Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bima Sakhi Yojana: চালু করেছেন মোদি, এলআইসি বিমা সখী যোজনায় কীভাবে আবেদন করবেন?

    Bima Sakhi Yojana: চালু করেছেন মোদি, এলআইসি বিমা সখী যোজনায় কীভাবে আবেদন করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলআইসি (LIC) বিমা সখী যোজনা (Bima Sakhi Yojana) চালু হয়েছে। মহিলারা মাসিক ৭০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পেবেন। এই বিমা যোজনায় মহিলারা বিমা এজেন্ট হওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের নারী সমাজকে আরও সশক্ত করতে এই বিমা যোজনার পরিকল্পনা করেছেন। বিমাতে কীভাবে আবেদন করতে পারবেন জেনে নিন।

    কন্যাদের ক্ষমতায়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Bima Sakhi Yojana)

    বিমা সম্পর্কে নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আমরা সারা দেশে মা, বোন এবং কন্যাদের ক্ষমতায়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই কর্মসূচির অংশ হিসাবে, মহিলারা বিমা এজেন্ট (বিমা সখী) হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং প্রতি মাসে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাবেন। বিমা সখী যোজনার (LIC) প্রধান উদ্দেশ্য হল গ্রামীণ মহিলাদের কাজের সুযোগ এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।’’

    আরও পড়ুনঃ “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    বীমা সখী যোজনায় কী রয়েছে?

    এই বিমা সখী যোজনা হল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশন-এর একটি প্রধান প্রকল্প (Bima Sakhi Yojana)। এই প্রকল্প ১৮ থেকে ৭০ বছর বয়সি মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে তাঁদের ন্যূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা দশম শ্রেণি উত্তীর্ণ হতে হবে। মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিতে তাঁদের আর্থিক বোঝাপড়াকে বাড়ানো হবে। সেই সঙ্গে কীভাবে বিমার গুরুত্ব বুঝতে হবে তাও বলা হবে। তিন বছর কাজ করার পর এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করা হবে।

    আবেদনকারীদের মানতে হবে এই শর্ত। যথা-

    ১>শুধুমাত্র মহিলা প্রার্থীরা বিমা সখী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারেন।

    ২>মহিলা প্রার্থীদের কমপক্ষে দশম শ্রেণি পাস করতে হবে।

    ৩>তাঁদের বয়স ১৮ এবং ৭০ হতে হবে।

    ৪>তিন বছরের প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর, তারা এলআইসি এজেন্ট হয়ে যাবেন এবং এলআইসির নিয়মিত কর্মচারী হবেন।

    ৫>স্কিমের সাফল্য নিশ্চিত করতে নির্বাচিত প্রার্থীদের বার্ষিক কর্মক্ষমতা লক্ষ্য পূরণ করতে হবে।

    বিমা সখী স্কিমে (LIC) অংশগ্রহণকারী মহিলারা তিন বছরের প্রশিক্ষণের সময় মোট ২ লাখ টাকার আর্থিক সুবিধা পাবেন। প্রথম বছর প্রতি মাসে ৭০০০ টাকা, দ্বিতীয় বছর প্রতি মাসে ৬০০০ টাকা এবং তৃতীয় বছর প্রতি মাসে ৫০০০ টাকা করে পাবেন।

    বীমার জন্য কীভাবে আবেদন করবেন (Bima Sakhi Yojana)?

    ১>প্রথমে আপনাকে এলআইসি ইন্ডিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

    ২>হোম পেজের নীচে ‘বিমা সখীর জন্য এখানে ক্লিক করুন’ বিকল্পে ক্লিক করতে হবে।

    ৩>এই পাতায় আপনাকে নাম, জন্ম তারিখ, মোবাইল নম্বর, ইমেল আইডি এবং ঠিকানা সহ আপনার বিবরণ পূরণ করতে হবে।

    ৪>কোনও এলআইসি এজেন্ট, ডেভেলপমেন্ট অফিসার, কর্মচারী, বা মেডিক্যাল পরীক্ষক যুক্ত হলে তাঁদের বিশদ বিবরণ দিতে হবে।

    ৫>তারপর, ক্যাপচা কোড লিখে এবং ‘জমা’ বোতামে ক্লিক করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Skills Report: মোদি জমানায় ভারতের স্নাতকদের মধ্যে বেড়েছে কর্মসংস্থানের উপযোগিতা, বলছে রিপোর্ট

    India Skills Report: মোদি জমানায় ভারতের স্নাতকদের মধ্যে বেড়েছে কর্মসংস্থানের উপযোগিতা, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় আরও এক সাফল্যের খবর। ভারতের স্নাতকদের মধ্যে কর্মসংস্থানের উপযোগিতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। জানিয়েছে ‘ইন্ডিয়া স্কিলস রিপোর্ট’ (India Skills Report)। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫  সালে কর্মসংস্থানের উপযোগিতা পৌঁছেছে ৫৪.৮১ শতাংশে। গত বছর এই হার ছিল ৫১.২৫ শতাংশ। এই তথ্য মিলেছে ২০২৪ সালে পরিচালিত গ্লোবাল এমপ্লয়েবিলিটি টেস্ট থেকে।

    ইন্ডিয়া স্কিলস রিপোর্ট (India Skills Report)

    ইন্ডিয়া স্কিলস রিপোর্টের প্রধান আহ্বায়ক এবং হুইবক্স-এর সিইও নির্মল সিং বলেন, ‘‘এই দশকটি আন্তর্জাতিক দক্ষতা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ভারতের জন্য একটি নেতৃত্বের যুগ। এই দশকে গুণগত দক্ষতা প্রশিক্ষণে মনোযোগ দেওয়া উচিত। এটাই আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের জন্য বিশাল পার্থক্য গড়ে তুলবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘দীর্ঘমেয়াদি ও আন্তর্জাতিকভাবে সার্টিফায়েড দক্ষতা প্রোগ্রাম, যেখানে ভাষা প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে, প্রাথমিক কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করার ক্ষেত্রে একটি সফল পন্থা হবে। দক্ষ এবং সার্টিফায়েড ভারতীয় কর্মশক্তি দেশের জন্য একটি অনন্য সুবিধা ও প্রভাব বিস্তার করে।’’

    কর্মসংস্থানযোগ্যতা ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে

    জানা গিয়েছে, রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ৬.৫ লাখেরও বেশি প্রার্থীর কাছ থেকে সংগৃহীত গেট পরীক্ষার ডেটা এবং ১৫টি শিল্প খাত জুড়ে এক হাজারের বেশি পুরসভার তথ্যের ওপর ভিত্তি করে (India Skills Report)। গত এক দশকে, ভারতীয় স্নাতকদের কর্মসংস্থান-যোগ্যতা ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে এই হার ছিল ৩৩ শতাংশ। সেটাই বেড়ে হয়েছে ৫০ শতাংশেরও বেশি।

    আরও পড়ুন: ‘‘ইউনূস সরকার আইএস, তালিবান এবং হামাসের একটি সংস্করণ’’, উৎখাতের ডাক শুভেন্দুর

    ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, উদীয়মান বিভিন্ন প্রযুক্তি যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ক্লাউড কম্পিউটিং এবং অটোমেশন ঠিক কীভাবে চাকরির ভূমিকা পুনর্গঠন করছে এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে, তাও। ডিজিটাল নোমাডিজম এবং হাইব্রিড ওয়ার্ক মডেল ভারতীয় দক্ষতাকে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই বৈশ্বিক কর্মশক্তিতে অবদান রাখতে সাহায্য করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ট্রেন্ড ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবদান রাখতে পারে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ভারত।

    ভারতের বৈচিত্র্যময় প্রতিভার ভান্ডার তথ্য প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে একে একটি বৈশ্বিক নেতা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যখন পুনর্বব্যহারযোগ্য শক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবোটিক্সে দক্ষতা ক্রমাগত বাড়ছে, তখনই ভারত প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বৈশ্বিক নেতা হিসেবে (India Skills Report)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • VVPAT EVM Mismatch Row: মহারাষ্ট্রে প্রদত্ত ভোটের সঙ্গে ভিভিপ্যাট স্লিপের গণনায় কোনও অমিল নেই, জানাল কমিশন

    VVPAT EVM Mismatch Row: মহারাষ্ট্রে প্রদত্ত ভোটের সঙ্গে ভিভিপ্যাট স্লিপের গণনায় কোনও অমিল নেই, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মুখ পুড়ল বিরোধীদের! মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিল, গত মাসে মহারাষ্ট্র (Maharashtra) বিধানসভা নির্বাচনে প্রদত্ত ভোট ও ভিভিপ্যাট স্লিপের (VVPAT EVM Mismatch Row) র‍্যান্ডম গণনার মধ্যে কোনও অমিল পাওয়া যায়নি।

    কী বলল নির্বাচন কমিশন (VVPAT EVM Mismatch Row)

    এক বিবৃতিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে র‍্যান্ডমভাবে নির্বাচিত পাঁচটি ভোট কেন্দ্রের ভিভিপ্যাট স্লিপের গণনা শেষ হয়েছে সফলভাবে। গত ২০ নভেম্বর হয় মহারাষ্ট্র বিধানসভার নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয় বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট (মহারাষ্ট্রে যা মহাযুতি নামে পরিচিত)। তার পরেই নির্বাচন কমিশনের কাছে শাসক বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোটের বিরুদ্ধে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ তোলে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি।

    ভিভিপ্যাট স্লিপ গণনা

    ভিভিপ্যাট স্লিপের গণনার উদ্দেশ্য হল ইভিএমে রেকর্ড হওয়া ভোটের সংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট ভিভিপ্যাট স্লিপগুলির সংখ্যা যাচাই করা (VVPAT EVM Mismatch Row)। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গণনার সময় পুরো পর্বটা জুড়ে উপস্থিত ছিলেন প্রার্থীরা। মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮টি। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এবার যাচাই করা হয়েছে মোট ১ হাজার ৪৪০টি ভিভিপ্যাট মেশিন। প্রার্থীর প্রতিনিধিরা এবং নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকরা এলোমেলোভাবে নির্বাচনী কেন্দ্রগুলির ভিভিপ্যাট মেশিন বেছে নিয়েছিলেন। কমিশন জানিয়েছে, প্রার্থীর ভিত্তিতে ইভিএমে রেকর্ড হওয়া ভোটের সংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট ভিভিপ্যাট স্লিপের গণনার মধ্যে কোনও অমিল পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: ‘‘ইউনূস সরকার আইএস, তালিবান এবং হামাসের একটি সংস্করণ’’, উৎখাতের ডাক শুভেন্দুর

    কমিশনের তরফে এও জানানো হয়েছে, প্রতিটি গণনা কেন্দ্রেই বিশেষ ঘেরা জায়গা তৈরি করা হয়েছিল। পুরো প্রক্রিয়াটি সিসিটিভিতে রেকর্ড করা হয়েছিল। এই সিসিটিভির ফুটেজও সংরক্ষিত করা হয়েছে।কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের পাঁচটি ভোটকেন্দ্রের ভিভিপ্যাট স্লিপ গণনা বাধ্যতামূলক। কমিশন জানিয়েছে, এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত গণনা প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ বলে গণ্য হবে। কাউকেই বিজয়ী ঘোষণা করা যাবে না। প্রসঙ্গত, ২৮৮টি আসনের (Maharashtra) মধ্যে ২৩০টিতে জয়ী হয়েছেন মহাযুতির প্রার্থীরা (VVPAT EVM Mismatch Row)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: বড় খবর! ইসরো গগনযানের মানবহীন ফ্লাইট চলতি বছরের শেষেই, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    ISRO: বড় খবর! ইসরো গগনযানের মানবহীন ফ্লাইট চলতি বছরের শেষেই, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের উচ্চাভিলাষী গণনযান (Gaganyaan) মিশন নিয়ে বড় খবর সামনে এল। চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রথম আনক্রুড বা মানববিহীন ফ্লাইট মহাকাশে পাঠাবে ইসরো ইসরো (ISRO)। ২০২৬ সালের মধ্যে মানুষ পাঠিয়ে নিরাপদে মহাকাশ ভ্রমণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। একই ভাবে গগনযান মিশনের অধীনে প্রোপালশন সিস্টেম, ক্রু এস্কেপ মেকানিজম এবং অরবিটাল মডিউল ইন্টিগ্রেশনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা জানা গিয়েছে।

    প্রশিক্ষণের তিনটি স্তরের মধ্যে দুটি পর্ব সম্পন্ন (ISRO)

    কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং সংসদে একটি প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, প্রথম ক্রুড বা মানব মিশন (Gaganyaan) ২০২৬-এর চতুর্থ মাসে সম্পন্ন হবে (ISRO)। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রথম আনক্রুড মিশনটি ২০২৪ সালের শেষে সম্পন্ন করার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। পরবর্তী মিশনগুলি ২০২৫ সালের তৃতীয় মাসে এবং ২০২৬ সালের প্রথম মাসে লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, “মানব যাত্রার লঞ্চ ভেহিকলের সমস্ত প্রোপালশন সিস্টেম শ্রীহরিকোটায় পৌঁছেছে। একই ভাবে মিশনের জন্য ক্রু এস্কেপ সিস্টেম লঞ্চ কমপ্লেক্সে পৌঁছেছে। এই মহাকাশচারীদের প্রশিক্ষণের তিনটি স্তরের মধ্যে দুটি পর্ব সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ধরা পড়বে না শত্রু-রেডারে, ভারতীয় সেনার অস্ত্রাগারে যুক্ত হল ‘খড়্গ’ আত্মঘাতী ড্রোন

    মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার পরীক্ষণের কাজ শেষ

    ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO) তার এলভিএম-৩ লঞ্চ ভেহিকলে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার পরীক্ষণের কাজ শেষ করেছে। এই পরীক্ষা এবং পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল নিরাপদে মানুষের যাত্রাকে নিশ্চিত করা। এই কাজে মূলত তিনটি ধাপ রয়েছে। কঠিন, তরল এবং ক্রায়োজেনিক জ্বালানি ব্যবহার করে। ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের ফ্লাইট মক-আপ ফিলিং ট্রায়ালও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    আবার ক্রু এস্কেপ সিস্টেম হল জরুরি পরিস্থিতিতে মডিউল থেকে মহাকাশচারীদের (Gaganyaan) বের হওয়ার বিশেষ পদ্ধতি। এর আগে, এককভাবে ১৭ কিমি উচ্চতায় পরীক্ষা করা হয়েছিল। প্রথম মানববিহীন রকেট প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া, মানব অভিযানের আরবিট মডিউল, ক্রু-মডিউল, সার্ভিস মডিউলের কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। একই ভাবে স্থলভাগের সহায়তার জন্য ইসরো ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ)-এর সঙ্গেও যৌথ ভাবে কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kharga Kamikaze: ধরা পড়বে না শত্রু-রেডারে, ভারতীয় সেনার অস্ত্রাগারে যুক্ত হল ‘খড়্গ’ আত্মঘাতী ড্রোন

    Kharga Kamikaze: ধরা পড়বে না শত্রু-রেডারে, ভারতীয় সেনার অস্ত্রাগারে যুক্ত হল ‘খড়্গ’ আত্মঘাতী ড্রোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিস্ফোরকবোঝাই ‘আত্মঘাতী’ মানববিহীন ড্রোন ‘খড়্গ’ হাতে পেল ভারতীয় সেনা। গত কয়েক বছর ধরে ড্রোন-শক্তি বাড়িয়ে চলেছে ভারত। সেই পথের নবতম সংযোজন হল ‘খড়্গ’। বিস্ফোরকবোঝাই এই ‘কমিকাজে’ (আত্মঘাতী) উড়ুক্কু যানটি তৈরি করেছে সেনাই। রেডারের নজরদারিকে ফাঁকি দিয়ে শত্রু শিবিরে আঘাত হানতে পারবে এই ড্রোন। অত্যন্ত হালকা ওজনের হলেও, এই ড্রোনের মারণ ক্ষমতা ভয়াবহ। মাত্র ৩০ হাজার টাকায় এই ধরনের এক-একটি ড্রোন তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনা।

    কামিকাজে ড্রোন কী?

    জাপানি শব্দ ‘কামিকাজে’র অর্থ হল ‘ঐশ্বরিক বাতাস’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে আত্মঘাতী জাপানি যুদ্ধবিমানের পাইলটদের বলা হত কামিকাজে। বর্তমানে আত্মঘাতী হামলা চালাতে সক্ষম ড্রোনগুলির দুনিয়া জুড়ে এই ধরনের নামকরণ করা হয়েছে। চিন, রাশিয়া, ইজরায়েল থেকে শুরু করে ইরান ও তুরস্কের মতো দেশের হাতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে এই কমিকাজে ড্রোন। ভারতীয় সেনার অস্ত্রাগারে জায়গা পাওয়া খড়্গ আত্মঘাতী ড্রোনটি যে শত্রু শিবিরে রাতের ঘুম উড়িয়ে দিতে পারে, তা বলাই বাহুল্য। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, জম্মু ও কাশ্মীরে যেভাবে নতুন করে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তা সামাল দিতে অত্যন্ত কার্যকর হয়ে উঠতে পারে এই ড্রোন। দুর্ভেদ্য জঙ্গলে জঙ্গিদের খুঁজে বের করা তো বটেই, চুপিসাড়ে তাদের উপর হামলা চালিয়ে নিকেশ করতে পারবে ড্রোনটি।

    ‘খড়্গ’-এর শক্তি

    কম ওজনের উচ্চগতির এই ড্রোনে রয়েছে জিপিএস নেভিগেশন সিস্টেম এবং অত্যন্ত শক্তিশালী ক্যামেরা। রণাঙ্গন থেকে অনেক দূরে বসে এই দুয়ের সাহায্য শত্রুকে চিহ্নিত করে তার উপর নিখুঁত নিশানায় হামলা করতে পারবে সেনা। একে নজরদারি এবং প্রত্যাঘাত— দু’ধরনের কাজেই ব্যবহার করা যাবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, সেকেন্ডে ৪০ মিটার গতিতে ছুটতে পারে ‘খড়্গ’। ৭০০ গ্রাম বিস্ফোরক নিয়ে ওড়ার ক্ষমতা রয়েছে এই ড্রোনের। দেড় কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে এক ঝটকায় উড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে খড়্গের জুড়ি মেলা ভার। ড্রোনটি ওজনে হালকা হাওয়ায় খুব সহজেই এটিকে ওড়াতে পারবেন সৈনিকেরা। ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি থেকে শত্রুর উপর হামলা চালাবে এটি। যদি কোনও এলাকায় ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম জ্যামিং থাকে তবে তা ভেদ করে উড়ে যেতে সক্ষম এটি।

    সম্প্রতি রাজস্থানের মহাজন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে দু’দিনের মহড়ায় শক্তি প্রদর্শন করে এই ড্রোন। মহড়াটির নামও রাখা হয়েছিল ‘খড়্গ শক্তি’। মহড়া শেষে ভারতীয় সেনার ‘ড্রোন ফৌজি’-দের সঙ্গে কথা বলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল পুষ্কর। এই সৈনিকমণ্ডলীর নাম দেওয়া হয়েছে ‘খড়্গ কোর’। লেফটেন্যান্ট জেনারেল পুষ্কর তাঁদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বহুল পরিমাণে খড়্গের মতো কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindus in Bangladesh: ‘‘আরও দৃঢ় পদক্ষেপ করুক ভারত সরকার’’, বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতন রোধে বার্তা আরএসএসের

    Hindus in Bangladesh: ‘‘আরও দৃঢ় পদক্ষেপ করুক ভারত সরকার’’, বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতন রোধে বার্তা আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus in Bangladesh) উপর নির্যাতন রোধ করার জন্য ভারত সরকারের ‘‘আরও দৃঢ় পদক্ষেপ’’ গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) নেতা সুনীল অম্বেকর। পদ্মাপাড়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা ক্রমশই বেড়ে চলেছে। এই নির্যাতন বন্ধ করতে ভারত সরকারের অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা উচিত বলেও মত সঙ্ঘের সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখের।

    আরও সক্রিয় পদক্ষেপের আশা

    মঙ্গলবার নাগপুরে ‘সকল হিন্দু সমাজ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত একটি সভায় সুনীল বলেন, ‘‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ প্রতিরোধে ভারত সরকারকে আরও সক্রিয় হতে হবে। বাংলাদেশে যা ঘটছে তা প্রতিটি হিন্দুর মনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। বাংলাদেশ (Hindus in Bangladesh) সরকারকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘটে চলা নির্যাতন বন্ধ করতে হবে এবং দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। ভারত সরকারকে এই ধরনের নির্যাতন বন্ধ করতে অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে কথা বলতে হবে। যে কোনও মূল্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত সিরিয়া, বিশেষ বিমানে দেশে ফেরানো হচ্ছে ৭৫ ভারতীয়কে

    বাংলাদেশের হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ

    অম্বেকর আশা প্রকাশ করেন যে, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রির বাংলাদেশ সফর নিশ্চয় কোনও সমাধান সূত্র বার করবে। তবে, যদি এর মাধ্যমে কোনও ইতিবাচক ফল পাওয়া না যায়, তাহলে ভারতকে অন্য কোনও পথ খুঁজে বের করতে হবে বলে মনে করেন তিনি। তাঁর দাবি, ‘‘বিশ্বের কিছু শক্তি বাংলাদেশে (Hindus in Bangladesh) অশান্তি সৃষ্টি করছে। আমাদের এসব শক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে, যাতে হিন্দুদের প্রতি এ ধরনের অত্যাচার বন্ধ হয়, শুধু আমাদের দেশে নয়, অন্যান্য দেশেও।’’ বাংলাদেশে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতার এবং তাঁর আইনজীবীর ওপর হামলার প্রসঙ্গে অম্বেকর বলেন, ‘‘এই ঘটনা নির্যাতনের সীমা অতিক্রম করেছে।’’ এই আবহে বাংলাদেশি হিন্দুদের মনোভাবের প্রশংসা করেছেন সুনীল। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের হিন্দুরা একটি অনুপ্রেরণাদায়ক বার্তা দিয়েছেন যে, তাঁরা পালিয়ে যাচ্ছেন না, বরং ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lalu Prasad Yadav: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    Lalu Prasad Yadav: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উনি তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন।” বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সম্পর্কে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব (Lalu Prasad Yadav)। তাঁর এহেন মন্তব্যের জেরে তুঙ্গে বিতর্ক। জনতা দল ইউনাইটেডের দাবি, লালুর এমনতর মন্তব্য যৌনগন্ধীসুলভ এবং মহিলাদের (Mahila Samvad Yatra) প্রতি কুরুচিকর এবং অসম্মানজনক।

    ‘মহিলা সংবাদ যাত্রা’ (Lalu Prasad Yadav)

    ঘটনার সূত্রপাত নীতীশের একটি কর্মসূচিকে ঘিরে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে বিহারে শুরু হচ্ছে ‘মহিলা সংবাদ যাত্রা’। এই যাত্রার লক্ষ্য হল, মহিলাদের সমস্যার কথা সরাসরি শোনা এবং শাসন ব্যবস্থায় তাঁদের অংশগ্রহণ বাড়ানো। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশের এহেন উদ্যোগকে কটাক্ষ করতে গিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন লালু। তিনি বলেন, “আঁখ সেঁকনে যা রহে হ্যায়…।” বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, “উনি চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন।” লালুর মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন জনতা দল ইউনাইটেডের নেতা রাজীব রঞ্জন। তাঁর কথায়, “লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) এই মন্তব্য ওঁর গোঁড়া মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।” বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী বলেন, “অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য। লালুজি মানসিক ও শারীরিকভাবে অবনতির দিকে এগোচ্ছেন। ওঁর হাসপাতালে যাওয়া উচিত।”

    আরও পড়ুন: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার! ইউনূসকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ কৈলাস সত্যার্থীর

    কী বলছে বিজেপি

    লালুর মন্তব্যকে ধিক্কার জানিয়েছে বিহার বিজেপিও। পদ্ম-পার্টির বিহার রাজ্য সভাপতি দিলীপ জয়সওয়াল বলেন, “লালু যাদব মহিলাদের অসম্মান করেছেন। তাঁর মানসিকতা কেমন, তা এতেই স্পষ্ট।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির গিরিরাজ সিংয়ের প্রতিক্রিয়া, “ছি!, ছি! অত্যন্ত লজ্জাজনক। কেবলমাত্র লালু প্রসাদ যাদবের মতো মানুষই এমন মন্তব্য করতে পারেন। উনি খুব স্বার্থপর মানুষ।” তিনি বলেন, “ওঁর গোটা জীবনটাই কালিমালিপ্ত।” শিবসেনা সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী বলেন, “এটি একেবারেই যৌনতাবাদী মন্তব্য। লালু যাদবের নিজের পরিবারের উচিত তাঁকে (Mahila Samvad Yatra) এই ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত রাখা (Lalu Prasad Yadav)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভ মেলায় আধ্যাত্মিক পরিবেশ গড়ে তুলতে মন্ত্রপাঠ করবেন ২০ হাজার বৈদিক পণ্ডিত

    Mahakumbh 2025: মহাকুম্ভ মেলায় আধ্যাত্মিক পরিবেশ গড়ে তুলতে মন্ত্রপাঠ করবেন ২০ হাজার বৈদিক পণ্ডিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মহাকুম্ভ মেলায় (Mahakumbh 2025) আধ্যাত্মিক পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে ২০ হাজার বৈদিক পণ্ডিতদের (Vedic Brahmin) অংশগ্রহণ থাকবে। এই মেলায় এই বিপুল সংখ্যক বৈদিক ব্রাহ্মণদের সমবেত স্তোত্র পাঠ করানো হবে। মেলায় একাধিক শিবির থেকে মেলার পবিত্রতাকে আরও আকর্ষণীয় করা হবে। মূলত এই বৈদিক পণ্ডিতরা ভারতীয় সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করবেন। জানা গিয়েছে, প্রয়াগরাজে মহর্ষি সন্দীপনি রাষ্ট্রীয় বেদ সংস্কৃত শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বাবধানে সরকার পরিচালিত বেদ পাঠশালা এবং গুরু-শিষ্য শাখাগুলি প্রস্তুতির কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। চলছে জোর কদমে প্রস্তুতি।

    আধ্যাত্মিক ভাবনার এক অভয়ারণ্য হবে মেলা

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ হিন্দুদের সর্ব বৃহৎ মহাকুম্ভ মেলাকে (Mahakumbh 2025) বিশ্ববাসীর সমানে আরও সুন্দর এবং উপভোগ্য করতে নানা রকম ভাবনার সমাবেশ করছেন। চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখছেন না। তার মধ্যে একটি অন্যতম প্রধান দিক হল মেলায় বৈদিক ব্রাহ্মণদের (Vedic Brahmin) দ্বারা স্তোত্র পাঠ। প্রয়াগরাজ এবং পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে বৈদিক ছাত্র এবং পণ্ডিতদের আনা হবে। মহাকুম্ভ মেলারস্থলকে আধ্যাত্মিক ভাবনার এক অভয়ারণ্য গড়তে এই ভাবনা বলে মনে করা হচ্ছে। মেলা প্রাঙ্গনের শিবিরগুলিতে ধর্ম কথা, ভাগবত কথা, আধ্যাত্মিক বক্তৃতা, পুরাণ কথায় তীর্থযাত্রীদের মনকে ভরিয়ে দিতেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “কুবীর বলত সাকার আমার মা, নিরাকার আমার বাপ, কাকো নিন্দো, কাকো বন্দো, দোনো পাল্লা ভারী!”

    পাঁচ লক্ষ পঞ্চাক্ষর জপ চলবে

    মহাকুম্ভে (Mahakumbh 2025) বৈদিক মন্ত্র পাঠের জন্য এখন থেকেই নানা ভাবে একাধিক স্কুলে স্কুলে বিদ্যার্থীদের মন্ত্র উচ্চারণ, আবৃত্তি এবং পাঠের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ঝুনসির স্বামী নরোত্তমন্দ গিরি বেদ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ব্রজ মোহন পান্ডে বলেন, “মেলাকে সামনে রেখে এই উদ্যোগ শুধু বৈদিক সংস্কৃতিকে প্রচারই করবে না, বরং তরুণ প্রজন্মের কাছে এর সমৃদ্ধিকে, ঐতিহ্যকেও আরও পরিচিত করাবে।” একই ভাবে শ্রীপঞ্চ অগ্নি আখড়ার মহা মণ্ডলেশ্বর সোমেশ্বরানন্দ ব্রহ্মচারী মহাকুম্ভের মধ্যে বৈদিক ঐতিহ্যের উপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। একই ভাবে তার শিবিরে বেশ কিছু কিছু বিদ্যার্থীরা সম্পূর্ণ মেলা জুড়ে মন্ত্র পাঠ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। একই ভাবে পঞ্চায়েত আখড়ায় মহা নির্বাণীর মহা মণ্ডলেশ্বর স্বামী প্রণবানন্দ সরস্বতী বলেছেন, “আমাদের শিবিরে বৈদিক স্তোত্রের (Vedic Brahmin) পাশাপাশি প্রতিদিন পাঁচ লক্ষ পঞ্চাক্ষর জপ করা আটজন ব্রাহ্মণও উপস্থিত থাকবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kailash Satyarthi: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার! ইউনূসকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ কৈলাস সত্যার্থীর

    Kailash Satyarthi: হিন্দুদের ওপর অত্যাচার! ইউনূসকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ কৈলাস সত্যার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক নোবেল জয়ীকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ আর এক নোবেলজয়ীর! বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান তথা শান্তিতে নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূসকে রাজধর্ম পালনের আবেদন জানালেন ভারতের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী ব্যক্তিত্ব কৈলাস সত্যার্থী (Kailash Satyarthi)। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বাংলাদেশে প্রায় ৪০ বছর কাজ করেছি। তখন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছিল। কিন্তু আজ আর সেই পরিস্থিতি নেই।”

    কী বললেন কৈলাস সত্যার্থী?

    মানবাধিকার দিবসে ইউনূসকে পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সত্যার্থী বলেন, “যেভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হয়েছে, তাতে মানুষ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। বাংলাদেশে যেন মানবাধিকারকে বন্দি করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। অবিলম্বে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করুন।”

    ইউনূসকে নিশানা অভিজিতেরও

    বিশ্বশান্তির জন্য নোবেল পেয়েছিলেন ইউনূস। তাঁর পুরস্কার কেড়ে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “যেভাবে অন্য ধর্মের ওপর বিশেষত হিন্দু ধর্মের ওপর যে আক্রমণ চলছে, তাতে আমি মনে করি নোবেল কমিটির উচিত এই মুহূর্তে তাঁর নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নেওয়া।” তিনি বলেন, “আপনারা হয়তো আমায় জিজ্ঞেস করতে পারেন, নোবেল কমিটির এই রুল আছে কিনা। আমি তা বলতে পারব না। তবে একটা সাধারণ রুল রয়েছে, যে কোনও কর্তৃপক্ষ যদি কোনও একটা কাজ করতে চান, করার ক্ষমতা থাকে, তাহলে তার সেই কাজ নাকচ করার ক্ষমতাও থাকে।” অভিজিৎ বলেন, “সেই নীতির ওপর ভিত্তি করেই আমি দাবি করছি, নোবেল কমিটি এই মুহূর্তে ইউনূসের নোবেল পুরস্কার ফেরত নিয়ে নিক।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যে ঢুকেছে এক কোটি রোহিঙ্গা! হিন্দুদের বাঁচাতে ধর্ম রক্ষা কমিটি গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    অভিজিৎ (Kailash Satyarthi) বলেন, “একটা সময় ছিল যখন তাঁকে বলা হত গরিবের ব্যাঙ্কার। গোটা বিশ্বে তখন তাঁর প্রশংসা। ২০০৬ সালে তাঁর ঝুলিতে আসে নোবেল শান্তি পুরস্কার। কিন্তু সেই মহম্মদ ইউনূসের আমলেই আজ বাংলাদেশে হিন্দুদের শান্তি খানখান।” তিনি বলেন, “অত্যাচারের ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠেছে। আর কার্যত চুপ করে দেখছেন মহম্মদ ইউনূস।” সত্যার্থী (Kailash Satyarthi) বলেন, “বারবার প্রশ্ন উঠছে, যে মোল্লাতন্ত্র পাকিস্তানকে চালাত, এখন কি সেই মোল্লাতন্ত্রের ইশারায়ই চলছেন (Bangladesh Crisis) শান্তিতে নোবেল জয়ী?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Bangladesh: হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে গণবিক্ষোভ

    Bangladesh: হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে গণবিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের বিজয় দিবসের কথা মনে করিয়ে দিতে দিল্লিতে বাংলাদেশ (Bangladesh) হাই কমিশনের (Bangladesh High Commission) সামনে বিরাট বিক্ষোভে সামিল হয়েছে ভারতীয়রা। গত ৫ অগাস্ট থেকে লাগাতার হওয়া বাংলাদেশে হিন্দু নিপীড়নের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ এবং ঘেরাও কর্মসূচি নিয়ে ওই দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসকে কড়া বার্তা দিয়েছে ভারতীয় হিন্দু সমাজ। হাজার হাজার সাধারণ জনতার সঙ্গে সাধুসন্তরা এদিন এই কর্মসূচীতে যোগদান করেছেন। দাবি একটাই হিন্দু নির্যাতন বন্ধ হোক।

    হিন্দুদের জীবন-সম্পত্তির রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে (Bangladesh)

    নভেম্বরের শেষেই বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু ধর্ম গুরু চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে প্রতিদিন একাধিক জায়গায় কট্টর মৌলবাদী মুসলমানদের চলছে আগ্রাসন। হিন্দু বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, দোকান লুট, মন্দিরে আগুন, মূর্তি ভাঙচুর, হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ, খুন-সহ একাধিক ঘটনায় চরম বিপাকে সনাতনী সমাজ। ঢাকার রাজপথে বিলি হচ্ছে ‘ভারত শত্রুরাষ্ট্র’ লিফলেট, চার দিনে কলকাতা দখল হবে বলে দেওয়া হচ্ছে হুঙ্কার। ধর্মগুরুরা প্রকাশ্যে মাইকে ঘোষণা করছেন তলোয়ার দিয়ে কোপানো হবে ইসকনকে। এই সব ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস একদম চুপ। চট্টগ্রামের বাড়িতে ঢুকে খুন করা হয়েছে হিন্দু মহিলাকে। ঢাকায় পড়ানো হচ্ছে জগন্নাথের মন্দির। তাই প্রতিবাদ জানাতে বাংলাদেশের হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) সামনে একত্রিত হয়েছেন বহু মানুষ। সকলের মুখে একটাই স্লোগান হিন্দুদের জীবন-সম্পত্তির রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে বাংলাদেশকে। একই ভাবে ইসকনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা যাবে না। অবিলম্বে চিন্ময় কৃষ্ণ সন্ন্যাসীকে মুক্তি দিতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ এএসআই-এর রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য, ২৫০টি ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ ওয়াকফের দখলে!

    হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত

    এদিন দিল্লিতে আন্দোলনকারীরা বলেন, রাষ্ট্রসঙ্ঘ কেন নির্বাক? অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংগঠনও হিন্দুদের উপর ভয়াবহ অত্যাচারের বিরুদ্ধে চুপচাপ করে বসে আছে। বাংলাদেশ কি ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের কথা ভুলে গিয়েছে? একই ভাবে আগে মুম্বইয়ে বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনের (Bangladesh High Commission) সামনে একাধিক হিন্দু সংগঠন বিক্ষোভ দেখান। একই ভাবে রবিবার দেশের আরও একাধিক জায়গায় হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি ঢাকায় বাংলাদেশের (Bangladesh) বিদেশ উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হুসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share