Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Health Insurance: চিকিৎসা খরচে লাগাম টানতে উদ্যোগী কেন্দ্র, আসছে স্বাস্থ্য বীমা পাওনার পোর্টাল

    Health Insurance: চিকিৎসা খরচে লাগাম টানতে উদ্যোগী কেন্দ্র, আসছে স্বাস্থ্য বীমা পাওনার পোর্টাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত চিকিৎসা খরচ আদায় করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের (Health Insurance)। এবার সেই অভিযোগে সিলমোহর দিল কেন্দ্রীয় সরকার ও ইন্স্যুরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (IRDAI)। এই ধরনের অনিয়ম যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র সরকার নতুন পরিকল্পনা নিচ্ছে (Finance Ministry)।

    আসছে স্বাস্থ্য বীমা পাওনার (Health Insurance Claim) পোর্টাল

    অতিরিক্ত চার্জ থেকে রোগীদের রক্ষা করতে, কেন্দ্রের অর্থমন্ত্রক ও IRDAI মিলে স্বাস্থ্য বীমা পাওনা সংক্রান্ত একটি পোর্টাল চালুর কথা ভাবছে। এই পোর্টালের মাধ্যমে বীমা সংস্থা (Health Insurance), হাসপাতাল এবং রোগীদের মধ্যে একটি স্বচ্ছ সংযোগ গড়ে উঠবে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই ন্যাশনাল হেলথ ক্লেইমস এক্সচেঞ্জ (NHCE) নামে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ নির্ধারণে একাধিক স্তরে নজরদারি থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তত্ত্বাবধানে হাসপাতালগুলো নিজেদের ইচ্ছামতো অতিরিক্ত চার্জ নিতে পারবে না, যা সাধারণ মানুষের জন্য অনেকটাই স্বস্তির (Finance Ministry)।

    স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বেড়েই চলেছে (Health Insurance)

    সম্প্রতি আওন গ্লোবাল মেডিকেল ট্রেন্ড রেটস নামের একটি সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ভারতের স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় ১৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এই হারে বৃদ্ধি বৈশ্বিক গড় ১০ শতাংশের চেয়েও বেশি। ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে চিকিৎসা ব্যয় ১২ শতাংশ বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়ামে ধস (Health Insurance)

    স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম আয়ে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে দেশের স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম ইনকাম নেমে এসেছে মাত্র ৯ শতাংশে, যেখানে এর আগের বছর এই হার ছিল ২০ শতাংশেরও বেশি। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে প্রায় অর্ধেক হারে কমে গেছে স্বাস্থ্যবিমার বাজারে প্রবাহিত অর্থ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর প্রধান কারণ হল বিমার প্রিমিয়াম বারবার বাড়তে থাকায় তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার এখন আর নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে একদিকে নতুন পলিসি কেনার আগ্রহ কমেছে, অন্যদিকে পুরনো পলিসিগুলির পুনর্নবীকরণেও অসুবিধা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন স্বাস্থ্যসুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বহু মানুষ, তেমনই দীর্ঘমেয়াদে বিমা শিল্পের উপরও তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • Operation Sindoor: রাফাল ধ্বংস করতে পারেনি পাকিস্তান! আসলে কী ঘটেছিল জানেন?

    Operation Sindoor: রাফাল ধ্বংস করতে পারেনি পাকিস্তান! আসলে কী ঘটেছিল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি নজিরবিহীন ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের মাধ্যমে ভারত পাকিস্তানকে এমনভাবে বিভ্রান্ত করেছে যে, ইসলামাবাদ ভেবেছে তারা একটি ভারতীয় রাফালে যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। বাস্তবে, পাকিস্তান ধ্বংস করেছে একটি অত্যাধুনিক এআই-চালিত ডিকয়, যা রাফালের অংশ। ভারতের সঙ্গে ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চলাকালে রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার যে দাবি পাকিস্তান করেছিল, সেটিকে ‘পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে নাকচ করে দিয়েছে বিমানটির নির্মাতা ফরাসি সংস্থা দাঁসো অ্যাভিয়েশনও। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী এরিক ট্রাপিয়ার এক সাক্ষাৎকারে সাফ জানিয়েছেন, পাকিস্তানি সেনারা রাফাল ছুঁতেও পারেনি। ভারত সে সময় একটি রাফাল হারালেও সেটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, কোনো রকম হামলায় নয়।

    রাফালের এক্স-গার্ড কী?

    রাফালে যুদ্ধবিমানে ব্যবহৃত এক্স-গার্ড একটি এআই-চালিত, ফাইবার-অপটিক টোয়েড ডিকয় সিস্টেম। এটি শত্রুর সবচেয়ে উন্নত রাডার ও মিসাইল গাইডেন্স সিস্টেমকে ভুল পথে চালিত করে। সিস্টেমটি রাডার সিগন্যাল, ডপলার এফেক্ট এবং রাফালের মতো সিগনেচার তৈরি করে, যা শত্রু মিসাইল বা জেটকে বিভ্রান্ত করে। এটি এক ধরনের ‘দৃশ্যমানহীন উইংম্যান’ হিসেবে কাজ করে।

    রাফাল যুদ্ধবিমান

    ফরাসি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাঁসো অ্যাভিয়েশনের প্রধান বলেন, “অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ভারতের ওই যুদ্ধবিমানটি আকাশে যান্ত্রিক গোলযোগের শিকার হয় এবং সে কারণেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনার সঙ্গে পাকিস্তানের হামলার কোনো ধরনের সংযোগ নেই। পাকিস্তানি হামলার কোনো চিহ্নও বিমানের রেকর্ডে পাওয়া যায়নি।” তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, “রাফালের স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা ও পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি ‘স্পেকট্রা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম’-এ এমন কোনো তথ্য ধরা পড়েনি, যা থেকে বোঝা যায় বিমানটি শত্রুপক্ষের আক্রমণের মুখে পড়েছিল। আমাদের কাছে থাকা ফ্লাইট লগ বা উড্ডয়নের তথ্য বিশ্লেষণ করে যুদ্ধকালীন কোনো ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত মেলেনি।” দাঁসোর পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়, যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো বিমান যদি সত্যিই শত্রুর আক্রমণে ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে তারা সেই তথ্য কখনোই গোপন করত না।

    চিনের ছায়াযুদ্ধ

    রাফাল একটি নিম্নমানের বিমান (Rafale is low quality war plane)। এই বিমানের উপর ভরসা করে যুদ্ধ জেতা যায় না। বিশ্ব জুড়ে এমন কথা প্রচার করা শুরু করেছে চিন (Chaina)। সংবাদসংস্থা এপি ফরাসি গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট উদ্ধৃত করে বলেছে, দেশে দেশে চিনের দূতাবাসের মিলিটারি অ্যাটাসে (defence/militae attachés) বা সামরিক দূতদের বেজিং নির্দেশ দিয়েছে, রাফাল মোটেই নির্ভরযোগ্য যুদ্ধ বিমান নয়, এই মর্মে প্রচার চালাতে। দেশগুলির সমর বিশেষজ্ঞ, অস্ত্র কেনাবেচার ব্যবসায় যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে আলোচনায় রাফাল বিরোধী প্রচারে জোর দিতে বলা হয়েছে। চিন তার বিভিন্ন দূতাবাসের মাধ্যমে এই খবর ছড়াচ্ছে, যাতে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া-র মতো দেশগুলি রাফাল না কিনে চিনা যুদ্ধবিমানের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

    সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি

    ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব আর. কে. সিং-ও পাকিস্তানের দাবিকে ‘নিছক গল্প’ বলে অভিহিত করেছিলেন। সিএনবিসি টিভি১৮-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, পাকিস্তান একটিও রাফাল যুদ্ধবিমান গুলি করে নামাতে পারেনি।” ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান বলেন, পাকিস্তানের দাবি “সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

  • Chhattisgarh: মাও-দমনে ফের সাফল্য, আত্মসমর্পণ ১২ জন মাওবাদীর

    Chhattisgarh: মাও-দমনে ফের সাফল্য, আত্মসমর্পণ ১২ জন মাওবাদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও-দমনে (Maoist) ফের মিলল বড়সড় সাফল্য। আত্মসমর্পণ করল ১২ জন মাওবাদী। ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) দান্তেওয়াড়া জেলার নিরাপত্তা বাহিনী তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল। দান্তেওয়াড়ার এসপি গৌরব রাইয়ের সামনে আত্মসমর্পণ করে তারা। তাদের মধ্যে ৯ জনের মাথার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। মাওবাদীদের আত্মসমর্পণের জন্য ‘লোন ভারাতু’ (গোন্ডি ভাষায় এর অর্থ হল বাড়ি ফিরে আসার আবেদন)। যারা অস্ত্র সমর্পণ করে সমাজের মূলস্রোতে ফিরে এসেছে তাদের মধ্যে ৪ জন মহিলা মাওবাদীও রয়েছে।

    মাওবাদীদের মাথার দাম (Chhattisgarh)

    প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে আত্মসমর্পনকারীদের মধ্যে ৯ জনের মাথার মোট দাম ছিল সাড়ে ২৮ লাখ টাকা। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছে চন্দ্রান্না নামের এক প্রবীণ মাওবাদীও। তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ৮ লাখ টাকা। ৮ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল অমিত ওরফে হুঙ্গার মাথারও। করুণা, দেবা কাওয়াসি, রাজেশ মাদকম, পাইকে ওয়্যাম, রাজু এবং মহেশ এদেরও মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মাওবাদীদের ফাঁপা আদর্শে বিরক্ত এবং দৈনন্দিন জীবনে বৈষম্যের শিকার হওয়ায় হতাশ হয়েছিল তারা। সেই কারণেই সমাজের মূলস্রোতে ফেরা।

    আত্মসমর্পণ করেছে ১০০৫ জন

    ছত্তিশগড় প্রশাসন সূত্রে খবর, বুধবারের আত্মসমর্পণের পর সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত আত্মসমর্পণ করেছে ১০০৫ জন মাওবাদী। এঁদের মধ্যে ২০০জনেরও বেশি মাওবাদীকে ধরতে ঘোষণা করা হয়েছিল মাথার দাম (Chhattisgarh)। এদিকে, বস্তারের অভ্যন্তরীণ অঞ্চল এবং নকশাল প্রভাবিত পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা বাহিনী মাওবাদী অভিযান আরও জোরদার করেছে। এনকাউন্টারে মারা গিয়েছে কিংবা নিরস্ত্র করা গিয়েছে ৪০০ এরও বেশি মাওবাদীকে।

    মাওবাদী দমন অভিযান চালানোর পাশাপাশি সরকারের নেওয়া কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা এবং মাও অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চলছে। যার ফলে বনপার্টিদের (মাওবাদীরা জঙ্গলমহলে এই নামেই পরিচিত) সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাই প্রশাসনের কোনও গতিবিধি আর এখন জানতে পারছে না মাওবাদীরা। এর পাশাপাশি মাওবাদীদের অস্ত্র সমর্পণ করে সমাজের মূলস্রোতে ফিরে আসার আহ্বানও জানানো হচ্ছে (Maoist) সরকারের তরফে। তার জেরেই দেশ ক্রমেই হচ্ছে মাওবাদী মুক্ত (Chhattisgarh)।

  • Earthquake: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নয়াদিল্লি, কম্পনের মাত্রা কত জানেন?

    Earthquake: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নয়াদিল্লি, কম্পনের মাত্রা কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে উঠল নয়াদিল্লি (Delhi) ও সংলগ্ন এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে কম্পন অনুভূত হয়েছে দিল্লিতে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৪। জাতীয় ভূতত্ত্ব পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, এদিন সকাল ৯টা ৪ মিনিটে ভূমিকম্পটি হয়েছে।

    কম্পনের উৎসস্থল (Earthquake)

    কম্পনের উৎসস্থল ছিল দিল্লি থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে, হরিয়ানার ঝজ্জরে। কম্পনটি হয়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ঝজ্জর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে উত্তরপ্রদেশের পশ্চিম প্রান্তের মেরঠ এবং শামলিতেও অনুভূত হয়েছে কম্পন। কম্পন টের পেয়েছেন হরিয়ানার সোনিপত ও হিসারের বাসিন্দারাও। দিল্লি সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশের নয়ডা ও হরিয়ানার গুরুগ্রামেও বহু সংস্থার অফিস রয়েছে। ভূমিকম্পের জেরে কেঁপে উঠেছে এই সব এলাকাও। ভয়ে অফিস ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন বিভিন্ন অফিসের কর্মীরা। রাজধানীর বাসিন্দারাও আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে চলে আসেন খোলা জায়গায়। যদিও এদিন বেলা সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। মেলেনি ক্ষয়ক্ষতির খবরও।

    সিসমিক জোনিং ম্যাপ

    সিসমিক জোনিং ম্যাপ (Earthquake) অনুযায়ী, ভারতকে চারটি সিসমিক জোন বা ভূমিকম্পন প্রবণ এলাকায় বিভক্ত করা হয়। এগুলি হল জোন ২, জোন ৩, জোন ৪ এবং জোন ৫। এই জোনগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হল জোন ৫। আর ঝুঁকি সব চেয়ে কম জোন ২-এ। দিল্লি পড়ে জোন ৪ এর আওতায়। তাই মাঝেমধ্যেই সেখানে দেখা দেয় ৫-৬ মাত্রার ভূমিকম্প। গত ফেব্রুয়ারি মাসেও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল দিল্লি। তখনও কম্পনের মাত্রা ছিল ৪। ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রায় ৫৯ শতাংশ এলাকায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে। ভূবিজ্ঞানীদের মতে, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে দিল্লিতে ভূমিকম্প হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

    এদিকে, ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা দিয়েছে এনডিআরএফ। সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কভাবে সিঁড়ি ব্যবহার করে বাইরে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়। ভূমিকম্প চলাকালীন যাঁরা গাড়ি চালান, তাঁদের খোলা জায়গায় (Delhi) দাঁড়িয়ে পড়ার পরামর্শও দেওয়া হয় (Earthquake)।

  • Shubhanshu Shukla: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে শুভাংশু শুক্লা, গতি পাচ্ছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা

    Shubhanshu Shukla: আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে শুভাংশু শুক্লা, গতি পাচ্ছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে অবস্থান করছেন ভারতীয় নভোচারী শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla)। তাঁর এই মহাকাশে পাড়ি দেওয়া ভারতের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায় সূচনা করেছে। এই প্রেক্ষাপটে ইসরোর মহাকাশ-সংক্রান্ত প্রকল্পগুলি—যেমন গগনযান, চন্দ্রযান-৪ ও চন্দ্রযান-৫—নতুন গতি পাচ্ছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শুভাংশু শুক্লার মহাকাশ অভিজ্ঞতা গগনযান মিশনের গবেষণায় অনেক সাহায্য করছে। উদাহরণস্বরূপ, মহাকাশে কোয়ারেন্টাইনে থাকা, সেখানে মানসিক চাপ কীভাবে মোকাবিলা করতে হয়, কী ধরনের ওষুধ প্রয়োগযোগ্য—এই সমস্ত দিকগুলোতে নতুনভাবে তথ্য সংগ্রহ হচ্ছে (Indian Space Innovation)।

    অ্যাক্সিয়াম-৪ মিশনে কাজ করেছেন ইসরোর ৭ বিজ্ঞানী

    একই সঙ্গে, শুভাংশু শুক্লার (Shubhanshu Shukla) আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে উপস্থিতি ভারতের অর্থনৈতিক ও বৈজ্ঞানিক উন্নয়নে গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, যে মহাকাশযানে করে তিনি গিয়েছেন—সেই Axiom-4 (অ্যাক্সিয়াম-৪) মিশনে কাজ করেছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা, যার মধ্যে ইসরোর বিজ্ঞানীর সংখ্যা ছিল ৭ জন। তাঁরা নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন ও বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করেছেন।

    কোন কোন দিক উঠে আসছে গবেষণায়

    মহাকাশে শুভাংশু শুক্লার (Shubhanshu Shukla) অবস্থানের ফলে ভারতের মহাকাশ গবেষণায় যে নতুন দিকগুলো উঠে আসছে, তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হল।

    মহাকাশে মাধ্যাকর্ষণ প্রভাব না থাকায়, সেখানে ভারতীয় ফসলের বীজ কীভাবে রোপণ করা যায়, সে বিষয়ে তাঁরা গবেষণা করেছেন ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

    এ ছাড়াও মহাকাশে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা সম্পর্কেও নতুন তথ্য উন্মোচিত হয়েছে। মাধ্যাকর্ষণশূন্য পরিবেশে মানুষের শরীর ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়, স্বাভাবিক থাকতে গেলে কী ধরনের থেরাপি ও ট্রিটমেন্ট দরকার হয়—সেগুলো নিয়ে গবেষণা চলছে।

    তাছাড়া, নভোচারীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও গবেষণা হচ্ছে—কীভাবে তাঁরা স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করেন, মহাকাশে মানানসই জীবনশৈলী কেমন হওয়া উচিত, সেসব বিষয়ও গবেষণার আওতায় এসেছে।

    উল্লেখযোগ্যভাবে, গত ৫ জুলাই নভোচারী শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla) গবেষণা করেছেন মহাকাশে মানুষের হাড় কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় সে বিষয়ে। এর পাশাপাশি তিনি মানবদেহের কোষ মহাকাশে কেমনভাবে বিকশিত হয় ও পুনর্গঠন হয়, তাও গবেষণার বিষয় করেছেন।

    আরও একটি উল্লেখযোগ্য গবেষণা হল—মহাকাশে চারা গাছ রোপণ। দেখা গেছে, শুভাংশু শুক্লা মেথি ও মুন (মুগ)—এই দুটি চারা গাছ রোপণ করেছেন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে।

  • CDS Gen Chauhan: ভারতের উত্থান ঠেকাতে আঁতাত করছে চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ!

    CDS Gen Chauhan: ভারতের উত্থান ঠেকাতে আঁতাত করছে চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাচ্ছে বিশ্বরাজনীতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতের উত্থানকে ঠেকাতে আঁতাত করছে চিন,পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ (Pakistan China Bangladesh)। ত্রিশক্তির এই আঁতাত উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের এক অনুষ্ঠানে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল (CDS Gen Chauhan) অনিল চৌহান। তিনি বলেন, “এই তিনটি দেশের মধ্যে আঁতাত হলে তা গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে ভারতের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে।”

    পাকিস্তানকে হাতিয়ার করছে চিন! (CDS Gen Chauhan)

    ভারতকে ‘টাইট’ দিতে পাকিস্তানকে হাতিয়ার করছে চিন। এদিনের অনুষ্ঠানে চিন ও পাকিস্তানের সম্পর্ক প্রসঙ্গে জেনারেল চৌহান বলেন, “দেশের সামরিক ভান্ডার সুসজ্জিত করতে গত পাঁচ বছরে চিনের কাছ থেকে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ যুদ্ধাস্ত্র কিনেছে পাকিস্তান। চিনের সামরিক সংস্থাগুলির সঙ্গে পাকিস্তানের বাণিজ্যিক নির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলির অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বহিরাগত শক্তিগুলি তাদের প্রভাব কাজে লাগানোর সুযোগ পেয়েছে।” ভারতের সুরক্ষায় এই প্রভাব দুর্বলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে দাবি করেছেন সেনা সর্বাধিনায়ক।

    হিন্দু পর্যটককে হত্যা

    গত ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তার পক্ষকাল পরেই পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করতে অপারেশন সিঁদুর চালায় নরেন্দ্র মোদির ভারত। নয়াদিল্লির এই অভিযানে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গিঘাঁটি। পাল্টা আক্রমণ করে পাক সেনা। এর পর ৭-১০ মে পর্যন্ত সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। শেষে নরেন্দ্র মোদির ভারতের বিক্রমের কাছে হার মানে শাহবাজ শরিফের দেশ। তার পরেই পাকিস্তানের তরফে আসে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে ভারত।

    অপারেশন সিঁদুর

    এদিনের অনুষ্ঠানে অপারেশন সিঁদুরের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন সেনা সর্বাধিনায়ক (CDS Gen Chauhan)। তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, এটি কয়েকদিনের একটি সংক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছিল। তবে এটা ঠিক যে, এই সময়ে দেশের উত্তর সীমান্তে কোনও সমস্যা করেনি শি জিনপিংয়ের দেশ চিনের সেনাবাহিনী (Pakistan China Bangladesh)।” তিনি বলেন, “পারমাণবিক কোনও শক্তির দ্বারা তাদের দমানো যাবে না বলে আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছে ভারত। তবে এই প্রথম পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশ সরাসরি জড়িয়ে পড়ে সামরিক সংঘাতে।” চৌহান বলেন, “পারমাণবিক অস্ত্র আবিষ্কারের পর থেকে বিশ্বজুড়ে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটেছে।” তিনি বলেন, “সেই সব ঘটনার বিচারে অপারেশন সিঁদুর খানিক আলাদা। এর থেকে দেশ তথা বিশ্ব আগামী দিনে শিক্ষা নিতে পারবে।”

    কী বললেন চৌহান?

    তাঁর যুক্তির সমর্থনে এদিন তিনটি মৌলিক মতামত তুলে ধরেন চৌহান। তিনি বলেন, “প্রথমত, ভারতের পারমাণবিক মতবাদে এই শক্তিকে সর্বপ্রথম ব্যবহারের কোনও জায়গা নেই। আমার মনে হয়, এই বিষয়টি আমাদের অনেক বেশি শক্তিশালী করে তুলেছে। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের দূরত্ব বজায় রাখতেও সাহায্য করেছে। দ্বিতীয়ত, জবাবি হামলায় ভারত শুধু জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করেছে।” তিনি বলেন, “বিষয়টি বাকিদের কাছে প্রতিশোধ নেওয়ার মতো শোনালেও, আগামী দিনে এই হামলা রুখতে ভারতের প্রয়োজন ছিল এই পদক্ষেপের (CDS Gen Chauhan)।”

    সেনা সর্বাধিনায়কের বক্তব্য

    সেনা সর্বাধিনায়ক জানান, বর্তমানে যুদ্ধের ধরন অনেক বদলে গিয়েছে (Pakistan China Bangladesh)। ব্যালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন, ক্রুজ মিসাইল, হাইপারসোনিক অস্ত্রের মাধ্যমে হামলা সম্পূর্ণ রক্ষা পাওয়ার পদ্ধতি বিশ্বের কোনও দেশের কাছেই নেই। ফলে ভারতকে পুরানো এবং নতুন উভয় ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে বলেও জানান সিডিএস জেনারেল অনিল চৌহান।

    সিডিএস জেনারেলের বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ

    গত বছরের জুলাই মাসে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। আশ্রয় নেন ভারতে। বাংলাদেশের রাশ ধরেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন ইউনূস। আর শুনতে খারাপ লাগলেও, তাঁর আমলেই বাংলাদেশে চরমে ওঠে হিন্দু নির্যাতন। মন্দির-বিগ্রহ ভাঙচুরের পাশাপাশি নির্বিচারে খুন করা হয় হিন্দুদের। সীতা-সাবিত্রীর ধর্মের মহিলাদের ধর্ষণও করা হয় বলে অভিযোগ। বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় চাকরিরত হিন্দু পদাধিকারীদের রাতারাতি সরিয়ে দেওয়া হয় কোনও কারণ ছাড়াই। বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের সর্বত্র (CDS Gen Chauhan)। তার পর থেকে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক ঠেকেছে তলানিতে। এহেন আবহে সিডিএস জেনারেলের বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    চৌহান বলেন, “চিন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মধ্যে একটি সম্ভাব্য স্বার্থের মিল রয়েছে (Pakistan China Bangladesh), যা নিয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি এবং যার প্রভাব ভারতের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর পড়তে পারে (CDS Gen Chauhan)।”

  • Islamic Conversion Racket: ছাঙ্গুরবাবা সেজে ধর্মান্তরের কারবার ফেঁদেছিল জামালউদ্দিন, শেষ রক্ষা হল কই?

    Islamic Conversion Racket: ছাঙ্গুরবাবা সেজে ধর্মান্তরের কারবার ফেঁদেছিল জামালউদ্দিন, শেষ রক্ষা হল কই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে (UP) মিলল ধর্মান্তর চক্রের বড়সড় হদিশ। রাজ্য পুলিশ ও সন্ত্রাসবাদ দমন স্কোয়াডের যৌথ অভিযানে মেলে এই চক্রের হদিশ। অভিযোগ, এই চক্র পরিচালনা করছিল জামালউদ্দিন ওরফে ছাঙ্গুরবাবা (Islamic Conversion Racket)। জানা গিয়েছে, এই চক্রটি প্রায় ১০০ কোটিরও বেশি বিদেশি অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত। এর প্রধান লক্ষ্য ছিল প্রতারণা ও প্রলোভন দেখিয়ে হিন্দু তরুণীদের ধর্মান্তরিত করা। ঘটনার প্রেক্ষিতে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “উত্তরপ্রদেশে শান্তি, সম্প্রীতি ও নারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নকারীদের কোনও ঠাঁই নেই। ছাঙ্গুরবাবাকে এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে, যা অন্যদের জন্য সতর্কবার্তা হয়ে থাকবে।”

    অবৈধ ধর্মান্তকরণের ‘কারবার’ (Islamic Conversion Racket)

    উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের দাবি, জামালউদ্দিন এই বাড়ি থেকেই অবৈধ ধর্মান্তকরণের ‘কারবার’ শুরু করেছিল। লখনউ থেকে মুম্বই পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এই চক্রের জাল। জামালউদ্দিনের লোকজন মানুষকে ভুল বুঝিয়ে, টোপ দিয়ে, কখনও আবার ভয় দেখিয়ে হিন্দু তরুণীদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করত। এজন্য লেনদেন হত বিপুল পরিমাণ টাকা। জামালউদ্দিনের ফাঁদে পড়ে কিছু মানুষ মুসলিম হওয়ার পর ফের হিন্দু ধর্মে ফিরে আসেন। এর পরেই প্রকাশ্যে আসে এই চক্রের কথা। তদন্তে নামে এটিএস। এই গ্যাংয়ের বাকিদের গ্রেফতার করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

    ধর্মান্তরণের এই চক্রের শেকড়

    তদন্তে জানা গিয়েছে, ধর্মান্তরণের এই চক্রের শেকড় বিস্তৃত আন্তর্জাতিক পর্যায়েও, বিশেষ করে আরব আমিরশাহিতে। জামালউদ্দিনের প্রাসাদোপম বাংলোয় তার সঙ্গে থাকত নিতু রোহরা, নবীন রোহরা ও তার মেয়ে। এই তিনজনকেই জামালউদ্দিন ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করেছিল। বাড়িটিতে থাকত জামালউদ্দিনের ছেলে মেহবুবও। চারজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০১৯ এই পাঁচ বছরে নিতু আরব আমিরশাহিতে গিয়েছিল ১৯ বার। এটিএস জেনেছে (Islamic Conversion Racket), নিতু, তার স্বামী নবীন রোহরা এবং তাদের মেয়ে ২০১৫ সালে দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্ট থেকে ধর্মান্তরণের সার্টিফিকেট নিয়েছিল। যদিও তাদের পাসপোর্টের রেকর্ডে ভ্রমণের তারিখ নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে।

    পাঁচ বছরে ১৯ বার আরবে!

    মাত্র পাঁচ বছরে এতবার নিতু কেন আরব আমিরশাহিতে গিয়েছিল, বিদেশি অর্থায়নের সঙ্গে এর কী সম্পর্ক, তা খতিয়ে দেখছে এটিএস। জামালউদ্দিনের অপারেশন ছিল অত্যন্ত সুসংগঠিত। সে একাধিক ভুয়ো ট্রাস্ট ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। এর মধ্যে ছিল “আস্বি এন্টারপ্রাইজেস”, “আস্বি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট”, “আসিপিয়া হাসনি হুসেইনি কালেকশন” এবং “বাবা তাজউদ্দিন আস্বি বুটিক”। এসব প্রতিষ্ঠান মূলত বিদেশি তহবিলকে সাদা করার (মানি লন্ডারিং) জন্য ব্যবহৃত হত। ধর্মান্তরকরণের উদ্দেশ্যেই এই অর্থ আসত বিদেশ থেকে। এসব ভুয়ো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে (UP) যুক্ত আটটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও খুঁজে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তাঁরা দেখেন, জামালউদ্দিন ৬ লাখ টাকা একটি বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে। এনইএফটির মাধ্যমে স্থানান্তর করেছিল ১০ লাখ টাকাও। এছাড়াও তার সহযোগীদের সঙ্গে আরও অনেক সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে (Islamic Conversion Racket)।

    নেটওয়ার্ক বিস্তৃত বহুদূর

    জামালউদ্দিনের এক গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী ছিল পুনের ইদুল ইসলাম। সে এই নেটওয়ার্ক বিস্তারে সাহায্য করত। জামালউদ্দিন অন্যান্য রাজ্যেও জমি ও সম্পত্তি কিনে অপারেশনাল বেস গড়ে তুলেছিল। এসটিএফ জানিয়েছে, জামালউদ্দিনের পুনেতে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। লোনাভালায় তার এক সহযোগী মহম্মদ আহমেদ খানের নামে ১৬ কোটি টাকার একটি সম্পত্তিও সে কিনেছে।

    মিলত মোটা অঙ্কের ইনাম

    এই ধর্মান্তর চক্রে জড়িত মুসলিম পুরুষদের টাকাও দেওয়া হত। কোনও হিন্দু মহিলাকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তর করলেই জুটত মোটা অঙ্কের ইনাম। যেসব মহিলাদের ধর্মান্তর করা হত, তাঁদের জাত অনুসারে ঠিক হত টাকার অঙ্ক। ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় বা শিখ নারীদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্ততর করতে পারলেই মিলত ১৫-১৬ লাখ টাকা। মহিলা যদি ওবিসি সম্প্রদায়ের হলে মিলত ১০-১২ লাখ টাকা। অন্যান্য জাতের মহিলাদের ধর্মান্তর করতে পারলে মিলত আরও কম টাকা। এর পরিমাণ ৮-১০ লাখ টাকা। তদন্তকারীরা জেনেছেন, জনসংখ্যাগত পরিবর্তন করতেই শুরু হয়েছিল এই ‘ব্যবসা’। প্রসঙ্গত, এই মডেলটি অনেকটা বেওয়ার মুসলিম গ্যাং কেসের মতো। সেখানে হিন্দু স্কুলছাত্রীদের টার্গেট করে শোষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের জন্য একইরকম পন্থা অবলম্বন করা হত (Islamic Conversion Racket)।

    রাজনীতির কারবারি থেকে ধর্মান্তর চক্রের চাঁই!

    জামালউদ্দিন ছিল রেহরা মাফি গ্রামের বাসিন্দা। সস্তার আংটির (UP) ফেরিওয়ালা ছিল সে। ২০১৫ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জিতে গ্রামপ্রধান হয় সে। তার পর থেকেই দ্রুত ঘুরতে থাকে তার ভাগ্যের চাকা। রাজনীতিতে ‘মধু’র স্বাদ পেয়ে ছেলে মেহবুবকেও রাজনীতিতে নিয়ে আসে জামালউদ্দিন। যদিও তার পরের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিপুল টাকা খরচ করেও আর জিততে পারেনি সে। রাজনীতির এই ‘কারবারে’র পাশাপাশি জামালউদ্দিন বিস্তার করতে থাকে ধর্মান্তর চক্রের জাল। এজন্য অর্থও আসতে থাকে বিদেশ থেকে। রাতারাতি বিশাল সম্পত্তির মালিক হয়ে যায় জামালউদ্দিন। সে একাধিক সম্পত্তি কেনে, নির্মাণ করে শোরুম, বানায় বিলাসবহুল বাড়ি, কেনে দামী দামী গাড়িও (Islamic Conversion Racket)।

    মঙ্গলবার কোতোয়ালির উতরৌলায় মধুপুরে জামালউদ্দিনের প্রাসাদোপম বাড়িটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, সরকারি জমিতে নির্মাণ করা হয়েছিল বাড়িটি (UP)। সেটি খালি করার জন্য তাকে তিনবার নোটিশও দেওয়া হয়েছিল (Islamic Conversion Racket)।

  • BJP: ভারত চতুর্থ সর্বাধিক সমতা সম্পন্ন দেশ, জানাল ওয়ার্ল্ড ব্যাংক

    BJP: ভারত চতুর্থ সর্বাধিক সমতা সম্পন্ন দেশ, জানাল ওয়ার্ল্ড ব্যাংক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানাল বিজেপি (BJP)। ওই রিপোর্টে ভারতকে চতুর্থ সর্বাধিক সমতা সম্পন্ন দেশ হিসেবে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিশ্বব্যাংকের ওই রিপোর্ট ভুলভাবে (World Bank Report) উপস্থাপন করা হয়েছে। রাহুল গান্ধীর দলের ওই দাবিকে খারিজ করে দিয়েছে বিজেপি।

    বিশ্ব ব্যাংকের গিনি সূচক (BJP)

    বিশ্ব ব্যাংকের গিনি সূচক (Gini Index) রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে বিজেপির মুখপাত্র সায়েদ জাফর ইসলাম বলেন, “২০১৩–১৪ সালে “ফ্র্যাজাইল ফাইভ” (অস্থিতিশীল পাঁচটি দেশের) অংশ থেকে আজ “ফ্যাবুলাস ফোর”-এর অন্তর্ভুক্তিতে ভারতের রূপান্তর সরকারের নীতিগত সাফল্যকেই প্রতিফলিত করে।” তিনি বলেন, “এটি একদিনে হয়নি। এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদৃষ্টির ফল, যা ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মতো রিপোর্টে প্রতিফলিত হয়েছে। এই রিপোর্টে ভারতকে চতুর্থ সর্বাধিক সমতা বজায় রাখা দেশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। জি৭-এর যে কোনও দেশের চেয়েও ভারত এগিয়ে।”  ইসলাম জানান, গিনি সূচকের পতন ২০১১–১২ সালে ছিল ২৮.৮ এবং ২০২২–২৩ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ২৫.৫।  এটি আয়ের বৈষম্য হ্রাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।

    বিজেপির বক্তব্য

    প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের রিপোর্টে ভারতকে শুধু স্লোভাক প্রজাতন্ত্র, স্লোভেনিয়া এবং বেলারুসের নীচে রাখা হয়েছে। এটিকে মধ্যম মাত্রার কম বৈষম্যমূলক দেশ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। গিনি সূচক হল বৈষম্য মাপার একটি পদ্ধতি, যেখানে নিম্নতর স্কোর মানে আয়ের বণ্টন বেশি ন্যায়সঙ্গত। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, এই সূচকে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (৪১.৮), চিন (৩৫.৭) এবং ব্রিটেনের (৩৪.৪) মতো বড় অর্থনীতিগুলিকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে (BJP)। ইসলাম পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক সমীক্ষার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। সেখানে দেখা গিয়েছে, ৭৪ শতাংশ ভারতীয় তাঁদের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি—উভয় ক্ষেত্রেই আপেক্ষিকভাবে সন্তুষ্ট এবং এই ভিত্তিতে ২৩টি দেশের মধ্যে ভারত দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে।

    উল্লেখ্য, কংগ্রেস কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য বিকৃতি করার অভিযোগ এনেছিল। এই সময়ই বিজেপির মন্তব্যটি (World Bank Report) সামনে আসে। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেন, সরকার বেছে বেছে তথ্য তুলে ধরছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চোখ বন্ধ করে আছে (BJP)।

  • Karnataka: এ গ্রামে মহরম পালন করেন হিন্দুরা, অন্যত্র গণেশ মূর্তি ভেঙে কাঠগড়ায় সৈয়দ

    Karnataka: এ গ্রামে মহরম পালন করেন হিন্দুরা, অন্যত্র গণেশ মূর্তি ভেঙে কাঠগড়ায় সৈয়দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামে একঘরও মুসলমান নেই। তবে মহরম উৎসব আছে। এবং সেই উৎসব পালন করেন হিন্দুরাই। আজব মনে হলেও, ফি বছর মহরমের শোভাযাত্রা বের হয় কর্নাটকের (Karnataka) ইয়াদগির জেলার তালাওয়ারগেরে গ্রামে। হিন্দু গ্রামের এই মহরম পালনের ঘটনা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক (Ganesha Idol) অনন্য নজির। মহরমের এই উৎসব চলে ছ’দিন ধরে। শোভাযাত্রায় অংশ নেন শত শত হিন্দু। শোভাযাত্রায় হয় ভক্তিমূলক গান। হাসান, হুসেন এবং এক মৌলালির প্রতিকৃতি কাঁধে বহন করেন শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা।

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির (Karnataka)

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির গড়তে যখন সেই ১৯২৫ সাল থেকে মহরম পালন করছেন হিন্দুরা, সেই সময় শিবামগ্গা গ্রামে ভগবান গণেশের মূর্তি ভাঙচুর করল এক মুসলমান। জানা গিয়েছে, ১৯২৫ সালে যখন একজন সুফি সন্তের দর্শনের মাধ্যমে প্লেগ ও খরার হাত থেকে রক্ষা পান গ্রামবাসীরা, তার পর থেকে তাঁর স্মৃতির উদ্দেশে প্রতি বছর মহরম পালন করেন গ্রামবাসীরা। ওই সুফি সন্তকে শ্রদ্ধা জানাতে আশুরখানা রং-ও করেন তাঁরা (Karnataka)। বিলানো হয় মিষ্টি। এদিন বহু মানুষ এখানে আসেন ওই সুফি সন্তের আশীর্বাদ নিতে।

    গণেশের মূর্তি ড্রেনে

    ইয়াদগিরে হিন্দুরা যখন মুসলমানদের উৎসব পালন করছেন ঘটা করে, তখন শিবামগ্গার আকাশে ঘনাচ্ছে অসাম্প্রদায়িকতার মেঘ। রাখিগুড্ডার বাঙ্গারাপ্পা লে আউটে দেখা গিয়েছে ৩ জুলাই সৈয়দ নামে এক ব্যক্তি গণেশের মূর্তি পা দিয়ে মাড়িয়ে দেন। তিনি নাগারার একটি মূর্তি ড্রেনে ছুঁড়ে ফেলেন বলেও অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দারা এই মূর্তি দুটি একটি পার্কে বসিয়েছিলেন।

    সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি মূর্তিগুলির অবমাননা করেছে বলে কবুল করেছে। সে বলেছে, “আমাদের বাড়ির বাইরে মন্দির থাকবে কেন?” পরে সে নাকি ক্ষমাও চেয়েছিল। এই ঘটনায় পুলিশ সৈয়দ ও তার সঙ্গী রেহমতুল্লাহকে আটক করেছে। স্থানীয় বিধায়ক এসএন চন্নবাসাপ্পা এবং প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী কেএস ঈশ্বরাপ্পা ঘটনাস্থল (Ganesha Idol) পরিদর্শন করেন এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি জানান। পুলিশ (Karnataka) জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে।

  • Celebi Ban: সেলেবির সুরক্ষা ছাড়পত্র প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বহাল দিল্লি হাইকোর্টে

    Celebi Ban: সেলেবির সুরক্ষা ছাড়পত্র প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বহাল দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:তুর্কি বিমান পরিষেবা সংস্থা সেলেবির (Celebi Ban) সুরক্ষা ছাড়পত্র প্রত্যাহার নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই বহাল রাখল দিল্লি হাইকোর্ট। সোমবার আদালত তুর্কি বিমান পরিষেবা সংস্থা সেলেবি এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের সুরক্ষা ছাড় বাতিল করার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে। এদিন বিচারপতি (Delhi High Court) শচীন দত্ত তাঁর নির্দেশে বলেন, “সরকারের এই সিদ্ধান্তে জাতীয় নিরাপত্তা জড়িত। তাই সেলেবি কর্তৃক দায়ের করা আবেদনগুলি খারিজ করে দেওয়া হল।” তিনি বলেন, “গুপ্তচরবৃত্তি বা লজিস্টিক ক্ষমতার দ্বৈত ব্যবহারের সম্ভাবনা নির্মূল করা প্রয়োজন। কারণ বহিরাগত সংঘাতের সময় এই ধরনের সংযোগ দেশের নিরাপত্তাকে বিপদের মুখে ফেলতে পারে।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ (Celebi Ban)

    পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং পরিষেবার মাধ্যমে এয়ারসাইড অপারেশন, বিমানের অভ্যন্তর, কার্গো, যাত্রী তথ্য ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা জোনে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়। এই ধরনের অবাধ প্রবেশাধিকার নিরাপত্তা পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে, বিশেষ করে যখন পরিষেবা সংস্থার বিদেশি সংযোগ থাকে। সেলেবি তাদের আবেদনে বলে, কোনও পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং সরকার কোনও ব্যাখ্যাও দেয়নি। তারা আরও দাবি করে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ৩,৭৯১ জনের চাকরির ওপর প্রভাব পড়বে। তাদের বক্তব্য ছিল, “কোনও সত্তা কীভাবে একটি হুমকি — তা ব্যাখ্যা না করে শুধুমাত্র জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত কথার ফুলঝুরি আইনের দৃষ্টিতে ধোপে টেকে না।”

    কেন্দ্রের বক্তব্য

    সরকারের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের কারণ প্রকাশ করলে সেই সিদ্ধান্তের (Celebi Ban) মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হত। তিনি বলেন, নভেম্বর ২০২২-এ যখন সেলেবির সুরক্ষা ছাড়পত্র রিনিউ করা হয়েছিল, তখন সংস্থা মেনে নিয়েছিল যে, কোনও কারণ না জানিয়েও সেই ছাড় বাতিল করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত, ১৫ মে ভারতের বিমান চলাচল নিরাপত্তা সংস্থা ব্যুরো অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে সেলেবির নিরাপত্তা অনুমোদন বাতিল করে। এই সিদ্ধান্তটি (Delhi High Court) এমন একটা সময়ে এল, যখন তুরস্ক পাকিস্তানকে ড্রোন সরবরাহ করে এবং ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ বিমান হামলার নিন্দা করে (Celebi Ban)।

LinkedIn
Share