Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের মেয়াদবৃদ্ধি এবং প্রকল্পের নামবদল সংক্রান্ত বিল (VB G Ram G Bill) পেশ করা হল লোকসভায়। মঙ্গলবার বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রের কৃষি এবং গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। এত দিন ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম ছিল মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপাওয়ারমেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫ (সংক্ষেপে মনরেগা)। বিলে এই প্রকল্পের নতুন নাম হয়েছে ‘বিকশিত ভারত- গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’। সংক্ষেপে ‘জিরামজি’। মঙ্গলবার লোকসভায় বিলটি পেশ করেন গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এই বিলটির মাধ্যমে বর্তমান গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইন মনরেগা-কে প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিল উত্থাপনের সঙ্গে সঙ্গেই এতে মহাত্মা গান্ধীর নাম বাতিলের অভিযোগে সরব হন বিরোধীরা (Lok Sabha)।

    নয়া বিল (VB G Ram G Bill)

    বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বিল অনুযায়ী, যেসব গ্রামীণ পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা অদক্ষ শারীরিক শ্রমে স্বেচ্ছায় কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের মজুরি-ভিত্তিক কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, এই বিল ক্ষমতায়ন, প্রবৃদ্ধি, সমন্বয় এবং সর্বব্যাপী বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়, যাতে বিকশিত ভারত @২০৪৭–এর জাতীয় লক্ষ্য পূরণের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

    বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা

    বিল অনুযায়ী, গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি ‘স্যাচুরেশন’ ভিত্তিতে “বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা” তৈরি করবে এবং সেগুলি জুড়ে দেওয়া হবে পিএম গতি শক্তি প্রকল্পের সঙ্গে। এর ফলে, সমস্ত গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজ একত্রিত হয়ে “বিকশিত ভারত ন্যাশনাল রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্ট্যাক”-এর আওতায় আসবে, যা গ্রামীণ গণপরিকাঠামো নির্মাণের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরি করবে। এছাড়াও, বিলটি জল-নিরাপত্তা, গ্রামীণ এলাকার মূল পরিকাঠামো, জীবিকা-সংক্রান্ত প্রকল্প এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলার ব্যবস্থাগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষিকাজের ব্যস্ত বপন ও ফসল কাটার মরসুমে পর্যাপ্ত কৃষিশ্রমিক নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারগুলি বছরে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নোটিশ জারি করতে পারবে।

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এই আইনের একটি কেন্দ্রীয় দিক (Lok Sabha)। গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে সাপ্তাহিক তথ্য প্রকাশের সভা, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর বিশ্লেষণ, বায়োমেট্রিক প্রমাণ এবং শক্তিশালী সামাজিক নিরীক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করা হবে (VB G Ram G Bill)। এছাড়া, কাজের আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে কাজ না দেওয়া হলে বেকারভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন মজুরি হার বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান এমজিএনরেগা মজুরি হারই কার্যকর থাকবে। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প  হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে উত্তর-পূর্ব ও হিমালয়ান রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থ ভাগাভাগির অনুপাত হবে ৯০:১০ এবং অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রে ৬০:৪০।

    এই ঐতিহাসিক আইনটির লক্ষ্য হল সমন্বয়ভিত্তিক ও সর্বাঙ্গীণ কভারেজে কেন্দ্রিত একটি গ্রামীণ উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা (Lok Sabha)। এর মাধ্যমে পরিবর্তিত আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নের পথ পুনর্গঠন, বৈষম্য হ্রাস এবং উন্নত জীবিকা-নিরাপত্তার মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারগুলিকে ক্ষমতায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (VB G Ram G Bill)।

  • Pahalgam Attack: পহেলগাঁওকাণ্ডে স্পষ্ট পাক-যোগ, হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ লস্কর কমান্ডার সাজিদ জাট, বলল এনআইএ

    Pahalgam Attack: পহেলগাঁওকাণ্ডে স্পষ্ট পাক-যোগ, হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ লস্কর কমান্ডার সাজিদ জাট, বলল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও হত্যালীলার ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারী পাকিস্তানের নাগরিক সাজিদ জাট ওরফে সাজিদ সইফুল্লা। পহেলগাঁও কাণ্ডের চার্জশিট জমা দিয়ে এমনটাই জানাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ।

    চার্জশিট পেশ এনআইএ-র

    গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের কাছে বৈসারন উপত্যকায় পর্যটকদের ধর্ম জিজ্ঞেস করে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। কাপুরুষোচিত হামলায় মৃত্যু হয় ২৫ জন নিরীহ পর্যটক এবং স্থানীয় এক টাট্টুঘোড়া চালকের। এই প্রাণঘাতী জঙ্গি হামলার প্রায় আট মাস পর ভালভাবে তদন্ত করে চার্জশিট পেশ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। চার্জশিটে এনআইএ দাবি করেছে, জঙ্গি হামলায় সাত অভিযুক্তের মধ্যে লস্কর-ই-তৈবার একজন শীর্ষ কমান্ডারও রয়েছে। চার্জশিটে পাঁচজন সন্দেহভাজন এবং দু’টি জঙ্গি সংগঠন— লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) এবং দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ওই জঙ্গি হামলার দায় স্বীকার করেছিল ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’। যদিও পরে তারা তা অস্বীকার করে।

    এনআইএ যা বলেছে 

    এনআইএ-র চার্জশিটে পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র, অভিযুক্তদের ভূমিকা এবং হামলার প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পরিকল্পনা, সহায়তা ও বাস্তবায়নে ভূমিকার জন্য লস্কর-ই-তৈবা এবং টিআরএফ-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ১৫৯৭ পাতার চার্জশিটে এনআইএ দাবি করেছে, লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার সাজিদ জাট ছিল পহেলগাঁও হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’। তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, সাজিদ শুধু টিআরএফ-এর অপারেশনাল প্রধানই নয়, বরং কাশ্মীর উপত্যকায় কর্মী নিয়োগ, অর্থ জোগানো এবং অনুপ্রবেশের জন্যও দায়ী সাজিদ। জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরের দাচিগাম জঙ্গলে ‘অপারেশন মহাদেব’ চালিয়ে পহেলগাঁও হামলাকারী সুলেমান ওরফে হাসিম মুসা, হাবিব তাহির ওরফে জিবরান এবং হামজা আফগানি নামের ৩ জঙ্গিকে খতম করেছিল ভারতীয় সেনা। এনআইএ-র চার্জশিটে সেই তিন পাকিস্তানি জঙ্গির নামও রয়েছে। তবে সাজিদ জাট এখনও অধরা। চার্জশিটে সেই বিষয়টি উল্লেখ করে এনআইএ জানিয়েছে, তার মাথার দাম ১০ লক্ষ। তাকে ধরার ব্যাপারে তথ্য দিতে পারলে মিলবে এই আর্থিক পুরস্কার। এর পাশাপাশি, ইউএপিএ অ্যাক্ট অনুসারে এই সাজিদ সইফুল্লা জাটকে নিষিদ্ধ জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    সহযোগীদের নামও চার্জশিটে

    জঙ্গিদের সহযোগী হিসাবে বশির আহমেদ পারভেজ জোঠর, বশির আহমেদ জোঠর, মহম্মদ ইউসূফ কাটারি-সহ আরও ছ’জনের নাম চার্জশিটে দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এনআইএ-র দাবি, জঙ্গিদের খাবার এবং রসদ সরবরাহ করেছিল তারাই। পারভেজ পহেলগাঁওয়ের বাটকোটের বাসিন্দা। বশিরের বাড়ি হিল পার্কে। এনআইএ-র দাবি, পহেলগাঁও হানায় জড়িত জঙ্গিদের খাওয়া-দাওয়া, যাতায়াত এবং থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল এরা। আর ইউসুফ পথ চিনিয়ে জঙ্গিদের ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দিয়েছিল। লস্কর/টিআরএফ এবং অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩, অস্ত্র আইন, ১৯৫৯ এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ), ১৯৬৭-এর প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে অভিযোগ আনা হয়েছে। এনআইএ চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য দণ্ডবিধির ধারাও প্রয়োগ করেছে।

  • Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য ৫০০ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক এবং ভক্তদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust)। সেইসঙ্গে প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে যেখানে প্রভু শ্রী রাম এবং তাঁর ভাইদের বাসনো হয়েছিল, সেখানে একটি মন্দিরও নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার, মন্দিরের মহন্ত নৃত্য গোপাল দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ট্রাস্টের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিনের সভায় রাম জন্মভূমি মন্দিরে ভগবান রামের প্রাণ-প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকী সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনাও করা হয়।

    কর সেবকদের গুলি করেছিল মুলায়ম সিং (Ram Mandir)

    ১৯৯০ সালের ২ নভেম্বর অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালীন, মুলায়ম সিং যাদবের সমাজবাদী পার্টি সরকারের নির্দেশে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক করসেবকের ওপর গুলি চালিয়েছিল। বাবরি মসজিদে পৌঁছাতে গেলে পুলিশের গুলিতে অসংখ্য কর সেবক নিহত হয়েছিলেন। যদিও মুলায়ম সিং যাদব ২৮ জন কর সেবকের মৃত্যুর কথা জানালেও, হিন্দু সংগঠনের দাবি এই মৃত্যুর সংখ্যাটি অনেক বেশি।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    রাম মন্দির ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) জানিয়েছে, বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠা দ্বাদশীর অনুষ্ঠানগুলি অঙ্গদ টিলায় অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে শ্রী রাম কথা পাঠ, সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে। আগামী ২৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরে মণ্ডল পুজো এবং শ্রী রামচরিতমানসের একটি সঙ্গীতময় অখণ্ড পারায়ণের আয়োজনও করা হবে। এদিন ভজন সন্ধ্যা পরিবেশন করবেন প্রখ্যাত গায়ক শ্রী অনুপ জালোটা, শ্রী সুরেশ ওয়াডেকর এবং শ্রীমতী তৃপ্তি শাক্য। এছাড়াও, কথ্যক নৃত্যনাট্য সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। একই ভাবে এই অনুষ্ঠানে কবি সম্মেলনেরও আয়োজন করা হবে। এখানে কবিরা প্রভু শ্রী রামের গুণাবলীর প্রশংসায় যুক্ত কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করবেন।

    আরও একটি ঘোষণায়, ট্রাস্ট জানিয়েছে যে রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণে জড়িত প্রায় ৪০০ কর্মীকে হিন্দু নববর্ষ উপলক্ষে আগামী ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হবে। উল্লেখ্য গত ২৫ নভেম্বর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যার রাম মন্দিরের উপরে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ধর্মধ্বজ উত্তোলন করেন। এই কাজ ছিল রাম মন্দিরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার উপলক্ষ্যে বিশেষ কর্মকাণ্ড।

  • PM Modi: লৌহ মানবের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, শ্রদ্ধা জানালেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ

    PM Modi: লৌহ মানবের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, শ্রদ্ধা জানালেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি ভারতের লৌহমানব সর্দার প্যাটেলকে এমন এক মহান নেতা হিসেবে অভিহিত করেন, যাঁর অতুলনীয় জাতি-গঠনের অবদান কৃতজ্ঞ জাতি কখনওই ভুলবে না।

    প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তব্য (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে লেখা একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। তিনি দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী ভারত গঠনে তাঁর অতুলনীয় অবদান কৃতজ্ঞ জাতি কখনও ভুলবে না।” হ্যা১৮৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। তিনি ভারতের জাতীয় ঐক্যের স্থপতি হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়। ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবা-সহ আধুনিক সিভিল সার্ভিস গঠনের নেপথ্যের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন তিনিই।

    প্যাটেলকে শ্রদ্ধা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও সর্দার প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জানান। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, শক্তিশালী ভারতের স্থপতি, লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলজিকে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি শ্রদ্ধা জানাই।” তিনি এও বলেন (PM Modi), “অসংখ্য প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও সর্দার সাহেব একটি বিভক্ত স্বাধীন ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মাতৃভূমির সুরক্ষা, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠাকেই তিনি জীবনের লক্ষ্য করেছিলেন। সমবায় আন্দোলনের পুনরুজ্জীবন এবং নারী ও কৃষকদের স্বনির্ভরতার মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারতের ভিত্তি স্থাপন করে সর্দার সাহেব ‘জাতিই প্রথম’ নীতির পথে আমাদের সকলকে ধ্রুবতারা হয়ে পথ দেখিয়ে যাবেন।”

    মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সর্দার প্যাটেল স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় খেড়া সত্যাগ্রহ, ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলন-সহ একাধিক গণআন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তিনি তাঁর বলিষ্ঠ বক্তৃতা ও অসাধারণ সাংগঠনিক ক্ষমতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিনটি প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় একতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। এবার তাঁরই ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। সেকথা মাথায় রেখেই এবার কেন্দ্রীয় সরকার বছরব্যাপী নানা কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছে (PM Modi)।

  • RSS: “হিন্দুত্ব হল নীতি, আরএসএস হল তার প্রয়োগ”, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “হিন্দুত্ব হল নীতি, আরএসএস হল তার প্রয়োগ”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংঘ এবং আরও অনেক মহান নেতা ও চিন্তাবিদ এমন একটি মৌলিক চিন্তাধারার ভিত্তি গড়ে তুলেছেন, যা সম্পূর্ণভাবে ঔপনিবেশিক প্রভাবমুক্ত। সেটি যেমন আছে, আমাদের তেমনভাবেই তা আত্মস্থ করতে হবে।” চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কথাগুলি বললেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আরএসএসের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভারতকে ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে আমরা কতদূর এগিয়েছি এবং সামনে পথই বা কী, এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যখন আমি বলি ‘রাষ্ট্র’ পশ্চিমী অর্থে একটি ‘নেশন’ নয়, তখন রাষ্ট্র মানে সংস্কৃতি, ভারতমাতা এবং আমাদের পূর্বজ পরম্পরা। সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন আমরা ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তে পাশ্চাত্য কাঠামোর মাধ্যমে এই ধারণাগুলিকে বোঝার চেষ্টা করি।”

    হিন্দুস্থানের চোখে চিন্তা করার অভ্যাস (RSS)

    সংঘে একজন স্বয়ংসেবক প্রাথমিক পর্যায়ে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচি, বৌদ্ধিক আলোচনা, সংগীত এবং এমনকি দৈনন্দিন অনানুষ্ঠানিক কথোপকথনের মাধ্যমে তাঁর মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো হয়। যেখানে যেখানে আমাদের শাখাগুলি কাজ করে, সেখানকার মানুষ ধীরে ধীরে ভিন্নভাবে দেখতে ও ভাবতে শুরু করেন। এটি একটি ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, “সব কিছু এমনভাবে সঞ্চারিত করা হয় যাতে আমরা হিন্দুস্থানের চোখে চিন্তা করার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি। এটি ধীরগতির কাজ। প্রায় ষাট লাখ স্বয়ংসেবকের মধ্যে কেউ কেউ এই মানসিকতা পুরোপুরি আত্মস্থ করেছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখনও শুরুই হয়নি। তবে চূড়ান্ত লক্ষ্য হল, আমরা যেন স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় হিসেবে চিন্তা করি, আমেরিকানকৃত বা ইউরোপীয়কৃত ভারতীয় হিসেবে নয়।”

    ‘হিন্দু’ পরিচয়টির উদ্ভব

    ভাগবত বলেন (Mohan Bhagwat), “‘হিন্দু’ পরিচয়টির উদ্ভব হয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাবনা থেকে, এবং সেই ধারাই আজও অব্যাহত রয়েছে। সংবিধান প্রণয়নের আগেও যে সত্তা ছিল, সেই সত্তাই সংবিধানের প্রস্তাবনাকে রূপ দিয়েছে, ধর্মীয় স্বাধীনতা, স্বাধীনতা, সমতা, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের আদর্শ। নানা রকম হিন্দু যখন উপলব্ধি করবেন যে উপাসনার পদ্ধতি ভিন্ন হলেও তাঁরা সকলেই হিন্দু, হিন্দুস্তানি, তখন সাংবিধানিক স্বীকৃতি আসতে পারে। তবে হিন্দু রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও সমৃদ্ধির জন্য তা অপরিহার্য নয়। সব হিন্দু যদি বলেন, “আমরা হিন্দু”—তাই যথেষ্ট।” প্রশ্ন ওঠে, খ্রিস্টানদের জন্য বাইবেল যেমন সর্বজনীন ধর্মগ্রন্থ, মুসলমানদের কোরান। হিন্দুদের জন্য একটি সর্বজনীন ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে আরএসএসের অবস্থান কী, এবং কেন (RSS)। এদিন তারও উত্তর দেন ভাগবত। তিনি বলেন, “সংঘের অবস্থান আমাদের সভ্যতার অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বভাব থেকেই উৎসারিত। এখানে বহু পথ ও বহু গুরু রয়েছেন। ঐক্য এই উপলব্ধিতে যে লক্ষ্য এক, যদিও সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর পদ্ধতি ভিন্ন। হিন্দুত্ব কেবল তথ্যের বিষয় নয়, এটি একটি নীতি, যা কেবল আচরণ ও সাধনার মধ্যে দিয়েই প্রকাশ পায়। হিন্দুত্ব হল নীতি, আর আরএসএস হল তার প্রয়োগ। এটি কোনও একক সর্বজনীন গ্রন্থের প্রযুক্তিগত দাবি নয়, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক আধ্যাত্মিক সভ্যতার স্বীকৃতি ও ঘোষণামাত্র (Mohan Bhagwat)।”

    ‘গো সংবর্ধন’

    আরএসএস প্রধান বলেন, “আমাদের আলাদা ‘গো সংবর্ধন’ বিভাগ রয়েছে। এই বিভাগের দায়িত্ব হল ভারতীয় গরুর দেশি জাতগুলিকে রক্ষা করা, মানুষকে সেগুলি পালনে উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় জাতগুলির প্রসার ঘটানো।” তামিলনাড়ুতে সংঘের বিস্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে এবং তাদের জানাতে হবে। আমাদের জীবনযাপন ও আমাদের উদ্দেশ্য তাদের দেখাতে হবে। যখন তারা আমাদের উদ্দেশ্যের পবিত্রতা দেখবেন, তখন আমাদের ওপর বিশ্বাস করতে শুরু করবেন। এখানে কোনও বিশেষ ভুল বোঝাবুঝি নেই, কেবল কিছু সাময়িক দ্বিধা আছে, যা আলাপ-আলোচনা ও যোগাযোগের মাধ্যমে দূর করা যায়।” ভাগবত বলেন, “যুক্তি মানুষকে গ্রহণযোগ্য করে তোলে, আর জীবন্ত উদাহরণ ভুল ধারণা দূর করে। নাগপুরে আমাদের সর্বভারতীয় শিবিরে মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ভেতর থেকে আমাদের দেখলে সব সংশয় দূর হয়ে যায়। তামিলনাড়ুতে জাতীয় চেতনার অভাব নেই (RSS)। এই অনুভূতি অন্য যে কোনও জায়গার মতোই শক্তিশালী। যা নেই, তা হল এই অনুভূতির পূর্ণ প্রকাশের অনুকূল পরিবেশ। কৃত্রিম বাধা তৈরি করা হয়েছে। যদিও সেগুলি টিকে থাকতে পারে না, কারণ জাতীয় চেতনা যখন সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়, তখন সেই বাধাগুলি ভেঙে পড়ে। সেই পরিবেশ ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।” তিনি বলেন (Mohan Bhagwat), “অনেকে আনুষ্ঠানিক কোনও যোগাযোগ ছাড়াই সংঘের আদর্শে জীবনযাপন করেন। এর মূল সত্তা হল জীবনাচরণ ও ব্যক্তিগত উদাহরণ। আমরা সমাজের ওপর আস্থা রাখি এবং ঘরে ঘরে পৌঁছনোর মতো পর্যাপ্ত বিস্তার আমাদের রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, এমন নাগরিক গড়ে তোলা, যারা সমগ্র ভারতকে একক সত্তা হিসেবে ভাববে (RSS)।”

  • PM Narendra Modi: “দক্ষ সংগঠক নবীন”, বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    PM Narendra Modi: “দক্ষ সংগঠক নবীন”, বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতির নাম ঘোষণা করল বিজেপির সংসদীয় বোর্ড। দলের নতুন সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হলেন নিতিন নবীন (Working President Nitin Nabin)। তিনি বিহারের এনডিএ জোটের বিজেপি বিধায়ক। একই ভাবে তিনি বিহার সরকারের মন্ত্রী সভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। দিল্লির সদর দফতর থেকে বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে বিহারের একনিষ্ঠ কর্মী নিতিন নবীন। এরপর তাঁকে সামাজিক মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।

    ভালো কাজের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন (PM Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) দলের তরফ থেকে একটি পোস্ট করে বলেন, “নিতিন নবীন একজন পরিশ্রমী কর্মী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন। তিনি সাংগঠনিক ভাবে অনেক দক্ষ। বিহারে একাধিকবার বিধায়ক হিসবে নির্বাচিত হয়েছেন। দলের বিধায়ক হিসেবে ভালো কাজের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। নিতিনের বিনয়ী স্বভাব, মানুষের সঙ্গে মেলা মেশার ক্ষমতা এবং জনসংযোগের কাজে বিরাট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি তাঁর উদ্যম এবং নিষ্ঠা আগামী দিনে আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করবে। বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে নিতিন জি (Working President Nitin Nabin) দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

    বাংলাকেও জয় করব

    বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি হিসেবে এতোদিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জগত প্রকাশ নাড্ডা। নবীন (Working President Nitin Nabin) বিহারের নির্বাচনে বাঁকিপুর আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। আরজেডি রেখা কুমারীকে ৫১ হাজার ভোটে পরাজিত করেছেন। তিনি দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন কার্যনির্বাহী সভাপতি হওয়াদের মধ্যে। বছর ঘুরলেই ২০২৬ সালের বঙ্গ নির্বাচন। নতুন দায়িত্ব পেয়েই বাংলা মিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন নিতিন নবীন। তিনি বলেন, “অগ্রাধিকার হল দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করা। একটি সর্বব্যাপী নেতৃত্ব যেমনটি কেন্দ্রীয় নেতারা আমাদের রাজ্যে আস্থা রেখেছেন। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কারণেই আজ আমি এখানে এসেছি। আমরা বসে সব কিছুকে ঠিক করব। সংগঠনের নিচ থেকে উওর পর্যন্ত এতটাই শক্তিশালী যে আমরা এবার বাংলাকেও জয় করব।”

  • Bondi Beach Terror Attack: সিডনির সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা মোদির, দিলেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা

    Bondi Beach Terror Attack: সিডনির সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা মোদির, দিলেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইহুদিদের উৎসব চলাকালীন অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই নারকীয় হামলায় গভীর শোকপ্রকাশের পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়ে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বনের কথা মনে করিয়ে দিলেন।

    শোকপ্রকাশের পাশাপাশি কড়া বার্তা মোদির

    রবিবার এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বন্ডি বিচে হানুক্কার প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নিরীহ মানুষের উপর চালানো এই ঘৃণ্য সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।” নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি এবং এই কঠিন সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন। মোদি বলেন, “এই হামলার ফলে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি আমি ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে, আন্তরিক সমবেদনা জানাই। দুঃখের এই মুহূর্তে আমরা অস্ট্রেলিয়ার জনগণের পাশে আছি।” একইসহ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’। তাঁর কথায়, “সন্ত্রাসবাদের প্রতি ভারতের জিরো টলারেন্স রয়েছে, আমরা যে কোনও রূপে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে সমর্থন করি।” প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এই সন্ত্রাসবাদী হামলার নিন্দা করেছেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে হানুক্কা উদযাপনে সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের সমবেদনা হতাহত এবং তাদের পরিবারের প্রতি রয়েছে।”

    রবিবার ঠিক কী ঘটেছিল?

    রবিবার ইহুদি ধর্মীয় উৎসব হানুক্কার প্রথম দিনের উদ্‌যাপন চলাকালীন বন্ডি সৈকতে দুই বন্দুকবাজ এলোপাথারি গুলি চালায়। ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আরও ২৯ জন আহত হয়েছেন। অস্ট্রিলিয়া প্রশাসন এই হামলাকে জঙ্গি হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে। হামলাকারীদের মধ্যে একজন নিহত এবং অপরজনকে গুরুতর অবস্থায় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ২ আততায়ী পাকিস্তানি নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। দুজনে সম্পর্কে বাবা-ছেলে। এই হামলা মূলত ইহুদিদেরই টার্গেট করা হয়েছিল বলে স্পষ্ট ধারণা পুলিশের। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এই হামলাকে ‘ভয়ঙ্কর’ ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, “বন্ডির দৃশ্যগুলি খুবই ভয়ঙ্কর এবং কষ্টদায়ক। পুলিশ এবং জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। আমি আক্রান্তদের পাশে আছি।” তিনি আরও বলেন, “আনন্দের উৎসব হানুকার প্রথম দিনে ইহুদি-অস্ট্রেলিয়ানদের ওপর এটি একটি লক্ষ্যবস্তু-হামলা। আমাদের দেশে এই ঘৃণা, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কোনও স্থান নেই।”

  • India Bangladesh Tussle: হাসিনা প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব ঢাকার! কড়া জবাব দিল্লির, ওড়াল প্রত্যর্পণের দাবিও

    India Bangladesh Tussle: হাসিনা প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব ঢাকার! কড়া জবাব দিল্লির, ওড়াল প্রত্যর্পণের দাবিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা ভারতে বসে উস্কানি দিচ্ছেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলে দাবি করছিল মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সেদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। এ নিয়ে রবিবার একটি বিবৃতিও জারি করেছিল ঢাকা। শুধু তাই নয়, ঢাকায় মিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করে এই অভিযোগ করে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল দিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে পাল্টা কড়া বার্তা দেওয়া হয়ল বাংলাদেশকে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারত কখনোই এই ভূখণ্ডকে বাংলাদেশের বন্ধুসুলভ জনগণের বিরুদ্ধে কাউকে উস্কানিমূলক কাজ করার অনুমতি দেয়নি। একইসঙ্গে, হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবিও পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি।

    বাংলাদেশের দাবি…

    রবিবার বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, শনিবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে তারা তলব করেছিল। হাসিনাকে উস্কানিমূলক মন্তব্য করতে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, তিনি ভারতে বসে বাংলাদেশে আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের জঙ্গি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার জন্য উসকাচ্ছেন— এটা দাবি করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ঢাকা। আওয়ামি লিগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা নাকি দিল্লি এবং কলকাতায় নির্বিচারে তাঁদের দলের অফিস খুলেছেন এবং ভারত থেকে তাঁরা বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছে ঢাকা। একইসঙ্গে বাংলাদেশের তরফে ফের একবার শেখ হাসিনা এবং সে দেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের আর্জি জানানো হয়। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস সমাজমাধ্যম পাতাতে তা পোস্টও করেন।

    ভারতের মোক্ষম জবাব…

    এর পরেই ঢাকাকে মোক্ষম উত্তর দেয় দিল্লি। রবিবারই ভারতের তরফে পাল্টা বিবৃতি জারি করা হয়। ভারত বিবৃতিতে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ঢাকার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ এবং ‘ভুল স্থানে উত্থাপিত’। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার রবিবার যে সব দাবি করেছে, তা স্পষ্ট ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে দিল্লি। নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে দিয়েছে, বাংলাদেশের মানুষ ভারতের কাছে বন্ধুসম। বাংলাদেশের সাধারণ জনতার স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, এমন কোনও কাজে ভারতের মাটি ব্যবহার করে করতে দেওয়া হয় না। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত সবসময় বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পক্ষে। বিবৃতি অনুসারে, “বাংলাদেশের বন্ধুবৎসল জনতার স্বার্থবিরোধী কোনও কাজে কখনই ভারতীয় ভূখণ্ডকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না।” বিদেশ মন্ত্রক আরও বলছে, “আমরা আশা করি যে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাসহ অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।” পাশাপাশি, শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের বিষয়টিও পত্রপাঠ বিদায় করে দিয়েছে ভারত। নাম না করেই, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক স্পষ্ট বার্তায় বাংলাদেশের দাবি সম্পূর্ণ ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভারত জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার রবিবার যে সব দাবি করেছে, তা স্পষ্ট ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে দিল্লি।

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ধর্মের ওপর আঘাত অব্যাহত, দেখুন এ সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ধর্মের ওপর আঘাত অব্যাহত, দেখুন এ সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছেই। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। কর্নাটকের বেলাগাভি জেলার রামদুর্গা তালুকে এক মহিলাকে জোর করে ইসলাম ধর্মী দীক্ষিত করতে চাপাচাপি করা হয়। বছর আঠাশের ওই মহিলাকে স্থানীয় এক মুসলমান লাগাতার হয়রান করত, দিত হুমকিও। নিজের ধর্ম বাঁচাতে নাগাভ্বা দেমাপ্পা ভান্তামুরি নামের ওই মহিলা আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ। বেঙ্গালুরুতে আবারও একটি উদ্বেগজনক ‘লাভ জিহাদ’ সংক্রান্ত ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে এক হিন্দু মহিলা উসমান নামের এক ইসলামপন্থী ব্যক্তির বিরুদ্ধে চরম শারীরিক নির্যাতন, জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের চেষ্টা, ব্ল্যাকমেল, আর্থিক শোষণ এবং নির্মম হত্যার হুমকির অভিযোগ দায়ের করেন। রকসৌল সীমান্তে সম্প্রতি এক ১৬ বছর বয়সি হিন্দু কিশোরীকে উদ্ধার (Roundup Week) করার হয়েছে। অভিযোগ, তাকে প্রলোভন দেখিয়ে শোষণ করা হয়েছিল এবং ধর্মান্তরের দিকে ঠেলে দিয়ে বোরখা পরিয়ে নেপালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পূর্ব চম্পারণের স্থানীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, সশস্ত্র সীমা বল (SSB)-এর মানব পাচার বিরোধী ইউনিট রাকসৌল সীমান্তের কাস্টমস অফিসের কাছে নেপালে প্রবেশের চেষ্টার সময় এক ব্যক্তি, বোরখা  পরা ১৬ বছরের এক কিশোরী ও এক নাবালককে আটক করে। ওই ব্যক্তি পশ্চিম চম্পারণের বাসিন্দা মহম্মদ আজমুল্লাহ আলি। মেয়েটি বেত্তিয়া থেকে নিখোঁজ হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগ

    উত্তরপ্রদেশের মইনপুরী জেলায় কর্মরত এক বিবাহিত মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি তাঁকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, স্বামীকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করেছে, টাকা আদায় করেছে। পুনেতে তাঁকে আটকে রেখে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে। পুলিশ মহারাষ্ট্র থেকে ওই কনস্টেবলকে উদ্ধার করেছে এবং অভিযুক্ত গুলফাম ওরফে আরকান আহমদকে গ্রেফতার করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিসরাখ থানা এলাকার এক মহিলা অভিযোগ দায়ের করেন যে, সারাই নজর খান, তার বোন গুড়িয়া এবং তার ভগ্নিপতি রাজু খানের সঙ্গে মিলিতভাবে একটি সংগঠিত চক্র পরিচালনা করত। তাঁর অভিযোগ, এরা এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ইসলামপন্থী যুবক নিজেদের পরিচয় গোপন করে হিন্দু নারীদের প্রলোভিত করত, মিথ্যা সম্পর্ক গড়ে তুলত এবং পরে অশ্লীল ভিডিও ব্যবহার করে ভয় দেখিয়ে তাদের শোষণ করত (Hindus Under Attack)।

    বজরং দলের শোভাযাত্রায় পাথর

    উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারের জ্বালাপুর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যখন শৌর্য দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বজরং দলের একটি শোভাযাত্রায় পাথর ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। জ্বালাপুর, হরিদ্বার শহর ও কাঁখাল—এই তিন জায়গা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি রাম চকের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। দুর্গা চক ও সাইনি আশ্রমের কাছে হামলার ঘটনাটি ঘটে। হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন ক্ষুব্ধ বজরং দলের কর্মীরা বুলডোজার নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন (Roundup Week)। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থিরুপারঙ্কুন্দ্রাম কার্তিগাই দীপম ইস্যুতে বিচারপতি জি আর স্বামীনাথনের ওপর আক্রমণটি শুধু একটি প্রদীপকে কেন্দ্র করে বিরোধ নয়; বরং এটি হিন্দু অধিকার, মন্দিরের ঐতিহ্য ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর একটি সমন্বিত রাজনৈতিক আক্রমণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই আক্রমণের নেতৃত্বে রয়েছে তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার এবং ইন্ডি জোটের সাংসদদের সমর্থন।

    নেহরুকে নিয়ে বিস্ময়কর মন্তব্য রাজনাথের

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে নিয়ে এক বিস্ময়কর মন্তব্য করে বড় রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেহরু সংক্রান্ত বক্তব্য তথ্যভিত্তিক বলে দাবি করা হয়েছে। নথিপত্রে দেখা যাচ্ছে, জওহরলাল নেহরু বাবরি মসজিদের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয়ের পক্ষে ছিলেন (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের সেহোর জেলায় পুলিশ ছজনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, তারা একটি খ্রিস্টান ধর্মান্তরণ চক্র চালাচ্ছিল। এই চক্রটি দরিদ্র বনবাসী পরিবারগুলিকে লক্ষ্য করে প্রতি ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ অর্থ ও চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্মান্তরণে প্রলুব্ধ করছিল (Hindus Under Attack)। সুরথকল পুলিশের তরফে ইসলামপন্থী দোকান মালিককে এক নাবালককে যৌন হেনস্তার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তের নাম মহম্মদ ইসমাইল। তিনি সুরথকলের চক্কাবেত্তু জুম্মা মসজিদের কাছের হানি ফ্যাশন শপ অ্যান্ড জেনারেল স্টোরের মালিক।

    কিশোরীকে আঘাত ব্লেড দিয়ে

    মির্জাপুরের গণেশগঞ্জ এলাকায় ১৭ বছরের এক হিন্দু কিশোরীকে ব্লেড দিয়ে আঘাত করা হয় গলা ও কবজিতে। গুরুতর অবস্থায় রয়েছে সে। অভিযোগ, এক ইসলামপন্থী যুবক তাকে ধর্মান্তরণ ও বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল। অস্বীকার করায় হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে। ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। প্রধান অভিযুক্ত আবদুল ওরফে সইফ সম্পর্কে তথ্য দিলে ২৫,০০০ টাকা পুরস্কারের ঘোষণাও করেছে পুলিশ। এখন পর্যন্ত ষড়যন্ত্র ও তাকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে নজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।  ‘প্রজা প্রভুত্ব উলিসি আন্দোলন’ নামে একটি সামাজিক সংগঠন কর্ণাটকের কুদ্রমুখ জাতীয় উদ্যান অঞ্চলে বসবাসকারী দুর্বল জনজাতী পরিবারগুলিকে লক্ষ্য করে চালানো কথিত মিশনারি ধর্মান্তরণ কার্যকলাপ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে (Roundup Week)।

    খবরে পাকিস্তান-বাংলাদেশ-কানাডা

    এদিকে, পাকিস্তানের কুখ্যাত ইসলামপন্থী সংগঠন পীর সারহিন্দি মিথ্যে অভিযোগ তুলে পাকিস্তানি হিন্দু অধিকারকর্মী শিবা কাচ্ছিকে ইসলামবিরোধী ও পাকিস্তানি রাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা ‘ভারতীয় এজেন্ট’ আখ্যা দেওয়ার পর থেকেই তাঁর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবাশিবা এক্স হ্যান্ডেলে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

    বাংলাদেশের রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় এক প্রবীণ হিন্দু দম্পতির গলাকাটা দেহ উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এঁদের মধ্য একজন মুক্তিযোদ্ধা, বছর পঁচাত্তরের যোগেশচন্দ্র রায় এবং তাঁর স্ত্রীর সুবর্ণা। বিশ্বের ছবিটাও খুব একটা কম ভয়ঙ্কর নয়। কানাডার অন্টারিও প্রদেশের ব্র্যাম্পটনে একটি মন্দিরে থ্যাংকসগিভিং সপ্তাহে প্রকাশ্য দিবালোকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে ভক্তরা হতবাক হয়ে যান, দাবি করেন উপাসনালয়গুলির নিরাপত্তা জোরদারের করারও।

  • Messi Goat Tour: মেসি-কাণ্ডে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে আয়োজক শতদ্রু, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠান হল নির্বিঘ্নে

    Messi Goat Tour: মেসি-কাণ্ডে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে আয়োজক শতদ্রু, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠান হল নির্বিঘ্নে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় মেসিকে (Messi Goat Tour) নিয়ে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যা হল, তাতে বিশ্বের দরবারে মুখ পুড়েছে তৃণমূল-শাসিত বাংলার। তবে শনিবার সন্ধেয় হায়দরাবাদ সাক্ষী রইল আর্জেন্টিনার তারকা-ফুটবলার লিয়োনেল মেসির ম্যাজিকে (Satadru Dutta)। রবিবার বিশ্বজয়ী ‘লা আলবিসেলেস্তে’র অধিনায়ক পা রাখছেন মুম্বইয়ে। উল্লেখ্য যে, হায়দরাবাদের পর রবিবার মুম্বইয়ে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে সফরের প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তকে ছাড়াই। এদিকে, শনিবার যুবভারতীর ঘটনায় গ্রেফতারির পর বিধাননগর আদালতে তোলা হলে শতদ্রুকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

    শতদ্রুর বিরুদ্ধে অভিযোগ (Messi Goat Tour)

    যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভাঙচুরের ঘটনায় শতদ্রুর বিরুদ্ধে মেইনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এদিন আদালতে গোট ট্যুরের আয়োজক শতদ্রু দত্তের আইনজীবীর সওয়াল, আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে একাধিক ধারা দেওয়া হয়েছে, এমন কী এমপিও আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি কী এমন কাজ করেছেন, যার জন্য এই আইনে মামলা হবে। পাশাপাশি জামিনের আবেদনও জানানো হয়।

    শতদ্রুর প্রশ্ন

    এদিন শতদ্রু নিজে পুলিশি হেফাজতের বিরুদ্ধে প্রশ্ন (Messi Goat Tour) তুলে বলেন, “স্টেডিয়ামে যা ঘটেছে, তার জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা কেন? ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতেরই বা প্রয়োজন কেন?” সরকারি আইনজীবী বলেন, “মেসির সামনে কে যাবেন, আর কে যাবেন না, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব আয়োজকের। আয়োজক নিজের লোকজনকে নিয়ে এমনভাবে মেসিকে ঘিরে রেখেছিলেন, যাতে সাধারণ দর্শকরা তাঁকে ঠিকভাবে দেখতে পাননি।” জনসমাগম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে আয়োজকের দায়িত্ব অবহেলা করা হয়েছে, এই মর্মে সবপক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত শতদ্রুকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠায়।

    এদিকে, যুবভারতীর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি তাদের কাজ শুরু করে দিল। রবিবার কমিটির সদস্যরা যুবভারতীতে (Messi Goat Tour) পৌঁছে প্রথমেই মাঠ পরিদর্শন করেন। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের সঙ্গে কমিটির বাকি দুই সদস্য মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ এবং স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী মেসির প্রবেশপথের করিডর, নিরাপত্তা (Satadru Dutta) ব্যবস্থা-সহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর করেন।

LinkedIn
Share