Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: ‘‘কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীরা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে’’, মহারাষ্ট্রে তোপ মোদির

    PM Modi: ‘‘কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীরা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে’’, মহারাষ্ট্রে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharastra) নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিরোধীদের তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীরা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে।’’ মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের লড়াইকে তিনি আখ্যা দেন সম্ভাজি মহারাজের বনাম ঔরঙ্গজেবের লড়াই হিসেবে। এদিন নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীদের তুলোধনা করেন ৩৭০ ধারা ইস্যুতেও। তিনি বলেন, ‘‘ যে ধারা কাশ্মীরকে আলাদা সংবিধান তৈরি করার অধিকার দিয়েছিল, ফের আবার তা ফিরিয়ে আনতে চলেছে কংগ্রেস ও জোট সঙ্গীরা।

    ছত্রপতি সম্ভাজি নগরে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী 

    এরপরই তিনি জনগণের উদ্দেশে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন, ‘‘মহারাষ্ট্র কি কংগ্রেসকে সমর্থন করে? যারা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে।’’ তারপরেই জনগণের (PM Modi) উদ্দেশ্যে তিনি দুটির মধ্যে একটিকে বাছতে বলেন। তিনি বলেন, ‘‘একদিকে রয়েছে সম্ভাজি মহারাজের সমর্থকরা, অন্যদিকে রয়েছে ঔরঙ্গজেবের সমর্থকরা। জনগণকে ঠিক করতে হবে তারা কাকে বাছবে। এদিন বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী জনসভা করেন ছত্রপতি সম্ভাজি নগরে (Maharastra)। সেখানেই কংগ্রেসকে এক হাত নেন তিনি। প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায় কংগ্রেস এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রস্তাব পেশ করেছে যাতে আর্টিকেল ৩৭০কে ফিরিয়ে আনা যায়। এ নিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস কখনও চায় না কাশ্মীর অখণ্ড ভারতের অংশ হোক।

    প্রত্যেক ভারতবাসী চায় জম্মু-কাশ্মীর শাসিত হোক বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধান থেকেই

    নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘আমরা যখন কাশ্মীরকে ৩৭০ ধারা মুক্ত করেছিলাম তখন কংগ্রেস ও তার জোট সঙ্গীরা এর বিরোধিতা করেছিল, সংসদে দাঁড়িয়ে। শুধুমাত্র তাই নয়, তারা আদালতের দরজাতে কড়া নেড়েছিল।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘তারা ফের একবার সেই ৩৭০ ধারাকে ফিরিয়ে আনতে চাইছে। জম্মু-কাশ্মীরের জন্য আলাদা সংবিধান তারা চাইছে।’’ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘প্রত্যেক ভারতবাসী চায় জম্মু-কাশ্মীর শাসিত হোক বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধান থেকেই।’’ প্রধানমন্ত্রী এদিন কংগ্রেসের উদ্দেশে আরও বলেন, ‘‘তারা জাতভিত্তিক জনগণনা চাইছে এবং তপশিলি জাতি, তপশিলি উপজাতি এবং ওবিসিদের মধ্যে বিভাজন আনার চেষ্টা করছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghar Wapsi: প্ররোচনা দিয়ে করা হয়েছিল খ্রিস্টান, ফের সনাতন ধর্মে ফিরলেন প্রায় ১৫০ হিন্দু

    Ghar Wapsi: প্ররোচনা দিয়ে করা হয়েছিল খ্রিস্টান, ফের সনাতন ধর্মে ফিরলেন প্রায় ১৫০ হিন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মিরাটের ৩০টি পরিবারের প্রায় ১৫০ জন হিন্দুকে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল। তাঁদেরকে পুনরায় ফিরিয়ে নিয়ে আসা হল সনাতন ধর্মে (Sanatan Dharma)। গত ১০ নভেম্বর, ঘর ওয়াপসির (Ghar Wapsi) এই অনুষ্ঠান বৈদিক রীতি মেনেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানা গিয়েছে, হিন্দুদের খ্রিস্টান করার চক্রান্তের পিছনে রয়েছেন পাস্তুর বিজ্জু ম্যাথিউ নামের এক ব্যক্তি। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ি কেরলে। পুলিশের জেরার মুখে পাস্তুর জানিয়েছেন, ৩০০ হিন্দু পরিবারকে তিনি খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করেছেন। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে, দরিদ্র হিন্দুদের বিয়ে দিয়ে, শিক্ষার দায়িত্ব নিয়ে অথবা স্বাস্থ্য বিষয়ক পরিষেবা দিয়েই ধর্মান্তকরণের কাজ করতেন।

    উত্তরপ্রদেশের মিরাটের কঙ্করখেদা পুলিশ স্টেশনের ঘটনা 

    জানা গিয়েছে, ম্যাথিউ এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই এই কাজে সক্রিয় ছিলেন। এই ঘটনার মামলা দায়ের হতেই ম্যাথিউকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এবং বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন। জানা গিয়েছে, এই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মিরাটের কঙ্করখেদা পুলিশ স্টেশনে। স্থানীয়দের সূত্রে খবর, ম্যাথিউ এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই বিগত আড়াই মাস ধরে এই এলাকায় ভাড়ায় ছিলেন (Ghar Wapsi)। সেখানেই খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তকরণের কাজ করতেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: কোভিডকালে বন্ধু হয়ে পাশে ছিলেন, ‘ডমিনিকা’-র সর্বোচ্চ জাতীয় সম্মান পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    ধর্মান্তকরণের তিন পদ্ধতি 

    প্রতি রবিবার নিজের বাড়িতে তিনি প্রার্থনাসভার আয়োজন করতেন এবং হিন্দুদের (Ghar Wapsi) সেখানে আহ্বান জানাতেন। এই ঘটনা স্থানীয় হিন্দু সংগঠনের (Sanatan Dharma) চোখে পড়তেই তারা পুলিশের দ্বারস্থ হয়। খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করতে ম্যাথিউস তিন ধরনের প্ররোচনা দিতেন বলে জানা গিয়েছে। প্রথমত, দরিদ্র হিন্দুদের বাড়ির ছেলে মেয়েদের বিবাহের খরচ বহন করতেন, দ্বিতীয়ত, খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে ২ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তাঁদেরকে দিতেন, তৃতীয়ত কেউ অসুস্থ হলে তাঁর চিকিৎসার খরচ বহন করতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কোভিডকালে বন্ধু হয়ে পাশে ছিলেন, ‘ডমিনিকা’-র সর্বোচ্চ জাতীয় সম্মান পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: কোভিডকালে বন্ধু হয়ে পাশে ছিলেন, ‘ডমিনিকা’-র সর্বোচ্চ জাতীয় সম্মান পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদের দিনে যে পাশে থাকে সেই তো প্রকৃত বন্ধু। সেই বন্ধুত্বের পুরস্কারই পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করার কথা ঘোষণা করল কমনওয়েলথ অব ডমিনিকা। প্রধানমন্ত্রী মোদি কোভিড-১৯ অতিমারি চলাকালীন ডমিনিকাকে সাহায্য করেছিলেন। তাই তাঁকে ডমিনিকা অ্যাওয়ার্ড অফ অনার, প্রদান করা হবে। আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে মোদিকে এই সম্মান তুলে দেবে ডমিনিকা (Dominica)।

    দুই দেশের দৃঢ় সম্পর্ক

    ডমিনিকার প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) পক্ষ থেকে সম্মান প্রদান প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ডমিনিকাকে সাহায্য করেছেন। ২০২১-এর ফেব্রুয়ারি মাসে ডমিনিকাকে ৭০,০০০ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকা (AstraZeneca vaccine) ভ্যাকসিন দিয়েছিল ভারত। শুধু তাই নয় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইটি সহ একাধিক ক্ষেত্রে ভারত বরাবর পাশে থেকেছে। যার ফলে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।’ ২০২৫ সালে ১৯ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে ইন্ডিয়া ক্যারিকম (CARICOM Caribbean Community) সম্মেলন। এবার গায়ানার জর্জটাউনে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এই সম্মেলনেই প্রধানমন্ত্রীর হাতে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান তুলে দেবেন ডমিনিকার প্রেসিডেন্ট সিলভানি বার্টন।

    ডমিনিকা প্রধানমন্ত্রী রুজভেল্ট স্কেরিট বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি ডমিনিকার প্রতি প্রকৃত সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছিলেন, বিশেষ করে অতিমারির সময়। এটি আমাদের জন্য সম্মানের বিষয় যে, আমরা তাঁকে ডমিনিকার সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করছি৷ আমরা ওনার প্রতি কৃতজ্ঞ এবং এই বিষয়টা দুই দেশের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্কের প্রতিফলন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Tamil Nadu: বিজেপির অফিসে ‘ভারত মাতা’র মূর্তি ফিরিয়ে দিতে তামিলনাড়ু সরকারকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Tamil Nadu: বিজেপির অফিসে ‘ভারত মাতা’র মূর্তি ফিরিয়ে দিতে তামিলনাড়ু সরকারকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাজ হাইকোর্ট সম্প্রতি বিজেপি অফিস থেকে অবৈধভাবে বাজেয়াপ্ত করা ‘ভারত মাতা’র মূর্তি ফেরত দেওয়ার জন্য তামিলনাড়ু (Tamil Nadu) সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে। আদালত (Madras High Court) ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেছে যে, এই মূর্তির অপসারণ সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে। এমন কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আর ঘটতে দেওয়া উচিত নয়।

    কী ঘটেছিল

    প্রসঙ্গত, গত ৭ অগাস্টের রাতে, আরুপুরকোত্তাই রেভেনিউ ডিভিশনাল অফিসার (RDO) শিবকুমার এবং তহসিলদার বাস্করান বিজেপি অফিসে ঢুকে মূর্তি অপসারণ করেন। তাঁদের দাবি, যে মূর্তিটি অনুমতি ছাড়া বসানো হয়েছিল। এই দলের সদস্যরা পুলিশি সহায়তায় অফিসের গেট খুলে মূর্তি অপসারণে উদ্যোগী হন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো একটি ভিডিওতে দেখা যায় যে, এক পুলিশ অফিসার বিজেপি অফিসের দেওয়াল টপকে গেট খোলার চেষ্টা করছেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি অন্নামালাই এই ঘটনাকে “অগ্রহণযোগ্য” বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, “তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu) ডিএমকে সরকার এতটাই দুর্নীতিগ্রস্ত যে, এখন ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতেও ‘ভারত মাতা’র মূর্তি স্থাপন করার অধিকার নেই।”

    আদালতের অভিমত

    মাদ্রাজ হাইকোর্টের (Madras High Court) বিচারক নানদু আনন্দ ভেঙ্কটেশ এই বিষয়ে বলেন, “সরকারি অনুমোদন ছাড়া প্রতিকৃতির স্থাপন যদি জনগণের জায়গায় হয়, তবে নিয়ন্ত্রণ যথাযথ। কিন্তু বেসরকারি জায়গায় এরকম কোনও নিয়ন্ত্রণ অকারণ। ব্যক্তিগত জায়গায় এমন মূর্তি স্থাপন কোনওভাবেই রাষ্ট্রের অধিকারকে লঙ্ঘন করে না।” এছাড়া, আদালত জানায় যে, ভারত মাতার মূর্তি স্থাপন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত এবং সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তির বিষয়, এটা মাতৃভূমির প্রতি শ্রদ্ধার প্রতীক। এই মূর্তি মানুষকে একত্রিত হতে এবং স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে সাহায্য করে। এই রায়ে আদালত বিজেপির অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়ে মূর্তিটি তাদের অফিসে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ধরনের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি না হওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে সতর্ক করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: জোর ভারত-কেন্দ্রিক গবেষণায়! ১৫ নভেম্বর থেকে ৩ দিনের সম্মেলন করছে আরএসএস

    RSS: জোর ভারত-কেন্দ্রিক গবেষণায়! ১৫ নভেম্বর থেকে ৩ দিনের সম্মেলন করছে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-কেন্দ্রিক গবেষণাকে যুব সমাজের মধ্যে আরও জনপ্রিয় করতে তিন দিনের সম্মেলন করতে চলেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। জানা গিয়েছে, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হবে এই সম্মেলন। যার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। এই সম্মেলনের নাম রাখা হয়েছে ‘ভিশন ফর বিকশিত ভারত’ (Vision For Viksit Bharat)। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) শাখা সংগঠন বলে পরিচিত ‘ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডল’, গুরুগ্রামে এই সম্মেলনের আয়োজন করছে। সেখানকার এসজিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেই হবে এই সম্মেলন।

    সারা দেশ থেকেই ছাত্র-তরুণ-শিক্ষকরা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন 

    কবীন্দ্র তালিয়ান হলেন বর্তমানে ‘ইউথ ইউনাইটেড ফর ভিশন অ্যান্ড অ্যাকশন’- এই মঞ্চের আহ্বায়ক। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘দেশজুড়ে ছাত্ররা, শিক্ষকরা এবং যুবসমাজ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। আমরা আশাবাদী এই সম্মেলন সফল হবে।’’ সম্মেলনকে সফল করতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) সমেত ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডলের প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে হাজির হয়েছেন গুরুগ্রামে। জানা যাচ্ছে, ছাত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষক প্রতিনিধিরাও ইতিমধ্যে পৌঁছেছেন সেখানে। এঁরা প্রত্যেকেই নিজেদের গবেষণাপত্র জমা করবেন।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পরেও দেড় কোটি টাকা ঢুকেছিল কুন্তলের অ্যাকাউন্টে!

    কী জানালেন ভারতীয় শিক্ষণ মন্ডলের জাতীয় সভাপতি?

    ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডলের জাতীয় সভাপতি সচ্চিদানন্দন জোশি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই সম্মেলনে গবেষকরা গবেষণাপত্র জমা করবেন। তারপর সেগুলিকে বাছাই করা হবে। যেগুলি মনোনীত হবে, সেগুলিকে প্রদর্শন করা হবে। সচ্চিদানন্দ জোশি আরও জানিয়েছেন, তাঁরা ভারত-কেন্দ্রিক গবেষণাতে (Vision For Viksit Bharat) বেশি জোর দিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই সম্মেলন দেশজুড়ে যুব সমাজকে অনুপ্রাণিত (RSS) করবে এবং তা গ্রামীণ বিকাশ এবং ভারতীয় সংস্কৃতিকে সংরক্ষণে সাহায্য করবে। জানা যাচ্ছে, এই সম্মেলনের অন্যতম অংশ হিসেবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সেরও ব্যবহার করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Piyush Goyal: মোদি জমানায় সর্বনিম্ন হয়েছে ভারতের গড় মুদ্রাস্ফীতি, দাবি গোয়েলের

    Piyush Goyal: মোদি জমানায় সর্বনিম্ন হয়েছে ভারতের গড় মুদ্রাস্ফীতি, দাবি গোয়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি (PM Modi) সরকারের গত ১০ বছরে ভারতের গড় মুদ্রাস্ফীতি স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের মধ্যে ছিল সর্বনিম্ন।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal)। তিনি বলেন, “রিজার্ভ ব্যাঙ্কের উচিত অবশ্যই সুদের হার কমানো।”

    কী বললেন মন্ত্রী (Piyush Goyal)

    অক্টোবর ২০২৪-এর সর্বশেষ খুচরো মুদ্রাস্ফীতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে গোয়েল বলেন, “যখন আরবিআইয়ের মানিটারি পলিসি কমিটি তাদের সুপারিশগুলি করেছিল, তারা এই মাসে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাসও দিয়েছিল। এটি কোনও জটিল বিষয় নয়।” গোয়েল এদিন সিএনবিসি-টিভি১৮ ‘গ্লোবাল লিডারশিপ সামিটে’ বক্তব্য রাখছিলেন। সেখানেই তিনি বলেন, “এটি (অক্টোবর ২০২৪ এর মূল্যস্ফীতি) কোনও আশ্চর্যের বিষয় নয়। ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতির হার আবার কমে আসবে।” গোয়েল বলেন, “যা ঘটছে তা বোঝার জন্য আমরা সবাই যথেষ্ট বুদ্ধিমান। বেস এফেক্ট কী, ফ্যাক্টরগুলিই বা কী, উৎসবের চাহিদা কী ছিল, এগুলি আমরা জানি (Piyush Goyal)।”

    মুদ্রাস্ফীতি

    অক্টোবর মাসে ভারতের সিপিআই (উপভোক্তা মূল্য সূচক) মুদ্রাস্ফীতি গত ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬.১ শতাংশে পৌঁছেছে। অগাস্টের পর এই প্রথমবার মুদ্রাস্ফীতি ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের নির্ধারিত ৬ শতাংশের সীমা অতিক্রম করেছে। খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি ছিল ১০.৮৭ শতাংশ। এর পরেই তিনি বলেন, “আরবিআইয়ের অবশ্যই সুদের হার কমানো উচিত।” চাহিদা হ্রাসের প্রসঙ্গে গোয়েল বলেন, “শিল্পের উচিত আকর্ষণীয় মূল্যে ভোক্তাদের পছন্দ ও চাহিদার দিকে নজর দেওয়া।”

    আরও পড়ুন: ট্রাম্প প্রশাসনে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান হচ্ছেন তুলসী গ্যাবার্ড, চেনেন তাঁকে?

    প্রসঙ্গত, জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের দেওয়া তথ্যে দেখা গিয়েছে, ডাল, ডিম, চিনি, মিষ্টি এবং মশলার ক্ষেত্রে অক্টোবরে ২০২৪ সালের মুদ্রাস্ফীতিতেও উল্লেখযোগ্য হ্রাস পেয়েছে। জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসের বক্তব্য, অক্টোবর ২০২৪ সালে উচ্চ খাদ্য মুদ্রাস্ফীতি প্রধানত চালিত হয়েছে শাকসবজি, ফল, তেল এবং চর্বির দাম বৃদ্ধি দ্বারা। আইসিআরএ-র প্রধান অর্থনীতিবিদ অদিতি নায়ার বলেন, “সিপিআই মুদ্রাস্ফীতি উদ্বেগজনকভাবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চস্তরে পৌঁছেছে, যা এমপিসির মধ্যমেয়াদী (PM Modi) লক্ষ্যমাত্রার ২-৬ শতাংশের ঊর্ধ্বসীমা অতিক্রম করেছে (Piyush Goyal)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • Manipur Violence: শান্তি ফেরাতে অশান্ত মণিপুরে যাচ্ছে আরও ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    Manipur Violence: শান্তি ফেরাতে অশান্ত মণিপুরে যাচ্ছে আরও ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরে (Manipur Violence) শান্তি ফেরাতে আরও ২০ কোম্পানি সশস্ত্র পুলিশ ফোর্স (CAPF) পাঠাচ্ছে কেন্দ্র। এমনই খবর জানিয়েছেন মণিপুর স্বরাষ্ট্র দফতরের এক কর্তা। তিনি জানান, ২০ কোম্পানি সিএপিএফ (CAPF) শীঘ্রই রাজ্যে পৌঁছবে। সেই বাহিনী মোতায়েন করা হবে সন্ত্রাসে দীর্ণ জেলাগুলিতে।

    আরও ২০ কোম্পানি বাহিনী (Manipur Violence)

    জানা গিয়েছে, যে ২০ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হচ্ছে, তার মধ্যে ১৫ কোম্পানি সিআরপিএফ, বিএসএফ ৫ কোম্পানি। এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, সিআরপিএফ অসম থেকে মণিপুরে পৌঁছবে, আর বিএসএফ আসবে ত্রিপুরা থেকে। কেন্দ্রের তরফে এই মর্মে মণিপুর সরকারকে বিস্তারিত জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। সিএপিএফের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত মোতায়েন পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে কেন্দ্রের তরফে অনুরোধ করা হয়েছে রাজ্য সরকারকে।

    কী বলছেন মণিপুরের স্বরাষ্ট্র দফতরের কর্তা

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, যে অতিরিক্ত ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে, তা নিয়ে সব মিলিয়ে মণিপুরে পাঠানো হবে মোট ২১৮ কোম্পানি আধা-সামরিক বাহিনী। এর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ, আরএএফ, বিএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি। মণিপুরের স্বরাষ্ট্র দফতরের এক কর্তা বলেন, “মণিপুরে অতিরিক্ত সিএপিএফ মোতায়েনের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সিদ্ধান্তটি সোমবার জিরিবাম জেলার সন্দেহভাজন কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে সিআরপিএফের মধ্যে সংঘর্ষের তিন দিনের মধ্যেই এসেছে।”

    আরও পড়ুন: ইউনূসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের আওয়ামি লিগের

    পুলিশ জানিয়েছে, সোমবারের ঘটনার পর ১০ জন অপহৃত বা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। মণিপুরের পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল (অপারেশনস) আইকে মুইভা জানান, ঘটনার পর জাকুরাধোর গ্রামে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় (Manipur Violence) দুই বৃদ্ধের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এখানেই বেশ কিছু বাড়িতে আগুন লাগিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তিনি জানান, আরও এক ব্যক্তিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য এক নাগরিক নিজেই থানায় ফিরে এসেছেন। বর্তমানে তিন নারী ও তিন শিশু নিখোঁজ রয়েছে। তাদের খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান। প্রসঙ্গত, সোমবার সিআরপিএফের শিবিরে (CAPF) হামলা চালায় কুকি জঙ্গিরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে সিআরপিএফ। সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে ১০ জঙ্গির (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

     
     
  • DRDO: নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল ডিআরডিও, কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    DRDO: নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করল ডিআরডিও, কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির পথে আরও এক ধাপ এগোল ভারত। নতুন একটি ‘লং রেঞ্জ ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইল’-এর পরীক্ষা করল ডিফেন্স রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। ওড়িশার চাঁদিপুরের ইন্ট্রিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (ITR) থেকে মোবাইল আর্টিকুলেটেড লঞ্চারের মাধ্যমে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করা হল। বিভিন্ন রেঞ্জ সেন্সরের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রটির পারফরমেন্সের ওপর নজরদারি চালানো হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটি ‘ওয়ে পয়েন্ট ন্যাভিগেশন’ ব্যবহার করে প্রত্যাশিত পথ অনুসরণ করে পরীক্ষায় সফল হয়। 

    সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ

    ডিআরডিও (DRDO) এবং বেঙ্গালুরুর অ্যারোনটিকাল ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্ট সম্মিলিতভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি, নির্মাণ এবং যাবতীয় পরীক্ষা করেছে। সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে আরও কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা। যার মধ্যে রয়েছে হায়দরাবাদের ভারত ডাইনামিকস লিমিটেড (বিডিএল) এবং বেঙ্গালুরুর ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (বেল)। ডিআরডিও-র এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মিসাইলটির কর্মক্ষমতা মনিটর করার জন্য রেঞ্জ সেন্সর যেমন রাডার, ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম (EOTS) এবং টেলিমেট্রি ব্যবহৃত হয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন স্থান থেকে মিসাইলের উড়ান পথ সম্পূর্ণরূপে পর্যবেক্ষণ করেছে। মিসাইলটি প্রয়োজনীয় পথে চলেছে। এটি বিভিন্ন উচ্চতা ও গতিতে বিভিন্ন কৌশল সম্পাদন করার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।

    গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

    ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা চলাকালীন উপস্থিত ছিলেন ডিআরডিওর (DRDO) পদস্থ আধিকারিকরা। পরীক্ষার সময় ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বায়ুসেনার আধিকারিকরাও। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ডিআরডিও এবং সহযোগী সংস্থাগুলিকে সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই পরীক্ষাটি ভবিষ্যতে দেশীয় ক্রুজ মিসাইল উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে।” তিনি আরও বলেন, “এটি ভারতীয় মিসাইল প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।” এই সফল পরীক্ষার ফলে ভবিষ্যতে আকাশ প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে ভারত অনেকটা এগিয়ে যাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Government: মোদি সরকার ৫০ থেকে ৭০ হাজার কোটির সুদমুক্ত ঋণ দেবে রাজ্যগুলিকে

    Union Government: মোদি সরকার ৫০ থেকে ৭০ হাজার কোটির সুদমুক্ত ঋণ দেবে রাজ্যগুলিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার (Union Government) ২০২৫ অর্থবর্ষের তৃতীয় কোয়ার্টারে (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) প্রতিটি রাজ্যকে মূলধন বিনিয়োগের জন্য বিশেষ ফান্ড দেবে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই ফান্ড ৫০ হাজার কোটি থেকে ৭০ হাজার কোটি পর্যন্ত হতে পর্যন্ত হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, এমন বরাদ্দ বৃদ্ধির লক্ষ্য হল, রাজ্যের প্রকল্পগুলিকে আরও জোরদার করা। কেন্দ্রীয় সরকারের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ফান্ডিং পুরোটাই সুদ মুক্ত হতে চলেছে এবং ২০২৫ অর্থবর্ষের তৃতীয় কোয়ার্টারে এই ফান্ডিং (Infrastructure Growth) রাজ্যগুলিকে করা হবে।

    বিহার, গুজরাত, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ সমেত ১৬টি রাজ্য এসেছে প্রকল্পের আওতায়

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ অর্থবর্ষে (Union Government) বিহার, গুজরাট, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ সমেত ১৬টি রাজ্য সুদ মুক্ত এই ঋণের প্রকল্পের আওতায় এসেছে। এই স্কিমের আওতায় সুদ মুক্ত ঋণ নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মেয়াদ হবে ৫০ বছর। চলতি বছরের জুলাই মাসে বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেখানেই তিনি জানিয়েছিলেন, ২০২৫ অর্থবর্ষে রাজ্যগুলিকে সাহায্য প্রদানের (Infrastructure Growth) জন্য এই স্কিমের বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

    করোনা পরবর্তীতে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতেই চালু হয় এই প্রকল্প

    জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের (Union Government) মধ্যে ৫৮ শতাংশ অর্থাৎ আনুমানিক ৮৮ হাজার কোটি টাকা- আবাসন, নগর পরিকল্পনা, যুব সমাজের জন্য ডিজিটাল লাইব্রেরি, পুরনো সরকারি যানবাহন বাতিল এবং সংস্কার এই সমস্ত কিছুর কাজ করা হবে। প্রসঙ্গত, সুদ ছাড়া ঋণ প্রকল্প চালু করা হয়েছিল ২০২১ সালেই। সে সময়তে করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্যই এমন কর্মসূচি নিয়েছিল সরকার।

    ‘‘কোনও রাজ্যের সঙ্গেই সৎ মায়ের মতো আচরণ করা হচ্ছে না’’

    অন্যদিকে, বুধবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় (Union Government) অর্থমন্ত্রী হাজির ছিলেন ম্যাঙ্গালুরুর একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে তিনি জানান, কোনও রাজ্যের সঙ্গেই সৎ মায়ের মত আচরণ করা হয়নি। ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সরকারের ১০ বছরের শাসনের সময় রাজ্যগুলিকে যে পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হত এবং মোদি জমানায় যতটা বরাদ্দ করা হয়, তার পরিসংখ্যান তিনি তুলে ধরেন। তিনি জানান, ভারত প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বড় উৎপাদক ও রফতানিকারক হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি মোবাইল, আধা-পরিবাহী, পুনর্নবীকরণ শক্তির সরঞ্জামসহ অন্যান্য উৎপাদন অনেক বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সীতারামন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • EPFO Wage Limit: সরকারি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন বেড়ে হচ্ছে ২১,০০০! ইপিএফও-র নিয়মেও বদল আনছে কেন্দ্র

    EPFO Wage Limit: সরকারি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন বেড়ে হচ্ছে ২১,০০০! ইপিএফও-র নিয়মেও বদল আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন (Basic Salary) বাড়াতে চলেছে কেন্দ্র। সংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরতদের ন্যূনতম মজুরি (Minimum Wage) বর্তমান ১৫০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০০০ টাকা করতে পারে কেন্দ্র (EPFO Wage Limit)। পাশাপাশি, কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য ইপিএফও-তে যোগদানের মাপকাঠিতেও করা হতে পারে বদল। কেন্দ্রীয় সরকার এই বিষয়ে পরিকল্পনা করছে।

    ইপিএফও-তে যোগদানের নিয়ম বদল

    একই সঙ্গে, ইপিএফও-তে (EPFO) যোগদানের ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে একটি কোম্পানিতে ন্যূনতম কর্মী সংখ্যা ২০ হওয়া জরুরি। সেই সংখ্যা কমিয়ে এবার ১০ থেকে ১৫ হতে পারে। এর ফলে আরও বেশি সংখ্যক সংস্থাকে ইপিএফও-র (EPFO Wage Limit) পরিধির আওতায় আনা সম্ভব হবে। ইপিএফও-র সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টির বৈঠকে ন্যূনতম মজুরি সীমা বা মিনিমাম ওয়েজ (Minimum Wage) বাড়ানোর দাবি বেশ কয়েকবার করা হয়েছে। কর্মীদের দাবি মেনে এবার সেই পথে হাঁটতে চলেছে মোদি সরকার।

    আরও পড়ুন: আয়ুষ্মান কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন ৫ লাখেরও বেশি সত্তরোর্ধ্ব নাগরিক

    শেষ কবে সীমা পরিবর্তন

    ২০১৪ সালে শেষবার মিনিমাম ওয়েজের (Minimum Wage) বিষয়টি সংশোধন করা হয়েছিল। সেই সময় ৬৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫,০০০ টাকা করা হয় ওয়েজ লিমিট (EPFO Wage Limit)। গত ১০ বছরে এই সীমার আর কোনও পরিবর্তন হয়নি। এবার শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য বিষয়গুলি পর্যালোচনা করে এই সীমা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন। তবে বেতনের সীমা (Basic Salary) বাড়ানো হলে কর্মী এবং নিয়োগকর্তা বা সংস্থাগুলির অবদানও বাড়াতে হবে ইপিএফও-তে। নিয়ম অনুযায়ী, কর্মীর মূল বেতনের ১২ শতাংশ যায় পিএফ অ্যাকাউন্টে। সম অঙ্কের টাকা জমা করে সংস্থাও। তবে, নিয়োগকর্তার ১২ শতাংশের মধ্যে কর্মীর প্রভিডেন্ট ফান্ড খাতে (ইপিএফও) যায় ৩.৬৭ শতাংশ। আর বাকি ৮.৩৩ শতাংশ যায় কর্মীর পেনশন প্রকল্পে (ইপিএস)। মিনিমাম ওয়েজ লিমিট (EPFO Wage Limit) বাড়লে এই অবদানগুলিও বাড়বে। বর্তমান, ১৫ হাজারের বেশি বেসিক স্যালারি হলে এতদিন পিএফ-এ সঞ্চয় করা যেত না। এবার বেতনের ঊর্ধ্বসীমা ২১ হাজার টাকা করা হলে কর্মী ও নিয়োগকর্তার উভয়ের বিনিয়োগই বাড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share