Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের তিন নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকে দেওয়ার (Cash For Vote) হুমকি দিলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনেটকে মানহানির নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা তাওড়ের বিরুদ্ধে ভোটারদের টাকা বিলি করার অভিযোগ তুলেছেন।

    ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি (Cash For Vote)

    আইনি নোটিশে তাঁদের নিঃশর্তে তাওড়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে দেওয়ানি মানহানির মামলা এবং ফৌজদারি মানহানির মামলা করবেন। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাওড়ে বলেন, “কংগ্রেস নেতারা আমাকে ও আমার দলের মানহানির জন্য নির্বাচনের আগে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।”

    কী বলেছিলেন খাড়্গেরা?

    তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে, ১৯ নভেম্বর, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং দলের মুখপাত্র সুপ্রিয়া বলেছিলেন যে বিনোদ তাওড়েকে ভোটারদের মধ্যে ৫ কোটি টাকা বিলি করার সময় হাতে-নাতে ধরা হয়েছে। তাঁরা কেবল (Cash For Vote) আমাকে ও আমার দলের মানহানি করতে চেয়েছিল।”

    বিজেপির এই নেতা বলেন, “আমি অত্যন্ত আঘাত পেয়েছি। আমি একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। গত ৪০ বছর ধরে রাজনীতিতে আছি। আমি কখনওই এমন কিছু করিনি। কংগ্রেস নেতারা আমাকে, আমার দল ও আমার নেতাদের মানহানি করতে চেয়েছিলেন। তাই তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে সংবাদমাধ্যম ও জনগণের কাছে এই মিথ্যা কথা বলেছিলেন। তাই আমি তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিশ পাঠিয়েছি যে তারা যেন প্রকাশ্যে ক্ষমা চান, অন্যথায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: নিজ্জর খুনের ঘটনা জানতেন না মোদি-জয়শঙ্কর-ডোভাল, দিল্লির চাপে ‘ঢোঁক গিলল’ ট্রুডো সরকার

    তাওড়ের বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পদ্ম-সাংসদ সম্বিত পাত্র বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমাদের সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে স্পষ্টভাবে রাহুলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন যে তিনি এসে (BJP) সিসিটিভির ফুটেজ দেখুন, নিজেই দেখুন এবং বলুন কোথায় অর্থ রয়েছে (Cash For Vote), কে বিতরণ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ICRA Report: তৃতীয় ত্রৈমাসিকে দ্রুত বৃদ্ধি পাবে ভারতীয় অর্থনীতি, দাবি আইসিআরএ-র

    ICRA Report: তৃতীয় ত্রৈমাসিকে দ্রুত বৃদ্ধি পাবে ভারতীয় অর্থনীতি, দাবি আইসিআরএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঊর্ধমুখী ভারতের অর্থনীতি। আইসিআরএ (ICRA) রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের অর্থনীতি ২০২৪ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) প্রথম ত্রৈমাসিকের (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর ২০২৪) তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, এটি একটি ইতিবাচক প্রবণতা, যা বিভিন্ন সেক্টরে অর্থনৈতিক সূচকগুলির উন্নতি এবং শক্তিশালী কার্যক্রমের কারণে প্রত্যাশিত। নভেম্বর ২০২৪ সালের প্রাথমিক তথ্যও একটি ইতিবাচক প্রবণতা নির্দেশ করছে।

    কোন কোন ক্ষেত্রে উন্নতি

    রিপোর্টে (ICRA Report) দাবি করা হয়েছে, বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎসবের মরশুমে গাড়ি রেজিস্ট্রেশনের চাহিদা বেড়েছে। এই প্রবণতাগুলি থেকেই অনুমান করা যায়, যে তৃতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার প্রথমার্ধের তুলনায় বাড়বে। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত মাসে পরিবহণ এবং চলাচল সম্পর্কিত বেশ কিছু সূচক গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি দেখিয়েছে। অক্টোবর ২০২৪ সালে যানবাহন নিবন্ধন বছরে ৩২.৪ শতাংশ বেড়েছে। এই বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ ছিল দু’চাকা ও যাত্রীবাহী গাড়ির চাহিদা। পেট্রল ব্যবহার ৩.০ শতাংশ থেকে ৮.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান যাত্রী সংখ্যা ৬.৪ শতাংশ থেকে ৯.৬ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়াও, দু’চাকা গাড়ির উৎপাদন ১৩.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, রেল পণ্য পরিবহণ ১.৫ শতাংশ বেড়েছে, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.৭ শতাংশ কমেছিল, এবং ডিজেল ব্যবহার ১.৯ শতাংশ হ্রাস থেকে ০.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    এগোচ্ছে ভারত

    এই মুহূর্তে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ভারত। তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হারেও দাপট দেখাচ্ছে ভারত। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে জি-২০ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির মধ্যে জিডিপি বৃদ্ধির হারে এক নম্বরে থাকতে চলেছে ভারত। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার হতে পারে ৭ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান হল ভারতের মহাকুম্ভ মেলা। আগামী বছর মহাকুম্ভের (Kumbh Mela 2025) জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি চলছে। এই মেলায় লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হবে। তাই এই মেলা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে সবার আগে প্রয়োজন ভিড় নিয়ন্ত্রণ। এবার মেলায় ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য এআই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে বলে জানাল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ (UP Police)। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরাগুলিতে এআই ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। ক্যামেরাগুলি তাদের ফিডের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুলিশকে সতর্কবার্তা পাঠাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের বুদ্ধি একযোগে কাজ করবে। ইতিমধ্যেই মেলা সংলগ্ন অঞ্চলে ২৫টি পুলিশ স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। মেলার জন্য মোট ৫৬টি স্টেশন স্থাপন করা হবে। 

    কীভাবে কাজ করবে এআই-যুক্ত ক্যামেরা

    মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করতে, এই প্রথমবার যোগী আদিত্যনাথ সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগ করছে। সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করে নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি মেলা পরিচালনার কাজকে সহজ করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এআই-চালিত ক্যামেরাগুলি পুরো কুম্ভ মেলার নানা প্রান্তে স্থাপন করা হচ্ছে। এর ফলে বিশাল ভিড়ের উপর ২৪/৭ নজরদারি নিশ্চিত করা যাবে। এই অত্যাধুনিক ক্যামেরাগুলি শুধু নিরাপত্তা বাড়াবে না, বরং মেলার সময় যাঁরা হারিয়ে যাবেন, তাঁদের আবার একত্রিত করতেও সাহায্য করবে। মেলা এলাকায় ৩২৮টি এআই সক্ষম ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। এই ক্যামেরাগুলির  ইনস্টলেশন কাজ শীঘ্রই শেষ হবে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    হারানো ব্যক্তিদের খোঁজ

    প্রশাসন সূত্রে খবর, ফেসবুক এবং এক্স (পূর্বে টুইটার) প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করে মহাকুম্ভ মেলায় (Kumbh Mela 2025) হারানো আত্মীয়দের খোঁজ দ্রুত পাওয়া যাবে। এর ফলে তীর্থযাত্রীদের পরিবারের সদস্যদের একত্রিত করা সহজ হবে। ২০২৫ সালের মহাকুম্ভে আসা দেশি ও বিদেশি ভ্রমণকারীরা আর ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার চিন্তা করবেন না। মেলা প্রশাসন এই সমস্যা সমাধানে একটি ব্যাপক পরিকল্পনা করেছে। একটি ডিজিটাল কেন্দ্র ১ ডিসেম্বর থেকে চালু হবে, যা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে হারানো ব্যক্তিদের দ্রুত একত্রিত করতে সাহায্য করবে। মহাকুম্ভে (Kumbh Mela 2025) কোনও ব্যক্তির পরিচয় জানতে ফেস রেকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে। এই অত্যাধুনিক সিস্টেমটি তাৎক্ষণিকভাবে ছবি ক্যাপচার করবে এবং ৪৫ কোটি তীর্থযাত্রীর মধ্যে হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করবে (UP Police)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধিকাংশ সমীক্ষাতেই উঠে এসেছে যে ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্র- এই দুই রাজ্যে সরকার গঠন করবে বিজেপি। সকাল থেকেই দুই রাজ্যেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনের ছয় মাসের মাথাতে ভোট হচ্ছে দুই রাজ্যে। আজ শনিবার সকাল আটটা থেকে ঝাড়খণ্ড ও মহারাষ্ট্রে (Assembly Election 2024) শুরু হয়েছে ভোট গণনা। এর পাশাপাশি গণনা চলছে বাংলার ছটি কেন্দ্রে (Election Results)। যেগুলিতে উপনির্বাচন হচ্ছে। অন্যদিকে, উপনির্বাচন হচ্ছে ২ রাজ্যের ২ লোকসভা কেন্দ্রেও। মহারাষ্ট্রের নান্দেড় লোকসভার পাশাপাশি সেই তালিকায় রয়েছে কেরলের ওয়েনাড়। সেখানেও গণনা চলছে। মোট ১৪টি রাজ্যের ৪৮টি বিধানসভা এবং দু’টি লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন চলছে। রাজ্যগুলি হল- অসম, বিহার, ছত্তিশগড়, গুজরাট, কর্নাটক, কেরল, মধ্যপ্রদেশ, মেঘালয়, পাঞ্জাব, রাজস্থান, সিকিম, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ।

    পশ্চিমবঙ্গের ৬ কেন্দ্র সমেত গণনা ঝাড়খণ্ডেও (Assembly Election 2024)

    গণনা চলছে পশ্চিমবঙ্গের ছ’টি বিধানসভা কেন্দ্রে (Election Results)। এগুলি হল-কোচবিহারের সিতাই, আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাট, উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া ও নৈহাটি, বাঁকুড়ার তালড্যাংরা এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর। যেখানে কংগ্রেসের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। বাংলার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের ন’টি বিধানসভার উপনির্বাচনের ফলাফলও বের হবে আজ শনিবার। বাংলার পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডে (Assembly Election 2024) মোট ৮১টি আসনের মধ্যে ৪৩টিতে ভোট হয়েছিল প্রথম দফায়, গত ১৩ নভেম্বর। বাকি ৩৮টিতে দ্বিতীয় দফায়, ২০ নভেম্বর। মহারাষ্ট্রের ২৮৮ আসনেই ২০ নভেম্বর এক দফায় ভোট হয়েছিল। 

    মহারাষ্ট্রের ভোট গণনা

    মহারাষ্ট্রে মূল লড়াই বিজেপি-শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে), এনসিপি (অজিত)-এর জোট ‘মহাযুতি’ এবং কংগ্রেস-শিবসেনা (ইউবিটি)-এনসিপি (শরদ)-এর ‘মহাবিকাশ আঘাড়ী’র মধ্যে। এ ছাড়া ভোটের ময়দানে রয়েছে রাজ ঠাকরের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনাও, বাবাসাহেব আম্বেদকরের পুত্র তথা প্রাক্তন সাংসদ প্রকাশ আম্বেদকর ‘বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ী’ দলের হয়ে লড়ছেন। মহারাষ্ট্রে ক্ষমতাসীন ‘মহাযুতি’র গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (Assembly Election 2024) তথা শিবসেনা প্রধান একনাথ শিন্ডে (কোপরি-পাচপাখাড়ি), দুই উপমুখ্যমন্ত্রী, এনসিপির অজিত পওয়ার (বারামতী) এবং বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবীস (নাগপুর দক্ষিণ-পশ্চিম)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vaishno Devi: ৬ ঘণ্টার পথ মাত্র ৬ মিনিটে! বৈষ্ণো দেবী মন্দিরে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে রোপওয়ে

    Vaishno Devi: ৬ ঘণ্টার পথ মাত্র ৬ মিনিটে! বৈষ্ণো দেবী মন্দিরে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে রোপওয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈষ্ণো দেবী (Vaishno Devi) মন্দিরে যাওয়ার জন্য বড় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অনেক সহজে এবং কম সময়ের মধ্যে দেবীর দর্শন করতে পারবেন ভক্তরা। আর তার জন্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হচ্ছে রোপওয়ে (Ropeway)। মূলত কাটরা শহর থেকে সাঞ্জিছটকে সংযোগ করা হবে এই রোপওয়ের মাধ্যমে।  

    কবে চালু হবে রোপওয়ে? (Vaishno Devi)

    বৈষ্ণো দেবী (Vaishno Devi) বোর্ডের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রোপওয়ে চালু হয়ে যাবে। বোর্ডের সিইও আনশুল গর্গ বলেন, রোপওয়ে একটি নিরাপদ, দ্রুত এবং আরও সুবিধাজনক পরিবহণ। ৬-৭ ঘণ্টা সময় বাঁচিয়ে দেবে। এটি তীর্থযাত্রীদের মাত্র ছয় মিনিটে কঠিন যাত্রাপথ সম্পূর্ণ করতে সক্ষম করবে। একবার চালু হলে এই সুবিধাটি প্রতিদিন হাজার হাজার তীর্থযাত্রী পাবেন। ফলে, এতদিনের ঐতিহ্যবাহী ট্রেকিং রুটে যানজট কমিয়ে সবার জন্য একটি ভালো অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। কাটরা থেকে সাঞ্জিছট পর্যন্ত রোপওয়ে করে ভক্তরা যেতে পারবেন। তারপরে মন্দিরে যেতে হাঁটা পথে ৩০-৪৫ মিনিট লাগবে। এটি প্রতি ঘন্টায় ১ হাজার যাত্রী পরিবহণে সক্ষম। রোপওয়ে প্রকল্পটি গুরগাঁও-ভিত্তিক জিআর ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড দ্বারা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে কাজ করবে। জানা গিয়েছে, এই বছরের শুরুর দিকে বোর্ডের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার পর কোম্পানিটি গত মাসে প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    তীর্থযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা

    এই বছর ৮৬ লক্ষেরও বেশি ভক্ত ইতিমধ্যে পবিত্র মন্দির (Vaishno Devi) পরিদর্শন করেছেন। সেই সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেই তুলনায় গত বছর ৯৫ লক্ষের বেশি পুণ্যার্থী এসেছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে, বোর্ড তীর্থযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা চালু করেছে। যেমন মাতা বৈষ্ণো দেবী ভবনে একটি স্কাইওয়াক, উন্নত রান্নাঘর এবং রেলওয়ে নিবন্ধন কেন্দ্র। উপরন্তু, কাটরাতে একটি আধুনিক কল সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তা দিয়ে সারা ভারত এবং বিদেশে তীর্থযাত্রীদের থেকে প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার কল নেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: মুখে বাজার-বিরোধী বক্তব্য, রাহুল নিজে ৬.৭ কোটি টাকার শেয়ারের মালিক! ফাঁস করল বিজেপি

    Rahul Gandhi: মুখে বাজার-বিরোধী বক্তব্য, রাহুল নিজে ৬.৭ কোটি টাকার শেয়ারের মালিক! ফাঁস করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের শেয়ার বাজার সম্পর্কে ভিত্তিহীন ভয় ছড়াচ্ছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এমনই অভিযোগ বিজেপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান অমিত মালব্যের।  মালব্যর দাবি দেশের শেয়ার মার্কেট নিয়ে রাহুলের বক্তব্যগুলি রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য তৈরি করা হয়েছে। যাতে সাধারণ ভারতীয়রা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আর্থিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে না পারে।

    অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির প্রয়াস

    সম্প্রতি, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ভারতীয় শেয়ার বাজারের সততা এবং স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। মালব্য জানান, রাহুলের মন্তব্যগুলিকে অসত্য এবং অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী শেয়ার বাজার নিয়ে ভয় ছড়াচ্ছেন কারণ তিনি এবং তাঁর দলের সদস্যরা ভয় পেয়ে গিয়েছেন যে ভারতীয়রা বৈধভাবে অর্থ উপার্জন করছে এবং দারিদ্র্য থেকে উত্তরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।”

    মধ্যবিত্ত ভারতীয়কে প্রভাবিত করার চেষ্টা

    মালব্যের অভিযোগ, গান্ধীর (Rahul Gandhi) এমন বক্তব্য ভারতের মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে প্রাভাবিত করার জন্য। সাধারণ মানুষের বাজারে বিনিয়োগের প্রতি যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ভেঙে দেওয়ার জন্য। ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করছেন রাহুল। তিনি ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রতি সমর্থন জানিয়ে, সিএলএসএ এবং মোতিলাল ওসওয়ালের মতো স্বীকৃত ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক ভবিষ্যদ্বাণীর উল্লেখ করেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলি দীর্ঘমেয়াদি ভারতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী, যা মোদি সরকারের সংস্কারের ফলে অর্জিত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘সন্ত্রাসবাদের কারণে বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে’’, পাকিস্তানকে নিশানা ভারতের

    রাহুল গান্ধীর নিজের পোর্টফোলিও

    মালব্য এক্ষেত্রে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ব্যক্তিগত আর্থিক বিনিয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, রাহুল গান্ধীর শেয়ার পোর্টফোলিও ২০১৪ সালে সামান্য ছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের মধ্যে তাঁর শেয়ার পোর্টফোলিও প্রায় ৬.৭ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। কংগ্রেস দলের ঐতিহ্যগত পরস্পরবিরোধিতার কথাও তুলে ধরেন মালব্য। তিনি বলেন, “এটা ক্লাসিক কংগ্রেসের দুইমুখী নীতির উদাহরণ। তাঁরা ‘গরিবী হটাও’ স্লোগান দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে ভারতকে দরিদ্র এবং সরকারি ভাতা-নির্ভর রেখে দিয়েছিল। আর গান্ধী পরিবার গোপনে বাজার থেকে বিপুল সম্পদ সঞ্চয় করে গিয়েছে, যা এখন মানুষ বুঝতে পারছে।” মালব্য মন্তব্য করেন, “রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী মোদির শাসনের প্রতি বাড়তি আত্মবিশ্বাস তাঁর খালি কথাবার্তার চেয়ে অনেক বেশি জোরালো। তিনি শেয়ার বাজারের বিরুদ্ধে নন—তিনি সাধারণ ভারতীয়দের অর্থ উপার্জন এবং ধনী হওয়া দেখতে চাইছেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odisha: কথা রাখল ওড়িশার বিজেপি সরকার, কৃষকদের কাছে ধান কিনছে কুইন্টাল প্রতি ৩,১০০ টাকা দরে

    Odisha: কথা রাখল ওড়িশার বিজেপি সরকার, কৃষকদের কাছে ধান কিনছে কুইন্টাল প্রতি ৩,১০০ টাকা দরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বেশিরভাগই পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি (BJP) তাদের নির্বাচনী ইস্তাহারে ঘোষণা করেছিল, দল ক্ষমতায় এলে সরকার প্রতি কুইন্টাল ধান কিনবে ৩,১০০ টাকায়। ক্ষমতায় এসে সে কথা রাখল বিজেপি সরকার। বুধবারই এই কর্মসূচি প্রথমবারের জন্য অনুষ্ঠিত হয়, সে রাজ্যের বরাগড় জেলায়। ২০ নভেম্বর এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ওড়িশা সরকারের খাদ্যমন্ত্রী কৃষ্ণচন্দ্র পাত্র। গতকাল বুধবার মন্ত্রী ছিলেন সে রাজ্যের বরাগড় জেলার সফরে। প্রথমে তিনি স্থানীয় কালাপানি মান্ডিতে চলে যান এবং সেখান থেকে ধান কিনে অনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা করেন এই কর্মসূচির। একইসঙ্গে মন্ত্রী পৌঁছে যান স্থানীয় আতাবিরা ও গোদভাগা মান্ডিতেও। সেখানেও আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষকদের কাছে কুইন্টাল প্রতি ৩ হাজার ১০০ টাকায় ধান কিনতে দেখা যায় মন্ত্রীকে।

    কী বলছেন ওড়িশার (Odisha) খাদ্যমন্ত্রী? 

    এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে মন্ত্রী কৃষ্ণচন্দ্র পাত্র বলেন, ‘‘এটা খুবই আনন্দের দিন কৃষকদের কাছে এবং তাঁরা বলছেন যে বিজেপি (BJP) তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে। প্রতি কুইন্টাল ধান ৩,১০০ টাকায় কিনছে।’’ প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য হল ২,৩০০ টাকা, সেখানে ওড়িশা সরকার আরও ৮০০ টাকা বেশি দরে ধান কিনছে।

    সিঙ্গাপুর সফরে রয়েছেন ওড়িশার (Odisha) মুখ্যমন্ত্রী, সেখান থেকে স্বাগত জানান এমন কর্মসূচিকে

    মান্ডিগুলি পরিদর্শন করার সময় মন্ত্রী আরও নানারকম পরিষেবা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন। ডিজিটাল মিটার, ওয়েট ব্রিজ, ওয়েটিং রুম, খাবার জল, আলো, সিসিটিভি, শৌচাগার এই ব্যবস্থাগুলি ঠিকঠাক রয়েছে কিনা, তা জানতে চান। বর্তমানে ওড়িশার (Odisha) মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি, সরকারি সফরে সিঙ্গাপুরে রয়েছেন। তবে সিঙ্গাপুরে বসেও বিজেপি সরকারের এমন প্রতিশ্রুতি রক্ষার কথা তিনি নিজে সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেন এবং লেখেন, ‘‘সরকার কৃষক কল্যাণের কথাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sarbananda Sonowal: সমুদ্রপথ উন্নয়নে ৩০ হাজার কোটির তহবিল গঠন কেন্দ্রের, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Sarbananda Sonowal: সমুদ্রপথ উন্নয়নে ৩০ হাজার কোটির তহবিল গঠন কেন্দ্রের, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ হাজার কোটি টাকার সমুদ্র পথের উন্নয়ন তহবিল তৈরি করেছে ভারত সরকার, এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বন্দর ও জাহাজ পরিবহণ এবং জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল (Sarbananda Sonowal)। প্রসঙ্গত, এই ফান্ডের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে চায়। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের এমন উদ্যোগের মাধ্যমে তৈরি হবে ছয়টি গভীর বন্দর ও দুটি ট্রানস শিপমেন্ট হাব।

    জাহাজ নির্মাণ শিল্প অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

    ভারতের জাহাজ নির্মাণ শিল্প অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, এটি এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে প্রচুর কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি হয়। এর পাশাপাশি দেশের মোট জিডিপিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে জাহাজ নির্মাণ শিল্প। একইসঙ্গে এই শিল্পের পরোক্ষ বা সহকারী শিল্প হিসেবে ইস্পাত, বন্দর তৈরির শিল্প- এগুলিও বাড়তে থাকে। জানা গিয়েছে, ভারতে সামুদ্রিক ক্রিয়াকলাপকে আরও শক্তিশালী করতে হাইড্রোজেন হাব তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার এমনটাই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল (Sarbananda Sonowal) এ নিয়ে বলেন, ‘‘আমরা ভারতকে একটি বৈশ্বিক সমুদ্রপথের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মনোনিবেশ করেছি। তাই এমন পদক্ষেপ।’’

    পুরনো জাহাজ প্রতিস্থাপন করা যাবে

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের সমুদ্রপথ উন্নয়ন তহবিল তৈরি করার পদক্ষেপ দেশীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে অনেকটাই পুনরুজ্জীবিত করবে। এমন তহবিল গঠন মোদি সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে ক্রেডিট নোটস স্কিমও তৈরি করা হচ্ছে। যার ফলে পুরনো জাহাজগুলির মালিকরা স্থানীয় শিপওয়ার্ডগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করে, সেই জাহাজগুলিকে প্রতিস্থাপন করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল (Sarbananda Sonowal) আরও জানিয়েছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে তাঁরা দেখতে চান যে জাহাজ পুনর্ব্যবহারে ভারত সারা বিশ্বের শীর্ষস্থানে রয়েছে। বর্তমানে ৮৫ শতাংশ ভারতীয় জাহাজে পুনর্ব্যবহারযোগ্য এবং হংকং কনভেনশনের নিয়ম মেনে চলে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Sarbananda Sonowal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Digital Arrest: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ জালিয়াতি, ১৭ হাজারের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্লক করল কেন্দ্র

    Digital Arrest: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ জালিয়াতি, ১৭ হাজারের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্লক করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest) জালিয়াতির বিরুদ্ধে কড়়া ব্যবস্থা নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া ব্যক্তিরা অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক অভিযোগগুলি পর্যালোচনা করেছে। সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলিকে চিহ্নিত করে হোয়াটসঅ্যাপকে এই নম্বরগুলি ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৭ হাজারের বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে। সূত্রের মতে, এই অ্যাকাউন্টগুলির বেশিরভাগই কম্বোডিয়া, মায়ানমার, লাওস এবং তাইল্যান্ডের মতো দেশে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। সবই সাইবার জালিয়াতির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট কী? (Digital Arrest)

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট আসলে এক ধরনের প্রতারণার কৌশল। এতে সাইবার জালিয়াতরা অন্য একজনকে গ্রেফতারের হুমকি দিয়ে তার থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়। এতে সাইবার প্রতারকরা আপনাকে ভিডিও কল করে এবং  চারপাশের ব্যাকগ্রাউন্ডকে হুবহু থানার মতো করে নেয়। অথবা এটিকে কোনও এজেন্সির অফিসের মতো করে নেয়। এই সব দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। এরপর ওই ব্যক্তি ভয় পেয়ে প্রতারণাচক্রের জালে জড়িয়ে পড়েন। এর পরে এই সাইবার জালিয়াতিরা (Digital Arrest) আপনাকে প্রতারণা করতে শুরু করে। আপনার থেকে নানা ভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে।

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    প্রতারকরা কোথায় থেকে কারবার চালায়!

    প্রতারকরা বেশিরভাগই কম্বোডিয়ায় চিনা ক্যাসিনোতে অবস্থিত কল সেন্টার থেকে কাজ করে। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, কীভাবে মানব পাচারকারীরা ভারতীয় নাগরিকদের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনলাইন আর্থিক কেলেঙ্কারি এবং সাইবার অপরাধ চালাচ্ছে। ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর (Digital Arrest) মধ্যে রয়েছে জালিয়াতরা আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের ছদ্মবেশ ধারণ করে নির্দোষ লোকদের প্রতারিত করে এবং তাদের ওপর বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়ার জন্য চাপ দেয়। প্রতারকরা সিবিআই এজেন্ট, আয়কর অফিসার বা শুল্ক এজেন্ট হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়ে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে।

    প্রতিদিন ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা!

     সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রী মোদিও এই কেলেঙ্কারির (Digital Arrest) বিষয়ে জনসাধারণের কাছে একটি সতর্কতা জারি করেছেন। তাঁদের সাইবার হেল্পলাইনে এই ধরনের কোনও ঘটনা রিপোর্ট করার জন্য জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাইবার শাখার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা ডিজিটাল গ্রেফতার জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। শুধুমাত্র এই বছরের প্রথম ১০ মাসে সাইবার অপরাধীরা ২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা চুরি করেছে। অক্টোবর পর্যন্ত সাইবার উইং ডিজিটাল গ্রেফতার (Digital Arrest) জালিয়াতি সংক্রান্ত ৯২,৩৩৪টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Bitcoin Scam: ‘জড়িত’ পাওয়ার-কন্যা! মহারাষ্ট্রে বিটকয়েন কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত শুরু সিবিআইয়ের

    Maharashtra Bitcoin Scam: ‘জড়িত’ পাওয়ার-কন্যা! মহারাষ্ট্রে বিটকয়েন কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত শুরু সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে বিটকয়েন কেলেঙ্কারি (Maharashtra Bitcoin Scam) মামলার তদন্ত শুরু করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, অমিত ভরদ্বাজ ও আমন ভরদ্বাজ-সহ ছ’জন অভিযুক্তের নামে বুধবার দায়ের হয়েছে এফআইআর। তার ভিত্তিতেই শুরু হয়েছে তদন্ত।

    নাম জড়িয়েছে পাওয়ার-কন্যার (Maharashtra Bitcoin Scam)

    রবীন্দ্রনাথ পাটিল নামে অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ অফিসারের অভিযোগ, এনসিপি প্রতিষ্ঠাতা শরদ পাওয়ারের মেয়ে সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের সঙ্গে ২০১৮ সালের ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত ওই কেলেঙ্কারিতে জড়িত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নানা পাটোলে। ওই কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথকে। যদিও সুপ্রিয়া এবং নানা দুজনেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    ছ’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

    জানা গিয়েছে, দুই ভরদ্বাজ-সহ মোট ছ’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে সিবিআই। অভিযোগ, তারা ৮০ হাজার বিটকয়েন সংগ্রহ করেছে। বিদেশে সম্পত্তি কেনার জন্য ৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকার তহবিল সরিয়ে নিয়েছে ন’টি বিদেশি সংস্থার মাধ্যমে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আগেই মৃত্যু হয়েছে অমিতের। অজয় পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে একাধিক সংস্থা। গৌরব মেহতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে (Maharashtra Bitcoin Scam) সিবিআই।

    এফআইআর দায়ের হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বিটকয়েন লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় রায়পুরে গৌরব মেহতার বাসভবনে তল্লাশিও চালিয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের আওতায় হচ্ছে তদন্ত।

    আরও পড়ুন: নিজ্জর হত্যা নিয়ে ‘মানহানিকর প্রচার’, কানাডাকে কড়া জবাব ভারতের

    অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা মাল্টি-লেভেল-মার্কেটিং (MLM) স্কিম চালিয়ে ২০১৭ সালে প্রায় ৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বিটকয়েনের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছিল। তারা মাসিক ১০ শতাংশ লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করেছিল। বিটকয়েন একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি। এটি স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। বিশ্বব্যাপী কোনও কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় এটি।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই এ সংক্রান্ত একটি টেলিফোনিক কনভার্সেশন ছড়িয়ে পড়েছে। বিজেপির অভিযোগ, তাতে সুপ্রিয়া ও পাটোলের গলা শোনা যাচ্ছে। যদিও সুলে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সিবিআই সূত্রে খবর, বিটকয়েন সংক্রান্ত ওই মামলায় যোগ থাকার তথ্য রয়েছে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। ওই সংস্থার আধিকারিক গৌরব মেহতাকে তলব করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য (Maharashtra Bitcoin Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share