Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Modi Maa Durga Aarti: সকলের সুখ ও কল্যাণের জন্য প্রার্থনায় অষ্টমী সন্ধ্যায় দিল্লিতে মা দুর্গার আরতি করলেন মোদি

    Modi Maa Durga Aarti: সকলের সুখ ও কল্যাণের জন্য প্রার্থনায় অষ্টমী সন্ধ্যায় দিল্লিতে মা দুর্গার আরতি করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নবরাত্রি (Navratri)৷ দুর্গাপুজোর নবমী (Maha Navami) তিথি পড়ে গিয়েছে৷ এই আবহে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর চিত্তরঞ্জন পার্কের দুর্গাপুজোর মণ্ডপে দেবী দর্শনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Maa Durga Aarti)৷ করলেন আরতি-প্রার্থনা৷ তিনি নিজে পুজো মণ্ডপে আরতি করার ছবি পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ রাজধানীর বুকে সিআর পার্ক (PM Modi CR Park Puja) একখণ্ড ‘বঙ্গভূমি’ বলেই পরিচিত৷ দিল্লিতে পুজোর সময় বাঙালিদের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হয়ে ওঠে সিআর পার্কের পুজো৷ এই পুজো ঘিরে উৎসবে মেতে ওঠে দিল্লি৷ শহরের বিভিন্ন প্রান্তের বাঙালি এবং অন্য ভাষাভাষিরাও এখানে আসেন৷ এবার এই পুজোয় সামিল হলেন প্রধানমন্ত্রী৷

    দুর্গামণ্ডপ ও কালীবাড়িতে আরতি মোদির

    দু’দিন আগে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল কলকাতার দুর্গাপুজোর কথা। মহাষ্টমীর রাতে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি হাজির হলেন রাজধানীর দুর্গাপুজোর মণ্ডপে। নয়াদিল্লির প্রখ্যাত বাঙালি মহল্লা চিত্তরঞ্জন পার্কের মণ্ডপে গিয়ে মঙ্গলবার পূজাপাঠ করলেন প্রধানমন্ত্রী (Modi Maa Durga Aarti)। এদিন সন্ধ্যায় পদ্মফুল হাতে নিয়ে পুজোয় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। নিজে হাতে দেবীর আরতি করেন তিনি। ভক্তিভরে প্রণাম করেন দেবীকে। মহিলারা উলুধ্বনি ও শঙ্খ বাজিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। সঙ্গে ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং স্থানীয় বিজেপি সাংসদ বাঁশুরী স্বরাজ। পাশাপাশি, চিত্তরঞ্জন পার্কের কালীবাড়িতে মা কালীকেও এদিন আরতি করেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই প্রথমবার চিত্তরঞ্জন পার্কের দুর্গাপুজোয় হাজির থাকলেন নরেন্দ্র মোদি।

    সমাজমাধ্যমে ভিডিও পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর

    প্রথমে কথা ছিল ষষ্ঠীতে সিআর পার্কের পুজোয় আসবেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যায়। এরপর এসপিজি, দিল্লি পুলিশ, ফায়ার ব্রিগেডের তরফ থেকে চিত্তরঞ্জন পার্কের কালীমন্দিরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো হয় ৩০ সেপ্টেম্বর মহাষ্টমীর দিন আসবেন মোদি। দুর্গামণ্ডপ এবং কালীবাড়িতে নিজের উপস্থিতির ছবি এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করেন মোদি। ইনস্টাগ্রামে ভাগ করে নেন তার ভিডিও। সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বাংলাতে পোস্টও করেন। লেখেন, ‘‘আজ মহাষ্টমীর পুণ্যদিনে আমি দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্কের দুর্গাপুজোয় অংশ নিতে গিয়েছিলাম। চিত্তরঞ্জন পার্ক, বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। আমাদের সমাজের ঐক্য ও সাংস্কৃতিক প্রাণময়তার প্রকৃত রূপ ফুটে ওঠে এই অনুষ্ঠানগুলিতে। সকলের সুখ ও কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করেছি আমি (Modi Maa Durga Aarti)।’’

  • Bhagat Singh: প্রত্যক্ষ সংগ্রামের প্রতীক ছিলেন ভগত সিং, যুবসমাজের আইকন

    Bhagat Singh: প্রত্যক্ষ সংগ্রামের প্রতীক ছিলেন ভগত সিং, যুবসমাজের আইকন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ সেপ্টেম্বর আজ স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগত সিং (Bhagat Singh)- এর জন্মদিন। আজ সারা দেশজুড়ে এই মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীর জন্মজয়ন্তী (Birth Day) পালন করছে। পরাধীন ভারতে তিনি ছিলেন নির্ভীক অকুতোভয়ী এবং অদম্যসাহসী। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ সংগ্রামে যোগদান করেছিলেন। তাঁকে ঘিরে রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছিল ব্রিটিশ শাসকদের। ফাঁসির মঞ্চে হাসির জয়গান দিয়ে বরণ করেছিলেন মৃত্যু। এই বিপ্লবীর অবদান স্বাধীনতা উত্তর ভারতে আজও অম্লান। ভগত সিং এখন শুধু নাম নয় অনুপ্ররণা।

    প্রত্যক্ষ সংগ্রামকেই একমাত্র শ্রেষ্ঠপথ(Bhagat Singh)

    ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন পশ্চিম পঞ্জাবে জন্মগ্রহণ (Birth Day) করেছিলেন ভগত সিং (Bhagat Singh)। মাত্র ২৩ বছর বয়সে নিজের জীবনকে ভারত মাতার মুক্তির জন্য উৎস্বর্গ করে দিয়েছিলেন। তাঁর সহযোদ্ধাদের মধ্যে ছিলেন রাজগুরু ও সুখদেব। তাঁদের ব্রিটিশ বিরোধী কর্মকাণ্ড দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে সম্পূর্ণ ভাবে বদলে দিয়েছিল। ১৯৯১ সালে জালিয়ানওয়ালা বাগের হত্যাকাণ্ড ব্যাপক ভাবে মনে প্রভাব ফেলছিল। যে ভাবে ব্রিটিশ শাসক জেনারেল ডায়ার নিরাপরাধ নারী ও শিশুদের হত্যা করেছিল, তাতে ব্রিটিশ বিরোধী প্রত্যক্ষ সংগ্রামকেই একমাত্র শ্রেষ্ঠপথ বলে মনে করেন ভগত সিং।

    জন সন্ডার্সকে হত্যা করেছিলেন

    ভগত সিং (Bhagat Singh) ভারতকে স্বাধীন করতে হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে যোগদান করেছিলেন। তাঁর কর্মকাণ্ড অল্প সময়ের মধ্যেই গোটা দেশজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করে ছিল। ব্রিটিশদেরও চক্ষুশূল হয়ে উঠেছিলেন নিজে। তিনি ভালো ভাবেই জানতেন আবেদন-নিবেদন নীতিতে দেশের স্বাধীনতা আসবে না। প্রয়োজন একটি বড় সংগ্রামের। বধির ভারতীয়ের মনে-প্রাণে যাতে সাড়া জেগে ওঠে সেই জন্যই প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অংশ নেন ভগত সিং। তিনি লালা লাজপত রায়কে হত্যার বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন। প্রতিবাদে ১৯২৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর লাহোর জেলা পুলিশের সদরদফতরের বাইরে ব্রিটিশ পুলিশ অফিসার জন সন্ডার্সকে হত্যা করেছিলেন। ১৯২৮ সালের ৮ এপ্রিল বটুকেশ্বর দত্তের সঙ্গে মিলিত হয়ে বিধানসভায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটান। তিনি বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক বা ইনকিলাব জিন্দাবাদের ধ্বনিও তুলেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশ সরকার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের কাণ্ডারি হিসেবে গ্রেফতার করেছিল। ১৯৩১ সালের ২৩ মার্চ তাঁর ফাঁসি হয়েছিল। তাঁর আত্মবলিদান দেশের জন্য আজও স্মরণীয়।

  • Thalapathy Vijay:  বিজয় থলপতির সভায় পদপৃষ্ঠ হয়ে মৃত ৩৯ জনের, তদন্তের নির্দেশ স্ট্যালিনের

    Thalapathy Vijay:  বিজয় থলপতির সভায় পদপৃষ্ঠ হয়ে মৃত ৩৯ জনের, তদন্তের নির্দেশ স্ট্যালিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলাগা ভেটরি কাজাগম দলের প্রতিষ্ঠাতা দক্ষিণ ভারতের অভিনেতা বিজয় থলপতি (Thalapathy Vijay)। শনিবার তাঁর একটি বড় জনসভায় ব্যাপক পরিমাণে জনসমাগম হয়েছিল। উপচে পড়া ভিড়ে কার্যত বক্তৃতা থামিয়েই দিতে হয় তাঁকে। উপস্থিত পুলিশ বেসামাল হয়ে পড়েছিল। মাত্রাছাড়া ভিড়ের কারণে পদপৃষ্ট (Stampede) হয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম হয়েছেন ৫১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শিশুও। বেশকিছু জনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রপতি মুর্মু।

    অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন (Thalapathy Vijay)

    এই মর্মান্তিক (Thalapathy Vijay) ঘটনায় তামিলনাড়ু প্রশাসন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন সাংবাদিকদের বলেন, “এখন পর্যন্ত, ৩৯ জন মারা গেছেন, যার মধ্যে ১৩ জন পুরুষ, ১৭ জন মহিলা, ৪ জন ছেলে এবং ৫ জন মেয়ে। ২৬ জন পুরুষ এবং ২৫ জন মহিলা সহ ৫১ জন গুরুতর ভাবে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কারুর জেলায় বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্র্রি কাজাগামের একটি রাজনৈতিক সমাবেশের সময় এই ঘটনাটি ঘটেছে। সম্পূর্ণ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য তামিলনাড়ু সরকার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্ত করবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অরুণা জগদীশনের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন।”

    রাজনৈতিক সভায় পদপৃষ্ঠ

    ২০২৬ সালেই এই রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই এখন থেকেই নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েছেন বিজয়। ২০২৪ সালেই বিজয় তাঁর দলের স্থাপনা করেন। তিন দশকের বেশি সময় ধরে সিনেমায় যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর রাজনৈতিক সভায় আগেও ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে এদিনের সভায় স্পষ্ট দেখা গিয়েছে ভিড়ে ঠাসা একটি জায়গায় বিজয় (Thalapathy Vijay) গাড়ির উপরে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছিলেন। তারপর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেই শুরু হয় ভয়াবহ দুর্ঘটনা।

    আগেও হয়েছিল পদপৃষ্ঠ

    বিজয় (Thalapathy Vijay) নিজের এক্স হ্যান্ডলে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “আমার হৃদয় ভেঙে গিয়েছে। আমার যন্ত্রণা প্রকাশের ভাষা নেই। যাদের আত্মীয়দের হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমি সমব্যাথি। মৃতদের প্রতি আমি শোক প্রকাশ করছি। হাসপাতালে ভর্তিদের প্রতি দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।” তবে বিজয়ের সভায় এই প্রথম পদপৃষ্ঠ (Stampede) হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। আগে গত বছরের অক্টোবরে এই ঘটনা ঘটে। সেই বারও মোট ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। বারবার এই ধরনের ঘটনায় ব্যবস্থাপনা এবং সুরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন রাজনীতির একাংশ মানুষ।

  • MEA Slams NATO: ‘‘বিবৃতি দেওয়ার আগে তথ্য যাচাই করবেন’’! নেটো প্রধানকে সতর্ক করল ভারত

    MEA Slams NATO: ‘‘বিবৃতি দেওয়ার আগে তথ্য যাচাই করবেন’’! নেটো প্রধানকে সতর্ক করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেটোর মহাসচিব মার্ক রুট সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, মার্কিন শুল্কবাণ ঠেকাতে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ফোন করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তাঁর আরও দাবি ছিল, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে সম্প্রতি ফোনে আলোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এবার, নেটো প্রধানের করা সেই বক্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রুটের দাবি সরাসরি খারিজ করে বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ‘‘তথ্যগত ভাবে ভুল এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করবেন না।’’ সেইসঙ্গে, নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (নেটো) প্রধানকে নয়াদিল্লির সতর্কবার্তা, ‘‘ভবিষ্যতে প্রকাশ্যে বিবৃতি দেওয়ার আগে সঠিক তথ্য যাচাই করবেন।’’

    কী বলল বিদেশমন্ত্রক?

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের ফোনালাপ প্রসঙ্গে নেটো প্রধান রুটের বয়ান শুনেছি। আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই এই বয়ান সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা। নেটো প্রধানের এই মন্তব্য তথ্যের দিক দিয়ে পুরোপুরি ভুল এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রধানমন্ত্রী মোদি শুল্ক ইস্যুতে কোনও আলোচনা করেননি পুতিনের সঙ্গে। ফলে যে দাবি করা হচ্ছে তার কোনও অর্থ নেই।” নেটো প্রধানের দাবিকে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য বলে উল্লেখ করেছেন জয়সওয়াল। তিনি বলেন, “নেটোর মতো এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের আধিকারিকদের কাছ থেকে আমরা আশা করব তাঁরা যেন এই ধরনের বিবৃতি দেওয়ার আগে সঠিক তথ্য যাচাই করবেন। নেটোর মতো প্রতিষ্ঠান যে দায়িত্ববান হবে, সেটাই আমরা আশা করি। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এই ধরনের টিপ্পনী কখনই গ্রহনযোগ্য নয়। এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতার নজির।”

    মার্কিন শুল্কের জবাব

    সাম্প্রতিক অতীতে ভারত-আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যেভাবে চড়াই- উতরাই পেরিয়েছে। প্রথমে ২৫ শতাংশ ও পরে রাশিয়ার তেল কেনার অভিযোগে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছে ভারতের উপর। সবমিলিয়ে মোট মার্কিন শুল্কের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। আমেরিকা দাবি করেছে যে, রাশিয়ার থেকে জ্বালানি তেল কেনার জেরে তারা ভারতের উপর এই শুল্ক চাপিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনে পরোক্ষভাবে মদত মিলছে ভারতের তেল কেনার মাধ্যমে। যার পরই নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে দেয় যে, “ভারত তার জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা রক্ষার্থে যা যা ব্যবস্থা অবলম্বন করা দরকার, তা করবে।” জয়সওয়াল বলেন, ‘‘আমি আবারও বলতে চাই যে, দেশের জনগণের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করা আমাদের কাছে অগ্রাধিকার। এই প্রচেষ্টায়, আমরা গোটা বিশ্বের বাজার দেখে সিদ্ধান্ত নিই।’’

    রুশ সেনায় ভারতীয়দের নিয়ে কথা

    এর মাঝে বৃহস্পতিবার আসে নেটো প্রধানের বয়ান। যেখানে তিনি দাবি করেন, ‘‘ভারতের উপর ট্রাম্পের শুল্ক চাপানোর বড় প্রভাব পড়ছে রাশিয়ায়। দিল্লি থেকে পুতিনকে ফোন করা হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদি তাঁকে ইউক্রেন নিয়ে প্রশ্ন করছেন। ইউক্রেন সম্বন্ধে পুতিনের অবস্থান জানতে চাইছেন বার বার।” এবার পালটা বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এই দাবি নিতান্ত জল্পনা বা ভাবনা-চিন্তা না করেই মন্তব্য৷ এই ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়৷ তিনি যোগ করেন, ২৭ জন ভারতীয় নাগরিককে রাশিয়ার সেনাবাহিনী থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য ভারত রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলেছে৷ নয়াদিল্লি জানতে পেরেছে, আরও অনেক ভারতীয় রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে ভাড়াটে সেনার কাজ করছে৷ তাঁদের পরিবারের কাছ থেকে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে৷ তিনি বলেন, ‘‘আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, তাতে এই মুহূর্তে ২৭ জন ভারতীয় রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে কাজ করছেন৷ আমরা তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি৷ আমরা আবারও সব ভারতীয়ের কাছে আর্জি জানাচ্ছি, রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাবের ফাঁদে পা দেবেন না৷ এই কাজ অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং জীবনের ঝুঁকি রয়েছে৷’’

  • BSNL swadeshi 4G network: দেশজুড়ে বিএসএনএল-এর স্বদেশি ৪জি পরিষেবার উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    BSNL swadeshi 4G network: দেশজুড়ে বিএসএনএল-এর স্বদেশি ৪জি পরিষেবার উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) হাত ধরে দেশজুড়ে চালু হল চালু হল রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থা বিএসএনএল-এর সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৪জি পরিষেবা (BSNL swadeshi 4G network)। শনিবার ওড়িশার ঝাড়সুগদা থেকে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ৯৭ হাজার ৫০০ বিএসএনএল ৪জি টাওয়ারের। ৩৭ হাজার কোটি টাকা দিয়ে এই স্বদেশি প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে। সংস্থার আশা, এর ফলে আরও হাইস্পিড ইন্টারনেট, কম কলড্রপ এবং উন্নত কানেক্টিভিটি পাবেন গ্রাহকরা। শনিবার উদ্বোধন হতে চলা টাওয়ারগুলির মধ্যে রয়েছে কলকাতা সার্কেলের ১৬০০টি এবং পশ্চিমবঙ্গ সার্কেলের ২ হাজার ১৪৮টি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) শনিবার ওড়িশা থেকে দাঁড়িয়ে বলেন, “টেলিকমে ভারত গ্লোবাল ম্যানুফাকচারিং হাব হয়ে উঠছে।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার পোস্ট রি-পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিন্ধিয়া তুলে ধরেছেন বিএসএনএলের ৪জি স্বদেশি (BSNL swadeshi 4G network) স্পিরিটকে। ৯২ হাজার সাইট জুড়েছে ২.২০ কোটি মানুষকে। এটা ভারতের নির্ভরতা থেকে আত্মবিশ্বাস, কর্মসংস্থান, রফতানি, আর্থিক উন্নয়ন ও আত্মনির্ভর ভারতের যাত্রাকে তুলে ধরেছে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান যে, স্থানীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিএসএনএলের নেটওয়ার্ক প্রত্যন্ত এলাকা, সীমান্তবর্তী এলাকায় যোগাযোগ স্থাপন করবে। সিন্ধিয়া বলেন, ‘‘এটি টেলিকম খাতের জন্য একটি নতুন যুগ, এমন একটি যুগ যেখানে ভারত বিগ ফোরের ডোমেনে প্রবেশ করেছে, যা বিশ্বে টেলিকম সরঞ্জাম উৎপাদন করে। ডেনমার্ক, সুইডেন, দক্ষিণ কোরিয়া, চিন, বড় চারটি দেশ এবং বড় পাঁচটি কোম্পানি। ভারত এখন বিশ্বের ইতিহাসে পঞ্চম দেশ এবং ষষ্ঠ কোম্পানি যারা টেলিকম সরঞ্জাম উৎপাদন করে।’’

    কী বলছে বিএসএনএল?

    উল্লেখ্য, এই স্বদেশী ৪জি পরিষেবার (BSNL swadeshi 4G network) নেপথ্যে রয়েছে তেজস নেটওয়ার্ক, টিসিএস এবং সি-ডট। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের বক্তব্য, প্রতিযোগিতায় আগেই পিছিয়ে পড়েছে বিএসএনএল। প্রশ্ন উঠছে, বেসরকারি টেলিকম সংস্থাগুলি এক যুগ আগে ৪জি পরিষেবা এনেছিল। তারা এখন ৪জি পেরিয়ে, এমনকী ৫জি পেরিয়ে ৬জি নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। ফলে, অন্যান্য টেলিকম সংস্থার উন্নত ৫জি নেটওয়ার্কের ভিড়ে আদৌ কতটা সাড়া ফেলবে বিএসএনএল-এর দেশীয় ৪জি পরিষেবা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। যদিও, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দাবি করেছেন, বিএসএনএল-এর ৪জি টাওয়ারগুলিতে (BSNL swadeshi 4G network) সফ্টওয়্যার আপডেট করলেই ৫জি পরিষেবা মিলবে। বিএসএনএল জানিয়েছে, আগামী দিনে ৪জি এবং ৫জি—দুই ক্ষেত্রেই পরিষেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী জায়গা করে নিতে চায় তারা, যাতে বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে পাল্লা দেওয়া যায়।

  • Rajnath Singh: ছয় দশকের সাহস, ত্যাগ আর গৌরবের কাহিনি! ভারতীয় বায়ুসেনা থেকে অবসর নিল মিগ-২১

    Rajnath Singh: ছয় দশকের সাহস, ত্যাগ আর গৌরবের কাহিনি! ভারতীয় বায়ুসেনা থেকে অবসর নিল মিগ-২১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্রেফ দেশের শক্তি নয়, মিগ ছিল ভারত-রাশিয়া সম্পর্কে গভীরতার প্রমাণ। ভারতীয় বায়ুসেনার কিংবদন্তি যুদ্ধবিমান মিগ-২১-এর অবসরে ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। শুক্রবার চণ্ডীগড় বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে এক আবেগঘন অনুষ্ঠানে অবসর নিল ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান মিগ-২১। আর মিগ-২১-এর বিদায়ের মুহূর্তে আবেগঘন ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। তিনি বলেন, “মিগ-২১ শুধু একটি বিমান নয়, এটি এক শক্তিশালী যন্ত্র, জাতীয় গর্ব এবং প্রতিরক্ষা ঢাল, যা দেশের আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলেছে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে।”

    ইতিহাসের সাক্ষী মিগ-২১

    রাজনাথ সিং স্মরণ করিয়ে দেন, মিগ-২১ (Mig 21) দীর্ঘ সময় ধরে বহু বীরত্বগাথার সাক্ষী হয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, কার্গিল সংঘাত, বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক কিংবা অপারেশন সিন্ধুর মতো ঐতিহাসিক অভিযানে এই বিমান ভারতের তিরঙ্গার মান বাড়িয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষায়, “প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে মিগ-২১ ভারতের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তাই এই বিদায় কেবল একটি বিমানের নয়, বরং আমাদের জাতীয় গৌরব, স্মৃতি ও সাহসের যাত্রার বিদায়।” ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে ৯০০টি মিগ-২১ ছিল। যার মধ্যে ৬৬০টি ভারতে নির্মিত। দশকের পর দশক ধরে এই যুদ্ধবিমানগুলিই দেশরক্ষার কাজ করেছে। বিভিন্ন সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে মোট ৮৭৪টি মিগ-২১ কিনেছে ভারত। জমজমাট এয়ার শো’র আয়োজন করা হয় যুদ্ধবিমানকে বিদায় জানাতে। বায়ুসেনা আধিকারিক ছাড়াও মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা হাজির ছিলেন বিদায় সংবর্ধনায়।

    গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

    মিগকে বিদায় জানানোর দিনে পুরনো স্মৃতি ফিরে দেখেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তাঁর কথায়, “যখনই আমরা কোনও ঐতিহাসিক মিশনে গিয়েছি, তখনই তেরঙ্গার গৌরব আরও বাড়িয়ে তুলেছে মিগ। দীর্ঘ ৬ দশকেরও বেশি সময় ধরে মিগের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল সাহস, ত্যাগ এবং দেশের গর্ব। একটা যুদ্ধ বা একটা অপারেশন নয়, দীর্ঘদিন ধরে মিগ ইতিহাসের সাক্ষী থেকেছে। কেবল একটা মেশিন বা একটা যুদ্ধবিমান নয়, আসলে ভারত এবং রাশিয়ার গভীর বন্ধুত্বের প্রমাণ ছিল এই মিগ।” সাম্প্রতিক অতীতে আমেরিকার চোখরাঙানি উপেক্ষা করে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা অনেকটাই বাড়িয়েছে ভারত। সেই প্রেক্ষিতে রাজনাথের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    জীবনের একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে মিগ

    আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাওয়া প্রথম ভারতীয় মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা স্মৃতিচারণায় বলেন, তাঁর জীবনের একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে মিগ। ২০০৭ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে এই যুদ্ধবিমান চালিয়েছেন তিনি। শুভাংশু বলেন, “আমার জীবনের একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে মিগ-২১। মিগ আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। প্রথমে, আমি মিগ-২১-এর ক্যালিবার চালিয়েছি। তারপরে চালিয়েছি মিগ-২১ বাইসন। আমি বিভিন্ন স্কোয়াড্রনে কাজ করেছি। মিগ চালানোর অভিজ্ঞতা অসাধারণ।” শুক্লা আরও বলেন, “আমার জীবনের একটা বড় অংশ আমি এই বিমানের সঙ্গে কাটিয়েছি। মিগ অবসর নেওয়ার আগে শেষবার আমি এই বিমান চালাতে চেয়েছিলাম। যদিও সময়ের অভাবে তা সম্ভব হয়নি। কিন্তু আমি এই অনুষ্ঠানে আসতে পেরে খুশি।”

    ভারতীয় বায়ুসেনার প্রথম সুপারসনিক যুদ্ধবিমান

    মিগ-২১ ছিল ভারতীয় বায়ুসেনার প্রথম সুপারসনিক যুদ্ধবিমান। ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে এর আগমন ভারতীয় বায়ুসেনাকে একেবারে নতুন যুগে প্রবেশ করায়। শুক্রবারের অনুষ্ঠানে রাশিয়ান উৎসের এই যুদ্ধ বিমানের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। শেষবারের মতো আকাশে ওড়ে ২৩ নম্বর স্কোয়াড্রন “প্যান্থারস” এর অন্তর্গত মিগ-২১। অনুষ্ঠানকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছিল ভারতীয় বায়ুসেনার নানা প্রদর্শনী। আকাশগঙ্গা প্যারাশুট টিম ৮,০০০ ফুট উচ্চতা থেকে লাফিয়ে পড়ে শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য উপহার দেয়। তিন বিমানের বাদল ও চার বিমানের প্যান্থার ফরমেশন ফ্লাইপাস্ট দর্শকদের মুগ্ধ করে। সুর্যকিরণ অ্যারোবেটিক টিম তাদের শ্বাসরুদ্ধকর কসরত দিয়ে অনুষ্ঠান মাতিয়ে তোলে, আর এয়ার ওয়ারিয়র ড্রিল টিম নিখুঁত শৃঙ্খলায় প্রদর্শনী করে। শেষে আকাশে দেওয়া হয় অবসরপ্রাপ্ত যোদ্ধাকে সম্মানসূচক স্যালুট।

  • Sonam Wangchuk: লাদাখে অশান্তির আবহ, সোনম ওয়াংচুকের এনজিও-র বিদেশি অনুদানের লাইসেন্স বাতিল

    Sonam Wangchuk: লাদাখে অশান্তির আবহ, সোনম ওয়াংচুকের এনজিও-র বিদেশি অনুদানের লাইসেন্স বাতিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখের অশান্তির (Ladakh violence) মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র সরকার (Central Government)। রাজ্যের পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিকে কেন্দ্র করে হিংসাত্মক বিক্ষোভের একদিন পরই সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের (Sonam Wangchuk) এনজিওর বিদেশি অনুদান গ্রহণের অনুমতি বাতিল করল সরকার। সরকারি সূত্রে খবর, ফরেন কন্ট্রিবিউশন (রেগুলেশন) অ্যাক্ট (FCRA) লঙ্ঘনের অভিযোগে ওয়াংচুকের প্রতিষ্ঠানের বিদেশি অনুদান নেওয়ার লাইসেন্স খারিজ করা হয়েছে। অভিযোগ, নিয়ম না মেনে বিদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছিল সংগঠনটি। গত ১০ সেপ্টেম্বর এনজিওকে চার দফা প্রশ্নসহ শো-কজ নোটিস দিয়েছিল সরকার। তার জবাবকে সন্তোষজনক বলে মনে করা হয়নি। তারপরই কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র।

    ওয়াংচুকের সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সূত্র অনুযায়ী, সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) গত দুই মাস ধরে সোনম ওয়াংচুকের সংস্থা হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ লার্নিং (HIAL)-এর বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রাথমিক অনুসন্ধান (PE) বা নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়নি। সিবিআই সূত্র অনুযায়ী, ফরেন কন্ট্রিবিউশন (রেগুলেশন) অ্যাক্ট (FCRA) লঙ্ঘনের অভিযোগে এই তদন্ত করা হচ্ছে। অগাস্ট মাসে, লাদাখ প্রশাসন হিমালয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ লার্নিং (HIAL)-কে দেওয়া জমির বরাদ্দ বাতিল করেছিল। জমি বরাদ্দ বাতিল করার সময় লাদাখ প্রশাসন জানায় যে, যে উদ্দেশ্যে জমিটি মূলত বরাদ্দ করা হয়েছিল, সেই উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহার করা হচ্ছে না এবং কোনো লিজ চুক্তিও করা হয়নি।

    বেআইনি অর্থনৈতিক লেনদেন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দাবি, লাদাখে যে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ চলছে তা ওয়াংচুকের (Sonam Wangchuk) উসকানিমূলক বক্তৃতার জেরেই হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা স্থানীয় বিজেপি দফতর ও নির্বাচন দফতরে হামলা চালায়। ওই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত চার জন, আহত হয়েছেন বহু। সরকারি সূত্রের খবর, ওয়াংচুকের এনজিওর কাজে বারবার আর্থিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। বিদেশি অনুদান আইনের (FCRA) নিয়ম ভেঙে অর্থ লেনদেন হয়েছে বারবার। তদন্তে উঠে এসেছে, এনজিও সেকমল (SECMOL)-এর নামে খোলা এফসিআরএ অ্যাকাউন্টে অবৈধভাবে টাকা জমা পড়েছে। অভিযোগ, ৩.৩৫ লক্ষ টাকা নগদ জমা পড়েছিল ওই অ্যাকাউন্টে। ওয়াংচুকের সংগঠন জানিয়েছিল, এই অর্থ এসেছে একটি পুরনো বাস বিক্রি করে। বাসটি যেহেতু বিদেশি অনুদানে কেনা হয়েছিল, তাই বিক্রির টাকা ফের অ্যাকাউন্টে রাখা হয় বলে সাফাই দেয় এনজিও। কিন্তু সরকারের বক্তব্য, এই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়। নগদ অর্থ জমা দেওয়াই আইনের পরিপন্থী।

  • Tejas Mk-1A: ৬২ হাজার কোটি টাকায় ৯৭টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত, হ্যালের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর

    Tejas Mk-1A: ৬২ হাজার কোটি টাকায় ৯৭টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত, হ্যালের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু যুদ্ধে অংশ নেওয়া বুড়ো ঘোড়াদের অবসরের আগের দিনই নতুন অশ্ব কেনার বরাত দিল ভারত।

    বায়ুসেনায় মিগ যুগের অবসান

    ভারতীয় বায়ুসেনায় মিগ যুগের অবসান হতে চলেছে৷ আর তার জায়গা নিচ্ছে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান তেজস৷ আজ শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর অবসর নিতে চলেছে বায়ুসেনার কিংবদন্তী মিগ-২১ (MiG-21) যুদ্ধবিমানগুলি। ঠিক তার আগের দিন, ৯৭টি মাল্টি-রোল সুপারসনিক লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্ট (এলসিএ) তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)-এর সঙ্গে চুক্তি করল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। চুক্তির মূল্য ৬২ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। গতমাসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি এই চুক্তিতে ছাড়পত্র দিয়েছিল৷

    ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষ থেকে ডেলিভারি!

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, হ্যাল ৯৭টি যুদ্ধবিমান তৈরি করবে। এর মধ্যে থাকবে ৬৮টি ফাইটার যুদ্ধবিমান। আর বাকি ২৯টি থাকবে টুইন সিটার প্রশিক্ষণ বিমান। ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষ থেকে এই যুদ্ধবিমানের ডেলিভারি শুরু করবে হিন্দুস্তান অ্যারনটিক্স লিমিটেড। বাকি যুদ্ধবিমানগুলি সরবরাহ করা হবে প্রথম ডেলিভারি থেকে শুরু করে ৬ বছরের মধ্যে। এর আগে হ্যালকে ৮৩টি তেজস মার্ক-১ যুদ্ধবিমান তৈরির বরাত দিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

    হাতে আসেনি প্রথম বরাতের প্রথম বিমান!

    এর আগে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বায়ুসেনা ৪৮,০০০ কোটি টাকায় ৮৩টি এলসিএ তেজস মার্ক-১এ বিমানের অর্ডার দিয়েছিল। কিন্তু চার বছর অতিক্রান্ত হওয়া সত্বেও সেই বিমান সরবরাহ শুরু হয়নি। এই নিয়ে প্রকাশ্যে উষ্মা প্রকাশ করেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং। উৎপাদনকারী সংস্থা হ্যালের তরফে জানানো হয়, আমেরিকা থেকে ইঞ্জিন আসতে দেরি হওয়ার কারণেই এই বিলম্ব। সূত্রের খবর, প্রথম অর্ডারের প্রথম বিমান হাতে আসতে পারে ২০২৫ সালের অক্টোবরে। হ্যালের নাসিকের কারখানা থেকে প্রথম এলসিএ মার্ক-১এ (Tejas Mk1A) যুদ্ধবিমানটি শীঘ্রই আকাশে উড়বে। তার আগেই কেন্দ্রের তরফে দ্বিতীয় অর্ডার চলে হল।

    মোট ১৮০টি তেজস মার্ক-১এ উৎপাদন

    নতুন বরাতের ফলে, ভারতীয় বায়ুসেনায় মোট ১৮০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান আসতে চলেছে। জানা গিয়েছে, হ্যালের বেঙ্গালুরুর কারখানা প্রতি বছর ১৬টি এবং নাসিকে ২৪টি তেজস মার্ক-১এ (Tejas Mk1A) বিমান তৈরি করতে পারে। সেই অনুযায়ী, ২০৩২ সাল নাগাদ ১৮০টি বিমান সরবরাহ হতে পারে বলে অনুমান। এর মধ্যেই সূত্রের খবর, হ্যাল ভবিষ্যতে আরও ২০০টির বেশি তেজস মার্ক–২ এবং সমসংখ্যক পঞ্চম প্রজন্মের উন্নত মাঝারি যুদ্ধবিমান অ্যামকা তৈরির বড় অর্ডার পেতে চলেছে।

    ১১,৭৫০ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কর্মসংস্থান

    ৪.৫ প্রজন্মের এলসিএ তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানগুলির ৬৪ শতাংশই তৈরি হবে দেশীয় যন্ত্রপাতি দিয়ে। ফলত, প্রায় ৫০০টি দেশীয় শিল্প, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সংস্থাগুলি, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যাপক ব্যবসার সুযোগ পাবে। বার্ষিক প্রায় ১১,৭৫০ জনের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হবে। প্রকল্পটি ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের অগ্রদূত হিসেবে ধরা হচ্ছে। এটি হতে চলেছে ভারতের প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারতের অন্যতম বড় প্রতীক।

    উত্তম আয়েসা, স্বয়ম রক্ষা কবচ

    এই ফাইটার জেটগুলিতে ৬৭টি অতিরিক্ত ইক্যুইপমেন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। উত্তম অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে রেডার (UTTAM AESA), স্বয়ম রক্ষা কবচ এবং কন্ট্রোল সারফেস অ্যাকচুয়েটর্সের মতো ইক্যুইপমেন্ট থাকবে এই ধরনের যুদ্ধবিমানে। ইতিমধ্যেই জিই-৪০৪ ইঞ্জিন এসেছে হ্যালের হাতে। এই ধরনের যুদ্ধবিমানে তৈরির জন্য ওই ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে। এই যুদ্ধবিমানে মিড-এয়ার রিফুয়েলিং ক্ষমতা থাকবে।

  • Zoho India: মাইক্রোসফট বা গুগল নয়, অশ্বিনী বৈষ্ণব শুরু করলেন ভারতীয় অ্যাপ জোহো-র ব্যবহার

    Zoho India: মাইক্রোসফট বা গুগল নয়, অশ্বিনী বৈষ্ণব শুরু করলেন ভারতীয় অ্যাপ জোহো-র ব্যবহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। জনপ্রিয় বিদেশি সফটওয়্যার যেমন মাইক্রোসফট অফিস ও গুগল ওয়ার্কস্পেস ছেড়ে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি জোহো সফটওয়্যার (Zoho India) ব্যবহার শুরু করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। ২৪ সেপ্টেম্বর বুধবার, ক্যাবিনেট ব্রিফিং করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। আর তখনই তৈরি হল ইতিহাস। সেই ব্রিফিংয়ে তিনি ব্যবহার করলেন জোহো। এবং সেই ব্রিফিংয়ের শুরুতেই তিনি ঘোষণা করলেন, এদিনের যে পিপিটি তৈরি করা হয়েছে, সেটা জোহোতেই তৈরি করা হয়েছে।

    জোহো-তে স্থানান্তরের ঘোষণা

    গত ২২ সেপ্টেম্বর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) ঘোষণা করেন যে ডকুমেন্ট, স্প্রেড শিট ও প্রেজেন্টেশনের জন্য তিনি এবার থেকে ব্যবহার করবেন জোহো। তিনি লেখেন, ‘‘আমি এবার জোহোতে চলে যাচ্ছি। আমাদের নিজেদের প্ল্যাটফর্ম।’’ অর্থাৎ তিনি সেদিনই জানিয়ে দেন অফিসের যে একাধিক কাজের জন্য এবার থেকে মাইক্রসফট অফিস বা গুগলের ডকস তিনি আর ব্যবহার করবেন না। এটি ছিল কার্যত এক নতুন অধ্যায়ের সূচনার ঘোষণা।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রেরণা

    প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশের জনগণকে লেখা একটি চিঠিতে উৎসবের মরসুমে মেড-ইন-ইন্ডিয়া পণ্যগুলিকে সমর্থন করার জন্য আহ্বান জানানোর ঠিক পরেই এই আবেদন করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী মোদি এই পদক্ষেপকে ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, যে স্বদেশি পণ্য কেনা কেবল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে না বরং স্থানীয় কারিগর, শ্রমিক এবং শিল্পকেও সহায়তা করে। তাঁর কথায়, ‘‘যখনই আপনি আমাদের কারিগর, শ্রমিক এবং শিল্পের তৈরি পণ্য কিনবেন, তখন আপনি পরিবারগুলিকে তাদের জীবিকা নির্বাহে সহায়তা করছেন এবং আমাদের যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছেন।’’

    জোহো আসলে কী?

    ১৯৯৬ সালে শ্রীধর ভেমবু ও টনি টমাস জোহো (Zoho India) তৈরি করেন। এই সংস্থার সদর দফতর চেন্নাইয়ে। জোহো একটি সফটওয়্যার কোম্পানি, যা ব্যবসায়ী ও পেশাদারদের জন্য ৫৫টির বেশি ক্লাউড-ভিত্তিক টুল সরবরাহ করে। ইমেল, অ্যাকাউন্টিং, এইচআর বা প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্টের মতো সব ধরনের কাজের জন্য সফটওয়্যার রয়েছে জোহোর। আমেরিকায় এই সংস্থা নথিবদ্ধ হলেও সংস্থার বেশিরভাগ কাজই হয় তামিলনাড়ু থেকে। ১৫০টিরও বেশি দেশে জোহোর ১০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। ফলে, এই সংস্থা যে কেবলমাত্র স্বনির্ভর ভারতের প্রতীক, এমনটা নয়। এই সংস্থা প্রমাণ করে যে ভারতীয় সংস্থাগুলোও পারে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মগুলোকে কঠিন চ্যালেঞ্জ দিতে পারবে।

    স্বদেশির টান

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশিয়ানায় জোর দেওয়ার এই ডাক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী নতুন করব্যবস্থাকে ‘জনবান্ধব সংস্কার’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘উৎসবের মরসুমে আসুন আমরা সকলে ঠিক করি, দেশীয় পণ্যকেই সমর্থন করব। এর অর্থ হচ্ছে, যে কোনও ভারতীয় শিল্পী, শ্রমিক বা কারখানার ঘাম-রক্তে তৈরি সামগ্রী কেনা। সেটা যে ব্র্যান্ড বা সংস্থাই তৈরি করুক না কেন।’ এই প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী ও দোকানদারদেরও বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘আমরা গর্বের সঙ্গে বলি, যা কিনছি তা স্বদেশি। আমরা গর্বের সঙ্গে বলি, যা বিক্রি করছি তা স্বদেশি।’ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর অশ্বিনী বৈষ্ণব দেশের মানুষের কাছে স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের অনুরোধ জানালেন। তিনি নিজেও স্বদেশি প্রযুক্তিকে আপন করে নিয়েছেন।ডেটা প্রাইভেসি ও মূল্য?

    ডেটা প্রাইভেসিতে জোর

    জোহোর (Zoho India) অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল ব্যবহারকারীর ডেটা প্রাইভেসিতে জোর দেওয়া। তারা বিজ্ঞাপন থেকে রাজস্ব উপার্জন করে না, এবং ব্যবহারকারীর তথ্য গোপন রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বিভিন্ন দেশের আইন মেনে ডেটা হোস্ট করা হয়। এছাড়াও, জোহো ওয়ার্ক স্পেসের মূল্য সাধারণত মাইক্রোসফট ও গুগলের তুলনায় অনেকটাই কম, যা বিশেষ করে ভারতের ছোট ও মাঝারি ব্যবসার মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

  • Railway Employees Bonus: দুর্গাপুজোতে রেলকর্মীদের ৭৮ দিনের বোনাস দেবে মোদি সরকার

    Railway Employees Bonus: দুর্গাপুজোতে রেলকর্মীদের ৭৮ দিনের বোনাস দেবে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোতে রেলকর্মীদের ৭৮ দিনের বোনাস (Railway Employees Bonus) ঘোষণা করেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। দুর্গাপুজো (Durga Puja 2025) ও নবরাত্রির মধ্যে এই সুখবরে রেলকর্মী মনে খুশির আবহ তৈরি করেছে। রেলমন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রেলকর্মীদের অসাধারণ কর্মক্ষমতার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। উৎসবের আবহে যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের প্রাপ্য ডিএ থেকে বঞ্চিত, সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার কর্মীদের প্রতি কতটা সজাগ দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় রাখে, এই সিদ্ধান্তের মধ্যে দিয়ে সেটাও একবার প্রমাণিত হল।

    ১৮৬৫.৬৮ কোটি টাকার পিএলবি দেওয়া হবে (Railway Employees Bonus)

    রেলমন্ত্রক থেকে বলা হয়েছে, রেলের কর্মীদের কাজের প্রতি নিষ্ঠার কথা ভেবেই কেন্দ্রীয় সরকার এই বিশেষ সিদ্ধান্ত (Railway Employees Bonus) নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে উৎসবের মরশুমে বোনাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ১০,৯১,১৪৬ জন রেল কর্মচারীকে ১৮৬৫.৬৮ কোটি টাকায় ৭৮ দিনের পিএলবি বা প্রোডাক্টিভিটি লিঙ্কড বোনাস অনুমোদন করেছে। ঠিক এমন কথাই জানিয়েছে রেলমন্ত্রক। প্রতিবছর এই বোনাস দেওয়া হয় পুজোর সময়। গত বছরও এই বোনাস ১১,৭২,২৪০ জন রেল কর্মচারীদের ২,০২৮.৫৭ কোটি টাকা পিএলবি দেওয়া হয়েছিল। প্রতিবছর প্রায় ১০.৯১ লক্ষ নন গেজেটেড রেল কর্মচারীকে ৭৮ দিনের বেতনের সমপরিমাণে পিএলবি (Railway Employees Bonus) দেওয়া হয়। পিএলবি হল মানুষের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অনুপ্রাণিত করার পুরস্কার। একে একপ্রকার ইনসেনটিভ বলাও হয়ে থাকে।

    প্রয়োজন অতরিক্ত ব্যয়কে রোধ

    অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের টাকায় আর কেনা যাবে না অপ্রয়োজনীয় জিনিস। দীপাবলির (Durga Puja 2025) আগে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। এবার থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে সরকারি অর্থে আর কেনা যাবে না অন্যান্য উৎসবের উপহার সামগ্রীও। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ব্যয় বিভাগের তরফ থেকে নির্দেশিকা তাৎক্ষণিক ভাবেই কার্যকর হয়েছে। প্রয়োজন অতরিক্ত ব্যয়কে রোধ করতে এবং জনসাধারণের অর্থের বিচক্ষণতাকে আরও সক্রিয় করতে এই নির্দেশিকা সরকারের রেলমন্ত্রক সাংবাদিক সম্মলেন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রাজস্ব শৃঙ্খলা ও জনসাধারণের সম্পদের ব্যবহারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে, ভারত সরকারের সব মন্ত্রক দীপাবলি ও অন্যান্য উৎসবের (Durga Puja 2025) জন্য উপহার সম্পর্কিত জিনিসপত্রের ওপর কোনও ব্যয় করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

LinkedIn
Share