Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • RBI: দেশে আরও নয়া ব্যাঙ্কের আত্মপ্রকাশ জরুরি, কী বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক?

    RBI: দেশে আরও নয়া ব্যাঙ্কের আত্মপ্রকাশ জরুরি, কী বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে আরও বেশ কয়েকটি ব্যাংক (Regular bank) । ফলে দেশে বেড়ে যাবে ব্যাংকের সংখ্যা। এমনই পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক(RBI)। দেশের স্মল ফিনান্স ব্যাংক গুলিকে (Small Finance Bank) বড় সংগঠিত ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এগিয়েছে আরবিআই। শুক্রবার দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এ বিষয়ে আবেদন কয়েকটি স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্কের  আবেদন গ্রহন করেছে। বড় কোন সমস্যা না তৈরি হলে নিয়মিত ব্যাংকের তকমা পাবে এইউ স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্ক, ইকুইটাস ফিনান্স ব্যাঙ্ক এবং উজ্জীবন ফিনান্স ব্যাঙ্ক।

    সাধারণ ব্যাংকের তকমা পেতে গেলে কী থাকতে হবে (RBI)?

    ২০১৪ সালের রিজার্ভ ব্যাংকের (RBI) পক্ষ থেকে স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্ককে সাধারণ ব্যাঙ্কে পরিণত করার লক্ষ্যে অনুমোদন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আইন মোতাবেক নিয়মিত ব্যাংকের মর্যাদা পেতে গেলে মল ফিন্যান্স ব্যাংকগুলির বাজার মূল্য ১০০০ কোটি টাকা কমপক্ষে হতে হবে। এই হিসেব করা হয় শেষ ত্রৈমাসিক পরিসংখ্যান হিসেবে। এছাড়াও এই ব্যাংকে শেয়ার ভারতের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হতে হবে। শুধু তাই নয় লাভজনক অবস্থায় থাকতে হবে স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্ককে। এনপিএ থাকতে হবে তিন শতাংশের কম এবং নেট এনপিকে শেষ দুই অর্থবর্ষে ১ শতাংশ কম হতে হবে। পাঁচ বছরের একটা ভালো ট্রাক রেকর্ড থাকলে স্মল ফিনান্স ব্যাংক নিয়মিত বা সর্বজনীন ব্যাংকের আবেদন করতে পারবে।

    আইন কী বলছে?

    ২০১৯ সালে আরবিআই (RBI) একটি রুল জারি করে। সমস্ত ছোট স্মল ফিনান্স ব্যাংক গুলির যিনি প্রতিষ্ঠাতা তিনি সর্বজনীন ব্যাংক হওয়ার পর ওই ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হবেন। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠাতা কিংবা সিইও বদলে ফেলার অনুমোদন দেয় না আরবিআই। সর্বজনীন ব্যাংক হিসেবে গঠনের সময় যারা শেয়ার হোল্ডার রয়েছেন তাদের ওপর কোন লক ইন পিরিয়ড রাখা হয়নি। অর্থাৎ এত দিক বিচার করার পরই একটি স্মল ফিনান্স ব্যাঙ্ক সর্বজনীন ব্যাংকের মর্যাদা পাওয়ার অধিকারী বলে জানিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাংক।

    আরও পড়ুন: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    শেষ কবে নয়া ব্যাঙ্কের আত্মপ্রকাশ

    ২০১৫ সালে বন্ধন ও আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক IDFC First Bank একটি সম্পূর্ণ ব্যাংকের মর্যাদা পেয়েছিল। এই দুটি ব্যাংক স্মল ফাইনান্স ব্যাঙ্ক Small Finance Bank থেকে নিয়মিত ব্যাংকের অনুমোদন পেয়েছিল শেষবারের মত। তারপর থেকে আজ কোন অবধি স্মল ফিন্যান্স ব্যাংক নিয়মিত ব্যাংকের অনুমোদন পায়নি। তবে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আরও আরবিআই (RBI) আরও কয়েকটি ব্যাংক আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। কয়েক বছর আগে ভারতে কয়েকটি ব্যাংককে মিলিয়ে (Bank Merger) দেওয়ায় দেশে নিয়মিত সংখ্যা কমে গিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: স্ত্রীর গয়নার ওপর অধিকার নেই স্বামীর, বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: স্ত্রীর গয়নার ওপর অধিকার নেই স্বামীর, বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর গহনার ওপর অধিকার নেই স্বামীর। প্রয়োজনে কাজে লাগিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া অবশ্যিক। কেরলের (Kerala) বাসিন্দা দম্পতির একটি সম্পত্তিগত মামলায় এমনটাই রায় দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। মামলাকারী মহিলার স্বামীকে স্ত্রীর কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া গহনার ক্ষতিপূরণ বাবদ ২৫ লক্ষ টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার কথাও বলেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত (S.C.)।

    কী বলল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)?

    ডিভিশন বেঞ্চ (Supreme Court) স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে স্ত্রীধনের (Stree Dhan) উপর শুধুমাত্র স্ত্রীর মালিকানা অধিকার রয়েছে। ওই গহনায় যৌথ অধিকারের কোন প্রশ্নই নেই। স্ত্রী চাইলে স্বামীকে গহনা রাখতে দিতে পারেন কিংবা ব্যবহার করতে দিতে পারেন। তবে ব্যবহার শেষে সেই গহনা ফিরিয়ে দিতে হবে স্বামীকে। কেরলের একটি দম্পতির মামলায় এমনটাই মন্তব্য করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

    মামলাকারির বক্তব্য

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলাকারি মহিলা জানিয়েছেন বিয়ের সময় তাঁর পরিবার এবং আত্মীয়-স্বজন যে পরিমাণ গহনা উপহার হিসেবে তাঁকে দিয়েছিলেন বিয়ের রাতেই সেগুলি হাতিয়ে নেন তাঁর স্বামী। সেগুলি কিছুকাল গচ্ছিত রাখা ছিল শাশুড়ির কাছে। গহনা নিরাপদে থাকবে এই যুক্তি দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে সমস্ত গহনা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল, আদলতে একথা জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু কিছুদিন পরে তিনি জানতে পারেন গহনাগুলি পারিবারিক ঋণ শোধ করার কাজে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে গহনার ব্যবহার হয়েছে তাঁকে অন্ধকারে রেখে। তিনি গহনাগুলি পুনরায় বানিয়ে দিতে বললে অস্বীকার করে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা।

    এরপরেই শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে গহনা ফেরত পাওয়ার জন্য স্থানীয় পারিবারিক আদালতে মামলা করেন ওই অভিযোগকারীনি। পারিবারিক আদালত তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়েছিল। স্বামীকে ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়। কিন্তু সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে কেরল হাইকোর্টে (Kerala High Court) চলে যান ওই মহিলার স্বামী। সেখানে মহিলার আবেদন প্রথমে নাকচ হয়ে যায়। এরপরে মামলা যায় সুপ্রিম কোর্টে।

    আরও পড়ুন: চাঁদিফাটা রোদে হিট স্ট্রোক এড়াতে কী কী করবেন? দেখে নিন এক নজরে

    ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ

    দেশের সর্বোচ্চ আদালতের (Supreme Court) বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং সঞ্জীব খান্নার ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ কোন মহিলা বিবাহের আগে, বিবাহের সময় এবং বিবাহ পরবর্তী সময়ে যে গহনাগুলি উপহার হিসেবে পান সেগুলি আইনের ভাষায় “স্ত্রীধন”। বিয়ের পর কোনভাবেই তা যৌথ সম্পত্তি হয়ে যায় না। গহনার উপরে মালিকানা অধিকার শুধুমাত্র উপহার প্রাপক স্ত্রীর। স্বামী স্ত্রীর সম্মতিতে প্রয়োজনে তা ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু পরবর্তী ক্ষেত্রে সমান পরিমাণ গহনা ফিরিয়ে দিতে হবে স্বামীকে। এটা তাঁর নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আদালত জানিয়েছে মহিলার যে পরিমাণ গহনা স্বামী নিয়েছিলেন ২০০৯ সালে। তার বাজার মূল্য ছিল ৯ লক্ষ আশি হাজার টাকা। ২ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হয়েছিল মহিলার স্বামীকে। বর্তমানে সেই ভিত্তিতে মূল্যবৃদ্ধির জেরে স্বামীকে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে স্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। তবে এই মামলা প্রথম নয় আগেও স্ত্রীধনে স্ত্রীর একক অধিকারের পক্ষের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রায় দিয়েছে দেশের বিভিন্ন আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ভোট মিটতেই রক্তাক্ত মণিপুর! পুলিশ ফাঁড়িতে কুকি জঙ্গিদের হানা, হত দুই জওয়ান

    Manipur Violence: ভোট মিটতেই রক্তাক্ত মণিপুর! পুলিশ ফাঁড়িতে কুকি জঙ্গিদের হানা, হত দুই জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটপর্ব মিটতেই ফের অশান্ত মণিপুর (Manipur Violence)। শুক্রবার গভীর রাতে বিষ্ণুপুর জেলার নারানসেনা জঙ্গিদের হামলায় নিহত হয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফের দুই জওয়ান। দুই জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছেন। এটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন করে অশান্তি শুরু হতেই মণিপুর জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিষ্ণুপুরে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

    সেনা জঙ্গি  সংঘর্ষ

    পুলিশ সূত্রের খবর, শুক্রবার রাত সওয়া ২টো নাগাদ কুকি জঙ্গিদের একটি দল স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র এবং গ্রেনেড নিয়ে নারানসেনা ফাঁড়িতে হামলা চালায়। হামলায় নিহত হয়েছেন সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) দুই সদস্য। বেশ কিছুক্ষণ ধরে গুলির লড়াই চলে। দুষ্কৃতীরা বোমা ছোড়ে আউটপোস্ট লক্ষ্য করে। শক্তিশালী বিস্ফোরণের আহত চারজন সিআরপিএফ জওয়ান (CRPF Jawan Killed)। তড়িঘড়ি তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে দুই জওয়ানকে বাঁচানো যায়নি। বাকি দুইজন গুরুতর আহত। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে তাঁরা নারানসিনায় নিযুক্ত সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) ১২৮ ব্যাটালিয়নের সাব-ইন্সপেক্টর এন সরকার এবং হেড কনস্টেবল অরূপ সাইনি। ইন্সপেক্টর যাদব দাস ও কনস্টেবল আফতাব দাস গুরুতর আহত হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, “দ্বিতীয় দফায় বিপুল জনসমর্থন পেতে চলেছে এনডিএ”, অভিমত মোদির

    জঙ্গিদের লক্ষ্য

    গত ডিসেম্বরে মোরেকে ফাঁড়িতে একই কায়দায় ভোররাতে হামলা চালিয়েছিল কুকি জঙ্গিরা। প্রসঙ্গত, শুক্রবার হিংসাদীর্ণ আউটার মণিপুর লোকসভা কেন্দ্রের একাংশে ভোট ছিল। চলতি মাসের গোড়া থেকে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-এর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই কয়েক জন জঙ্গি নিহতও হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মণিপুরের কুকি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির সহায়তায় কেএনএফ জঙ্গিরা সীমান্ত এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এদিন জঙ্গিদের নিশানা ছিল পুলিশ ব্যারাক। প্রথমে জঙ্গিদের একটি দল গুলি চালায় নারানসিনা গ্রামের একটি পাহাড় থেকে উপত্যকা অঞ্চলের দিকে। হামলা হয় কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর পোস্ট লক্ষ্য করে। উল্লেখ্য, মণিপুরে (Manipur Violence) গত বছর থেকে শুরু হয়ে হিংসার ধারা এখনও চলছে। এখনও পর্যন্ত হিংসার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২০০-এরও বেশি মানুষ। গুরুতর আহত হয়েছেন কয়েক হাজার জন। বহু মানুষ ঘরছড়া। তাঁদের বাড়ি ফেরানোর চেষ্টা করছে সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, “দ্বিতীয় দফায় বিপুল জনসমর্থন পেতে চলেছে এনডিএ”, অভিমত মোদির

    Lok Sabha Election 2024: নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, “দ্বিতীয় দফায় বিপুল জনসমর্থন পেতে চলেছে এনডিএ”, অভিমত মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ১৩ রাজ্যের ৮৯ কেন্দ্রে শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। সারা দেশে নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) মোটের উপর শান্তিপূর্ণ, বলে জানাল কমিশন। দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচনের পর দেশবাসীর উদ্দেশে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে বিশেষ পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি জানান, দ্বিতীয় দফায় বিপুল জনসমর্থন পেতে চলেছে এনডিএ। একই সঙ্গে বিরোধীদের কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি।  লিখেছেন, বিরোধীরা আরও হতাশ হতে চলেছেন।

    মোদির মতামত

    নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) কমিশনের পরিসংখ্যান বেরোনোর পরেই শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী মোদি পোস্ট করেন, দারুণ ভোট হয়েছে। সন্ধ্যা ৬.৫০ নাগাদ মোদি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “দারুণভাবে শেষ হল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। দেশ জুড়ে যারা আজ ভোট দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। দ্বিতীয় দফায় এনডিএ-র প্রতি জনগণের বিপুল সমর্থন বিরোধীদের আরও হতাশ করতে চলেছে। ভোটাররা চান দেশে এনডিএ-র সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হোক। দেশের যুব ও মহিলা ভোটাররা এনডিএকে আরও শক্তিশালী করছে।”

    শান্তিপূর্ণ ভোটদান

    দেশে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) সবকটি আসন মিলিয়ে মোট ভোটদানের হার ৬০. ৯শতাংশ। দেশের ১৩টি রাজ্যের মধ্যে মণিপুর, ছশত্তিশগড়, পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং ত্রিপুরায় ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্রে ভোটদানের হার সবচেয়ে কম, সেখানে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৫২.৬ শতাংশ, ৫৩ শতাংশ এবং ৫৩.৫ শতাংশ। তৃতীয় দফায় ভোট হবে আগামী ৭ মে। পরবর্তী ধাপগুলোর ভোট হবে যথাক্রমে, ১৩ মে, ২০ মে, ২৫ মে এবং ১ জুন। আর ৪ জুন নির্বাচনের ভোট গণনা এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

    আরও পড়ুন:লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইট! ৩০টি চওড়া এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ বিমান কিনছে ইন্ডিগো

    বাংলাতেও ভোট নির্বিঘ্নেই

    নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) কমিশন সূত্রে খবর, বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ‘চোখ রাঙানি’র ঘটনা ছাড়া লোকসভার দ্বিতীয় দফায় উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রের ভোট ছিল পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ। কয়েকটি জায়গায় অল্পবিস্তর ঝামেলা হলেও তা সাম্প্রতিক সময়ে ভোট হিংসার কাছে কিছুই না বলে মত রাজনৈতিক মহলের। তবে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ৭১.৮৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যা প্রথম দফার তুলনায় কম। গরমের জন্যই ভোটারদের বুথে আসার হার কম বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের ১৮ তম লোকসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ছিল  প্রায় ৬১ শতাংশ। শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের ১৩টি রাজ্য এবং ৮৮ টি লোকসভা আসনে ভোট হয়। সাত দফার এই নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোট হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। ওইদিন ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১০২টি আসনে ভোট হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: দ্বিতীয় দফায় দেশে ভোটদান ৬০.৭ শতাংশ, বাংলায় ৭১.৮৪

    Loksabha Election 2024: দ্বিতীয় দফায় দেশে ভোটদান ৬০.৭ শতাংশ, বাংলায় ৭১.৮৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফায় দেশে ৮৮ আসনে ভোটদানের হার ৬০.৭ শতাংশ (Loksabha Election 2024), অন্যদিকে বাংলার ক্ষেত্রে এই ভোটদানের হার ৭১.৮৪ শতাংশ। বাংলার ক্ষেত্রে তৃণমূলের সন্ত্রাসের চেনা ছবি দেখা গিয়েছে বালুরঘাট আসনে। সেখানে বিজেপি ভোটারদের বাধা, প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারকে বুথে ঢুকতে না দেওয়া, বিরোধী এজেন্টদের মারধরের ঘটনা সামনে এসেছে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয় ভোট গ্রহণ। এই দফায় যেমন কেরলের ২০টি, কর্নাটকের ১৪টি আসন, রাজস্থানের ১৩ আসন, উত্তর প্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের ৮টি করে আসনে ভোট গ্রহণ হয়। পাশাপাশি মধ্য প্রদেশের ৭টি আসন, অসম ও বিহারের ৫টি করে আসন, বাংলা ও ছত্তিশগড়ের ৩টি করে আসনে ভোট হয়। জম্মু-কাশ্মীর, মণিপুর ও ত্রিপুরাতেও ১টি করে আসনে ভোট হয় আজ। 

    দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাংলার কোন আসনে কত ভোট

    দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাংলায় (Loksabha Election 2024) ভোটদানের হার ৭১.৮৪ শতাংশ। শুক্রবার দার্জিলিঙে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭১.৪১ শতাংশ। বালুরঘাটে ভোট পড়ল ৭২.৩০ শতাংশ, রায়গঞ্জে ভোট পড়ল ৭১.৮০।

    অন্যান্য রাজ্যের চিত্র, এগিয়ে মণিপুর ও ত্রিপুরা

    বিকাল ৫টা পর্যন্ত ত্রিপুরা, মণিপুরে সর্বোচ্চ ৭৬% এবং উত্তরপ্রদেশে সর্বনিম্ন ৫২% ভোট পড়েছে। জেনে নিন অন্যান্য রাজ্যের অবস্থা।
    দেশের ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৮৮টি লোকসভা আসনে আজ দ্বিতীয় দফার ভোট (Loksabha Election 2024)। প্রথম দফায় ১৯ এপ্রিল ১০২টি লোকসভা আসনে ভোট হয়। আগামী ১ জুন সপ্তম ও শেষ ধাপে ভোট হওয়ার কথা। লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা ৪ জুন। বিকাল ৫টা পর্যন্ত অসমে ৭০.৬৬%, বিহারে ৫৩.০৩%, ছত্তিশগড়ে ৭২.১৩%, জম্মু ও কাশ্মীরে ৬৭.২২%, কর্ণাটকে ৬৩.৯০%, কেরলে ৬৩.৯৭%, মধ্যপ্রদেশে ৫৪.৪২%, মহারাষ্ট্রে ৫৩.৫৬%, ৫৩%। মণিপুরে ৭৬ %, রাজস্থানে ৫৯.১৯%, ত্রিপুরায় ৭৬.২৩%, উত্তর প্রদেশে ৫২.৬৪% এবং বাংলায় ৭১.৮৪% ভোট পড়েছে।

    আরও পড়ুন: আগ্নেয়াস্ত্র, বিষ্ফোরক উদ্ধারে নামানো হল রোবট, এনএসজি কমান্ডো, আরও চাপে শাহজাহান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: দেশ কি শরিয়া আইনে শাসিত হবে? তোষণ ইস্যুতে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শাহের

    Amit Shah: দেশ কি শরিয়া আইনে শাসিত হবে? তোষণ ইস্যুতে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের প্রকাশিত ইস্তেহারে তোষণ ছাড়া আর কিছুই নেই। শুক্রবারই এ নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ দাগলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর প্রশ্ন দেশ কি শরিয়া আইনে শাসিত হবে? সাংবাদিকদের শাহ বলেন, ‘‘কংগ্রেসের ইস্তাহার বলছে পার্সোনাল ল’য়ের কথা। যা এই দেশকে বিভাজিত করছে। প্রথমত আমি ভোটারদের কাছে আবেদন জানাতে চাই যে আপনারা নির্বাচিত করুন সেই রকম একটি রাজনৈতিক দলকে, যারা নিজেদের কথাতে সবসময় স্থির থাকে এবং দেশকে একটি নিরাপদ ভবিষ্যত দিতে পারে, দেশকে সমৃদ্ধশালী বানাতে পারে। গরিবদের উন্নয়নের জন্য কাজ করে।’’

    জনগণের ভরসা বিজেপিই

    এদিন শাহ (Amit Shah) আরও বলেন, ‘‘কংগ্রেসের ইস্তাহার প্রকাশিত হওয়ার পরে জনগণ বিজেপির উপরেই ভরসা রাখছে। তার কারণ কংগ্রেসের ইস্তাহারে তাদের পুরনো অভ্যাস দেখা গিয়েছে এবং তা তোষণ নীতি। কংগ্রেসের ইস্তাহার মুসলিম পার্সোনাল ল’য়ের কথা বলছে। আমি রাহুল গান্ধীর কাছে জানতে চাই এই দেশ কি শরিয়া অনুযায়ী শাসিত হবে?’’

    আমাদের সংবিধান একটি ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান

    শাহের (Amit Shah) কথায়, ‘‘আমাদের সংবিধান একটি ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান। যে কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়ে ওঠেনি। অমিত শাহ বলেন বিজেপি পরিস্কার ভাবে জানিয়েছে, ইস্তাহারে ঘোষণা করেছে যে এদেশে ইউনিফর্ম সিভিল কোড আসবেই।’’ ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তৃতীয়বারে মোদি সরকার ক্ষমতায় এলে ”এক দেশ এক আইন অর্থাৎ ইউনিফর্ম সিভিল কোড আনা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। এদিন  তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা তিন তালাককে রোধ করেছি। পার্সোনাল ল’ এ দেশে (Amit Shah) বাস্তবায়িত হতে পারে না। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আমি বলছি এবং দেখতে পাচ্ছি নরেন্দ্র মোদি তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিচ্ছেন।’’

    আরও পড়ুন: আগ্নেয়াস্ত্র, বিষ্ফোরক উদ্ধারে নামানো হল রোবট, এনএসজি কমান্ডো, আরও চাপে শাহজাহান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IndiGo: লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইট! ৩০টি চওড়া এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ বিমান কিনছে ইন্ডিগো

    IndiGo: লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইট! ৩০টি চওড়া এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ বিমান কিনছে ইন্ডিগো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ বিমানের জন্য রেকর্ড অর্ডার দিল ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স। সম্প্রতি এই বিশাল অর্ডারের ঘোষণা করেছে সংস্থা। ভারতের বৃহত্তম এয়ারলাইন ইন্ডিগো বর্তমানে দ্রুত হারে সম্প্রসারণের পর্যায়ে রয়েছে। ডোমেস্টিক এয়ারলাইন ইন্ডিগো ৩০টি এয়ারবাস (A350-900) এয়ারক্রাফটের জন্য একটি অর্ডার দিয়েছে, যা সংস্থার নেটওয়ার্ককে আরও প্রসারিত করবে। এই চুক্তিটি ভারতের বৃহত্তম এয়ার সংস্থার বহরকে আরও শক্তিশালী করবে।

    বাজার ধরার প্রয়াস

    টাটা গ্রুপ এভিয়েশন সেক্টরে প্রবেশের পর বাজার ধরে রাখতে দ্রুত হারে ব্যবসা বাড়ানোর চেষ্টা করছে ইন্ডিগো। একটি বিবৃতিতে, ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স এয়ারবাসের সঙ্গে এই অর্ডারের বিশদ ব্যাখা করেছে। সংস্থা জানিয়েছে, যেকোনও এয়ারলাইন এই প্রথম একসঙ্গে এতগুলি বিমান কেনার অর্ডার দিয়েছে। ইন্ডিগো সিইও পিটার এলবার্স এই চুক্তিকে এয়ারলাইন এবং এয়ারবাসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসাবে উল্লেখ করেছেন। চুক্তির অফিসিয়াল তালিকা মূল্য ৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    সংস্থার সাফল্য

    চুক্তির অফিসিয়াল তালিকা মূল্য ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একটি বিবৃতিতে, ইন্ডিগো এয়ারলাইন এয়ারবাসের সঙ্গে এই অর্ডারের বিশদ ব্যাখা করেছে। সংস্থা জানিয়েছে, যেকোনও এয়ারলাইনের কাছে এই অর্ডার খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইন্ডিগো জানিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ৩০টি এয়ারবাসে ডেলিভারি করা হতে পারে। এই ধরনের বাল্ক ডিলে বিমানগুলি অফিসিয়ালের অর্ধেকেরও কম দামে বিক্রি হয়, বলে জানিয়েছে সংস্থা। এর ফলে ইন্ডিগো অ্যাভিয়েশন ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: মনমোহনের পুরানো ভিডিও শেয়ার করে কংগ্রেসকে আক্রমণ শানাল বিজেপি

    BJP: মনমোহনের পুরানো ভিডিও শেয়ার করে কংগ্রেসকে আক্রমণ শানাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীকে ‘ন্যায়পত্র’ (কংগ্রেসের ইস্তাহার) নিয়ে বোঝাবেন বলে সময় চেয়ে দু’পাতার একটা চিঠি লিখেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। তার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কংগ্রেসকে নিশানা করল বিজেপি (BJP)। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের করা একটি মন্তব্যের ভিডিও প্রকাশ্যে নিয়ে এল মোদি-শাহ-নাড্ডার দল।

    বিজেপির ‘সিংহ-বাণ’! (BJP)

    ভিডিওটি ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসের। তাতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছে, “সংখ্যালঘুরা, বিশেষত মুসলমান সংখ্যালঘুরা, তাঁরা যদি গরিব হন, তাহলে দেশের সম্পদের ওপর তাঁদের দাবি সর্বাগ্রে।” সম্পদের পুনর্বণ্টনের যে পরিকল্পনার কথা ইস্তাহারে জানিয়েছে কংগ্রেস, তার প্রেক্ষিতেই বিজেপির এই ‘সিংহ-বাণ’। ভিডিওটি (যার সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) শেয়ার করে ট্যুইট-বার্তায় বিজেপি বলেছে, “লোকসভা  নির্বাচন চলাকালীন মনমোহন সিংহ আবারও তুলেছেন তাঁর সেই বক্তব্য জাতীয় সম্পদের ক্ষেত্রে বিশেষত দরিদ্র মুসলমানদের অগ্রাধিকার থাকা উচিত। তিনি বলেছিলেন যে তিনি তাঁর আগের মন্তব্যে অনড়, যে দেশীয় সম্পদের ওপর প্রথম অধিকার থাকা উচিত মুসলমানদের।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    সম্প্রতি (BJP) কংগ্রেস নেতা শ্যাম পিত্রোদা বলেছিলেন, “আমেরিকার ধাঁচে  এদেশেও চালু করা যেতে পারে কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তির ৪৫ শতাংশ হয়ে যাবে দেশের। বাকিটা তাঁর উত্তরসূরীদের।” কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্যকে হাতিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। সম্প্রতি এক জনসভায় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ কেড়ে নিতে চায় কংগ্রেস। সেই অর্থ অনুপ্রবেশকারী ও বড় পরিবারগুলিকে ভাগ করে দিতে চায় তারা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এর অর্থ হল, তারা সম্পদ সংগ্রহ করবে, আর বিলি করবে তাদের যারা অনুপ্রবেশকারী, অনেক ছেলেমেয়ে আছে। আপনি কি চান আপনার কষ্টার্জিত অর্থ অনুপ্রবেশকারীদের বিলি করা হোক? আপনি কি এটা মেনে নেবেন?  কংগ্রেসের ইস্তাহারে কিন্তু এমনটাই বলা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “পরের জন্মে বাংলায় জন্মগ্রহণ করব,” কর্মীদের উচ্ছ্বাস দেখে আপ্লুত মোদি

    এই ইস্যুতে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন বিজেপি প্রেসিডেন্ট জেপি নাড্ডাও। তাঁর অভিযোগ, এভাবে কংগ্রেস তফশিলি জাতি-উপজাতি এবং অন্যান্য পিছড়েবর্গদের অধিকার কেড়ে নিয়ে মুসলমানদের দিতে চাইছে। কংগ্রেসের এটাই লুকোনো অ্যাজেন্ডা। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তুষ্টিকরণের রাজনীতির অভিযোগ বরাবর করে এসেছে বিজেপি। এবারও তার অন্যথা হয়নি। নাড্ডা বলেন, “তফশিলি জাতি-উপজাতির মানুষ যে সংরক্ষণের সুবিধা ভোগ করেন, মুসলমানদের তা পাইয়ে দিতে (BJP) এভাবে গ্রাউন্ডওয়ার্ক করছে কংগ্রেস।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Air Taxi: ভারতে চালু হচ্ছে উড়ন্ত ট্যাক্সি পরিষেবা! কবে থেকে, কোথায় চলবে জানেন?

    Air Taxi: ভারতে চালু হচ্ছে উড়ন্ত ট্যাক্সি পরিষেবা! কবে থেকে, কোথায় চলবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার শুধু রাস্তায় নয়, আকাশে উড়বে ট্যাক্সি (Air Taxi)। অভাবনীয় চিন্তাভাবনা ইন্ডিগোর। রাজধানীর রাস্তার যানজট এড়িয়ে মাত্র সাত মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া যাবে কনট প্লেস থেকে গুরুগ্রাম। এই পরিষেবা আনতে আমেরিকার আর্চার অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে কাজ চালাচ্ছে ইন্টারগ্লোব। ইন্ডিগোর (Indigo) মূল সংস্থা ইন্টারগ্লোব এন্টারপ্রাইজ এবং ইউএস-ভিত্তিক আর্চার এভিয়েশন ভারতে একটি ইলেকট্রিক এয়ার ট্যাক্সি পরিষেবা (Air Taxi) চালু করতে চলেছে।

    কোন কোন রাজ্যে চালু হবে এই পরিষেবা (Air Taxi)?

    সংস্থার তরফে জানা গেছে, দিল্লির পাশাপাশি প্রথম দফায় এই একই পরিষেবা (Air Taxi) চালু করা হবে মুম্বই এবং বেঙ্গালুরুতে। এই উড়ানগুলির বিশেষত্ব হল, এগুলি একেবারে ভার্টিক্যালি অর্থাৎ উল্লম্বভাবে টেক অফ ও ল্যান্ডিং করতে পারে। ঠিক যেমনটা হেলিকপ্টার ওঠানামা করে। শুধু আওয়াজ অনেকটা কম। পাইলট-সহ পাঁচ জন যাত্রী বহন করার ক্ষমতা রাখবে এই উড়ানগুলি। কোম্পানির অন্য একজন কর্মকর্তা বলেছেন যে এই বিমানটিতে ছয়টি ব্যাটারি প্যাক থাকবে যা ৩০-৪০ মিনিটের মধ্যে সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যাবে। এক মিনিট চার্জ হবে মোটামুটি এক মিনিটের ফ্লাইটের সমান। আর্চার এভিয়েশন আপাতত ২০০ টি উড়ন্ত ট্যাক্সি (Air Taxi) সরবরাহ করবে। এমন ২০০টি এয়ারক্র্যাফ্টের জন্য খরচ হচ্ছে ৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি। জানা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের মধ্যেই ভারতে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক এয়ার ট্যাক্সি (Electric Air Taxi) পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ইন্টারগ্লোব এন্টারপ্রাইজ। সংস্থা সূত্রে খবর, ডিজিসিএ এই পরিষেবায় ছাড়পত্র দিলেই পরিষেবা চালু করে দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: ভোট শুরু হতেই অশান্ত রায়গঞ্জ, দলের কর্মীকেই মারধর তৃণমূল কোঅর্ডিনেটরের

    আকাশপথে ট্যাক্সি যাত্রায় খরচ কত?

    তবে আকাশপথে ট্যাক্সি (Air Taxi) যাত্রায় খরচ কিন্তু নাগালের মধ্যেই থাকছে। আর্চার অ্যাভিয়েশন সূত্রের খবর, দিল্লির (Delhi) কনট প্লেস থেকে হরিয়ানার গুরুগ্রাম পর্যন্ত সাত মিনিটের যাত্রাপথে খরচ পড়বে মাত্র ২-৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ সাধ্যের মধ্যেই হবে এই পরিষেবা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: স্বামীর মৃত্যুর পর সম্পত্তিতে নিরঙ্কুশ অধিকার নেই স্ত্রীর, রায় দিল্লি হাইকোর্টের

    Delhi High Court: স্বামীর মৃত্যুর পর সম্পত্তিতে নিরঙ্কুশ অধিকার নেই স্ত্রীর, রায় দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন কোনও হিন্দু মহিলা। কিন্তু সেই সম্পত্তির ওপর নিরঙ্কুশ অধিকার থাকবে না তাঁর। একটি মামলায় রায় দিতে গিয়ে শুক্রবার এমনই মন্তব্য করল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)।

    কী বলছে আদালত? (Delhi High Court)

    আদালত জানিয়েছে, কোনও হিন্দু মহিলার নিজস্ব কোনও আয় না থাকলে স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি সেই সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন। তবে স্ত্রী ছাড়াও প্রয়াত ব্যক্তির অন্য কোনও উত্তরাধিকার থাকলে তাঁর সম্পত্তির ওপর স্ত্রীর নিরঙ্কুশ অধিকার থাকে না। তাই ওই সম্পত্তি তিনি বিক্রি কিংবা স্থানান্তর করতে পারেন না। প্রয়াত স্বামীর সম্পত্তি নিয়ে স্ত্রী কী কী করতে পারেন, আর কী কী করতে পারেন না, তাও জানিয়েছে আদালত (Delhi High Court)।

    অধিকার আইনস্বীকৃত হলেও নিরঙ্কুশ নয়

    দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়েছে, স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইনস্বীকৃত। তা ওই মহিলার অর্থনৈতিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে। স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁকে যাতে সন্তানদের ওপর নির্ভর করতে না হয়, তাই এই আইন। এসব ক্ষেত্রে স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি ভোগ ও তা থেকে আয়ও করতে পারেন। কিন্তু এর অর্থ, ওই সম্পত্তিতে তাঁর নিরঙ্কুশ অধিকার নয়। যে মামলার বিচার করতে গিয়ে এহেন মন্তব্য করেছে দিল্লি হাইকোর্ট, তাতে এক ব্যক্তি মারা যাওয়ার আগে তাঁর সম্পত্তি বিশদে উইল করে গিয়েছেন। তাতে বলা হয়েছে, তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী আমৃত্যু ওই সম্পত্তি ভোগ করবেন। এই উইলে স্ত্রীকে সম্পত্তি বিক্রি করার অধিকার দেননি তাঁর প্রয়াত স্বামী।

    আরও পড়ুুন: “তৃণমূল যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে”, চাকরি বাতিল ইস্যুতে তোপ মোদির

    ওই দম্পতির ছয় ছেলে, এক নাতনি। সম্পত্তির দাবি নিয়ে বিরোধের জেরে বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত। মামলার শুনানি শেষে দেওয়ানি আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, যেহেতু স্বামীর মৃত্যুর আগে একটি উইল ছিল, তাই তেইশ বছর ধরে সেখানে বসবাস করার কারণে তাঁর স্ত্রী সম্পত্তির নিরঙ্কুশ মালিক হয়েছিলেন। এদিন আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, স্বামীর মৃত্যুর আগে তাঁর সম্পত্তিতে ওই হিন্দু মহিলার কোনও অধিকার ছিল না। মৃত্যুর পরেও নিরঙ্কুশ অধিকার জন্মায় না (Delhi High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

      

LinkedIn
Share