Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Hindu Sabha Temple: মন্দিরে হামলা, ট্রুডোর বিরুদ্ধে কানাডার কোর্টে আবেদন ভারতীয় আইনজীবীর

    Hindu Sabha Temple: মন্দিরে হামলা, ট্রুডোর বিরুদ্ধে কানাডার কোর্টে আবেদন ভারতীয় আইনজীবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও গাড্ডায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিনীত জিন্দল কানাডার সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করেছেন। পিটিশনে ব্রাম্পটনে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হিন্দু মন্দিরে আক্রমণের (Hindu Sabha Temple) সঙ্গে জড়িত সকলের, বিশেষ করে খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

    কানাডায় পিটিশন দায়ের (Hindu Sabha Temple)

    জিন্দল কানাডার প্রধান বিচারপতি রিচার্ড ওয়াগনারের কাছে ডিজিটালি এই পিটিশন জমা দেন। পিটিশনে হিন্দু ভক্ত ও হিন্দু সভা মন্দিরে আক্রমণের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পিটিশনে জিন্দল কানাডিয়ান সুপ্রিম কোর্টকে এই ঘটনার তদন্তের তত্ত্বাবধান করার আহ্বান জানান। বিশেষ করে পিল পুলিশের কর্মকর্তাদের আচরণ এবং ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র মতো খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠীর কার্যকলাপের ওপর নজরদারি করতে, যারা হিংসায় ইন্ধন জোগানোয় দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে। পিটিশনে এমন পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয় যাতে অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হয়। কানাডার হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাসনাস্থলগুলিতে যথাযথ নিরাপত্তা দেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে পিটিশনে। জিন্দল এও উল্লেখ করেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাসনাস্থলগুলির (Hindu Sabha Temple) ওপর ক্রমবর্ধমান হিংসার ঘটনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় জরুরি হস্তক্ষেপের প্রয়োজন।

    কী বলছেন আইনজীবী

    সংবাদ মাধ্যমে (Justin Trudeau) সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবী বলেন, “বর্তমান জাস্টিন ট্রুডো সরকারের পক্ষ থেকে ভারত সরকারের খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার অনুরোধের কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হচ্ছে, তাও এখন সুপরিচিত। ৩ নভেম্বর, খালিস্তানপন্থীরা হিন্দু সভা মন্দিরে হামলা চালায়। ভক্তদের মারধরও করা হয়। এই ঘটনার সময় পিল পুলিশের (এই অঞ্চলেই ঘটনাটি ঘটেছিল) কর্মকর্তারাও হিন্দু ভক্তদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছিল (এ সংক্রান্ত ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, যার সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। এরপর থেকে কানাডায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্র-সহ সব দিক থেকেই হিন্দুরা হামলার শিকার হচ্ছে। এই মুহূর্তে কানাডায় আমাদের হিন্দু ভাইয়েরা প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছে।’’

    ট্রুডো সরকারের মদত!

    তিনি বলেন, “খালিস্তান টাইগার ফোর্স এবং শিখস ফর জাস্টিসের মতো খালিস্তানপন্থী জঙ্গি সংগঠনগুলি ট্রুডো সরকারের মদত পাচ্ছে বলে অভিযোগ। তার জেরে হিন্দু যুবকদের মিথ্যে হিংসা ও ঘৃণার মামলায় ফাঁসিয়ে দিচ্ছে খালিস্তানপন্থী ওই সংগঠনের সদস্যরা।” জিন্দল বলেন, “আমি এই পদক্ষেপটি নিচ্ছি যাতে কানাডার সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায় এবং সেখানে বসবাসকারী প্রতিটি হিন্দুর জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষার আহ্বান জানানো যায়।” জিন্দলের আশা, কানাডার বিচার ব্যবস্থা সঠিক বিচার করবে। তাঁর পিটিশনটিও গৃহীত হবে। কানাডায় হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।

    হামলার ভিডিও ফুটেজ

    গত ৩ নভেম্বর কানাডার ব্রাম্পটনের হিন্দু সভা মন্দিরের (Hindu Sabha Temple) বাইরে অবস্থান বিক্ষোভ করছিলেন বেশ কয়েকজন খালিস্তানপন্থী। প্রত্যক্ষদর্শী ও হিন্দু-কানাডিয়ান ফাউন্ডেশনের শেয়ার করা ভিডিও ফুটেজ থেকে দেখা গিয়েছে, খালিস্তানপন্থী চরমপন্থীরা খালিস্তানের ঝান্ডার ডান্ডা নিয়ে মন্দির উপস্থিত হিন্দু ভক্তদের মারধর করে। খালিস্তানপন্থীদের এই ভিড়ে কানাডা পুলিশের এক কর্মীকেও দেখা গিয়েছে খালিস্তানপন্থী ঝান্ডা হাতে (যদিও কানাডা পুলিশের দাবি, ওই কর্মী তখন ডিউটিতে ছিলেন না)। জানা গিয়েছে, মন্দির কর্তৃপক্ষ এবং ভারতীয় কনস্যুলেটের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভক্তরা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। আচমকাই তাঁদের ওপর হামলা করে খালিস্তানপন্থীরা। তাদের মারের হাত থেকে রেহাই পাননি মহিলা, শিশু এবং প্রবীণরাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, কীভাবে উগ্রপন্থীরা অনুষ্ঠানটি বিঘ্নিত করছে। কীভাবেই তারা উপস্থিত ভক্তদের মারধর করছে।

    আরও পড়ুন: কুর্সি যাচ্ছে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর, জিতছে বিজেপি, ইঙ্গিত জনমত সমীক্ষায়

    তীব্র নিন্দা ভারতের

    কানাডার ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে ভারত। কানাডিয়ান কর্তৃপক্ষকে সে দেশে ভারতীয় নাগরিক ও ধর্মীয় কাঠামোগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বানও জানিয়েছিল ভারত। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা হিন্দু সভা মন্দিরে চরমপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের করা উস্কানিমূলক হিংসার নিন্দা করছি। আমরা কানাডা সরকারকে অনুরোধ করছি এমন আক্রমণ থেকে যেন (Justin Trudeau) সে দেশের সব উপাসনালয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয় (Hindu Sabha Temple)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

       

  • Air India: এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে গেল ভিস্তারা, শুরু হল উড়ান চলাচল, পরিষেবা কেমন মিলবে?

    Air India: এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে গেল ভিস্তারা, শুরু হল উড়ান চলাচল, পরিষেবা কেমন মিলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে সেই শুভক্ষণ আসল। মঙ্গলবার ১২ নভেম্বর এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) আনুষ্ঠানিকভাবে ভিস্তারার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। যাত্রীদের পরিষেবা আগের মতো বজায় রাখার জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার আগে সোমবার ভিস্তারা (Vistara) শেষ আন্তঃদেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। ভিস্তারার বুকিং সহ আনুমানিক ১ লক্ষ ১৫ হাজার যাত্রী সংযুক্তিকরণ হওয়ার পরে এয়ার ইন্ডিয়ার পরিষেবা পাবেন বলে জানা গিয়েছে। ভিস্তারায় যে ধরনের পরিষেবা যাত্রীরা পেতেন, এখনও সেই পরিষেবাই পাবেন বলে সংস্থার পক্ষে দাবি করা হয়েছে। সংস্থার দাবি, যাত্রী পরিষেবার ক্ষেত্রে কোনওরকম সমঝোতা করা হবে না।

    এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান সংখ্যা কত হল? (Air India)

    ভিস্তারা মূলত টাটা গ্রুপ এবং সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের মধ্যে একটি যৌথ উদ্যোগ ছিল। এবার তা এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিশে গেল। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স সম্প্রসারিত এয়ারলাইন্সে ২৫.১ শতাংশ অংশীদারিত্ব বজায় রাখবে। এই সংযুক্তিকরণ ভারতের বিমান শিল্পে একটি বড় পদক্ষেপ বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে। আর ভিস্তারা মিশে যাওয়ার কারণে এয়ার ইন্ডিয়ার বহর উল্লেখযোগ্যভাবে প্রসারিত হয়েছে। ভিস্তারা তার ৭০টি বিমান নিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩৫০টি ফ্লাইট পরিচালনা করত। ২০২২ সালের নভেম্বরে এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঘোষণার পর থেকে ভিস্তারা এবং এয়ার ইন্ডিয়ার সিস্টেম, কর্মী এবং অপারেশনগুলিকে একসঙ্গে করার প্রচেষ্টা চলছে। সংযুক্ত হওয়ার পর এখন এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২০৮টি। এই বিমান নিয়ে এবার ১০৩টি আন্তঃদেশীয় এবং ৭১টি আন্তর্জাতিক রুটে পরিষেবা দেবে। কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, এয়ারলাইন্সটি ৪৯টি আন্তঃদেশীয় এবং ৪২টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে পরিষেবা দেবে।

    আরও পড়ুন: ‘বাঞ্ছারামের বাগান’ শূন্য! প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা নাট্যকার মনোজ মিত্র

    সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স কত টাকা বিনিয়োগ করবে?

    ভিস্তারা মিশে যাওয়ার পরে এয়ার ইন্ডিয়াতে (Air India) ৩,১৯৪.৫ কোটি টাকা অতিরিক্ত বিনিয়োগ করবে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স। এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে যাওয়ার পর বেশ কিছু সমস্যা এখনও রয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে  অগ্রগতি হওয়া সত্ত্বেও, কিছু সমস্যা রয়ে গিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্মীদের অবসরের সময়সীমা ৫৮ বছর। আর ভিস্তারার কর্মীদের অবসর হয় ৬০ বছরে। ফলে, সংযুক্ত হওয়ার পর কর্মীদের কী হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পাইলটদের সিনিয়ারিটি কীভাবে নির্ধারণ হবে, সেই প্রশ্ন রয়েছে।

    নতুন কী কোড হল?

    আগামী মাসগুলিতে ওয়াইড বডি জেটসহ আরও বিমান যুক্ত হবে। সংযুক্তিকরণ হওয়ার পর ইন-ফ্লাইট অভিজ্ঞতায় যাত্রীরা কোনও পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করবেন না। এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) যাত্রীদের আশ্বস্ত করেছে যে, তাঁরা আগের মতোই একই বিশ্বমানের পরিষেবা উপভোগ করতে পারবেন। এয়ার ইন্ডিয়ার নতুন ফ্লাইট কোড করা হয়েছে। ভিস্তারা যে কোড ছিল তা এবার পরিবর্তন হয়ে যাবে। সোমবার রাতে এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে যাওয়ার পর মঙ্গলবার থেকে এয়ারলাইন্সটির ফ্লাইট কোড ‘UK’ থেকে ‘AI2XXX’-এ পরিবর্তিত হবে।

    শুরু হল উড়ান চলাচল

    সংযুক্তিকরণ হওয়ার পর এয়ার ইন্ডিয়া-ভিস্তারা সংস্থাটি সোমবার মধ্যরাত ১২.১৫ মিনিট নাগাদ দোহা থেকে মুম্বই পর্যন্ত প্রথম ফ্লাইট পরিচালনা করেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইটটি ছিল Al2286, দোহা থেকে মুম্বইয়ের উদ্দেশে। আন্তঃদেশীয় ক্ষেত্রে প্রথম নির্ধারিত ফ্লাইটটি হবে Al2984, মুম্বই থেকে উড়ে গন্তব্য দিল্লি। দুপুর ১.২০ মিনিট নাগাদ টেক অফ করে। উভয় ফ্লাইটই আগে ভিস্তারার ফ্লাইট কোডের অধীনে পরিচালিত হয়েছিল। এখন মিশে যাওয়ার পরে এয়ার ইন্ডিয়ার নয়া কোড নিয়ে আকাশে উড়বে। একটি স্বাধীন এয়ারলাইন্স হিসেবে ভিস্তারার শেষ ফ্লাইট দিল্লি থেকে সিঙ্গাপুরগামী UK115 বিমানটি সোমবার  রাত ১১.৪৫ মিনিট নাগাদ টেক-অফ করেছিল।

    পাইলটরা কী বললেন?

    এয়ার ইন্ডিয়া এবং ভিস্তারা উভয়ই টাটা গ্রুপের অংশ। ভিস্তারা টাটা এবং সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের মধ্যে একটি যৌথ উদ্যোগ। সংযুক্ত হওয়ার দিনে ভিস্তারার পাইলটরা ফ্লাইট চলাকালীন যাত্রীদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে, তাঁরা এখন এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) ব্র্যান্ডের অধীনে একই প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন। ‘আকাশ সীমা নয়, শুধুই শুরু’: ভিস্তারা ‘ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে’ বলে হৃদয়গ্রাহী পোস্ট শেয়ার করেছে ভিস্তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ                                                     

  • AIMPLB: ‘মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড’ বেসরকারি সংস্থা, সরানো হোক ‘বোর্ড’ শব্দ, দাবি বিজেপি নেতার

    AIMPLB: ‘মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড’ বেসরকারি সংস্থা, সরানো হোক ‘বোর্ড’ শব্দ, দাবি বিজেপি নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (এআইএমপিএলবি) থেকে ‘বোর্ড’ শব্দটি সরানোর দাবি জানিয়েছেন বিজেপির (BJP) সংখ্যালঘু মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি জামাল সিদ্দিকি (Jamal Siddiqui)। তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই সংস্থা যদি নাম পরিবর্তন না করে, সেক্ষেত্রে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দেবেন, এই সংস্থাকে (AIMPLB) নিষিদ্ধ করার দাবিতে।

    ১৯৭৩ সালে তৈরি হয় অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড

    ভারতে মুসলিমদের ব্যক্তিগত আইনের দিকগুলি দেখার জন্য ১৯৭৩ সালে তৈরি করা হয়েছিল বেসরকারি সংস্থা অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (AIMPLB)। বোর্ডের কাছে তিনি যে চিঠি লিখেছেন, সেখানে সিদ্দিকি (Jamal Siddiqui) যুক্তি দিয়েছেন, ‘‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড একটি বেসরকারি সংস্থা, এটা কোনওভাবেই সরকারি সংস্থা নয়, তাই বোর্ড শব্দ সরানো উচিত।’’ এর পাশাপাশি এআইএমপিএলবি-কে (AIMPLB) সিদ্দিকি যে চিঠি লিখেছেন, সেখানে তিনি, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের টাকার উৎস এবং অডিট রিপোর্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছেন।

    মুসলমানদের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করছে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড

    সংবাদ মাধ্যমকে সিদ্দিকি (Jamal Siddiqui) বলেন, ‘‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের (AIMPLB) কর্মকাণ্ড ভারতীয় মুসলমানদের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করছে। এর নাম পরিবর্তন করা উচিত।’’ সিদ্দিকি (Jamal Siddiqui) অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনে জানিয়েছেন, শুধুমাত্র লাভের দিকে তাকিয়ে এই সংস্থা মুসলিম সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করছে। এরা শুধু নিজেদের লাভের জন্য ভুল তথ্য ছড়ায়।

    সংবিধানসম্মত সংস্থাই কেবল নামের পাশে বোর্ড শব্দ রাখতে পারে

    তিনি আরও জানিয়েছেন, শুধুমাত্র সংবিধান সম্মত সংস্থাই আইনত তাদের নামের পাশে ‘বোর্ড’ শব্দ ব্যবহার করতে পারে। শাহ বানো মামলা ও ওয়াকফ সংশোধনী বিল সহ বিভিন্ন বিষয়ে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (AIMPLB) যে ধরনের অবস্থান নিয়েছে, তার সমালোচনা করেছেন সিদ্দিকি (Jamal Siddiqui)। তিনি দাবি করেন, এই সংস্থা প্রতি পদে সরকারি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে, এর ফলে সমগ্র মুসলমান সম্প্রদায়ের কল্যাণ হয় না ও তাদের অগ্রগতি ব্যাহত হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya: রাম মন্দিরে হামলার হুমকি খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুনের, অযোধ্যায় জারি সতর্কতা

    Ayodhya: রাম মন্দিরে হামলার হুমকি খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুনের, অযোধ্যায় জারি সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা গুরপতবন্ত পান্নুনের (Pannun) হুমকির পরেই গোটা অযোধ্যায় (Ayodhya) ব্যাপক সর্তকতা জারি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, কানাডার খালিস্তানপন্থী সংগঠন শিখ ফর জাস্টিসের নেতা পান্নুন এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে হুমকি দেন যে, আগামী ১৬ থেকে ১৭ নভেম্বরের মধ্যে রাম মন্দিরে হামলা চালানো হবে। এরপরেই নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন। অযোধ্যা রেঞ্জের আইজি প্রবীণ কুমার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘অযোধ্যা (Ayodhya) আগেই দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে আধা সামরিক বাহিনী সর্বদাই প্রস্তুত যে কোনও হামলার মোকাবিলা করার জন্য।’’

    ভিডিও বার্তা আসল নাকি নকল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    তিনি (প্রবীণ কুমার) আরও বলেন, ‘‘পুলিশ তবুও পান্নুনের (Pannun) ওই হুমকি বার্তা আসল কী নকল তা খতিয়ে দেখছে।’’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের এটিএস তিন জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে। যাদের খালিস্তানি যোগ ধরা পড়ে। এরা প্রত্যেকেই রাম মন্দিরের উদ্বোধনের ঠিক চারদিন আগে অযোধ্যায় রেকি করতে এসেছিলে। প্রসঙ্গত, রাম মন্দির উদ্বোধন করা হয়েছিল গত জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ।

    পান্নুনের ভিডিও বার্তা (Ayodhya)

    তবে শুধু রাম মন্দির (Ayodhya) নয়, দেশের একাধিক মন্দির উড়িয়ে দেওয়ারও হুমকিও দেওয়া হয়েছে ওই ভিডিও বার্তায়। জানা গিয়েছে, কানাডার ব্রাম্পটনে এই ভিডিও শ্যুট করা হয়েছে। পান্নুনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘অযোধ্যার মাটি কাঁপিয়ে দেওয়া হবে।’’ সম্প্রতি, কানাডায় একাধিক মন্দিরে খালিস্তানিরা হামলা করছে বলে অভিযোগ। সেখানকার বসবাসকারী হিন্দুদের পান্নুন এও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এইসব ঘটনার মধ্যে যেন তাঁরা না জড়ান। একই সঙ্গে, কানাডায় বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সমর্থন করা যাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই জঙ্গি নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “উপজাতি মহিলাদের বিয়ে করে জমি হাতাতে পারবে না অনুপ্রবেশকারীরা”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “উপজাতি মহিলাদের বিয়ে করে জমি হাতাতে পারবে না অনুপ্রবেশকারীরা”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ‘ধান্ধা’য় কোপ অমিত শাহের (Amit Shah)! কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, ‘উপজাতি মহিলাদের বিয়ে করে জমি হাতিয়ে নিতে পারবে না অনুপ্রবেশকারীরা।’

    কী বললেন শাহ? (Amit Shah)

    সোমবার ঝাড়খণ্ডের সেরাইকেলায় নির্বাচনী প্রচারসভায় (Jharkhand Assembly Polls) গিয়ে শাহ বলেন, “ঝাড়খণ্ডে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এমন একটি আইন প্রণয়ন করবে, যা উপজাতি মেয়েদের বিয়ে করে জমি হস্তান্তর করা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের রুখবে।” তিনি বলেন, “বিজেপি এভাবে অধিগৃহীত জমি পুনরুদ্ধার করবে। জমি ফিরিয়ে দেওয়া হবে মূল উপজাতি পরিবারের হাতে।”

    ঝাড়খণ্ডে আদিবাসী জনসংখ্যা কমছে!

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ঝাড়খণ্ডে আদিবাসী জনসংখ্যা কমছে। অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের মেয়েদের বিয়ে করে জমি দখল করছে। তারা আদিবাসী মহিলাদের বিয়ে করলে তাদের জমি স্থানান্তর রোধ করার জন্য আমরা একটি আইন প্রণয়ন করব।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করতে এবং তাদের উচ্ছেদ করে দখলকৃত জমি পুনরুদ্ধার করতে আমরা একটি কমিটি গঠন করব।”

    জেএমএম-কে আক্রমণ শাহের (Jharkhand Assembly Polls)

    এদিনের সমাবেশে শাহ মুণ্ডপাত করেন রাজ্যের হেমন্ত সোরেন সরকারের। বলেন, “ওরা (হেমন্ত সোরেনের দল) ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রবীণ নেতা চম্পাই সোরেনকে অপমান করেছে। তিনি এখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। অনুপ্রবেশের সমস্যার কথা বলায় তাঁকে অপমান করেছে ওরা।” শাহের (Amit Shah) দাবি, “চম্পাই আদিবাসীদের অধিকার ও অনুপ্রবেশ নিয়ে কথা বলায় তাঁকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: ফের অশান্ত মণিপুর, সিআরপিএফ শিবিরে হামলা, গুলিতে হত ১১ কুকি জঙ্গি

    চম্পাইয়ের বহিষ্কারে আদিবাসীদের অপমান  

    শাহ (Amit Shah) বলেন, “চম্পাই সোরেন এত বছর ধরে গুরুজি (শিবু সরেন) এবং হেমন্ত সোরেনের প্রতি বিশ্বস্ত থেকেছেন। কিন্তু তাঁকে যেভাবে অপমান ও বহিষ্কার করা হয়েছে, তা কেবল তাঁর নয়, সমগ্র আদিবাসী সমাজের অপমান। চম্পাই সোরেন কেবল এই একটিই দাবি করেছিলেন যে এই অনুপ্রবেশ বন্ধ হওয়া উচিত। কিন্তু তারা (জেএমএম) তা করতে রাজি নয়।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “রাজ্যের শাসক জোট — ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা, কংগ্রেস এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দল শুধুমাত্র ব্যক্তিগত উন্নতি করছে। করছে দুর্নীতিও।” তিনি বলেন, “যদি ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand Assembly Polls) বিজেপি সরকার গঠন করে, তবে জেএমএম-নেতৃত্বাধীন জোটের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের জেলে পাঠানো হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • Manipur Violence: ফের অশান্ত মণিপুর, সিআরপিএফ শিবিরে হামলা, গুলিতে হত ১১ কুকি জঙ্গি

    Manipur Violence: ফের অশান্ত মণিপুর, সিআরপিএফ শিবিরে হামলা, গুলিতে হত ১১ কুকি জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে সিআরপিএফের শিবিরে হামলা কুকি জঙ্গিদের। এলোপাথাড়ি গুলি (Gunfight) চালায় জঙ্গিরা (Manipur Violence)। প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। নিহত হন ১১ জন। সিআরপিএফের দাবি, নিহত ১১ জনই জঙ্গি। জঙ্গিদের ছোড়া গুলিতে গুরুতর জখম হয়েছেন বাহিনীর এক জওয়ান।

    সংঘর্ষ শুরু গত বছর

    গত বছরের শুরুর দিক থেকেই সংঘর্ষ শুরু হয়েছে মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে। তার জেরে অশান্তির আগুন জ্বলছে চিত্রাঙ্গদার দেশে। দিন দুই আগে বছর একত্রিশের এক আদিবাসী মহিলাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে ঝিরিবাম জেলায়। ওই মহিলা তিন সন্তানের জননী। অভিযোগ, সশস্ত্র হামলাকারীরা প্রথমে গ্রামে ঢুকে লুটপাট চালায়। নির্বিচারে গুলিও করতে শুরু করে। আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি বাড়ি। সব মিলিয়ে এদিন পোড়ানো হয়েছে ১৭টি বাড়ি।

    সিআরপিএফ শিবিরে গুলি

    সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের অশান্তির আগুন জ্বলল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার দুপুরে আচমকাই জঙ্গিরা হামলা চালায় সিআরপিএফের ক্যাম্পে। তার আগে তারা হামলা চালায় বড়বেকরা মহকুমা সদর থানায়। এরপর তারা লুটপাট চালায় এলাকার কয়েকটি বাড়িতে (Manipur Violence)। দোকানও লুটপাট করে জঙ্গিরা। পরে তারা হামলা চালায় সিআরপিএফের ওপর। এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। শুরু হয় দুপক্ষের গুলির লড়াই। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতরা প্রত্যেকেই কুকি জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য। জঙ্গিদের খোঁজে এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে বাহিনী।

    আরও পড়ুন: “সারা বিশ্ব ভারতবর্ষের দিকে তাকিয়ে আছে”, বললেন মোহন ভাগবত

    শনিবার রাতে জিরিবামের জাইরাওন নামে এক গ্রামে মেইতেই সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাম্বাই টেঙ্গল এবং ইনএনএলএফের যৌথ বাহিনীর হামলায় এক কুকি মহিলা নিহত হয়েছিলেন। রবিবার কুকি-জো জনজাতিদের যৌথ মঞ্চ আইটিএলএফের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা এক মেইতেই মহিলাকে খুন করে।

    এদিকে, পূর্ব ইম্ফল জেলার থামনাপোকপি, ইয়াইঙ্গাংপোকপি, সাবুংখোক এবং সানসাবি-সহ বিভিন্ন এলাকায় মেশিনগান রকেটচালিত গ্রেনেড নিয়ে হামলা চলে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের (Gunfight) ওপর। এদিনও রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে সংঘর্ষের খবর এসেছে দফায় দফায় (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

     

  • Karnataka: কর্নাটকে ৪০ হাজার কোটি টাকার ‘দুর্নীতি’! ৩৩ কংগ্রেস মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি বিজেপির

    Karnataka: কর্নাটকে ৪০ হাজার কোটি টাকার ‘দুর্নীতি’! ৩৩ কংগ্রেস মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ কংগ্রেস-শাসিত সরকারের বিরুদ্ধে। অভিযোগের তীর মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ ৩৩ জন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সন্দেহজনক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নানা দিকে। বিরোধী দলগুলো কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে স্বচ্ছতার অভাব এবং আইন মেনে চলার প্রতি উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছে। বিরোধীদের দাবি, অর্থের বিনিময়ে কর্নাটক সরকারের কিছু মন্ত্রী বিশেষ কিছু ঠিকাদারদের স্বার্থের কথা ভেবে কাজ করে। তাদের হাতেই রয়েছে ক্ষমতার চাবি কাঠি।

    বিবিএমপি সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট স্ক্যাম

    সম্প্রতি কংগ্রেস সরকার পরিচালিত বিবিএমপি-এর (ব্রুহৎ বেঙ্গালুরু মহানগর পালিক) সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট (কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা) নিয়ে এক বিপুল পরিমাণ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অ্যান্টি-কোরাপশন ফোরামের সভাপতি তথা বিজেপি নেতা এন আর রমেশ এই  অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, কর্নাটক সরকার একটি ঠিকাদারকে ২৫ বছরের জন্য বর্জ্য নিষ্কাশনের চুক্তি প্রদান করেছে। আগে থেকেই অর্থের বিনিময়ে ওই ঠিকাদারকে নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছিল। যা প্রোকিওরমেন্ট এবং টেন্ডারিং আইনের লঙ্ঘন। এই অভিযোগের সঙ্গে ১,৫৭০ পৃষ্ঠার নথি জমা দেওয়া হয়েছে। ওই নথিতে কংগ্রেস সরকারের ৩৩ জন মন্ত্রীকে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পাবলিক ফান্ড চুরির অভিযোগ অভিযুক্ত করা হয়েছে। রমেশ দাবি করেছেন যে, এই চুক্তি রাম্মি ইনসা স্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড নামক একটি কোম্পানিকে দেওয়া হয়েছে, যা অতীতে ব্ল্যাকলিস্টেড হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, এই চুক্তি ২৫ বছরের মধ্যে ৪০,০০০ কোটি পর্যন্ত সরকারি অর্থের অপব্যবহারের কারণ হতে পারে। এটা কর্ণাটকের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ দুর্নীতির ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই বিজেপি নেতারা মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া ও অন্যান্য মন্ত্রীদের থেকে জবাবদিহি চাইছে। সরকারকে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে চাপ দিচ্ছে বিরোধীরা।

    জমি দুর্নীতি

    কর্নাটক কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে জমি দুর্নীতিরও অভিযোগ উঠেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কংগ্রেস নেতারা ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করেছেন এবং নির্বাচিত কিছু ব্যক্তির হাতে সরকারি জমি বিক্রি করেছেন। এসব সম্পত্তি বেচে সরকারি কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত লাভ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া, ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জমির অবহেলা করে প্রাইভেট ডেভেলপারদের কাছে তা বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, এসব লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা কমিশন হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।

    নির্মাণ চুক্তি ও পরিকাঠামোগত অব্যবস্থাপনা

    কংগ্রেস সরকারকে বিভিন্ন নির্মাণ ও পরিকাঠামোগত প্রকল্পে অব্যবস্থাপনার জন্যও অভিযুক্ত করা হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে যে, সরকার অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ করে এবং প্রকল্পগুলির জন্য টেন্ডার ছাড়া ঠিকাদারি কাজ দিয়েছে। যেমন রাস্তাঘাট নির্মাণ এবং শহরের সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পে নিম্ন মানের কাজের অভিযোগ রয়েছে। বিজেপি নেতারা দাবি করেছেন যে, ঠিকাদাররা এই প্রকল্পগুলির খরচ বাড়িয়ে প্রকল্পের মান কমিয়েছে, এবং তাদের দুর্নীতির ফলস্বরূপ সরকারি অর্থের অপব্যবহার হয়েছে।

    শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে দুর্নীতির ছায়া

    কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান খাতে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে। শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র স্কলারশিপ এবং পেশাদারি প্রশিক্ষণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে এরকম  ব্যক্তিদের চাকরি দেওয়ার এবং স্কলারশিপের টাকা আত্মসাত করার অভিযোগও উঠেছে।

    স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি

    কর্নাটকের স্বাস্থ্য খাতও দুর্নীতির আকরভূমি। সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না হওয়া এবং নিন্মমানের চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। আরও অভিযোগ করা হচ্ছে যে, রাজনৈতিক সংযোগের মাধ্যমে কিছু ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। যার ফলে সরকারি হাসপাতালগুলিতে অত্যন্ত উচ্চমূল্যে নিম্নমানের ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: খনিজ সম্পদেও ‘আত্মনির্ভর ভারত’! নিলামে প্রথম বিক্রি টাংস্টেন-কোবাল্ট

    কৃষি ক্ষেত্রে বিতর্ক

    কৃষকদের জন্য ঘোষিত ঋণ এবং সহায়তা প্রকল্পেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, কংগ্রেস সরকার কৃষকদের জন্য ঘোষিত ঋণ শুধুমাত্র নির্বাচিত কিছু রাজনৈতিক সমর্থকদের মধ্যে বিতরণ করছে। এছাড়া, কৃষকদের জন্য বরাদ্দ অর্থ ও সাহায্য নানা কারণে বিলম্বিত হয়েছে এবং দুর্নীতির মাধ্যমে অনেক সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

    তদন্তের দাবি

    কর্নাটকে এই সব অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতারা কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এন আর রমেশের দাবি, সরকারের বিরুদ্ধে যে সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তার সুষ্ঠু তদন্ত করা উচিত। বিজেপি প্রতিনিধি দলের যুক্তি, যদি এসব অভিযোগের সঠিকভাবে তদন্ত না করা হয়, তাহলে তা রাজ্যের অর্থনীতি এবং জনগণের আস্থার জন্য বিপজ্জনক হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Elon Musk: শীঘ্রই ভারতে আসছে স্টারলিঙ্ক! কেন্দ্রের ডেটা স্থানীয়করণ শর্তে রাজি মাস্কের স্পেসএক্স

    Elon Musk: শীঘ্রই ভারতে আসছে স্টারলিঙ্ক! কেন্দ্রের ডেটা স্থানীয়করণ শর্তে রাজি মাস্কের স্পেসএক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলন মাস্কের (Elon Musk) স্পেসএক্স, যা বেশ কয়েকটি দেশে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে থাকে, এবার ভারতেও চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, স্পেসএক্সের স্টারলিঙ্কের (SpaceX Starlink) কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই সংস্থাটি ডেটা বা তথ্যের বিষয়ে স্থানীয়করণ এবং অন্যান্য সুরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ভারত সরকারের শর্তে সম্মতি দিয়েছে।

    ভারতে স্টারলিঙ্ক লঞ্চের ইঙ্গিত (Elon Musk)

    মানি কন্ট্রোলের একটি খবরে জানা গিয়েছে, স্টারলিঙ্কের লাইসেন্সের আবেদন আবার ট্র্যাকে ফিরে এসেছে। কারণ মাস্ক তাঁর মালিকানাধীন কোম্পানি ভারত সরকারের দেওয়া শর্তে সম্মত হয়েছে। স্টারলিঙ্ক (SpaceX Starlink) বেশ কিছুদিন ধরেই ভারতীয় বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। সাম্প্রতিক এই অগ্রগতিতে অদূর ভবিষ্যতে ভারতে স্টারলিঙ্ক নেটওয়ার্ক সূচনার ইঙ্গিত দিতে পারে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, “টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠকে স্টারলিঙ্ক (SpaceX Starlink) নীতিগতভাবে সরকারের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সম্মতি দিয়েছে। ইলন মাস্ক (Elon Musk) হলেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনে জয়ের পর তিনি অনেক বেশি প্রভাবশালী হতে চলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। মাস্ক প্রকাশ্যে ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিলেন এবং প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনও করেছিলেন। মার্কিন মুলুকে নতুন ট্রাম্প সরকারেও তিনি প্রধান ভূমিকা পালন করতে চলেছেন।”

    আরও পড়ুনঃ রাশিয়ায় তৈরি প্রথম স্টেল্থ ফ্রিগেট ‘তুশিল’ ডিসেম্বরেই আসছে ভারতের হাতে

    কে এই ইলন মাস্ক (Elon Musk)?

    ইলন মাস্ক একজন দক্ষিণ আফ্রিকান প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী। তিনি মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের সিইও ও প্রধান প্রযুক্তি আধিকারিক। তিনি একই ভাবে আবার বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান টেসলা মোটরসের-ও প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক। তিনি পণ্য প্রস্তুতকারক সোলারসিটির চেয়ারম্যান। সেই সঙ্গে তিনি দি বোরিং কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতাও। একই ভাবে নিউরালিঙ্কের সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা, ওপেনএআইয়ের সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান। তিনি পেপালেরও (PayPal) একজন সহযোগী-প্রতিষ্ঠাতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “সারা বিশ্ব ভারতবর্ষের দিকে তাকিয়ে আছে”, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “সারা বিশ্ব ভারতবর্ষের দিকে তাকিয়ে আছে”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সারা বিশ্ব ভারতবর্ষের দিকে তাকিয়ে আছে।” কথাগুলি বললেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “পশ্চিমী দৃষ্টিকোণ থেকে এখন পর্যন্ত যে উন্নয়ন ঘটেছে তা অসম্পূর্ণ। প্রকৃতপক্ষে, ধর্ম এবং রাজনীতির ধারণাকে একসময় ব্যবসা বানানো হয়েছিল। পরবর্তীকালে, বৈজ্ঞানিক যুগের আগমনের পর এটি অস্ত্রের বাণিজ্যেও পরিণত হয় এবং দুটি বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই প্রেক্ষাপটে, এতে সুখ এবং সমৃদ্ধি আসেনি, বরং আরও বেশি ধ্বংস হয়েছে।”

    কী বললেন আরএসএস কর্তা? (Mohan Bhagwat)

    আরএসএস (RSS) কর্তা (Mohan Bhagwat) বলেন, “পুরো বিশ্ব দুটি মতাদর্শে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল—নাস্তিক ও আস্তিক। পরে এটি সংঘর্ষের কারণও হয়ে ওঠে, যেখানে শক্তিশালীরা বেঁচে থাকে এবং দুর্বলরা হারিয়ে যায়।” বর্তমান সময়ে বিশ্বকল্যাণের জন্য হিন্দুত্বের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক বিষয়ে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। অনুষ্ঠান হয়েছিল জবলপুরে। ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “গোষ্ঠীগুলির শক্তির ধারণাও সামনে আসে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। সম্পদ সীমাহীন হয়ে উঠেছে। কিন্তু সঠিক পথ খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই কারণেই আজ সারা বিশ্ব আধ্যাত্মিক শান্তির প্রত্যাশায় ভারতের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।”

    ভারত তার জ্ঞান ভুলে গিয়েছে

    তিনি বলেন, “পৃথিবীর কল্যাণ প্রয়োজন। যদি তাই হয়, তবে কার ওপর এর প্রতি সর্বাধিক বৈশ্বিক দায়িত্ব বর্তায়? আজকের দিনে পৃথিবী কার কাছ থেকে এই সমস্যার সমাধান আশা করছে?” সরসঙ্ঘ চালক (Mohan Bhagwat) বলেন, “আজ বিশ্ব সম্পদে পরিপূর্ণ, জ্ঞানের কোনও সীমা নেই। কিন্তু মানবকল্যাণের জন্য প্রয়োজনীয় পথ নেই। এই দিক থেকে ভারত সমৃদ্ধশালী। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত তার জ্ঞান ভুলে গিয়েছে। এর অনেক কারণ আছে, যার মধ্যে একটি হল বিলাসিতা এবং শান্তিপূর্ণ জীবনের প্রাপ্তি। কিন্তু আমাদের স্মরণ করতে হবে আমরা কী ছিলাম। তাই আমাদের এই বিস্মৃতির গহ্বর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।”

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের ভোটে প্রভাব ফেলছে অনুপ্রবেশকারী মুসলমানরা! বলছে সমীক্ষা

    ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, “ভারতীয় জীবনদর্শনে অজ্ঞতা ও জ্ঞান উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ, উভয়ের একটি সমন্বয় প্রয়োজন যাতে জাগতিক ও আধ্যাত্মিক জীবনে ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। এটি হিন্দু ধর্মে গৃহীত হয়েছে, তাই হিন্দু ধর্ম অজ্ঞতা ও জ্ঞানের উভয় পথেই চলে (RSS)। যে কারণে এখানে কোনও চরমপন্থী বা উগ্রপন্থী নেই। অথচ পশ্চিমের ধারণায় চরমপন্থা ও উগ্রতা দেখা যায়। কারণ তারা তাদের স্বার্থের ক্ষতির আশঙ্কা করে, যার ফলে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি অসম্পূর্ণ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

     

  • INS Tushil: রাশিয়ায় তৈরি প্রথম স্টেল্থ ফ্রিগেট ‘তুশিল’ ডিসেম্বরেই আসছে ভারতের হাতে

    INS Tushil: রাশিয়ায় তৈরি প্রথম স্টেল্থ ফ্রিগেট ‘তুশিল’ ডিসেম্বরেই আসছে ভারতের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শেষেই ভারত রাশিয়া থেকে প্রথম স্টেলথ ফ্রিগেট ‘তুশিল’ গ্রহণ করবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ৯ ডিসেম্বর রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদের ইয়ন্তর শিপইয়ার্ড থেকে এই অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করবেন। রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের ২৫০ কোটি ডলার অস্ত্র-চুক্তির মধ্যে এটি হল অন্যতম। ২০২৩ সালেই এই যুদ্ধজাহাজ ভারতের হাতে আসার কথা ছিল। কিন্তু প্রথমে কোভিড অতিমারি ও পরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য প্রায় এক বছর পর তুশিল হাতে পেতে চলেছে ভারত। 

    তুশিলের ক্ষমতা

    তুশিল একটি সংস্কৃত শব্দ। এর অর্থ রক্ষাকবচ। রাশিয়ায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত ডি বালা ভেঙ্কটেশ বর্মার উপস্থিতিতে এই চুক্তি হয়েছিল। ভারত মহাসাগরে প্রহরা দেবে ‘তুশিল’। স্টেলথ প্রযুক্তির প্রয়োগ করা হয়েছে এই যুদ্ধজাহাজ প্রস্তুতিতে। এয়ার ডিফেন্স থেকে শুরু করে অ্যান্টি-শিপ ও অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধে পারদর্শী এই অত্যাধুনিক ফ্রিগেট। এতে হেলিকপ্টারও অবতরণ করতে পারবে। বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজন অনুসারে এর দায়িত্বও বাড়ানো হবে।

    আরও পড়ুন: খনিজ সম্পদেও ‘আত্মনির্ভর ভারত’! নিলামে প্রথম বিক্রি টাংস্টেন-কোবাল্ট

    নৌসেনার ক্ষমতা বাড়বে

    তুশিল ভারতীয় নৌসেনার হাতে এলে স্বাভাবিক ভাবেই ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের দাপট বাড়বে। ফ্রিগেটটি ভারতের নৌবাহিনীর সামুদ্রিক অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে রাশিয়া এবং ভারত চারটি স্টেলথ ফ্রিগেট ক্রয়ের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির আওতায় দুটি ফ্রিগেট সরাসরি আমদানি করা হবে, এবং বাকি দুটি গোয়া শিপইয়ার্ড লিমিটেড (জিএসএল)-এ স্থানীয়ভাবে নির্মাণ করা হবে। প্রথম দুটি ফ্রিগেটের সরাসরি ক্রয়ের জন্য ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি চূড়ান্ত করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share