Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Lok Sabha Election 2024: “গণতন্ত্রের জন্য আকাশ পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে”, কপ্টারে ভোটকর্মীদের পাঠিয়ে বলল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: “গণতন্ত্রের জন্য আকাশ পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে”, কপ্টারে ভোটকর্মীদের পাঠিয়ে বলল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের উৎসবে (Lok Sabha Election 2024) যাতে সবাই শামিল হতে পারেন, তাই হেলিকপ্টারে করে ভোট কর্মীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বুথে। এ ছবি ঝাড়খণ্ডের মাও অধ্যুষিত সিংভূমের। ঝাড়খণ্ডে নির্বাচন ১৩ মে, সোমবার। এমতাবস্থায় ভোটকর্মীদের বুথে পাঠানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। কোথাও ট্রেনে করে, কোথাও আবার হেলিকপ্টারে করে ভোটকর্মীদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বুথে।

    বিশেষ ব্যবস্থা (Lok Sabha Election 2024)

    পশ্চিম সিংভূমের ডেপুটি কমিশনার কুলদীপ চৌধুরী বলেন, “শনিবার চক্রধরপুর থেকে রৌরকেল্লায় একটি বিশেষ ট্রেনে করে মোট ৯৫টি পোলিং টিমকে পাঠানো হয়েছিল। মনোহরপুর, জারাইকেলা এবং পোসাইতা স্টেশনে পৌঁছে তাঁরা গাড়ি ধরবেন এবং পায়ে হেঁটে নির্দিষ্ট বুথে পৌঁছবেন।” তিনি জানান, ৭৮টি পোলিং পার্টিকে পাঠানো হয়েছে হেলিকপ্টারে করে। কুলদীপ বলেন, “মাও-অধ্যুষিত এলাকায় তাঁদের পৌঁছে দিতে তিনটি চপারও কাজে লাগানো হয়েছে। মনোহরপুর ও জগন্নাথপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় এভাবেই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে পোলিং স্টাফদের।” তিনি (Lok Sabha Election 2024) বলেন, “অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন করতে আমরা ইভিএমগুলির ওপর লাইভ ট্র্যাকিং করছি। জিপিএস-যুক্ত যানবাহনের মাধ্যমে পোলিং পার্টিদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।” তিনি জানান, পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই চক্রধরপুরে পৌঁছে গিয়েছেন বিএসএফ এবং সিএপিএফের জওয়ানরা।

    কী বলছে কমিশন?

    এদিকে, এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে নির্বাচন কমিশনের তরফে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, পোলিং পার্টি ও ভোটের সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে ট্রেনে করে। লেখা হয়েছে, “আমরা প্রস্তুত! আপনিও কি প্রস্তুত। ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূমের পোলিং পার্টিকে তাদের গন্তব্যে পৌঁছানো হচ্ছে বিশেষ ট্রেনে করে। গণতন্ত্রের জন্য আকাশপথেও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পোলিং পার্টিরা ঝাড়খণ্ডের প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছচ্ছেন। প্রতিটি ভোট যাতে বাক্সে পড়ে, তাই এই ব্যবস্থা। নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, একজন ভোটারও যাতে বাদ না পড়েন, সেজন্য আমরা দায়বদ্ধ। আমরা এমন অনেক জায়গা চিহ্নিত করেছি, যেসব জায়গায় এবারই প্রথম ভোট হচ্ছে। কোথাও আবার ভোট হচ্ছে দু’দশক পরে। কারণ এই সব এলাকায় এক (Lok Sabha Election 2024) সময় দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল মাওবাদীরা।”

    আরও পড়ুুন: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Yogi Adityanath: “এই নির্বাচন রামভক্ত ও রাম-দ্রোহীদের মধ্যে একপক্ষকে বেছে নেওয়ার”, বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: “এই নির্বাচন রামভক্ত ও রাম-দ্রোহীদের মধ্যে একপক্ষকে বেছে নেওয়ার”, বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই নির্বাচন রাম ভক্ত বনাম রাম-দ্রোহীদের মধ্যে একপক্ষকে পছন্দ করে নেওয়ার নির্বাচন।” শনিবার কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির তারকা প্রচারকের তালিকায় থাকা নেতা যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটকে তিনি ‘রাম-দ্রোহী’ বলে দেগে দিলেন। তাঁর অভিযোগ, গো-হত্যাকারীদের মদত দিয়ে দেশকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন করতে চায় তারা। তারা মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থাও করতে চায়।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    বিহারের বেগুসরাই লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংহের সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন যোগী। সেখানেই তিনি বলেন, “যে নির্বাচন চলছে, সেখানে আপনাদের হয় বেছে নিতে হবে রাম ভক্তদের নয়ত রাম-দ্রোহীদের।” এর পরেই তিনি স্লোগান দেন, “যো রাম কো লায়া হ্যাঁয়, হম উনকো লায়া হ্যাঁয় (যিনি রামকে নিয়ে এসেছেন, আমরা তাঁকে নিয়ে আসব)।” উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী (Yogi Adityanath) বলেন, “আমি প্রভু রামের দেশ থেকে এসেছি। আমি জানি, বিহারের বাসিন্দাদের হৃদয়ে অযোধ্যার জন্য একটা বিশেষ জায়গা রয়েছে। কারণ সীতাদেবী জন্মেছিলেন এখানেই।” সমাজবাদী পার্টির (ইন্ডিয়া ব্লকের শরিক) নাম না নিয়েই যোগী বলেন, “রাম-দ্রোহীদের মধ্যে রয়েছে তারাও, যারা রামভক্তদের গুলি করেছিল। এরাই আবার মাফিয়া ডনের মৃত্যুতে কান্নাকাটি করে।”

    কংগ্রেস-সপাকে নিশানা

    প্রসঙ্গত, ১৯৮০ সালে অযোধ্যায় করসেবকদের ওপর গুলি চালায় পুলিশ। সেই সময় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদব। সরাসরি না বলে এদিন এই ঘটনারই উল্লেখ করেন যোগী। বিহারে এনডিএ ক্ষমতায় আসার আগে আইন-শঙ্খলার অবনতির জন্য আরজেডি-কংগ্রেসকেই দায়ী করেন তিনি। বলেন, “ওরা দেশকে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করার একটা পরিকল্পনা করে এসেছিল। মুসলমানদের জন্য সংক্ষরণ করতে চেয়েছিল। বাবা সাহেব অম্বেডকরের(সংবিধান রচয়িতা) সঙ্গে প্রতারণা করেই ওরা এটা করতে চেয়েছিল।” তাঁর প্রশ্ন, “সংরক্ষণের কোটা যদি ভাগ হয়ে যায় তবে আমাদের দলিত এবং ওবিসিদের কী হবে?” কংগ্রেস যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন সাচার কমিটি গড়ে এসব করার ষড়যন্ত্র করেছিল বলেও দাবি করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী (Yogi Adityanath)।

    আরও পড়ুুন: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

    Amit Shah: “পঁচাত্তরের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদিই”, জনসভায় দাবি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পঁচাত্তর বছর বয়সের পরেও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন নরেন্দ্র মোদি।” শনিবার এক নির্বাচনী জনসভায় এ কথা ঘোষণা করলেন মোদির সেনাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “আমি অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও ইন্ডিয়া ব্লককে বলতে চাই যে, বিজেপির সংবিধানে এই জাতীয় কিছুরই (নির্দিষ্ট বয়সসীমা) উল্লেখ নেই। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদিই মেয়াদ শেষ করবেন। আগামিদিনেও তিনিই দেশকে নেতত্ব দেবেন। বিজেপির মধ্যে এনিয়ে কোনও বিভ্রান্তি নেই।”

    আগামী বছর ৭৫ মোদি (Amit Shah)

    আগামী বছর ১৭ সেপ্টেম্বর পাঁচাত্তর বছরে পা দেবেন মোদি। তারপর কি তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন? মোদির পরে প্রধানমন্ত্রী হবেন কে? অমিত শাহ? (Amit Shah) শনিবার এমনই একগুচ্ছ প্রশ্ন তুলে কেজরিওয়াল হইচই ফেলে দিয়েছিলেন রাজনৈতিক মহলে। এদিনের জনসভায় কেজরির সেই সব প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন শাহ। দিল্লি আবগারি মামলায় ২১ মার্চ গ্রেফতার হয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। পঞ্চাশ দিন পর অন্তর্বর্তী জামিনে ছাড়া পেয়েছেন শুক্রবার।

    আরও পড়ুুন: স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভের আগুনে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পুলিশের গুলিতে নিহত ২

    কী বললেন কেজরিওয়াল?

    শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে পদ্ম-পার্টিকেই নিশানা করেন কেজরিওয়াল। বলেন, “ওরা (বিজেপি) প্রশ্ন করছে, বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী মুখ কে? আমি বিজেপিকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, তাদের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? আগামী বছর ১৭ সেপ্টেম্বর পঁচাত্তরে পা দেবেন মোদিজি। ২০১৪ সালে তিনি নিজেই নিয়ম করেছিলেন যে পঁচাত্তর বছর বয়সী ব্যক্তিদের অবসর দেবেন। সেই মতো লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলী মনোহর জোশী, সুমিত্রা মহাজনেরা অবসর নিয়েছিলেন।” আপ সুপ্রিমো আরও বলেন, “তিনি আগামী বছর অবসর নেবেন। তিনি অমিত শাহকে প্রধানমন্ত্রী করার জন্য ভোট চাইছেন। শাহ কি মোদিজির গ্যারান্টি পূরণ করবেন?” দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর এই সব প্রশ্নের জবাবই শাহ দিলেন এদিনের জনসভায়। জানিয়ে দিলেন, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন মোদিই। শাহ (Amit Shah) বলেন, “ভবিষ্যতেও দেশকে নেতৃত্ব দেবেন মোদি। এনিয়ে বিজেপির মধ্যে কোনও বিভ্রান্তি নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Char Dham Yatra: রবিবার সকালে খুলে গেল বদ্রীনাথের দ্বার, চারধাম যাত্রায় চিন্তা বাড়াচ্ছে বৃষ্টি

    Char Dham Yatra: রবিবার সকালে খুলে গেল বদ্রীনাথের দ্বার, চারধাম যাত্রায় চিন্তা বাড়াচ্ছে বৃষ্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সকাল ছ’টায় খুলে গেল বদ্রীনাথের দরজা। প্রসঙ্গত, গত পরশু ১০ মে খোলা হয়েছিল কেদারনাথের দরজা। এদিন সকাল ছয়টা নাগাদ বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, ‘বদরি বিশাল লাল কি জয়’ ধ্বনিতে হাজারো ভক্তের উপস্থিতিতে (Char Dham Yatra) দরজা খোলা হয়। ৬ মাস পরে দরজা খুলল বদ্রীনাথের। উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় বরফে আবৃত পর্বতের ওপরে অবস্থিত বদ্রীনাথ ধাম। প্রসঙ্গত, ১০ মে থেকেই চালু হয়েছে চারধাম যাত্রা। তবে এরই মাঝে ভক্তদের চিন্তা বাড়িয়েছে উত্তরাখণ্ডের প্রবল বর্ষণ।

    বর্ষণে বিপর্যস্ত দেবভূমি 

    বর্তমানে উত্তরাখণ্ড বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রবল বর্ষায়, চারধাম যাত্রা শুরু হওয়ার পর দিন থেকেই শুরু হয়েছে তা। এমন আবহাওয়া ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকলে কত দিন চারধাম যাত্রা (Char Dham Yatra) নির্বিঘ্নে চালানো যাবে! সে নিয়েও প্রশ্ন জাগছে তীর্থযাত্রীদের মনে। প্রবল বর্ষণে যাত্রায় বেশ বেগও পেতে হচ্ছে পুণ্যার্থীদের। দেবভূমির গঙ্গা উপত্যকায় গঙ্গোত্রী মন্দিরেও শুরু হয়েছে প্রবল বর্ষণ। চারধাম যাত্রার অন্যতম কেন্দ্র থাকে এই গঙ্গোত্রী মন্দির। এর পাশাপাশি থাকে যমুনেত্রী, কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ।

    প্রতিবছর লাখেরও বেশি তীর্থযাত্রী চারধাম যাত্রায় অংশগ্রহণ করেন

    অন্যদিকে বদ্রীনাথেও শুরু হয়েছে প্রবল তুষারপাত। সেখানকার নিম্ন উপত্যকায় চলছে বৃষ্টিপাত। জানা গিয়েছে, গতকাল ব্যাপক লাইন পড়ে যায় যমুনেত্রীর মন্দির দর্শন করার জন্য। সেখানকার ব্যবস্থাতে ত্রুটি নজরে আসে। যার জন্য তীর্থযাত্রীরা (Char Dham Yatra) দোষারোপ করে প্রশাসনকেই। প্রসঙ্গত, যমুনেত্রী, কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী মন্দির ইতিমধ্যে খুলে দেওয়া হয়েছে তীর্থযাত্রীদের জন্য। গত পরশু সকাল সাতটায় খোলা হয় যমুনেত্রীর দরজা ও কেদারনাথের মন্দিরের দরজা। অন্যদিকে গঙ্গোত্রী মন্দিরে দরজা খোলা হয় ওই দিনই দুপুর ১২টা ২৫ নাগাদ। মন্দিরের দরজা খোলার দিনে হাজারো ভক্ত হাজির ছিলেন। প্রতিবছর লাখেরও বেশি তীর্থযাত্রী চারধাম যাত্রায় অংশগ্রহণ করেন এপ্রিল-মে থেকে অক্টোবর-নভেম্বর পর্যন্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kashmir’s Silent Village: কেউ কথা বলেন না, শুনতেও পান না, গোটা গ্রাম জুড়ে যেন শুধুই নীরবতা!

    Kashmir’s Silent Village: কেউ কথা বলেন না, শুনতেও পান না, গোটা গ্রাম জুড়ে যেন শুধুই নীরবতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমন কোনও দিন শুনেছেন যে, কোনও এক গ্রামে কোনও মানুষ কথা বলেন না বা কানে শোনেন না? যাঁদের আছে নিজস্ব সাঙ্কেতিক ভাষা? শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও এটা সত্যি! হিমালয় পর্বতমালার পাদদেশে আছে এমন এক গ্রাম, যে গ্রামের প্রায় প্রত্যেক মানুষ মূক ও বধির (Kashmir’s Silent Village)। যাঁদের আছে নিজস্ব সাঙ্কেতিক ভাষা, যা হার মানায় বইয়ের পৃষ্ঠায় থাকা রূপকথার গল্পকেও। অনেকই হয়তো জানেন না ভারতবর্ষের মধ্যেই আছে এমন এক গ্রাম। বর্তমানে বিশ্ব দরবারে এই গ্রামের কথা ছড়িয়ে পড়েছে। যে গ্রামকে নিয়ে অনেক লেখালেখি ও গবেষণাও করা হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের পার্বত্য ডোডা জেলায় অবস্থিত এই গ্রাম, যার নাম দাধকাই। কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর থেকে প্রায় ২৮০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই গ্রাম।

    কীভাবে শুরু হয় গ্রামের এই পরিস্থিতির? (Kashmir’s Silent Village)

    এই গ্রামটির অবস্থান হিমালয় পর্বতমালার পাদদেশে হওয়ায় সব সময়ই এখানে শুষ্ক আবহাওয়া এবং শীতের পরিমাণ বেশি। অনেক সময় তুষারপাতও হয়। এই গ্রামে প্রায় ৩০০টি পরিবার বসবাস করে, যেখানে প্রায় ৩০০০ মানুষের বসবাস। ভারত, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আধা যাযাবর মানুষের বাস এখানে। কৃষিকাজ এবং পশু পালনের মাধ্যমেই তাঁদের জীবিকা নির্বাহ হয়ে থাকে।

    কী বলছেন এঁরা? (Kashmir’s Silent Village)

    এই গ্রামেরই এক পরিবারের সদস্যর কাছ থেকে জানা যায়, এই মূক ও বধির ব্যক্তির প্রথম ঘটনাটি ঘটে ১৯০১ সালে। যেখানে গ্রামের একটি পরিবারের ছেলে প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্ম নিয়েছিল। পরবর্তীতে দেখা যায় সময়ের সাথে সাথে এই ধরনের প্রতিবন্ধকতাযুক্ত মানুষের জন্ম আরও বাড়তে থাকে যেটির সংখ্যা ১৯৯০ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩ জন। আবার ২০০৭ সালে সেটি বেড়ে দাঁড়ায় ৭৯ জন। আবার ২০২৩ সালের একটি হিসাব অনুযায়ী শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যুক্ত মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ জন (Kashmir’s Silent Village)। আবার দেখা গেছে এই মূক ও বধির সমস্ত মানুষের মধ্যে নারীর সংখ্যা সব থেকে বেশি।
    গ্রামের এক সদস্য জানান, বিংশ শতকের শেষের দিকেও বধির দম্পতির সংখ্যা বাড়তেই থাকে। এই কারণে তাঁদের সন্তানও এই প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্মানোর আশঙ্কা বেড়ে যায়। এমনকি বাবা এবং মা দুজনের বাকশক্তি অথবা শ্রবণশক্তি স্বাভাবিক থাকলেও সন্তান মূক-বধির হতে পারে, এমনটাও দেখা যায়।

    গবেষণা কী জানিয়েছে এই বিষয়ে? (Kashmir’s Silent Village)

    এই সমস্ত ঘটনা নজরে আসে ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ-এর। ২০১৭ সালে প্রকাশিত একটি জার্নালের উদ্যোগে ধাদকাই গ্রামের মানুষদের ওপর বিভিন্ন জেনেটিক পরীক্ষা চালানো হয়। সেই গবেষণায় দেখা যায় এই গ্রামের মানুষদের জেনেটিক মিউটেশনের কারণে অটোফেরলিন নামক প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে। এই প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দিলে মানুষের মধ্যে শ্রবণশক্তি ও বাকশক্তি হ্রাস পায়।  
    আবার পরবর্তীতে ২০১২ সালে ইন্ডিয়ান জার্নাল অব হিউম্যান জেনেটিক্স-এর একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সম্প্রদায়টির নিকট আত্মীয়দের মধ্যে বংশবৃদ্ধির কারণেই পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে মূক-বধিরতা বেড়ে গিয়েছে। গ্রামে বাসিন্দারা এখনও সেই রীতিনীতি বজায় রাখার কারণেই বর্তমানেও এই মূক ও বধির মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে (Kashmir’s Silent Village)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: কংগ্রেস তার শাহজাদার বয়সের চেয়ে কম আসন পাবে, রাহুলকে খোঁচা মোদির

    Lok Sabha Election 2024: কংগ্রেস তার শাহজাদার বয়সের চেয়ে কম আসন পাবে, রাহুলকে খোঁচা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) ইন্ডিয়া জোটের সদস্যরা নিজেদের হার স্বীকার করে নিয়েছে, কংগ্রেস তার শাহাজাদার বয়সের চেয়েও কম আসনে জিতবে।’’ শনিবার ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী প্রচারে এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঝাড়খণ্ডের ছাতরায় এদিন মোদির সভায় উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদির সভায় এমন ভিড়ই বলে দিচ্ছে, তৃতীয়বার তাঁর ক্ষমতায় আসা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। ঝাড়খণ্ডে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে দুপাশে অজস্র মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং তাঁরা পুষ্প বৃষ্টি করছিলেন। জনতা জনার্দনকে অভিবাদন জানাতে প্রধানমন্ত্রী হাত নাড়েন তাঁদের উদ্দেশে।

    কী বললেন মোদি

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘প্রথম তিন দফার ভোটের পরই বিরোধীরা বুঝতে পেরেছে তারা হারছে। ইন্ডিয়া জোটের সব দল মিলেও লোকসভাতে বিরোধী দলের মর্যাদা পাওয়ার মতো আসন জিততে পারবে না। সেজন্যই ইন্ডিয়া জোটের এক বর্ষীয়ান নেতা বলছেন, ভোটের পর ছোট ছোট দলগুলির কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাওয়া দরকার। বিরোধী দলের মর্যাদা পেতেই এই কথা বলছেন ওই নেতা।’’

    প্রসঙ্গ রাহুল গান্ধী

    তিনি আরও বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধীর বয়স ৫৩ বছর। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ৫২টি আসন জিতেছিল। তার পাঁচ বছর আগে আরও কম আসন পেয়েছিল দেশের সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দলটি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস জিতেছিল ৪৪টি আসন।’’ দুর্নীতি নিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এবারের নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের নির্বাচন নয়। এবারের নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) দেশ গঠনের নির্বাচন। চোর-লুঠেরাদের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর নির্বাচন।’’

    সোমবার ৪ আসনে ভোট ঝাড়খণ্ডে 

    প্রসঙ্গত ১৬ মার্চ দেশে লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। তারপর দেশের প্রথম দফার ভোট হয় ১৯ এপ্রিল, পরে ২৬ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা এবং কয়েকদিন আগে তৃতীয় দফার ভোট সম্পন্ন হয়েছে ৭ মে। সোমবারই রয়েছে চতুর্থ দফার ভোট। ১৩ মে ঝাড়খণ্ডের ৪ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই ৪ আসনের প্রচারের জন্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবারে ঝড় তোলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “পাকিস্তান পরমাণু বোমা বানায় বিক্রির জন্য”, আইয়ারকে মুখের মতো জবাব মোদির

    PM Modi: “পাকিস্তান পরমাণু বোমা বানায় বিক্রির জন্য”, আইয়ারকে মুখের মতো জবাব মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কংগ্রেসকে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার ওড়িশার কান্ধামালে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, “পাকিস্তান পরমাণু বোমা তৈরি করে বিক্রির জন্য। কারণ আর্থিক দৈন্য মেটানোই এখন তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।”

    কী বলেছিলেন আইয়ার? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের একটি প্রেক্ষাপট রয়েছে। সেটি হল, ১৫ এপ্রিল কংগ্রেস নেতা মণিশঙ্কর আইয়ার বলেছিলেন, “পাকিস্তান একটি শ্রদ্ধেয় দেশ। তাদের পরমাণু বোমাও রয়েছে। তাই ভারতের অবশ্যই তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন।” আইয়ারের সেই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করে কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি (PM Modi) বলেন, “পাকিস্তানের পরমাণু বোমা নিয়ে ভারতবাসীকে ভূতের ভয় দেখাচ্ছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের এই দুর্বল মনোভাবের ফলেই সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছিল পাকিস্তান। কংগ্রেস লাগাতার নিজের দেশের মানুষকেই ভয় দেখানোর চাল চালছে। ওরা বলে চলেছে, পাকিস্তান সম্পর্কে সাবধান। ওদের হাতে পরমাণু বোমা রয়েছে।”

    মোদির জবাব

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সব দুর্বল মানুষ ভারতের জোশকে খুন করার চেষ্টা করছে। আজ নয়, কংগ্রেস চিরকাল এটাই করে এসেছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “পাকিস্তান এখন এমন একটা দেশে পরিণত হয়েছে যে ওদের নিজেদের পরমাণু বোমা মজুত করার ক্ষমতা নেই। ওরা অন্য দেশকে পরমাণু বোমা বিক্রি করতে চাইছে। কিন্তু কেউ কিনছে না। কারণ সেগুলোর মান খুবই খারাপ।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওদের এই ভীরু মনোভাবের কারণেই জম্মু-কাশ্মীরকে জঙ্গিদের উপদ্রব সহ্য করতে হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “সংখ্যালঘুরা বিপদে রয়েছেন, এ দাবি সর্বৈব মিথ্যা”, বললেন মোদি

    লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন আইয়ারের বেফাঁস মন্তব্যে বিপাকে পড়েছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই আইয়ারের থেকে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেছে সোনিয়া গান্ধীর দল। দলের নেতা পবন খেরা বলেন, “আইয়ারের এই দৃষ্টিভঙ্গীর সঙ্গে এক মত নয় কংগ্রেস। এটা দলেরও মত নয়। আইয়ার কোনও অধিকারেই দলের তরফে এমন (PM Modi) মন্তব্য করার হকদার নন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: “পোখরান পরমাণুপরীক্ষা জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছে”, স্মৃতিচারণ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “পোখরান পরমাণুপরীক্ষা জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছে”, স্মৃতিচারণ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পোখরান পরমাণু পরীক্ষা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছে।” কথাগুলি বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শনিবার ১৯৯৮ সালে পোখরান পারমানবিক পরীক্ষার কথা স্মরণ করেন তিনি।

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (S Jaishankar)

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেন, “বর্তমান এনডিএ সরকার সেই ভিত্তির ওপর ভিত্তি তৈরি করেছে। দৃঢ়ভাবে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং আমাদের সীমান্ত পরিকাঠামো তৈরি করেছে।” তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে কে, কোথায় দাঁড়িয়ে তা জানতে হবে দেশকে। আমাদের রাজনৈতিক পছন্দগুলি শেষ পর্যন্ত ভারতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পছন্দ।”

    পোখরান পরীক্ষা

    ১৯৯৮ সালের ১১ ও ১৩ মে রাজস্থানের পোখরানে (S Jaishankar) ধারাবাহিক পারমাণবিক পরীক্ষা করে ভারত। এই পরীক্ষাগুলি শক্তি সিরিজ নাম খ্যাত। প্রথম দিন ৪৫ কোটি থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র, একটি ১৫ কোটি ফিশন ডিভাইস এভং ০.২ কোটি সাব কিলোটন ডিভাইস পরীক্ষা করা হয়। এর ঠিক দু’দিন পরে সাব-কিলোটন রেঞ্জের আরও দু’টি পরীক্ষা হয়। পরে বোর-হোল নমুনার রেডিওকেমিক্যাল গবেষণার মাধ্যমে পরীক্ষার ফল নিশ্চিত করে পরমাণু শক্তি কমিশন।

    আরও পড়ুুন: বাংলায় বিজেপির ক্লিন স্যুইপ, ভোটের ফল নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    ২০০৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পরমাণু শক্তি কমিশনের জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘১৯৯৮ সালের ২১ মে অনুষ্ঠিত পরমাণু শক্তি কমিশনের বৈঠকে কমিশনকে পরীক্ষার প্রযুক্তিগত বিবরণ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল। ২৬ মার্চ, ১৯৯৯ এবং ওই বছররেই ১৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় বোর-হোল নমুনার রেডিও রাসায়নিক বিশ্লেষণের ফল পুনঃনিশ্চিত করা হয়।’ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিবৃতির উপসংহারে বলা হয়েছে, ‘১১ মে, ১৯৯৮ সালে করা থার্মো নিউক্লিয়ার পরীক্ষার ফল নিয়ে পরমাণু শক্তি কমিশনের সন্দেহ করার কোনও কারণ নেই (S Jaishankar)।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Lok Sabha Election 2024: অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন চলছে, জানুন আগের গুলো সম্পর্কে  

    Lok Sabha Election 2024: অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন চলছে, জানুন আগের গুলো সম্পর্কে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন। কেমন ছিল আগের সতরোটি সাধারণ নির্বাচন, বদলই বা হয়েছে কেমন, আসুন জেনে নেওয়া যাক (Lok Sabha Election 2024)।

    প্রথম লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)

    দেশ স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট। তারপর প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫২ সালে। মোট আসন ছিল ৪৯৯টি। নির্বাচন হয়েছিল ৬৮ দফায়। নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১৯৫১ সালের ২৫ অক্টোবর। শেষ হয়েছিল পরের বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি। প্রথম ভোট পড়েছিল হিমাচল প্রদেশের ছিন্নি ও পাঙ্গি তহশিলে। সেবার কংগ্রেস পেয়েছিল ৩৬৪টি আসন। সিপিআই জিতেছিল ১৬টি কেন্দ্রে। সোশ্যালিস্ট পার্টি জিতেছিল ১২টি আসনে। বিআর অম্বেডকরের দল শিডিউল কাস্ট ফেডারেশন পেয়েছিল ২টি আসন। হেরে গিয়েছিলেন অম্বেডকর স্বয়ং। সংসদের প্রথম স্পিকার ছিলেন গণেশ বসুদেব মাভালঙ্কার।

    দ্বিতীয় লোকসভা নির্বাচন

    দ্বিতীয় লোকসভা নির্বাচন হয়েছিল ১৯৫৭ সালে। আসন সংখ্যা ৫০৫। এবারও ক্ষমতায় আসে জাতীয় কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী হন জওহরলাল নেহরু। ৪৯৪টি আসনে প্রার্থী দিয়ে নেহরুর দল জিতেছিল ৩৭১টিতে। সিপিআই জিতেছিল ২৭টিতে। প্রজা সোশ্যালিস্ট পার্টি জিতেছিল ১৯টি আসন। এবারের সাধারণ নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে ছিল ৪টি জাতীয় পার্টি, ১১টি রাজ্য পার্টি। ২২ জন মহিলাও জিতেছিলেন। এর সিংহভাগই মধ্যপ্রদেশ থেকে (Lok Sabha Election 2024)।

    তৃতীয় লোকসভা

    তৃতীয় সাধারণ নির্বাচনে আসন বেড়ে হয় ৫০৮টি। কংগ্রেস জয়ী হয় ৪৪.৭২ শতাংশ ভোট পেয়ে। সিপিআই পায় ৯.৯৪ শতাংশ ভোট। প্রথমবার নির্বাচনে লড়ে স্বতন্ত্র পার্টি পায় ৭.৮৯ শতাংশ ভোট। এবারও সরকার গড়ে কংগ্রেস। সরকার জড়িয়ে পড়ে চিন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে। নেহরু প্রধানমন্ত্রী ছিলেন স্বাধীনতার দিন থেকে ১৯৬৪ সালের ২৭ মে। এই সময় দুজন অ্যাক্টিং প্রাইম মিনিস্টার হন, একজন গুলজারিলাল নন্দ এবং অন্যজন লালবাহাদুর শাস্ত্রী। ১৯৬৪ সালের ১১ জানুয়ারির পর প্রধানমন্ত্রিত্বের রশি চলে যায় ইন্দিরা গান্ধীর হাতে। এই ভোটেই প্রথম সহজে মোছা যায় না এমন কালি ব্যবহার করা হয়।

    চতুর্থ লোকসভা নির্বাচন

    এই সময় লোকসভার আসন বেড়ে হয় ৫২৩টি। আবারও জেতে কংগ্রেস। ইন্দিরা হন দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। এই সময় কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। কংগ্রেস দাবি করে সংসদের তারাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। আর স্বতন্ত্র পার্টি এবং ভারতীয় জনসংঘের আসন সংখ্যা যথাক্রমে ৪৪ এবং ৩৫টি। কংগ্রেস, ডিএমকে এবং বিজেএস এস-এসটি আসনে ভালো ফল করে।

    কংগ্রেসে ভাঙন

    অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরে ১৯৬৯ সালে ভাঙন ধরে কংগ্রেসে। ইন্দিরাকে দল থেকে বের করে দেওয়া হয়। নয়া দল গড়েন ইন্দিরা নাম হয় কংগ্রেস (আর), মাদার কংগ্রেসের নাম হয় ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (ও)। কামরাজ, মোরারজি দেশাই, নিজলিঙ্গাপ্পা এবং এসকে পাতিল মাদার কংগ্রেসের নেতা।

    পঞ্চম লোকসভা নির্বাচন

    ১৯৭১ সালের এই নির্বাচনে মোট আসন ৫২১টি। ‘গরিবি হঠাও’ স্লোগান দেন ইন্দিরা। এই সময় স্বাধীন বাংলাদেশ আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭৭ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে ইন্দিরা সরকার। ইন্দিরার নেতৃত্বে কংগ্রেস জেতে ৩৫২টি আসনে। সিপিআই জিতেছিল ২৫টি আসনে। ২৩টি আসনে জেতে ডিএমকে।

    আরও পড়ুুন: বাংলায় বিজেপির ক্লিন স্যুইপ, ভোটের ফল নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    ষষ্ঠ লোকসভা নির্বাচন

    এই সাধারণ নির্বাচনে আসন সংখ্যা ছিল ৫৪৪টি। মোরাজজি দেশাইয়ের নেতৃত্বে দেশে প্রথম অ-কংগ্রেসি সরকার গঠিত হয়। এই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয় কংগ্রেস। ২৯৫টি আসন পায় ভারতীয় লোকদল।

    সপ্তম লোকসভা নির্বাচন

    নির্বাচন হয় ১৯৮০ সালে। আসন সংখ্যা ৫৩১। ৩৫৩টি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী হন ইন্দিরা। পাঞ্জাবে মাথাচাড়া দেয় বিচ্ছিন্নতাবাদ। আন্দোলন দমনে অপারেশন ‘ব্লু-স্টার’ করে ইন্দিরা সরকার। ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর শিখ দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন ইন্দিরা।

    অষ্টম লোকসভা নির্বাচন

    ভোট হয় ১৯৮৪ সালে। আসন সংখ্যা ৫১৬। প্রধানমন্ত্রী হন ইন্দিরা-তনয় রাজীব। শিখ বিরোধী দাঙ্গা শুরু হয়। প্রকাশ্যে আসে বোফর্স কেলেঙ্কারি। এই সময় রাজনীতির ময়দানে আত্মপ্রকাশ করে বিজেপি।

    নবম লোকসভা নির্বাচন

    ১৯৮৯ সালে হয় নবম লোকসভা নির্বাচন। আসন ছিল ৫৩১টি। কেন্দ্রে আসে কোয়ালিশন সরকার। প্রধানমন্ত্রী হন জনতা দলের ভিপি সিং। মণ্ডল ও মন্দির রাজনীতি নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে দেশ।

    দশম লোকসভা নির্বাচন।

    ১৯৯১ সালের দশম লোকসভা নির্বাচনে আসন ছিল ৫০৮টি। প্রধানমন্ত্রী হন কংগ্রেসের নরসিমা রাও। সরকার গ্রহণ করে মুক্ত অর্থনীতি। বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়। মণ্ডল কমিশনের রিপোর্টের জেরে শুরু হয় হিংসা।

    একাদশতম লোকসভা নির্বাচন

    ভোট হয় ১৯৯৬ সালে (Lok Sabha Election 2024)। আসন সংখ্যা ৫৪৫টি। জনতা দলের নেতৃত্বে গঠিত হয় ইউনাইটেড ফ্রন্ট সরকার। এই নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয় ১৬১টি আসনে।

    দ্বাদশতম লোকসভা নির্বাচন

    নির্বাচন হয় ১৯৯৮ সালে। আসন সংখ্যা ৫৪৫টি। অটল বিহারি বাজপেয়ীর নেতৃত্বে সরকার গড়ে বিজেপি। সরকার টিকেছিল ১৩ মাস।

    ত্রয়োদশতম লোকসভা নির্বাচন

    নির্বাচন হয় ১৯৯৯ সালে। আসন সংখ্যা ৫৪৫টি। নির্বাচন হয় পাঁচ দফায়। ক্ষমতায় আসে বিজেপি। এই সময়ই হয় কার্গিল যুদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা, সোনালি চতুর্ভুজ প্রকল্প এবং পোটা আইন হয় এই সময়।

    চতুর্দশ লোকসভা নির্বাচন

    নির্বাচন হয় ২০০৪ সালে। আসন সংখ্যা ৫৪৫টি। কংগ্রেসের মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বে গঠিত হয় সরকার। আরটিআই, এনআরএজিএস চালু হয় এই সময়। ইন্দো-ইউএস সিভিল নিউক্লিয়ার ডিলও হয়। এবারই প্রথম ভোট গ্রহণ হয় ইভিএমে।

    পঞ্চদশ লোকসভা নির্বাচন

    ২০০৯ সালে হয় পঞ্চদশ লোকসভা নির্বাচন। সরকার গড়ে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ। লোকসভার স্পিকার হন মীরা কুমার।

    ষোড়শ লোকসভা নির্বাচন

    ভোট হয় ২০১৪ সালে। ‘আচ্ছে দিনে’র স্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় আসে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি। জিএসটি, ডিমানিটাইজেশন, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, স্বচ্ছ ভারত অভিযান চালু হয়। প্রথমবারের মতো নোটা চালু হয়।

    সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন

    নির্বাচন হয় উনিশে। ৩৫০টি আসনে জিতে ফের মোদির নেতৃত্বে ক্ষমতায় আসে এনডিএ। নির্বাচন হয় ৫৪৩টি আসনে। সরকার সফলভাবে মোকাবিলা করে কোভিডের। লাগু হয় সিএএ। জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ করা হয় ৩৭০ ধারা। এবারই প্রথম ইভিএমের সঙ্গে যুক্ত হয় ভিভিপ্যাট। ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচন হবে সাত দফায় (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Primary Recruitment Scam: দেড় বছর জেলে, শীর্ষ আদালত থেকে খালি হাতে ফিরলেন মানিক

    Primary Recruitment Scam: দেড় বছর জেলে, শীর্ষ আদালত থেকে খালি হাতে ফিরলেন মানিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরবিন্দ কেজরিওয়াল সাময়িক স্বস্তি স্বরূপ অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেলেও ভাগ্য খোলেনি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Manik Bandyopadhyay) । কেজরি ফিরেছেন বাড়িতে। কিন্তু দেড় বছরের বেশি জেলবন্দী থেকেও বাড়ি ফেরা হল না প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি (Primary Recruitment Scam) মামলায় ধৃত পলাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জামিনের আবেদন করেছিলেন মানিকবাবু। তার মামলা হাইকোর্টে ফিরিয়ে দিল শীর্ষ আদালত (SC) ।

    কলকাতা হাইকোর্টে মেলেনি জামিন (Primary Recruitment Scam)

    কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বহুবার দরবার করেও মেলেনি জামিন। অগত্যা সুপ্রিম কোর্টে জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন পলাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত মানিকবাবু প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি। সুপ্রিম কোর্ট থেকেও খালি হাতেই ফিরতে হল তাঁকে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল জামিন পেতে গেলে হাইকোর্টেই দরবার করতে হবে। এই মামলায় তাঁর পুত্র সৌভিক ভট্টাচার্যকে আগেই জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মানিক হয়ত আশা করেছিলেন ছেলের মত তাঁকেও হয়ত জামিন দেওয়া হতে পারে। কিন্তু কপাল খুলল না। মানিকবাবুর বিচারপতি বেলা ত্রিবেদীর বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। বেশ কিছু নথিও জমা দিয়েছিলেন মানিকবাবুর আইনজীবী। তাঁর দাবি এই নথি গুলি হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়নি। শীর্ষ আদালত মানিক বাবুর আইনজীবীকে নতুন করে কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করতে বলেছেন। সেখানেই চলবে মামলা (Primary Recruitment Scam)। ইডির আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছেন মামলাটি হাইকোর্টে ফেরানো হলে তাঁদের তরফে কোন আপত্তি নেই।  

    আরও পড়ুন: বাংলায় বিজেপির ক্লিন স্যুইপ, ভোটের ফল নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    ২০২২ সাল থেকে জেলে মানিক

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ (Primary Recruitment Scam) দুর্নীতি মামলায় ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার হয়েছিলেন। ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর জেল হেফাজতের আবেদন জানায়। তার পর থেকে জেলেই আছেন মানিক। কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পর্ষদ সভাপতির পদ থেকে অপসারণের নির্দেশও দিয়েছিলেন। একই মামলায় মানিক বাবুর স্ত্রী ও পুত্রকেও হেফাজতে নিয়েছিল ইডি। মানিক বাবুর স্ত্রী হাইকোর্টে জামিন পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সৌভিক ভট্টাচার্য সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে মুক্তি পান। কিন্তু মানিক বাবুর আর ভাগ্য খুললো না। আপাতত জেলেই থাকতে হবে প্রাক্তন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতিকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ৩২৫ জন প্রাথমিক চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষায় ফেল করলেও তাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন মানিক বাবুর নির্দেশে। তাঁদের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা করে নিয়েছিলেন মানিকবাবু। এছাড়া আরো ১০ জন পরীক্ষার থেকে পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এখানেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ সীমিত নয়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রাথমিক শিক্ষকের ট্রেনিং দেওয়া হবে বলে ভুয়া সেন্টার চলছিল তাঁর অঙ্গুলিহেলনে এমনটাই অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share