Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India population: ২০৩৬ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা পৌঁছাবে ১৫২.২ কোটিতে, প্রকাশ্যে এল রিপোর্ট

    India population: ২০৩৬ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা পৌঁছাবে ১৫২.২ কোটিতে, প্রকাশ্যে এল রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের জনসংখ্যাকেও ছাপিয়ে যাবে ভারত। সম্প্রতি পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে জানা গিয়েছে, ২০৩৬ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা (India population) ১৫২.২ কোটিতে পৌঁছাবে। একইসঙ্গে পরবর্তী ১২ বছরে সামান্য হলেও বাড়বে দেশের মহিলা জনসংখ্যার হার। সরকারের “উইমেন অ্যান্ড মেন ইন ইন্ডিয়া ২০২৩” এর ২৫ তম সংস্করণে তথ্যটি প্রকাশিত হয়েছে।  

    আর কী কী তথ্য জানা গিয়েছে? (India population) 

    প্রকাশিত হওয়া তথ্যে পুরুষ ও মহিলাদের একটি সমীক্ষা সামনে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০৩৬ সালে মোট জনসংখ্যার ৪৮.৮ শতাংশ হবে মহিলা। যেখানে ২০১১ সালে সেটা ছিল ৪৮.৪ শতাংশ। ফলত শুধু এটাই নয়, লিঙ্গ অনুপাতেও বৃদ্ধি (Sex Ratio) পাবে মহিলাদের হার। ২০১১ সালে ১০০০ জন পুরুষের তুলনায় মহিলা সংখ্যা ছিল ৯৪৩ জন, তবে ২০৩৬ সালে অনুমান করা হচ্ছে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ৯৫২ জনে। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, “লিঙ্গ পরিসংখ্যান লিঙ্গ সমতা এবং পরিমাপের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”

    আরও পড়ুন: টাকা দ্বিগুণের প্রলোভন! ১৭ কোটি জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসন

    কমেছে শিশুমৃত্যুর হার 

    তবে রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১৫ বছরের কম বয়সি ব্যক্তিদের অনুপাত ২০৩৬ সালে অনেকটাই কমবে। অন্যদিকে ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সিদের জনসংখ্যা (India population) বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, শিশুমৃত্যুর হারও কমেছে। পাঁচ বছরের কম বয়সি বাচ্চাদের মৃত্যুর হার ২০১৫ সালে ৪৩ থেকে কমে ২০২০ সালের ৩২ হয়েছে।  
    সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ভারতের জনসংখ্যা (India population) বর্তমানে ১৪২ কোটি ৮৬ লক্ষ। অন্যদিকে চিনের জনসংখ্যা ১৪২ কোটি ৫৭ লক্ষ। তাই বলাই বাহুল্য একবিংশ শতাব্দীর শেষে ভারতই হবে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tripura: ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা খড়কুটোর মতো উড়ে গেল! বিজেপির জয়জয়কার

    Tripura: ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা খড়কুটোর মতো উড়ে গেল! বিজেপির জয়জয়কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় তিন দশকের বাম শাসনে ইতি টেনে ২০১৮-র মার্চে ত্রিপুরা (Tripura) বিধানসভা ভোটে আগরতলার কুর্সি দখল করেছিল বিজেপি। সেই জয়ের ধারা ২০২৪ সালেও অব্যাহত। এবার গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে পদ্ম ঝড়ের কাছে কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গেল বাকি সব দল। রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল গত ৮ অগাস্ট। সোমবার থেকে শুরু হয় গণনা। মঙ্গলবার গণনার শেষ পর্যায়ের ফল জানাচ্ছে, গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি একাই জিতেছে ৫৯৪০টি আসনে! তাদের সহযোগী তিপ্রা মোথা ১০২টিতে। বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র দুই সহযোগী কংগ্রেস এবং সিপিএম যথাক্রমে ১৪১ এবং ১৪৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। পশ্চিম ত্রিপুরায় তো প্রায় সব আসনই এসেছে বিজেপির খাতায়। শুধু দুকলি রুরাল ডেভলপমেন্ট ব্লকে কয়েকটা আসন জিতেছে ত্রিপা মোথা পার্টি। পঞ্চায়েত ভোটে দলের জয়জয়কারে চাঙ্গা বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

    ভোটদানের হার ছিল ৭৯.০৬ শতাংশ (Tripura)

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, রাজ্যে ১০,৮৭,৪৯৫ জন ভোটার। এর মধ্যে ৫,৩০,৯৪৯ জন পুরুষ, ৫,২০,১০১ জন মহিলা এবং ১০ জন তৃতীয় লিঙ্গ রয়েছে। ৮ অগাস্ট বিকাল ৪টে পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৭৯.০৬ শতাংশ। প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত ভোটে যে তাঁর দল মারাত্মক ভাল ফল করতে চলেছে সেই পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। এবার ভোটের ফল প্রকাশের পর তাই একেবারে অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাওয়ায় খুশির হাওয়া পদ্ম সমর্থকদের মধ্যে। এদিকে ভোটের আগেই আবার বড়সড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সে রাজ্যের সরকার। পঞ্চায়েত নির্বাচন (Gram Panchayat Election) মিটলেই ১০ হাজার চাকরির কথা বলা হয়েছিল। ত্রিপুরা পুলিশ, জুনিয়র রিক্রুটমেন্ট বোর্ড থেকে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ সহ নানা ক্ষেত্রে চাকরির কথা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    এক নজরে ফলাফল

    ২০১৯ সালের সাফল্যের পুনরাবৃত্তি এবারও! বিজেপি ত্রিপুরার (Tripura) গ্রাম পঞ্চায়েত আসনের ৭১ শতাংশ এবং পঞ্চায়েত সমিতির ৬৮ শতাংশ আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে। ক্ষমতাসীন বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েতে ৬,৩৭০টি আসনের মধ্যে (৭১ শতাংশ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪,৫৫০টি জিতেছে। ৪২৩টি পঞ্চায়েত সমিতি আসনের মধ্যে ২৪৪টি বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে (৬৮ শতাংশ)। ১৮৯ টি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনে, বিজেপি ১৮৮টিতে, সিপিএম ১৪৮টিতে, কংগ্রেস ৯৮টিতে এবং ত্রিপা মোথা ১১টিতে প্রার্থী দিয়েছে। এছাড়াও, বিজেপি ১১৬টি জেলা পরিষদ আসনের মধ্যে ২০টি (১৭শতাংশ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে। আর ৯৬টি আসনে ভোট হয়েছে। সেখানে বেশিরভাগ আসন বিজেপির দখলে রয়েছে। রেজাল্ট বলছে, ত্রিপুরায় গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৪৮২৫টি আসন। তিপ্রা জিতেছে ৯৪টি আসন। কংগ্রেসের খাতায় ২৪টি আসন। সিপিএম দখল করেছে ২০টি আসন। অন্যদিকে, পঞ্চায়েত সমিতির ক্ষেত্রে বিজেপি জিতেছে ২৯৫টি আসনে। সিপিএম পেয়েছে ২টি। নির্দল ১ টি। ১১৬টি জেলা পরিষদের আসনের ১১৩টি গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে। কংগ্রেস ২ এবং সিপিএম ১টিতে জয়ী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Saket Gokhale: অর্থ নয়ছয়ের মামলায় তৃণমূল সাংসদ সাকেতের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন ইডির

    Saket Gokhale: অর্থ নয়ছয়ের মামলায় তৃণমূল সাংসদ সাকেতের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থ নয়ছয়ের মামলায় তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ সাকেত গোখলের (Saket Gokhale) বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আহমেদাবাদের বিশেষ আদালতে মঙ্গলবার বেআইনি আর্থিক লেনদেন (পিএমএলএ) সংক্রান্ত (Money Laundering Charges) আইনে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কী জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, সাকেতের (Saket Gokhale) বিরুদ্ধে এক কোটি সাত লক্ষ টাকা অপব্যবহার করার অভিযোগ মিলেছে। তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, এই অর্থ ক্রাউড ফান্ডিং-এর মাধ্যমে জনতার কাছ থেকে পাওয়া দান হিসাবে সংগ্রহ করা হয়েছিল। সাকেতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, যে উদ্দেশ্যের কথা জানিয়ে ওই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা সেখানে ব্যয় করার কোনও তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ব্যক্তিগত কারণে ওই অর্থ ব্যয় করেছিলেন বলে ইডির অভিযোগ।

    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সাকেতকে (Saket Gokhale) আহমেদাবাদ পুলিশ গ্রেফতার করেছিল ইডি

    মঙ্গলবার তাদের অফিসিয়াল এক্স-বার্তায় জানিয়েছে, পিএমএলএ আইনে চার্জ গঠন এড়িয়ে যেতে ফৌজদারি (Money Laundering Charges) দণ্ডবিধির (ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা) ৩০৯ ধারায় সাংসদ সাকেত (Saket Gokhale) যে আবেদন জানিয়েছিলেন, আহমেদাবাদের বিশেষ পিএমএলএ আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই মামলাতে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সাকেতকে আহমেদাবাদ পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। পরে মামলায় তদন্তের ভার পেয়ে তাঁকে হেফাজতে নিয়েছিল ইডি।

    সম্প্রতি সাকেতকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করে দিল্লি হাইকোর্ট

    সম্প্রতি, অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক লক্ষ্মী পুরীর দায়ের করা মামলায় তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত গোখলেকে ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা করে দিল্লি হাইকোর্ট। সঙ্গে সোশ্যাল মডিয়ায় সাকেতকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি। প্রাক্তন কূটনীতিক লক্ষ্মী পুরী ব্যক্তিগত সম্পর্কে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর স্ত্রী। ২০২১ সালের ১৩ ও ২৬ জুন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সাকেত গোখলে দাবি করেন লক্ষ্মী পুরীর সুইৎজারল্যান্ডে আয় বহির্ভূত সম্পত্তি রয়েছে। সেই পোস্টে মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকেও উল্লেখ করেন তিনি। অভিযোগ অস্বীকার করে সাকেত গোখেলের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মানহানির মামলা করেন লক্ষ্মী পুরী। আদালতে তিনি জানান, সাকেত গোখেলের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এতে তাঁর মানহানি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: ৫ মাসে শেয়ার থেকে রাহুল গান্ধী নিজে লাভ করেছেন ৪৬ লক্ষ টাকা, তারপরেও বলছেন ঝুঁকিপুর্ণ!

    Rahul Gandhi: ৫ মাসে শেয়ার থেকে রাহুল গান্ধী নিজে লাভ করেছেন ৪৬ লক্ষ টাকা, তারপরেও বলছেন ঝুঁকিপুর্ণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ৫ মাসের মধ্যে শেয়ার বাজার থেকে প্রায় ৪৬ লক্ষ টাকা লাভ করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তবু ভারতীয় স্টক মার্কেট (Indian Stock Market) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জনগণের মধ্যে মিথ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন বিরোধী নেতা, এমনই দাবি অর্থনৈতিক মহলে। সম্প্রতি রাহুল বলেছিলেন, “কোটি কোটি ভারতীয়ের কঠোর পরিশ্রমের সঞ্চয় ঝুঁকিতে রয়েছে।”

    বিনিয়োগ থেকে রাহুলের লাভ

    সূত্রের খবর, সম্প্রতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) তাঁর শেয়ার বিনিয়োগ থেকে ৪৬.৪৯ লক্ষ টাকা লাভ করেছেন। রাহুলের শেয়ার বাজারের পোর্টফোলিওর মূল্য ১৫ই মার্চ ২০২৪-এ ছিল প্রায় ৪.৩৩ কোটি টাকা। ১২ই অগাস্ট সেটা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৪.৮০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। তাঁর পোর্টফোলিওতে এশিয়ান পেইন্টস, বাজাজ ফিন্যান্স, ইনফোসিস, টিসিএস, টাইটান এবং টিউব ইনভেস্টমেন্টস অফ ইন্ডিয়া সহ বেশ কয়েকটি বড় সংস্থার শেয়ার রয়েছে। গান্ধীর ২৪টি শেয়ারের মধ্যে ২০টি লাভজনক, মাত্র ৪টি শেয়ার-এর ক্ষতি হয়েছে।

    কী বলেছিলেন রাহুল?

    ১১ই অগাস্ট এক ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ভারতীয় স্টক মার্কেটকে (Indian Stock Market) একটি ক্রিকেট ম্যাচের সঙ্গে তুলনা করেন এবং বলেন, “যদি ম্যাচে আম্পায়ার সমঝোতাকারী হয়, তাহলে সেই ম্যাচ কেমন হবে?” তিনি সেবির চেয়ারপার্সন মাধাবী পুরী বুচের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শেয়ার কারসাজি এবং অবৈধ শেয়ার মালিকানার অভিযোগ আনেন। রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, একদিকে তিনি সাধারণ মানুষের সঞ্চয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, অন্যদিকে নিজে বিশাল লাভ করেছেন। 

    বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) এই ধরনের মন্তব্য দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করবে। ভারতের অর্থনৈতিক উন্নতি এবং সেনসেক্সের (Indian Stock Market) রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর সময়ে, তাঁর এ ধরনের মন্তব্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে। সেবি বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করে বলেছে যে, হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলি সঠিকভাবে তদন্ত করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে সেবির নিয়মকানুন মেনে চলার প্রশ্নে এক্ষেত্রে কোনও ধরনের সমস্যা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: মধ্যপ্রদেশের কলেজ পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে আরএসএস নেতাদের ৮৮টি বই

    RSS: মধ্যপ্রদেশের কলেজ পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে আরএসএস নেতাদের ৮৮টি বই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের কলেজগুলির পাঠ্যসূচিতে আরএসএস (RSS) নেতাদের ৮৮টি বই অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। এই বইগুলির লেখক হলেন সুরেশ সোনি, দীননাথ বাত্রা, ডি অতুল কোঠারি, দেবেন্দ্র রাও দেশমুখ প্রমুখ। এঁরা আরএসএস-এর শিক্ষা শাখা বিদ্যাভারতীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সরকার রাজ্য জুড়ে কলেজগুলিতে বইয়ের একটি তালিকা পাঠিয়েছে। ভারতীয় ঐতিহ্যগত জ্ঞান পরম্পরাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেখানে। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বিভিন্ন স্নাতক কোর্সে এই বইগুলির প্রবর্তনের সুবিধার্থে প্রতিটি কলেজে একটি করে ‘ভারতীয় ঐতিহ্যের জ্ঞান পরম্পরা প্রকোষ্ঠ’ গঠনের সুপারিশও করেছে।

    ভারতীয় মতাদর্শ ও ঐতিহ্যকে ছড়িয়ে দেবে বই (RSS)

    মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আধিকারিক ডঃ ধীরেন্দ্র শুক্লা সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠিতে বলেন, “দেরি না করে দ্রুত এই ৮৮টি বইয়ের সেট কেনার জন্য সচেষ্ট হন। পিএম এক্সেলেন্স কলেজ সহ রাজ্যের সমস্ত কলেজে পড়ানো হবে এই বই। এখন পর্যন্ত আমরা স্নাতকস্তরে প্রায় ৪০০ বইয়ের জন্য সুপারিশ করেছি। বইগুলি শুধুমাত্র আরএসএস নেতাদের বলা অনুচিত, জাতীয় শিক্ষা নীতিতে (NEP) ২০২০ অ্যাকাডেমিক পাঠ্যক্রমে ভারতীয় জ্ঞান এবং ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে জোর দিতে বলা হয়েছে। সবগুলি পুস্তক ভারতীয় মতাদর্শ ও ঐতিহ্যকে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে। এই বইগুলি জাতীয় শিক্ষা নীতিকে অনুসরণ করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

    ভগবান শ্রীরাম ও শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত হবে

    ৮৮টি বইয়ের মধ্যে ১৪টি বিদ্যাভারতীর প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক দীননাথ বাত্রার লেখা। তিনি আরএসএস (RSS)-এর শিক্ষা সমূহের মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ২০১৭ সালেই এনসিইআরটিকে পাঞ্জাবি কবি অবতার পাশের কবিতা ‘সবসে খতরনক’, একাদশ শ্রেণির হিন্দি পাঠ্যপুস্তক থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছিলেন। গত জুন মাসে, মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব রাজ্যের শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যক্রমে ভগবান শ্রীরাম এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি পূর্ববর্তী বিজেপি সরকারের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।  তিনি ভারতীয় সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যকে শিক্ষা ব্যবস্থায় একীভূত করার একজন প্রধান সমর্থক ছিলেন।

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    মধ্যপ্রদেশ (Madhya Pradesh) রাজ্য সরকারের এই পুস্তকের (RSS) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কংগ্রেস তীব্র আপত্তি তুলেছে। কংগ্রেসের মুখপাত্র মুকেশ নায়ক বলেন, “শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক বিষয় পাঠ্যক্রমে রাখা উচিত। কলেজগুলিতে রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে দ্বন্দ্ব পোষণ করা উচিত নয়। রাজ্যে বেকারত্বের সমস্যা রয়েছে, যার সমাধান করা দরকার।”

    আরও পড়ুনঃ ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান! আহমেদাবাদের রাস্তায় হাঁটলেন অমিত শাহ

    বিজেপির বক্তব্য

    তবে রাজ্যের (Madhya Pradesh) বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বইগুলিতে (RSS) আপত্তিকর কিছু নেই এবং দেশের পুনর্নির্মাণ এবং দেশপ্রেমের আদর্শের কথা এই বইগুলিতে রয়েছে। বিজেপির মুখপাত্র নরেন্দ্র সালুজা বলেন, “কংগ্রেস আরএসএসকে নিষিদ্ধ করেছিল। দেশগঠন ও দেশপ্রেমের আদর্শ দিতে এখন এসব বই দিয়ে পড়ানো হবে। কংগ্রেস শুধু তোষণের রাজনীতি করেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CS Srinivasan: টাকা দ্বিগুণের প্রলোভন! ১৭ কোটি জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসন

    CS Srinivasan: টাকা দ্বিগুণের প্রলোভন! ১৭ কোটি জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ কোটি টাকার বিনিয়োগ জালিয়াতির তদন্তে এবার কেপিসিসি সেক্রেটারি সিএস শ্রীনিবাসনকে (CS Srinivasan) গ্রেফতার করল কেরল পুলিশ। আগেই এই বিনিয়োগ জালিয়াতির মামলায় নাম জড়িয়েছিল কেরলের কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসনের। আর এবার ১৩ অগাস্ট মঙ্গলবার কালাডি থেকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন তিনি। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, শ্রীনিবাসন আগাম জামিনের আবেদন দাখিল করার পরে আত্মগোপন করে ছিলেন, কিন্তু কালাডি থেকে জেলা কাইম ব্রাঞ্চ তাঁকে গ্রেফতার (Kerala Congress leader arrested) করে।   

    ঠিক কী জানা গিয়েছে? (Kerala Congress leader arrested) 

    শ্রীনিবাসন (CS Srinivasan) ত্রিশুর কর্পোরেশনের স্থায়ী কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান। এছাড়াও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ছিলেন, যে প্রতিষ্ঠানেই বিনিয়োগ জালিয়াতির মামলায় নাম জড়িয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, ত্রিশুরের পুনকুনমের সদর দফতরে আর্থিক সংস্থায় বিনিয়োগ করেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। তবে অভিযোগে বিনিয়োগকারীরা বলেছেন যে হেওয়ান নিধি লিমিটেড এবং হিওয়ান ফাইন্যান্সে তাদের মোটা অঙ্কের টাকা জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাঁচ বছরে টাকা দ্বিগুণ হওয়ার প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল। তাদের মতে, কোম্পানি তাদের টাকা ফেরত না দেওয়ায় প্রায় ১৭ কোটি টাকার জালিয়াতি করেছে।  
    তাদের আরও অভিযোগ, কংগ্রেস নেতা সিএস শ্রীনিবাসন (CS Srinivasan) এবং সুন্দর মেননের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততার উপর আস্থা রেখেই হিওয়ান ফাইন্যান্স এবং হিওয়ান নিধি কোম্পানিতে লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন তাঁরা। তবে এখন কোম্পানি মূল অর্থ বা প্রতিশ্রুত সুদ ফেরত দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। শুধু ব্যর্থই নয়, বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত দিতেও অস্বীকার করেছে ওই প্রতিষ্ঠান। পুলিশের মতে, সংস্থাটি আরবিআই নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে সমস্ত বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। 

    আরও পড়ুন: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের (CS Srinivasan) 

    এই মাসের শুরুতে, ৪ অগাস্ট, ত্রিশুর ক্রাইম ব্রাঞ্চ এই বিনিয়োগ জালিয়াতির মামলায় হিওয়ানের চেয়ারম্যান সুন্দর মেননকে গ্রেপ্তার করে। এই সংক্রান্ত মোট ১৮টি মামলা ইতিমধ্যেই নথিভুক্ত করেছে পুলিশ। প্রায় ৩০০ জন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই পুলিশ হিওয়ান কোম্পানি এবং এর মালিকদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পদক্ষেপ নেবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Har Ghar Tiranga: ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান! আহমেদাবাদের রাস্তায় হাঁটলেন অমিত শাহ

    Har Ghar Tiranga: ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান! আহমেদাবাদের রাস্তায় হাঁটলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই আহমেদাবাদে হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) অভিযানে সামিল হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এই কর্মসূচিতে আহমেদাবাদে ২,১৫১ ফুট লম্বা তিরঙ্গা সহযোগে পদযাত্রা হয়। তিরঙ্গা যাত্রায় সমাজের সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। হর ঘর তিরঙ্গা অভিযান সম্পর্কে অমিত শাহ এর পরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘দেশের যুবসমাজের মধ্যে জাতীয়তাবাদের চেতনাকে জাগিয়ে তোলার জন্যই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আমি সমস্ত গুজরাটবাসীকে অনুরোধ করছি যে ১৫ অগাস্ট রাজ্যের একটি বাড়িও যেন জাতীয় পতাকা ছাড়া না থাকে। আগামী ২৫ বছর আমাদের অমৃত কাল। এই সময় ভারতকে বিশ্বগুরু বানাতে যুব সমাজকে একত্রিত হতে হবে।’’

    চাঁদেও উড়ছে তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) 

    মঙ্গলবার আহমেদাবাদে তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের জাতীয় পতাকা বর্তমানে চাঁদে উড়ছে। এই কৃতিত্ব অন্য কোনও দেশ অর্জন করতে পারেনি। আমরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইতে জয়ী হয়েছি। করোনাকালে আমাদের কোভিড ভ্যাকসিন বিশ্বজুড়ে লড়াইতে নেতৃত্ব দিয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, বুধবারও নিজের দিল্লির বাসভবনের ছাদে জাতীয় পতাকা উত্তোলন (Har Ghar Tiranga) করেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    গত ৯ অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে কর্মসূচি

    প্রসঙ্গত, হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি গত ৯ অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে, তা চলবে আগামীকাল অর্থাৎ ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত। দেশজুড়ে এই অনুষ্ঠানে নাগরিকদের সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এই প্রচার অভিযানে অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীকেও। দেশের সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। দলীয়ভাবে বিজেপিও এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে।

    রাজকোটে ১০ অগাস্ট হাজির ছিলেন নাড্ডা

    গত ১০ অগাস্ট বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা গুজরাটের রাজকোটে তিরঙ্গা যাত্রার (Har Ghar Tiranga) উদ্বোধন করেন। সেই সময় তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘‘নতুনভাবে ভারত তৈরি হচ্ছে। দেশের স্বাধীনতা খুব সহজে আসেনি। হাজার হাজার সৈন্য এবং লক্ষাধিক পরিবার তাঁদের প্রিয়জনদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, ব্যক্তি স্বার্থের ওপরেই দেশকে রেখেছেন তাঁরা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: ‘‘মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে রাজ্যে নারীদের ওপর অত্যাচার বাড়ছে’’, আরজি কর ইস্যুতে তোপ নাড্ডার

    JP Nadda: ‘‘মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে রাজ্যে নারীদের ওপর অত্যাচার বাড়ছে’’, আরজি কর ইস্যুতে তোপ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Issue) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে তুলোধোনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। মঙ্গলবারই তিনি মমতা সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, ‘‘মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে রাজ্যে নারীদের ওপর অত্যাচার বাড়ছে।’’ এই ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

    কী বললেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)?

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের একজন তরুণী ডাক্তারকে ধর্ষণ ও খুন করা হয় যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। গোটা দেশ হতবাক হয়ে গিয়েছে এই ঘটনায়। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এই অমানবিক ঘটনার। আরজি কর হাসপাতালে এমন ঘটনাকে আড়াল করার জন্য অপচেষ্টাও করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ এমন একটি রাজ্যে পরিণত হয়েছে যেখানে আইনের শাসন নেই। দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে মহিলাদের ওপর নির্যাতন বেড়েই চলেছে পশ্চিমবঙ্গে, একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরেও।’’ 

    পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই ঘটনায় অনেক কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে 

    পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই ঘটনায় অনেক কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী (JP Nadda) এবং তিনি বলেন, ‘‘আমি হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি, সিবিআই তদন্ত হবে এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে এর ফলেই সত্য উদঘাটিত হবে। গত দুদিনে অজস্র ডাক্তার সংগঠন আমাদের সঙ্গে দেখা করেছে এবং তাদের আমরা আশ্বাস দিয়েছি যে কেন্দ্রীয় সরকার প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ করবে যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে। ’’

    আইএমএ-এর সভাপতি কী বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর

    প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবারই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করে আইএমএ-র প্রতিনিধি দল। তারা দাবি জানিয়েছে যে প্রতিটা হাসপাতালকে যেন সেফ জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর পাশাপাশি চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থার (RG Kar Issue) সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন যাঁরা তাঁদের জন্য কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে আইএমএ। আইএম-এর প্রেসিডেন্ট আরভি অশোকান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর (JP Nadda) সঙ্গে বৈঠকের পরে বলেন, ‘‘আমাদের প্রধান দাবি যে হাসপাতালগুলিকে সেফ জোন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং সেখানে যথেষ্ট নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: টানা ৩০ বছর! মোদির হাতে রাখি বাঁধবেন তাঁর পাকিস্তানি মুসলিম বোন

    PM Modi: টানা ৩০ বছর! মোদির হাতে রাখি বাঁধবেন তাঁর পাকিস্তানি মুসলিম বোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছরের মতো এবছরও প্রধানমন্ত্রীর হাতে রাখি বাঁধবেন ভারতে নিবাসী এক পাকিস্তান বংশোদ্ভূত মুসলিম মহিলা। তাঁর নাম কমর শেখ। প্রায় তিন দশক ধরে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) রাখি বাঁধেন। এবার ১৯ অগাস্ট সোমবার রাখি বন্ধন (Rakhi Bandhan)। পূর্ণিমার তিথিতে দিল্লি আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। এবার নরেন্দ্র মোদির হাতে রাখি বাঁধলে টানা ৩০ বছর হবে দাদা মোদিকে রাখি পরাবেন বোন কমর।

    মুসলিম মহিলার হাতে রাখি পড়বেন মোদি (PM Modi)

    কমরের জন্ম হয়েছিল পাকিস্তানের করাচি শহরের মুসলিম পরিবারে। ১৯৮১ সালে মহসিন শেখের সঙ্গে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর তিনি ভারতে চলে আসেন। ১৯৯০ সাল থেকে তিনি নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে চলেছেন। দাদা মোদিকে তিনি প্রত্যেক বছর রাখি পরাচ্ছেন। ১৯ অগাস্ট, সোমবার রাখি বন্ধন কামার তাঁর প্রধানমন্ত্রী দাদার (PM Modi) জন্য ৮ থেকে ১০টি রাখি তৈরি করে রেখেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে পছন্দের রাখি তিনি বাঁধবেন নরেন্দ্র মোদির ডান হাতে (Rakhi Bandhan)। কমর জানান, তিনি নিজেই রাখি তৈরি করেন। বাজার থেকে কখনও রাখি কেনেন না। সবচেয়ে সুন্দর যে রাখি তৈরি হয় তা তোলা থাকে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির জন্য।

    মখমলের রাখি উঠবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে (Rakhi Bandhan)

    জানা গিয়েছে, এ বছর প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) দাদার জন্য বিশেষ উপহার প্রস্তুত রেখেছেন কমর। তিনি বলেন, “এ বছর আমি যে রাখি তৈরি করেছি তা মখমলের কাপড়ের উপর তৈরি করেছি। রাখিতে মুক্তো রয়েছে। করোনা অতিমারির আগে ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর রাখি বাঁধতাম। ২০২০, ২০২১ এবং ২০২২ সালে রাখি পাঠালেও নিজে যেতে পারিনি। গত বছর স্বামীর সঙ্গে দিল্লি গিয়ে রাখি বেঁধেছিলাম। এবং এই বছরও, আমি রাখি বাঁধব।”

    ১৯৯০ সালে মোদির সঙ্গে আলাপ হয় কমরের

    জানা গিয়েছে, ১৯৯০ সালে গুজরাটের তৎকালীন রাজ্যপাল প্রয়াত ডক্টর স্বরূপ সিং-এর মাধ্যমে প্রথমবারের মত মোদির সঙ্গে সাক্ষাত হয় কমর শেখের। তিনি বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে স্বরূপ সিং-এর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মোদি। স্বরূপ সিং তখন নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) বলেছিলেন, যে তিনি কমর শেখকে নিজের মেয়ে মনে করেন। এই কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, “এরপর থেকে কমর শেখ তাঁর বোন হবেন।”

    আরও পড়ুন: একসঙ্গে নৃত্য পরিবেশন ১০ হাজার কাশ্মীরি মহিলার, গড়লেন বিশ্ব রেকর্ড

    “তারপর থেকে আমি রাখি বন্ধনের (Rakhi Bandhan) উৎসবে মোদির হাতে রাখি বেঁধে আসছি,” বলেন কমর শেখ। আজকের প্রধানমন্ত্রী তখন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের একজন সাধারণ স্বয়ংসেবক ছিলেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narenda Modi Government: নতুন সম্প্রচার বিলের খসড়া প্রকাশ নিয়ে বড় ঘোষণা মোদি সরকারের

    Narenda Modi Government: নতুন সম্প্রচার বিলের খসড়া প্রকাশ নিয়ে বড় ঘোষণা মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্কের মাঝেই সম্প্রচার পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ বিল নিয়ে ঘোষণা করল কেন্দ্র। প্রস্তাবিত সম্প্রচার পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ বিলের (Broadcasting Regulation Bill) একটি নতুন খসড়া প্রকাশ করা হবে। সোমবার এমনটাই ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নরেন্দ্র মোদি সরকার (Narenda Modi Government) জানিয়েছে যে, সব পক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার পরে সম্প্রচার পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ বিলের নতুন খসড়া প্রকাশ করা হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত মন্তব্য ও পরামর্শ পেতে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। 

    কী জানাল তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক?  (Narenda Modi Government)  

    এর আগে, ২৪-২৫ জুলাইয়ের মধ্যে সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের তাদের কাছে থাকা ফিজিক্যাল কপিগুলি ফেরত দিতে বলে সম্প্রচার পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ বিল (Broadcasting Regulation Bill), ২০২৪-এর খসড়া প্রত্যাহার করেছে সরকার। এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা আগেই জানিয়েছিলেন, বিলটি সম্পূর্ণরূপে পুনর্নির্মাণ করা হবে। তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রক বিলের খসড়া নিয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করছে। এব্যাপারে বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের থেকে একাধিক সুপারিশ-মন্তব্য-পরামর্শ পাওয়া গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: খুচরো মুদ্রাস্ফীতি কমল ৩.৫৪ শতাংশ, পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন, জানাল কেন্দ্র

    আগে কী ঘটেছিল? (Broadcasting Regulation Bill) 

    প্রসঙ্গত, সংসদের বাদল অধিবেশনে নয়া এই সম্প্রচার বিলটির খসড়া উত্থাপন করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। গত বছরের নভেম্বরে এটির খসড়া তৈরি করা হয়। সে সময় এই খসড়া বিলের বিরোধিতা করে সরব হন বিরোধীরা। আপত্তি ওঠে সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকেও। সংবাদমাধ্যম এবং সমাজমাধ্যমে ‘লাগাম পরানোর’ উদ্দেশ্যেই সরকার (Narenda Modi Government) এই বিল আনতে চলেছে বলে সরব হয়েছিলেন বিরোধীরা। নয়া এই বিলের মাধ্যমে সরকার বাক স্বাধীনতা, মানুষের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে বলে তোপ দেগেছিলেন তাঁরা। তবে এরই মাঝে এবার সম্প্রচার পরিষেবা (ব্রডকাস্টিং) নিয়ন্ত্রণ বিল ২০২৪-এর খসড়া প্রতাহ্যার করল কেন্দ্র।   
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share