Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Uttar Pradesh: বাংলাদেশ থেকে নকল টাকা এনে মহাকুম্ভে ছড়ানোর চক্রান্ত, বাংলার জাকিরের খোঁজে পুলিশ

    Uttar Pradesh: বাংলাদেশ থেকে নকল টাকা এনে মহাকুম্ভে ছড়ানোর চক্রান্ত, বাংলার জাকিরের খোঁজে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে নকল টাকা ছড়ানোর চক্রান্ত ভেস্তে দিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড (ATS)। মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, এটিএস প্রয়াগরাজ এলাকার কাছে সারনাথ থেকে সুলেমান ও ইদ্রিশ নামে দু’জনকে আটক করে। তাদের কাছে প্রায় ১.৯৭ লক্ষ মূল্যের নকল টাকা মেলে। এদের ধরতে পারলেও পুলিশ এখন জাকিরের খোঁজ চালাচ্ছে। পুলিশের অনুমান, এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড জাকির।

    বাংলার যোগ

    উত্তরপ্রদেশ এটিএস সূত্রে খবর, জাকির পশ্চিমবঙ্গের মালদার বাসিন্দা। জাকিরই সুলেমান ও ইদ্রিশকে ভুয়ো মুদ্রা সরবরাহ করত। যেগুলি তারা উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন স্থানে বিতরণ করত। তদন্তে জানা গিয়েছে যে, জাকির ভুয়ো ভারতীয় মুদ্রা বাংলাদেশ থেকে নিয়ে আসত। সুলেমান ও ইদ্রিশ, বিহারের বৈশালী জেলার বাসিন্দা। মালদায় সুলেমানের পরিচয় হয়েছিল জাকিরের সাথে। সুলেমানকে জাল টাকা সহ আগেও বিহার পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। তখন সে হাজিপুর জেলে প্রায় ৬ মাস ছিল।

    কীভাবে অভিযান

    এটিএস-এর (ATS) ইনস্পেক্টর ভারতভূষণ তিওয়ারি সারনাথ থানায় ইতিমধ্যেই একটি মামলা নথিভুক্ত করেছেন। জানা গিয়েছে, ১৯ নভেম্বর এটিএস গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, একটি দল ভুয়ো মুদ্রা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বারাণসীতে এসেছে। পুলিশ সন্দেহভাজনদের খোঁজ করতে শুরু করে। ফরিদপুর বাইপাসে দুজন ব্যক্তিকে ব্যাগসহ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে পুলিশ। পুলিশকে সামনে দেখে পালিয়ে যায় তারা। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ তাদের ধরে ফেলে। তাদের কাছে ছিল একটি মোবাইল ফোন, প্যান কার্ড, টিকিট ও নগদ টাকা। তাদের কাছ থেকে ৫০০ টাকার ভুয়ো নোটের ব্যান্ডেল উদ্ধার হয়। 

    আরও পড়ুন: মোদির মুকুটে নয়া পালক, গায়ানা-বার্বাডোজেও সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান প্রধানমন্ত্রীকে

    জেরায় সুলোমান ও ইদ্রিশ জানায়, দুই দিন আগে তারা বৈশালী থেকে মালদা এসেছিল এবং জাকির তাদের প্রায় ২ লক্ষ টাকার ভুয়ো নোট সরবরাহ করেছিল। তারা আরও জানায় যে, তারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসার পর ভুয়ো নোটগুলি বারাণসীতে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছিল এবং বাকি নোটগুলি আগামী জানুয়ারি মাসে পরবর্তী মহাকুম্ভ মেলা উপলক্ষে প্রয়াগরাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Poorvi Prahar: অরুণাচলে ‘অপারেশন পূর্বী প্রহার’! চিন সীমান্তে ভারতের তিন বাহিনীর মহড়া

    Poorvi Prahar: অরুণাচলে ‘অপারেশন পূর্বী প্রহার’! চিন সীমান্তে ভারতের তিন বাহিনীর মহড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচলের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলএসি) ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার (স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনা) যৌথ যুদ্ধ মহড়া শেষ হল মঙ্গলবার। ‘অপারেশন পূর্বী প্রহার’ নামে গত আট দিন ধরে চলা যুদ্ধাভ্যাসের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে সেনা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই প্রস্তুতি।

    কেন এই মহড়া

    ভারতের সামরিক বাহিনীর তিন শাখা অরুণাচল প্রদেশে ‘ইস্টার্ন স্ট্রাইক’ মহড়া চালাচ্ছে। এই যৌথ মহড়ার উদ্দেশ্য হল প্রতিকূল পার্বত্য অঞ্চলে যৌথ অভিযান চালানোর জন্য ভারতীয় বাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করা। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, পূর্ব লাদাখে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে চিনের সঙ্গে আলোচনার ইতিবাচক পরিণতির পরে এ বার সিকিম এবং অরুণাচলে ‘নজর’ দিতে চাইছে নয়াদিল্লি। তারই প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসাবে এই ‘পূর্বী প্রহার’ বা ‘ইস্টার্ন স্ট্রাইক’ মহড়া।

    প্রকৃত যুদ্ধ পরিস্থিতির মোকাবিলা 

    সেনা সূত্রের খবর, চিন সীমান্তে এই মহড়ায় যোগ দেয় বায়ুসেনার বিভিন্ন যুদ্ধবিমান ও নজরদারি বিমান, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার’ রুদ্র। আমেরিকা থেকে আনা ১৫৫ মিলিমিটারের এম-৭৭৭ আলট্রালাইট হাউইৎজারের পাশাপাশি সোয়ার্ম ড্রোন, ফার্স্ট পার্সন ভিউ (এফপিভি) ড্রোন, এবং লয়টারিং মিউনিশন (আত্মঘাতী ড্রোন)-সহ অত্যাধুনিক নানা প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহার করেছে সেনা। দেশের প্রতিরক্ষা বিভাগে সেনার তিন শাখার জওয়ান ও অফিসারেরা পরিচিত হয়েছেন। প্রকৃত যুদ্ধ পরিস্থিতির কীভাবে মোকাবিলা করতে হয় তা, তরুণ অফিসারদের শেখানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pollution: দিল্লির পরই লখনউ-পাটনা, কলকাতাসহ দেশের অন্য শহরের দূষণের চিত্র কেমন?

    Pollution: দিল্লির পরই লখনউ-পাটনা, কলকাতাসহ দেশের অন্য শহরের দূষণের চিত্র কেমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে দূষণ (Pollution)। তবে, দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় দিল্লিতে দূষণ-মাত্রা অত্যন্ত ভয়ানক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত কয়েক দিনের পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে। তবে, দিল্লির দূষণ নিয়ে যখন গোটা দেশে চর্চা হচ্ছে, সেই তালিকায় খুব একটা পিছিয়ে নেই দেশের আরও দুই শহর লখনউ এবং পাটনা।

    দিল্লির দূষণের গুণগত মান কত?(Pollution)

    সিপিসিবি-র তথ্য অনুযায়ী, বাতাসের গুণগত মান যদি শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকে, তা হলে তা ভালো পর্যায়ের মধ্যে পড়ে। ৫১-১০০ (সন্তোষজনক), ১০১-২০০ (সামান্য খারাপ), ২০১-৩০০ (খারাপ), ৩০১-৪০০ (খুব খারাপ), ৪০১-৫০০ (অতি ভয়ানক)। মঙ্গলবার রাজধানীতে বাতাসের গুণগত মান (একিউআই) ৫০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। আর তার সঙ্গেই দেশের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় নাম উঠে এসেছে দিল্লির। কেন্দ্রীয় দূষণ (Pollution) নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (সিপিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, দূষণে দিল্লির পর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে পাটনা এবং লখনউ। পটনায় বাতাসের গুণগত মান ৩৫০ এবং লখনউয়ে ৩২১। যা খুব খারাপ পর্যায়ের মধ্যে পড়ে। উত্তরপ্রদেশের আটটি জেলাতেও দূষণের ছবি উদ্বেগজনক বলেই জানা গিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে মিরাট, গাজিয়াবাদ, শামলি, বুলন্দশহর, মুজফ্ফরনগর, হাপুর, বাগপত এবং গৌতমবুদ্ধ নগর। রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার সিং ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলা প্রশাসনকে দূষণ পরিস্থিতির ওপর নজরদারি চালানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    দেশের অন্যান্য শহরের কী অবস্থা?

    বিহারের রাজধানী পাটনা সহ বেশ কয়েকটি জেলায় বাতাসের গুণগত মান খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় দূষণ (Pollution) নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তথ্য বলছে, দানাপুরে বাতাসের গুণগত মান ৩৩২। পাটনার পরই। তার পরই রয়েছে হাজিপুর। সেখানে বাতাসের গুণগত মান ৪০৩। গয়ায় ২৯৪, আরারিয়ায় ২২১। তবে, পূর্ণিয়ায় বাতাসের গুণগত মান সন্তোষনজক। দিল্লি, পাটনা এবং লখনউ ছাড়াও কলকাতা-সহ দেশের অন্য শহরগুলির দূষণের ছবিটা কেমন? সিপিসিবি-র তথ্য অনুযায়ী, দিল্লি, পাটনা এবং লখনউয়ের পরেই রয়েছে ভোপাল (২০৯)। তার পর চণ্ডীগড় (২০৪), কলকাতা (Kolkata) (১৭৬), জয়পুর (১৪৯), ভুবনেশ্বর (১৩৭), রায়পুর এবং বেঙ্গালুরু (১২৮), চেন্নাই (১২২), আহমেদাবাদ (১১০)। খারাপ এবং সামান্য খারাপ পর্যায়ের মধ্যে রয়েছে এই সব শহরের বাতাসের গুণগত মান। মুম্বইয়ে বাতাসের গুণগত মান সন্তোষজনক (৯৯)। তবে অসমের গুয়াহাটি (৪৮) এবং কেরলের তিরুঅনন্তপুরমে (৬৬) বাতাসের গুণগত মান ভালো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JEE Advanced 2025: সুযোগের সংখ্যা ৩ থেকে কমে ২, জয়েন্ট অ্যাডভান্সড এন্ট্রাসের নিয়মে বড় বদল

    JEE Advanced 2025: সুযোগের সংখ্যা ৩ থেকে কমে ২, জয়েন্ট অ্যাডভান্সড এন্ট্রাসের নিয়মে বড় বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড (JEE Advanced 2025) পরীক্ষায় বসার নিয়মে বদল আনা হয়েছে। এবছর পর্যন্ত তিনবার পরীক্ষা দেওয়া যেত। এবার এই নিয়মে বদল এল। এবার থেকে পরীক্ষার্থীদের জন্য থাকবে কেবলমাত্র ২টি সুযোগ। আগে পরীক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষায় ২ বার বসার সুযোগ ছিল, গত মে মাসে তা বাড়িয়ে করা হয়েছিল ৩ বার। কিন্তু ফের এই সুযোগ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।  জয়েন্ট অ্যাডমিশন বোর্ডের সিদ্ধান্তে পড়ুয়াদের কমল সুযোগ।

    আর কী বদল এল? (JEE Advanced 2025)

    একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডমিশন (JEE Advanced 2025) বোর্ড জানিয়েছে, এবার থেকে ৩ বারের বদলে সমস্ত পড়ুয়া মাত্র ২ বারই এই পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী ২০২৩ সালে দ্বাদশ উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাঁরা ২০২৫ সালের জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় বসতে পারবে না। এর আগে পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ পড়ুয়ারা বসতে পারতেন পরীক্ষায়। এবার আর সেটা হবে না। কারণ, ৩ বার পরীক্ষা (Examination) দেওয়ার সুযোগ যেহেতু থাকছে না, তাই ২০২৩-এ উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ২০২৩ এবং ২০২৪ এই দুই বছরে ইতিমধ্যেই পরীক্ষা দিয়ে থাকবেন, ফলে তাদের কাছে আর কোনও অতিরিক্ত সুযোগ বেঁচে নেই। এবার থেকে সমস্ত পড়ুয়ারা মাত্র ২ বারই জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় বসতে পারবেন। ফলে পড়ুয়াদের একটা বড় অংশ এতে হতাশ হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    যোগ্যতার মানদণ্ড

    ২০০০ সালের ১ অক্টোবর বা তার পরে জন্মগ্রহণকারী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তফশিলি জাতি ও উপজাতি প্রার্থীদের জন্য পাঁচ বছরের বয়স শিথিল রয়েছে। ফলে, ১৯৯৫ সালে ১ অক্টোবর বা তার পরে জন্মগ্রহণ করেছেন এমন প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। JEE অ্যাডভান্সডের (JEE Advanced 2025) জন্য অন্যান্য যোগ্যতার মানদণ্ড একই থাকবে। এছাড়া  যে প্রার্থীরা ২০২৪ সালে যে কোনও IIT- তে একটি প্রস্তুতিমূলক কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন, তাঁরা JEE Advanced 2025-এর জন্য উপস্থিত হওয়ার যোগ্য রয়েছেন। তবে, যে প্রার্থীরা যে কোনও কারণে IIT-এ ভর্তি হওয়ার পরে বাতিল হয়েছিলেন, তাঁরা পরীক্ষায় বসার যোগ্য নন। যোগ্য হওয়ার জন্য প্রার্থীদের অবশ্যই ২০২৩, ২০২৪ এবং ২০২৫ প্রথমবার দ্বাদশ শ্রেণি বা তার সমতুল্য পরীক্ষায় বসতে হবে। আর পদার্থবিদ্যা, রসায়ন এবং গণিত বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে থাকতে হবে। ২০২২ বা তার আগে যারা প্রথমবার দ্বাদশ শ্রেণি বা সমতুল্য  পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল তারা জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড(JEE Advanced 2025) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য নয়। ২০১৩ সাল থেকে যোগ্যতার মানদণ্ডগুলি অপরিবর্তিত রয়েছে ওয়েবসাইট https://jeeadv.ac.in/ অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

    প্রার্থী বাছাইয়ে নিয়ম

    জানা গিয়েছে, বিভিন্ন বিভাগে প্রার্থীদের (JEE Advanced 2025) বাছাই করার জন্য শতাংশ ঠিক রয়েছে। GEN-EWS প্রার্থীদের ১০ শতাংশ, OBC-NCL প্রার্থীদের ২৭ শতাংশ, SC প্রার্থীদের ১৫ শতাংশ এবং ST প্রার্থীদের জন্য ৭,৫ শতাংশ। বাকি ৪০.৫ শতাংশ সবার জন্য রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Pollution: দিল্লিতে বায়ু দূষণের জের, সব শ্রেণির ক্লাস অনলাইনে করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Delhi Pollution: দিল্লিতে বায়ু দূষণের জের, সব শ্রেণির ক্লাস অনলাইনে করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি দূষণের (Delhi Pollution) মাত্রা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শীতের মরশুমের আগেই স্বাভাবিক জনজীবন বিশেষ ভাবে ব্যাহত হয়ে পড়েছে। সোমবার ছিল দিল্লিতে বছরের দুষিততম দিন। সেদিনই, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, রাজধানীর স্কুলগুলিতে সব শ্রেণির ক্লাস অনলাইনে করতে হবে। মঙ্গলবার থেকেই এই নিয়ম কার্যকর করা হয়। একই ভাবে দিল্লি এবং রাজধানী-লাগোয়া তিন রাজ্যের একাংশে স্কুল বন্ধ রাখার কথা বলে প্রশাসনকে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

    কেন দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস খোলা? সুপ্রিম-প্রশ্ন  (Delhi Pollution)

    নতুন বিধিনিষেধ অনুযায়ী রাজধানীতে (Delhi Pollution) কেবলমাত্র একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির জন্য স্কুল খোলা রাখার নির্দেশ জারি করেছিল দিল্লির আপ সরকার। বাকি শ্রেণির জন্য অনলাইন ক্লাসের নির্দেশ জারি হয়েছিল। কিন্তু দিল্লি আপ সরকারের এই নির্দেশ সোমবার সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়ে। বিচারপতি অভয় এএস ওকা এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহর বেঞ্চ-এর প্রশ্ন তোলেন, একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির (School) পড়ুয়াদের ফুসফুস কি আলাদা? এর পরই, সব শ্রেণির ক্লাস অনলাইনে করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

    স্কুল বন্ধ মানে পড়াশুনা বন্ধ নয়

    সুপ্রিম কোর্ট, দিল্লি ছাড়াও জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের মধ্যে থাকা হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানের বেশ কিছু অঞ্চলেও স্কুল (School) বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। পড়ুয়াদের দূষণের হাত থেকে রক্ষা পেতে কোর্ট এই নির্দেশ দিয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে স্কুল বন্ধ মানে পড়াশুনা বন্ধ এমন কিছু ভাবনা নয়। সশরীরে স্কুলে উপস্থিত না থাকলেও অনলাইনে বাড়িতে বসে ক্লাস করতে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের। উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ (গ্র্যাপ-৪) চালু করেছে দিল্লি সরকার (Delhi Pollution)। আট দফা বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে। প্রথমে প্রাথমিক স্কুলগুলির ক্লাস অনলাইনে করানোর নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির আপ সরকার। পরে দশম শ্রেণি পর্যন্ত অনলাইনে ক্লাস করানোর কথা বলা হয়।

    আরও পড়ুন: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    কোর্টের প্রশ্ন

    সোমবারের শুনানিতে আপ সরকারকে ধমক দেন বিচারপতিদ্বয়। তাঁরা জানতে চান, দূষণ (Delhi Pollution) নিয়ন্ত্রণের জন্য কড়া পদক্ষেপ নিতে এত বিলম্ব কেন করছে প্রশাসন? সেই সঙ্গে আরও বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চতুর্থ পর্যায়ের ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ (গ্র্যাপ-৪) বহাল রাখতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া তা তোলা যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati: তিরুপতি মন্দিরের বড় সিদ্ধান্ত, কর্মকাণ্ড থেকে বাদ অহিন্দুরা, প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক বিবৃতি

    Tirupati: তিরুপতি মন্দিরের বড় সিদ্ধান্ত, কর্মকাণ্ড থেকে বাদ অহিন্দুরা, প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক বিবৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি (Tirupati) ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে যে কোনও রকমের কাজে আর নিযুক্ত থাকতে পারবেন না অহিন্দুরা। সোমবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিরুপতি মন্দিরের পরিচালন সংস্থা। প্রসঙ্গত, তিরুপতি মন্দিরের পরিচালন সংস্থার নাম হল তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম (টিটিডি)। এমন প্রস্তাব পাশ করার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের (Tirupati Temple) চেয়ারম্যান বিআর নাইডু। তবে এখনও পর্যন্ত সঠিক তথ্য জানা যায়নি, ঠিক কতজন অহিন্দু কর্মচারী সেখানে নিযুক্ত রয়েছেন। স্থানীয় একটি সূত্র ইতিমধ্যে সংবাদ মাধ্যমের কাছে দাবি করেছে, মন্দিরের দৈনন্দিন ও প্রশাসনিক নানা রকমের কাজের জন্য অন্তত ৭,০০০ স্থায়ী কর্মচারী রয়েছেন। এই কর্মচারীদের মধ্যে অন্তত ৩০০ জন অ-হিন্দু সম্প্রদায়ের। প্রসঙ্গত, স্থায়ী কর্মী ছাড়া অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি তিরুমালা মন্দিরের (Tirupati) ১৪ হাজার অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। প্রসঙ্গত, মন্দির কমিটি এও সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তিরুমালা পাহাড়ে কোনও রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়া যাবে না।

    সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বেশিরভাগ কর্মচারী সংগঠন

    মন্দির কর্তৃপক্ষের পাশ করা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, মন্দিরের অ-হিন্দু কর্মচারীদের হয় স্বেচ্ছাবসর নিতে হবে, না হলে তাঁদের অন্য সরকারি দফতরে বদলি করা হবে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বেশিরভাগ কর্মচারী সংগঠনই। একটি কর্মচারী সংগঠনের মতে, তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম-এর যে বিধির কথা এতদিন বলা হচ্ছিল, এতদিনে তা কার্যকর করা হল। প্রসঙ্গত, গত ৩১ অক্টোবরই তিরুমালা তিরুপতি (Tirupati Temple) দেবস্থানমের চেয়ারম্যান করা হয় বিআর নাইডুকে। তারপরেই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, গোটা মন্দিরের প্রশাসন হিন্দুদের দ্বারাই পরিচালনা করা হবে।

    সাম্প্রতিক লাড্ডু বিতর্ক (Tirupati)  

    প্রসঙ্গত, এর আগেও একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তিনবার তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের আইনেও বদল করা হয়েছিল। সে সময় বলা হয়েছিল যে মন্দির পরিচালন করবেন হিন্দুরাই। কিন্তু এর পরেও বহু অহিন্দু সম্প্রদায়ের কর্মচারী মন্দিরের প্রশাসনিক নানা কাজে নিযুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এরপরে চন্দ্রবাবু নাইডুর সরকার ক্ষমতায় আসতেই ফের বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তারপরে আবার লাড্ডু বিতর্কে সংবাদ শিরোনামে এসেছিল তিরুপতি মন্দির। তেলুগু দেশম পার্টির নেতা চন্দ্রবাবু নাইডুর অভিযোগ, পূর্বতন জগন্মোহন রেড্ডি সরকারের আমলে প্রসাদী লাড্ডু বানানোর সময় ঘি এর সঙ্গে পশুর চর্বি মেশানো হত। এক্ষেত্রে গুজরাতের এক সরকারি ল্যাবরেটরির জুলাই মাসের রিপোর্ট উদ্ধৃত করেন অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী। এরপরেই মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষার ইস্যুটি ফের সামনে চলে আসে।

    সংবিধানসম্মত সিদ্ধান্ত

    প্রসঙ্গত, তিরুমালা তিরুপতি (Tirupati) দেবস্থানমের এই প্রস্তাব ইতিমধ্যে অন্ধপ্রদেশ সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গতকাল সোমবারই প্রস্তাব পাঠানো হয়। মন্দির কমিটি যে প্রস্তাব পাশ করেছে সেখানে ভারতের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের ১৬(৫) অনুচ্ছেদই প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি শুধুমাত্র সেই ধর্মেরই ব্যক্তিদের নিয়োগ করবে, যাঁদের ওই মন্দির প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে। এরফলে পবিত্রতা রক্ষা করা যায় ধর্মস্থানের।

    সম্প্রতি অন্ধ্রের হাইকোর্টের রায়

    জানা গিয়েছে, তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের (Tirupati Temple) এই বৈঠক সেখানকার অন্নময় ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রসঙ্গত, তিরুমালা তিরুপতি মন্দিরকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হিন্দু মন্দির হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রসঙ্গত, ওই বৈঠকের প্রস্তাব হাতে পেতেই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু ঘোষণা করেছেন, মন্দিরের সমস্ত অহিন্দু কর্মচারীদের স্বেচ্ছা অবসর স্কিম দেওয়া হবে অথবা তাঁদেরকে অন্য সরকারি বিভাগে স্থানান্তর করা হবে। প্রসঙ্গত, প্রায় প্রতিটি কর্মচারী সংগঠনই এই সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তারা এক্ষেত্রে বলছেন যে অন্ধ্রপ্রদেশ এনডাউসমেন্ট অ্যাক্ট, টিটিডি অ্যাক্ট এবং ১৯৮৯ সালের একটি সরকারি আদেশের সঙ্গেও এই নির্দেশ সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অন্ধ্র হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ করে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যে সমস্ত কর্মী কাজ করবেন, তাঁদেরকে ওই প্রতিষ্ঠানের যে বিশ্বাস সেটাকে মেনে চলতে হবে। মনে করা হচ্ছে, অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণে আরও ত্বরান্বিত হয়েছে মন্দির কমিটির এই সিদ্ধান্ত।

    সরছে বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে অ্যাকাউন্ট 

    একই সঙ্গে তিরুমালা তিরুপতি বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মন্দিরের আর্থিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে তাদের সমস্ত অ্যাকাউন্ট সরকারি ব্যাঙ্কে স্থানান্তর করা হবে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পরবর্তী বোর্ড মিটিংয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মন্দির কমিটির কর্মকর্তারা।
    জানা গিয়েছে, বর্তমানে তিরুপতি মন্দিরের দেবতা দর্শন করতে দর্শনার্থীদের অপেক্ষা করতে হয় কুড়ি থেকে ত্রিশ ঘণ্টা। মন্দির কমিটি এই বিষয়টি নিয়েও বিবেচনা করছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী দিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে অপেক্ষার সময় দুই থেকে তিন ঘণ্টা কীভাবে কমিয়ে আনা যায় তাও ভাবা হচ্ছে।

    রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়া যাবে না তিরুমালা পাহাড়ে 

    একইসঙ্গে ভারতবর্ষের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্দিরে আধ্যাত্মিকতা এবং অরাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতেও উদ্যোগী হয়েছে মন্দির সমিতি। ঠিক এই কারণে সেজন্য বোর্ড আরও কতগুলি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিরুমালা মন্দিরে কোনও রকমের রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি মন্দির সমিতির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাঙ্গণে যে কোনও রাজনৈতিক দল তাদের অ্যাজেন্ডা যদি প্রচার করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    একইসঙ্গে, তিরুমালা মন্দিরের ব্রহ্মোৎসবে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীদের ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। তিরুপতি মন্দিরের আশেপাশের বাসিন্দারা প্রতি মাসের প্রথম মঙ্গলবার বিশেষ দর্শন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh Waqf Board: শুক্রবারের ‘খুতবা’ দিতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে, ছত্তিশগড়ের মসজিদগুলিকে নির্দেশ

    Chhattisgarh Waqf Board: শুক্রবারের ‘খুতবা’ দিতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে, ছত্তিশগড়ের মসজিদগুলিকে নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন নির্দেশ ছত্তিশগড় ওয়াকফ বোর্ডের (Chhattisgarh Waqf Board)! তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শুক্রবার নমাজ আদায়ের সময় দেওয়া সমস্ত ধর্মীয় বক্তব্যের আগাম অনুমোদন করাতে হবে (BJP)। রাজনৈতিক অশান্তি এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলেও জানিয়ে দিয়েছে ওয়াকফ বোর্ড। বোর্ডের চেয়ারম্যান সলিম রাজ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলেন, “মসজিদে দেওয়া ভাষণ হওয়া উচিত কেবল ইসলামি শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে। বক্তৃতায় রাজনৈতিক বিষয় এড়িয়ে চলা উচিত।”

    কী বলছেন ওয়াকফ বোর্ড প্রধান? (Chhattisgarh Waqf Board)

    গত মাসেই ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছেন সলিম। তিনি রাজ্যে বিজেপি-র সংখ্যালঘু শাখার প্রধানও। হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। সলিম বলেন, “ধর্মীয় স্থানগুলোকে রাজনৈতিক আড্ডায় পরিণত করা উচিত নয়। রাজনীতি রাজনীতিবিদদের জন্য, আর খুতবা (ধর্মীয় বক্তব্য) শুধুমাত্র ইসলাম ও আল্লাহ্-র বার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।”

    সরকার বিরোধী বক্তব্য

    জানা গিয়েছে, বোর্ড ৩ হাজার ৮০০টি মসজিদে এই নির্দেশ কার্যকর করার পরিকল্পনা করেছে। এটি শুরু হবে এই শুক্রবার থেকেই। সলিম জানান, এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে কিছু মসজিদে সরকার-বিরোধী বক্তব্যের অভিযোগ পাওয়ার পরে। এই অভিযোগ এসেছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি থেকে। সলিমের এই নির্দেশের কড়া সমালোচনা করেছে বিরোধী দলগুলি। এআইএমআইএমের পাশাপাশি কংগ্রেসও রয়েছে সমালোচকদের মধ্যে। এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি সলিমের এই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করেছেন।

    তাঁর দাবি, এটি (Chhattisgarh Waqf Board) সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে, যা ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেয়। তিনি বলেন, “ওয়াকফ বোর্ডের খুতবার আগে (Chhattisgarh Waqf Board) অনুমোদন নেওয়ার আইনি কোনও ক্ষমতা নেই। থাকলেও এটি অসাংবিধানিক হবে।” সমালোচনা করেছে কংগ্রেসও। তাদের বক্তব্য, এটি বাকস্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ। দলের মুখপাত্র সুশীল আনন্দ শুক্লা বলেন, “ওয়াকফ বোর্ড সম্পত্তি পরিচালনা করে। কিন্তু মসজিদে প্রদত্ত খুতবার বিষয়বস্তু নির্ধারণের কোনও ক্ষমতা তাদের নেই।”

    আরও পড়ুন: ‘‘এক দশকে দেশের ২৫ কোটি মানুষের দারিদ্রতা দূর করা গিয়েছে’’, জি২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    বিজেপির মুখপাত্র তৌকির রাজার বক্তব্য, ধর্মীয় স্থানে অবাধ রাজনৈতিক বক্তব্য উত্তেজনা বাড়াতে পারে। কাশ্মীরের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “সেখানে ফতোয়া হিংসকে উৎসাহিত করেছে, যার ফলে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর আক্রমণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “আমরা নিশ্চিত করছি যে (BJP) মসজিদগুলি যেন রাষ্ট্রবিরোধী বা বিতর্কিত কার্যক্রমে ব্যবহৃত না হয় (Chhattisgarh Waqf Board)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • BJP: ‘‘ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উৎখাত করতে হবে’’, বললেন বিজেপি প্রার্থী চম্পাই সোরেন

    BJP: ‘‘ঝাড়খণ্ডে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের উৎখাত করতে হবে’’, বললেন বিজেপি প্রার্থী চম্পাই সোরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারাইকেলা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) প্রার্থী এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন সোমবার ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে (Jharkhand Assembly Election) তাঁর দলের জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। ইতিমধ্যে প্রথম দফার ভোট হয়ে গিয়েছে। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে বিজেপি (BJP) এই রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী? (BJP)

    এএনআই-এর সঙ্গে কথা বলার সময় বিজেপি (BJP) প্রার্থী চম্পাই সোরেন বলেন, ‘‘আমরা ঝাড়খণ্ডে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জিতব। সাঁওতাল পরগনায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ সবচেয়ে বড় সমস্যা, আমাদের অনুপ্রবেশকারীদের উৎখাত করতে হবে।’’ এর আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা ঝাড়খণ্ড নির্বাচনের বিজেপি সহ-ইনচার্জ হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছিলেন যে প্রচারে ভালো সাড়া মিলেছে। এবার এই রাজ্যে জনগণ রাজ্যে একটি ডাবল ইঞ্জিন সরকার চায়। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘‘আমরা গত ৪ মাস ঝাড়খণ্ডে কাটিয়েছি। মানুষ প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্য খুবই উচ্ছ্বসিত। মানুষ ডাবল ইঞ্জিনের সরকার চায়। ঝাড়খণ্ডে উন্নয়ন হওয়া উচিত। জনগণের আকাঙ্খা পূরণ করা এই নির্বাচনে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘‘আমরা আত্মবিশ্বাসী যে এনডিএ রাজ্যে সরকার গঠন করবে। মানুষ চায় সরকার আসুক, অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, যুব ও মহিলাদের আশা পূরণ হোক। আমি মনে করি আমরা নির্বাচনে ভালো প্রচার চালিয়েছি। আমাদের দলে কর্মীরা একসঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করেছে। আমি নিশ্চিত যে পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করব। ’’

    আরও পড়ুন: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: অসমের করিমগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে হল শ্রীভূমি, ঘোষণা হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    Himanta Biswa Sarma: অসমের করিমগঞ্জের নাম পরিবর্তন করে হল শ্রীভূমি, ঘোষণা হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের (Assam) করিমগঞ্জ জেলার নাম পরিবর্তন করে হবে শ্রীভূমি জেলা। যার অর্থ মা লক্ষ্মীর ভূমি। সিলমোহর পড়েছে অসমের রাজ্য ক্যাবিনেটে। এছাড়া ক্যাবিনেট বৈঠকে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তেও সিলমোহর পড়েছে। কেন করিমগঞ্জের নাম বদল করা হয়েছে, এর পিছনে যুক্তিও ব্যাখ্যা করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)।

    কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী? (Himanta Biswa Sarma)

    দিসপুরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma) বলেন,“ আমরা অসমের বিভিন্ন জেলায় বেশ কয়েকটি গ্রামীণ এলাকার নাম পরিবর্তন করেছি। রাজ্য মন্ত্রিসভা করিমগঞ্জ জেলার নাম পরিবর্তন করে শ্রীভূমি জেলা করতে সম্মত হয়েছে। এর নতুন নাম হবে শ্রীভূমি।” ঐতিহাসিক এবং ভাষাগত প্রাসঙ্গিকতার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা ধীরে ধীরে সেই সব জায়গার নাম পরিবর্তন করব যেখানে ঐতিহাসিক বা আভিধানিক অর্থ নেই। অসমের আরও বহু গ্রাম, অঞ্চলের নামও পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন করা হবে।” নতুন নামকরণের এই সিদ্ধান্তকে ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন,  “উদাহরণস্বরূপ, কালাপাহাড় ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ নয়। একইভাবে করিমগঞ্জও অর্থহীন। অসমীয়া এবং বাংলা অভিধান করিমগঞ্জের কোনও অর্থ নেই।”  একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে, মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে, ‘‘এই পদক্ষেপটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও সম্মান জানানো হবে। কারণ, তিনি এই অঞ্চলটিকে অবিভক্ত ভারতের শ্রীভূমি হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক শতাব্দীরও বেশি আগে অসমের বর্তমান করিমগঞ্জ জেলাকে শ্রীভূমি বা মা লক্ষ্মীর দেশ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। অসম মন্ত্রিসভা আমাদের জনগণের এই দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণ করেছে।’’

    অসমের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছেন সুকান্ত

    কেন্দ্রীয়মন্ত্রী তথা বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “অসমের মানুষের স্বপ্নপূরণ হল। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেওয়া নাম ক্যাবিনেটে অনুমোদন করায় অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে (Himanta Biswa Sarma) ধন্যবাদ জানাই।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Assembly Elections: মহারাষ্ট্রে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাজুটি জোটকে পূর্ণ সমর্থন শিখ সম্প্রদায়ের

    Maharashtra Assembly Elections: মহারাষ্ট্রে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাজুটি জোটকে পূর্ণ সমর্থন শিখ সম্প্রদায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Maharashtra Assembly Elections) মহারাষ্ট্রে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাজুটি জোটকে পূর্ণ সমর্থনের কথা ঘোষণা করল শিখ সম্প্রদায়। সোমবার শিখ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, “গত আড়াই বছরে, সরকার গুরু নানক নাম লেবা সঙ্গত, শিখ, হিন্দু পাঞ্জাবি, লুবানা, সিকলিগার এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের কল্যাণে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।” তারা আরও উল্লেখ করেছে, “বিজেপি সরকার শুধু এই সম্প্রদায়গুলির জন্য উপকারি ঘোষণাই করেনি, বরং তাদের উন্নতির জন্য ঐতিহাসিক পদক্ষেপও করেছে।”

    মহাজুটি জোটের পাশে শিখরা

    সোমবার মহারাষ্ট্রের ২৮৮টি আসনের সবগুলিতেই প্রচার (Maharashtra Assembly Elections) শেষ হয়েছে। বুধবার ওই কেন্দ্রগুলিতে ভোটগ্রহণ হবে। বুধবার এক দফায় মহারাষ্ট্রে ২৮৮টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে। গণনা ২৩ নভেম্বর। মূল লড়াই বিজেপি-শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে)-এনসিপি-র (অজিত) জোট ‘মহাজুটি’এবং কংগ্রেস-শিবসেনা (ইউবিটি)-এনসিপি-র (শরদ) ‘মহাবিকাশ আঘাড়ি’র মধ্যে। সম্প্রতি, একজন শিখ সদস্যকে মহারাষ্ট্র সরকারের মাইনরিটি কমিশনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ১১ সদস্যের মহারাষ্ট্র রাজ্য পাঞ্জাবি সাহিত্য অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই উদ্যোগগুলি স্পষ্টভাবে সরকারের উদ্দেশ্য এবং শিখ সম্প্রদায়ের কল্যাণ ও অগ্রগতির প্রতি প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে বলে মনে করা হচ্ছে।

    শিখ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা গুরু নানক নাম লেবা সঙ্গত, শিখ, হিন্দু, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, সিকলিগার, বানজারা ও লুবানা সম্প্রদায় এই ইতিবাচক পদক্ষেপগুলির জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা আশাবাদী যে, সরকার ভবিষ্যতেও সমস্ত সম্প্রদায়ের কল্যাণে একই উদ্দেশ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবে। তাই এই সম্প্রদায়ের সকল প্রতিনিধিদের মহাজুটি জোটকে ভোট দিতে আহ্বান জানিয়েছে শিখ সংগঠনটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share