Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Zelenskyy’s India Visit: পুতিনের পর ভারতে আসছেন জেলেনস্কি! কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সক্রিয় দিল্লি

    Zelenskyy’s India Visit: পুতিনের পর ভারতে আসছেন জেলেনস্কি! কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় সক্রিয় দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পর এবার ভারত সফরে আসছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি (Zelenskyy’s India Visit)। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষার বার্তা দিতেই এই মাষ্টারস্ট্রোক নয়াদিল্লির। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতেই দিল্লি সফরে আসতে পারেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। যদিও দিল্লির তরফে দিন তারিখ এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ভারত দুই দেশের মধ্যেই ভারসাম্য বজায় রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি যুদ্ধের মাঝখানেই ইউক্রেন এবং রাশিয়া উভয় দেশ সফর করেছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট উভয়ই বলেছেন, এই যুদ্ধ বন্ধে ভারত ভূমিকা রাখতে পারে।

    দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে

    এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, নয়াদিল্লির তরফে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের নয়াদিল্লি সফরের আগে থেকেই এই চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের দাবি। ভারতীয় ও ইউক্রেনীয় আধিকারিকদের মধ্যে সফরের বিষয় নিয়ে বেশ কয়েক দফা আলোচনাও হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, রাজনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পরে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এখন পর্যন্ত মাত্র তিনবার ভারত সফর করেছেন। তাও কমপক্ষে ১৩ বছর আগে। ১৯৯২, ২০০২ এবং সবশেষে ২০১২ সালে কোনও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভারত সফর করেছিলেন। সেই দিক থেকে এই সফর বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

    ভারসাম্যবজায় রাখছে ভারত

    জেলেনস্কির এই সফর রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের আবহে উভয় পক্ষের সঙ্গেই ভারতের ভারসাম্যকে আরও জোরদার করবে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, কূটনৈতিক রাস্তায় বেশ কয়েক মাস ধরে এই নীতি অনুসরণ করছে নয়াদিল্লি। যেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৪-এর জুলাই মাসে মস্কো সফর করে পুতিনের সঙ্গে দেখা করেন। কিন্তু এরপরেই মাত্র এক মাস পরে আগস্টে ইউক্রেন সফর করেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির প্রস্তাবিত সফরের সময় নির্ভর করবে বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা কীভাবে এগিয়ে যায় এবং রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে কী ঘটে তার উপর। এছাড়াও, ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, বিশেষ করে জেলেনস্কির সরকার বর্তমানে একটি বড় দুর্নীতি কেলেঙ্কারির কারণে চাপের মধ্যে রয়েছে। এগুলিও প্রস্তাবিত সফরের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

    জেলেনস্কির ভারত সফর তাৎপর্যপূর্ণ

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে প্রায় ৪ বছর ধরে। এই আবহে ভারত ধারাবাহিকভাবে শান্তির বার্তা দিয়ে গিয়েছে। সংলাপ ও সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানানোর অঙ্গীকার করেছে ভারত। প্রেসিডেন্ট পুতিনের সামনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন যে ভারত এই যুদ্ধে নিরপেক্ষ নয়, বরং শান্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছে। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি বলেন, ‘মস্কো আমাদের সবকিছু সম্পর্কে অবহিত করেছে এবং আমাদের উপর আস্থা দেখিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি সাম্প্রতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বিশ্বকে ফের শান্তির পথে ফিরিয়ে আনবে।’ পুতিন বলেন, ‘ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ বহু দেশের সঙ্গেই আলোচনা চলছে। শান্তি প্রস্তাব তৈরির প্রচেষ্টাও অব্যাহত। প্রধানমন্ত্রী মোদি যেভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন, সেটি সত্যিই প্রশংসনীয়।’ এই আবহে ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট জেলনস্কির ভারত সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ভারত পুতিন এবং জেলেনস্কি উভয়ের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখেছে। মোদি কমপক্ষে ৮ বার জেলেনস্কির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং দুই রাষ্ট্রনেতা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কমপক্ষে চারবার দেখাও করেছেন। ফলে জেলেনস্কির ভারত সফর মোটেই অসম্ভবও নয়।

  • Waqf Properties: ডিজিটাইজেশন ড্রাইভের সমাপ্তি, উমিদ পোর্টালে আপলোড ৫.১৭ লক্ষেরও বেশি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির নথি

    Waqf Properties: ডিজিটাইজেশন ড্রাইভের সমাপ্তি, উমিদ পোর্টালে আপলোড ৫.১৭ লক্ষেরও বেশি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াক্ফ সম্পত্তির (Waqf Properties) বিবরণ কেন্দ্রীয় সরকারের ‘উমিদ’ পোর্টালে নথিভুক্ত করার সময়সীমা শেষ হয়েছে শনিবার। ছয় মাসব্যাপী এই উদ্যোগে প্রথমবারের মতো দেশের পাঁচ লাখেরও বেশি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তিকে একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা সম্ভব হয়েছে। ৬ জুন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু ‘উমিদ’ (UMEED) আইন, ১৯৯৫-এর অধীনে পোর্টালটি উদ্বোধন করেছিলেন। সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ভারতের মোট ৫,১৭,০৪০ ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি পোর্টালে আপলোডের জন্য নিবন্ধিত হয়েছে। এর মধ্যে ২,১৬,৯০৫ সম্পত্তি অনুমোদিত হয়েছে। ২,১৩,৯৪১ সম্পত্তি প্রস্তুতকারীদের দ্বারা জমা পড়লেও যাচাইয়ের সময়সীমা শেষ হওয়ার কারণে প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়ে গিয়েছে। মাত্র ১০,৮৬৯ সম্পত্তির আবেদন যাচাইয়ে বাতিল হয়েছে।

    ‘উমিদ’ পোর্টালে নথিভুক্তের ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড়

    ওয়াক্ফ সম্পত্তি (Waqf Properties) সরকারি পোর্টালে নথিভুক্ত করার জন্য গত ৬ জুন একটি নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই নির্দেশিকায় ‘উমিদ’ পোর্টালের কথা বলা হয়। নির্দেশিকায় বলা হয়, ভারত জুড়ে সব ওয়াক্ফ সম্পত্তির বিবরণ ছ’মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পোর্টালে নথিভুক্ত করতে হবে। সেই সময়সীমা শেষ হয় ৬ ডিসেম্বর। শনিবার রাত ১২টার আগে পর্যন্ত ওয়াক্ফ সম্পত্তি নথিভুক্ত করা যায় কেন্দ্রীয় পোর্টালে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, এই সময়সীমা আর বাড়ানো সম্ভব নয়। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ মনে করিয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, ওয়াক্ফ সম্পত্তির বিবরণ সংশ্লিষ্ট পোর্টালে ‘আপলোড’ করার ক্ষেত্রে সময়সীমার ব্যাপারে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড়ের কথাও জানিয়েছেন কিরেন।

    শেষ মুহূর্তে ওয়াক্ফ সম্পত্তির নথিভুক্তকরণ

    কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক জানিয়েছে, সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে আপলোডের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিভিন্ন রিভিউ মিটিং, প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও উচ্চস্তরের হস্তক্ষেপে শেষ মুহূর্তে আপলোডের হার দ্রুত বাড়ে। ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়া সফল করতে কেন্দ্র, বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর ওয়াক্‌ফ বোর্ড ও সংখ্যালঘু দফতরের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে ওয়ার্কশপ আয়োজন করে। দিল্লিতে দুই দিনের মাস্টার ট্রেনার কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়, যাতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও, রাজ্যভিত্তিক প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক টিম মোতায়েন করা হয় এবং সমন্বয়গত সমস্যার সমাধানে সাতটি জোনাল মিটিং আয়োজন করা হয়। আপলোড চলাকালীন প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য মন্ত্রক একটি বিশেষ হেল্পলাইনও চালু করে। পোর্টাল চালুর পর থেকে মন্ত্রকের সচিব চন্দ্রশেখর কুমার ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি আপলোডের অগ্রগতি তদারকিতে ২০টিরও বেশি রিভিউ মিটিং পরিচালনা করেন।

    ‘উমিদ’ পোর্টালে নথিভুক্ত না করলে কী হবে

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, অনেক মুতাওয়ালিস (যাঁরা ওয়াক্ফ সম্পত্তি দেখভাল করেন) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পত্তি ‘উমিদ’ পোর্টালে (UMEED) নথিভুক্ত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সময়ের মধ্যে তা সম্পন্ন করতে পারেননি, তাঁদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারেন। আগামী তিন মাস তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক বা কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না! আরোপ করা হবে না জরিমানাও। উল্লেখ্য, নিয়ম অনুসারে, যাঁরা ওয়াক্ফ সম্পত্তি আপলোড করবেন না, তাঁদের ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। যাঁরা এই পোর্টালে সম্পত্তি নথিভুক্ত করবেন না, তাঁদের সম্পত্তির অবস্থা বাতিল করা হবে এবং পরে ওয়াক্ফ ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে পুনরায় নথিভুক্তকরণ করা যাবে। সেই ক্ষেত্রেই বিশেষ ছাড় দিয়েছে কেন্দ্র। মন্ত্রক জানিয়েছে, এই পর্বের সমাপ্তি ভারতের ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং একীভূত ডিজিটাল কাঠামো প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

  • IndiGo Crisis: ৬১০ কোটি টাকার রিফান্ড, সপ্তাহান্তে এক হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল ইন্ডিগোর

    IndiGo Crisis: ৬১০ কোটি টাকার রিফান্ড, সপ্তাহান্তে এক হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল ইন্ডিগোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েকদিন ধরে বিপর্যস্ত ইন্ডিগোর বিমান (IndiGo Crisis) পরিষেবা। ইতিমধ্যেই ওই বেসরকারি বিমানসংস্থার ১ হাজার ৫০০টি-রও বেশি উড়ান বাতিল করা হয়েছে। যাত্রীসংখ্যার নিরিখে দেশের বৃহত্তম বিমানসংস্থা ইন্ডিগোর পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় লক্ষ লক্ষ যাত্রী অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন। রবিবারও সংস্থার এদিনও প্রায় ৬৫০টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। দিল্লি, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ ও কলকাতা বিমানবন্দর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    দ্রুত জবাব তলব

    পরিষেবার উপর ‘নেতিবাচক প্রভাব’ পড়ার জন্য প্রযুক্তিগত ত্রুটি, শীতকালীন সময়সূচি পরিবর্তন, প্রতিকূল আবহাওয়া, বিমান ব্যবস্থায় ক্রমবর্ধমান যানজট এবং বিমানকর্মীদের কাজের সংশোধিত সময়সূচিকে দায়ী করেছে ইন্ডিগো। তবে কী কারণে এই বিভ্রাট, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। এদিকে, ডিজিসিএ (DGCA) থেকে জারি হওয়া শোকজ নোটিসের জবাব দিতে আরও সময় চেয়েছে ইন্ডিগো। পাশাপাশি বাতিল ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য ৬১০ কোটি টাকার রিফান্ড করার কাজ শুরু করেছে সংস্থা। এছাড়া সারাদেশে যাত্রীদের ৩,০০০টি ব্যাগেজও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    ইন্ডিগো ফ্লাইট পরিস্থিতি

    রবিবার ইন্ডিগো (IndiGo Crisis) তাদের দৈনিক ২,৩০০ ফ্লাইটের মধ্যে প্রায় ৬৫০টি—অর্থাৎ মোট প্রায় ২৮%—বাতিল করেছে। বেশ কয়েকটি রুটে সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার থেকে দেশজুড়ে ইন্ডিগো ইতোমধ্যেই প্রায় ২,০০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এতে হাজার হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন। এক বিবৃতিতে ইন্ডিগো জানিয়েছে, তাদের নেটওয়ার্ক ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে স্থিতিশীল হবে। ডিজিসিএ-র শোকজ নোটিসের জবাব দিতে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছে ইন্ডিগো। শোকজ নোটিসে ডিজিসিএ জানায়, ইন্ডিগোর প্রধান ব্যর্থতা ছিল নতুন ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশন (FDTL) বিধির অধীনে প্রয়োজনীয় স্টাফিং, ডিউটি টাইম এবং রোস্টারিংয়ের যথাযথ ব্যবস্থা করতে না পারা। এক স্ট্যাটাস আপডেটে রবিবার সন্ধ্যায় ইন্ডিগো জানিয়েছে, গতকাল ১ হাজার ৫০০টি ফ্লাইটের বদলে এবার তারা ১ হাজার ৬৫০টিরও বেশি ফ্লাইট পরিচালনার পথে রয়েছে। তারা জানিয়েছে যে ১৩৮টি গন্তব্যের মধ্যে ১৩৭টি চালু রয়েছে এবং ৭৫ শতাংশ পরিষেবা সময়মতো দেওয়া হয়েছে।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত, বাংলাদেশ এবং বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে এখনও চলছে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে তামাম বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, গত ৩০ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে ভারতে।

    এলআরপিএফ সরকার (Hindus Under Attack)

    আদিবাসী আইন সংস্থা এলআরপিএফ সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে যে গুন্টুরের জরিপ নং ৩৫২-এর আকহাাদ জমি শেখ সলিমের কাছে হস্তান্তরের জন্য অবৈধ বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি অবিলম্বে বন্ধ করা হোক। চিক্কামাগালুরুতে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে যখন এমইএস কলেজ তাদের বার্ষিক ৪১ দিনের ব্রত পালনকারী দুই হিন্দু ছাত্রকে অয়্যাপ্পা মালা পরিধানের কারণে কলেজ থেকে বের করে দেয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই দুই ছাত্র নির্ধারিত কলেজ ইউনিফর্ম পরেই এসেছিলেন এবং তার সঙ্গে অয়্যাপ্পা দীক্ষার সময় ব্যবহৃত প্রচলিত কালো পোশাকও পরেছিলেন। কলেজ কর্তৃপক্ষের অভিযোগ পেয়েই তাদের (Hindus Under Attack) প্রধান গেটের কাছেই থামিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের। মালা খুলে ফেলার নির্দেশও দেওয়া হয়।

    অহল্যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর অভিযোগ

    তাঁদের দাবি, এটি পোশাকবিধি লঙ্ঘনের শামিল। ছাত্ররা অস্বীকার করলে তাঁদের কলেজ চত্বর থেকে বের করে দেওয়া হয়। ইন্দোরের দেবী অহল্যা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী তাঁর বছর চব্বিশের মুসলিম সহপাঠীর বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, প্রাণনাশের হুমকি এবং জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগও আনা হয়েছে। এই অভিযোগ মধ্যপ্রদেশ ধর্ম স্বাধীনতা আইনের সম্প্রসারিত ধারার অধীনে করা হয়েছে, যা সাধারণত লাভ জেহাদ মামলায় ব্যবহৃত হয়। পুলিশ তিলক নগর থানায় এফআইআর দায়ের করেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। ধৃতের নাম হামস শেখ, ইন্দোরের সঞ্চার নগরের বাসিন্দা। প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় উপদেশ ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা পরিচালিত হয়। ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব বিদ্যমান, যা হিন্দু-বিদ্বেষ এবং ঘৃণাজনিত অপরাধের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্যগুলি সহজে ধরা পড়ে না, যদি না প্রচলিত আইন ও আচরণের ধরন গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়।

    দীপাবলিতে আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে দেখলে এটি (Roundup Week) পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত বলে মনে হতে পারে। কিন্তু বৃহত্তর প্রেক্ষাপট থেকে দেখলে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও নিষেধাজ্ঞার পিছনে সুস্পষ্ট যুক্তির অভাব এই দ্বৈত নীতিই স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে (Hindus Under Attack)।

  • Kerala: কেরলে হিন্দু পুলিশ অফিসারকে তালিবানি কায়দায় খুন! দ্রুত বিচার চায় হিন্দু সংগঠন

    Kerala: কেরলে হিন্দু পুলিশ অফিসারকে তালিবানি কায়দায় খুন! দ্রুত বিচার চায় হিন্দু সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ নভেম্বর কেরল (Kerala) মুখ্যমন্ত্রীর বিশিষ্ট সেবা পদকপ্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কমান্ডিং অফিসার পি. রমনকুট্টিকে (P. Ramankutt) ওয়াইনাডে অত্যন্ত রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। তাঁর মৃতদেহ একটি অগভীর কূপ থেকে উদ্ধার করা  হয়েছিল। তাঁর গলায় ২৫ কেজি ওজনের একটি পাথর বাঁধা ছিল। এই ঘটনা স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়কে হতবাক করে দিয়েছে। মৃতদেহ দেখে নিশ্চিত বোঝাই যাচ্ছিল এটি কোনওভাবেই আত্মহত্যা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অনেকেই মনে করছেন এই হত্যাকাণ্ড কোনও জেহাদি সংগঠন করেছে। তবে হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, এটি সম্পূর্ণভাবে তালিবানি হত্যাকাণ্ড। কেরলের বাম সরকার অবশ্য হত্যা নয় আত্মহত্যার বলার চেষ্টা করেই তদন্ত করছে। কিন্তু কট্টর ইসলামি সংগঠনের দৌরাত্ম্য যে ক্রমেই জনজীবনের শান্তি-শৃঙ্খলার ভারসাম্যকে নষ্ট করতে তা বলাই বাহুল্য।

    ৬০ জনের একটি দল বাড়িতে হামলা করেছে (Kerala)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২১ নভেম্বর রাতে ভাদুভাঞ্চলে প্রায় ৬০ জনের একটি দল অফিসার পি রমনকুট্টির বাড়িতে হামলা করেছিল। তবে হামলাকারীদের মধ্যে অনেকেই এসডিপিআই-সমর্থকও ছিল। বাড়িতে (Kerala) আক্রমণ করার একদিন পরেই মৃতদেহ (P. Ramankutt) উদ্ধার হয়। পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “আক্রমণকারীরা বাড়িটিকে প্রথমে ঘিরে ফেলে, এরপর হুমকি দেয়, বাইরে থেকে আত্মীয়স্বজনরা ঢুকতে চাইলে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে চিৎকার করে ঘোষণা করা হয়, রমনকুট্টিকে পালাতে দেওয়া হবে না।” এলাকায় এই ধরনের হিংসাত্মক আক্রমণের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    কেরল মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি

    কেরল (Kerala) মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়নের কাছে লেখা এক বিস্তারিত চিঠিতে রমনকুট্টির মেয়ের জামাই রঞ্জিত বর্ণনা করে বলেন, “আমি এবং আমার স্ত্রী ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি বাড়িতে অস্ত্র নিয়ে লোকজন ঘেরাও করে ফেলেছে। এসডিপিআইয়ের সমর্থক এক কট্টর ইসলামপন্থী ফয়জল পুলিশের পোশাক পরে উপস্থিত ছিল ঘটনাস্থলে। ওই ব্যক্তি গোটা ঘটনার নেতৃত্ব দেয়। আক্রমণকারীরা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে রমনকুট্টিরকে হত্যা করতেই এই হামলার ছক ছিল তাদের। দুষ্কৃতীরা তাঁকে (P. Ramankutt) ঘরের ভেতরে খুঁজে না পেয়ে রাতভর আশপাশে তল্লাশি চালায়। পরের দিন ভোরে, বাড়ির পিছনের কুয়োর কাছে রমনকুট্টির মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায়। কুয়োটির জল ওপরে উঠে এলে পরিবারের বাকি সদস্যরা বুঝতে পারেন একটি বিশাল পাথরের ভারে রমনকুট্টির মৃতদেহ নীচে চাপা পড়ে আছে। তবে কোনওভাবেই আত্মহত্যা নয়। কারণ পুকুরটির গভীরতা খুবই কম। সম্পূর্ণভাবে এটি খুনের পরিকল্পনা।”

    তালিবান-ধাঁচের আক্রমণ

    তবে হিন্দু সংগঠনগুলি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে আক্রমণ এবং মৃত্যুর মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। বাস ভ্রমণ সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে রমনকুট্টির সঙ্গে এসডিপিআই (SDPI) ক্যাডারদের ব্যক্তিগতভাবে মতের অমিল হয়েছিল। তবে ক্ষোভ মেটানো এবং একজন সম্মানিত হিন্দু অফিসারকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে আক্রমণের ঘটনা কার্যত জেহাদি হামলার সমতুল। হিন্দু সংগঠনের একাধিক নেতা এই হত্যাকাণ্ডকে “তালিবানী -ধাঁচের আক্রমণ” হিসাবে বর্ণনা করার পক্ষপাতী। তাঁদের সাফ দাবি, রমনকুট্টিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।”

    অভিযুক্তদের এখনও জিজ্ঞাসা করা হয়নি

    রঞ্জিতের দাবিগুলি আরও জোরাল হয়ে ওঠে যখন দেখা যায়, ফয়জল নিজে ঘটনার রাতে অফিসিয়াল দায়িত্ব এড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং হামলার জন্য এসডিপিআই সদস্যদের জড়ো করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপকেও ব্যবহার করেছিলেন। যদিও এই হত্যামামলায় পুলিশ ফয়জল এবং শামনাদ সহ প্রধান সন্দেহভাজনদের এখনও পর্যন্ত কোনও জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। বরং, অফিসাররা ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দিতে বেশি আগ্রহী। পুলিশের ভূমিকায় পরিবার এবং একাধিক হিন্দু সংগঠন ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ। রাজনৈতিকভাবে সংযুক্ত ব্যক্তিদের রক্ষা করার প্রচেষ্টা করছে কেরলের বাম সরকার।

    ওয়াইনাড জুড়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে

    হিন্দু ঐক্যবেদী সংগঠন হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তাদের দাবি, বিষয়টিকে এড়িয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। পূর্ণাঙ্গ হত্যার তদন্ত, অভিযুক্ত এসডিপিআই কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সেই রাতে বারবার সাহায্য চেয়েও সহযোগিতা করতে না আসা পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধেও তদন্তের দাবি উঠেছে প্রবলভাবে। শোকাহত পরিবার এখন দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি চেয়েছে। দেশ সেবায় নিয়োজিত একজন ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে হত্যা (P. Ramankutt) করার প্রতিবাদে ন্যায় বিচার চান এলাকাবাসীরাও।

    কতটা শক্তিশালী আইন শৃঙ্খলা

    যিনি জীবনের মূল্যবান সময় দিয়ে সমাজের জন্য কাজ করে গেলেন তাঁকে এমন নির্মম হত্যার শিকার কেন হতে হল? তাঁদের প্রশ্ন ওয়াইনাড (Kerala) জুড়ে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, কীভাবে একজন সম্মানিত হিন্দু অফিসারের ওপর আক্রমণ করা যেতে পারে, অপহরণ করে কীভাবে হত্যা করা যায়? গলায় পাথর বেঁধে জলে ডুবিয়ে মারা হয় যেখানে, সেখানে পুলিশ বলছে আত্মহত্যা! এটা কীভাবে সম্ভব! গোটা ঘটনার সঠিক তদন্ত চান সাধারণ মানুষ।

    তবে যদি প্রশাসন মামলার গুরুত্ব উপেক্ষা করে তাহলে হিন্দু সংগঠনগুলি তীব্র আন্দোলনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তাদের বক্তব্য খুব স্পষ্ট, রমনকুট্টির জন্য ন্যায়বিচার কেবল একটি পরিবারের দাবি নয়, বরং কেরলের আইন-শৃঙ্খলা কতটা বেঁচে আছে তাও পরীক্ষার সময়। কট্টর জেহাদি সংগঠনকে পরোক্ষভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টির ছাড়পত্র দিয়েছে।

  • Threat Politics: “যত বেশি হুমকি দেওয়া হবে, আমরা ততই শক্তিশালী হব”, বললেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

    Threat Politics: “যত বেশি হুমকি দেওয়া হবে, আমরা ততই শক্তিশালী হব”, বললেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা, বিভাজন ছড়ানো এবং সাম্প্রদায়িক উসকানির ওপর ভিত্তি করে করা রাজনীতি কখনই ফলপ্রসূ হবে না, এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার জনজাতি সম্প্রদায়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করছে।” শনিবার সিমনা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত (Threat Politics) বারাকাথল বাজারে একটি সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কথাগুলি বললেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Manik Saha)। এদিন তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়া ১০৭টি পরিবারের ৩১২ জন ভোটারকে স্বাগত জানান।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী (Threat Politics)

    সিমনা মণ্ডল আয়োজিত ওই সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কয়েক দিন আগে বলা হয়েছিল, ভারতীয় জনতা পার্টির মতো জাতীয় রাজনৈতিক দলকে টিটিএএডিসি এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। আমরা প্রায়ই হুমকি শুনি। যত বেশি হুমকি দেওয়া হবে, আমরা ততই শক্তিশালী হব। আমি শুনেছি যে এখানে বারাকাথল বাজারে কোনও কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হবে না, মুখ্যমন্ত্রীকে আসতে দেওয়া হবে না, জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রীকে আসতে দেওয়া হবে না, এবং বিজেপির কেউ আসতে পারবে না। কিন্তু এই জায়গাটি কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি সবার সম্পত্তি। যে কোনও দল যে কোনও জায়গায় যেতে পারে। কিন্তু বিজেপি কখনওই শক্তি প্রয়োগ বা বিভিন্ন ধরনের চাপের মাধ্যমে ভয়-ভীতি দেখানো সহ্য করবে না।”

    জম্মু ও কাশ্মীর

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী দেশটির অখণ্ডতা রক্ষা করতে জম্মু ও কাশ্মীরে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন এবং পণ্ডিত দীন দয়ালও মুঘলসরাইয়ে নিহত হয়েছিলেন। বিজেপি সমগ্র ভারতের অন্যতম সেরা রাজনৈতিক দল। আমাদের আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। তারা তাদের মতো করে কাজ করবে। কিন্তু যে রাজনীতি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে বা নানা উপায়ে বিভাজন ঘটায় এবং সাম্প্রদায়িক আবেগকে উস্কে দেয়, সেই রাজনীতি কোনওদিনই ফলপ্রসূ হবে না। অতীতেও তা প্রমাণিত হয়েছে। এমন রাজনীতির মাধ্যমে উন্নয়ন সম্ভব নয়।” তিনি বলেন, “তাই আবারও বলব, বিজেপির দরজা এখনও তাঁদের জন্য খোলা, যাঁরা এভাবে চিন্তা করেন কিন্তু অন্যদের ভুল ব্যাখ্যার কারণে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি বিজেপির পতাকার তলে আসতে। কারণ বিজেপির জনপ্রিয়তার (Threat Politics) গ্রাফ ধীরে ধীরে ওপরে উঠছে।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বর্তমানে উত্তর-পূর্ব ভারতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আগে অনেকেই উগ্রপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়তেন, বিশেষ করে জনজাতি সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ। কারণ তাঁরা বুঝতে পারতেন না তাঁদের প্রকৃত অভিভাবক কে। কিছু মানুষ ব্যক্তিস্বার্থে তাঁদের ভুল পথে চালিত করেছিলেন। আজ উত্তর-পূর্বে প্রায় ১১-১২টি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, যার ফলে শান্তি এসেছে। কিন্তু এখনও দেশের শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে।”

    জনজাতি সম্প্রদায়

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরলস প্রচেষ্টার ফলে রাজ্যের জনজাতি সম্প্রদায়ের ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পর আগরতলা বিমানবন্দরকে আধুনিক ত্রিপুরার নির্মাতা মহারাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে (Threat Politics)। সাংগ্রাম্মা পূজার দিনটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। গরিয়া পূজার সরকারি ছুটি এক দিন থেকে বাড়িয়ে দু’দিন করা হয়েছে (Manik Saha)।” এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, পশ্চিম জেলা সদর গ্রামীণ সভাপতি গৌরাঙ্গ ভৌমিক, জনজাতি মোর্চার সহ-সভাপতি মঙ্গল দেববর্মা, লেফুঙ্গা আরডি ব্লকের বিএসি চেয়ারম্যান রণবীর দেববর্মা এবং অন্য শীর্ষ নেতা-কর্মীরা (Threat Politics)।

  • PM Modi: “ভারতের প্রগতি এবং আর্থিক বৃদ্ধির হারের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের গভীর যোগ”, বললেন মোদি

    PM Modi: “ভারতের প্রগতি এবং আর্থিক বৃদ্ধির হারের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের গভীর যোগ”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিটের ২৩তম সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ভারতের প্রগতি এবং আর্থিক বৃদ্ধির হারের (India’s rate of growth) সঙ্গে হিন্দু ধর্মের যোগসূত্রের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “কয়েক দশক আগে বিশ্ব যখন আর্থিক মন্দার শিকার হয়েছিল সেই সময় ভারত নিজের উন্নয়ন এবং বৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রেখে এগিয়ে গিয়েছে। বিশ্ব যখন বিশ্বাস এবং আস্থার সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল সেই সময় ভারতই হয়ে উঠেছিল বিশ্বের আস্থা স্তম্ভের ভরকেন্দ্র। বিশ্ব যখন খণ্ডিত, তখন ভারত সেতুবন্ধনকারী হিসেবে অবিচলভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে।”

    এক সন্ধিক্ষণে আছি

    সম্মলেনে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা এমন এক সন্ধিক্ষণে আছি যেখানে একবিংশ শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশ পেরিয়ে গিয়েছে (India’s rate of growth), এবং বিশ্ব অনেক উত্থান-পতন দেখেছে। আর্থিক সংকট, বিশ্বব্যাপী মহামারী, পূর্ব-পশ্চিমে যুদ্ধ সহ একাধিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিগুলি কোনও না কোনওভাবে বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। বিশ্বাস, আস্থা এবং বোধের মূলে চরম আঘাত করেছে। আজ বিশ্ব অনিশ্চয়তায় ভরা, কিন্তু এর মধ্যে আমাদের ভারত একটি ভিন্ন স্তরে উপস্থিত হতে চলেছে। ভারত আত্মবিশ্বাসে পূর্ণ, আগামীদিনে বিশ্বের সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে ভারতীয় যুব সমাজ।”

    ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত

    প্রধানমন্ত্রী মোদি পূর্ববর্তী কংগ্রেস এবং ইউপিএ জোট সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, “কংগ্রেসের শাসনে ব্যবস্থাগুলি এমন নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল। সরকার ব্যবস্থার ওপর নিজের নাগরিক সমাজের বিশ্বাস ভেঙে পড়েছিল। আমাদের সরকার সেই কাজ করার পদ্ধতিগুলিকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দিয়েছে। একজন নাগরিকের স্ব-প্রত্যয়িত নথিই তার সত্যতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। একটি সরকারের সবচেয়ে বড় দিক তার দেশের নাগরিকদের প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস। আমাদের দেশকে প্রতিটি কোণ থেকে ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত করতে হবে। আমি আগামী ১০ বছরের জন্য নাগরিকদের দৃষ্টিভঙ্গিকেই (India’s rate of growth) সামনে রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

    গ্যারান্টি-মুক্ত ঋণের রূপান্তর

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, “কম সময়ে নাগরিকদের ক্ষমতায়নকে যাতে আরও বেশি বেশি করে করা যায়, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে আমাদের সরকার। সকলেরই প্রয়োজন বিশেষ বিশেষ কাজের জন্য সবরকমভাবে প্রস্তুত হওয়া। সমস্ত কাজ এবং সংস্কারগুলি জনবিশ্বাস, শক্তি এবং বিধানের অংশ। সাধারণ মানুষের ওপর বোঝা কম এবং ছোটখাটো সম্মতিগুলিকে অপরাধমুক্তকরণের পক্ষেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একইভাবে গ্যারান্টি-মুক্ত ঋণের রূপান্তরমূলক প্রভাবকে জনমুখী করা হয়েছে। ছোট বিক্রেতা, ফেরিওয়ালা এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩৭ লাখ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। যারা মাত্র ১,০০০ টাকা দাবি করে তারাও গ্যারান্টি ছাড়াই ঋণ পাচ্ছে। আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে প্রশাসনের মনোযোগ বিশেষভাবে রয়েছে।”

    বিরাট বিনিয়োগকে সহযোগিতা

    দাবিহীন তহবিলের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) চমকপ্রদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “ব্যাংকগুলিতে ৭৮,০০০ কোটি টাকা, বীমা কোম্পানিগুলিতে ১৪,০০০ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডে ৩,০০০ কোটি টাকা এবং লভ্যাংশে ৯,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিরাট বিনিয়োগকে সহযোগিতা করেছে সরকার। সরকার নাগরিকদের ন্যায্য উপার্জন পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য বিশেষ জেলা-স্তরের শিবিরও চালু করেছে। এখন এই বিনিয়োগের টাকার হাজার হাজার কোটি টাকা ইতিমধ্যেই ফিরেও এসেছে। এই সবটাই দেশের নাগরিকদের কষ্টার্জিত অর্থ। জনসাধারণের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার (India’s rate of growth) করা সরকারের সবচেয়ে বড় মূলধন।”

    ম্যাকোলের দাসত্বের মানসিকতাকে ত্যাগ

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) গভীরভাবে ব্যক্তিগত স্তরে আবেদন করে বলেন, “নাগরিকদের ২০৩৫ সালের মধ্যে লর্ড ম্যাকোলের দাসত্বের মানসিকতাকে ত্যাগ করতে হবে। আগামী দশ বছরের জন্য ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকারকে কাটিয়ে উঠতে হবে। এই জন্য দেশকে পরিচালিত করতে বিশেষ লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। তবে দেশের জনগণের সমর্থন ছাড়া আমি এটা করতে পারব না। আমাদের একে অন্যের পদাঙ্ককে অনুসরণ করতে হবে। আমাদের লাইন আরও বড় করতে হবে। সকল প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে, আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”

  • Ministry of Civil Aviation: সমস্ত বিমান সংস্থার ওপর ভাড়ার সীমাবদ্ধতা আরোপ করল বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক

    Ministry of Civil Aviation: সমস্ত বিমান সংস্থার ওপর ভাড়ার সীমাবদ্ধতা আরোপ করল বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিগোর ফ্লাইট বাতিলের ফলে বেসামরিক বিমান চলাচলে বিরাট সংকট তৈরি হয়েছে। বাতিল এবং বিলম্বিত ফ্লাইটের পরিপ্রেক্ষিতে মূল্য বৃদ্ধি রোধ করতে বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক (Ministry of Civil Aviation) সমস্ত বিমান সংস্থার ওপর ভাড়ার সীমাবদ্ধতাকে আরোপ করেছে। এক বিবৃতিতে মন্ত্রক জানিয়েছে, “বিমান চলাচলে (IndiGo flights) সাময়িক সঙ্কটের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু বিমান সংস্থা অস্বাভাবিক ভাবে বেশি পরিমাণে বিমান ভাড়া আদায় করছে। ফলে জনসাধারণ সমস্যায় পড়ছে। তাই বিষয়টি কতটা উদ্বেগজনক তা ভারত সরকার নিরীক্ষণ করছে।”

    ব্যস্ত রুটে ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত ভাড়া নিশ্চিত (Ministry of Civil Aviation)

    বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক (Ministry of Civil Aviation) স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে, “যাত্রীদের যে কোনও ধরণের সহযোগিতায় সরকার দায়িত্বশীল। সুবিধাজনক বিমান পরিষেবা এবং ভাড়ার অতরিক্ত মূল্য থেকে রক্ষা পেতে মন্ত্রক সমস্ত রকম সহযোগিতা করবে। সকল ব্যস্ত রুটে ন্যায্য এবং যুক্তিসঙ্গত ভাড়া নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রক ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে।” আর সেই অনুযায়ী, বিভিন্ন দূরত্বের জন্য বিমান সংস্থাগুলি সর্বোচ্চ কত ভাড়া নিতে পারে তাও প্রকাশ করেছে মন্ত্রক (IndiGo flights)। কেন্দ্রের ঘোষিত সীমা তালিকা অনুসারে, বিমান সংস্থাগুলি ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের জন্য সর্বোচ্চ ৭,৫০০ টাকা চার্জ করতে পারবে। ৫০০-১০০০ কিলোমিটারের জন্য, সর্বোচ্চ ভাড়া ১২,০০০ টাকা, ১০০০ থেকে ১৫০০ কিলোমিটারের জন্য, সর্বোচ্চ ভাড়া ১৫,০০০ টাকা এবং ১৫০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের জন্য, বিমান সংস্থাগুলি সর্বোচ্চ ১৮,০০০ টাকা ভাড়া নিতে পারবে। তবে এই ভাড়াগুলি হল মূল ভাড়ার জন্য উন্নয়ন ফি (UDF), যাত্রী পরিষেবা চার্জ (PSF) এবং কর এই বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত নয়।

    বিমান সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে টিকিট কাটার পরামর্শ

    মন্ত্রক (Ministry of Civil Aviation) জানিয়েছে ভাড়া স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বা পরবর্তী পর্যালোচনা না হওয়া পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ভাড়ার এই নির্দেশিকা কার্যকর থাকবে। এই ভাড়ার মূল্য সকল ধরনের বুকিংয়ের জন্য প্রযোজ্য হবে। তবে যাত্রীদের টিকিটের ক্রয়-বিক্রয় সরাসরি বিমান সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।  বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে টিকিট গ্রহণ না করার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রক। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, বিমান সংস্থাগুলি ভ্রমণের জন্য সকল ক্ষেত্রে বিমান টিকিটের সহজলভ্যতা বজায় রাখবে এবং চাহিদা বৃদ্ধির কারণে প্রয়োজনে তারা সেক্টরগুলিতে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করবে।

    মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ফ্লাইট বাতিলের (IndiGo flights) ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সেক্টরগুলিতে ভাড়ার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এড়াতে বিমান সংস্থাগুলিকে অনুরোধ করা হয়েছে। বিমান সংস্থাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করবে, যেখানে সম্ভব বিকল্প বিমানের বিকল্পগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ভাড়ার সর্বোচ্চ সীমার আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • Assam Tea: ‘বন্ধু’ পুতিনকে গুচ্ছ উপহার মোদির, কী কী দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    Assam Tea: ‘বন্ধু’ পুতিনকে গুচ্ছ উপহার মোদির, কী কী দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের সুস্বাদু ব্ল্যাক টি (Assam Tea), কাশ্মীরি জাফরান, হাতে তৈরি রূপোর ঘোড়ার মূর্তি, নকশাদার টি-সেট এবং ভগবদ্‌ গীতার রুশ ভাষার সংস্করণ – এইসব উপহার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ‘বন্ধু’ ভ্লাদিমির পুতিনের হাতে তুলে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    পুতিনকে উপহার (Assam Tea)

    শ্রীমদ্‌ ভগবদ্‌ গীতা হল এমন একটি গ্রন্থ, যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের সময় অর্জুনকে তাঁর কর্তব্য, চিরন্তন আত্মা এবং আত্মিক মুক্তি সম্পর্কে উপদেশ দেন। এর চিরন্তন জ্ঞান নৈতিক জীবনযাপন, মন নিয়ন্ত্রণ এবং অন্তরের শান্তি অর্জনে সহায়তা করে। বিভিন্ন অনুবাদের মাধ্যমে এটি আজ বিশ্বের আধুনিক পাঠকদের কাছেও সহজলভ্য হয়েছে (PM Modi)। উর্বর ব্রহ্মপুত্র সমভূমিতে উৎপাদিত অসম ব্ল্যাক টি তার শক্তিশালী মাল্টি স্বাদ, উজ্জ্বল রঙ এবং ‘অসমিকা’ জাতের ঐতিহ্যবাহী প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। ২০০৭ সালে জিআই ট্যাগ প্রাপ্ত, এটি ভূমি, জলবায়ু ও কারুশিল্পের দ্বারা গঠিত সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের প্রতীক।

    সমৃদ্ধ শিল্পকলা

    জটিল নকশা ও খোদাই করে নির্মিত মুর্শিদাবাদের সুসজ্জিত রুপোর চা-সেট পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ শিল্পকলা এবং ভারত ও রাশিয়ার চা সংস্কৃতির গভীর গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে। আধিকারিকরা জানান, ভালোবাসা ও স্নেহের নিদর্শন হিসেবে উপহার দেওয়া এই সেট ভারত-রাশিয়া বন্ধুত্বের স্থায়িত্ব ও চায়ের চিরন্তন অনুষঙ্গকে উদযাপন করে। সূক্ষ্ম শিল্পকৌশলে সজ্জিত মহারাষ্ট্রের হাতে তৈরি রৌপ্য ঘোড়াটি ভারতের ধাতু কারুশিল্পের উৎকর্ষতা প্রমাণ করে। হাতে তৈরি ঘোড়ার ঠাঁট-ঠমকপূর্ণ, সামনের দিকে এগিয়ে চলার ভঙ্গি ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের স্থায়িত্ব এবং নিরন্তর অগ্রগতির রূপক। আগ্রায় হাতে তৈরি মার্বেল পাথরের দাবা সেট সূক্ষ্ম কারুশিল্প ও ব্যবহারিক সৌন্দর্যের সমন্বয়, যা ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ (ODOP) উদ্যোগের অধীনে এ অঞ্চলের পাথরের শিল্পঐতিহ্যকে তুলে ধরে (Assam Tea)।

    কাশ্মীরি জাফরান, স্থানীয়ভাবে ‘কোং’ বা ‘জাফরান’ নামে পরিচিত, কাশ্মীরের উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে উৎপাদিত হয়। রঙ, সুগন্ধ ও স্বাদের জন্য এটি বিখ্যাত (PM Modi)। গভীর সাংস্কৃতিক ও রন্ধনপ্রণালীগত গুরুত্বও বহন করে কাশ্মীরি জাফরান।

  • Vladimir Putin India Visit: সময় পরীক্ষিত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়! অর্থনীতি–প্রতিরক্ষা–পর্যটন–শিক্ষাসহ নানা চুক্তি ভারত-রাশিয়ার

    Vladimir Putin India Visit: সময় পরীক্ষিত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়! অর্থনীতি–প্রতিরক্ষা–পর্যটন–শিক্ষাসহ নানা চুক্তি ভারত-রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফর শেষ করে শুক্রবার রাতেই দেশ ছাড়লেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Russian President, Vladimir Putin)। ২৮ ঘণ্টার ব্যস্ত সূচি শেষে বিদায়বেলায় পুতিনকে এগিয়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা, ব্যাঙ্কোয়েট হলে মোদি (PM Narendra Modi)–পুতিনের পাশাপাশি বসা, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বক্তব্য—সব মিলিয়ে বৈঠকের গাম্ভীর্য থেকে জোরদার বার্তা পাঠাল দুই দেশ। শুরু হল দিল্লি–মস্কো (Vladimir Putin India Visit) সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়। বাণিজ্য থেকে জ্বালানি, পারমাণবিক শক্তি থেকে প্রতিরক্ষা—প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করে ফেলল দুই দেশ।

    জ্বালানি ও বাণিজ্যে গভীরতর সম্পর্ক

    দিল্লি-মস্কো ঠিক করে ফেলল আগামী ছয় বছরের বাণিজ্যিক পথনকশা। লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যেই ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য। বৈঠক শেষে রাশিয়ার স্পষ্ট বার্তা, “ভারতকে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত মস্কো।” জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পারমাণবিক শক্তি—সব খাতেই যৌথ উন্নয়নে এগোবে দুই দেশ। জ্বালানি নিরাপত্তাকে ভারত–রাশিয়া অংশীদারিত্বের মূল স্তম্ভ বলে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, নাগরিক পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা দুই দেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানি লক্ষ্যের প্রতি অঙ্গীকারকে আরও জোরদার করছে। দুই দেশই রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। পাশাপাশি, জি-২০, ব্রিকস, এসসিওর মতো ফোরামে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। প্রতিরক্ষায় যৌথ উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এদিন রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ভারত ও রাশিয়ার লেনদেন পৌঁছে গিয়েছে ৬৪ বিলিয়ন ডলারে। শীঘ্রই এই অঙ্কটা পৌঁছে যাবে ১০০ বিলিয়ন ডলারে।” একইসঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট জানা এই বাণিজ্যের ৯৬ শতাংশই হয়েছে দেশীয় মুদ্রায় অর্থাৎ ভারতের টাকা ও রাশিয়ার রুবেলে মাধ্যমে। অর্থাৎ ডলারকে পাশ কাটিয়ে দেশীয় মুদ্রায় লেনদেনের ক্ষেত্রে জোয়ার এনেছে দুই দেশ। যা আমেরিকার ডলার অস্ত্রকে কড়া জবাব বলেই মনে করা হচ্ছে।

    রাশিয়ায় দু’টি নতুন দূতাবাসের উদ্বোধন

    সম্মেলনের পর এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “২৩তম ভারত–রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নানান দিক নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। আমরা ২০৩০ সাল পর্যন্ত অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচিতে সম্মত হয়েছি। সংযোগ বৃদ্ধি, জাহাজ নির্মাণ, দক্ষতা উন্নয়ন, শক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বহু ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো হবে।” রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে ভারত আবারও জানিয়েছে—ভারত শান্তির পক্ষেই। মোদি জোর দিয়ে বলেছেন, স্থায়ী শান্তিই ভারতের লক্ষ্য, এবং অচলাবস্থা নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধান জরুরি। শুক্রবার যৌথ প্রেস বৈঠক থেকে রাশিয়ায় দু’টি নতুন দূতাবাসের উদ্বোধনের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন তিনি বলেন, ‘ভারত-রাশিয়ার সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিকটাই হল উভয় দেশের সংস্কৃতি ও জনসাধারণ।’ আর সেই সংস্কৃতি ও জনসাধারণের মেলবন্ধনকে বজায় রাখতে রাশিয়ার কাজান এবং ইয়েকাতেরিনবুর্গে দু’টি ভারতীয় দূতাবাস খুলেছে নয়াদিল্লি। যার উদ্বোধন হল শুক্রবার।

    কুড়ানকুলামের দায়িত্ব নিলেন পুতিন

    ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কুড়ানকুলামে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে রাশিয়া। তামিলনাড়ুর এই পারমাণবিক কেন্দ্রে ছয়টি চুল্লির মধ্য়ে দু’টি ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাকি চারটি এখনও নির্মীয়মান। সেগুলির দায়িত্ব নিতে চায় রাশিয়া, জানিয়েছেন খোদ পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্টের কথায়, ‘সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকে পূর্ণ ক্ষমতা প্রদান করব আমরা।’ দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী মন্তব্য করেন পুতিন। তিনি বলেন, “আগামী দিনে আমাদের এই বন্ধুত্ব বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তি দেবে এবং এই বিশ্বাস আমাদের যৌথ ভবিষ্যৎ আরও সমৃদ্ধ করবে।” মোদি এদিন ভারত–রাশিয়া বন্ধুত্বকে “ধ্রুবতারা” বলে অভিহিত করেন—যা বহু ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও অটুট থেকেছে। ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ফোরামের সঙ্গে দ্রুত এফটিএ (FTA) সম্পাদনের আহ্বান জানায় ভারত-রাশিয়া। দুই নেতা দ্রুত ইএইউ (Eurasian Economic Union)-এর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে মতৈক্যে আসেন।

    ২৩তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যে প্রধান সমঝোতাগুলিতে সই হয়েছে—

    ভারত–রাশিয়া কৌশলগত সহযোগিতা কর্মসূচি (২০২৩–২০৩০)—বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জাহাজ নির্মাণ, শক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইত্যাদিতে সহযোগিতা বিস্তারের লক্ষ্যে একগুচ্ছ চুক্তি।

    দুই দেশের নাগরিকদের অস্থায়ী শ্রম কার্যক্রম সংক্রান্ত চুক্তি

    অবৈধ অভিবাসন দমনে সহযোগিতা

    উভয় দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মধ্যে স্বাস্থ্য, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা

    খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা

    মেরু জলে পরিচালিত জাহাজের বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণে সহযোগিতা

    রাসায়নিক সার খাতে সহযোগিতা

    পণ্য ও যানবাহনের প্রি-অ্যারাইভাল তথ্য বিনিময়

    দুই দেশের ডাক ও যোগাযোগ বিভাগে চুক্তি

    মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় ও লোমোনোসভ মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটির মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা

    তথ্য ও সম্প্রচার ক্ষেত্রে প্রসার ভারতী ও রাশিয়ার বিভিন্ন মিডিয়া সংস্থার মধ্যে একাধিক চুক্তি

    ভারত নেতৃত্বাধীন ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্সে (IBCA) রাশিয়ার যোগদানের জন্য কাঠামোগত চুক্তি

    “ইন্ডিয়া ফেব্রিক অফ টাইম” (India, Fabric of Time) প্রদর্শনীর আয়োজন

    রুশ নাগরিকদের জন্য ৩০ দিনের ই-ট্যুরিস্ট ভিসা বিনামূল্যে প্রদান

    রুশ পর্যটকদের জন্য গ্রুপ ট্যুরিস্ট ভিসা বিনামূল্যে প্রদান

LinkedIn
Share