Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Maoist Killed in Maharastra: মহারাষ্ট্রে মাও ডেরায় হানা বাহিনীর, খতম তিন মাও জঙ্গি

    Maoist Killed in Maharastra: মহারাষ্ট্রে মাও ডেরায় হানা বাহিনীর, খতম তিন মাও জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার মহারাষ্ট্রের গঢ়চিরৌলি এলাকায় বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের (Maoist Killed in Maharastra) গুলি বিনিময়ে তিন মাওবাদীর মৃত্যু হল। মৃতদের মধ্যে রয়েছে দুজন মহিলা ও একজন পুরুষ। এই অপারেশন চালিয়েছে গঢ়চিরৌলি পুলিশের স্পেশালাইজড কমব্যাট উইঙ্গের সি-৬০ (C-60) কমান্ডো। ঘটনাস্থল থেকে একে-৪৭, একটি কারবাইন, একটি ইনসাস রাইফেল এবং মাওবাদী পাঠ্যপুস্তক পাওয়া গেছে।

    নিহত মাওবাদীরা পেরিমিলি দলমের সদস্য

    মহারাষ্ট্র (Maharashtra Police) পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের কাছে গোপন সূত্রে খবর ছিল বেশ কিছু পেরিমিলি দলমের মাওবাদী জঙ্গি নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালাবার জন্য ধামরাগড় এলাকার কাটারাঙটা গ্রামের পাশের ঘন জঙ্গলে লুকিয়ে আছে। এরপরই সার্চ অপারেশনের জন্য সি-৬০ কমান্ডো বাহিনীকে সেখানে পাঠানো হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর কমান্ডো বাহিনী পৌঁছানো মাত্র গুলিবর্ষণ শুরু করে দেয় মাওবাদীরা। এরপরই পাল্টা কমান্ডো বাহিনী গুলি চালাতে শুরু করে। বাহিনীর সঙ্গে গুলিবিনিময়ে এক পুরুষ এবং দুই মহিলা মাওবাদী (Maoist Killed in Maharastra) মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যেই তাদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে যে পুরুষ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁকে পেরিমিলি দলমের কমান্ডার বাসু নামে চিহ্নিত করা গেছে।

    আরও পড়ুন: ভারতে অশান্তি পাকাতে চাইছে পাঁচ খালিস্তানপন্থী জঙ্গি, কঠোর ব্যবস্থার পথে এনআইএ

    এক বছরেই শতাধিক মাওবাদী খতম 

    গত সপ্তাহেই ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় মাওবাদীদের বিরুদ্ধে একটি অভিযানে ১২ জন মাওবাদী নিহত (Maoist Killed in Maharastra) হয়েছিল। অভিযানে যারা মারা গিয়েছিল তাদের সকলের মোট মাথার দাম ছিল ৩১ লক্ষ টাকা। ১ সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই এবার মহারাষ্ট্রে অভিযান চালাল সুরক্ষা বাহিনী। যদিও চলতি বছরের মার্চ মাসেই এই এলাকাতেই বাহিনীর সঙ্গে গুলি বিনিময়ে চারজন মাওবাদী মারা যায় যাদের মাথায় মোট ৩৬ লক্ষ টাকার পুরস্কার রাশি ঘোষণা করা হয়েছিল। সোমবার অভিযান চলাকালীন বেশকিছু সন্দেহভাজন মাওবাদীদেরও আটক করেছে পুলিশ। চলতি বছরের মার্চ মাসে গঢ়চিরৌলি (Gadhchirouli) সীমানার জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে চার জন মাওবাদী কমান্ডারকে মেরেছিল ছত্তীসগঢ় পুলিশ (Chattishgarh Police) এবং সিআরপিএফের (CRPF) যৌথবাহিনী। এর পর এপ্রিলে প্রথম দফার ভোটের আগে কাঁকেরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২৯ জন মাওবাদী গেরিলার মৃত্যু হয়েছিল

  • NIA: ভারতে অশান্তি পাকাতে চাইছে পাঁচ খালিস্তানপন্থী জঙ্গি, কঠোর ব্যবস্থার পথে এনআইএ

    NIA: ভারতে অশান্তি পাকাতে চাইছে পাঁচ খালিস্তানপন্থী জঙ্গি, কঠোর ব্যবস্থার পথে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী পাঁচ জঙ্গির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে চলেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। এদের প্রত্যেকেরই যোগ রয়েছে খালিস্তান টাইগার ফোর্সের সঙ্গে। খালিস্তান টাইগার ফোর্স নিষিদ্ধ সংগঠন। জানা গিয়েছে, এই পাঁচ জঙ্গি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তান থেকে চালাচ্ছে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ। এই পাঁচ জঙ্গিকে চিহ্নিতও করেছে এনআইএ। এরা হল বলজিৎ সিং ওরফে বলজিৎ মউর, গুজরান্ত সিং, প্রিন্স চৌহান, আমন পুরেওয়াল এবং বিলাল মানসের। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশেই শুরু হয়েছে নতুন করে তদন্ত।

    পাঁচ জঙ্গির ষড়যন্ত্র (NIA)

    সম্প্রতি এনআইএ (NIA) জানতে পেরেছে ভারতে অশান্তির সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে এই পাঁচ জঙ্গি। এনআইএ তদন্তের লক্ষ্যই হল, বিদেশের মাটিতে বসে এই জঙ্গিরা যে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের ছক কষছে, তা দুরমুশ করে দেওয়া। এই পাঁচ জঙ্গি সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত। এর পাশাপাশি অস্ত্র সংগ্রহ, মাদক পাচার, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাতে যে অর্থের প্রয়োজন, সেই অর্থ সংগ্রহ, ভারত বিরোধী কার্যকলাপে যুবকদের উদ্বুদ্ধ করা, তাদের জঙ্গি দলে নিয়োগ করা, হাওয়ালার মাধ্যমে লেনদেন-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে এদের বিরুদ্ধে। আমেরিকা ও কানাডার মাটিতে বসে খালিস্তানি টাইগার ফোর্সের যে জঙ্গিরা ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছে, তা বন্ধ করাই এনআইএর এই অপারেশনের উদ্দেশ্য।

    সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিদেশে আশ্রয় নেওয়া এই জঙ্গিদের সঙ্গে বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে। ভারতের নিরাপত্তার পক্ষে এই জঙ্গিরা ক্রমেই হয়ে উঠছে বিপজ্জনক। তদন্ত চালাতে গিয়ে এনআইএ দেখেছে, পাঞ্জাবের জেলে বন্দি খালিস্তানপন্থীদের কাছ থেকে মদত পাচ্ছে বিদেশে আশ্রয় নেওয়া ওই পাঁচ জঙ্গি। কমলজিৎ শর্মা নামে এক জঙ্গিকে এনিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে এনআইএ। তাকেই মূল চক্রী বলে ঠাউরেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, খালিস্তান টাইগার ফোর্সের সঙ্গে কোঅর্ডিনেট করছে ভারতের জেলে বন্দি এই জঙ্গিরা।

    আরও পড়ুুন: দল লড়ছে মাত্র ১৭টি আসনে, কেজরিওয়াল দেশবাসীকে দিচ্ছেন ফ্রি বিদ্যুতের ‘গ্যারান্টি’!

    তদন্তে জানা গিয়েছে, জেলবন্দি এই সন্ত্রাসবাদীরা খালিস্তানি আন্দোলনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। এজন্য অপরাধমূলক নানা কাজকর্ম করে তারা। সংগৃহীত অর্থ লেনদেন হয় হাওয়ালার মাধ্যমে। বিদেশে বসে সেই টাকায় অস্ত্রশস্ত্র কিনে ভায়া পাকিস্তান পাঠানো হয় ভারতে (NIA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে মামলা খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    Delhi High Court: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে মামলা খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আচরণ বিধিভঙ্গ করে ধর্মীয় ভেদাভেদ সৃষ্টিকারী ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  (PM Narendra Modi)। এই অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর  বিরুদ্ধে দাখিল হওয়া মামলা সোমবার খারিজ করল দিল্লি হাইকোর্টে (Delhi High Court)। ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে এই মামলা করা হয়েছে। এমনই অভিমত দিল্লি হাইকোর্টের। মামলায় কোনও সারবস্তুই নেই, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং ভুল ধারণার উপর ভিত্তি করে এই মামলা দাখিল হয়। তাই মামলা খারিজ করা হল বলে দিলেন বিচারপতি সচিন দত্ত।

    কী বলল আদালত

    ধর্মের নামে ভোট চাওয়া এবং নানা ভাবে অন্য ধর্মকে নিয়ে ঘৃণা ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে মোদিকে ৬ বছর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বিরত করার আর্জিতে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন আইনজীবী আনন্দ এস জোন্ধলে। সোমবার সেই মামলাই খারিজ করে দেয় উচ্চ আদালত। এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও একই আর্জি জানিয়েছেন মামলাকারী। এ প্রসঙ্গে আদালতের বক্তব্য, কমিশন কী করবে, আদালত (Delhi High Court) তা নিয়ে নির্দেশ দিতে পারে না। কমিশন স্বাধীন, কমিশনই আইন অনুযায়ী যা করার করবে।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    কেন মামলা

    মামলাকারী আইনজীবী আনন্দ এস জোন্ধলে মনে করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) মন্তব্যে নির্বাচনী মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘিত হয়েছে। সেটা বিবেচনা করার এক্তিয়ার নির্বাচন কমিশনের। উল্লেখ্য, গত মাসে রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ছাড়াও বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডার ট্যুইট ও ভাষণ এবং অনুরাগ ঠাকুরের ভাষণের কথাও মামলায় উল্লেখ করা হয়। মামলাকারী সহ বহু মানুষ এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করা সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয় মামলাতে। এদিন সেই সব অভিযোগই খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chabahar Port: চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সই ভারত-ইরানের, জানুন বিশদে

    Chabahar Port: চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সই ভারত-ইরানের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর চাবাহার (Chabahar Port) পরিচালনার জন্য আজ, সোমবার চুক্তি স্বাক্ষরিত হল ভারত ও ইরানের মধ্যে। চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে ইরানে গিয়েছিলেন জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। চুক্তি হল দশ বছরের জন্য। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ায় আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া ও ইউরেশিয়ান সীমান্তের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ সুগম হল। 

    নয়া চুক্তি কীভাবে আলাদা? (Chabahar Port)

    ২০১৬ সালে যে চুক্তি হয়েছিল, তাতে কেবল চাবাহার বন্দরের শাহিদ বেহেসিট টার্মিনালের অপারেশন করতে পারত ভারত। চুক্তি পুনর্নবীকরণ করতে হত ফি বছর। নয়া চুক্তি হল আপাতত ১০ বছরের জন্য। চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারত এবার পুরো বন্দরের দায়িত্ব পেল। কারণ বন্দর বাড়াতেও অর্থ সাহায্য করেছে ভারত।

    বন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ কেন?

    ভারতের জাহাজমন্ত্রীর ইরান সফর এবং এই চুক্তির একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ চুক্তিটি সম্পাদিত হল এমন একটা সময়, যখন ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এই প্রথম ওভারসিজ একটি বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব নিল ভারত (Chabahar Port)।

    ভারত কীভাবে উপকৃত হবে?

    চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারত বন্দরটি পরিচালনা করতে পারবে। শুধু তাই নয়, এই বন্দরটিকে ভারত যুক্ত করতে পারবে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের সঙ্গে। যার জেরে পাকিস্তানকে এড়িয়েই আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার সঙ্গে অনায়াস হবে ভারতের যোগাযোগ। যেহেতু স্থলপথে আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের পথে প্রধান অন্তরায় পাকিস্তান, তাই এই চুক্তি ভারতের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    কেন চাবাহার বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

    ভারত ও ইরান দুই দেশের কাছেই চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। ভারত এই বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ায় একদিকে যেমন পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ব্যবসা করতে পারবে ইরান, তেমনি অন্যদিকে পাকিস্তানকে এড়িয়ে একটা বাইপাস রুটও তৈরি হল। পাকিস্তানের গ্বদর বন্দর এবং চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের কাউন্টার ব্যালেন্স হিসেবে কাজ করবে চাবাহার বন্দর (Chabahar Port)।

    চাবাহার বন্দরের তাৎপর্য

    চাবাহার ইরানের প্রথম ডিপওয়াটার বন্দর। ওমান উপসাগরের মুখেই রয়েছে বন্দরটি। এর অবস্থান সিস্টান-বালুচিস্তান প্রভিন্সে। পাকিস্তানের গ্বদর বন্দরের উন্নয়ন করছে চিন। তারই অদূরে চাবাহার বন্দরের উন্নয়ন করছে ভারত।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    চাবাহার বন্দরের সঙ্গে ভারতের ইনভলভমেন্ট

    ২০০২ সালে ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ খাতামির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হাসান রুহানির সঙ্গে আলোচনা হয় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রজেশ মিশ্রের। পরে খাতামি ভারত সফরে এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজয়েপীর সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের রোডম্যাপে স্বাক্ষর করেন (Chabahar Port)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jaisalmer: বালি-পাথর দিয়ে তৈরি কেল্লা সূর্যের আলো পড়লেই সোনার মতো ঝলমল করে ওঠে!

    Jaisalmer: বালি-পাথর দিয়ে তৈরি কেল্লা সূর্যের আলো পড়লেই সোনার মতো ঝলমল করে ওঠে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থর মরুভূমির বুকে সোনালি শহর রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর জয়সলমের (Jaisalmer)। যাদব বংশের রাজপুত রাজা রাওয়াল জয়সল প্রাচীন লোদাবার দূর্গ পরিত্যাগ করে এখানে ত্রিকূট পাহাড়ের ওপর তাঁর রাজধানী নির্মাণ করেন। এই জয়সল নাম থেকেই জায়গাটির নাম হয়েছে ‘জয়সলমের’। তবে আপামর বাঙালির কাছে এর জনপ্রিয়তা বরেণ্য পরিচালক সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘সোনার কেল্লা’ ছবির জন্য। জয়সলমেরের এই কেল্লা আগে জয়সলমের ফোর্ট নামে পরিচিত থাকলেও ছবিটি হওয়ার পরেই এর নাম হয় সোনার কেল্লা। ভাট্টি রাজপুত বংশের শাসক রাওয়াল জয়সলএই কেল্লাটি গড়েন।

    সোনার মতো ঝলমলে (Jaisalmer)

    বালি-পাথর দিয়ে তৈরি বলে সূর্যের আলো পড়লে কেল্লার সমগ্র অংশ সোনার মতো ঝলমলে দেখায়। তাই একে অভিহিত করা হয় সোনার কেল্লা নামে। ৮০ মিটার উঁচু, ৯৯টি বুরুজের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই কেল্লায় প্রবেশের জন্য চারটি বিশাল দরজা আছে। এগুলো হল ১) অক্ষয় পোল ২) গণেশ পোল ৩) হাওয়া পোল এবং ৪) সুরজ পোল। রাজ পরিবারের বর্তমান সদস্যরা বাস করেন বাদল মহল, রানা মহল, গজ বিলাস এবং মোতি মহলে। কেল্লার বাদল মহল থেকেই দেখা যায় এক সুন্দর পাথরের স্তম্ভ। এর মধ্যে রয়েছে বর্ণাঢ্য তাজিয়া। এছাড়াও জয়সলমেরের (Jaisalmer) অন্যতম আকর্ষণ প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন মহারাজ রাওয়াল গজ সিং-এর হাভেলি, পাটোয়া কি হাভেলি প্রভৃতি। ইচ্ছে হলে একটা দিন বা রাত কাটিয়ে আসতে পারেন প্রায় ৪২ কিমি দূরে মরুভূমির বুকে স্যাম থেকে। উটের পিঠে চড়ে এই স্যামে এসে এক রাত টেন্টে থাকার অভিজ্ঞতাই অন্যরকম।

    কলকাতা থেকে সরাসরি (Jaisalmer)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে সরাসরি যাচ্ছে হাওড়া-জয়সলমের এক্সপ্রেস। ট্রেন এবং বাস আসছে ২৮৫ কিমি দূরের যোধপুর বা বিকানের থেকেও।
    থাকা খাওয়া-এখানে রয়েছে রাজস্থান পর্যটনের দুটি হোটেল ১) হোটেল মুনাল (০২৯৯২-২৫২৩৯২, ০৯৪৬৮৫৫৬৩৬৪) এবং ২) হোটেল শ্যামধানী (০৯৪৬৮৫৫৬৩৩৪)। এছাড়াও আছে স্বয়ং সত্যজিৎ রায় সহ টলিউড, বলিউডের বহু স্বনামধন্য অভিনেতা ও পরিচালকের পদধূলিধন্য হোটেল প্রিন্স। এদের স্যামে নিজস্ব টেন্ট, যাতায়াতের জন্য উটের ব্যবস্থা এবং সম্পূর্ণ বাঙালি খাবারের ব্যবস্থা আছে। যোগাযোগ ০৯৪১৪১৪৯১০৫, ০৭০১৪৩৯৭০০৯, ০৯৯২৮২৭৩০৩০ (Jaisalmer)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Guarantee: প্রধানমন্ত্রীত্বের ১০ বছর! বারবার মোদি গ্যারান্টিতে কেন ভরসা করেন দেশের মানুষ?

    Modi Guarantee: প্রধানমন্ত্রীত্বের ১০ বছর! বারবার মোদি গ্যারান্টিতে কেন ভরসা করেন দেশের মানুষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার ১০ বছরে পা রেখেছে। গত এক দশকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি শক্তিশালী,সুস্থিত ও স্বাধীন সরকারকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০২৪ সালে প্রথমবারের জন্য প্রায় ৩০ বছর পরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ কোন দল ক্ষমতায় (Modi Guarantee) আসে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি যে আস্থা এবং বিশ্বাস ভারতের জনগণ ২০১৪ সালে দেখিয়েছিলেন, ২০১৯ সালেও তা অনেক গুণ বেড়ে যায়। বর্তমান ভারতের তরুণ প্রজন্মও তাই বিশ্বকে বলছে, আমরা পেরিয়ে এসেছি সেই সময়টা, যখন ভারতবর্ষ কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভরসা রাখা হতো দুর্বল একটি জোট সরকারের ওপর, এখন তবে সময় পাল্টেছে। দেশের মানুষ এখন এখন রাজনৈতিক সুস্থিরতা চান, পাশাপাশি অর্থনৈতিক অগ্রগতিও চান। নরেন্দ্র মোদি এই দুটোই তরুণ প্রজন্মকে দিতে পেরেছেন।

    কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার বিলোপ সাধন 

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অথবা গুজরাটের (Modi Guarantee) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রধান নরেন্দ্র মোদি তাঁর কথা রেখেছেন। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরেই তাঁর দুটি সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ঘটনায় রূপান্তরিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হল, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার বিলোপ সাধন এবং অপরটি হল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রণয়ন। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অবশ্য ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সংসদে পাস হয়ে গেলেও, তার লাগু করা হয় ২০২৪ সালের মার্চ মাসে তার একটাই কারণ মাঝখানে করোনা মহামারি। 

    রাম মন্দির

    নরেন্দ্র মোদি সরকার ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে যে যে আশ্বাস দিয়েছিল, তার বেশির ভাগই পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে। তার মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য আশ্বাস, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে মোদি সরকার পূরণ করতে পেরেছে। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছেন স্বয়ং ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি। যা একটি আন্তর্জাতিক উৎসবে পরিণত হয়। ৫০০ বছরে হিন্দুদের সংঘর্ষের সফলতাকেই তুলে ধরে রাম মন্দিরের উদ্বোধন। কোটি কোটি  হিন্দুর আস্থা-বিশ্বাস-ভরসাকে মর্যাদা দিয়েছে রাম মন্দিরের উদ্বোধন। রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে স্মরণ করে রাখতে বিভিন্ন কর্মসূচিও (Modi Guarantee) গ্রহণ করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। যেমন দেশের প্রত্যেকটি গ্রামে তারা পৌঁছেছে রাম মন্দিরের অক্ষত চাল নিয়ে। রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিন দেশের প্রত্যেকটি ধর্ম প্রতিষ্ঠানে নাম সংকীর্তন এবং ভজনের আয়োজন করেছেন স্বয়ংসেবকরা। এছাড়া সারা দেশব্যাপী সেই উন্মাদনার একটি আবহাওয়া দেখা গেছে ২২ জানুয়ারি।

    নজরে উত্তরপূর্ব ভারত

    অন্যদিকে কৃষি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গিয়েছে মোদি জমানায়। নতুন আইন যেমন প্রণয়ন হয়েছে এই সময়ের মধ্যে, তেমনই ধানের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য তিনবার বেড়েছে ২০১৪ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে। গমের ক্ষেত্রে এই সময়ের মধ্যে দুবার বেড়েছে সহায়ক মূল্য। বর্তমান ভারতে কৃষকরা সরাসরি ন্যূনতম সহায়ক মূলক পারছেন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এবং মাঝখানে কোনও দালাল ধরতে হচ্ছে না। অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোনও দুর্নীতি (Modi Guarantee) হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। যাই হোক, বেসরকারি ক্ষেত্রগুলিতেও যথেষ্ট পরিবর্তনে এসেছে। উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে উৎপাদন ব্যাপক বেড়েছে চাষের ক্ষেত্রে। এর পাশাপাশি রফতানিও উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।  মেঘালয়ের আনারস বর্তমানে রেকর্ড ভাবে পশ্চিম এশিয়াতে রফতানি চলছে। ২০২৩ সালে নভেম্বর মাসে মোদি সরকার রেজিস্ট্রেশন করেছে ৭,৫০০-এরও বেশি ‘ফার্মার প্রডিউসার অর্গানাইজেশন’- এর মাধ্যমে ছোট এবং গরিব চাষিরা তাদের রোজগার বাড়াতে পেরেছেন। সম্প্রতি বিদেশের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে মোদি জমানায় উল্লেখযোগ্য ভাবে ভারতবর্ষের সামাজিক-অর্থনীতির পরিবর্তন হয়েছে। 

    ৪৬ কোটিরও বেশি মুদ্রা লোন ভারতবর্ষে দিয়েছে মোদি সরকার

    ক্ষমতায় আসার পর পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জনধন অ্য়াকাউন্ট খোলার উপরে নজর দেন। দেশে প্রায় ৫২ কোটি জন ধন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। ৪৬ কোটিরও বেশি মুদ্রা লোন (Modi Guarantee) ভারতবর্ষে দিয়েছে মোদি সরকার। এর পাশাপাশি ১১ কোটি মানুষকে বাড়িতে দেওয়া হয়েছে জলের লাইন। তিন কোটি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে ঘর দেওয়া হয়েছে। উজ্জ্বালা গ্যাস যোজনার মাধ্যমে ১০ কোটিরও বেশি পরিবারকে বিনামূল্যে গ্যাস কানেকশনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ৫০ কোটি ভারতীয়কে আয়ুষ্মান ভারত যোজনার আওতায় আনা হয়েছে, যা বর্তমান ভারতের জনসংখ্যা ২৩ শতাংশ। বিগত ১০ বছরে অন্নবস্ত্র বাসস্থানের লড়াইয়ে ভারতবাসী অনেকটাই সফল হয়েছে।

    কংগ্রেসের টোপ গেলেনি দেশবাসী 

    বিগত ১০ বছরে মোদি সরকার ভারতবর্ষের সামাজিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রকে ছুঁয়েছে (Modi Guarantee)। একথা বলা যায়, ভারতবাসীকে আত্মনির্ভর করে তুলতে যথেষ্ট উদ্যোগী হয়েছে সরকার। এর আগে ২০১৯ সালে কংগ্রেস ঘোষণা করেছিল যে ক্ষমতা এলে তারা ৭২ হাজার টাকা করে প্রতি পরিবারকে দেবে। জনগণ তা ছুড়ে ফেলেছে। ২০২-২৩ সালে একাধিক রাজ্যের নির্বাচনেও কংগ্রেসের এ প্রচার ধোপে টেকেনি। অন্যদিকে ২০২৪ সালে কংগ্রেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ক্ষমতা এলে তারা প্রতি পরিবারকে এক লাখ টাকা করে দেবে। এমন প্রচারও মুখ থুবড়ে পড়বে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    করোনা মহামারী সময় ভারতবর্ষের অর্থনীতির দ্রুত বৃদ্ধি

    মোদি সরকারের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে মনে করা হচ্ছে করোনা মহামারী সময় ভারতবর্ষের অর্থনীতির দ্রুত বৃদ্ধি। যেখানে দেখা যাচ্ছে বিশ্বের অন্যান্য দেশ এই সময়ে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়েছে সেখানে মোদির নেতৃত্বে ভারত (Modi Guarantee) এগিয়ে চলেছে। ভারতবর্ষ বর্তমানে পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। লকডাউনের সময় প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্য যোজনা মাধ্যমে ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য রেশন সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি দেখে বিশ্বের বড় বড় শিল্পপতিরাও ভারতে বিনিয়োগ করতে চাইছেন। যাঁর মধ্যে অন্যতম হলেন ইলন মাস্ক।

    অ্যাপল ফোনের  রফতানি ছুঁয়েছে টাকার অঙ্কে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার

    মোদি জমানায় স্মার্ট ফোনের রফতানিতে বিপুল সাফল্য মিলছে। হিসাব বলছে, চলতি আর্থিক বছরে অর্থাৎ এপ্রিল মাসেই অ্যাপল ফোনের  রফতানি ছুঁয়েছে টাকার অঙ্কে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার। যা গত বছরের থেকে দ্বিগুণ বলে মনে করা হচ্ছে। আবার বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যাপল ফোনের রফতানি ২০২৫ আর্থিক বছরের এপ্রিল মাসে পৌঁছে যাবে ১ লাখ কোটি টাকায়। প্রসঙ্গত, ভারতেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অ্যাপল ফোন উৎপাদিত হয়। প্রসঙ্গত, বিশ্বের সর্বোচ্চ অ্যাপল ফোন উৎপাদিত হয় চিনে। এর পাশাপাশি রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে অ্য়াপল-এর ইকো সিস্টেমের মাধ্যমে ভারতে ১ লাখ ৫০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Baba Ramdev Case: সুপ্রিম কোর্টের পর এ বার হরিদ্বার আদালত! নতুন বিপাকে বাবা রামদেব!

    Baba Ramdev Case: সুপ্রিম কোর্টের পর এ বার হরিদ্বার আদালত! নতুন বিপাকে বাবা রামদেব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বিপাকে যোগগুরু বাবা রামদেব। পতঞ্জলির ‘বিভ্রান্তিকর এবং মিথ্যা’ বিজ্ঞাপন মামলায় (Baba Ramdev Case) সুপ্রিম কোর্টের পর এ বার বাবা রামদেব এবং তাঁর সহযোগী আচার্য বালকৃষ্ণকে সমন পাঠাল হরিদ্বারের একটি আদালত। পতঞ্জলির ‘বিভ্রান্তিকর এবং মিথ্যা’ বিজ্ঞাপন মামলা এখনও চলছে সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে কোনওরকম স্বস্তি পাননি রামদেব এবং তাঁর সহযোগী বালকৃষ্ণ। এরই মধ্যে আরও চাপে পড়লেন তাঁরা। কারণ হরিদ্বারের আদালত (Haridwar Court) তাঁদের জোড়া সমন পাঠিয়েছে। 

    পতঞ্জলি মামলা (Baba Ramdev Case)

    আগেই জানা গিয়েছিল, ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়েছে যোগগুরু রামদেব (Ramdev) ও তাঁর সহকারী আচার্য বালকৃষ্ণর বিরুদ্ধে। অ্যালোপ্যাথি ওষুধের ‘বিভ্রান্তিকর’ বিজ্ঞাপন এবং ‘মিথ্যে’ প্রচারের অভিযোগে রামদেব, বালকৃষ্ণ এবং পতঞ্জলির বিরুদ্ধে মামলায় বিস্ফোরক অভিযোগ করেন হরিদ্বারের আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি অফিসার। পতঞ্জলির বিজ্ঞাপনে দাবি করা হয়, জ্বর, টাইফয়েড থেকে শুরু করে যকৃতের অসুখ, ত্বকের সমস্যা-সহ নানা ধরনের অসুস্থতার চিকিৎসায় সাধারণত যে সব ওষুধ ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে ‘বিষাক্ত, সিন্থেটিক’। এই দাবির বিরুদ্ধে মামলা (Baba Ramdev Case) হয়েছে। ওই মামলার প্রাথমিক শুনানির পর হরিদ্বারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাহুলকুমার শ্রীবাস্তব রামদেব এবং বালকৃষ্ণকে ১০ মে আদালতে হাজিরা দিতে বলেছিলেন। যদিও সেই নির্দেশ মান্য করেননি যোগগুরু এবং তাঁর সহযোগী। সেই সূত্রে এবার দ্বিতীয়বার সমন পাঠাল আদালত। আগামী ৭ জুন মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আদালতে রামদেব ও তাঁর সহযোগীকে হাজির থাকতে বলা হয়েছে।  

    আইএমএ-র অভিযোগ 

    উল্লেখ্য এর আগেও ২০২০ সালে করোনিল কিট বাজারে আসার পর তার বিজ্ঞাপন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে রামদেবের সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা (Baba Ramdev Case) করেছিল আইএমএ। আইএমএ-র অভিযোগ ছিল, পতঞ্জলির বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা এবং চিকিৎসককে অসম্মান করা হয়েছে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগও আনা হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, কোভিড প্রতিরোধী না-হওয়া সত্ত্বেও শুধু করোনিল কিট বিক্রি করেই আড়াইশো কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছিল রামদেবের পতঞ্জলি। আর তার জন্য ‘বিভ্রান্তিকর এবং মিথ্যা’ বিজ্ঞাপনী প্রচার চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ ছিল আইএমএ-র। 

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে গম আমদানি দুর্নীতি! শুরু কৃষক বিদ্রোহ

    উল্লেখ্য পতঞ্জলির বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা (Baba Ramdev Case) চলছে তাতে রামদেব এবং বালকৃষ্ণকে বারবার ভর্ৎসনার শিকার হতে হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে ক্ষমা চেয়েও রেহাই পাননি তাঁরা। ‘বিভ্রান্তিকর এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন’ দেওয়ায় রামদেবদেরকে ক্ষমা চাইতে বলে সুপ্রিম কোর্ট। আর এবার সুপ্রিম কোর্টের পর হরিদ্বারের আদালত (Haridwar Court) তাঁদের জোড়া সমন পাঠাল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Apple iPhone exports: ভারত থেকে আইফোন রফতানি দ্বিগুণ বাড়ল, পৌঁছল ১১০ কোটি মার্কিন ডলারে

    Apple iPhone exports: ভারত থেকে আইফোন রফতানি দ্বিগুণ বাড়ল, পৌঁছল ১১০ কোটি মার্কিন ডলারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় বদলে গিয়েছে দেশ। ক্ষমতায় আসার পরপরেই নরেন্দ্র মোদি যে ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্লোগান দিয়েছিলেন, তা সফল বলা চলে। স্মার্ট ফোনের রফতানিতে বিপুল সাফল্য মিলছে। হিসাব বলছে, চলতি আর্থিক বছরে অর্থাৎ এপ্রিল মাসেই অ্যাপল ফোনের (Apple iPhone exports) রফতানি ছুঁয়েছে টাকার অঙ্কে ১১০ কোটি মার্কিন ডলারে। যা গত বছরের থেকে দ্বিগুণ বলে মনে করা হচ্ছে। আবার বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যাপল ফোনের রফতানি ২০২৫ আর্থিক বছরের এপ্রিল মাসে পৌঁছে যাবে ১ লাখ কোটি টাকায়। প্রসঙ্গত, ভারতেই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অ্যাপল ফোন উৎপাদিত হয়। প্রসঙ্গত, বিশ্বের সর্বোচ্চ অ্যাপল ফোন উৎপাদিত হয় চিনে।

    অ্যাপলের তিন ধরনের  ম্যানুফ্যাকচার অপারেটিং রয়েছে ভারতে, ফক্সকন, উইস্ট্রোন, পেগাট্রোন

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত এবং চিন- দুইদেশেই স্মার্টফোনের (Apple iPhone exports) উৎপাদন হয় সব থেকে বেসি। দেখা যাচ্ছে, ভারতে মোটের ওপর ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ উৎপাদন হয় , যা ২০২৬ সালের ২৬ শতাংশে পৌঁছাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিসংখ্যানগুলো বলে দিচ্ছে, কোনও একক কোম্পানির ক্ষেত্রে ভারতে এটাই সর্বোচ্চ উৎপাদন। প্রসঙ্গত, অ্যাপলের তিন ধরনের  ম্যানুফ্যাকচার অপারেটিং রয়েছে ভারতে, ফক্সকন, উইস্ট্রোন, পেগাট্রোন। এখান থেকেই বিপুল পরিমাণে সাফল্য এসেছে। এর পাশাপাশি রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে অ্য়াপল-এর ইকো সিস্টেমের মাধ্যমে ভারতে ১ লাখ ৫০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হয়েছে।

    ভারতে মোট রফতানির ৭০ শতাংশই হল ফক্সকনের আইফোন

    জানা যাচ্ছে ফক্সকন হচ্ছে (Apple iPhone exports) তাইওনের একটি কোম্পানি এবং এটা হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কন্ট্রাক্ট ম্যানুফ্যাকচারার। ভারতে মোট রফতানির ৭০ শতাংশই হল ফক্সকনের আইফোন। অন্যদিকে, উইস্ট্রোন হলো টাটা গ্রুপের অধীনের একটি সংস্থা। মোট রফতানির ২৭ শতাংশ করে উইস্ট্রোন। অন্যদিকে, পেগাট্রোন ম্যানুফ্যাকচার বাকি ফোন উৎপাদন করে। জানা গিয়েছে, প্রতিবছরে তাদের স্মার্ট ফোন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পেরেছে অ্যাপল। সাউথ কোরিয়ার একটি কোম্পানি হল স্যামসাঙ। ডিস্কন টেকনোলজি হল ভারতের একটি কোম্পানি। এরাও একইভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পেরেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: দল লড়ছে মাত্র ১৭টি আসনে, কেজরিওয়াল দেশবাসীকে দিচ্ছেন ফ্রি বিদ্যুতের ‘গ্যারান্টি’!

    Arvind Kejriwal: দল লড়ছে মাত্র ১৭টি আসনে, কেজরিওয়াল দেশবাসীকে দিচ্ছেন ফ্রি বিদ্যুতের ‘গ্যারান্টি’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিন পেয়েই প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তাঁর সাম্প্রতিক প্রতিশ্রুতি, ক্ষমতায় এলে দরিদ্র দেশবাসীকে মুফতে বিদ্যুৎ দেবেন তিনি। কেজরিওয়ালের দল আপ লড়ছে দেশের মাত্র ২০টি আসনে। তাই কীভাবে তাঁর দল ক্ষমতায় আসবে, কীভাবেই বা তিনি দেশবাসীকে বিনি পয়সায় বিদ্যুৎ দেবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেজরিওয়ালের দলের বিরোধীরা।

    জামিনে মুক্ত কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)

    দিল্লি আবগারি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া পেয়েছেন ৫৬ দিন পর। তার পরেই নির্বাচনে জিততে মরিয়া আপ সুপ্রিমো (Arvind Kejriwal)। দেশে চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন। ভোট গ্রহণ হবে সাত দফায়। নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। শেষ হবে ১ জুন। ফল বের হবে ৪ জুন। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে হচ্ছে নির্বাচন। এর মধ্যে আপ লড়ছে মাত্র ২০টি আসনে। এর মধ্যে আবার চণ্ডীগড় ও গুজরাটের তিনটি কেন্দ্রে কংগ্রেসকে সমর্থন করছে কেজরিওয়ালের দল। যার অর্থ, আপ স্বশক্তিতে লড়ছে মাত্র ১৭টি আসনে।

    কী বললেন আপ সুপ্রিমো?

    রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে কেজরিওয়াল বলেন, “১০টি গ্যারান্টির মধ্যে আমাদের প্রথম গ্যারান্টি হল দেশে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা। দেশের ক্ষমতা রয়েছে ৩ লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার। অথচ খরচ হয় ২ লাখ মেগাওয়াট। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের দেশ বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। দিল্লি এবং পাঞ্জাবে আমরা এটা করেওছি। গোটা দেশেও আমরা এটা করব।” আপ সুপ্রিমো বলেন, “সমস্ত গরিব মানুষকে আমরা নিখরচায় ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ দেব। এজন্য খরচ হবে ১.২৫ লাখ কোটি টাকা। এই টাকার জোগাড় আমরা করব।”

    আরও পড়ুুন: ভারতের দেওয়া এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতে ব্যর্থ মলদ্বীপের সেনা, বিপাকে মুইজ্জু প্রশাসন

    দেশবাসীকে গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। নাম, ‘মোদি কা গ্যারান্টি’। সেই ধাঁচেই গুচ্ছ গ্যারান্টি দিয়ে বসে রয়েছেন কেজরিওয়াল। তিনি যে এই গ্যারান্টি নিয়ে ‘ইন্ডি’ জোটের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেননি, তাও জানিয়েছেন আপ নেতা। আপ সুপ্রিমোর এই গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। আপ বিরোধীদের প্রশ্ন, বিজেপিকে পরাস্ত করতে যে ‘ইন্ডি’ জোট গঠিত হয়েছিল, কেজরিওয়াল কি তার মুখ? মাত্র ১৭টি আসনে প্রার্থী দিয়ে তিনি কীভাবে খোয়াব দেখেন দেশ চালনার? তবে কি ‘ইন্ডি’ জোটের প্রধানমন্ত্রী তিনিই (Arvind Kejriwal)? উত্তর মিলবে ৪ জুন, লোকসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর পরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kesar Price Hike: কারও পৌষমাস তো…! ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞায় মহার্ঘ কাশ্মীরি কেশর, দাম জানেন?

    Kesar Price Hike: কারও পৌষমাস তো…! ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞায় মহার্ঘ কাশ্মীরি কেশর, দাম জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় আছে ভালো পাত্র আর ভালো কেশর খুঁজে পাওয়া কঠিন কাজ। বাজারে ভালো মানের কেশর (Kesar Price Hike) পেতে খসাতে হবে বাড়তি টাকা। কারণ কেশরের দাম বেড়েছে খুচরো ও পাইকারি উভয় বাজারে। বর্তমানে ১০ গ্রাম কেশরের দাম ৪ হাজার ৯৫০ টাকা। কেজি প্রতি ৪ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ, প্রায় ৫ লক্ষ টাকা!

    কেশরের মুল্যবৃদ্ধির  নেপথ্যে রয়েছে ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা (Kesar Price Hike)

    কেশরের এত দাম বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে ইরানের (Iran) উপর নিষেধাজ্ঞা। বিশ্ববাজারে একাই ৯০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করে ইরান। কিন্তু আধুনিক বিশ্বের বহু দেশ নিষেধাজ্ঞার জেরে ইরানের কেশর কিনতে পারছে না। হঠাৎ করে জেরে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ভারতীয় কেশরের কদর এবং দাম (Kesar Price Hike) দুই বেড়েছে। জানা গিয়েছে, গত বছরের তুলনায় ২০ থেকে ২৭ % দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারে ৩ থেকে ৩.৫ হাজার টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ভালো দরের কেশর। যার আগে দাম ছিল ২ লক্ষ ৮০ হাজার থেকে তিন লক্ষ টাকা প্রতিকেজি। বর্তমানে খুচরো বাজারে যে দামে কেজি প্রতি কেশর বিক্রি হচ্ছে তাতে ৭০ গ্রাম সোনা কেনা সম্ভব। ইরানে প্রতিবছর ৪৩০ টন কেশর উৎপাদন হয়। কাশ্মীরে (Kashmir) মাত্র ৩ টন প্রতিবছর কেশর উৎপাদন হয়। অথচ বাজারে চাহিদা রয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ টন।

    আরো পড়ুন: প্যালেস্তাইনে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইজরায়েলের, শিশুসহ হত ২১

    কাশ্মীরের কেশরের উৎকৃষ্ট মান

    কাশ্মীরের কেশর ব্যবসায়ী নুরুল আমিন বিন খালিক জানাচ্ছেন, “বিশ্ব বাজারে ইরানের অনুপস্থিতির জেরে কাশ্মীরি কেশরের (Kesar Price Hike) দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে। যদিও বিগত এক দশকে কাশ্মীরে কেশরের উৎপাদন ক্রমশ কমছে। ইরানি কেশর রং-এর জন্য বিখ্যাত হলেও কাশ্মীরি কেশরের সুগন্ধের ধারে কাছে কোন কেশর নেই। এখন পৃথিবীর বহু প্রান্তে কেশর উৎপাদন হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন ভারতের উৎপাদিত কেশর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নেপাল, কানাডা ও আরব মুলুকে বিক্রি হয়। কেশরের এত দামের (Kesar Price Hike) কারণ হল মাত্র এক গ্রাম কেশর তৈরি করতে ১৬০ থেকে ১৮০ টি ফুলের প্রয়োজন হয় এবং কেশর উৎপাদন করতে প্রচুর শ্রম লাগে। কাশ্মীরের পামপোর, বডগাম, শ্রীনগর এবং কিস্তওয়ার জেলায় অক্টোবর মাস থেকে কেশর চাষ শুরু হয়। বিগত ১ দশকে কেশরের উৎপাদন কমে যাওয়ার পিছনে শ্রমিকদের অভাব, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পামপোর জেলায় নতুন সিমেন্ট ফ্যাক্টরি বসানোক দায়ী করা হয়েছে। কারণ সিমেন্ট ফ্যাক্টরি থেকে যে পরিমাণ বাতাসে ধোঁয়া ও ধুলো নির্গত হয় তাতে কেশরের চাষে ব্যাপক ক্ষতি করেছে। বিশেষ করে পামপোর জেলায় সিমেন্ট ফ্যাক্টরি বসার পর থেকেই চাষিরা তাদের জমি নয় সিমেন্ট ফ্যাক্টরিকে দিয়ে দিয়েছে আর না হলে নিজেদের জমিতে চাষ করা বন্ধ করে দিয়েছে।

    কেশরের প্রজাতি

    কাশ্মীরে কেশরের একাধিক প্রজাতির উৎপাদন হয় যার মধ্যে একটি হল মোংরা। এই কেশরের রং খুবই গাঢ় এবং এর ঘ্রাণ অন্য কেশরের তুলনায় অনেকটাই আলাদা। এছাড়াও কেশরের লাছা প্রজাতি যা লাল এবং হলুদ দুটো রঙ একসঙ্গে দিতে সক্ষম। এছাড়াও জর্দা বলে একটি প্রজাতি রয়েছে যা প্রসাধনী সামগ্রীতে ব্যবহার হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share