Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Putin Visit in India: করমর্দন, আলিঙ্গন, বন্ধুত্বের বার্তা! প্রোটোকল ভেঙে বিমানবন্দরে পুতিনকে স্বাগত প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Putin Visit in India: করমর্দন, আলিঙ্গন, বন্ধুত্বের বার্তা! প্রোটোকল ভেঙে বিমানবন্দরে পুতিনকে স্বাগত প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধু মোদির আমন্ত্রণে সাড়া না দিয়ে থাকতে পারেননি। তাই ৪ বছরের ব্যবধানে ফের ভারত সফরে এলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আজ ও আগামিকাল (৪-৫ ডিসেম্বর) ভারতে থাকবেন রুশ প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের মাটিতে পা রাখলেন পুতিন ৷ ‘বন্ধু’কে স্বাগত জানাতে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি হাজির হন দিল্লির পালাম সেনাঘাঁটিতে ৷ দু’দিনের সফরে ভারতে এসেছেন তিনি ৷ ইতিমধ্য়ে রুশ প্রতিনিধি দল ভারতে এসে পৌঁছেছে ৷ ২৩ তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতেই দিল্লি এলেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ৷

    মোদি-পুতিন সাক্ষাৎ

    রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথমবার ভারতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। ‘অতিথি দেব ভবঃ’ ভারতভূমের অতিপ্রাচীন সংস্কৃতি। অতিথিকে ভারতে দেবতার আসনে রাখা হয়। ভারতে প্রাচীনকাল থেকেই এই প্রথা রয়েছে। পুতিনকেও আপ্যায়নের ত্রুটি রাখছে না ভারত। পুতিনকে নিজে এয়ারপোর্টে রিসিভ করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর আগে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারতে এসেছিলেন পুতিন। ঠিক সন্ধে সাড়ে ৬টায় ভারতের মাটিতে ল্যান্ড করে পুতিনের বিশেষ বিমান। পুতিন বিমান থেকে নামতেই তাঁকে জড়িয়ে ধরে স্বাগত জানালেন মোদি। করমর্দন করলেন দুই নেতা। এরপর একই গাড়িতে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যান দুই রাষ্টপ্রধান। সাধারণ প্রোটোকল অনুযায়ী কোনও বিদেশি রাষ্ট্রনেতা ভারত সফরে এলে তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে হাজির থাকেন বিদেশমন্ত্রী বা বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু ২০১৭ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে প্রোটোকল ভেঙে দিল্লি বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন মোদী। ২০১৮-য় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকেও মোদী নিজেই বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাতে গিয়েছিলেন। এবার বন্ধু পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাত করতেও বিমানবন্দরে গেলেন মোদি।

    মোদি ও পুতিনের ব্যক্তিগত আলোচনা

    সম্প্রতিক সময়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের গ্রাফ তলানিতে। এই পরিস্থিতিতে পুতিনের নয়াদিল্লি সফর বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। সব ঠিকঠাক থাকলে এই সফরেই আরও এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম রাশিয়া থেকে কেনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হতে চলেছে। এরই সঙ্গে আরও আধুনিক এস-৫০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও আসবে ভবিষ্যতে। সেই চুক্তি নিয়ে আজ নৈশভোজের পর নরেন্দ্র মোদি ও পুতিনের ব্যক্তিগত আলোচনা হবে। মনে করা হচ্ছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিষয়ও উঠে আসবে। ভারত বরাবরই যুদ্ধের বিরোধিতা করে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের কথা বলেছে। এবারও নয়াদিল্লি সেদিকেই জোর দেবে বলেই ধারণা।

    পুতিনের সফরসূচি

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ৷ সাড়ে ১১ টার সময় তাঁর রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে ৷ এরপর নয়াদিল্লিতে হায়দরাবাদ হাউজে ২৩তম ভারত-রাশিয়া সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠক হবে ৷ দুপুর ১.৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করবেন ৷ বিকেল ৩.৪০ মিনিটে একটি বাণিজ্য অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন পুতিন ৷ সন্ধ্যা ৭টায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর আমন্ত্রণে রাষ্ট্রপতি ভবনে নৈশভোজে যোগ দেবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ৷ রাত ৯টা নাগাদ ফের রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি ৷

    নিরাপত্তায় মোড়া দিল্লি

    প্রেসিডেন্ট পুতিনের এই সফর ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে নয়া দিল্লিকে। ইতিমধ্যে পুতিনের সুরক্ষায় রাশিয়ার থেকে ভারতে এসে পৌঁছেছে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ৫০ জনের একটি দল। মোতায়েন থাকছেন ভারতের এনএসজি কম্যান্ডোরাও। মস্কো থেকে উড়ে এসেছে পুতিনের প্রেসিডেন্সিয়াল বাহন অরাস সেনাট। ৬০০ হর্স পাওয়ারের এই গাড়ি আসলে চার চাকার উপর চলমান একটা দুর্গ। মাত্র ২ সেকেন্ডের মধ্যে ০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টা গতি তুলতে পারে এই গাড়ি। শত্রুর হাত থেকে বাঁচার জন্য এই গাড়িতে রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। বাইরে রয়েছে ব্যালিস্টিক আর্মার। রয়েছে মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। বোমা ও গ্রেনেড হামলায় এই গাড়ির কোনও ক্ষতি হয় না। ৪টে চাকা ফুটো হয়ে গেলেও দৌড়াতে থাকে এই গাড়ি।

    ভারত-রাশিয়া সামরিক চুক্তি

    পুতিনের সফরে ভারত যে চুক্তিতে দ্রুত স্বাক্ষর করার জন্য উন্মুখ, সেটি হল বিশ্বের অন্যতম সেরা ফাইটার জেট সুখোই-৫৭ ক্রয়। ভারতের জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসছেন পুতিন। কারণ, নিছক একটি দেশ অন্য দেশকে সামরিক উপকরণ বিক্রয় করে মুনাফা করবে—বিষয়টি এমন নয়। রাশিয়া এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং সুখোই বিক্রির পাশাপাশি প্রযুক্তি হস্তান্তর ও যৌথ উৎপাদনের চুক্তিতেও সবুজ সংকেত দেবে। এজন্য বাছাই করা হবে ভারতের তিনটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে। হিন্দুস্তান এরোনটিক্স, ভারত ইলেকট্রনিক্স এবং ভারত ডায়নামিক্স। অর্থাৎ ওই দু‌ই সামরিক উপকরণের রক্ষণাবেক্ষণ কিংবা দ্রুত ডেলিভারির জন্য মস্কোর দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে না। এই দুই চুক্তির অন্যতম শর্ত হল একটি বড় অংশের সংযুক্তিকরণ হবে ভারতেই। যা ভারত সরকারের যে কোনও সামরিক ও স্ট্র্যাটেজিক সমঝোতায় অন্যতম লক্ষ্য।

  • Vladimir Putin: “চাপের কাছে নতি স্বীকার করার মানুষ নন”, প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন পুতিন

    Vladimir Putin: “চাপের কাছে নতি স্বীকার করার মানুষ নন”, প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চাপের কাছে নতি স্বীকার করার মানুষ নন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।” সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। আমেরিকার চড়া শুল্কনীতি প্রয়োগ করে ভারতের নীতি প্রভাবিত করার চেষ্টা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে ওই মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার দু’দিনের ভারত সফরে নয়াদিল্লিতে আসছেন পুতিন। তার আগে দেওয়া এক্সক্লুসিভ ওই সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর মতামত ব্যক্ত করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। এগুলির মধ্যে ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি, দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতে ভারত–রাশিয়া সম্পর্কের দিকনির্দেশনাও।

    পুতিনের মুখে মোদি-স্তুতি (Vladimir Putin)

    ওই সাক্ষাৎকারে পুতিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “তামাম বিশ্ব আজ ভারতের দৃঢ় এবং অবিচল অবস্থান প্রত্যক্ষ করছে। আন্তর্জাতিক চাপে দৃঢ়তার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং নেতৃত্বের সাহসের জন্য ভারত গর্ব করতেই পারে।” রাশিয়া এবং ভারতের শক্তিশালী সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দুই দেশের মধ্যে ৯০ শতাংশেরও বেশি দ্বিপাক্ষিক লেনদেন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।” প্রসঙ্গত, মোদি ও পুতিনের সভাপতিত্বে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা শুক্রবার। তার আগে বৃহস্পতিবারই ভারতে আসছেন রুশ রাষ্ট্র প্রধান। তাঁর ভারত সফর এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন রাশিয়ান তেল কেনার বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ দিচ্ছে, কড়া নজর রাখা হচ্ছে পুতিনের নয়াদিল্লি সফরের ওপরও (PM Modi)। পুতিনের সফরের আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভবন জানিয়েছে, উভয় দেশের জন্য অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। পুতিন (Vladimir Putin) মন্ত্রিসভার সব অর্থমন্ত্রীরাও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসছেন নয়াদিল্লিতে।

    রুশ প্রেসিডেন্টের প্রথম ভারত সফর

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই হবে রুশ প্রেসিডেন্টের প্রথম ভারত সফর। এই সফরের আগেই তিনি দিয়েছেন বিশেষ সাক্ষাৎকার। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারত একটি শক্তিশালী দেশ, যারা কারও চাপের কাছে মাথা নত করে না।” পুতিন বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমি আমার বন্ধু প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলতে যাচ্ছি। আমরা অনেক আগেই ভারতে এই বৈঠকের বিষয়ে একমত হয়েছিলাম। আমাদের আলোচনা করার মতো অনেক কিছুই আছে। কারণ ভারতের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব বিশাল।”

    মেক ইন ইন্ডিয়া নীতির প্রতি মুগ্ধতা

    প্রসঙ্গত, এর আগেও বিভিন্ন সময় পুতিনের মুখে শোনা গিয়েছে মোদি-স্তুতি। ঠিক এক বছর আগে মস্কোয় একটি বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতা দেওয়ার সময় পুতিন বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগ যেভাবে বিশ্বব্যাপী ভারতের অবস্থানকে শক্তিশালী করছে, তা দেখে তিনি মুগ্ধ। মেক ইন ইন্ডিয়া নীতির প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া নামে একটি কর্মসূচি রয়েছে। আমরা ভারতে আমাদের উৎপাদন কার্যক্রম স্থাপন করতেও প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত সরকার ভারতকে প্রথমে রাখার নীতি দ্বারা চালিত স্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে চলেছে (PM Modi)। আমরা বিশ্বাস করি, ভারতে বিনিয়োগ লাভজনক।” রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট (Vladimir Putin) সেদিন এও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, রাশিয়ান কোম্পানি রোসনেফ্ট ভারতে তখনই ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছিল।

  • Supreme Court: তালাকপ্রাপ্ত মুসলিম মহিলারা ফেরত পাবেন বিয়ের দেনমোহর, গয়নাও, রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: তালাকপ্রাপ্ত মুসলিম মহিলারা ফেরত পাবেন বিয়ের দেনমোহর, গয়নাও, রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তালাকপ্রাপ্ত মুসলিম মহিলাদের আর্থিক স্বাধীনতা ও আইনি সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিয়ের সময়ে প্রদত্ত মেহের, গয়না, নগদ অর্থ এবং অন্যান্য সব উপহার, তা সে মহিলা নিজে নিন কিংবা তাঁর স্বামীর হাতে তুলে দেওয়া হোক, সেগুলিতে ওই মহিলার পূর্ণ অধিকার। তাই বিবাহবিচ্ছেদ (Muslim Women) হলে অবশ্যই তা তাঁকে ফেরত দিয়ে দিতে হবে। আদালতের এই রায়ে স্পষ্ট, এই সব জিনিস ওই মহিলার ব্যক্তিগত ও একচ্ছত্র সম্পত্তি। তাই বিবাহবিচ্ছেদ পরবর্তী সময়ে তা ফিরিয়ে দেওয়া বাধ্যতামূলক।

    ডিভিশন বেঞ্চের রায় (Supreme Court)

    এ সংক্রান্ত রায়টি দেয় বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং এন কোটিশ্বর সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলাটি ছিল এক মুসলিম মহিলার, যাঁর প্রায় ১৭.৬৭ লাখ টাকার সোনা ও নগদ-সহ অন্যান্য বিবাহ সম্পর্কিত সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার দাবি খারিজ করে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্ট বলেছিল, উপহারগুলি সরাসরি কনেকে দেওয়া হয়েছিল নাকি বরকে, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, এই ধরনের সংকীর্ণ ব্যাখ্যা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য এবং নারীর মর্যাদা ও সমতার সাংবিধানিক নিশ্চয়তা – দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    রায়ের ভিত্তি

    প্রসঙ্গত, শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ যে রায় দিয়েছে, তার ভিত্তি হল মুসলিম নারী (বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে অধিকার সুরক্ষা) আইন, ১৯৮৬-এর ধারা ৩(১)(ডি)। এখানে বলা হয়েছে, নারীকে বিয়ের আগে, সময়কালে বা পরে যে কোনও উপহার বা সম্পত্তি, তা আত্মীয়, বন্ধু, স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোক যে-ই দিক না কেন, তালাক হওয়ার পরে সেগুলি অবশ্যই ফেরত দিতে হবে। আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে তালাকপ্রাপ্ত মুসলিম নারীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। তাই একে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যাতে লিঙ্গ-ন্যায়বিচার সুরক্ষিত হয় (Supreme Court)।

    বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ

    বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ, দেশের বহু অঞ্চলে, বিশেষত গ্রামীণ ও আধা-শহুর এলাকায় এখনও পুরুষতান্ত্রিক বৈষম্য সমাজের স্বাভাবিক রীতি। এই প্রেক্ষাপটে আদালত উল্লেখ করে, নারীর অর্থনৈতিক অধিকার রক্ষাকারী আইনগুলিকে যান্ত্রিকভাবে নয়, উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করতে হবে। বেঞ্চের মন্তব্য, “নারীর (Muslim Women) সমতা, মর্যাদা ও স্বায়ত্তশাসনের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতি এই আইনের ব্যাখ্যায় প্রভাব ফেলতে হবে।”

    হাইকোর্টের কড়া সমালোচনা

    কলকাতা হাইকোর্টের কড়া সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, শুধুমাত্র প্রমাণসংক্রান্ত অস্পষ্টতার ভিত্তিতে ওই নারীর দাবি খারিজ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, হাই কোর্টের এই সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্যভিত্তিক ব্যাখ্যার লক্ষ্যবিন্দু মিস করেছে। কারণ তারা ১৯৮৬ সালের আইনের পেছনে থাকা আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। আদালত ওই মহিলার আবেদন মঞ্জুর করে নির্দেশ দিয়েছে, তাঁর প্রাক্তন স্বামী ছসপ্তাহের মধ্যে হিসাব অনুযায়ী সম্পূর্ণ অর্থ তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় একটি শক্তিশালী বার্তা দেয় যে, প্রক্রিয়াগত জটিলতা বা বৈবাহিক উপহারের মালিকানা সম্পর্কে পুরুষতান্ত্রিক অনুমানের ভিত্তিতে নারীদের তাঁদের ন্যায্য সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না (Supreme Court)।

    সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ভারতীয় ব্যক্তিগত আইন বিচারব্যবস্থার বিকাশে একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত চিহ্নিত করে। বিবাহ উপহার ও মোহরানা সম্পূর্ণভাবে নারীর অধিকার বলে স্বীকৃতি দিয়ে, সুপ্রিম কোর্ট মুসলিম নারীদের জন্য বর্তমানে (Muslim Women) থাকা সুরক্ষা কাঠামোকে আরও প্রসারিত করেছে। এটি তাঁদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁদের সাংবিধানিক অধিকারও সুরক্ষিত রাখবে (Supreme Court)।

     

  • India Russia Relation: ঐতিহাসিক ভারত সফরে আসছেন পুতিন, পঞ্চস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়ে দিল্লি

    India Russia Relation: ঐতিহাসিক ভারত সফরে আসছেন পুতিন, পঞ্চস্তরীয় নিরাপত্তার বলয়ে দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার দু’দিনের ঐতিহাসিক ভারত সফরে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (India Russia Relation)। রুশ প্রেসিডেন্টের আসার প্রতীক্ষার (Vladimir Putin) প্রহর গুণছেন ভারতবাসী। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার-পোস্টারে ছয়লাপ করে দেওয়া হয়েছে নয়াদিল্লির রাস্তা-অলি-গলি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মধ্যে দিয়ে রাশিয়া এবং ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ আর মজবুত হবে।

    ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন (India Russia Relation)

    পুতিন এদিনই ভারতে তাঁর দুদিনের সফর শুরু করবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর নয়াদিল্লি আগমনের অল্প সময় পরেই ব্যক্তিগত নৈশভোজের আয়োজন করবেন। শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ২৩তম ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলন এমন একটি সময়ে হচ্ছে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়াদিল্লির ওপর শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা, এবং বাণিজ্য ও জ্বালানি অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হবে। ইউক্রেন আক্রমণের পর এটি হবে পুতিনের প্রথম ভারত সফর। শুক্রবার তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে। তার পরেই শুরু হবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা। উচ্চ পর্যায়ের এই সফরকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্টের সফর যাতে নিরাপদ ও বিঘ্নহীন হয় সেজন্য কঠোর করা হয়েছে নিরাপত্তা ও লজিস্টিক ব্যবস্থা। শীর্ষ সম্মেলনের আগে পাঁচ-স্তরীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।

    আঁটসাঁট নিরাপত্তা

    এই ব্যবস্থায় রয়েছে অভিজাত ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG) কমান্ডো, সম্ভাব্য যাতায়াতপথে নিযুক্ত স্নাইপার, ড্রোন নজরদারি, অননুমোদিত সংকেত বন্ধে জ্যামার এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে এআই-নিয়ন্ত্রিত মনিটরিং সিস্টেম (Vladimir Putin)। গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণের জন্য উচ্চ প্রযুক্তির মুখ চিনতে পারা ক্যামেরাও লাগানো হয়েছে (India Russia Relation)।নয়াদিল্লিতে ইতিমধ্যেই রাশিয়ার ৪০ জনেরও বেশি সিনিয়র নিরাপত্তা আধিকারিক পৌঁছে গিয়েছেন। তাঁরা এনএসজি এবং দিল্লি পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রেখে চলেছেন, যাতে রাষ্ট্রপতির কনভয়ের প্রতিটি মুহূর্ত রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করে সম্ভাব্য যে কোনও হুমকি নিষ্ক্রিয় করা যায়। বহুস্তরীয় এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি কৌশলগতভাবে ভাগ করা হয়েছে এভাবে, বাইরের স্তরগুলি এনএসজি দলের এবং দিল্লি পুলিশের তত্ত্বাবধানে থাকবে, আর ভেতরের স্তরগুলি পরিচালনা করবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস।

    রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রীয় গাড়ির

    রুশ প্রেসিডেন্ট যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কোনও বৈঠক করবেন, এসপিজির কমান্ডোরা মূল নিরাপত্তা বলয়ে যুক্ত হবেন। পুতিন যে হোটেলে থাকবেন এবং যেসব জায়গায় যেতে পারেন, সম্ভাব্য সেই সব জায়গাগুলিও সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা ও সুরক্ষিত করা হচ্ছে। নিরাপত্তায় কোনও ধরনের ত্রুটি যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে প্রাণপাত করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রীয় গাড়ির আগমন, শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থা সমৃদ্ধ আর্মার্ড অরাস সেনাট লিমুজিন, যেটি বিশেষভাবে এই সফরের জন্য উড়িয়ে আনা হয়েছে ভারতে (India Russia Relation)।

    রাষ্ট্রপতি ভবনে নৈশভোজ

    এদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজে যোগ দেবেন পুতিন। শুক্রবার তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানো হবে রাষ্ট্রপতি ভবনে। পরে তিনি যাবেন রাজঘাটে, শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে। এদিনই হায়দরাবাদ হাউসে হবে মোদি-পুতিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। পরে ভারত মণ্ডপমে একটি অনুষ্ঠান এবং পরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর আতিথ্যে ডিনারে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে রুশ প্রেসিডেন্টের (Vladimir Putin)। এবার রুশ প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে তাঁর অরাস সেনাট লিমুজিন গাড়িটিও। মস্কো থেকে বিশেষ বিমানে করে উড়িয়ে আনা হয়েছে এই লাক্সারি এই গাড়িটিকে। ২০১৮ সালে বাজারে আসার পর থেকেই এই গাড়িটি হয়েছে পুতিনের সরকারি গাড়ি। গাড়ি নয়, বরং সাঁজোয়া বলা যেতে পারে। অনেকেই বলেন এটি হল ভ্রাম্যমাণ একটি দুর্গ। মাস কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন চিনে গিয়েছিলেন এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে, তখন পুতিনের সঙ্গে এই গাড়িতেই দেখা গিয়েছিল তাঁকে (India Russia Relation)।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

    প্রসঙ্গত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে মস্কো থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি কিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চক্ষুশূল হয়েছে ভারত। শুল্ক চাপ বজায় রাখার পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তিও করেনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার। এই আবহেই ভারতে আসছেন পুতিন। কংগ্রেস নেতা শশী থারুর বলেন, “রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের পোক্ত সম্পর্ক। মিস্টার পুতিনের এই (Vladimir Putin) সফর তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আমাদের অটোনমি কোনও একটা দেশের কাছে বন্ধক রাখতে পারি না। বরং সব দেশের সঙ্গেই আমাদের স্বাধীন সম্পর্ক থাকা উচিত। আশা করি, রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরালো হবে (India Russia Relation)।”

  • Delhi Municipal: দিল্লি পুর নিগম উপনির্বাচনে ১২ আসনের মধ্যে ৭টিতে জয় বিজেপির

    Delhi Municipal: দিল্লি পুর নিগম উপনির্বাচনে ১২ আসনের মধ্যে ৭টিতে জয় বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার দিল্লি পুর নিগমের (Delhi Municipal) উপনির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি ১২টি আসনের মধ্যে সাতটিতে জয়লাভ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির বিধানসভা নির্বাচনে এককভাবে ক্ষমতায় বসেছে বিজেপি। এবারে পুরসভার নির্বাচনেও সেই ধারা অব্যাহত রাখল গেরুয়া শিবির। তবে আম আদমি পার্টি তিনটি আসন পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। কংগ্রেস পেয়েছে একটি আসন। দ্বাদশ আসনটি অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লকের দখলে। তবে এই নির্বাচন বিজেপি এবং আপের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার জন্য এই নির্বাচন ছিল একটি বড় পরীক্ষা। তবে খুব সহজেই উত্তীর্ণ হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লি প্রদেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি নেতা সৌরভ ভরদ্বাজের কাছেও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে বিজেপির (BJP Delhi) জয় নিয়ে আগে থেকেই তিনি ভীষণ ভাবে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।

    রেখা গুপ্তার সিটে জয়ী বিজেপি (Delhi Municipal)

    দিল্লি পুরসভা (BJP Delhi) উপনির্বাচনে যে যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট হয়েছে, সেগুলি হল, গ্রেটার কৈলাস, শালিমার বাগ বি, অশোক বিহার, চাঁদনি চক, চাঁদনি মহল, দিচাঁও কালান, নারায়ণা, সঙ্গম বিহার এ, দক্ষিণ পুরী, মুন্ডকা, বিনোদ নগর এবং দ্বারকা বি। উল্লেখ্য, গত দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে কাউন্সিলররা বিধানসভায় নির্বাচিত হওয়ার পর এগারোটি আসন শূন্য হয়ে যায়। তাই জরুরি হয়ে পড়ে উপনির্বাচন।

    দিল্লি পুর নিগমে (Delhi Municipal) এই শূন্যপদগুলির মধ্যে সবচেয়ে একটি ছিল শালিমার বাগ বি। এখান থেকেই বিজেপি নেত্রী রেখা গুপ্তা প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তবে শালিমার বাগ বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসলে কাউন্সিলর পদটি ফাঁকা হয়ে যায়। এবারে বিজেপির হয়ে ওই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন অনিতা জৈন। একই ভাবে বিজেপি জয়ী হয়েছে চাঁদনি চক (BJP Delhi), গ্রেটার কৈলাশ এবং অশোক বিহারের ওয়ার্ডগুলিতেও। তবে বীণা আসিজা ৪০৫ ভোটের সামান্য ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

    দক্ষিণপুরী, মুন্ডকা এবং নারায়ণাতে জয়ী আপ

    দিল্লি পুরনিগমে (Delhi Municipal) কংগ্রেস জয়ী হয়েছে সঙ্গম বিহার এলাকায়। এখানে কংগ্রেস প্রার্থী সুরেশ চৌধুরী, যিনি ১২,৭৬৬ ভোট পেয়ে বিজেপি প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৩,৬২৮ ভোটে পরাজিত করেছেন। অন্যদিকে, আপ দক্ষিণপুরী, মুন্ডকা এবং নারায়ণা এলাকায় জয়ী হয়েছে। দক্ষিণপুরী থেকে জয়ী রাম স্বরূপ কানোজিয়া বলেন, “আমি অরবিন্দ কেজরিওয়াল, বিধায়ক প্রেম চৌহান এবং জনসাধারণকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা জিতেছি বলে আমি খুব খুশি। আমি প্রচুর ভালোবাসা পেয়েছি।”

  • Al Falah University: আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হত প্রতিদিন ১৫০ ভুয়ো রোগীর ফাইল!

    Al Falah University: আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হত প্রতিদিন ১৫০ ভুয়ো রোগীর ফাইল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে ফরিদাবাদের (Pakistan) আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় (Al Falah University)। বর্তমানে দেশের একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার নজরে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। কারণ দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার সঙ্গে যোগসূত্র সামনে এসেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এক প্রাক্তন নার্সিং কর্মী জানান, প্রতিদিন সেখানে ১০০ থেকে ১৫০টি ভুয়ো রোগীর ফাইল তৈরি করা হত। এই অবৈধ কাজটি করা হত জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত মুজ্জামিল শাকিল এবং পরে আত্মঘাতী হামলা চালানো উমর নাবির নির্দেশে। নির্দেশ মানতে অস্বীকার করলে তাঁদের অনুপস্থিত দেখানো হত, কেটে নেওয়া হত বেতনও। প্রাক্তন ওই কর্মী আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দু কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্য করা হত। কাশ্মীরি মেডিকেল কর্মী ও কিছু ডাক্তার নাইট শিফটে প্রকাশ্যে পাকিস্তানের প্রশংসা করত, স্লোগান দিত ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ বলে। সূত্রের খবর, শাহিনা সাঈদ, মুজ্জামিলের সঙ্গে এনআইটি মার্কেটে যেত বিস্ফোরক ও সন্দেহজনক সামগ্রী কিনতে। তদন্তকারীরা এখন তাদের চলাফেরা, কেনা জিনিসপত্র এবং যোগাযোগের নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখছেন।

    লক্ষ্মণের বক্তব্য (Al Falah University)

    রাজস্থানের নার্সিং স্টাফ লক্ষ্মণ ২০২৫ সালের জুলাই মাসে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। চাকরি ছেড়ে দেন অক্টোবর মাসেই। তিনি জানান, ভুয়ো ফাইলগুলি মূলত রাতের শিফটে তৈরি করা হত। প্রত্যেক কর্মীকে প্রতিদিন পাঁচটি করে ভুয়ো ফাইল তৈরি করতে হত। এই সব ফাইলে আগে থেকেই ডাক্তারদের সই করা থাকত। ভুয়ো ফাইলগুলিতে এমন সব ওষুধপত্রের রেকর্ড রাখা হত, যা রোগীদের কখনও দেওয়া হয়নি। প্রতিদিন সকালে ডাক্তাররা এই ফাইলগুলি নিয়ে যেত, কিন্তু কর্মীদের কখনও জানানো হত না যে এর আসল উদ্দেশ্য কী। আসলে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার অছিলায় প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করতে এগুলি ব্যবহার করা হত।

    বেতন বন্ধ করে দেওয়া হত

    যদি কেউ ভুয়ো ফাইল তৈরি করতে অস্বীকার করত, তাহলে তার বেতন বন্ধ করে দেওয়া হত। তবে এই কঠোর নিয়ম কাশ্মীরি কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল না। মুসলিম কর্মচারীরা প্রতি মাসে ৮০ কিলোগ্রাম বিনামূল্যে রেশন পেত। হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজে প্রায় ২০০ জন নার্সিং স্টাফ রয়েছেন, এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই মুসলিম এবং ২০ শতাংশ হিন্দু। মেডিকেল স্টাফ ও ডাক্তারদের প্রায় ৩৫ শতাংশই কাশ্মীর থেকে আসে (Al Falah University)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা হিন্দু কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্য করত। দীপাবলিতে হিন্দু কর্মচারীদের মিষ্টি দেওয়া হত না, অথচ রমজান মাসে মুসলিম কর্মীদের বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হত। লক্ষ্মণ আরও বলেন, কাশ্মীরি চিকিৎসাকর্মী এবং ডাক্তাররা নাইট শিফটে কাজ করার সময় প্রকাশ্যে পাকিস্তানের প্রশংসা করত। “পাকিস্তান জিন্দাবাদ” স্লোগান দিয়ে হাসাহাসি ও ঠাট্টা করত। প্রায়ই কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা হত। সেনাবাহিনী কাশ্মীরিদের ওপর অত্যাচার করছে বলেও দাবি করা হত (Pakistan)।

    একটি উচ্চস্তরের কমিটি গঠন করতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও শিক্ষামন্ত্রী, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী-সহ বেশ কয়েকজন কর্তার কাছে চিঠি লিখেছেন আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা। তাঁদের লক্ষ্য, ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বর্তমান তদন্তের সময় যেন তাঁদের পড়াশোনা বাধাপ্রাপ্ত না হয়। আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকে ছাত্রছাত্রীরা সন্দেহ এবং বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছেন। এর ফলে তাঁরা আতঙ্কে রয়েছেন এবং পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে বা ঠিকমতো ঘুমোতেও পারছেন না। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পাঞ্জাব, দিল্লি এবং এনসিআর অঞ্চলের ৩৬০ জনেরও বেশি অভিভাবক তাঁদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠি লিখেছেন (Al Falah University)।

    ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের কাছে ব্যাপক বিস্ফোরণ হয়। একটি সাদা হুন্ডাই আই২০ গাড়ির ভিতরে শক্তিশালী বিস্ফোরণে প্রায় ১৫ জন নিহত হন, জখম হন ২০ জনেরও বেশি। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি জঙ্গি হামলা এবং আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এর যোগ ছিল।

    সুইসাইড বোমারু উমর নবি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিল। সে-ই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করে বিস্ফোরণ ঘটায়। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি মুজাম্মিল শাকিল এবং শাহিন সাঈদকে গ্রেফতার করেছে। তাদের যোগাযোগ (Pakistan) জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এবং আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত বলে খবর মিলেছে। শিক্ষিত পেশাজীবীদের জড়িত এই জঙ্গি মডিউলের তদন্ত এখনও চলছে (Al Falah University)।

  • Digital Survey: দেশে শুরু হবে জনগণনা, কবে থেকে জানেন?

    Digital Survey: দেশে শুরু হবে জনগণনা, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে দেশে চলছে এসআইআর। এই পর্বের শেষেই শুরু হয়ে যাবে জনগণনার (Census) কাজ। অন্তত এমনই জানাল (Digital Survey) কেন্দ্র। ২০২৭ সালে হবে জনগণনা। শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন সংসদে এমনই ঘোষণা করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। যদিও এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে চলতি বছরের ১৬ জুন। মোট দু’দফায় হবে এই সেনসাসের কাজ। প্রথম পর্যায়ে হবে গৃহ তালিকাভুক্তি ও আবাসন জনগণনা। এটি চলবে ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্যায়ে হবে জনগণনা। এটি হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং লাদাখের মতো পাহাড়ি অঞ্চলগুলিতে যেহেতু তুষারপাত হয়, তাই সেই সব জায়গায় জনগণনা হবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।

    কী বললেন মন্ত্রী? (Digital Survey)

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বলেন, “দেশের সর্বত্র গণনার জন্য ২০২৭ সালের ১ মার্চকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হবে। তবে লাদাখ, জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের বরফ-ঢাকা অঞ্চলগুলির জন্য জনগণনা হবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। সেক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর রেফারেন্স তারিখ গণ্য হবে। এই প্রক্রিয়াটিতে পূর্ববর্তী অনুশীলনগুলি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

    প্রশ্নপত্র তৈরি

    প্রশ্নপত্র তৈরির বিষয়ে জনগণের মতামত সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে এমএইচএ জানিয়েছে (Digital Survey), জনগণনার প্রশ্নাবলী কেবল মাত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক, ব্যবহারকারী সংস্থা এবং বিষয় বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার পরেই চূড়ান্ত করা হয়। জনগণনা ২০২৭ সালের মধ্যে দেশব্যাপী একটি প্রি-টেস্ট গত ৩০ নভেম্বরে শেষ হয়েছে। চূড়ান্ত প্রশ্নাবলী শীঘ্রই বিজ্ঞাপিত হবে বলেই মন্ত্রক জানিয়েছে। জনগণনা বিধি, ১৯৯০ সালের ৬ নম্বর বিধি অনুযায়ী, জনগণনার প্রশ্নাবলী এবং তফশিলগুলি আইনের ধারা ৮-এর উপধারা (১) এর অধীনে সরকারি গেজেটের মাধ্যমে বিজ্ঞাপিত হয় সরকারি গেজেটের মাধ্যমে। প্রশ্নাবলী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং সেনসাস কমিশনারের কার্যালয়।

    আগামী জনগণনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হবে ৭০ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো জাতিভিত্তিক গণনা অন্তর্ভুক্ত করা। এটি হবে ভারতের প্রথম ডিজিটাল জনগণনাও। এখানে তথ্য সংগ্রহ করা হবে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। তবে যেসব অঞ্চলে এই সুবিধা নেই, সেখানে কাগজ-ভিত্তিক ফর্মও (Census) পাওয়া যাবে। প্রসঙ্গত, জনগণনা হওয়ার কথা ছিল ২০২১ সালে। তবে করোনা অতিমারির কারণে সেই সময় হয়নি (Digital Survey)।

  • Delhi Red Fort Blast: ড্রোন-রকেটে হামাস ধাঁচে লালকেল্লা বিস্ফোরণের ছক! এনআইএ তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Delhi Red Fort Blast: ড্রোন-রকেটে হামাস ধাঁচে লালকেল্লা বিস্ফোরণের ছক! এনআইএ তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালকেল্লা বিস্ফোরণের (Delhi Red Fort Blast) তদন্তে জানা গিয়েছে, সন্ত্রাসী হামলার ষড়যন্ত্রকারীরা হামাসের (Hamas Style Attack) মতো সন্ত্রাসী হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। অভিযুক্তের মোবাইল থেকে মিলেছে ড্রোন এবং রকেট হামলার ভিডিও। গত ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে এক বিশাল বিস্ফোরণে জাতীয় রাজধানী কেঁপে ওঠে, যার ফলে ১২ জনের বেশি লোক নিহত এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর ভাবে আহত হয়েছিল। পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মোহম্মদের সাথে যুক্ত একটি আন্তঃরাজ্য জঙ্গি মডিউল এই বিস্ফোরণের সাথে যুক্ত বলে প্রমাণিত হয়েছে। ইতিমধ্যে সন্ত্রাসবাদী মডিউলের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার নাশকতা মূলক জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার কাজিগুন্ডের বাসিন্দা জসির বিলাল ওয়ানিকে গ্রফতার করেছিল এনআইএ। তার মোবাইল থেকে মিলেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    অ্যাপে হামলার ছক (Delhi Red Fort Blast)

    জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ অভিযুক্ত জসির বিলাল ওয়ানি ওরফে দানিশের ফোন পরীক্ষা করেছে। তাকে গত মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এনআইএ তদন্তের সময় জানতে পেড়েছে সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের (Delhi Red Fort Blast) অংশ হিসাবে হামাস (Hamas Style Attack)-ধাঁচের হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। অস্ত্রধারী ড্রোন ব্যবহার করার একাধিক প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। জসির বিলাল ওয়ানিওর ফোনের ফোল্ডারে ড্রোন-রকেট লঞ্চারের কয়েক ডজন ছবি এবং ভিডিও পাওয়া গিয়েছে। যদিও সকল ছবি নিজেই আগে ডিলিট করে দিয়েছিল। তবে মুছে ফেলা ফোল্ডারের তথ্যে ড্রোনে বিস্ফোরক স্থাপনের ভিডিও টিউটোরিয়াল অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানা গিয়েছে। ভিডিওগুলি ওয়ানির কাছে বিদেশি হ্যান্ডলাররা একটি অ্যাপের মাধ্যমে পাঠিয়েছিল বলে স্বীকার করেছে। এনআইএ এই নাশকতা মূলক অ্যাপটিতে বেশ কয়েকটি বিদেশী হ্যান্ডলারদেও খুঁজে পেয়েছে। এখন তাদের কাছ থেকে তথ্য জোগাড়ের কাজ করছে।

    বিস্তৃত অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে পরিকল্পনা

    আবার তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ত্রাসী হামলার (Delhi Red Fort Blast) ষড়যন্ত্রকারীরা ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে এমন একটি ড্রোন তৈরির কাজ করছিল। জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্রকারীরা হামাসের (Hamas Style Attack) ব্যবহৃত গ্লাইডিং রকেটের মতো গ্লাইডিং রকেটও বিশেষ ভাবে পড়াশুনা করছিল। ড্রোন এবং অ্যান্টি-ড্রোন প্রস্তুতকারক সংস্থা ইন্দোউইংসের সিইও প্রতিষ্ঠাতা পারস জৈনকেও ঘটনার পিছনে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য এই রকেটগুলি মাটি থেকে বা এমনকি হাতেও নিক্ষেপ করা যেতে পারে। এগুলি মিসাইলের চেয়ে কম খরচের বিকল্প বিস্ফোরক হিসবে ব্যবহার করা যেতে পারে। একটি রকেট দিয়ে হামলা করতে ২০ সেকেন্ড সময় লাগে এবং ৩ মিনিটের মধ্যে তিনটি রকেট নিক্ষেপ করা যায়। ধৃত জানিয়েছে বিস্তৃত অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে হামাস প্রচুর পরিমাণে রকেট ব্যবহার যে যাবে করেছিল তাদেরও ঠিক একই পরিকল্পনা ছিল।

    ইসালামের নামে শহিদ হতে চেয়েছিল

    রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ওয়ানি সন্ত্রাসী মডিউলের কারিগরি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছিল। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি এবং ক্যামেরা দিয়ে ড্রোনগুলিকে পরিবর্তন করার কাজে পারদর্শী হয়ে উঠেছিল। ওয়ানি ড্রোনগুলিতে বিস্ফোরক (Delhi Red Fort Blast) পেলোড সংযুক্ত করার এবং ক্ষুদ্র রকেট তৈরির চেষ্টাও করছিল।

    ২০২৪ সালের অক্টোবরে কুলগামের একটি মসজিদে ওয়ানির সাথে লালকেল্লার বোমা হামলাকারী ডক্টর উমর উন নবীর দেখা হয়েছিল। পরবর্তীকালে, বেশ কয়েক মাস ধরে নবী ওয়ানিকে গভীরভাবে জিহাদ বিষয়ে প্রভাবিত করেছিল। আত্মঘাতী বোমা হামলা (Hamas Style Attack) চালানোর জন্য তাকে রাজি করানোর চেষ্টাও করেছিল। তবে, নবী তাকে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানোর জন্য বারবার নানাভাবে প্রচেষ্টা চালায়। তা সত্ত্বেও ওয়ানি আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী হিসেবে অংশগ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তবে ওয়ানি ২০২৫ সালের এপ্রিলে নবীর সঙ্গে সম্পর্কেকে অস্বীকার করে। আর্থিক সমস্যার জন্যই ইসলামের জন্য শহিদ হতে চেয়েছিল। তবে এনআইএ আরও জানিয়েছে, ওয়ানির আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী হিসেবে রাজি না হওয়ায় তাকে সন্ত্রাসী মডিউলের প্রযুক্তিগত সহায়তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই হামলা যে হামাসের ছকে বড়সড় পরিকল্পনার অংশ ছিল তা নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন।

  • Kashai: শ্বেত যজুর্বেদের অন্যতম কঠিন আবৃত্তি-প্রথা দন্তক্রাম পারায়ণম রপ্ত করে রেকর্ড গড়লেন তরুণ

    Kashai: শ্বেত যজুর্বেদের অন্যতম কঠিন আবৃত্তি-প্রথা দন্তক্রাম পারায়ণম রপ্ত করে রেকর্ড গড়লেন তরুণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্রই উনিশ। এই বয়সেই নজির গড়ে ফেলেছেন বারাণসীর বৈদিক প্রতিভা বেদমূর্তি দেবব্রত মহেশ রেখে (Mahesh Rekhe)। শ্বেত যজুর্বেদের অন্যতম কঠিন এবং অত্যন্ত কম অনুশীলিত (Kashai) আবৃত্তি-প্রথা দন্তক্রাম পারায়ণম সফলভাবে সম্পূর্ণ করেছেন তিনি। তাঁর এই দক্ষতা কেবল প্রযুক্তিগত নিপুণতার জন্য নয়, বরং এমন একটি শাস্ত্রীয় রূপ পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ, যা প্রায় দু’শতাব্দী ধরে তাঁর বিশুদ্ধ রূপে সম্পাদিত হয়নি বলে মনে করা হয়।

    দন্তক্রাম (Kashai)

    এই সাফল্যের ব্যাপকতা দন্তক্রামের প্রকৃতিতেই নিহিত। শ্বেত যজুর্বেদের মধ্যন্দিন শাখায় প্রায় ২ হাজার মন্ত্র রয়েছে। এই আবৃত্তি প্রক্রিয়ায় ছন্দ, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং স্বরের কঠোর নিয়মানুবর্তিতা অনুসরণ করতে হয়। এক্ষেত্রে প্রয়োজন অসীম শৃঙ্খলার। পুরো ক্রমটি পাঠ্যগ্রন্থের কোনও সাহায্য ছাড়া, সম্পূর্ণ মুখস্থ, বিন্দুমাত্র ভুল ছাড়া এবং এমন স্বরনিয়ম মেনে আবৃত্তি করতে হয় যা ইতিহাসে মাত্র অল্প কয়েকজন পণ্ডিতই পূর্ণভাবে আয়ত্ত করতে পেরেছেন। টানা ৫০ দিন ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে এটি সম্পন্ন করা দেবব্রতকে ইতিহাসে এই প্রাচীন বৈদিক প্রথার সবচেয়ে বিরল অনুশীলনকারীদের মধ্যে এক অনন্য স্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর সাফল্যের মূল ভিত্তি হল তাঁর পিতা তথা গুরু, মহারাষ্ট্রের সুপ্রতিষ্ঠিত বৈদিক পণ্ডিত বেদব্রহ্মশ্রী মহেশ চন্দ্রকান্ত রেখের বহু বছরের কঠোর দিকনির্দেশনা (Kashai)।

    শুক্ল যজুর্বেদ

    শৃঙ্গেরী পীঠের বেদ পোষক সভার অধীনে শুক্ল যজুর্বেদ মধ্যন্দিন শাখার প্রধান পরীক্ষক হিসেবে মহেশ রেখে বহু দশক ধরে বৈদিক মৌখিক উচ্চারণের প্রকৃত পদ্ধতি সংরক্ষণ করে আসছেন। এটি আজ তাঁর ছেলের অসাধারণ কৃতিত্বে প্রতিফলিত হয়েছে। মহেশের এই কৃতিত্বে গর্বিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “১৯ বছর বয়সী বেদমূর্তি দেবব্রত মহেশ রেখে যা করেছেন, তা আগামী প্রজন্ম স্মরণ রাখবে! ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতি (Mahesh Rekhe) যাদের ভালোবাসা আছে, তাদের প্রত্যেকেই তার জন্য গর্বিত। কাশীর সাংসদ হিসেবে আমি আনন্দিত যে এই অসাধারণ কীর্তি এই পবিত্র নগরীতে সম্পন্ন হয়েছে (Kashai)।”

  • Mohan Bhagwat: “মোদির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন বিশ্বনেতারা”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “মোদির কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন বিশ্বনেতারা”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের শক্তি এখন প্রকাশ পাচ্ছে, দেশ খুঁজে পাচ্ছে তার যোগ্য জায়গা। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যখন কথা বলেন, তখন বিশ্বের নেতারা তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।” পুণেতে আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “কেউ যেন জয়ন্তী বা শতবার্ষিকীর মতো মাইলস্টোন উদযাপনের অপেক্ষায় না থাকে, বরং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অর্পিত কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অবিচল থাকে।”

    ভাগবতের বক্তব্য (Mohan Bhagwat)

    ভাগবত বলেন, “সংঘ সেই কাজটাই করে আসছে। সংঘ শতবর্ষ পূরণ করেছে, নানা চ্যালেঞ্জ এবং ঝড়ঝাপটা অতিক্রম করেছে, কিন্তু এখন আত্মসমালোচনার সময়। তবে সমগ্র সমাজকে একত্রিত করার কাজ করতে এত দীর্ঘ সময় কেন লাগল?” তাঁর মতে, সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় যে ভারত যখন উঠে দাঁড়ায়, তখন বিশ্বের নানা সমস্যার সমাধান হয়, সংঘাত কমে যায়, প্রতিষ্ঠিত হয় কাঙ্খিত শান্তি। সরসংঘ চালক বলেন,  “ইতিহাসে এই ঘটনা লেখা রয়েছে। আমাদের তা পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বর্তমান সময়ে এটিই সবচেয়ে জরুরি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তামাম বিশ্ব ভারতের কাছ থেকে এই প্রত্যাশাই করে। আর সেই কারণেই সংঘের স্বয়ংসেবকরা প্রথম দিন থেকেই এই সংকল্প নিয়ে কাজ করে আসছেন।”

    মোদির কথা কেন বিশ্ব এত মনোযোগ দিয়ে শোনে

    ভারতের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক মর্যাদা তুলে ধরে ভাগবত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা কেন বিশ্ব এত মনোযোগ দিয়ে শোনে, জানেন? তাঁর কথা এখন শোনা হচ্ছে কারণ ভারতের শক্তি এখন সেই সব জায়গায় প্রকাশ পেতে শুরু করেছে, যেখানে তার থাকা উচিত। আর এই কারণেই বিশ্ব ভারতের দিকে নজর দিচ্ছে (Mohan Bhagwat)।” এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি স্মরণ করেন আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ডক্টর কেশব বালিরাম হেডগেওয়ারের ত্যাগ ও অবদানের কথা। তিনি বলেন, “১৯২৫ সালে নাগপুরে হিন্দুত্ববাদী এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার পর সংঘের স্বয়ংসেবকরা বহু প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তাঁদের দায়িত্ব পালনের যাত্রা শুরু করেছিলেন।” ভাগবত জানান, তাঁদের কাজ ইতিবাচক ফল দেবে, এ ব্যাপারে কোনও নিশ্চয়তা ছিল না। বলেন, “সংঘ স্বয়ংসেবকরা সাফল্যের বীজ বপন করেছিলেন এবং নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছিলেন। তাঁদের প্রতি আমাদের সর্বদা কৃতজ্ঞ থাকা উচিত (PM Modi)।”

    সরসংঘ চালক বলেন, “আমাদের ভিত্তি বৈচিত্রের মধ্য দিয়ে ঐক্যে নিহিত। তাই আমাদের এক সঙ্গে চলতে হবে। আর তার জন্য ধর্ম অপরিহার্য। ভারতের সব দার্শনিক মতবাদ একটি উৎস থেকেই উদ্ভূত। কারণ সব কিছুই পরস্পর সংযুক্ত। আমাদের সামঞ্জস্য বজায় রেখে এগোতে হবে (Mohan Bhagwat)।”

LinkedIn
Share