Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • DY Chandrachud: স্কুলে বেধড়ক মার খেয়েছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি, কেন জানেন?

    DY Chandrachud: স্কুলে বেধড়ক মার খেয়েছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, মারের নাম মধুসূদন! এই মধুসূদনের কৃপায় কত মানুষ নির্বিঘ্নে পার হয়েছেন বা হচ্ছেন জীবন নদী। যাঁরা সাফল্যের চূড়ায় বসে রয়েছেন, তাঁরাও রেহাই পাননি শিক্ষকের বেত্রাঘাত থেকে। এই যেমন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)।

    মার খেয়েছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি

    স্কুলজীবনে তিনিও বেধড়ক মার খেয়েছিলেন। যে মারের কথা প্রৌঢ়ত্বের চৌকাঠ পেরিয়েও ভোলেননি দেশের প্রধান বিচারপতি। ছাত্রদের শৃঙ্খলার পাঠ দিতে গিয়ে শিক্ষকের বেত্রাঘাত বর্তমানে ‘নৃশংস’ অভিধায় ভূষিত হয়েছে। শনিবার এক সেমিনারে ভাষণ দিতে গিয়ে ছোট্ট একটা ভুলের জন্য তিনি যে শিক্ষকের হাতে মার খেয়েছিলেন, তা জানালেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud) বলেন, “আপনি শিশুদের কীভাবে ট্রিট করবেন, তা তাদের মনে থেকে যাবে সারাজীবন। আমি আমার স্কুল জীবনের একটি দিনের কথা কখনও ভুলব না। যখন আমায় বেত্রাঘাত করা হয়েছিল, তখন আমি শিশু অপরাধী ছিলাম না। আমি ক্র্যাফ্ট শিখছিলাম। আমায় যে অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিল, সেই আকারটা আমি ঠিকঠাক আনতে পারিনি। আমি তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি।”

    আরও পড়ুুন: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! প্রশ্ন তুলে মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে অভিযোগ দায়ের

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি? 

    তিনি বলেন, “সেই সময় যেভাবে শিশুদের ট্রিট করা হত, তার প্রভাব থেকে যেত সারা জীবন। আমি এখনও মনে করতে পারি, আমি ওই শিক্ষককে অনুরোধ করেছিলাম, আমার হাতে মলম লাগানোর দরকার নেই, বেতটায় মলম দিন। মার খাওয়ার সেই লজ্জার কথা আমি বাড়িতে বলতে পারিনি। দশ দিন ধরে ডান হাতের চেটোর ক্ষত লুকিয়ে রেখেছিলাম, যাতে কেউ দেখতে না পায়।” তিনি বলেন, “শারীরিক ক্ষত সেরে যায়। কিন্তু মন এবং আত্মায় তার একটি চিরকালীন ক্ষত রয়ে যায়। আমিও মনে সেই ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছি। যখনই কোনও কাজ করি, তখনই মনে পড়ে। এই ধরনের অত্যাচার শিশু মনে গভীর ছাপ ফেলে।” তিনি (DY Chandrachud) বলেন, “কিশোর মনের গতিপ্রকৃতিটা বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের বিভিন্ন গতিপ্রকৃতি এবং আন্তর্সম্পর্কটাও তাকে বুঝিয়ে দেওয়া জরুরি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস”, বিস্ফোরক রাজনাথ

    Rajnath Singh: “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস”, বিস্ফোরক রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আগুন নিয়ে খেলছে কংগ্রেস। নির্বাচনে লাভের কড়ি ঘরে তুলতে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছে তারা।” রবিবার সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)। তবে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর কোনও ‘আগুন’ নেই বলেও মনে করেন তিনি।

    উত্তেজনার সৃষ্টি করতে চাইছে কংগ্রেস! (Rajnath Singh)

    রাজনাথ বলেন, “নির্বাচনে ফয়দা তুলতে কংগ্রেস ধর্মীয় লাইনে উত্তেজনার সৃষ্টি করতে চাইছে। কংগ্রেস সামাজিক ঐক্য বিঘ্নিত করতে চায়। তারা মুসলমান সম্প্রদায়কে দেখে ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে। তাদের জন্য আমার একটা সাজেশন রয়েছে, সেটা হল কেবল সরকার গড়তেই রাজনীতি করা উচিত নয়। রাজনীতির লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশ গঠন।” এর পরেই কংগ্রসের প্রাক্তন সভাপতিকে নিশানা করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “রাহুল গান্ধীর কোনও আগুন নেই, তবে কংগ্রেস আগুন নিয়ে খেলছে। কংগ্রেস একটা ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে। তারা হিন্দু-মুসলমান তাস খেলতে চাইছে।” তিনি বলেন, “ওদের (কংগ্রেসের) কোনও ইস্যু নেই। ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণির ভিত্তিতে সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করে সরকার গড়তে চাইছে। তারা চিরকাল এটাই করে এসেছে।”

    উত্তরাধিকার ট্যাক্স!

    ক্ষমতায় এলে আমেরিকার ধাঁচে কংগ্রেস যে এ দেশেও উত্তরাধিকার ট্যাক্স চালু করবে, এদিন সেই বিষয়টিকেও হাতিয়ার করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh)। বলেন, “আর্জেন্টিনা এবং ভেনেজুয়েলা এটা (উত্তরাধিকার ট্যাক্স) চালু করেছিল। দুই দেশই ভয়ঙ্কর পরিণতির সম্মুখীন হয়েছিল। এটা চালু হলে লগ্নিকারীরা ভারতে বিনিয়োগে আগ্রহ হারাবেন।”

    আরও পড়ুুন: বায়ুসেনার কনভয়ে জঙ্গি হামলা, ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ জওয়ান

    চলতি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিই যে ক্ষমতায় ফিরছে, এদিন সে প্রত্যয়ও শোনা গিয়েছে রাজনাথের গলায়। তিনি বলেন, “বিজেপি একাই ৩৭০টি আসনে জিতবে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ ৪০০ আসনের গণ্ডি ছাড়াবে।” তিনি জানান, এই যে আসন বিজেপি জিতবে বলা হচ্ছে, তা মানুষের মুখের কথায় বিশ্বাস করে বলা হচ্ছে না, তৃণমূলস্তরে সমীক্ষা চালিয়েই এই দাবি করা হচ্ছে। রাজনাথ বলেন, “উত্তরপ্রদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও আমাদের আসন বাড়বে। তামিলনাড়ুতেও আমরা কিছু আসন পাব। কেরলে এবার আমরা খাতা খুলব। অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গনায়ও আমরা ভালো সংখ্যক আসন পাব (Rajnath Singh)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Narendra Modi: অযোধ্যায় মোদি! সন্ধ্যায় রামলালা দর্শন, পরে রোড শো

    PM Narendra Modi: অযোধ্যায় মোদি! সন্ধ্যায় রামলালা দর্শন, পরে রোড শো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার ভোটের মাঝে ফের একবার রামলালার দর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)। রবিবারই প্রধানমন্ত্রীর জোড়া সভা রয়েছে উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে। সমস্ত সভা শেষ করে সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ তিনি হাজির হবেন রাম জন্মভূমিতে। আশীর্বাদ নেবেন রামলালার। এরপরে অযোধ্যায় রোড শো করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই অযোধ্যা সফরকে স্বাগত জানিয়েছেন বাবরি মসজিদের মামলাকারী ইকবাল আনসারি। প্রসঙ্গত, রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও আমন্ত্রিত ছিলেন ইকবাল আনসারি। তার আগে অযোধ্যায় বিমানবন্দর উদ্বোধনের সময় যখন প্রধানমন্ত্রী আসেন তখনও তাঁকে স্বাগত জানাতে পুষ্প বৃষ্টি করেন ইকবাল।

    উনি আবার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হন

    ভোটের উত্তরপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রীর (PM Narendra Modi) অযোধ্যা সফর নিয়ে ইকবাল আনসারি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি ভাগ্যবান যে রামের শহর থেকে নির্বাচন শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনে বিগত ১০ বছর খুব ভাল কেটেছে। প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে আমরা খুব খুশি আমরা চাই উনি আবার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হন।”

    প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি

    রবিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর (PM Narendra Modi) প্রথম সভা রয়েছে উত্তরপ্রদেশের ইটাওয়াতে। তারপর সেখান থেকে সোজা চলে যাবেন উত্তরাখণ্ডে। বিকাল ৪টে ৪৫ নাগাদ দেরাদুনে জনসভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানকার জনসভা সেরে ফের উত্তরপ্রদেশে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ঠিক পরেই সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ তিনি রাম মন্দিরে যাবেন। রামলালাকে দর্শন ও পুজো করতে। তারপরে অযোধ্যায় এক মেগা রোড শো করবেন তিনি।

    বারাণসীতে ভোট ১ জুন 

    প্রসঙ্গত, এবারেও উত্তর প্রদেশ থেকেই লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি এই কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী ছিলেন। সপ্তম দফায় ১ জুন ভোট হবে বারাণসীতে। তার আগে ১৪ মে মনোনয়ন জমা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়ন মিছিল যে জনোজোয়ারে পরিণত হবে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! প্রশ্ন তুলে মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে অভিযোগ দায়ের

    Rahul Gandhi: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! প্রশ্ন তুলে মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে অভিযোগ দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রায়বরেলি আসনে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), ঠিক এই আবহে তাঁর নমিনেশন বাতিলের দাবি তুললেন অনিরুদ্ধ প্রতাপ সিং নামে এক ব্যক্তি। জনৈক ওই ব্যক্তি রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন! তাঁর দাবি রাহুল গান্ধীর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে। তাহলে তিনি ভারতে নির্বাচনের লড়ছেন কী হিসেবে? এই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগও দায়ের করেছেন অনিরুদ্ধ প্রতাপ সিং।

    গুজরাটের আদালতের সাজা ঘোষণা

    এর পাশাপাশি ওই অভিযোগে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) মোদি পদবী নিয়ে অপমানজনক মন্তব্যের কারণে ২ বছরের কারাবাসের সাজার কথাও তুলে ধরা হয়ছে। উল্লেখ্য, সাজা প্রাপ্ত কেউ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না। প্রসঙ্গত, বছর কয়েক আগেই রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেছিলেন এক জনসভায়, ‘‘সব চোরেদের পদবী কেন মোদি হয়?’’ সে সময় এ নিয়ে মামলা দায়ের করেন তেলি সমাজের পক্ষ থেকে প্রহ্লাদ মোদি। গুজরাটের আদালত এই মামলায় রাহুল গান্ধীকে দু বছরের সাজা ঘোষণা করে। পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্ট সাজাতে স্থগিতাদেশ দেয়।

    কী বলছেন মামলাকারীর আইনজীবী? 

    এনিয়ে অভিযোগকারীর আইনজীবী অশোক পাণ্ডে সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বলেন, “প্রথমত, রাহুল গান্ধীকে দুই বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। সেই হিসাবে উনি নির্বাচনে লড়ার অযোগ্য। সুপ্রিম কোর্ট তাঁর সাজায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে, কিন্তু আফজল আনসারির মতো নির্বাচনে লড়াইয়ের অনুমতি দেয়নি। রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) উচিত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো।” তিনি আরও বলেন, “২০০৬ সালে রাহুল গান্ধী একবার নিজেই বলেছিলেন, তিনি ব্রিটিশ নাগরিক। ব্রিটিশ নাগরিক হয়ে উনি কীভাবে ভারতের নির্বাচনে লড়ছে? আমার অভিযোগ জানানোর পরই রাহুল গান্ধীর প্রতিনিধিকেও ডাকা হয়। আমার অভিযোগ গৃহীত হয়েছে।” কেরালার ওয়েনাড়ে কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছেন রাহুল গান্ধী। সেই আসনে ভোট মিটেছে ২৬ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorists Attack: বায়ুসেনার কনভয়ে জঙ্গি হামলা, ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ জওয়ান

    Terrorists Attack: বায়ুসেনার কনভয়ে জঙ্গি হামলা, ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের মুখে আতঙ্ক ছড়াতে ভূস্বর্গে এলোপাথাড়ি গুলি জঙ্গিদের (Terrorists Attack)। শনিবার রাত বারোটা নাগাদ কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় বায়ুসেনার কনভয় লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসবাদীরা। ঘটনায় জখম হয়েছেন এক জওয়ান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও চার জওয়ান। এদিন সুরানকোটের ওপর দিয়ে যখন বায়ুসেনার কনভয় যাচ্ছিল, তখন আচমকাই গুলি বর্ষণ শুরু করে জঙ্গিরা।

    জখম ৫ (Terrorists Attack)

    জখম হন পাঁচ জওয়ান। উধমপুরের কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত্যু হয় একজনের। জঙ্গিরা হঠাৎই গুলি চালাতে শুরু করায় হকচকিয়ে যান বায়ুসেনার জওয়ানরা। ঘটনার প্রাথমিক অভিঘাত কাটিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে বায়ুসেনা। দু’পক্ষে চলছে তুমুল গুলির লড়াই (Terrorists Attack)। এরই পাশাপাশি শুরু হয়েছে জঙ্গি দমন অভিযান। সূত্রের খবর, এলাকাটি ঘিরে ফেলেছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের স্থানীয় ইউনিট। জঙ্গিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।  জঙ্গি হামলার যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে বায়ুসেনার কনভয়ে থাকা একটি গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে অন্তত এক ডজন গুলির দাগ রয়েছে। গাড়িটিতে আগুনও ধরে যায়।

    কী বলছে বায়ুসেনা?

    বায়ুসেনার তরফে এক্স হ্যান্ডেলে বলা হয়েছে, “সাহসিতার এলকায় তাদের কনভয়ে যে হামলা হয়েছে, তা নিরাপদেই ছিল। জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় সাহসিতার এলাকায় আচমকাই ভারতীয় বায়ুসেনার একটি কনভয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়েছে। শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। কনভয় নিরাপদেই রয়েছে। বিস্তারিত জানতে চলছে তদন্ত।”

    আরও পড়ুুন: কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন অরবিন্দর, কেন জানেন?

    চলতি বছর এই অঞ্চলে এটাই প্রথম বড় ধরনের কোনও হামলা চালাল জঙ্গিরা। গত বছরও ধারাবাহিকভাবে সেনার ওপর হামলা চালিয়েছিল সন্ত্রাসবাদীরা। জঙ্গিদের কাছে একে অ্যাসল্ট রাইফেল ছিল। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার পরে পরেই স্থানীয় জঙ্গলে গা ঢাকা দিয়েছে জঙ্গিরা। রবিবার বেলা ১২টা পর্যন্তও জঙ্গিদের নাগাল পাওয়া যায়নি। ঘটনায় গ্রেফতারও করা যায়নি কোনও জঙ্গিকে।

    ২০১৯ সালের ১৪ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে তুলে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। তার পর থেকে ক্রমেই ছন্দে ফিরছে ভূস্বর্গ। আগের চেয়ে এখন উপত্যকায় বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনাও। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, লোকসভার নির্বাচনের প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে। এহেন আবহে সেনার ওপর হামলা চালিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা (Terrorists Attack)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arvinder Singh Lovely: কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন অরবিন্দর, কেন জানেন?

    Arvinder Singh Lovely: কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন অরবিন্দর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন দিন কয়েক আগে। এবার পুরোপুরি দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন দিল্লির প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি অরবিন্দর সিং লাভলি (Arvinder Singh Lovely)। শনিবার তিনি হাতে তুলে নেন পদ্ম আঁকা ঝান্ডা। অরবিন্দর যে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন, সে জল্পনা ছিলই। কেবল তিনিই নন, দিল্লি কংগ্রেসের আরও কয়েকজন পদাধিকারি পদ্ম শিবিরে নাম লেখাতে পারেন বলেও জল্পনা।

    বিজেপিতে যোগ অরবিন্দরের (Arvinder Singh Lovely)

    এঁরা প্রত্যেকেই আম আদমি পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের জোটের বিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে এবং দিল্লির বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন তিনি (Arvinder Singh Lovely)। এদিন অরবিন্দরের সঙ্গেই পদ্ম পার্টিতে নাম লেখান প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক রাজকুমার চহ্বান, নসিব সিংহ এবং নীরজ বাসোয়া। দিল্লির প্রাক্তন যুব কংগ্রেস সভাপতি অমিত মল্লিকও যোগ দেন বিজেপিতে।

    কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী ছিলেন

    ২০০৩ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দিল্লিতে শীলা দীক্ষিতের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী ছিলেন অরবিন্দর। ২০১৭ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন অরবিন্দর। বছর দেড়েকের মধ্যেই ফের ফেরেন হাত শিবিরে। তারপর এবার আবারও ফিরে গেলেন গেরুয়া শিবিরে। চলতি বছর এপ্রিলের শেষেই কংগ্রেস ও আপের জোট এবং কংগ্রেসের তরফে কানহাইয়া কুমারের মতো অপরিচিতদের দিল্লিতে প্রার্থী করা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে চিঠি দেন অরবিন্দর। তার পরেই ইস্তফা দেন কংগ্রেস সভাপতির পদে।

    আরও পড়ুুন: পেঁয়াজ রফতানিতে উঠল নিষেধাজ্ঞা, আরোপ হল ন্যূনতম রফতানি মূল্য

    দিল্লিতে লোকসভা আসন রয়েছে সাতটি। ২৫ মে নির্বাচন হবে এক দফায়। আপের সঙ্গে জোট গড়ে এখানে লড়ছে কংগ্রেস। আপ প্রার্থী দিয়েছে চারটি আসনে। আর কংগ্রেস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে তিনটি কেন্দ্রে। আপের সঙ্গে এই জোট নিয়েও অসন্তুষ্ট ছিলেন দিল্লির কংগ্রেস নেতাদের একাংশ। তার জেরেই ঘর ভাঙছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির (Arvinder Singh Lovely)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “গোধরাকাণ্ডের অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন বিরোধীরা”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গোধরাকাণ্ডের অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন বিরোধীরা”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গোধরাকাণ্ডের অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন বিরোধীরা।” শনিবার বিহারের দ্বারভাঙায় বিজেপি আয়োজিত একটি নির্বাচনী জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর অভিযোগের আঙুল যে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের দিকে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর নাম না নিলেও, তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। লালু-পুত্র তথা বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের নামও মুখে আনেননি প্রধানমন্ত্রীকে। লালুকে তিনি ‘শাহজাদার বাবা’ বলে কটাক্ষ করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর তোপ (PM Modi)

    গোধরাকাণ্ডের সময় রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। তাঁর নাম না নিয়েই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গোধরায় ট্রেনে আগুন লাগানোর ঘটনায় যারা দায়ী, তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। ওই ঘটনায় জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৬০ জন করসেবকের। এটা কী সোনিয়া ম্যাডামের শাসনকাল নয়!” প্রসঙ্গত, গোধরাকাণ্ডের সময় সোনিয়াই ছিলেন কংগ্রেসের সভাপতি এবং ইউপিএ চেয়ারপার্সন। এই ইউপিএ সরকারই ছিল সেই সময়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গোধরাকণ্ডে দোষীদের আড়াল করতে চেয়েছিলেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী। পুরো ঘটনার দায় চাপাতে চেয়েছিলেন করসেবকদের ঘাড়ে। যদিও তাঁর উদ্দেশ্য সফল হয়নি। গোধরার অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল আদালত। এটাই বিরোধীদের ইতিহাস।”

    মোদির নিশানায় লালু!

    গোধরাকাণ্ডের তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) অভিযোগ, “তৎকালীন রেলমন্ত্রী সেই কমিটিকে এমন একটি রিপোর্ট লিখতে দিয়েছিলেন, যাতে অভিযুক্তদের খালাস করে দেওয়া হয়। কিন্তু আদালত তাঁর সেই রিপোর্ট ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। যারা দোষী ছিল, তারা শাস্তি পেয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে তো আবার মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিতে ‘স্টিং অপারেশনের’ ভিডিওর সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীরা সব সময় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। দেশের মানুষ সব দেখছেন। বিরোধীরা সব সময় তোষণের রাজনীতি করেন। সেনাবাহিনীতে ধর্মের ভেদাভেদ করার চেষ্টা করেন। সেনার হয়ে যাঁরা লড়াই করেন, শহিদ হন, তাঁরা সকলেই ভারত মায়ের সন্তান। বিরোধীরা ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ করতে চায় বলেও অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Onion Exports: পেঁয়াজ রফতানিতে উঠল নিষেধাজ্ঞা, আরোপ হল ন্যূনতম রফতানি মূল্য

    Onion Exports: পেঁয়াজ রফতানিতে উঠল নিষেধাজ্ঞা, আরোপ হল ন্যূনতম রফতানি মূল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা উঠে গেল পেঁয়াজ রফতানিতে (Onion Exports)। শনিবার এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে ছ’মাস আগে পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নয়াদিল্লি। সেই নিষেধাজ্ঞাই তুলে নেওয়া হল। সামনের মাসের মাঝামাঝি সময়ে রয়েছে বকরিদ। তার আগে পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় যারপরনাই খুশি রফতানিকারীরা।

    ন্যূনতম রফতানি মূল্য (Onion Exports)

    নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও আরোপ করা হয়েছে ন্যূনতম রফতানি মূল্য। টন প্রতি এই মূল্য হল ৫৫০ মার্কিন ডলার। শুক্রবার রাতেই সরকার পেঁয়াজ রফতানিতে ৪০ শতাংশ ডিউটি আরোপ করেছিল। এই হারে ডিউটি আরোপ করা হয়েছিল গত অগাস্টেও। লাগু ছিল গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেডের তরফে জারি (Onion Exports) করা নোটিশে বলা হয়েছে, ‘পেঁয়াজের রফতানি নীতি সংশোধন করা হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টনে ৫৫০ মার্কিন ডলার ন্যূনতম রফতানি মূল্য ধার্য করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ জারি না করা পর্যন্ত এই নির্দেশ বলবৎ থাকবে।’ ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তা বলবৎ ছিল। মার্চের পর ফের বাড়ানো হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা।

    পেঁয়াজের উৎপাদন কম!

    মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনের তথ্য প্রকাশ করেন। এই তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে আশা করা হচ্ছে পেঁয়াজ উৎপাদনের পরিমাণ হবে প্রায় ২৫৪.৭৩ লাখ টন। গত বছর এর পরিমাণ ছিল ৩০২.০৮ টন। এর কারণ কেবল মহারাষ্ট্রেই পেঁয়াজ উৎপাদন কম হয়েছে ৩৪.৩১ লাখ টন, কর্নাটকে ৯.৯৫ লাখ টন, অন্ধ্রপ্রদেশে ৩.৫৪ লাখ টন এবং রাজস্থানে ৩.১২ লাখ টন। কনজিউমার অ্যাফেয়ার্স, ফুড অ্যান্ড পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সরকার ছয় দেশে মোট ৯৯.১৫০ টন পেঁয়াজ রফতানিতে ছাড়পত্র দিয়েছে। এই দেশগুলি হল বাংলাদেশ, ভুটান, বাহরিন, মরিশাস, শ্রীলঙ্কা এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।

    আরও পড়ুুন: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির
    প্রসঙ্গত, পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদ করেছিলেন মহারাষ্ট্রের কৃষকরা। গত মাসেই মহারাষ্ট্রের চাষিদের প্রতিবাদকে হাতিয়ার করে নরেন্দ্র মোদির সরকারকে দুষেছিল কংগ্রেস। নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে প্রকান্তরে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকেই যোগ্য জবাব দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার (Onion Exports)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: সতর্ক কমিশন! মুর্শিদাবাদে বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি

    Murshidabad: সতর্ক কমিশন! মুর্শিদাবাদে বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দফায় মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) ভোটগ্রহণ হবে। তৃতীয় দফায় মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণ, জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ এই চার আসনের জন্য ৩৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার চিন্তাভাবনা নিয়েছে কমিশন। শুধু মুর্শিদাবাদে মোতায়েন থাকবে ১১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রত্যেকটি সংবেদনশীল বুথ ধরে পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তৃতীয় দফায় জঙ্গিপুর (Jangipur) পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে ৬৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ। সঙ্গে থাকবেন রাজ্য পুলিশের ২৬২৮ জন জওয়ান। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় মোতায়েন হবে ১১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ৪৭২৪ জন রাজ্য পুলিশের কর্মী। অর্থাৎ তৃতীয় দফায় রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে মোট ৩৩৪ কোম্পানি ও রাজ্য পুলিশের ১৩ হাজারের পাশাপাশি আশেপাশে পুলিশ কর্মী।

    মুর্শিদাবাদে বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি

    পরিস্থিতি বিচার করে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রে বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি হতে পারে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক আরিজ আফতাব।

    সন্দেশখালিতে ‘স্টিং অপারেশনের’ ভিডিওর সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

    স্পর্শকাতর এলাকায় অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী

    কমিশন (ECI) সূত্রে জানা গিয়েছে স্পর্শকাতর এলাকায় অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছে। রামনবমীর অশান্তির পরেই সতর্ক কমিশন। বাহিনীর একটা বড় অংশ কুইক রেসপন্স টিমের (QRT) সদস্য হিসেবে কাজ করবে। অতিরিক্ত বাহিনীর একটা বড় অংশ স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার জন্য কাজে লাগানো হবে। এছাড়াও বাহিনীকে দিয়ে এরিয়া ডমিনেশন করানো হবে।মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) নিয়ে কমিশনের চিন্তার সবচেয়ে বড় কারণ এই জেলায় অতীতের নির্বাচনী রাজনৈতিক সন্ত্রাসের ইতিহাস। অতীতের প্রায় সব ভোটেই মুর্শিদাবাদে প্রবল অশান্তি হয়েছে। এর মধ্যে শেষ পঞ্চায়েত ভোটে বহু প্রাণহানি দেখেছে এই জেলা। শুধু ভোটের দিনই অন্তত চার জনের মৃত‌্যু হয়। চলতি বছর রামনবমীর মিছিলে হামলার ঘটনায় এই জেলায় শক্তিপুরে উত্তেজনা ছড়ায়। বেশ কয়েকটি বাড়ি এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে রামনবমীর মিছিলে ইট পাটকেল ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। এর পরেই শক্তিপুর ও বেলডাঙা থানার ওসিকে সরিয়ে দেয় কমিশন। তার আগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল মুর্শিদাবাদ রেঞ্জের ডিআইজিকে। এর পরও জেলায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করানো বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে কমিশন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • No Dues Certificate: দেবাশিস ধরের প্রার্থীপদ বাতিলের জের! বড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    No Dues Certificate: দেবাশিস ধরের প্রার্থীপদ বাতিলের জের! বড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের ঘরে তাঁর বকেয়া নেই, এই সংক্রান্ত সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি তিনি। জীবনের প্রথম লড়াইয়ে প্রার্থীপদ বাতিল হয়েছে প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধরের (Debashis Dhar)। বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন তিনি। তাঁর এই ঘটনার পর নড়ে চড়ে বসে কমিশন। “নো ডিউস সার্টিফিকেট” (No Dues Certificate) নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ।

    কমিশনের বড় সিদ্ধান্ত (No dues Certificate)

    পশ্চিমবঙ্গ সরকার সহ দেশের সমস্ত রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। জানানো হয়েছে প্রার্থীর আবেদনের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনও বকেয়া না থাকলে “নো ডিউজ সার্টিফিকেট” (No Dues Certificate) ইস্যু করতে বাধ্য থাকবে সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতর। যদি বকেয়া থাকে সে ক্ষেত্রেও বিশদ তথ্য দিতে হবে সংশ্লিষ্ট দফতরকে। “নো ডিউস সার্টিফিকেট” সংক্রান্ত ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ বদল আনা হল। এরপর মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়মই কার্যকর হবে।

    অভিষেকের গড়ে একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    শতাব্দী রায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী দেবাশিস ধর

    প্রসঙ্গত দেবাশিস ধরকে বীরভূম (Birbhum) লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের তিনবারের সাংসদ শতাব্দী রায়ের (Satabdi Ray) বিরুদ্ধে প্রার্থী করেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। প্রচারও শুরু করে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রাজ্য “নো ডিউজ সার্টিফিকেট” জারি না করায় তাঁর প্রার্থী পদ বাতিল হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে বিকল্পপ্রার্থী হিসেবে দেবতনু ভট্টাচার্যকে দিয়ে নমিনেশন করানো হয় বিজেপির তরফে। দেবাশিস ধরের প্রার্থী পদ বাতিল হওয়ায় বিজেপি এই কেন্দ্রে চাপে রয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন দেবাশিস বাবু। সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে বলে। দেবাশিস বাবুর অভিযোগ প্রশাসনের অঙ্গুলিহেলনে তৃণমূল প্রার্থীকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য “নো ডিউজ সার্টিফিকেট” নিয়ে গড়িমসি করে প্রশাসন।

    কোচবিহারের পুলিশ সুপার ছিলেন দেবাশিস

    প্রসঙ্গত কমিশন (ECI) সূত্রে খবর রিপ্রেজেন্টেশন অফ পিপলস অ্যাক্টের সেকশন ৩৬ অনুযায়ী কোন প্রার্থী যদি সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, সেক্ষেত্রে তাঁকে নো ডিউজ সার্টিফিকেট জমা করতে হয়। ২৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে হলফনামা দেওয়ার সময় তিনি (No Dues Certificate) সার্টিফিকেট দিতে পারেননি বলে তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। দেবাশিস ধর (Debashis Dhar) কোচবিহারের পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শীতলকুচি কাণ্ডের পর তাঁকে বলির পাঁঠা করা হয় বলে দাবি করেছেন দেবাশিস বাবু। এই মামলায় পরে তাঁর বিরুদ্ধে সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও কম্পালসারি ওয়েটিং এ রাখা হয়েছিল তাঁকে। এমনকি বেশ কয়েকটি মামলায় সাক্ষী হিসেবে তাঁর নাম ঢুকিয়ে তাকে টানা জেরা করা হয় বলে অভিযোগ প্রাক্তন পুলিশ কর্তার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share