Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Mahakumbh Mela 2025: পূর্ণ মহাকুম্ভের বিরাট ব্যবস্থাপনায় মোদি-যোগীর ভূয়সী প্রশংসা সাধু-মুনি-ঋষিদের

    Mahakumbh Mela 2025: পূর্ণ মহাকুম্ভের বিরাট ব্যবস্থাপনায় মোদি-যোগীর ভূয়সী প্রশংসা সাধু-মুনি-ঋষিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পর পূর্ণ মহাকুম্ভের (Mahakumbh Mela 2025) আসর বসেছে প্রয়াগরাজে। এর বিরাট আয়োজন, ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও অসাধারণ পরিষেবা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Modi-Yogi) ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সাধুসন্ত, মুনিঋষি ও যোগী-সন্ন্যাসীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, এই মেলা ব্যাতিক্রমী, আধ্যাত্মিক উদ্দীপনার আকর্ষণীয় মোক্ষধাম।

    এক কথায় অসাধারণ ব্যবস্থা (Mahakumbh Mela 2025)

    সাধুরা জানান, এই মহাকুম্ভকে বিরল স্বর্গীয় আনন্দধাম বলে উল্লেখ করেছেন। এখানে মোদিজি এবং যোগীজি নিরবচ্ছিন্ন ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর করেছেন। মেলায় কোটি কোটি ভক্তদের সমাবেশ এবং পুণ্যস্নান শুরু হয়েছে। জগৎ গুরু স্বামী রামভদ্রাচার্য বলেন, “মহাকুম্ভ ২০২৫ (Mahakumbh Mela 2025) সালের জন্য রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার যে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা এক কথায় অসাধারণ। এত বড় সঙ্গম স্নান, এত বিপুল সংখ্যক ভক্তদের আগমন, সুশৃঙ্খল এবং সংগঠিত ব্যবস্থাপনায় আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। এর প্রসারতা এবং ব্যাপকতার জন্য তাঁদের কাজ সত্যিই প্রশংসাযোগ্য। সরকার এবং প্রশাসনকে (Modi-Yogi) আমাদের পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।”

    আরও পড়ুনঃ মনের শান্তির খোঁজে নিয়েছিলেন সন্ন্যাস! মহাকুম্ভে হাজির ‘আইআইটি বাবা’

    সূর্যের উত্তরায়ণ থেকে জীবনের শুভকাজের সূচনা হয়

    ঋষিকেশের পারমার্থ নিকেতন আশ্রমের ধর্মগুরু স্বামী চিদানন্দ সরস্বতী বলেন, “পূর্ণ মহাকুম্ভ হল সকল সনাতন ধর্মের মানুষের কাছে একটি অমরত্ব এবং মহামুক্তি মোক্ষের উৎসব। মহাকুম্ভের বৈচিত্র্যের ভাবনা সকল হিন্দুকে একত্রিত করে। লক্ষ লক্ষ মানুষের মহামিলন মেলা হল এই মহাকুম্ভ (Mahakumbh Mela 2025)। আমি সকল সনাতনীকে মেলায় আসার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। এই ত্রিবেণী সঙ্গমে নদীর যেমন অনন্ত স্রোত প্রবাহিত হয়ে চলেছে, ঠিক একই ভাবে হিন্দু ধর্ম আদি অনন্ত কাল ধরে প্রবাহিত হয়ে চলেছে। এই সূর্যের উত্তরায়ণ থেকে জীবনের শুভকাজের সূচনা হয়। যে কোনও দিক বা গতির বদল হলে মানসিকতা এবং ভাবনারও বিরাট পরিবর্তন হয় এবং সেই সঙ্গে পরিবেশেরও বিরাট পরিবর্তন আসে। আমাদের সমগ্র জাতির চেতনায় পরিবর্তন আসলে সমাজ-দেশ-রাষ্ট্র সব কিছুর পরিবর্তন হয়। দেশের বিকাশ এবং উন্নয়ন হয়। ভারতবর্ষ আগামী দিনে তাঁদের তরুণ প্রজন্মের শক্তির পূর্ণ প্রতিফলন ঘটাবে। মোদি এবং যোগীজির (Modi-Yogi) নেতৃত্ব আমাদের এই পরিবর্তনের সুর ধরিয়ে দিয়েছেন।”

    মোদিজির নেতৃত্বে হিন্দু ধর্মে বিরাট জোয়ার

    প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি বলেছেন, “আমি ১৯৮২ সাল থেকে কুম্ভমেলায় যোগদান করছি। অর্ধকুম্ভ এবং পূর্ণকুম্ভ পেয়েছি জীবনে। তবে প্রয়াগরাজের কোলে এই পূর্ণ মহাকুম্ভমেলা (Mahakumbh Mela 2025) বিরাট আনন্দের। মা গঙ্গার বক্ষে একটি নগর বসানো হয়েছে। এটি একই সঙ্গে একটি বিরল এবং শুভ মুহূর্ত। আখড়া থেকে সন্তরা যখন সুশৃঙ্খল ভাবে স্নানের জন্য এগিয়ে যান, তখন ভক্তরা রাস্তায় ফুল সংগ্রহ করেন পরম যত্নে। এই পবিত্র স্নানে মেলে মহামুক্তি। মোদিজির (Modi-Yogi) নেতৃত্বে হিন্দু ধর্মে বিরাট জোয়ার এসেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mark Zuckerberg: ভারতের হুঁশিয়ারির পরই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইল জুকারবার্গের সংস্থা মেটা

    Mark Zuckerberg: ভারতের হুঁশিয়ারির পরই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইল জুকারবার্গের সংস্থা মেটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের গণতন্ত্রকে কালিমালিপ্ত করেছে সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা মেটা। তাই ক্ষমা চাইতে হবে মেটা কর্তৃপক্ষকে।” এমনই দাবি করেছিলেন সাংসদ বিজেপির নিশিকান্ত দুবে (Nishikant Dubey)। ক্ষমা না চাইলে তাঁকে সমন পাঠানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন দুবে। শেষমেশ সেই হুঁশিয়ারির পরে বিতর্কিক মন্তব্যের জেরে ক্ষমা চেয়ে নিল জুকারবার্গের সংস্থা মেটা। জুকারবার্গের (Mark Zuckerberg) মন্তব্যকে অসাবধানতাবশত ভুল বলে উল্লেখ করল সংস্থা। ভারতকে মেটার গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করে ট্যুইট করলেন সংস্থার ভারতের ভাইস প্রেসিডেন্ট (পাবলিক পলিসি) শিবনাথ ঠুকরাল। 

    নিশিকান্তের পোস্ট

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মেটার কর্ণধার মার্ক জুকারবার্গ (Mark Zuckerberg) বলেন, “২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে ভারতের শাসক দল।” মেটা-কর্তার এহেন মন্তব্যের পরেই তাঁর ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলে পদ্ম শিবির। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপি সাংসদ লেখেন, “এই ভুল তথ্যের জন্য আমাদের কমিটি মেটাকে সমন পাঠাবে। যে কোনও গণতান্ত্রিক দেশের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য প্রচার করলে তা সেই দেশের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করে। ভারতের সংসদ এবং দেশের মানুষের কাছে ওই সংস্থাকে ক্ষমা চাইতে হবে।”

    আরও পড়ুন: ভোকাট্টা.. ঘুড়ি উড়িয়ে মকর সংক্রান্তি উদযাপন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    অশ্বিনী বৈষ্ণবের সমালোচনা

    জুকারবার্গের মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর গেরুয়া শিবিরের তরফে প্রথম সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছিলেন, “ভারত বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্র। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটিরও বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে ভারতের নাগরিকরা আবারও এনডিএ জোটের ওপর ভরসা রেখেছেন।”

    তিনি আরও লেখেন, “জুকারবার্গ (Mark Zuckerberg) দাবি করেছেন, কোভিড পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের নির্বাচনগুলিতে বেশিরভাগ দেশেই শাসক দল পরাজিত হয়েছে। এদিকে, ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাবার দেওয়া, নিখরচায় ২২০ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার পাশাপাশি কোভিডের সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাহায্য পাঠিয়েছে ভারত। আমরা বিশ্বের দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠেছি। প্রধানমন্ত্রী ধারাবাহিকভাবে তৃতীয়বার জয়ী হয়েছেন। এটা সুশাসন ও মানুষের (Nishikant Dubey) বিশ্বাসের প্রমাণ (Mark Zuckerberg)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Liquor Policy Case: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় কেজরির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি

    Liquor Policy Case: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় কেজরির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় (Liquor Policy Case) দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমোদন মিলেছে। দিন কয়েক আগেই দিল্লির উপরাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনার অনুমোদন মিলেছিল। এবার মিলল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমোদনও। ঘটনার জেরে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে বেজায় বিপাকে পড়লেন কেজরিওয়াল।

    আদালতে ২০০ পাতার চার্জশিট (Liquor Policy Case)

    ওই মামলায় জুলাই মাসেই আদালতে ২০০ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছিল ইডি। তাতে অভিযুক্ত করা হয়েছিল কেজরিওয়াল ও তাঁর দলকে। নিম্ন আদালত জানিয়েছিল, কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার মতো যথেষ্ট তথ্য রয়েছে ওই চার্জশিটে। এর পর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। আদালতে তাঁর বক্তব্য ছিল, তিনি জনপ্রতিনিধি। জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে হলে সরকারের আগাম অনুমতি নিতে হয়। ইডি তা করেনি।

    দিল্লির উপরাজ্যপালকে চিঠি ইডির

    মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, কোনও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের সম্মতি ছাড়া আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করা যায় না। এর পরেই (Liquor Policy Case) আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে (পিএমএলএ) বিচারের অনুমতি চেয়ে দিল্লির উপরাজ্যপালকে চিঠি দেয় ইডি। সেই চিঠিতেও ইডি দাবি করে, আবগারি মামলায় কিংপিন ও মূল ষড়যন্ত্রকারী কেজরিওয়ালই।

    আরও পড়ুন: ভোকাট্টা.. ঘুড়ি উড়িয়ে মকর সংক্রান্তি উদযাপন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    গত ২১ মার্চ পিএমএলএ-এর অধীনে দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি। ১৭ মে একটি চার্জশিটে কেজরিওয়ালের নাম করেই ইডি দাবি করে, নির্দিষ্ট কিছু মদ ব্যবসায়ীকে সুবিধা পাইয়ে দিতে নেওয়া ১০০ কোটি টাকার মধ্যে ৪৫ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে প্রচার করতে। ইডির দাবি, কেজরিওয়াল জাতীয় আহ্বায়ক এবং আপের জাতীয় এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে তহবিল ব্যবহারের জন্য চূড়ান্তভাবে দায়ী। তিনিই আপের নেপথ্যে থাকা মূল মস্তিষ্ক। বর্তমানে দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত কেজরিওয়াল। ঠিক এই সময়ই অমিত শাহের মন্ত্রকের অনুমোদনের দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Arvind Kejriwal) যে নতুন করে বিপাকে পড়লেন, তা বলাই বাহুল্য (Liquor Policy Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukraine War: ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়ে মৃত্যু কেরলের যুবকের, রাশিয়াকে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

    Russia Ukraine War: ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়ে মৃত্যু কেরলের যুবকের, রাশিয়াকে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ (Russia Ukraine War) করতে গিয়ে মৃত্যু হল কেরলের এক যুবকের। এর ফলে ক্ষুব্ধ ভারত সরকার। রাশিয়ায় পাঠানো হল কড়া বার্তা। অবিলম্বে ভারতীয়দের, যারা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সামিল, তাদের ফেরত পাঠাতে বলা হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের তরফে। রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধে ভারতীয়রাও সামিল, এই খবর মিলেছিল আগেই। এর আগেও কমপক্ষে আটজন ভারতীয়ের যুদ্ধক্ষেত্রে মৃত্যুর খবর মিলেছিল। এবার কড়া ব্যবস্থা নিল ভারত সরকার।

    কড়া বার্তা দিল্লির

    দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে রুশ মিলিটারির (Russia Ukraine War) সাপোর্ট সার্ভিসে বহু ভারতীয়কে নিয়োগ করেছিল পুতিন সরকার। অধিকাংশকেই চাকরির টোপ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মস্কোয় পৌঁছে তাদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বন্দুক। বিনা প্রশিক্ষণেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল যুদ্ধক্ষেত্রে (Indian in Russian Force)। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “মস্কোয় রুশ প্রশাসন এবং নয়াদিল্লিতে রাশিয়ার দূতাবাসে বিষয়টি জানানো হয়েছে। যে ক’জন ভারতীয় বর্তমানে রুশ সেনায় রয়েছেন, তাদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছি আমরা।”

    কাজের আসায় গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে

    মৃত যুবকের নাম বিনিল টিবি। কেরলের ত্রিশূরের বাসিন্দা। পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান বিনিল এক আত্মীয়ের সঙ্গে কাজের খোঁজে রাশিয়ায় (Russia Ukraine War) যান এজেন্ট মারফত। তারা ইলেকট্রিশিয়ান ও প্লাম্বিংয়ের কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। রাশিয়ায় পৌঁছনোর পর তাঁদের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে নেওয়া হয় এবং জোর করে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। জানা গিয়েছে, বিনিলকে নিয়ে রাশিয়া যাওয়া তাঁরই এক আত্মীয় জৈন টিবি এই ঘটনার পর আহত হয়েছেন। বর্তমানে মস্কোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই যুবক। তিনিও রাশিয়ার ফ্রন্টলাইন সার্ভিসে ছিলেন বলে খবর। জৈনের বস ২৭, আর বিনিলের বয়স ৩২। তাঁদের দুজনেরই শিক্ষাগত যোগ্যতার বিচারে আইটিআই মেকানিক্যালের ডিপ্লোমা ছিল। গত ৪ এপ্রিল তাঁরা রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখানে ইলেকট্রিশিয়ান ও কল সারাইয়ের কাজ পাবেন, এমন আশা নিয়ে তাঁরা যুদ্ধে লিপ্ত রাশিয়ায় পাড়ি দেন। এর কয়েক মাস পরই এল এই শোকের খবর।

    বিদেশ মন্ত্রকের দাবি

    বিদেশ মন্ত্রকের কাছে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু ও আরেক যুবকের আহত হওয়ার খবর মিলতেই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করা হয়। মস্কোয় ভারতীয় দূতাবাস মৃতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। দ্রুত ওই যুবকের দেহ ভারতে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ভারত সরকারের তরফে বাকি ভারতীয়দেরও রুশ সেনা (Indian in Russian Force) থেকে মুক্তি দিয়ে দেশে ফেরানোর বার্তা পাঠানো হয়েছে। রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। মস্কোয় আমাদের দূতাবাস পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আমরা রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছি যাতে মৃতদেহ দ্রুত ভারতে পাঠানো যায়। আমরা আহত ব্যক্তিরও দ্রুত মুক্তি এবং ভারতে প্রত্যর্পণ চেয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, আহত ৬ সেনা

    Jammu Kashmir: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, আহত ৬ সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলওসি) ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন ভারতীয় সেনার ছ’জন জওয়ান। তাঁদের রাজৌরি (Landmine Blast in Rajouri) জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে এক জনের আঘাত গুরুতর। মঙ্গলবার পাক অধিকৃত কাশ্মীর লাগোয়া রাজৌরি জেলার নওশেরার ভবানী সেক্টরে ওই ঘটনা ঘটেছে বলে ভারতীয় সেনার উত্তরাঞ্চলীয় (নর্দার্ন) কম্যান্ড সূত্রে জানা গিয়েছে। 

    কী ঘটেছিল?

    প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, এদিন সকাল ১০.৪৫ নাগাদ নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোর্খা রাইফেলসের জওয়ানরা টহল দিচ্ছিলেন। সেখানেই মাটিতে লুকনো ছিল ল্যান্ডমাইনটি। একজন সেনা জওয়ান ভুলবশত একটি ল্যান্ডমাইনের উপর পা দিয়ে দিলে বিস্ফোরণ ঘটে। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক জনের আঘাত মারাত্মক হলেও বাকিদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন যে, অনুপ্রবেশ রোধে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় প্রায়শই ল্যান্ডমাইন পোঁতা থাকে। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে কখনও ওই ল্যান্ডমাইনগুলি সরানোর কাজ চলে। যার ফলেই এ দিনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    নাশকতার ছক!

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ওই এলাকাতেই ‘অ্যান্টি পার্সোনেল’ ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে এক সেনা জওয়ানের পা উড়ে গিয়েছিল। এবার অবশ্য, প্রাথমিক চিকিৎসার পর জওয়ানরা সকলেই সুস্থ রয়েছেন বলে খবর।  তবে পাক জেহাদিরা ছক কষেই নাশকতার জন্য ল্যান্ডমাইন সরিয়ে এনেছিল কি না তাও খতিয়ে দেখছে সেনা।  

     

    আরও পড়ুন: বিশ্বের আধ্যাত্মিক হৃদয় মহাকুম্ভ, প্রয়াগরাজের মহাতীর্থে মিশল ইউরোপ থেকে আমেরিকা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ভোকাট্টা.. ঘুড়ি উড়িয়ে মকর সংক্রান্তি উদযাপন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    Amit Shah: ভোকাট্টা.. ঘুড়ি উড়িয়ে মকর সংক্রান্তি উদযাপন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti) সকাল। ছাদে উঠে লাটাই হাতে ঘুড়ি ওড়াচ্ছিলেন একজন। সুতোয় টান দিয়েই যিনি ও..ওওওও.. বলে চিৎকার করে উঠলেন, তিনি আতিপাতি কেউ নন, হোমরাচোমরা ব্যক্তি, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মঙ্গলবার, মকর সংক্রান্তির সকালটা এভাবেই কাটালেন তিনি। কারও ঘুড়ি কেটে দেওয়ার পরেই যে তিনি শিশুর মতো উল্লাসে ফেটে পড়লেন, তা বলাই বাহুল্য। ভাইরাল হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘুড়ি ওড়ানোর দৃশ্য।

    ঘুড়ি ওড়ালেন শাহ (Amit Shah)

    মকর সংক্রান্তির দিন বাংলার অনেক জায়গায়ই ঘুড়ি ওড়ানো হয়। এদিন গুজরাটের আকাশেও পতপত করে উড়তে থাকে পেটকাটি, চাঁদিয়াল-সহ হরেক কিসিমের ঘুড়ি। তেমনই একটা ঘুড়ি উড়িয়ে, ‘শৈশবে’র দিনগুলিতে ফিরে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন আমদাবাদের শান্তিনিকেতন সোস্যাইটির ছাদে ঘুড়ি ওড়ান শাহ। তিনি আমদাবাদের সাংসদও। সাংসদকে ছাদে উঠে ঘুড়ি ওড়াতে দেখে আশপাশের বাড়ির ছাদে থাকা লোকজন হাত নেড়ে মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা জানান তাঁকে। এদিন শাহের (Amit Shah) সঙ্গে ছাদে ছিলেন তাঁর স্ত্রী এবং গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলও। প্রসঙ্গত, ১৪ তারিখ থেকে তিনদিনের গুজরাট সফরে গিয়েছেন শাহ।

    স্মৃতির সাগরে ডুব মোদির

    এদিন স্মৃতির সাগরে ডুব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ‘উত্তরায়ণ’ (মকর সংক্রান্তিকে এই নামেই ডাকা হয় গুজরাটে) এর স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতীয় সংস্কৃতিতে মকর সংক্রান্তির গুরুত্ব যে কতটা, সেটা সকলে জানেন।” তিনি বলেন, “আমি তো গুজরাটের লোক। আমার প্রিয় উৎসব মকর সংক্রান্তি ছিল। কারণ আজ গুজরাটের সব লোক ছাদেই থাকেন। দিনভর ঘুড়ি ওড়ান। আমি যখন ওখানে থাকতাম, তখন আমারও খুব শখ ছিল।”

    আরও পড়ুন: দেশে সত্যিকারের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন, বললেন ভাগবত

    গুজরাটে ঘুড়ি একটা বিরাট ব্যবসা। দেশের ৪০ শতাংশ ঘুড়ি তৈরি হয় এ রাজ্যে। ঘুড়ি ওড়ানোর জন্য মকর সংক্রান্তিতে (Makar Sankranti) ছাদ ভাড়া দেওয়া হয়। ঘুড়ি (Amit Shah) ওড়ানো চলে দুদিন ধরে। আকাশে ঘুড়ির এই মেলা দেখতে ভিড় করেন পর্যটকরাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Bangladeshi Illegal Immigrants: তামিলনাড়ুতে ৩১ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করল এটিএস

    Bangladeshi Illegal Immigrants: তামিলনাড়ুতে ৩১ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করল এটিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ু (Tamil Nadu) থেকে ৩১ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে (Bangladeshi Illegal Immigrants) আটক করেছে এটিএস। জানা গিয়েছে, তারা পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল। তামিলনাড়ুর তিরুপুর এবং কোয়েম্বত্তুর জেলার গ্রামীণ এলাকা থেকে এই সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য গত ৫ অগাস্ট থেকে হাসিনাকে বিতাড়িত করার পর বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে অস্থিরতা চলছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে অনুপ্রবেশের মুক্তাঞ্চল করে নাশকতামূলক চক্রান্তের ছক কষে জঙ্গি কার্যকলাপকে সক্রিয় করা হচ্ছে বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞ মহল। 

    পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন অনুপ্রবেশকারীরা (Bangladeshi Illegal Immigrants)

    গোয়েন্দাদের তথ্য সূত্রে জানা গিয়েছে, এটিএস-এর মোট ৫টি টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladeshi Illegal Immigrants) গ্রেফতার করেছে। আরও জানা গিয়েছে, মাত্র কয়েক মাস আগেই এই জঙ্গিরা এই এলাকায় বসবাস শুরু করেছিলেন। তিরুপুর জেলার পাল্লাদাম এলাকা থেকে ২৮ জন এবং বীরপান্ডি এবং নাল্লুর থানায় মোট ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিরুপুরে পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন এই অনুপ্রবেশকারীরা। বাংলাদেশ থেকে এই অনুপ্রবেশকারীরা পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত দিয়ে প্রথমে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে, এরপর জাল নথি তৈরি করে আধার কার্ড বানিয়ে তিরুপুরে (Tamil Nadu) চলে যায়। গোটা অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন আনন্দকুমার তিরুপতি এবং এরপর তিনি পাল্লাদম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘জেলবন্দি পার্থর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন মমতা”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    নাশকতামূলক চক্রান্তের পরিকল্পনা?

    বাংলাদেশের (Bangladeshi Illegal Immigrants) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে মহম্মদ হিউনূস ক্ষমতায় বসার পর থেকেই লাগাতার হিন্দু এবং আওয়ামি লিগকে টার্গেট করছে কট্টর মৌলবাদীরা। দেশের একাধিক কারাগার ভেঙে জঙ্গিরা উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে, জামাত শিবির এবং জেএমবির জঙ্গিরাও অতি সক্রিয় উঠেছে। তাঁরা ভারতে ঢুকে নাশকতা মূলক চক্রান্তের পরিকল্পনা করছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। ইতিমধ্যে এই ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিরাপত্তা উপদেষ্টারা। ইতিমধ্যে সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IIT Baba: মনের শান্তির খোঁজে নিয়েছিলেন সন্ন্যাস! মহাকুম্ভে হাজির ‘আইআইটি বাবা’

    IIT Baba: মনের শান্তির খোঁজে নিয়েছিলেন সন্ন্যাস! মহাকুম্ভে হাজির ‘আইআইটি বাবা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারোটি পূর্ণ কুম্ভের পর প্রয়াগরাজে শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ মেলা। এই মেলায় সাধারণ সাধুসন্ত থেকে শুরু করে কোটি কোটি পুণ্যার্থী ভিড় জমিয়েছেন। এসেছেন বহু বিদেশি পর্যটকেরাও। মেলা শুরু হতেই দেখা গিয়েছে বহু বাবা। বাবাদের দেখতে ভিড় উপচে পড়ছে। অনেকে নাগা বাবাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রোষের মুখে পড়ছেন। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে পড়ছে। এবার মহাকুম্ভে (Maha Kumbha 2025) এই সব বাবাদের মধ্যে নজর কেড়েছে আরও এক বাবা। ‘আইআইটি বাবা’ (IIT Baba)। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে ‘আইআইটি বাবা’ জানিয়েছেন, তিনি আইআইটি পাশ করে ভালো চাকরি না করে সাধু বাবা হয়ে গিয়েছেন। আর এই সাক্ষাৎকার নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। আইআইটি ইঞ্জিনিয়ারের লক্ষ টাকার চাকরি ছেড়ে সাধুবেশ ধারণ করেছেন তিনি।

    মহাকুম্ভ মেলায় ‘আইআইটি বাবা’ (IIT Baba)

    জানা গিয়েছে, ‘আইআইটি বাবা’-র (IIT Baba) প্রকৃত নাম অভয় সিং। সংসারের মায়া ত্যাগ করে সাধু হওয়ার পর তাঁর নাম হয় মাসানি গোরখ বাবা। প্রথম দিনেই তিনি মহাকুম্ভ মেলায় হাজির হয়েছেন। জানা যাচ্ছে, তিনি আইআইটি থেকে অ্যারোস্পেস এবং অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন। তাঁর বাড়ি হরিয়ানা। ইঞ্জিনিয়ার থেকে সন্ন্যাসীতে পরিণত হওয়ার পিছনের গল্পটিও খুব আকর্ষণীয়। তাঁর ইচ্ছা ছিল ফটোগ্রাফি করার। ফটোগ্রাফিতে চাকরির জন্য ডিগ্রির প্রয়োজন ছিল। এমন পরিস্থিতিতে এক বছর কোচিংও পড়িয়েছেন তিনি। বাবার কথায়, তাঁর গল্পটা অনেকটা হিন্দি সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর মতো। সাক্ষাৎকারে বাবা তাঁর জীবনের অনেক গোপন কথা জানান। জীবনের অর্থ খোঁজার জন্য-আধুনিকতাবাদ এবং সক্রেটিস এবং প্লেটোর মতো দার্শনিক ধারণাগুলি নিয়েছিলেন।

    কী বললেন আইআইটি বাবা?

    তিনি বলেন, ‘‘আইআইটি (IIT Baba) মুম্বইয়ে ৪ বছর পড়ার পরে আমি কোচিতে পদার্থবিজ্ঞান পড়িয়েছি। আবেগের কারণে ফটোগ্রাফি শিখেছিলাম। আমি ডিজাইনিংয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি করেছি। এত কিছু করার পরও কোথাও মন বসছিল না। আমার ভিতরে দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে।” তাঁর কথায়,‘‘আর কী করব। এর পর আমার মনে হল ফটোগ্রাফি করা উচিত। ট্রাভেল ফটোগ্রাফি শুরু করলাম। মনে হচ্ছিল আমি এই স্বপ্নে জীবন যাপন করব। ঘোরাঘুরি করব, সব জায়গায় যাব এবং অনেক মজা করব এবং অর্থ উপার্জনও করব।” বাবাকে যখন প্রশ্ন করা হয়, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফটোগ্রাফি করে এই অবস্থায় পৌঁছেছেন কীভাবে? এই বিষয়ে বাবা খুব স্পষ্ট করে বললেন, ‘‘এটাই শ্রেষ্ঠ পথ। যা কিছু কর, এখানেই আসতে হবে। আমি এখন বুঝতে পেরেছি যে এটিই আসল জ্ঞান। যদি আপনি মনকে বুঝতে পারেন, তবে আপনি এটি করতে পারেন (আধ্যাত্মিকতার মাধ্যমে)।”

    মুখে হাসি লেগেই রয়েছে বাবার

    ইতিমধ্যেই এই ভিডিও (IIT Baba)  ছড়িয়ে পড়েছে নেট দুনিয়ায়, সেখানে দেখা যাচ্ছে ওই সাধু পরে রয়েছেন গেরুয়া রঙের বস্ত্র। মাথা ভর্তি চুল। গলায় রকমারি পাথরের মালা। এক মুখ দাড়ি। কপালে সাদা ছাই ভস্ম। সঙ্গে লাল তিলক কাটা রয়েছে কপালে। মুখে সদাহাসি লেগেই রয়েছে। নিজেই অকপটে তাঁর জীবন কাহিনী বলে চলেছেন। লক্ষ লক্ষ টাকার চাকরি করে বিলাসবহুল জীবনযাপন করতে পারতেন তিনি। সব কিছু ছেড়ে তিনি এই সাধু বেশেই দিব্যি আছেন।

    এবারে ১৩ জানুয়ারি থেকে মহাকুম্ভ মেলা শুরু হয়েছে। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কুম্ভমেলা চলবে। ১৩ তারিখ পূর্ণ স্নানে প্রায় ৬০ লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম হয়েছে। ১৪ তারিখও লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী শাহি স্নানে অংশগ্রহণ করেন। ১৪৪ বছর পর এই মহাকুম্ভ মেলা হচ্ছে। ৪০০০ হেক্টর এলাকা জুড়ে হয়েছে আয়োজন। যোগী সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাধুসন্ত-সহ বছর বছর এই মেলায় কমপক্ষে ৪৫ কোটি মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এবারের কুম্ভমেলায় নানা বেশে হাজির হয়েছেন সাধু-সন্তরা।

     

    .দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh Mela 2025: অঘোরী কারা? তাঁদের গুরু কে? কীভাবে সাধক হয়ে সিদ্ধি লাভ করেন?

    Maha Kumbh Mela 2025: অঘোরী কারা? তাঁদের গুরু কে? কীভাবে সাধক হয়ে সিদ্ধি লাভ করেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের গঙ্গা, যমুনা ও (পৌরাণিক) সরস্বতীর মিলনস্থল ত্রিবেণী সঙ্গমে কোটি কোটি ভক্তদের পুণ্যস্নান অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভ মেলায় (Mahakumbh Mela 2025)। এই মহামিলন মেলায় শাক্ত, বৈষ্ণব, শৈব, গণপাত্য এবং সৌর উপাসকেরা সমবেত হবেন। এক এক সাধু বিশেষ ব্রত নিয়ে ঈশ্বরের আরাধনা করছেন। তাঁদের কাছে জীবনের চরম লক্ষ্য হল মুক্তি। এই মেলাকে ঘিরে দেশের সাধুদের সঙ্গে বিদেশের সাধুরাও সমবেত হয়েছেন। তবে সাধুদের মধ্যে নাগারা যেমন রয়েছেন, ঠিক তেমনি অঘোরীরাও রয়েছেন। অঘোরীরা (Aghori) তান্ত্রিক এবং যোগাচারে সাধনা করে থাকেন।

    শিবের উপাসনা করেন অঘোরীরা (Mahakumbh Mela 2025)

    মহাকুম্ভে (Mahakumbh Mela 2025) আসা অঘোরী (Aghori) সাধুদের নিয়ে সাংসারিক জীবনের বসবাসকারী ভক্তসমাজের মধ্যে একটা কৌতূহল রয়েছে। সাধনার কোন স্তরে পৌঁছে গেলে অঘোরী হওয়া যায়, তা নিয়ে একটা জিজ্ঞাসা থাকেই। পৌরাণিক ভাবে বলা হয়েছে যে, অঘোর বলতে বোঝায় যাঁরা শিবের উপাসনা করেন। এমনটাই বিশ্বাস করা হয় আদিদেব ভগবান শিবের কাছ থেকেই অঘোরীদের জন্ম হয়েছে। মূলত এই সাধাকরা তন্ত্র এবং যোগাভ্যাস করে থাকেন। একান্ত ভাবেই তাঁরা শৈব ভক্ত। শিবের ভক্ত দত্তাত্রেয় ঋষিকে অঘোর শাস্ত্রের গুরু বলা হয়। আবার এই দত্তাত্রয়কে শিবের অবতার বলা হয়। তাঁকে আবার যোগের ঈশ্বর বলা হয়।

    অঘোরীরা শ্মশানে থাকেন

    অঘোর সাধুদের মধ্যে সবচেয়ে মান্যতা দেওয়া হয় বাবা কিনারামকে (Aghori)। ১৬০১ সালে উত্তরপ্রদেশের চান্দুলিতে জন্ম হয়েছিল তাঁর। নানা অলৌকিক গল্প প্রচলিত ছিল। বলা হয় নিজে থেকে চলতে চলতেই নাকি বালিয়ার কাছে কামেশ্বর ধামে পৌঁছে গিয়েছিলেন। সারা ভারত ভ্রমণ করেছেন এবং গুজরাটের গিরনার পাহাড়ে ধ্যানে সিদ্ধিলাভ করেন। শেষে কাশী ধামে এসেছিলেন। তবে অঘোরীরা শ্মশানে থাকেন। মূলত তিন ধরনের পুজো করেন। তবে তাঁদের সাধনায় শিব এবং শবের সাধনা রয়েছে। অসমের কামাখ্যাধাম, বাংলায় তারাপীঠ, নাসিকের ত্রম্বকেশ্বর, উজ্জয়িনীর চক্রতীর্থে এই সাধনার পুণ্যভূমি। এই সাধকরা মদ, মাংস এবং মৈথুন নিয়ে সাধনা করেন এবং মৃতদেহে পা দিয়ে সাধনা করে থাকেন। কুম্ভমেলায় (Mahakumbh Mela 2025) তাঁদের বিরাট যোগদান থাকে।

    অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী

    লৌকিক ভাবে কথিত রয়েছে একাবার কাশীর রাজা হাতিতে চড়ে ভ্রমণ করছিলেন। রাজা রাস্তায় কিনারামকে অঘোরী (Aghori) বেশে দেখে দেওয়ালের কাছে সরে যেতে বলেন, কিন্তু দেখা যায় হাতিগুলি সমানেই দেওয়ালে ঘোরাঘুরি করছে, ভুল বুঝে রাজা শেষে ক্ষমা চান। অঘোরীরা সময়ে সময়ে মায়াবী এবং অলৌকিক শক্তির অধিকারী হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh 2025: মেলে অপার শান্তি, মন হয় পবিত্র, জানুন মৌনী অমাবস্যার শাহি স্নানের মাহাত্ম্য

    Maha Kumbh 2025: মেলে অপার শান্তি, মন হয় পবিত্র, জানুন মৌনী অমাবস্যার শাহি স্নানের মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার ১৩ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ। প্রশাসনের অনুমান, মহাকুম্ভকে (Maha kumbh 2025) কেন্দ্র করে ৪৫ থেকে ৫০ কোটি ভক্তের সমাবেশ হতে পারে। ইতিমধ্যে সারা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইভেন্টে পরিণত হয়েছে মহাকুম্ভ। মুসলিম দেশগুলির মধ্যেও সবচেয়ে বেশি ট্রেন্ডিং চলছে মহাকুম্ভ সার্চে। সবচেয়ে বেশি সার্চ হয়েছে পাকিস্তানে, এরপর কাতার। প্রসঙ্গত, ১৩ জানুয়ারি শুরু হওয়া মহাকুম্ভ চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ভারতবর্ষের সনাতন পরম্পরা, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে প্রয়াগরাজে। প্রসঙ্গত, মহাকুম্ভে শাহি স্নানের এক আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। ১৩ জানুয়ারি মহাকুম্ভ শুরু হওয়ার দিনে সম্পন্ন হয়েছে প্রথম শাহি স্নান। মঙ্গলবার মকর সংক্রান্তির দিনে সম্পন্ন হয়েছে দ্বিতীয় শাহি স্নান (Maha kumbh 2025)। পরবর্তী শাহি স্নান সম্পন্ন হবে ২৯ জানুয়ারি মৌনী অমাবস্যার দিন। মৌনী অমাবস্যার শাহি স্নানের (Mauni Amavasya) এক আলাদা গুরুত্ব রয়েছে এবং এক আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। কেন মৌনী অমাবস্যার শাহি স্নান এত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য ঠিক কী রয়েছে , এই নিয়ে আমরা আজকে আলোচনা করব।

    আভ্যন্তরীণ শুদ্ধিকরণ ও পবিত্রতা (Maha kumbh 2025)

    শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌনী শব্দটি এসেছে মৌনতা থেকে। যার আক্ষরিক অর্থ দাঁড়ায় নীরবতা। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌনী অমাবস্যার দিন (Maha kumbh 2025) নীরবতা পালন করলে মানসিক স্বচ্ছতা এবং অভ্যন্তরীণ শান্তি বিরাজ করে ব্যক্তির মধ্যে। একই সঙ্গে তাঁরা জানাচ্ছেন যে, গঙ্গা যমুনা ও সরস্বতীর নদীর যে সঙ্গমস্থল, যা প্রয়াগরাজ নামে পরিচিত, সেখানে মৌনী অমাবস্যায় পবিত্র স্নান করলে আত্মা শুদ্ধ হয় এবং অতীতের সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি মেলে।

    মোক্ষলাভ করা যায় মৌনী অমাবস্যা স্নানে

    অনেক শাস্ত্র বিশেষজ্ঞের মতে, মৌনী অমাবস্যায় পবিত্র নদীর জলে আধ্যাত্মিক শক্তি বিরাজ করে এবং জল ঐশ্বরিক হয়ে ওঠে। তাই এই দিনে যদি কেউ স্নান করে তাহলে তাঁর মোক্ষলাভ (Maha kumbh 2025) হয়। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা আরও জানাচ্ছেন, এই সময়ে স্নান করলে মোক্ষলাভ করতে পারেন ভক্তরা।

    জৈনগুরু ঋষভদেবের কাহিনি

    জানা যায়, মৌনী আমাবস্যার (Maha kumbh 2025) অন্য আরেকটি গুরুত্ব রয়েছে। এই হল সেই পবিত্র মুহূর্ত যে সময়ে জৈন ধর্মের একজন তীর্থঙ্কর ঋষভদেব তিনি নদীতে স্নান করে, তাঁর নীরবতার ব্রত শেষ করেছিলেন। জানা যায়, পরবর্তীকালে ঋষভদেবের পথকেই অনুসরণ করেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত। তাঁর দেখানো পথই অনুসরণ করে আজও মৌনী ব্রত পালন করে থাকেন অনেক জৈন সম্প্রদায়ের মানুষ।

    মুক্তি হয় পূর্বপুরুষদেরও

    শাহিস্নান অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভে। এই সময়ে সাধু সন্তরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন শোভাযাত্রা বের করেন এবং পবিত্র জলে স্নান করে তারপরেই তাঁদের দিনের শুরু করেন। সমস্ত সাংসারিক মানুষকে এই আচার পালন করার জন্য তাঁরা অনুপ্রাণিত করেন। মনে করা হয় এই দিনে যে সমস্ত মানুষ স্নান করেন, তাঁরা শুধুমাত্র নিজের কর্মকে শুদ্ধ করেন না, তাঁরা তাঁদের পূর্ব পুরুষদেরও উদ্ধার করেন এবং তাঁদের মুক্তির পথে নিয়ে যান।

    ধুয়ে যায় সমস্ত অহঙ্কার

    শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌনী অমাবস্যার ব্রত পালন এবং পবিত্র নদীতে স্নান করলে পরে নিজের সমস্ত অহংকার ধুয়ে যায় এবং মানুষজন নিজেদের পার্থিব আসক্তি ত্যাগ করতে সক্ষম হন। নিজেদের আধ্যাত্মিক উন্নতিতে মৌনী অমাবস্যা স্নানের এক আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।

    ১৪৪ বছর পর পূর্ণ মহাকুম্ভ

    মহাকুম্ভমেলা হল বিশ্বের সর্ব বৃহৎ ধর্মীয়, সামজিক এবং সাংস্কৃতিক মহামিলন মেলা। প্রতি ১২ বছর এক যোগে পূর্ণকুম্ভের আয়োজন হয়ে থাকে। আর প্রতি বছর যে মেলা হয়, তাকে বলা হয় কুম্ভ। ছয় বছরে একবার কুম্ভকে বলা হয় অর্ধকুম্ভ। প্রতি ১২ বছরে অনুষ্ঠিত কুম্ভকে বলা হয় পূর্ণকুম্ভমেলা। আবার ১২টি পূর্ণকুম্ভ অতিক্রান্ত হয়ে বা ১৪৪ বছর পর যে পূর্ণকুম্ভমেলা আসে, তাকে বলা হয় মহাকুম্ভ মেলা। এই কুম্ভ মূলত চারটি জায়গায় চক্রাকারে অনুষ্ঠিত হয়। জায়গাগুলি হল, উত্তরপ্রদেশের গঙ্গা, যমুনা ও (পৌরাণিক) সরস্বতী নদী সঙ্গমে প্রয়াগরাজ (Triveni Sangam), উত্তরাখণ্ডের গঙ্গা নদীর তীরে হরিদ্বার, মধ্যপ্রদেশের শিপ্রা নদীর তীরে উজ্জয়িনী এবং মহারাষ্ট্রের গোদাবরীর তীরে নাসিকে। সব জায়গায় মূলত নদী সঙ্গমে মেলা বসে এবং পুণ্যস্নান সম্পন্ন হয়। এই বছর পূর্ণ মহাকুম্ভ মেলা আয়োজিত হচ্ছে প্রয়াগরাজে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share