Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Gyanvapi Case Update: নিম্ন আদালতের অবস্থান জেনেই রায় ঘোষণা, জ্ঞানবাপী মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

    Gyanvapi Case Update: নিম্ন আদালতের অবস্থান জেনেই রায় ঘোষণা, জ্ঞানবাপী মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Viswanath Temple) –জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) মামলায় রায় ঘোষণার আগে নিম্ন আদালতের অবস্থান জানতে চায় দেশের শীর্ষ আদালত। তাই জ্ঞানবাপী মামলায় আপাতত শুনানি স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এদিন এই মামলার শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়, এই মামলায় বারাণসী জেলা আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তাই চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এই মামলায় স্থগিতাদেশ জারি করে সুপ্রিম কোর্ট।

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এদিন মসজিদের ওজুখানার জলাধারে থাকা ‘শিবলিঙ্গে’ পুজোর দাবিতে করা একটি আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে ওজুখানার জলাধারে থাকা শিবলিঙ্গের বয়স জানার জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আবেদনও।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মামলায় সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া বিচারককে হুমকি-চিঠি!

    প্রসঙ্গত, এদিন জ্ঞানবাপীর অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটির দায়ের করা একটি মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। ওই মামলায় বারাণসী দায়রা আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে চালানো ভিডিও সার্ভের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এদিকে, এদিনই বারাণসী জেলা আদালতে জ্ঞানবাপী মামলায় হিন্দু পক্ষের দায়ের করা মামলার বিরুদ্ধে মসজিদ কমিটির আবেদনের শুনানি হয়েছে।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    ২০২১ সালের আগস্ট মাসে পাঁচ হিন্দু মহিলা জ্ঞানবাপীর মা শৃঙ্গার গৌরী ও মসজিদের ভিতরের পশ্চিম পাশের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে বলে দাবি করেন। সেখানে পুজোর অনুমতি চেয়ে তাঁরা দ্বারস্থ হন বারাণসী আদালতে। সেই মামলায় দিন কয়েক আগে বারাণসী দায়রা আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকর নিযুক্ত কমিটির নির্দেশে মসজিদের ভিতরে শুরু হয়েছিল ভিডিও সার্ভে। তারই একটি ফুটেজ প্রকাশ্যে চলে আসে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। তাতে দেখা যায়, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গের মতো কিছু একটা রয়েছে। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এটি শিবলিঙ্গই। যদিও মসজিদ কমিটির দাবি, এটি পুরানো ফোয়ারা। গত ২০ মে মামলা গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালতে। পরে নিম্ন আদালত থেকে মামলাটি বারাণসী জেলা আদালতে পাঠিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

     

  • Prophet Row: ‘হিংসায় ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না’, মুসলিম সমাজকে আবেদন মৌলবীদের

    Prophet Row: ‘হিংসায় ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না’, মুসলিম সমাজকে আবেদন মৌলবীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসায় জড়িয়ে নিজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না। ঠিক এই ভাষায়ই মুসলিম (Muslim) সম্প্রদায়ের মানুষদের কাছে আবেদন জানালেন বিভিন্ন মসজিদ (Masjid) ও মুসলমান সম্প্রদায়ের নেতারা (Muslim Leaders)। আজ, শুক্রবার। জু্ম্মার নামাজ (Fryday Prayer)। তাই এদিনও যাতে ফের অশান্তির আগুন না জ্বলে, সেজন্যই এই আবেদন জানান তাঁরা।

    বিজেপির সাসপেনডেড মুখপাত্র নূপুর শর্মা সম্প্রতি হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিতর্কিক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। তাঁর ওই মন্তব্যের পরে পরেই দল তাঁকে সাসপেন্ড করে। কেন্দ্র সাফ জানিয়ে দেয়, নূপুরের মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত, সরকারের নয়। তার পরেও দেশজুড়ে শুরু হয় অশান্তি। গত শুক্রবার জুম্মার নমাজের পর অশান্ত হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন অংশ। হিংসাত্মক আন্দোলেন যোগ দেন মুসলিম সম্প্রদায়ের হাজার হাজার যুবক। যার জেরে কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ, কোথাও আবার টায়ার জ্বালিয়ে চলতে থাকে বিক্ষোভ প্রদর্শন। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ার উলুবেড়িয়া, সলপ, পাঁচলা প্রভৃতি এলাকায় ভাঙচুরও চালানো হয় বলে অভিযোগ। পাঁচলায় বিজেপির পার্টি অফিসে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : নূপুর শর্মা বিতর্কে অশান্তি, ঝাড়খণ্ডে মৃত ২, তপ্ত বাংলা, ভূস্বর্গে জারি কার্ফু

    আজ, শুক্রবার। ফের জুম্মার নমাজ। অশান্তির আশঙ্কায় কাঁটা প্রশাসনও। নমাজের পর যাতে অশান্তি না ছড়ায় তাই মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজনকে ভবিষ্যৎ নষ্ট না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিভিন্ন মসজিদ ও মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা।

    দিল্লির জামা মসজিদের ইমাম সৈয়দ আহমেদ বুখারি বলেন, যেসব সমাজবিরোধী দাঙ্গা লাগাতে চায় তাদের ওপর কড়া নজর রাখুন। তিনি বলেন, গত সপ্তাহে দেশজুড়ে যে হিংসাত্মক আন্দোলন হয়েছে, তা হওয়া উচিত ছিল না। বিক্ষোভ প্রদর্শনের আগে প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন ছিল। এটা ঠিক যে, নবীর অপমান আমাদের আঘাত করেছে, তবে প্রতিবাদের ভাষা এটা হওয়া উচিত ছিল না। তিনি বলেন, আন্দোলন হওয়া উচিত ছিল শান্তিপূর্ণ।

    আরও পড়ুন : কাশীর বিন্দুমাধব মন্দিরও হয়েছে মসজিদ! পুনর্নির্মাণের দাবি চেয়ে মামলা

    অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সদস্য মুম্বইয়ের মৌলানা সৈয়দ আতাহার আলিও অশান্তি না ছড়ানোর আবেদন জানান। তিনি বলেন, আমরা পথে নামলে সমাজবিরোধীরা ঢুকে যাবে। অশান্তি ছড়াবে। শুক্রবার জুম্মার নমাজ। তাই ফের অশান্তি হোক, তা চাই না। আন্দোলন হোক, তবে তা হোক আইন মেনে।

     

  • India-China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে নতুন হাইওয়ে চিনের! জানুন কোথা দিয়ে যাবে সেই রাস্তা

    India-China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে নতুন হাইওয়ে চিনের! জানুন কোথা দিয়ে যাবে সেই রাস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) বরাবর একটি নতুন হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা করছে চিন (China)। ভারতের সঙ্গে কৌশলগত অবস্থানকে শক্তিশালী করার জন্য বেজিংয়ের এই প্রচেষ্টা বলে অনুমান কূটনৈতিক মহলের।

    তিব্বতের লুঞ্জে কাউন্টি থেকে জিনজিয়াং অঞ্চলের কাশগারের মাঝা পর্যন্ত এই নতুন রাস্তাটি ২০৩৫ সালের মধ্যে তৈরি করার কথা ভাবছে বেজিং। মোট ৪৬১,000 কিলোমিটার এই হাইওয়ের যে অংশটি লুঞ্জে কাউন্টির মধ্য দিয়ে যাবে সেটা অরুণাচল প্রদেশের ভিতরে। তবে চিনের দাবি ওই অঞ্চলটি দক্ষিণ তিব্বতের অংশ। চিনেরে এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই রাস্তাটি সিকিম সীমান্তবর্তী কাম্বা কাউন্টির  মধ্য দিয়ে যাবে। যা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার খুব কাছে। নেপাল সীমান্তের কাছে জি৯৫ সড়ক গির কাউন্টির মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিন! ডোকলাম সীমান্তে গ্রাম বানাচ্ছে বেজিং

    পরিকল্পিত রাস্তাটি তিব্বত, নেপাল এবং ভারতের মধ্যে বুরাং কাউন্টির খুব কাছ দিয়ে চলে যাবে। নতুন রাস্তার বিশদ বিবরণ এখনও অস্পষ্ট। তবে মনে করা হচ্ছে ওই রাস্তা তৈরি হলে তা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে ডেপসাং সমভূমি, গালওয়ান উপত্যকা এবং হট স্প্রিংসের কাছাকাছিও যেতে পারে।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মে মাস, অর্থাৎ গালওয়ান সংঘর্ষের (Galwan clash) সময় থেকেই হট স্প্রিংয়ের পেট্রোল পয়েন্ট ১৫ থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে দুই দেশের প্রায় শ’খানেক সেনা মোতায়েন রয়েছে। এর আগে একাধিক আলোচনার মাধ্যমে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় একাধিক ফ্ল্যাশপয়েন্টগুলি থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছে দুই দেশ। সমঝোতা মোতাবেক অস্থায়ী পরিকাঠামো সরিয়েছে দুই সেনাই। কিন্তু হট স্প্রিং, গোগরা ও ডেপসাং সমতলে সমস্যা এখনও মেটেনি। ডেপসাং এলাকায় ২০১৩ সাল থেকেই আগ্রাসী চিন। সেখানে ভারতকে টহলদারি করতে দিচ্ছে না লালফৌজ। ডেমচকে ঘাঁটি গেড়েছে তারা। তবে ডেপসাং ইস্যু নিয়ে সমঝোতা বেশ কঠিন কাজ বলেই মনে করে ওয়াকিবহাল মহল। তাই আপাতত গোগরা-হট স্প্রিং এলাকা থেকে চিনা সেনা প্রত্যাহারের দাবিতেই জোর দিয়েছে ভারত। এই অবস্থায় নতুন রাস্তা আবার সীমান্ত-সমস্যা দূরীকরণে বেজিংয়ের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলল। 

  • Agnipath Scheme: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ

    Agnipath Scheme: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিবীরেরা কর্মরত অবস্থায় দক্ষতা সংক্রান্ত যে প্রশিক্ষণ পাবেন, সেই বিষয়গুলিকে আগামী দিনে তিন বছরের স্নাতক স্তরে প্রবর্তন করা হবে। এ নিয়ে একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রক। ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (IGNOU) এর মাধ্যমে এই ডিগ্রি দেওয়া হবে। ইগনু এ নিয়ে নানা পরিকল্পনাও শুরু করেছে। শীঘ্রই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলেও শিক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর। অগ্নিবীররা কর্মরত অবস্থায় তাঁদের কাজের দক্ষতার উপর ভিত্তি করে এই কোর্সের ৫০ শতাংশ নম্বর পাবেন। বাকি ৫০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে  বিষয়ভিত্তিকভাবে। ভাষা, অর্থনীতি, ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, গণিত, সমাজবিজ্ঞান  প্রভৃতি বিষয় থাকবে। ইউজিসি (UGCএবং জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসারে স্নাতকস্তরে এই নয়া কোর্স শুরু করা হবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিনটি বিভাগের সঙ্গেই আলোচনা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ভবিষ্যতে ভারতীয় সেনার অর্ধেক হবে অগ্নিবীর! দাবি সেনা উপপ্রধানের

    অগ্নিপথ প্রকল্পে চার বছরের জন্য সেনায় নিয়োগের পরবর্তী সময়ে অগ্নিবীররা কী করবেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে। কিন্তু সরকারের তরফে এ বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে বলা হয়েছে, অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধ পরিকর। অবসর নেওয়া অগ্নিবীরদের সমস্ত আধাসামরিক বাহিনী ও আসাম রাইফেলসে যোগদানের প্রশ্নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অগ্নিপথ প্রকল্পে সুযোগ পাওয়া অগ্নিবীরদের পুলিশ ও সহযোগী বাহিনীতে নিয়োগে অগ্রাধিকার (priority) দেওয়া হবে বলে টুইট করেছেন উত্তর প্রদেশের (uttar pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও (Yogi Adityanath)। টুইটে যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন,অগ্নিপথ প্রকল্প যুবকদের দেশ ও সমাজের সেবার জন্য তৈরি করে দেবে। তাদের জন্য গর্বিত ভবিষ্যতের সুযোগ দেবে বলেও মন্তব্য করেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সর্বোচ্চ সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, অগ্নিবীর সেনাদের অবসর-পরবর্তী চাকরির বন্দোবস্ত করার বিষয়টি নিয়ে তারা সরকারের সহযোগী হতে আগ্রহী। তাদের প্রস্তাব, কর্পোরেট নিরাপত্তার একটি ছোট কোর্সের কথা ভাবা যেতে পারে, যার মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে অগ্নিবীরদের উপযুক্ত চাকরি দেওয়া সম্ভব হবে।

  • MRFA: ১১৪ যুদ্ধবিমান কেনার পথে বায়ুসেনা, ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই

    MRFA: ১১৪ যুদ্ধবিমান কেনার পথে বায়ুসেনা, ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারত (Atmanirbhar Bharat) প্রকল্পকে আরও জোরগদার করার পথে ভারত।  দেশের আকাশসীমাকে নিশ্ছিদ্র করা ও ভারতের শক্তিবৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ১১৪টি বিদেশি যুদ্ধবিমান কেনার পথে ভারতীয় বায়ুসেনা

    ‘বায় গ্লোবাল অ্যান্ড মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Buy Global and Make in India)-র আওতায় কেনা হবে এই মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (MRFA) যার মধ্যে ৯৬টিই তৈরি হবে দেশে। অর্থাৎ, মূল বিদেশি  নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিমানগুলি এদেশে তৈরি করবে এখানকার সংস্থা। এই মর্মে সম্প্রতি বিদেশি বিমান নির্মাতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বায়ুসেনা। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পটি কে কীভাবে পরিচালনা করতে চায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে বায়ুসেনা।

    আরও পড়ুন: সেনায় ৪ বছর দিক যুবারা, “অগ্নিপথ” প্রকল্পের ঘোষণা রাজনাথের

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, ১১৪টি বিমানের মধ্যে প্রথম দফায় ১৮টি সরাসরি বিদেশি নির্মাতার থেকে আমদানি করা হবে। বাকি ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে। এই ৯৬টির মধ্যে আবার দ্বিতীয় দফায় ৩৬টি বিমানের জন্য ভারতীয় এবং বিদেশি মুদ্রা যৌথভাবে খরচ করা হবে। তৃতীয় তথা শেষ দফায় ৬০টি বিমানের জন্য খরচ মেটানো হবে শুধুমাত্র ভারতীয় মুদ্রায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) ভাবনা প্রসূত ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পকে মাথায় রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।

    বিদেশি সংস্থাগুলি ভারতে বা ভারতের সংলগ্ন তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে যে পণ্য বিক্রি করে, তা ভারতের মাটিতে, ভারতীয় শ্রমিকদের সাহায্য নিয়ে এবং ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে বানানোর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে উৎসাহ জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানের বরাত সেই ক্ষেত্রে বড় সুযোগ করে দেবে বলে অনুমান। খুব শীঘ্রই ভারতীয় বায়ুসেনার ডাকা টেন্ডারে অংশ নিতে চলেছে বোয়িং, লকহিড মার্টিন, সাব, মিগ, ইরকুট, দাসোর মত বিদেশি যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর! ৭৬ হাজার কোটি টাকার সমরাস্ত্র কেনায় সায় কেন্দ্রের

  • Pm Modi: বিদ্যুৎ বাবদ রাজ্যগুলির কাছে পাওনা কোটি কোটি টাকা, দ্রুত শোধের আর্জি মোদির  

    Pm Modi: বিদ্যুৎ বাবদ রাজ্যগুলির কাছে পাওনা কোটি কোটি টাকা, দ্রুত শোধের আর্জি মোদির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুৎ বণ্টন ক্ষেত্রে ভারতের (India) ক্ষতির পরিমাণ দুই অঙ্কের। অথচ উন্নত দেশগুলিতে (Developed Countries) এর পরিমাণ এক অঙ্কের। শনিবার উজ্জ্বল ভারত, উজ্জ্বল ভবিষ্য পাওয়ার @ ২০৪৭ (Ujjwal Bharat Ujjwal Bhavishya-Power@2047) শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ বণ্টন করতে গিয়ে আমাদের প্রচুর পরিমাণ শক্তি নষ্ট হয়। সেই কারণে দেশবাসীর চাহিদা পূরণ করতে যে পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন, উৎপাদন করতে হচ্ছে তার চেয়েও ঢের বেশি।

    বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি রাজ্যের কাছে যে কেন্দ্রের মোটা টাকা পাওনা রয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন মোদি। বলেন, দেশের বিভিন্ন পাওয়ার সেক্টর ফার্মের কাছে অনেক রাজ্যের দেনা রয়েছে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। দেশবাসী এটা জেনে বিস্মিত হবেন যে বিভিন্ন রাজ্যের বকেয়া রয়েছে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। এই টাকা তাদের শোধ করতে হবে বিভিন্ন শক্তি উৎপাদক কোম্পানিগুলোকে। বিদ্যুৎ বণ্টন করে যেসব কোম্পানি, বিভিন্ন সরকারি এবং আঞ্চলিক দফতরের কাছে তাদের পাওনার পরিমাণ ৬০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। আটকে রয়েছে এরিয়ার বাবদ ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন রাজ্যের কাছে বকেয়ার পরিমাণ দিন দিন বেড়ে যাওয়ার কারণে  পাওয়ার ফার্মগুলো ভর্তুকি বাবদ যে টাকা পায়, সেটাও যথা সময়ে পাচ্ছে না।

    আরও পড়ুন : বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির সঙ্গে পাল্লা দেবে ভারত, বললেন মোদি

    বিদ্যুৎ বাবদ রাজ্যগুলির যে বকেয়া রয়েছে, সেগুলি দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার অনুরোধও করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি রাজ্যগুলিকে অনুরোধ করছি, যাদের টাকা বকেয়া রয়েছে, তাঁরা তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিশোধ করে দিন। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, উপভোক্তারা যদি যথা সময়ে সততার সঙ্গে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে দেন, তাহলে রাজ্যগুলি কেন বারবার টাকা বকেয়া রাখছে। এদিন ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিমের সূচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

     

  • Terror Drones: পাকিস্তানে পাঠানো হচ্ছে ফাঁকা ড্রোন, ভারতে ফিরছে আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক বয়ে!

    Terror Drones: পাকিস্তানে পাঠানো হচ্ছে ফাঁকা ড্রোন, ভারতে ফিরছে আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক বয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (pakistan) পাঠানো হচ্ছে ড্রোন। ফিরছে কখনও মাদক (drug), কখনও বা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ড্রোন (drone) আটক করেছে বিএসএফ (bsf) এবং পাঞ্জাব পুলিশ। ড্রোন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই নিরাপত্তা বাহিনী জেনেছে, ভারত থেকে পাকিস্তানে ড্রোন পাঠিয়ে কাজ হাসিল করছে দুষ্কৃতীরা।

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সম্প্রতি পাঞ্জাব পুলিশ (punjab police) বেশ কয়েকটি ড্রোন বাজেয়াপ্ত করে। প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে তারা জেনেছে, এই ড্রোনগুলিকেই ব্যবহার করা হয় মাদক কিংবা আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের মাধ্যম হিসেবে। এও জানা গিয়েছে, অধিকাংশ ড্রোনই ওড়ানো হত অমৃতসর এবং তরণ তারণ জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে।

    অমরনাথ যাত্রায় নাশকতার ছক? অস্ত্রবোঝাই ড্রোন ধ্বংস পুলিশরে

    জানা গিয়েছে, ভারত থেকে পাঠানো ড্রোনে পিস্তল, মাদক এবং গোলাবারুদে ভর্তি করে পাকিস্তানের কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি সেগুলি ভারতে ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছে। ঘটনাটি নজরে পড়ায় পাঞ্জাব পুলিশকে নিয়ে বিএসএফ ওই ড্রোনগুলি বাজেয়াপ্ত করে। তখনই ফাঁস হয় অবৈধ পাচারচক্র। গত মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক বৈঠকে উঠেওছিল বিষয়টি।      

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিএসএফ একটি ড্রোনকে গুলি করে নামায়। ড্রোনটি পাকিস্তান থেকে উড়ে এসে পাঞ্জাবের অমৃতসরে আসছিল। সেই ড্রোন থেকে মেলে ১০ কেজিরও বেশি হেরোইন। যার বাজারদর প্রায় ৭০ কোটি টাকা। পাঞ্জাব পুলিশের এক আধিকারিক জানান, বাজেয়াপ্ত করা ড্রোনের যাতায়াতের পথ বিশ্লেষণ এবং তদন্ত করে জানা গিয়েছে, সেটি পাঠানো হয়েছিল ভারত থেকে। সেখানেই ড্রোনটিতে ভরা হয়েছিল ১০ কেজি হেরোইন। পরে সেটিকে ফের ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    প্রায় একই রকম একটি ঘটনা ঘটেছিল মার্চের প্রথম সপ্তাহে। ভারত-পাক সীমান্ত লাগোয়া একটি ফার্মের কাছে গুলি করে ড্রোনটি নামায় বিএসএফ এবং পাঞ্জাব পুলিশ। এই ড্রোনটিও ভারত থেকে পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছিল। গোলাবারুদ এবং মাদক নিয়ে ভারতে ফিরছিল সেটি।

    আরও পড়ুন : প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

    পরপর এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ সতর্ক করে দেয় পাঞ্জাব পুলিশকে। পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় কিছু লোক পাকিস্তানের সঙ্গে তলায় তলায় যোগসাজশ রেখে চলছে। তারাই চালাচ্ছে এই চক্র। এর পেছনে বেশ কিছু গ্যাংস্টার এবং পাকিস্তানের মাটিতে ঘাঁটি গেড়ে থাকা সন্ত্রাসবাদী এবং অপরাধীরা রয়েছে। ঘটনায় যোগ রয়েছে দুই দেশেরই স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতীরও। ড্রোনের এই অপব্যবহার ঠেকাতে সক্রিয় বিএসএফও। সীমান্তে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম (Anti-Drone system) মোতায়েন করা হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রে খবর। এর পাশাপাশি সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর নিরাপত্তারক্ষী। বাড়ানো হয়েছে টহলদারি, বসানো হয়েছে নানা নজরদারি সরঞ্জামও।

    বরাবরই ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে সক্রিয় পাকিস্তান (Pakistan)। অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার পথে দেশ। নড়বড়ে প্রশাসন। হাজারো সমস্যা থেকে দেশবাসীর নজর ঘোরাতে ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টির নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শেহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) দেশ।

     

  • Green Hydrogen: কেন্দ্রের লক্ষ্য ভবিষ্যৎ জ্বালানি, ভারত হবে সবুজ হাইড্রোজেনের হাব?

    Green Hydrogen: কেন্দ্রের লক্ষ্য ভবিষ্যৎ জ্বালানি, ভারত হবে সবুজ হাইড্রোজেনের হাব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবুজ হাইড্রোজেন (Green Hydrozen) উৎপাদনে খরচ কমাতে উদ্যোগী হল ভারত (India)। সম্প্রতি এ খবর জানিয়েছেন নীতি আয়োগের সিইও (CEO)। তিনি বলেন, টিকে থাকতে গেলে এবং সাফল্য লাভ করতে হলে সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনে ভবিষ্যতে ভারতের প্রয়োজন হবে সাশ্রয়ী বিনিয়োগের বিকল্প।

    বিশ্বজুড়ে ক্রমেই বাড়ছে জ্বালানির মূল্য। এমতাবস্থায় খোঁজ চলছে সস্তার বিকল্প জ্বালানির। এই কারণেই ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে সবুজ হাইড্রোজেনের। ভবিষ্যতে নানা কাজে ব্যবহৃত হলেও, বর্তমানে কেবল অ্যামোনিয়া উৎপাদন এবং তেল পরিশোধনের কাজে লাগে হাইড্রোজেন। 

    সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন প্রক্রিয়া এখনও বেশ জটিল এবং ব্যয়বহুল। জল থেকে যে হাইড্রোজেন উৎপাদন করা হয়, তা হল সবুজ হাইড্রোজেন। এক বিশেষজ্ঞ জানান, অণু ‘এইচ-টু’ হওয়ার কারণে সব হাইড্রোজেনই আসলে এক। তবে ভিন্ন উৎপাদন প্রক্রিয়ার কারণে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমণের মাত্রা নির্ভর করে।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    জানা গিয়েছে, ভারতে বর্তমানে প্রতি কেজি সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন করতে খরচ পড়ে পাঁচ থেকে ৬ মার্কিন ডলার। এটাকেই এক মার্কিন ডলারে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে ভারত সরকার। সবুজ হাইড্রোজেনই যেহেতু ভবিষ্যতের বিকল্প জ্বালানি, তাই এর উৎপাদন খরচ কমানো প্রয়োজন। সেই কারণেই উদ্যোগী হয়েছে সরকার।

    এদিকে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০ লক্ষ মেট্রিক টন সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার দরকার। ফরাসী সংস্থা টোটাল এনার্জিজ জানিয়েছে, ভারতের সঙ্গে সবুজ হাইড্রোজেন ইকোসিস্টেম বিকাশের চুক্তির অংশ হিসেবে আদানির ২৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব আমরা কিনেছি।

    আরও পড়ুন : পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে মুখিয়ে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    বিশ্বের বৃহত্তম তেল ও গ্যাস উৎপাদক সংস্থা টোটাল এনার্জি। নানা কারণে সংস্থাটি পরিবেশবিদদের সমালোচনার শিকার হয়েছে। তাই নিজেদের ইমেজ বদলাতে মরিয়া সংস্থাটি গত কয়েক বছর ধরে হাইড্রোকার্বন-কেন্দ্রিক প্রক্রিয়ার পরিবর্তে তারা পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তি উৎপাদনে জোর দিচ্ছে। তাই সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনে বিনিয়োগ।

  • Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই, জানালেন পাওয়ার, নীতীশ

    Presidential Polls: রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই, জানালেন পাওয়ার, নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Polls)  দামামা বেজে গিয়েছে। কোমর কষে নেমে পড়েছে শাসক ও বিরোধী দু’পক্ষই। এমতাবস্থায় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এনসিপি-র (NCP) শারদ পাওয়ার (Sharad Pawar) জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই তিনি। একই কথা জানিয়ে দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও (Nitish kumar)।

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি চাইছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হোন সর্বসম্মতভাবে। সেজন্য বিজেপির তরফে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) এবং রাজনাথ সিংকে (Rajnath Singh))। বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে তাঁরাই ঐক্যমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন।

    আরও পড়ুন :রাষ্ট্রপতি পদে সর্বসম্মত প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব নাড্ডা, রাজনাথকে

    এদিকে, সলতে পাকাতে শুরু করেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলিও। বিজেপিকে মাত দিতে তারাও চাইছে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে বিভিন্ন দলের একজনকেই প্রার্থী করতে। সেই কারণেই তৃণমূল নেত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে বুধবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকে বসছে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দল। সেখানেই চূড়ান্ত হতে পারে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের নাম।

    তবে রাষ্ট্রপতি পদে দৌড়ে তিনি যে নেই, তা আগেভাগেই জানিয়ে দিলেন পাওয়ার। বছর একাশির এই প্রবীণ নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে আমি নেই। আমি বিরোধীদের প্রার্থী হচ্ছি না। এদিকে, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) প্রস্তাব নিয়ে বৃহস্পতিবারই পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে। রবিবার আম আদমি পার্টির নেতা সঞ্জয় সিং-ও ফোন করেন এনসিপি প্রধানকে। তাঁদের ততক্ষণাৎ কিছু জানাননি পাওয়ার। জানালেন সোমবার। এমতাবস্থায় পাওয়ারের এই ঘোষণায় যথেষ্ট বিব্রত বিরোধীরা।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, কার আস্তিনে কোন অস্ত্র?

    এদিকে পাওয়ারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই তিনিও। অথচ জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল নীতিশের নাম। বিজেপির তরফেও কেন্দ্রের এক মন্ত্রী দেখা করেন নীতিশের সঙ্গে। তার পরেই জল্পনা ছড়ায় রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি শিবিরের বাজি হতে পারেন নীতীশ। সেই নীতিশই সোমবার স্বয়ং ঘোষণা করলেন, রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে রেসের ঘোড়া নন তিনি।

     

  • Maharashtra: ফের মুম্বইয়ে জঙ্গি-নাশকতার ছক! মিলল অস্ত্রবোঝাই নৌকা, কী বলছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী

    Maharashtra: ফের মুম্বইয়ে জঙ্গি-নাশকতার ছক! মিলল অস্ত্রবোঝাই নৌকা, কী বলছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্র জুড়ে এখন উৎসবের মেজাজ। শুক্রবার দহি-হান্ডি (Dahi Handi) উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকায় বহু মানুষ সমবেত হয়েছেন। মাসের শেষেই গণেশ চতুর্থী (Ganeshotsav )। কিন্তু উৎসবের মরশুমেই বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের রায়গড় উপকূল থেকে অস্ত্রবোঝাই একটি নৌকো বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। এই নৌকার সন্ধান পাওয়ার পরেই চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে রাজ্যজুড়ে। এদিন সকাল থেকেই উপকূলে নজরদারি চালান হয়। নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা শহর।

    আরও পড়ুন: ভারত, চিন, রাশিয়া সামরিক মহড়া! কী ভাবছে আন্তর্জাতিক মহল 

    যদিও এই ঘটনায় জঙ্গি নাশকতার কথা এখনই মানতে নারাজ মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। তিনি জানিয়েছেন, ‘জেলেরা একটি ১৬ মিটারের পরিত্যক্ত নৌকো খুঁজে পেয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ সেই নৌকোর তল্লাশি চালিয়েছে। সেখান থেকে তিনটি AK-47 রাইফেল ও কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই নৌকোটি একজন অস্ট্রেলিয়ার মহিলার। মাস্কাট থেকে ইউরোপে যাচ্ছিল। তবে মাঝ সমুদ্রেই কিছু গোলযোগ হয় এবং স্রোতের কারণে উপকূলের দিকে চলে এসেছে।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘কেন্দ্রীয় সংস্থাকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং এটিএস-ও কাজ করছে এর উপর। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হবে।’ তিনি স্পষ্টতই জানিয়েছেন, ‘এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও সন্ত্রাসবাদী যোগ পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত চলছে। এখনও পর্যন্ত কোনও দিকই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আমি কেবলমাত্র প্রাথমিক তথ্য় জানাচ্ছি যাতে মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি না হয়।

    আরও পড়ুন: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    বৃহস্পতিবার  হরিহরেশ্বর ঘাটের কাছে নৌকোটিকে সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে আসতে দেখা যায়। সেই নৌকো থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনটি AK-47, কার্তুজ ও বিস্ফোরক পদার্থ। এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুম্বই জুড়ে। ২৬/১১-র মতো পুনরায় কোনও নাশকতার পরিকল্পনা কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ ২৬/১১-র মুম্বই হামলার সময়ও এইভাবেই মুম্বইয়ে অস্ত্র এসে পৌঁছেছিল। তাই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে প্রশাসন। মুম্বই উপকূলে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্য়বস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে সেই অঞ্চলে। আপাতত সদা সজাগ রয়েছে প্রশাসন। এই ঘটনার তদন্তও জারি রয়েছে।

LinkedIn
Share