Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Maharashtra Bitcoin Scam: ‘জড়িত’ পাওয়ার-কন্যা! মহারাষ্ট্রে বিটকয়েন কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত শুরু সিবিআইয়ের

    Maharashtra Bitcoin Scam: ‘জড়িত’ পাওয়ার-কন্যা! মহারাষ্ট্রে বিটকয়েন কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত শুরু সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে বিটকয়েন কেলেঙ্কারি (Maharashtra Bitcoin Scam) মামলার তদন্ত শুরু করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, অমিত ভরদ্বাজ ও আমন ভরদ্বাজ-সহ ছ’জন অভিযুক্তের নামে বুধবার দায়ের হয়েছে এফআইআর। তার ভিত্তিতেই শুরু হয়েছে তদন্ত।

    নাম জড়িয়েছে পাওয়ার-কন্যার (Maharashtra Bitcoin Scam)

    রবীন্দ্রনাথ পাটিল নামে অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ অফিসারের অভিযোগ, এনসিপি প্রতিষ্ঠাতা শরদ পাওয়ারের মেয়ে সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের সঙ্গে ২০১৮ সালের ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত ওই কেলেঙ্কারিতে জড়িত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নানা পাটোলে। ওই কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথকে। যদিও সুপ্রিয়া এবং নানা দুজনেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    ছ’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

    জানা গিয়েছে, দুই ভরদ্বাজ-সহ মোট ছ’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে সিবিআই। অভিযোগ, তারা ৮০ হাজার বিটকয়েন সংগ্রহ করেছে। বিদেশে সম্পত্তি কেনার জন্য ৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকার তহবিল সরিয়ে নিয়েছে ন’টি বিদেশি সংস্থার মাধ্যমে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আগেই মৃত্যু হয়েছে অমিতের। অজয় পলাতক। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে একাধিক সংস্থা। গৌরব মেহতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে (Maharashtra Bitcoin Scam) সিবিআই।

    এফআইআর দায়ের হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বিটকয়েন লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় রায়পুরে গৌরব মেহতার বাসভবনে তল্লাশিও চালিয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের আওতায় হচ্ছে তদন্ত।

    আরও পড়ুন: নিজ্জর হত্যা নিয়ে ‘মানহানিকর প্রচার’, কানাডাকে কড়া জবাব ভারতের

    অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা মাল্টি-লেভেল-মার্কেটিং (MLM) স্কিম চালিয়ে ২০১৭ সালে প্রায় ৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বিটকয়েনের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছিল। তারা মাসিক ১০ শতাংশ লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করেছিল। বিটকয়েন একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি। এটি স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। বিশ্বব্যাপী কোনও কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় এটি।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই এ সংক্রান্ত একটি টেলিফোনিক কনভার্সেশন ছড়িয়ে পড়েছে। বিজেপির অভিযোগ, তাতে সুপ্রিয়া ও পাটোলের গলা শোনা যাচ্ছে। যদিও সুলে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সিবিআই সূত্রে খবর, বিটকয়েন সংক্রান্ত ওই মামলায় যোগ থাকার তথ্য রয়েছে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। ওই সংস্থার আধিকারিক গৌরব মেহতাকে তলব করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য (Maharashtra Bitcoin Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Abvp: শুক্রবার শুরু এবিভিপির ৭০তম জাতীয় সম্মেলন, বৃহস্পতিতে হচ্ছে কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক

    Abvp: শুক্রবার শুরু এবিভিপির ৭০তম জাতীয় সম্মেলন, বৃহস্পতিতে হচ্ছে কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবিভিপির (Abvp) ৭০তম সর্বভারতীয় সম্মেলন বসছে গোরক্ষপুরে, ২২-২৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সম্মেলন। তার আগে গতকাল ২০ নভেম্বর গোরক্ষপুরে (Gorakhpur) সম্পন্ন হল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের একদিনের কেন্দ্রীয় কর্মসমিতির বৈঠক। গোরক্ষপুরের দীনদয়াল উপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ ভবনে বৈঠকে শুরুতে মা সরস্বতী ও স্বামী বিবেকানন্দের চিত্রে পুষ্প নিবেদন করেন এবিভিপির সর্বভারতীয় সভাপতি রাজশরণ শাহি ও এবিভিপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক যাজ্ঞব্লক্য শুক্লা ও জাতীয় সংগঠন সম্পাদক আশিষ চৌহ্বান।

    আরও পড়ুন: অশান্ত মণিপুর, ইম্ফল উপত্যকায় ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ, মোবাইল ইন্টারনেট

    এবিভিপির (Abvp) মানবন্দনা যাত্রা

    উপস্থিত প্রতিনিধিদের প্রত্যেককেই এক সুরে বন্দেমাতরম গাইতে শোনা যায়। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বসবে এবিভিপির জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠক। গোরক্ষপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণেই হবে ওই বৈঠক। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে চলছে রানি অহল্যাবাই হোলকারের ৩০০তম জন্মবার্ষিকী। এই সময়ে মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বর থেকে মানবন্দনা যাত্রা শুরু করেছে এবিভিপি। এই যাত্রা পৌঁছাবে গোরক্ষপুরের (Gorakhpur) ৭০তম জাতীয় সম্মেলনে। মানবন্দনা যাত্রা উত্তরপ্রদেশে প্রয়াগরাজ এবং অযোধ্যা- এই দুই নগরের ওপর দিয়েই যাবে বলে জানিয়েছে এবিভিপি (Abvp) নেতৃত্ব। এই যাত্রার মাধ্যমে রানি অহল্যাবাইয়ের কর্মকাণ্ড জনগণের মধ্যে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে এবিভিপি নেতৃত্ব এবং ভারতের সংস্কৃতি পুনরুত্থানে তাঁর অবদান স্মরণ করা হবে।

    কী বললেন এবিভিপির (Abvp) সর্বভারতীয় সভাপতি? 

    আজ বৃহস্পতিবার অহল্যাবাইয়ের স্মরণে একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক সাধারণ সম্পাদক শ্রী চম্পত রাই। জানা গিয়েছে, গতকাল সেন্ট্রাল ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে শিক্ষা ও সামাজিক নানা ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। এবিভিপি-র (Abvp) সর্বভারতীয় সভাপতি ডক্টর রাজশরণ শাহি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘গোরক্ষপুরের জনগণের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে। এই শহরের তাৎপর্যপূর্ণ ইতিহাস রয়েছে।’’

     

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Slams Trudeau Govt: নিজ্জর হত্যা নিয়ে ‘মানহানিকর প্রচার’, কানাডাকে কড়া জবাব ভারতের

    India Slams Trudeau Govt: নিজ্জর হত্যা নিয়ে ‘মানহানিকর প্রচার’, কানাডাকে কড়া জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার ট্রুডো সরকারকে ফের একহাত নিল ভারত! দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক এমনিতেই তলানিতে। এমতাবস্থায় বুধবার কানাডার একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ‘উদ্ভট’ উল্লেখ করে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (India Slams Trudeau Govt)।

    কানাডিয়ান সংবাদপত্রে অভিযোগ (India Slams Trudeau Govt)

    ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যার (Nijjar Killing) ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সচেতন ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জয়সওয়াল এই অভিযোগকে ‘মানহানিকর প্রচার’ বলে অভিহিত করেছেন। কানাডার এক সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনে, অজ্ঞাত কানাডীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত ছিলেন।

    মুখের মতো জবাব ভারতের

    এরই প্রেক্ষিতে জয়সওয়াল বলেন, “কানাডার একটি সরকারি সূত্র থেকে সংবাদপত্রে দেওয়া এমন উদ্ভট বিবৃতিগুলি যথাযথ অবজ্ঞার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করা উচিত। এ ধরনের মানহানিকর প্রচার কেবল আমাদের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ককে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করে।” গত জুনে (India Slams Trudeau Govt) ভ্যাঙ্কুভারে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি তথা কানাডিয়ান নাগরিক হরদীপ সিং নিজ্জরকে গুলি করে খুন করে আততায়ীরা। তার পরেই কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর অভিযোগ, নিজ্জর হত্যায় ভারতীয় এজেন্টরা জড়িত ছিল।

    আরও পড়ুন: “গালওয়ানের মতো ঘটনা এড়ানো উচিত”, চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বললেন রাজনাথ

    তিনি দাবি করেন, এই বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য গোয়েন্দা সহযোগীদের, যার মধ্যে আমেরিকাও রয়েছে, শেয়ার করা হয়েছিল। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে কানাডা ভারতীয় হাই কমিশনার সঞ্জয় ভার্মা এবং অন্যান্য কূটনীতিকদের নাম উল্লেখ করে নিজ্জর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করে। এরই প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ভারত তাঁদের ফিরিয়ে আনে। কানাডিয়ান চার্জ দ্যা’ফেয়ার্স স্টুয়ার্ট হুইলার-সহ পাঁচ কূটনীতিককে বহিষ্কার করে নয়াদিল্লি।

    নিজ্জর, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন খালিস্তান টাইগার ফোর্সের মূল পরিকল্পনাকারী, দিল্লির ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গিদের একজন। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পঞ্জাবে এক হিন্দু পুরোহিতকে হত্যাও। নিজ্জরকে (Nijjar Killing) ধরতে পারলে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার দেবে বলে ঘোষণাও করেছিল (India Slams Trudeau Govt) জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Giriraj Singh: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    Giriraj Singh: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলডাঙা ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। নিজের মন্তব্যে গিরিরাজ সিং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। গিরিরাজ সিং এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে।

    রোহিঙ্গাদের অভ্যর্থনা জানাতে রেড কার্পেট পেতেছে মমতা সরকার, অভিযোগ গিরিরাজের 

    কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রীর (Giriraj Singh) আরও অভিযোগ, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম গুন্ডারা আধিপত্য কায়েম করেছে এবং বাংলার সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অভ্যর্থনা জানাতে লাল কার্পেট পেতেছে।’’ তাঁর আরও অভিযোগ, ‘‘হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বিপন্ন পশ্চিমবঙ্গে।’’ এখানেই উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উনের সঙ্গে মমতার তুলনা টেনে গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বলেন, ‘‘মমতার মুখ্যমন্ত্রিত্বে রাজ্যে কোনও আইনশৃঙ্খলা নেই। হিন্দুরা পালানোর মতো অবস্থায় আর রোহিঙ্গাদের অভ্যর্থনা জানানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। আওয়াজ উঠলেই দমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, এই সরকার আর বেশি দিন টিকবে না।’’ প্রসঙ্গত বিহারের বেগুসরাইয়ের সাংসদ হলেন গিরিরাজ সিং। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবিধানিক কাঠামো মানেন না।’’

    বাংলায় ক্ষমতায় এলে বন্ধ করা হবে অনুপ্রবেশ 

    প্রসঙ্গত, কার্তিক পুজোয় বেলডাঙাতে দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৭ জন আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এরপরে গোটা জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রেখেছে প্রশাসন। অন্যদিকে, মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচন সম্পর্কে বলতে গিয়ে গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বলেন, ‘‘এনডিএ সরকার তৈরি হবে ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্রে। আমরা যদি একবার ঝাড়খণ্ডে সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে বাংলার মধ্য দিয়ে অনুপ্রবেশ বন্ধ করব। আর বাংলায় ক্ষমতা এলে সম্পূর্ণ অনুপ্রবেশ বন্ধ করা হবে।’’ প্রসঙ্গত, সদস্য সমাপ্ত হওয়া ঝাড়খণ্ড ও মহারাষ্ট্রে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার, এমনটাই উঠে এসেছে বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায়। আগামী ২৩ নভেম্বর ২ রাজ্যে ভোট গণনা রয়েছে। ঝাড়খণ্ডে এবারের নির্বাচনে সবথেকে বড় ইস্যু ছিল অনুপ্রবেশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: “গালওয়ানের মতো ঘটনা এড়ানো উচিত”, চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বললেন রাজনাথ

    India China Relation: “গালওয়ানের মতো ঘটনা এড়ানো উচিত”, চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গালওয়ানের মতো ঘটনা এড়ানো উচিত।” চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের (India China Relation) প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। বুধবার লাওসের ভিয়েনতিয়ানে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছিলেন রাজনাথ এবং চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডং জুন। লাদাখে সেনা অপসারণের পর এই প্রথম মুখোমুখি হলেন দুই প্রতিবেশী দেশের দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    কী বললেন রাজনাথ? (India China Relation)

    বৈঠকে রাজনাথ বলেন, “বিশ্বের দুটি বৃহত্তম জাতি ভারত ও চিনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বৈশ্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।” তিনি বলেন, “যেহেতু উভয় দেশই প্রতিবেশী এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবে, তাই আমাদের সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতার উপর জোর দিতে হবে।” দুই নেতা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পরিস্থিতি এবং চার বছরের বেশি সময় ধরে যেখানে দুই পক্ষ অচলাবস্থায় ছিল সেই এলাকাগুলিতে সেনা অপসারণ নিয়ে পর্যালোচনা করেন। রাজনাথ বলেন (India China Relation), “২০২০ সালের দুর্ভাগ্যজনক সীমান্ত সংঘর্ষ থেকে উভয় দেশের শিক্ষা নেওয়া উচিত। ভারত-চিন সীমান্তে শান্তি চাই।”

    সহযোগিতার দিকে মনোনিবেশের প্রস্তাব

    প্রসঙ্গত, রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস সম্মেলনে পার্শ্ববৈঠকে সীমান্তে সেনা অপসারণ চুক্তি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের বৈঠকের পরে এটিই ছিল দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রথম বৈঠক। সেখানে রাজনাথ বলেন, “আমাদের সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতার দিকে মনোনিবেশ করতে হবে।” বুধবার থেকে তিন দিনের লাওস সফরে গিয়েছেন রাজনাথ। আসিয়ান প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বৈঠক প্লাসে যোগ দিতে গিয়েছেন তিনি। এটি একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে ১০-দেশের আসিয়ান এবং এর আটটি ডায়ালগ পার্টনার – ভারত, চিন, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া এবং আমেরিকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রসঙ্গত, এই ফোরামের বর্তমান চেয়ারম্যান লাওস। তারাই আয়োজন করেছে এই বৈঠকের।

    আরও পড়ুন: ভারত-ক্যারিবিয়ান সম্প্রদায়ের সম্পর্ক মজবুত করতে সাত দফা প্রস্তাব দিলেন মোদি

    উচ্চ হিমালয় অঞ্চলের লাদাখে সামরিক অচলাবস্থা প্রধানত পাঁচটি অঞ্চলে ঘটে, যা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর অবস্থিত। এগুলি হল, গালওয়ান, প্যাংগং, গোগরা হট স্প্রিংস, দেপসাং এবং ডেমচক। গালওয়ানে দুই দেশের সংঘাতের পর তলানিতে ঠেকেছিল ভারত-চিন সম্পর্ক (Rajnath Singh)। সেই সম্পর্কেরই বরফ গলছে বলে ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের (India China Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: অশান্ত মণিপুর, ইম্ফল উপত্যকায় ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ, মোবাইল ইন্টারনেট

    Manipur: অশান্ত মণিপুর, ইম্ফল উপত্যকায় ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ, মোবাইল ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরের (Manipur) ইম্ফল উপত্যকায় শনিবার, ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। প্রসঙ্গত, সে রাজ্যের পড়ুয়াদের ও শিক্ষকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, জিরিবামের পাশাপাশি, ইম্ফল পশ্চিম, ইম্ফল পূর্ব, থৌবাই, বিষ্ণুপুর, কাকচিং জেলাতে নতুন করে অশান্তি ছড়াতে শুরু করে। এরই মধ্যে ভোর পাঁচটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত কার্ফুতে কিছু ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে জনগণ নিজেদের অতি প্রয়োজনীয় কাজগুলোকে সারতে পারবেন। তবুও অত্যন্ত সতর্কভাবেই এগোতে চাইছে প্রশাসন। নির্দেশ জারি করা হয়েছে যে এই সময়ের মধ্যে কোথাও যেন ভিড় না জমে।

    আরও তিনদিন বন্ধ মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা

    ঠিক এই আবহে মণিপুরের (Manipur) সরকার সাত জেলায় আরও তিনদিন (শনিবার পর্যন্ত) মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সাত জেলা হল— ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, কাকচিং, বিষ্ণুপুর, থৌবল, চূড়াচাঁদপুর এবং কাংপোকপি। প্রসঙ্গত, অশান্তি ঠেকাতে ১৬ নভেম্বর থেকে মণিপুরের সাত জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। পরে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু হলেও, মোবাইলে ফেরেনি ইন্টারনেট সংযোগ। এবার তা আরও তিনদিন বৃদ্ধি করা হল।

    চিদম্বরমের বিতর্কিত মন্তব্য, ব্যবস্থার দাবি মণিপুর (Manipur) কংগ্রেসের

    একই সঙ্গে এই আবহে মণিপুর (Manipur violence) কংগ্রেস, দলেরই কেন্দ্রীয় নেতা পি চিদম্বরমের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়ে চিঠি লিখল মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে। মণিপুরের (Manipur) এই হিংসার ঘটনায় চিদম্বরম প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তুলেছিলেন নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে। এ নিয়েই শুরু হয় জল ঘোলা। দলের সভাপতিকে লেখা চিঠিতে কংগ্রেস নেতারা বলেন, ‘‘আমরা স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই ঘটনা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। মণিপুরের সংকটের সময় এমন মন্তব্য কখনও মানা যায় না।’’ শুধু তাই নয়, ওই চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, ‘‘এমন ধরনের ভাষা ব্যবহার করেছেন চিদম্বরম, তাতে বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও অশান্তি ছড়াবে বলে মনে হচ্ছে।’’

    কুকিদের বিরুদ্ধে মহিলা-শিশুদের অপহরণ ও খুনের অভিযোগ

    সম্প্রতি, মেইতেই সম্প্রদায়ের ছয় জনকে অপহরণ করে তাঁদেরকে হত্যার অভিযোগ ওঠে মণিপুরের কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, মণিপুরের (Manipur) উদ্বাস্তু ক্যাম্পে থাকা তিন জন মহিলা সহ তিনজন শিশু হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায়। মেইতেই সংগঠনের তরফ থেকে দাবি করা হয় যে, তাঁদেরকে অপহরণ করেছে কুকি জঙ্গিরা। গত ১১ নভেম্বর একদল বিক্ষুদ্ধ জনতা বোরোবেকরা অঞ্চলে  পুলিশ স্টেশনের হামলা চালায়। জানা যায়, হামলা চালানোর পরে সেখান থেকে ফেরার সময় তারা তিন মহিলা সহ তিন শিশুকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ওই ৬ জন একই পরিবারের সদস্য ছিলেন। পরবর্তীকালে তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এরপর থেকেই ফের হিংসার আগুনে জ্বলতে থাকে মণিপুর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maoist Leader: কর্নাটকের জঙ্গলে এনকাউন্টারে খতম মাওবাদী শীর্ষ নেতা বিক্রম, ২০ বছর ধরে চলছিল খোঁজ

    Maoist Leader: কর্নাটকের জঙ্গলে এনকাউন্টারে খতম মাওবাদী শীর্ষ নেতা বিক্রম, ২০ বছর ধরে চলছিল খোঁজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের খাতায় ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ছিলেন শীর্ষ মাওবাদী নেতা বিক্রম গৌড়া। দিনের পর দিন তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল তদন্তকারীদের। ২০ বছর ধরে তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিল কর্নাটক পুলিশ। কিন্তু কিছুতেই নাগাল পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে মিলল সাফল্য। সোমবার কর্নাটকের (Karnataka) উদুপির কাছে কাবিনেল জঙ্গলে রাজ্যের মাওবাদী (Maoist Leader) দমন বাহিনীর (এএনএফ) সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হয় বিক্রমের।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Maoist Leader)

    জানা গিয়েছে, উদুপি পুলিশের কাছে গোপন খবর আসে, ৫ জন মাওবাদী (Maoist Leader) হেবরি তালুকের কাছে এক দোকানে জিনিসপত্র কিনছিলেন। তাদের আচরণ দেখে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে পুলিশে জানানো হয়। সেই খবরের ভিত্তিতে পুলিশের তরফে যোগাযোগ করা হয় অ্যান্টি নকশাল ফোর্সের সঙ্গে। এর পরই ওই এলাকায় অভিযান শুরু করে যৌথবাহিনী। সেখান থেকে কয়েক মিটার দূরে কাবিনেল জঙ্গলে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পুলিশের উপস্থিতির খবর পেয়েই এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনীও। দীর্ঘক্ষণ দু’পক্ষের গুলির লড়াইয়ের পর এক মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়। পরে জানা যায় নিহত ওই মাওবাদী বিক্রম গৌড়া। এতদিন তাঁর খোঁজে ছিল পুলিশ। যদিও প্রথমদিকে পুলিশ জানতে পারেনি বিক্রমই ওই জঙ্গলে লুকিয়েছিলেন। হামলার পর দেহ উদ্ধার হতেই পুলিশ তাঁকে সনাক্ত করে।

    আরও পড়ুন: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বললেন?

    রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বর বলেন, “রাজ্যে মাওবাদী (Maoist Leader) আন্দোলনের মুখ ছিলেন বিক্রম। কয়েক দশক ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। মাওবাদীর অন্যতম মাথা ছিলেন তিনি। তাঁকে ধরতে অভিযানে যেতেই বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালান মাওবাদীরা। বাহিনীর পাল্টা জবাবে নিহত হন বিক্রম। মাওবাদী নেতা নিহত হলেও তাঁর সঙ্গীরা গভীর জঙ্গলে পালিয়ে গিয়েছেন। তাঁদের খোঁজ চলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্রের কুর্সিতে ফিরছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন মহাযূতি জোট, বলছে সমীক্ষা

    Maharashtra Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্রের কুর্সিতে ফিরছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন মহাযূতি জোট, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের কুর্সিতে ফিরছে মহাযূতি জোট। অন্তত এমনই ইঙ্গিত মিলল বুথফেরত সমীক্ষায়। জানা গিয়েছে, বিজেপি (BJP), শিবসেনার একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠী এবং এনসিপির অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর জোট (Maharashtra Assembly Election 2024) পেতে পারে ১৫০ থেকে ১৭০টি আসন।

    হারছে মহা বিকাশ আঘাড়ি! (Maharashtra Assembly Election 2024)

    মহা বিকাশ আঘাড়ি (এই জোটে রয়েছে কংগ্রেস, শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠী এবং এনসিপির শরদ পাওয়ার গোষ্ঠী) পেতে পারে ১১০ থেকে ১৩০টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ৮ থেকে ১০টি আসন। মহারাষ্ট্র বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ২৮৮। ম্যাজিক ফিগার ১৪৫টি। ম্যাটরিজের (MATRIZE) বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট পেতে পারে ৪৮ শতাংশের বেশি আসন। আর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন মহা বিকাশ আগাড়ি পেতে পারে ৪২ শতাংশ ভোট। বাকিরা পেতে পারে মোট ভোটের ১০ শতাংশ।

    ফিরছে বিজেপি!

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় ফিরতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে চাণক্যের (CHANAKYA) বুথফেরত সমীক্ষায়ও (Maharashtra Assembly Election 2024)।  এদের মতে, বিজেপি পেতে পারে ১৫২ থেকে ১৬০টি আসন। মহা বিকাশ আগাড়ি জোট পেতে পারে ১৩০ থেকে ১৩৮টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ৬ থেকে ৮টি আসন। শতাংশের বিচারে কংগ্রেসের প্রাপ্ত ভোটের হার হতে পারে ৪২। অন্যরা পেতে পারে ১১ শতাংশ ভোট।

    আরও পড়ুন: ভারত-চিন সম্পর্ক এখন একটি নয়া সূচনাবিন্দুতে পৌঁছেছে, বলছে বেজিং

    পি-মার্কের বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট পেতে পারে ১৩৭ থেকে ১৫৭টি আসন। মহা বিকাশ আগাড়ি জোট পেতে পারে ১২৬ থেকে ১৪৬টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ২ থেকে ৮টি আসন। পিপলস পালস প্রজেক্টের বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট পেতে পারে ১৮২টি আসন। মহা বিকাশ আগাড়ি পেতে পারে ৯৭টি আসন। অন্যদের ঝুলিতে যেতে পারে ৭ থেকে ১২টি আসন।

    টাইমস নাও এবং জেভিসির সমীক্ষা অনুযায়ী, মহাযূতি জোট (BJP) পেতে পারে ১৫০ থেকে ১৬৭টি আসন। মহা বিকাশ আগাড়ি জোট পেতে পারে ১০৭ থেকে ১২৫টি আসন। বাকিরা পেতে পারে ১৩-১৪টি আসন (Maharashtra Assembly Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ডেও সরকার গড়বে বিজেপি, বলছে একাধিক এক্সিট পোল রিপোর্ট

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ডেও সরকার গড়বে বিজেপি, বলছে একাধিক এক্সিট পোল রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ এখন সম্পূর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বহু প্রত্যাশিত এক্সিট পোলের দিকে এখন সকলের নজর। একদিকে, বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার কাছে এই নির্বাচন প্রেস্টিজিয়াস ফাইট। অন্যদিকে, ক্ষমতা বজায় রাখতে মরিয়া লড়াই মুখ্যমন্ত্রী তথা জেএমএম প্রার্থী হেমন্ত সোরেনের। যদিও অধিকাংশ বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী (Exit Poll 2024) ঝাড়খণ্ডে এবার সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। ফলে, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার ঝাড়খণ্ডে পালাবদল হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।

    গতবার কী ফল ছিল? (Jharkhand)

    ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ৮১টি। ২০১৯ সালে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ৩০টি আসনে জিতেছিল। কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছিল ১৬টি আসন। আর আরজেডি একটি আসনে জিতেছিল। অর্থাৎ জোটের ঝুলিতে মোট ৪৭টি আসন গিয়েছিল। এই জোটই সরকার গড়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন হেমন্ত সোরেন। ২৫টি আসনে জিতেছিল বিজেপি। দুটি আসনে জিতেছিল অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (আজসু)। এবার দু’দফায় ভোট হয়। আজ, বুধবার ছিল শেষ দফার ভোট। ২৩ নভেম্বর ফল ঘোষণা হবে।

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার কার্ডের নম্বর এক! রাজ্যে বিপুল ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড আবিষ্কার কমিশনের

    টাইমস নাও- জেভিসি এক্সিট পোল অনুযায়ী এনডিএ আসছে

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুসারে, ভোটারদের প্রভাবিত না করার জন্য সমস্ত ভোটের পর্যায় শেষ হওয়ার পরেই ভারতে এক্সিট পোল প্রকাশ করা যেতে পারে। ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এক্সিট পোলের রেজাল্টই রাজনৈতিক আলোচনায় প্রাধান্য পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। টাইমস নাও- জেভিসি ঝাড়খণ্ডে এনডিএ সরকার যে এবার ক্ষমতায় আসতে চলেছে তার ইঙ্গিত দিয়েছে। টাইমস নাও-জেভিসি এক্সিট পোল অনুযায়ী, বিধানসভার ৮১টি আসনের মধ্যে এনডিএ পেতে চলেছে ৪০-৪৪টি আসন। ইন্ডি জোটের ঝুলিতে থাকবে ৩০-৪০টি আসন। আর অন্যান্যরা পাবে ১-১টি আসন। 

    এবিপি ম্যাট্রিজের এক্সিট পোলেও এনডিএ

    এবিপি ম্যাট্রিজের এক্সিট পোলের হিসেব অনুযায়ী,ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) বিজেপি সরকার আসতে চলেছে। এই রাজ্যে ৮১টি আসনের মধ্যে ৪২ থেকে ৪৭টি, প্রায় ৪৫ শতাংশ ভোট পেতে পারে বিজেপি। অন্যদিকে, কংগ্রেস পেতে পারে ২৫ থেকে ৩০টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ১-৪টি আসন।

    এনডিএ সরকার গঠনের পক্ষে রায় পিপলস পালসের এক্সিট পোল

    পিপলস পালস সমীক্ষা অনুযায়ী, ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) এনডিএ সরকার গড়বে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তাদের এক্সিট পোল অনুযায়ী, ৮১টি আসনের মধ্যে এনডিএ ৪৪-৫৩টি আসন পাবে। ইন্ডি জোট পাবে ২৫-৩৭টি আসন। আর অন্যান্যরা পাবে ৫-৯টি আসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Krishna Janmabhoomi Case: কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলা, আদালত উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল পাকিস্তান থেকে

    Krishna Janmabhoomi Case: কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলা, আদালত উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল পাকিস্তান থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাহাবাদ হাইকোর্টে চলছে কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলা (Krishna Janmabhoomi Case)। এবার সেই আদালতই বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এল পাকিস্তান (Pakistan) থেকে। নভেম্বরের ১৩ তারিখে ওই হুমকি দেওয়া হয় ২২টি অডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে। অডিও পাঠানো হয়েছিল আশুতোষ পাণ্ডে নামের এক ব্যক্তির কাছে। তিনি কৃষ্ণ জন্মভূমি মামলার একজন আবেদনকারী। মথুরাভিত্তিক শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মুক্তি নির্মাণ ট্রাস্টের সভাপতিও তিনি।

    হুমকি বার্তা পাকিস্তান থেকে (Krishna Janmabhoomi Case)

    তিনি জানান, এই অডিও বার্তাগুলো হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানের দুটি নম্বর থেকে পাঠানো হয়। তিনি নভেম্বর ১৩ তারিখ রাত ৯টা ৩৬ মিনিটে এই বার্তাগুলো পান। সেখানেই তিনি এলাহাবাদ হাইকোর্টে বোমা হামলার হুমকি শুনতে পান। বোমা হামলার হুমকির পাশাপাশি বার্তাগুলিতে অশ্লীল ভাষা এবং পাণ্ডেকে ব্যক্তিগতভাবে হুমকি দেওয়া হয়। কলার সতর্ক করে বলে, নভেম্বর ১৯ তারিখে এলাহাবাদ হাইকোর্টে বোমা হামলা করা হবে এবং পরেরদিন পাণ্ডের ওপর হামলা হবে।

    পুলিশের হাতে অডিও ক্লিপ

    অডিও ক্লিপগুলি পুলিশের হাতে তুলে দেন তিনি। পাণ্ডে জানান, একইসঙ্গে তিনি পাকিস্তানের ওই নম্বরগুলি থেকে ফোন কলও পান। সেই কলেও একই ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। পাণ্ডে শামলির কান্দলা এলাকার বাসিন্দা। এই হুমকি-বার্তাগুলি তিনি শামলি পুলিশের কাছে জমা দেন। পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের ইমেইলও করেছেন। তিনি বলেন, “এর আগেও আমি একই ধরনের হুমকি পেয়েছিলাম। তাই প্রয়াগরাজ, কৌশাম্বী, ফতেপুর এবং মথুরায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: শুক্রবারের ‘খুতবা’ দিতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে, ছত্তিশগড়ের মসজিদগুলিকে নির্দেশ

    শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমিকে (Krishna Janmabhoomi Case) শাহি ইদগাহ মসজিদের নিয়ন্ত্রণ-মুক্ত করতে সব মিলিয়ে আবেদন করেছিলেন ১৮ জন। পাণ্ডে তাঁদেরই একজন। তিনি মসজিদের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মসজিদ কমিটির কর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, মইনপুরীর জনৈক অজয় প্রতাপ সিং তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় সারা দেশের মন্দিরগুলির তথ্য জানতে চেয়েছিলেন। তাতে মথুরায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এর উত্তর দিতে গিয়ে ১৯২০ সালে প্রকাশিত একটি গেজেটের ভিত্তিতে তথ্য দেয় এএসআই। সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আগে মসজিদের জায়গায় ছিল (Pakistan) কাটরা কেশবদেবের মন্দির (Krishna Janmabhoomi Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share