Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Narendra Modi: বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, দেওঘর বিমানবন্দরে ২ ঘণ্টারও বেশি আটকে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, দেওঘর বিমানবন্দরে ২ ঘণ্টারও বেশি আটকে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচার শেষ করে দিল্লি ফেরার পথে বিমানবন্দরেই আটকে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমান ছাড়ার অনুমতি মেলেনি। প্রসঙ্গত, শুক্রবার ছিল আদিবাসী নেতা বিরসা মুন্ডার জন্মবার্ষিকী। এই দিনটি জনজাতি গৌরব দিবস হিসেবে পালন করা হয়। আগামী বুধবার ঝাড়খণ্ডে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন। তার আগে শুক্রবার আদিবাসী অধ্যুষিত রাজ্যের জামুই ও দেওঘরে দু’টি সভা করেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। সভা শেষ করে সোজা  দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। তার মধ্যেই এই বিপত্তি। প্রায় ২ ঘণ্টা অপেক্ষার পর বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে প্রধানমন্ত্রী দিল্লির পথে রওনা দেন। 

    ঠিক কী ঘটেছে? (Narendra Modi)

    পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রচার শেষে দেওঘর থেকে বিমানে দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। সেই মতো বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে বিমান ওড়েনি। প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) বিমানবন্দরে পৌঁছলেও, তড়িঘড়ি তাঁর বিমান আটকে দেওয়া হয়। বিমান পরীক্ষা করার কাজ চলে। কাজ করে টেকনিক্যাল টিম। বিমান সারাই হলে, তারপরই উড়বে বলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছিল। পরে অবশ্য বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে তিনি দিল্লি উড়ে যান। দিল্লি থেকেই সেটি পাঠানো হয়। দেওঘর বিমানবন্দরেই দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই কারণে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা হয়। 

    আরও পড়ুন: প্ররোচনা দিয়ে করা হয়েছিল খ্রিস্টান, ফের সনাতন ধর্মে ফিরলেন প্রায় ১৫০ হিন্দু

    আটকে রাহুলও

    অন্যদিকে, দেওঘর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় কপ্টারে প্রায় দু’ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে ছাড়পত্র না পাওয়ায় প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে থাকে রাহুল গান্ধীর কপ্টার। কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে বিধি ভেঙে রাহুলের কপ্টারকে ওড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। দু’ঘণ্টা পরে পরে রাহুলের কপ্টারকে ওড়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSNL: গ্রাহকদের আরও কাছে! দেশে প্রথম  ‘স্যাটেলাইট টু ডিভাইস’ পরিষেবা চালু করল বিএসএনএল

    BSNL: গ্রাহকদের আরও কাছে! দেশে প্রথম ‘স্যাটেলাইট টু ডিভাইস’ পরিষেবা চালু করল বিএসএনএল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএনএল (BSNL) ভারতে ‘স্যাটেলাইট টু ডিভাইস’ (Satellite to Device Service) পরিষেবা চালু করেছে। গ্রাহকদের নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ দিয়ে পরিষেবাকে আরও উন্নত করতেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছে। টেলিকমিউকেশন বিভাগের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা করা হয়েছে। বিএসএনএলকে যাতে আরও সহজলভ্য করা যায়, সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই এই ভাবনা বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ভিয়াস্যাট (Viasat)-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ (BSNL)

    জানা গিয়েছে, ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (BSNL) ভারতে প্রথম স্যাটেলাইট সংযোগ পরিষেবা চালু করেছে। এই (Satellite to Device Service) যোগাযোগ পরিষেবা মার্কিননির্ভর প্রযুক্তি কোম্পানি ভিয়াস্যাট (Viasat)-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। এর মূল লক্ষ্য হল দেশের প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার ব্যবহারকারীদের সংযুক্ত করা। এই উদ্যোগে ভারতের ভূ-মণ্ডল পৃষ্ঠের সমান্তরাল বরাবর যোগাযোগ স্থাপন হবে। বিশ্বের আর বাকি যে দেশগুলিতে এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার হয়, এখন থেকে তাদের সঙ্গে ভারতের নামও যুক্ত হল। একে বিরাট চমক বলেই অনেকে মনে করছেন।

    আরও পড়ুনঃ মণিপুরে নতুন করে হিংসা ছড়াতেই ৬টি থানা এলাকায় আফস্পা জারি

    ইউপিআই ব্যবহার করার সুবিধা 

    ভিয়াস্যাট কোম্পানি অক্টোবর মাসেই ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসে অংশগ্রহণকারীদের জন্য স্যাটেলাইট চালিত এই পরিষেবা নিয়ে সফল প্রদর্শনী করেছিল। ইতিমধ্যে ট্রায়ালে দেখা গিয়েছে, নন টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্ক সংযোগের জন্য সক্ষম একটি বাণিজ্যিক স্মার্টফোন ব্যবহার করে দ্বিমুখী এবং জরুরি বার্তা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে প্রেরণ করা যায়। এই ক্ষেত্রে বার্তাগুলি প্রায় ৩৬০০০ কিমি দূরে জিও স্টেশনারি এল-ব্যান্ড স্যাটেলাইটে পাঠানো হয়েছিল। বিএসএনএল-এর (BSNL) এই স্যাটেলাইট (Satellite to Device Service) পরিষেবা ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় জরুরি কল, এসওএস বার্তা এবং ইউপিআই ব্যবহার করার সুবিধা পাবেন বলে জানা গিয়েছে। তবে জরুটি অবস্থার বাইরে দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য নিয়মিত কল বা এসএমএস করা যাবে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট করে বলা হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে নতুন করে হিংসা ছড়াতেই ৬টি থানা এলাকায় আফস্পা জারি

    Manipur: মণিপুরে নতুন করে হিংসা ছড়াতেই ৬টি থানা এলাকায় আফস্পা জারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে সহিংসতার মধ্যেই মণিপুরে (Manipur) সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ ক্ষমতা আইন (আফস্পা) আরোপ করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর আইন জিরিবাম সহ ছয়টি থানায় পুনর্বহাল করা হয়েছে। উল্লেখ্য এখানেই শেষবার হিংসা সংগঠিত হয়েছিল। উল্লেখ্য গত সোমবার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে কুকি জঙ্গিদের সংঘর্ষে ১০ জন সন্দেহভাজন দুষ্কৃতীর হত্যার ঘটনা ঘটেছিল। গোটা এলাকা এখনও থমথমে।

    কোন কোন থানায় পুনর্বহাল আফস্পা (Manipur)?

    সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে এই এলাকাকে অশান্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তাই নিরাপত্তা বিষয়ে কড়া নজর রাখা হয়েছে। এলাকায় আফস্পা আরোপ করা হয়েছে। এই ছয় থানা হল— ইম্ফল পশ্চিম জেলার সেকমাই, লামসাং, ইম্ফলপূর্ব জেলার জিরিবাম, কাংপোকপির লেইমাখং এবং বিষ্ণুপুরের মৈইরাং।

    পুলিশের বিবৃতি

    অশান্তির ঘটনা না ঘটায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখে মণিপুরের ১৯টি থানায় আফস্পা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল আগেই। কিন্তু ফের গত সপ্তাহে অশান্তির কারণে কড়া অবস্থান নিয়েছে সেনা। মণিপুর (Manipur) রাজ্যের পুলিশ একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, “গত ৯ সেপ্টেম্বর মেইতি এবং কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষে ভয়ঙ্কর বন্দুক দিয়ে লড়াই হয়। মৃতদের মধ্যে তিনজন চুরাচাঁদপুর জেলার কুকি বিদ্রোহী বলে জানা গিয়েছে। চতুর্থ মৃতদেহটি জিরবামের কুকি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে চিহ্নিত করা গিয়েছিল। আবার পঞ্চম মৃতদেহ মেইতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (পাম্বে)-এর সদস্য হিসেবে শনাক্ত করা গিয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘হিংসার রাজধানী পশ্চিমবঙ্গ, তোষণের রাজনীতি করছেন মমতা’, তোপ গিরিরাজের

    সাসপেনশন অফ অপারেশনস চুক্তি

    ২০২৩ সালে হাইকোর্টের সংরক্ষণ বিষয়ক রায়কে ঘিরে মণিপুরের (Manipur) মেইতেই এবং কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত। প্রচুর পরিমাণে মাদকদ্রব্য চোরাচালান, ড্রাগ কারবারি এবং মায়ানমারের একাধিক জঙ্গি সংগঠন সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু ভারত সরকার এবং মণিপুর সরকারের যৌথ আহ্বানে কুকি-জো উপজাতিদের প্রায় ২৪টি বিদ্রোহী গোষ্ঠী একটি যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষর করেছিল আগেই। যার নাম সাসপেনশন অফ অপারেশনস চুক্তি। তাতে বলা হয়, বিদ্রোহীরা নির্ধারিত ক্যাম্পে থাকতে হবে এবং তাদের অস্ত্র জমা রাখতে হবে। নিয়মিত চলবে নজরদারি। যদিও এই চুক্তি গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়েছে। এখনও চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। মণিপুরের পার্বত্য অঞ্চলে হিংসার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২২০ জনেরও বেশি লোককে হত্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রায় ৫০,০০০ মানুষকে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। সবটা মিলিয়ে মণিপুরে অশান্তির কালো মেঘ এখনও কাটেনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বিরসা মুন্ডার জন্মজয়ন্তীতে জামুইতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মোদির, ৬,৬৪০ কোটির প্রকল্পের সূচনা

    PM Modi: বিরসা মুন্ডার জন্মজয়ন্তীতে জামুইতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মোদির, ৬,৬৪০ কোটির প্রকল্পের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার জনজাতি গৌরব দিবস পালন করতে বিহারের জামুইতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রসঙ্গত ১৫ নভেম্বর বিরসা মুন্ডার জন্মদিন। এই দিনটিকে মোদি সরকার জনজাতি গৌরব দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। চলতি বছরে বিরসা মুন্ডার (Birsa Munda) দেড়শতম জন্মবার্ষিকী পালন হচ্ছে দেশজুড়ে। এই উপলক্ষেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জামুইতে ভগবান বিরসা মুন্ডার মূর্তিতে মাল্যদান করেন।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)? 

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এনিয়ে লেখেন, ‘‘জনজাতি গৌরব দিবসে ভগবান বিরসা মুন্ডার দেড়শতম জন্মবার্ষিকীর শুভারম্ভ হল। এই কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। জামুইয়ের ভূমি থেকে আমি সমস্ত আদিবাসী ভাই-বোনেদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।’’ 

    প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এদিনই ভগবান বিরসা মুন্ডার স্মরণে একটি মুদ্রা এবং পোস্টাল স্ট্যাম্পও চালু করেন। এর পাশাপাশি, এদিন তিনি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে একাধিক উন্নয়মূলক প্রকল্পের। যার মূল্য ৬,৬৪০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পগুলি আদিবাসীদের জীবনযাত্রার উন্নয়নে কাজে লাগবে বলে জানান তিনি।

    মানুষের উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এদিন জামুইতে পা রাখতেই জনগণের উন্মাদনা তুঙ্গে ওঠে। মৌসুমী দেবী নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা এখানে মোদিজিকে দেখতে এসেছি। তিনি কৃষকদের তথা দেশের উন্নয়নের জন্য অনেক কাজ করেছেন। আমরা তাঁরই জন্য বিনামূল্য রেশন পরিষেবা পাচ্ছি করোনাকাল থেকে। আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।’’ প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কয়েক বছর আগে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে, ‘ভগবান বিরসা মুন্ডা’র দুঃসাহসিক গল্প স্মরণ করেন এবং ঘোষণা করেন, তাঁর জন্ম-জয়ন্তী (Janjatiya Gaurav Divas), প্রতি বছর ‘জনজাতি গৌরব দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • DRDO: নতুন ‘গাইডেড পিনাকা ওয়েপন সিস্টেম’-এর সফল পরীক্ষা ভারতের, কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    DRDO: নতুন ‘গাইডেড পিনাকা ওয়েপন সিস্টেম’-এর সফল পরীক্ষা ভারতের, কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনার কাছে অত্যন্ত পছন্দের এবং বিশ্বের দরবারে আলোড়ন ফেলে দেওয়া ১০০ শতাংশ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতের নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র ‘পিনাকা’-র সর্বাধুনিক এবং নতুন গাইডেড উয়েপন সিস্টেমের সফল পরীক্ষা করল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। 

    প্রোভিজনাল স্টাফ কোয়ালিটেটিভ রিকোয়ারমেন্টস (PSQR) এর অংশ হিসাবে এই পরীক্ষা করা হয়েছে। এই পরীক্ষায় একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত আনার জন্য ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর, নির্ভুলতা, সামঞ্জস্য এবং ফায়ার রুটের মতো একাধিক প্যারামিটারও মূল্যায়ন করা হয়েছে। সেনা সূত্রে খবর, এদিনের পরীক্ষা হওয়া পিনাকা মার্ক ২ (Mk-II) সংস্করণের রকেটের পাল্লা প্রায় ৭৫-৯০ কিমি। সেখানে বর্তমানে সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত সংস্করণের পাল্লা প্রায় ৪৫-৬০ কিমি। ফলত, এদিনের পরীক্ষা সফল হওয়ায় বাহিনীতে নয়া গাইডেড সিস্টেমের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি অনেকটাই এগিয়ে গেল।

    পর্যায়ক্রমে ট্রায়াল এবং সিস্টেম পারফরম্যান্স (DRDO)

    পিনাকা অস্ত্রের (Guided Pinaka Weapon) পরীক্ষাগুলি বিভিন্ন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে তিনটি ধাপে পরিচালিত হয়েছিল। দুটি আপগ্রেড ইন-সার্ভিস পিনাকা লঞ্চার ব্যবহার করে প্রতিটি উৎপাদক সংস্থা থেকে মোট বারোটি রকেটকে পরীক্ষা করা হয়েছে। এই অস্ত্রের সিস্টেমে নির্ভুল স্ট্রাইকের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে করা হয়েছে। মানদণ্ড প্রি-সালভো মোডে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে ‘হিট’ নিশ্চিত করেছে। 

    ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র বিশেষ উদ্যোগ

    গাইডেড পিনাকা একটি সম্পূর্ণ দেশীয় সিস্টেম যা ডিআরডিও (DRDO) ল্যাবোরেটরির একটি কনসোর্টিয়াম দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এই রকেট সিস্টেম তৈরি করেছে আরমানেন্ট রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্ট। সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে রিসার্চ সেন্টার ইমারত, ডিফেন্স রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। গোলাবারুদ উৎপাদন পরিচালনা করতে মিউনিশনস ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং ইকোনমিক এক্সপ্লোসিভস লিমিটেডের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেড, লারসেন অ্যান্ড টুব্রো পিনাকা লঞ্চার এবং একাধিক সরঞ্জামগুলির নকশা ও উৎপাদনে কাজ করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ডিআরডিও এবং সহযোগী সংস্থাগুলিকে সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    পিনাকা সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য

    পিনাকা (Guided Pinaka Weapon) মাল্টি-ব্যারেল রকেট লঞ্চার (এমবিআরএল) একটি বহুমুখী এবং অত্যন্ত কার্যকর আর্টিলারি অস্ত্র, যা বর্ধিত রেঞ্জে দ্রুত এবং বিধ্বংসী করার জন্য নকশা করা হয়েছে। ভগবান শিবের ঐশ্বরিক ধনুকের নামানুসারে নামকরণ হয়েছে। পিনাকা সিস্টেম প্রাথমিকভাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে প্রাচীন রাশিয়ান গ্র্যাড বিএম-২১ (BM-21) রকেট লঞ্চারের অনুকরণে  তৈরি করা হয়েছে এই পিনাকা এমবিআরএল-কে।এই রকেটগুলি (DRDO) নির্ভুল স্ট্রাইকে অত্যন্ত সক্ষম। সিস্টেমটি সুরক্ষিত, উচ্চ-মূল্যের লক্ষ্যগুলির বিরুদ্ধে আরও কার্যকর ভাবে কাজ করতে পারে।

    পিনাকা সিস্টেমে বিশ্বব্যাপী চাহিদাপূর্ণ অস্ত্র। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বাজারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আর্মেনিয়া ইতিমধ্যে এই পিনাকা কিনেছে ভারতের থেকে। শুধু তাই নয়, আজারবাইজানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে তা ব্যবহারও করছে। অন্যদিকে, ফ্রান্সও এই পিনাকা কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দু’দেশের মধ্যে আলোচনাও চলছে। এখন চূড়ান্ত সিলমোহর পড়তে বাকি।

    পিনাকা সিস্টেমকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম (HIMARS)-এর মতো যোগ্য প্রতিরূপ হিসাবে দেখা হয়। ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষমতা এবং রফতানিতে ব্যাপক সাফল্য লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই পিনাকা হল ভারতের প্রথম প্রধান অস্ত্র যা ভারতকে অস্ত্র রফতানিকারক দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ চাপ মৌলবাদীদের! মুসলিম মহিলাদের বোরখা পরতে বাধ্য করা হচ্ছে এই দেশে, বিস্ফোরক গিরিরাজ

    ভারতীয় প্রতিরক্ষায় কৌশলগত ভূমিকা

    পিনাকা (Guided Pinaka Weapon) সিস্টেম ইতিমধ্যেই যুদ্ধের পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয়তাকে প্রমাণ করেছে। বিশেষ করে ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের সময়, যেখানে এটি উচ্চ উচ্চতায় পাকিস্তানি বাঙ্কারগুলিকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে আঘাত করার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়ে উঠেছিল। পাহাড়ের উপর পাকিস্তানি সেনাদের বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দিতে এর প্রথম ব্যবহার করেছিল ভারত। আজ এই অস্ত্র ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য একটি মূল সম্পদ। পাকিস্তানের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) এবং চিন-সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলএসি) এই অস্ত্র মোতায়েন রয়েছে। আধুনিক আর্টিলারি যুদ্ধের কথা ভেবে এর কাঠামোতে উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও অত্যাধুনিক আপগ্রেডের লক্ষ্য হিসেবে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লাকে ১২০ কিমি, ১৫০ কিমি, এমনকী ২০০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হচ্ছে। যা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে (DRDO) আরও মজবুত করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Giriraj Singh: ‘হিংসার রাজধানী পশ্চিমবঙ্গ, তোষণের রাজনীতি করছেন মমতা’, তোপ গিরিরাজের

    Giriraj Singh: ‘হিংসার রাজধানী পশ্চিমবঙ্গ, তোষণের রাজনীতি করছেন মমতা’, তোপ গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার উপনির্বাচনে অশান্তি নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে দেশের হিংসার রাজধানীতে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সরকার (Mamata Banerjee) সেখানকার আইন-শৃঙ্খলাকে একদম পকেটে ভরে নিয়েছে এবং মুসলমান সম্প্রদায়কে তোষণ করার রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আগামী দিনে তা বাংলাদেশ হতে চলেছে।’’ 

    নির্লজ্জতার সমস্ত স্তর অতিক্রম করেছেন কর্নাটকের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী

    একইসঙ্গে কংগ্রেস শাসিত কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী, সিদ্ধারামাইয়াকেও তিনি তোপ দাগেন এবং বলেন, ‘‘কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি।’’ কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন যে তাঁর রাজ্যে অপারেশন লোটাস চালাতে চাইছে বিজেপি। এভাবেই কংগ্রেসের সরকারকে ফেলতে চাইছে বলে অভিযোগ করেন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী। এ নিয়েই তাঁকে তোপ দাগেন গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তিনি বলেন, ‘‘নির্লজ্জতার সমস্ত স্তর অতিক্রম করেছেন কর্নাটকের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী। তিনি নিজেই একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি। কর্নাটক সরকার সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করছে। কংগ্রেস সরকার সে রাজ্যের টেন্ডারেও তোষণের রাজনীতি করছে। শুধু মুসলিম হওয়ার জন্য যদি রিজার্ভেশন দেওয়া হয়, তাহলে তার থেকে বড় দুর্ভাগ্য আর কি হতে পারে!’’

    সুইৎজারল্যান্ডে নিষিদ্ধ হবে বোরখা, কী বলছেন গিরিরাজ (Giriraj Singh)

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সুইৎজারল্যান্ডে বোরখা নিষিদ্ধ হতে চলেছে। ২০২৫ সালের সালের ১ জানুয়ারি থেকে সে দেশে নিষিদ্ধ হবে বোরখা। এ নিয়ে গিরিরাজ বলেন, ‘‘বর্তমানে পরিবর্তনের যুগ চলছে। নারী সশক্তিকরণের যুগ চলছে।’’ অন্যদিকে, রাহুল গান্ধীকে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধী চাইছেন সারা ভারতে একটা অস্থির পরিবেশ তৈরি হোক। এইভাবে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করে তিনি গৃহযুদ্ধে মদত দিতে চান এবং ভারতবর্ষকে এর মাধ্যমে ধ্বংস করতে চান।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Pollution: প্রবল দূষণে নাজেহাল দিল্লি, জারি ৫ দফা নির্দেশ, প্রাথমিক স্কুল চলবে অনলাইনে

    Delhi Pollution: প্রবল দূষণে নাজেহাল দিল্লি, জারি ৫ দফা নির্দেশ, প্রাথমিক স্কুল চলবে অনলাইনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল দূষণে (Delhi Pollution) নাজেহাল দিল্লি। যার জেরে জারি করা হয়েছে ৫ দফা নির্দেশ। প্রাথমিক স্কুলগুলিকে বলা হয়েছে অনলাইন মাধ্যেম ক্লাস চালাতে। বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির পরিবেশমন্ত্রী গোপাল রাই বলেছেন, ‘‘এখনই নতুন করে কড়াকড়ি জারি হবে না। তবে বিকেল থেকে জানানো হয়েছে দূষণ মোকাবিলায় শুক্রবার থেকে জারি হবে বেশ কিছু বিধিনিষেধ। বেশিরভাগ জায়গায় দৃশ্যমানতা কমে ৫০০ থেকে ৬০০ মিটারে দাঁড়িয়েছে।’’

    তৃতীয় স্তরের সতর্কতা জারি (Delhi Pollution)

    দিল্লির বাতাসের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) বা গুণগত মানের সূচক ৪০০ পেরিয়ে গিয়েছে। দূষণ (Delhi Pollution) মোকাবিলায় শুক্রবার থেকে আরও কড়াকড়ি করা হচ্ছে দেশের রাজধানী। দিল্লিতে বাতাসের গুণমান অত্যন্ত অবনতি হওয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দূষণ মোকাবিলায় শুক্রবার সকাল ৮টা থেকেই কার্যকর হতে চলেছে তৃতীয় স্তরের সতর্কতা (পরিভাষায়, গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান ৩ বা জিআরএপি ৩)। এখন প্রয়োজন নয়, এমন নির্মাণ বা ভাঙার কাজ বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। অপর দিকে বাসের সংখ্যাও কমানোর কথা বলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অতিশী মারলেনা বলেন, “পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত শুক্রবার থেকে দিল্লির সব প্রাথমিক স্কুলে অনলাইন পঠনপাঠন চলবে।”

    বেশি পরিমাণে জল ছেটানোর ব্যবস্থা করা হবে

    ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে একাধিক ব্যবস্থা এবং সতর্কতা। একই সঙ্গে কড়াকড়ি জারি করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং কিছু সরকারি পরিকাঠামো সংক্রান্ত নির্মাণ কাজকে এই কাজের বাইরে রাখা হয়েছে। বিএস ৩-এর নিচে থাকা পেট্রল গাড়ি এবং বিএস ৪-এর নিচে থাকা ডিজেল গাড়ি চলাচল করতে পারবে না দিল্লির রাস্তায়। এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে উত্তরপ্রদেশ, গুরুগাম, গাজিয়াবাদ এবং নয়ডায়। নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাস চলাচলও। আন্তঃরাজ্য পরিবহণে বৈদ্যুতিক সিনএনজি এবং ডিজেল চালিত বিএস ৬ বাস ছাড়া অন্য কোনও বাস চলাচল করবে না। একমাত্র অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনের ক্ষেত্রেই ডিজেল চালিত জেনারেটার ব্যবহার করা যাবে। জিআরএপি ৩ কার্যকর থাকাকালীন রাস্তায় ধুলো (Delhi Pollution) নিয়ন্ত্রণে রাখতে আরও বেশি পরিমাণে জল ছেটানোর ব্যবস্থা করা হবে।

    বাতাসের গুণগত মানের সূচকের মান ৪২৮

    দিল্লি-সহ আশপাশের এলাকায় দূষণের (Delhi Pollution) মাত্রা বিরাট আকার নিয়েছে। বৃহস্পতিবার আগ্রায় বিরাট ধোঁয়াশা এতটাই ছিল যে তাজমহলের প্রবেশদ্বার থেকে সৌধ দেখা যাচ্ছিল না। দিল্লিতেও ছিল ঘন চাঁদর। বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লিতে বাতাসের গুণগত মানের সূচক পৌঁছে গিয়েছিল ৪২৮-এ। বাতাসের মান বিষয়ক কমিশন (সিএকিউএম) জানিয়েছে দিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে জিআরপি ৩ কার্যকর হয়ে যাবে। দেখা গিয়েছে প্রতি ৭ থেকে ১০টি পরিবারের মধ্যে কমপক্ষে ১ জন দূষণের শিকার হচ্ছেন। অসুস্থাতার জন্য গলা ব্যথা বা কাশি, চোখে জ্বালাপোড়া ভাব, নাক দিয়ে জল পড়া-সহ একাধিক উপসর্গ দেখা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Giriraj Singh: চাপ মৌলবাদীদের! মুসলিম মহিলাদের বোরখা পরতে বাধ্য করা হচ্ছে এই দেশে, বিস্ফোরক গিরিরাজ

    Giriraj Singh: চাপ মৌলবাদীদের! মুসলিম মহিলাদের বোরখা পরতে বাধ্য করা হচ্ছে এই দেশে, বিস্ফোরক গিরিরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘দেশে একটি নতুন সংস্কৃতি আমদানি হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে উগ্র মৌলবাদীদের ফতোয়ার কারণে মহিলারা সেই সমস্ত জায়গাতেও বোরখা (Burqa) পরছেন, যেখানে হয়ত তার দরকারই নেই।’’ গিরিরাজের দাবি, ‘‘মুসলিম মহিলাদের বোরখা পরতে বাধ্য করা হচ্ছে এই দেশে। এদেশে ১০০ কোটিরও বেশি হিন্দুর কাছে এগুলি নিরাপত্তার হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তার কারণ রাহুল গান্ধী কিংবা লালু প্রসাদ যাদব, তাঁরা হচ্ছেন ‘ভোটের সওদাগর’। তাঁরা ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য এগুলো সমর্থন করছেন। এদিন গিরিরাজ জমিয়তে-উলেমা-হিন্দের প্রধান আরশাদ মাদানিকেও তীব্র আক্রমণ করেন। একই সঙ্গে ইত্তেহাদ-ই-মিলাদি কাউন্সিলের প্রধান তকবীর রাজাকেও তিনি একহাত নেন। তাঁর মতে, ‘‘এঁরা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চাইছে।’’

    বর্তমানে নারী সশক্তিকরণের সময় চলছে

    এদিন তিনি (Giriraj Singh) আরও বলেন, ‘‘বর্তমানে নারী সশক্তিকরণের সময় চলছে। মুসলিম দেশগুলিতে বোরখার বিরুদ্ধে নারীরা আন্দোলন করছেন। কিন্তু ভারতবর্ষে উগ্র মৌলবাদীরা নতুন ধরনের সংস্কৃতি আমদানি করেছে, যেখানে অপ্রয়োজনীয় জায়গাতেও তাঁরা বোরখা (Burqa) পরছেন।’’ প্রসঙ্গত, মুসলিম নেতা মাদানি সম্প্রতি বলেছেন যে, পাঁচ লাখ লোক তাঁরা জমায়েত করবেন, ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে। আইনের বিপক্ষে গিয়ে তাঁরা কিছুই করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন গিরিরাজ।

    গৃহযুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করছেন রাহুল গান্ধী!

    সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গেকেও তোপ দেগেছেন তিনি। তিনি (Giriraj Singh) বলেন, ‘‘সারাদেশে নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেছে সবচেয়ে বেশি কংগ্রেস দল। কারণ তারাই দেশের মধ্যে গৃহযুদ্ধ লাগাতে চায়। শুধুমাত্র তাই নয়, রাহুল গান্ধীকে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধী চাইছেন সারা ভারতে একটা অস্থির পরিবেশ তৈরি হোক। এইভাবে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করে তিনি গৃহযুদ্ধে মদত দিতে চান এবং ভারতবর্ষকে এর মাধ্যমে ধ্বংস করতে চান।’’ খাড়্গেকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘‘খাড়্গে সাহেব আপনার উদ্দেশ্য কখনও পূরণ হবে না, কারণ ভারতবর্ষের যুবসমাজ বর্তমানে জেগে গিয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Guru Nanak Jayanti: স্বয়ং ঈশ্বর তাঁকে অমৃত দিয়েছিলেন বলে বিশ্বাস, আজ গুরু নানক জয়ন্তী

    Guru Nanak Jayanti: স্বয়ং ঈশ্বর তাঁকে অমৃত দিয়েছিলেন বলে বিশ্বাস, আজ গুরু নানক জয়ন্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার ১৫ নভেম্বর গুরু নানক জয়ন্তী। শিখ ধর্মের প্রবর্তক গুরু নানককে (Guru Nanak Jayanti) ‘বাবা নানক’ নামেও অভিহিত করা হয়। জানা যায়, ১৪৬৯ সালে গুরু নানকের জন্ম হয় পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের নানকানা সাহিবের এক হিন্দু পরিবারে। শিখ ধর্মের এই প্রবর্তক আজীবন অগণিত মানুষকে দিশা দেখিয়েছেন। জীব সেবার নানা পথের সন্ধান তিনি দিয়েছেন। আজও তিনি সমাজকল্যাণের এক বটবৃক্ষ হয়ে রয়েছেন। গুরু নানকের জন্মদিন অত্যন্ত ধুমধামের সঙ্গে পালন করা হয়। এই দিন শিখ (Sikhism) ধর্মাবলম্বী মানুষরা নগর কীর্তন বের করেন, শোভাযাত্রা করেন, গুরু নানকের উদ্দেশে স্তব গান করেন।

    সংক্ষিপ্ত জীবনী

    প্রসঙ্গত, ছোট থেকে গুরু নানকের (Guru Nanak Jayanti) মধ্যে ছিল প্রবল ঈশ্বর চিন্তা। অল্প বয়সেই নানকের বিয়ে হয় বলে জানা যায়। এরপরে কিছুকাল তিনি হিসাব রক্ষকের কাজও করেন। জানা যায়, প্রত্যহ সূর্যোদয়ের ১ ঘণ্টা আগে গুরুনানক নদীতে স্নান করতেন। এরকমই একটি অভিজ্ঞতার কথা কথিত হয়ে রয়েছে। ৩০ বছর বয়সে ভোরবেলায় নানক একদিন নদীতে স্নান করতে যান। সে সময় ঈশ্বরের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয় বলে কথিত রয়েছে। জানা যায়, ঈশ্বর (Sikhism) তাঁকে এক কাপ অমৃত দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে তোমার মাধ্যমে আমার নাম মহিমান্বিত হবে। তোমাকে যে অনুসরণ করবে আমি তাকে রক্ষা করব। জীবনে দাতব্য (দান), অজু (পরিচ্ছন্নতা), সেবা (সেবাকার্য) এবং সিমরান (প্রার্থনা)-র ওপর জোর দিতে নানককে পরামর্শ দেন ঈশ্বর। জানা যায়, গুরু নানক তাঁর বার্তা ছড়িয়ে দিতে হেঁটে ভ্রমণ করেছিলেন, শ্রীলঙ্কা, বাগদাদ, মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশ। ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দের ২২ সেপ্টেম্বর প্রয়াত হন।

    গুরু নানকের (Guru Nanak Jayanti)  গুরুত্বপূর্ণ ১০ বাণী

    ১) ‘‘নিজের কাজ নিজে করো, কারও সাহায্য ছাড়াই কাজ করার চেষ্টা করো’’

    ২) ‘‘কোনও কুসংস্কারকে মনে প্রশ্রয় দিও না। কারণ কুসংস্কার মনের মধ্যে ভয় তৈরি করে। জীবনকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়।’’

    ৩) ‘‘যুক্তি দিয়ে ঈশ্বরকে ব্যাখ্যা করা যায় না, সারা জীবন ধরে চেষ্টা করলেও কেউ তা পেরে উঠবে না।’’

    ৪) ‘‘যাঁর নিজের উপরে কোনও বিশ্বাস নেই, তিনি ভগবানকে কী করে বিশ্বাস করবেন!’’

    ৫) ‘‘জঙ্গলের মধ্যে ঢুকলে আলোর সন্ধান পাবে না। তাই উদার হও’’

    ৬) ‘‘ঈশ্বর আর মানুষ আলাদা নয়, মানুষকে ভালোবাসলেই ঈশ্বরকে পাওয়া যায়।’’

    ৭) ‘‘এমন কথাই সব সময় বলা উচিত যেখানে অন্যরা সেটা শুনে আপনাকে শ্রদ্ধা সম্মান করতে পারে।’’

    ৮) ‘‘ব্যক্তির তাঁর আয়ের ১০ ভাগ দাতব্য কাজে এবং ১০ ভাগ সময় ঈশ্বরের ভক্তির জন্য ব্যয় করা উচিত।’’

    ৯) ‘‘টাকা সবসময় পকেটে থাকা উচিত। এটি আপনার হৃদয়ের কাছাকাছি রাখা উচিত নয়।’’

    ১০) ‘‘খারাপ কাজ করার চিন্তা করা উচিত নয় এবং কাউকে নির্যাতন করা উচিত নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birsa Munda: খাদ্যাভ্যাসে নিরামিষাশী, কণ্ঠস্থ ছিল রামায়ণ-মহাভারত, আজ বিরসা মুন্ডার ১৫০তম জন্মজয়ন্তী

    Birsa Munda: খাদ্যাভ্যাসে নিরামিষাশী, কণ্ঠস্থ ছিল রামায়ণ-মহাভারত, আজ বিরসা মুন্ডার ১৫০তম জন্মজয়ন্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ড রাজ্যের খুন্তি জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম উলিহাতু। মেরেকটে আড়াইশো পরিবারের বাস গ্রামে। মোট জনসংখ্যা ১,১২৬। এমন গ্রামের সংখ্যা ভারতে নেহাত কম নয়। গুণতে গেলে কয়েক লাখে থামতে হবে। তবে হঠাৎ উলিহাতু নিয়ে আলোচনা কেন? কী এমন বিশেষত্ব রয়েছে এই গ্রামে? উত্তর হল, ছোট্ট প্রত্যন্ত এই গ্রাম এক দেশ বিখ্যাত যোদ্ধার জন্মভূমি। যাঁকে তাঁর অনুগামীরা ‘ধরতি আবা’ বলতেন। অর্থাৎ কিনা স্বয়ং ভগবান। যাঁকে দমানোর জন্য ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে পর্যন্ত মাঠে নামতে হয়েছিল। তিনি মুন্ডা বিদ্রোহের অবিসংবাদী নেতা ভগবান বিরসা মুন্ডা (Birsa Munda)। আজ শুক্রবার ১৫ নভেম্বর তাঁর ১৫০তম জন্মদিন। মুন্ডা শব্দটি সংস্কৃত থেকে উৎপত্তি হয়েছে যার প্রকৃত অর্থ ‘গ্রাম প্রধান’।

    বিরসা মুন্ডার মুখস্থ ছিল রামায়ণ-মহাভারত

    এক গরীব পরিবারে জন্ম হয় বিরসা মুন্ডার (Birsa Munda)। পার্থিব জীবন মাত্র ২৫ বছরের ছিল। কিন্তু তিনি আজও বেঁচে রয়েছেন শোষণ, বঞ্চনা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে। জীবিত অবস্থাতেই তিনি ‘ভগবান বিরসা মুন্ডা’ নামে খ্যাতি লাভ করেন। কোটি কোটি ভারতবাসীর হৃদয়ে শ্রদ্ধার আসনে তিনি আসীন। ভারতের জনজাতি এলাকাগুলিতে খ্রিস্টান মিশনারীদের ধর্মান্তকরণ ব্রিটিশ আমল থেকেই চালু রয়েছে। ছোট্ট প্রত্যন্ত গ্রামে বিরসা মুন্ডাকে খ্রিস্টান ধর্মের উপাসনা করার জন্য জোর করা হলে, তিনি গ্রামের খ্রিস্টান স্কুল ত্যাগ করেন। বিরসা মুন্ডা হিন্দুধর্মের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন বলে জানা যায়। নিজগৃহের বিভিন্ন দেবতার প্রতি তাঁর পরম ভক্তি ছিল। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি বৈষ্ণব ধর্মগুরু আনন্দ পাঁড়ের কাছে দীক্ষা নেন। খাদ্যাভ্যাসে ছিলেন নিরামিষাশী। কণ্ঠস্থ ছিল রামায়ণ-মহাভারত।

    অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য সেনাবাহিনী গঠন

    ১৮৯৪ সালে ভয়াবহ খরা দেখা দিল। নির্দয় ব্রিটিশ সরকার তবুও কর সংগ্রহ করছিল সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করে। ওই বছরেই ব্রিটিশ সরকার অরণ্য আইন বলবৎ করে। এরফলে অরণ্যের ওপর জনজাতিদের অধিকার খর্ব হয়। এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সংকল্পবদ্ধ হন তরুণ বিরসা মুন্ডা (Birsa Munda)। স্থানীয় মানুষজনকে সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে সেনাবাহিনী তৈরির কাজ শুরু করেন। ১৮৯৫ সালেই ‘কর মুক্ত’ আন্দোলন করার অপরাধে তাঁকে জেলে পাঠানো হয়। দুই বছর জেলে থাকার পরে ১৮৯৭ সালে তিনি মুক্তি পান। পুনরায় শুরু হয় বিরসা মুন্ডার নেতৃত্বে ঐতিহাসিক আন্দোলন। ছোটনাগপুরে শুরু হয় তীর-ধনুক নিয়ে আন্দোলন।

    ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ

    ১৮৯৮ সালে টাঙ্গা নদীর তীরে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিরসা মুন্ডার যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধে ব্রিটিশদের পরাজিত করতে সমর্থ হন তিনি। যুদ্ধজয়ের পর তিনি বলেন, ‘‘প্রথমবার আমরা জয়লাভ করেছি। কিন্তু এর বিরূপ প্রভাব শত শত মানুষ ভোগ করছে। শত শত মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্যাতন করা হয়েছে। এত নির্যাতনের পরেও থামেনি মানুষের সংগ্রাম।’’ ১৯০০ সালে ডোবাড়ি পাহাড়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ সংঘর্ষে অনেক নারী ও শিশু নিহত হন। বিরসা মুন্ডাকে ধরতে তাঁর মাথার দাম ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে ব্রিটিশ সরকার। নিরস্ত্র বিরসাকে জঙ্গলের মধ্যে ঘুমন্ত অবস্থায় গ্রেফতার করে ব্রিটিশ সরকার। কথিত আছে, কারাগারে থাকাকালীন খাবারে বিষ মিশিয়ে বিরসা মুন্ডাকে (Birsa Munda) হত্যা করা হয়‌। ১৯০০ সালের ৯ জুন স্বর্গযাত্রা করেন ভগবান বিরসা মুন্ডা।

    বিরসার জন্মদিন ‘জনজাতি গৌরব দিবস’ (Janjatiya Gaurav Divas)

    ঝাড়খণ্ড, বিহার, ছত্তিশগড়, পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশাতে আজও পর্যন্ত লাখ লাখ মানুষ ‘বিরসা মুন্ডা’কে ‘ভগবান বিরসা মান্দা’ হিসাবে পুজো করে থাকেন। এমন একজন ঐশ্বরিক ব্যক্তিত্ব যিনি তরুণ প্রজন্মের প্রেরণার কেন্দ্র- যিনি ভারতের সম্পদ, তিনি ব্রাত্য থেকেছে বরাবর। তাঁর প্রাপ্য সম্মান পাননি। স্বাধীনতার পর থেকেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কয়েক বছর আগে ‘মন কি বাত’, ‘ভগবান বিরসা মুন্ডা’র দুঃসাহসিক গল্প স্মরণ করেন এবং ঘোষণা করেন, তাঁর জন্ম-জয়ন্তী (Janjatiya Gaurav Divas), প্রতি বছর ‘জনজাতি গৌরব দিবস’ হিসাবে উদযাপন করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share