Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • AI Based Tolling System: স্যাটেলাইট-এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    AI Based Tolling System: স্যাটেলাইট-এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সড়কগুলিতে টোল ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে ভারত (AI Based Tolling System)। ২০২৬ সালের শেষাশেষি ন্যাশনাল হাইওয়েতে সম্পূর্ণ স্যাটেলাইট ও এআই-নির্ভর টোল আদায় ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রী নিতিন গডকরি। সরকারের এহেন উদ্যোগের ফলে টোল প্লাজায় অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে (India) যাবে, সাশ্রয় হবে জ্বালানি, কমবে দূষণ এবং সামগ্রিকভাবে লজিস্টিকস ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়বে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের।

    মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (AI Based Tolling System)

    এই নয়া ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো (MLFF) টোলিং সিস্টেমের মাধ্যমে। এটি একটি প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যার সাহায্যে যানবাহন টোল পয়েন্টে না থেমে বা গতি কমানো ছাড়াই চলাচল করতে পারবে। এই উন্নত এএমপিএম টোলিং সিস্টেমে ফাস্ট্যাগ, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রিডার, অটোমেটিক নম্বর প্লেট রিকগনিশন (ANPR) ক্যামেরা এবং এআই-ভিত্তিক বিশ্লেষণ একসঙ্গে ব্যবহার করা হবে। এর ফলে যানবাহনের নির্ভুল শনাক্তকরণ ও টোল আদায় নিশ্চিত হবে এবং টোল পয়েন্টে যান চলাচল অবাধ থাকবে।

    সড়ক পরিবহণ

    ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যসভায় জমা দেওয়া একটি লিখিত সরকারি উত্তরের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রক ইতিমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় মাল্টি-লেন ফ্রি ফ্লো পদ্ধতিতে টোল আদায়ের পাইলট প্রকল্প চালু করেছে (India)। এমএলএফএফ (MLFF) কাঠামোয় গ্যান্ট্রিতে স্থাপিত আরএফআইডি রিডার এবং এএনপিআর ক্যামেরা একসঙ্গে কাজ করে। ফলে একটি দ্বৈত সুরক্ষিত ও অত্যন্ত নির্ভুল টোল আদায় ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়। ফাস্ট্যাগ ও নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে যানবাহন শনাক্ত করা হয় এবং কোনও শারীরিক বাধা বা টোল বুথ ছাড়াই ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে টোল ফি বাবদ ধার্য করা টাকা কেটে নেওয়া হয় (AI Based Tolling System)।

    বাড়বে গাড়ির গতি

    গডকরি জানিয়েছেন, একবার এই ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে যানবাহনগুলি টোল বুথ দিয়ে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতেও চলাচল করতে পারবে। এটি বর্তমান ব্যবস্থার থেকে বড় পরিবর্তন, যেখানে টোল বুথ পার হওয়ার সময় গাড়িকে থামতে ও আবার চালু করতে হয়।রাজ্যসভা রিপোর্টের সঙ্গে যুক্ত পরিশিষ্ট অনুযায়ী, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজায় ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। সেগুলির মধ্যে রয়েছে, গুজরাটের এনএইচ-৮-এর ভরুচ–সুরাট অংশে চোরিয়াসি, এনএইচ-৪৪-এর পানিপথ–জালন্ধর অংশে ঘারাউন্ডা, দিল্লি–জয়পুর করিডরে মনোহরপুরা, শাহজাহানপুর ও দৌলতপুরায় এবং দিল্লির আরবান এক্সটেনশন রোড–২ করিডরের  মুন্ডকায়।

    সরকার বাধাহীন টোল আদায় ব্যবস্থার বিপুল সুফলের ওপরও ভরসা করছে। মন্ত্রকের করা মূল্যায়ন অনুযায়ী টোল বুথে সারি দেওয়ার প্রয়োজন তুলে দিলে জ্বালানি ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটবে এবং একই সঙ্গে কমবে যানবাহন থেকে নির্গত দূষণের পরিমাণও (AI Based Tolling System)। গডকরির দাবি, জ্বালানি অপচয় কমানো এবং টোল ফাঁকি রোধের মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তিটি প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা (India) সাশ্রয়ে সহায়ক হবে। পাশাপাশি, পণ্যের নির্বিঘ্ন চলাচল লজিস্টিকস দক্ষতা বাড়াবে, যার ফলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। টোল বুথ ও ব্যারিয়ার না থাকায় পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত খরচও কমবে বলেই আশা। সেক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগ ও পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে আর অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে না (AI Based Tolling System)।

  • Rajdhani Express Derail: অসমে রাজধানী এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ৮ হাতির মৃত্যু, ইঞ্জিন ও ৫ কামরা লাইনচ্যুত

    Rajdhani Express Derail: অসমে রাজধানী এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ৮ হাতির মৃত্যু, ইঞ্জিন ও ৫ কামরা লাইনচ্যুত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়ঙ্কর ট্রেন দুর্ঘটনা অসমে। সাইরাং–নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের ধাক্কায় নিহত কমপক্ষে আটটি হাতি। অসমের হোজাই জেলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে গেল শনিবার গভীর রাতে। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছে একটি হাতির শাবক, যাকে পরে বন দফতরের কর্মীরা উদ্ধার করেন। ধাক্কার তীব্রতা এতটাই ছিল যে, রাজধানী এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন এবং পাঁচটি বগি লাইনচ্যূত হয়েছে। তবে, যাত্রীরা অক্ষত রয়েছেন বলে রেল সূত্রে খবর। এই ঘটনায় রেল চলাচলেও বড়সড় ব্যাঘাত ঘটেছে।

    ঘন কুয়াশার জেরে দুর্ঘটনা!

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, শনিবার রাত সওয়া ২টো নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে। অসমের যমুনামুখ-কামপুর সেকশনে দুর্ঘটনা ঘটে। নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের লুমডিং ডিভিশনের মধ্যে পড়ছে এই জায়গা। জানা যাচ্ছে, রাজধানী এক্সপ্রেসটি মিজোরামের সাইরাং (আইজলের কাছে) থেকে নয়াদিল্লির আনন্দ বিহার টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল। গুয়াহাটি থেকে ১২৬ কিলোমিটার দূরে হোজাইয়ের কাছে হঠাৎ লাইনের উপর উঠে আসে একটি হাতির দল। লোকো-পাইলট হাতিদের দেখতে পেয়ে জরুরি ব্রেক কষেন, কিন্তু তাতেও সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি। ঘন কুয়াশা থাকায় দূর থেকে কিছু দেখা যাচ্ছিল না। সেই কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ‘এলিফ্যান্ট করিডর’ নয়

    রেলের একটি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, যে জায়গায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি নির্ধারিত ‘এলিফ্যান্ট করিডর’ (হাতির চলাচলের জন্য যে সমস্ত জায়গায় ট্রেনের গতি নিয়ন্ত্রিত করা হয়) নয়। ধাক্কার প্রতিঘাতে ট্রেনের ইঞ্জিন-সহ পাঁচটি কামরা লাইনচুত্য হয়ে যায়। খবর পেয়ে লামডিং থেকে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান রেলের কর্তা এবং উদ্ধারকারী দল। ক্ষতিগ্রস্ত কামরার যাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পরে ভোর ছটা নাগাদ লাইনচ্যুত কামরাগুলো বাদ দিয়ে ট্রেনটি গুয়াহাটির দিকে রওনা দেয়। রেল সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত কোচের যাত্রীদের সাময়িকভাবে ট্রেনের অন্যান্য কোচের ফাঁকা বার্থে স্থান দেওয়া হয়েছে। ট্রেনটি গুয়াহাটিতে পৌঁছনোর পর অতিরিক্ত কোচ জুড়ে সকল যাত্রীকে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

    হেল্পলাইন চালু

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই যাত্রীদের সুবিধার্থে গুয়াহাটি স্টেশনে ০৩৬১-২৭৩১৬২১, ০৩৬১-২৭৩১৬২২ এবং ০৩৬১-২৭৩১৬২৩— হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে ওই লাইনে ট্রেন চলাচল সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। অনেক ট্রেনের রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে কেবল আপ লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল করছে। রেলকর্মীরা দ্রুত লাইন মেরামতের কাজ শুরু করছেন। লাইনের উপর থেকে মৃত হাতিদেরও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

  • Lok Sabha: লোকসভায় ই-সিগারেটে সুখটান তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের! অভিযোগ বিজেপির

    Lok Sabha: লোকসভায় ই-সিগারেটে সুখটান তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের! অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় (Lok Sabha) ই-সিগারেট পান করার অভিযোগে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদের (Kirti Azad) বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপি। বিজেপির দাবি এই ঘটনা সংসদীয় শিষ্টাচারের আচরণ বিরুদ্ধ। বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে এই মর্মে একটি অভিযোগও জমা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই। অবশ্য তৃণমূল নিজের দলের সাংসদের এই আচরণে এখন চরম অস্বস্তিতে।

    মালব্যের পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে (Lok Sabha)

    লোকসভায় (Lok Sabha) কয়েকদিন ধরেই ই-সিগারেট খাওয়া নিয়ে বেশ বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সভায় একটি বিলের আলোচনা চালকালীন অনুরাগ ঠাকুর নিরন্তর সিগারেট পান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ইতিমধ্যে এবার বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও পোস্ট করে কীর্তি আজাদের (Kirti Azad) কুকর্মকে তুলে ধরেছেন। তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূল সাংসদের নাম উল্লেখ করে সামাজিক মাধ্যমে বিনিময় করেছেন। এই ঘটনাকে সংবিধান এবং সংসদের আইন বিরুদ্ধ বলে মন্তব্যও করেছেন। একজন জনপ্রতিনিধি যদি আইন শৃঙ্খলার নিয়মকে ভেঙে দেন তাহলে সাধারণ মানুষ কি করবেন? যে সভায় আইন নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা এবং বিলকে আইনে পরিণত করা হয়, সেই জায়গায়ই এই অবস্থা। বিজেপি এই তথ্য সম্বলিত ভিডিওর উদাহরণ দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে।

    ওম বিড়লার কাছে অভিযোগ

    গত বৃহস্পতিবার লোকসভায় (Lok Sabha) স্পিকার ওম বিড়লার কাছে অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “তাহলে ধূমপান মান্যতা পেয়েছে লোকসভায়?” অবশ্য সামাজিক মাধ্যমে আরও এক তৃণমূল সাংসদের সিগারেট খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়কে বাঁ হাত পিছনে নিয়ে সিগারেটে সুখটান দিচ্ছেন। অবশ্য তখনই বিজেপি সাংসদ গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং গিরিরাজ সিং তাঁকে তুলোধনা করতেও দেখা গিয়েছে। নিজের শরীর খারপের সঙ্গে অন্যের শরীর খারাপ করার কোনও অধিকার তৃণমূল সাংসদের যে নেই, তাও এদিন বুঝিয়ে দেন বিজেপি সাংসদরা।

  • Shanti Bill: লোকসভায় পাশ ঐতিহাসিক ‘শান্তি বিল’, কী রয়েছে নয়া এই বিলে? কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Shanti Bill: লোকসভায় পাশ ঐতিহাসিক ‘শান্তি বিল’, কী রয়েছে নয়া এই বিলে? কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় (Lok Sabha) পাশ হয়ে গেল ‘সাসটেনেবল হার্নেসিং অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অফ নিউক্লিয়ার এনার্জি ফর ট্রান্সফর্মিং ইন্ডিয়া’, সংক্ষেপে ‘শান্তি বিল ২০২৫’। বুধবারই লোকসভায় পাশ হয়েছে (Shanti Bill) বিলটি। পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ বাড়াতে এই নয়া আইন পাশ করল কেন্দ্র। ভারতের কঠোর পারমাণবিক দায়বদ্ধতা কাঠামো শিল্পের মধ্যে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করেছে, নিরুৎসাহিত করেছে সহযোগিতাকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের দাবি, নয়া শান্তি বিলটি সেই অচলাবস্থা ভেঙে ফেলার জন্য এবং পারমাণবিক শক্তিতে বেসরকারি বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে।

    ধ্বনিভোটে পাশ শান্তি বিল (Shanti Bill)

    মন্ত্রী এই মন্তব্যগুলি করেন সংসদে এক বিতর্কের জবাবে, যখন শান্তি বিলটি ধ্বনিভোটে পাশ হয় লোকসভায়। এই সময় বিরোধী দলগুলি ওয়াকআউট করে। তাদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে পারমাণবিক যন্ত্রপাতি সরবরাহকারীদের দায়বদ্ধতার কাঠামোর বাইরে রাখার মাধ্যমে সরকার জনসাধারণের সুরক্ষা দুর্বল করছে। বিরোধীদের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সিং বলেন, দায়বদ্ধতা স্পষ্টভাবেই বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালকদের ওপর বর্তাবে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের প্রতিমন্ত্রী এবং পরমাণু শক্তি দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিং বলেন, “সরকার কেবলমাত্র অপারেটরের সঙ্গেই লেনদেন করবে, সরবরাহকারীর সঙ্গে বিষয়টি মেটানো অপারেটরের দায়িত্ব।” তিনি জানান, চুল্লির আকারের ভিত্তিতে দায়বদ্ধতার সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রীর মতে, এটি ছোট মডিউলার রিঅ্যাক্টর-সহ উদীয়মান প্রযুক্তি আকর্ষণের জন্য অপরিহার্য (Lok Sabha)।

    ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা

    মন্ত্রী বলেন, ‘‘ভুক্তভোগীরা যাতে একাধিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ পান, সেই লক্ষ্যেই বিলটির কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অপারেটরের দায়বদ্ধতা, সরকারের সমর্থনে প্রস্তাবিত একটি নিউক্লিয়ার দায়বদ্ধতা তহবিল এবং ‘কনভেনশন অন সাপ্লিমেন্টারি কম্পেনসেশনে’ ভারতের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও।” ভারতে বর্তমানে রয়েছে ‘সিভিল লায়াবিলিটি ফর নিউক্লিয়ার ড্যামেজ’ আইন (Shanti Bill)। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “সেখানে সরবরাহকারীর দায়বদ্ধতার সংজ্ঞা এতটাই ব্যাপক ছিল যে কার্যত তা বিক্রেতা ও সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণকে স্থবির করে দিয়েছিল। কেউই এগিয়ে আসতে চাইছিল না। এর ফলে দায়বদ্ধতার একটি অন্তহীন শৃঙ্খল তৈরি হয় এবং সরবরাহকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই কারণে গত দশ বছরে আমরা সহযোগিতার সুযোগ হারিয়েছি।” তিনি জানান, শান্তি বিলের উদ্দেশ্যই হল ভারতের পারমাণবিক ব্যবস্থাকে বর্তমান প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক ও জ্বালানি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা। এর পাশাপাশি ১৯৬২ সালের পারমাণবিক শক্তি আইন থেকে গড়ে ওঠা নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে অক্ষুণ্ণ রাখা।

    টার্নিং পয়েন্ট

    এটিকে একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “এই আইন ভারতের উন্নয়নের গতিপথকে নতুনভাবে নির্ধারণ করবে। ভূ-রাজনীতিতে ভারতের ভূমিকা ক্রমশ বাড়ছে। যদি আমাদের বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হয়, তবে আমাদের বৈশ্বিক মানদণ্ড ও বৈশ্বিক কৌশল অনুসরণ করতে হবে (Shanti Bill)। বিশ্ব ক্লিন এনার্জির দিকে এগোচ্ছে। আমরাও ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি (Lok Sabha)।” তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির মোকাবিলা করতে এবং সামগ্রিক জ্বালানি মিশ্রণে পারমাণবিক শক্তির অংশীদারিত্ব প্রায় ১০ শতাংশে উন্নীত করতে এই সংস্কার অত্যন্ত জরুরি ছিল (Shanti Bill)।”

  • India Visa Centre: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! ঢাকায় ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ করল ভারত

    India Visa Centre: নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! ঢাকায় ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ দেখিয়ে ঢাকায় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (India Visa Centre) বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল ভারত। বুধবার দুপুর ২টো থেকে এই ভিসা কেন্দ্রটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Security Situation)। বাংলাদেশের ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে কবে বা কতক্ষণ পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে, তা ওই বিবৃতিতে বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, যে সব ভিসা আবেদনকারী বুধবারের জন্য স্লট বুক করেছিলেন, তাঁদের জন্য নয়া তারিখ এবং সময় নির্ধারণ করা হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি চলছে (বাংলাদেশে), তার পরিপ্রেক্ষিতে আপনাদের অবগত করা যাচ্ছে যে, আজ দুপুর ২টো থেকে আইভিএসি জেএফপি ঢাকা বন্ধ থাকবে। তবে কী ধরনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব (India Visa Centre)

    ঘটনাচক্রে বুধবারই দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে তলব করেছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের একাংশের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লার ভারত বিরোধী বক্তৃতার প্রেক্ষিতেই এই তলব। সম্প্রতি হাসনাত তাঁর বক্তৃতায় সেভেন সিস্টার্সকে (ভারতের উত্তর-পূর্বের ৭ রাজ্য) ভারতের মানচিত্র থেকে আলাদা করে দেওয়ার ডাক দেয়। শুধু তাই নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের উদ্বাস্তুদের (Security Situation) আশ্রয় দেওয়ার কথাও বলেন। তার পরেই ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করে ভারত। তার জেরেই বিদেশমন্ত্রক ডেকে পাঠায় দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাকে (India Visa Centre)।

    ভারতের ভিসাকেন্দ্র

    পদ্মা পারের দেশে ভারতের ভিসাকেন্দ্রটি রয়েছে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণটি ঠিক কী, তা নিয়ে যেমন নয়াদিল্লির তরফে কিছু জানানো হয়নি, বলা হয়নি ভিসা কেন্দ্রের তরফেও, তেমনিই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস প্রশাসনের তরফেও এই বিষয়ে এখনও কিছু বলা হয়নি। তাই বুধবার দুপুর পর্যন্তও জানা যায়নি, ঠিক কী কারণে আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হল ফিউচার পার্কের ভিসা কেন্দ্রটি। এর ঠিক এক দিন আগেই নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাই কমিশন সে দেশের স্বাধীনতা স্মরণে বিজয় দিবস পালন করেছিল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাই কমিশনার হামিদুল্লাহ দ্বিপাক্ষিক (Security Situation) সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আমাদের যৌথ স্বার্থের মধ্যেই নিহিত। আমরা পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এই অঞ্চলে সমৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য (India Visa Centre)।”

    ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সদ্য গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ সোমবার বলেছিলেন, যদি নয়াদিল্লি তাঁর দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তবে ঢাকার উচিত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া এবং ওই অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলিকে সমর্থন করা। আবদুল্লাহ দাবি করেছিলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি ‘ঝুঁকিপূর্ণ’, কারণ ভারতীয় মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তারা সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের ওপর নির্ভরশীল। এদিকে, মঙ্গলবার অসমের কাছাড় জেলায় ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ চলাচল ঠেকাতে প্রশাসন নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশ জারি করেছে। শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে—এমন চরমপন্থী তৎপরতা এবং অনুমতিহীন সীমান্ত পারাপার রোধ করতেই জেলা প্রশাসন এই পদক্ষেপ করেছে।

    মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ

    জেলার সীমান্তবর্তী এক কিলোমিটার এলাকায় সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মানুষের যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে সুরমা নদী এবং নদীর উঁচু পাড় বরাবর রাতের বেলায় যাতায়াতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুরমা নদীতে নৌ-চালনা ও মাছ ধরার ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে (India Visa Centre)। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। ওই দিনই একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। এই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই বাংলাদেশে ঘটতে শুরু করেছে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা। সে দেশের বিভিন্ন নেতার মুখে শোনা যাচ্ছে ভারতবিরোধী নানা বক্তব্যও। এহেন আবহে বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে দৃশ্যতই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নয়াদিল্লির। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, অশান্তও ততই (Security Situation) বাড়তে থাকবে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। এমনই আশঙ্কা করে সম্প্রতি একটি বিবৃতিও জারি করে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

  • VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    VB G Ram G Bill: লোকসভায় ‘ভিবি-জিরামজি’ বিল পেশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজের, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের মেয়াদবৃদ্ধি এবং প্রকল্পের নামবদল সংক্রান্ত বিল (VB G Ram G Bill) পেশ করা হল লোকসভায়। মঙ্গলবার বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রের কৃষি এবং গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান। এত দিন ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম ছিল মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপাওয়ারমেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫ (সংক্ষেপে মনরেগা)। বিলে এই প্রকল্পের নতুন নাম হয়েছে ‘বিকশিত ভারত- গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)’। সংক্ষেপে ‘জিরামজি’। মঙ্গলবার লোকসভায় বিলটি পেশ করেন গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এই বিলটির মাধ্যমে বর্তমান গ্রামীণ কর্মসংস্থান আইন মনরেগা-কে প্রতিস্থাপন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিল উত্থাপনের সঙ্গে সঙ্গেই এতে মহাত্মা গান্ধীর নাম বাতিলের অভিযোগে সরব হন বিরোধীরা (Lok Sabha)।

    নয়া বিল (VB G Ram G Bill)

    বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বিল অনুযায়ী, যেসব গ্রামীণ পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা অদক্ষ শারীরিক শ্রমে স্বেচ্ছায় কাজ করতে ইচ্ছুক, সেই পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের মজুরি-ভিত্তিক কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি, এই বিল ক্ষমতায়ন, প্রবৃদ্ধি, সমন্বয় এবং সর্বব্যাপী বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়, যাতে বিকশিত ভারত @২০৪৭–এর জাতীয় লক্ষ্য পূরণের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

    বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা

    বিল অনুযায়ী, গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি ‘স্যাচুরেশন’ ভিত্তিতে “বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা” তৈরি করবে এবং সেগুলি জুড়ে দেওয়া হবে পিএম গতি শক্তি প্রকল্পের সঙ্গে। এর ফলে, সমস্ত গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজ একত্রিত হয়ে “বিকশিত ভারত ন্যাশনাল রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্ট্যাক”-এর আওতায় আসবে, যা গ্রামীণ গণপরিকাঠামো নির্মাণের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরি করবে। এছাড়াও, বিলটি জল-নিরাপত্তা, গ্রামীণ এলাকার মূল পরিকাঠামো, জীবিকা-সংক্রান্ত প্রকল্প এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলার ব্যবস্থাগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষিকাজের ব্যস্ত বপন ও ফসল কাটার মরসুমে পর্যাপ্ত কৃষিশ্রমিক নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারগুলি বছরে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নোটিশ জারি করতে পারবে।

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি

    স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এই আইনের একটি কেন্দ্রীয় দিক (Lok Sabha)। গ্রাম পঞ্চায়েত ভবনে সাপ্তাহিক তথ্য প্রকাশের সভা, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর বিশ্লেষণ, বায়োমেট্রিক প্রমাণ এবং শক্তিশালী সামাজিক নিরীক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করা হবে (VB G Ram G Bill)। এছাড়া, কাজের আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে কাজ না দেওয়া হলে বেকারভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন মজুরি হার বিজ্ঞপ্তি জারি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান এমজিএনরেগা মজুরি হারই কার্যকর থাকবে। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত প্রকল্প  হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে উত্তর-পূর্ব ও হিমালয়ান রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থ ভাগাভাগির অনুপাত হবে ৯০:১০ এবং অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রে ৬০:৪০।

    এই ঐতিহাসিক আইনটির লক্ষ্য হল সমন্বয়ভিত্তিক ও সর্বাঙ্গীণ কভারেজে কেন্দ্রিত একটি গ্রামীণ উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলা (Lok Sabha)। এর মাধ্যমে পরিবর্তিত আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নের পথ পুনর্গঠন, বৈষম্য হ্রাস এবং উন্নত জীবিকা-নিরাপত্তার মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারগুলিকে ক্ষমতায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (VB G Ram G Bill)।

  • Pahalgam Attack: পহেলগাঁওকাণ্ডে স্পষ্ট পাক-যোগ, হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ লস্কর কমান্ডার সাজিদ জাট, বলল এনআইএ

    Pahalgam Attack: পহেলগাঁওকাণ্ডে স্পষ্ট পাক-যোগ, হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ লস্কর কমান্ডার সাজিদ জাট, বলল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও হত্যালীলার ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারী পাকিস্তানের নাগরিক সাজিদ জাট ওরফে সাজিদ সইফুল্লা। পহেলগাঁও কাণ্ডের চার্জশিট জমা দিয়ে এমনটাই জানাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ।

    চার্জশিট পেশ এনআইএ-র

    গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের কাছে বৈসারন উপত্যকায় পর্যটকদের ধর্ম জিজ্ঞেস করে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। কাপুরুষোচিত হামলায় মৃত্যু হয় ২৫ জন নিরীহ পর্যটক এবং স্থানীয় এক টাট্টুঘোড়া চালকের। এই প্রাণঘাতী জঙ্গি হামলার প্রায় আট মাস পর ভালভাবে তদন্ত করে চার্জশিট পেশ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। চার্জশিটে এনআইএ দাবি করেছে, জঙ্গি হামলায় সাত অভিযুক্তের মধ্যে লস্কর-ই-তৈবার একজন শীর্ষ কমান্ডারও রয়েছে। চার্জশিটে পাঁচজন সন্দেহভাজন এবং দু’টি জঙ্গি সংগঠন— লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) এবং দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ওই জঙ্গি হামলার দায় স্বীকার করেছিল ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’। যদিও পরে তারা তা অস্বীকার করে।

    এনআইএ যা বলেছে 

    এনআইএ-র চার্জশিটে পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র, অভিযুক্তদের ভূমিকা এবং হামলার প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পরিকল্পনা, সহায়তা ও বাস্তবায়নে ভূমিকার জন্য লস্কর-ই-তৈবা এবং টিআরএফ-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ১৫৯৭ পাতার চার্জশিটে এনআইএ দাবি করেছে, লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার সাজিদ জাট ছিল পহেলগাঁও হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’। তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, সাজিদ শুধু টিআরএফ-এর অপারেশনাল প্রধানই নয়, বরং কাশ্মীর উপত্যকায় কর্মী নিয়োগ, অর্থ জোগানো এবং অনুপ্রবেশের জন্যও দায়ী সাজিদ। জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরের দাচিগাম জঙ্গলে ‘অপারেশন মহাদেব’ চালিয়ে পহেলগাঁও হামলাকারী সুলেমান ওরফে হাসিম মুসা, হাবিব তাহির ওরফে জিবরান এবং হামজা আফগানি নামের ৩ জঙ্গিকে খতম করেছিল ভারতীয় সেনা। এনআইএ-র চার্জশিটে সেই তিন পাকিস্তানি জঙ্গির নামও রয়েছে। তবে সাজিদ জাট এখনও অধরা। চার্জশিটে সেই বিষয়টি উল্লেখ করে এনআইএ জানিয়েছে, তার মাথার দাম ১০ লক্ষ। তাকে ধরার ব্যাপারে তথ্য দিতে পারলে মিলবে এই আর্থিক পুরস্কার। এর পাশাপাশি, ইউএপিএ অ্যাক্ট অনুসারে এই সাজিদ সইফুল্লা জাটকে নিষিদ্ধ জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    সহযোগীদের নামও চার্জশিটে

    জঙ্গিদের সহযোগী হিসাবে বশির আহমেদ পারভেজ জোঠর, বশির আহমেদ জোঠর, মহম্মদ ইউসূফ কাটারি-সহ আরও ছ’জনের নাম চার্জশিটে দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এনআইএ-র দাবি, জঙ্গিদের খাবার এবং রসদ সরবরাহ করেছিল তারাই। পারভেজ পহেলগাঁওয়ের বাটকোটের বাসিন্দা। বশিরের বাড়ি হিল পার্কে। এনআইএ-র দাবি, পহেলগাঁও হানায় জড়িত জঙ্গিদের খাওয়া-দাওয়া, যাতায়াত এবং থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল এরা। আর ইউসুফ পথ চিনিয়ে জঙ্গিদের ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দিয়েছিল। লস্কর/টিআরএফ এবং অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩, অস্ত্র আইন, ১৯৫৯ এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ), ১৯৬৭-এর প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে অভিযোগ আনা হয়েছে। এনআইএ চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য দণ্ডবিধির ধারাও প্রয়োগ করেছে।

  • Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য ৫০০ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক এবং ভক্তদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust)। সেইসঙ্গে প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে যেখানে প্রভু শ্রী রাম এবং তাঁর ভাইদের বাসনো হয়েছিল, সেখানে একটি মন্দিরও নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার, মন্দিরের মহন্ত নৃত্য গোপাল দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ট্রাস্টের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিনের সভায় রাম জন্মভূমি মন্দিরে ভগবান রামের প্রাণ-প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকী সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনাও করা হয়।

    কর সেবকদের গুলি করেছিল মুলায়ম সিং (Ram Mandir)

    ১৯৯০ সালের ২ নভেম্বর অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালীন, মুলায়ম সিং যাদবের সমাজবাদী পার্টি সরকারের নির্দেশে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক করসেবকের ওপর গুলি চালিয়েছিল। বাবরি মসজিদে পৌঁছাতে গেলে পুলিশের গুলিতে অসংখ্য কর সেবক নিহত হয়েছিলেন। যদিও মুলায়ম সিং যাদব ২৮ জন কর সেবকের মৃত্যুর কথা জানালেও, হিন্দু সংগঠনের দাবি এই মৃত্যুর সংখ্যাটি অনেক বেশি।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    রাম মন্দির ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) জানিয়েছে, বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠা দ্বাদশীর অনুষ্ঠানগুলি অঙ্গদ টিলায় অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে শ্রী রাম কথা পাঠ, সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে। আগামী ২৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরে মণ্ডল পুজো এবং শ্রী রামচরিতমানসের একটি সঙ্গীতময় অখণ্ড পারায়ণের আয়োজনও করা হবে। এদিন ভজন সন্ধ্যা পরিবেশন করবেন প্রখ্যাত গায়ক শ্রী অনুপ জালোটা, শ্রী সুরেশ ওয়াডেকর এবং শ্রীমতী তৃপ্তি শাক্য। এছাড়াও, কথ্যক নৃত্যনাট্য সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। একই ভাবে এই অনুষ্ঠানে কবি সম্মেলনেরও আয়োজন করা হবে। এখানে কবিরা প্রভু শ্রী রামের গুণাবলীর প্রশংসায় যুক্ত কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করবেন।

    আরও একটি ঘোষণায়, ট্রাস্ট জানিয়েছে যে রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণে জড়িত প্রায় ৪০০ কর্মীকে হিন্দু নববর্ষ উপলক্ষে আগামী ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হবে। উল্লেখ্য গত ২৫ নভেম্বর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যার রাম মন্দিরের উপরে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ধর্মধ্বজ উত্তোলন করেন। এই কাজ ছিল রাম মন্দিরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার উপলক্ষ্যে বিশেষ কর্মকাণ্ড।

  • PM Modi: লৌহ মানবের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, শ্রদ্ধা জানালেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ

    PM Modi: লৌহ মানবের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, শ্রদ্ধা জানালেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি ভারতের লৌহমানব সর্দার প্যাটেলকে এমন এক মহান নেতা হিসেবে অভিহিত করেন, যাঁর অতুলনীয় জাতি-গঠনের অবদান কৃতজ্ঞ জাতি কখনওই ভুলবে না।

    প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তব্য (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে লেখা একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। তিনি দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী ভারত গঠনে তাঁর অতুলনীয় অবদান কৃতজ্ঞ জাতি কখনও ভুলবে না।” হ্যা১৮৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। তিনি ভারতের জাতীয় ঐক্যের স্থপতি হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়। ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবা-সহ আধুনিক সিভিল সার্ভিস গঠনের নেপথ্যের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন তিনিই।

    প্যাটেলকে শ্রদ্ধা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও সর্দার প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জানান। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, শক্তিশালী ভারতের স্থপতি, লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলজিকে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি শ্রদ্ধা জানাই।” তিনি এও বলেন (PM Modi), “অসংখ্য প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও সর্দার সাহেব একটি বিভক্ত স্বাধীন ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মাতৃভূমির সুরক্ষা, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠাকেই তিনি জীবনের লক্ষ্য করেছিলেন। সমবায় আন্দোলনের পুনরুজ্জীবন এবং নারী ও কৃষকদের স্বনির্ভরতার মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারতের ভিত্তি স্থাপন করে সর্দার সাহেব ‘জাতিই প্রথম’ নীতির পথে আমাদের সকলকে ধ্রুবতারা হয়ে পথ দেখিয়ে যাবেন।”

    মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সর্দার প্যাটেল স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় খেড়া সত্যাগ্রহ, ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলন-সহ একাধিক গণআন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তিনি তাঁর বলিষ্ঠ বক্তৃতা ও অসাধারণ সাংগঠনিক ক্ষমতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিনটি প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় একতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। এবার তাঁরই ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। সেকথা মাথায় রেখেই এবার কেন্দ্রীয় সরকার বছরব্যাপী নানা কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছে (PM Modi)।

  • RSS: “হিন্দুত্ব হল নীতি, আরএসএস হল তার প্রয়োগ”, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “হিন্দুত্ব হল নীতি, আরএসএস হল তার প্রয়োগ”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংঘ এবং আরও অনেক মহান নেতা ও চিন্তাবিদ এমন একটি মৌলিক চিন্তাধারার ভিত্তি গড়ে তুলেছেন, যা সম্পূর্ণভাবে ঔপনিবেশিক প্রভাবমুক্ত। সেটি যেমন আছে, আমাদের তেমনভাবেই তা আত্মস্থ করতে হবে।” চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কথাগুলি বললেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আরএসএসের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভারতকে ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে আমরা কতদূর এগিয়েছি এবং সামনে পথই বা কী, এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যখন আমি বলি ‘রাষ্ট্র’ পশ্চিমী অর্থে একটি ‘নেশন’ নয়, তখন রাষ্ট্র মানে সংস্কৃতি, ভারতমাতা এবং আমাদের পূর্বজ পরম্পরা। সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন আমরা ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তে পাশ্চাত্য কাঠামোর মাধ্যমে এই ধারণাগুলিকে বোঝার চেষ্টা করি।”

    হিন্দুস্থানের চোখে চিন্তা করার অভ্যাস (RSS)

    সংঘে একজন স্বয়ংসেবক প্রাথমিক পর্যায়ে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচি, বৌদ্ধিক আলোচনা, সংগীত এবং এমনকি দৈনন্দিন অনানুষ্ঠানিক কথোপকথনের মাধ্যমে তাঁর মানসিকতার পরিবর্তন ঘটানো হয়। যেখানে যেখানে আমাদের শাখাগুলি কাজ করে, সেখানকার মানুষ ধীরে ধীরে ভিন্নভাবে দেখতে ও ভাবতে শুরু করেন। এটি একটি ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, “সব কিছু এমনভাবে সঞ্চারিত করা হয় যাতে আমরা হিন্দুস্থানের চোখে চিন্তা করার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি। এটি ধীরগতির কাজ। প্রায় ষাট লাখ স্বয়ংসেবকের মধ্যে কেউ কেউ এই মানসিকতা পুরোপুরি আত্মস্থ করেছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখনও শুরুই হয়নি। তবে চূড়ান্ত লক্ষ্য হল, আমরা যেন স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় হিসেবে চিন্তা করি, আমেরিকানকৃত বা ইউরোপীয়কৃত ভারতীয় হিসেবে নয়।”

    ‘হিন্দু’ পরিচয়টির উদ্ভব

    ভাগবত বলেন (Mohan Bhagwat), “‘হিন্দু’ পরিচয়টির উদ্ভব হয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাবনা থেকে, এবং সেই ধারাই আজও অব্যাহত রয়েছে। সংবিধান প্রণয়নের আগেও যে সত্তা ছিল, সেই সত্তাই সংবিধানের প্রস্তাবনাকে রূপ দিয়েছে, ধর্মীয় স্বাধীনতা, স্বাধীনতা, সমতা, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের আদর্শ। নানা রকম হিন্দু যখন উপলব্ধি করবেন যে উপাসনার পদ্ধতি ভিন্ন হলেও তাঁরা সকলেই হিন্দু, হিন্দুস্তানি, তখন সাংবিধানিক স্বীকৃতি আসতে পারে। তবে হিন্দু রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও সমৃদ্ধির জন্য তা অপরিহার্য নয়। সব হিন্দু যদি বলেন, “আমরা হিন্দু”—তাই যথেষ্ট।” প্রশ্ন ওঠে, খ্রিস্টানদের জন্য বাইবেল যেমন সর্বজনীন ধর্মগ্রন্থ, মুসলমানদের কোরান। হিন্দুদের জন্য একটি সর্বজনীন ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে আরএসএসের অবস্থান কী, এবং কেন (RSS)। এদিন তারও উত্তর দেন ভাগবত। তিনি বলেন, “সংঘের অবস্থান আমাদের সভ্যতার অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বভাব থেকেই উৎসারিত। এখানে বহু পথ ও বহু গুরু রয়েছেন। ঐক্য এই উপলব্ধিতে যে লক্ষ্য এক, যদিও সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর পদ্ধতি ভিন্ন। হিন্দুত্ব কেবল তথ্যের বিষয় নয়, এটি একটি নীতি, যা কেবল আচরণ ও সাধনার মধ্যে দিয়েই প্রকাশ পায়। হিন্দুত্ব হল নীতি, আর আরএসএস হল তার প্রয়োগ। এটি কোনও একক সর্বজনীন গ্রন্থের প্রযুক্তিগত দাবি নয়, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক আধ্যাত্মিক সভ্যতার স্বীকৃতি ও ঘোষণামাত্র (Mohan Bhagwat)।”

    ‘গো সংবর্ধন’

    আরএসএস প্রধান বলেন, “আমাদের আলাদা ‘গো সংবর্ধন’ বিভাগ রয়েছে। এই বিভাগের দায়িত্ব হল ভারতীয় গরুর দেশি জাতগুলিকে রক্ষা করা, মানুষকে সেগুলি পালনে উৎসাহিত করা এবং স্থানীয় জাতগুলির প্রসার ঘটানো।” তামিলনাড়ুতে সংঘের বিস্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে এবং তাদের জানাতে হবে। আমাদের জীবনযাপন ও আমাদের উদ্দেশ্য তাদের দেখাতে হবে। যখন তারা আমাদের উদ্দেশ্যের পবিত্রতা দেখবেন, তখন আমাদের ওপর বিশ্বাস করতে শুরু করবেন। এখানে কোনও বিশেষ ভুল বোঝাবুঝি নেই, কেবল কিছু সাময়িক দ্বিধা আছে, যা আলাপ-আলোচনা ও যোগাযোগের মাধ্যমে দূর করা যায়।” ভাগবত বলেন, “যুক্তি মানুষকে গ্রহণযোগ্য করে তোলে, আর জীবন্ত উদাহরণ ভুল ধারণা দূর করে। নাগপুরে আমাদের সর্বভারতীয় শিবিরে মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ভেতর থেকে আমাদের দেখলে সব সংশয় দূর হয়ে যায়। তামিলনাড়ুতে জাতীয় চেতনার অভাব নেই (RSS)। এই অনুভূতি অন্য যে কোনও জায়গার মতোই শক্তিশালী। যা নেই, তা হল এই অনুভূতির পূর্ণ প্রকাশের অনুকূল পরিবেশ। কৃত্রিম বাধা তৈরি করা হয়েছে। যদিও সেগুলি টিকে থাকতে পারে না, কারণ জাতীয় চেতনা যখন সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায়, তখন সেই বাধাগুলি ভেঙে পড়ে। সেই পরিবেশ ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।” তিনি বলেন (Mohan Bhagwat), “অনেকে আনুষ্ঠানিক কোনও যোগাযোগ ছাড়াই সংঘের আদর্শে জীবনযাপন করেন। এর মূল সত্তা হল জীবনাচরণ ও ব্যক্তিগত উদাহরণ। আমরা সমাজের ওপর আস্থা রাখি এবং ঘরে ঘরে পৌঁছনোর মতো পর্যাপ্ত বিস্তার আমাদের রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য, এমন নাগরিক গড়ে তোলা, যারা সমগ্র ভারতকে একক সত্তা হিসেবে ভাববে (RSS)।”

LinkedIn
Share