Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Waqf Act: মোদি সরকারের পেশ করা ওয়াকফ সংশোধনী বিলের ৫টি ইতিবাচক দিক কী? জানুন বিশদে

    Waqf Act: মোদি সরকারের পেশ করা ওয়াকফ সংশোধনী বিলের ৫টি ইতিবাচক দিক কী? জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম ধর্মে যে কোনও স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তিকে ওয়াকফ (Waqf Act) বলা হয়, যদি তা দলিলের মাধ্যমে আল্লাহর নামে করে দেওয়া হয়। ওয়াকফের নিয়ম অনুযায়ী সেই সম্পত্তি সেবামূলক কাজে ব্যবহার করা হয়। এই সম্পত্তি কখনও ব্যক্তি মালিকানায় হস্তান্তর করা যায় না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কবর, মসজিদের সম্পত্তি, গরিব মানুষের আশ্রয় দেওয়ার জন্য সম্পত্তি-এসবই ওয়াকফের (Waqf Act) মাধ্যমে করা যায়।

    ওয়াকফ সম্পত্তি কেন্দ্রীয়ভাবে দেখভাল করে ওয়াকফ বোর্ড। নির্দিষ্ট ওয়াকফ সম্পত্তির ক্ষেত্রে যাঁরা দায়িত্বে থাকেন তাঁদের বলা হয় মুতাওয়ালি। বর্তমানে যে ওয়াকফ আইন রয়েছে ১৯৯৫ সালের, তারই সংশোধনী বিল সংসদে পেশ করেছে মোদি সরকার। গত বৃহস্পতিবার এই বিলটি (Waqf Amendment Bill) সংসদে পেশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। এই বিলের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হচ্ছে ওয়াকফ বোর্ডের ওপর নজরদারি বাড়ানো এবং তার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। এর পাশাপাশি ওয়াকফ সম্পত্তিকে (Waqf Amendment Bill) দুর্নীতিমুক্ত করা ও স্বচ্ছতা বাড়ানো। কারণ অনেক ক্ষেত্রে উদাহরণ সামনে এসেছে যে ওয়াকফ সম্পত্তিকে অপব্যবহার করা হয়। বিরোধীরা এ নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে ভুল বোঝাচ্ছে এবং তারা বলছে যে মোদি সরকারের আনা এই সংশোধনী আসলে সঠিক নয়। কিন্তু আসলে মোদি সরকারের আনা এই বিল পাশ হলে ওয়াকফ সম্পত্তির ক্ষেত্রে বিপুল স্বচ্ছতা আসবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আমাদের প্রতিবেদনে জানব ওয়াকফ বিলের ৫টি ইতিবাচক দিক।

    স্বচ্ছতা আনতে চালু হবে কেন্দ্রীয় পোর্টাল (Waqf Act)

    মোদি সরকার ওয়াকফ সম্পত্তির জন্য চালু করবে একটি কেন্দ্রীয় পোর্টাল। এই পোর্টালের মাধ্যমে ওয়াকফ সম্পত্তিকে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। সেই সম্পত্তির সম্পূর্ণ আর্থিক লেনদেনও জানাতে হবে ওই পোর্টালে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলেই দুর্নীতি কমবে। অপব্যবহার হবে না ওয়াকফ সম্পত্তির। আসলে নয়া যে বিল সংসদে পেশ করা হয়েছে তার উদ্দেশ্যই হল ওয়াকফ বোর্ড যে সমস্ত সমস্যার মোকাবিলা করছে সেগুলোর স্থায়ী সমাধান করা। এছাড়া, ওয়াকফ সম্পত্তিকে দুর্নীতি ও অপব্যবহারের হাত থেকে রক্ষা করা। কিন্তু বিরোধীরা শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এবং সংখ্যালঘু তোষণের কারণে রাজনীতি করছেন বলে মনে করছে কোনও কোনও মহল। তবে এই সমস্ত বাধা সত্ত্বেও মোদি সরকার একেবারেই দায়বদ্ধ ওয়াকফ সম্পত্তিকে (Waqf Act) রক্ষা করার বিষয়ে।

    তৈরি হবে কেন্দ্রীয় ডেটাবেস

    নতুন বিলের মাধ্যমে তৈরি করা হবে কেন্দ্রীয় ডেটাবেস। কেন্দ্রীয় ডেটাবেসের মাধ্যমে সমস্ত তথ্য এখানে থাকবে। অর্থাৎ সারাদেশে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী এবং গুজরাট থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত যত ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে তা এক জায়গায় ডেটাবেস হিসেবে থাকবে। ওই সম্পত্তি দেখভালের জন্য কোন কোন মুতাওয়ালি নিযুক্ত আছেন, গরিব উন্নয়নের জন্য কী কী কাজ করছে তারা, এর পুরোটাই থাকবে কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে কেন্দ্রীয় সরকারের এমন পদক্ষেপ করা আসলে ওয়াকফের সম্পত্তিগুলিকে দুর্নীতির হাত থেকে বাঁচানোরই প্রয়াস। তাই ওয়াকফের যত সম্পত্তি রয়েছে তা সে স্থাবর বা অস্থাবর হোক, নতুন বিলের মাধ্যমে তা দেখা যাবে কেন্দ্রীয় ডেটাবেসে এবং এক জায়গা থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার ওয়াকফ সম্পত্তির (Waqf Act) ওপর নজরদারি চালাতে পারবে। দেখা হবে আদৌ কোথাও দুর্নীতি হচ্ছে কিনা।

    অমুসলিমরাও হতে পারবেন সেন্ট্রাল ওয়াকফ কাউন্সিলের সদস্য 

    নতুন এই বিলে জোর দেওয়া হয়েছে ওয়াকফ সম্পত্তিকে যাঁরা দেখভাল করবেন তাঁদের ভূমিকার ওপরেও। এক্ষেত্রে বৈচিত্র আনার প্রয়াস করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই বিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যে অমুসলিম সদস্যরাও এবার থেকে সেন্ট্রাল ওয়াকফ কাউন্সিলে থাকতে পারবেন। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, এরফলে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বৈচিত্র আসবে এবং তা অনেক বেশি স্বচ্ছ হবে। সেখানে মুক্তচিন্তার প্রতিফলন দেখা যাবে। তার কারণ ওয়াকফ সম্পত্তি বিভিন্ন চ্যারিটির কাজেই ব্যবহার করা হয়। কোনও কোনও মহলের মতে, অমুসলিম সদস্যরা ওয়াকফ বোর্ডের নীতি নির্ধারণ কমিটিতে স্থান পেলে সম্পত্তির নজরদারি ও দেখভালের বিষয়ে অনেক বেশি ভারসাম্য রক্ষিত হবে। এর পাশাপাশি ওয়াকফ সম্পত্তি সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনও স্বচ্ছ হবে। এই নতুন ওয়াকফ বিল যে একটি ইতিবাচক ভূমিকা নিতে চলেছে তা স্বীকার করছেন কম বেশি সকলেই।

    বাড়বে মুসলিম মহিলাদের গুরুত্ব

    নতুন ওয়াকফ বিলে মহিলাদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ওয়াকফ সম্পত্তি দেখভালের ক্ষেত্রে মোদি সরকার মুসলিম মহিলাদের সেই স্বাধীনতা দিতে চলেছে, যা এর আগে কেবলমাত্র মুসলিম পুরুষরাই পেতেন। অর্থাৎ নতুন বিল লিঙ্গ বৈষম্যকেও মিটিয়ে দিচ্ছে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞদের মহল। এর ফলে নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ওয়াকফ বোর্ডে আরও বেশি ভারসাম্য রক্ষিত হবে। ওয়াকফ সম্পত্তির ইতিহাস সাধারণভাবে দুর্নীতি এবং শোষণের ইতিহাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ব্যক্তিগতভাবেই ওয়াকফ সম্পত্তিকে দখল নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে লাভ ব্যক্তিগত কাজেই লাগানো হয়।

    মুতাওয়ালি নিয়োগে আসবে স্বচ্ছতা

    প্রতিবেদনের শুরুতেই বলা হয়েছে ওয়াকফ সম্পত্তিকে যাঁরা দেখভাল করেন, তাঁদেরকে মুতাওয়ালি বলা হয়। অর্থাৎ এক কথায় ওয়াকফ সম্পত্তির ম্যানেজার হন মুতাওয়ালিরা। সাধারণভাবে ওয়াকফ সম্পত্তিতে তাই মুতাওয়ালির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণ, সেবা কাজ, সবকিছুই দেখভাল করেন মুতাওয়ালিরা। ওয়াকফের ধর্মীয় বিষয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানো- এ সমস্ত কিছুতেই হস্তক্ষেপ দেখা যায় তাঁদের। কিন্তু মুতাওয়ালিদের ভূমিকা নিয়েও অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্ন ওঠে। অনেক ক্ষেত্রে মুতাওয়ালিদের দুর্নীতিগ্রস্ত হতেও দেখা যায়। সে অর্থে কোনও রকমের সঠিক নির্দেশিকা না থাকার জন্য মুতাওয়ালি নিয়োগে স্বজনপোষণও চলে। নতুন বিলে মুতাওয়ালি নিয়োগেও স্বচ্ছতা আনতে বেশ কিছু পদক্ষেপ করছে মোদি সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: আওয়ামি লিগকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে আমেরিকা, দাবি শেখ হাসিনার

    Sheikh Hasina: আওয়ামি লিগকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে আমেরিকা, দাবি শেখ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা আওয়ামি লিগ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে আমেরিকাকেই দায়ী করছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি শেখ হাসিনা তাঁর ঘনিষ্ঠজনের সঙ্গে কথা বলার সময়, বাংলাদেশের পরিস্থিতি এবং আওয়ামি লিগ সরকারকে ‘অন্যায়ভাবে’ ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য আমেরিকাকে সরাসরি দায়ী করেছেন। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশিদের সতর্ক করেছেন, তাঁরা যেন ‘মৌলবাদীদের হাতে পরিচালিত’ না হন।

    ঠিক কী জানিয়েছেন হাসিনা? (Sheikh Hasina)

    শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আমেরিকার কথা মতো বঙ্গোপসাগরে একাধিপত্য বাড়াতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ তাদের হাতে তুলে না দেওয়ার মাসুল হিসেবেই তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করা হল। তাঁর মতে, সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সার্বভৌমত্ব আমেরিকার হাতে তুলে দিয়ে বঙ্গোপসাগরে সে দেশকে ছড়ি ঘোরাতে দিলে হয়তো তিনি ক্ষমতায় থেকে যেতে পারতেন। দেশ ছাড়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হত না তাঁকে। দেশত্যাগ করার আগে যে বক্তৃতাটি তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে দিয়ে আসতে চেয়েছিলেন, তাতেও এই বক্তব্যই রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছে। ভারতে যাওয়ার পর শেখ হাসিনার সঙ্গে যাদের কথা হয়েছে, সেই সূত্র জানিয়েছে, যাতে ‘লাশের মিছিল’ দেখতে না হয়, তাই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। ছাত্রদের মরদেহের ওপর ক্ষমতা হস্তান্তর হোক তা চাননি বঙ্গবন্ধু কন্যা। চাননি দেশের আরও সম্পদ নষ্ট হোক। 

    আওয়ামি লিগ আবারও ঘুরে দাঁড়াবে 

    উল্লেখ্য, কোটা আন্দোলন (Bangladesh Crisis) শুরু হওয়ার কিছু আগে এপ্রিল মাসে হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, আমেরিকা তাঁর দেশে জমানা পরিবর্তনের চক্রান্ত করছে। বলেছিলেন, ওরা চাইছে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে এমন একটি সরকার তৈরি করতে, যাদের কোনও গণতান্ত্রিক অস্তিত্বই নেই। আর এরপরেই প্রবল জনবিক্ষোভের চাপ, তুমুল আন্দোলনের মুখে পড়ে দেশ ছেড়েছিলেন শেখ হাসিনা। এসেছিলেন ভারতে। আপাতত এই দেশেই রয়েছেন তিনি। তবে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina) আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি আবার নিজের দেশে ফিরে যাবেন। মনে করেন, আওয়ামি লিগ বার বার ঘুরে দাঁড়িয়েছে, আবারও দাঁড়াবে।

    আরও পড়ুন: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, আদানি-যোগ উড়িয়ে দাবি সেবি চেয়ারম্যানের

    অন্যদিকে কোটা সংস্কারের প্রশ্নে ছাত্রদের আন্দোলন নিয়ে হাসিনা (Sheikh Hasina) জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ছাত্রদের কাউকে তিনি রাজাকার বলেননি। বরং তাঁর মন্তব্যকে বিকৃত করে ছাত্রদের উত্তেজিত করা হয়েছে। সে দিনের পুর্ণ ভিডিয়োটি তিনি আবার দেখতে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন। ‘ছাত্রদের নিষ্পাপ মনোভাবের সুযোগ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশকে অস্থির করেছে’, অভিযোগ হাসিনার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: নিশানায় কংগ্রেস, ‘দেশ বিরোধী শক্তি’ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন ধনখড়

    Jagdeep Dhankhar: নিশানায় কংগ্রেস, ‘দেশ বিরোধী শক্তি’ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দেশ বিরোধী শক্তি’ নিয়ে দেশবাসীকে সাবধান করে দিলেন উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। উপরাষ্ট্রপতি অবশ্য কংগ্রেসের (Congress) নাম নেননি। তবে তাঁর নিশানায় যে কংগ্রেসই, তা স্পষ্ট। ‘ভারতেও বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি হবে’। এমন ভয় দেখাচ্ছেন কিছু মানুষ। সেই বিষয়েই দেশবিরোধী শক্তি থেকে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন ধনখড়।

    কী বললেন উপরাষ্ট্রপতি (Jagdeep Dhankhar)

    উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “সাবধান! অনেকে এমন একটা ন্যারেটিভ ছড়ানোর চেষ্টা করছেন যে, আমাদের প্রতিবেশী দেশে যেটা হয়েছে, তেমনটা ভারতেও হতে চলেছে। এটা খুবই উদ্বেগজনক।” শনিবার যোধপুরে রাজস্থান হাইকোর্টের প্ল্যাটিনাম জুবিলি উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেন উপরাষ্ট্রপতি। সেখানেই সতর্ক করেন দেশবাসীকে। ধনখড় বলেন, “এই দেশের একজন নাগরিক, যিনি কিনা প্রাক্তন মন্ত্রী এবং বর্তমানে সাংসদ সদস্যও, এবং অন্য একজন, যিনি ফরেন সার্ভিসে দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন, তাঁরা কীভাবে বলতে পারেন যে প্রতিবেশী দেশে যা ঘটেছে, তা ভারতেও ঘটবে? এরকম দায়িত্বশীল লোকজন কীভাবে এসব কথা বলতে পারেন?

    খুরশিদের বেফাঁস মন্তব্য

    সংরক্ষণকে ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশ। নির্বিচারে চলছে হিন্দু নিধন। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ হিন্দু। এঁরা আওয়ামি লিগের সমর্থক। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে আওয়ামি লিগ নেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়তেই শুরু হয় হিন্দুমেধ যজ্ঞ। আন্দোলনকারীরা সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘গণভবন’ লুট করে। সে প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ বলেছিলেন, “ভারতে আপাতত স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকলেও, এখানেও বাংলাদেশের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।” প্রায় একই ধরনের কথা বলেছিলেন প্রাক্তন কূটনীতিক মণিশঙ্কর আইয়ারও।

    আরও পড়ুন: “মায়ের প্রাণ বাঁচানোয় মোদির কাছে কৃতজ্ঞ”, বললেন হাসিনা পুত্র

    উপরাষ্ট্রপতি (Jagdeep Dhankhar) বলেন, “এই সব দেশবিরোধী শক্তি সাংবিধানিক প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে বৈধতা লাভ করছে।” তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো এই সব শক্তির দ্বারা নষ্ট হচ্ছে। তারা আমাদের দেশকে পথভ্রষ্ট করছে, বিপথে চালিত করছে গণতন্ত্রকে।” ধনখড় বলেন, “এই সব শক্তি ফেব্রিকেটেড ন্যারেটিভ তৈরি করে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত করতে চাইছে। তবে জানেন কি, আমাদের কাছে জাতীয় স্বার্থ (Congress) সর্বাগ্রে। এর সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করা যায় না (Jagdeep Dhankhar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindenburg Report: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, আদানি-যোগ উড়িয়ে দাবি সেবি চেয়ারম্যানের

    Hindenburg Report: হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, আদানি-যোগ উড়িয়ে দাবি সেবি চেয়ারম্যানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আদানি ইস্যুতে হিন্ডেনবার্গের (Hindenburg Report) অভিযোগ ওড়ালেন সেবি চেয়ারম্যান। আমেরিকার বেসরকারি সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়, আদানি শিল্পগোষ্ঠীর বিদেশে সরানো টাকায় অংশীদারিত্ব ছিল শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবির প্রধানের। এবার আদানি-যোগ নিয়ে হিন্ডেনবার্গের সেই অভিযোগ ওড়ালেন সেবির চেয়ারপার্সন (Sebi Chairperson) মাধবী পুরী বুচ এবং তাঁর স্বামী ধবল বুচ। একটি বিবৃতি দিয়ে তাঁরা দাবি করেছেন, হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের যাবতীয় অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’। তাঁদের ‘চরিত্রহনন’ করার জন্যই এমন অভিযোগ করা হয়েছে।

    কী জানালেন সেবির চেয়ারপার্সন? (Sebi Chairperson) 

    হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বুচ দম্পতির তরফে বলা হয়েছে, “যাবতীয় আর্থিক তথ্য প্রকাশ্যে আনার বিষয়ে আমাদের কোনও সঙ্কোচ নেই। এমনকী আমরা যখন কোনও সরকারি পদে ছিলাম না, তখনকার যে কোনও তথ্যও যে কোনও সংস্থা খতিয়ে দেখতে পারে।” এর পাশাপাশি বিবৃতিতে হিন্ডেনবার্গ সংস্থাকে তোপ দেগে তাঁরা জানিয়েছেন, “সেবি যে হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের বিভাগে পদক্ষেপ করেছিল এবং শো-কজ নোটিশ পাঠিয়েছিল, দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সেই সংস্থাই চরিত্রহনন করার চেষ্টা করছে।” 

    আগে কী ঘটেছিল?  

    গৌতম আদানির গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আঠেরো মাস আগে তোপ দাগার পরে সম্প্রতি ফের সংবাদের শিরোনামে এসেছিল মার্কিন শর্ট সেলিং ইনভেস্টমেন্ট রিসার্চ ফার্ম হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ (Hindenburg Report)। জানিয়েছিল, ফের ভারতে বোমা ফাটাতে চলেছে তারা। দেখা গেল, এবার তাদের নিশানায় দেশের সব সংস্থার নিয়ামক কর্তৃপক্ষ সিকিওরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়ার (সেবি) চেয়ারপার্সন মাধবী পুরী বুচ এবং তাঁর স্বামী ধবল বুচ। 

    আরও পড়ুন: কোথায় বঞ্চনা? ইউপিএ’র তুলনায় মোদির আমলে বাংলার বরাদ্দ বেড়েছে ২১৮ শতাংশ!

    এই সংস্থাই শনিবার তাদের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে লেখে, “আদানিরা বিদেশে যে টাকা সরিয়েছেন, তাতে অংশীদারিত্ব রয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা সেবির প্রধানের।” হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টে (Hindenburg Report) আরও দাবি করা হয় যে, গৌতম আদানির ভাই বিনোদ আদানির বিদেশে থাকা সংস্থায় অংশীদারিত্ব রয়েছে সেবি প্রধান এবং তাঁর স্বামীর। ২০১৭ সালে সেবিতে যোগ দেন মাধবী। রিপোর্টে এ-ও দাবি করা হয়েছে যে, সেই সময় সম্ভাব্য নজরদারি এড়াতে মাধবীর নামে থাকা সমস্ত বিদেশি বিনিয়োগ নিজের নামে করে নেন ধবল। তবে এই রিপোর্টের কথা সামনে আসার পরেই হিন্ডেনবার্গ যাবতীয় অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন সেবির চেয়ারপার্সন মাধবী পুরী বুচ এবং তাঁর স্বামী ধবল বুচ। ‘পূর্ণাঙ্গ স্বচ্ছতার স্বার্থে’ খুব শীঘ্রই তাঁরা একটি বিস্তারিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করবেন বলে জানিয়েছেন সেবির প্রধান এবং তাঁর স্বামী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: “রাহুল গান্ধী আর প্রতারণার রাজনীতি, মিথ্যাচারের রাজনীতি সমার্থক”, তোপ বিজেপির

    BJP: “রাহুল গান্ধী আর প্রতারণার রাজনীতি, মিথ্যাচারের রাজনীতি সমার্থক”, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কর্নাটক ও হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেননি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)।” অন্তত এমনই অভিযোগ করল বিজেপি (BJP)। শনিবার কংগ্রেসের ‘যুবরাজ’কে আক্রমণ শানিয়ে গেরুয়া শিবিরের তরফে বলা হয়, রাহুল গান্ধী প্রতারণার রাজনীতিরই সমার্থক।

    ‘কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ডিএনএ’ (BJP)

    দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে পদ্ম শিবিরের জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস কর্নাটকে ৫৯টি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যদিও পূরণ করেছে মাত্র দুটো। শিক্ষা নিয়ে তারা যে সাতটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে, তার ছ’টাই পূরণ হয়নি। কর্মসংস্থান নিয়ে ১৫টা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পূরণ হয়নি তার ১৪টাই।” প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করাটাই ‘কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ডিএনএ’ বলেও আক্রমণ শানান এই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “কর্নাটকে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মাত্র তিন শতাংশ পূরণ হয়েছে, ৯৭ শতাংশই পূরণ করতে কংগ্রেস ব্যর্থ।” গৌরবের তোপ, “কর্নাটকবাসী প্রতারিত হয়েছেন। যেখানেই কংগ্রেস ক্ষমতায় এসেছে, সেই রাজ্যের বাসিন্দারাই প্রতারিত হয়েছেন। হিমাচল প্রদেশের মানুষও প্রতারিত হয়েছেন।” তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী আর প্রতারণার রাজনীতি, মিথ্যাচারের রাজনীতি, প্রোপাগান্ডার রাজনীতি সমার্থক।”

    ‘ভনিতার রাজনীতি’

    কর্নাটকে কৃষকের আত্মহত্যা ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল । এদিন সে প্রসঙ্গেও গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির নেতা রাহুলকে নিশানা করেছেন গৈরিক সৈনিক গৌরব (BJP)। তাঁর মতে, ভোট কুড়োতে ‘ভনিতার রাজনীতি’ করছেন রাহুল। বলেন, “উনি তো দিল্লিতে কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে পারতেন।” তিনি বলেন, “মিডিয়া রিপোর্ট বলছে কর্নাটকে ১ হাজার ২০০ কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তার পরেও কেন রাহুল গান্ধী তাঁদের জন্য একটা মিনিটও খরচ করতে পারলেন না? কেন তিনি কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বললেন না?”

    আরও পড়ুন: “মায়ের প্রাণ বাঁচানোয় মোদির কাছে কৃতজ্ঞ”, বললেন হাসিনা পুত্র

    গৌরব বলেন, “এর কারণ গান্ধীর অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র আলাদা। সেই কারণেই তিনি কর্নাটককে এমন একজন মুখ্যমন্ত্রী উপহার দিয়েছেন যিনি নিজেই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন।” বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র বলেন, “কংগ্রেস কৃষক বিরোধী, এসসি-এসটি মায় ওবিসি বিরোধীও। তারা মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় (Rahul Gandhi)। ভোটের পর সেগুলো আর কার্যকর করে না (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh BJP: যোগী রাজ্যের ৪০৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় পতাকা নিয়ে পদযাত্রা করবে বিজেপি

    Uttar Pradesh BJP: যোগী রাজ্যের ৪০৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় পতাকা নিয়ে পদযাত্রা করবে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh BJP) বিজেপি সরকার ৩দিন ধরে জাতীয় পতাকা নিয়ে পদযাত্রা করবে। রাজ্যের পক্ষ থেকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ প্রচারের জন্য মোট ৪০৩টি বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে জাতীয় পতাকা নিয়ে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। একই ভাবে বাড়িতে বাড়িতে ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ পালনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এই বিরাট আয়োজনকে কেন্দ্র করে যোগী (Yogi state) রাজ্যে এখন প্রস্তুতি তুঙ্গে।

    ১১ থেকে ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত হবে তিরঙ্গা যাত্রা (Uttar Pradesh BJP)

    শনিবার কর্মসমিতির বৈঠকের পর দলের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh BJP) বিজেপি ১১ অগাস্ট থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ‘তিরঙা পদযাত্রা’ পালন করবে। এই পদযাত্রা ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ প্রচারের একটি অংশ। সকল মানুষকে এই কর্মযজ্ঞে যোগদান কারানোই প্রধান লক্ষ্য। এই কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে দেশপ্রেমের বার্তা সারা রাজ্য জুড়ে শহর, গ্রাম, রাস্তা এবং পাড়ার মধ্যে পৌঁছে দিতে হবে। এই পদযাত্রায় রাজ্য বিজেপির সভাপতি ভূপেন্দ্র সিং চৌধুরী, রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) ধরমপাল সিং, রাজ্যের মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক এবং জেলা, বিভাগ ও বুথ স্তরের দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকরা অংশগ্রহণ করবেন। সকলকে ত্রিবর্ণ জাতীয় পতাকা বহন করতে হবে। এদিনের দলীয় বৈঠকে বিশেষ ভাবে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। 

    আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুনিধন নিয়ে নীরব কংগ্রেস, তোপ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    দেশভক্তি এবং জাতীয়তাবোধের বার্তা

    রাজ্যের (Uttar Pradesh BJP) ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচির সহ-সমন্বয়কারী এবং বিজেপির মুখপাত্র সমীর সিং বলেন, “রবিবার সাহারানপুরে তেরঙ্গা মিছিলে দলের নেতা ও কর্মীদের সঙ্গে আমরা যোগদান করব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানে সাড়া দিয়েছে গোটা দেশ। বিজেপি প্রতি বছর এই ‘হর ঘর তিরাঙ্গা’ প্রচারের মাধ্যমে দেশভক্তি এবং জাতীয়তাবোধের গভীর বার্তা প্রচার করছে। প্রত্যকের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং তেরঙ্গা যাত্রায় যোগদানের জন্য আহ্বান জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal: কোথায় বঞ্চনা? ইউপিএ’র তুলনায় মোদির আমলে বাংলার বরাদ্দ বেড়েছে ২১৮ শতাংশ!

    West Bengal: কোথায় বঞ্চনা? ইউপিএ’র তুলনায় মোদির আমলে বাংলার বরাদ্দ বেড়েছে ২১৮ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছরের বাজেটে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং বিহারের উল্লেখ থাকায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার সমালোচনা করেছে বিরোধী দলগুলি। তাদের বক্তব্য, সরকার জোট শরিকদের পাইয়ে দিতেই এমন বাজেট করেছে। বিরোধীরা ভুলে যাচ্ছে কোনও কোনও রাজ্যের কথা বাজেটে বলা হলেও তার অর্থ এই নয় যে অন্য কোনও একটি বিশেষ রাজ্যের দিকে নজর দেওয়া হয়নি বা ওই রাজ্যের অনুকূলে কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। প্রসঙ্গত, ইউপিএ সরকারের ২০০৯-১০-এর অন্তর্বর্তী বাজেটে উত্তরপ্রদেশ ও বিহার–শুধুমাত্র এই দুটি রাজ্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। অথচ, সেই সময় পক্ষপাত নিয়ে কোনওরকম হইচই বা সমালোচনা করা হয়নি।
    এবারের বাজেটে বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal), ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘পূর্বোদয়’ নামে এক বিশেষ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এই রাজ্যগুলি পূর্ব ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে। ঐতিহাসিকভাবে পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্যগুলি উন্নয়নের দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে।  রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ‘পূর্বোদয়’ কর্মসূচি নিয়ে কিছু বলছে না, অথচ পশ্চিমবঙ্গকে বঞ্চনার অভিযোগও তুলেছে। এমন অভিযোগ যে ভিত্তিহীন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে পরিসংখ্যানেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এইভাবে বিরোধীরা বিভেদকামী রাজনীতির আশ্রয় নিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ২০০৯-১৪ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ যা বরাদ্দ পেত, তা ২১৮ শতাংশ বেড়েছে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে মোদি জমানায় (Modi Government)।

    চলতি অর্থ বছরে বাংলার (West Bengal) জন্য ৩৪,৬৮৪ কোটি টাকার সংস্থান

    পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি খাতে কেন্দ্রীয় সরকার নানাভাবে অর্থ বরাদ্দের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের অনুকূলে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের পরিমাণ যথেষ্ট বৃদ্ধি করা হয়েছে। মোট সংগৃহীত করের মধ্যে ৯৩,৮২৭.৭০ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গের বাজেট বরাদ্দ হিসেবে ধরা হয়েছে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে। চলতি অর্থ বছরে মঞ্জুরিকৃত অনুদান হিসেবে ৩৪,৬৮৪ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে। মনে রাখতে হবে যে পশ্চিমবঙ্গে ইউপিএ মেয়াদকালের তুলনায়  বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে বেশ কয়েকগুণ। এনডিএ সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গের অনুকূলে রেকর্ড পরিমাণ বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। বর্তমান আর্থিক বছরে অর্থাৎ, ২০২৪-২৫ সালে পশ্চিমবঙ্গে শুধুমাত্র রেল প্রকল্প রূপায়ণে অনুমোদিত বরাদ্দের পরিমাণ ১৩,৯৪১ কোটি টাকা। ২০০৯-১৪ সময়কালে প্রতি বছর বরাদ্দের গড় পরিমাণ ছিল ৪,২৮০ কোটি টাকা। সেই অর্থে এবারের কেন্দ্রীয় বরাদ্দ তিনগুণ। ২০১৪-২৩ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ১,১০০ কিলোমিটার রেল সেকশন চালু হয়েছ, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ২০১৪-২৪ সময়কালে রেল প্রকল্প

    -১,২৬১ কিলোমিটার নতুন রেলপথ

    – ১,৫৭৬ কিলোমিটার রেল বৈদ্যুতিকীকরণ অর্থাৎ, প্রতি বছর গড়ে ১৫৮ কিলোমিটার যা কিনা ২০১৪ সালের গড় ৩২ কিলোমিটারের তুলনায় পাঁচগুণ বেশি।

    – ৪৪৩টি রেল ফ্লাইওভার ও আন্ডারব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে।

    -৪৩টি প্রকল্পের কাজ চলছে মোট ৪,৪৭৯ কিলোমিটার যার জন্য কেন্দ্র বরাদ্দ করেছে ৬০,১৬৮ কোটি টাকা।

    -১০০টি স্টেশনকে অমৃত স্টেশন রূপে চিহ্নিত করা হবে :

    পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রের বঞ্চনা, এ যে সর্বৈব মিথ্যা তত্ত্ব, তা পরিষ্কার নীচের পরিসংখ্যানে

    জনধন যোজনা

    সর্বভারতীয় স্তরে ৫২.৫ কোটি জন ধন অ্যাকাউন্ট রয়েছে (৫৬% মহিলা)

    পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) ক্ষেত্রে ৫ কোটিরও বেশি জন ধন অ্যাকাউন্ট (৫৭% মহিলা)

    পিএম মুদ্রা যোজনা

    সর্বভারতীয় স্তরে ২৮.৯ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, ৪৮.৬ কোটিরও বেশি সুফলভোগী (৬৮% মহিলা; ২৩% তফশিলি জাতি/তফশিলি উপজাতি)

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২.৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি দেওয়া হয়েছে, ৪.৭ কোটি সুফলভোগী (৭৬% মহিলা; ২০% তফশিলি জাতি/তফশিলি উপজাতি)

    স্ট্যান্ড-আপ ইন্ডিয়া
     
    সর্বভারতীয় স্তরে ২.৩ লক্ষ উদ্যোগপতিকে ২৯,০০০ কোটি টাকারও বেশি দেওয়া হয়েছে (৭৮% মহিলা)

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ১২,৮০০-রও বেশি উদ্যোগপতিকে ১,৩৬৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে (৭৪% মহিলা)

    পিএম স্বনিধি (যোগ্য রাস্তার হকারদের ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সহায়তা)

    সর্বভারতীয় স্তরে ৬৪ লক্ষেরও বেশি রাস্তার হকার সুফল পেয়েছেন (৪৪% মহিলা; ৪৩% অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি এবং ২২% তফশিলি জাতি/উপজাতি)

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সুফল পেয়েছেন ১.৯২ লক্ষ রাস্তার হকার (৪৫% মহিলা; ৩% অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি এবং ১২% তফশিলি জাতি/উপজাতি)

    পিএম জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা (বছরে ৪৩৬ টাকা প্রিমিয়ামে জীবন বিমা)

    সর্বভারতীয় স্তরে ২০.২ কোটি নাম নথিভুক্ত (৫৩% মহিলা)

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ১ কোটিরও বেশি নথিভুক্ত (৫৮% মহিলা)

    পিএম সুরক্ষা বিমা যোজনা (বছরে ২০ টাকা প্রিমিয়ামে দুর্ঘটনা বিমা) 

    সর্বভারতীয় স্তরে ৪৪.৫ কোটি নথিভুক্ত (৫০% মহিলা)

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২.৯ কোটি নথিভুক্ত (৫৫% মহিলা)

    অটল পেনশন যোজনা (Modi Government) 

    সর্বভারতীয় স্তরে ৬.৫ কোটি গ্রাহক

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৫০ লক্ষেরও বেশি গ্রাহক 

    জল জীবন মিশন–সবার জন্য পানীয় জল

    সর্বভারতীয় স্তরে ১১.৭ কোটি নলবাহিত জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৮৭ লক্ষের মতো নলবাহিত জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে

    পিএম আবাস যোজনা

    সর্বভারতীয় স্তরে ২.৯৪ কোটিরও বেশি গৃহ নির্মাণে মঞ্জুরি

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৪৫.৬৯ লক্ষ গৃহ নির্মাণে মঞ্জুরি

    পিএম আবাস শহরাঞ্চল

    সর্বভারতীয় স্তরে ১.১৮ কোটি গৃহ নির্মাণে মঞ্জুরি

    পশ্চিমবঙ্গে ৬.৬৮ লক্ষ গৃহ নির্মাণে মঞ্জুরি 

    স্বচ্ছ ভারত মিশন

    সর্বভারতীয় স্তরে ১১ কোটিরও বেশি বাড়িতে শৌচালয় নির্মিত

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৮১.৯৪ লক্ষ বাড়িতে শৌচালয় নির্মিত

    স্বচ্ছ ভারত মিশন (শহরাঞ্চল)

    সর্বভারতীয় স্তরে ৬২.৮ লক্ষ বাড়িতে শৌচালয় নির্মিত

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২.৭৮ লক্ষ বাড়িতে শৌচালয় নির্মিত

    আয়ুষ্মান ভারত
     
    সর্বভারতীয় স্তরে ৩৪ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী

    রাজ্য সরকার ২০১৯-এ এই প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়িয়েছে

    জন ঔষধি কেন্দ্র (৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত)

    সর্বভারতীয় স্তরে ১২,৬০০-রও বেশি কেন্দ্র

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৩৪২টি কেন্দ্র

    এলপিজি সিলিন্ডার–উজ্জ্বলা মিশন
     
    সর্বভারতীয় স্তরে উজ্জ্বলা সুবিধাভোগী ১০.৩২ কোটি

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ১.২৩ কোটি

    পিএম গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা

    সর্বভারতীয় স্তরে ৮০ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৬ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী

    পিএম কিষাণ-এর আওতায় সুফলভোগী

    সর্বভারতীয় স্তরে ৮.৭ কোটিরও বেশি কৃষক (২২% মহিলা) 

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৪২.৩৫ লক্ষ কৃষক (১৮% মহিলা)

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুনিধন নিয়ে নীরব কংগ্রেস, তোপ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    Himanta Biswa Sarma: বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুনিধন নিয়ে নীরব কংগ্রেস, তোপ হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন নিয়ে কংগ্রেসকে (Congress) তীব্র আক্রমণ করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। একটি সভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “পশ্চিম বিশ্বে গাজার পরিস্থিতি নিয়ে কংগ্রেস সব সময় সোচ্চার হলেও, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুনিধন নিয়ে সম্পূর্ণ চুপ। মুখে কুলুপ দিয়ে বসে রয়েছেন কংগ্রেসের নেতারা।” উল্লেখ্য, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে গাজায় আক্রমণ নিয়ে কংগ্রেসকে যতটা সরব হতে দেখা গিয়েছিল, গত ৫ অগাস্টের পর থেকে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সনাতনী হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে, দেশের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা যায়নি। আর এখানেই বিজেপি নেতার প্রশ্ন। 

    ঠিক কী বলেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)?

    সামনেই ঝাড়খণ্ড রাজ্যের নির্বাচন। এই রাজ্যে দলের তরফ থেকে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। শনিবার এখানে একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যোগদান করে বাংলাদেশে হিন্দুনিধনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি। সেই দেশের হিন্দুদের উপর আক্রমণ সম্পর্কে কংগ্রেসকে (Congress) তোপ দেগে বলেন, “দেশের বিরোধী দল কংগ্রেস এখন নীরবতা পালন করছে। তাঁরা গাজা নিয়ে সব সময় বেশি করে উদ্বিগ্ন থাকেন। বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি চলছে। সংখ্যালঘু হিন্দুদের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। আমি নিশ্চিত ভারতের কেন্দ্র সরকার কূটনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে এই সমস্যাটির সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

    আরও পড়ুনঃ”হাসি হাসি পরব ফাঁসি, দেখবে ভারতবাসী”, মাত্র ১৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ!

    আর কী বললেন?

    আবার বিরসা মুন্ডা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সামনে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) আরও বলেন, “এই মুহূর্তে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক। হিন্দুদের দুর্দশার বিষয়ে কংগ্রেসের কোনও মাথাব্যথাই নেই। কংগ্রেসের নেতারা মুসলমানদের হয়ে বার বার প্রতিবাদ জানান। কিন্তু তাঁরা কতবার বাংলাদেশে হিন্দুদের পক্ষে কথা বলেছেন, এই প্রশ্ন করা উচিত। বাংলাদেশ থেকে অনেক শরণার্থী ভারতে আসতে চাইছেন। কিন্তু ভারত সরকার কাউকে সীমান্ত অতিক্রম করার অনুমতি দেয়নি। কারণ তাতে স্থায়ী সমাধান হবে না। একমাত্র সমাধান হল বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলে সেই দেশেই হিন্দুদের স্বার্থকে সুনিশ্চিত করা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khudiram Bose Death Anniversary: “হাসি হাসি পরব ফাঁসি, দেখবে ভারতবাসী”, মাত্র ১৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ!

    Khudiram Bose Death Anniversary: “হাসি হাসি পরব ফাঁসি, দেখবে ভারতবাসী”, মাত্র ১৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হাসি হাসি পরব ফাঁসি, দেখবে ভারতবাসী”, অখণ্ড ভারতের স্বাধীনতা ও বিপ্লবী আন্দোলনের সব থেকে উজ্জ্বল নক্ষত্র ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস (Khudiram Bose Death Anniversary) আজ। ১৯০৮ সালের ১১ অগাস্ট মাত্র ১৮ বছর বয়সে দেশের সর্বকনিষ্ঠ স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে হাসিমুখে ফাঁসিতে চড়েছিলেন ভারতের এই বীর সন্তান। মুজফফরপুর ষড়যন্ত্র মামলায় ফাঁসি হয় ক্ষুদিরাম বসুর (Khudiram Bose)। 

    ফিরে দেখা ইতিহাস (Khudiram Bose Death Anniversary) 

    ১৮৮৯ সালের ৩ ডিসেম্বর মেদিনীপুর শহরের কাছাকাছি (বর্তমানে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা) কেশপুর থানার অন্তর্গত মৌবনী (হাবিবপুর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ক্ষুদিরাম বসু। পাঁচ বছর বয়সে তিনি তাঁর মাকে হারান এবং এর এক বছর পর তাঁর বাবা মারা যান। এরপর খুব অল্প বয়সেই তিনি কলকাতার বারিন্দ্রকুমার ঘোষের মতো বিপ্লবীদের সংস্পর্শে আসেন এবং মাত্র ১৫ বছর বয়সে নিজেকে স্বাধীনতা সংগ্রামে ব্রতী করেছিলেন ক্ষুদিরাম। স্থানীয়দের মধ্যে ব্রিটিশবিরোধী পুস্তিকা বিতরণের জন্য ইংরেজ শাসকরা তাঁকে আটক করে। 
    ১৯০৮ সালের এপ্রিল মাসে ক্ষুদিরামের বয়স যখন ১৬ বছর, সে সময় প্রধান প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট ডগলাস কিংসফোর্ডকে হত্যার উদ্দেশ্যে ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকি মুজফফরপুরে একটি গাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, কিংসফোর্ড সেদিন ক্লাবে আসেননি। দুই ইংরেজ মহিলা মিসেস কেনেডি ও তাঁর কন্যা একই লাল গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন। ফলে সেই বোমা হামলায় তাঁরা মারা গিয়েছিলেন। এরপর পুলিশ ধরার আগেই প্রফুল্ল চাকি নিজেকে গুলি করে আত্মহত্যা করেন। আর অন্যদিকে এই ঘটনার পর নিজের প্রাণ বাঁচাতে ক্ষুদিরাম বসু (Khudiram Bose) ২৫ মাইল পথ পায়ে হেঁটে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন৷ কিন্তু, একটি জায়গায় জলের খোঁজ করতে গিয়ে পুলিশের মুখোমুখি হন তিনি। তাঁকে দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়৷ কিন্তু, সদ্য কৈশোর পেরনো ক্ষুদিরাম পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ধরা পড়ে যান৷ তাঁর কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে দাবি করে ব্রিটিশ পুলিশ৷ এরপর তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিচারে ক্ষুদিরাম বসুকে ফাঁসির সাজা শোনায় করে ব্রিটিশ বিচার ব্যবস্থা৷   

    আরও পড়ুন: ওয়েনাড়ে ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা আকশপথে পরিদর্শন করলেন মোদি

    মাত্র ১৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ (Khudiram Bose)

    বিখ্যাত অনুশীলন সমিতির সদস্য ছিলেন ক্ষুদিরাম। তাঁকে ফাঁসি দেওয়া (Khudiram Bose Death Anniversary) হয় মুজফফপুর সংশোধনাগারে। বর্তমানে সেই কারাগারের নাম বদলে বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর নামেই নামকরণ করা হয়েছে। এই কারাগারেই মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে হাসতে হাসতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন ভারতের এই বীর সন্তান। ভারতের সর্বকনিষ্ঠ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের একজন যিনি দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর শরীরের মৃত্যু হলেও আজীবন তিনি অমর হয়ে থেকে গেলেন প্রতিটি ভারতবাসীর মনের মণিকোঠায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vigyan Ratna Award: দেশের প্রথম বিজ্ঞান রত্ন পুরস্কার পাচ্ছেন প্রখ্যাত বায়োকেমিস্ট গোবিন্দরাজন

    Vigyan Ratna Award: দেশের প্রথম বিজ্ঞান রত্ন পুরস্কার পাচ্ছেন প্রখ্যাত বায়োকেমিস্ট গোবিন্দরাজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রখ্যাত বায়োকেমিস্ট গোবিন্দরাজন পদ্মনাভন উদ্বোধনী বিজ্ঞান রত্ন পুরস্কার (Vigyan Ratna Award) প্রাপক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। লিভারের রোগ এবং জিন নিয়ন্ত্রণে তাঁর যুগান্তকারী গবেষণার জন্য তিনি প্রথম বিজ্ঞান রত্ন পুরস্কারে সম্মানিত হতে চলেছেন। এটি এই বছর সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত সর্বোচ্চ বিজ্ঞান পুরস্কার। ৩৩টি রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞান পুরস্কার ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।

    দেশের সর্বোচ্চ বিজ্ঞান সম্মান (Vigyan Ratna Award)

    এই বছরের শুরুর দিকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে গবেষক, প্রযুক্তিবিদ এবং উদ্ভাবকদের অসামান্য এবং অনুপ্রেরণাদায়ক বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত এবং উদ্ভাবনী অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞান পুরস্কার (Vigyan Ratna Award) চালু করেছিল কেন্দ্র। সেই নিরিখে প্রখ্যাত জৈব রসায়নবিদ গোবিন্দরাজন পদ্মনাভন ২০২৪ সালের জন্য দেশের সর্বোচ্চ বিজ্ঞান সম্মান পেতে চলেছেন। 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন মোদি সরকারের

    ৩৩টি রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞান পুরস্কার

    কেন্দ্রীয় সরকার ৭ অগাস্ট ৩৩টি রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞান পুরস্কার (Vigyan Ratna Award) ঘোষণা করেছে। যার মধ্যে তরুণ বিজ্ঞানীদের জন্য ১৮টি বিজ্ঞান যুব পুরস্কার, ১৩টি বিজ্ঞান শ্রী পুরস্কার এবং একটি বিশেষ বিজ্ঞান দল পুরস্কার রয়েছে। টিম চন্দ্রযান-৩ তাদের যুগান্তকারী চন্দ্র অভিযানের জন্য পুরস্কৃত হতে চলেছে। গোবিন্দরাজন পদ্মনাভন বর্তমানে তিরুভারুরের তামিলনাড়ুর সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স (IISC), বেঙ্গালুরুর একজন সাম্মানিক অধ্যাপক। যকৃতের রোগ, প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং তাঁর অগ্রগামী গবেষণার জন্য বিজ্ঞান রত্ন দিয়ে তিনি সম্মানিত হতে চলেছেন। 

    রাজনৈতিক নেতারা অভিনন্দন জানিয়েছেন

    তামিলনাড়ুর বিজেপি নেতা কে আন্নামালাই বিজ্ঞান ও শিক্ষায় তাঁর অবদানের প্রশংসা করে পদ্মনাভনকে তার কৃতিত্বের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। একইভাবে তামিল মানিলা কংগ্রেস (মুপানার) সভাপতি জি কে ভাসানও পদ্মনাভনের কৃতিত্বের প্রশংসা করেছেন। ৪ অগাস্ট জারি করা একটি বিবৃতিতে, ভাসান বিজ্ঞান রত্ন পুরস্কারের জন্য পদ্মনাভনকে নির্বাচিত করায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর অসামান্য বৈজ্ঞানিক অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের প্রশংসা করেছেন।

    পুরস্কার প্রাপক বিজ্ঞানীদের একটি তালিকা

    পদ্মনাভন ছাড়াও বিজ্ঞান শ্রী পুরস্কারের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিজ্ঞানীদের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে। প্রাপকদের মধ্যে রয়েছেন, জ্যোতির্পদার্থবিদ অন্নপুরিণী সুব্রামানিয়ান, তামিলনাডুর কৃষিবিদ আনন্দরামকৃষ্ণান সি, অ্যাটমিক এনার্জি থেকে আভেশ কুমার ত্যাগী, প্রফেসর উমেশ বার্শনি এবং প্রফেসর জয়ন্ত ভালচন্দ্র উদগাঁওকর (জীব বিজ্ঞান), প্রফেসর সৈয়দ ওয়াজিহ আহমদ নকভি (পৃথিবী বিজ্ঞান), প্রফেসর ভীম সিং (ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্সেস), প্রফেসর আদিমূর্তি আদি এবং প্রফেসর রাহুল মুখোপাধ্যায় (গণিত এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান), অধ্যাপক ডাঃ সঞ্জয় বিহারী (মেডিসিন), প্রফেসর লক্ষ্মণ মুথুসামী এবং প্রফেসর নব কুমার মণ্ডল (পদার্থবিদ্যা), অধ্যাপক রোহিত শ্রীবাস্তব (প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন)। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি প্রথম জাতীয় মহাকাশ দিবস উপলক্ষে চন্দ্রযান-৩-এর সফল চাঁদে অবতরণ উদযাপনের দিন হিসেবে ২৩ অগাস্ট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share