Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Third Aircraft Carrier: তৃতীয় বিমানবাহী রণতরীর নির্মাণ শীঘ্রই, হবে আরও ৫-৬টি, বড় ঘোষণা রাজনাথের

    Third Aircraft Carrier: তৃতীয় বিমানবাহী রণতরীর নির্মাণ শীঘ্রই, হবে আরও ৫-৬টি, বড় ঘোষণা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা আগ্রাসন থেকে দেশের জলসীমা এবং সর্বোপরি ভারতের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করতে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা খোলসা করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি জানালেন, শীঘ্রই তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী (Third Aircraft Carrier) নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এছাড়া, অদূর ভবিষ্যতে ভারতে আরও ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করা হবে বলেও বড় দাবি করলেন তিনি।

    কী বলেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী?

    একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে রাজনাথ জানান, খুব শীঘ্রই ভারতের তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী নির্মাণের কাজ শুরু হতে চলেছে। এই জাহাজটিও আইএনএস বিক্রান্ত-এর মতো ৪৫ হাজার টনের হবে। তিনি বলেন, ‘‘ভারতের এই মুহূর্তে ২টি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। একটি দেশীয় বিক্রান্ত। অন্যটি ২০১৩ সালে রাশিয়া থেকে কেনা আইএনএস বিক্রমাদিত্য। তৃতীয়টির (Third Aircraft Carrier) উৎপাদন শীঘ্রই শুরু হবে। তবে, আমরা এখানেই থেমে থাকতে রাজি নই। আমরা আরও ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করব।’’

    ভারত মহাসাগরে চিনের মোকাবিলা

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ভারত ৫-৬টি আরও বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করে ফেলে, তাহলে ভবিষ্যতে ভারতীয় জলসীমার কাছে চিবনা আগ্রাসনের মোকাবিলা করা সহজ হবে। ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) শক্তি প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। চিনের চেয়ে বেশি না হলেও, তা চিনের সমকক্ষ হয়ে উঠবে (Third Aircraft Carrier)। প্রসঙ্গত, চিনও জানিয়েছে যে, তারা ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। বর্তমানে, চিনের হাতেও দুটি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। একটি সাবেক সোভিয়েত জমানার লিয়াওনিং। অন্যটি দেশে তৈরি শ্যানডং। সম্প্রতি, ৮০ হাজার টনের ফুজিয়ানের সি-ট্রায়াল (সামুদ্রিক পরীক্ষাপর্ব) শেষ হয়েছে। শীঘ্রই তা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। 

    দক্ষিণ চিন সাগরে ভারতীয় নৌজাহাজ

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, একবার তা সম্পন্ন হলে, চিন একটিকে (বিমানবাহী রণতরী) পাকাপাকিভাবে ভারত মহাসাগরে মোতায়েন করতে পারে। ফলে, ভারতের হাতেও যদি অন্তত তিনটে বিমানবাহী রণতরী (Third Aircraft Carrier) থাকে, তাহলে চিনা আগ্রাসনের চোখে চোখ রেখে মোকাবিলা সহজ হবে। চিনও অতি-সাহসী হয়ে ওঠার আগে দুবার ভাববে। রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) ঘোষণা অনুযায়ী যদি ভারতের হাতে একবার ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী চলে আসে, তাহলে একটিকে পাকাপাকিভাবে দক্ষিণ চিন সাগরে মোতায়েন করে রাখা সম্ভব হবে। 

    দুই জলসীমার সুরক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে

    তিনটে বিমানবাহী রণতরীর (Third Aircraft Carrier) দাবি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। বাহিনীর মতে, একসঙ্গে তিনটি এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার থাকলে, দেশের দুই জলসীমা — পূর্বে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে আরবসাগরে একইসঙ্গে দুটি মোতায়েন করে জলসীমাকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে। সেই সময় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনে তৃতীয়টিকে বসানো হলেও, সমস্যা হবে না। 

    কী মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা

    তবে বিশেষজ্ঞরা এও জানিয়েছেন, একসঙ্গে ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরীকে (Third Aircraft Carrier) মোতায়েন করতে হলে, প্রচুর সংখ্যক জাহাজ ও সহযোগী পরিকাঠামোরও প্রয়োজন। তাঁদের মতে, বিমানবাহী রণতরী হল ‘কোহিনূরে’র মতো। তারা কখনও একা যায় না। একটি বিমানবাহী রণতরীর সুরক্ষায় সর্বদা তাকে ঘিরে থাকে একাধিক ডেস্ট্রয়ার, ফ্রিগেট ও করভেট ও জ্বালানি সববরাহকারী ট্যাঙ্কার প্রভৃতি রণতরীর একটা টিম। জলের নীচে থাকে সাবমেরিন। আকাশে চক্কর কাটতে থাকে অ্যাওয়াক্স নজরদারি বিমান। এই সব মিলিয়ে তৈরি হয় একটি বিমানবাহী রণতরীর ‘ক্যারিয়ার ব্যাটল গ্রুপ’ (Carrier Battle Group)। এর জন্য প্রয়োজন বিশাল বিনিয়োগ ও পরিকাঠামো। রাজনাথের (Rajnath Singh) এই দাবিকে বাস্তব করতে হলে, নৌসেনা (Indian Navy) তথা প্রতিরক্ষা খাতে প্রচুর বিনিয়োগ ও বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে, বিশেষ করে মূলধন বরাদ্দ প্রভূত পরিমাণে বাড়াতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘‘নিজেরা আদালতে যায়, আবার আমাদের জ্ঞান দেয়’’, পশ্চিমী মিডিয়াকে তোপ বিদেশমন্ত্রীর

    S Jaishankar: ‘‘নিজেরা আদালতে যায়, আবার আমাদের জ্ঞান দেয়’’, পশ্চিমী মিডিয়াকে তোপ বিদেশমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলি ‘নেতিবাচক’ ভাবে খবর সম্প্রচার করছে। তা নিয়ে এবার তোপ দাগলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সব বিষয়ে পশ্চিমী দেশগুলির নাক গলানোকে কড়া ভাষায় নিন্দা করলেন বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। তাঁর কথায় যেসব দেশের ভোটের ফলাফল নির্ণয় হয় আদালতে, তাঁরা আবার আমাদের ‘জ্ঞান’ দেয়। বুধবার ভারতের নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমী দেশগুলির সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন জয়শঙ্কর। সবাই নেতিবাচক দৃষ্টিতে ভারতের রাজনীতিকে উপস্থাপিত করছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    কলকাতায় তাঁর লেখা ‘হোয়াই ভারত ম্যাটারস’ বইয়ের বাংলা সংস্করণ প্রকাশের জন্য শহরে এসেছিলেন বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। সেখানে আলাপচারিতার সময় দেশ ও বিদেশনীতি নিয়ে অনেক কথা বলেন জয়শঙ্কর। পশ্চিমী দেশগুলি ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে। সকলের উপর খবরদারি চালাচ্ছে। আর তাই ভারতের স্পর্ধা দেখে ওরা এখন আঁতকে উঠছে। তাঁর কথায়, “বিগত ৭০ থেকে ৮০ বছর এই পশ্চিমী দেশগুলি আমাদের ওপর প্রভাব খাটিয়ে এসেছে। তাই এখনও তারা সেটা করতে চাইছে। আমরা কীভাবে নির্বাচন করব? তা-ও ওরাই ঠিক করে দেবে?” প্রশ্ন বিদেশমন্ত্রীর।

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    পশ্চিমী ভাবনার সমালোচনা

    বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের (S Jaishankar) দাবি, পশ্চিমী দেশগুলি চায় যাতে একটি নির্দিষ্ট ক্লাসের মানুষজনই ভারতে শাসন করে। কিন্তু ভারতবাসীরা যখন নিজেদের মনের মতো ভোট দেয়, তারা সেটা মেনে নিতে পারে না।’ বিদেশি সংবাদপত্রগুলি কেন ভারতকে নিয়ে এত নেতিবাচক? এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “এরা এখন এমন এক ভারতকে দেখছে যা তাদের মনোভাবের বা ভাবনার সঙ্গে খাপ খায় না। তারা চায় নিজেদের মতো করে এখানে নীতি নির্ধারিত হোক। তাদের মতো করে মানুষ এখানে জীবন যাপন করুক। এটা যারা নিশ্চিত করবে, পশ্চিমীরা চায়, তারাই যেন ভারতে শাসন করে।” কানাডা ও আমেরিকার নাক গলানোর স্বভাবকে উল্লেখ না করেই জয়শঙ্কর বলেন, এটা ওদের পুরনো অভ্যাস। ওদের লক্ষ্য বিশ্বের দরবারে ভারতকে হেয় করা। ওরা যে একসময় দাদাগিরি চালাত তা ছাড়তে পারছে না। এইসব দেশই ভোটের ফলের জন্য আদালতে যায়। আর তারাই ভারতের গণতন্ত্র তুলে জ্ঞান দিতে চায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রীর হলফনামার তথ্য, কত সম্পত্তির মালিক নরেন্দ্র মোদি?

    PM Modi: প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রীর হলফনামার তথ্য, কত সম্পত্তির মালিক নরেন্দ্র মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বার বসেছেন মুখ্যমন্ত্রীর আসনে। দুই বারের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নামে নেই গাড়ি-বাড়ি। হাতে নগদ টাকা মাত্র ৫২ হাজার ৯২০ টাকা। সব মিলিয়ে মোট সম্পত্তি মাত্র ৩ কোটির টাকার কাছাকাছি। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সম্পত্তির হিসেব নিকেশ।

    প্রধানমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ

    হাতে নগদ টাকা – ৫২ হাজার ৯২০ টাকা।

    সঞ্চিত টাকার পরিমাণ

    ১. গুজরাতের গান্ধিনগরে স্টেট ব্যাঙ্কে – ৭৩ হাজার ৩০৪ টাকা।

    ২. উত্তরপ্রদেশের স্টেট ব্যাঙ্কের শিবাজী নগর শাখায় জমা রয়েছে মাত্র ৭ হাজার টাকা।

    ৩. স্টেট ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে ২ কোটি ৮৫ লক্ষ ৬০ হাজার ৩৩৮ টাকার।

    ৪. ন্যাশনাল সেভিং সার্টিফিকেটে রয়েছে ৯ লক্ষ ১২ হাজার ৩৯৮ টাকার।

    ৫. ৪টি সোনার আংটি রয়েছে। যার ওজন ৪৫ গ্রাম। আর্থিক মূল্য ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭৫০ টাকা।

    মোট সম্পদ– ৩ কোটি ২ লক্ষ ৬ হাজার ৮৮৯ টাকা।

    স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ

    ১.প্রধানমন্ত্রীর নামে নেই কোনও জমি।

    ২. প্রধানমন্ত্রীর নামে নেই কোনও বাড়ি-গাড়ি।

    কোনও ঋণ নেই নরেন্দ্র মোদির নামে

    কোনও ব্যাঙ্ক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বা ব্যক্তির কাছে ঋণ বা বকেয়া নেই নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নামে । বর্তমানে আয়ের উৎস হিসেবে PMO থেকে পাওয়া বেতন উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি। হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ। এবারও বারাণসী লোকসভা আসন থেকে তৃতীয় মেয়াদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোদি। ১৪ মে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সহ বেশ কয়েকজন এনডিএ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দেন তিনি। তার আগে কাল ভৈরব মন্দিরে প্রার্থনা এবং দশশ্বমেধ ঘাটে গঙ্গার তীরে আরতি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর পরনে ছিলেন নীল জ্যাকেট ও সাদা কুর্তা-পায়জামা।

    আগে কত সম্পত্তি ছিল প্রধানমন্ত্রীর 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সম্পত্তি সংক্রান্ত হলফনামার খবর ছড়িয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। নিন্দুকেরা বলছেন প্রধানমন্ত্রীর এতদিনে যা সম্পত্তি হয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি টাকা ইডি বা ইনকাম ট্যাক্সের হানায় বিভিন্ন রাজ্যের নেতাদের খাট কিংবা আলমারি থেকে বের হয়।

    আরও পড়ুন: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    প্রসঙ্গত ২০০৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় মোদি সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৪৩ লক্ষ টাকা ছিল। ২০১২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই সংখ্যা হল এক কোটি। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায়, মোদি মোট সম্পদের ছিল ১.৫ কোটি টাকার। ২০১৯ এর হলফনামায় বেড়ে হল ২.৫ কোটি টাকা। এবার মোট সম্পত্তির পরিমাণ হয়েছে ৩.২ কোটি টাকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International Family Day: আজ আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব 

    International Family Day: আজ আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফল্য হোক বা ব্য়র্থতা, সুখ বা দুঃখ, যাঁদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয় তাঁরাই পরিবার। সমাজ তৈরির সবচেয়ে ক্ষুদ্র ইউনিট বা এককও বলা যায় পরিবারকে। এই পরিবারের গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর ১৫ মে তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস (International Family Day 2024) পালন করা হয়। ১৯৯৩ সালে প্রথম জাতিসংঘ এই দিবস ঘোষণা করে। মূলত প্রতিবছর জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক শান্তি সংঘ বিশ্ব পরিবার দিবসের সমস্ত আয়োজন করে আসছে। 

    এই দিনের ইতিহাস

    ১৯৮০-দশক থেকে পরিবারের উপর নজর দিতে শুরু করে ইউনাইটেড নেশনস (United Nations)। পরিবারের ভাল-মন্দ, পরিবারের বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার দিকে নজর দিতে শুরু করে ইউনাইটেড নেশনস। ১৯৯৩ সালে দুনিয়াজুড়ে পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে ও পরিবারের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ১৫ মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালনের ঘোষণা করে জাতিসংঘ। এই বিশেষ দিন পালনের পিছনে রয়েছে একটি মূল কারণ। তা হল, সমাজের উন্নয়নের জন্য প্রথমে দরকার একটি সুষ্ঠু পরিবার। ছোট-বড় সকল সদস্যের নিরাপদ ও নিশ্চিত জায়গা হল পরিবার। পরিবারের পারস্পরিক সম্পর্কগুলি ও ঐতিহ্য যাতে অটুট থাকে, আর্থ-সামাজিক সমস্যাগুলি যাতে পরিবারগুলি কাটিয়ে উঠতে পারে, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দারিদ্র্য, পরিবারের কাজের সামঞ্জস্য বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস।

    আরও পড়ুন: ফের চন্দ্রাভিযান ভারতের! এবার কোথায় অবতরণ করবে মহাকাশযান?

    এই বছরের থিম

    বিশ্বের সব পরিবারই নানান সমস্যার সম্মুখীন হয়। আর সেই সমস্যাগুলির সমাধান করা, সব বিপদের মোকাবিলা করার জন্যই এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবসের (International Family Day 2024) থিম হল পরিবার এবং জলবায়ু পরিবতর্ন (Families and Climate Change)। পরিবারের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং জলবায়ুর স্বাভাবিকতা ধরে রাখতে পরিবারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরতেই এমন ভাবনা। এই দিনটিতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ইভেন্ট, সেমিনার, প্রদর্শনী, জনসভা, ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তবে করোনাকালে এইসব ইভেন্ট করা সম্ভব নয়। তাই ভার্চুয়ালি ইভেন্ট করার আয়োজন করা হয়েছে। এদিন বিশ্বের সব পরিবারের সুরক্ষা ও সহায়তা সম্পর্কে জোর দেওয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    Supreme Court: মোদির বিরুদ্ধে আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগের পরামর্শ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘৃণাভাষণের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আর্জি খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। চলতি লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে মোদি- সহ বিজেপি নেতারা বিদ্বেষমূলক ভাষণ দিচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে ৷ মঙ্গলবার বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ এই মামলা খারিজ করে  আবেদনকারীকে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের’ অর্থাৎ প্রথমে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    এদিন আবেদনকারীদের আইনজীবী আনন্দ এস জোন্ধালে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) অভিযোগ করেন, ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন লঙ্ঘন করে লোকসভা ভোটের প্রচারে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের কথা বলছেন মোদী। যা আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। শাস্তি হিসাবে ছ’বছরের জন্য মোদীর ভোটে লড়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করারও আবেদন জানান আইনজীবী জোন্ধালে। জবাবে দুই বিচারপতির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, ‘‘আপনি কি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন? এই আবেদন জানানোর আগে আপনাকে প্রথমে কর্তৃপক্ষের কাছে যেতে হবে। এর পরেই আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয় বিচারপতি নাথ এবং বিচারপতি শর্মার বেঞ্চ।

    আরও পড়ুুন: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    ড. ইমানি অনন্ত সত্যনারায়ণ শর্মা ও অন্যদের দায়ের করা আর একটি মামলারও এদিন শুনানি হয়। সেখানেও সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দুই বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ জানিয়ে দেয় যে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত কোনও বিষয়ে তারা নির্দেশিকা জারি করবে না ৷ আবেদনকারীদের আইনজীবী সঞ্জয় হেগড়ে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে নির্বাচন কমিশন নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে না ৷ তার পরও সুপ্রিম কোর্ট কোনও নির্দেশিকা এই নিয়ে জারি করতে রাজি হয়নি ৷ বিজেপির সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের দুটি পোস্টকে উল্লেখ করেই এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Railway Project: বছর পেরোলেই ট্রেনে চেপে সোজা সিকিম! রেলপথ শেষের পথে

    Sikkim Railway Project: বছর পেরোলেই ট্রেনে চেপে সোজা সিকিম! রেলপথ শেষের পথে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ জলপাইগুড়ি কিংবা শিলিগুড়ি নেমে গাড়ি করে সিকিম (Sikkim) যাওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। বছর পার হলেই সরাসরি ট্রেনে পৌঁছে যেতে পারবেন সিকিম। রেলপথ নির্মাণের প্রায় ৯৩ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেবক রংপো রেল (Sikkim Railway Project) প্রজেক্ট শেষ হয়ে গেলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সেনাও পাবে বাড়তি কৌশলগত সুবিধা।  

    চারটি টানেল নির্মাণের কাজ শেষ

    নর্থ ইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে জানিয়েছেন, “টানেল, ব্রিজ ও স্টেশন তৈরির কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এগোচ্ছে। শেষ সপ্তাহেই একটি টানেল নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চার নম্বর টানেল নির্মাণ করতে গিয়ে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এই সুড়ঙ্গ পথ ৩৯৮৪ মিটার লম্বা। দার্জিলিংয়ের হনুমান ঝোরা দিয়ে যাবে এই সুরঙ্গ রেলপথ (Sikkim Railway Project)। প্রত্যেকটি টানেল নয়া অস্ট্রেলিয়ান মেথড ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে। হিমালয়ের কঠিন ভূতাত্বিক এবং কম্পনযুক্ত এলাকার মধ্যে দিয়ে নির্মিত হয়েছে এই চতুর্থ টানেল।

    পূর্বের রাজ্যগুলিও যুক্ত হবে ট্রেনলাইনে

    সিকিমকে রেলপথের সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে চিনের সঙ্গে সামরিক দিক থেকে বাড়তি কৌশলগত সুবিধা পাবে ভারত। পূর্বের সেভেন সিস্টার্স (Seven Sisters State) রাজ্যগুলিকেও রেলপথের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে মোদি সরকার। তারই অঙ্গ হিসেবে প্রথমে সিকিম রংপো রেল প্রজেক্ট চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত ৩৮ কিলোমিটার লম্বা রেলপথে ৫ কিলোমিটার ৩০০ মিটার টানেলটি সবচেয়ে লম্বা। পর্যটকদের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরাও এই রেলপথের অপেক্ষায় রয়েছেন।

    সিকিমে পৌঁছবে বন্দে ভারত

    রেল সূত্রে খবর এই পথে সাধারণ এক্সপ্রেস ট্রেনের পাশাপাশি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চালানোর পরিকল্পনাও রয়েছে রেল দফতরের। চিন সীমান্তের (Indo-China Border) খুব কাছাকাছি ট্রেন লাইন তৈরি হয়ে গেলে সেনাবাহিনীও পাবে বাড়তি সুবিধা। কারণ নাথুলা পাস পর্যন্ত ভারতীয় রেলপথ সম্প্রসারিত হয়ে গেলে সীমান্তে চিনের (LAC) সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতিতে বিমানের উপর নির্ভরশীল থাকবে না ভারতীয় সেনা।

    আরও পড়ুন: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    সিকিম-রংপো রেলপথ চালু হয়ে গেলে ভারতের চিকেন নেক হয়ে উঠবে আরও শক্তিশালী। ২০২৫ সালের আগস্ট মাসের মধ্যেই এই রেলপথে (Sikkim Railway Project) ট্রেন চলবে এমনটাই আশা করা হচ্ছে রেল দফতরের তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মোদির প্রস্তাবক কারা ছিলেন, জানেন?

    PM Modi: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মোদির প্রস্তাবক কারা ছিলেন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিজেপির প্রার্থী তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বারাণসী লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী তিনি। প্রস্তাবক হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ওবিসি সম্প্রদায়ের দু’জন, একজন দলিত এবং একজন ব্রাহ্মণ। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় প্রস্তাবক হিসেবে কারা থাকবেন, তা ঠিক হয়েছিল ১৫ দিন আগেই। ৫০ জনের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয় ওই চারজনকে।

    মোদির চার প্রস্তাবক (PM Modi)

    তবে সেটাও সহজে হয়নি। প্রথমে ৫০ জনের মধ্যে থেকে ১৮ জনকে বেছে নেন প্রধানমন্ত্রীর সেনাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনশাল। সেখান থেকে বেছে নেওয়া হয় চারজনকে। এঁরা হলেন গণেশ্বর শাস্ত্রী (ব্রাহ্মণ), বৈজনাথ প্যাটেল (জনসংঘের সময় থেকে দলের বিশ্বস্ত কর্মী) ও লালচাঁদ কুশওহা (দুজনেই ওবিসি সম্প্রদায়ের) এবং সঞ্জয় সোনকর (দলিত)। অযোধ্যার রাম মন্দিরে কোন শুভ মুহূর্তে বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে, তা ঠিক করেছিলেন এই গণেশ্বরই।

    মোদির পুজো-প্রার্থনা

    জানা গিয়েছে, ১৮ জনের মধ্যে থেকে এই চারজনকে বেছে নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং। এদিন তিনি যখন মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান, এই চারজন ছাড়াও তাঁর সঙ্গে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং বিজেপির কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্ব। মনোনয়নপত্র পেশের আগে প্রধানমন্ত্রী ঘুরে দেখেন দশাশ্বমেধ ঘাট। সেখানে মা গঙ্গার কাছে প্রার্থনা করেন তিনি। পরে দর্শন করে কালভৈবর মন্দিরও। সেখানে পুজোও দেন।

    দেশে চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন। ভোটগ্রহণ হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে চতুর্থ দফার নির্বাচন। বাকি এখনও তিন দফার ভোট। বারাণসীতে নির্বাচন হবে ১ জুন, শেষ দফায়। এই বারাণসী কেন্দ্রেই আগের দু’বার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবারও তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসের অজয় রাই।

    আরও পড়ুুন: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়ন উপলক্ষে সারা শহর জুড়ে ছিল সাজ সাজ রব। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, মা গঙ্গা তাঁকে শহরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বারাণসীর বাসিন্দারা তাঁকে বানারসিয়া (বারাণসীর বাসিন্দা) বানিয়ে নিয়েছেন। এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে রোড-শো-ও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 4: ফের চন্দ্রাভিযান ভারতের! এবার কোথায় অবতরণ করবে মহাকাশযান?

    Chandrayaan 4: ফের চন্দ্রাভিযান ভারতের! এবার কোথায় অবতরণ করবে মহাকাশযান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর এবার চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4) এর পথচলা শুরু। ইসরোর এ যাবৎ কালের এটি সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প। চন্দ্রযান ৩ ঠিক যে জায়গায় অবতরণ করেছিল সেই শিবশক্তি পয়েন্টের কাছেই অবতরণ করবে চন্দ্রযান ৪।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতেই (Chandrayaan 4) অভিযান

    জানা গিয়েছে চন্দ্রযান ৪ অভিযানে ল্যান্ডার মডিউল, অ্যাসেন্ডার মডিউল ও দুটি উৎক্ষেপণ যান থাকবে। নমুনা সংগ্রহ করতে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করবে চন্দ্রযান ৪। সেখান থেকে পাথর এবং চাঁদের মাটির নমুনা সংগ্রহ করবে চন্দ্রযান-৪এর রোভার। চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফেরত নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এবং তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবেন বিজ্ঞানীরা। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে যে নমুনা সংগ্রহ করা হবে তাতে জলের অণু আছে কি না, তাতে কী কী খনিজ রয়েছে, এছাড়াও চন্দ্রপৃষ্ঠের মাটির পারমাণবিক গঠন এবং ভবিষ্যতে চাঁদে উপনিবেশ গড়ে তোলা যায় কী না, সেসব দিকগুলি খতিয়ে দেখা হবে। এই অভিযানে চাঁদের মাটিতে ৩৫০ কেজি ওজনের একটি অত্যাধুনিক রোভার নামাবে ইসরো। যা অল্প সময়ের মধ্যে অনেকটা দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম হবে। এখনও পর্যন্ত চাঁদের বৃহৎ আকারের গহ্বরে নামেনি কোন দেশের রোভার। চন্দ্রযান-৪’এর রোভারকে দক্ষিণ মেরুর গহ্বরে নামিয়ে তার উপরিভাগে অনুসন্ধান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে ইসরোর ।

    চন্দ্রপৃষ্ঠের নমুনা সংগ্রহ করবে রোভার

    প্রসঙ্গত প্রত্যাশিত সাফল্য পেয়েছিল চন্দ্রযান ৩। এই অভিযানের সাফল্যকে কুর্নিশ জানিয়েছে সারা বিশ্ব। রাশিয়া কিংবা আমেরিকার তুলনায় অনেক কম খরচে ইসরোর অভিযানে নয়া দিশা দেখিয়েছে সারা বিশ্বকে। এবার শুরু হয়েছে চতুর্থ চন্দ্রাভিযানের প্রস্তুতি। ইসরো জানিয়েছে চন্দ্রযান ৩ ঠিক যে জায়গায় অবতরণ করেছিল সেই শিবশক্তির পয়েন্টের কাছাকাছি অবতরণ করবে চন্দ্রযান ৪’-এর (Chandrayaan 4) ল্যান্ডার। এক চন্দ্র দিবস চন্দ্রপৃষ্ঠে অনুসন্ধান চালাবে ওই রোভার।

    আরও পড়ুন: নতুন মাইলফলক ইসরোর, দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি তরল রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা

    অর্থাৎ পৃথিবীর হিসেবে ১৪ দিন কাজ করবে সেই রোভার। ইসরোর এই অভিযান ঘিরে প্রত্যাশার পারদ বাড়তে শুরু করেছে। চন্দ্রযান ৩’-এর রোভার মোট ১৪ দিনের জন্য কাজ করলেও তাঁকে ফের ঘুম থেকে জাগানোর চেষ্টা হয়েছিল। এবার চেষ্টা হচ্ছে যাতে ১৪ দিনের টাইমলাইনের বেশি যেন চন্দ্রজান-৪’এর রোভার কাজ করতে পারে। ইতিমধ্যেই সেই ভাবনা চিন্তা শুরু করে দিয়েছে ইসরো। চন্দ্রযান ৩ চাঁদের বুকে যে কাজ শুরু করেছিল সেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাবে চন্দ্রযান ৪। চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে মাটি নমুনা সংগ্রহ করতে পারলে চন্দ্রপৃষ্ঠের নমুনা সংগ্রহকারী হিসেবে চতুর্থ দেশ হয়ে উঠবে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pepsico India: পাম অয়েল ছেড়ে এবার সূর্যমুখীর তেল! লে’স নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত পেপসিকোর

    Pepsico India: পাম অয়েল ছেড়ে এবার সূর্যমুখীর তেল! লে’স নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত পেপসিকোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিপস মানেই লোভনীয় চটপটা খাবার। যে খাবার কেউ অফার করলে চোট করে না বলা যায় না। একেবারে ৮ থেকে ৮০ সকলেরই প্রিয় চিপস। আর সেই চিপসের প্রথম শাড়িতেই রয়েছে লে’স। তবে যে খাবার আমরা সকলেই এত ভালোবেসে খাই সেই খাবারটি কি আদেও আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য স্বাস্থ্যকর? বর্তমানে সারা বিশ্বে আলোচনা চলছে কোন খাবারের প্রভাব স্বাস্থ্যের উপর কেমন পড়তে পারে তা নিয়ে। আর সেই খাবারের তালিকাতেই প্রথমের শাড়িতে রয়েছে লে’স। যা নিয়ে গভীর দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন অনেকেই। তবে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবার এরই মধ্যে লে’স নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কোম্পানি। এবার থেকে লেইস প্রস্তুতকারক সংস্থা পেপসিকো (Pepsico India) লে’স তৈরি করতে পাম তেলের পরিবর্তে সানফ্লাওয়ার অয়েল ব্যবহার করতে শুরু করেছে। 

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (Pepsico India) 

    আসল বিষয় হল, পাম তেলের দাম কম থাকার কারণে এই তেল খাবার প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে পাম অয়েল দামে সস্তা হলেও তা স্বাস্থ্যের দিক থেকে কতটা নিরাপদ, সে বিষয়ে উদ্বিগ্ন অনেকেই। আর সেই কারণেই এই পদক্ষেপ বলে অনুমান। জানা গিয়েছে, এবার সানফ্লাওয়ার তেল দিয়ে চিপস তৈরির প্রক্রিয়ায় ট্রায়াল শুরু করেছে পেপসিকো। 

    আরও পড়ুন: কলা গাছের ছালের সুতোয় তৈরি চট, গামছাসহ আস্ত জ্যাকেট, বালুরঘাটের শিল্পীর কামাল

    শুধুমাত্র ভারতের ক্ষেত্রেই পাম তেলের ব্যবহার 

    আমেরিকায় যেখানে পেপসিকোর (Pepsico India) হেডকোয়ার্টার রয়েছে, সেখানে এই চিপসের সবচেয়ে বড় বাজার। আর সেখানে এই চিপস ‘হার্ট সুরক্ষিত রাখে’ এমন তেল দিয়ে তৈরি হয়। এই তেলের তালিকায় সানফ্লাওয়ার অয়েল, কর্ন, ক্যানোলা রয়েছে। কিন্তু পেপসিকো ভারতে তাদের জিনিসগুলোতে পামোলিন এবং পাম তেলের মিশ্রণ ব্যবহার করত। তবে এখন থেকে কোম্পানিটি পামোলিনের সঙ্গে সানফ্লাওয়ার অয়েলের ব্যবহার শুরু করবে। এ প্রসঙ্গে পেপসিকো ইন্ডিয়ার (Pepsico India) মুখপাত্র জানান, সানফ্লাওয়ার অয়েল বা সূর্যমুখীর তেল দিয়ে চিপস তৈরির ট্রায়াল গত বছরই শুরু হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chabahar Port Agreement: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    Chabahar Port Agreement: “চাবাহার বন্দর চুক্তিতে খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ মে, সোমবার ভারত স্বাক্ষর করেছে ঐতিহাসিক চাবাহার বন্দর চুক্তিতে (Chabahar Port Agreement)। ইরানে গিয়ে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ভারতের জাহাজ ও জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। তার পরে পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে ভারতের এই চুক্তিতে মধ্য এশিয়ায় ভারতের জন্য খুলে গেল বিনিয়োগের বৃহত্তর দ্বার।

    কী বললেন জয়শঙ্কর (Chabahar Port Agreement)

    সংবাদ মাধ্যমে এক সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “চাবাহার বন্দর চুক্তি নিয়ে আজ আমার কথা হয়েছে সতীর্থ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের সঙ্গে। চুক্তি স্বাক্ষর করতে তিনি গিয়েছেন ইরানে। এটা আশা করা হচ্ছে যে ভারত ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি (দশ বছরের জন্য) এই চুক্তি আজই স্বাক্ষরিত হবে। অ্যাড হক অ্যারেঞ্জমেন্টসের ভিত্তিতে এই চুক্তি হচ্ছে। এতে ভারতের দিক থেকে কোনও সমস্যা নেই। যদিও ইরানের তরফে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে (এর আগেই অবশ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে গিয়েছে)।” তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, যখন (Chabahar Port Agreement) এই দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে যাবে, তখন এই বন্দরে বৃহত্তর বিনিয়োগের দ্বার খুলে যাবে। বন্দরটির এখনও সেভাবে নামডাক হয়নি। কারণ দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি না হলে বন্দরে মোটা অঙ্কের টাকা লগ্নি করা খুব কঠিন। এখন যখন দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি হচ্ছে, তখন অবশ্যই ওই বন্দরে আমরা মোটা অঙ্কের টাকা লগ্নি করব।”

    ইন্ডিয়া-মিডল-ইস্ট ইউরোপ ইকনমিক করিডর

    বিদেশমন্ত্রী এদিন ইন্ডিয়া-মিডল-ইস্ট ইউরোপ ইকনমিক করিডর চুক্তির প্রসঙ্গ তোলেন। গত বছর জি২০ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল ভারত। সেখানেই এই চুক্তি হয়। জয়শঙ্কর জনান, চাবাহার বন্দর ভারতকে জুড়ে দেবে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের সঙ্গে। তিনি বলেন, “এই বন্দরের মাধ্যমে অনেকগুলি কানেকটিভিটি লিঙ্কেজ তৈরি হবে। আজ আমরা বিশ্বাস করি, এই অংশের কানেকটিভিটি একটা বড় ইস্যু। ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর, যেটা করা হয়েছিল ইরান-রাশিয়ার সঙ্গে, এর সঙ্গে আমাদের যুক্ত করবে চাবাহার। মধ্য এশিয়াকেও যুক্ত করবে এই বন্দর।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটা আলাদা করিডর আছে, আইএমইইসি করিডর সৌদি আরবের মধ্যে দিয়ে। তাই আমি মনে করি, চুক্তি (চাবাহার চুক্তি) নিয়ে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত আমায় অপেক্ষা করতে হবে। আপনারা জানেন, না আঁচালে বিশ্বাস নেই।” প্রসঙ্গত, চাবাহার বন্দর চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে এদিনই ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের বিশেষ বিমানে ইরানে উড়ে গিয়েছিলেন জাহাজ ও জলপথমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

    চাবাহার বন্দর

    ইরানের এই চাবাহার বন্দর রয়েছে ওমান উপসাগরের মুখে। এর আগে প্রতি বছরের জন্য চুক্তি পুনর্নবীকরণ করা হলেও, এবার টানা দশ বছরের জন্য চুক্তি হয়েছে। অবস্থানগতভাবে ভারতের কাছে এই বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। পাকিস্তানের করাচির পাশাপাশি গদর বন্দরকে বাইপাশ করেই ইরানের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্য এশিয়ায় বাণিজ্য করতে পারবে ভারত। ব্যবসায়িক যোগাযোগের একটি নয়া রাস্তাও খুলে দেবে এই বন্দর। সংবেদনশীল এবং ব্যস্ত পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর বিকল্প ব্যবসায়িক রুট হিসেবেও কাজ করবে এই বন্দর (Chabahar Port Agreement)। বিভিন্ন বন্দরের রাশ হাতে নেওয়ার খেলায় মেতেছে চিন। এভাবে বিভিন্ন দেশে মাতব্বরি করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছে না বেজিং। চিনকে টেক্কা দিতে কোমর কষে নেমে পড়েছে ভারতও। ইতিমধ্যেই মায়ানমারের সিট্টে বন্দরের রাশ হাতে নিয়েছে ভারত। গত বছর মে মাসে মায়ানমারের ওই বন্দরের রাশ হাতে নিয়েছিল নয়াদিল্লি। সেই বন্দরের উদ্বোধনও করেছিলেন সোনোয়াল। এবার ভারত নিল চাবাহার বন্দরের রশিও।

    আরও পড়ুুন: শ্রীনগরে পড়ল রেকর্ড ভোট, কী প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর?

    চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব

    ভারত ও ইরান দুই দেশের কাছেই চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। এই বন্দর-চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারতের সঙ্গে ইরান, আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার যোগাযোগের রুট হল সংক্ষিপ্ততর। চাবাহার বন্দরকে ট্রানজিট হাব বানাতে চাইছে ভারত। এর মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের মাধ্যমে কমনওয়েল্থ অফ ইন্ডিপেনডেন্ট স্টেটসের দেশগুলিতে অনায়াসে পৌঁছতে পারবে ভারত। ভারতের সঙ্গে মধ্য এশিয়ার কার্গো যোগাযোগের জেরে মজবুত হবে ভারতের অর্থনীতির ভিত। সেক্ষেত্রে এই অঞ্চলে চাবাহার বন্দর পরিণত হবে এই অঞ্চলের কমার্সিয়াল ট্রানজিট সেন্টারে। আইএনএসটিসি একটি মাল্টি টান্সপোর্টেশন রুট। এটি কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যে দিয়ে ভারত মহাসাগর ও পারস্য উপসাগরে সংযোগকারী পরিবহণ রুট হিসেবে কাজ করে। ইরান এবং ভায়া রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ হয়ে ইউরোপের উত্তরাংশের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ করে সুগম। মুম্বই থেকে সমুদ্র পথে শাহিদ বেহেস্তি বন্দর-চাবাহার, চাবাহার থেকে স্থলপথে কাস্পিয়ান সাগরে থাকা ইরানের আর এক বন্দর বন্দের-ই-আনজালি এবং সেখান থেকে কাস্পিয়ান সাগর হয়ে রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগও অনায়াস হবে চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে (Chabahar Port Agreement)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share