Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Delhi Assembly Election: সামনেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন, কেন মসনদ দখল করতে পারে বিজেপি?

    Delhi Assembly Election: সামনেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন, কেন মসনদ দখল করতে পারে বিজেপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Delhi Assembly Election) দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন। এখানে মূল প্রতিপক্ষ বিজেপি ও আম আদমি পার্টি। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকলেও বর্তমানে দিল্লি প্রদেশে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক হয়েছে কংগ্রেস। বিগত ২০১৩ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসকে পরাস্ত করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে উঠে আসে বিজেপি (BJP), কিন্তু আম আদমি পার্টি এবং কংগ্রেসের পরিকল্পনায় ক্ষমতা থেকে দূরে থাকতে হয় গেরুয়া শিবিরকে। পরবর্তীকালে ২০১৫ সালে ৬৭ আসন নিয়ে ক্ষমতা দখল করে আম আদমি পার্টি। ২০২০ সালেও প্রায় একই সংখ্যা দেখা যায় এবং তারা ৬২টি আসনে জয়লাভ করে।

    দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি হতে দেখা যাচ্ছে

    অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে দেখা যাচ্ছে, দিল্লির (Delhi Assembly Election) লোকসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টির প্রতিবার ভরাডুবি হওয়া সত্ত্বেও বিধানসভা নির্বাচনে ভালোমতো জিতছে। অন্যদিকে বিজেপি লোকসভাতে জিতলেও দিল্লি প্রদেশের বিধানসভায় জিততে পারছে না। কিন্তু বর্তমান সময়ের দিকে তাকিয়ে দেখা যাচ্ছে, বিজেপির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে দিল্লি প্রদেশের ক্ষমতা দখল করার। তার কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি হতে দেখা যাচ্ছে।

    বিজেপির অসম ও হরিয়ানা জয়

    যদি আমরা অসমের দিকে তাকাই তাহলে দেখব, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সেখানে বিজেপি (Delhi Assembly Election) জিতেছিল পাঁচটি আসনে। কিন্তু ২০১৬ সালের বিজেপি যেতে ৬০ আসনে অন্যদিকে হরিয়ানার ক্ষেত্রে যদি তাকাই তখন আমরা দেখব বিজেপি ৪৭ টি আসনে যেতে ২০১৪ সালে এবং সেখানে সরকার তৈরি করে বিধানসভার আসন রয়েছে হরিয়ানাতে ৯০টি। ২০১৪ আগের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় হরিয়ানাতে ২০০৯ সালে। সেবার বিজেপির চারটি আসনে সমর্থ হয়েছিল। ২০১৪ সালের ক্ষমতা মসনদে বসার আগে মসনদে বছর আগে পর্যন্ত বিজেপির সব থেকে বড় জয় ছিল ১৬টি আসন।

    বিজেপির ত্রিপুরা জয়

    অন্যদিকে উত্তর-পূর্ব ভারতের অপর আরেক রাজ্য ত্রিপুরার দিকেও যদি আমরা তাকাই তাহলে দেখব সেখানে বিধানসভায় আসন রয়েছে মোট ৬০ আসন। যার মধ্যে বিজেপি (Delhi Assembly Election) ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে পর্যন্ত কোনও আসনেই জেতেনি। ২০১৩ সাল পর্যন্ত বিজেপির ইতিহাসে একমাত্র কদমতলা-কুর্তি নামক আসনে নিজেদের জামানতকে তারা ধরে রাখতে পেরেছিল। এটাই ছিল বড় সাফল্য। কিন্তু ২০১৮ সালে ৬০ আসনের বিধানসভার মধ্যে ৩৬টি আসনের জয়লাভ করে বিজেপি এবং সেখানে সরকার তৈরি করে। ২০২৩ সালে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরে বিজেপি। তাই এই সমস্ত রাজ্যগুলির মতো ফলাফল দিল্লিতেও হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wayanad: “রাহুল-প্রিয়াঙ্কার ভোটের জয়ের পিছনে ছিল সাম্প্রদায়িক মুসলিম জোট”, বিস্ফোরক বাম নেতা বিজয়রাঘবন

    Wayanad: “রাহুল-প্রিয়াঙ্কার ভোটের জয়ের পিছনে ছিল সাম্প্রদায়িক মুসলিম জোট”, বিস্ফোরক বাম নেতা বিজয়রাঘবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়ানাড় (Wayanad) লোকসভার উপনির্বাচনে রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ভোটের জয়ের পিছনে ছিল সাম্প্রদায়িক মুসলিম জোট (Communal Muslim Alliance), ঠিক এই ভাবেই বিস্ফোরক হয়েছেন সিপিআই(এম) নেতা বিজয়রাঘবন। কংগ্রেস যে মুসলিম ভোটকে রাজনীতির ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করে, সেই কথা আরও একবার প্রকাশ্যে এসেছে। অবশ্য লোকসভায় একাধিকবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তোপ দেগেছিলেন এই বলে যে কংগ্রেস কেরলে মুসলিম লীগের সঙ্গে জোটের শরীক হয়ে থাকে। এবার বাম নেতার মন্তব্যে আরও একবার ‘তোষণনীতি’ প্রকাশ্যে এসেছে।

    খারাপ চরমপন্থী মুসলিম জোটের সমর্থন পেয়ছেন (Wayanad)!

    ২১ ডিসেম্বর কেরলের (Wayanad) সুলতান বাথেরিতে বাম দলের জেলা সম্মেলন ছিল। সেখানে মার্কসবাদী নেতা এ বিজয়রাঘবন কংগ্রেসের মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার (Communal Muslim Alliance) প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, “দুই ব্যক্তি (রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী) ওয়ানাড় (Wayanad) থেকে সংসদে গিয়েছেন। কার সমর্থনে? সাম্প্রদায়িক মুসলিম জোটের শক্ত সমর্থন নিয়ে। মুসলমানদের সমর্থন ছাড়া কী রাহুল গান্ধীর পক্ষে দিল্লি পৌঁছানো সম্ভব ছিল? তিনি বিরোধী দলীয় নেতা। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর মিছিলের সামনে ও পিছনের সারিতে কারা ছিলেন? সংখ্যালঘুদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ চরমপন্থী উপাদান সেখানে ছিল। মুসলিমরা কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে ছিলেন। সাম্প্রদায়িক মুসলিম জোটের সমর্থন ছাড়া কি রাহুল গান্ধীর পক্ষে দিল্লি পৌঁছানো সম্ভব ছিল?”

    আরও পড়ুনঃ ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ স্কিমে ভারতীয় গবেষকদের হবে বিশেষ সুবিধা

    বিজয়রাঘবন নিজের দলের ব্যর্থতার কথা বলে আরও বলেন, “কেরলে বিরোধী ইন্ডিজোট সম্পর্কে কেন্দ্রীয় কমিটি সঠিক অবস্থান নেয়নি। কংগ্রেসের প্রধান শত্রু বামেরা। রাজ্য ধ্বংস হয়ে গেলেও কংগ্রেসের কিছুই যায় আসে না। মুসলিম সংগঠনের (Communal Muslim Alliance) সরাসরি সমর্থন পেয়েছে কংগ্রেস। অপর দিকে সিপিআই (এম) হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক হারিয়েছে।” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য পালাক্কাদ, চেলাক্কাদ বিধানসভা এবং ওয়ানাড়ে (Wayanad) সিপিআই(এম) হিন্দু ভোটারদের ভোট জয়ের চেষ্টা চালিয়েছিল। কংগ্রেসকেও এই নির্বাচনে বাম দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছিল।

    বাম এবং কংগ্রেস দুই পক্ষই মুসলিম চায়

    অপরদিকে ওয়ানাড় (Wayanad) উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন একটি বক্তব্যে বলেছিলেন, “আইইউএমএল-এর রাজ্য সভাপতি সাদিক আলী শিহাব থাঙ্গালকে ‘জামায়াত-ই-ইসলামির কর্মী’। তাঁরা ইসলামী শাসনের (Communal Muslim Alliance) পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।” উল্লেখ্য এই দল ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের অংশ। এটি আবার জাতীয় পর্যায়ে ইন্ডি জোটেরও শরীক। নির্বাচনের এক মাস আগে বিজয়ন এই দলকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। ফলে রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের মতে বাম এবং কংগ্রেস দুই পক্ষই মুসলিম ভোটের জন্য মরিয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Subscription: ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ স্কিমে ভারতীয় গবেষকদের হবে বিশেষ সুবিধা

    One Nation One Subscription: ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ স্কিমে ভারতীয় গবেষকদের হবে বিশেষ সুবিধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতা ছিল জ্ঞানচর্চা এবং গবেষণার (Indian Research) বিশেষ কেন্দ্রস্থল। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, চিকিৎসা, দর্শন, ধাতুবিদ্যা এবং মানবিক বিষয়ে যুগান্তকারী অবদান রেখেছিলেন প্রাচীন ভারতীয় মুনি ঋষিরা। কিন্তু বহির্দেশীয় মুসলমান এবং ব্রিটিশরা আক্রমণ করে এবং নিজেদের শাসন কায়েম করে প্রাচীন সৃষ্টি-সংস্কৃতিকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। তারা শুধু ভারতীয় সম্পত্তি লুট করেনি, সেই সঙ্গে বিদ্যাচর্চা ও গবেষণার পরম্পরার উপর ব্যাপক আঘাত করেছিল। এবার সেই গবেষণার ব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ করতে কেন্দ্র আনছে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ স্কিম (One Nation One Subscription)।

    জার্নালগুলিকে আরও সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া হবে (One Nation One Subscription)

    সম্প্রতি ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এনএসটি) সহ বিভিন্ন প্রতিবেদনে গবেষণার পরিকাঠামোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালের আর্থিক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে গবেষণার (Indian Research) কাজে যে ব্যয় ধার্য করা হয়, তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এবার থেকে তাই ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ ((One Nation One Subscription)) স্কিমের মতো সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এটি একটি এমন ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে অ্যাকাডেমিক জার্নালগুলিকে আরও সহজভাবে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে। এর ফলে দেশের সমস্ত গবেষকদের একটি বিশেষ ছাতার নিচে আনা যাবে। সেইসঙ্গে গবেষণা কাজেও আমূল পরিবর্তন এবং উন্নতি ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন্দ্রীয় সরকার ৬০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে

    ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ (One Nation One Subscription) ব্যবস্থায় সমস্ত গ্রন্থাগারগুলিকে একই পোর্টালে একত্রিত করা হবে। এই বিরাট ব্যবস্থাটি ছাত্র-ছাত্রী, গবেষক, অধ্যাপক সকলেই ব্যবহার করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় ভাবে ২৩৬০৬টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৬৩৮০টি ই-জার্নাল উপলব্ধ করা হবে। স্বতন্ত্র ভাবে ব্যবহারকারীদের সংখ্যা ৫০.৬ লক্ষ থেকে ১ কোটি ৭৮ লক্ষের মাত্রা স্থির করা হয়েছে। আগামী তিন বছরে কেন্দ্রীয় সরকার ৬০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের কথা জানিয়েছে। এখানে বিষয় হিসেবে সমাজবিজ্ঞান, আইন, মানবিক বিষয় সহ নানাণ বিষয় যেমন প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গণিত, মেডিসিন (Indian Research) ইত্যাদি বিষয়গুলিও থাকবে।

    আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্রে মন্ত্রীপরিষদের দফতর ঘোষাণায় শপথ নিলেন আরও ৩৯ জন মন্ত্রী, কে কোন দফতর পেলেন?

    ভারত বিশ্বগুরু হবে

    ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’-এর (One Nation One Subscription) মাধ্যমে প্রাচীন যুগের নানা বিষয়কে গবেষণার বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হবে। একাডেমিক ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে এর মধ্যে রেখে বহু বিষয়ক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। সারা দেশে জ্ঞানের ভাণ্ডার (Indian Research) খুলতে এই ব্যবস্থা বিশেষ ভাবে কার্যকর হবে। ভারতকে বিশ্বগুরু করার বৃহৎ সঙ্কল্প এই ব্যবস্থার মাধ্যমে অনেকটাই স্বার্থক হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    এই ব্যবস্থা একটি বড় পদক্ষেপ। কেননা সমস্ত বিষয়ে গবেষণা সংক্রান্ত জার্নাল এক সঙ্গে পাওয়া যাবে। একসঙ্গে এক জায়গায় সকল তথ্য পাওয়া যাবার জন্য খরচের বোঝা অনেক কমে যাবে গবেষকদের। ধীরে ধীরে ভারত কীভাবে বিশ্বজুড়ে গবেষণার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে, তারও ভাবনা এই স্কিমে রয়েছে। তাই এই ব্যবস্থার ব্যবহার এবং কার্যকারিতা ভীষণভাবে প্রয়োজন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Swami Shraddhananda: ২৩ ডিসেম্বর ১৯২৬, মৌলবাদীর হাতে খুন হন আর্য সমাজের সন্ন্যাসী শ্রদ্ধানন্দ, জানুন তাঁর জীবনী

    Swami Shraddhananda: ২৩ ডিসেম্বর ১৯২৬, মৌলবাদীর হাতে খুন হন আর্য সমাজের সন্ন্যাসী শ্রদ্ধানন্দ, জানুন তাঁর জীবনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ ডিসেম্বর স্বামী শ্রদ্ধানন্দ সরস্বতীর আত্ম বলিদান দিবস। স্বামী শ্রদ্ধানন্দ সরস্বতী (Swami Shraddhananda) ছিলেন একজন ভারতীয় শিক্ষাবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী ও আর্য সমাজের সন্ন্যাসী। আর্য সমাজের (Arya Samaj) প্রতিষ্ঠাতা স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর বাণীকে তিনি প্রচার করেছিলেন। ১৯২৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর অসুস্থ শ্রদ্ধানন্দকে গুলি করে হত্যা করে আব্দুর রশিদ নামের এক আততায়ী। শুদ্ধি আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি অ-হিন্দুদেরকে পুনরায় হিন্দু ধর্মে ফিরে আনতেন। স্বামী শ্রদ্ধানন্দের হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন বাবাসাহেব আম্বেদকর। তাঁর নিজের লেখা, ‘পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া-১৯৪৬’, এই বইতে আম্বেদকর বলেন, ‘‘ধর্মান্ধ মুসলমান স্বামী শ্রদ্ধানন্দকে হত্যা করেছে, শুদ্ধি আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছিলেন বলেই তাঁকে হত্যা করা হল।’’

    শ্রদ্ধানন্দের হত্যা সম্পর্কে কী লিখেছিলেন রমেশচন্দ্র মজুমদার

    প্রসঙ্গত, পরাধীন ভারতের প্রথম হিন্দু আন্দোলনের সূচনা হয় আর্য সমাজের হাত ধরেই। রমেশচন্দ্র মজুমদার তাঁর লেখা, ‘দ্য হিস্ট্রি অ্যান্ড দ্য কালচার অফ ইন্ডিয়ান পিপল’ গ্রন্থের ৪৩৫ নম্বর পাতায় লিখছেন, ‘‘তাবলীগী জামাত প্রথম ঠান্ডা মাথায় খুন করেছিল স্বামী শ্রদ্ধানন্দকে (Swami Shraddhananda) কারণ তিনি শুদ্ধি আন্দোলনের সঙ্গে ঘনিষ্ট ভাবে জড়িত ছিলেন।’’ প্রসঙ্গত, বাবাসাহেব আম্বেদকর ১৯২২ সালেই বলেছিলেন যে স্বামী শ্রদ্ধানন্দ হলেন অস্পৃশ্যদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সত্যিকারের মহান মানব।

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দ সরস্বতীর আসল নাম ছিল মুন্সিরাম বীজ

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দ সরস্বতীর (Swami Shraddhananda) আসল নাম ছিল মুন্সিরাম বীজ। ১৮৫৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন পাঞ্জাব প্রদেশের জলন্ধর জেলার তালোয়ান নামক একটি গ্রামে। জানা যায় জাতিতে তিনি ছিলেন একজন ক্ষত্রিয়। তাঁর জন্মতিথি ছিল ফাল্গুনের কৃষ্ণ ত্রয়োদশী। তাঁর পিতার নাম ছিল শ্রী নানকচাঁদ বীজ এবং তিনি ছিলেন তৎকালীন ইউনাইটেড প্রদেশ বা বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের একজন পুলিশ অফিসার। জানা যায়, একবার স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী বৈদিক ধর্মের প্রচারের জন্য উত্তরপ্রদেশের বরেলিতে পৌঁছান, সেখানেই পুলিশ অফিসার নানকচাঁদ তাঁর পুত্র মুন্সিরাম বীজকে নিয়ে দয়ানন্দ সরস্বতীর বক্তব্য শুনতে আসেন। কিশোর মুন্সিরাম দয়ানন্দ সরস্বতীর যুক্তিবাদী বক্তব্যে আকৃষ্ট হন এবং আর্য সমাজের সদস্য হন।

    গান্ধীজীর উদ্দেশে টাকা পাঠিয়েছিলেন

    জানা যায়, যে সময়ে মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকাতে আন্দোলন করছিলেন, সে সময় ভারত থেকে গুরুকুল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দেড় হাজার টাকা সংগ্রহ করে গান্ধীজীর কাছে প্রেরণ করেছিলেন মুন্সিরাম বীজ। জানা যায়, পরবর্তীকালে মহাত্মা গান্ধী আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরে এসে এই অবদানকে স্বীকার করেছিলেন। স্বামী শ্রদ্ধানন্দ (Swami Shraddhananda) সাংবাদিক হিসেবেও অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। উর্দু এবং হিন্দি ভাষায় বিভিন্ন ধর্মীয় সামাজিক বিষয়ে তিনি লেখালেখি করতেন। পরবর্তীকালে দয়ানন্দ সরস্বতীকে অনুসরণ করে তিনি দেবনাগরি লিপিতে রচিত হিন্দি ভাষাকে অগ্রাধিকার দেন। জানা যায়, স্বামী শ্রদ্ধানন্দ হিন্দিতে অর্জুন এবং উর্দু ভাষায় তেজ নামে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেছিলেন। জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের পরে ১৯১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে কংগ্রেসের ৩৬তম অধিবেশন বসে অমৃতসরে। সেখানে স্বাগত কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন স্বামী শ্রদ্ধানন্দ এবং তিনি হিন্দিতে নিজের বক্তব্য রাখেন। একইসঙ্গে হিন্দিকে জাতীয় ভাষা ঘোষণা করারও দাবি তোলেন তিনি।

    স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ

    স্বাধীনতার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ নিয়েছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি দরিদ্র ও নিপীড়িতদের মুক্তির জন্য আওয়াজও তুলতেন তিনি। নারী শিক্ষারও প্রচার করেছিলেন স্বামী শ্রদ্ধানন্দ (Swami Shraddhananda)। ১৯১৯ সালে দিল্লির জামে মসজিদ এলাকায় আয়োজিত একটি বিশাল সমাবেশে স্বামী শ্রদ্ধানন্দ ভারতবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে তাঁর এক বছর চার মাসের কারাগারও হয়েছিল।

    শুদ্ধি আন্দোলন

    স্বামী শ্রদ্ধানন্দ লক্ষ্য করেন যে কংগ্রেসের প্রায় প্রত্যেক নেতাই মুসলিম তুষ্টিকরণ করছেন। তখনই তিনি অনুভব করেছিলেন যে এমন নীতি ভারতবর্ষের পক্ষে একদমই বিপজ্জনক। এই সময় তিনি এগিয়ে নিয়ে যান দয়ানন্দ সরস্বতীর শুদ্ধি আন্দোলনকে। কারণ তৎকালীন ভারতবর্ষে কংগ্রেস যখন একদিকে মুসলিম তোষণের নির্লজ্জ নীতিতে বিশ্বাস রাখছিল, তখনই মৌলবাদী মুসলমান ও খ্রিস্টানরা হিন্দুদেরকে ধর্মান্তরিত করতে ব্যস্ত ছিল। এই সময়ে স্বামী শ্রদ্ধানন্দ আর্য সমাজের শুদ্ধি আন্দোলনকে ব্যাপক আকারে গড়ে তোলেন এবং বহু ধর্মান্তরিত মানুষকে বৈদিক ধর্মে দীক্ষিত করতে থাকেন। হিন্দুদের পুনরায় সনাতন ধর্মে ফিরিয়ে আনার নামই ছিল শুদ্ধি আন্দোলন।

    শোক প্রস্তাবে গান্ধীর সাম্প্রদায়িক তোষণ

    ১৯২৬ সালে ২৩ ডিসেম্বর তাঁর নিজের বাসভবনে আব্দুর রশিদ নামের একজন মৌলবাদী প্রবেশ করে এবং স্বামী শ্রদ্ধানন্দকে গুলি করে হত্যা করে। পরবর্তীকালে আব্দুর রশিদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। ২৩ ডিসেম্বর শ্রদ্ধানন্দকে হত্যা করার পরে ১৯২৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর কংগ্রেসের অধিবেশনে একটি শোক প্রস্তাবা আনা হয় যা অত্যন্ত হতাশাজনক ছিল। ওই শোক প্রস্তাবে মহাত্মা গান্ধী বক্তৃতায় বলেন,‘‘আমি আব্দুর রশিদকে ভাই বলে সম্বোধন করেছি। আমি তাঁকে দোষী বলে মনে করি না। দোষীরা আসল তারা, যারা একে অপরের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ায়। আমি শ্রদ্ধানন্দজির মৃত্যুতে শোক করতে পারি না। একজনের অপরাধের কারণে পুরো সম্প্রদায়কে আমি অপরাধী বলতে পারি না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maharashtra Government: মহারাষ্ট্রে মন্ত্রীপরিষদের দফতর ঘোষাণায় শপথ নিলেন আরও ৩৯ জন মন্ত্রী, কে কোন দফতর পেলেন?

    Maharashtra Government: মহারাষ্ট্রে মন্ত্রীপরিষদের দফতর ঘোষাণায় শপথ নিলেন আরও ৩৯ জন মন্ত্রী, কে কোন দফতর পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra Government) নতুন সরকার গঠনের প্রায় দুই সপ্তাহ পর শনিবার মন্ত্রীপরিষদের (Cabinet) দফতর ঘোষাণা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস নিজের হাতেই। অপর দিকে উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে নগর উন্নয়ন, আবাস এবং পূর্ত তিনটি দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন। সেইসঙ্গে রাজ্যের আরও এক উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার অর্থ দফতর এবং আবগারি দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন।

    মোট ৩৯ জন মন্ত্রী হয়েছেন (Maharashtra Government)

    মন্ত্রীপরিষদের (Maharashtra) দায়িত্ব বণ্টনে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের কাছে আরও যে দফতরগুলি (Cabinet) রয়েছে তার মধ্যে হল, নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রক, আইন ও বিচার মন্ত্রক, তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রক। এই রাজ্যের শীতকালীন বিধানসভা অধিবেশন দ্রুত শুরু হবে, ঠিক তার আগেই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রী গিরিশ মহাজন বলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে আলোচনা করে সর্ব সম্মতিতে দফতর বণ্টন করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৩৯ জন মন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    বিজেপির পক্ষ থেকে কারা কার মন্ত্রী?

    বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্যের (Maharashtra Government) মন্ত্রী হয়েছেন, চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে রাজস্ব দফতর, রাধাকৃষ্ণ ভিখে পাতিল জল সম্পদ-কৃষ্ণ ও গোদাবরী উপত্যকা উন্নয়ন নিগম দফতর, চন্দ্রকান্ত পাতিল উচ্চ ও কারিগরি শিক্ষা, সংসদীয় বিষয় দফতর, গিরিশ মহাজন জলসম্পদ-বিদর্ভ, তাপি, কোঙ্কন উন্নয়ন নিগম এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রক। অশোক উইকে আদিবাসী উন্নয়ন, আশিস শেলার সাংস্কৃতিক বিষয়ক ও তথ্য প্রযুক্তি, শিবেন্দ্রসিংহ ভোসলেকে গণপূর্ত দেওয়া হয়েছে। জয়কুমার গোরকে গ্রামীণ উন্নয়ন ও পঞ্চায়েতি রাজ, সঞ্জয় সাভকারে টেক্সটাইল, নীতেশ রানে মৎস্য ও বন্দর, আকাশ ফান্ডকারকে শ্রম দফতর দেওয়া হয়েছে।

    শিন্ডের গোষ্ঠী থেকে মন্ত্রী কারা?

    শিবসেনা শিন্ডের গোষ্ঠী থেকে মন্ত্রী (Maharashtra Government) হয়েছেন, গুলাবরাও পাতিল জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন, দাদাজি ভুসে স্কুল শিক্ষা, সঞ্জয় রাঠোড় মৃত্তিকা ও জল সংরক্ষণ, উদয় সামন্ত ইন্ডাস্ট্রিজ এবং মারাঠি ভাষা, শম্ভুরাজ দেশাই পর্যটন, খনি, প্রাক্তন সেনা কল্যাণ, সঞ্জয় শিরসাট সামাজিক ন্যায়বিচার, প্রতাপ সারনাইক পরিবহন, ভারত গোগাওয়ালে কর্মসংস্থান গ্যারান্টি, হর্টিকালচার, সল্ট প্যান ল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট; প্রকাশ আবিটকার জনস্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণের দায়িত্ব (Cabinet) দেওয়া হয়েছে।

    অজিত পাওয়ারের এনসিপি গোষ্ঠী থেকে মন্ত্রী কারা?

    অজিত পাওয়ারের এনসিপি গোষ্ঠী থেকে মন্ত্রী (Maharashtra Government) হয়েছেন, সান মুশরিফ চিকিৎসা শিক্ষা, ধনঞ্জয় মুন্ডে খাদ্য ও নাগরিক সরবরাহ এবং ভোক্তা সুরক্ষা, দত্তাত্রে ভরনে স্পোর্টস, যুব কল্যাণ ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং ওয়াকফ, অদিতি তাটকরে মহিলা ও শিশু উন্নয়ন, মানিকরাও কোকাটে কৃষি। নরহরি জিরওয়ালকে খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন, বিশেষ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মকরন্দ পাটিলকে ত্রাণ ও পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে, বাবাসাহেব পাটিলকে সহযোগিতা বরাদ্দ করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) মোট বিধানসভার আসন ২৮৮টি। মহাযুতি জোট জিতেছে ২৩০টি আসনে। অপরে কংগ্রেস ইন্ডিজোট জয়ী হয়েছে মাত্র ৪৬টি আসনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohali Building Collapse: শনিবার সন্ধ্যায় পাঞ্জাবের মোহালিতে ভেঙে পড়ল বহুতল, মৃত ১

    Mohali Building Collapse: শনিবার সন্ধ্যায় পাঞ্জাবের মোহালিতে ভেঙে পড়ল বহুতল, মৃত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাবের মোহালিতে (Mohali Building Collapse) হঠাৎ ভেঙে পড়ল বহুতল ভবন। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। মৃতের নাম দৃষ্টি ভার্মা (২০)। তিনি হিমাচলের (Himachal) বাসিন্দা ছিলেন। বহুতলটি ভেঙে পড়ার পর তিনি চাপা পড়ে গিয়েছিলেন। উদ্ধার করে তাঁকে স্থানীয় সোহানা হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন অনেকেই, তাঁদেরকে বের করে আনার চেষ্টা চলছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ মোহালির সোহানা এলাকায় ছয়তলা ভবন হঠাৎ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে ছুটে আসেন তাঁরা। তখনই দেখা যায় ওই বাড়িটি কার্যত ধ্বংসস্তূপে (Mohali Building Collapse) পরিণত হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। পুলিশ ও দমকলের পাশাপাশি ছুটে আসে রাজ্য ও কেন্দ্রের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। কিছুক্ষণের মধ্যেই উদ্ধারকাজে হাত লাগায় সেনা।

    বহুতলের বর্ণনা (Mohali Building Collapse)

    স্থানীয়দের দাবি, এই বহুতলের একেবারে নীচের তলায় একটি জিম রয়েছে। যেখানে অনেকেই শরীরচর্চা করছিলেন। প্রথম তলায় বাচ্চাদের টিউশন চলছিল। তৃতীয় তলায় পেয়িং গেস্ট থাকতেন বেশ কয়েকজন যুবতী। দুর্ঘটনার জেরে তাঁরা সকলেই চাপা পড়েছেন। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুলিশের অনুমান, ওই বহুতলটির ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন পাঁচজন। দ্রুত তাঁদের বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে এনডিআরএফের সঙ্গে পৌঁছেছে ভারতীয় সেনার একটি দল। তাঁরাও উদ্ধারকার্যে হাত লাগিয়েছেন। ইতিমধ্যে বহুতলের (Mohali Building Collapse) মালিক পারউইন্দার সিং ও গগনদীপ সিংয়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৫ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। বেশ কিছু রিপোর্ট দাবি করছে, ধ্বংশাবশেষের নিচে ৭ জনের আটকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    কী জানালেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী?

    এনিয়ে ট্যুইট করেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবত মান। তিনি পোস্টে জানিয়েছেন, মোহালির সোহানা এলাকার (Mohali Building Collapse) অজিত সিং নগরে একটি বহুতল ভেঙেছে। প্রশাসনিক কর্তারা রয়েছেন সেখানে। উদ্ধারকারী দলও রয়েছে। আমি তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ‘বিবাহ পবিত্র বন্ধন, টাকা রোজগারের মাধ্যম নয়’, খোরপোশ মামলায় ‘সুপ্রিম’ বার্তা

    Supreme Court: ‘বিবাহ পবিত্র বন্ধন, টাকা রোজগারের মাধ্যম নয়’, খোরপোশ মামলায় ‘সুপ্রিম’ বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোরপোশ মামলায় কড়া বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। দেশে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে। বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় খোরপোশ দেওয়া নিয়ে আদালত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। সম্প্রতি, বেঙ্গালুরুর আইটি কর্মী অতুল সুভাষের আত্মহত্যার ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য পেশ করেছে বিবাহ বিচ্ছেদকে ঘিরে এবং বিচ্ছেদ-পরবর্তী পর্বে প্রাক্তন স্ত্রীর খোরপোশ দাবিকে কেন্দ্র করে। এমনই একটি বিচ্ছেদের মামলা চলাকালীন শীর্ষ আদালত মন্তব্য করে যে নারী কল্যাণের জন্য নির্মিত আইনের সুযোগ নিয়ে স্বামীর কাছ থেকে তোলাবাজি করা যাবে না। আইন কখনই টাকা লুট, তোলাবাজি কিংবা হেনস্থা করার জন্য তৈরি করা হয়নি।

    কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট ?(Supreme Court)

    মূলত একটি বিশেষ মামলার সাপেক্ষে এই পর্যবেক্ষণ জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। সেই মামলায় (Supreme Court) এক মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদের পরে তাঁর প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে ৫০০ কোটি টাকার খোরপোশ দাবি করেন। মহিলা জানিয়েছেন যে তাঁর স্বামীর মার্কিন মুলুকে এবং ভারতে ব্যবসায়িক মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। আর তিনি নাকি তাঁর আগের স্ত্রীকেও খোরপোশ হিসেবে ৫০০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। তাই তাঁকে খোরপোশ হিসেবে সমপরিমাণ অর্থ দিতে হবে। কিন্তু শীর্ষ আদালত এই মামলা বিচার বিবেচনা করে জানিয়েছেন যে সেই ব্যক্তিকে মোট ১২ কোটি টাকা খোরপোশ হিসেবে দিতে হবে তাঁর প্রাক্তন স্ত্রীকে। এই প্রসঙ্গেই শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বিভি নাগারত্ন এবং পঙ্কজ মিত্তলের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, বিবাহ হল হিন্দু মতে একটি পবিত্র বন্ধন। এটি কোনও টাকা রোজগারের মাধ্যম নয়। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, খোরপোশের দাবি বিচারের সময় স্বামীর সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রীর আয়, তাঁর প্রয়োজনীয়তা, বসবাসের অধিকারের মতো বিষয়গুলিও একইভাবে দেখতে হবে। অনেকে স্বামীর আয়, সম্পত্তি উল্লেখ করে তাঁর সম্পদের সমতুল সম্পদ লাভের জন্য খোরপোশের অঙ্ক স্থির করেন। তা নিয়ে আদালতের গুরুতর আপত্তি আছে। বাড়তি টাকার দাবি মেটাতে স্বামী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করাও গ্রহণযোগ্য হবে না।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভাষা নিয়ে আরও সংযত হোন’’, মানচিত্র বিতর্কে বাংলাদেশকে সতর্ক করল দিল্লি

    আদালতের দ্বারস্থ হন মৃত আইটি কর্মীর মা

    কিছুদিন আগেই বেঙ্গালুরুতে নিজের বাড়িতেই আত্মহত্যা করেছেন আইটি কর্মী অতুল সুভাষ। মৃত্যুর আগে ভিডিও বার্তায় এবং সুইসাইড নোটে লিখে গিয়েছিলেন স্ত্রী নিকিতা সিঙ্ঘানিয়া এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের অত্যাচারের কথা, হেনস্থার কথা। ৩ কোটি টাকা বাড়তি চেয়েছিল নিকিতার পরিবার। এছাড়া বিচ্ছেদের পর থেকে মাসে ৪০ হাজার টাকা করে খোরপোশ দিয়ে আসছিলেন অতুল। কিন্তু তারপরেও চলতে থাকে হেনস্থা। বিচার চেয়ে সম্প্রতি অতুল সুভাষের মা শীর্ষ আদালতে (Supreme Court)আবেদন করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind kejriwal: আবগারি মামলায় কেজরির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালাতে অনুমতি দিল্লির উপ-রাজ্যপালের

    Arvind kejriwal: আবগারি মামলায় কেজরির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালাতে অনুমতি দিল্লির উপ-রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি মামলায় (Excise Case) কেজরিওয়ালের (Arvind kejriwal) বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে ইডি। এবার এই মর্মে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে অনুমতি দিলেন উপ-রাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনা। উল্লেখ্য আগেই দুর্নীতি মামলায় জেল গিয়েছিলেন এই আপ প্রধান নেতা, বর্তমানে শর্তসাপেক্ষে জামিনে রয়েছেন। এদিকে সামনেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন, ফলে আসন্ন নির্বাচনের আগে তাঁর যে আরও অস্বস্তি বাড়ল তা রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন।

    বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে (Arvind kejriwal)

    কেজরিওয়ালের মামলায় গত ৬ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশিকা দিয়েছিল তার ভিত্তিত্বে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় (Excise Case) বিচারের অনুমতি চেয়ে দিল্লির উপ-রাজ্যপালের কাছে আবেদন জানিয়েছিল ইডি। গত ৫ ডিসেম্বর সেই আবেদনের পর শনিবার অনুমোদন দিলেন সাক্সেনা। সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, কোনও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অনুমতি ছাড়া আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা যায় না। যদিও আগে ইডির কোনও মামলায় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের সম্মতির প্রয়োজন হত না। সিবিআই বা রাজ্য পুলিশের ক্ষেত্রে সেই সম্মতি দরকার হতো। সুপ্রিম-নির্দেশের পর ইডির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম কার্যকর হয়।

    আরও পড়ুনঃ মোদি নন, তাঁর ‘প্রতিপক্ষ’ ইন্ডি-নেতারাই! অস্তিত্বের সঙ্কট থেকেই কি আগ্রাসী রাহুল?

    দিল্লি বিধানসভার আগে আরও অস্বস্তিতে কেজরিওয়াল

    আবগারি মামালায় ইডির সপ্তম অতিরিক্ত চার্জশিটের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন কেজরিওয়াল (Arvind kejriwal)। নিম্ন আদালতের নির্দেশ খারিজ করার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। তাঁর অবশ্য যুক্তি ছিল, জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য আগে থেকে সরকারের অনুমতি নিতে হয়। যা ইডি নেয়নি বলে তাঁর অভিযোগ ছিল। যদিও আবগারি মামলায় গত জুলাই মাসে ২০০ পাতার চার্জশিটে আদালতে জমা দিয়েছিল ইডি। তাতে কেজরিওয়াল এবং দিল্লির শাসকদল আপকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। নিম্ন আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, কেজরিওয়ালের (Excise Case) বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার মতো যথেষ্ট তথ্য চার্জশিটে আছে। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

    গত ২১ মার্চ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। একই মামলায় সিবিআই তাঁকে ২৬ জুন শোন অ্যারেস্ট করে। এই দুই ক্ষেত্রে জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। এরপর জেল থেকে বের হয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন এবং পদে শপথ নেন আতিশী মার্লেনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Robin Uthappa: পিএফের টাকা আত্মসাৎ! প্রাক্তন ক্রিকেটার রবিন উথাপ্পার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    Robin Uthappa: পিএফের টাকা আত্মসাৎ! প্রাক্তন ক্রিকেটার রবিন উথাপ্পার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন ভারতীয় তথা প্রাক্তন কেকেআর ক্রিকেটার (Former Cricketer) রবিন উথাপ্পার (Robin Uthappa) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হল। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিজের সংস্থার কর্মীদের বেতন থেকে টাকা কাটলেও কর্মচারী ভবিষ্যনিধি তহবিলে (এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড) জমা দেননি। বিষয়টি জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কত টাকার প্রতারাণার অভিযোগ? (Robin Uthappa)

    জানা গিয়েছে, উথাপ্পার (Robin Uthappa) একটি পোশাক তৈরির সংস্থা রয়েছে। সেই সংস্থার বিরুদ্ধে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডে তহবিলে টাকা জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বকেয়ার পরিমাণ ২৩ লক্ষ ৩৬ হাজার ৬০২ টাকা। সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উথাপ্পাকে। না হলে তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে। গত ৪ ডিসেম্বর উথাপ্পার বিরুদ্ধে গ্রফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আঞ্চলিক পিএফ কমিশনার সদাক্ষরী গোপাল রেড্ডি। তিনি জানিয়েছেন, উথাপ্পার সংস্থার বিপুল অর্থ বকেয়া থাকায় সংস্থার কর্মীদের তহবিলের হিসেবের কাজ আটকে রয়েছে। যা গ্রাহণযোগ্য নয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভাষা নিয়ে আরও সংযত হোন’’, মানচিত্র বিতর্কে বাংলাদেশকে সতর্ক করল দিল্লি

    কোথায় রয়েছেন উথাপ্পা?

    পিএফ কমিশনার রেড্ডি কর্নাটকের পুলকেশিনগরের পুলিশকে উথাপ্পার (Robin Uthappa) বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ করার অনুরোধ করেন। তবে, গত ৪ ডিসেম্বরের পরোয়ানাটি পুলিশ পিএফ কমিশনারকে ফেরত দিয়েছেন। কারণ, উথাপ্পাকে পুলকেশিনগরের বাড়িতে পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, প্রাক্তন ভারতীয় তথা প্রাক্তন কেকেআর ক্রিকেটার বর্তমানে সপরিবার দুবাইয়ে বসবাস করেন। বছরের অধিকাংশ সময় তিনি সেখানেই থাকেন। জানা গিয়েছে, দেশের হয়ে ৪৬টি এক দিনের ম্যাচ এবং ১৩টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন উথাপ্পা। ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত কলকাত নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন আইপিএল। রাজস্থান রয়্যালস, চেন্নাই সুপার কিংস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং পুণে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়ার হয়েও আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে প্রাক্তন মিডল অর্ডার ব্যাটারের। ৩৯ বছরের প্রাক্তন ক্রিকেটারের কোনও প্রতিক্রিয়া এ ব্যাপারে পাওয়া যায়নি। কর্মীদের বেতন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেটে নেওয়া পরও কেন তা সময় মতো কর্মচারী ভবিষ্যনিধি তহবিলে জমা করা হয়নি, তারও কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি তাঁর সংস্থার তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sambhal: সম্ভলের পাঁচটি মন্দির ও ১৯টি কূপ পরিদর্শন করল এএসআই, তালিকায় রয়েছে শিব-হনুমান মন্দিরও

    Sambhal: সম্ভলের পাঁচটি মন্দির ও ১৯টি কূপ পরিদর্শন করল এএসআই, তালিকায় রয়েছে শিব-হনুমান মন্দিরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে (Sambhal) আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে পাঁচটি মন্দির এবং ১৯টি কূপ পরিদর্শন করা হয়েছে। তার মধ্যে মুসলিম এলাকায় মাটির নিচে পুঁতে রাখা শিব-হনুমান মন্দিরও ছিল। প্রসঙ্গত, এই মন্দির উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছিল এক অদ্ভূত ভাবে। এলাকায় ব্যাপক ভাবে বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগ আসছিল। পুলিশ চুরি ঠেকাতে অভিযানে নামলে উদ্ধার হয় এই শিব-হনুমান (Shiva-Hanuman temple) মূর্তি। মন্দিরের জায়গাকে অবৈধ ভাবে দখল করে নেয় স্থানীয় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছিল দেশজুড়ে।

    লাগাতার ৮-১০ ঘণ্টা ধরে পরিদর্শনের কাজ (Sambhal)

    সম্ভল জেলার জেলা শাসক রাজেন্দর পেনসিয়া বলেন, “আমরা লাগাতার ৮-১০ ঘণ্টা ধরে এক একটি তীর্থস্থান বা মন্দিরে সমীক্ষা করেছি। মোট ২৪টি এলাকায় এই সমীক্ষা এবং জরিপের কাজ চলেছে। এই তালিকায় রয়েছে ভদ্রক আশ্রম, স্বর্গদীপ, চক্রপানি এবং প্রাচীন শ্মশান মন্দির। একইভাবে এএসআই দলটি ১৯টি প্রাচীন কূপের অবস্থান এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে বিশদ ভাবে গবেষণা করেছে। যে মন্দিরটিকে খোলা হয়েছে সেই মন্দিরটিকেও জরিপ করা হয়। সমস্ত রিপোর্ট ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের কাছে জমা করা হবে। তবে এই পরিদর্শন বা সমীক্ষায় সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ছিল না।”

    আরও পড়ুনঃ মুর্শিদাবাদে ধৃত দুই জঙ্গি মণিরুল-আব্বাস কী কাজ করত? চালচলন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

    ১৭৭৮ সাল থেকে বন্ধ থাকা মন্দিরটি

    উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর সম্ভলের (Sambhal) মুসলিম এলাকা থেকে পুলিশ এবং জেলা প্রশাসন একটি দখলকৃত শিব-হনুমানের (Shiva-Hanuman temple) মন্দির উদ্ধার করে। এরপর গত ২০ ডিসেম্বর সকালে ওই মন্দির চত্বর পরিমার্জন করে পুজো, আরাধনা, আরতি করা হয়। এই মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের তফশিলি জাতি এবং তফশিলি উপজাতি কমিশনের প্রাক্তন সদস্য এবং বিজেপি নেত্রী গীতা প্রধান। তিনি বলেন, “আমরা খুব খুশি। মাননীয় যোগীজির প্রচেষ্টায় প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি প্রাচীন মন্দির পুনঃআবিষ্কৃত হয়েছে। মন্দিরের বাইরে অনেক মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল, যার সবগুলি ভেঙে ফেলা হয়েছিল এবং মন্দিরের জমিতে বাড়ি তৈরি করা হয়েছিল। যখন পুলিশ প্রশাসন বিদ্যুৎ চুরির তদন্ত করতে এসেছিল, তারা প্রাচীন মন্দিরটি খুঁজে পেয়েছিল। আজ হিন্দু সম্প্রদায় খুব খুশি।” ১৯৭৮ সাল থেকে বন্ধ থাকা মন্দিরটি প্রশাসনের চেষ্টায় ১৪ ডিসেম্বর পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share