Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Uttar Pradesh: বিয়ের টোপ দিয়ে মহিলাকে যৌন হেনস্থা! সর্বস্ব লুট করে চম্পট মুসলিম যুবকের

    Uttar Pradesh: বিয়ের টোপ দিয়ে মহিলাকে যৌন হেনস্থা! সর্বস্ব লুট করে চম্পট মুসলিম যুবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের টোপ দিয়ে এক মহিলাকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে যৌন নির্যাতন (Sexual Harassment) করেছে মুসলিম যুবক জালালউদ্দিন। আরও অভিযোগ, নির্যাতিতাকে বিয়ের কথা বলে ভয় দেখিয়ে টাকা, গয়না এবং মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে চম্পট দেয় ওই যুবক। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) গোরক্ষপুরের ঘটনা।

    আর্থিক অনটনের মধ্যে ছিলেন নির্যাতিতা (Uttar Pradesh)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা (Sexual Harassment) দুই সন্তানের মা। তিনি ২০১৩ সালে বিয়ে করেছিলেন। স্বামীর সঙ্গে গিদা এলাকায় বসবাস করতেন। বাড়িতে আর্থিক অনটন থাকায় সন্তাদের ভরনপোষণের জন্য বিআরডি মেডিক্যাল কলেজ (Uttar Pradesh) এলাকায় একটি চায়ের দোকান চালাতেন মহিলা। এরপর মুসলিম যুবক জালালউদ্দিনের সংস্পর্শে আসেন ওই মহিলা। শুরু হয় প্রেম।

    আমার টাকা, গয়না লুট করে পালায়

    জালালউদ্দিন প্রথমে ওই মহিলার আস্থা অর্জন করেন। তিনি তাঁর স্বামীকে ছেড়ে আসতে রাজি করান। প্রতিশ্রুতি দেন, মহিলার সন্তানদেরও দায়িত্ব নেবেন। মহিলার অভিযোগ, “আমি ওঁকে বিশ্বাস করেছিলাম। আমার স্বামীকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। এরপর জালালউদ্দিন এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আমাকে যৌন নির্যাতন (Sexual Harassment) করে। যখনই আমি বিয়ের কথা বলতাম, এড়িয়ে যেত। গত ৯ জানুয়ারি ফের যখন বিয়ে করতে বলি, তখন আমায় ব্যাপক মারধর করে। তারপর আমার টাকা, গয়না লুট করে পালায়। ঘটনার পর থেকেই এক সপ্তাহ ধরে তার কোনও খোঁজ না পাওয়ায় আমি থানায় (Uttar Pradesh) অভিযোগ দায়ের করেছি। এখন আমি ওই শাস্তি চাই।”

    আরও পড়ুন: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    মুসলিম যুবকরা মেয়েদের প্রলোভনে টার্গেট করে

    থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারায় মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সব রকম ব্যবস্থা নিতে কাজ শুরু হয়েছে। তবে উত্তরপ্রদেশে জেহাদি মুসলমান যুবকদের এইরকম দৌরাত্ম্যের কথা আগেও সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে নানা সময়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পরিচয় গোপন করে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করে মুসলমান যুবকরা। এরপর লাভ জিহাদের (Sexual Harassment) ঘটনা ঘটে। যদিও যোগী সরকার (Uttar Pradesh) ক্ষমতায় বসার পর থেকেই এভাবে প্রলোভন এবং মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা আগের চেয়ে খানিক কমেছে।       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Bill: সংসদের বাজেট অধিবেশনেই পেশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? কী বলছে জেপিসি?

    Waqf Bill: সংসদের বাজেট অধিবেশনেই পেশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? কী বলছে জেপিসি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ছিল সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই পেশ করা হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Bill)। তবে সেই সময় পেশ হয়নি বিলটি। সূত্রের খবর, আসন্ন বাজেট অধিবেশনেই (Budget Session) পেশ করা হতে পারে ওই বিল। প্রসঙ্গত, সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি, দুভাগে চলবে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

    পর্যালোচনা হয়েছে বিল (Waqf Bill)

    সূত্রের খবর, যৌথ সংসদীয় কমিটিতে বিলটি নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। এবার স্টেকহোল্ডার, দল এবং অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে আলোচনা শেষ করে ঐকমত্যে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। যৌথ সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান জগদম্বিকা পাল ও অন্য সদস্যরা সম্প্রতি পাটনা সফর করেছেন। চেয়ারম্যান সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘বাজেট অধিবেশনের সময় আমাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। তাই সময় দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।’’ সূত্রের ইঙ্গিত, সরকার জেপিসির রিপোর্ট পাওয়ার পর বিলটি উত্থাপন করতে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত শেষ করতে চাইছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবীণ বিজেপি নেতা বলেন, “বাজেট অধিবেশনে বিলটি (ওয়াকফ বিল) উত্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। সম্প্রতি জেপিসি চেয়ারম্যান স্বীকার করেছেন যে প্রতিবেদন চূড়ান্ত এবং জমা দেওয়ার জন্য সময় সীমিত।”

    যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠক

    জানা গিয়েছে, ওয়াক্‌ফ বিলের (Waqf Bill) ওপর যৌথ সংসদীয় কমিটি দিল্লিতে ৩৪টি বৈঠক করেছে। ২০৪টিরও বেশি প্রতিনিধি দল ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘সরকার উভয় কক্ষেই সংশোধনী বিল পাস করতে পারত। তবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করার।’’  

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে খিলাফতে পরিণত করতে চাইছে আইএসআই এবং হামাস!

    তিনি বলেন, ‘‘আমি বিহারে পৌঁছেছি। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এখানে ওয়াকফ বোর্ড, স্টেকহোল্ডার, প্রতিনিধিদল এবং সংখ্যালঘু কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করব। বাজেট অধিবেশন চলাকালীন আমাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে, তাই সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে।’’ তিনি বলেন, “বিবাদগুলি সমাধান করতে সংশোধনীটি চালু করা হয়েছিল, যেমন কেরলে, সেখানে একটি পুরানো গির্জাকে ওয়াকফ সম্পত্তি (Waqf Bill) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। এখন কুম্ভের জমি নিয়েও একই দাবি উঠছে (Budget Session)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Natural Farming: জৈব চাষে অন্ধ্রে বিরাট সাফল্য, আইএএস অফিসারের জানুন গল্প

    Natural Farming: জৈব চাষে অন্ধ্রে বিরাট সাফল্য, আইএএস অফিসারের জানুন গল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জৈব (Natural Farming) চাষে অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh) বিরাট সাফল্যের কথা তুলে ধরেছেন একজন আইএএস অফিসার। তাঁর এই প্রচেষ্টা এখন ওই রাজ্যের চাষিদের কাছে দৃষ্টান্ত। জানা গিয়েছে, ৮ লক্ষ কৃষকের জন্য গোবর এবং নিমপাতার মতো জৈব উপাদান ব্যবহার করে চাষের জগতে কীভাবে সাফল্য আনা যায়, সেই অসাধ্য সাধান করার তথ্যচিত্র নির্মাণ করা হয়েছে। তবে চাষের জন্য সবরকম রাসায়নিক এবং কেমিক্যাল যুক্ত সারকে বাদ দিয়ে ২০১৫ সাল থেকেই কাজ শুরু করা হয়েছিল। সম্পূর্ণ বিষয়ের ভাবনায় রয়েছেন এক সরকারি আমলা। এই বিষয়কে নিয়ে চিত্রপরিচালক রেণুকা জর্জ, টি বিজয় কুমারকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করছেন।  এখন বিরাট আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এই তথ্যচিত্র। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই জৈবিক চাষ নতুন যুগের সূচনা করেছে।

    মোট ৫৫ মিনিটের তথ্যচিত্র (Natural Farming)

    জানা গিয়েছে, এই তথ্যচিত্রটি মোট ৫৫ মিনিটের। ইন্ডিয়ান সয়েল ইন রেভোলিউশনের মাধ্যমে এই তথ্যচিত্রকে প্রকাশ করা হয়েছে। জর্জ রেণুকা বলেন, “এই প্রথম আমি ভারতে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করছি। নতুন দিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে তা প্রদর্শিত হয়েছে। ২০২৩ সালে একটি ফরাসি সংস্থার দ্বারা প্রযোজনা করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে আগে বেশ কয়েবার ফ্রান্স এবং ইউরোপে প্রদর্শন করা হয়েছে। অভিনেতা টি বিজয় নিজে থেকে কৃষকদের সঙ্গে অনলাইনে কথা বলবেন সমস্ত রকম কৌশল এবং প্রশ্নের উত্তর দেবেন। আমরা কৃষকদের আর্থিক ভাবে বিরাট কোনও লাভের সুযোগ দিচ্ছি না। কিন্তু  কৃষকদের একটি নিরাপদ, সহজ বিকল্পকে গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। পরিবেশ এবং মানব জীবনের জন্য একান্ত প্রয়োজন এই জৈবিক চাষ।”

    পশ্চিম গোদাবরী, কৃষ্ণা এবং পূর্ব গোদাবরী জেলার চিত্র রয়েছে

    জর্জের তথ্যচিত্রে অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) পশ্চিম গোদাবরী, কৃষ্ণা এবং পূর্ব গোদাবরী জেলায় জৈবিক চাষের (Natural Farming) উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর বিষয়বস্তু টি বিজয় কুমারের জীবনের সঙ্গে কেন্দ্রীভূত চাষাবাদকে ঘিরে। তিনি অবশ্য একজন আইএএস অফিসার। তাঁর উদ্যোগে রাজ্যে জৈবিক চাষাবাদ নিয়ে আন্দোলনের বিরাট পর্ব রচিত হয়েছে। চাষের জন্য সমস্ত রকমের পরিস্থিতি অন্বেষণ করেছিলেন কীভাবে, তাকেই উপস্থাপন করা হয়েছে এই তথ্যচিত্রে। কৃষকরা রীতিমতো ব্যাপক উৎসাহী ছিলেন এই ধরনের তথ্যচিত্রে।

    আরও পড়ুনঃ দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    বেশি বেশি করে গোবর সার এবং জৈব সার প্রয়োগ

    সারা দেশে কৃষকরা বিশেষ করে দাক্ষিণাত্যের মালভূমির মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) মতো রাজ্যগুলিতে চাষ এক প্রকার অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। রাসায়নিক সারের ব্যবহার এবং ফসলের উৎপাদন (Natural Farming) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাষিরা দারুণ সঙ্কটের মধ্যে ছিলেন। অপরদিকে পরিবেশ দূষণের একটা বড় চাপ বেড়ে চলছিল। তাই তথ্যচিত্রে সুপরিকল্পিতভাবে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কীভাবে পরিত্যাগ করা যায় সেই দিকগুলিকে বেশি করে তুলে ধরা হয়েছে। বেশি বেশি করে গোবর সার এবং জৈব সার প্রয়োগের দিক তুলে ধরা হয়েছে। চাষের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গোমূত্র ও নিমপাতাকে জলের মাধ্যমে কীটনাশক হিসেবে ব্যবহারের দিকগুলিও দেখানো হয়েছে। তথ্যচিত্রে আরও দেখানো হয়েছে, কীভাবে পশ্চিম গোদাবরী জেলার কৃষকরা ১৯৬০ এবং ১৯৭০-এর দশকে সবুজ বিপ্লবের সুফলকে কীভাবে একজন কৃষক গ্রহণ করে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে গিয়েছেন। কৃত্রিম সার ব্যবহার কীভাবে কমানো যায় তাকেই এখানে বেশি করে দেখানো হয়েছে। এই প্রযুক্তি কীভাবে প্রয়োগ করা হবে সেই কৌশলও দেখানো হয়েছে।   

    হাজার হাজার কৃষক যোগদান করেছিলেন

    বিজয় কুমার বলেন, “এই জৈব সারের (Natural Farming) ব্যবহার ১৯৯০ সাল থেকেই প্রথম করেছিলেন সুভাষ পালেকার। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চাষিদের সঙ্গে কথা বলে সমন্বয় করে কাজ করছিলেন। তবে এই চাষে মহিলা কৃষকদের একটা বড় ভূমিকা থাকবে। জৈব কীটনাশক বেশি বেশি করে ব্যবহারের জন্য পুরুষদের উৎসাহী করবেন বাড়ির মহিলারা। পরিবারের স্বাস্থ্যের সঙ্গে চাষের স্বাস্থ্যের কথাটাও বেশি করে ভাবা প্রয়োজন।”

    তথ্যচিত্র প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে পালেকর বলেন, “এই তথ্যচিত্র দেখে রাজ্যের হাজার হাজার কৃষক মুগ্ধ। সকলে প্রয়োজনীয় নোট নিয়েছেন। কৃষকরা নিজেরাই এই জৈব চাষের মহাবিপ্লবের বিরাট সাক্ষী হয়েছিলেন। এইধরনের প্রচেষ্টা সারা ভারতে প্রয়োগ করা হলে কৃষিতে পথ দেখাবে ভারত।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Defence System: দেশের আকাশসীমাকে নিশ্ছিদ্র করাই লক্ষ্য, একযোগে কাজ করবে স্থল এবং বায়ুসেনা

    Air Defence System: দেশের আকাশসীমাকে নিশ্ছিদ্র করাই লক্ষ্য, একযোগে কাজ করবে স্থল এবং বায়ুসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সশস্ত্র বাহিনীর দুই শাখা, স্থলসেনা এবং বায়ুসেনার সমন্বয় নিবিড় করার চেষ্টা করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। চিন, পাকিস্তান এবং সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের সঙ্গেও মতানৈক্য, তাই সীমান্তে সদা সতর্ক ভারত। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতকে বিপাকে ফেলতে শত্রুসেনার বিমান কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র এমনই গুরুত্বপূর্ণ নিশানা বেছে নিতে পারে। আর তা মাথায় রেখেই এ বার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defence System) ঢেলে সাজাচ্ছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী। এই পরিকল্পনা মাথায় রেখেই দুই বাহিনীর সমস্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলিকে আনা হচ্ছে, ‘ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম’ (আইএসিসিএস) নামে পরিচালন ব্যবস্থার অধীনে। ইতিমধ্যেই সেই একত্রীকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, বলে খবর।

    সেনার পাশে বায়ুসেনা

    ভারতীয় সেনাবাহিনী (Indian Army) বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পদাতিক বাহিনী। শক্তির দিক থেকে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী (Indian Army)। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার যুবক দেশের সবাই নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। কারণ পেশা হিসেবে তাঁরা বেছে নেন সেনার চাকরিকেই।‌ কর্তব্য নিষ্ঠা, দেশপ্রেম, ত্যাগ এবং শৌর্য। ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হন তাঁরা। দুর্গম কাশ্মীরের সিয়াচেন হিমবাহ থেকে অরুণাচলের চিন সীমান্ত। আবার অন্যদিকে, রাজস্থানের থর মরুভূমির বুকেও সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীর মতো বিরাজমান ভারতীয় সেনা। ‌শুধু যুদ্ধ‌ কিংবা সীমান্ত সুরক্ষায় নয়। বিভিন্ন বিপর্যয় দুর্যোগে আক্রান্ত দেশবাসীর ত্রাতা হয়ে ওঠে ভারতীয় সেনা।‌ এই অবস্থায় আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের যুগে সেনাকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে দেশের বায়ুসেনা।

    তিন শাখার যৌথ পদক্ষেপ

    সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার একত্রীকরণের (থিয়েটারাইজেশন) কথা ঘোষণা করেন। তাঁর মন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে, নয়া ব্যবস্থায় রুশ এস-৪০০ থেকে ভারতীয় ‘আকাশ’ (ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র) পর্যন্ত সবই চলে আসবে আইএসিসিএস-এর নিয়ন্ত্রণে। ইতিমধ্যেই স্থলসেনার ‘আকাশতীর এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’-এর (Air Defence System) ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী আকাশতীর-প্রসঙ্গের উল্লেখ করে বলেছেন, ‘‘চলতি বছরের শেষেই একত্রীকরণের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আমরা আশা করছি।’’

    একই থিয়েটার কমান্ড গঠন 

    বর্তমানে ভারতীয় স্থলসেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনার দেশজুড়ে পৃথক পৃথক কমান্ড রয়েছে। ‘থিয়েটারাইজেশন’ পদ্ধতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হল তিন বাহিনীর ভিন্ন ভিন্ন কমান্ডের পরিবর্তে, একই থিয়েটার কমান্ড গঠন করা। আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের মতো দেশে ইতিমধ্যেই এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এর ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার। বাড়বে মারণক্ষমতাও। আকাশ প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপের ফলে ‘জয়েন্ট এয়ার ডিফেন্স সেন্টার’ (জেএডিসি)-র মাধ্যমে আকাশতীর-সহ সশস্ত্র বাহিনীর রাডারকে একীভূত করা হবে।

    আরও পড়ুন: প্রজাতন্ত্র দিবসে ‘ত্রিশক্তি’! প্রথমবার একসঙ্গে কুচকাওয়াজ করবে সেনার তিন বাহু

    আকাশতীর প্রকল্পে ভরসা

    আকাশতীর প্রকল্পের (Air Defence System) অধীনে ভারতীয় সেনা ও বিমান বাহিনী একটি নিয়ন্ত্রণ ও কমান্ড কেন্দ্রে পরিণত হবে। এর ফলে আকাশতীর প্রকল্পের ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে চলতে পারবে। এ কারণেই এটিকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সমন্বিত ভবিষ্যৎ বলে মনে করা হয়। এর বিশেষ বিষয় হল তিনটি বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে এবং একসঙ্গে শত্রুকে আক্রমণ করতে পারবে। এই প্রযুক্তি সম্পর্কে কথা বললে, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর রাডারগুলিকে মাটিতে মোতায়েন করা হবে এবং আকাশতীর প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলিকে তাদের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাহিনী তার ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (আইএসিসিএস) ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রকল্প আকাশতীরের সঙ্গে সংযুক্ত করবে এবং সীমান্ত পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে। এটি আকাশ থেকে ভূমিতে এবং স্থল থেকে আকাশে আক্রমণ করতে সক্ষম হবে। তখন বিমান বাহিনীর ফাইটার জেট শত্রুর দিকে দ্রুত আক্রমণ করবে এবং শত্রুকে আকাশেই ধ্বংস করবে।

    এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম চলমান প্রচেষ্টা

    ভারতীয় বায়ুসেনা ও সেনাবাহিনী তাদের বিমান প্রতিরক্ষা একীভূত করার প্রক্রিয়া (Air Defence System) শুরু করেছিল ২০১৮ সালের জুন মাস থেকে। ২০২০ সালে, তৎকালীন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) প্রয়াত জেনারেল বিপিন রাওয়াত বিমান প্রতিরক্ষা একত্রীকরণকে “লো হ্যাঙ্গিং ফল” হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তখন আলাদা একটি আকাশসীমা প্রতিরক্ষা কমান্ড (Air Defence Command) গঠনের কথা উঠেছিল, তবে এখনও পর্যন্ত কিছু চূড়ান্ত হয়নি, কারণ থিয়েটার কমান্ড কনসেপ্ট এখনও কাজের মধ্যে রয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আশা, ২০২৫ সালেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam: অসম এসটিএফের জালে আরও এক ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গি, ধৃত আনসারুল্লা বাংলার সদস্য

    Assam: অসম এসটিএফের জালে আরও এক ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গি, ধৃত আনসারুল্লা বাংলার সদস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অসমে (Assam) এসটিএফের জালে ১ সন্দেহভাজন। এই ধৃত ব্যক্তি আনসারুল্লা (Ansarullah) বাংলা টিমের সদস্য বলে দাবি তদন্তকারী অফিসারদের। তাকে আগেই মোস্ট ওয়ান্টেড হিসেবে ঘোষণা করেছিল পুলিশ। বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার শাদ রাডি ওরফে সাব শেখকেও অসমে পাঠানো হয়েছে জেহাদি সংগঠনের কাজের বিস্তারের জন্য। তার সঙ্গে ধৃতের যোগাযোগ ছিল। সেই সূত্র ধরে অভিযান চালানো হয়েছিল। উল্লেখ্য আগে ২১ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছিল অসম এসটিএফ।

    অভিযুক্ত আনসারুল্লা বাংলা টিমের সদস্য (Assam)

    অসম (Assam) এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধুবিড়িতে একটি অভিযান চালিয়ে এই জেহাদিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম জাহের আলি। অভিযুক্ত আনসারুল্লা বাংলা টিমের সদস্য। আগে ধৃত জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জাহের আলি সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করা হয়েছিল। জাহেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রথমে আটক করা হয়। জেরায় তার বয়ানে অমিল পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে অসম পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এখন তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য আরও জানার চেষ্টা করছে। দেশের একাধিক প্রান্ত থেকে আনসারুল্লা জেহাদি সংগঠন সম্পর্কে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে সংগঠনের সদস্যদের গ্রেফতার করছে অসম পুলিশ। আনসারুল্লা বাংলা টিমের জঙ্গিদের (Ansarullah) সঙ্গে জামাত-উল-মুজাহিদিনের জঙ্গিদের যোগাযোগ রয়েছে। ‘অপারেশন প্রঘাত’-এ অসম পুলিশের খাতায় নাম উঠে আসে জেএমবি জঙ্গি তারিকুল ইসলামের। এই ব্যক্তি শেখ সাদেক বা সাদেক সুমন নামেও পরিচিত। খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্ত তারিকুলের সঙ্গে জেলে সাক্ষাৎ হয়েছিল আনসারুল্লা বাংলা টিমের দুই জঙ্গি আব্বাস আলি এবং মিনারুলের। তাই এই জঙ্গি সংগঠনের কাজকে নির্মূল করতে অসম সরকার অত্যন্ত তৎপর হয়ে জায়গায় জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে।

    প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত

    অসম (Assam) এসটিএফ প্রধান পার্থসারথি মহন্ত বলেন, ‘অপারেশন প্রঘাত’ নামে অভিযানের কথা ঘোষণা করেছে আমাদের বিশেষ টিম। এই অভিযানে ধরা পড়ে কুখ্যাত দুষ্কৃতী শাদও (Ansarullah)। একই ভাবে তাদের কাছ থেকে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আবার গত ৩০ ডিসেম্বর কোকরাঝাড় পুলিশ সহযোগিতা করায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে এই জঙ্গি সংগঠনের মুখ্য অভিযুক্ত গাজি রহমানকেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Saif Ali Khan: সইফের ওপর হামলাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার, খোঁজ মিলল ধারালো অস্ত্রের

    Saif Ali Khan: সইফের ওপর হামলাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার, খোঁজ মিলল ধারালো অস্ত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ধরা পড়ল সইফ আলি খান (Saif Ali Khan)-এর হামলাকারী। সইফ আলি খানের বাড়িতে ঢুকে তাঁকে ছুরি দিয়ে কোপানোর ৩ দিন পরে থানে থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই (Mumbai) পুলিশ। জানা গিয়েছে, একাধিকবার ওই ব্যক্তিকে বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল। অবশেষে অভিযুক্তকে থানে থেকে গ্রেফতার করে মুম্বই পুলিশ।

    ধৃতের পরিচয় কী?(Saif Ali Khan)

    অভিযুক্তের (Saif Ali Khan) নাম জানতে চাওয়া হলে, প্রথমে সে বলে, তার নাম বিজয় দাস। পরবর্তীতে সে জানায়, তার নাম মহম্মদ সাজ্জাদ। কখনও আবার এই ব্যক্তি নিজের নাম জানায়, মহম্মদ আলিয়ান। তবে সইফ আলি খানের ওপর হামলার সঙ্গে তার যোগসূত্র স্বীকার করে নিয়েছে। অভিযুক্তকে ধরতে মুম্বই পুলিশ বিশেষ টিম গড়েছিল। এই অভিযানে যুক্ত মুম্বই পুলিশের ডিসিপি পদ মর্যাদার এক আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, থানে এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে ঘুমন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঝোপ জঙ্গলের মধ্যে জড়ো করা শুকনো ঘাসের মধ্যে শুয়ে ছিল সে। পুলিশের দাবি, তার কাছ থেকে কাস্তে জাতীয় ধারালো অস্ত্র এবং একটি তোয়ালে পাওয়া গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    প্রসঙ্গত, গত বুধবার গভীর রাতে মুম্বইয়ের বান্দ্রা এলাকায় সইফ আলি খানের (Saif Ali Khan) বাড়িতে ঢুকে পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি। জানা যাচ্ছে, সইফের ছোট ছেলে জেহ-র ঘরের শৌচাগারে লুকিয়ে ছিল আততায়ী। কিন্তু সে যে কোথা দিয়ে বিল্ডিংয়ে ঢুকেছিল সেই বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। জেহ-র ন্যানি প্রথম তাকে দেখতে পান। ভয় পেয়ে অ্যালার্ম বাজিয়ে দেন। ছুটে আসেন সেফ। জেহ-র কাছে পৌঁছতে না পেতে আততায়ী বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ছুরি বের করে কোপাতে থাকে সইফকে। আহত সইফ পড়ে গেলে সে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। পরে, ওই ব্যক্তিই অভিনেতার ওপর ধারালো ছুরি নিয়ে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। ছ’টি আঘাত নিয়ে সইফকে লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় বৃহস্পতিবার ভোরে। তার পর থেকেই ওই দুষ্কৃতীর খোঁজে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছিল মুম্বই পুলিশের প্রায় ৩০টি দল। পরে, গত বৃহস্পতিবারই সইফের বাড়ির পিছনের সিঁড়ির সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখা গিয়েছিল সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির মুখ। সে সময়ই পুলিশ সেই ফুটেজ প্রকাশ করে। তার পর এক কাঠ মিস্ত্রিকে আটক করা হয়। শনিবার জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস থেকে একজনকে এবং ছত্তিসগড়ের দুর্গ থেকে আর এক জনকেও আটক করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মোদির নেতৃত্বে ভারত হবে এক বা দু’নম্বর অর্থনীতির দেশ”, বললেন চন্দ্রবাবু

    PM Modi: “মোদির নেতৃত্বে ভারত হবে এক বা দু’নম্বর অর্থনীতির দেশ”, বললেন চন্দ্রবাবু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন আর শুধু ভারতের নেতা নন, তিনি এখন বিশ্বের নেতা।” দিন দশেক আগে কথাগুলি বলেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu)। আর শনিবার সেই চন্দ্রবাবুই জানিয়ে দিলেন, মোদির নেতৃত্বে ২০৪৭ সালের মধ্যে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হবে এক কিংবা দু’নম্বরে।

    মোদির নেতৃত্ব (PM Modi)

    এদিন কড়াপা জেলার মাইডুকুরে একটি সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যে এনডিএ ২৫টির মধ্যে ২১টি লোকসভা আসন জিতেছে, তা যেন ‘সঞ্জীবনী’ হয়ে উঠেছে। যদিও তেলেগু দেশম পার্টি এক কোটি সদস্যসহ একটি আঞ্চলিক দল, তবুও এটি সব সময় একটি জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করে এসেছে।” তিনি বলেন, “আমরা আগেও ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে এনডিএর সঙ্গে কাজ করেছি।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমার কোনও সন্দেহ নেই যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত এক নম্বর বা দু’নম্বর অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে। আমার লক্ষ্য হল তেলেগু জনগণকে বিশ্বব্যাপী এক নম্বর স্থানে দেখতে পাওয়া।”

    ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারে’র প্রশস্তি

    এদিন চন্দ্রবাবুর মুখেও ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারে’র (PM Modi)  প্রশস্তি শোনা যায়। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব কেবলমাত্র ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ থাকার মাধ্যমে, যা রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরে দ্বিগুণ উন্নয়ন হার নিয়ে আসবে। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার পোলভারম সেচ প্রকল্পসহ একাধিক প্রকল্পের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশাখাপত্তনম স্টিল প্ল্যান্টের জন্য একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা আপনাদের এই বলে আশ্বস্ত করছি যে পোলভারম সেচ প্রকল্প আগামী দু’বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের জন্য ১২,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ডায়াফ্রাম ওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ভুয়ো নথি ব্যবহার করে মুসিবুল হল প্রদীপ, একত্রবাস হিন্দু মেয়ের সঙ্গে, গ্রেফতার

    চন্দ্রবাবুর মুখে মোদি-স্তুতি শোনা গিয়েছে আগেও। কিছুদিন আগেই তিনি (Chandrababu Naidu) বলেছিলেন, “আমি সব সময় আপনার কাছ থেকে কিছু না কিছু অনুপ্রেরণা পাই। আপনার কাছ থেকে শিখি। আপনার নেতৃত্বে ভারত উন্নতির শিখরে পৌঁছবে। আমরা সবাই আপনার জন্য গর্বিত (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    Uttar Pradesh: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) হামিরপুর জেলায় দলিত পরিবারকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টার অভিযোগে যোগীর পুলিশ ৫জন মুসলিমকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে, একটি দলিত পরিবারের বাড়ির ভিতরে একজন মুসলিম ধর্মীয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই ওই পরিবারকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা হয়েছিল।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Uttar Pradesh)

    ঊর্মিলা ও তাঁর স্বামী অজিত ভার্মার পরিবার অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পরামর্শে হামিরপুরের (Uttar Pradesh) মওদাহা এলাকায় তাঁদের বাড়ির ভিতরে একটি মাজার (মাজার) তৈরি করেছিলেন। ঊর্মিলা বলেন, “আমি প্রায় দুবছর ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলাম। এই সময়ের মধ্যে আমি বান্দা জেলার মহল্লা চিপাথারির একজন ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করি, যিনি আমায় এক মুসলিম ধর্মগুরু নূরউদ্দিনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। নূরউদ্দিন আমায় আশ্বস্ত করেন যে একটি মাজারে গেলে আমার অবস্থা ভালো হয়ে যাবে।” পরে, নূরউদ্দিন ও তাঁর ভাগ্নে মেরাজুল হাসান ও খালিক মহল্লা রাগৈল ঊর্মিলার বাড়িতে যান। সেখানে একটি মাজার নির্মাণ এবং একটি উরসের আয়োজন করেন। মুসলিম ব্যক্তিরা দলিত পরিবারের সদস্যদের বুঝিয়েছিলেন, মাজারে একজন ‘সন্তের’ কাছে প্রার্থনা করলে ঊর্মিলার রোগ নিরাময় হবে, তাঁদের কষ্টের অবসান হবে। ১০ জানুয়ারি রাতে যখন দলিত পরিবার তাদের বাড়ির ভিতরে একটি” উরস” ( ইসলামিক ধর্মীয় অনুষ্ঠান) পরিচালনা করছিল, হিন্দুত্ববাদী বজরং দলের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে হাজির হন। তাঁরা অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলেন। একইসঙ্গে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টার বিষয়টি পুলিশের নজরে আনেন। থানায় অভিযোগ করা হয়।

    বজরং দলের জেলা ইউনিটের প্রাক্তন আহ্বায়ক কী বললেন?

    বজরং দলের জেলা (Uttar Pradesh) ইউনিটের প্রাক্তন আহ্বায়ক আশিস সিং বলেন, “আমরা যখন রাত আড়াইটে নাগাদ সেখানে পৌঁছলাম, তখন বাড়িতে উরসের অনুষ্ঠান চলছিল। কয়েকজন মৌলবী বক্তব্য রাখছিলেন। তাঁরা ওই দলিত পরিবারের সদস্যার রোগ নিরাময়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং তাঁদের অর্থের প্রলোভন দিয়ে দলিত পরিবারকে ইসলামে (Muslim) ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করছিল।” জানা গিয়েছে, অভিযোগের পর পরই যোগী পুলিশ ঘটনার দিনই চারজন মুসলিম পুরুষকে গ্রেফতার করে। আর একজনকে একদিন পর গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের নাম নূরউদ্দিন (৫৫), তাঁর ভাগ্নে মেরাজ হাসান (৩২), খলিফ (৪২), ইরফ (৪৬) ও মোহাম্মদ হানিফ (৫২)। তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন ও ধর্মান্তিরিত করার মামলা রুজু করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gujarat: ভুয়ো নথি ব্যবহার করে মুসিবুল হল প্রদীপ, একত্রবাস হিন্দু মেয়ের সঙ্গে, গ্রেফতার

    Gujarat: ভুয়ো নথি ব্যবহার করে মুসিবুল হল প্রদীপ, একত্রবাস হিন্দু মেয়ের সঙ্গে, গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের (Gujarat) সুরাট পুলিশ মুসিবুল শেখ নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভুয়ো নথিপত্র ব্যবহার করে এক হিন্দু মেয়ের (Hindu Girl) সঙ্গে সে দীর্ঘদিন লিভ ইন সম্পর্কে ছিল। গুজরাটের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মুসিবুল শেখ হিন্দু নাম নেয়। তখন তার নাম হয় প্রদীপ ক্ষেত্রপাল। এরপরে গুজরাটের সুরাটে এক হিন্দু মেয়ের সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে থাকতে শুরু করে সে।

    অভিযুক্ত ১৪ বছর ধরে বিভিন্ন স্পা-তে কাজ করেছে (Gujarat)

    জানা গিয়েছে, নানা প্রতারণা এবং প্রলোভন দেখিয়ে হিন্দু মেয়েটিকে সে মুম্বই থেকে নিয়ে আসে। ১৫ জানুয়ারি তাকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে গুজরাট পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের সন্দেহ রয়েছে জাল নথি ব্যবহার করে আরও অনেকেই এভাবে বসবাস করছে। গুজরাটের (Gujarat) বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মুসিবুল শেখের বয়স ২৬। সে সুরাটের রান্ডার এলাকার জাহাঙ্গিরবাদ ক্যানাল রোডে বসবাস করে। অভিযুক্ত ১৪ বছর ধরে বিভিন্ন স্পা-তে কাজ করেছে। আর প্রায় দেড় বছর আগে মুম্বইতে তার সঙ্গে আলাপ হয় এক হিন্দু মেয়ের। তখন থেকেই লিভ ইন সম্পর্কে থাকার জন্য মেয়েটিকে (Hindu Girl) প্রস্তাব দেয় মুসিবুল। হিন্দু এলাকায় একটি বাড়িও সে খুঁজতে থাকে। কিন্তু মুসলিম পরিচয় থাকায় কেউ তাকে বাড়ি ভাড়ায় দেয়নি। 

    অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নকল নথি তৈরি করে মুসিবুল

    জানা গিয়েছে, এর পরেই একটি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নকল নথি তৈরি করে সে। নিয়ে নেয় হিন্দু নাম। ভুয়ো আধার কার্ড ব্যবহার করে পাঁচ মাস আগে হিন্দু এলাকায় বসবাস করতে শুরু করে সে। মুসিবলের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩১৯, ৩৩৬(২), ৩৩৬, ৩৩৮ ধারা লাগু করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর সে জানিয়েছে, তার বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলীতে। গুজরাট (Gujarat) পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে দুটি আধার কার্ড উদ্ধার করেছে। একটি মুসিবল শেখের নামে এবং অপরটি প্রদীপ সুজয় ক্ষেত্রপালের নামে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: অমৃত স্নান করলেন রাজনাথ, মৌনী অমাবস্যায় সপরিবারে ডুব দেবেন অমিত শাহ

    Mahakumbh Mela 2025: অমৃত স্নান করলেন রাজনাথ, মৌনী অমাবস্যায় সপরিবারে ডুব দেবেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলায় (Mahakumbh Mela 2025) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) আগামী ২৭-২৮ জানুয়ারী ত্রিবেণী সঙ্গমে পবিত্র অমৃত স্নান করবেন। সূত্রের খবর, এই প্রবীণ বিজেপি নেতা নিজে সপরিবারে মেলায় যাবেন। শনিবার মহাকুম্ভের পুণ্যস্নান করেছেন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী। প্রসঙ্গত, মেলার প্রথম পুণ্যস্নান শুরু হয়েছে ১৪ জানুয়রি পৌষ পূর্ণিমার দিন। দ্বিতীয় পুণ্যস্নান হয়েছে মকর সংক্রান্তিতে। সামনে ২৯ জানুয়ারি হবে মৌনী অমাবস্যার অমৃতস্নান। ওইদিন ১০ কোটি মানুষের সমাগম হবে বলে আশা প্রশাসনের। এই মেলাকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে হিন্দু সমাজের মধ্যে আধাত্মভাবের উন্মাদনা এখন তুঙ্গে।

    আমি এই স্নানকে আমার সৌভাগ্য বলে মনে করি (Mahakumbh Mela 2025)

    শনিবার, ১৮ জানুয়ারি মহকুম্ভের ষষ্ঠদিনে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অমৃত স্নান করেছেন। তিনি গঙ্গার আরতিও করে পুজো দিয়েছেন। গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর ত্রিবেণী সঙ্গমে তিনি বিশ্ববাসীর জন্য মঙ্গল কামনা করেছেন। স্নান করে বলেন, “আমি এই স্নানকে আমার সৌভাগ্য বলে মনে করি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর আমায় এই সুযোগ করে দিয়েছেন। আজ, সঙ্গমে স্নান করার পরে, আমি খুব পূর্ণ বোধ করছি। এই উৎসবটি ভারতীয় সংস্কৃতি এবং সনাতন ধর্মের আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। হিন্দুশাস্ত্র, ধর্মগ্রন্থ, পুরাণ, প্রাচীন বৈদিক জ্যোতির্বিদ্যার নানা ঘটনা এবং তিথির ওপর ভিত্তি করে আধ্যাত্মিক এবং বৈজ্ঞানিক গণনায় পূর্ণমহাকুম্ভের আয়োজন হয়ে থাকে। গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতীর সঙ্গম ধর্মের সঙ্গে সামাজিক সম্প্রীতির মহামিলন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিশেষ দক্ষতার সঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম জনসমাবেশ (Mahakumbh Mela 2025) পরিচালনা করেছেন। তার জন্য তাঁকে আমি অভিনন্দন জানাই। আগামী পুণ্যস্নান গুলিতেও এই পদ্ধতিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হবে।”

    ছ’দিনে সাত কোটি মানুষের স্নান

    মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh Mela 2025) শুরু হওয়ার মাত্র ছদিনের মধ্যেই সাত কোটিরও বেশি ভক্ত, তীর্থযাত্রী, পুণ্যার্থী, সন্ন্যাসী, সাধু-সন্ত, যোগী-ঋষি এবং সাধারণ নাগরিক ত্রিবেণী সঙ্গমে পবিত্র স্নান করেছেন। উত্তরপ্রদেশ সরকার আগেই জানিয়েছিল, এবার মহাকুম্ভে ৪৫ কোটিরও বেশি মানুষের সমাগম হবে। তাই প্রস্তুতিতেও বিরাট আয়োজন। আগামী মৌনী অমাবস্যায় যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি নিয়ে প্রশাসনকে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। শুধু দেশেরই নয় বিদেশের সন্তসমাজ এবং আমজনতাও এই অমৃত স্নানে অংশ গ্রহণ করবেন। সব মিলিয়ে মহাকুম্ভ এখন মানব সভ্যতার এক আনন্দধামে পরিণত হয়েছে। উল্লেখ্য, মহাকুম্ভ হল ভারতের সমৃদ্ধ আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মহামিলন মেলা। প্রত্যেক হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এই পবিত্র সঙ্গমে স্নান করতে উন্মুখ হয়ে থাকেন।

    ভিড়ে নজরদারিতে আইসিসিসি-র বিশেষ ব্যবস্থা

    উত্তরপ্রদেশের একটি সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মহাকুম্ভের (Mahakumbh Mela 2025) এতো বিপুল পরিমাণ ভক্তের সমাগমে পুলিশের কাছে এই ভিড় সামাল দেওয়া একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু মেলায় সকল ভক্ত নিজের নিজের সুরক্ষা এবং ব্যবস্থা গ্রহণে কঠোর নিয়ম পালনে আশাব্যাঞ্জক সাড়া দিয়েছেন। মেলার মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার অর্থাৎ আইসিসিসি। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ভিড় সামলানো অনায়াস হয়েছে। শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, ভক্তদের ওপরে কড়া নজরদারিতেও বিরাট ফলপ্রসূ হয়েছে এই ব্যবস্থা। পৌষ পূর্ণিমা এবং মকর সংক্রান্তির স্নানে বিরাট ভিড় সুপরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share