Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • GST Reforms: জিএসটি সংস্কারের ফলে মানুষের হাতে আসবে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা, বললেন সীতারামন

    GST Reforms: জিএসটি সংস্কারের ফলে মানুষের হাতে আসবে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা, বললেন সীতারামন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া একাধিক জিএসটি সংস্কারের (GST Reforms) ফলে মোট ২ লক্ষ কোটি টাকা মানুষের হাতে পৌঁছবে। এতে ঘরোয়া ভোগব্যয় আরও বেড়ে যাবে।” তামিলনাড়ু ফুডগ্রেইন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)।

    কী বললেন নির্মলা (GST Reforms)

    পূর্বের চারটি স্তর থেকে পণ্য ও পরিষেবা কর (GST) সহজ করে দুটি স্তরে আনার পরে নির্মলা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চান যাতে গরিব ও সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ, মধ্যবিত্ত পরিবার এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগগুলি (MSME) মূলত এই জিএসটি সংস্কার থেকে উপকৃত হয়।” প্রসঙ্গত, সংশোধিত কর কাঠামোর সঙ্গে নতুন জিএসটি সংস্কার ২২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “প্রস্তাবিত জিএসটি সংস্কারের মাধ্যমে দেশীয় বাজারে ভোগ বা খরচ বৃদ্ধি পাবে। অর্থমন্ত্রক জনগণের কাছ থেকে যে ২ লাখ কোটি টাকা কর হিসেবে পায়, তা তাদের কাছে থেকে যায় না, বরং তা ফের অর্থনীতিতে ফিরে যায় এবং ডোমেস্টিক কনজাম্পশনে সাহায্য করে।”

    নির্মলার ব্যাখ্যা

    বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নির্মলা বলেন, “দ্বিস্তরীয় কাঠামোর কারণে কোনও পণ্যের দাম, যা একজন ক্রেতা সাধারণত (GST Reforms) কেনেন, তা কমে যায়। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একই পণ্য, যেমন সাবান বেশি পরিমাণে কেনেন, তাহলে প্রস্তুতকারক উৎপাদন বাড়ায়। উৎপাদন বাড়াতে গেলে, তিনি অনেক মানুষকে কাজে নেন। যখন অনেক মানুষ কাজ পান, তারা আয়কর দেন। আবার এই সময় সরকারও পরোক্ষ কর বাবদ রাজস্ব পায়। এই চক্রটি যখন চলতে থাকে, তখন তা অর্থনীতির জন্য ভালো।” সীতারামনের বক্তব্যের নির্যাস হল, যখন জনসাধারণ বেশি খরচ করেন, তখন চাহিদা বেড়ে যায়। চাহিদা মেটাতে উৎপাদন বাড়ানো হলে কর্মসংস্থান বাড়ে। আর যখন বেশি কর্মসংস্থান হয়, তখন করদাতার ভিত্তি আরও বিস্তৃত হয়। তিনি বলেন, “২০১৭ সালে জিএসটি চালুর আগে যখন কর দানকারী উদ্যোক্তার সংখ্যা ছিল ৬৫ লাখ, তখন তা কমে ১০ লাখে নামেনি। বরং (Nirmala Sitharaman) উদ্যোক্তারা এর সুবিধা বুঝতে পেরেছেন এবং গত ৮ বছরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৫ কোটিতে (GST Reforms)।

  • Heron UAV: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ বাজিমাত, সেনার তিন বাহিনীর জন্য আরও ইজরায়েলি হেরন ড্রোন কিনবে ভারত

    Heron UAV: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ বাজিমাত, সেনার তিন বাহিনীর জন্য আরও ইজরায়েলি হেরন ড্রোন কিনবে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সশন্ত্র বাহিনীকে (Indian Armed Forces) আরও শক্তিশালী করতে নতুন পদক্ষেপ নিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। সূত্রের খবর, সেনার তিন বাহুর জন্যই ইজরায়েল থেকে আরও হেরন ড্রোন (Heron UAV) কিনতে চলেছে ভারত। ‘অপারেশন সিঁদুর’-পর্বে হেরন ড্রোনের ক্ষমতা দেখে সন্তুষ্ট সেনাকর্তারা। তাই এবার স্থলসেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনার জন্য অতিরিক্ত হেরন ড্রোন কিনবে মোদি সরকার।

    ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক হেরনের

    এক দশকেরও বেশি সময় আগে হেরন মার্ক-১ ড্রোন (Heron UAV) ইজরায়েল থেকে কিনেছিল ভারত। তার পর ২০২১ সালে এই ড্রোনের উন্নত মার্ক-২ সংস্করণ ‘হেরন টিপি’ ও ‘হেরন টিপি এক্সপি’ কিনেছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। মূলত, চালকহীন এই ড্রোনগুলি থেকে আকাশ থেকে মাটিতে ছোড়ার ক্ষেপনাস্ত্র ব্যবহার করা যায়। ড্রোনগুলো মূলত চিন ও পাকিস্তান উভয় সীমান্তে দূরপাল্লার নজরদারির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এগুলো অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ক্ষমতা প্রদর্শন

    এই ড্রোনগুলিকে (Heron UAV) ব্যবহার করে অনায়াসে দেশের আকাশসীমা অতিক্রম করে শত্রু দেশে সহজেই হামলা চালানো সম্ভব। এতে প্রাণের ঝুঁকিও থাকে না। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ইজরায়েলি ড্রোনগুলো এ বছরের মে মাসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় গোয়েন্দা, নজরদারি এবং নিরীক্ষণ (আইএসআর) মিশনের জন্য কার্যকরভাবে মোতায়েন করা হয়েছিল। অপারেশন সিঁদুরের সময় এই ড্রোনগুলি তার ক্ষমতা দেখিয়েছিল। যার ফলস্বরূপ, ভারতের সশস্ত্র বাহিনী (Indian Armed Forces) অতিরিক্ত হেরন ড্রোন কেনার জন্য নতুন অর্ডার দিচ্ছে। জানা যাচ্ছে, নতুন ড্রোনগুলি মার্ক-২ সংস্করণ থেকে আরও উন্নত হবে।

    ‘প্রজেক্ট চিতা’য় বিশেষ পরিকল্পনা

    সূত্রের খবর, নতুন এই ড্রোনগুলিতে (Drones) ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী গাইডেড মিসাইল বসানোর পরিকল্পনা করছে ভারতীয় তিন বাহিনী। এই পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট চিতা’। উন্নতমানের এই ড্রোনগুলিতে (Heron UAV) অত্যাধুনিক মানের নজরদারি সরঞ্জাম বসানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর। হেরনে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ‘স্পাইক-এনএলওএস’ (নন লাইন অফ সাইট) বসানোর পরিকল্পনা করেছে স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনা। নতুন এই ড্রোনগুলি ৩০ ঘন্টা উড়তে সক্ষম। পাশাপাশি ৪৫ হাজার ফুট উঁচু থেকে স্পষ্ট ছবি তুলতে সক্ষম এই ড্রোনগুলি।

    দেশীয় মেল ড্রোন উৎপাদন

    বিদেশ থেকে কেনার পাশাপাশি, ভারতের নিজস্ব দেশীয় এই ধরনের ড্রোন নির্মাণের কর্মসূচির চলছে। এর আওতায় মিডিয়াম অলটিটিউড লং এনডিওরেন্স (MALE) ড্রোন তৈরি হচ্ছে। হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল), লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি), সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস এবং আদানি ডিফেন্সের মতো বড় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলো এই ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিযোগী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সশস্ত্র বাহিনী (Indian Armed Forces) দেশের নিরাপত্তা চাহিদা মেটাতে আগামী ১০-১৫ বছরে প্রায় ৪০০টি এমন ‘মেল’ ড্রোনের দীর্ঘমেয়াদী প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে।

  • Manipur Violence: সন্ত্রাসী হামলায় রক্তাক্ত মনিপুর, অসম রাইফেল্‌সের কনভয়ে গুলি! হত দুই জওয়ান, জখম ছয়

    Manipur Violence: সন্ত্রাসী হামলায় রক্তাক্ত মনিপুর, অসম রাইফেল্‌সের কনভয়ে গুলি! হত দুই জওয়ান, জখম ছয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্ত ঝরল মণিপুরে (Manipur Violence)। শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষ্ণুপুর জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী অসম রাইফেল্‌সের গাড়িতে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসবাদীরা হামলা চালায়। গুলির লড়াইয়ে দু’জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অন্তত ছয় জন। হামলার পরেই ওই অঞ্চলে বাড়তি বাহিনী পাঠানো হয়েছে। শুরু হয়েছে পাহাড়-জঙ্গল ঘিরে চিরুনি তল্লাশি।

    কীভাবে হামলা

    প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, অসম রাইফেলসের জওয়ানদের নিয়ে একটি ‘টাকা ৪০৭’ গাড়ি রাজধানী ইম্ফল থেকে বিষ্ণুপুরের উদ্দেশে আসছিল। পথে নাম্বোল সবাল লেইকাই এলাকায় অতর্কিতে ওই গাড়ির উপর হামলা চালায় বন্দুকবাজের দল। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ২ জওয়ানের। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৬ জন তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, অতর্কিত হামলার পর এলাকা ছেড়ে জঙ্গলের দিকে চম্পট দেয় বন্দুকবাজরা। তাদের খোঁজে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল যে রাস্তার উপর এই হামলা চলেছে কয়েকদিন আগে এই রাস্তা ধরেই গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    মায়ানমার সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশ

    হামলার খবর প্রকাশ্যে আসার পর শহিদ জওয়ানদের উদ্দেশে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মণিপুরের রাজ্যপাল অজয় কুমার ভাল্লা। এক্স হ্যান্ডেলে মণিপুর রাজভবনের তরফে লেখা হয়েছে, ‘আজ সন্ধ্যায় মণিপুরে নিরাপত্তাবাহিনীর উপর যে হামলা চালানো হয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এই ঘটনায় অসম রাইফেলসের দুই বীর জওয়ান শহিদ হয়েছেন। রাজ্যপাল মর্মান্তিক এই ঘটনায় শহিদ পরিবারের উদ্দেশে সমবেদনা জানিয়েছেন। দেশরক্ষায় তাঁদের বীরত্ব ও নিষ্ঠা স্বীকৃতির দাবিদার। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন রাজ্যপাল।’ একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ‘এই ধরনের কাপুরুষোচিত হামলা কোনওভাবেই সহ্য করা হবে না। এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য প্রশাসন কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেবে। অপরাধীরা যোগ্য জবাব পাবে।’ প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, মায়ানমার সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশকারী কুকি জঙ্গিরাই এই হামলা চালিয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গিগোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। সম্প্রতি ওই এলাকা থেকে ‘সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন’ (AFSPA) প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

  • Yasin Malik: হাফিজ সইদের সঙ্গে বৈঠক, ধন্যবাদ জানান মনমোহন! বিস্ফোরক দাবি ইয়াসিন মালিকের

    Yasin Malik: হাফিজ সইদের সঙ্গে বৈঠক, ধন্যবাদ জানান মনমোহন! বিস্ফোরক দাবি ইয়াসিন মালিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লস্কর-ই-তৈবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। দিল্লি হাইকোর্টে রীতিমতো হলফনামা দিয়ে এই দাবি করেছেন জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের নেতা ইয়াসিন মালিক। ২৬/১১ হামলার পরও প্রতিশোধের পথে না হেঁটে শান্তির বার্তা! সন্ত্রাসবাদ এবং পাক নীতি নিয়ে অতীতে বহুবার সমালোচিত হয়েছে মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। এবার ওই জমানারই এক নয়া এবং বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আনলেন কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়াসিন।

    ইয়াসিন মালিকের বিতর্কিত মন্তব্য

    জঙ্গি, অনুপ্রবেশকারীদের মদত দেয় কংগ্রেসে। দিন কয়েক আগেই এই দাবি করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি। বিজেপির অভিযোগ, সন্ত্রাসবাদ এবং পাক নীতি নিয়ে মনমোহন সরকার খুবই উদাস ছিল। এসবের মধ্যেই সেই আমলের এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে এল। জঙ্গি নেতা মালিকের বিবৃতি অনুসারে, ২০০৫ সালে কাশ্মীরে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর পাকিস্তান সফরের আগে গোয়েন্দা ব্যুরোর (আইবি) তৎকালীন বিশেষ ডিরেক্টর ভি. কে. জোশী দিল্লিতে জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (জেকেএলএফ)-এর নেতা ইয়াসিন মালিকের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সেই বৈঠকে জোশীই, ইয়াসিন মালিককে অনুরোধ করেছিলেন যে-তিনি কেবল পাকিস্তানি রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গেই নয়, বরং হাফিজ সইদ-সহ জঙ্গি নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করার সুযোগটি কাজে লাগান। ইয়াসিনের দাবি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর শান্তি প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার লক্ষ্যেই এই অনুরোধ করেছিলেন জোশী। মালিক দাবি করেন যে তাঁকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে-সন্ত্রাসবাদী নেতাদের আলোচনায় না আনা হলে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা কোনওমতেই অর্থবহ হতে পারে না। জোশীর অনুরোধের ভিত্তিতে ইয়াসিন মালিক পাকিস্তানে একটি অনুষ্ঠানে হাফিজ সইদ এবং ইউনাইটেড জেহাদ কাউন্সিলের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হন।

    কূটনীতির ক্ষেত্রে ইউপিএ-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    ইয়াসিন মালিকের বক্তব্যের সবচেয়ে বিস্ফোরক অংশ হল ভারতে ফিরে আসার পর কী ঘটেছিল তার বর্ণনা। তিনি দাবি করেন যে, আইবি-কে সবকিছু বলার পর তাঁকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি বলতে বলা হয়েছিল। কারাবন্দি নেতার দাবি, রাজধানীতে তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এম. কে. নারায়ণনের উপস্থিতিতে মনমোহন সিয়ের-এর সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। সেখানেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে পাকিস্তানের সবচেয়ে কট্টরপন্থী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাঁর প্রচেষ্টা, ধৈর্য এবং নিষ্ঠার জন্য ধন্যবাদ জানান। বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ইয়াসিন মালিকের দাখিল করা হলফনামাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, যদি এই নতুন দাবিগুলি সত্য হয়, তাহলে জাতীয় নিরাপত্তার আড়ালে কূটনীতি পরিচালনার ক্ষেত্রে ইউপিএ-এর ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপিত হবে।

  • DUSU Election 2025: ফের গেরুয়া ঝড়! দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ ভোটে তিনটি পদে জয়ী এবিভিপি

    DUSU Election 2025: ফের গেরুয়া ঝড়! দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ ভোটে তিনটি পদে জয়ী এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের (DUSU Election 2025) ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ফের গেরুয়া ঝড়। সভাপতি, সম্পাদক-সহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ পদের মধ্যে তিনটিই দখল করল এবিভিপি। কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন এর ঝুলিতে গেল শুধু সহ-সভাপতির পদ। ২০২৩ সালের মতোই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিপুল জয় ছিনিয়ে নিল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। সভাপতি পদে এবিভিপি প্রার্থী আরিয়ান মান তাঁর এনএসইউআই প্রতিদ্বন্দ্বী জসলিন নন্দিতা চৌধরিকে ১৬ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন।

    একচ্ছত্র আধিপত্য এবিভিপি’র

    ভোটগ্রহণ হয়েছিল বৃহস্পতিবার। শুক্রবার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ফল ঘোষণা হল। কংগ্রেস প্রভাবিত ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই-কে হারিয়ে সভাপতি পদ পুনর্দখল করল সঙ্ঘ পরিবারের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি (ABVP)। সম্পাদক এবং যুগ্ম সম্পাদক পদ দু’টিও গিয়েছে এবিভিপির ঝুলিতে। ছাত্র সংসদের চারটি পদের জন্য মোট ২১ জন প্রার্থী ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। চলতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন মূল ক্যাম্পাসের পাশাপাশি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালেয়ের অধীনে থাকা ৫০টি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা। এবারের নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৩৯.৪৫ শতাংশ। ছাত্র নির্বাচন হলেও, তা ঘিরে উত্তেজনা ছিল টানটান। ৫২টি কেন্দ্র ও ১৯৫টি বুথে হয়েছে ভোট গ্রহণ। আনা হয়েছিল ৭১১টি ইভিএম।

    প্রত্যেক পড়ুয়ার পাশে থাকার বার্তা

    শুক্রবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ২৮ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে এই পদে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়া সভাপতি পদে বসলেন আরিয়ান। অন্যদিকে এনএসইউআই প্রার্থী পেয়েছেন ১২ হাজারের সামান্য অধিক ভোট। শুধুই সভাপতি পদই নয়, সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদক পদেও জয় লাভ করেছে আরএসএস-এর ছাত্রদল। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়া সম্পাদক হয়েছেন কুণাল চৌধুরী এবং যুগ্ম সম্পাদক হয়েছে দীপিকা ঝা। একমাত্র সহ-সভাপতি পদে জয় লাভ করেছে এনএসইউআই-র প্রার্থী রাহুল ঝান্সলা। এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল বাম সমর্থিত দুই ছাত্রদল এসএফআই ও আইসা। কিন্তু তাদের হাত আপাতত শূন্যই। আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কুণাল চৌধরী এনএসইউআই-এর কবীরকে পরাজিত করে সম্পাদকের পদটি ছিনিয়ে নিয়েছেন৷ সেন্ট্রাল প্যানেলের যুগ্ম সম্পাদকের পদটিও পেয়েছেন এবিভিপি’র দীপিকা ঝা৷ তিনি এনএসইউআই-এর লবকুশ ভাডানাকে পরাজিত করেছেন৷ এবিভিপি-র কুণাল চৌধরী বলেন, “আমি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই৷ করজোড়ে সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি৷ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক পড়ুয়াকে আশ্বস্ত করছি, কখনও কারও কিছু প্রয়োজন হলে, আমি সবসময় পাশে আছি৷”

  • Operation Sindoor: ‘‘জঙ্গি-দমনই লক্ষ্য, সাধারণ মানুষ নয়’’! রাত ১টায় কেন অপারেশন সিঁদুর, জানালেন সিডিএস অনিল চৌহান

    Operation Sindoor: ‘‘জঙ্গি-দমনই লক্ষ্য, সাধারণ মানুষ নয়’’! রাত ১টায় কেন অপারেশন সিঁদুর, জানালেন সিডিএস অনিল চৌহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতি এড়ানোর জন্যই রাত ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) চালান হয়। বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে এমনই দাবি করলেন ভারতের সেনা সর্বাধিনায়ক (CDS Anil Chauhan) অনিল চৌহান। এদিন নয়াদিল্লির রাজভবনে এক আলাপচারিতায় অনিলের কথায় উঠে এসেছে ‘সিঁদুর’ অভিযানের সাফল্য এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর দক্ষতার প্রসঙ্গ।

    রাতেও আমরা ছবি তুলতে পারব

    পহেলগাঁও হামলার জবাবে গত ৭ মে পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে অপারেশন সিঁদুর চালিয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। রাত ১টায় পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গিঘাঁটিতে অপারেশন চালানো হয়। অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে যে রাত ১টাতেই কেন এই অপারেশন চালানো হয়েছিল? তার উত্তর দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান। তিনি জানিয়েছেন যে ভারত ইচ্ছাকৃতভাবেই ৭ মে রাত ১টায় অপারেশন সিঁদুর চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনা রোখা। ভারতের সেনা সর্বাধিনায়ক জানান, মধ্যরাতে অভিযান করার নেপথ্যে ছিল দু’টি কারণ। তাঁর কথায়, ‘‘প্রথমত, রাতেও আমরা ছবি তুলতে পারব, আমাদের সেই ক্ষমতার উপর আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। আর দ্বিতীয়ত, সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতি এড়ানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমাদের কাছে।’’

    নিরীহ মানুষের উপর আঘাত হানতে চায়নি ভারত

    অনিল জানান, ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে অভিযান চালানোর ক্ষেত্রে উপযুক্ত সময় ছিল। তার পরেও মধ্যরাতে অভিযান চালানোর জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। কেন সকালে অভিযান করা হয়নি? অনিলের কথায়, ‘‘ওটা নমাজের সময়। অনেক সাধারণ মানুষ জড়ো হন ওই সময়ে। তাই চিন্তাভাবনা করে ভোরের সময় বাতিল করা হয়।’’ অর্থাৎ, ভোরবেলা অভিযান চালালে সাধারণ মানুষের হতাহতের সম্ভাবনা থাকত বেশি। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের ন’টি জঙ্গি পরিকাঠামোয় আঘাত হেনেছিল ভারতীয় সেনা। এর মধ্যে ছিল মুজফ্‌ফরাবাদ, কোটলি, বহওয়ালপুর, রাওয়ালকোট, চক্‌সওয়ারি, ভিম্বার, নীলম উপত্যকা, ঝিলম এবং চকওয়াল। ছোড়া হয় মোট ২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র। রাত ১টা বেজে পাঁচ মিনিটে শুরু হওয়া এই অভিযানের সময়সীমা ছিল ২৫ মিনিট। লশকর-এ-ত্যায়বা ও জইশ-ই-মহম্মদের প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলিই ছিল ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্য। ভারতের দাবি, জঙ্গিদমন করতেই তাদের এই অভিযান। তাই নিরীহ মানুষের উপর আঘাত হানতে চায়নি ভারত।

    যুদ্ধের পরিবর্তিত চরিত্র

    ভারতীয় বাহিনীর সামরিক প্রধান শুক্রবার ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে স্কুল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছিলেন। যেখানে তিনি সামরিক ও অসামরিক মিশনের জন্য সেনাবাহিনীর প্রশংসা করেন। তিনি জানান, যুদ্ধের পরিবর্তিত চরিত্র এখন প্রযুক্তির দ্বারা বেশি চালিত হয়। যুদ্ধক্ষেত্র আর শুধু স্থল, বায়ু এবং সমুদ্রের মতো ক্ষেত্রগুলিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মহাকাশ, সাইবার, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম এবং এমনকি নলেজ ডোমেনেও প্রসারিত হয়েছে। সাম্প্রতিক অপারেশনগুলিতে এই পরিবর্তন স্পষ্ট ছিল বলে জানিয়েছেন জেনারেল অনিল চৌহান।

  • Election Commission of India: ৫৯৯৪টা আবেদন ভুয়ো! রাহুলের অভিযোগ নিয়ে কী বলল কমিশন?

    Election Commission of India: ৫৯৯৪টা আবেদন ভুয়ো! রাহুলের অভিযোগ নিয়ে কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া সংক্রান্ত রাহুল গান্ধীর অভিযোগ খারিজ করে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। বৃহস্পতিবার রাতের দিকে একটি বিবৃতি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, কর্নাটকের অলন্দ বিধানসভা এলাকায় ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে দেওয়ার জন্য ২০২২ সালের ডিসেম্বরে অনলাইনে প্রায় ৬০১৮টা আবেদন জমা পড়েছিল। এত বেশি সংখ্যক আবেদন সন্দেহজনক মনে হওয়ায়, প্রতিটা আবেদন খুঁটিয়ে দেখে কমিশন। দেখা যায় মাত্র ২৪টা আবেদন সঠিক। ৫৯৯৪টা আবেদন ভুয়ো। তাই শুধু ওই ২৪টা গ্রহণ করে বাকি আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে কমিশন।

    কী বলল নির্বাচন কমিশন

    রাহুলের অভিযোগকে ‘ভুল এবং ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছে কর্নাটক তথা জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। বৃহস্পতিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করে রাহুল অভিযোগ করেছিলেন, নির্দিষ্ট সফ্‌টঅয়্যারের মাধ্যমে নকল আবেদন করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “অলন্দ কর্নাটকের একটি লোকসভা কেন্দ্র। কেউ কেউ ৬০১৮টি ভোট মুছে ফেলার চেষ্টা করেছেন। আমরা জানি না ২০২৩ সালের ভোটে (কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচন) ঠিক কত জনের নাম বাদ গিয়েছে। কিন্তু সংখ্যাটা অবশ্যই ৬০১৮-র বেশি হবে।” কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অনলাইনে কেউ কোনও ভোটারের নাম বাদ দিতে পারেন না। কারও নাম বাদ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য শোনা হয় বলেও জানিয়েছে কমিশন।

    এফআইআর দায়ের করে এর তদন্তে নামে কমিশন

    রাহুল অভিযোগ করেছিলেন, ‘ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া’ সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে কর্নাটকের সিআইডি কমিশনকে ১৮ বার চিঠি দিয়েছিল। কিন্তু উল্টো দিক থেকে কোনও উত্তর মেলেনি বলে দাবি করছিলেন রাহুল। কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, তাদের নির্দেশে কর্নাটকের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পুলিশকে সব তথ্য দেন। কর্নাটকের একটি বিধানসভা কেন্দ্রের নামোল্লেখ করে কমিশন (Election Commission of India) জানিয়েছে, সেখানে ২০২৩ সালে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হয়। কিন্তু সেই চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি। সেই সময় একটি এফআইআর দায়ের করে এর তদন্তে নামে কমিশন।

  • Adani Group Companies: কোনও প্রতারণা হয়নি, হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ উড়িয়ে সেবির ক্লিনচিট আদানিকে

    Adani Group Companies: কোনও প্রতারণা হয়নি, হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ উড়িয়ে সেবির ক্লিনচিট আদানিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৌতম আদানি গোষ্ঠীর (Adani Group) বিরুদ্ধে মার্কিন শেয়ার বিশ্লেষক সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের (Hindenburg Research) তোলা অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন বলে জানাল সেবি (SEBI)। ভারতের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মে মাসের শেষে ক্লিনচিট পেয়েছিলেন সেবির প্রাক্তন চেয়ারম্যান মাধবী পুরী বুচ। এবার ক্লিনচিট পেয়ে গেলেন আদানি।

    সেবির ছাড়পত্র

    ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে হিন্ডেনবার্গ দাবি করেছিল, আদানি গোষ্ঠী তার তিনটি সংস্থা, আদিকর্প এন্টারপ্রাইজেস, মাইলস্টোন ট্রেডলিঙ্কস ও রেহভার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যবহার করে গোষ্ঠীর বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে টাকা স্থানান্তর করেছে। প্রসঙ্গত, মাধবী পুরী বুচ ও তাঁর স্বামী ধবল বুচের বিনিয়োগ ছিল মরিশাসের আইপিই প্লাস ফান্ড ও বারমুডার গ্লোবাল ডায়নামিক অপরচুনিটি ফান্ডে। এই দুই সংস্থার সঙ্গেই আদানির যোগ রয়েছে অভিযোগ তুলেছিল হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ। আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে সেবির নাম জড়ানোর পর মাধবী পুরী বুচের বদলে সেবির নয়া চেয়ারম্যান হন তুহিন কান্ত পান্ডে। গত ১ মার্চ থেকে তিনি এই পদে। এবার তাঁর পদে থাকাকালীনই আদানির বিরুদ্ধে থাকা হিন্ডেনবার্গের সব অভিযোগ মিথ্যে বলে খারিজ করে দিল সেবি। বৃহস্পতিবার সেবি দু’টি পৃথক আদেশে জানায়, তদন্তে এমন কোনও অনিয়মের প্রমাণ মেলেনি। সেবির ব্যাখ্যা, ওই সময় যে ধরনের লেনদেন হয়েছিল, তা তখনকার নিয়মে ‘রিলেটেড পার্টি ট্রানজ্যাকশন’-এর আওতায় পড়ত না। নিয়ম পরিবর্তন হয় ২০২১ সালে। উপরন্তু, সব ঋণ ফেরত দেওয়া হয়েছে, তহবিল ব্যবহার করা হয়েছে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যেই এবং কোথাও প্রতারণা বা বেআইনি লেনদেন হয়নি। তাই আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সমস্ত প্রক্রিয়া বন্ধ করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক ও আর্থিক চক্রান্ত

    হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের ফলে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। প্রায় ১৩ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল। প্রথম থেকেই আদানিরা এই অভিযোগগুলিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করে আসছিলেন। এই সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে একটি বিশেষজ্ঞদের প্যানেল গঠিত হয়। আদানি সম্পর্কে তাদের অনুসন্ধানের ফলাফলও ছিল সেবি-র অনুরূপ। ওই প্যানেলও তেমন কোনও অনিয়মের প্রমাণ খুঁজে পায়নি। বৃহস্পতিবার সেবি ক্লিনচিট দেওয়ার পর গৌতম আদানি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘আমরা সবসময় বলে এসেছি, হিন্ডেনবার্গের দাবি ভিত্তিহীন। এত দিনের তদন্তের পর সেবি-ও সেটাই বলল। স্বচ্ছতা এবং সততাই আদানি গোষ্ঠীর সম্পদ। এই ভুয়ো রিপোর্টটির জন্য যাঁদের ক্ষতি হয়েছে, যাঁরা টাকা হারিয়েছেন, আমরা তাঁদের জন্য গভীর ভাবে দুঃখিত। যাঁরা এ ভাবে ভুয়ো খবর ছড়ান, দেশের কাছে তাঁদের ক্ষমা চাওয়া উচিত। ভারতের জনগণের প্রতি আমরা সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সত্যমেব জয়তে! জয় হিন্দ!’’

  • Indian Goods: ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত শাস্তিমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের পথে ট্রাম্প?

    Indian Goods: ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত শাস্তিমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের পথে ট্রাম্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অটল জেদের কাছেই হার মানতে চলেছেন মার্কিন (US) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! অন্তত ভারতের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি আনন্দ নাগেশ্বরনের বলা কথায় মিলল তারই ইঙ্গিত। বৃহস্পতিবার তিনি জানান, তিনি আশা করছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীঘ্রই ভারতীয় পণ্যের (Indian Goods) ওপর আরোপিত শাস্তিমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করবে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পারস্পরিক শুল্ক কমাবে। নাগেশ্বরনের বক্তব্যে আশার আলো দেখছেন চড়া শুল্কের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া রফতানিকারীরা।

    ভারতের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার বক্তব্য (Indian Goods)

    নয়াদিল্লির এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাগেশ্বরন জানান, অগাস্ট মাসে ওয়াশিংটন যে ২৫ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছিল, তা নভেম্বরের শেষের দিকেই প্রত্যাহার করা হতে পারে। তিনি বলেন, “আমার দৃঢ় বিশ্বাস ৩০ নভেম্বরের পর এই শাস্তিমূলক শুল্ক আর থাকবে না। এটি কোনও সুস্পষ্ট সূচক বা প্রমাণের ভিত্তিতে আমি বলছি না, সাম্প্রতিক ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে এটি আমার আশা। আমি বিশ্বাস করি, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই শাস্তিমূলক শুল্ক নিয়ে একটি সমাধান হবে এবং আশা করি পাল্টা শুল্ক সম্পর্কেও সমাধান হবে।”

    প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার ইঙ্গিত

    প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার ইঙ্গিত, পারস্পরিক শুল্ক, যা বর্তমানে ২৫ শতাংশ রয়েছে, তা কমিয়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে আনা হতে পারে। তিনি জানান, সামগ্রিক শুল্কবিষয়ক বিরোধের সমাধান হতে পারে আগামী ৮–১০ সপ্তাহের মধ্যেই। তিনি অবশ্য এও জানিয়ে দেন, এটি তার ব্যক্তিগত মূল্যায়ন, কোনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তার ভিত্তিতে নয় (Indian Goods)। প্রসঙ্গত, নাগেশ্বরনের এই মন্তব্য এসেছে এমন একটা সময়, যার কয়েক দিন আগেই ভারতের প্রধান বাণিজ্য আলোচক, বাণিজ্য মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ আগরওয়াল নয়াদিল্লিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এটি ছিল ভারত ও আমেরিকার প্রথম মুখোমুখি বৈঠক, যেহেতু ট্রাম্প প্রশাসন গত মাসে ভারতীয় রফতানি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত চড়া শুল্ক হার ঘোষণা করেছিল। কারণ হিসেবে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US) ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীনই মস্কো থেকে জ্বালানি বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে ভারত (Indian Goods)।

  • PM Modi: সুশীলা কার্কির সঙ্গে কথা মোদির, নেপালের পাশে থাকার আশ্বাস ভারতের

    PM Modi: সুশীলা কার্কির সঙ্গে কথা মোদির, নেপালের পাশে থাকার আশ্বাস ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান সুশীলা কার্কির (Sushila Karki) সঙ্গে বৃহস্পতিবার কথা বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রীর মতে, এই আলোচনা আন্তরিক এবং গঠনমূলক। ফোনালাপের সময় প্রধানমন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর সমবেদনাও জানান। প্রতিবেশী দেশটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ভারতের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে নেপালের পাশে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী ফের একবার সুশীলাকে ভারতের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। ১৯ সেপ্টেম্বর নেপালের জাতীয় দিবস উপলক্ষে কার্কি ও নেপালের জনগণকে শুভেচ্ছাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    পরে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী মিসেস সুশীলা কার্কির সঙ্গে আন্তরিক কথোপকথন হয়েছে। সাম্প্রতিক মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর সমবেদনা জানিয়েছি এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর প্রচেষ্টায় ভারতের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছি। এছাড়া, আগামীকাল নেপালের জাতীয় দিবস উপলক্ষে তাঁকে এবং নেপালের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি।” প্রসঙ্গত, গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কর্মভার গ্রহণের জন্য কার্কিকে অভিনন্দন জানান এবং তাঁর নিয়োগকে ‘নারী ক্ষমতায়নে’র এক উজ্জ্বল উদাহরণ আখ্যা দেন। মণিপুরের রাজধানী ইম্ফলে এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, “ভারত ও নেপাল যৌথ ইতিহাস, বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং পালাবদলের সময় নয়াদিল্লি প্রতিবেশী দেশের মানুষের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছে।” তিনি বলেছিলেন, “আমি ১৪০ কোটি ভারতীয়ের পক্ষ থেকে কার্কিকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আমি নিশ্চিত যে তিনি নেপালে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথ সুগম করবেন (PM Modi)।”

    নেপালের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী

    সুশীলা কার্কি নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। তিনিই প্রথম মহিলা, যিনি নেপালের শীর্ষ আদালতের ওই পদে বসেছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ায় তিনিই হলেন নেপালের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীও। প্রধানমন্ত্রী পদে তাঁর নিয়োগের কয়েকদিনের মধ্যেই নেপালে অবসান ঘটেছে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার। এই অনিশ্চিয়তার সৃষ্টি হয়েছিল সারা দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হওয়া জেন জেডের আন্দোলনের জেরে, কেপি শর্মা অলি পদত্যাগে বাধ্য হওয়ার পর (Sushila Karki)।

    নেপালের রাষ্ট্রপতি, শীর্ষ সামরিক কর্তারা এবং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী যুব আন্দোলনকারীদের বৈঠকের পর কার্কিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য মনোনীত করা হয়। রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাওডেল বলেন, “অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী কার্কির নেতৃত্বে গঠিত নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছ’মাসের মধ্যে নতুন সংসদীয় নির্বাচনের আয়োজন করবে (PM Modi)।”

LinkedIn
Share