীমদ্ভগবদগীতা। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া (Discovery of India) গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি তুলে ধরে রমেশ ট্যুইট বার্তায় গীতার বিশ্বজনীনতার কথাও উল্লেখ করেন।

    বৃহস্পতিবার বই প্রকাশের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে কংগ্রেস (Congress) নেতা শিবরাজ (Shivraj Patil) বলেন, কেবল কোরানে নয়, জিহাদের (Jihad) উল্লেখ রয়েছে গীতায়ও। খ্রিস্টান ধর্মেও জিহাদের কথা রয়েছে বলেও দাবি করেন প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। শিবরাজের এই মন্তব্যের পরে পরেই সমালোচনার ঝড় ওঠে দেশজুড়ে। তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের দাবি, শিবরাজের এই মন্তব্যের দায় নেওয়া উচিত কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং নবনির্বাচিত সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের। সূত্রের খবর, তার পরেই শিবরাজের ব্যাপারে হাত ধুয়ে ফেলতে উদ্যোগী হয় কংগ্রেস। ট্যুইট বার্তায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন রমেশ। তিনি লেখেন, আমার প্রবীণ সহকর্মী শিবরাজ পাতিল (Shivraj Patil) গীতা নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ব্যাপারে কংগ্রেসের অবস্থান স্পষ্ট। গীতা ভারতীয় সভ্যতার প্রধান ভিত্তিস্তম্ভ স্বরূপ। এর পরেই নেহরুর ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়ার একটি উদ্ধৃতি তুলে ধরেন রমেশ।

    অন্য একটি ট্যুইটে রমেশ বলেন, ঘটনচক্রে আমি কৈশোরে গীতা পড়েছি। এটি একটি সাংস্কৃতিক ও দার্শনিক পুস্তক। ভারতীয় সমাজে এর প্রভাব পড়েছে যুগের পর যুগ ধরে। তবে রমেশের এই কথায় যে চিঁড়ে ভিজছে না, তার প্রমাণ মিলল বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সেহজাদ পুন্নাওয়ালার কথায়। তিনি বলেন, কংগ্রেস সমস্ত সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে।

     

    আরও পড়ুন: শিবরাজের ‘গীতা-জিহাদ’ সম্পর্কের কথা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ, সাফ কথা বিজেপির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Agni: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    Agni: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) নিউ জেনারেশন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (Ballistic Missile) সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত (India)। শুক্রবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ওড়িশা উপকূলের অদূরে হয় এই উৎক্ষেপণ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেই এ খবর জানা গিয়েছে। অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের জেরে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক লপ্তে অনেকখানি এগিয়ে গেল ভারত। এদিন পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময় অগ্নি (Agni) প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রটি এর সর্বোচ্চ পাল্লা পর্যন্ত যায়। পরীক্ষার সমস্ত দিকগুলি সফলভাবে পাশ করেছে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এনিয়ে তৃতীয়বার সফল্যের গণ্ডী পার হল অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্র। নিখুঁত এবং বিশ্বাসযোগ্যভাবে লক্ষ্যে আঘাত আনতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

    অগ্নি-৫ এর নেভিগেশন সিস্টেম অত্যাধুনিক। এই ক্ষেপণাস্ত্রে ব্যবহার করা হয়েছে দু’ধরনের নেভিগেশন সিস্টেম। প্রথমটি রিনস (RINS) এবং দ্বিতীয়টি মিনস (MINS)। ১ থেকে ৫ হাজার কিলোগ্রাম ওজনের পারমাণবিক বোমা বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। এর রক্ষণাবেক্ষণও ঢের কম। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেন, অগ্নি (Agni) প্রাইমের পারফরমেন্স খুবই ভাল। উৎক্ষেপণের শুরু থেকে প্রতিটি মুহূর্তের জার্নি রাডার, টেলিমেট্রি এবং ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ট্র্যাকিং স্টিস্টেম দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। উৎক্ষেপণের পর অগ্নি প্রাইমের পুরো গতিপথের ওপর নজর রেখেছিল দুটি ডাউন রেঞ্জ জাহাজ।

    জানা গিয়েছে, অগ্নি (Agni) প্রাইম পারমাণবিক অস্ত্রবহনে সক্ষম। এটির প্রথম পরীক্ষা করেছিল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। ২০২১ সালের জুন মাসে হয় প্রথম উৎক্ষেপণ। ওই বছরেরই ডিসেম্বরে হয় দ্বিতীয় উৎক্ষেপণ। শুক্রবার হল তৃতীয় উৎক্ষেপণ। অগ্নি (Agni) সিরিজের নয়া প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) । এক থেকে দু হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত নিখুঁতভাবে নিশানায় আঘাত করতে সক্ষম এই অগ্নি প্রাইম। অত্যন্ত হালকা মিশ্র ধাতুতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র। অগ্নি ৩ এর থেকে এর ওজন প্রায় ৫০ শতাংশ কম। জানা গিয়েছে, অগ্নি প্রাইমের পাল্লার মধ্যে অনায়াসেই চলে আসছে ভারতের দুই প্রতিবেশী দেশ চিন ও পাকিস্তানের অনেকটা অংশ।

    আরও পড়ুন: “পশ্চিমবঙ্গ, না কি হিটলারের জার্মানি?” টেট উত্তীর্ণদের উপর পুলিশের বলপ্রয়োগে ট্যুইট শুভেন্দু অধিকারীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Chinese Monk:  বৌদ্ধ সাধুর বেশে চিনা গুপ্তচর! জানেন দিল্লি পুলিশের কাছে কী বললেন ওই মহিলা?

    Chinese Monk: বৌদ্ধ সাধুর বেশে চিনা গুপ্তচর! জানেন দিল্লি পুলিশের কাছে কী বললেন ওই মহিলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর পরনে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের মতো পোশাক। মাথায় চুল ছোট করে কাটা। দেখে মনে হবে যেন সন্ন্যাসিনী। সাধনাই তাঁর পথ। বোঝার উপায় নেই এই সহজ জীবনযাত্রার আড়ালে গত তিন বছর ধরে তিনি চিনের হয়ে গুপ্তচরের (China Spy)কাজ করছেন। পরিচয় দিচ্ছেন তিনি নেপালি ভিক্ষুক। দিল্লি পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, তিব্বতের রিফিউজিদের মধ্যে বসবাস করছিলেন এক চিনা মহিলা। গত তিন বছর ধরে সন্ন্যাসিনীর বেশ ধরে কাজ করছিলেন তিনি। গত সোমবার তাঁকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। তদন্ত শুরু করতেই জানা যায়, বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর ছদ্মবেশ ধরে ভারতে থাকতেন ওই মহিলা। তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু ভুয়ো পরিচয়পত্রও পাওয়া গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেদারনাথ মন্দিরে পুজো করলেন মোদি, শিলান্যাস করলেন রোপওয়ের

    পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তর দিল্লির মজনু কা টিলা এলাকায় তিব্বতিদের শরণার্থী শিবির থেকে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত মহিলার পরিচয়পত্র ঘেঁটে পুলিশ জানতে পেরেছে, তাঁর নাম দোলমা লামা। তিনি প্রথমে নিজেকে নেপালের নাগরিক বলে জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে বাড়ি তাঁর। তবে পুলিশের দাবি, আদতে ওই মহিলার নাম কাই রুয়ো। ‘ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার’ (এফআরআরও) সূত্রে দাবি করা হয়েছে, চিনা পাসপোর্ট নিয়ে ২০১৯ সালে ভারতে এসেছিলেন কাই রুয়ো। তার পর নেপালি সন্ন্যাসিনী পরিচয় নিয়ে উত্তর দিল্লিতে থাকা শুরু করেন ওই মহিলা। ওই চিনা নাগরিককে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, তিনটি ভাষা জানেন তিনি। ইংরাজি, নেপালি ও ম্যান্ডারিন ভাষায় কথা বলতে ও বুঝতে পারেন ওই মহিলা। 

    আরও পড়ুন: দীপাবলির উপহার! ২২ অক্টোবর ৭৫ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি

    জেরায়, দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) কাছে তিনি জানান, চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা তাঁকে খুন করতে চেয়েছিল। তবে সেই জন্যই তিনি ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন কিনা, তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি ওই চিনা মহিলা। ভারতে কি চরবৃত্তির জন্যই এসেছিলেন ওই মহিলা? কেনই বা সাধু সেজে নিজেকে নেপালের বাসিন্দা বলে দাবি করলেন তিনি? ঠিক কী উদ্দেশ্যে? এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখা। তাঁদের দাবি, ভারত বিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন ওই মহিলা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kedarnath Temple: কেদারনাথ মন্দিরে পুজো করলেন মোদি, শিলান্যাস করলেন রোপওয়ের

    Kedarnath Temple: কেদারনাথ মন্দিরে পুজো করলেন মোদি, শিলান্যাস করলেন রোপওয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ (Kashi Viswanath) মন্দিরের পর এবার উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ (Kedarnath Temple)। পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য আরও একটি প্রকল্প। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে করিডর প্রকল্পের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মন্দির থেকে গঙ্গার পাড় পর্যন্ত পাঁচ লক্ষ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে করিডর। প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছিল ২০১৯ সালে। পরে হয় উদ্বোধন।

    বিশ্বনাথ মন্দিরের করিডর উদ্বোধনের পর এবার কেদারনাথ মন্দিরে (Kedarnath Temple) রোপওয়ে প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন মোদি। রোপওয়ে হবে গৌরীকুণ্ড থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত। শুক্রবার এই প্রকল্পেরই শিলান্যাস করেন মোদি। করেন কেদারনাথের পুজোও। এদিন পাহাড়বাসীর ঐতিহ্যবাহী সাদা রংয়ের একটি পোশাক পরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। পোশাকে আঁকা ছিল স্বস্তিকা চিহ্ন। কেদারনাথের পাশাপাশি এদিন তাঁর বৈদ্যনাথ মন্দির দর্শনেও যাওয়ার কথা। দু দিনের এই সফরে উত্তরাখণ্ডে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ খতিয়ে দেখবেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বেশ কয়েকটি নয়া প্রকল্পের। এদিন প্রধানমন্ত্রীকে দেরাদুন বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে যান গভর্নর লেফটেন্যান্ট জেনারেল গুরমিত সিং, মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় ভাট।

    এদিন মন্দিরে (Kedarnath Temple) গিয়ে প্রথমে ভগবান কেদারনাথের পুজো করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে শিলান্যাস করেন ৯.৭ কিমি দীর্ঘ গৌরীকুণ্ড-কেদারনাথ রোপওয়ে প্রকল্পের। এই রোপওয়ে ব্যবহার করে পুণ্যার্থীরা গৌরীকুণ্ড থেকে মাত্র ৩০ মিনিটেই পৌঁছে যাবেন কেদারনাথ মন্দিরে। পুজো দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করেন পুরোহিত। মন্দির থেকে প্রধানমন্ত্রী যান আদি গুরু শঙ্করাচার্যের সমাধিস্থল দর্শনে। সেখানে কিছুক্ষণ সময়ও কাটান তিনি। পরে যাওয়ার কথা বৈদ্যনাথ ধামে। সেখানে উন্ননয়মূলক বিভিন্ন কাজ খতিয়ে দেখবেন তিনি। রোপওয়ে ও রাস্তার কাজের যে শিলান্যস এদিন দুপুরে করেন মোদি, সেজন্য খরচ হবে ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। অ্যারিভ্যাল প্লাজা এলাকায় সৌন্দর্যায়নের কাজও খতিয়ে দেখার কথা প্রধানমন্ত্রীর। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এনিয়ে ছ বার কেদারনাথ দর্শনে গেলেন মোদি। আর বৈদ্যনাথ ধামে গেলেন দ্বিতীয়বার।

     

    আরও পড়ুন: দীপাবলির উপহার! ২২ অক্টোবর ৭৫ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Himachal Assembly Polls: এবার বিজেপির প্রার্থী আরও এক ‘চায়েওয়ালা’, শিমলা সদরে সঞ্জয় সুদ

    Himachal Assembly Polls: এবার বিজেপির প্রার্থী আরও এক ‘চায়েওয়ালা’, শিমলা সদরে সঞ্জয় সুদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এও এক চায়েওলার গল্প! এক চায়েওয়ালা নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) হয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। এবার হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে (Himachal Assembly Polls) আরও এক চায়েওয়ালাকে প্রার্থী করল বিজেপি (BJP)। এই কেন্দ্রে চার বার জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন বিজেপির সুরেশ ভরদ্বাজ। তাঁকে সরিয়ে শিমলা সদর (Shimla Urban) কেন্দ্রে বিজেপি টিকিট দিয়েছে সঞ্জয় সুদ নামে এক ব্যক্তিকে। শিমলা শহরেই একটি চায়ের দোকান চালান দীর্ঘদিনের পদ্ম-কর্মী সঞ্জয়। শিমলা সদর থেকে সরিয়ে সুরেশকে প্রার্থী করা হয়েছে কাসুমটি কেন্দ্রে। শিমলা সদরে প্রার্থী হতে পেরে আপ্লুত সঞ্জয়। দলের প্রতি কৃতজ্ঞতাও ব্যক্ত করেছেন তিনি। সঞ্জয় বলেন, বিজেপি আমার মতো একজনকে প্রার্থী করায় আমি দলের প্রতি কৃতজ্ঞ। মনে হচ্ছে সপ্তম স্বর্গে আছি। শিমলা সদর কেন্দ্র দল আমাকে প্রার্থী করেছে। আজ মনে হচ্ছে, বিজেপির জন্য কাজ করার এই সিদ্ধান্তটা ঠিকই ছিল।

    সঞ্জয় জানান, অত্যন্ত গরিব পরিবারে জন্ম তাঁর। আরএসএসের সহযোগিতায়ই স্কুলে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছিলেন। জানতে পেরেছিলেন ভারতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে। স্কুলের পাঠ চুকিয়ে যান কলেজে। শিমলা বাসস্ট্যান্ডে খবরের কাগজ বিক্রি করে পড়াশোনার খরচ চালাতেন। কলেজে পড়াকালীন আরএসএসের ছাত্র সংগঠন বিদ্যার্থী পরিষদের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। স্টুডেন্টস কাউন্সিলের হয়ে কাজ করেছিলেন পাঁচ বছর। অর্থনৈতিক কারণে আর কাজ করতে পারেননি। এরপর সংসারের হাল ধরতে দু বছর মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের কাজ করেন। ১৯৯১ সালে শিমলায় খোলেন চায়ের দোকান।

    আরও পড়ুন: দীপাবলির উপহার! ২২ অক্টোবর ৭৫ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি

    শিমলা বিধানসভা নির্বাচনে (Himachal Assembly Polls) বিজেপির এই প্রার্থী জানান, ১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের সময় থেকেই তিনি দলের একনিষ্ঠ সৈনিক। প্রথমে শিমলা সদর মণ্ডল কমিটির সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। পরে ওই কমিটির সহ সভাপতি হন। আরও পরে হন বিজেপির শিমলা জেলার মিডিয়া ইনচার্জ। বিজেপির মিডিয়া ইনচার্জ থাকাকালীনই সঞ্জয়কে শিমলা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের টিকিট দিয়েছিল দল। দুবার কাউন্সিলরও হয়েছিলেন। পরে করা হয় সিমলা শাখার সভাপতি। আর এবার তাঁকে করা হল বিধানসভার প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Congress President: খাড়্গে হাতের পুতুল! রিমোট কন্ট্রোল থাকবে গান্ধী পরিবারের হাতে, দাবি বিজেপির

    Congress President: খাড়্গে হাতের পুতুল! রিমোট কন্ট্রোল থাকবে গান্ধী পরিবারের হাতে, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবটাই আগে থেকে ঠিক করা থাকে। গান্ধীরাই ঠিক করেন। খাড়্গে গান্ধী পরিবারের হাতের পুতুল ছাড়া আর কিছুই নয়, এমনই দাবি করল বিজেপি।  যে কোনও দল তাদের নেতা ঠিক করতেই পারে তাতে বিজেপির কিছু আসে যায় না মত বিজেপি নেতাদের। কংগ্রেস একটা মৃতপ্রায় দল। তাকে জীবনদায়ী ইঞ্জেকশন দেওয়া সম্ভব নয়। অধিকাংশ প্রবীণ, অভিজ্ঞ নেতারা দল ছাড়ছেন। গান্ধী পরিবার ছাড়া দলে আর কিছুই নেই।

    আড়াই দশক পর এই প্রথম কোনও অ-গান্ধী ব্যক্তি কংগ্রেসের সভাপতি হলেন। জয়ের পরই দলের নেতাদের থেকে খাড়গে ক্রমাগত শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছেন। কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী, দলের অন্যতম নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী পর্যন্ত খাড়গে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। তার মধ্যেই ভেসে এসেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা বার্তাও। যদিও  বিজেপি নেতাদের দাবি, সভাপতি যে-ই হোন, দলের নিয়ন্ত্রণের রাশ থাকবে গান্ধী পরিবারের হাতেই। মনমোহন সিংয়ের মতোই খাড়্গে গান্ধী পরিবারের রিমোট-কন্ট্রোল দ্বারা চালিত হবে বলেই অভিমত বিজেপির। দলের আইটি সেলের ভারপ্রাপ্ত নেতা অমিত মালব্যের বক্তব্য, ‘‘গান্ধী পরিবার যদি মনমোহন সিংয়ের মতো প্রধানমন্ত্রীর দফতরে নাক গলাতে পারে, সেখানে খড়্গে তো নিছক কংগ্রেস সভাপতি।’’ 

    ২৬ অক্টোবর থেকে দলের সভাপতি পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন খাড়গে। তিনি কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর স্থলাভিষিক্ত হবেন।  বিজেপি নেতাদের কথায়, খাড়্গের বিরুদ্ধে ৫০ হাজার কোটি টাকার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির অভিযোগ রয়েছে। ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলাতেও ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। বিজেপি নেতা  রাজ্যবর্ধন রাঠৌর বলেছেন, ‘শক্তিশালী গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী অত্যন্ত দরকার। দীর্ঘসময় পর কংগ্রেস একটি পরিবারের বাইরে তাকাল। কিন্তু, তারা স্রেফ রবার স্ট্যাম্প খুঁজে নিয়েছে। তাদের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন স্রেফ ভাঁওতাবাজি ও নাটক ছাড়া কিছুই না।’ খাড়্গেকে পুতুল খাড়া করে কাজ করবেন সনিয়া-রাহুল-প্রিয়ঙ্কারাই, মনে করছে বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mission LiFE: মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ! ‘মিশন লাইফ’-এর জন্য শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রনেতারা

    Mission LiFE: মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ! ‘মিশন লাইফ’-এর জন্য শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রনেতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করতে গতকাল দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সূচনা করলেন ‘মিশন লাইফ’ (Mission LiFE)প্রকল্পের। এদিন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের (Antonio Guterres) উপস্থিতিতে গুজরাটের একতা নগরের স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে ‘মিশন লাইফ’ লঞ্চ করেন। মিশন লাইফ-এর সূচনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘মিশন লাইফ’ জলবায়ু সংকটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করবে’।

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের জন্য শুধুমাত্র দেশবাসীরাই তাঁর প্রশংসা করেননি। বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতারা তাঁর এই প্রকল্পে (Mission LiFE) সম্মতি দিয়েছেন ও নরেন্দ্র মোদি-কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া মোদির ‘মিশন লাইফ’ প্রকল্পের প্রশংসা করেছেন বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতারা। ফ্রান্স, ব্রিটেন, আর্জেন্টিনা, জর্জিয়া, নেপাল, মালদ্বীপের রাষ্ট্রনেতারা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন। তাঁরা মনে করছেন ভারতের মিশন লাইফ প্রকল্প পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য এক বিশ্বব্যাপী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবে।

    ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (Emmanuel Macron) একটি ভিডিও-এর মাধ্যমে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ফ্রান্স এই প্রকল্পটিকে (Mission LiFE) সফল করতে আগামী বছর জি-২০-এ ভারতের সঙ্গে কাজ করার জন্য আগ্রহী হয়ে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: পরিবেশ রক্ষায় নতুন প্রকল্প ভারত সরকারের, গুজরাটে ‘মিশন লাইফ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস একটি ভিডিও-এর মাধ্যমে মোদিকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “লাইফ মিশন (Mission LiFE) চালু করার ক্ষেত্রে আমি ভারতের নেতৃত্বের প্রশংসা করি।”

    মাদাগাস্কারের রাষ্ট্রপতি অ্যান্ড্রি রাজোয়েলিনা (Andry Rajoelina) বলেছেন, ‘আমি নিশ্চিত যে জলবায়ু সংকটের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ে অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট হয়ে উঠতে পারে LIFE। আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।’

    জর্জিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইরাকলি গারিবাশভিলি (Irakli Garibashvili) জানিয়েছেন, ‘জর্জিয়া বিশ্বব্যাপী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায় এবং সম্পূর্ণ সমর্থন করে।’

    মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ ও এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী, কাজা ক্যালাস এই প্রকল্পের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তাঁরাও পাশে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

    অন্যদিকে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব গুতেরেস ‘মিশন লাইফ’-এর সূচনাতে বলেছেন, ‘জি-২০ দেশগুলি বিশ্বব্যাপী গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের ৮০ শতাংশের জন্য দায়ী। তবে এটি বৈশ্বিক GDP-র ৮০ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করে’। রাষ্ট্রসংঘের প্রধানের বক্তব্য, ভারত উন্নয়নশীল এবং উন্নত দেশগুলির মধ্যে আস্থা তৈরিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ফলে বিশ্বের প্রায় সমস্ত রাষ্ট্রনেতারাই হাত বাড়িয়েছেন মোদির এই প্রকল্পে (Mission LiFE) কাজ করার জন্য। তাই এখন শুধুমাত্র ‘মিশন লাইফ’ কতটা সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে, সেটির অপেক্ষায় বিশ্ববাসী।

  • Rozgar Mela: দীপাবলির উপহার! ২২ অক্টোবর ৭৫ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি

    Rozgar Mela: দীপাবলির উপহার! ২২ অক্টোবর ৭৫ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই বছরেরই জুন মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছিল যে, আগামী দেড় বছরে সরকারী ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি আগামী ২২ অক্টোবর রোজগার মেলার (Rozgar Mela) সূচনা করবেন। এই মেলাতেই ১০ লক্ষ সরকারী চাকরির মধ্যে ৭৫ হাজার নতুন চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন তিনি। দিওয়ালির সময় এই নিয়োগপত্র নতুন এই চাকরিপ্রার্থীদের কাছে দীপাবলীর উপহারের মতো।সকাল ১১টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নিয়োগ অভিযান শুরু করা হবে।অনুষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্তদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    সারাদেশ থেকে নির্বাচিত নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা ৩৮টি সরকারি মন্ত্রক ও বিভাগে যোগদান করবেন। তাঁদের প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে নিয়োগ করা হবে। যেমন-গ্রুপ এ, গ্রুপ বি (গেজেটেড), গ্রুপ বি (নন-গেজেটেড) এবং গ্রুপ সি। আমলা স্তরে নিয়োগ ছাড়াও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর কর্মী, সাব-ইন্সপেক্টর, কনস্টেবল, এলডিসি, স্টেনোস, পিএ, আয়কর পরিদর্শক, এমটিএস পদেও নিয়োগ করা হবে।

    [tw]


    [/tw]

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষের উন্নতির জন্য প্রধানমন্ত্রী সর্বদাই সচেষ্ট। তাই সকলের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে তিনি বেশ আগ্রহী। দেশের যেসকল চাকরিতে আসন ফাঁকা রয়েছে, অতি দ্রুত সেই আসনগুলি পূরণ করতে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রোজগার মেলার মাধ্যমেও সেই আসনগুলি পূরণের চেষ্টা করা হবে। সরকারের প্রতিটি মন্ত্রক ও দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, শূন্যপদ গুলিতে যেন তাড়াতাড়ি নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, জুন মাসেই মানবসম্পদ দপ্তরের কাছ থেকে শূন্যপদ নিয়ে বিশদ তথ্য জানতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই তথ্য থেকে জানা যায়, দেশজুড়ে প্রায় ১০ লক্ষ শূন্যপদ রয়েছে।

    তারপরেই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, দেড় বছরের মধ্যেই সমস্ত শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। সেই কারণেই রোজগার মেলার সূচনা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিওয়ালির আগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই নতুন প্রকল্পটির ঘোষণা করবেন মোদি। 

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে তৃতীয় বার ক্ষমতায় ফিরে আসার জন্য এনডিএ সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিরোধীরা মনে করছেন। বেকারত্ব বর্তমানে ভারতে জ্বলন্ত সমস্যা। বিরোধীরা বার বার বেকারত্ব নিয়ে মোদী সরকারকে আক্রমণ করছে। শহরাঞ্চলে যুবকদের বেকারত্বের হার ২০ শতাংশের ওপরে চলে গিয়েছে বলে একটি সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Indian Citizens In Ukraine: দ্রুত ইউক্রেন ছেড়ে ভারতে ফিরুন! সতর্কবার্তা ভারতীয় দূতাবাসের

    Indian Citizens In Ukraine: দ্রুত ইউক্রেন ছেড়ে ভারতে ফিরুন! সতর্কবার্তা ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন ( Russia-Ukraine War) সংঘাত অব্যাহত। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে এই সংঘাত চলছে। নিত্য নতুন উত্তেজনা ছড়াচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। ঘাত-প্রতিঘাত চলছে। শুধু তাই নয়, ক্রমশ জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। নতুন করে ইউক্রেনের উপর আঘাত বাড়িয়েছে মস্কো। এই অবস্থায় সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক করল বিদেশমন্ত্রক। ইউক্রেনে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এক সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছ, যত দ্রুত সম্ভব ইউক্রেন ছেড়ে দেশে ফিরে যাক ভারতের নাগরিকরা। শধু তাই নয়, ইউক্রেন ভ্রমণের উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

    সোশ্যাল মিডিয়াতে ইউক্রেনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বলা হয়েছে,ভারতীয় নাগরিক যাঁরা এই মুহূর্তে ইউক্রেনে রয়েছেন তাঁরা দ্রুত এই দেশ ছাড়ুন। এখানকার  নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। উল্লেখ্য, ক্রেমলিনের সঙ্গে রাশিয়ার সংযোগকারী সেতু ইউক্রেনের সেনারা ভেঙে  দেওয়ার পর থেকেই রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলার গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে রাশিয়া ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিধ্বস্ত। রাজধানী কিয়েভ সহ ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি শহরের একাধিক অঞ্চলে পানীয় জল ও বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারত, আমেরিকার প্রস্তাব খারিজ, পাক জঙ্গি শাহিদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণার বিরোধিতায় চিন

    ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল ডনেহস্ক, লুহানস্ক, জাপোরঝিয়া এবং খারসন দখলের কথা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে রাশিয়া। এই অঞ্চলগুলিতে মার্শাল ল জারির কথাও বলেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই পরিস্থিতিতেই ইউক্রেনে অবস্থিত ভারতীয়দের দেশে ফিরে আসতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বলা হয়েছে যেন খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ ইউক্রেনে না যান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share