Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশে ১১ বার ভাষণ! মোদি হতে চলেছেন তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশে ১১ বার ভাষণ! মোদি হতে চলেছেন তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দেশের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) দিল্লির লালকেল্লায় বক্তব্য রাখবেন। প্রসঙ্গত, নরেন্দ্র মোদি হতে চলেছেন তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি ১১ বার স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day) বক্তব্য রাখবেন। চলতি বছরের ৪ জুন লোকসভা ভোটের ফলাফল বের হয়। দেখা যায়, ফের ক্ষমতায় ফিরেছে এনডিএ জোট। এরপরেই ৯ জুন তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি। তখনই তিনি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর রেকর্ডকেও স্পর্শ করেন।

    নেহরু ও ইন্দিরার পরেই ১১ বার ভাষণ দেবেন মোদি (PM Modi) 

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জওহরলাল নেহরু টানা তিনবার পূর্ণ মেয়াদে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। জওহরলাল নেহরু ১৭ বার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন স্বাধীনতা দিবসে। অন্যদিকে, ১৯৬৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৭৭ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এবং তার পরবর্তীকালে ১৯৮০ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৮৪ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। তিনি অবশ্য টানা তিনবার ক্ষমতায় ফেরেননি। ইন্দিরা গান্ধী ১৬ বার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। এরপরেই স্থান পেতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), তিনি লালকেল্লা থেকে ১১ বার বক্তৃতা করবেন জাতির উদ্দেশে। অর্থাৎ নেহরু, ইন্দিরার পরেই তিনি হচ্ছেন এদিক থেকে তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী।

    ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণ 

    লালকেল্লায় ভাষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) পরেই রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, যিনি ১০ বার স্বাধীনতা দিবসে বক্তব্য দিয়েছেন। গতবারই মনমোহনের রেকর্ড স্পর্শ করেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৪ সালে ইউপিএ সরকারকে পরাস্ত করে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসেন নরেন্দ্র মোদি। সে বছরের স্বাধীনতা দিবসে তিনি প্রথমবার বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তাঁর সেই লালকেল্লার ভাষণে তিনি স্বচ্ছ ভারত এবং জনধন অ্যাকাউন্টের মতো নতুন কর্মসূচিরও ঘোষণা করেন।

    স্বাধীনতা দিবসে গড়ে ৮২ মিনিট ভাষণ দেন মোদি (PM Modi)

    স্বাধীনতা দিবসে নরেন্দ্র মোদি, অন্য যে কোনও প্রধানমন্ত্রীর থেকে দীর্ঘক্ষণ বক্তব্য রাখেন। তথ্য বলছে, এর আগে দশবার স্বাধীনতা দিবসে তিনি গড়ে ৮২ মিনিট করে বক্তৃতা করেছেন। নরেন্দ্র মোদির পরে স্থান রয়েছে আই কে গুজরালের। ১৯৯৭ সালে লালকেল্লায় (Independence Day) তিনি বক্তব্য রেখেছিলেন ৭১ মিনিট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গড় ৮২ মিনিট বক্তব্য দিলেও, ২০১৭ সালে তিনি ভাষণ দেন ৫৫ মিনিট। অন্যদিকে, ২০১৬ সালে নরেন্দ্র মোদি বক্তব্য রেখেছিলেন ৯৪ মিনিট। ১৯৪৭ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জহরলাল নেহরু বক্তব্য রেখেছিলেন ২৪ মিনিট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: আমেদাবাদ-মুম্বই রুটে প্রথম ২০ কোচ বিশিষ্ট বন্দে ভারত ট্রেনের ট্রায়াল শুরু

    Vande Bharat: আমেদাবাদ-মুম্বই রুটে প্রথম ২০ কোচ বিশিষ্ট বন্দে ভারত ট্রেনের ট্রায়াল শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম ২০ কোচ বিশিষ্ট বন্দে ভারত (Vande Bharat) ট্রেনের আমেদাবাদ-মুম্বই (Ahmedabad-Mumbai route) রুটে ট্রায়াল শুরু হল। বর্তমানে ১৬ কোচ বিশিষ্ট বন্দে ভারত ট্রেনের দুটি জোড়া ট্রেন এই রুটে চলাচল করছিল। প্রতিটি ১৬ কোচের ট্রেনে ১১২৮ জন যাত্রী নেবার ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রথম শ্রেণীর বগি রয়েছে, যার একটিতে ৫২টি আসন রয়েছে এবং চেয়ার কার বগিগুলিতে ৭৮টি জন আসন রয়েছে। এবার নতুন ২০ কোচ ট্রেনটির ক্ষমতা প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে যাত্রীদের আরও বেশি নিরাপদ, আরামের সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা থাকবে।

    গতি হবে ১৩০ কিমি প্রতি ঘণ্টা (Vande Bharat)

    যাত্রীদের সামগ্রিক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা এবং চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। ট্রায়ালে এই ট্রেনের (Vande Bharat) সর্বোচ্চ গতি ১৩০ কিমি প্রতি ঘন্টা হবে। ভারতীয় রেলের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার একটি মূল পদক্ষেপ ছিল মুম্বই-আমেদাবাদ-দিল্লি করিডোরে সেমি-হাই-স্পিড বন্দে ভারত ট্রেন চালানো হবে। ভারতীয় রেলের গবেষণা, ডিজাইন এবং স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশন (RDSO) এবং বিভিন্ন বিভাগের সিনিয়র রেল ইঞ্জিনিয়ারদের যৌথ উদ্যোগে ট্রায়ালটি সম্পূর্ণ হয়েছে।

    ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট পর্যন্ত কম লাগবে

    আগে জানানো হয়েছিল, বন্দে ভারত (Vande Bharat) ট্রেনগুলি মুম্বই-আমেদাবাদ (Ahmedabad-Mumbai route) রুটে ১৬০ কিমি প্রতি ঘন্টা বেগে ট্রায়াল দেওয়া হবে। এর প্রস্তুতির জন্য লাইনের ধারণ ক্ষমতা ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে জিও-সেল ব্যবহার করে ১২০ টিরও বেশি সেতুপথকে শক্তিশালী করা হয়েছে। একই ভাবে অতিরিক্ত ১৩৮টি সেতুর পুনর্নির্মাণ এবং সাতটি সেতুকে ব্যালাস্টেড ডেক দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। রেলপথ বরাবর ১৩৪টি বক্রপথকে সোজা করা হয়েছে। কংক্রিট স্লিপার এবং ট্র্যাক কুশনিংয়ের ক্ষমতাকেও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই পরিমার্জনের উপর নির্ভর করে বর্তমানে ১২০-১৩০ কিমি প্রতি ঘন্টা থেকে ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় গতি বৃদ্ধি করা হতে পারে। ফলে মুম্বই এবং আমেদাবাদের মধ্যে যাওয়ার সময় ব্যবধান ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট পর্যন্ত কম হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ নভেম্বরেই রাজ্যসভায় পাশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? আত্মবিশ্বাসী মোদি সরকার

    অনুমান খরচ ৩৯৫৯ কোটি টাকা

    মুম্বই-সুরাট-ভাদোদরা-দিল্লি করিডোরেও একইভাবে কাজ করা হচ্ছে। ভারতের পশ্চিম রেলের মুম্বই-আমেদাবাদের রুটের এই প্রকল্পটির (Vande Bharat) খরচ অনুমান বরাদ্দ হয়েছিল ৩৯৫৯ কোটি টাকা। অপরদিকে দিল্লির রুটের জন্য মোট খরচ বরাদ্দ হয়েছিল প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকা। বর্তমানে, বন্দে ভারত, তেজস এবং শতাব্দী এক্সপ্রেস সহ আরও ৫০ টিরও বেশি ট্রেন, মুম্বই এবং আমেদাবাদের মধ্যে চলাচল করে। এই রুটের একাধিক ট্রেন বিভিন্ন বিভাগে ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টা থেকে ১১০ কিমি প্রতি ঘন্টা বেগে চলে। ট্রেনের যাত্রী বৃদ্ধি করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে, ভারতীয় রেল ১৪৭৯ কিমি দিল্লি-মুম্বাই করিডোর এবং ১৫২৫ কিমি দিল্লি-হাওড়া করিডোরের দিকেও নজর দিয়েছে। মুম্বই-দিল্লি রুটের প্রায় ৫০ শতাংশ পশ্চিম রেলের অধীনে রয়েছে। আর বাকিটা পশ্চিম মধ্য রেলওয়ে এবং উত্তর রেলওয়ে দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Demography Change: অবৈধ বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করতে ঝাড়খণ্ড প্রশাসনকে নির্দেশ আদালতের

    Demography Change: অবৈধ বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করতে ঝাড়খণ্ড প্রশাসনকে নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাঁওতাল অঞ্চলে অনুপ্রবেশকারী ও অবৈধ বাংলাদেশিদের (Demography Change) চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সম্প্রতি ঝাড়খণ্ড সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে সে রাজ্যের (Jharkhand) হাইকোর্ট। এক্ষেত্রে আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুপ্রবেশের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট বহিরাগত আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করেছে।

    জনবিন্যাস বদলের ফলে আদি বাসিন্দারাই এখন সংখ্যালঘু (Demography Change)

    জানা গিয়েছে, জামশেদপুরের এক বাসিন্দা দানিয়াল দানিশ ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) উচ্চ আদালতে একটি জনস্বার্থ মামলা দাখিল করেন। মামলায় তিনি আদালতের কাছে দাবি করেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ব্যাপকভাবে সাঁওতাল পরগনা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এবং তারা জনবিন্যাসে বদল (Demography Change) ঘটিয়েছে। এই অঞ্চলের যাঁরা আদি বাসিন্দা সেই আদিবাসী সমাজের মানুষরা এখানে সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন। প্রধানত, বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া, পাকুর, দুমকা, সাহেবগঞ্জ এবং দেওঘর এই ছটি জেলাতে ব্যাপকভাবে জনসংখ্যার বদল ঘটিয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে কয়েক বছরের মধ্যে স্থানীয়দের অস্তিত্ব সংকটের সম্মুখীন হবে। এই সকল অনুপ্রবেশকারীরা দলিত এবং আদিবাসীদের জমি ও কেড়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

    জনবিন্যাস বদলে দিচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা (Jharkhand)

    ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) উচ্চ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজিত নারায়ন প্রসাদ এবং বিচারপতি অরুণ কুমার রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ এ মামলার শুনানি করছে। ৮ অগাস্ট  সাঁওতাল পরগনা অঞ্চলে ১৯৫১ সাল থেকে ২০১১ সালের আদমশুমারির তথ্য এবং পরিবর্তনশীল জনসংখ্যার বিন্যাসের তথ্য (Demography Change), আবেদনকারীর তরফ আদালতে জমা দেওয়া হয়। সাঁওতাল পরগনা অঞ্চলে আদিবাসীদের জনসংখ্যার যে ব্যাপক হ্রাস হয়েছে এই অঞ্চলে তা তুলে ধরা হয় মামলাকারির তরফে। ১৯৫১ সালে এই অঞ্চলে মোট জনসংখ্যায় আদিবাসীদের প্রতিনিধিত্ব ছিল ৪৪.৬৭ শতাংশ। ২০১১ সালে তা কমে নেমে এসেছে ২৮.০১ শতাংশে। অন্যদিকে, মুসলিম জনসংখ্যা এই অঞ্চলে ছিল ১৯৫১ সালে ৯.৪৪ শতাংশ। ২০১১ সালের আদমসুমারিতে তা ব্যাপকভাবে বেড়ে ২২.৭৩ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। এদের বড় অংশই বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ বলে অভিযোগ।

    রাজ্যের উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন

    এক্ষেত্রে, রাজ্য সরকারের উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজ্যের কাছে আদালত জবাব চাইলে এই মামলায় রাজ্যের আইনজীবীর যুক্তি, “অনুপ্রবেশকারীদের সনাক্ত করতে গিয়ে নানান অসুবিধা সম্মুখীন হতে হচ্ছে পুলিশ-প্রশাসন সহ স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে। যা শুনে বেঞ্চ পাল্টা ঝাড়খণ্ড (Jharkhand) প্রশাসনের কাছে জানতে চায়, রাজ্যের বিশেষ কোনও শাখাকে এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে না কেন। জেলা প্রশাসনের সমালোচনা করে বেঞ্চ বলে, “জেলা প্রশাসনের অস্বচ্ছ পদ্ধতি এবং কর্মদক্ষতার অভাবের জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, আধার কার্ডের নথিগুলোর উপর ভিত্তি করে তথ্যভাণ্ডার তৈরি করলে গাফিলতি হবেই। এই ধরনের নথির উপর ভিত্তি করে অনুপ্রবেশকারীরা রাজ্যের স্থায়ী নাগরিক হওয়ার চেষ্টা করে। এবং সরকারি সুবিধাগুলির ওপর কব্জা জমায়। বেঞ্চ রাজ্যকে নির্দেশ দেয়, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের (Demography Change) সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ শাখা ব্যবহার করতে হবে।

    আরও পড়ূন: নভেম্বরেই রাজ্যসভায় পাশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? আত্মবিশ্বাসী মোদি সরকার

    সংশ্লিষ্ট জেলার ডেপুটি কমিশনারকে ইতিমধ্যে একটি হলফনামা দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী যারা রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড বানিয়ে নিয়েছে, তাদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khalistani Terrorist: সাফল্য এনআইএ-র, কুখ্যাত খালিস্তানি জঙ্গি তারসেম সিংয়ের প্রত্যর্পণ ভারতে

    Khalistani Terrorist: সাফল্য এনআইএ-র, কুখ্যাত খালিস্তানি জঙ্গি তারসেম সিংয়ের প্রত্যর্পণ ভারতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে একটি বড় সাফল্য পেল এনআইএ। কুখ্যাত খালিস্তানি জঙ্গি (Khalistani Terrorist) তারসেম সিংয়ের প্রত্যর্পণ হয়েছে ভারতে। ভারত সরকার আগেই এই জঙ্গির বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ জারি করেছিল। সেই সূত্র ধরে গত বছর নভেম্বর মাসে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবু ধাবিতে ভারত-বিরোধী এই খালিস্তানি জঙ্গিকে পাকড়াও করেছিল ইন্টারপোল। সেখানেই তাঁর এতদিন ট্রায়াল চলছিল। এবার তাঁকে ভারতে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কুখ্যাত খালিস্তানি সন্ত্রাসী হরবিন্দর সান্ধু (রিন্ডা) এবং লখবির সিং (লান্ডা)-এর মূল সহযোগী হিসেবে নাশকতা মূলক কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল তারসেম।

    ২০২৩ সাল থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল (Khalistani Terrorist)

    জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA) একটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, অভিযুক্ত তারসেম সিং (Khalistani Terrorist) পাঞ্জাবের ত্রন তরন জেলার বাসিন্দা। এই দুষ্কৃতী লক্ষবির সিং লান্ডার ভাই। ২০২৩ সালের জুন মাসে তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা (এনবিডব্লিউ) জারি হয়েছিল।নভেম্বর মাসে তারসেম সিংকে আবুধাবির আদলাতে তুলেছিল ইন্টারপোল। এরপর তাঁকে ইন্টারপোলের যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। এনআইএ-র দায়ের করা মামলায় ওয়ান্টেড হিসেবে এতদিন ছিল তারসেম। সেইসঙ্গে এই জঙ্গি, বাব্বর খালিস্তান ইন্টারন্যাশনাল (BKI) সন্ত্রাসী সংগঠনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

    আরও পড়ুনঃ কৃষকদের রোজগার বাড়াতে বড় উদ্যোগ মোদির, ১০৯ জাতের শস্যের সূচনা

    অর্থ জোগান সহ চোরাকারবারে যুক্ত 

    এনআইএ (NIA) সূত্রে জানা গিয়েছে, খালিস্তানি জঙ্গি (Khalistani Terrorist) তারসেম সক্রিয়ভাবে সান্ধু ওরফে রিন্ডা এবং লান্ডারদের তহবিলে অর্থ সরবরাহের কাজে যুক্ত ছিল। তার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ২০ অগাস্ট, প্রথম স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মামলা দায়ের করেছিল এনআইএ। তবে এই মামলাটি ছিল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে সম্পর্কিত। খালিস্তান লিবারেশন ফোর্স (কেএলএফ), বিকেআই, ইন্টারন্যাশনাল শিখ ইয়ুথ ফেডারেশন (আইএসওয়াইএফ)-এর মতো সংগঠনগুলি যারা, ভারতজুড়ে নাশকতা মূলক কাজ করে, তাদেরকে দমন করতে এনআইএ তদন্ত শুরু করেছিল সেই সময় থেকেই। এই জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা সীমান্তের ওপার থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, আইইডি ইত্যাদি পাচার করে অপরাধকে সংগঠিত করার কাজ করত। ভারতের মাটিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে মাদক পাচার, চাঁদাবাজি, হাওয়ালা ব্যবসা সহ ইত্যাদি অসামজিক কাজ করত এই জঙ্গিরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Bill: নভেম্বরেই রাজ্যসভায় পাশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? আত্মবিশ্বাসী মোদি সরকার

    Waqf Bill: নভেম্বরেই রাজ্যসভায় পাশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? আত্মবিশ্বাসী মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি লোকসভায় ওয়াকফ বিল (Waqf Bill) পেশ করেছে মোদি সরকার। বিল পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। এবার রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) পেশ হতে চলেছে ওয়াকফ বিল। আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের অধিবেশনেই বিল পেশ করার কথা ভাবছে সরকার। রাজ্যসভায় এই বিল পাশ করতে হলে সরকারের প্রয়োজন ১২১ সাংসদের সম্মতি। রাজ্যসভায় বিজেপির আসন সংখ্যা এখন ৮৬। এনডিএ-র ১১৭। তবে চারজন মনোনীত সাংসদের পদ এখন ফাঁকা। এই আসন পূরণ হলে বিল পাশ করতে সরকারের খুব একটা সমস্যা হবে না। 

    রাজ্যসভায় প্রয়োজনীয় সমর্থন

    বর্তমানে ৬ জন মনোনীত সদস্য ও ২ জন নির্দল নিয়ে রাজ্যসভায় এনডিএর আসন ১১৭। সেক্ষেত্রে ২৩৭ জনের রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) সংখ্যাগরিষ্ঠতার অঙ্ক হচ্ছে ১১৯। গত মাসেই রাজ্যসভায় ৪ মনোনীত সদস্যের আসন ফাঁকা হয়। এই ৪ আসন পূরণ হলে রাজ্যসভায় আসন সংখ্যার মোট অঙ্ক হবে ২৪১। এবার এই ৪ আসনে যাঁরা আসবেন, তাঁরা সাধারণত সরকারকেই সমর্থন করবেন বলে মনে করা হয়। সেক্ষেত্রে সরকারের সমর্থনে থাকবে ১২১ জন সাংসদ। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর রয়েছে রাজ্যসভায় ভোট। সেখানে ১২ আসনে ভোট হবে। মনে করা হচ্ছে, এই ভোটে বিজেপি ৭টি আসন পেতে পারে। মনে করা হচ্ছে, মধ্যপ্রদেশ, অসম, ত্রিপুরা, রাজস্থান, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, বিহার থেকে বিজেপি জিতবে। এনডিএতে বিজেপির শরিকরা জিততে পারে বিহার ও মহারাষ্ট্র থেকে। এই অঙ্কের নিরিখে বলা যায় রাজ্যসভায় আগামী দিনে ওয়াকফ বিল (Waqf Bill) পাশ করতে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না মোদি সরকারকে।

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের পেশ করা ওয়াকফ সংশোধনী বিলের ৫টি ইতিবাচক দিক কী? জানুন বিশদে

    ওয়াকফ বিল সংশোধনী

    ১৯৫৪ সালে প্রথম ওয়াকফ আইন (Waqf Bill) পাশ হয়েছিল। ১৯৯৫ সালে ওয়াকফ আইনে সংশোধনী এনে ওয়াকফ বোর্ডের হাতে সব ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়। তার পর থেকেই বার বার প্রশ্ন উঠেছে বোর্ডের একচ্ছত্র অধিকার নিয়ে। প্রস্তাবিত সংশোধনটি গ্রাহ্য হলে এর পর থেকে আইনটির নতুন নাম হবে ‘ইউনিফায়েড ওয়াকফ ম্যানেজমেন্ট, এমপাওয়ারমেন্ট, এফিশিয়েন্সি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্ট’। এই বিলে পুরনো আইনটিতে ৪৪টি সংশোধন আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে সংশোধনের মূল লক্ষ্য হল একটি কেন্দ্রীয় পোর্টালের মাধ্যমে ওয়াকফ সম্পত্তির নথিভুক্তিকরণ নিয়ন্ত্রণ করা। এ ছাড়াও প্রস্তাবিত অন্যান্য সংশোধনগুলির মধ্যে রয়েছে একটি কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিলের পাশাপাশি প্রতি রাজ্যে ওয়াকফ বোর্ড গঠন, যেখানে মুসলিম মহিলা এবং অমুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mutual Funds: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের নয়া আক্রমণের নিন্দা মিউচুয়াল ফান্ড সংগঠনের

    Mutual Funds: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের নয়া আক্রমণের নিন্দা মিউচুয়াল ফান্ড সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেবির (SEBI) চেয়ারপার্সন মাধবী পুরি বুচ ও তাঁর স্বামী ধবল বুচের ওপর হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের নয়া আক্রমণের নিন্দা করেছে অ্যাসোসিয়েশন অফ মিউচুয়াল ফান্ড (Mutual Funds) ইন ইন্ডিয়া। জানা গিয়েছে, রেগুলেটরের চেয়ারপার্সন সম্পর্কে মন্তব্য শুধু যে ভারতীয় ক্যাপিটেল মার্কেটে মাধবী বুচের অবদানকে ছোট করে তা নয়, তা ছোট করে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিকেও। এভাবে তারা মার্কেট ইকোসিস্টেমে একটা বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব তৈরি করতে চাইছে। বর্তমানে ম্যানেজেমেন্টের অধীনে রয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ কোটি টাকার সম্পদ।

    এএমএফআইয়ের সাবধানবাণী (Mutual Funds)

    অ্যাসোসিয়েশন অফ মিউচুয়াল ফান্ড ইন ইন্ডিয়ার সাবধানবাণী, অভিযোগ যদি পরীক্ষিত না হয়, তাহলে তা অযাচিতভাবে বিশ্বের দ্রুত বৃদ্ধির অর্থনীতির রাস্তায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। হিন্ডেনবার্গের দাবিতে সারবত্তা কিছু নেই। ভারতের রেগুলেটরি পরিবেশ বোঝার অভাব রয়েছে। তারা আমাদের দেশের কঠোর অর্জিত অর্জনগুলিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে (Mutual Funds)।

    এএমএফআইয়ের দাবি

    এএমএফআইয়ের দাবি, ভারতের বাজার পরিকাঠামো অনেক বেশি শক্তিশালী (Mutual Funds)। তারা সমস্ত স্টেকহোল্ডারকে আস্থা রাখতে বলেছে। একটা সময় ধরে নিয়ন্ত্রক একটি ভালো কার্যকরী বাজার তৈরি করেছে যা স্থানীয় ও বিশ্বব্যাপী উভয় বিনিয়োগকারীদের বিশ্বাস অর্জন করেছে। এসবই সম্ভব হয়েছে সেবির বর্তমান চেয়ারপার্সনের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে। স্বামীর সঙ্গে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে মাধবী বুচ তাঁদের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছেন। ব্যাঙ্কার থেকে রেগুলেটর বনে যাওয়া মাধবীর সঙ্গে বাণিজ্যিক কোনও সম্পর্ক নেই বলেই দাবি আদানি গ্রুপের।

    আরও পড়ুন: আরব সাগরে ডুব, সাবমেরিনের চড়ে দ্বারকা দর্শনের সুযোগ

    এএমএফআই জানিয়েছে, বর্তমান সেবি চেয়ারপার্সনের নেতৃত্বে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সেবির বিধিগুলি মিউচুয়াল ফান্ডকে সব চেয়ে স্বচ্ছ ও কার্যকর পণ্য করেছে। হিন্ডেনবার্গের বিরুদ্ধে তাঁদের খ্যাতি (SEBI) কলঙ্কিত করার অভিযোগ করেছেন মাধবী ও তাঁর স্বামী ধবল বুচ (Mutual Funds)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tourist Submarine Adventure: আরব সাগরে ডুব, সাবমেরিনের চড়ে দ্বারকা দর্শনের সুযোগ

    Tourist Submarine Adventure: আরব সাগরে ডুব, সাবমেরিনের চড়ে দ্বারকা দর্শনের সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই বোধহয় বলে এক যাত্রায় পৃথক ফল! তীর্থদর্শনে গিয়ে মিলবে সাবমেরিনের (Tourist Submarine Adventure) চড়ার অভিজ্ঞতা। আজ্ঞে হ্যাঁ, এমনই ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে গুজরাটে (Dwarka)। দেশের মধ্যে প্রধম।

    সাবমেরিনে চড়ে দ্বারকা দর্শন (Tourist Submarine Adventure)

    হিন্দুদের কাছে অতি পবিত্রস্থান দ্বারকা। কথিত আছে, এক সময় দ্বারকার রাজা ছিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। কালের গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে সেই নগরী। এবার সেই নগরীই সাবমেরিনে চড়ে ঘুরে দেখতে পারবেন পুণ্যার্থী এবং ভ্রমণ পিপাসুরা। এজন্য গুজরাট সরকার মাজাগন ডক শিপবিল্ডার্সের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছে। চলতি বছরের অক্টোবরে রয়েছে দীপাবলি। সেদিন থেকেই চালু হওয়ার কথা সাবমেরিনে চড়ে দ্বারকা দর্শন। গুজরাট সরকারের এহেন উদ্যোগ ভারতে প্রথম।

    পর্যটন শিল্পে জোর নরেন্দ্র মোদির

    ক্ষমতায় এসেই পর্যটন শিল্পের ওপর জোর দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। দেশের তীর্থস্থানগুলিকে এক সুতোয় বাঁধতে চালু হয়েছে ট্রেন যাত্রা। ঐতিহাসিক যেসব জায়গার গায়ে ধর্মীয় কোনও উপাখ্যান জড়িয়ে রয়েছে, সেই সব জায়গায় পর্যটনে জোর দিয়েছে মোদি সরকার। এরকমই একটি জায়গা হল দ্বারকা। বর্তমানে এই নগরী রয়েছে আরব সাগরের গর্ভে। এখানেই আধ্যাত্মিক পর্যটনের ব্যবস্থা করতে চলেছে গুজরাটের বিজেপি সরকার। জানা গিয়েছে, ডুবো জাহাজে (Tourist Submarine Adventure) করেই দ্বারকা নগরী ঘুরে দেখবেন পর্যটকরা। দর্শন শেষে ফিরে আসবেন পাড়ে।

    আরও পড়ুন: কৃষকদের রোজগার বাড়াতে বড় উদ্যোগ মোদির, ১০৯ জাতের শস্যের সূচনা

    মোদি জমানায় ভারত সম্পর্ক আগ্রহ বেড়েছে তামাম বিশ্বের। তার প্রমাণ, ইদানিং ভারত-দর্শনে আসছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ। ২০১৪ সালের পর থেকে এই সংখ্যাটা একলপ্তে বেড়ে গিয়েছে অনেকখানি। বিদেশের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় দেশীয় পর্যটকের সংখ্যাও বাড়ছে। চলতি বছর জানুয়ারি-জুন মাসে ভারতে আসা বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩.৮০ লাখ। ২০২২ সালের এই সময় সংখ্যাটা ছিল ২১.২৪ লাখ। শতাংশের বিচারে বৃদ্ধির হার ১০৬।

    তীর্থস্থান দর্শনে যে আগের চেয়ে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে, তার প্রমাণ বারাণসী, অযোধ্যা ও প্রয়াগরাজে ক্রমবর্ধমান পর্যটকের সংখ্যা। গত এক বছরের ব্যবধানে এই তীর্থস্থানগুলি ভ্রমণ করেছেন ১৪ কোটি মানুষ। পর্যটক মন্ত্রকের মতে, ২০২২ সালে ভারতে ধর্মীয় পর্যটনে অংশ নিয়েছিলেন ১,৪৩৯ মিলিয়ন মানুষ (Dwarka)। ২০২১ সালের ৬৭৭ মিলিয়নের দ্বিগুণেরও বেশি (Tourist Submarine Adventure)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: কৃষকদের রোজগার বাড়াতে বড় উদ্যোগ মোদির, ১০৯ জাতের শস্যের সূচনা

    PM Modi: কৃষকদের রোজগার বাড়াতে বড় উদ্যোগ মোদির, ১০৯ জাতের শস্যের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি কৃষকবন্ধু। কৃষকদের কীভাবে রোজগার বাড়ে, তা নিয়ে সব সময় চিন্তাভাবনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কৃষকদের কল্যাণে ‘কিষান সম্মান নিধি’ চালু করেছেন তিনি। এহেন কৃষক দরদি প্রধানমন্ত্রী ফের উদ্যোগী হলেন কৃষকদের রোজগার বাড়াতে। রবিবার ১০৯টি জাতের ৬১টি শস্যের সূচনা করলেন তিনি। এই শস্যগুলি উচ্চ ফলনশীল, জলবায়ু সহনশীল।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    এদিন নয়াদিল্লিতে এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নয়া জাতের এই শস্যগুলির সূচনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন কৃষিবিজ্ঞানী ও কৃষকদের সঙ্গে। আলোচনা করেন জৈব চাষের উপকারিতা নিয়েও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নয়া জাতের এই শস্যগুলির সুবিধা কৃষকদের কাছে তুলে ধরতে সদর্থক ভূমিকা নিতে হবে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রকে। কৃষিবিজ্ঞানীদের ভূয়সী প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষি বিজ্ঞানীরা জানান, অব্যবহৃত শস্যগুলিকে নতুন করে তুলে আনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে কাজ করে চলেছেন (PM Modi) তাঁরা।

    কী কী ফসলের সূচনা

    এদিন প্রধানমন্ত্রী যে ফসলগুলির সূচনা করেছেন, সেগুলির মধ্যে ৩৪টি মাঠ ফসল। উদ্যানজাত ফসল রয়েছে ২৭টি। মাঠ ফসলের মধ্যে রয়েছে বাজরা, চারায় ফসল, তৈলবীজ, ডাল, আখ, তুলো, আঁশ এবং অন্যান্য ফসল। উদ্যান ফসলের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জাতের ফল, সবজি, কন্দ ফসল, বৃক্ষরোপণ ফসল, মশলা, ফুল এবং ঔষধি ফসল। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতেই একথা বলা হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতকে অপুষ্টিমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী মিড-ডে মিল ও অঙ্গনওয়াড়ির মতো বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করে শস্যের জৈব-সুরক্ষিত জাতগুলিকে প্রচার করার ওপর জোর দিয়েছেন। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, এই পদক্ষেপগুলি কৃষকদের ভালো আয় নিশ্চিত করবে।

    আরও পড়ুন: নিশানায় কংগ্রেস, ‘দেশ বিরোধী শক্তি’ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন ধনখড়

    প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকায় উচ্ছ্বসিত কৃষকরাও। তাঁরা বলেন, “নতুন জাতের এই শস্যগুলি চাষ করার ক্ষেত্রে খরচ কম হবে। লাভ হবে বেশি। পরিবেশের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এই শস্যগুলি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জৈব চাষের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। মানুষ এখন জৈব খাবার খাচ্ছেন। তাই জৈব খাদ্যের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।” কেন্দ্রীয় সরকার জৈব চাষে জোর দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) ধন্যবাদ জানান কৃষকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Azim Premji University: বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে প্যালেস্তাইনের ব্যাজ পরে শংসাপত্র নিলেন শিক্ষার্থীরা!

    Azim Premji University: বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে প্যালেস্তাইনের ব্যাজ পরে শংসাপত্র নিলেন শিক্ষার্থীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান। একের পর এক পড়ুয়া আসছেন, শংসাপত্র নিচ্ছেন। তাঁদের কয়েকজনের বুকে আঁটা প্যালেস্তাইনের ব্যাজ (Anti Israel Sentiments)। গত ৪ অগাস্টের ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    প্যালেস্তাইনের ব্যাজ পরে সমাবর্তনে (Azim Premji University)

    গত রবিবার সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয় (Azim Premji University) কর্তৃপক্ষ। মঞ্চ থেকে শংসাপত্র নিয়ে যাচ্ছেন একের পর এক পড়ুয়া। এঁদেরই কয়েকজনের বুকে প্যালেস্তাইনের ব্যাজ আঁটা। শিক্ষার্থীদের দাবি, আজিম প্রেমজির কোম্পানি উইপ্রোকে তেল আভিভ ইউনিভার্সিটি (ইজরায়েলের রাজধানী তেল আভিভ) ও ইজরায়েলি কোম্পানির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। অশোকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আইআইটি মাদ্রাজের পর এবার আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে শুরু হল ইজরায়েল বিরোধী প্রচার।

    পড়ুয়াদের দাবি

    সংবাদ মাধ্যমে এক পড়ুয়া বলেন, “আমরা ইজরায়েলি বহুজাতিক কোম্পানির কাছ থেকে কোম্পানিকে বিচ্ছিন্ন করার দাবি জানিয়েছিলাম। প্যালেস্তাইনে যে গণহত্যা হচ্ছে, তা রুখতে অর্থায়ন বন্ধের দাবিও জানিয়েছিলাম।” ছাত্র প্রতিনিধিদের দাবি, ৮০ জন শিক্ষার্থী এদিন এই ব্যাজ পরেছিলেন। আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, “সংহতির নিদর্শন হিসেবে কয়েকজন পড়ুয়া প্যালেস্তাইনের পতাকা আঁকা ব্যাজ পরেছিলেন। অবশ্য কোনও ঝামেলা ছাড়াই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্যাম্পাসে কোনও প্রতিবাদও হয়নি।”

    অন্য এক শিক্ষার্থী বলেন, “আজিম প্রেমজি (Azim Premji University) ফাউন্ডেশনে অর্থায়ন করে উইপ্রো। মানব হিতৈষি নামে এর খ্যাতিও রয়েছে। একদিকে তারা মানব কল্যাণে কাজ করছে, এমন ভাবমূর্তি তুলে ধরছে আর অন্যদিকে, তারা ইজরায়েলি সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে, যে ইজরায়েল প্যালেস্তাইনে গণহত্যা চালাচ্ছে। আমাদের দাবি, কোম্পানিকে ইজরায়েলে বিনিয়োগ বন্ধ করতে হবে। পাশে দাঁড়াতে হবে প্যালেস্তাইনের নাগরিকদের।

    আরও পড়ুন: নিশানায় কংগ্রেস, ‘দেশ বিরোধী শক্তি’ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন ধনখড়

    প্রসঙ্গত, ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলে প্রথমে হামলা চালায় হামাস। ইজরায়েলের পড়শি প্যালেস্তাইনের একটা অংশ দখল করে রেখেছে এই মুসলিম জঙ্গি গোষ্ঠী। তারা নির্বিচারে খুন করে ইজরায়েলবাসীকে। এর পর প্রতিরোধ গড়ে তোলে ইজরায়েল। শুরু হয় হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান। হামাস- ইজরায়েলের এই দ্বন্দ্বে ভারত ইজরায়েলের পক্ষ নেয়। তবে যুদ্ধ বিধ্বস্ত হামাসে মানবিক সাহায্যও পাঠায় মোদির ভারত। এমতাবস্থায় ইজরায়েল বিরোধী শক্তির পাশে দাঁড়িয়ে ওই ছাত্ররা ভারতকে অপ্রস্তুতে ফেলল (Anti Israel Sentiments) বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Azim Premji University)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: সেনাবাহিনীর পেনশন বিধি সংস্কার করবে কেন্দ্র, কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    Indian Army: সেনাবাহিনীর পেনশন বিধি সংস্কার করবে কেন্দ্র, কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনায় (Indian Army) পেনশন বিধি সংস্কারের পথে কেন্দ্র। কর্তব্যরত অবস্থায় সেনা জওয়ান বা কর্মীর মৃত্যু হলে কে পাবেন ক্ষতিপূরণের অর্থ, আবার পেনশন (Pension rules) কে পাবেন, এই বিষয় নিয়ে শুক্রবার সংসদে প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ বক্তব্য পেশ করেন। তিনি পেনশন বণ্টনের ক্ষেত্রে দিয়েছেন বিরাট প্রস্তাব। যদিও সবটা এখনও স্থির হয়নি, পর্যালোচনার স্তরে রয়েছে।

    বাবা-মা এবং স্ত্রীর মধ্যে বণ্টন (Indian Army)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জয় শেঠ সংসদে একটি প্রশ্নের উত্তরে সেনাকর্মীদের (Indian Army) পেনশন নিয়ে বলেন, “আগেও আমাদের কাছে শহিদদের বাবা-মা এবং স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক পেনশন বণ্টনের একটি আবেদন এসেছিল। এই আবেদন বিচার-বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।” এই জন্য ‘নেক্সট টু কিন’ আইন সংশোধনের দাবিও করা হয়েছে। এরপর প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, সেনাবাহিনীর কাছে প্রস্তাব আকারে পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কী নিয়ম বদল আনা হবে, তা এখনও স্থির হয়নি। সম্পূর্ণ বিষয়টি একটি আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

    রাজনাথ সিং-কে আবেদন করেছিলেন অংশুমানের বাবা-মা

    ভারতীয় সেনায় (Indian Army) মাত্র কিছদিন আগে, কর্মরত সেনা ক্যাপ্টেন অংশুমান সিং-এর মরণোত্তর সম্মান ‘কীর্তি চক্র’ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। তাঁর বাবা-মায়ের বক্তব্য ছিল, এই সম্মান এবং যাবতীয় অর্থ নিয়ে পুত্রবধূ বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এরপর ক্যাপ্টেনের বাবা ‘নেক্সট অফ কিন’ নীতির বদলের দাবি করেন। কারণ পুত্রের সম্মানের উত্তারাধিকার কেবল পুত্রবধূ হতে পারে না। পিতা-মাতাদেরও অধিকার রয়েছে। এরপর দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে দেখা করেন অংশুমানের বাবা-মা এবং আইন বদলের আবেদন করেন। তবে এতদিন পর্যন্ত আইনে নিয়ম ছিল, বিবাহিত কোনও সেনার পরিজন বলতে কেবল স্ত্রীকে বোঝাত। তাই মৃত্যু হলে পেনশন স্ত্রী পেয়ে থাকেন। আর যদি সেনা অবিবাহিত হন, তাহলে পেনশনের টাকা বাবা-মা পেয়ে থাকেন। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রদেশে মোহন যাদবের সরকার, রাজ্যের সরকারি পুলিশ কর্মীদের জন্য ‘নেক্সট অফ কিন আইনে বাবা-মাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share