Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Lakshadweep Tourism: দ্রুত গতিসম্পন্ন ফেরি পরিষেবা চালু লাক্ষাদ্বীপ-ম্যাঙ্গালোরের মধ্যে, সময় বাঁচবে ৫ ঘণ্টা

    Lakshadweep Tourism: দ্রুত গতিসম্পন্ন ফেরি পরিষেবা চালু লাক্ষাদ্বীপ-ম্যাঙ্গালোরের মধ্যে, সময় বাঁচবে ৫ ঘণ্টা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত গতির ফেরি পরিষেবা চালু হল লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep Tourism) এবং ম্যাঙ্গালোরের মধ্যে। এই ফেরি পরিষেবার পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘পাড়ালি’। পরিষেবা চালুর ফলে যাত্রী এবং পর্যটকদের সময় অনেকটাই বাঁচবে। যাতায়াতের সময় কমবে পাঁচ ঘন্টা। ৩ মে শুক্রবারই নতুন ফেরি পরিষেবার উদ্বোধন হয়। ১৬০ জন যাত্রীকে নিয়ে লাক্ষাদ্বীপ থেকে ম্যাঙ্গালোরের উদ্দেশে পাড়ি দেয় পাড়ালি। পৌঁছে যায় মাত্র সাত ঘণ্টায়। সাধারণভাবে আগে এই যাত্রাপথে সময় লাগত প্রায় ১৩ ঘণ্টার কাছাকাছি। পরিষেবা চালু হতে শুক্রবারই যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ‘দ্য লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’ 

    প্রসঙ্গত মোদি সরকার লাক্ষাদ্বীপকে (Lakshadweep Tourism) পর্যটনে ঢেলে সাজিয়েছে। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের অধীনে তৈরি করা হয়েছে ‘দ্য লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’ এই সংস্থার উদ্যোগেই ম্যাঙ্গালোর থেকে লাক্ষাদ্বীপ পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য জলপথে ফেরি সার্ভিস চালু হল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাক্ষাদ্বীপ পরিভ্রমণ করেন চলতি বছরের শুরুতেই। তারপর থেকেই সেখানকার প্রশাসন ঢেলে সাজিয়েছে ভারতের এই দ্বীপের পর্যটন ব্যবস্থাকে। মূল ভূখণ্ড কোচি এবং বেঙ্গালুরর সঙ্গে লাক্ষাদ্বীপকে জুড়তে নানা রকমের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হল এই দ্রুতগতির ফেরি সার্ভিস চালু। প্রসঙ্গত পর্যটন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে, পশ্চিমঘাটে ইকো ট্যুরিজম, শিক্ষামূলক ভ্রমণ, স্বাস্থ্য বিষয়ক ভ্রমণ ইত্যাদি।

    আরও পড়ুন: “যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব”, শীর্ষ আদালতে জানাল কমিশন, নজর সোমবারের শুনানিতে

    ৩৬ দ্বীপের সমাহার লাক্ষাদ্বীপ 

    ৩৬ দ্বীপের সমাহার হল লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep Tourism)। ৩২ বর্গ কিলোমিটারের জুড়ে অবস্থান করছে এই দ্বীপগুলি। এর আশেপাশের সমুদ্র সীমা হল ৪,২০০ বর্গ কিলোমিটার। প্রকৃতিপ্রেমিক, অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় মানুষদের জন্য লাক্ষাদ্বীপ প্রতিনিয়তই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। লাক্ষাদ্বীপে মিলছে নানারকমের পর্যটনের সুবিধাও। ভ্রমণকারীর এখানে স্কুবা ডাইভিং সমেত অন্যান্য ওয়াটার স্পোর্টসেরও সুবিধা পাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC: “যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব”, শীর্ষ আদালতে জানাল কমিশন, নজর সোমবারের শুনানিতে

    SSC: “যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব”, শীর্ষ আদালতে জানাল কমিশন, নজর সোমবারের শুনানিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এসএসসি’র (SSC) বক্তব্যে চাকরি হারাদের মধ্যে ফুটল আশার আলো। একই সঙ্গে তৈরি হল বিতর্ক। এসএসসি’র বক্তব্য, “অভিযোগহীন চাকরি প্রার্থীদের চিহ্নিত করা সম্ভব।”

    যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব?

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় অভিযোগহীন শিক্ষকদের তালিকা দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন কমিশনের (SSC) সভাপতি সিদ্ধার্থ মজুমদার। তবে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা কমিশন আদালতে জমা দিবে কি না সেই প্রশ্ন আপাতত এড়িয়ে গিয়েছেন সিদ্ধার্থ বাবু। কমিশনের অবস্থান সুপ্রিম কোর্টের (SC) কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে আন্দোলনকারীদের মনে। একই সঙ্গে সিদ্ধার্থ বাবুর বক্তব্যে এই প্রশ্ন উঠেছে যে যদি কমিশনের কাছে অভিযোগহীন শিক্ষকদের তালিকা থাকে অর্থাৎ কমিশন যদি যোগ্য এববগ অযোগ্য শিক্ষক বাছাই করতে সক্ষম হয় তাহলে এতদিন সে বিষয়ে কেন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি কেন? এমনকি সেই তালিকা কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়নি কেন?

    কমিশনের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত শুক্রবার চাকরিহারা শিক্ষকরা এসএসসি দফতরের (Acharya sadan) সামনে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় চাকরিপ্রার্থীদের। কমিশনের দপ্তরের সামনে তুমুল বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এদিনই কমিশনের দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সিদ্ধার্থবাবু বলেন, “আদালতে (Calcutta Highcourt) সাম্প্রতিক একটা রায়কে কেন্দ্র করে এসএসসি দফতরের সামনে একটা বড় জমায়েত হয়েছে। ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করেছে আদালত। তাদের একটা অংশ যাদের সম্পর্কে কোন অভিযোগ নেই তাঁরা আজ জমায়েত হয়েছেন এবং আমার সঙ্গে ওদের আলোচনা হয়েছে। আমি তাঁদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছি। যারা যোগ্য তাদের পাশে রয়েছে কমিশন (Recruitment Scam)।”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাকরির প্রতিশ্রুতি

    প্রসঙ্গত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সকলের জন্য চাকরি তৈরি রয়েছে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন ২ লক্ষ চাকরি তৈরি রয়েছে। একইসঙ্গে প্যানেল বাতিলের জন্য আদালত ও বিজেপিকে (BJP) দায়ী করেছিলেন তিনি। কিন্তু ওএমআর শিট কেন খোয়া গেল এনিয়ে কমিশন কিংবা মুখ্যমন্ত্রী কেউ রা কাটেনি। কমিশনের সভাপতি দাবি করেন, তাঁরা সুপ্রিমকোর্টকে আশ্বস্ত করতে একটি তালিকা প্রকাশ করবেন। যেই তালিকাতে যোগ্য ও অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব (Recruitment Scam)। কিন্তু সেই যোগ্য অযোগ্য বিচারের ক্ষেত্রে কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এবং এই বাছাই পর্ব কিভাবে করা হবে সে বিষয়ে কমিশনের তরফে কিন্তু কোন উত্তর মেলেনি।

    প্রকাশিত হল মেডিক্যালে প্রবেশিকা পরীক্ষার নির্দেশিকা, পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে কী কী মাথায় রাখতে হবে ?

    বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের প্রতিক্রিয়া

    এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন আন্দোলনকারীদের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর প্রশ্ন, “ওদের কাছে যদি যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা থাকে, তাহলে কলকাতা হাইকোর্টে কেন ওরা জমা দেয়নি। সেই তালিকা ডিভিশন বেঞ্চ বারংবার জমা দিতে বলেছিল। অযোগ্যদের রক্ষা করতে গিয়ে যোগ্যদের বিপদের মুখে ঠেলেছে রাজ্য সরকার (Recruitment Scam)। এখন বিপদ বুঝে একটা তালিকা দেওয়ার কথা বলছেন” মন্তব্য আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের। প্রসঙ্গত শীর্ষ আদালত জানতে চেয়েছিল যেহেতু ওএমআর শিট নষ্ট হয়ে গেছে তাই কী উপায়ে যোগ্য ও অযোগ্যদের বাছাই করা সম্ভব।  আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি রয়েছে। সেদিন আদালতে কী বক্তব্য পেশ করে কমিশন সেদিকেই তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির

    PM Modi: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শান্তির আশায় পাকিস্তানকে প্রেমপত্র পাঠাত কংগ্রেস। কিন্তু সেই সব চিঠির প্রেক্ষিতে আরও বেশি করে জঙ্গি পাঠাত ভারতের প্রতিবেশী দেশটি।” শনিবার ঝাড়খণ্ডের পালামৌয়ের নির্বাচনী জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার পর সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে পাকিস্তানের প্রতি যে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী বদলেছে, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর মোক্ষম বাণ (PM Modi)

    এর পরেই মোক্ষম বাণটি নিক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই লোকসভা নির্বাচনে জিতে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে আশা করছেন পাকিস্তানি নেতারা। এক সময় নিরীহ পর্যটককে খুন করত সন্ত্রাসবাদীরা। তার পরেও সরকার পাকিস্তানকে প্রায়ই প্রেমপত্র পাঠাত। তার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান আরও বেশি করে জঙ্গি পাঠাত। কিন্তু আপনাদের মূল্যবান একটি ভোটের শক্তিতে আমি বললাম, ঢের হয়েছে। আজকের নয়া ভারত আর কোনও দলিল পাঠাবে না পাকিস্তানকে। এই হল নয়া ভারত – ‘ঘর মে ঘুষ কে মারতা হ্যায়’ (ঘরে ঢুকে গিয়ে মারছে)।” তিনি (PM Modi) বলেন, “একটা সময় ছিল যখন বিহার ও ঝাড়খণ্ডের লোকজন আমাদের দেশকে রক্ষা করতে যেতেন। সীমান্তে তাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দিতেন। এ ছবি প্রায় প্রতি মাসেরই ছিল। কংগ্রেসের ভীরু সরকার গোটা বিশ্বে এনিয়ে কান্নাকাটি করত।”

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে কানাডায় ধৃত ৩ শিখ, নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?

    দুই স্ট্রাইকের ‘গল্প’

    প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বক্তৃতায় অনিবার্যভাবে উঠে আসে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট স্ট্রাইকের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট স্ট্রাইক পাকিস্তানকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এখন পাকিস্তান বিশ্বের দরবারে গিয়ে কাঁদছে আর বলছে, বাঁচাও, বাঁচাও। তাই পাকিস্তানের নেতারা প্রার্থনা করছেন যাতে কংগ্রেসের শাহাজাদা প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। কিন্তু শক্তিশালী ভারত এখন একটা শক্তিশালী সরকার চায়।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের মন্ত্রী ফুয়াদ চৌধুরী রাহুল গান্ধীর প্রশংসা করছেন এই বলে যে তাঁর মধ্যে সোশ্যালিস্টিক ইডিওলজি রয়েছে।” এদিনের জনসভায় ফুয়াদের এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে যে নকশালবাদ, সন্ত্রাসবাদের অবসান হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয়েছে ৩৭০ ধারা, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শাহের ভুয়ো ভিডিও-কাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার আরও ১, ধৃত কংগ্রেস নেতা

    Amit Shah: শাহের ভুয়ো ভিডিও-কাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার আরও ১, ধৃত কংগ্রেস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) নিয়ে ভুয়ো ভিডিও ছড়ানো মামলায় কংগ্রেস নেতা অরুণ রেড্ডিকে (Arun Reddy) গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৩ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত। জানা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে তাঁকে জেরা করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। এই ভুয়ো ভিডিও (Fake Video) বানাতে তাঁকে আর কারা সাহায্য করেছিল সেটা জানার চেষ্টা করছে দিল্লি পুলিশ।

    কেন গ্রেফতার

    সূত্রের খবর, ধৃত ব্যক্তি সমাজমাধ্যমে কংগ্রেসের সমর্থনে একটি পেজ চালান। তাঁর পেজের নাম ‘স্পিরিট অফ কংগ্রেস’। ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। জানা যাচ্ছে, কয়েকদিন আগে একটি জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) সংরক্ষণ নিয়ে একটি বক্তব্য পেশ করেছিলেন। সেই বক্তব্যকে বিকৃত করার অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। সেই নিয়ে দিল্লি পুলিশে এফআইআর দায়ের করা হলে শুরু হয় তদন্ত। সেই মামলাতেই গ্রেফতার হন অখিল ভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সোশ্যাল মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর অরুণ রেড্ডি।

    বিতর্কের সূত্র

    সমাজমাধ্যমে শাহের (Amit Shah) একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। সেই ভিডিয়োয় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘তফসিলি জাতি (এসসি), তফসিলি জনজাতি (এসটি) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি)-র জন্য যে সংরক্ষণ চালু আছে, তা আর আগামী দিনে থাকবে না!’’ বিরোধীরা এই ভিডিয়োকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে শুরু করে। বিজেপি পাল্টা এই ভিডিয়োর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। বিজেপি অভিযোগ করেছিল, কেউ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিডিয়ো ‘ডিপ ফেক’ প্রযুক্তিতে বিকৃত করে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়েছে। তিনি কখনওই এমন কথা বলেননি। ভিডিয়োটি ভুয়ো। 

    ‘ভুয়ো’ ভিডিয়ো (Fake Video) নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অমিত শাহও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘কংগ্রেস ভুয়ো খবর রটাচ্ছে যে, বিজেপি ৪০০-র বেশি আসন পেলে সংরক্ষণ তুলে দেবে। আমি পরিষ্কার বলে দিতে চাই যে, বিজেপি এসসি, এসটি, ওবিসিদের সংরক্ষণ দেওয়াকে সমর্থন করে এবং সর্বদা তাঁদের রক্ষক হিসাবে থাকবে আমাদের দল।” বিজেপির পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: “শীর্ষ পদে পৌঁছানোর আগে রায়বরেলিতে জিতুন”, রাহুলকে ‘পরামর্শ’ কাসপারভের

    Rahul Gandhi: “শীর্ষ পদে পৌঁছানোর আগে রায়বরেলিতে জিতুন”, রাহুলকে ‘পরামর্শ’ কাসপারভের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শীর্ষ পদে পৌঁছানোর আগে রায়বরেলি কেন্দ্র থেকে জিতুন।” এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) এমনই ‘পরামর্শ’ দিয়েছেন কিংবদন্তী সুপার গ্রান্ডমাস্টার গ্যারি কাসপারভ। পরে অবশ্য এই দাবাড়ু জানান, নিছক মজার করার উদ্দেশেই এই মন্তব্য করেছেন তিনি। একে মজা হিসেবেই দেখা উচিত।

    কী বললেন কাসপারভ? (Rahul Gandhi)

    একেবারে শেষ মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে রাহুলের নাম ঘোষণা করে কংগ্রেস। শুক্রবারই মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছেন তিনি। এদিনই রাহুলকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন দাবাখেলার প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় এক সাক্ষাৎকারে দাবা খেলার প্রতি আকর্ষণের কথা জানিয়ে কাসপারভকে প্রিয় দাবাড়ু বলে বর্ণনা করেছিলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। দাবা ও রাজনীতির তুলনাও করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, “প্রতিপক্ষের ওপর কাসপারভ যে চাপের কৌশল প্রয়োগ করেন, তা অত্যন্ত কার্যকরী।”

    রাহুলের দাবা-প্রেম!

    দাবায় বিশ্বজয় করতে পারলেও, রাজনীতির ময়দানে চূড়ান্ত ব্যর্থ কাসপারভ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরোধিতায় আন্দোলনে নেমে গ্রেফতার হওয়ার পরে দেশ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। সম্প্রতি তাঁকে জঙ্গি তকমাও দিয়েছে পুতিনের সরকার। সেই তিনিই রাহুলকে দিয়েছেন ‘পরামর্শ’! সম্প্রতি কংগ্রেসের তরফে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। তাতে দেখা যায়, প্রচারের ফাঁকে মোবাইলে দাবা খেলছেন রাহুল। এখানে উল্লেখ করা হয় রাহুলের প্রিয় খেলা এবং প্রিয় দাবাড়ুর নাম। এই ভিডিওতে রাহুল নিজেকে রাজনীতিকদের মধ্যে সেরা দাবা খেলোয়াড় বলেও উল্লেখ করেন।

    আরও পড়ুুন: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    রাহুল দাবা ও রাজনীতিকে সমানভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। এ ব্যাপারে কাসপারভ বলেন, “গান্ধী বলেছিলেন দাবায় কেউ কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করছে, তা ধারণা করে নেওয়া যায়। কিন্তু যদি কেউ কেন্দ্রকে না বোঝে, তাহলে সে সঠিকভাবে চাপ প্রয়োগ করতে পারে না। একইভাবে রাজনীতিতে কেউই কী করতে চলেছে, সে সম্পর্কে যদি পরিষ্কার ধারণা না থাকে, তাহলে বলা যায় তিনি কেন্দ্রকে বুঝতে পারছেন না।” প্রসঙ্গত, বয়সের কারণে এবার রায়বরেলিতে প্রার্থী হচ্ছেন না সোনিয়া গান্ধী। তাঁর বদলে প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল। এর পাশাপাশি রাহুল (Rahul Gandhi) প্রার্থী হয়েছেন কেরলের ওয়েনাড়েও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Hamida Banu: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    Hamida Banu: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামিদা বানুকে (Hamida Banu) মনে আছে? মনে না থাকলেও অবশ্য ক্ষতি নেই। ভারতীয় এই মহিয়সীকে মনে করিয়ে দিচ্ছে গুগলের ডুডুল (Google Doodle)। পুরুষ-দাপিত মল্লযুদ্ধের যুগে তিনিই প্রথম ভারতীয় মহিলা, যিনি দাপিয়ে বেড়িয়েছেন চার-পাঁচের দশক। তিনি ভারতের প্রথম প্রফেশনাল মহিলা মল্লযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। চার-পাঁচের দশকে ভারতের মতো পুরুষ-শাসিত সমাজে বেড়া ভাঙার কাজটা সহজ ছিল না। এই কঠিন কাজটাই করে দেখিয়েছেন হামিদা।

    হামিদার চ্যালেঞ্জ (Hamida Banu)

    ১৯৫৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বছর তিরিশের হামিদা (Hamida Banu) জানিয়েছিলেন, যে পুরুষ মল্লযুদ্ধে হারাতে পারবেন তাঁকে, তাঁরই গলায় বরমাল্য দেবেন তিনি। কেবল বলাই নয়, তিনি যে পুরুষের কাছেও অপরাজেয়, কাজেও তা করিয়ে দেখিয়েছিলেন হামিদা। দুই পুরুষ পদকজয়ীকে আক্ষরিক অর্থেই ধরাশায়ী করেছিলেন হামিদা। এঁদের মধ্যে একজন পাতিয়ালা থেকে, অন্যজন খাস কলকাতার। সেই বছরই ভাদোদরায় তৃতীয় ম্যাচে হামিদা লড়েছিলেন বাবা পালোয়ানের সঙ্গে। মাত্র ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডে তাঁকেও ধরাশায়ী করেছিলেন হামিদা।

    হামিদার দৈনিক খাদ্য তালিকা (Hamida Banu)

    অন্য এক প্রতিদ্বন্দ্বী তো আবার মহিলা বলে হামিদার (Hamida Banu) সঙ্গে লড়াই করতেই চাননি! প্রায় এক দশক ধরে অপরাজেয়ই ছিলেন হামিদা। খবরের কাগজগুলো তাঁকে ‘আমাজন অফ আলিগড়’ অভিধায় ভূষিত করেছিল। ১৯৫৪ সালে হামিদা (Hamida Banu) হারিয়েছিলেন ভেরা চিস্তিলিনকে। তাঁকে বলা হত রাশিয়ার ‘মহিলা ভালুক’। সেই ভালুককেই হামিদা মাত দিয়েছিলেন এক মিনিটেরও কম সময়ে। হামিদার জয়ের কাহিনি বারংবার হেডলাইন হয়েছে খবরের কাগজগুলোতে। তাঁর উচ্চতা ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি, ওজন ১০৮ কেজি। শক্তি ধরে রাখতে প্রতিদিন ৫.৬ লিটার দুধ খেতেন তিনি। ফলের রস খেতেন ১.৮ লিটার। স্যুপ খেতেন ২.৮ লিটার।

    আরও পড়ুুন: প্রার্থী হতে পারলেও, ভোট দিতে পারবেন না বন্দিরা, কেন জানেন?

    খাসির মাংস আর আমন্ড খেতেন প্রায় এক কিলো করে। একটা করে মুরগিও খেতেন, আর খেতেন দুটো করে পাঁউরুটি। তাঁর দৈনিক খাদ্য তালিকায় ছিল ৫০০ গ্রাম বাটার, ৬টি ডিম এবং দু’প্লেট বিরিয়ানি। প্রতিদিন ঘুমোতেন ৯ ঘণ্টা করে। অনুশীলন করতেন ৬ ঘণ্টা ধরে। এই অনুশীলনই তাঁকে পৌঁছে দিয়েছিল সাফল্যের শিখরে। যে সাফল্য এবং লড়াইকে কুর্নিশ করল গুগল, ডুডুলে ছবি দিয়ে (Google Doodle)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RP Act 1951: প্রার্থী হতে পারলেও, ভোট দিতে পারবেন না বন্দিরা, কেন জানেন?

    RP Act 1951: প্রার্থী হতে পারলেও, ভোট দিতে পারবেন না বন্দিরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁরা বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক একটি দেশের নাগরিক। প্রত্যাশিতভাবেই তাঁদের ভোটাধিকার থাকা উচিত। তবে ভোটে দাঁড়াতে পারলেও, ভোট দেওয়ার অধিকার তাঁদের নেই। কারণ তাঁরা বন্দি। গারদে থেকেও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন তাঁরা, তবে নিজের ভোটটা নিজেকেই দিতে পারবেন না। অন্য কাউকেও নয়। কারণ তাঁদের ভোটাধিকারই নেই। হ্যাঁ, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের নিয়ম এটাই (RP Act 1951)।

    ভোটে লড়ছেন অমৃতপাল (RP Act 1951)

    দীর্ঘদিন এই আইন এদেশে থাকলেও, চর্চায় এসেছে সম্প্রতি। কারণ, গত সপ্তাহেই খালিস্তানপন্থী জঙ্গি জেলবন্দি অমৃতপাল সিং লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান বলে ঘোষণা করেছেন। ‘ওয়ারিশ পাঞ্জাব দে’-সুপ্রিমো পাঞ্জাবের খাদুর সাহিব কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। এই কেন্দ্রে নির্বাচন হওয়ার কথা পয়লা জুন, শেষ দফায়। যদিও তাঁর প্রচারের সুযোগ সীমিত। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকারও রয়েছে তাঁর। যতক্ষণ না কোনও ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হন, ততক্ষণ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার তাঁর রয়েছে। তবে আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না তিনি। দেশের অন্যান্য বন্দিরাও তা পারবেন না। কেন? প্রশ্ন হল সেটাই। আসুন জেনে নেওয়া যাক, অমৃতপাল প্রার্থী হতে পারলেও, কেন প্রয়োগ করতে পারবেন না ভোটাধিকার।

    অমৃতপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    বর্তমানে অসমের ডিব্রুগড়ের জেলে বন্দি রয়েছেন অমৃতপাল। ২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল থেকে গারদের আড়ালে রয়েছেন অমৃতপাল। জাতীয় নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। খাদুর সাহিব কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন তিনি। অমৃতসরের এক থানায় সমর্থকদের সঙ্গে অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন অমৃতপাল। থানার সামনে দাঁড়িয়ে সঙ্গী লভপ্রীত সিং তুফানকে মুক্তি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন অমৃতপাল। পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। তার পর থেকেই পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেড়িচ্ছিলেন তিনি। শেষমেশ পাঞ্জাবের মোগা জেলার রোডে গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয় ‘ওয়ারিশ পাঞ্জাব দে’-র প্রধানকে (RP Act 1951)। পাঠানো হয় ডিব্রুগড়ের জেলে।

    ভোটাধিকার নেই

    এক সময় অমৃতপাল জানিয়েছিলেন, ভারতীয় সংবিধানে বিশ্বাস নেই তাঁর। সেই অমৃতপালই মত বদলে প্রার্থী হয়েছেন। এগিয়ে চলেছেন গণতান্ত্রিক রাজনীতির দিকে। তবে প্রার্থী হতে পারলেও, ভোটাধিকার প্রয়োগ করার অধিকার তাঁর নেই। কারণ নিয়ম অনুযায়ী, অপরাধী কিংবা অভিযুক্তরা জেলে বসে ভোটে লড়তে পারেন। কিন্তু বিচারাধীন বন্দি বা দোষীরা গারদের আড়ালে থাকাকালীন ভোট দিতে পারেন না। যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হননি, তাঁরাও ভোট দিতে পারেন না। অমৃতপাল যেহেতু দোষী সাব্যস্ত হননি, তাই নির্বাচনে প্রার্থী হতে তাঁর কোনও অসুবিধা নেই। কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার ছ’বছর পর ভোটে লড়তে পারেন।

    ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন

    ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের (RP Act 1951) ৬২ (৫) ধারায় বলা হয়েছে, পুলিশের আইনি হেফাজতে বা কোনও জেলে থাকলে সেই ব্যক্তি ভোট দিতে পারবেন না। অর্থাৎ জেলবন্দি থাকলে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা গেলেও, ভোট দিতে পারবেন না। ২০১৯ সালে প্রবীণ চৌধুরী বনাম নির্বাচন কমিশনের মামলায় দিল্লি হাইকোর্ট আবার রায় দিতে গিয়ে জানায়, বন্দিদের ভোটাধিকার নেই। অবশ্য জেলবন্দিরা তাঁদের প্রতিনিধিদের সাহায্যে জেলে বসেই মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। বন্দি অবস্থায় নির্বাচনে জিতলে, শপথ নেওয়ার জন্য অভিযুক্তকে ছুটিও দেওয়া হবে। এতদসত্ত্বেও ভোট দানের অধিকার তাঁদের নেই (RP Act 1951)।

    ২০১১ সালে পাবলিক ইনটারেস্ট ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থা আদালতে আবেদন করে জানায়, যাঁদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল চার্জ গঠন করা হয়েছে অথবা যাঁদের ক্রিমিনাল হিস্ট্রি নিয়ে মিথ্যা হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে, তাদেরও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বিরত রাখতে হবে। এর প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতি সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, কেবলমাত্র সংসদেই বদলানো হতে পারে আরপি অ্যাক্ট (RP Act 1951)।

    আরও পড়ুুন: “টাকায় কি হয়? ভাত হয়, ডাল হয়, থাকবার জায়গা হয়–এই পর্যন্ত, ভগবানলাভ হয়

    ২০১৬ সালে মামলা দায়ের সুপ্রিম কোর্টে

    ২০১৬ সালে আইনজীবী তথা বিজেপির ভূতপূর্ব মুখপাত্র অশ্বিনীকুমার উপাধ্যায়ও একটি পিটিশন দায়ের করেন। সেখানেও বলা হয়, যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তাঁদেরও নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হোক। এই মামলা এখনও চলছে সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, যেসব সাংসদ এবং বিধায়কদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার বিচার শেষ হতে দেরি হচ্ছে, সেক্ষেত্রে শীর্ষ আদালত দেশের সব হাইকোর্টের বিচারপতিদের সুয়ো মোটো কেস ফাইলের নির্দেশ দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের শিরোনাম, “ইন রি: ডেজিগনেটেড কোর্টস ফর এমপিস/এমএলএস”। এই নির্দেশিকায় হাইকোর্টগুলিকে এই সব মামলা নিষ্পত্তির জন্য ‘এক্সপিডিয়াস অ্যান্ড এফেকটিভ’ ডিরেকশন ইস্যু করতে বলা হয়েছে। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে আদালতে যে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল, তাতে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত পেন্ডিং রয়ে গিয়েছে ৪ হাজার ৪৭২টি মামলা।

    আরপি অ্যাক্টের ৬২ (RP Act 1951) নম্বর ধারায় ভোটাধিকার সম্পর্কে এক গুচ্ছ নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি যদি জেলে বন্দি থাকেন, তাহলে তিনি কোনও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। সে যদি তাঁর কারাদণ্ড হয় কিংবা ট্রান্সপোর্টেশন হয় অথবা তিনি পুলিশের ল’ফুল কাস্টডিতে থাকেন (RP Act 1951)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rohith Vemula: দলিত ছিলেন না রোহিত ভেমুলা, পরিচয় ফাঁসের ভয়েই আত্মহত্যা, আদালতে রিপোর্ট জমা পুলিশের

    Rohith Vemula: দলিত ছিলেন না রোহিত ভেমুলা, পরিচয় ফাঁসের ভয়েই আত্মহত্যা, আদালতে রিপোর্ট জমা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোহিত ভেমুলা (Rohith Vemula) দলিত ছিলেন না। প্রকৃত পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই আত্মহত্যা করেছিলেন। কংগ্রেস-শাসিত রাজ্য তেলঙ্গনার পুলিশ এমনই রিপোর্ট জমা করল আদালতে। এর পাশাপাশি পুলিশ রিপোর্ট মোতাবেক, জালিয়াতি করেই সার্টিফিকেট বের করেছিল রোহিতের পরিবার। ভেমুলার মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের ফাইল ‘ক্লোজ’ করে শুক্রবারই তেলঙ্গানা হাইকোর্টে রাজ্য পুলিশের তরফে যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে, সেখানেই সেই দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সেকেন্দ্রবাদের তৎকালীন সাংসদ বান্দারু দত্তাত্রেয়, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আপ্পা রাও, তৎকালীন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) নেতাদেরও ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছে।

    জাল শংসাপত্র

    পুলিশের রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে রোহিতের পরিবারের যে জাতিগত শংসাপত্র ছিল, সেটা জালিয়াতি করা হয়েছিল। উপযুক্ত প্রমাণের (Rohith Vemula) অভাবে সেই মামলার তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ তদন্তের ফাইল ‘ক্লোজ’ করে দেওয়া হচ্ছে বলে তেলঙ্গানা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। 

    রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যার ঘটনা

    ২০১৬ সালে আত্মহত্যা করেছিলেন রোহিত ভেমুলা (Rohith Vemula)। সেসময় বামপন্থী- অতি বামপন্থীরা একযোগে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে দলিত বঞ্চনার অভিযোগ তুলে রাস্তায় নামে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে দলিতদের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে দেশজুড়ে বিক্ষোভ হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই মামলার জল অনেকদূর বিস্তৃত গড়িয়েছে। আর শেষপর্যন্ত রোহিতের মৃত্যুর আট বছর পরে তদন্তের ফাইল ‘ক্লোজ’ করে দেওয়ার পথে হাঁটল তেলঙ্গানা পুলিশ। পুলিশি তদন্তে উঠে এল প্রকৃত সত্য।

    কংগ্রেসও প্রতিবাদ করেছিল

    তদন্ত যে রাজনৈতিক প্রাভাবিত, এমন অভিযোগও তুলতে পারবেন না, রোহিতের পরিবার, কারণ তেলঙ্গনায় বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। সেই সময় প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি করেছিলেন। রাহুল প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন। সেই সময় কংগ্রেসের তরফে ‘জাস্টিস ফর ভেমুলা ক্যাম্পেইন’ সমর্থন করেছলেন রাহুল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shaksgam Valley: শাক্‌সগাম ভারতের অংশ, চিনা নির্মাণ প্রকাশ্যে আসতেই বিবৃতি দিল বিদেশ মন্ত্রক

    Shaksgam Valley: শাক্‌সগাম ভারতের অংশ, চিনা নির্মাণ প্রকাশ্যে আসতেই বিবৃতি দিল বিদেশ মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখে সিয়াচেন হিমবাহের পূর্বদিকে অবস্থিত শাক্‌সগাম উপত্যকা (Shaksgam Valley)। সেখানেই চিনা পিপল্‌স লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)-র সড়ক এবং সুড়ঙ্গ নির্মাণের খবর প্রকাশ্যে এসেছিল সপ্তাহ খানেক আগেই। মিলেছিল বিদেশি কয়েকটি সংস্থার তোলা উপগ্রহচিত্রও। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতিতে বলা হল, ‘‘শাক্‌সগাম উপত্যকা ভারতের অংশ।’’

    ১৯৬৩ সালে  শাক্‌সগাম (Shaksgam Valley) এলাকা চিনের হাতে তুলে দিয়েছিল ইসলামাবাদ

    পাক অধিকৃত ভারতীয় ভূখণ্ডে শাক্‌সগাম (Shaksgam Valley) এলাকায় সড়ক এবং সুড়ঙ্গপথ নির্মাণের চিন সেনার কর্মকাণ্ড নিয়ে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছিল নতুন উপগ্রহচিত্র। তাতে দেখা গিয়েছে, সেখানে স্থায়ী নির্মাণ চালাচ্ছে চিনা ফৌজ। তৈরি হচ্ছে সড়ক এবং সুড়ঙ্গপথ! প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালেই অবিভক্ত জম্মু ও কাশ্মীরের ওই এলাকা দখল করেছিল পাক সেনা। ১৯৬৩ সালে সিয়াচেন হিমবাহের পূর্বপ্রান্তের শাক্‌সগাম এলাকা চিনের হাতে তুলে দিয়েছিল ইসলামাবাদ।

    ১৩০০ কিলোমিটার‘বাই লেন’ মহাসড়ক

    বছর কয়েক আগে প্যাংগং হ্রদের উত্তর এবং দক্ষিণ তীর জুড়ে চিনা ফৌজকে সেতু নির্মাণ করতে দেখা গিয়েছিল উপগ্রহচিত্রে। এর পরেই দেখা গিয়েছিল আকসাই চিন এলাকায় চিন সেনা স্থায়ী বাঙ্কার এবং বড় সুড়ঙ্গ তৈরি করছে। ভবিষ্যতে সংঘাতের পরিস্থিতির মোকাবিলার লক্ষ্যে শি জিনপিংয়ের সেনার এই পদক্ষেপ বলে ধারণা ভারতের। পশ্চিম চিনের শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগড় থেকে দক্ষিণ পাকিস্তান পর্যস্ত বিস্তৃত কারাকোরাম হাইওয়ে গিয়েছে শাক্‌সগাম উপত্যকার অদূর থেকেই। ১৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ‘বাই লেন’ মহাসড়ক।

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা কী মনে করছেন

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের (Shaksgam Valley) একাংশ মনে করছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দ্রুত সেনা এবং সামরিক সরঞ্জাম পরিবহণের জন্যই শাক্‌সগাম থেকে সিপিইসি সংযোগকারী রাস্তা বানাচ্ছে চিনা ফৌজ। যা ভারতের পক্ষে উদ্বেগজনক। এখানেই শেষ নয়, পাশাপাশি নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গগুলিতে সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সেনার পাশাপাশি ভারী অস্ত্রশস্ত্র এবং বিপুল পরিমাণ রসদ মজুত রাখার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে বলেও তাঁদের অনুমান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: গান্ধী পরিবার মুক্ত আমেঠি, মানুষের জয় বললেন স্মৃতি ইরানি

    Smriti Irani: গান্ধী পরিবার মুক্ত আমেঠি, মানুষের জয় বললেন স্মৃতি ইরানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়ানাড়ের (Wayanad) পর রাহুল গান্ধির এবারের ঠিকানা রায়বরেলি (Raybareli)। এই কেন্দ্র থেকে রাহুল গান্ধীর নাম (Rahul Gandhi) ঘোষণা হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির আমেঠি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। কংগ্রেসের যুবরাজের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “ভোট গ্রহণের আগেই রাহুল তাঁর নির্ধারিত পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। যার জন্যই কংগ্রেস এখানে একজন প্রক্সি ক্যান্ডিডেট দিয়েছেন।”

    আমেঠিতে অতিথিদের স্বাগত

    তিনি আরও বলেন, “আমি আমেঠিতে (Amethi) অতিথিদের স্বাগত করব। এখানে এই কেন্দ্রে গান্ধী পরিবার আগেই পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। ভোট গ্রহণে এখনও দেরি আছে। কিন্তু আগেই পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। সেই কারণে গান্ধী পরিবারের কোনও প্রতিনিধি আমেঠি থেকে দাঁড়াল না। প্রসঙ্গত আমেঠি থেকে কংগ্রেস পরিবারের বহু সদস্য আগে সাংসদ হয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) বলেন, “রায়বেরেলি থেকে রাহুল গান্ধীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত আমেঠির মানুষের বড় জয়। অনেকেই ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করে দিয়েছেন ভারত কংগ্রেসমুক্ত হোক না হোক, আমেঠি গান্ধী পরিবার মুক্ত হয়ে গেছে।”

    আমেঠি কেন্দ্রে উন্নয়ন হয়েছে

    স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) দাবি করেছেন, “আমেঠি কেন্দ্রে প্রচুর উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু মাঝের ২ বছর করোনার জন্য এখানকার মানুষ যে পরিমাণ উন্নয়ন আশা করেছিলেন তা করতে দেরি হয়েছে। আগামী দিনে এই কেন্দ্রে মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন ও পরিকাঠামগত উন্নয়নের দিকে নজর দেব”। তাঁর প্রশ্ন, “আমেঠি কেন্দ্র জয়ী হয়েছেন গান্ধী পরিবারের বহু সদস্য। প্রতিদান স্বরূপ তাঁরা এই কেন্দ্রের জন্য কী করেছেন? স্মৃতি ইরানির দাবি, “মোদি সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পরেই আমেঠির জন্য একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: সৎ চাকরিহারাদের জন্য সুকান্তকে লিগ্যাল ও সোশ্যাল মিডিয়া সেল খোলার নির্দেশ দিলেন মোদি

    সুরক্ষিত আসনের খোঁজে রাহুল

    এদিন স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সেই কথার পুনরাবৃত্তি করেন যেখানে তিনি বলেছিলেন, “কংগ্রেস এবার কেরালাতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। রাহুল গান্ধী সেই কারণেই একটি তুলনামূলক সুরক্ষিত আসন খুঁজছেন”। প্রসঙ্গত এবার মায়ের ছেড়ে যাওয়া আসন রায়বরেলি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কংগ্রেসের যুবরাজ। আমেঠি থেকে গান্ধীর পরিবারের যোগাযোগ সেই আশির দশক থেকে। এই কেন্দ্র থেকে ১৯৮০ সালে জয়ী হয়েছিলেন সঞ্জয় গান্ধী। এরপর ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন রাহুল গান্ধীর পিতা রাজীব গান্ধী। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৪ পর্যন্ত এ কেন্দ্র থেকে সাংসদদের দায়িত্ব সামলেছেন প্রয়াত রাজীব গান্ধীর স্ত্রী এবং রাহুল গান্ধীর মা সোনিয়া গান্ধী। রাহুল গান্ধী নিজেও ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত এই কেন্দ্র থেকে সাংসদ ছিলেন। ২০১৯ সালে রাহুল দুই জায়গা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আমেঠির ও ওয়ানাড়। আমেঠি থেকে হেরে গেলেও রাহুলের মান রক্ষা হয় ওয়ানাড়ে। চলতি বছর আর রাহুল গান্ধী এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস দেখাতে পারলেন না। তিনি মায়ের ছেড়ে যাওয়া রায়বরেলি আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন। যদিও রাহুলকে হারিয়ে ২০১৯ সালে জয়ী হওয়া স্মৃতি জুবিন ইরানি (Smriti Irani) এবারও এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share