Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • MHA order on National Anthem and National Song: ‘একটুও ভুল উচ্চারণ চলবে না’, কেন্দ্রীয় দফতর থেকে লোকভবন, দেশের গানের মর্যাদা রক্ষায় নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    MHA order on National Anthem and National Song: ‘একটুও ভুল উচ্চারণ চলবে না’, কেন্দ্রীয় দফতর থেকে লোকভবন, দেশের গানের মর্যাদা রক্ষায় নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় গীতের অবমাননা রুখতে এবার কড়া কেন্দ্রীয় সরকার। ‘আর চলবে না কোনও ভুল উচ্চারণ’, একেবারে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিল সরকারি নির্দেশিকা। দেশের জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) ‘জন গণ মন’ এবং জাতীয় গীত (National Song) ‘বন্দে মাতরম্‌’ গাওয়া বা বাজানোর ক্ষেত্রে সুর এবং উচ্চারণে যাতে কোনও ভুল না হয়, তা নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। গত ৯ জুলাই দেশের সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস এবং লোকভবনে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকাও পাঠানো হয়েছে।

    কী রয়েছে নির্দেশিকায় (MHA order on National Anthem and National Song)?

    আর ভুল উচ্চারণ ও শব্দ বদল করা চলবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) এবং জাতীয় গীত (National Song) গাওয়ার সময় ভুল উচ্চারণ করা বা শব্দের হেরফের করা চলবে না। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তাদের ওয়েবসাইটে সঠিক শব্দ এবং উচ্চারণের একটি গাইডলাইনও প্রকাশ করেছে।

    সঠিক নিয়ম

    আমাদের দেশের কিছু রাজ্যে জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি নিজস্ব ‘রাজ্য সঙ্গীত’ (State Song) গাওয়ারও চল রয়েছে। নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, যদি কোনও অনুষ্ঠানে রাজ্য সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত বা জাতীয় গীত বাজানো হয়, তবে জাতীয় সঙ্গীত এবং জাতীয় গীত-দুটিই একসঙ্গে গাইতে বা বাজাতে হবে। প্রথমে গাইতে হবে জাতীয় গীত (বন্দে মাতরম্‌), আর ঠিক তারপরেই গাইতে হবে জাতীয় সঙ্গীত (জন গণ মন)। গত জানুয়ারি মাসের একটি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছিল, সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় গীতের ছয়টি স্তবক বা প্যারা গাইতেই হবে, যার জন্য সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড।

    কোন কোন অনুষ্ঠানে বাধ্যতামূলক?

    নতুন নির্দেশিকায় (MHA Order) বেশ কিছু বিশেষ অনুষ্ঠানের তালিকা দেওয়া হয়েছে, যেখানে জাতীয় গীত (বন্দে মাতরম্‌), আর জাতীয় সঙ্গীত (জন গণ মন) বাধ্যতামূলক। এগুলি হল, রাষ্ট্রপতি যখন কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে আসবেন এবং অনুষ্ঠান শেষে চলে যাবেন, রেডিও (AIR) এবং দূরদর্শনে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ঠিক আগে এবং পরে, নিজ নিজ রাজ্যে রাজ্যপাল বা লেফটেন্যান্ট গভর্নর (LG) যখন কোনও বড় সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং বিদায় নেবেন, এবং প্যারেডের সময় যখন জাতীয় পতাকা সম্মানসহকারে সামনে নিয়ে আসা হবে।

    সোজা কথায়, জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় গীত গাওয়ার সময় উচ্চারণ একদম নিখুঁত হওয়া বাধ্যতামূলক। আর কোনও অনুষ্ঠানে দুটিই থাকলে, প্রথমে বন্দে মাতরম্‌ (জাতীয় গীত) এবং তার ঠিক পরেই জন গণ মন (জাতীয় সঙ্গীত) গাইতে বা বাজাতে হবে।

  • RSS: শতবর্ষ উপলক্ষে শাখা সম্প্রসারণে জোর, বেলগাভির বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা আরএসএসের

    RSS: শতবর্ষ উপলক্ষে শাখা সম্প্রসারণে জোর, বেলগাভির বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার কর্নাটকের বেলগাভিতে শেষ হল আরএসএসের (RSS) তিন দিনব্যাপী সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক (Prant Pracharak Baithak)। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এবং সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবালে। শুক্রবার শুরু হওয়া এই বৈঠকে মোট ২২৬ জন পদাধিকারী অংশ নিয়েছিলেন। সংঘের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চের পর দেশের বিভিন্ন স্তরে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ শিবিরগুলির পর্যালোচনা করা হয় বৈঠকে। এ বছর দেশজুড়ে মোট ৮৩টি সংঘ শিক্ষা বর্গ এবং ১২টি কার্যকর্তা বিকাশ বর্গের আয়োজন করা হয়েছে। এসব প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেন সব মিলিয়ে ১৮ হাজার ৮৪২ জন স্বয়ংসেবক। শাখা পরিচালনা, সংঘের কর্মপদ্ধতি, গ্রামীণ উন্নয়ন, পরিবার জাগরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ-সহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

    বৈঠকের আলোচ্যসূচি (RSS)

    বৈঠকে শাখা স্তরে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি আগামী সেপ্টেম্বর মাসে সর্বাধিক সংখ্যক নতুন শাখা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও পর্যালোচনা করা হয়। সংঘের শতবর্ষ উপলক্ষে ইতিমধ্যে সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন কর্মসূচির মূল্যায়নের পাশাপাশি বাকি নির্ধারিত কর্মসূচির পরিকল্পনাও বৈঠকে চূড়ান্ত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে উঠেছে, তাঁদের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড এবং পঞ্চস্তরীয় সামাজিক রূপান্তরের উদ্যোগে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের জন্য সরসংঘচালক মোহন ভাগবতের সফরসূচি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

    অযোধ্যার শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দির প্রসঙ্গ

    বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কিত একাধিক বিষয়ও বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে ছিল। বিশেষ করে জনশুমারিকে ঘিরে তথ্য, জনসংখ্যাগত ভারসাম্যহীনতা থেকে (RSS) উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ, মাদকাসক্তির ক্রমবর্ধমান ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে অগ্রাধিকারভিত্তিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি সন্ত শিরোমণি রবিদাস মহারাজের ৬৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনাও করা হয়েছে। বৈঠকে অযোধ্যার শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দিরের দানবাক্সের অর্থ গণনায় অনিয়মের ঘটনায় উপস্থিত সকলেই গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, তীর্থ ক্ষেত্র ন্যাসের আবেদনের ভিত্তিতে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল এবং পুলিশের তরফে যে তদন্ত চলছে, তা দ্রুত চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছবে (Prant Pracharak Baithak)। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে এমন কোনও ঘটনা ঘটবে না, যাতে রামমন্দিরের প্রতি দেশ-বিদেশের কোটি কোটি ভক্তের গভীর (RSS) বিশ্বাসে টোল পড়ে।

     

  • One Tunnel, One Highway: ১৪,১১৫ কোটি টাকার মাস্টারপ্ল্যানে আমূল বদলে যাচ্ছে দিল্লি-এনসিআর, যোগীরাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা

    One Tunnel, One Highway: ১৪,১১৫ কোটি টাকার মাস্টারপ্ল্যানে আমূল বদলে যাচ্ছে দিল্লি-এনসিআর, যোগীরাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ এবং দিল্লির বুকে এক অভূতপূর্ব পরিকাঠামো উন্নয়নের জোয়ার আসতে চলেছে। যাতায়াতের কষ্ট দূর করতে এবং বাণিজ্যকে এক ধাক্কায় রকেটের গতি দিতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট প্রায় ১৪,১১৫ কোটি টাকার দুটি মেগা সড়ক প্রকল্পের (One Tunnel, One Highway) সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। এই প্রকল্পের হাত ধরে একদিকে যেমন দিল্লির যানজট কমবে, তেমনই উত্তরপ্রদেশের (UP) বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলের অর্থনীতিতে ঘটতে চলেছে বিরাট বিপ্লব। এর ফলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের সময় বাঁচবে, ব্যবসার লজিস্টিক খরচ কমবে, তেমনি চোখ ধাঁধানো উন্নতি দেখা যাবে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়।

    কানপুর-কাবরাই গ্রিনফিল্ড হাইওয়ে (Kanpur Kabrai Greenfield Highway Cabinet)

    উত্তরপ্রদেশবাসীর জন্য সবচেয়ে বড় আনন্দের খবর হলো, যোগী রাজ্য পেতে চলেছে এক দুর্দান্ত অর্থনৈতিক করিডর। এই প্রজেক্টের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭,১৪৫.১৪ কোটি টাকা। ১১৭.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই হাইওয়েটি হবে সম্পূর্ণ ‘অ্যাক্সেস-নিয়ন্ত্রিত গ্রিনফিল্ড হাইওয়ে’। যার ফলে সাড়ে ৩ ঘণ্টার রাস্তা পার হতে সময় লাগবে মাত্রই ৯০ মিনিট।

    অর্থনৈতিক বিপ্লব

    কানপুর-কাবরাই গ্রিনফিল্ড হাইওয়ে করিডরটি ভোপাল-কানপুর ইকোনমিক করিডরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে চলেছে। এর ফলে বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ে, কানপুর রিং রোড, NH-34 এবং NH-35-এর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে উঠবে। মধ্যপ্রদেশের খনি ও কৃষি অঞ্চলের পণ্য সরাসরি পৌঁছে যাবে উত্তরপ্রদেশের শিল্পতালুকে।

    ৬ লেনের আধুনিক সুড়ঙ্গ (6 Lane Modern Tunnel)

    দিল্লি-এনসিআর এবং গুরুগ্রামের বাসিন্দাদের প্রতিদিনের ট্রাফিক জ্যামের নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে তৈরি হচ্ছে ৬ লেনের আধুনিক টানেল। আনুমানিক ৬,৯৬৯.৬৭ কোটি টাকা খরচে তৈরি হচ্ছে ৮.১ কিলোমিটার দীর্ঘ ৬ লেনের এই টানেলটি। এই সুড়ঙ্গ দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে দক্ষিণ দিল্লির নেলসন ম্যান্ডেলা মার্গকে সরাসরি যুক্ত করবে। আইজিআই (IGI) বিমানবন্দর, বসন্ত কুঞ্জ এবং দ্বারকার মধ্যে যাতায়াত হবে জলভাত। এর সঙ্গেই তৈরি হতে চলা ‘এমস-মহিপালপুর এলিভেটেড করিডর’ যুক্ত হলে নয়ডা, গাজিয়াবাদ এবং পূর্ব দিল্লির দিকে যাওয়া আরও সহজ হয়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই টানেলটি তৈরির সময় কাজ পাবেন প্রায় ১৭.৩৪ লাখ মানুষ (UP Government)।

    শিল্পে ব্যাপক উন্নতি!

    পরিকাঠামো ও আবাসন খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুই প্রকল্প (One Tunnel, One Highway) উত্তরপ্রদেশের ভোল বদলে দেবে। দ্বারকা টানেলের ফলে দক্ষিণ দিল্লি ও গুরুগ্রাম সংলগ্ন এলাকার ফ্ল্যাট ও জমির দাম এবং ভাড়া বাড়বে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় ঘরবাড়ি কেনার জন্য সাধারণ মানুষ ও বিনিয়োগকারীদের ঢল নামবে। কানপুর-কাবরাই হাইওয়ের কারণে লজিস্টিক ও পণ্য পরিবহণের খরচ এক ধাক্কায় অনেকখানি কমে যাবে, যা কোম্পানিগুলোকে দ্রুত ডেলিভারি দিতে সাহায্য করবে। উন্নত সড়ক যোগাযোগের কারণে বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলে নতুন গুদামঘর (Warehousing), বড় বড় হোটেল, মল এবং লজিস্টিক হাব গড়ে উঠবে, যা কর্পোরেট দুনিয়াকে এখানে বিনিয়োগ করতে বাধ্য করবে। কেন্দ্রের এই ১৪,১১৫ কোটি টাকার মাস্টারপ্ল্যান শুধু রাস্তাই তৈরি করছে না, বরং দিল্লি-এনসিআর এবং উত্তরপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ড অঞ্চলের ভাগ্য বদলে এক নতুন অর্থনৈতিক করিডর তৈরি করছে। এবার যাতায়াত হবে সুপারফাস্ট, আর ব্যবসা ও কর্মসংস্থানে আসবে জোয়ার!

  • Hindus Under Attack: হিন্দু আচার, ধর্মান্তর, হিংসায় বিপন্ন হিন্দুরা, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দু আচার, ধর্মান্তর, হিংসায় বিপন্ন হিন্দুরা, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, ধর্মীয় স্থাপনায় চুরি এবং বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)। আসুন, ৫ থেকে ১১ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত  সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে।

    ধর্মান্তরের অভিযোগকে ঘিরে উত্তেজনা (Hindus Under Attack)

    পুনের ঐতিহাসিক মহাত্মা ফুলে ওয়াড়ায় বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ মেধা কুলকার্নির ঐতিহ্যবাহী বট পূর্ণিমার আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তথাকথিত প্রগতিশীল মহলের একাংশের সমালোচনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, ইতিহাস ও জাতিভিত্তিক বিভাজনের প্রসঙ্গ তুলে হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একাংশের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। উত্তরপ্রদেশের শামলি জেলায় জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগকে ঘিরে দুটি পৃথক মামলার জেরে উত্তেজনা বেড়েছে। প্রথম মামলাটি জুনের শুরুতে এক বিশিষ্ট ওষুধ ব্যবসায়ীর ছেলেকে কেন্দ্র করে দায়ের হয়। দ্বিতীয় ঘটনাটি সামনে আসে জুলাইয়ের শুরুতে, যেখানে একটি রাজপুত পরিবার তাদের ৩৫ বিঘা পৈতৃক জমি দখলের হুমকি এবং ধর্মান্তরের চাপের অভিযোগ তোলে। উভয় ক্ষেত্রেই পরিবারের সদস্যরা বাঘরার যোগ সাধনা আশ্রমের প্রধান স্বামী যশবীর মহারাজের দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি পুলিশি পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে প্রয়োজনে গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন (Hindus Under Attack)।

    কৃষি উৎসবকে কেন্দ্র করে হিংসা

    কর্নাটকের হাভেরি জেলার হাঙ্গাল তালুকের নরেগাল গ্রামে শতাব্দীপ্রাচীন সনাতনী কৃষি উৎসব কারা হুন্নিমে উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, একটি বিবাদকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ইসলামি সম্প্রদায়ের একদল দুষ্কৃতী শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী হিন্দুদের ওপর বিনা প্ররোচনায় হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনায় অন্তত আটজন জখম হন, যাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। কর্নাটকেরই বেঙ্গালুরুর জিগানিতে একটি ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বছর তিরিশের অক্ষতা ইন্দরাগির দেহ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বাড়িটি বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের সঙ্গী জনৈক নানা সাব এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক। তাঁর খোঁজে চলছে তল্লাশি। কর্নাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের কেশর আমদানি এবং তিলক পরার রীতি নিয়ে করা মন্তব্যকে ঘিরে (Hindus Under Attack) বিতর্ক শুরু হয়েছে। তিনি দাবি করেছিলেন, বিশ্বের অধিকাংশ কেশর ইসলামি দেশগুলি থেকে আমদানি হয়, তাই হিন্দুদের তিলক পরা বন্ধ করা উচিত। সমালোচকদের মতে, অধিকাংশ হিন্দুই দৈনন্দিন তিলকের জন্য বিশুদ্ধ কেশর ব্যবহার করেন না, ফলে তাঁর বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন

    এদিকে, বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় নিবন্ধন থাকলেই আর বিদেশি অর্থ নেওয়া সাধারণ অনুমতি হিসেবে গণ্য হবে না। এখন থেকে বিদেশি অনুদানের উদ্দেশ্য, অর্থের প্রকৃত ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর বিশেষ নজর রাখা হবে। নিয়ম না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে বিদেশি অর্থপুষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের একাংশ আপত্তি জানিয়েছে (Roundup Week)। একই সঙ্গে ধর্মান্তর, রাজনৈতিক প্রচার এবং আন্দোলনে বিদেশি অর্থ ব্যবহারের ওপর সরকারের কড়াকড়িও চর্চায় এসেছে। চেন্নাইয়ের তাম্বরমে বছর ছাপ্পান্নর মহম্মদ ইউসুফকে গ্রেফতার করা হয়েছে বছর বারোর এক নাবালিকাকে টানা চার মাস ধরে যৌন নির্যাতন করার অভিযোগে। নির্যাতিতার বাবা তাঁরই গুদামের কর্মী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে শিশু সুরক্ষা এবং অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে (Hindus Under Attack)।

    বহির্বিশ্বের ছবি

    বহির্বিশ্বের ছবিটাও খুব একটা ভিন্ন নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু আমেরিকানদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচারের অভিযোগে আবারও আলোচনায় এসেছেন স্বঘোষিত সাংবাদিক পিটার ফ্রিডরিখ। অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে তিনি আমেরিকার বিভিন্ন শহরে ঘুরে সিটি কাউন্সিল-সহ বিভিন্ন জনমঞ্চে হিন্দু সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করছেন। আটলান্টা, পালো অল্টো-সহ একাধিক শহরে তাঁর বক্তব্যের টার্গেট হয়েছে হিন্দুদের বিভিন্ন সংগঠন, যার মধ্যে কোয়ালিশন অব হিন্দুস অব নর্থ আমেরিকাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির দাবি, তাঁর অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন এবং হিন্দু সমাজের কণ্ঠরোধের উদ্দেশ্যেই এই প্রচার চালানো হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধ কেবল প্রত্যক্ষ হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিভিন্ন দেশে (Roundup Week) সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেও বৈষম্যের অভিযোগ ওঠে। সব মিলিয়ে, তামাম বিশ্বে (Hindus Under Attack) খুব একটা সুখে নেই হিন্দুরা।

     

  • Manipur Violence: মণিপুরে ফের অশান্তি, কান্তো সাবালে পরিত্যক্ত মেইতেই বাড়িতে আগুন, বড় সংঘর্ষ এড়াল নিরাপত্তা বাহিনী

    Manipur Violence: মণিপুরে ফের অশান্তি, কান্তো সাবালে পরিত্যক্ত মেইতেই বাড়িতে আগুন, বড় সংঘর্ষ এড়াল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুরে (Manipur Violence)। শনিবার, ১১ জুলাই কান্তো সাবাল গ্রামে মেইতেইদের একাধিক পরিত্যক্ত বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইম্ফল (Kuki Miscreants) পশ্চিম জেলায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, প্রায় ২০০ জন সন্দেহভাজন কুকি জঙ্গি লেইমাখং এলাকার কান্তো সাবাল গ্রামের দিকে মিছিল করে এসে পরিত্যক্ত বাড়িগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    দ্রুত হস্তক্ষেপ করে নিরাপত্তা বাহিনী (Manipur Violence)

    ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, বিকেলের দিকে প্রায় ৬০০ জনের একটি দল কান্তো সাবালের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে। সময়মতো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হওয়ায় দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের আশঙ্কা এড়ানো গিয়েছে। পুলিশের দাবি, দুষ্কৃতীরা আরও কয়েকটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করলেও, নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই ঘটনায় প্রাণহানির কোনও খবর নেই। ইতিমধ্যেই একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এলাকায় শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।

    মেইতেই বাড়িতে আগুন

    কান্তো সাবালের বাসিন্দা থোকচোম রেবুবালা দেবী সংবাদমাধ্যমকে জানান, শনিবার দুপুরে ২০০-রও বেশি কুকি সম্প্রদায়ের মানুষ একটি মিছিল নিয়ে গ্রামের সেই অংশে প্রবেশ করেন, যেখানে এখন মেইতেই সম্প্রদায়ের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, আশপাশের পাহাড়ি এলাকা থেকে নেমে এসে ওই দলটি পরিত্যক্ত বাড়িগুলিতে আগুন লাগিয়ে দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যায় (Manipur Violence)। তিনি আরও জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় মেইতেই বাসিন্দারা ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী তাঁদের আটকে দেয়, যাতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে না ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, এই ঘটনায় মোট চারটি পরিত্যক্ত মেইতেই বাড়ি পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। এদিকে, ঘটনাস্থলের একাধিক ভিডিও ফুটেজ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওগুলিতে কান্তো সাবালের পরিত্যক্ত বাড়িগুলিকে আগুনে জ্বলতে দেখা গিয়েছে।স যদিও ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    এই ঘটনাকে ঘিরে মণিপুরে ঘটে চলা জাতিগত উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইম্ফল পশ্চিম জেলার স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সম্ভাব্য যে কোনও (Kuki Miscreants) অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রশাসন সতর্ক রয়েছে (Manipur Violence)।

     

  • Nitin Gadkari:  ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে গভীর সহযোগিতার আহ্বান নীতিনের, জোর টেকসই ও ভবিষ্যতমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর

    Nitin Gadkari:  ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে গভীর সহযোগিতার আহ্বান নীতিনের, জোর টেকসই ও ভবিষ্যতমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে আরও গভীর সহযোগিতার আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গডকরি (Nitin Gadkari)। তাঁর মতে, ব্রিকসের (BRICS) সদস্য দেশগুলির সম্মিলিত শক্তি বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনী, অংশীদারিত্বমূলক এবং দায়িত্বশীল পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার এক অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে।

    পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের বিবৃতি (Nitin Gadkari)

    সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নাগপুরে অনুষ্ঠিত ব্রিকস পরিবহণ মন্ত্রীদের বৈঠকে বিভিন্ন সদস্য দেশের পরিবহণ মন্ত্রী, প্রতিনিধিদলের প্রধান, শীর্ষ আধিকারিক এবং প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান নীতিন। তিনি জানান, এই বৈঠক উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ সহযোগিতা আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের মূল ভাবনা ‘স্থিতিশীলতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য নির্মাণ’—এই বিষয়কে সামনে রেখেই এগোচ্ছে বলে জানান গডকরি। তাঁর কথায়, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ বা ‘সমগ্র বিশ্ব এক পরিবার’—এই ভারতীয় দর্শনের ভিত্তিতেই মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী ব্রিকস পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পারে বলেও জানান তিনি।

    পরিবহণে জোর গডকরির

    অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে পরিবহণ ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে গডকরি বলেন, “সড়ক, রেল, সমুদ্র ও বিমান—সব ক্ষেত্রেই ভারতের দ্রুত অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক নেটওয়ার্ক ভারতের রয়েছে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকারযুক্ত দ্রুতগামী মহাসড়ক এবং বহুমাধ্যমভিত্তিক যোগাযোগ (Nitin Gadkari) ব্যবস্থারও উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটেছে।” দিল্লি-দেরাদুন অর্থনৈতিক করিডর, সোনমার্গ সুড়ঙ্গ এবং ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি নতুন দ্রুতগামী মহাসড়ক নির্মাণের মতো প্রকল্পগুলির উল্লেখ করে তিনি (BRICS) জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে পরিকাঠামো উন্নয়নের সমন্বয় ঘটানোর দিকেই ভারত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে সংকর বার্ষিক আর্থিক মডেলের সফল প্রয়োগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    পণ্য পরিবহণের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর

    রেল ক্ষেত্রেও ব্যাপক আধুনিকীকরণের কথা উল্লেখ করেন গডকরি। তিনি জানান, বিস্তৃত গেজ রেলপথের প্রায় সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়ন, বন্দে ভারত ট্রেন পরিষেবার সম্প্রসারণ, মুম্বই-আহমেদাবাদ উচ্চগতির রেল প্রকল্পের অগ্রগতি এবং নতুন পাম্বান সেতুর মতো টেকনোলজি দেশের রেল ব্যবস্থাকে নয়া উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়া ‘সামুদ্রিক অমৃতকাল ভিশন ২০৪৭’, ‘ই-নাবিক’, ‘ই-সমুদ্র’ এবং সবুজ নৌপরিবহণ উদ্যোগের মাধ্যমে সামুদ্রিক পরিকাঠামো ও পণ্য পরিবহণের দক্ষতা বৃদ্ধির দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান (Nitin Gadkari) তিনি। টেকসই পরিবহণ ব্যবস্থার লক্ষ্যে বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবা, সবুজ নগর পরিবহণ প্রকল্প এবং আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণে ‘উড়ান’ প্রকল্পের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর মতে, ‘প্রধানমন্ত্রী গতি শক্তি জাতীয় মহাপরিকল্পনা’ সমন্বিত বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবহণ ব্যয় কমিয়েছে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়িয়েছে।

    কী বললেন গডকরি

    সড়ক নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে গডকরি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের নগদবিহীন চিকিৎসার জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী-রাহাত’ প্রকল্প চালু হয়েছে। পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্য, পৌর বর্জ্য, উড়ন্ত ছাই, ইস্পাতের অবশিষ্টাংশ, বাঁশের নিরাপত্তা ব্যারিয়ার এবং ব্যবহারের অযোগ্য পুরোনো টায়ার পুনর্ব্যবহার করে সড়ক নির্মাণে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ব্রিকস দেশগুলির সামনে পরিকাঠামোয় অর্থায়ন, যানজট, দূষণ, সড়ক নিরাপত্তা এবং শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যোগাযোগ নিশ্চিত করার মতো একাধিক অভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন গডকরি। এই সমস্যাগুলির সমাধানে পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়, দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং সবুজ হাইড্রোজেন, বৈদ্যুতিক যান, বিকল্প জ্বালানি, ডিজিটাল পরিবহণ ব্যবস্থা ও টেকসই বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিকাঠামো নিয়ে যৌথ গবেষণার ক্ষেত্রে ভারত সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে (Nitin Gadkari)। বৈঠকের ফল নিয়ে আশাবাদী গডকরি বলেন, এই আলোচনা ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবসম্মত ও উদ্ভাবনী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি, পরিবেশ রক্ষা এবং (BRICS) টেকসই ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সকল সদস্য দেশকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও জানান কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী (Nitin Gadkari)।

     

  • Vietnam: ভিয়েতনামে পর্যটকবাহী স্পিডবোট দুর্ঘটনা, মৃত্যু অন্তত ১৫ ভারতীয়ের

    Vietnam: ভিয়েতনামে পর্যটকবাহী স্পিডবোট দুর্ঘটনা, মৃত্যু অন্তত ১৫ ভারতীয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিয়েতনামের (Vietnam) দক্ষিণাঞ্চলের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ফু কুয়ক দ্বীপের কাছে শনিবার উল্টে গেল যাত্রিবোঝাই স্পিডবোট (Indian Tourists Capsizes)। শনিবার ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। মোট ৩২ জন ভারতীয় যাত্রী এবং চারজন নাবিককে নিয়ে চলা ওই স্পিডবোটটি উল্টে গেলে ঘটে দুর্ঘটনা। খবর পেয়েই দ্রুত সমুদ্রে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। আহত ও নিখোঁজদের খোঁজে জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান। ফু কুয়ক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ‘ওশান পার্ল আইল্যান্ড’ নামে একটি সংস্থা পরিচালিত স্পিডবোটটি হন মে রুট দ্বীপ থেকে আন থই বন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। দুপুর ১টা নাগাদ হন মে রুট দ্বীপ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে পৌঁছতেই উত্তাল সমুদ্রে ভারসাম্য হারিয়ে উল্টে যায় সেটি। হাবুডুবু খেতে থাকেন যাত্রী ও নাবিকরা।

    শুরু হয় উদ্ধারকাজ (Vietnam)

    দুর্ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপন্নদের উদ্ধার করতে ছুটে আসে আশপাশে থাকা পর্যটকবাহী নৌকোগুলি। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। এক নাবিক বলেন, “আমরা পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। কিন্তু অনেক যাত্রী উল্টে যাওয়া নৌকোর ভেতরে আটকে পড়েছিলেন। তাই উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। অল্প কয়েকজনকেই জীবিত অবস্থায় বাইরে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।” দুর্ঘটনার পরপরই ভিয়েতনামে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানায়, তারা পরিস্থিতির উপর নিবিড় নজর রাখছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সাহায্য করতে হো চি মিন সিটি ও হ্যানয়ে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। দূতাবাসের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ফু কুয়ক দ্বীপের কাছে ভারতীয় পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া একটি স্পিডবোট দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে এবং ঘটনার সঠিক বিবরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সব ধরনের সাহায্য দিতে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।”

    চলছে যাচাইকরণ

    ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, সরকারি সূত্রের ভিত্তিতে স্পিডবোটে থাকা ৩২ জন ভারতীয় পর্যটকের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নিহত ও আহতদের শনাক্ত করতে চলছে যাচাইকরণ। পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য প্রকাশ করা হবে (Vietnam)। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, “ভিয়েতনামের ফু কুয়ক দ্বীপের কাছে ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় আমি অত্যন্ত মর্মাহত। যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই (Indian Tourists Capsizes)। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।” তিনি আরও জানান, ভিয়েতনামে ভারতীয় দূতাবাস ও কনস্যুলেট স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ক্ষতিগ্রস্তদের সর্বতোভাবে সাহায্য করছে।

    অন্ধ্রপ্রদেশের মন্ত্রীর তৎপরতা

    অন্ধ্রপ্রদেশের মন্ত্রী নারা লোকেশও ঘটনাটির পরপরই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু করেন। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ ভবন এবং রাজ্য সরকারের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত পর্যটকদের মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশের কয়েকজন বাসিন্দাও থাকতে পারেন। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা তাঁকে জানান, ভিয়েতনামে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যাত্রীদের পরিচয় ও অবস্থার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। মন্ত্রী নির্দেশ দেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করতে (Vietnam)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় সমুদ্র ছিল উত্তাল। বৃষ্টি না হলেও, ঢেউ ছিল প্রবল। তার মধ্যেই চলাচল করছিল পর্যটকবাহী স্পিডবোটগুলি। স্পিডবোট পরিচালনাকারী সংস্থার এক প্রতিনিধি জানান, স্পিডবোটটি দ্বীপভ্রমণ করাতেই পর্যটকদের নিয়ে যাচ্ছিল। চালকের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাও ছিল (Indian Tourists Capsizes)।

    মে রুট দ্বীপপুঞ্জ

    প্রসঙ্গত, মে রুট দ্বীপপুঞ্জ ফু কুয়কের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। স্বচ্ছ সমুদ্রের জল, সাদা বালুকাবেলা এবং প্রবালপ্রাচীরের জন্য দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক সেখানে বেড়াতে যান। স্নরকেলিং, ডাইভিং-সহ বিভিন্ন জলক্রীড়ার জন্য এলাকাটি বিশেষ পরিচিত। আন থই বন্দর থেকে স্পিডবোটে সাধারণত ২০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যেই সেখানে পৌঁছনো যায় (Vietnam)। গত বছরও ভিয়েতনামে বড় ধরনের নৌ-দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে হা লং উপসাগরে একটি পর্যটকবাহী স্পিডবোট প্রবল ঝড়ের মধ্যে পড়ে উল্টে গেলে অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় বহু শিশুও প্রাণ হারিয়েছিল। পরপর এমন দুর্ঘটনার পর ভিয়েতনামের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে নৌ-নিরাপত্তা এবং (Indian Tourists Capsizes) জরুরি উদ্ধার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েই উঠছে গুচ্ছের প্রশ্ন (Vietnam)।

     

  • RSS: আরএসএসের সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক শুরু, বেলগাভির সভায় শাখা সম্প্রসারণ, শতবর্ষ কর্মসূচিতে জোর

    RSS: আরএসএসের সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক শুরু, বেলগাভির সভায় শাখা সম্প্রসারণ, শতবর্ষ কর্মসূচিতে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার কর্নাটকের বেলগাভিতে শুরু হয়ে গেল আরএসএসের (RSS) বার্ষিক সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক।তিনদিনের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে (Belagavi Meet) দেশজুড়ে শাখা সম্প্রসারণের গতি বাড়ানো, শতবর্ষ উপলক্ষে নেওয়া কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং আগামী এক বছরের সাংগঠনিক অগ্রাধিকার চূড়ান্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    বৈঠকে উপস্থিত মোহন ভাগবত (RSS)

    বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে, সমস্ত সহ-সরকার্যবাহ, সর্বভারতীয় বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, ক্ষেত্র প্রচারক, সহ-ক্ষেত্র প্রচারক, দেশের ৪৬টি প্রান্তের প্রান্ত প্রচারক ও সহ-প্রচারক এবং সংঘ-অনুপ্রাণিত বিভিন্ন সংগঠনের সাংগঠনিক মন্ত্রীরা। বৈঠকে তৃণমূল স্তরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের পর দেশজুড়ে আয়োজিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শিবিরের রিপোর্ট বেলগাভির বৈঠকে বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি শাখা স্তরে গৃহীত কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়নের অগ্রগতিও খতিয়ে দেখা হবে।

    আলোচ্য সূচি

    আরএসএসের শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী যে শাখা সম্প্রসারণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তার অগ্রগতি মূল্যায়নের পাশাপাশি আগামী দিনে আরও কীভাবে শাখার বিস্তার ঘটানো যায়, সেই কৌশলও নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া শতবর্ষ উপলক্ষে ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন কর্মসূচির মূল্যায়ন এবং আগামী ২০ অক্টোবর বিজয়াদশমী পর্যন্ত নির্ধারিত বাকি অনুষ্ঠানগুলির পরিকল্পনাও এই বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। বিজয়াদশমীর দিনই বছরব্যাপী শতবর্ষ উদ্‌যাপনের সমাপ্তি হবে। বৈঠকে মোহন ভাগবতের ২০২৬-২৭ সালের দেশব্যাপী সফরসূচি এবং সংঘের অন্যান্য সাংগঠনিক অগ্রাধিকার নিয়েও আলোচনা হবে (RSS)। এদিকে, কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (কেপিসিসি) সভাপতি বি কে হরিপ্রসাদ বেলগাভিতে অনুষ্ঠিত আরএসএসের এই বৈঠক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বেলগাভিতে কেন এই বৈঠক হচ্ছে, তা আমি জানি না। কী ধরনের বিপর্যয় ঘটে, তা দেখা যাক। তারপর আমি এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেব।” অযোধ্যার রাম মন্দিরে চুরির ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “রাম মন্দিরে চুরির ঘটনার জেরে (Belagavi Meet) কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করছে (RSS)।”

     

  • UNICORN Mast: স্টেলথ প্রযুক্তিতে বড় লাফ ভারতের! জাপানের ইউনিকর্ন পাবে দেশের নৌসেনা, কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?

    UNICORN Mast: স্টেলথ প্রযুক্তিতে বড় লাফ ভারতের! জাপানের ইউনিকর্ন পাবে দেশের নৌসেনা, কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও জাপানের কৌশলগত সম্পর্ক আরও এক ধাপ এগোল। দুই দেশ প্রথমবারের মতো যৌথভাবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম (Defence Equipment) উন্নয়ন ও উৎপাদনের জন্য একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় প্রথম প্রকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে ইউনিকর্ন শিপবোর্ন কমিউনিকেশনস্ মাস্ট (UNICORN Shipborne Communications Mast)-র যৌথ উন্নয়ন ও লাইসেন্সভিত্তিক উৎপাদন। জাপানের এনইসি কর্পোরেশনের (NEC Corporation) তৈরি এই অত্যাধুনিক সমন্বিত মাস্ট (মাস্তুল) ভবিষ্যতে ভারতীয় নৌবাহিনীর (Indian Navy) অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজে ব্যবহার করা হবে। ভারতে এই ব্যবস্থা উৎপাদনের দায়িত্ব পাবে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (BEL), যারা জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে এটি তৈরি করবে।

    কী এই ভারত-জাপান চুক্তি?

    নতুন চুক্তি অনুযায়ী, জাপান অত্যাধুনিক নকশা, মূল প্রকৌশল প্রযুক্তি এবং সংবেদনশীল প্রযুক্তিগত তথ্য সরবরাহ করবে। অন্যদিকে, ভারত স্থানীয়ভাবে সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, উৎপাদন এবং নির্মাণের দায়িত্ব নেবে। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Make in India) উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পে উচ্চ প্রযুক্তির স্থানীয় উৎপাদন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি ভারতীয় যুদ্ধজাহাজের তড়িৎ-চৌম্বকীয় দক্ষতা (Electromagnetic ) বাড়াবে এবং রেডারে ধরা পড়ার সম্ভাবনা (Low Radar Cross Section) কমাবে। ফলে ভারতীয় নৌবাহিনীর স্টেলথ ক্ষমতা ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

    কীভাবে ব্যবহার করবে ভারত?

    যদিও ইউনিকর্ন ব্যবস্থা মূলত জাপানের এনইসি কর্পোরেশন তৈরি করেছে, ভারতীয় নৌবাহিনী এতে নিজেদের সেন্সর, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন অ্যান্টেনা সংযুক্ত করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে ভারতীয় নৌবাহিনীর বিভিন্ন যুদ্ধজাহাজে বর্তমানে ব্যবহৃত প্রচলিত কমিউনিকেশন ও সেন্সর মাস্টের পরিবর্তে এই নতুন সমন্বিত মাস্তুল বসানো হবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই প্রযুক্তি পাওয়ার বিষয়ে ভারতের আগ্রহ বহুদিনের। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে ভারত ও জাপান ইউনিকর্ন মাল্টিফাংশনাল মাস্ট রফতানির বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করেছিল। সেই চুক্তির ধারাবাহিকতাতেই এবার যৌথ উন্নয়ন ও উৎপাদনের পথ খুলে গেল।

    কী এই ইউনিকর্ন মাল্টিফাংশনাল মাস্ট?

    ইউনিকর্ন, যার আরেক নাম নোরা-৫০ (NORA-50), যৌথভাবে তৈরি করেছে এনইসি কর্পোরেশন, সাম্পা কোগিও কেকে এবং ইয়োকোহামা রাবার কোম্পানি। এটি মূলত জাপানের মোগামি শ্রেণির ফ্রিগেটের (Mogami-class Frigate) জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড মাস্ট সিস্টেম (Integrated Mast System), যেখানে যোগাযোগ, নজরদারি (Surveillance) এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের (Electronic Warfare) একাধিক অ্যান্টেনাকে একটি কাঠামোর মধ্যে একত্রিত করা হয়েছে। ফলে যুদ্ধজাহাজের উপরের অংশে আলাদা আলাদা অ্যান্টেনার সংখ্যা অনেক কমে যায়, যা জাহাজের স্টেলথ বৈশিষ্ট্য বাড়ানোর পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণও সহজ করে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই চুক্তি?

    ভারত-জাপানের এই প্রথম প্রতিরক্ষা সহ-উন্নয়ন প্রকল্পকে দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে—

    • ● ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ আরও আধুনিক ও স্টেলথ সক্ষম হবে।
    • ● ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র আওতায় অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির দেশীয় উৎপাদন বাড়বে।
    • ● ভারত-জাপান কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর হবে।
    • ● ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নতুন মাত্রা পাবে।

    ভারতীয় নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণ কর্মসূচিতে এই চুক্তি আগামী কয়েক বছরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

  • Congress: ১৩ বছর ধরে আকবর রোডের বাংলো দখলে রেখে দিয়েছে কংগ্রেস, এক টাকাও ভাড়া পায়নি কেন্দ্র!

    Congress: ১৩ বছর ধরে আকবর রোডের বাংলো দখলে রেখে দিয়েছে কংগ্রেস, এক টাকাও ভাড়া পায়নি কেন্দ্র!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) পূর্বতন সদর দফতর ২৪, আকবর রোডের বাংলোটি ২০১৩ সালের ২৬ জুন থেকে “অননুমোদিতভাবে দখলে” রয়েছে এবং ওই সময়ের পর থেকে সরকার কোনও (RTI) ভাড়াই পায়নি বলে তথ্যের অধিকার আইনের (আরটিআই) আবেদনের জবাবে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কংগ্রেসের বকেয়া কত রয়েছে, তা এখনও পর্যালোচনাধীন, এবং নির্ধারণ করা হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।

    বাংলো দখল কংগ্রেসের (Congress)

    সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসা আরটিআই জবাবে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীন এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছে, নয়াদিল্লির লুটিয়েন্স এলাকার ২৪, আকবর রোডের বাংলোটি ১৯৯২ সালের ৭ আগস্ট কংগ্রেসকে বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে ২০১৩ সালের ২৬ জুন থেকে ওই বরাদ্দ বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই বাংলোটি কংগ্রেসের “অননুমোদিত দখলে” রয়েছে। আরটিআই জবাবে এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছে, ২০১৩ সালের ২৬ জুনের পর থেকে ২৪, আকবর রোডের জন্য কোনও ভাড়া জমা পড়েনি। কংগ্রেসের বকেয়া অর্থের পরিমাণ এখনও পর্যালোচনাধীন এবং তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। ফলে কংগ্রেসের কাছ থেকে সরকারের কত টাকা পাওনা, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

    তথ্য প্রকাশের গুরুত্ব

    আরটিআই আবেদনকারী জানতে চেয়েছিলেন, কংগ্রেসকে বাংলো খালি করার জন্য সরকার কোনও নোটিশ জারি করেছিল কি না, এবং করলে তার প্রতিলিপি। তবে এস্টেট অধিদফতর সেই তথ্য দিতে অস্বীকার করে। তাদের বক্তব্য, এই (Congress) ধরনের নথি আলাদা করে সংকলিত অবস্থায় সংরক্ষিত নেই। সেগুলি সংগ্রহ ও সংকলন করতে গেলে তথ্যের অধিকার আইনের ৭(৯) ধারার আওতায় সরকারি দফতরের সম্পদের অযৌক্তিক ব্যবহার হবে। এই তথ্য প্রকাশের গুরুত্ব রয়েছে। কারণ ২০১৮ সালে সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসা আর একটি আরটিআইয়ের জবাবে এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছিল, ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ২৪, আকবর রোডের মাসিক লাইসেন্স ফি সংশোধন করে ৩,৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই জবাবের সঙ্গে ২০১৩ সালে কংগ্রেসের বরাদ্দ বাতিলের চিঠির প্রতিলিপিও দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি জানানো হয়েছিল, বাংলোটি আগের শর্তে রাখার এবং স্বাভাবিক লাইসেন্স ফি নেওয়ার বিষয়ে কংগ্রেসের আবেদন বিবেচনাধীন রয়েছে।

    ১১, অশোক রোড সম্পর্কেও তথ্য

    এদিকে, আরটিআই আবেদনে লুটিয়েন্স দিল্লির ১১, অশোক রোড সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছিল, যা একসময় ভারতীয় জনতা পার্টির সদর দফতর ছিল। এস্টেট অধিদফতর জানিয়েছে, ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ ওই বাংলোটি বিজেপিকে বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে ওই সম্পত্তি লোকসভার সদস্যদের আবাসন পুলের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ফলে ভাড়া আদায় এবং বর্তমানে কে ভাড়া দিচ্ছে, সেই সংক্রান্ত তথ্যের আবেদন লোকসভা সচিবালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরটিআই জবাবে আরও বলা হয়েছে, বিজেপির সরকারের কাছে কোনও বকেয়া থাকলে তার পরিমাণও এখনও পর্যালোচনাধীন এবং নির্ধারণ করা হয়নি। এর আগে, ২০১৯ সালে সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসা একটি আরটিআই জবাবে জানানো হয়েছিল, ১১, অশোক রোডের বাংলোটি তখনও বিজেপির দলীয় কার্যালয় হিসেবেই ব্যবহৃত হচ্ছিল। এছাড়া ২০১৮ সালের আর একটি আরটিআই (RTI) আবেদনের উত্তরে জানানো হয়েছিল, ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ওই বাংলোর মাসিক লাইসেন্স ফি ৩,৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে (Congress)।

     

LinkedIn
Share