Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Hul Diwas: ৩০ জুন ‘হুল’ দিবস, ১৮৫৫ সালের এই দিনেই শুরু হয় সাঁওতাল বিদ্রোহ, জানুন সেই ইতিহাস

    Hul Diwas: ৩০ জুন ‘হুল’ দিবস, ১৮৫৫ সালের এই দিনেই শুরু হয় সাঁওতাল বিদ্রোহ, জানুন সেই ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন ব্রিটিশ শক্তির ভিত কেঁপে উঠেছিল সাঁওতাল বিদ্রোহে। এই আন্দোলনের (Santhal Rebellion) ধ্বনি ছিল ‘হুল’ (Hul Diwas), যার আক্ষরিক অর্থ বিদ্রোহ। ফি বছর ৩০ জুন পালিত হয় ‘হুল দিবস’। একই পরিবারের ছয় ভাইবোনের (সিধু, কানু, বিরসা, চাঁদ, ভৈরব, আর দুই বোন ফুলমণি এবং ঝানু মুর্মু ) নেতৃত্বে এই জনজাতি আন্দোলন শুধুমাত্র ভারত নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। ‘সাঁওতাল বিদ্রোহ’ এক দৃষ্টান্তও বটে। শাসকের শোষণ, অত্যাচার, বঞ্চনার বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে অধিকার চাওয়ার এই সংগ্রাম আজও প্রেরণার স্রোত। সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল ১৮৫৭ সালে। তার আগে ১৮৫৫ তে এই বিদ্রোহ ব্রিটিশ ভারতের প্রথম সশস্ত্র সংগ্রাম বলে মনে করেন অনেক ঐতিহাসিক।

    কেন অস্ত্র হাতে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন সহজ, সরল সাঁওতালরা?

    সহজ, সরল জনজাতিদের জল-জঙ্গলের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে থাকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (Hul Diwas)। ভূমির ওপর কর চাপায় তারা। যা আদায় করত কোম্পানির লেঠেল বাহিনী। এছাড়া সাঁওতাল রমণীদেরও খারাপ নজরে দেখা হত। যা কখনও মেনে নিতে পারেনি সাঁওতালরা। বঞ্চিত ক্ষোভ পূঞ্জীভূত হতে হতে তা বিদ্রোহের আকার নেয়। বর্তমান ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার ভাগনাদিহির মাঠে শুরু হয় জমায়েত। গবেষকদের মতে, আশপাশের চারশোর বেশি গ্রামের সাঁওতাল সেদিন জড়ো হয়েছিলেন অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে। সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকে। ঐতিহাসিকদের মতে, সেদিন জমায়েত হয়েছিল প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি জনজাতি সমাজের মানুষজন। শুধুমাত্র ইংরেজ নয়, পাশাপাশি স্থানীয় জমিদার ও মহাজনরাও সাঁওতালিদের ওপর জোর-জুলুম ও অত্যাচার চালাত। সেখানেই প্রাপ্য দাবি ছিনিয়ে নিতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন জনজাতির বীর সন্তানরা। এরপরেই শুরু হয় যুদ্ধ। বিদ্রোহের (Hul Diwas) থেকে যুদ্ধ বলাই ভালো। কারণ ব্রিটিশ সেনাকে সেদিন নামতে হয়েছিল বীর জনজাতিদের বিরুদ্ধে লড়তে। ‘হুল’ ‘হুল’ ধ্বনিতে সেদিন আকাশ-বাতাস কেঁপে উঠেছিল বর্তমান ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, বাংলার পুরুলিয়া প্রভৃতি এলাকার।

    ভাগনাদিহি থেকে কলকাতার অভিমুখে সশস্ত্র পদযাত্রা

    সিধু-কানুর (Hul Diwas) নেতৃত্বে ভাগনাদিহি থেকে কলকাতার অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করে প্রায় ৩০ হাজার সাঁওতাল। পরবর্তীকালে দেশ অনেক গণপদযাত্রার সাক্ষী থেকেছে। কিন্তু আজ থেকে ১৬৮ বছর আগে অধিকারের দাবিতে এমন পদযাত্রা যে কোনও স্বাধীনতাকামী মানুষের মনকে নাড়া দেয়। ঐতিহাসিকদের মতে, পদযাত্রার সময় অত্যাচারী দারোগা মহেশাল দত্ত ছয়-সাতজন সাঁওতাল নেতাকে বিনা অপরাধে গ্রেফতার করে। এরপর ব্রিটিশ পুলিশ সিধু ও কানুকে গ্রেফতার করতে উদ্যত হলে বিক্ষুব্ধ সাঁওতাল বিপ্লবীরা ৭ জুলাই পাঁচকাঠিয়া নামক স্থানে মহাজন কেনারাম ভগত, মহেশাল দত্ত সহ ইংরেজ পক্ষের ১৯ জনকে হত্যা করেন এবং সেখানেই সাঁওতাল বিদ্রোহের আগুন প্রজ্বলিত হয়। গবেষকরা বলছেন, এরপর টানা আট মাস ধরে চলে সাঁওতাল বিদ্রোহ। দাপট, শৌর্য, বীরত্বে তখন ওই অঞ্চলগুলিতে শেষ হয় ব্রিটিশ আধিপত্য। ২১ জুলাই কাতনা গ্রামে ইংরেজ বাহিনী বিপ্লবীদের কাছে পরাজয় স্বীকার করে। রণে ভঙ্গ দেয় ব্রিটিশরা।

    বীরভূম জেলার তৎকালীন জনপদ নাগপুর বাজার ধ্বংস করে বিদ্রোহীরা

    জুলাই মাসেই বীরভূম জেলার (Santhal Rebellion) তৎকালীন জনপদ নাগপুর বাজার ধ্বংস করে বিদ্রোহীরা। অভিযোগ, সেখানে সাঁওতাল জনগণকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য দেওয়ার পরিবর্তে অত্যাচার করা হত। ১৮৫৫ সালের অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে সিধু-কানুর বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার ‘অস্বা সামরিক আইন’ (অস্ত্রশস্ত্র বহনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা) জারি করে। কিন্তু আন্দোলনের সামনে এখানেও পিছু হঠতে হয় ব্রিটিশদের। ১৮৫৬ সালের ৩ জানুয়ারি সামরিক আইন প্রত্যাহার করে তারা। বিদ্রোহের অন্যতম বীরাঙ্গনা ফুলমণি মুর্মুকে ব্রিটিশ সেপাইরা নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করে তাঁর লাশ রেললাইনে ফেলে রেখে যায়, এমনটাই মত কোনও কোনও গবেষকদের। আজও এই বীরাঙ্গনা জনজাতি সমাজে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

    ফাঁসির মঞ্চে কানুর ঘোষণা

    ইংরেজ আমলে স্থানীয় মহাজন ও দাদন ব্যবসায়ীদের শোষণ ও নিপীড়ন এবং ব্রিটিশদের অত্যাচারের শিকার হয়ে তা থেকে মুক্তির লক্ষ্যেই এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। কিন্তু বিশ্বাস ভঙ্গ করেন কয়েকজন। ব্যক্তিস্বার্থে ভেসে গিয়ে ইংরেজদের ফাঁদে পা দেন কয়েকজন সাঁওতাল। ব্যর্থ হয় বিপ্লব। ব্রিটিশের হাতে গ্রেফতার হন সিধু। পরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। অন্যদিকে ১৮৫৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ভগনডিহির সন্নিকটে পাঁচকাঠিয়া বটবৃক্ষে ফাঁসির মঞ্চে তোলা হয় কানুকে। ফাঁসির মঞ্চ থেকে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, “আমি আবার আসব, আবার সারা দেশে বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়ে তুলব।” ব্যর্থ হলেও পরোক্ষে সাঁওতাল বিদ্রোহই সিপাহী বিদ্রোহের ভিত গড়ে দেয়। অত্যাচারিত মানুষ বুঝতে পারে লড়াই করে বড় শক্তিকেও নাড়িয়ে দেওয়া যায়। অধিকার চাইলে পাওয়া যায় না, ছিনিয়ে নিতে হয়।

  • S-400 in South India: চিন-পাক সীমান্তের পর এবার সাগর-সুরক্ষাতেও এস-৪০০ মোতায়েনের পথে ভারত?

    S-400 in South India: চিন-পাক সীমান্তের পর এবার সাগর-সুরক্ষাতেও এস-৪০০ মোতায়েনের পথে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ কামাল দেখিয়েছে এস-৪০০ (S-400 in South India)। এই ‘সুদর্শন চক্রে’-ই ধ্বংস হয়েছে একের পর এক পাক ড্রোন। ভারতের মাটিতে পাক ড্রোনকে আঁচও কাটতে দেয়নি এই এস-৪০০। ভারতের ‘রক্ষাকবচ’ তথা ‘সুদর্শন চক্র’ হয়ে কাজ করেছে এটি। তাই উত্তরে ভারত-পাক সীমান্তের পর এবার দক্ষিণ ভারতের সুরক্ষাতেও এস-৪০০ বসাতে পারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। মোট পাঁচটি এস-৪০০ পুতিনের দেশের থেকে কিনেছে ভারত। এখনও পর্যন্ত তিনটি ডেলিভারি হয়েছে। বাকি আরও দু’টি। ওই দুটিও খুব শীঘ্রই দিল্লির হাতে তুলে দেবে মস্কো। এছাড়া, আরও ২ এস-৪০০ রেজিমেন্ট অতিরিক্ত কিনতে পারে ভারত, এমন খবরও ঘোরাফেরা করছে। শোনা যাচ্ছে, দক্ষিণ ভারতের কেরলে একটি নতুন রেডার কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানেই একটি এস-৪০০ মোতায়েন করা হবে।

    এস-৪০০ এর গুরুত্ব

    রাশিয়ায় তৈরি এই ‘সুরক্ষাকবচ’ আধুনিক যুদ্ধে বিশ্বের প্রথম সারির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। অন্তত ৬০০ কিলোমিটার দূর থেকে উড়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র চিহ্নিত করতে পারে ‘সুদর্শন চক্র’। ৩৮০ কিলোমিটার দূর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করতে পারে। আপাতত ভারতের চারটি জায়গায় এই সিস্টেম মোতায়েন রয়েছে। এস-৪০০ রাশিয়ার তৈরি দূরপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। যা অত্যাধুনিক রেডার ব্যবহার করে আকাশে হুমকি শনাক্ত এবং ট্র্যাক করে, তারপর তা ধ্বংস করার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এটি একটি বহু-স্তরযুক্ত ব্যবস্থা যার বিভিন্ন ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা বিমান এবং ড্রোন থেকে শুরু করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত বিস্তৃত লক্ষ্যবস্তুকে কভার করে।

    কেন দক্ষিণ ভারতে প্রয়োজন এস-৪০০

    এদিকে, ভারতীয় বায়ুসেনা কেরলের কোঝিকোড় জেলার চালিয়ামে একটি উন্নত রেডার কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে। ৪০ একর জমির এই কেন্দ্রটি বেয়পুর বন্দরের নিকটে এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক প্রকল্পের অংশ। এখানে এমন রেডার স্থাপন করা হবে যা যুদ্ধবিমান, ড্রোন, ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে সক্ষম হবে। এটি আইএএফ-এর সার্বভারতীয় নজরদারি ব্যবস্থার (IACCS) সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম্বানটোটা বন্দরসহ ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চিনের প্রভাব বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ ভারতের প্রতিরক্ষা জোরদার করার এই পরিকল্পনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    ভারত মহাসাগরে চিনের তৎপরতা বৃদ্ধি

    ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে যখন বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, ঠিক সেই সময় ভারত মহাসাগরে নতুন করে কারসাজি শুরু করেছে চিন। সাম্প্রতিক সময়ে চিনের সন্দেহজনক সামরিক গতিবিধি ভারতীয় গোয়েন্দা এবং প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ ভারতের কেরলে প্রথমবার বসানো হচ্ছে এক অত্যাধুনিক এবং উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন রেডার। যার মাধ্যমে নজর রাখা যাবে চিনা উপস্থিতির উপর। কেরলের কোঝিকোড় জেলার বেপোর সংলগ্ন চালিয়ামে ভারতীয় বায়ুসেনা এই শক্তিশালী রেডারটি স্থাপন করেছে। এর ফলে গ্বদর (পাকিস্তান) এবং হাম্বানোটাটা (শ্রীলঙ্কা) বন্দরের উপরে সরাসরি নজরদারি চালাতে পারবে ভারত। জানা গিয়েছে, চিন ইতিমধ্যেই এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরকে ৯৯ বছরের জন্য লিজে নিয়ে সেখানে নৌবাহিনীর জাহাজ এবং গুপ্তচর জাহাজ পাঠিয়ে রেখেছে, যা ‘অর্থনৈতিক উন্নয়ন’-এর আড়ালে একটি সুপরিকল্পিত সামরিক তৎপরতা বলে মনে করছে ভারত।

    এস-৪০০-এ ভরসা ভারতের

    অপারেশন সিঁদুরের সময় এস-৪০০ মোতায়েনের ফলে ভারতের কোনও ক্ষতি না করেই কার্যকরভাবে পাক হুমকির সফল মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে সেনা। তাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আশা, ভবিষ্যতের আকাশ হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে এস-৪০০ (S-400 in South India)। ভারতের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এবং এর সামরিক সম্পদ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র। এস-৪০০-তে জ্যামিং প্রযুক্তিকে ঠেকানোর ব্যবস্থাও রয়েছে। লক্ষ্যে আঘাত হানতে ছোট রেডার প্রযুক্তি রয়েছে। একটি কমান্ড এবং একটি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র রয়েছে। ভারত, রাশিয়া, চিন, তুরস্ক, বেলারুসের মতো দেশ এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ব্যবহার করে। চিন এবং পাকিস্তানকে ঠেকাতে রাশিয়ার থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি কেনে ভারত। ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর সেই মতো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সবমিলিয়ে খরচ পড়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা।

    চিনকে মাত দিতে ভারতের চাল

    চিনের যুদ্ধবিমান এবং যুদ্ধজাহাজ ভারত মহাসাগরে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছে। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ ভারতের রেডার নেটওয়ার্ককে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। এই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠছে—সত্যিই কি এস-৪০০ রেজিমেন্টগুলোর একটি কেরলে মোতায়েন করা হবে? যদি তাই হয়, তবে এটি চালিয়ামের প্রস্তাবিত রেডার কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভারতের আকাশ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে আরও সুদৃঢ় করতে পারে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা।

  • Indian Railways: রেলের নিয়মে বড় বদল ১ জুলাই থেকে, ৮ ঘণ্টা আগে টাঙানো হবে সংরক্ষিত আসন তালিকা

    Indian Railways: রেলের নিয়মে বড় বদল ১ জুলাই থেকে, ৮ ঘণ্টা আগে টাঙানো হবে সংরক্ষিত আসন তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ জুলাই থেকে বড় পরিবর্তন আসছে ভারতীয় রেলের (Indian Railways) সংরক্ষিত আসনের তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে। এতদিন পর্যন্ত ট্রেন ছাড়ার চার ঘণ্টা আগে ওই তালিকা টাঙানো হত, কিন্তু আগামী ১ জুলাই থেকে তা ট্রেন ছাড়ার ৮ ঘণ্টা আগে টাঙানো হবে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। রেলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, যেসব ট্রেন দুপুর ২টার আগে ছাড়বে, সেক্ষেত্রে তালিকাগুলি আগের দিন রাত ৯টায় টাঙানো হবে। জানা গিয়েছে, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই বিষয়ে রেল আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সংগঠিতভাবে সম্পন্ন হয়।

    ১ জুলাই থেকে তৎকাল টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক

    এছাড়াও, আরেকটি বড় পরিবর্তন এসেছে। রেলের (Indian Railways) তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, আগামী দিনে অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে তৎকাল টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নিয়ম সমস্ত ধরনের দূরপাল্লার টিকিটের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। এর পাশাপাশি আরও বেশ কিছু পরিবর্তন আসছে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। তার মধ্যে অন্যতম হল একটি রেলওয়ে (Railways) অ্যাপ, যার মাধ্যমে যাত্রীরা একটি মাত্র অ্যাপ থেকেই রেলের সব ধরনের পরিষেবা ও সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।

    অন্যান্য সুবিধা (Indian Railways)

    তাছাড়া, ওয়েটিং লিস্ট সংক্রান্ত প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই সমস্ত পরিবর্তন আনা হচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত রেলের অনেক পরিষেবা নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে, রেল (Railways) আধিকারিকরা জানিয়েছেন সেগুলিও খুব দ্রুত নিরসন করা হবে। এছাড়াও, আইআরসিটিসি (IRCTC) যাত্রীদের জন্য নতুন কিছু সুবিধা চালু (Indian Railways) করেছে, যার মধ্যে অন্যতম হল ‘টিকিট ডিপোজিট রিসিট’। যে কোনও পরিস্থিতিতে যেমন ট্রেন তিন ঘণ্টা বা তার বেশি দেরিতে চলছে, এসি কাজ করছে না, রুট পরিবর্তন হয়েছে, অথবা ট্রেন দেরিতে পৌঁছেছে- এই সবক্ষেত্রেই টিডিআর ফাইল করা যাবে। এই আবেদন আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট বা যে কোনও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও করা যাবে এবং যাত্রীরা টাকা ফেরতের দাবি জানাতে পারবেন।

  • Parag Jain: অপারেশন সিঁদুরে বড় ভূমিকা! পাকিস্তানের খুঁটিনাটি নখদর্পণে, আইপিএস পরাগ জৈন এবার ‘র’-এর প্রধান

    Parag Jain: অপারেশন সিঁদুরে বড় ভূমিকা! পাকিস্তানের খুঁটিনাটি নখদর্পণে, আইপিএস পরাগ জৈন এবার ‘র’-এর প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুর ছিল তাঁরই মস্তিষ্ক প্রসূত। পাকিস্তানের খুঁটিনাটি তাঁর নখদর্পণে। ভারতের ‘রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং’ বা র (R&AW) -এর পরবর্তী প্রধান হলেন ১৯৮৯-র ব্যাচের আইপিএস অফিসার পরাগ জৈন (Parag Jain)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটি তাঁকে ‘র’ প্রধান হিসেবে মনোনীত করেছে। এতদিন পর্যন্ত ভারতীয় এই গুপ্তচর সংস্থার প্রধান ছিলেন রবি সিং। মঙ্গলবার, ১ জুলাই থেকে টানা দুবছর এই নতুন দায়িত্ব সামলাবেন পরাগ।

    অপারেশন সিঁদুরে বড় ভূমিকা

    অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন তিনি ছিলেন ‘অ্যাভিয়েশন রিসার্চ সেন্টার’-এর প্রধান পদে। গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে নৃশংস জঙ্গি হামলার পর মোদি সরকার পাক জঙ্গি ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাতের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু একদেশ থেকে আরেক দেশে বেছে বেছে জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে প্রাণঘাতী আক্রমণ শানানোর মতো কাজটা মোটেই সহজ ছিল না। সেই কঠিন কাজটি সহজ করে দিয়েছিলেন এই দুঁদে আইপিএস অফিসার। তাঁর দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে ভারতীয় বায়ুসেনা বিভাগ পাক পাঞ্জাব ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে লক্ষ্যভেদী হামলা চালায়। পাকিস্তানের মাটি থেকে শুরু করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে তার দেখানো পথেই পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ করে ভারতীয় সেনা।

    পাকিস্তান সম্পর্কে গভীর জ্ঞান

    জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত অভিজ্ঞতা রয়েছে পরাগ জৈনের (Parag Jain)। ‘র’-এর অন্দরে ‘পাকিস্তান বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে পরিচিতি পরাগ। পূর্বে তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের সন্ত্রাস দমন অভিযানেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিতে ভারতীয় বায়ুসেনার অপারেশন বালাকোটের সময় কাশ্মীর উপত্যকাতেই ছিলেন পরাগ। দেশের গোয়েন্দা মহলে পরাগকে ‘সুপার স্লিউথ’ বলে ডাকা হয়। পাকিস্তান সম্পর্কে তাঁর তথ্যভাণ্ডার অনেক গুপ্তচরেরই ঈর্ষার কারণ। হিউম্যান ইন্টেলিজেন্স-এর সঙ্গে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর সমন্বয়ের জন্য তাঁর খ্যাতি রয়েছে গোয়েন্দা মহলে। এর আগে তিনি পাঞ্জাব পুলিশের ডিজিপি-র দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    দক্ষ অফিসার হিসেবে প্রসিদ্ধ

    পাঞ্জাব ক্যাডারের আইপিএস পরাগ জৈন। ক্যারিয়রের শুরু দিকে পাঞ্জাবের ভাটিন্ডা, হোশিয়ারপুর, মানসা এলাকায় পোস্টিং ছিল এই আইপিএস অফিসারের। খালিস্তানপন্থী সন্ত্রাসের মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। পরবর্তীকালে লুধিয়ানার ডিআইজি থাকাকালীন পাঞ্জাবে মাদক পাচার চক্র দমনেও দক্ষতার পরিচয় দেন এই আইপিএস অফিসার। তবে এবার সেখান থেকে উঠে এসে তার ওপর আরও বড় দায়িত্ব দিল কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ধরণের আপোষ করা হবে না। সেটা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার সেই পথেই করা হল পদক্ষেপ।

  • PM Modi: ‘মন কি বাত’-এর ১২৩তম পর্বে চিকিৎসক-চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ‘মন কি বাত’-এর ১২৩তম পর্বে চিকিৎসক-চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ‘মন কি বাত’-এর ১২৩তম পর্বে চিকিৎসক ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের অমূল্য অবদানের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই দুই পেশাকে তিনি সমাজের দুটি ‘স্তম্ভ’ বলেও অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই দুই স্তম্ভ একদিকে (Mann Ki Baat) যেমন স্বাস্থ্যরক্ষায় নিয়োজিত, অন্যদিকে তেমনি অর্থনৈতিক জীবনের পথপ্রদর্শক।” তিনি বলেন, “১ জুলাই আমরা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পেশাকে সম্মান জানাই-চিকিৎসক এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। এই দুই পেশাই সমাজের এমন স্তম্ভ, যারা আমাদের জীবনকে আরও উন্নত করে তোলে। চিকিৎসকেরা আমাদের স্বাস্থ্যরক্ষক, আর সিএ-রা আমাদের অর্থনৈতিক জীবনের দিশারী। আমি সমস্ত চিকিৎসক এবং সিএ-দের জানাই আমার শুভকামনা।”

    পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব (PM Modi)

    এদিনের মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে উঠে এসেছে পরিবেশ রক্ষার গুরুত্বের দিকটিও। তিনি বলেন, “এই মাসে আমরা সবাই মিলে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ উদযাপন করেছি। আমি আপনাদের হাজার হাজার বার্তা পেয়েছি। অনেকেই আমাকে তাঁদের সেই বন্ধুদের কথা জানিয়েছেন, যাঁরা একাই পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ শুরু করেছিলেন এবং পরে গোটা সমাজই তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আমাদের পৃথিবীর জন্য এক বিশাল শক্তিতে পরিণত হচ্ছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    দেশের নানা প্রান্তের মানুষের উদাহরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “পুনের রমেশ খারমালে, তাঁর কাজের কথা জানলে আপনি আকও বেশি করে অনুপ্রাণিত হবেন। যখন সবাই সপ্তাহ শেষে বিশ্রাম নেন, তখন রমেশজি এবং তাঁর পরিবার কোদাল নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। জানেন কোথায় যান? জুন্নারের পাহাড়ের দিকে। রোদ হোক বা খাড়া চড়াই, তাঁদের যাত্রা থেমে থাকে না। তাঁরা ঝোপঝাড় পরিষ্কার করেন, জল ধরে রাখার জন্য খাল খোঁড়েন এবং বীজ বপন করেন। মাত্র দু’মাসে তাঁরা ৭০টি খাল খুঁড়েছেন (Mann Ki Baat)।”

    গুজরাটের আহমেদাবাদ শহরের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ওখানে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন ‘মিশন ফর মিলিয়ন ট্রিজ’ অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের লক্ষ্য লক্ষ লক্ষ গাছ রোপণ করা। এই অভিযানের একটি বিশেষ দিক হল ‘সিঁদুর বন’।” িতিন বেলন, “এই বনটি অপারেশন সিঁদুরের বীর সৈনিকদের উৎসর্গ করা হয়েছে। যাঁরা দেশের জন্য সবকিছু বিসর্জন দিয়েছেন, তাঁদের স্মরণে এখানে সিঁদুর গাছের চারা লাগানো হচ্ছে। এখানেই আর একটি অভিযানকে নতুন গতি দেওয়া হয়েছে — ‘এক পেড মা কে নাম’। এই অভিযানের অধীনে দেশে কোটি কোটি গাছ লাগানো হয়েছে। আপনিও আপনার গ্রাম বা শহরে চলতে থাকা এমন অভিযানে অংশ নিন (Mann Ki Baat)।”

  • VHP: হিন্দু মন্দির হোক সরকারি নিয়ন্ত্রণ মুক্ত, ফের একবার দাবি জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    VHP: হিন্দু মন্দির হোক সরকারি নিয়ন্ত্রণ মুক্ত, ফের একবার দাবি জানাল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে হিন্দুত্বের এক প্রবল জাগরণ শুরু হয়েছে, আর সেই ঢেউ-ই ভারতকে পুনর্জাগরণের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ঠিক এমনটাই বললেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ড. সুরেন্দ্র জৈন। শনিবার উত্তরপ্রদেশের কানপুরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে এই মন্তব্য করেন তিনি। ড. জৈন বলেন, “দেশ আজ প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রসর হচ্ছে। সারা বিশ্ব ভারতের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। আমরা এমন এক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছি, যেখানে বেআইনিভাবে ধর্মান্তকরণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ হবে। সেইসঙ্গে হিন্দু মন্দিরগুলিকে সরকারে নিয়ন্ত্রণমুক্ত করা হবে।”

    মিশনারি ও জেহাদীদের অ্যাজেন্ডা আর চলবে না

    তিনি বলেন, “খ্রিস্টান মিশনারি ও ইসলামিক জিহাদীদের এটা বুঝে নেওয়া উচিত যে তাদের অ্যাজেন্ডা আর চলবে না। আজ গোটা দেশে এক আধ্যাত্মিক ভাবনার সঞ্চার হয়েছে। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে এক নতুন চেতনার সৃষ্টি হয়েছে। এই মন্দির কেবল ধর্মীয় কেন্দ্রীকরণ নয়, জেহাদি সন্ত্রাস ও নকশালবাদের বিরুদ্ধেও এক শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে। দেশের (Bharat) শত্রুরা এখন আতঙ্কিত এবং প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিক আজকের ভারতকে দেখে গর্ব অনুভব করছেন।”

    সরকারি নিয়ন্ত্রণমুক্ত মন্দিরের দাবি

    মন্দিরগুলিকে (VHP) সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করার প্রসঙ্গে ড. জৈন বলেন, “হিন্দু সমাজের কাছে এটি একপ্রকার প্রতারণা, যেখানে সরকার মন্দিরগুলিকে পরিচালনা করছে। এটা সম্পূর্ণ অনুচিত। হিন্দু মন্দিরগুলিকে হিন্দু সমাজেরই হাতে তুলে দেওয়া উচিত।” এনিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “সেখানে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ নাকি হালাল বিক্রেতাদের মাধ্যমে প্রস্তুত হচ্ছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে যে তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ সরকার কখনও হিন্দুদের বিশ্বাস (VHP) ও সংস্কৃতিকে যথাযথ মর্যাদা দেয় না।”

    সারা দেশে প্রচার অভিযান চলছে

    ড. জৈন জানান (VHP), সরকার-নিয়ন্ত্রিত মন্দিরগুলিকে মুক্ত করার দাবিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সারা দেশে প্রচার অভিযান চালাচ্ছে। এই আন্দোলন ইতিমধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে শুরু হয়েছে। বিজয়ওয়াড়ায় গত ৫ জানুয়ারি থেকে এই ইস্যুতে প্রচার শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, “আমাদের দাবি হল, ধর্মস্থানকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করে হিন্দু সমাজের হাতে অর্পণ করা হোক। প্রতিটি রাজ্য সরকারকে এগিয়ে এসে এই দাবিকে সমর্থন করা উচিত।”

  • Karnataka: সাইবার প্রতারণায় গত বছরে কর্নাটকের নাগরিকরা হারিয়েছেন প্রায় ২,৯১৫ কোটি টাকা, বলছে রিপোর্ট

    Karnataka: সাইবার প্রতারণায় গত বছরে কর্নাটকের নাগরিকরা হারিয়েছেন প্রায় ২,৯১৫ কোটি টাকা, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার অপরাধীদের জালিয়াতির ফাঁদে পড়ে কর্নাটকের (Karnataka) নাগরিকরা ২০২৪ সালে হারিয়েছেন প্রায় ২,৯১৫ কোটি টাকা। সে রাজ্যের সিআইডি -এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এর মধ্যে সর্বাধিক সাইবার প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে বেঙ্গালুরু শহরে। যেখানে কর্নাটক জুড়ে সংঘটিত মোট সাইবার অপরাধের ৪২.৯ শতাংশই বেঙ্গালুরুতে ঘটেছে (Cyber Fraudsters)।

    কীভাবে চলে জালিয়াতি (Karnataka)

    রিপোর্টটি ইতিমধ্যেই কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রতারণার বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে সাইবার অপরাধীরা সাধারণ মানুষকে মোটা অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে। এই কারণেই বেঙ্গালুরু শহরের ১৯টি থানায় অসংখ্য এফআইআর দায়ের হয়েছে। সিআইডি-র বিশ্লেষণে উঠে এসেছে (Cyber Fraudsters), সাইবার প্রতারকরা প্রথমে নানা ধরনের প্রলোভনের মাধ্যমে নাগরিকদের ফাঁদে ফেলে। তারা ‘দ্রুত লাভ’, ‘দ্বিগুণ রিটার্ন’ অথবা ‘নিরাপদ বিনিয়োগ’-এর প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়। দেখা গিয়েছে, মোট সাইবার প্রতারণার ৭০.৫ শতাংশ ঘটনা এই ধরনের বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। এছাড়াও, কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বেকার যুবকদের কাছ থেকেও টাকা আদায় করেছে প্রতারকরা। চাকরি দেওয়ার নাম করে নানা ফাঁদ পেতে তারা মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট করেও টাকা হাতানোর ঘটনা ঘটেছে

    সম্প্রতি আলোচনায় উঠে এসেছে ডিজিটাল অ্যারেস্ট নামক নতুন প্রতারণার কৌশল। কেন্দ্রীয় সরকার বারবার জানিয়েছে, এটি সাইবার অপরাধীদের একটি আধুনিক ফাঁদ। কর্নাটকেও (Karnataka) এই ধরনের প্রতারণার একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে অপরাধীরা পুলিশ বা ইনকাম ট্যাক্স অফিসার সেজে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে ৫৮ কোটি টাকারও বেশি প্রতারণা করেছে। রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে, সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন উপায়ে এই ধরনের প্রতারণা চালায়—যেমন ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি, সামাজিক মাধ্যমে ফেক প্রোফাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ, অথবা ভুয়া কল করে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেঙ্গালুরু শহর মূলত সাইবার প্রতারকদের টার্গেট হয়ে উঠেছে, কারণ এখানে প্রচুর পরিমাণে অনলাইন লেনদেন হয় এবং শহরজুড়ে অসংখ্য প্রযুক্তি সংস্থা, শিক্ষার্থী ও কর্মরত পেশাজীবীর উপস্থিতি রয়েছে—যাঁরা অনেক সময়ই এই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়ে থাকেন।

  • Shubhanshu Shukla: ‘‘সঙ্গে নিয়ে যাওয়া গাজরের হালুয়া সঙ্গীদের খাইয়েছেন?’’ শুভাংশুকে প্রশ্ন মোদির

    Shubhanshu Shukla: ‘‘সঙ্গে নিয়ে যাওয়া গাজরের হালুয়া সঙ্গীদের খাইয়েছেন?’’ শুভাংশুকে প্রশ্ন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে নভোচর শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla) বললেন, “মানচিত্রে ভারতকে যেমন দেখি, মহাকাশ থেকে তা আরও অনেক বড় ও অসাধারণ মনে হয়।” শনিবার সন্ধ্যায় এক আবেগঘন ভিডিও আলাপচারিতায় শুভাংশু এই মন্তব্য করেন। গত ২৬ জুন বিকেল ৪টা নাগাদ শুভাংশু শুক্লা প্রথম ভারতীয় হিসেবে আইএসএস-এ পৌঁছে ইতিহাস গড়েছেন। ভবিষ্যতে ইসরোর গগনযান প্রকল্পে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে তাঁর।

    আপনি সঙ্গে যে গাজরের হালুয়া নিয়ে গিয়েছেন, তা আপনার সঙ্গীদের খাইয়েছেন?

    এদিন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) কখনও ‘শুভাংশু’, কখনও ‘শুভ’ আবার কখনও স্নেহভরে ‘শুক্স’ বলে সম্বোধন করেন তাঁকে। দু’জনের মধ্যে প্রায় ১৮ মিনিটের কথোপকথন চলে, যার ভিডিও পরে প্রধানমন্ত্রী নিজেই সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন। মোদি শুভাংশুর (Shubhanshu Shukla) কাছে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন এবং জিজ্ঞেস করেন, আপনি সঙ্গে যে গাজরের হালুয়া নিয়ে গিয়েছেন, তা আপনার সঙ্গীদের খাইয়েছেন? উত্তরে শুভাংশু জানান, তিনি গাজরের হালুয়া, মুগডালের হালুয়া ও আমরস সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন এবং আইএসএস-এর সহকর্মীদের সঙ্গেও ভাগ করে খাইয়েছেন। তাঁর কথায়, “এই খাবারগুলো আমাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী ও সমৃদ্ধ রন্ধনশিল্পের প্রতিচ্ছবি। সবাই খুব উপভোগ করেছে।”

    ১৬টি সূর্যোদয় ও ১৬টি সূর্যাস্ত দেখি

    কথোপকথনের সময় প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, সেই মুহূর্তে পৃথিবীর কোন অংশের উপর দিয়ে তাঁরা যাচ্ছেন। শুভাংশু (Shubhanshu Shukla) বলেন, “এই মুহূর্তে সঠিকভাবে বলতে পারছি না, তবে কিছুক্ষণ আগেই আমরা হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের উপর দিয়ে গিয়েছি। প্রতিদিন আমরা পৃথিবীকে ১৬ বার প্রদক্ষিণ করি, যার মানে প্রতিদিন ১৬টি সূর্যোদয় ও ১৬টি সূর্যাস্ত দেখি। আমরা ঘণ্টায় প্রায় ২৮,০০০ কিমি গতিতে ছুটে চলেছি।”

    মহাকাশ থেকে যখন দেখি, ভারত অনেক বেশি বড়, বেশি সুন্দর

    মোদি এরপর প্রশ্ন করেন, মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে প্রথম দেখে তাঁর মনে কী ভাবনা জেগেছিল। শুভাংশুর (Shubhanshu Shukla) জবাব, “কক্ষপথে পৌঁছে যখন প্রথম পৃথিবীকে দেখলাম, তখন মনে হল পৃথিবী আসলে একটিই। বাইরে থেকে কোনও সীমান্ত বা রেখা চোখে পড়ে না।” ভারত সম্পর্কে বলতে গিয়ে শুভাংশু বলেন, “যখন মানচিত্রে ভারতকে দেখি, মনে হয় অন্য দেশগুলো তুলনায় বড়। কিন্তু সেটি দ্বিমাত্রিক মানচিত্র। বাস্তবে মহাকাশ থেকে যখন দেখি, ভারত অনেক বেশি বড়, বেশি সুন্দর—যেমনটা কল্পনাও করা যায় না।”

    আমরা দু’জন কথা বলছি, কিন্তু গোটা দেশের অনুভূতি আমাদের সঙ্গে রয়েছে

    প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) শেষে বলেন, “আজ আপনি আমাদের থেকে দূরে, কিন্তু ১৪০ কোটি ভারতবাসীর হৃদয়ের সবচেয়ে কাছাকাছি রয়েছেন। আপনার এই যাত্রা এক নতুন যুগের সূচনা, একটা ‘শুভারম্ভ’। এই মুহূর্তে আমরা দু’জন কথা বলছি, কিন্তু গোটা দেশের অনুভূতি আমাদের সঙ্গে রয়েছে।” শুভাংশু শুক্লা (Shubhanshu Shukla) জানান, দেশের মানুষের ভালোবাসা ও আশীর্বাদেই তিনি সুস্থ আছেন এবং তাঁর এই যাত্রা শুধুমাত্র তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—পুরো দেশের জন্য এক গর্বের অধ্যায়।

  • Waziristan Attack: আত্মঘাতী বিস্ফোরণে পাকিস্তানে হত ১৩ সেনা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Waziristan Attack: আত্মঘাতী বিস্ফোরণে পাকিস্তানে হত ১৩ সেনা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গিদের দিব্যিই মদত জুগিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তবে সেই বিষবৃক্ষের ফল যে সে দেশেই বিষ উগরে দেবে, তা বোধহয় জানা ছিল না শাহবাজ শরিফের দেশের। তাই ওয়াজিরিস্তানে (Waziristan Attack) ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণের দায় ভারতের ঘাড়ে চাপিয়ে দিল ইসলামাবাদ (Pakistan)।

    পাক অভিযোগ খারিজ ভারতের (Waziristan Attack)

    ফেরা যাক খবরে। ওয়াজিরিস্তানে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জন পাক সেনার। এই হামলার পরে ইসলামাবাদ অভিযোগের আঙুল তুলেছে ভারতের দিকে। এনিয়ে বিবৃতিও জারি করেছে পাক সরকার। তার পরেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিল ভারত। শনিবার রাতেই পাল্টা বিবৃতি জারি করে পাকিস্তানের অভিযোগ খারিজ করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমাদের নজরে এসেছে পাক সেনার তরফে একটি বিবৃতি জারি করে ২৮ জুন ওয়াজিরিস্তানে হওয়া হামলার ঘটনায় ভারতকে দায়ী করা হয়েছে। এই বিবৃতির তীব্র নিন্দা করছে ভারত। একই সঙ্গে বিবৃতিতে ওঠা দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানানো হচ্ছে এরকম কোনও কিছুর সঙ্গে ভারত যুক্ত নয়।”

    আত্মঘাতী বোমা হামলা

    প্রসঙ্গত, শনিবার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের উত্তর ওয়াজিরিস্তান জেলায় আত্মঘাতী এক বোমা হামলায় নিহত হন ১৩ জন পাক সেনা। সে দেশের সেনা আধিকারিকের দাবি, এই বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জন সেনা-সহ মোট ১৯ জন সাধারণ মানুষও জখম হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছে ছয় শিশুও (Waziristan Attack)। জানা গিয়েছে, এদিন একজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী বিস্ফোরক ভর্তি গাড়িটি নিয়ে ঢুকে পড়ে সামরিক কনভয়ে। তার পরেই ঘটে বিস্ফোরণ। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় হামলা হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িও।

    আত্মঘাতী বোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে হাফিজ গুল বাহাদুর গোষ্ঠীর আত্মঘাতী ইউনিট। এটি তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত একটি দল। তার পরেও আন্তর্জাতিক মহলের নজর ঘোরাতে পাকিস্তান ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    উল্লেখ্য, চলতি বছর খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তানে সরকার বিরোধী (Pakistan) বিভিন্ন গোষ্ঠীর হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২৯০ জন। এঁদের সিংহভাগই পাক সেনা (Waziristan Attack)।

  • Jagdeep Dhankhar: ১৯৭৬ সালের ৪২তম সংশোধনী! ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলানো যায় না’ সাফ বললেন উপরাষ্ট্রপতি

    Jagdeep Dhankhar: ১৯৭৬ সালের ৪২তম সংশোধনী! ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলানো যায় না’ সাফ বললেন উপরাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) জানান, ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনায় কোনও ধরনের পরিবর্তন করা যায়না। তিনি বলেন, ‘‘ভারতের সংবিধান ছাড়া অন্য কোনও সংবিধানের প্রস্তাবনা কখনও পরিবর্তিত হয়নি। কারণ সংবিধানের প্রস্তাবনা অপরিবর্তনযোগ্য।’’ এর পরেই দেশের উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘কিন্তু আমাদের সংবিধানের প্রস্তাবনা জরুরি অবস্থার সময়, ১৯৭৬ সালের ৪২তম সংবিধান (সংশোধনী) আইন দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছিল। ‘সমাজতান্ত্রিক’, ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘অখণ্ডতা’ শব্দগুলি যুক্ত করা হয়েছিল। আমাদের অবশ্যই চিন্তা করতে হবে (Jagdeep Dhankhar)।’’

    কী বলেছিলেন আরএসএস নেতা?

    ঘটনাচক্রে, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-এর ‘সরকার্যবাহ’ (সাধারণ সম্পাদক) দত্তাত্রেয় হোসাবলে মন্তব্য করেন যে, জরুরি অবস্থার সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকার অসাংবিধানিক উপায়ে সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ও ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দ দুটি সংযোজন করেছিল। আরএসএস নেতার মতে, সেই দুটি শব্দ এখন প্রস্তাবনা থেকে অপসারণ করা উচিত। তিনি বলেন, ‘‘জরুরি অবস্থার সময় কংগ্রেস গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। সে সময় সংবিধানের প্রস্তাবনায় (Preamble of Constitution) যে শব্দ যুক্ত করা হয়েছিল, তা কি আর বহাল রাখা উচিত!’’

    সংবিধান হত্যা দিবস

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে জরুরি অবস্থার ৫০তম (Preamble of Constitution) বার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ জুনকে ‘সংবিধান হত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত চলা এই জরুরি অবস্থায় গণতন্ত্রকে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এ বিষয়ে বিবৃতি দেন এবং তিনি বলেন, জরুরি অবস্থার ঘটনা ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের সবচেয়ে কালো অধ্যায়। কংগ্রেস শুধু সংবিধানের চেতনাকেই লঙ্ঘন করেনি, উপরন্তু গণতন্ত্রকে কারাগারে বন্দি করেছিল। একাধিক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্তব্য করেন যে, ভারত কখনও ভুলবে না এই সময়কালকে। এই সময় দেশের সংসদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং আদালতকেও নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

LinkedIn
Share