Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Tripura: দেশের প্রথম জৈব গ্রাম ত্রিপুরার দাসপাড়া, বায়োগ্যাসে রান্না, সৌরচালিত সরঞ্জাম

    Tripura: দেশের প্রথম জৈব গ্রাম ত্রিপুরার দাসপাড়া, বায়োগ্যাসে রান্না, সৌরচালিত সরঞ্জাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি শাসিত ত্রিপুরার (Tripura) সিপাহিজলা জেলার ৬৪টি পরিবারের একটি ছোট্ট গ্রাম নয়া নজির তৈরি করেছে। এই জনপদ দেখিয়েছে উদ্যোগ নিলে কীভাবে পরিবেশবান্ধব ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে কোনও গ্রাম। ভারতের প্রথম স্বনির্ভর জৈব গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে ত্রিপুরার দাসপাড়া (Indias First Bio Village)। পুনর্নবীকরণ শক্তির উৎস, পরিবেশবান্ধব কৃষি পদ্ধতির মেলবন্ধনে দাসপাড়া হয়ে উঠতে পেরেছে দেশের প্রথম স্বনির্ভর জৈব গ্রাম।

    বায়ো ভিলেজ- ২.০ কর্মসূচি প্রথম চালু করা হয়েছিল ২০১৮ সালে (Tripura)

    প্রসঙ্গত, বায়ো ভিলেজ- ২.০ কর্মসূচি প্রথম চালু করা হয়েছিল ২০১৮ সালে। ত্রিপুরা সরকারের এমন কর্মসূচি নেওয়ার পিছনে উদ্দেশ্য ছিল জৈব চাষের প্রচার করা। প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিল উন্নত প্রজাতির গবাদি পশুর চাষ, সৌর চালিত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি এবং শক্তি সংরক্ষণ করতে পারে এমন বৈদ্যুতিক ডিভাইস। প্রসঙ্গত, ত্রিপুরা রাজ্যের (Tripura) ছোট্ট গ্রাম হল দাসপাড়া। এখানকার ৭৫ শতাংশ মানুষই কৃষি ও মৎস্য চাষের ওপর নির্ভরশীল। তাঁরা বিভিন্ন জৈব পদ্ধতিকে এখানে গ্রহণ করেছেন। ফলে সেখানকার গ্রামবাসীরা দূষণবিহীন একটি পরিবেশ উপভোগ করতে পারছেন। মাটি থেকে জল, হাওয়া সবকিছুই এখানে বিশুদ্ধ।

    বাড়িগুলিতে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন সৌর চালিত সরঞ্জাম

    কৃষির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে দাসপাড়ার বাড়ি এবং মাঠগুলিও পরিবেশ বান্ধব ও শক্তির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। বাড়িগুলিতে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন সৌর চালিত সরঞ্জাম। গৃহস্থরা ব্যবহার করেন বায়োগ্যাস সিস্টেম। দাসপাড়ার মানুষজন বায়োগ্যাসকে ব্যবহার করেন তাড়াতাড়ি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্য বানানোর জন্য। এরই মাধ্যমে কার্বনের ব্যবহারও অনেকাংশ কমে গিয়েছে সেখানে এবং একটি বিকল্প রান্না পদ্ধতিরও (Indias First Bio Village) সন্ধান দিতে পেরেছে দাসপাড়া।

    বেড়েছে রোজগার

    জৈব গ্রাম হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া দাসপাড়া (Tripura) অর্থনৈতিকভাবেও উন্নত হয়েছে। পুনর্নবীকরণ শক্তির ব্যবহার, জৈব পদ্ধতিতে চাষ-আবাদের ফলে দাসপাড়ার প্রত্যেকটি বাড়ির রোজগার ৫ থেকে ১৫  হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একইসঙ্গে জৈব পদ্ধতিতে চাষের মাধ্যমে দাস পাড়ার মানুষজনের খাদ্য নিরাপত্তাও এসেছে। নতুন পদ্ধতিতে, কৃষকদের চাষের দক্ষতাও বেড়েছে। মৌমাছি প্রতিপালন, মাশরুম চাষ ইত্যাদিও করেন দাসপাড়ার মানুষজন।

    ১০০টি জৈব গ্রাম তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ত্রিপুরা সরকার

    জৈবগ্রাম হিসেবে দাসপাড়া নজর কেড়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনেরও। লন্ডনের ক্লাইমেট গ্রুপ নামের একটি এনজিও, দাসপাড়ার পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তিগুলিকে বিশ্বের ১০টি সবথেকে বেস্ট প্র্যাকটিসের মধ্যে অন্যতম বলে স্বীকৃতি দিয়েছে। দাসপাড়ার এমন সাফল্য, ত্রিপুরায় অন্যান্য জৈবগ্রাম গড়ে তুলতে সাহায্য করবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সূত্রের খবর, ত্রিপুরা সরকার ১০০টির মতো জৈবগ্রাম তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। বর্তমানে সেখানে জৈবগ্রাম রয়েছে দশটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • National Farmers Day: কৃষকদের পাশে মোদি সরকার, জাতীয় কৃষক দিবসে অন্নদাতাদের প্রতি শ্রদ্ধা

    National Farmers Day: কৃষকদের পাশে মোদি সরকার, জাতীয় কৃষক দিবসে অন্নদাতাদের প্রতি শ্রদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের কৃষকদের (National Farmers Day) শ্রদ্ধা জানাতে প্রতি বছর ২৩ ডিসেম্বর ভারতে জাতীয় কৃষক দিবস পালন করা হয়। এই দিনটি ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী, যিনি কৃষক সম্প্রদায়ের অধিকার ও কল্যাণের পক্ষে সবসময় ছিলেন। একটি কৃষিনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে ভারত তার কৃষকদের ওপর অনেক বেশি নির্ভর করে।

    কৃষকদের পাশে মোদি সরকার (National Farmers Day)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের কৃষির ক্ষেত্রে একটি অসাধারণ পরিবর্তন ঘটেছে। জাতির মেরুদণ্ড হিসেবে কৃষকদের (National Farmers Day) গুরুত্ব স্বীকার করে মোদি সরকার প্রগতিশীল নীতিগুলি বাস্তবায়ন করেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি (PM-KISAN) এবং প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা (PMFBY) -র মতো প্রকল্পগুলির প্রবর্তন কৃষকদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা করেছে। কৃষক কল্যাণের প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি ভারতের উন্নয়নের মূলে রয়েছে। কৃষিকে দেশের সমৃদ্ধির একটি কেন্দ্রীয় স্তম্ভ বলে নিশ্চিত করা হয়।

    আরও পড়ুন: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

    জাতীয় কৃষক দিবসের ইতিহাস

    ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংয়ের জীবন ও কৃতিত্বকে সম্মান জানাতে জাতীয় কৃষক (National Farmers Day) দিবস বা কিষাণ দিবস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি ১৯৭৯ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর মেয়াদে তিনি কৃষকদের জীবনযাত্রার উন্নতির লক্ষ্যে নীতিগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে ভূমি সংস্কার এবং কৃষিকে উৎসাহিত করার উদ্যোগ। কৃষক সম্প্রদায়ের কল্যাণে তাঁর উত্সর্গের কারণে, তাঁর জন্মদিন ২৩ ডিসেম্বরকে জাতীয় কৃষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    জাতীয় কৃষক দিবসের তাৎপর্য

    দেশের ৩২৮.৭ মিলিয়ন হেক্টরের মধ্যে ৫৪.৮ শতাংশ কৃষি জমি। কৃষকরা তাদের অবিরাম প্রচেষ্টার মাধ্যমে জিডিপি এবং কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার সঙ্গে সঙ্গে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভরণপোষণ নিশ্চিত করেন। ২০২৩-২৪ সালে ৩৩২.২ মিলিয়ন টন রেকর্ড-ব্রেকিং খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে।খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কৃষকদের অপরিহার্য ভূমিকার ওপর জোর দেয়। কৃষি গ্রামীণ উদ্যোক্তাকে উৎসাহিত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। কৃষকদের (National Farmers Day) প্রচেষ্টার একটি প্রবল প্রভাব রয়েছে। 

    কৃষকদের উদ্যোগ

    আধুনিক ভারতীয় কৃষকরা (National Farmers Day) শুধু চাষিই নয়, উদ্ভাবকও। ফসলের ঘূর্ণন, জৈব চাষ এবং দক্ষ জল ব্যবস্থাপনার মতো টেকসই কৃষি পদ্ধতি গ্রহণ করে, তাঁরা জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশগত অবনতির মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে। তাদের উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিকে একীভূত করার জন্য উন্মুক্ততা, যেমন নির্ভুল চাষ এবং ড্রোন-ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ, সম্পদ সংরক্ষণের সময় উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। এই প্রচেষ্টাগুলি নিশ্চিত করে যে ভারতীয় কৃষি ভবিষ্যতের সঙ্গে আপোস না করেই বর্তমান চাহিদা মেটাতে সবরকমভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    অন্নদাতা

    কৃষকদের (National Farmers Day) প্রায়ই ‘অন্নদাতা’ বা খাদ্য সরবরাহকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তারা দেশের খাদ্য সরবরাহ বজায় রাখার জন্য অনিশ্চিত আবহাওয়া, বাজারের ওঠানামা এবং আর্থিক অস্থিতিশীলতার মতো চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে কাজ করে। কিষাণ দিবস ভারতের অর্থনীতি, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে কৃষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে। একইসঙ্গে এই দিনটি ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন, টেকসই চাষাবাদ অনুশীলন এবং আধুনিক প্রযুক্তির অ্যাক্সেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করার একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করে। কৃষকদের জীবন উন্নত করার জন্য সরকারি স্কিম এবং সংস্কার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।

     কৃষক হল সমাজের মেরুদণ্ড

    ভারত কৃষি ভিত্তিক দেশ। এর গ্রামীণ জনসংখ্যার অধিকাংশই কৃষি বা কৃষি-সম্পর্কিত কাজের ওপর নির্ভরশীল। কৃষকরা হলেন সমাজের মেরুদণ্ড। জাতি যাতে পুষ্ট থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেন কৃষকরা। কিষাণ দিবস হল দেশের জন্য কৃষকদের অমূল্য অবদানকে আরও ভালোভাবে বোঝার এবং উপলব্ধি করার একটি দিন। এই দিনে, কৃষিতে বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দিতে দেশজুড়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই প্রোগ্রামগুলি কৃষকদের মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলি নিয়ে আলোচনা করার এবং তাদের চাহিদা এবং আকাঙ্ক্ষাগুলি অন্বেষণ করার জন্য কাজ করে। তাই, জাতীয় কৃষক দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় কৃষির নিরন্তর মূল্য এবং এটি সংরক্ষণের সম্মিলিত দায়িত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand: ১০ বছরে তিনটে বিয়ে করে ১.২৫ কোটি আয়, ‘লুটেরা স্ত্রী’ গ্রেফতার

    Uttarakhand: ১০ বছরে তিনটে বিয়ে করে ১.২৫ কোটি আয়, ‘লুটেরা স্ত্রী’ গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ পুলিশের জালে উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) কুখ্যাত ‘লুটেরা স্ত্রী’ (Robber Wife)। গত ১০ বছরে তিনটে বিয়ে করেছেন তিনি। রোজগার করেছেন ১.২৫ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, প্রায় ১০ বছর ধরে এই ধরনের জালিয়াতির কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। রীতি মতো যুবকদের টার্গেট করে প্রথমে বিয়ে, এরপর বিচ্ছেদের মামলা করে খোরপোশের নামে টাকা হাতানোই ছিল তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।

    প্রথম বিয়ের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৭৫ লক্ষ টাকা হাতিয়েছিলেন (Uttarakhand)

    উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) বাসিন্দা সীমা ওরফে নিক্কি। ২০১৩ সালে প্রথমে তিনি আগ্রার এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেছিলেন। পরে শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করেন এবং ক্ষতিপূরণ বাবদ ৭৫ লক্ষ টাকা পান। এখান থেকেই শুরু তাঁর যাত্রা। এরপর আরও একাধিক বিয়ে করেন এবং মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়েছেন সীমা। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি চালিয়েছেন এই দুষ্কর্ম। এরপর এবার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। তবে তাঁকে অলিখিতভাবে ‘লুটেরা স্ত্রী’ (Robber Wife) নামেও জানা যায়।

    আরও পড়ুনঃ ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ডেমোগ্রাফিক ডেটা তৈরির আহ্বান অমিত শাহের

    দ্বিতীয় বিবাহে ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন

    পুলিশ (Uttarakhand) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালের পর ২০১৭ সালে গুরুগ্রামের এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়রকে বিয়ে করেছিলেন সীমা। একই ভাবে স্বামীর বিরুদ্ধে বিচ্ছেদ মামলায় খোরপোশ বাবদ ১০ লক্ষ টাকা আদায় করেছিলেন। সম্প্রতি আবার তিনি জয়পুরের এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করেছিলেন। তবে এবার আর কোনও মামলা করেননি। তিনি বাড়ি থেকে মোটা অঙ্কের টাকা চুরি করেছেন। বিয়ের মাত্র কয়েক সপ্তাহবাদেই সোনার গয়না এবং নগদ মিলিয়ে ৩৬ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। থানায় তাঁর (Robber Wife) বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্তে নামে এবং এরপরই গ্রেফতার হন নিক্কি।

    ছলে বলে কৌশলে ফাঁসিয়ে টাকা হাতাতেন

    পুলিশের (Uttarakhand) জেরায় সীমা জানিয়েছেন, একাধিক বিয়ের অ্যাপে নিজের বিয়ের বিজ্ঞাপন দিতেন সীমা। এরপর নিজের টার্গেট অনুযায়ী পাত্র বাছাই করতেন। ডিভোর্স হয়েছে বা স্ত্রী মারা গিয়েছে, এমন পাত্রদের শিকার করতেন। প্রথমে কথা, পরে ছলেবলে কৌশলে ফাঁসিয়ে টাকা হাতাতেন। বিয়ে করে নানা রকম ষড়যন্ত্র করে মামলা দিয়ে টাকা হাতানোর কাজও করতেন। শেষমেশ এই কাজ করে ১.২৫ কোটি টাকা আয় করেছেন বলে স্বীকার করেছেন সীমা ওরফে ‘লুটেরা স্ত্রী’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: সম্প্রীতি বজায় রাখুন, বাংলাদেশিদের খোলা চিঠি লিখলেন বিশিষ্ট ভারতীয়রা

    Bangladesh Crisis: সম্প্রীতি বজায় রাখুন, বাংলাদেশিদের খোলা চিঠি লিখলেন বিশিষ্ট ভারতীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) জনগণের কাছে খোলা চিঠি লিখলেন ৬৮৫ জন বিশিষ্ট ভারতীয়। তাঁরা যে চিঠি লিখেছেন, সে খবর প্রকাশ করে মাধ্যম। আজ, সোমবার সকালে বাংলাদেশের হাইকমিশনের হাতে তুলে দেওয়া হয় সেই চিঠি।

    সম্প্রীতি বজায় রাখার আবেদন (Bangladesh Crisis)

    চিঠিতে বাংলাদেশের নাগরিকদের শান্তি ও বন্ধুত্বের পথে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ, তাঁদের সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং তাঁদের দেশ ছেড়ে (Bangladesh) চলে যেতে বাধ্য করার জন্য অবিলম্বে জবরদস্তি বন্ধ করার আহ্বানও জানানো হয়েছে। চিঠিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ১৩৯ জন অবসরপ্রাপ্ত আমলা (এর মধ্যে রয়েছেন ৩৪ জন রাষ্ট্রদূত), ৩০০ জন উপাচার্য, ১৯২ জন প্রাক্তন সামরিক অফিসার এবং নাগরিক সমাজের ৩৫ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি।

    চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ

    চিঠিতে বলা হয়েছে, ভারতের জনগণ বাংলাদেশের অবনতিশীল পরিস্থিতিকে ক্রমবর্ধমান শঙ্কার সঙ্গে দেখেন এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশে একটি নৈরাজ্যের পরিবেশ বিরাজ করছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে দেশ জুড়ে জোরপূর্বক পদত্যাগের একটি প্যাটার্ন অনুসরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ (পুলিশ সহ), শিক্ষা জগৎ এমনকি সংবাদমাধ্যমও। পুলিশ বাহিনী এখনও পূর্ণ শক্তিতে দায়িত্বে ফিরে আসেনি এবং সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি এবং পুলিশের ক্ষমতা দেওয়া সত্ত্বেও, স্বাভাবিকতা এখনও ফিরে আসেনি। চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ভারতে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। কারণ বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ডেমোগ্রাফিক ডেটা তৈরির আহ্বান অমিত শাহের

    বাংলাদেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। এর (Bangladesh Crisis) মধ্যে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের পাশাপাশি রয়েছে শিয়া, আহমদিয়া এবং অন্যান্যরাও। চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে এই বলে যে, বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতি সীমান্তের ওপারে ছড়িয়ে পড়তে পারে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে ব্যাহত করতে পারে এবং ভারতে গুরুতর আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। চিঠিতে লেখা হয়েছে, আমরা আশা করি যে এটি বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের জনগণকে শান্তি, বন্ধুত্ব এবং বোঝাপড়ার পথে এক সঙ্গে চলতে সাহায্য করবে (Bangladesh), যা বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমাদের টিকিয়ে রেখেছে (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • 1999 Kargil War: কার্গিল যুদ্ধের প্রথম তথ্যদাতাকে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাল ভারতীয় সেনা

    1999 Kargil War: কার্গিল যুদ্ধের প্রথম তথ্যদাতাকে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাল ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনাবাহিনী ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের (1999 Kargil War) প্রথম তথ্যদাতা তাশি নামগিয়ালকে (Totashi Namgyal) শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে। তিনিই প্রথম ভারতীয় সেনাবাহিনীকে পাকিস্তান সৈন্যের অনুপ্রবেশের কথা জানিয়েছিলেন। আগাম তথ্য দিয়ে সতর্ক না করলে সমস্যায় পড়ত ভারত। ভারত এই যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করেছিল। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে ভারতীয় সেনা বাহিনী। বলা হয়েছে, তাঁর অবদান ভারতের জন্য অবিস্মরণীয়। তাশি নামগিয়াল স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে রেখে গিয়েছেন।

    একজন দেশপ্রেমী বীরের শেষ বিদায় (1999 Kargil War)

    জানা গিয়েছে, শনিবার মধ্যরাতে মধ্য লাদাখের আরিয়ান উপত্যকায় মৃত্য হয়েছে তাঁর। তাশি নামগিয়ালের (Totashi Namgyal) মৃত্যুতে পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছে ভারতীয় সেনা বাহিনী। এক্স হ্যান্ডেলে ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস আধিকারিক লিখেছেন, “ভারতীয় সেনা বাহিনী দেশের জন্য তাঁর কৃতিত্বকে অবিস্মরণীয় করে রাখবে। তিনি নিঃস্বার্থভাবে দেশের জন্য কাজ করে গিয়েছেন। একজন দেশপ্রেমী বীরের শেষ বিদায় হয়েছে। শোকতপ্ত পরিবারের পাশে ভারতীয় সেনা রয়েছে। পরিবারকে সব রকম সহযোগিতা করা হবে। দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

    আরও পড়ুনঃ যোগীরাজ্যে এনকাউন্টারে খতম ৩ খালিস্তানি জঙ্গি

    প্রায় ৬০ দিন ধরে চলেছিল যুদ্ধ!

    ভারতে স্বাধীনতা-উত্তর যুগে পাকিস্তানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ ছিল লাদাখের কার্গিল যুদ্ধ (1999 Kargil War)। ৬০ দিনেরও বেশি সময় ধরে এই লড়াই চলেছিল। এই যুদ্ধে সিয়াচেন গ্লেসিয়ার রক্ষা করাই ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই উঁচু জায়গাটা থেকে একদিকে পাকিস্তান, অন্য দিকে চিনা সেনার গতিবিধি নজরে রাখা যায়। ২৬ জুলাই, ১৯৯৯ সালে একটি ঐতিহাসিক জয় সুনিশ্চিত করেছিল ভারত। প্রচণ্ড ঠান্ডা এই এলাকায়। সেই ঠান্ডা উপেক্ষা করে এদিনই ভারতীয় বাঙ্কারগুলি পাকসেনার দখল মুক্ত করেছিলেন সেনা-জওয়ানরা। যদি ঠিক সময়ে পাকিস্তানের অনুপ্রবেশের খবর ভারতীয় সেনার কাছে পৌঁছে দেওয়া না যেতো, তাহলে আরও বড়সড় সমস্যায় পড়তে হতো ভারতকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ডেমোগ্রাফিক ডেটা তৈরির আহ্বান অমিত শাহের

    Amit Shah: ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ডেমোগ্রাফিক ডেটা তৈরির আহ্বান অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-মায়ানমার সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ করছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শনিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, ভারত-মায়ানমার সীমান্তে বিশেষ করে নাগাল্যান্ড, মিজোরাম ও মণিপুরের জনসংখ্যার তথ্যের ম্যাপিং করা উচিত। এটি সীমান্তে বেড়া দিতে ও অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে সহায়তা করতে পারে (Demographic Data)।

    কী বললেন শাহ? (Amit Shah)

    আগরতলায় নর্থ ইস্টার্ন স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার সোসাইটির দ্বাদশতম সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, “সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক সমীক্ষা চালানো দরকার।” উত্তর-পূর্বের চারটি রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং মিজোরামের সঙ্গে মায়ানমারের সীমানা রয়েছে। এই সীমানা দিয়েই ভারতে ঢুকে পড়ছে অনুপ্রবেশকারীরা। অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক চোরাচালানও চলছে অবাধে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই সীমান্তেই বেড়া দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

    মহাকাশ খাতে বিশাল লাফ

    শাহ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতের মহাকাশ খাত গত ১০ বছরে একটি বিশাল লাফ দিয়েছে।” তিনি বলেন, “এনইএসএসি সোসাইটি প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পর সোসাইটি যে কাজ করছে, তার ইতিবাচক দিকগুলো এখন দৃশ্যমান।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এনইএসএসি সোসাইটির উচিত উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে তার কাজের পরিধি আরও প্রসারিত করা। এ জন্য রাজ্য সরকারগুলিরও উদ্যোগ নেওয়া উচিত।” তিনি এনইএসএসি সোসাইটিকে অনুরোধ করেছেন যে, তারা যেন প্রত্যেকে একশো জন শিক্ষার্থীকে বিজ্ঞানের পটভূমি-সহ উত্তর-পূর্বের সমস্ত রাজ্য থেকে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ISRO) সদর দফতরে সফরে নিয়ে যায় যাতে তারা মহাকাশ এবং সম্পর্কিত প্রযুক্তিতে আগ্রহ তৈরি করতে পারে।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    তিনি এই প্রকল্পের জন্য ৬০ শতাংশ অবদান রাখার জন্য উত্তর পূর্ব অঞ্চলের উন্নয়ন মন্ত্রককে আহ্বান জানান। তিনি উত্তর-পূর্বের রাজ্য সরকারগুলিকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিতে মহাকাশ প্রযুক্তি সম্পর্কিত নতুন কোর্স চালু করার অনুরোধও করেন। তিনি বলেন, “এনইএসএসির সহায়তায় এ পর্যন্ত ২০টি জলপথ তৈরি করা হয়েছে। আরও জলপথ নির্মাণের সম্ভাবনাও খোঁজা উচিত।” শাহ (Amit Shah) বলেন, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে খনিজ সম্পদ, তেল এবং কয়লা মজুত রয়েছে কিনা, তা জানতে ব্যাপক ম্যাপিংয়ের প্রয়োজন। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি এই খনিজগুলির জন্য (Demographic Data) প্রাপ্ত রয়্যালটি থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হবে (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Khalistani Terrorists: যোগীরাজ্যে এনকাউন্টারে খতম ৩ খালিস্তানি জঙ্গি

    Khalistani Terrorists: যোগীরাজ্যে এনকাউন্টারে খতম ৩ খালিস্তানি জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগীরাজ্যে এনকাউন্টারে খতম তিন খালিস্তানি জঙ্গি (Khalistani Terrorists)। সোমবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ও পাঞ্জাব পুলিশের যৌথ অপারেশনে যোগী রাজ্যের পিলভিটে এনকাউন্টারে খতম করা হয় তিন জঙ্গিকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই অপারেশনে জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একে সিরিজের একটি রাইফেল এবং দুটি পিস্তল।

    তিন জঙ্গির পরিচয়

    ইতিমধ্যে ওই তিন খালিস্থানি জঙ্গিকে (Khalistani Terrorists) শনাক্ত করা গিয়েছে। প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত তিন জঙ্গির নাম যথাক্রমে, গুরুবিন্দর সিং (২৫) বীরেন্দর সিং (২৩) এবং প্রতাপ সিং (১৮)। প্রত্যেকেরই বাড়ি পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর বলে জানিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে দুইজন কনস্টেবলও এতে আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই তিন যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরের পুলিশ পোস্টে হামলা চালানোর।

    ঘটনার বর্ণনা পিলভিটের এসপির মুখে

    এই বিষয় নিয়ে পিলভিটের এসপি অবিনাশ পাণ্ডে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘পাঞ্জাব পুলিশের একটি বিশেষ দল, উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কাছে জানতে পারে যে কিছু সন্ত্রাসবাদী পাঞ্জাব থেকে এসে পুরানপুর এরিয়াতে লুকিয়ে রয়েছে। এই সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল পাঞ্জাবের একটি পুলিশ আউট পোস্টে হামলা চালানোর (Khalistani Terrorists)। পাঞ্জাব পুলিশের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া মাত্রই গোটা জেলার বিভিন্ন রাস্তাতে আমরা ব্যারিকেড তৈরি করে ফেলি। এই সময়ে একটি পুলিশ পিকেট টিম খামারিয়া পয়েন্ট থেকে তথ্য পাঠায় যে তিনজন সন্দেহজনক যুবক রয়েছে একটি বাইকে। তখনই পিলভিট এবং পাঞ্জাবের পুলিশ তাদেরকে তাড়া করতে শুরু করে। তিন সন্দেহভাজনই বাইক থেকে গুলি চালাতে থাকে পুলিশকে লক্ষ্য করে। পাল্টা পুলিশও গুলি চালায় তাদের ওপর। গুলি চালানোর (Encounter) ঘটনায় তিনজনই জখম হয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাদেরকে মৃত বলে ঘোষণা করে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Government: জাতীয় ভোক্তা দিবসে তিন অ্যাপ চালু করতে চলেছে কেন্দ্র, জানুন কী কী

    Union Government: জাতীয় ভোক্তা দিবসে তিন অ্যাপ চালু করতে চলেছে কেন্দ্র, জানুন কী কী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ডিসেম্বর ‘জাতীয় ভোক্তা দিবস’। এই উপলক্ষে ভোক্তা বিষয়ক বিভাগ জনসাধারণের জন্য চালু করতে চলেছে (Union Government) ‘জাগো গ্রাহক জাগো অ্যাপ’, ‘জাগৃতি অ্যাপ’, এবং ‘জাগৃতি ড্যাশবোর্ড’।

    ভোক্তা সুরক্ষায় জোর (Union Government)

    ডিজিটাল যুগে (Digital Marketplace) ভোক্তা সুরক্ষা জোরদার করা এবং ই-কমার্স ও অনলাইন পরিষেবাগুলিতে অবৈধ কার্যকলাপ রুখতেই কেন্দ্রীয় ভোক্তা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ (CCPA) ২০২৩ সালে “ডার্ক প্যাটার্ন প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নির্দেশিকা” জারি করেছে। তারা ১৩টি ডার্ক প্যাটার্ন চিহ্নিত করেছে। এগুলি হল, মিথ্যা জরুরি অবস্থা, বাস্কেট স্নিকিং, কনফার্ম শেমিং, জোরপূর্বক কাজ করানো, সাবস্ক্রিপশন ফাঁদ, ইন্টারফেস হস্তক্ষেপ, বেইট অ্যান্ড সুইচ, ড্রিপ প্রাইসিং, ছদ্মবেশী বিজ্ঞাপন ও বিরক্তিকর বার্তা, বিভ্রান্তিকর শব্দচয়ন, সফটওয়্যার পরিষেবা বিলিং এবং দুর্বৃত্ত ম্যালওয়্যার।

    ভোক্তা সুরক্ষা আইন

    কেন্দ্রীয় ভোক্তা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ আগে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স ও বুকমাইশো-এর বিরুদ্ধে ভোক্তা সুরক্ষা আইন, ২০১৯ এর আওতায় মিথ্যা বিজ্ঞাপন বা অন্যায় বাণিজ্যিক পদ্ধতির জন্য নোটিশ জারি করেছিল, যেখানে বিভ্রান্তিকর ডিজাইন প্যাটার্ন বা ডার্ক প্যাটার্নের অভিযোগ ছিল। কেন্দ্রীয় ভোক্তা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে যে বুকমাইশো গ্রাহকদের সম্মতি ছাড়াই নিশ্চিত টিকিট বুকিংয়ের পরে অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করেছে। প্রতিটি টিকিটে ১ টাকা ‘বুকএস্মাইল’-এর জন্য যোগ করা হয়েছিল প্রি-টিক করা অবস্থায়। ভোক্তার সম্মতি ছাড়াই এসব করা হয়েছিল। এটি ২০২৩ সালের “ডার্ক প্যাটার্নের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নির্দেশিকা”-এর অ্যাপেন্ডিক্স ১-এর ধারা (২)- অনুযায়ী ‘বাস্কেট স্নিকিং’-এর মধ্যে পড়ে। কেন্দ্রীয় ভোক্তা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের পর, বুকমাইশো এই সমস্যা সমাধান করে এবং গ্রাহকদের ‘বুকএস্মাইল’-এ অবদান রাখবে কি না তা বেছে নেওয়ার অপশন দেয়।

    আরও পড়ুন: ২৩ ডিসেম্বর ১৯২৬, মৌলবাদীর হাতে খুন হন আর্য সমাজের সন্ন্যাসী শ্রদ্ধানন্দ, জানুন তাঁর জীবনী

    ভোক্তা বিষয়ক বিভাগ (Union Government) এখন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে “ডার্ক প্যাটার্ন” শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। এই সরঞ্জামগুলির মাধ্যমে ভোক্তাদের ক্ষমতায়ন করতে যাচ্ছে তারা। ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এনসিসি ল্যাব, আইআইটি (বিএইচইউ)-এর ছাত্র প্রিন্স আমান এবং নামিত মিশ্রের গবেষণার অংশ হিসেবে ওই তিনটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এগুলি ইন্টেলেজেন্স সাইবার-ফিজিক্যাল সিস্টেমের অংশ, যা রিয়েল-টাইমে কাজ করে এবং এআই এবং ডেটা অ্যানালিটিক্সের জন্য জাতীয় সুপারকম্পিউটিং মিশনের আওতায় এয়ারাওয়াত এআই সুপারকম্পিউটারে চালিত হয়। এই সিস্টেমটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের টেক্সট এবং ডিজাইনের উপাদান বিশ্লেষণ করে জানিয়ে দেবে এগুলি ভোক্তার মনস্তত্ত্বকে প্রভাবিত করতে ব্যবহৃত হচ্ছে (Digital Marketplace) কি না। সেই মতো পদক্ষেপ করবে সরকার (Union Government)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভে থাকবে ১৩ আখড়া, রবিবার প্রয়াগরাজে উপস্থিত হল শ্রী পঞ্চ দশনাম আবাহন আখড়া

    Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভে থাকবে ১৩ আখড়া, রবিবার প্রয়াগরাজে উপস্থিত হল শ্রী পঞ্চ দশনাম আবাহন আখড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোর কদমে চলছে মহাকুম্ভের প্রস্তুতি। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত হতে চলা মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025) এবার ভক্তদের বার্তা দিতে থাকছে ১৩টি বড় বড় আখড়া। গত রবিবার মহাকুম্ভস্থলে শ্রী পঞ্চ দশনাম আবাহন আখড়া হাজির হয়। এই আখড়া সন্ন্যাসীরা যখন মহাকুম্ভর স্থলে আসেন, তখন তাঁদেরকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ভক্তরা। বিভিন্ন আখড়াগুলির সনাতন ধর্মে অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য অবস্থান রয়েছে এবং এই আখড়াগুলির মধ্যে শ্রী পঞ্চ দশনাম আবহনা আখড়া হল প্রথম, যারা মহাকুম্ভস্থলে প্রবেশ করল। এই আখড়ার নেতৃত্বে ছিলেন আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী অরুণ গিরি।

    শ্রী পঞ্চ দশনাম আবাহন আখড়া হল ভারতবর্ষের মধ্যে সবথেকে পুরনো আখড়া

    জানা গিয়েছে, এই আখড়ার (Mahakumbh 2025) স্থানীয় আশ্রম অবস্থিত রয়েছে মাদৌকাতে। স্বামী অরুণ গিরি এরপরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন যে শ্রী পঞ্চ দশনাম আবাহন আখড়া হল ভারতবর্ষের মধ্যে সবথেকে পুরনো আখড়া এবং এখনও পর্যন্ত তাঁরা ১২২টি মহাকুম্ভ ও ১২৩টি কুম্ভ প্রয়াগ্ররাজে সম্পন্ন করেছেন। অন্যদিকে, এই আখড়ার অন্যতম মহন্ত গোপাল গিরি বলেন যে আখড়ার শোভাযাত্রায় এক ডজনেরও বেশি মহামণ্ডলেশ্বর, একান্ন মহন্ত ও প্রচুর সংখ্যায় নাগা সন্ন্যাসী অংশগ্রহণ করেন। এই পঞ্চ দশনাম আবাহন আখড়া যখন মহাকুম্ভস্থলে (Mahakumbh 2025) প্রবেশ করছিল, তখন মহামণ্ডলেশ্বররা রথের ওপরে সওয়ার ছিলেন। নাগা সন্ন্যাসীরা ঘোড়া ও উটের পিঠে সওয়ার ছিলেন (Shri Panch Dashnam Avahan Akhara)। এই আখড়াতে ভগবান গজাননকে দেবতা মানা হয়। সর্বপ্রথম রথে সেই ভগবানকেই রাখা হয়েছিল। তারপরের রথগুলিতে সওয়ার ছিলেন আখড়ার আচার্য এবং মহামণ্ডলেশ্বরেরা।

    যাত্রাপথে সামাজিক বার্তা (Mahakumbh 2025) 

    এই যাত্রাপথে সমাজকে বার্তা দিতে থাকেন মহামণ্ডলেশ্বরেরা। তাঁরা বলেন যে গাছ লাগান এবং সারা বিশ্বকে রক্ষা করুন। আচার্য মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী অরুণ গিরি সংবাদমাধ্যমকে বলেন যে সনাতন ধর্মের প্রচার এবং হিন্দু ধর্মকে রক্ষা করাই আমাদের কাজ। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষা করা এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে ব্যক্তিগতভাবে অরুণ গিরি ৫১ হাজার ফল গাছ ভক্তদের বিতরণ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Kuwait: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    India Kuwait: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) দুই দিনের কুয়েত সফরে (India Kuwait) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই সময় ভারত এবং কুয়েতের মধ্যে প্রতিরক্ষা, ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সম্পর্কিত চারটি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের সচিব অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় এ কথা জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক সফর দু’দেশের মধ্যে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

    কী কী চুক্তি স্বাক্ষরিত

    কুয়েতে (India Kuwait) শীর্ষ ব্যবসায়িক অংশীদারদের তালিকায় ভারতের স্থান উপরের দিকে। এ ছাড়াও সে দেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশই প্রবাসী ভারতীয়। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) এই সফর প্রসঙ্গে অরুণকুমার বলেন, “রবিবার, কুয়েতের সঙ্গে চারটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই হয়েছে। প্রথমটি হল প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে মেমোরেনডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং, দ্বিতীয়টি ২০২৫-২০২৯ সালের জন্য সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের প্রোগ্রাম, তৃতীয়টি হল ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য ২০২৫-২০২৮ সালের জন্য এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রাম এবং চতুর্থটি হল কুয়েতের আন্তর্জাতিক সৌর জোট (ISA) এর সদস্যপদ।” 

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা: প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মেমোরেনডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং দুটি দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এতে প্রশিক্ষণ, পেশাদার এবং বিশেষজ্ঞদের বিনিময়, যৌথ মহড়া, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষেত্রে যৌথ কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান: ২০২৫-২০২৯ সালের জন্য সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান প্রোগ্রামটি শিল্প, সঙ্গীত, নৃত্য, সাহিত্য ও নাটক, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে উৎসব আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে।

    ক্রীড়া সহযোগিতা: ২০২৫-২০২৮ সালের জন্য ক্রীড়া ক্ষেত্রের এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রামটি ভারত এবং কুয়েতের মধ্যে ক্রীড়া ক্ষেত্রে সহযোগিতা শক্তিশালী করবে। এটি ক্রীড়া নেতা, ক্রীড়া চিকিৎসা, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা, ক্রীড়া মিডিয়া, ক্রীড়া বিজ্ঞান ইত্যাদির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রোগ্রাম ও প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করবে।

    কুয়েতের সদস্যপদ: কুয়েত আন্তর্জাতিক সৌর জোটের (ISA) সদস্যপদ লাভ করেছে। আইএসএ সদস্য দেশগুলোর জন্য সৌর শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করবে এবং তাদের কম কার্বন বৃদ্ধি কৌশলগুলো উন্নয়নে সহায়তা করবে।

    আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্রে মন্ত্রীপরিষদের দফতর ঘোষাণায় শপথ নিলেন আরও ৩৯ জন মন্ত্রী, কে কোন দফতর পেলেন?

    কুয়েতের অর্থনীতিতে ভারতীয়দের অবদান

    কুয়েতের (India Kuwait) শ্রমশক্তির ৩০ শতাংশই ভারতের নাগরিক। ভারতে অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী দেশের তালিকায় কুয়েত ষষ্ঠ স্থানে। দুই দেশ এই কথা স্মরণ করে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করছে। দুই পক্ষই কুয়েতের অর্থনীতিতে ভারতীয়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকার করেছে। রবিবারই কুয়েত সফর শেষে দেশে ফিরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share