Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Kashmir Tourism: ৩৭০ বিলোপের সুফল পাচ্ছে কাশ্মীর, পর্যটকদের রেকর্ড ভিড় টিউলিপ বাগানে

    Kashmir Tourism: ৩৭০ বিলোপের সুফল পাচ্ছে কাশ্মীর, পর্যটকদের রেকর্ড ভিড় টিউলিপ বাগানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাল ফিরেছে কাশ্মীরে (Kashmir Tourism)। ৩৭০ ধারা বিলোপের সুফল পাচ্ছে ভূস্বর্গ। কাশ্মীরের সেরা দুটি পর্যটন কেন্দ্র সোনমার্গ ও শ্রীনগরের টিউলিপ বাগান। শুধু সোনমার্গে (Sonmarg) বিগত তিন মাসে ১ লক্ষ ৬০ হাজার পর্যটক এসেছেন। তবে রেকর্ড গড়েছে শ্রীনগরের (Srinagar) টিউলিপ বাগান। চলতি বছর এই বাগানে পর্যটক সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। গরমের ছুটির সিজন শুরু হতেই সারা ভারতের পর্যটকদের একটা বড় অংশ এখন কাশ্মীরমুখী।

    বেশি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র হল সোনমার্গ (Kashmir Tourism)

    স্থানীয় ভাষায় সোনমার্গের অর্থ “সোনার তৃণভূমি”। ভোরের প্রথম সোনালি আলো যখন সোনমার্গের বরফের উপর পড়ে তখন চারিদিকে সোনালি আভা ছাড়িয়ে পড়ে। বরফের মজা নিতে আসা পর্যটকদের সংখ্যা প্রতি বছর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। চলতি বছর পর্যটকদের সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়ে যেতে পারে, এমনটাই আশা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীয়া। কাশ্মীরের (Kashmir Tourism) গন্ধেরবাল জেলার (Gandherbal) এই হিল স্টেশনের উচ্চতা ২৭৩০ মিটার। বছরের বেশিরভাগ সময় বরফে ঢাকা থাকে সোনমার্গ। এই বরফে স্কেটিং, এটিভি রাইড সহ নানান ধরণের কার্যকলাপ করতে আসেন হাজার হাজার পর্যটক। কাশ্মীরের (Kashmir) পর্যটন দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুসারে এখন পর্যন্ত ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৫১ জন ভারতীয় পর্যটক এবং ৪ হাজার ১০৮ জন বিদেশী পর্যটক এসেছেন। পর্যটকদের মধ্যে ২৩২২ জন স্থানীয় কাশ্মীরি। কাশ্মীরের পর্যটন কেন্দ্রগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে থাকে এই সোনমার্গ।

    ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর হাল ফিরেছে

    কয়েক দশক আগে পর্যন্ত কাশ্মীরে জঙ্গিবাদের কারণে পর্যটনের (Tourism) হাল খুব খারাপ ছিল। কাশ্মীরের (Kashmir Tourism) নাম শুনলেই ভয় পেতেন পর্যটকরা। এর প্রভাব পড়েছিল স্থানীয়দের মধ্যেও। কারণ স্থানীয়দের একটা বড় অংশ পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। কেউ শিকারা চালান, কেউ হোটেল, কেউ আবার ড্রাইভার। তাঁদের অর্থনৈতিক অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর থেকেই কাশ্মীরের পর্যটন যেন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এখন তলানীতে সন্ত্রাসবাদ। যার সুফল পাচ্ছেন স্থানীয় কাশ্মীরিরা। বাড়ছে পর্যটন। সুদিন ফিরছে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা টুরিস্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কারণ চলতি বছর তাঁদের ব্যবসায় ভালো রকম লাভ হয়েছে। কাশ্মীরের পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা চাইছেন প্রতি বছর যেন এই পরিমাণ পর্যটকরা কাশ্মীরে আসেন। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিবাদের কারণে ভূস্বর্গ বহু বছর নরক হয়েছিল। সেনার অপারেশন অলআউট এবং ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার পর আজ অবশ্য ভূস্বর্গ সোনালী ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    এশিয়ার সবচেয়ে বড় টিউলিপ বাগান শ্রীনগরে

    তবে সোনমার্গকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে শ্রীনগরের টিউলিপ গার্ডেন (Tulip garden)। এই পিকচার পারফেক্ট বাগানে এখন অবধি ৪ লক্ষ ৩০ হাজার পর্যটক (Kashmir Tourism) পা রেখেছেন। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ পর্যটক বৃদ্ধি হয়েছে চলতি বছর। শ্রীনগরের টিউলিপ বাগান এশিয়ার সবচেয়ে বড় টিউলিপ বাগান। সুইজারল্যান্ডের টিউলিপ বাগানের পর পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পর্যটক আসেন কাশ্মীরের এই টিউলিপ বাগানে।

    আরও পড়ুন: হঠাৎ কেন ওএমআর সংরক্ষণের সময় কমানো হয়েছিল ২০১৬-তে? উত্তর নেই এসএসসির কাছে

    টিউলিপ বাগানের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিকর্তার বক্তব্য

    শ্রীনগরের টিউলিপ বাগানের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিকর্তা আসিফ ইয়াট্টু জানিয়েছেন, “টিউলিপ বাগান চালু হওয়ার পর থেকে আজ অবধি সবথেকে বেশি পর্যটক এসেছেন চলতি বছর। এখন পর্যন্ত ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার পর্যটক এসেছেন। এ বছর পর্যটকদের (Kashmir Tourism) সংখ্যা ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। আবার সর্বোচ্চ সংখ্যায় টিউলিপ ফুটিয়ে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে নাম উঠেছে শ্রীনগর টিউলিপ বাগানের। ৩০ হেক্টর এলাকা জুড়ে জাবেরওয়ান পর্বত শৃঙ্খলার ঘাটিতে ডাল লেকের পাশেই বিস্তৃত  এই বাগানে টিউলিপ ছাড়াও অর্কিড, হায়াসিন্থ, ড্যাফোডিল ও আরও কয়েকটি বাহারি ফুল ও বৃক্ষ রয়েছে এই বাগানে। চলতি বছর এক হাজারের বেশি বিদেশী পর্যটক এসেছিলেন এই টিউলির বাগানে। প্রসঙ্গত সন্ত্রাসবাদের কারণে বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে কাশ্মীর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল। তবে ধীরে ধীরে বিদেশী পর্যটকদের সংখ্যাবৃদ্ধি ইতিবাচক দিক বলেছেন আসিফ ইয়াট্টু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court On VVPAT: ইভিএমের সঙ্গে ১০০ শতাংশ ভিভিপ্যাট যাচাইয়ের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court On VVPAT: ইভিএমের সঙ্গে ১০০ শতাংশ ভিভিপ্যাট যাচাইয়ের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাটের একশো শতাংশ ভোট মিলিয়ে দেখার আর্জি জানিয়ে জমা পড়া সব মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court On VVPAT)। শুক্রবার শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলাগুলি খারিজ করে দেয়। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে নির্বাচন ও একশো শতাংশ ভিভিপ্যাট স্লিপ জমা দেওয়ার অনুমতি চেয়েও যেসব মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে, খারিজ করে দেওয়া হয়েছে সেগুলিও। বেঞ্চ জানিয়েছে, নির্বাচনের ফল ঘোষণার সাত দিন পরে নির্দিষ্ট অঙ্কের ফি জমা দিয়ে ভিভিপ্যাট স্লিপ গণনার আবেদন জানানো যেতে পারে। 

    দাবির বিরোধিতা আগেই করেছিল নির্বাচন কমিশন (Supreme Court On VVPAT)

    প্রসঙ্গত, দেশের একশো শতাংশ বুথে ইভিএমের ফলের সঙ্গে ভিভিপ্যাটের কাগজ মিলিয়ে দেখার দাবির বিরোধিতা আগেই করেছিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছিল, সব বুথে ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাটের কাগজ মিলিয়ে দেখতে হলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আবার ব্যালট পেপারের জমানায় পিছিয়ে যাবে। ইভিএমে নির্দিষ্ট কোনও (Supreme Court On VVPAT) বোতামে চাপ দেওয়ার পর ভোটটি সঠিক জায়গায় পড়ল কিনা, তা দেখিয়ে দেয় ভিভিপ্যাট। বোতামে চাপ দেওয়ার সাত সেকেন্ডের মধ্যেই একটি কাগজ প্রার্থীর নাম ও প্রতীক সহ বেরিয়ে আসে ভোটযন্ত্র থেকে। সেই কাজ জমা হয় একটি পাত্রে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি এলাকা থেকে যে কোনও পাঁচটি বুথ বেছে নিয়ে ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাটের কাগজের হিসাব মিলিয়ে দেখা হয়। একশো শতাংশ বুথেই এই হিসেব মিলিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছিল দেশের বিজেপি-বিরোধী দলগুলি।

    বিচারপতির নির্দেশ

    এদিন কয়েকটি নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি খান্না। তিনি বলেন, “ভিভিপ্যাটের প্রতীক লোডিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রতীক লোডিং ইউনিটগুলি সিল করা হবে। সিল করা সেই বাক্স স্ট্রংরুমে রাখা হবে ৪৫ দিনের জন্য। পরে যাচাইকরণের সময় সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন প্রার্থীরা। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেই ইউনিটির ডেটার সত্যতা যাচাই করবেন। সেই ইউনিটের মেমরি চেক করার দায়িত্বে থাকবেন ইঞ্জিনিয়ররা। ইভিএমে যদি কারচুপি হয় এবং যাচাইকরণ পর্বে তা ধরা পড়ে, সেই প্রক্রিয়ায় খরচ হওয়া অর্থ ফিরিয়ে দিতে হবে প্রার্থীদের।” বিচারপতি দত্তের পর্যবেক্ষণ, “একটি সিস্টেমকে অন্ধভাবে সন্দেহ করলে তা সংশয়ের জন্ম দিতে পারে। তাই এসব ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ পর্যালোচনা প্রয়োজন (Supreme Court On VVPAT)।”

    আরও পড়ুুন: বিলম্বিত বোধদয়! এবার ওএমআর শিট সংরক্ষণ করবে রাজ্য শিক্ষা দফতর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “আরও বেশি করে ভোট দিন”, আবেদন মোদি, শাহের

    Lok Sabha Elections 2024: “আরও বেশি করে ভোট দিন”, আবেদন মোদি, শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। আজ, ২৬ এপ্রিল ভোট গ্রহণ হচ্ছে দেশের ৮৮টি লোকসভা কেন্দ্রে। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। সেবার ভোট হয়েছিল দেশের ১০২টি কেন্দ্রে। এদিন যে আসনগুলিতে নির্বাচন হচ্ছে, সেগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে দেশের ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। প্রথম দফার মতো এবারও আরও বেশি সংখ্যক ভোটারকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের প্রত্যেক নাগরিকই যাতে ভোট দেন, সেই আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। আরও বেশি করে যাতে তরুণ ও মহিলা ভোটাররা দ্বিতীয় দফার ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করেন (Lok Sabha Elections 2024), সেই আবেদনও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী? (Lok Sabha Elections 2024)

     এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ, দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচনে যেসব কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে, সেখানকার প্রত্যেককে আবেদন জানাচ্ছি আরও বেশি করে ভোট দিন। যত বেশি ভোটার ভোট দেবেন, ততই শক্তিশালী হবে আমাদের গণতন্ত্র। আমি বিশেষ করে অনুরোধ জানাই তরুণ এবং মহিলা ভোটারদের আরও বেশি করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে। আপনার ভোট আপনার স্বর!”

    শাহি আবেদন

    এদিন যেসব কেন্দ্রে নির্বাচন হচ্ছে, সেখানকার প্রত্যেক ভোটার যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন, সেই আবেদন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। শক্তিশালী, সুরক্ষিত ও সমৃদ্ধশালী দেশ গঠন করতেই প্রত্যেককে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে বলেও জানান তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ দ্বিতীয় দফার লোকসভার নির্বাচন। আমি আপনাদের সবার কাছে আবেদন করছি (যাঁদের এলাকায় আজ নির্বাচন রয়েছে) পূর্ণ উদ্যমে যোগ দিন গণতন্ত্রের উৎসবে এবং ভোট দিন রেকর্ড সংখ্যক। শক্তিশালী, সুরক্ষিত ও সমৃদ্ধশালী জাতি গঠনে যা প্রয়োজন। শক্তিশালী ভারত গড়তে আপনার বন্ধু এবং পরিবারকেও উৎসাহিত করুন।”

    ওই পোস্টে শাহ আরও লিখেছেন, “সেই সরকারকেই বেছে নিন, যারা দেশের উন্নয়নকেই গুরুত্ব দেয়, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করে, দেশের হৃত গরিমা ফিরিয়ে আনে এবং জাতীয় স্বার্থে শক্তিশালী সিদ্ধান্ত নেয়। আপনাদের প্রতিটি ভোটই উন্নত ভারতের ভিতকে শক্তিশালী করবে। আপনার বন্ধু ও পরিবারকে ভোট দিতে উৎসাহিত করুন (Lok Sabha Elections 2024)।”

  • Lok Sabha Elections 2024: “চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি”, কেন কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী?

    Lok Sabha Elections 2024: “চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি”, কেন কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজস্থানের লেখাপড়া না জানা এক মহিলা ভোটার ভোট দিতে গিয়ে ইভিএমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি খুঁজেছিলেন। এই ঘটনায় বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তার প্রেক্ষিতেই কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (Lok Sabha Elections 2024)

    এক্স হ্যান্ডেলে রাজস্থান বিজেপির মুখপাত্রের করা একটি পোস্টের প্রেক্ষিতে তাঁর চোখে যে জল চলে এসেছিল, সেকথা জানান প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ওই মহিলা যখন জানতে পারেন, প্রধানমন্ত্রী নন, এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী অন্য একজন, তখনই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপি মুখপাত্রের ওই পোস্টের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “মা-বোনেদের এত ভালোবাসা আমার চোখে জল এনে দিয়েছিল। তখনই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হই, তাঁদের এই ঋণ আমায় শোধ করতে হবে। কিন্তু লক্ষ্মীকান্তজি (রাজস্থান বিজেপির মুখপাত্র) এটা আমাদের দলীয় কর্মীদের দায়িত্ব এঁদের প্রতি মনোযোগ দেওয়া। মানুষকে সচেতন করতে যেতে হবে দুয়ারে দুয়ারে।”

    রাত পোহালেই নির্বাচন

    রাজস্থানে নির্বাচন হচ্ছে দু’দফায়। এ রাজ্যে লোকসভার আসন রয়েছে ২৫টি। তার মধ্যে ১৩টিতে নির্বাচন হবে ২৬ এপ্রিল, শুক্রবার। ১৯ এপ্রিল, প্রথম দফায় নির্বাচন হয়েছে ১২টি আসনে। এই দ্বিতীয় দফায় ভাগ্য নির্ধারণ হবে ১৫২ জন প্রার্থীর। এঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির (Lok Sabha Elections 2024) দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং দলের রাজ্য সভাপতি। বিজেপির এই রাজ্য সভাপতি আগে ছিলেন রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার। প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রীর দুই ছেলেও রয়েছেন এই দফায় লড়াইয়ের ময়দানে। এই দফায় ভোট গ্রহণ হবে ২৮ হাজার ৭৫৮টি বুথে। ভোট দেবেন প্রায় ২.৮০ কোটি ভোটার।

    আরও পড়ুুন: রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চার্জশিটে সাধন-কন্যার নাম, আরও গাড্ডায় তৃণমূল

    নির্বাচন উপলক্ষে আঁটসাঁট নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, ওই ১৩টি আসনে। মোতায়েন করা হয়েছে ১.৭২ লাখ রক্ষী। এদিন নির্বাচন হবে টঙ্ক-সাওয়াই মাধোপুর, আজমির, পালি, যোধপুর, বারমের, জালোর, উদয়পুর, বাঁশওয়াড়া, চিতোরগড়, রাজসামন্দ, ভিলওয়াড়া, কোটা এবং ঝালাওয়ার-বারান লোকসভা কেন্দ্রে। প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন হবে দেশের ১৩টি রাজ্যের ৮৯টি আসনে (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India US Relation: ‘ভারতকে বোঝেইনি’, মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    India US Relation: ‘ভারতকে বোঝেইনি’, মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ মার্কিন রিপোর্টে করা হয়েছে, তাকে পক্ষপাতিত্বমূলক আখ্যা দিল ভারত (India US Relation)। শুধু তাই নয়, আমেরিকার এই অভিযোগ ভারত সম্পর্কে দুর্বল মূল্যায়ন বলেও জানিয়েছে নয়াদিল্লি। মণিপুরে হিংসার আগুন নেভার পর সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রিপোর্টে।

    কী বলছে বিদেশমন্ত্রক? (India US Relation)

    এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “রিপোর্টটি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের) দারুণভাবে পক্ষপাতিত্বমূলক। ওরা যে ভারতকে বোঝেনি, এই রিপোর্টেই তা স্পষ্ট। আমরা একে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি না। আপনাদেরও (সাংবাদিকদের) বলছি, একে এত গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই।” সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে ‘২০২৩ কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্র্যাকটিসেস: ইন্ডিয়া’ শীর্ষক রিপোর্ট। এই রিপোর্টেই মণিপুরের সাম্প্রতিক হিংসার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে যে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, ফলাও করে তাও বলা হয়েছে।

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

    তার পরেই বলা হয়েছে, এর পরিণতিতে মণিপুরে তাৎপর্যপূর্ণভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার (India US Relation)। উল্লেখ্য যে, ঘটনাটিকে (মানবাধিকার লঙ্ঘনের) লজ্জাজনক আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি। ফেব্রুয়ারি মাসে যে রিপোর্ট স্টেট ডিপার্টমেন্টের তরফে প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানেও বলা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরে পরেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চার্জশিটে সাধন-কন্যার নাম, আরও গাড্ডায় তৃণমূল

    মার্কিন রিপোর্টে বিবিসির দিল্লি ও মুম্বইয়ের অফিসে ১৪ ফেব্রুয়ারি আয়কর দফতর যে খানাতল্লাশি চালিয়েছিল, তারও উল্লেখ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের যেসব ইক্যুইপমেন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, সেসবেরও উল্লেখ রয়েছে ওই রিপোর্টে। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ‘মোদি’ পদবিকে অপমান করার যে অভিযোগ উঠেছিল তাও উঠে এসেছে মার্কিন রিপোর্টে। এই ঘটনার জেরে লোকসভার সাংসদ পদ খোয়াতে হয়েছিল রাহুলকে। পরে অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয় রাহুলকে। এ প্রসঙ্গেরও অবতারণা করা হয়েছে ওই রিপোর্টে (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Gyanvapi Mosque Case: এবার ‘বিদেশ থেকে’ প্রাণনাশের হুমকি-ফোন জ্ঞানবাপী মামলার বিচারককে

    Gyanvapi Mosque Case: এবার ‘বিদেশ থেকে’ প্রাণনাশের হুমকি-ফোন জ্ঞানবাপী মামলার বিচারককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রাণনাশের হুমকি জ্ঞানবাপী মামলার (Gyanvapi Mosque Case) বিচারককে। জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলায় বির্তকে ইতি টানতে অতিরিক্ত দায়রা বিচারক রবি কুমার দিবাকর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বিভাগকে বিতর্কিত কাঠামোর পুরাতাত্ত্বিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    হুমকি-ফোন (Gyanvapi Mosque Case)

    তাঁর অভিযোগ, একটি আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। চলতি সপ্তাহে এসএসপি সুশীল চন্দ্রভান ঘুলেকে লেখা চিঠিতে দিবাকর লিখেছেন, ‘আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে বিদ্বেষপূর্ণ ফোন পাচ্ছেন তিনি। দেওয়া হচ্ছে হত্যার হুমকিও। এটা খুবই উদ্বেগজনক।’ এর আগেও একবার দিবাকরকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় এলাহাবাদ হাইকোর্ট দিবাকরের জন্য ওয়াই ক্যাটেগরির নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিল। পরে তা নামিয়ে আনা হয় এক্স ক্যাটেগরিতে। তার পরেই ফের এল হুমকি-ফোন (Gyanvapi Mosque Case)।

    নিরাপত্তা অপর্যাপ্ত

    বর্তমানে দিবাকরের নিরাপত্তায় রয়েছেন দু’জন নিরাপত্তারক্ষী। হুমকি ফোন আসার পরে তাঁদেরই একজন জানিয়েছেন, দিবাকরের নিরাপত্তা অপর্যাপ্ত। কারণ জঙ্গি হামলার মোকাবিলায় অত্যাধুনিক যেসব অস্ত্রশস্ত্রের প্রয়োজন, তা তাঁদের নেই। ২০২২ সালে জ্ঞানবাপী মামলায় বিতর্কিত কাঠামোর পুরাতাত্ত্বিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন দিবাকর। তার পরেই এসেছিল হুমকি-ফোন। সেই সময় দিবাকর বলেছিলেন, ‘এই সিভিল কেসকে এক্সট্রাঅর্ডিনারি কেসে পরিণত করতে একটা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। ভয়ের বাতাবরণ এমনই যে, আমার নিরাপত্তা নিয়ে আমার পরিবার উদ্বিগ্ন। তাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমিও উদ্বিগ্ন। আমি যখনই বাড়ির বাইরে যাই আমার স্ত্রী বারংবার আমার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।’

    আরও পড়ুুন: “মমতা রোহিঙ্গা নন তো?” মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করলেন অভিজিৎ

    দিবাকরের স্ত্রীর উদ্বেগ যে নিছক কথার কথা নয়, তার প্রমাণ মিলেছিল গত বছরই। সেবার দিবাকরের লখনউয়ের বাড়ির সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার এক সদস্যকে। সেই সময় শাহাজাহানপুরের এসএসপি অশোক কুমার মিনা দিবাকরের ভাইয়ের বাড়ি প্রহরায় একজন বন্দুকধারী পুলিশ কর্মী নিয়োগ করেছিলেন। দিবাকরের ভাইও অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ। লোকসভা নির্বাচনের মুখে সেই পুলিশ কর্মীকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বেরিলিতে। এই দিবাকরই ২০১৮ সালে বেরিলি হিংসা মামলায় স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। মূল চক্রী বলে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন প্রবীণ ধর্মগুরু তাকির রাজাকে (Gyanvapi Mosque Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Horlicks: আর স্বাস্থ্যকর পানীয় নয় হরলিক্স! ঘোষণা প্রস্তুতকারী সংস্থার, কেন জানেন?

    Horlicks: আর স্বাস্থ্যকর পানীয় নয় হরলিক্স! ঘোষণা প্রস্তুতকারী সংস্থার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোর্নভিটার পর এবার হরলিক্স (Horlicks)। এগুলি আর স্বাস্থ্যকর পানীয় নয়। এই পানীয় প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘হিন্দুস্তান ইউনিলিভার’ হরলিক্সের বোতল থেকে ‘হেল্‌থ ফুড ড্রিঙ্কস’ ট্যাগটি সরিয়ে নিচ্ছে। বদলে লেখা হয়েছে, ‘ফাংশানাল ন্যাশনাল ড্রিঙ্ক’ (এফএনডি)। এই খবর সামনে আসতেই মাথায় হাত পড়েছে অভিভাবকদের। বাচ্চাদের এই ধরনের পানীয় দেবেন কি না তা নিয়ে চিন্তায় বাবা-মায়েরা।

    কেন নয় স্বাস্থ্যকর পানীয়

    বুস্ট, বোর্নভিটা, হরলিক্সের (Horlicks) মতো পানীয়ে চিনির পরিমাণ অনেকটাই বেশি। এই ধরনের পানীয় সাধারণত শিশু এবং বয়স্করাই খেয়ে থাকে। ফলে বাড়ন্ত বয়সে এবং বার্ধক্যে অত্যধিক চিনি শরীরে প্রবেশ করলে ক্ষতি হতে পারে বলেই অনেকের মত। শরীরে অতিরিক্ত চিনি প্রবেশ করলে তাতে ওবেসিটি বাড়ে। যা থেকে নানা সমস্যা দেখা যায়। ফলে এগুলিকে স্বাস্থ্যকর পানীয় বলা যায় না।

    কী জানাল প্রস্তুতকারী সংস্থা

    ‘হিন্দুস্তান ইউনিলিভার’-এর চিফ ফিনানশিয়াল অফিসার রীতেশ তিওয়ারি জানিয়েছেন, হরলিক্স (Horlicks) এখন থেকে ‘এফএনডি’ বিভাগভুক্ত। তবে বদল এলেও গ্রাহক বৃদ্ধি এবং গ্রাহকদের হরলিক্সের প্রতি আস্থা বজায় রাখার ক্ষেত্রে নজর দেওয়া হচ্ছে।  ‘এফএনডি’ হল কারও জীবনযাপন অনুসারে পুষ্টির চাহিদা মেটায়। এই ধরনের পানীয় প্রোটিন এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি পূরণ করে।

    আরও পড়ুুন: “মমতা রোহিঙ্গা নন তো?” মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করলেন অভিজিৎ

    কেন এই পদক্ষেপ

    ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস বা (NCPCR) সম্প্রতি জানিয়েছে, ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অ্যাক্ট, ২০০৬-এর আওতায় হেলথ ড্রিংকসের কোনও সংজ্ঞা নেই। এপ্রিলের শুরুতে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) সমস্ত ই- কমার্স ওয়েবসাইটগুলিকে দুধ বা মল্টকরা পানীয়গুলোকে হেলথ ড্রিংকসের তালিকায় আনতে নিষেধ করেছিল। FSSAI এ প্রসঙ্গে জানিয়েছে, ভুল শব্দের ব্যবহার গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করতে পারে, তাই সমস্ত ওয়েবসাইটগুলিকে এমন প্রোডাক্ট হেলথ ড্রিংকস ক্যাটেগরি থেকে সরাতে বা বিজ্ঞাপনগুলি সংশোধন করতে বলা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Pakistan Relation: ভারতীয় ব্যক্তির হৃদযন্ত্রে বাঁচল পাকিস্তানি তরুণীর প্রাণ

    India Pakistan Relation: ভারতীয় ব্যক্তির হৃদযন্ত্রে বাঁচল পাকিস্তানি তরুণীর প্রাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানি তরুণীর দেহে প্রতিস্থাপন হল ভারতীয় ব্যক্তির হৃদযন্ত্র (India Pakistan Relation)। চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসকরা সফলভাবে ওই তরুণীর শরীরে হৃদযন্ত্র বসাতে সক্ষম হয়েছেন। এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছে পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের বাসিন্দা ওই তরুণী। ভালোভাবে দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে পারছেন ওই ছাত্রী।

    ১৯ বছরের তরুণী আয়েশা  

    জানা গিয়েছে, বিগত পাঁচ বছর ধরে হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন ১৯ বছর বয়সী আয়েশা রেশান (India Pakistan Relation)। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ৩১ তারিখ চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে তাঁর শরীরে ৬৯ বছর বয়সী এক ব্রেন ডেথ হয়ে যাওয়া রোগীর হার্ট বসানো হয়। ঐ রোগীর দেহ দিল্লি থেকে উড়িয়ে চেন্নাই নিয়ে আসা হয়েছিল।

    কী জানালেন আয়েশা? 

    আয়েশা জানিয়েছেন, এখন ভালোভাবেই দৈনন্দিন কাজকর্ম করতে পারছেন তিনি। তাঁর নিঃশ্বাস নিতেও কোনও ধরনের অসুবিধা হচ্ছে না। বর্তমানে করাচিতে পড়াশোনা চালাচ্ছেন (India Pakistan Relation) তিনি। ভবিষ্যৎ জীবনে আয়েশা একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হতে চান। ২০১৯ সালে আয়েশা প্রথম বার ভারতে এসেছিলেন। সেই সময় একবার হার্টঅ্যাটাক হয়েছিল তাঁর।

    ভারতীয় চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন আয়েশার মা

    আয়েশার মা সনোবর রেশান তাঁর মেয়েকে কার্যত জীবনদান দেওয়ার জন্য ভারতীয় চিকিৎসকদের (India Pakistan Relation) ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “নিজের মেয়েকে একটু একটু করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে দেখতে বড় কষ্ট হচ্ছিল। খুব কষ্ট পাচ্ছিল ও। ওর এই অবস্থা আমরা খুব কষ্ট পাচ্ছিলাম। আমরা ভারতীয় চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হই। আমার মেয়ে এখন সুস্থ। আমাদের বিল মেটাবার সক্ষমতা ছিল না। তবুও চিকিৎসকরা আমাদের ভারতে আসতে বলেন এবং তাঁরা চিকিৎসা করে আমার মেয়েকে বাঁচিয়ে তুলেছেন।”

    কোন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আয়েশা 

    জানা গিয়েছে, সিনিয়র সার্জেন এস বালাকৃষ্ণণ ২০২৩ সাল থেকে ওই তরুণীর চিকিৎসা চালাচ্ছেন। তিনি ওই তরুণীর মাকে জানিয়েছিলেন হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট করা ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই। যদিও বিদেশি রোগীর হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট-এর ক্ষেত্রে ভারতীয় রোগী তালিকাভুক্ত না থাকলে তবেই অঙ্গদানের বিধান রয়েছে। যেহেতু দাতা ৬৯ বছর বয়সী ছিলেন তাই এত বয়স্ক মানুষের হৃদযন্ত্র সেই সময় অপেক্ষারত তালিকাভুক্ত কোনও ভারতীয় রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন করার ঝুঁকি কোনও চিকিৎসক নেন নি। ফলে সহজেই ওই পাকিস্তানি তরুণীর দেহে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন বয়স বেশি হলেও দাতার হৃদযন্ত্র বেশ ভালো অবস্থায় ছিল। এখন পাকিস্তানি (India Pakistan Relation) তরুণীর দেহে রয়েছে ভারতীয় ব্যক্তির হৃদযন্ত্র।

    চিকিৎসার খরচ বহন কারা করল?

    জানা গিয়েছে, চিকিৎসার বিপুল খরচ বহন করেছে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চিকিৎসক এবং রোগীরা মিলে তৈরি করেছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, হার্ট ট্রান্সপ্লান্টের ক্ষেত্রে ৩৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়ে থাকে। ট্রান্সপ্লান্টের কয়েকদিন পরেই আয়েশাকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং সে নিজের দেশে ফিরে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: আজ দ্বিতীয় পর্বের নির্বাচন, ১৩ রাজ্যের ৮৮ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ

    Lok Sabha Election 2024: আজ দ্বিতীয় পর্বের নির্বাচন, ১৩ রাজ্যের ৮৮ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ঢাকে কাঠি পড়েছে। প্রথম দফায় নির্বাচন হয়েছে ১৯ এপ্রিল। আজ, শুক্রবার ২৬ এপ্রিল দেশ জুড়ে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন। দ্বিতীয় পর্বের প্রচার শেষ হয়েছে বুধবার সন্ধ্যায় ৭টায়। এই পর্বে ভোটগ্রহণ হবে দেশের ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৮৮টি আসনে।  তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের তিনটি আসন— দার্জিলিং, রায়গঞ্জ এবং বালুরঘাট।

    কোন কোন আসনে ভোট

    দ্বিতীয় দফায় কেরলের ২০টি লোকসভা আসনের (Lok Sabha Election 2024) সবগুলিতে ভোট হবে। তা ছাড়া কর্নাটকের ১৪, রাজস্থানের ১৩, উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের আটটি করে, বিহার ও অসমের পাঁচটি করে লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে এই তালিকায়। রয়েছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ত্রিপুরা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের একটি করে লোকসভা আসনও। গত ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় মণিপুরের একটি অংশে ভোট হয়েছিল। এবার হবে অপর অংশে। দ্বিতীয় দফায় মধ্যপ্রদেশের আটটি লোকসভা আসনে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও বিএসপি প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে সেখানকার বেতুল কেন্দ্রে ভোট তৃতীয় দফার (৭ মে) হবে।

    পশ্চিমবঙ্গে কোথায় ভোট

    এই পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গে তিনটি লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে – দার্জিলিং, রায়গঞ্জ ও বালুরঘাটে ৷ বিজেপির গড় হিসেবেই পরিচিত উত্তরবঙ্গ ৷ দার্জিলিঙে এবার বিদায়ী সাংসদ রাজু বিস্তাকেই প্রার্থী করেছে বিজেপি। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী গোপাল লামা ও কংগ্রেসের প্রার্থী মুনীশ তামাং ৷ বালুরঘাট কেন্দ্রে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি তথা বিদায়ী সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র ও আরএসপি প্রার্থী জয়দেব সিদ্ধান্ত ৷ রায়গঞ্জ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী, বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পাল ও কংগ্রেস প্রার্থী আলি ইমরান রামজ (ভিক্টর)৷

    এই পর্বের খুঁটিনাটি

    দ্বিতীয় দফায় ৮৮টি লোকসভা আসনের মধ্যে গত ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে ৫২টিতে জিতেছিল বিজেপি। কংগ্রেস মাত্র ১৮টিতে। এ ছাড়া জেডিইউ এবং অবিভক্ত শিবসেনা চারটি করে, আইইউএমএল দু’টিতে, বিএসপি, সিপিএম, আরএসপি, কেরল কংগ্রেস, জেডিএস প্রার্থী একটি করে কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এই পর্বে ১২ রাজ্যের ১২০৬ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ২ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে সেদিন। ইতিমধ্যেই ২৬৩৩টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। এই বিপুল পরিমাণ মনোনয়নপত্র পরীক্ষার পর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪২৮। দ্বিতীয় দফায় কেরল থেকে সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন জমা পড়েছে। সংখ্যাটা হল—৫০০। তার পর রয়েছে কর্নাটক, ৪৯১টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। 

    উল্লেখযোগ্য প্রার্থী

    দ্বিতীয় পর্বে উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, শশী তারুর (তিরুবনন্তপুরম), লোকসভার স্পিকার তথা বিজেপি প্রার্থী ওম বিড়লা (কোটা)। রাহুল লড়ছেন কেরলের ওয়েনাড় থেকে। সেখানে দ্বিতীয়বার জেতার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি ৷ বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে সুরেন্দ্রণের মুখোমুখি হবে রাহুল ৷ প্রখ্যাত অভিনেত্রী এবং রাজনীতিবিদ হেমা মালিনী উত্তরপ্রদেশের মথুরা নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দী উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস ইউনিটের রাজ্য সভাপতি মুকেশ ধাঙ্গার। রামায়ণ ধারাবাহিকে রামের চরিত্রে অভিনয় করা অরুণ গোভিল এবার মেরঠ লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন। গোভিল বিএসপি-র দেবব্রত কুমার ত্যাগী এবং এসপি-র সুনীতা ভার্মার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও রয়েছেন ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল (রাজনান্দগাঁও), কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত (যোধপুর), বিজেপি বাংলার সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (বালুরঘাট)।

    আরও পড়ুন: চতুর্থ দফায় চাহিদা সবচেয়ে বেশি, দ্বিতীয়-তৃতীয় দফায় বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    আজ ভোট যেখানে

    ১. অসম- করিমগঞ্জ, শিলচর, মঙ্গলদই, নগাঁও, কালিয়াবর

    ২. বিহার-কিষাণগঞ্জ, কাঠিহার, পূর্ণিয়া, ভাগলপুর, বাঙ্কা।

    ৩. ছত্তিশগড়- রাজনন্দগাঁও, মহাসামুন্দস, কাঙ্কের।

    ৪. কর্নাটক- চিক্কোডি, বেলগাঁও, বাগলকোট, বিজাপুর, গুলবার্গ, রাইচুর, বিদার, কোপ্পাল, বেল্লারি, হাভেরি, ধারওয়াড়, উত্তর কন্নড়, দাভানাগেরে, শিমোগা

    ৫. কেরল- কাসারগোড, কান্নুর, ভাদাকারা, ওয়েনাড, কোঝিকোড়, মালাপ্পুরম, পোন্নানি, পালাক্কাদ, আলাথুর, ত্রিশুর, চালাকুডি, এর্নাকুলাম, ইদুক্কি, কোট্টায়াম, আলাপ্পুঝা, মাবেলিক্কারা, পাথানামথিত্তা, কোল্লাম, আত্তিঙ্গাল, থিঙ্গাল।

    ৬. মধ্য়প্রদেশ- টিকামগড়, দামোহ, খাজুরাহো, সাতনা, রেওয়া, হোশাঙ্গাবাদ, বেতুলে

    ৭. মহারাষ্ট্র-  বুলধানা, আকোলা, অমরাবতী, ওয়ার্ধা, ইয়াভাতমাল ওয়াশিম, হিঙ্গোলি, নান্দেদ, পারভানি।

    ৮. মণিপুরে –একটি আসন তথা আউটার মণিপুরে ভোট রয়েছে।

    ৯. রাজস্থান-  টঙ্ক-সাওয়াই মাধোপুর, আজমের, পালি, যোধপুর, বারমের, জালোর, উদয়পুর, বাঁশওয়ারা, চিত্তোরগড়, রাজসামন্দ, ভিলওয়ারা, কোটা, এবং ঝালাওয়ার-বরান

    ১০. ত্রিপুরা- ত্রিপুরা পূর্ব

    ১১. উত্তরপ্রদেশ- আমরোহা, মীরাট, বাগপত, গাজিয়াবাদ, গৌতম বুদ্ধ নগর, বুলন্দশহর, আলিগড়, মাথুর।

    ১২. পশ্চিমবঙ্গ-  দার্জিলিং, রায়গঞ্জ, বালুরঘাটে।

    ১৩. জম্মু-কাশ্মীর- জম্মু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Melting Glaciers: হিমালয়ে গলছে হিমবাহ! হ্রদ উপচে বন্যার আশঙ্কা, উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা

    Melting Glaciers: হিমালয়ে গলছে হিমবাহ! হ্রদ উপচে বন্যার আশঙ্কা, উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ক্রমেই বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। গত বছর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ। উষ্ণায়নের ফলে হিমালয় (Himalaya) অঞ্চলে শতাধিক হিমবাহ (Melting Glaciers) দ্রুত গলে যাচ্ছে। আর সেই বরফগলা জলে ক্রমশ বাড়ছে হ্রদের আয়তন। এর ফলে বড়সড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।

    বড় হ্রদগুলির প্রতি চারটির মধ্যে একটির আয়তন ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে

    প্রসঙ্গত, হিমালয় অঞ্চলে ১০ হেক্টরের চেয়েও বড় হ্রদগুলির প্রতি চারটির মধ্যে একটির আয়তন ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রবণতা শুরু হয়েছে ১৯৮৪ সাল থেকে। তবে সাম্প্রতিক কালে পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি ঘটছে। এর ফলে হিমবাহ গলা জল হ্রদের (Melting Glaciers) দুকূল ছাপিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে বন্যার ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে ক্রমেই। আমরা যদি ১৯৮৪ থেকে ২০২৩ সালের তথ্য দেখি, তাহলে দেখা যাবে যে হিমালয়ে ২,৪৩১ হ্রদ রয়েছে, যেখানে ১৯৮৪ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ৬৭৬ হ্রদ রয়েছে যার আয়তন বিস্তৃত হয়েছে। এর মধ্যে ১৩০টি ভারতে রয়েছে। সিন্ধু নদীর উপর ৬৫টি হিমবাহী হ্রদ, গঙ্গার উপর ৭টি এবং ব্রহ্মপুত্রে ৫৮ টি হিমবাহী হ্রদ গঠিত হয়েছে। এই ৬৭৬ হ্রদের মধ্যে ৬০১টি আকারে দ্বিগুণেরও বেশি প্রসারিত হয়েছে।

    কেদারনাথ ও সিকিমের স্মৃতি

    উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৬ জুন রাতে সমগ্র কেদারনাথ (Kedarnath) উপত্যকা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পাহাড়ের উপরিভাগে অবস্থিত একটি হ্রদ ফেটে যাওয়ার কারণে এমন বন্যা হয়েছিল যে কিছুক্ষণের মধ্যেই সবকিছু ধ্বংস হয়ে যায়। এই বিপর্যয়ে মারা গেছেন ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে এই দুর্ঘটনার ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন এখনও বিদ্যমান। এই ধ্বংসযজ্ঞের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল যে হিমালয় অঞ্চলের বরফ গলেই সেই বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল। বৈজ্ঞানিক ভাষায় একে গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড (GLOF) বলা হয়। সাম্প্রতিককালে, হিমবাহ ফেটে সিকিম ও উত্তরবঙ্গে বিপর্যয় নেমে এসেছিল। সেই স্মৃতি আজও টাটকা।

    গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড (GLOF)

    গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড (GLOF) হল এমন একটি পরিস্থিতি যখন হিমবাহ গলনের ফলে সমতল ভূমিতে অত্যধিক জলের প্রবাহ ঘটে এবং প্রাকৃতিক বাঁধ বা হ্রদে জলের স্তর বৃদ্ধির ফলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সহজ কথায়, একে হ্রদ ফেটে যাওয়াও (Melting Glaciers) বলা হয়। যার কারণে হ্রদ সংলগ্ন এলাকা এবং নিচু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরকে গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাডের (GLOF) জন্য সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর জম্মু-কাশ্মীরের পরেই রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখন্ড। ফলে হিমবাহ গলা জল অন্যান্য সমস্ত দেশের সঙ্গে সঙ্গে ভারতের ওপরেও বিরাট আকার নেবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। আর এমন কিছু ঘটলে আবার ফিরে আসবে কেদারনাথের স্মৃতি।

    উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা

    গোটা ঘটনায় উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা। প্রখ্যাত হিমবাহবিদ অনিল ভি কুলকার্নির আশঙ্কা, এই হ্রদ যে ভাবে বেড়ে চলেছে তা ভবিষ্যতে মানালি লে হাইওয়ে পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। তার জেরে প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা ওই অঞ্চলের জনবসতি। দিভেচা সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর বিজ্ঞানী অনিল জানিয়েছেন, অবিলম্বে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। এ জন্য প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গেও আলোচনা প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গত বছর সিকিমের (Sikkim) লোনাক হ্রদের জল (Melting Glaciers) উপচে বন্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন ওই হিমবাহবিদ। 

    হিমবাহবিদের আশঙ্কা 

    তবে প্রখ্যাত হিমবাহবিদ মিরিয়াম জ্যাকসন গত বছরেই বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানান, হিমবাহ গলে আরও বহু জলাশয় তৈরি হবে। বাড়বে বহু জলাশয়ের আয়তনও। যা ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলে বন্যা তৈরির ইঙ্গিতবাহী। গবেষকদের মতে, আগামী দশকে মধ্য ও পূর্ব হিমালয় অঞ্চলের অধিকাংশ হিমবাহ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কিছু হিমবাহ গলে যাওয়ার আশঙ্কা আরও গুরুতর হবে। যার কারণে আসন্ন বন্যায় (Melting Glaciers) সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারতও রয়েছে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে আগামী শতাব্দীর মধ্যে হিমালয়ের  ৭৫ শতাংশ বিলীন হয়ে যেতে পারে। ফলে পরিবেশের এমন ক্ষতি হবে, যা পূরণ করা সম্ভব নয়।

    পৃথিবী জুড়ে তীব্র জল সংকট

    অন্যদিকে হিমবাহ গলে কয়েক দশক পর নদী শুকিয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। এর ফলে দেখা দিতে পারে পৃথিবী জুড়ে তীব্র জল সংকট। এর মূল কারণ হিসেবে বিশ্ব উষ্ণায়নকেই দায়ী করেছেন গবেষকরা। গত ৪ দশকে হিমালয় পর্বতমালার প্রায় চার ভাগের এক ভাগ হিমবাহ বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য গলে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এশিয়ায় (Asia) মূল নদীগুলির উৎপত্তি এই হিমালয় থেকেই। ফলে এশিয়ার প্রায় ৮০ কোটি মানুষের জীবনধারা এসব নদীর ওপর নির্ভরশীল। দ্বিগুণ গতিতে হিমবাহ গলতে থাকলে বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, ঘনবসতিপূর্ণ এই অঞ্চলে একসময় তীব্র জল সংকটের (water crisis) কারণে ভয়ানক বিপর্যয় নেমে আসবে। তাই সময় থাকতেই এবার সচেতন হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share