Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Jharkhand Assembly Election 2024: মাওবাদী এলাকায় কড়া নিরাপত্তা, ঝাড়খণ্ডে গণতন্ত্রের উৎসব পালনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর 

    Jharkhand Assembly Election 2024: মাওবাদী এলাকায় কড়া নিরাপত্তা, ঝাড়খণ্ডে গণতন্ত্রের উৎসব পালনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের ৮১টি বিধানসভা (Jharkhand Assembly Election 2024) কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম দফায় ৪৩টিতে ভোটগ্রহণ শুরু হল সকালে। ভোট প্রক্রিয়া শুরু হতেই ঝাড়খণ্ডবাসীর উদ্দেশ্য়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)৷ প্রথম ভোটারদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি ৷ এদিন ঝাড়খণ্ডে ১৫,৩৪৪টি বুথে ভাগ্যপরীক্ষা হবে ৬৮৩ জন প্রার্থীর। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

    প্রধানমন্ত্রীর আর্জি

    বাংলার পড়শি রাজ্যে প্রথম দফায় যে ৪৩টি আসনে ভোট হচ্ছে, চলতি বছরের লোকসভা ভোটের হিসেবে এই ৪৩টি আসনের মধ্যে ২৬টিতে এগিয়ে বিজেপি (Jharkhand Assembly Election 2024)। এই ৪৩টি আসনের মধ্যে ২০টি তফসিলি জনজাতি এবং ছ’টি তফসিলি জাতির প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। ঝাড়খণ্ডবাসীকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নতুন ভোটারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সকলকে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে বলেছেন তিনি। ঝাড়খণ্ডের পাশাপাশি বুধবার পশ্চিমবঙ্গের ছ’টি-সহ ১০ রাজ্যের ৩১টি বিধানসভায় উপনির্বাচন হচ্ছে। কেরলের ওয়েনাড় উপনির্বাচনে ‘ভাগ্যপরীক্ষা’ হচ্ছে কংগ্রেস প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর। 

    মাওবাদী অঞ্চলে কড়া নিরাপত্তা

    ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand Assembly Election 2024) মাওবাদী উপদ্রুত এলাকাগুলিতে ভোটগ্রহণ চলছে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে। একদা মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে হিংসা না ঘটলেও ঝুঁকি এড়াতে প্রতি বুথেই মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই পর্বের ভোটে কোলহান ডিভিশন (দুই সিংভূম, সেরাইকেলা এবং খরসঁওয়া জেলা) এবং পলামুতে ভোট হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্তের বিরুদ্ধে জমি কেলেঙ্কারি, দুর্নীতির পাশাপাশি বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এ বারের ভোটে ধারাবাহিক ভাবে ‘জমি জিহাদে’ মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে। অভিযোগ, জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডি জোট সরকারের মদতে গত পাঁচ বছরে আদিবাসীদের জমি গ্রাস করছেন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। প্রথম দফার ভোটে বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পই সোরেন (সেরাইকেলা), তাঁর পুত্র বাবুলাল (ঘাটশিলা), দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী—মধু কোড়ার স্ত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ গীতা কোড়া (জগনাথপুর) এবং অর্জুন মুন্ডার স্ত্রী মীরা (পোটকা)। বিজেপির আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের পুত্রবধূ পূর্ণিমা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মহা বিকাশ আগাড়ি দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়”, তোপ মোদির

    PM Modi: “মহা বিকাশ আগাড়ি দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মহা বিকাশ আগাড়ি (এমভিএ) দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়।” ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে ঠিক এই ভাষায়ই মহা বিকাশ আগাড়িকে (MVA) আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এমভিএ উন্নয়ন প্রকল্পগুলিকে ঝুলিয়ে রাখা এবং বিলম্বিত করার বিষয়ে পিএইচডি করেছে।”

    এমভিএকে আক্রমণ মোদির (PM Modi)

    মঙ্গলবার চন্দ্রপুরের চিমুরে এক নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “মহারাষ্ট্রের দ্রুত উন্নয়ন আগাড়ি দলের ক্ষমতার বাইরে। এমভিএ শুধু কাজ থামানোর ওপর পিএইচডি করেছে। কাজগুলো আটকে রাখা, ঝুলিয়ে রাখা আর বিভ্রান্ত করা – এই কাজে তারা ওস্তাদ।” এদিন প্রধানমন্ত্রী নিশানা করেন কংগ্রেসকেও। তিনি বলেন, “এই দল ডবল পিএইচডি করেছে এবং উন্নয়নমূলক কাজগুলিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে এক্সপার্ট। এই কংগ্রেসিরা তো এতে বিশেষজ্ঞ, আড়াই বছরে তারা প্রতিটি উন্নয়নমূলক প্রকল্প থামানোর চেষ্টা করেছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “আগাড়ি দল হল দুর্নীতির সবচেয়ে বড় খেলোয়াড়।”

    মোদির প্রশ্নবাণ

    জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, “চিমুরের জনগণ কি এমভিএকে শহরের উন্নয়নে বাধা দিতে দেবে? আপনারা কি আবার এদের লুটপাটের লাইসেন্স দেবেন? লুট করতে দেবেন? রাজ্যের ভান্ডার ভরতে দেবেন? মহারাষ্ট্রের উন্নয়নে এমভিএ কি বাধা দেবে?” তিনি বলেন, “কীভাবে এই আগাড়ি দলগুলো উন্নয়নে বাধা দেয়, তার সব চেয়ে বড় সাক্ষী চন্দ্রপুরের জনগণ।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মহাজোট সরকার কত দ্রুত গতিতে কাজ করে এবং এই আগাড়িরা কীভাবে কাজ বন্ধ করে দেয়, তা চন্দ্রপুরের মানুষের চেয়ে ভালো আর কে জানে? এখানে মানুষ দীর্ঘদিন ধরে রেল সংযোগের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু কংগ্রেস এবং আগাড়িরা এই কাজ করতে দেয়নি।”

    আরও পড়ুন: একজন মাত্র বিজেপি বিধায়ক থাকলেও মুসলিম সংরক্ষণে ‘না’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় উঠে এসেছে বিজেপির ইশতেহারের প্রসঙ্গও। তিনি জানান, এই ইশতেহারে মহারাষ্ট্রবাসীর জন্য প্রয়োজনীয় ২৫টি প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপির এই ইশতেহার আগামী পাঁচ বছরে মহারাষ্ট্রের জন্য ‘বিকাশের গ্যারান্টি’  হয়ে উঠবে।” তিনি বলেন, “মহাজোটের সঙ্গে কেন্দ্রে এনডিএ সরকার মানে মহারাষ্ট্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার, অর্থাৎ উন্নয়নের গতি হবে দ্বিগুণ।” তিনি বলেন, “আজ আমি মহারাষ্ট্র বিজেপিকে অভিনন্দন জানাতে চাই, যারা একটি চমৎকার ইশতেহার প্রকাশ করেছে। এতে আমাদের কন্যা ও বোনদের জন্য, কৃষকদের জন্য, দেশের যুব শক্তির জন্য এবং মহারাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য অনেক (MVA) চমৎকার সব সংকল্প গ্রহণ করা হয়েছে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে এনকাউন্টারে জঙ্গি নিহত হওয়ার জের, জারি কার্ফু, উদ্ধার অস্ত্র, শিশুসহ ৬ জনকে অপহরণ!

    Manipur: মণিপুরে এনকাউন্টারে জঙ্গি নিহত হওয়ার জের, জারি কার্ফু, উদ্ধার অস্ত্র, শিশুসহ ৬ জনকে অপহরণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তেজনা ছড়াল মণিপুরে (Manipur)। সন্দেহভাজন ১০ কুকি উগ্রপন্থীর মৃত্যু হয়েছিল সেখানে। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালীন জিরিবাম জেলায় এনকাউন্টারে তাদের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন সিআরপিএফের এক জওয়ানও আহত হন। এমন পরিস্থিতিতে জিরিবামে অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্ফু জারি করেছে রাজ্যের সরকার। মঙ্গলবার সকালে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ ছিল এবং পুলিশ ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে টহল দিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।  

    জারি হল নিষেধাজ্ঞা (Manipur)

    সংঘর্ষের ঘটনা ঘটার পর জিরিবাম (Manipur) জেলা প্রশাসন সোমবার পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ নিষিদ্ধ করার আদেশ জারি করেছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারি করা একটি আদেশে আগ্নেয়াস্ত্র, তলোয়ার, লাঠি, পাথর বা অন্যান্য প্রাণঘাতী অস্ত্র, ধারালো জিনিস বা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, এমন সব কিছু বহন করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন বিদ্রোহীদের হত্যার প্রতিবাদে পাহাড়ের কুকি-জো সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় মঙ্গলবার ভোর ৫টা থেকে বনধ পালিত হয়েছে। শীর্ষ সূত্রের মতে, কুকিদের সিআরপিএফ সদর দফতর আক্রমণ করার পরিকল্পনা ছিল, যা স্থানীয় প্রশাসন এবং চেক পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণ করে। বিদ্রোহীরা লাইট মেশিনগান (এলএমজি) এবং ইনসাস রাইফেল সহ কমপক্ষে ১০০টি ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এসেছিল, যেগুলি উদ্ধার করা  হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘বাঞ্ছারামের বাগান’ শূন্য! প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা নাট্যকার মনোজ মিত্র

    জখম জওয়ান

    বোরোবেকরাতে (Manipur) ব্যাপক গুলি বিনিময়ের সময় সিআরপিএফ কর্মীও আহত হয়েছেন। তাঁর অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পরে ইম্ফল উপত্যকার একাধিক জায়গা থেকে নতুন হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে। গুলি বিনিময় হয়েছে। কুকি-জো কাউন্সিল মঙ্গলবার সকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজ্যের পার্বত্য এলাকায় সম্পূর্ণ বনধের আহ্বান জানায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জঙ্গিদের তাড়ানোর জন্য অভিযান অব্যাহত ছিল এবং অসম রাইফেলস, সিআরপিএফ এবং পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত রিইনফোর্সমেন্ট দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।  সোমবার সন্ধ্যায় ইম্ফল পশ্চিম এবং ইম্ফল পূর্ব জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গিয়েছে।

    অস্ত্র উদ্ধার

    নিরাপত্তা বাহিনী মণিপুরের (Manipur) বিভিন্ন এলাকা থেকে অস্ত্র উদ্ধার করেছে। সেনার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এক সপ্তাহব্যাপী যৌথ অভিযানে ভারতীয় সেনাবাহিনী, অসম রাইফেলস, মণিপুর পুলিশ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী মণিপুরের বেশ কয়েকটি জেলা থেকে ২৯টি অস্ত্র, ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি), গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। 

    শিশুসহ ৬ জনকে অপহরণ

    অন্যদিকে, জিরিবাম জেলায় জঙ্গি গোষ্ঠীর দ্বারা মেইতি সম্প্রদায়ের তিনজন মহিলা এবং তিনজন শিশুকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অপহৃতদের বন্দিত্বের সময় তোলা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। যা এই অঞ্চলে উদ্বেগকে তীব্র করেছে। জেলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলির মধ্যে একটি বোরোবেকারায় এদিন সকালে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, জিরিবামে বন্দুকযুদ্ধের পর দিন দুই মেইতেই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহগুলি এমন একটি এলাকায় পাওয়া গিয়েছে, যেখানে সন্দেহভাজন কুকি জঙ্গিরা সোমবার কয়েকটি দোকানে আগুন দিয়েছিল। দেহ দুটি সনাক্ত করা হয়েছে। তাদের নাম লাইশরাম বেলেন (৫৬) এবং মাইবাম কেশো (৭৫)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: একজন মাত্র বিজেপি বিধায়ক থাকলেও মুসলিম সংরক্ষণে ‘না’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    Amit Shah: একজন মাত্র বিজেপি বিধায়ক থাকলেও মুসলিম সংরক্ষণে ‘না’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যতদিন পর্যন্ত একজন বিজেপি বিধায়ক থাকবেন, আমরা মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের অনুমতি দেব না।” কার্যত এই ভাবেই ঝাড়খণ্ডের নির্বাচনী প্রচারে ইন্ডি জোটকে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। একইভাবে সংরক্ষণ নীতির ইস্যুতে কংগ্রেসকে (Congress) তোপ দাগেন তিনি। উল্লেখ্য, বুধবার, ১৪ নভেম্বর এই রাজ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন এবং ২০ নভেম্বর  দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন। ভোটের গণনা ২৩ নভেম্বর। নির্বাচনী প্রচারে ব্যাপক জমজমাট।

    চোরেরা ভেবেছিল টাকা নিয়ে পালিয়ে যাবে (Amit Shah)!

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah) ভাষণ দিয়ে বলেন, “দেশের বিরোধী দল কংগ্রেস (Congress) একটি সংরক্ষণ বিরোধী দল। তারা মুসলমান সমাজকে সংরক্ষণ দেওয়ার জন্য ভারতের হিন্দু সমাজের অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে অবলুপ্ত করতে চায়। কিন্তু এই আশা কোনও দিনই বাস্তবে পূরণ হবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত বিজেপির একজন বিধায়কও থাকবেন, ততক্ষুণ পর্যন্ত মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণ নীতিকে তাঁরা অনুমতি দেবেন না। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মন্ত্রী আলমগীর আলমের বাড়ি থেকে ৩৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। একই ভাবে একজন কংগ্রেস সাংসদের বাড়ি থেকে ৩৫০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ টাকা কার? এই টাকা ধানবানদের, দরিদ্র যুবক-যুবতী এবং গরিব মায়েদের কাছ থেকে লুট করা হয়েছে। চোরেরা ভেবেছিল, টাকা নিয়ে পালিয়ে যাবে! এখানে বিজেপির সরকার গড়ুন, আমরা দুর্নীতিগ্রস্থদের সোজা করে দেবো।”

    আরও পড়ুনঃ নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    কৃষকদের ধান প্রতি কুইন্টাল ৩১০০ টাকায় কেনা হবে

    একইভাবে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং কংগ্রেসকে (Congress) আক্রমণ করে আমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “মনরেগা প্রকল্পে জেএমএম সরকারের প্রধান ১০০০ কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারি করেছেন। একই সঙ্গে খনিজ সম্পদে কেলেঙ্কারি, জমি কেলেঙ্কারি-সহ একাধিক দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত। এই রাজ্যে দুর্নীতিমুক্ত সরকার গঠন করা মোদির গ্যারান্টি। মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২১০০ করে টাকা দেওয়া হবে। ৫০০ টাকায় গ্যাস দেওয়া হবে। দীপাবলি এবং রাখীবন্ধনে বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করে দেবো আমরা। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন হলে যুবকরা ২০০০ করে টাকা পাবেন। কৃষকদের ধান প্রতি কুইন্টাল ৩১০০ টাকায় কেনা হবে। প্রতিবন্ধী এবং বিধবাদের জন্য পেনশেন ২৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হবে।”

    আদিবাসী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবে

    এই প্রসঙ্গে রাজ্যের অনুপ্রবেশকারীদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের মানুষের অধিকারকে কেড়ে নিচ্ছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। আদিবাসী সমাজের মহিলাদের প্রলোভন দিয়ে বিয়ে করছে। এরপর আদিবাসীদের সম্পত্তির উপর আধিপত্য বিস্তার করে সুকৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সকল অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরৎ পাঠানো হবে। স্থানীয় ভূমিপুত্রদের অধিকারকে কোনও রকম ভাবেও খর্ব করা যাবে না। আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করবে বিজেপি।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: বিশ্বের ‘ড্রোন হাব’ হওয়াই লক্ষ্য ভারতের, জানিয়ে দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: বিশ্বের ‘ড্রোন হাব’ হওয়াই লক্ষ্য ভারতের, জানিয়ে দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করতে প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর হতে হবে। আর তারই অঙ্গ হিসেবে অত্যাধুনিক মানের ড্রোন তৈরি করছে ভারত৷ ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্যই বিশেষ ধরনের দেশীয় ড্রোন তৈরি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। চেষ্টা করা হচ্ছে ড্রোন উৎপাদনের পরিমাণ বাড়িয়ে ড্রোন রফতানিও বাড়ানোর। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) মঙ্গলবার দিল্লিতে অনুষ্ঠিত “অ্যাডাপটিভ ডিফেন্স: নেভিগেটিং দ্য চেঞ্জিং ল্যান্ডস্কেপ অফ মডার্ন ওয়ারফেয়ার” শীর্ষক প্রতিরক্ষা সংলাপে বলেন, ভারত বিশ্বে একটি ‘ড্রোন হাব’ হতে চায়। এটি শুধুমাত্র ভারতের অর্থনীতির জন্যই সহায়ক হবে না, বরং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    সরকারের পদক্ষেপ

    এদিনের আলোচনা সভায় রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “সরকার ড্রোন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ভারতের নেতৃত্বকে দৃঢ় করতে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমরা গবেষণা ও উন্নয়নকে শক্তিশালী করছি। নির্ভরযোগ্য সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা এবং ভারতীয় মেধানির্ভর সম্পদ তৈরি করতে কাজ করছি। এছাড়াও, উদ্ভাবনকে পুরস্কৃত করতে আইডিইএক্স স্কিম চালু করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “ড্রোন এবং সোয়ার্ম প্রযুক্তি যুদ্ধের ধরনকে মৌলিকভাবে পাল্টে দিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধের যে ধারণা ছিল, তা এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়। ভূমি, আকাশ এবং জলপরিধির প্রতিরক্ষা ধারণাগুলি এখন একে অপরের সঙ্গে মিলে গিয়েছে ড্রোন এবং সোয়ার্ম প্রযুক্তির কারণে।”

    প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির দিকে নজর

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “আমরা ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি বাড়ানোর চেষ্টা করছি। বর্তমানে ভারত ১০০টিরও বেশি দেশে প্রতিরক্ষা সামগ্রী রফতানি করছে। ২০২৯ সালের মধ্যে ৫০,০০০ কোটি মূল্যের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানির লক্ষ্য রয়েছে ভারতের। ভারত সাইবারস্পেস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় উদীয়মান প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ হিসেবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তাঁর কথায়, “তথ্য যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার অ্যাডাপটিভ ডিফেন্স কৌশল গ্রহণ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mallikarjun Kharge: ‘গেরুয়াধারীদের রাজনীতি ছাড়া উচিত’! খাড়্গের মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সন্তসমাজের

    Mallikarjun Kharge: ‘গেরুয়াধারীদের রাজনীতি ছাড়া উচিত’! খাড়্গের মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সন্তসমাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge) মন্তব্য করেছিলেন যে, গেরুয়া পরা লোকেদের রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া উচিত। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গের এই কথার ইঙ্গিত ছিল উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দিকেই। কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্যে দেশ জুড়ে নিন্দার ঝড় শুরু হয়। সাধু-সন্ত-সন্ন্যাসীরাও তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতির এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে। কংগ্রেসের সভাপতি খাড়্গের এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা জানিয়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা তথা সন্ত আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম। তিনি খাড়্গের ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে, সন্ন্যাসী জগৎ গুরু রামভদ্রাচার্যের প্রশ্ন, গেরুয়াধারীরা বাদ যাবে, তবে কি গুন্ডারা রাজনীতি করবে? একইসঙ্গে রামভদ্রাচার্য জানিয়েছেন, গেরুয়া হল আসলে ভগবানের রঙ।

    কোথায় লেখা আছে যে গেরুয়াধারীদের রাজনীতি করা যাবে না?

    জগৎ গুরু রামভদ্রাচার্য (Mallikarjun Kharge) সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খাড়্গের মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি (Spiritual Leaders) বলেন, ‘‘এটা কোথায় লেখা আছে যে গেরুয়াধারীরা রাজনীতি করতে পারবেন না? তবে কি গুন্ডাদের রাজনীতি করা উচিত? লোফারদের রাজনীতি করা উচিত? গেরুয়াধারীদের রাজনীতি করতে হবে কারণ গেরুয়া হল ভগবানের রঙ।’’  ইতিহাস থেকে শিবাজী মহারাজের উদাহরণ টেনে এনে তিনি আরও বলেন, ‘‘রাজা শিবাজী গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করেছিলেন এবং সমগ্র জাতি ও মহারাষ্ট্রকে একত্রিত করেছিলেন। তাই গেরুয়াধারীদের রাজনীতি করাই উচিত। স্যুট-বুটের পলিটিক্স ভারত থেকে বন্ধ হোক।’’

    কী বলেছিলেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge)?

    সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মন্তব্য করেছিলেন, ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ অর্থাৎ বিভক্ত হলেই আমরা ধ্বংস হয়ে যাব। হিন্দু ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে এমন কথা বলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এই স্লোগানের সমালোচনা করে মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge) মুম্বইতে বলেছিলেন, ‘‘অনেক নেতাই সাধুদের ছদ্মবেশে বসবাস করে বর্তমানে রাজনীতিবিদ হয়েছেন। কেউ কেউ মুখ্যমন্ত্রীও হয়েছেন। তাঁরা গেরুয়া পোশাক পরেন, তাঁদের মাথায় চুল নেই। আমি বিজেপিকে বলব হয় সাদা পোশাক পরুন নয়ত আপনি সন্ন্যাসী হয়ে গেরুয়া পোশাক পরলে রাজনীতি ছেড়ে দিন।’’

    ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ স্লোগান যোগীর, সমর্থন জগৎগুরু রামভদ্রাচার্যের 

    জগৎ গুরু রামভদ্রাচার্য অবশ্য যোগী আদিত্যনাথের ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ স্লোগানকে (Spiritual Leaders) সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করেছেন এবং বলেন, ‘‘সম্প্রদায় আলাদা আলাদা হলেও আমাদের সকল হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত। আমরা এক হলে কেউ আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। এক একটি আঙুল এককভাবে দুর্বল কিন্তু একটি মুষ্টি শক্তিশালী।’’

    নিজের ধর্ম প্রকাশ করুন খাড়্গে

    অন্যদিকে, আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম মল্লিকার্জুন খাড়্গের ধর্ম নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন এবং তিনি বলেছেন, ‘‘কোনও হিন্দুই অন্ততপক্ষে সাধু-সন্ত এবং মহাত্মাদের অপমান করতে পারেন না।’’ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রমোদ কৃষ্ণমের আরও দাবি, অবিলম্বে খাড়্গের উচিত, তাঁর নিজের ধর্ম কী? এনিয়ে সবাইকে জানানো। 

    সনাতন ধর্মের যাঁরা বিরুদ্ধে, তাঁরা আসলে ভারত-বিরোধী

    আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণমের মতে, যে ধরনের বিবৃতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে দিয়েছেন, তা সন্ন্যাসীদের পক্ষে খুবই অপমানজনক। এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম বলেন, ‘‘তাঁর নাম দেখে মনে হচ্ছে তিনি হিন্দু। কিন্তু তাঁর কাজ দেখে কখনও মনে হচ্ছে না, তিনি হিন্দু। তাঁর প্রথমে উচিত যে সবার সামনে প্রকাশ করা নিজের পরিচয়। তিনি হিন্দু বটেন কিনা!’’ মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম আরও বলেন, ‘‘সনাতন ধর্মের যাঁরা বিরুদ্ধে, তাঁরা আসলে ভারত-বিরোধী।’’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘‘ভারতবর্ষ ঋষি প্রধান দেশ এবং সেই দেশে এ ধরনের মন্তব্য মানায় না।’’

    সনাতন ধর্মকে অপমান করছেন খাড়্গে

    প্রমোদ কৃষ্ণমের মতে, ‘‘নিঃসন্দেহে তিনি (খাড়গে) একজন সিনিয়র নেতা কিন্তু তিনি হিন্দু সন্ন্যাসীদের অপমান করছেন। সনাতন ধর্মকে অপমান করছেন। গেরুয়া রঙকে অপমান করছেন। এ ধরনের ব্যবহার তাঁর করা উচিত নয়। কোনও হিন্দুরই উচিত নয়, হিন্দু সন্ন্যাসীদের অপমান করা। যোগী আদিত্যনাথ সম্পর্কে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করা কখনও উচিত হয়নি মল্লিকার্জুন খাড়্গের।’’ প্রসঙ্গত, ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ স্লোগানটি যোগী আদিত্যনাথ প্রথম ব্যবহার করেন। হিন্দু ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে এই স্লোগান দিয়ে মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী প্রচারও করেন তিনি। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও মহারাষ্ট্রে নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে বলেন, ‘‘আমরা এক থাকলেই নিরাপদ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maha Kumbh 2025: মহাকুম্ভে ৪০ কোটি ভক্ত-সমাগমের সম্ভাবনা, কর্মসংস্থান হতে পারে ১.২৫ লক্ষ মহিলার

    Maha Kumbh 2025: মহাকুম্ভে ৪০ কোটি ভক্ত-সমাগমের সম্ভাবনা, কর্মসংস্থান হতে পারে ১.২৫ লক্ষ মহিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্ববৃহৎ হিন্দু ধর্মের মহামিলন দেখা যাবে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলায় (Maha Kumbh 2025)। এই মেলাকে ঘিরে উত্তরপ্রদেশের রাজ্য প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ভীষণভাবে তৎপর। গত ২ বছর ধরে এই মেলার প্রস্তুতি চলছে। ত্রিবেণী সঙ্গমে সুবিশাল নগর বসানো হবে। দেশ-বিদেশ থেকে আনুমানিক ৪০ কোটি ভক্তদের সমাগম হবে মেলায়। একই ভাবে মেলার আয়োজন এবং প্রাচুর্যকে ঘিরে অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থানের বিরাট সুযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মোট ৭ রাজ্য থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার মহিলা কাজের (Employment) সুযোগ পাবেন।

    ১৪ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজ (Maha Kumbh 2025)

    ১২ বছর অন্তর বসে পূর্ণ কুম্ভমেলা। ১২টি পূর্ণকুম্ভ হলে একটি মহাকুম্ভ হয়। অর্থাৎ, প্রতি ১৪৪ বছরে একবার মহাকুম্ভের আয়োজন হয়। এই মহাযোগে ত্রিবেণীর ঘাটে স্নান করলে মেলে পুণ্য। আবার শাস্ত্র মতে, মানব জীবনের মুক্তির বাসনাও পূর্ণ হয় এই মহাকুম্ভে। জানা গিয়েছে, মেলার আয়োজনে পাতার প্লেট, কুলহার, পাটের ব্যাগ, কাপড়ের ব্যাগ, মাটির কাপ তৈরির বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিহার, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তরপ্রদেশ সহ মোট ২৮টি জেলার মহিলাদের। উৎপাদিত পণ্য এই রাজ্যগুলির মোট ৮৬টি জেলার গ্রুপ দ্বারা প্রস্তুত করার কাজ করানো হয়েছে। মোট ১৪ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজে ১ লক্ষ ২৫ হাজার মহিলা প্রস্তুতির কাজে (Employment) নিযুক্ত হয়েছেন। এই বিরাট পরিমাণ কাজের ব্যবস্থা সত্যিই অভাবনীয় বলে অনেকে মনে করছেন।

    ৬০ কোটির বেশি প্লেট ও বাটি প্রস্তুত হবে

    জানা গিয়েছে, এই মহাকুম্ভ মেলায় (Maha Kumbh 2025) ৪০ কোটি সনাতনী দেশি-বিদেশি ভক্তদের সমাগম হবে। তাই ৬০ কোটির বেশি প্লেট এবং বাটি প্রস্তুত করার কাজ চলছে। জোর কদমে কাজ করছে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মেলা কমিটিও। কাজ তদারকি করার জন্য দুই আইএএস অফিসার এবং ছয় পিসিএস অফিসারকে মোতায়েন করা হয়েছে। এই মহাকুম্ভের স্পেশাল এক্সিকিউটিভ অফিসার আকাঙ্ক্ষা রানা এবং সিডিও গৌরব কুমারকে নোডাল অফিসার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ‘মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড’ বেসরকারি সংস্থা, সরানো হোক ‘বোর্ড’ শব্দ, দাবি বিজেপি নেতার

    ২৫০টি দোকান খোলা হবে মেলায়

    তবে এবার মহাকুম্ভ মেলার (Maha Kumbh 2025) আখড়া, ভান্ডার এবং খাবারের এলাকায় কোনও রকম প্লাস্টিক জাতীয় জিনিসের ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। এই সমস্ত জায়গায় ন্যায্য মূল্যে পাতার প্লেট এবং কুলহার (মাটির ভাঁড়) সরবরাহ করা হবে। এ জন্য প্রত্যকে ক্ষেত্রে ১০টি করে দোকান খোলা হবে। মোট ২৫টি এলাকায় ২৫০টি দোকান খোলা হবে। সেই সঙ্গে স্পেশাল দোকানের সংখ্যা হবে ৫০টি। মেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক জায়গায় গাড়িতে করে এই উপকরণগুলি পাঠানো হবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: আগামী বছর প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল?

    Mahakumbh 2025: আগামী বছর প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে রেল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পর এবার হচ্ছে মহাকুম্ভ। আগামী বছর প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) উপলক্ষে হবে মেলা। যেহেতু মহাকুম্ভের এই যোগ আসবে ফের ১৪৪ বছর পরে, তাই এবার রেকর্ড ভিড় হবে বলে আশা করছে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন। মহাকুম্ভে আসা পুণ্যার্থীরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, তাই উদ্যোগী হয়েছে ভারতীয় রেলও (Indian Railways)। 

    মহাকুম্ভ স্নান শুরু (Mahakumbh 2025)

    প্রয়াগরাজ-সহ মোট ১০টি রেল স্টেশনের নিরাপত্তা বাড়ানোর ব্যবস্থা করছে রেল। রেলের আশা, এবার প্রায় ১০ কোটি মানুষ ট্রেনে চড়ে প্রয়াগরাজে পৌঁছবেন। প্রয়াগরাজ স্টেশনটি উত্তর-মধ্য রেলওয়ে অঞ্চলের আওতায়। মহাকুম্ভ (Mahakumbh 2025) স্নান শুরু হবে ১৪ জানুয়ারি। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন পরিকাঠামো এবং সুযোগ-সুবিধা দিতে এবং আপগ্রেড করতে ৯৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রেল (Indian Railways)।

    রেলের বিশেষ ব্যবস্থা

    জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভ মেলা (Mahakumbh 2025) উপলক্ষে রেলমন্ত্রক এবার ৯৯২টি বিশেষ ট্রেন চালাবে রেল। এই ট্রেনগুলি প্রয়াগরাজ জংশন, সুবেদারগঞ্জ, নৈনি, চেয়োকি, প্রয়াগরাজ রামবাগ, ঝাঁসি, প্রয়াগরাজ সঙ্গম, প্রয়াগ এবং ফাফামাউ স্টেশন থেকে চলাচল করবে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় রেলওয়ে স্টেশনগুলিতে সিসিটিভির পাশাপাশি ফেস রিকগনিশন (এফআর) ক্যামেরা বসাচ্ছে রেল (Indian Railways)। এই এফআর ক্যামেরাগুলি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা চালিত এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সূত্রের খবর, প্রয়াগরাজের রেলওয়ে স্টেশনগুলিতে প্রায় ৬৫০টি সিসিটিভি এবং ১০০টি ফেস রিকগনিশন ক্যামেরা বসানো হবে (Mahakumbh 2025)।

    আঞ্চলিক রেলওয়ে (Indian Railways) স্টেশনগুলিতে বহু ভাষায় ঘোষণার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন ভাষাভাষীর মানুষ তাঁদের নিজস্ব ভাষায় ট্রেন সংক্রান্ত তথ্যবলী সহজেই পেতে পারবেন। হিন্দি এবং ইংরেজির পাশাপাশি ১০টি আঞ্চলিক ভাষায় ঘোষণা করা হবে। এই ভাষাগুলি হল— গুজরাটি, মারাঠি, তামিল, তেলুগু, মালায়ালাম, কন্নড়, বাংলা, অসমিয়া, ওড়িয়া এবং পঞ্জাবি।

    আরও পড়ুন: কুর্সি যাচ্ছে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর, জিতছে বিজেপি, ইঙ্গিত জনমত সমীক্ষায়

    যেহেতু এবার ব্যাপক ভিড় হবে মহাকুম্ভ মেলায়, তাই ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য অতিরিক্ত ১৬০০-এরও বেশি কর্মীর প্রয়োজন। এজন্য রেলওয়ে বোর্ড (Indian Railways) অন্য অঞ্চলগুলিকে বুকিং ক্লার্ক, বাণিজ্যিক-কাম-টিকিট ক্লার্ক, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শক এবং সহকারী বাণিজ্যিক ম্যানেজার-সহ অতিরিক্ত কর্মী পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেছে। মহাকুম্ভ মেলার সময় অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান করার উদ্দেশ্যেই এই কর্মীদের চেয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রতি ১২ বছর অন্তর একবার করে হয় কুম্ভ। ১২টি কুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। এই কুম্ভ এবং মহাকুম্ভ হয় প্রয়াগরাজে (Mahakumbh 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • DRDO: নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    DRDO: নিমেষে ধ্বংস হবে হাজার কিমি দূরের যুদ্ধজাহাজ, ডিআরডিও-র নয়া মিসাইলের পরীক্ষা শীঘ্রই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী পাকিস্তান ও চিনকে টক্কর দিতে সব সময় প্রস্তুতি চালাচ্ছে ভারত। কোনওভাবেই দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত যাতে না হয় তার দিকে সজাগ দৃষ্টি সরকারের। সীমান্ত সুরক্ষার্থে সদা প্রস্তুত ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী ও বায়ুসেনা। সমুদ্র সীমান্তে প্রতিরক্ষার শক্তি বাড়াতে প্রথম থেকেই নজর দিয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী। সেই পথে হেঁটেই নতুন একটি দূরপাল্লার অ্যান্টি-শিপ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (Anti-Ship Ballistic Missile) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করতে চলেছে ভারত (DRDO)।

    নয়া মিসাইলের ক্ষমতা

    এএনআই সূত্রের খবর, ওই দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা হতে চলেছে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। ওই ক্ষেপণাস্ত্র হাজার কিলোমিটার বা তারও বেশি দূরে থাকা এক জায়গায় ভাসমান বা চলন্ত কোনও যুদ্ধজাহাজ বা এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ারকে আঘাত হানতে সক্ষম। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)-এর তরফে ওই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হবে। এই অ্যান্টি-শিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল যুদ্ধজাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা যাবে, উপকূল থেকেও ছোড়া যাবে। দেশের পূর্ব উপকূলে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ভারত-মরিশাস সম্পর্ক আরও দৃঢ় হওয়ার আশা, বন্ধু রামগুলামকে জয়ের জন্য অভিনন্দন মোদির

    ব্যালিস্টিক মিসাইলের সংখ্যা বৃদ্ধি

    ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য তৈরি করা হয়েছে এই মিসাইল সিস্টেম। দূর পাল্লা থেকে শত্রুদের যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করার ক্ষমতা যাতে বাহিনীর হাতে থাকে, সেই কারণেই এমন পদক্ষেপ। ভারতের তিনদিকে রয়েছে জলসীমান্ত, সেই কারণেই নৌ প্রতিরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।  পাকিস্তান ও চিনের কাছে ইতিমধ্যেই এই অস্ত্র রয়েছে। চিনেও এর বড় স্টোরেজ রয়েছে। কিছুদিন আগে পাকিস্তান তাদের দেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষাও করেছে। এই পরীক্ষার তথ্য দিয়ে পাকিস্তানি নৌবাহিনী বলেছিল যে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ৩৫০ কিলোমিটার দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম এবং স্থল ও সমুদ্র উভয় দিক থেকেই এটি উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে। তারই পাল্টা ভারতের এই ক্ষেপণাস্ত্র। ভাঁড়ারে ব্যালিস্টিক মিসাইলের সংখ্যা বৃদ্ধি করে যাচ্ছে ভারতের সব প্রতিরক্ষা বাহিনীই। ইতিমধ্যেই প্রলয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অর্ডার করেছে ভারতীয় সেনা ও ভারতীয় বিমানবাহিনী। দীর্ঘমেয়াদের যুদ্ধের দিকে তাকিয়ে তিন বাহিনীতেই ধীরে ধীরে ছোট ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ভাঁড়ার তৈরি করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air India: হিন্দু ও শিখ যাত্রীদের হালাল-খাবার দেওয়া যাবে না, বিরাট ঘোষণা এয়ার ইন্ডিয়ার

    Air India: হিন্দু ও শিখ যাত্রীদের হালাল-খাবার দেওয়া যাবে না, বিরাট ঘোষণা এয়ার ইন্ডিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হালাল প্রত্যায়িত খাবারের (Halal-certified Food) বিরুদ্ধে অনেক দিন ধরেই সরব হয়েছিলেন অ-মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা। কেন জোর করে ইসলামি হালাল খাবার খেতে হবে হিন্দু-শিখ ধর্মাবলম্বীদের? এটা ছিল আমজনতার প্রশ্ন। এবার দীর্ঘ সময়ের জন্য সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া গ্রুপ (Air India)। হিন্দু ও শিখদের হালাল-খাবার পরিবেশন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাটার মালিকানাধীন এই উড়ান সংস্থা। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের সাধারণ নাগরিকগণ। এবার থেকে হালাল জাতীয় খাবার আর দেওয়া হবে না অ-মুসলিম বিমানযাত্রীদের। সামাজিক মাধ্যমে নেট- নাগরিকদের নানা মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। বেশিরভাগই এয়ার ইন্ডিয়াকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

    খাবার পরিবেশনের রীতিতে এবার বদল

    টাটা গ্রুপের (Air India) ব্যবস্থাপনায় এয়ার ইন্ডিয়া একটি সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় হিন্দু এবং শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীরভাবে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। গ্রুপের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, হিন্দু ও শিখ যাত্রীদের হালাল-প্রত্যায়িত খাবার (Halal-certified Food) পরিবেশন করা যাবে না। মুসলিম যাত্রীদের জন্য পৃথকভাবে এমওএমএল বা মুসলিম মিল স্টিকার বা লেবেল যুক্ত খাবার ‘বিশেষ’ বলে বিবেচিত হবে। টিকিট বুক করার সয়ম কোনও ব্যক্তি এমওএমএল বা হালাল-খাবারের অপশন টিক করলে তবেই কেবলমাত্র নথিভুক্ত ব্যক্তিদের হালাল খাবার পরিবেশন করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি বহু বছর ধরে খাবার পরিবেশনের রীতিতে এবার বদল ঘটতে শুরু করবে। ধর্মী ও সাংস্কৃতিক অনুশীলনগুলিকে আরও ভালোভাবে যাতে সম্মান করা যায়, সেই দিকেও নজর থাকবে বলে জানা গিয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, হালাল-প্রত্যায়িত খাবার কেবলমাত্র নির্দিষ্ট রুটেই উপলব্ধ হবে।

    হালালের ‘একচেটিয়া’ রাজত্ব ছিল

    এক দশকেরও বেশি সময় ধরে, হিন্দু এবং শিখ ধর্মাবলম্বী যাত্রীরা এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) ফ্লাইটে খাবারের বিকল্প ব্যবস্থার দাবি তুলে আসছিলেন। বিশেষ করে হালাল-খাবারের একচেটিয়া পরিবেশন রীতি মানুষের মনে প্রশ্ন তৈরি করেছিল। কিছু কর্মী এবং ধর্ম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এই ব্যবস্থাকে হালালের ‘একচেটিয়া’ রাজত্ব হিসাবে বর্ণনা করেছেন। যাঁরা ইসলাম ধর্মাবলম্বী নন, অর্থাৎ অ-মুসলিম তাঁদের উপর একটি খাদ্যাভ্যাসকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এয়ার ইন্ডিয়ার সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হল, হালাল শংসাপত্রের বাইরে উপলব্ধ বিকল্প খাবারগুলি যাতে সমস্ত যাত্রীদের খাদ্যতালিকায় থাকে সেই বিশ্বাসকে সম্মান করতে হবে।

    যাত্রীদের বিভিন্ন চাহিদা মেটানোই লক্ষ্য

    জানা গিয়েছে, টাটা গ্রুপের এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সাম্প্রতিক পদক্ষেপের একাটাই লক্ষ্য যাত্রীদের বিভিন্ন চাহিদা মেটানো। হিন্দু, শিখ এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাঁদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় রীতিগুলির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ খাবারের বিকল্প পরিষেবাগুলিকে উপলব্ধ করা। এই ঘোষণা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল আলোচনা ও প্রশংসা হচ্ছে। বিশেষ করে হিন্দু এবং শিখ ধর্মের মানুষেরা এই ধরনের পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষায় ছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ রাম মন্দিরে হামলার হুমকি খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুনের, অযোধ্যায় জারি সতর্কতা

    সনাতন ডায়েট বোর্ড সার্টিফাইড প্রয়োজন

    সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া এসেছে। যেমন-‘মেঘ আপডেট’ নামে এক্স হ্যান্ডলের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পোস্ট ব্যাপক ঝড় তুলেছে। একে এক প্রকার আলোড়ন বলা বললেও কম বলা হবে। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় সবচেয়ে বড় পদক্ষেপগুলির (Air India) মধ্যে একটি। ১.৬ বিলিয়ন হিন্দু, ০.৫ বিলিয়ন বৌদ্ধ এবং জৈন-শিখ-সহ মোট ২.০ বিলিয়ন সনাতনীদের জন্য ভালো খবর (Halal-certified Food)। সনাতন ডায়েট (SATVIC/SANATAN DIET) বোর্ড সার্টিফাইড এবং সার্টিফিকেশনের প্রয়োজন এই সময়ে। এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) দারুণ খবর।”

    অন্য একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “সংখ্যালঘু প্রভাবের কারণে এখনও পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষই কেবলমাত্র ভুগছেন। ভাবা যায়! অবাক কাণ্ড, একবার কল্পনা করুন।” আবার আরও একজন উল্লেখ করে লিখেছেন, “এটি ভালো খবর। আমি অবাক হয়েছি যে এই দিকে এত বছর ধরে কেন নজর দেওয়া হয়নি। সকলের অলক্ষ্যে ছিল।” একই ভাবে একাধিক ধর্মীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে খাদ্য তালিকা এবং পছন্দগুলির স্বীকৃতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) এই ঘোষণায় দেশজুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share