Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: “মানুষের চুরি যাওয়া টাকা উদ্ধার করছি”, ঝাড়খণ্ডে বললেন মোদি

    PM Modi: “মানুষের চুরি যাওয়া টাকা উদ্ধার করছি”, ঝাড়খণ্ডে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মানুষের কাছ থেকে চুরি করা টাকা উদ্ধার করছি আমি ও আমার সরকার।” সোমবার ঝাড়খণ্ডে ইডি বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করার পর এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ওড়িশার নবরঙ্গপুরে বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে অবধারিতভাবেই উঠে আসে ঝাড়খণ্ডে নগদ টাকা উদ্ধারের প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ (সোমবার) ঝাড়খণ্ডে টাকার পাহাড়ের খোঁজ মিলেছে। মোদি জনগণের চুরি যাওয়া এই টাকা উদ্ধার করছে। যখনই আমি এই লুট বন্ধের চেষ্টা করি, কিছু লোক আমায় গালাগালি দেয়। কিন্তু আপনারা আমায় বলুন, মোদির কি এভাবে আপনাদের টাকা উদ্ধার করা উচিত নয়?”

    রাঁচিতে হানা ইডির (PM Modi)

    এদিনই রাঁচির একাধিক জায়গায় হানা দেয় ইডি। বাজেয়াপ্ত করে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা। সব (PM Modi) মিলিয়ে টাকার পরিমাণ প্রায় ২০ কোটি টাকা। ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রী আলমগির আলমের পিএ সঞ্জীব লালের সহায়তায় ওই টাকা উদ্ধার করে ইডি। বছর সত্তরের আলমগির কংগ্রেস নেতা। তিনি ঝাড়খণ্ডের রুরাল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী। পাকুড় কেন্দ্রের বিধায়ক।

    আরও পড়ুুন: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    কংগ্রেসকে নিশানা

    তাঁর সরকার যে দুর্নীতির সঙ্গে আপোস করবে না, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই সরকার (মোদি সরকার) দুর্নীতিগ্রস্তদের গারদে পুরবে।” প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, “কংগ্রেস দুর্নীতিকে জলভাত করে ফেলেছে। চল্লিশ বছর আগে একজন প্রধানমন্ত্রী ওড়িশায় এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তিনি যদি দিল্লি থেকে এক টাকা পাঠান, গরিবদের কাছে পৌঁছায় তার মাত্র ১৫ পয়সা। এর অর্থ হল, একশো পয়সার মধ্যে ৮৫ পয়সা লুট হয়েছিল কংগ্রেসের হাতে।” খানিক আবেগ-তাড়িত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা এই দরিদ্র মায়ের সন্তানকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম, আমি যদি একটা টাকাও পাঠাই (কেন্দ্র থেকে), আমি কাউকে সেই টাকার এক কানাকড়িও খেতে দেব না। আর যে খাবে, তাকে জেলের ভিতরে গিয়ে রুটিও চিবোতে হবে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফার ভোট শুরু, জানুন ভাগ্য পরীক্ষায় কারা রয়েছেন

    Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফার ভোট শুরু, জানুন ভাগ্য পরীক্ষায় কারা রয়েছেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৭ মে। শুরু হয়ে গিয়েছে তৃতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। এদিন ভোট গ্রহণ চলছে দেশের ৯৩টি আসনে (Lok Sabha Election 2024)। যদিও এদিন নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ৯৪টি আসনে। তবে সুরাট কেন্দ্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। যে আসনগুলিতে এদিন ভোটগ্রহণ চলছে সেগুলি ছড়িয়ে রয়েছে ১২টি রাজ্য ও ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলজুড়ে।

    নির্বাচন হবে সাত দফায় (Lok Sabha Election 2024)

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন হচ্ছে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে দুটি দফায় ভোট গ্রহণ। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১৯ এপ্রিল। সেদিন ভোট গ্রহণ হয়েছে ১০২টি আসনে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হয়েছে ২৬ এপ্রিল। এই দফায় নির্বাচন হয়েছে ৮৯টি আসনে। সাত দফায় সব মিলিয়ে নির্বাচন হওয়ার কথা ৫৪৩টি আসনে।

    ভোট হচ্ছে কোথায়?

    তৃতীয় দফায় ভোট গ্রহণ চলছে গুজরাটের ২৬টি আসনে (Lok Sabha Election 2024), মহারাষ্ট্রের ১১টি আসনে, কর্নাটকের ১৪টি আসনে, ছত্তিশগড়ের ৭টি আসনে, উত্তরপ্রদেশের ১০টি আসনে, মধ্যপ্রদেশের ৮টি আসনে, বিহারের ৫টি আসনে, অসমের চারটি আসনে, পশ্চিমবঙ্গের ৪টি আসনে, জম্মু-কাশ্মীরের একটি আসনে, গোয়ার ২টি আসনে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ২টি কেন্দ্রে। গুজরাটের সবকটি আসনেই নির্বাচন চলছে এদিন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই দফায় ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে ১ হাজার ৩৫১ জন প্রার্থীর। প্রথম দফায় লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন ১ হাজার ৬২৫ জন। তার পরের দফায় ভাগ্য যাচাই করেছেন ১ হাজার ১৯৮ জন প্রার্থী।

    আরও পড়ুুন: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    এদিন যাঁদের ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, মনসুখ মাণ্ডব্য, প্রহ্লাদ জোশী, এসপি সিং বাঘেল, শিবরাজ সিং চৌহ্বান, বাসবরাজ বোম্মাই, অখিলেশ যাদব, ডিম্পল যাদব, সুপ্রিয়া সুলে প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, মহারাষ্ট্রের ওসমানাবাদ কেন্দ্র মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৭৭ জন প্রার্থী। এদিনের পর হবে চতুর্থ দফার নির্বাচন। সেটি হবে ১৩ মে। তার পর নির্বাচন হবে আরও তিন দফায়। এগুলি হল ২০ মে, ২৫ মে এবং ১ জুন। নির্বাচনের ফল বের হবে ৪ জুন (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: পাহাড়ের বুক চিরে সাপের মতো আঁকাবাঁকা রাস্তা! পর্যটকদের নয়া গন্তব্য পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি

    Jharkhand: পাহাড়ের বুক চিরে সাপের মতো আঁকাবাঁকা রাস্তা! পর্যটকদের নয়া গন্তব্য পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের পর্যটন মানচিত্রে প্রায় নবীন সংযোজন পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি (Jharkhand)। ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ৩০-৩৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই ড্যাম বা জল সরবরাহ কেন্দ্রটি প্রকৃতপক্ষে পত্রাতু থার্মাল পাওয়ার ষ্টেশনে জল সরবরাহ করার উদ্দেশ্যেই নির্মিত। নলকারি নদী থেকে সৃষ্ট এই জলাধারের অন্য নাম তাই “নলকারি ড্যাম”। বহু পর্যটকের এখন গন্তব্য হয়ে উঠেছে বলতে গেলে হাতের একেবারে কাছেই এই স্থানটি। কেউ চাইলে রাঁচিতে থেকেও এই জায়গাটি ঘুরে আসতে পারেন। আবার সেখানেও থাকার বেশ কিছু জায়গা রয়েছে।

    অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্য (Jharkhand)

    একদিকে ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি, অপরদিকে সুবিশাল এই ড্যাম। এই অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের টানেই বর্তমানে এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে পত্রাতু ড্যাম ও ভ্যালি। এখানকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ পত্রাতু ভ্যালির পাহাড়ের বুক চিরে চলে যাওয়া সাপের মতো আঁকাবাঁকা রাস্তা (Jharkhand)। অনেকটা সিকিমের জনপ্রিয় সিল্ক রুটের মতোই এই “জিগ জ্যাগ” ভ্যালির ওপর থেকে পত্রাতু ড্যামের দৃশ্য অবলোকন করা যেন এক স্বর্গীয় অনুভুতি।

    প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকের কাছে এক আদর্শ স্থান (Jharkhand)

    এখানকার অন্যতম প্রধান আকর্ষণগুলি হল বার্ড ওয়াচিং, ড্যামের জলে বোটিং, পাহাড়ে ট্রেকিং, ক্যাম্পিং প্রভৃতি। ইচ্ছে হলে এখান থেকেই ঘুরে নেওয়া যায় কাছের জয়ন্তী সরোবর এবং ঝাড়খণ্ডের অন্যতম পবিত্র পঞ্চবাহিনী (েPanchawahini ) মন্দিরও। সব মিলিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩৯২ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই পত্রাতু প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকের কাছে এক আদর্শ স্থান।

    কীভাবে যাবেন? (Jharkhand)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে রাঁচিগামী যে কোনও ট্রেন ধরে আসতে হবে রাঁচি। রাঁচি থেকে বাস আসছে পত্রাতু। এছাড়া গাড়ি ভাড়া করেও যেতে পারেন।
    থাকা-খাওয়াঃ এখানে রয়েছে হোটেল কৃষ্ণ রেসিডেন্সি (৯৮৩১৩৯০৫২৪), হোটেল রয়্যাল (৯৮৩৬৪৬৮১৭৮), হোটেল পর্যটন বিহার (৮৯৮১৬১২১০০), পত্রাতু লেক ভিউ (০৬৫১-২৩১৮২৮ , ২৩৩১৬৪৩) অথবা যোগাযোগ করতে পারেন ৭৭৩৯০৮৯০৫২ নম্বরে (Jharkhand)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission of India: ভোটের আবহে ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতে এলেন

    Election Commission of India: ভোটের আবহে ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতে এলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্ব্বৃহত গণতান্ত্রিক দেশের গণতন্ত্রের উৎসবের (Loksabha Election 2024) সাক্ষী থাকতে ভারতে আসছেন বিদেশি প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে ছয়টি রাজ্যে যাবেন। এই রাজ্যগুলি হল মহারাষ্ট্র, গোয়া, গুজরাট, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশ। এই রাজ্যগুলির বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবে তাঁরা (Election Commission of India)। বিদেশি প্রতিনিধিরা ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার সূক্ষ্মতা এবং ভারতীয় নির্বাচনের সেরা অনুশীলনগুলির সাথে পরিচিত হবেন।

    ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতে এসেছেন

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) ঐতিহ্য বজায় রেখে স্বচ্ছতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং গণতান্ত্রিক দেশগুলির মধ্যে নির্বাচনী অনুশীলনে উচ্চমান বজায় রাখার স্বার্থে ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতীয় সাধারণ নির্বাচন দেখতে ভারতে রয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ইলেকশন ভিজিটরস প্রোগ্রামের (IEVP) অংশ হিসেবে তাঁরা ভারতে এসেছেন। নয়াদিল্লিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক শ্রী রাজীব কুমার এবংইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং সুখবীর সিং সান্ধুর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করা হয়েছিল। প্রতিনিধিরা ভারতের তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় নির্বাচনে প্রক্রিয়ায় উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন। তবে চীন ও পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

    প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতেও অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা

    জানা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সমাবেশেও বিদেশী কূটনীতিকদের অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাঁরা প্রচারে শরিক হবেন না। বিজেপি (BJP) বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ভারতে কীভাবে ভোট গ্রহণ হয় কতটা নিরপেক্ষ ভোট পরিচালনা হয় এগুলি দেখানো হবে বিদেশি প্রতিনিধি দলকে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের প্রচার কর্মসূচিও দেখতে পাবেন তাঁরা। নয়া দিল্লিতে আলোচনার পর তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন রাজ্যে গণতন্ত্রের সবচেয়ে থেকে বড় উৎসবের (Loksabha Election 2024) সাক্ষী হতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

    ভারতীয় জনতা পার্টির বৈদেশিক কূটনৈতিক শাখা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির প্রচার কর্মসূচির সাক্ষী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে ভুটান, মঙ্গোলিয়া, অস্ট্রেলিয়া, মাদাগাস্কার, ফিজি, কিরঘিজস্তান, রাশিয়া, মলদোভা, টিউনিসিয়া, সেশেলস, কম্বোডিয়া, নেপাল, ফিলিপিন্স, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবোয়ে, বাংলাদেশ, কাজাখস্তান, জর্জিয়া, চিলি, উজবেকিস্তান, মালদ্বীপ, পাপুয়া নিউগিনি এবং নামিবিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। ইউরোপীয় ইনিয়নের রাজনৈতিক দলগুলিকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বর্তমানে নির্বাচন প্রক্রিয়ার চলার কারণে তারা আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। তাঁরা ভারতকে (Loksabha Election 2024) সুস্থ নির্বাচন পরিচালনার জন্য শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাবেন। একইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকেও রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দিল্লিতে। একটি দল প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির একটি সমাবেশে অংশ নিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে (Election Commission of India)। এর আগে হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্রিশগড়ের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও বিদেশি প্রতিনিধি এবং কূটনীতিকদের বিজেপির প্রচার পর্ব দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ভারতের মত সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে কীভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয় এবং কীভাবে ভোটারদের কিভাবে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয় সেগুলির উপর আকর্ষণ রয়েছে প্রতিনিধিদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত জেনোফোবিক! মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মুখের মতো জবাব দিলেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত জেনোফোবিক (যারা বিদেশিদের ভয় পায়)। কারণ তারা অভিবাসীদের স্বাগত জানায় না।” দিন কয়েক আগে একথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্যই খোলা রয়েছে ভারতের দ্বার।”

    জয়শঙ্করের জবাব (S Jaishankar)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট এও বলেছিলেন, “ভারতের অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে। খুব ভালো করছে না। যদিও মার্কিন অর্থনীতির নিত্য শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে।” এরও উত্তর দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “প্রথমত, আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হচ্ছে না। ভারত সব সময়ই একটি অনন্য দেশ। তার আতিথেয়তার জন্য পরিচিত। বিশ্বের ইতিহাসে ভারতই এমন একটি দেশ, যা সর্বদা অভিবাসীদের সাহায্য করেছে। বিভিন্ন সমাজের মানুষ ভারতে আসেন।” ভারত যে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান দেশ, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হয়েছে পঞ্চম স্থানে। এই দশকের শেষের মধ্যেই ভারত উঠে আসবে এই তালিকার তিন নম্বরে।”

    কী বলেছিলেন বাইডেন?

    ২ মে এক নির্বাচনী জনসভায় আমেরিকার অর্থনৈতিক বিকাশ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বাইডেন বলেছিলেন, “আমাদের অর্থনীতির বিকাশের অন্যতম কারণ হলেন আপনারা এবং আরও অনেকে। কেন? কারণ আমরা বিদেশিদের স্বাগত জানাই। আমরা এটা নিয়ে ভাবি। কিন্ত চিনের অর্থনীতি কেন এভাবে থমকে গেল? কেন জাপান সমস্যার মুখে পড়ছে? কেন রাশিয়া? কেন ভারত? কারণ তারা জেনোফোবিক। তারা বিদেশিদের চায় না।”

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সপাটে এরই উত্তর দিয়েছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “তামাম বিশ্বে ভারতীয় সমাজ এমন একটি সমাজ, যেটা ভীষণ মুক্তমনা। ভিন্ন ভিন্ন সমাজ থেকে মানুষ ভারতে আসেন।” সিএএ-র প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছেন জয়শঙ্কর। বলেন, “এই আইনের মাধ্যমে পাকিস্তান, আফগানিস্তান কিংবা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ এবং পারসিদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।” বিদেশিদের এ দেশে স্বাগত জানাতেই যে এহেন বড় পদক্ষেপ, তাও মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Economist Surjit Bhalla: “মোদি সরকারের আমলেই সব চেয়ে বেশি চাকরি হয়েছে”, দাবি অর্থনীতিবিদের

    Economist Surjit Bhalla: “মোদি সরকারের আমলেই সব চেয়ে বেশি চাকরি হয়েছে”, দাবি অর্থনীতিবিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮-র ডিসেম্বর – ব্যবধান মাত্র ১৬ মাস। এই সময়সীমায় চাকরি হয়েছে প্রায় দু’কোটি (Economist Surjit Bhalla)। ২০১৯ সালেই এই দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর দাবি যে নিছক দাবিই নয়, তা জানিয়ে দিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ তথা আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (আইএমএফ) ভূতপূর্ব এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সুরজিত ভাল্লা। তাঁর দাবি, নরেন্দ্র মোদির জমানায় ব্যাপক চাকরির সৃষ্টি হয়েছে। গত সাত-আট বছরে সংখ্যাটা ছুঁয়েছে প্রায় ১০ মিলিয়ন।

    দুই জমানার তুলনা (Economist Surjit Bhalla)

    ইউপিএ জমানার তুলনায় এনডিএ আমলে যে বেশি চাকরি হয়েছে, তাও মনে করিয়ে দেন এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ (Economist Surjit Bhalla)। তিনি বলেন, “২০০৪ সাল থেকে ২০১৩ পর্যন্ত ইউপিএ জমানায় খুব কম চাকরি হয়েছিল।” সেই সময়টাকে তিনি ভূষিত করেছেন ‘জবলেস গ্রোথ’ পর্ব হিসেবে। 

    কী বললেন অর্থনীতিবিদ?

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ভাল্লা বলেন, “চাকরি সৃষ্টির ক্ষেত্রে মোদি সরকার রেকর্ড ছুঁয়েছে। ভারতের ইতিহাসে এর আগে পর্যন্ত এত কর্মসংস্থানের রেকর্ড নেই।” এর পরেই তিনি বলেন, “গত সাত-আট বছরে চাকরি হয়েছে ১০ মিলিয়নেরও বেশি।” ভাল্লা প্রধানমন্ত্রীর ইকনমিক অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। তিনি বলেন, “অটল বিহারী বাজপেয়ীর জমানা এবং নরেন্দ্র মোদির আমল এই দুই প্রধানমন্ত্রীর কার্যকালেই দেশে সব চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক লেবার অর্গানাইজেশনের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২২ সালে ভারতে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮৩ শতাংশ তরুণই বেকার।

    আরও পড়ুুন: ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি কোথায়, কখন জানেন?

    ভাল্লা বলেন, “আপনারা যদি ২৯ বছরের ঊর্ধ্বে তরুণদের ডেটা দেখেন, ভারতে বেকারত্বের হারের দিকে তাকান, যে দেশ বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ, দেখবেন যেখানে ওয়ার্কফোর্সও প্রায় এক শতাংশ, একে বেকারত্ব বলা যায় না।” তিনি বলেন, “বিশ্বের সর্বত্রই তরুণদের মধ্যে ফ্রিকশনাল বেকারত্ব উচ্চতর। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে বিজেপি। উনিশের সাধারণ নির্বাচনেও আবারও ক্ষমতায় আসে মোদি সরকার। তাঁর আমল থেকেই বাড়ছে কর্মসংস্থান (Economist Surjit Bhalla)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jharkhand ED Raid: ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রীর পিএ-র পরিচারকের বাড়ি থেকে ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার ইডির!

    Jharkhand ED Raid: ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রীর পিএ-র পরিচারকের বাড়ি থেকে ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার ইডির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) কংগ্রেসের (Congress) গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবের পরিচারকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল টাকার পাহাড়। ইডির (ED Raid) অভিযানে কমপক্ষে ২৫ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হওয়া নগদ গণনার কাজ চলছে।

    কেন তল্লাশি

    জানা গিয়েছে রাঁচি (Ranchi) শহরের একাধিক জায়গায় রবিবার তল্লাশি চালানো হয়। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের রাঁচি এলাকা আজমগড়ের (Azamgarh) বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ২০২৩ সালে প্রথম টেন্ডার দুর্নীতি (Jharkhand Tender Scam) মামলায় অভিযান চালায়। এই মামলাতেই ঝাড়খণ্ডের গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী আলমগির আলমের (MLA Alamgir Alam) আপ্তসহায়ক সঞ্জীব লালের পরিচারকের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে বিপুল পরিমাণ নগদ। ঝাড়খণ্ডের মোট ন’টি জায়গায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুনঃ “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস”, বিস্ফোরক রাজনাথ

    কোন মামলায় তদন্ত

    ২০২৩ সালে টেন্ডার দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গ্রামোউন্নয়ন দপ্তরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার বীরেন্দ্র রামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি আধিকারিকরা। এবার এই মামলার গ্রেফতার হলেন সঞ্জীব লাল। ভোটের আবহে এই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তোলপাড় হয়েছে জাতীয় রাজনীতি। প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিজেপি শিবির। ঝাড়খণ্ডের বিজেপি মুখপাত্র প্রতুল সাহু বলেন, “রাজ্যে দুর্নীতির শেষ নেই। এই পরিমাণ নগদ উদ্ধারের ঘটনা ইঙ্গিত দেয় চলমান লোকসভা নির্বাচনে তারা এই টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের উচিত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া।”

    আলমগির আলমের পরিচয়

    আলমগির আলম ঝাড়খণ্ডের পাকুর বিধানসভা থেকে চারবারের কংগ্রেসের বিধায়ক। ঝাড়খন্ড সরকারের তিনি সংসদীয় বিভাগ ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রী ছিলেন। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঝাড়খণ্ড বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন। নিজের রাজনৈতিক জীবন পঞ্চায়েত প্রধান (সরপঞ্চ) হিসেবে শুরু করেছিলেন। তিনি ২০০০ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত গত বছরের ডিসেম্বরে ঝাড়খণ্ডে প্রচুর মাত্রায় টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ এবং ব্যবসায়ী ধীরাজ সাহুর বেশ কয়েকটি ঠিকানা থেকে ইনকাম ট্যাক্স ৩৫০ কোটি টাকার বেশি নগদ বাজেয়াপ্ত করেছিল। ধীরাজ জানিয়েছিলেন, “যে পরিমাণ নগদ বাজেয়াপ্ত হয়েছে তা তাঁর মদের ব্যবসার টাকা। কংগ্রেস পার্টির সঙ্গে এই টাকার কোন সম্পর্ক নেই।” এই ঘটনার এক বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফের ঝারখন থেকে বাজেয়াপ্ত হল টাকার পাহাড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International No Diet Day 2024: কম ক্যালোরির চেয়ে পুষ্টি বেশি জরুরি, বলছেন চিকিৎসকরা

    International No Diet Day 2024: কম ক্যালোরির চেয়ে পুষ্টি বেশি জরুরি, বলছেন চিকিৎসকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার খেয়াল খুশি মত খাওয়ার দিন। এই দিনটি সারা বিশ্বে ‘নো ডায়েট ডে’ (International No Diet Day 2024) হিসেবে পরিচিত। স্বাস্থ্য সচেতন যুগে অনেকেই ডায়েটের নামে শীর্ণকায় শরীরে অবতীর্ণ হচ্ছে। তাঁদের জন্য আজ পেট পুরে খাওয়ার দিন। কয়েক বছর ধরে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে টিভির পর্দা খুললেই দেখা যায় কীভাবে ওজন ঝরাতে হবে তার আইডিয়ায় ভর্তি। আমাদের মস্তিষ্ক ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে কঠিন ডায়েট পরিশ্রম ও ব্যায়াম, ক্যালরি কমানোর (Balanced Diet Chart) হরেক রকম আইডিয়া দিয়ে। দিনের পর দিন ক্যালোরি ও ভিটামিন কম নিয়ে আমরা নিজের শরীরকে রোগা করার তুলনায় বেশি অসুস্থ করে ফেলি। নো ডায়েট দিবসে জেনে নিন ক্যালোরি কমানো দরকার নাকি সঠিক পরিমাণে সুষম খাবার খাওয়া দরকার।

    ক্যালোরি কম বনাম সুষম খাদ্য

    আজকাল অনেক ক্ষেত্রেই পুষ্টিবিদরা বলেন, সঠিক পরিমানে ক্যালোরি (Calorie) নেওয়া দরকার। তাঁরা ডায়েট চার্ট (Diet Chart) দিয়ে থাকেন। ক্যালোরির দিকে না ঝুঁকে সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণে খাওয়া প্রয়োজন। তাতে সঠিক ক্যালোরি এমনিতেই দেহে পৌঁছবে। ক্যালোরির চিন্তা না করে সঠিক সময়ে ও সঠিক পরিমাণে পুষ্টিকর (Balanced Diet Chart) খাবার খাওয়া দরকার। তাতে শরীর ভালো থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে এবার ইলিশ মিলবে কম দামে, হিলিতে চালু হবে ‘ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট’

    শরীরেরও জ্বালানি প্রয়োজন

    গাড়ি যেভাবে চার্জ কিংবা জ্বালানি ছাড়া চলতে পারে না। একই ভাবে শরীরের জ্বালানি হল খাবার। ওজন বৃদ্ধি বা ওজন কমের জন্য শুধুমাত্র খাওয়া-দাওয়া (Balanced Diet Chart) দায়ী থাকে না। অনেকগুলি কারণ রয়েছে যার ফলে আমাদের শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায় কিংবা ওজন কমে যায়। কিছু ক্ষেত্রে রোগের কারণে ওজন বাড়ে-কমে। আবার প্রয়োজন রয়েছে সঠিক পরিমাণে পরিশ্রম করার। চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম করা খুবই জরুরি। অল্প খেলেও শুয়ে বসে থাকলে ওজন বাড়তে পারে। সঠিক পরিমাণে পরিশ্রম করলে শরীরে এক ধরনের হরমোন বের হয় যাকে বলা হয় ‘হাঙ্গার হরমোন’ খিদে পেলে খাবার খাওয়া দরকার। এর ফলে আমরা মেটাবলিজম ভালো রাখতে পারি।

    পেশি নির্মাণ বনাম চর্বি কমানো

    সুষম খাদ্য ও পুষ্টি (Balanced Diet Chart) শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড না খেয়ে এবং কম চর্বি জাতীয় খাবার কম খেয়ে আমরা আমাদের শরীর ঠিক রাখতে পারি। তবে শরীরে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি ভিটামিন সবকিছুরই প্রয়োজন আছে। চর্বি একেবারে বাদ দিলেও শরীরের ক্ষতি হতে পারে। অন্যদিকে সুষম খাদ্য গ্রহণ করে আমরা দীর্ঘস্থায়ীভাবে সুস্থ থাকতে পারি। অনেকে মনে করেন পেশি নির্মাণ সুস্থতার লক্ষণ। পেশি নির্মাণের সঙ্গে সুস্থতার কোন সম্পর্ক নেই। সুঠাম শরীর দেখতে ভাল লাগতেই পারে। কিন্তু অতিরিক্ত পেশি নির্মাণও নানান ধরনের সমস্যা বয়ে নিয়ে আসতে পারে। অতিরিক্ত পেশি নির্মাণ করে পরে ব্যায়াম ছেড়ে দিলে শরীর আবার স্থুল হয়ে পড়তে পারে। ফলে আপনি আপনার প্রয়োজন বুঝে রোগা থাকবেন নাকি পেশি নির্মাণ করবেন সেটি নির্ণয় আপনাকেই করতে হবে। তবে একটি দিন চিন্তা ভুলে খেয়ে নিন।

    ইতিহাস

    আন্তর্জাতিক নো ডায়েট দিবস (International No Diet Day 2024) প্রথম পালিত হয় ব্রিটেনে। ব্রিটিশ নাগরিক মেরি ইভান্স ইয়াংকে এই আন্দোলন শুরু করার কৃতিত্ব দেওয়া হয়। প্রথম নো ডায়েট দিবসটি ৫ মে ১০১২ খ্রিষ্টাব্দে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। লন্ডনের হাইড পার্কে এক ডজন মহিলা পিকনিক করে এই দিন উদযাপন করেছিলেন।  সকলেই একটি স্টিকার পরতেন তাতে লেখা ছিল ” ডিচ দ্যাট ডায়েট”। তিনি এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক ছুটির দিন (International No Diet Day 2024) করার চেষ্টা করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: দেশবাসীর মঙ্গলে পুজো, করলেন সন্ধ্যারতি, অযোধ্যায় রামলালা দর্শনে মোদি

    PM Modi: দেশবাসীর মঙ্গলে পুজো, করলেন সন্ধ্যারতি, অযোধ্যায় রামলালা দর্শনে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চলছে লোকসভা নির্বাচন। প্রচার তথা দেশ গঠনের কাজে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তারই মধ্যে রবিবার ফের মন্দির নগরী অযোধ্যায় পৌঁছে গেলেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনের পর এই প্রথম রাম মন্দিরে গিয়ে ভগবান রামের নিষ্ঠাভরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। রামলালার (Ayodhya Ram Mandir) বিগ্রহকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে ১৪০ কোটি দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করলেন তিনি। 

    রামলালার কাছে প্রার্থনা

    গত ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) হাত ধরেই শুভ উদ্বোধন হয়েছে অযোধ্যার বহু প্রতীক্ষিত রাম মন্দিরের। বর্ণাঢ্য এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের পর রবিবার আবার রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) যান প্রধানমন্ত্রী। প্রদীপের শিখায়, পদ্ম ফুলে ভক্তিভরে এদিন মোদি পুজো দিলেন সবার মঙ্গল কামনা করে। মন্দিরে পুজো দিয়ে গর্ভগৃহে সন্ধ্যারতি করেন তিনি। তার পর সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন। ঘুরে দেখেন মন্দির চত্বরও। এদিন তাঁকে স্বাগত জানাতে আলোয়-আলোয়, ফুলে-ফুলে সেজে উঠেছিল অযোধ্যা।

    প্রধানমন্ত্রীর রোড শো

    ঝাড়খণ্ড এবং বিহারে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করার পর রবিবার সন্ধ্যায় অযোধ্যায় যান মোদি (PM Modi)। প্রথমেই যান রামমন্দিরে। পুজো দেওয়ার পর অযোধ্যার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে দু’কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে রোড-শো করেন তিনি। মোদির রোড-শো শুরু হয় অযোধ্যায় সুগ্রীব ফোর্ট এলাকায়। শেষ হয় লতা চকে। মোদির সঙ্গে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। প্রধানমন্ত্রীকে চোখের সামনে এক ঝলক দেখার জন্য এদিন মন্দির নগরী অযোধ্যায় রাস্তার দু’পাশে উপচে পড়েছিল অগুণতি মানুষের ভিড়। আগামী ২০ মে পঞ্চম দফায় অযোধ্যা লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: উত্তর-পূর্ব ভারতে ভোট দিয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ, কেন জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: উত্তর-পূর্ব ভারতে ভোট দিয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের মেগা শো। নির্বাচন হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে তৃতীয় দফার নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। নির্বাচন শুরু হয়েছে ১৯ এপ্রিল। শেষ দফার নির্বাচন হওয়ার কথা পয়লা জুন। ফল বেরবে ৪ জুন। এবারের নির্বাচনে উঠে এসেছে একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য। সেটি হল, এবার নির্বাচনে উত্তর-পূর্ব ভারতের ভোটাররা অংশ নিয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক।

    নির্বাচন কমিশনের আশ্বাস (Lok Sabha Elections 2024)

    এবার নির্বাচন কমিশনের তরফে আগেভাগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল অবাধ, মুক্ত এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের স্বার্থে যা যা করণীয়, তা করা হবে। এবার নির্বাচন হচ্ছে অষ্টাদশ লোকসভার। লোকসভার মোট আসন সংখ্যা ৫৪৫টি। তবে নির্বাচন হচ্ছে ৫৪৩টিতে। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার দিনই কমিশন জানিয়ে দিয়েছিল শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। ভোটারদের আরও বেশি করে ভোট দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছিল কমিশন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই এবার উত্তর-পূর্বের ভোটাররা ভোট দিয়েছেন হাত উপুড় করে (Lok Sabha Elections 2024)।

    রেকর্ড ভোট!

    জানা গিয়েছে, বিচ্ছিন্ন হাতে গোণা কয়েকটি ঘটনা ছাড়া প্রথম ও দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণই। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির কোথাও বৃষ্টি, কোথাও আবার তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করে ভোট দিতে বেরিয়েছেন দলে দলে মানুষ। জানা গিয়েছে, প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোটার এবার মতদান করেছেন। অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমে ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে  নির্বাচন। উত্তর-পূর্ব ভারতের জনসংখ্যা ৬০ মিলিয়ন। লোকসভায় তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করেন ২৫ জন সাংসদ।ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং অসমে ভোট দিয়েছে ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ। নাগাল্যান্ডের ছ’টি জেলায় একজনও ভোট দেননি। যার জেরে এই রাজ্যে ভোটের হার ৫৭ শতাংশ। অরুণাচল প্রদেশে মতদানের হার প্রায় ৬৭ শতাংশ। এখানে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির দশজন প্রার্থী রয়েছেন। এঁদের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খাণ্ডু এবং ডেপুটি চওনা মেই নির্বাচিত হয়েছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। সিকিমে ৩২টি বিধানসভা আসনেও নির্বাচন হয়েছে। এখানে সাংসদ রয়েছেন একজন। ভোট পড়েছে ৭৫ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘অনেক লোককে আজকাল কেনা–বেচা যায়’’, সন্দেশখালির ভিডিও নিয়ে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    একশো শতাংশ ভোটারই যাতে নির্বাচনে অংশ নেন, তাই ব্যাপক প্রচার করেছিল লোক জাগরণ মঞ্চ অসম। সবাইকে ভোটদানের আহ্বান জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশনও। তারই সুফল ফলেছে। এবার ভোট দিয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক ভোটার (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share