Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Navneet Rana: “আমাদের ১৫ সেকেন্ড সময় লাগবে”- ওয়াইসিকে হুঁশিয়ারি নবনীত রানার

    Navneet Rana: “আমাদের ১৫ সেকেন্ড সময় লাগবে”- ওয়াইসিকে হুঁশিয়ারি নবনীত রানার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মরশুমে এবার খোলা মঞ্চ থেকে সরাসরি আকবরউদ্দিন ওয়াইসিকে (Akbaruddin owaisi) হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির টিকিটে লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী নবনীত রানা। হায়দরাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসির বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী মাধবী লতার হয়ে প্রচারে এসে সভা থেকে হুঁশিয়ারি দেন নবনীত রানা।  

    কোন প্রসঙ্গে এই মন্তব্য? 

    ২০১৩ সালে এক সভায় অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন নেতা আকবরউদ্দিন ওয়াইসি (Akbaruddin owaisi) ‘১০০ কোটি হিন্দু’কে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, “১৫ মিনিটের জন্য পুলিশ তুলে নিলে তারা কী করতে পারে, তা দেখিয়ে দেবে তাঁর সম্প্রদায়।” এবার সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়ে এদিন নবনীত (Navneet Rana) জানান,”পুলিশকে সরিয়ে দেওয়া হলে বা সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হলে আমাদের ১৫ সেকেন্ড সময় লাগবে। আপনার ১৫ মিনিট সময় লাগতে পারে, কিন্তু আমাদের সময় লাগবে মাত্র ১৫ সেকেন্ড।”  
    উল্লেখ্য, আসাদউদ্দিন ২০০৪ সাল থেকে হায়দরাবাদ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিলেন। এর আগে তিনি পূর্বতন অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে দুবার বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    নবনীত রানার বক্তব্য নিয়ে ওয়ারিস পাঠান (Navneet Rana)

    অন্যদিকে নবনীত রানার (Navneet Rana) বক্তব্য শুনে পাল্টা আবার ওয়ারিস পাঠান বলেছেন, “নবনীত রানা বুঝতে পেরেছেন যে তিনি অমরাবতীতে নির্বাচনে হারতে চলেছেন। সেই কারণেই তিনি এসব বলছেন।” এছাড়াও তিনি আরও বলেন, “১৫ সেকেন্ডের জন্য পুলিশকে সরিয়ে দিয়ে তারা কী করবে? তারা কি সব মুসলমানকে হত্যা করবে? পুলিশ প্রশাসন কি করছে? এখন পর্যন্ত কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং নির্বাচন কমিশন কী করছে? নির্বাচন কমিশনের (Election commission) উচিত এই বক্তব্যকে আমলে নিয়ে বিজেপি সাংসদ নবনীত রানার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। ওরা (বিজেপি) মেরুকরণ ও সাম্প্রদায়িক বিভেদের চেষ্টা করছে।”   

    আরও পড়ুন: “নদিয়ার সৌন্দর্য ফেরাতে রানিমাকে জেতাতে হবে,” রোড শো থেকে আর্জি জানালেন মিঠুন

    মাধবী লতার হয়ে প্রচারে নভনীত রানা 

    প্রসঙ্গত, এদিন মাধবী লতার হয়ে প্রচারে নভনীত রানা (Navneet Rana) বলেন, “মাধবী লতা ভারতের সঙ্গে থাকা মানুষের কাছ থেকে যে ধরনের সমর্থন পাচ্ছেন- তারা সবাই এবার মাধবী লতাকে ভোট দেবেন। আমি আশা করি ভোট হলে মাধবী লতা অবশ্যই হায়দরাবাদকে পাকিস্তানে পরিণত হওয়া থেকে বিরত রাখবেন এবং সংসদের মাধ্যমে হায়দরাবাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kulgam Encounter: কুলগামে ৪০-ঘণ্টার সেনা অভিযানে খতম লস্করের শীর্ষ কমান্ডার সহ ৩ জঙ্গি

    Kulgam Encounter: কুলগামে ৪০-ঘণ্টার সেনা অভিযানে খতম লস্করের শীর্ষ কমান্ডার সহ ৩ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরের (J&K) কুলগ্রাম এলাকায় (Kulgam Encounter) টানা ৪০ ঘণ্টা পর শেষ হল জঙ্গিদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর গুলি বিনিময়। জম্মু কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে সেনার এই যৌথ অভিযানে নিকেশ হয়েছে এক শীর্ষ কমান্ডার সহ তিন জঙ্গি। বাজেয়াপ্ত হয়েছে প্রচুর গোলাবারুদ ও নথি।

    নিকেশ লস্করের শীর্ষ কমান্ডার

    ৬ মে মধ্যরাত্রি থেকে পুলিশ ও সেনার যৌথ অভিযান শুরু হয়েছিল। সামাজিক মাধ্যম এক্স হ্যান্ডলে ভারতীয় সেনার তরফে এই অভিযানের বিবরণ দেওয়া হয়েছে। অভিযানে লস্কর-এ-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) শাখা সংগঠন টিআরএফের (The Resistance Front) এক শীর্ষ কমান্ডারের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর ভারতীয় সেনার চিনার কোর (Chinar Corps) এই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিল। রেডওয়ানি পাইন এলাকায় ৬ মে গভীর রাতে এই অভিযান শুরু হয়। জঙ্গিদের সঙ্গে সেনাবাহিনী ব্যাপক গুলি বিনিময় হয়। চিনার কোর জম্মু কাশ্মীর শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

    ৪০ ঘণ্টা চলল সেনার অভিযান

    সেনার তরফে ৪০ ঘন্টা সময় তিন জঙ্গিকে খতম করতে লাগল কেন জানতে চাওয়া হলে এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, “যাতে কোন সাধারণ মানুষের ক্ষতি না হয় তার জন্যই সেনার তরফে অনেক সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছিল। তাই বেশি সময় লেগেছে।” প্রসঙ্গত গত মঙ্গলবার দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম (Kulgam Encounter)  এলাকার রেডওয়ানি পাইন এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে ভারতীয় সেনার গুলি বিনিময় হয়েছিল। তারপরেই সেনা ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এই যৌথ অভিযান শুরু করে।

    আরও পড়ুন: পুঞ্চে বিমানবাহিনীর কনভয়ে হামলায় জড়িত তিন জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ

    প্রথমে জঙ্গিরা বিমান বাহিনীর কনভয়ের উপর হামলা চালায় 

    এর আগে ৪ মে পুঞ্চ জেলায় পাক সমর্থিত জঙ্গিরা সেনাবাহিনীর কনভয়ের উপরে হামলা চালিয়ে ছিল। ওই হামলায় ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) একজন জওয়ানের মৃত্যু হয়। এবং চারজন জখম হয়েছিলেন। ভারত পাক সীমান্ত লাগোয়া মেন্ধর (Mendhar) এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। হামলায় ভারতীয় বায়ুসেনার যে জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল তার নাম ভিকি পাহাড়ে বলে জানা গিয়েছে। তার বাড়ি মহারাষ্ট্রের নাগপুর জেলায়। সেখানেই তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব শেষ শ্রদ্ধা জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odisha: ওড়িশায় আত্মসমর্পণ করল ২ মহিলা ক্যাডার সহ ৯ জন মাওবাদী, জানেন কেন?

    Odisha: ওড়িশায় আত্মসমর্পণ করল ২ মহিলা ক্যাডার সহ ৯ জন মাওবাদী, জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করল ২ জন মহিলা ক্যাডার (Female cadres) সহ ৯ জন মাওবাদী। ৭ মে, মঙ্গলবার ওড়িশার (Odisha) ভুবনেশ্বরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সিপিআই (মাওবাদী) এর ৯ জন সদস্য একসঙ্গে ওড়িশা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। জানা গিয়েছে, ওই ২ মহিলা ক্যাডার সহ ৯ জন মাওবাদী এর আগে কুখ্যাত কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এদিন বৌধ জেলায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা।  

    পুলিশ তরফে জানানো হয়েছে 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলা ক্যাডার যোগী মাদভি ওরফে জ্যোতি এবং পোজে মাদভি সহ নয়জন মাওবাদীই পার্শ্ববর্তী ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া জেলার মুলের গ্রামের বাসিন্দা। যোগী যখন ২০১৯ সালে সিপিআই (মাওবাদী) তে যোগ দিয়েছিল তখন তিনি মাওবাদী নেতা সিলা ওরফে নাগমনির ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। এরপরে ২০২০ সালে কেকেবিএন বিভাগের চতুর্থ কোম্পানির বিভাগীয় কমিটির সদস্য (DCM) বিকাশ ওরফে জগদীশের সঙ্গে চরমপন্থী গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছিল। 

    কী বলল আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরা?

    আত্মসমর্পণকারী অন্যদের মধ্যে কেকেবিএন বিভাগের ডিসিএম সাময় মাদকাম ওরফে নরেশও রয়েছে। তিনি ডিভিশনের চতুর্থ কোম্পানিতে ১ম প্লাটুনের কমান্ডার ছিল এবং এর আগে ওডিশার কান্ধমাল, বৌধ এবং নুয়াপাদা জেলায় তার বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এই দুজন ছাড়া বাকিরা মাওবাদী (Maoists) সংগঠনে দলীয় সদস্য হিসেবে কাজ করছিল। মাদকাম পুলিশের কাছে জানিয়েছে, দলের মধ্যে নিচুতলার কর্মী-সদস্যদের ওপর ভীষণভাবে শোষণ ও নীপিড়ন হতো। বিশেষ করে, মহিলা সদস্যদের ওপর লাগাতার যৌন নির্যাতন চলত। এসব দেখে তারা মূলস্রোতে ফেরার সিদ্ধান্ত নেয়।

    আরও পড়ুন: বাংলায় তিন দফায় ‘শান্তিপূর্ণ’ ভোট, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রশংসা কমিশনের

    ছত্তিশগড়েও মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ (Maoists surrender)

    অন্যদিকে সম্প্রতি ছত্তিশগড়ের দান্তেওয়াড়া জেলায় ৩৫জন মাওবাদী, পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। রবিবার দান্তেওয়াড়া পুলিশের প্রচার অভিযানের জেরে ওই রেঞ্জের ডি আই জি পুলিশ কমললোচন কাশ্যপ এবং সিআরপিএফ ও পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সামনে তারা আত্মসমর্পণ করে। জানা গিয়েছে ভইরামগড় এবং কাটেকল্যাণ এলাকায় মাওবাদী (Maoists) সংগঠনের কাজকর্মে যুক্ত ছিল তারা। এদের বিরুদ্ধে রাস্তা অবরোধ সহ বিভিন্ন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সংখ্যা (India Hindu Population) দ্রুত কমছে। আর যারা সংখ্যালঘু তাদের বংশলতিকা বাড়ছে বর্ষার লবঙ্গলতিকার মতো। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে ভারতের জনসংখ্যার এই ছবি। প্রধানমন্ত্রীর ইকনোমিক অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের (EAC-PM Study) প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সংখ্যা কমেছে ৭.৮ শতাংশ। অথচ এই সময়সীমায় ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে সংখ্যাগুরু (পড়ুন মুসলমান) জনসংখ্যা বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

    বেড়েছে সংখ্যালঘু (India Hindu Population) 

    কেবল প্রতিবেশী দেশগুলিতে নয়, ভারতেও যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, সেখানেও সংখ্যালঘু মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং শিখ সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বাড়ছে। আর উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে জৈন ও পার্শিদের সংখ্যা। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ এই পঁয়ষট্টি বছরে (India Hindu Population) ভারতে মুসলমান জনসংখ্যার হার বেড়েছে ৪৩.১৫ শতাংশ। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বেড়েছে ৫.৩৮ শতাংশ। জনসংখ্যা বেড়েছে শিখ এবং বৌদ্ধদেরও। শিখদের জনসংখ্যা বেড়েছে ৬.৫৮ শতাংশ। বৌদ্ধদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে সামান্য।

    কমেছে হিন্দুর হার

    সংখ্যালঘুদের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তার চেয়ে তুলনায় ঢের কমছে সংখ্যাগুরু হিন্দু জনসংখ্যা (India Hindu Population)। ১৯৫০ সাল থেকে ২০১৫ এই পর্বে ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার ভাগ ৮৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৭৮ শতাংশ। এই সময় মুসলমানদের ভাগ ৯.৮৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪.০৯ শতাংশ। ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা যে হারে কমছে, সেদিক থেকে ভারতের স্থান হয়েছে পড়শি দেশ মায়ানমারের পরেই। এখানে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ১০ শতাংশ। ভারতে এই হার ৭.৮ শতাংশ। হিন্দুর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ভারতের আর এক প্রতিবেশী দেশ নেপালেও। এখানেও হিন্দুরাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। তবে তাদের বৃদ্ধির হার মাত্রই ৩.৬ শতাংশ। যে রিপোর্টের ভিত্তিতে এসব বলা হচ্ছে, তা সংগ্রহ করা হয়েছে বিশ্বের ১৬৭টি দেশ থেকে। গবেষণাপত্রটির লেখকদের মতে, বিভিন্ন দিক থেকে বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা কেবল নিরাপদেই রয়েছেন তা নয়, তাঁরা ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে (India Hindu Population)।

    এগিয়ে বাংলাদেশ

    সংখ্যাগুরু হওয়া সত্ত্বেও ভারতে যেখানে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে, সেখানে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে সংখ্যাগুরু মুসলমানদের সংখ্যা বাড়ছে তরতরিয়ে। সব চেয়ে বেশি বেড়েছে বাংলাদেশে। এদেশে মুসলমান বেড়েছে ১৮.৫ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে পাকিস্তান। সেখানে বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। এই তালিকার একেবারে শেষে রয়েছে আফগানিস্তান। সেখানে বেড়েছে মাত্রই ০.২৯ শতাংশ। গবেষণাপত্রটির লেখক শমিকা রবি, আব্রাহাম জোশ এবং অপূর্বকুমার মিশ্র। তাঁরা বলছেন, পাকিস্তানে হানিফ মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ৩.৭৫ শতাংশ। এদেশে সামগ্রিকভাবে মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ১০ শতাংশ। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে গিয়ে বাংলাদেশ আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পরেও পাকিস্তানে অব্যাহত মুসলমান জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার। ভারতের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী মায়ানমার। সেখানে জনসংখ্যার হার কমেছে ব্যাপকভাবে। ১৯৫০ থেকে ২০১৫ এই সময়সীমায় সে দেশে থেরাভাদা বৌদ্ধদের সংখ্যা কমে গিয়েছে ১০ শতাংশ। এদেশে এরাই সংখ্যাগুরু (India Hindu Population)। গবেষণায় জানা গিয়েছে, ভারত এবং মায়ানমারের পরে নেপালে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের জনসংখ্যা কমেছে ৩.৬ শতাংশ।

    পিছিয়ে মলদ্বীপও

    ভারত মহাসাগরের বুকে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপ। এখানেও মুসলমানেরাই সংখ্যাগুরু। তবে এঁরা সফি সুন্নি সম্প্রদায়ের মুসলমান। কমেছে এঁদের হারও। সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে ১.৪৭ শতাংশ। ভারতের আরও দুই প্রতিবেশী দেশে বৌদ্ধরা সংখ্যাগুরু। এই দুই দেশের একটি হল ভুটান, অন্যটি শ্রীলঙ্কা। চলতি বছরের মে মাসে যে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে ভুটানে বৌদ্ধ জনসংখ্যার হার বেড়েছে ১৭.৬ শতাংশ। আর শ্রীলঙ্কায় এই হার ৫.২৫ শতাংশ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে সংখ্যালঘুদের মোট জনসংখ্যার শেয়ারের পরিবর্তন থেকে ওই দেশের সংখ্যালঘুদের স্টেটাস কী, তা বোঝা যায়।

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    বিশ্বেও হ্রাস পাচ্ছে সংখ্যাগুরুরা

    ওই গবেষণা থেকে আরও জানা গিয়েছে, কেবল ভারতেই (India Hindu Population) নয়, গোটা বিশ্বেই কমছে সংখ্যাগুরুদের বৃদ্ধির হার। চিন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড এবং পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশের কথা অবশ্য আলাদা। এই দেশগুলিতে ভারতের চেয়ে বেশি বেড়েছেন সংখ্যালঘুরা। বিশ্বের যে ১৬৭টি দেশে ধর্মীয় জনগণনা করা হয়েছিল, সেখানে গড়ে জনসংখ্যা কমেছে ২২ শতাংশ (১৯৫০-২০১৫ এই সময় সীমায়)। লাইবেরিয়ায় কমেছে ৯৯ শতাংশ। আর নাবিমিয়ায় বেড়েছে ৮০ শতাংশ। ১২৩টি দেশে সংখ্যাগুরুদের সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

    ভারতে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ

    কী কারণে ভারতে বাড়ছে সংখ্যালঘুরা? গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা যে নিরাপদেই রয়েছেন, এটা তার একটা বড় প্রমাণ। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, সংখ্যাগুরুদের জনসংখ্যা হ্রাসের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রমাণ করে দেশের নীতি রয়েছে সঠিক পথে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও রয়েছে ঠিকঠাক। তার জেরেই জনসংখ্যা বাড়ছে সংখ্যালঘুদের। ভারতের যে বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের বাতাবরণ রয়েছে, তাও যে সত্য, তা প্রমাণিত এ দেশে সংখ্যালঘুদের বাড়বাড়ন্তে (India Hindu Population)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Poonch IAF Convoy Attack: পুঞ্চে বিমানবাহিনীর কনভয়ে হামলায় জড়িত তিন জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ

    Poonch IAF Convoy Attack: পুঞ্চে বিমানবাহিনীর কনভয়ে হামলায় জড়িত তিন জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরের পুঞ্চে (Poonch IAF Convoy Attack) বিমানবাহিনীর কনভয়ে হামলায় জড়িত তিন জঙ্গির নাম ও ছবি প্রকাশ করল নিরাপত্তা বাহিনী। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে তিনজন জঙ্গির পরিচয় জানা গিয়েছে। এদের মধ্যে একজন পাকিস্তানি সেনার এসএসজি-তে কর্মরত ছিলেন। চাকরি থেকে অবসর নিয়ে জম্মু কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টায় যুক্ত হয় হরদুন ইলিয়াস ফৌজি নামে ওই ব্যাক্তি।

    জঙ্গিদের পরিচয় প্রকাশ

    গত ৫ মে পুঞ্চে (Poonch IAF Convoy Attack) বিমানবাহিনী কনভয়ে জঙ্গি হামলায় কর্পোরাল ভিকি পাহাড়ির মৃত্যু হয়। তাঁর চার সহকর্মী জখম হন। এই ঘটনায় যুক্ত ৩ জঙ্গির পরিচয় প্রকাশ্যে এসেছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনজনই আমেরিকায় তৈরি এম ফোর এস এবং রুশ স্বয়ংক্রিয় রাইফেল একে ৪৭ ব্যবহার করেছিল। যে তিনজনের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে তারা হল, ইলিয়াস। সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রাক্তন কমান্ডো। পাকিস্তানি জঙ্গি হাদুন এবং আবু হামজা। এই নামগুলি আসল নাও হতে পারে। বিশেষত আবু হামজার নামটি ছদ্মনাম বলেই ধারণা। কারণ, লস্কর-ই-তোইবা জঙ্গি অপারেশনের কমান্ডারের নাম গোপন রাখার জন্য সাংকেতিক নাম ব্যবহার করে থাকে।

    জম্মু-কাশ্মীর (Jammu And Kashmir) পুলিশ এর আগে হামজার আঁকা ছবি প্রকাশ করেছিল। তাতে দেখা গিয়েছিল, হামজার বয়স আনুমানিক ৩০-৩২ বছর। মাঝারি স্বাস্থ্য এবং ফরসা। ছোট ছাঁটের চুল কাটা। শেষবার তাকে একটি পাঠানি স্যুটের উপর বাদামি রঙের শাল গায়ে দেখা গিয়েছিল। একটি কমলা রঙের ব্যাগ ছিল তার সঙ্গে। তাকে গ্রেফতারের জন্য ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ। পুঞ্চ (Poonch IAF Convoy Attack) সেক্টরে গতবছর বেশ কয়েকটি জঙ্গি হামলা হলেও এ বছর এটাই ছিল প্রথম রক্তক্ষয়ী ঘটনা। 

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: কেন পাকিস্তানের নয়নমণি রাহুল! ব্যাখ্যা দিলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: কেন পাকিস্তানের নয়নমণি রাহুল! ব্যাখ্যা দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান কেন রাহুল গান্ধিকে (Rahul Gandhi) সমর্থন করে তার ব্যাখ্যা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে যেহেতু রাহুল গান্ধি পাকিস্তানের অ্যাজেন্ডাকে সমর্থন করেন তাই পাকিস্তান তাঁকে সমর্থন করে।

    রাহুল গান্ধিকে পাকিস্তানের সমর্থনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

    বুধবার রাহুল গান্ধিকে পাকিস্তানের সমর্থনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । তিনি বলেন, “এখন পাকিস্তান রাহুল বাবার খুব প্রশংসা করছে। একজন সাংবাদিক আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন কেন এমনটা হচ্ছে? আমি তাঁকে বলেছি, এমনটা তো হওয়ারই কথা। কারণ যখন সার্জিক্যাল হয়েছিল রাহুল বাবা প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেনাবাহিনীকে নকশালপন্থীরা হত্যা করলে রাহুল বাবা চুপ থাকেন। কিন্তু সেনাবাহিনী যখন নকশালদের উপরে অভিযান চালায় রাহুল বাবা তার বিরোধিতা করেন। তখন রাহুল বাবার মানবাধিকারের কথা মনে পড়ে যায়। আগে যে ঘটনাগুলি বললাম সব ক্ষেত্রে পাকিস্তানও বিরোধিতা করেছিল। ফলে রাহুল বাবা এবং পাকিস্তানের অ্যাজেন্ডা মিলে যাচ্ছে। এর জন্যই পাকিস্তানের নেতাদের নয়নমনি হয়ে উঠেছেন রাহুল বাবা।”

    আরও পড়ুন: https://www.madhyom.com/india/india-russia-relation-russia-says-us-trying-to-destabilize-india-during-lok-sabha-polls-24988

    ফওয়াদ চৌধুরীর মন্তব্যের পর ঘটনার সূত্রপাত 

    প্রসঙ্গত ২ মে গুজরাটে ভোট প্রচারে গিয়ে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) । তিনিও রাহুলের পাক সমর্থক যোগ উস্কে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “কংগ্রেসের (Congress) শাহজাদাকে জেতাতে পাকিস্তান উতলা হয়ে পড়েছে। বিজেপি (BJP) মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদীও চলতি সপ্তাহে দাবি করেছিলেন পাকিস্তান নাকি রাহুল গান্ধীকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চায়। প্রসঙ্গত এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল ইমরান খানের (Imran Khan) ক্যাবিনেটে থাকা মন্ত্রী ফওয়াদ চৌধুরীর মন্তব্যের পর। ফওয়াদ গত মাসে বলেছিলেন রাহুল গান্ধীর তোলা ইস্যুগুলিকে তিনি সমর্থন করেন। তিনি ভারতে যে কেউই সঠিক ইস্যু (পাকিস্তানের মতে) তুলবে তাঁকে তাঁরা সমর্থন করবেন। ভারতের মসনদে তিনি রাহুল গান্ধীকে দেখতে চান। প্রসঙ্গত ফওয়াদ চৌধুরীকে এর আগেও বহুবার ভারত সরকার এবং ভারতীয় মন্ত্রীদের কটাক্ষ করতে দেখা গেছে। কিন্তু কংগ্রেস বা রাহুল গান্ধীর বিষয়ে তিনি কখনও কুমন্তব্য করেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hospital scam: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার দিল্লির বিশিষ্ট হাসপাতালের দুই কার্ডিওলজিস্ট সহ নয় কর্মী

    Hospital scam: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার দিল্লির বিশিষ্ট হাসপাতালের দুই কার্ডিওলজিস্ট সহ নয় কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা হাসপাতালই যেন দুর্নীতির আখড়া। চিকিৎসক, ল্যাব বিভাগ, হাসপাতালের কর্মচারি থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম সররাহকারী সংস্থার কর্মী। সকলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির (Hospital scam) অভিযোগ। এমনই দুর্নীতির মাকড়জাল সামনে এল। দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতাল থেকে দুই চিকিৎসক সহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করল সেন্ট্রাল বিউরো অফ ইনভেস্টিগেশন। বুধবার হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের আদালতে তোলা হলে ১৪ই মে পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    গ্রেপ্তার কার্ডিওলজি বিভাগের দুই চিকিৎসক (Hospital scam)

    জানা গিয়েছে গ্রেফতার হওয়া ৯ জনের মধ্যে দুজন কার্ডিওলজি বিভাগের নাম করা চিকিৎসক। তাদের নাম অজয় রাজ এবং পার্বতাগৌড়া চেনাপ্পাগৌড়া। এছাড়াও ভুবল জয়সওয়াল (ক্লার্ক), সঞ্জয় কুমার (ক্লার্ক), রজনীশ কুমার (ক্যাথ ল্যাব ইঞ্চার্জ), বিকাশ কুমার(দালাল), নরেশ নাগপাল (চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী), ভরত সিং ((চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী), আবরার আহমদকে (চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী) গ্রেফতার করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর মোট ১১ জন ব্যক্তি ও চারটি সংস্থার নামে এফআইআর হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন ৬ জন হাসপাতালে কর্মী, একজন মধ্যস্থতাকারী ও চারজন চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারী। এরা সকলের হাসপাতালে তোলাবাজির (Hospital scam) রাজত্ব কায়েম করেছিলেন বলে অভিযোগ। চিকিৎসকরা ও হাসপাতালের ল্যাব বিভাগের কর্মীরা ওষুধ ও  চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহকারীদয়ের কাছ থেকে অনৈতিক উপায়ে টাকা আদায় করছিলেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে হাসপাতালের কর্মীরা রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধে পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তোলা আদায় থেকে শুরু করে অনেকক্ষেত্রে ভয় দেখিয়ে টাকা তুলছিলেন বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে নার্সদেরও যুক্ত থাকার অভিযোগ পেয়েছে সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা।

    ৫০ বছর পর মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে ফের খনন শুরু এএসআই-এর, কেন জানেন?

    ইউরোপ টুরে যাওয়ার আগে দিয়ে ঘুষ দেওয়ার অনুরোধ করেন চিকিৎসক 

    অজয় রাজ এবং পার্বতাগৌড়া বিরুদ্ধে অভিযোগ যে তিনি স্টেন্ট সরবরাহ সংস্থার কাছ থেকে টাকা নিয়ে নির্দিষ্ট কোম্পানির স্টেন্ট কেনার জন্য রোগীদের পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করতেন। হৃদরোগে অস্ত্রোপচারে স্টেন্টের প্রয়োজন হয়। প্রসঙ্গত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় হৃদরোগে আক্রন্ত হলে তাঁর হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসানো হয়েছিল। অভিযুক্ত দুই হৃদরোগ বিষেষজ্ঞ চিকিৎসক ঘুষ নিয়ে নির্দিষ্ট কোম্পানির সরঞ্জাম ব্যবহার করার জন্য রোগীর পরিবারের উপর চাপ দিতেন।  সিবিআই সূত্রে খবর পার্বতাগৌড়া আহমেদ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল ঘুষ বাবদ ২লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা প্রদেয় অর্থ গরমের ছুটিতে ইউরোপ টুরে যাওয়ার আগে দিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। এর আগে আহমেদ নামে ঐ ব্যক্তি ওই চিকিৎসকের পিতা বসন্ত গৌড়ার কাছে ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা নগদ দিয়েছিল। এফআইআরে কথা উল্লেখ আছে যে কার্ডিয়োলজিস্ট অজয় রাজকে ভারতী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এর তরফ থেকে ভরত সিং দালাল বেশ কয়েক দফায় লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। এমনকি হাসপাতালের কেরানি সঞ্জয় কুমারের  বিরুদ্ধে অভিযোগ যে সে ভুয়ো মেডিকেল সার্টিফিকেট বিক্রি করত। বিভিন্ন সংস্থায় ছুটির আবেদন কিংবা অফিসিয়াল দরকারে যাদের মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হত তাঁদের কাছ টাকা থেকে ভুয়ো মেডিকেল সার্টিফিকেট দেওয়া হত। প্রয়োজন বুঝে মোতা টাকাও আদায় হত বলে অভিযোগ। এভাবে বাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা সঞ্জয় তুলেছিল।

    রোগীদের কাছ থেকে চলত তোলা আদায় (Hospital scam)

    শুধু তাই নয় রোগীদেরকে ভয় দেখিয়েও রীতিমত চলত তোলা আদায়(Hospital scam) । জানা গিয়েছে ভুবল জয়সওয়াল নামে এক কেরানি এবং শালু নামে এক নার্সও তোলাবাজির ঘটনায় (Hospital scam) জড়িত বলে অভিযোগ। তাঁরা এক অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও তাঁর স্বামীকে ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা আদায় করেছিল অভিযোগ ওঠে ওই ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয় যদি কুড়ি হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ওই ব্যক্তিকে বলা হয় টাকা না দিলে তাঁর স্ত্রীকে হাসপাতাল থেকে ছুঁড়ে ফেলা হবে। ভয় পেয়ে ওই ব্যক্তি অনলাইনের মাধ্যমে ভুবলকে কুড়ি হাজার টাকায় ইউপিআই পেমেন্ট করেন। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং অতিরিক্ত সুবিধায় পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তোলা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতালে দুর্নীতি এখানেই সীমিত ছিল না হাসপাতালে ল্যাবরেটরি বিভাগের রজনিশ কুমার এবং আব্রার আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা বেশ কয়েকটি কোম্পানির সরঞ্জাম রোগীদের সুপারিশ করার নাম করে ঘুষ নিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Air India: গণ ‘সিক লিভে’র শাস্তি! ৩০ জন কেবিন ক্রু-কে একসঙ্গে ছাঁটাই এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের

    Air India: গণ ‘সিক লিভে’র শাস্তি! ৩০ জন কেবিন ক্রু-কে একসঙ্গে ছাঁটাই এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কর্মীসঙ্কটের জেরে বিপাকে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়া (Air India Flights) এক্সপ্রেস। একসঙ্গে প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু আচমকাই ছুটি নিয়েছিলেন। ফলে কর্মীসঙ্কটের জেরে বাধ্য হয়ে ৭০টির বেশি এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) এক্সপ্রেস বিমান বাতিল (Flights Cancelled) করতে বাধ্য হয়েছিল বিমান সংস্থা। আর এবার কর্মীদের এমন আচরণের পাল্টা পদক্ষেপ নিল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। এক চিঠিতে একসঙ্গে চাকরি গেল কমপক্ষে ৩০ জন কেবিন ক্রু-র।

    ঠিক কী কারনে এই সিদ্ধান্ত? (Air India) 

    সম্প্রতি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছিল প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু। তারা নিজেদের মোবাইলও অফ করে দেন যাতে যোগাযোগ করা না যায়। সূত্রের খবর টাটা গোষ্ঠীর সংস্থাটিতে চাকরির নতুন যে শর্ত দেওয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদেই এই ঘটনা (Flights Cancelled)ঘটেছে। নয়া নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে কয়েক দিন ধরেই অসন্তোষ দেখা দিচ্ছিল কর্মীদের মধ্যে। আর কর্মী অসন্তোষের জেরে এবার চটে লাল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস। বিক্ষুব্ধ কর্মচারিদের একাংশকে বিনা নোটিশে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দিল টাটা গোষ্ঠীর এই উড়ান সংস্থা। যদিও এয়ার ইন্ডিয়ার বিক্ষোভকারী কেবিন ক্রুদের দাবি, অসুস্থতার কারণে ছুটি চেয়েছিলেন তাঁরা। যা না মেলায় মঙ্গলবার কাজে যোগ দেননি এদের একটা বড় অংশ। 

    উড়ান সংস্থার বক্তব্য 

    অন্যদিকে বুধবার, 8 মে একগুচ্ছ বিক্ষোভকারীর হাতে টার্মিনেশন লেটার বা চাকরি থেকে বরখাস্তের চিঠি ধরিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) এক্সপ্রেস। চিঠিতে উড়ান সংস্থাটি বলেছে, ‘যে ভাবে একসঙ্গে কেবিন ক্রুরা অসুস্থতার রিপোর্ট করেছে, তা সন্দেহজনক। এটি পূর্ব পরিকল্পিত বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। তাঁরা সম্মিলিতভাবে কাজ থেকে বিরতি নিতে চাইছেন। যা কোনভাবেই বরদাস্ত করা সম্ভব নয়।’ তবে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। হঠাৎ করে একসঙ্গে এতজন কর্মীদের ছুটি নেওয়ায় বিমানবন্দররে যে অব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, তার জেরেই শাস্তি স্বরূপ ৩০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে নীতি বিরুদ্ধ আচরণের জন্য আরও কর্মীকে ছাঁটাই করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: মোদির নির্দেশের পরই বড় সিদ্ধান্ত, যোগ্য শিক্ষকদের জন্য চালু বিশেষ পোর্টাল

    এ প্রসঙ্গে উড়ান সংস্থাটির সিইও (CEO) অলোক সিং জানিয়েছেন, “মঙ্গলবার উড়ান টেক অফের মুখে প্রায় ৩০০ কেবিন ক্রু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ছুটি চেয়েছিলেন। যা অনৈতিক।” হঠাৎ করে এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জেরে যাত্রী পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Russia Relation: ‘লোকসভা ভোটের মধ্যেই ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে আমেরিকা’, অভিযোগ রাশিয়ার

    India Russia Relation: ‘লোকসভা ভোটের মধ্যেই ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে আমেরিকা’, অভিযোগ রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে আমেরিকা।’ কথাগুলি বলল রাশিয়ার (India Russia Relation) বিদেশমন্ত্রক। ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে রিপোর্ট দিয়েছে মার্কিন ফেডারেল কমিশন। সেই প্রেক্ষিতেই এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করল রাশিয়া।

    কী বলছে রাশিয়া? (India Russia Relation)

    রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া জ্যাকারোভা বলেন, “ভারতের জাতীয় মানসিকতা এবং ইতিহাস বোঝার ক্ষমতা নেই ওয়াশিংটনের। তাই ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে না জেনেই দোষারোপ করে চলেছে তারা। লোকসভা নির্বাচনের সময় এভাবে তারা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে ভারতে।” তিনি বলেন, “এটা দেশ হিসেবে ভারতের প্রতি অশ্রদ্ধার পরিণতি। এর কারণ হল ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে। তাই সাধারণ নির্বাচন জটিল হয়ে উঠছে। এই আবহে ওয়াশিংটনের পদক্ষেপ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর শামিল।”

    কী বলা হয়েছে মার্কিন রিপোর্টে?

    প্রতি (India Russia Relation) বছর একটি করে রিপোর্ট প্রকাশ করে ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম। এই রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হচ্ছে। ভারতে এ নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তাও জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। জাতীয় রাজনীতিতে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি যে বৈষম্য করছে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। ইউএপিএ, ফরেন কনট্রিবিউশন অ্যাক্ট, সিএএ, অ্যান্টি-কনভার্সান এবং গোহত্যা আইনেরও উল্লেখ করা হয়েছে। এই আইনগুলির মাধ্যমে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হচ্ছে বলেও অনুযোগ করা হয়েছে রিপোর্টে। আরও বলা হয়েছে, সংবাদ মাধ্যম এবং এনজিওগুলি ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিয়ে রিপোর্ট করছে। তারা বলছে, এফসিআরএ রেগুলেশনের অধীনে তাঁদের (ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের) ওপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। মার্কিন রিপোর্টের কড়া সমালোচনা করেছে ভারতও। বিদেশমন্ত্রকের তরফে এই রিপোর্টকে দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার বলেও অভিহিত করা হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল গত সপ্তাহেই বলেছিলেন, “ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা নিয়ে পক্ষপাতিত্বমূলক রিপোর্ট পেশ করে।” তিনি বলেন, “ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম যে রাজনৈতিক বিভিন্ন অ্যাজেন্ডা নিয়ে পক্ষপাতমূলক আচরণ করে, তা সবাই জানে। ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করতেই তারা এই জাতীয় রিপোর্ট প্রকাশ করে।” তিনি বলেন, “ভারতের বৈচিত্র, বহুত্ববাদ এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে ওদের রিপোর্টে কী বলা হয়েছে, তা আমরা থোড়াই কেয়ার করি (India Russia Relation)।”

    আরও পড়ুুন: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • West Nile fever: ওয়েস্ট নাইল ফিভারে কাবু কেরল! কীভাবে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? জানুন এই রোগের লক্ষণ

    West Nile fever: ওয়েস্ট নাইল ফিভারে কাবু কেরল! কীভাবে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? জানুন এই রোগের লক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি এক ভাইরাল জ্বরের (West Nile fever) ভাইরাস কাবু করেছে দক্ষিণ ভারতের কেরালার বেশ কিছু মানুষজনকে। তবে মশার কামড়ে সৃষ্ট এই রোগ পরিচিত ডেঙ্গি বা ম্যালেরিয়া নয়। জানা গিয়েছে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস থেকে সৃষ্ট এই রোগ বিশেষত দেখা গিয়েছে কেরলের কোঝিকোড়, ত্রিশূর এবং মালাপ্পুরাম এলাকায়। 

    ইতিমধ্যেই কেরলে (Kerala) ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever) একাধিক কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। এই রোগে সংক্রমিত ব্যক্তিদের পরীক্ষার নমুনাগুলি পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর বর্তমানে সকলেই চিকিৎসার পরে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।  

    ওয়েস্ট নাইল ফিভার আসলে কী? (West Nile fever)

    ওয়েস্ট নাইল ফিভার হল ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile virus) দ্বারা সৃষ্ট একটি রোগ। ভাইরাসটি সাধারণত আফ্রিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য,‌ উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম এশিয়ার পাওয়া যায়। কেরালা রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগের মতে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস মানুষের মধ্যে একটি মারাত্মক স্নায়বিক রোগের সৃষ্টি করে। বেশিরভাগ সময়ে এই রোগের কোন উপসর্গ দেখা যায় না।  

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের উৎপত্তি 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসটি ফ্ল্যাভিভাইরাস গোষ্ঠীর সদস্য এবং এটি ফ্ল্যাভিভিরিডি পরিবারের জাপানিজ এনসেফালাইটিস অ্যান্টিজেনিক কমপ্লেক্সের অন্তর্গত। ১৯৩৭ সালে প্রথম এই ভাইরাস উগান্ডায় পাওয়া যায়। এরপর ২০১১ সালে কেরলে (Kerala) ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever)  প্রথম কেস রিপোর্ট করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে, মালাপুররামের একটি ছয় বছর বয়সী একটি ছেলে এই রোগে মারা গিয়েছিল। ২০২২ সালে, ত্রিশুর জেলার একজন ৪৭ বছর বয়সী ব্যক্তিও এই ভাইরাস থেকে মারা গিয়েছিলেন।

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের লক্ষণ

    এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত বেশিরভাগ মানুষই উপসর্গবিহীন। অনেক ক্ষেত্রে সংক্রামিত মশার কামড় থেকে এই ভাইরাস ছড়ায়। ওয়েস্ট নাইল ফিভারের (West Nile fever) লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, শরীরে ব্যথা, বমিভাব, মাঝে মাঝে ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়া। তবে এই ভাইরাসে সংক্রমণ গুরুতর হলে উচ্চ জ্বর, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, কোমা, কম্পন, খিঁচুনি, পেশী দুর্বলতা এবং পক্ষাঘাতের লক্ষণ দেখা দেয়। লক্ষণগুলি সাধারণত ৩ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে স্থায়ী হয়। 

    আরও পড়ুন: জাল আধার কার্ড বানিয়ে কেরলে রয়েছে ৫০ হাজার অনুপ্রবেশকারী!

    ওয়েস্ট নাইল ফিভারের চিকিৎসা

    এই ভাইরাসে সংক্রমণ ঘটলে যে কোনও বয়সের মানুষের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। বিশেষত ৫০ বছরের বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই জ্বরে আক্রান্ত হলে গুরুতরভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস (West Nile virus) দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের জন্য কোনও ভ্যাকসিন এখনও তৈরি হয়নি। এই রোগে হাসপাতালে ভর্তি হলে রোগীকে মূলত স্যালাইন, অক্সিজেন দিয়েই প্রাথমিক চিকিৎসা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share