Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Calcutta Highcourt: “তথ্য প্রমাণ লোপাট হতে পারে”, NIA-কে তদন্তভার দিয়েও চিন্তিত হাইকোর্ট

    Calcutta Highcourt: “তথ্য প্রমাণ লোপাট হতে পারে”, NIA-কে তদন্তভার দিয়েও চিন্তিত হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মরশুমে ফের চাপ বাড়ল শাসকদলের উপর। মুর্শিদাবাদের রামনবমীর মিছিলে হামলার ঘটনায় এবার তদন্ত করবে এনআইএ। এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt) । মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুন। এদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের মন্তব্য, “যত সময় গড়াবে ততই তথ্য প্রমাণ বিকৃতি করার সম্ভাবনা বাড়বে। পুলিশি রিপোর্ট অনুযায়ী বোমা ছোড়ার অভিযোগ রয়েছে।”

    রামনবমীর মিছিলে হামলার তদন্তে এনআইএ (Calcutta Highcourt)

    প্রসঙ্গত গত বছরের মত এবছরও রামনবমীর দিন রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত একাধিক জায়গায় অশান্তির ঘটনা ঘটে কোথাও বাড়ি ছাদ থেকে আবার কোথাও মসজিদ থেকে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে বাড়ি ভাঙচুর থেকে শুরু করে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটে আহত হন বহু রাম ভক্ত। মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এনআইএকে তদন্তভার দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt) ।  শুক্রবার মুর্শিদাবাদের হিংসার ঘটনায় শুক্রবার আদালতে রিপোর্ট জমা দেয় এনআইএ। এর পরই আদালত জানায় মুর্শিদাবাদের রামনবমীর মিছিলে বোমাবাজি ও হামলার ঘটনায় তদন্ত করবে ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কী হয়েছিল রামনবমীর মিছিলে

    চলতি বছর রামনবমীর দিন মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা এলাকার শক্তিপুরে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। প্রথমে একদল দুষ্কৃতী রামনবমীর মিছিলের উপর একতরফা হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল আশপাশের বাড়ি থেকে মুখ ঢেকে বোমা ও পাথর ছুঁড়ছে একদল দুষ্কৃতি। শক্তিপুরের পাশাপাশি মানিক্যহার এলাকাতেও মিছিলের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতিরা। বাড়ির ছাদ থেকে মিছিলকে লক্ষ্য করে সেখানেও হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সিবিআই এবং এনআইএ তদন্তের তদন্তের দাবি জানিয়ে Calcutta Highcourt) দুটি জনস্বার্থ মামলা হয়।

    আরও পড়ুন: ভক্তদের জন্য সুখবর! অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দ্বার

    তথ্য প্রমাণ লোপাটের চিন্তা আদালতের (Calcutta Highcourt)

    প্রসঙ্গত এতদিন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে হিংসার ঘটনার তদন্ত করছিল সিআইডি। তবে এনআইয়ের তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদার। এখন সেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থায়ী তদন্তভার পেল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই মামলার শুনানি চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্ট Calcutta Highcourt) রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে। যত দিন যাবে ততদিন মামলার তথ্য প্রমাণ লোপাট করার বিষয়ে চিন্তা প্রকাশ করে আদালত। এমনকি বহরমপুরে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্যে, “যেখানে মানুষ আট ঘণ্টা শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের উৎসব পালন করতে পারে না, সেখানে ভোটের কোন প্রয়োজন নেই।” একই সঙ্গে প্রধান বিচারপতি জেলাশাসককে নির্দেশ দেন, “ওই জেলায় সংখ্যালঘুদের বিষয়ে কোন মন্তব্য বা প্রচার করতে পারবেন না রাজনীতিকরা। এই বিষয়ে সম্পূর্ণ নজরদারি রাখতে হবে তাঁকে। এ নিয়ে প্রচার করার নির্দেশও দিয়েছে হাইকোর্ট।” মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুন। সেদিন প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে এনআইএ-কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali News:  “সন্দেশখালির মহিলাদের ভয় দেখানো হচ্ছে”, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ মহিলা কমিশনের

    Sandeshkhali News:  “সন্দেশখালির মহিলাদের ভয় দেখানো হচ্ছে”, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ। চর্চায় সন্দেশখালি (Sandeshkhali News) । সন্দেশখালিতে প্রায় ১০০টি মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। এরই মাঝে নির্বাচন কমিশনের কাছে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মার অভিযোগ, “সন্দেশখালির মহিলাদের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন সদনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারকে চিঠি পাঠিয়ে এই অভিযোগ করেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা।

    মহিলা কমিশনের অভিযোগ 

    মহিলা কমিশনের তরফে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে চিঠির প্রতিলিপি পোস্ট করা হয়েছে। তাতে লেখা হয়েছে, আমাদের নজর এসেছে ভোটের মাঝে সন্দেশখালির মহিলাদের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। ভয় দেখানো হচ্ছে। তাদের প্রভাবিত করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন যাতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে। কমিশনের চেয়ারপার্সন ওই অভিযোগপত্রে সরাসরি নালিশ জানিয়েছেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। চেয়ারপার্সনের বক্তব্য, “তৃণমূল কর্মীরা সন্দেশখালির (Sandeshkhali News) মহিলাদের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করছেন। মহিলারা যাতে এই পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে অভিযোগ প্রত্যাহার করতে বাধ্য না হয় সেজন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছে মহিলা কমিশন।”

    ভয় দেখিয়ে স্টিং অপারেশন! (Sandeshkhali News)

    এক্ষেত্রে উল্লেখ্য শাসক দলের ঘনিষ্ঠ এক প্রাক্তন সাংবাদিক বর্তমানে ইউটিউবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali News)  গিয়ে একটি স্টিং অপারেশন করে বলে অভিযোগ। ভয় দেখিয়ে কয়েকজন আন্দোলনকারি এবং এক বিজেপি কর্মীর মুখ থেকে কিছু কথা বলিয়ে নেন বলে অভিযোগ। যদিও ওই বিজেপি কর্মী স্পষ্ট করে বলেছেন, “যে কণ্ঠস্বরটি শোনা যাচ্ছে সেটা তাঁর নয়। আন্দোলনকারী মহিলা বলেছেন তাঁকে মামলা তুলে নেওয়া হবে এই প্রলোভন দেখিয়ে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে চাপ দিয়ে অনেক কথা বলিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরে শাসক দলের তরফে ওই ইউটিউবারের ভিডিওকে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা হয়।

    আরও পড়ুন: জমি হাতিয়েছিলেন শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মিজানুর! সন্দেশখালি গিয়ে খোঁজ নিল সিবিআই

    ভাইরাল ভিডিওর পর আসরে তৃণমূল! (Sandeshkhali News)

    এরপর দেখা যায় আন্দোলনকারি সেজে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী দাবি করেছেন তাদের ওপর নাকি চাপ দেওয়া হয়েছিল অভিযোগ করার জন্য। এ নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতর। এরই মাঝে শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক ডেকে মহিলা কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্ব। শাসকদলের তরফ থেকে সন্দেশখালি জুড়ে যে চাপ তৈরি করা হচ্ছে তাতে সন্দেশখালির (Sandeshkhali News) তদন্ত প্রভাবিত বলে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: জামিন পেয়েও রেহাই নেই! আবগারি দুর্নীতির চার্জশিটে নাম জড়াল দলের

    Arvind Kejriwal: জামিন পেয়েও রেহাই নেই! আবগারি দুর্নীতির চার্জশিটে নাম জড়াল দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েও কেজরির (Arvind Kejriwal) কপালে চিন্তার ভাঁজ। আগে অভিযুক্ত ছিলেন তিনি এবং তাঁর মন্ত্রীরা। এবার জড়িয়ে গেল দলের নাম। সূত্রের খবর ইডি-র চার্জশিটে অভিযুক্ত তালিকায় নাম রয়েছে আপ-এর।

    চার্জশিটে নাম জড়াল দলের 

    ইডি সূত্রে খবর চার্জশিটে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ প্রধান কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) নাম ও অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছে। আবগারি দুর্নীতি মামলায় আগেই দীর্ঘ দিন জেলে কাটিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এবার নাম জড়াল তাঁর পার্টি আম আদমি পার্টির। আবগারি দুর্নীতি সংক্রান্ত বেআইনি আর্থিক লেনদেনে অভিযুক্ত হিসেবে আম আদমি পার্টির (AAP) নামের উল্লেখ রয়েছে ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের চার্জশিটে। শুক্রবার ইডির সূত্র উদ্ধৃত করে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রথম দেশের কোন স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের নামে দুর্নীতি মামলার উল্লেখ হয়েছে চার্জশিটে। তবে এখনও ওই চার্জশিট আদালতে জমা দেয়নি ইডি।

    আম আদমি পার্টিকে কোম্পানির সঙ্গে তুলনা

    প্রসঙ্গত দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেনের সংক্রান্ত শুনানিতে আম আদমি পার্টিকে একটি কোম্পানির সঙ্গে তুলনা করেছিল তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) । শুধু তাই নয় কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) কোম্পানি ডিরেক্টর বলে উল্লেখ করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে। তাদের যুক্তি ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইডি বেআইনী আর্থিক লেনদেন বা পিপালস মানি লন্ডারিং অ্যাক্টর (PMLA) ৭০ নম্বর ধারার কথা উল্লেখ করেছিল আদালতে। কোন কোম্পানির ডিরেক্টর, ম্যানেজার, সেক্রেটারি উচ্চপদস্থ কোন আধিকারিক যদি আর্থিক তছরুপের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে সেক্ষত্রে ঠিক যেভাবে দুর্নীতি হয় সেভাবেই এক্ষেত্রে হয়েছিল বলে দাবি করে ইডি।

    “রাজনীতি করবেন না”, বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    ভোট গণনার দিন থাকতে হবে জেলেই (Arvind Kejriwal)

    লোকসভা ভোটের মাঝে মুক্তি পেলেও ভোট গণনার দিন তাঁকে (Arvind Kejriwal) থাকতে হবে জেলেই। আপাতত ২৩ দিনের জন্য জামিন পেয়েছেন কেজরিওয়াল। যদিও তাঁর আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘবি  জামিনের মেয়াদ ৫ জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়ার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তাতে সরাসরি না বলে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে ২ জুন কেজরিওয়ালকে পুনরায় আত্মসমর্পণ করতে হবে। অর্থাৎ লোকসভা নির্বাচন শেষ দফার ভোটগ্রহণের সময় জেলের বাইরে থাকবেন কেজরি। কিন্তু পরের দিনই তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আবগারি দুর্নীতি মামলায় ২১ মার্চ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তারপর থেকে জামিন পাওয়ার অনবরত চেষ্টা করেছেন কেজরিওয়াল। আপাতত অল্প স্বস্তি পেলেও পুনরায় তিহার জেলে ফিরে আসতে হবে। কারণ তাঁকে শর্ত সাপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। জামিন পেলেও মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। যদিও তাতে আপত্তি জানার নেই কেন্দ্রের আইনজীবী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যায় হ্রাস, ‘‘কংগ্রেসের হাতে দেশ ছাড়লে…’’, তোপ বিজেপির

    India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যায় হ্রাস, ‘‘কংগ্রেসের হাতে দেশ ছাড়লে…’’, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর ইকোনমিক অ্যাডভাইসারি কাউন্সিলের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতে হিন্দুদের সংখ্যা কমেছে ৭.৮%। অন্যদিকে, এই সময় দ্রুত বেড়েছে সংখ্যালঘু মুসলমান-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ সমেত অন্যান্য সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা। এই ইস্যুতে বিজেপি তোপ দেগেছে কংগ্রেসকে (India Hindu Population)। পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা বিজেপির সর্বভারতীয় আইটি সেলের ইনচার্জ অমিত মালব্য হিন্দু জনসংখ্যা কমার জন্য কংগ্রেসকেই দায়ী করেছেন। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘‘যদি কংগ্রেসের হাতে দেশকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে এই পৃথিবীতে কোনও দেশই আর হিন্দুদের থাকবে না।’’

    উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্যের তোপ

    অমিত মালব্যের মতোই উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য একইভাবে তোপ দেগেছেন কংগ্রেসকে। তিনি জানিয়েছেন, কংগ্রেসের মুসলিম তোষণ নীতির কারণেই দেশে দ্রুত বেড়েছে মুসলিম জনসংখ্যা এবং কমেছে হিন্দু জনসংখ্যা। এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেশব প্রসাদ মৌর্য বলেন, ‘‘কংগ্রেস পার্টি চিরকালই (India Hindu Population) মুসলিম তোষণ করে এসেছে। জনসংখ্যার ভারসাম্য থাকছে না বলেই প্রয়োজন হয়েছে ইউনিফর্ম সিভিল কোড-এর। ইউনিফর্ম সিভিল কোড লাগু হলে হিন্দু মুসলিম সমেত অন্যান্য সমস্ত সম্প্রদায় শুধুমাত্র একটি বিয়েই করতে পারবে।’’ কেশব প্রসাদ মৌর্য সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, ‘‘ইউনিফর্ম সিভিল কোড লাগু হলে ‘হাম ৫ হামারে ২৫’- এই ফর্মুলা কাজ করবে না।’’

    কমেছে হিন্দুর হার

    ১৯৫০ সাল থেকে ২০১৫ এই পর্বে ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার ভাগ ৮৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৭৮ শতাংশ। এই সময় মুসলমানদের ভাগ ৯.৮৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪.০৯ শতাংশ। ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা যে হারে কমছে, সেদিক থেকে ভারতের স্থান হয়েছে পড়শি দেশ মায়ানমারের পরেই। এখানে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ১০ শতাংশ। ভারতে এই হার ৭.৮ শতাংশ। হিন্দুর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ভারতের আর এক প্রতিবেশী দেশ নেপালেও। এখানেও হিন্দুরাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। তবে তাদের বৃদ্ধির হার মাত্রই ৩.৬ শতাংশ। যে রিপোর্টের ভিত্তিতে এসব বলা হচ্ছে, তা সংগ্রহ করা হয়েছে বিশ্বের ১৬৭টি দেশ থেকে। গবেষণাপত্রটির লেখকদের মতে, বিভিন্ন দিক থেকে বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা কেবল নিরাপদেই রয়েছেন তা নয়, তাঁরা ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে (India Hindu Population)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Row: আর ভুল হবে না! মোদীকে কটাক্ষ প্রসঙ্গে ভারতে এসে নতিস্বীকার মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর

    India Maldives Row: আর ভুল হবে না! মোদীকে কটাক্ষ প্রসঙ্গে ভারতে এসে নতিস্বীকার মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বিরুদ্ধে মলদ্বীপের কয়েকজন মন্ত্রীদের অবমাননাকর (India Maldives Row) মন্তব্য প্রসঙ্গে ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন বিদেশমন্ত্রী মুসা জমির। ভারতে তার প্রথম সরকারি সফরে এসে বলেছেন, “তার সরকার ওই নেতাদের মন্তব্য থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে এবং “সঠিক ব্যবস্থা” নিয়েছে। ওই ঘটনার কোনও পুনরাবৃত্তি হবে না। নিশ্চিত করবে মলদ্বীপ।” 

    নতিস্বীকার মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে মালদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী জমির বলেছেন, ” আমরা আগেই বলেছি ভারতের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে যে মন্তব্য করা হয়েছে তা আমাদের সরকারের অবস্থান নয় বা এটি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নয়। এবং আমরা বিশ্বাস করি এটি করা উচিত ছিল না। এবং তারপরে এটি যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

    প্রসঙ্গত ভারতে এসেছিলেন মলদ্বীপের (Maldives) বিদেশমন্ত্রী মুসা জমির। দেখা করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। মুইজ্জু (Md. Muijju) ক্ষমতায় এসে ভারতের বিরুদ্ধে উগ্র মনোভাব (India Maldives Row) দেখালেও ধীরে ধীরে ভারত ছাড়া যে তাদের গতি নেই তা ভালই বুঝতে পেরেছে দ্বীপরাষ্ট্রের সরকার পক্ষ।ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jaishakar) মুসা জমিরের (Musa Jameer) সঙ্গে সাক্ষাৎকারের পর বলেন, “ভারত (India) ও মলদ্বীপর সম্পর্ক পারস্পরিক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সংবেদনশীলতার উপর নির্ভরশীল। আমরা অতীতে মলদ্বীপকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি। কোভিড কালে ভ্যাকসিন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পাঠিয়েছি। দেশটির বিপদের সময় ভারত পাশে ছিল।”  প্রসঙ্গত মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর (India Maldives Row) এটাই মুসা জমিরের প্রথম ভারত সফর। প্রথম সফরের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একটি ভালো সফর ছিল এবং ভারতের তরফে খুবই উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আমাদের আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে। আমি ভারত সরকারকে এবং ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রককে ধন্যবাদ জানাই।”

    আরও পড়ুন: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    দূরত্ব বজায় নীতি থেকে সরছে মলদ্বীপ (India Maldives Row)

    প্রসঙ্গত ১৯৬৫ সালে মলদ্বীপ যখন স্বাধীন হয়েছিল তখন ভারত মলদ্বীপকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলির মধ্যে প্রথম ছিল। কিন্তু রাজনীতির স্বার্থে মুইজ্জু প্রথম থেকেই ভারত বিরোধী নীতি নিয়েছিলেন। “ইন্ডিয়া আউট” (India Maldives Row) স্লোগান তুলে তিনি দেশের মসনদে বসেন। স্বাভাবিকভাবেই ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার নীতি তার রাজনীতির অঙ্গ ছিল। দেশের মসনদে বসে তিনি প্রথমে চিন সফরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেই তিনি বুঝতে পারেন ভারত ছাড়া তাঁর চলবে না। যদিও ভারত কখনই মুইজ্জুর বিরোধিতার পরেও মলদ্বীপকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করেনি। সম্প্রতি মলদ্বীপকে ভারত চিনি, গম, চাল, পেঁয়াজ এবং ডিম সহ প্রয়োজনীয় পণ্যের  রফতানির ঘোষণা করেছে। যাতে ওই দেশের মানুষ রাজনীতির শিকার হয়ে খাদ্যাভাবে না ভোগেন। 

    প্রথম সফরের অভিজ্ঞতা বয়ান মন্ত্রীর

    মলদ্বীপের বিদেশ মন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন, “নয়া দিল্লিতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয় শংকরের সঙ্গে দেখা করে আনন্দিত। আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের আমাদের দীর্ঘ ইতিহাসকে প্রতিফলিত করেছি। আমরা দুই দেশের (India Maldives Row) মধ্যে সম্পৃক্ততা এবং আদান-প্রদানের বিষয়ে অনুকূল দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Padma Awards 2024: দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত হলেন চিরঞ্জিবী ও বৈজয়ন্তীমালা

    Padma Awards 2024: দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত হলেন চিরঞ্জিবী ও বৈজয়ন্তীমালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রাষ্ট্রপতির হাত থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালা ও দক্ষিণী তারকা চিরঞ্জিবী (Actor Chiranjivi) । তাঁদের পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের দরবার হলে পদ্ম সম্মানের (Padma Awards 2024) পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

    সপরিবারে এসেছিলেন চিরঞ্জীবী

    চিরঞ্জীবী যখন রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার (Padma Awards 2024) নিচ্ছিলেন তখন উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুরেখা, ছেলে অভিনেতা রামচরণ এবং তাঁর স্ত্রী উপাসনা কনিডেলা। কালো বন্ধগোলা স্যুটে দরবার হলে এসেছিলেন চিরঞ্জীবী। বর্ষীরান অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালা এদিন হলুদ রঙের শাড়ি পরে উপস্থিত হয়েছিলেন পদ্ম সম্মানের অনুষ্ঠানে। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পদ্ম সম্মানের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল বহু মানুষকে। এর মধ্যে ৫ জনকে পদ্মবিভূষণ, ১৭ জনকে পদ্মভূষণ এবং ১১০ জনকে পদ্মশ্রী পুরষ্কারে সম্মানিত করা হয়েছিল। চলতি বছর অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালা, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু, তেলেগু সিনেমার সুপারস্টার চিরঞ্জীবী, নৃত্যশিল্পী পদ্মা সুব্রমান্যম, ও সুলভ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিন্দেশ্বর পাঠককে  পদ্মবিভূষন (Padma Awards 2024) পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

    মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর, ট্রোল নেটিজেনদের

    মিঠুন ও উষা পেয়েছিলেন পদ্মভূষন 

    অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) , গায়িকা উষা উথুপ, ও রাজাগোপাল, কেরালার বিজেপি নেতা তেজস মধুসূদন প্যাটেল, গুজরাটের কার্ডিওলজিস্ট রাম নায়েক, প্রবীণ বিজেপি নেতা এবং উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপাল হরমুসজি এন. কামা, বোম্বে সমাচারের সিনিয়র প্রকাশক শিল্পপতি সীতা রাম জিন্দাল, প্রবীণ মারাঠি চলচ্চিত্র পরিচালক দত্তাত্রয় আম্বাদাস মায়ালু, হিন্দি সঙ্গীত পরিচালক প্যারেলাল শর্মা এবং সিনিয়র সাংবাদিক কুন্দন ব্যাসও চলতি বছর পদ্মভূষণে (Padma Awards 2024) ভূষিত হয়েছেন।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে যারা পেলেন পদ্মশ্রী 

    এবছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে মরণোত্তর পদ্মভূষণ (Padma Bhushan) পেয়েছেন সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়। বাংলা থেকে পদ্মশ্রী (Padma Awards 2024)সম্মান পেয়েছেন আটজন। পুরুলিয়া জেলার আদিবাসী পরিবেশকর্মী দুখু মাঝি, ছৌ নাচের মুখোশ শিল্পী নেপালচন্দ্র সূত্রধর। নেপালচন্দ্রকে মরণোত্তর এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। মৃৎশিল্পী সনাতন রুদ্রপাল (Sanatan Rudra Pal) ও ভাদুশিল্পী রতন কাহার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগে পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছেন একলব্য শর্মা ও নারায়ণ চক্রবর্তী। শিল্পে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তাকদিরা বেগম এবং গীতা রায় বর্মন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kedarnath Dham: ভক্তদের জন্য সুখবর! অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দ্বার

    Kedarnath Dham: ভক্তদের জন্য সুখবর! অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দ্বার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে লম্বা অপেক্ষার অবসান। ৬মাস টানা বন্ধ থাকার পর অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্য দিন থেকে ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হল কেদারনাথ ধামের (Kedarnath Dham) দরজা। অগণিত ভক্তদের অপেক্ষা থাকে এই বিশেষ দিনের। গত বছর এপ্রিলেই কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রীর দরজা খুলে গেলেও এবার অপেক্ষা করতে হল মে মাস পর্যন্ত। শুক্রবার অর্থাৎ ১০ মে খুলে গেল কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রীর দরজা। সকাল ৭টায় খুলল মন্দিরের দরজা। প্রথম দর্শনের জন্য ইতিমধ্যেই ভিড় জমিয়েছেন ভক্তরা। যদিও বদ্রীনাথের দরজা ভক্তদের জন্য খুলবে ১২ মে।   

    চারধাম যাত্রা (Char Dham Yatra 2024)

    চারধাম যাত্রার জন্য অনলাইন রিজার্ভেশন শুরু হয়েছিল ১৫ এপ্রিল থেকে। ভক্তরা চারধাম যাত্রা শুরু করেন যমুনোত্রী থেকে। তারপর গঙ্গোত্রী ও কেদারনাথ ধাম (Kedarnath Dham) হয়ে শেষ হয় বদ্রিনাথ ধামে। হিন্দু ধর্মে এই চারধাম যাত্রার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতিবছর মূলত এপ্রিল-মে থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা শুরু হয় আর শেষ হয় অক্টোবর-নভেম্বর মাসে। বিশ্বাস করা হয় যে একজন ভক্ত ঘড়ির কাঁটার দিক নির্দেশ মেনে এই পবিত্র যাত্রা সম্পূর্ণ করে থাকেন। 

    পুজোর রীতি (Kedarnath Dham)

    শীত পড়তে না পড়তেই আবহাওয়ার উপর ভিত্তি করে নভেম্বরের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় কেদারনাথ ধামের (Kedarnath Dham) দরজা। নিয়ম অনুযায়ী, বৈশাখের তৃতীয়া তিথি অর্থাত্‍ অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকেই ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হয় কেদারনাথ মন্দিরের প্রধান দরজা। ৬মাস টানা বন্ধ থাকার পর কেদারনাথ মন্দিরে নিয়ে এসে পুজো করা হয় ভৈরবনাথকে। কেদারনাথ মন্দির খোলার জন্য রয়েছে বেশ কিছু রীতি। প্রতিবছর এই প্রথা মেনেই কেদারনাথে মূর্তি দোলায় করে নিয়ে যাওয়া হয়। আর সেই বিশেষ দিনটি হল অক্ষয় তৃতীয়া। শুধুমাত্র এপ্রিল মাসের শেষ থেকে কার্তিক পূর্ণিমা অবধি খোলা থাকে মন্দির। আর শীতের সময়, কেদারনাথ মন্দিরের মূর্তিগুলিকে ছয় মাসের জন্য উখিমঠে নিয়ে গিয়ে পুজো করা হয়। জানা গিয়েছে, এবছর অক্ষয় তৃতীয়ার দিন উখিমঠের ওমকারেশ্বর মন্দিরে পুজো হবে ভৈরবনাথের। ভগবান শিবের পাঁচটি মন্দির কেদারনাথ, মদমহেশ্বর, তুঙ্গনাথ, রুদ্রনাথ, কল্পনানাথের সম্মিলিত পুজো দিয়ে পঞ্চ কেদারের শীতকালীন আসন উখিমঠের ওমকারেশ্বর মন্দিরে ভগবান ভৈরবনাথের পুজোর মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর পঞ্চমুখী ডলি বা দোলায় চড়ে ভৈরবনাথ মূর্তি কেদারনাথ ধামের (Kedarnath Dham) উদ্দেশ্যে রওনা হয়। যে সময় ভৈরবনাথ মূর্তি কেদারনাথ ধামের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সে সময় হেলিকপ্টার থেকে ফুল বর্ষণ করা হয়। ইতিমধ্যেই হাজার হাজার ভক্তের উল্লাস নিয়ে কেদারনাথে পৌঁছেছে বাবা কেদারের পঞ্চমুখী ডলি।

    আরও পড়ুন: মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর, ট্রোল নেটিজেনদের 

    ভক্তদের আমন্ত্রণ উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর 

    এবছর কেদারনাথ মন্দির (Kedarnath Dham) সাজানো হয়েছে ৪০ কুইন্টাল ফুল দিয়ে। ইতিমধ্যে সমাজমধ্যম সেই ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমানে ফুল সেখানে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই মন্দির সজ্জায় উচ্ছ্বসিত তীর্থযাত্রীরা। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি সমাজমাধ্যমে কেদারনাথ ধামে ভক্তদের স্বাগত জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Adhai Din Ka Jhonpra: রাজস্থানে সংস্কৃত স্কুল ভেঙে তৈরি হয়েছিল মসজিদ! পরিদর্শন করলেন জৈন সাধুরা

    Adhai Din Ka Jhonpra: রাজস্থানে সংস্কৃত স্কুল ভেঙে তৈরি হয়েছিল মসজিদ! পরিদর্শন করলেন জৈন সাধুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মঙ্গলবার জৈন সম্প্রদায়ের একটি দল মুনি সুনীল সাগরের নেতৃত্বে দ্বাদশ শতকের মসজিদ ‘আড়াই দিন কা ঝোঁপরা’ (Adhai Din Ka Jhonpra) পরিদর্শন করেন। রাজস্থানের আজমের জেলাতে অবস্থিত রয়েছে এই মসজিদ। জানা যায়, এই মসজিদ আগে ছিল একটি সংস্কৃত স্কুল। মুসলিম শাসনের তা ভেঙে মসজিদের রূপান্তরিত করা হয়।

    কাঠামো পরিদর্শন

    প্রসঙ্গত, মসজিদের আশেপাশে থাকা স্থানীয়রা দাবি করেন, ওই সন্ন্যাসীরা কোনও রকমের পোশাক না পরে ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। কিন্তু এরপরেই সন্ন্যাসীরা দাবি করেন, যে এটা হল তাঁদের অধিকার। জৈন সম্প্রদায়ের এই মসজিদ পরিদর্শনের সময় তাদের সঙ্গে যোগ দেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মকর্তারাও। তবে এই মসজিদ পরিদর্শনের (Adhai Din Ka Jhonpra) সময় সেখানকার কেন্দ্রীয় অঞ্চলে তাঁরা প্রবেশ করেননি।

    কী বললেন মুনি সুনীল সাগর?  

    সন্তদের দলের নেতা মুনি সুনীল সাগর সেখানে একটি পাথরের উপরে উঠে দশ মিনিট বক্তব্য রাখেন। ভাষণে তিনি বলেন, ‘‘এই ধাঁচা (Adhai Din Ka Jhonpra) তাদের আসল মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত। প্রার্থনা করা যদি আমাদের চিরাচরিত প্রথা হয়, তবে তাই এখানে করা উচিত। আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত। আমরা সত্যটাকে স্বীকার না করে অন্যের সম্পত্তির ওপর দখল দিই, তখন তা শত্রুতা বৃদ্ধি করে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমাদের সম্প্রীতির জন্য কাজ করতে হবে।’’

    মন্দিরের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

    জানা যায়, এই সংস্কৃত কলেজটির নাম ছিল সরস্বতী কন্ঠভরণ মহাবিদ্যালয় (Adhai Din Ka Jhonpra)। এই মন্দিরটি উৎসর্গ করা হয়েছিল মাতা সরস্বতীকে। এই কলেজটি তৈরি করেছিলেন মহারাজা চতুর্থ বিগ্রহরাজ। তিনি ছিলেন চৌহান বংশের রাজা। জানা যায়, মূল ভবনটি ছিল বর্গাকার আকৃতির। তার প্রতিটি কোণে একটি করে টাওয়ার ছিল এবং এই ভবনের পশ্চিম পাশে মাতা সরস্বতীর মন্দির ছিল। পরবর্তীকালে দাদ্বশ শতকে এই স্থাপত্য ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maldives Foreign Minister: মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর, ট্রোল নেটিজেনদের

    Maldives Foreign Minister: মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর, ট্রোল নেটিজেনদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী (Maldives Foreign Minister) মুসা জমির আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সফরে এসেছেন। তাঁর এই সফর ঘিরে নেটাগরিকরা ব্যাপক ট্রোল শুরু করেছেন। কেউ কেউ লেখেন, মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে। এদেশে রওনা হওয়ার আগে মুসা জমির একটি ট্যুইট করেন এবং যেখানে তিনি লেখেন, ‘‘ভারতের বিদেশমন্ত্রক জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করার বিষয়ে তিনি মুখিয়ে রয়েছেন।’’ ওই ট্যুইটে তিনি আরও লিখেছেন, ‘‘দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্যে তাদের আলোচনা চলবে।’’

    নয়া দিল্লিতে নেমে কী জানালেন মুসা জমির

    অন্যদিকে, নয়া দিল্লিতে নেমে মুসা জমির (Maldives Foreign Minister) লেখেন,‘‘নতুন দিল্লিতে প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতে এলাম। ইতিবাচক আলোচনার দিকে তাকিয়ে আছি। দুই দেশের মধ্যে সন্ধি স্বাক্ষরিত হবে। এর পাশাপাশি ভারতের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে উপভোগ করব।’’

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের ট্যুইট

    অন্যদিকে মলদ্বীপের মন্ত্রীর (Maldives Foreign Minister) এমন সফরে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ‘‘মুসা জমিরকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হচ্ছে। বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক এবং আঞ্চলিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা করা হবে।’’

    চিনপন্থী মুইজ্জু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে নামেন

    প্রসঙ্গত, মলদ্বীপের (Maldives Foreign Minister) রাষ্ট্রপ্রধান চিনপন্থী মুইজ্জু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে নামেন। মলদ্বীপ থেকে ভারতের সেনা সরানোর পক্ষে সওয়াল করেন। এনিয়ে বিবিসি-কে সাক্ষাৎকারও দেন তিনি। এছাড়াও একাধিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত সামনে এসেছে। সম্প্রতি শেষ হওয়া নির্বাচনে ফের ক্ষমতায় এসেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: “আগামী বছরেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে ভারত” দাবি অর্থমন্ত্রী নির্মলার

    Nirmala Sitharaman: “আগামী বছরেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে ভারত” দাবি অর্থমন্ত্রী নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:আর মাত্র এক বছরের অপেক্ষা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠন করার পরই ভারত আগামী বছরের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। ঝাড়খণ্ডে বৃহস্পতিবার নির্বাচনী জনসভায় এমনই দাবি করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। তাঁর কথায়, অদূর ভবিষ্যতে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত। চিন, জার্মানি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় দেশগুলি বর্তমানে আর্থিক সংকটে রয়েছে। কিন্তু তারই মধ্যে এগিয়ে চলেছে ভারতের অর্থনীতি।

    কী বললেন নির্মলা

    বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্যের সময় নির্মলা (Nirmala Sitharaman) জানান, ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত করার কথা আগেও বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর কথামতোই এগিয়ে চলেছে দেশ। মোদি সরকার তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এলেই সামনের বছরই অর্থনীতিতে কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে দেশ। নির্মলা বলেন, ” প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ভারতের অর্থনীতি আগামী বছর পঞ্চম স্থান থেকে তৃতীয় স্থানে পৌঁছে যাবে। ভারতের জিডিপি ক্রমশ বাড়ছে। ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম উজ্জলতম স্থান। সম্প্রতি ব্রিটিশ যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হয় ভারত।  ভারত এখন শুধুমাত্র আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, চিন, জাপান ও জার্মানির পেছনে রয়েছে।”  দেশের মঙ্গল এবং দুর্নীতিমুক্ত শাসনের জন্য ঝাড়খণ্ডবাসীকে ভোট দিতে আহ্বান জানান নির্মলা। 

    আরও পড়ুন: ‘ছাপ্পা কমতেই বাংলায় কমেছে ভোটের হার’ দাবি নির্বাচন কমিশনের

    রেটিং এজেন্সিদের মতে

    বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধমান অর্থনীতি হিসাবে ভারতের কথা উল্লেখ করছেন বিশেষজ্ঞরা। অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে, ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন রাজ্য একাই ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। যা খুবই স্বাস্থ্যকর একটি পরিবেশ। 8 মে, প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরন বলেছিলেন যে ২০২৪ অর্থনৈতিক বর্ষে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ স্পর্শ করার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। সাম্প্রতিক সমীক্ষায় কেন্দ্রের পূর্বাভাস, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের অর্থনীতি ৭ শতাংশ হারে বাড়বে। চলতি অর্থবছরে অর্থনীতি ৭.৩% হারে বাড়বে বলে সরকারের অনুমান। বিশেষজ্ঞমহলের মতে, এই আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাসকে মাথায় রেখেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) এই দাবি করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share