Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Melting Glaciers: হিমালয়ে গলছে হিমবাহ! হ্রদ উপচে বন্যার আশঙ্কা, উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা

    Melting Glaciers: হিমালয়ে গলছে হিমবাহ! হ্রদ উপচে বন্যার আশঙ্কা, উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ক্রমেই বদলে যাচ্ছে আবহাওয়া। গত বছর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ। উষ্ণায়নের ফলে হিমালয় (Himalaya) অঞ্চলে শতাধিক হিমবাহ (Melting Glaciers) দ্রুত গলে যাচ্ছে। আর সেই বরফগলা জলে ক্রমশ বাড়ছে হ্রদের আয়তন। এর ফলে বড়সড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।

    বড় হ্রদগুলির প্রতি চারটির মধ্যে একটির আয়তন ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে

    প্রসঙ্গত, হিমালয় অঞ্চলে ১০ হেক্টরের চেয়েও বড় হ্রদগুলির প্রতি চারটির মধ্যে একটির আয়তন ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রবণতা শুরু হয়েছে ১৯৮৪ সাল থেকে। তবে সাম্প্রতিক কালে পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি ঘটছে। এর ফলে হিমবাহ গলা জল হ্রদের (Melting Glaciers) দুকূল ছাপিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে বন্যার ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে ক্রমেই। আমরা যদি ১৯৮৪ থেকে ২০২৩ সালের তথ্য দেখি, তাহলে দেখা যাবে যে হিমালয়ে ২,৪৩১ হ্রদ রয়েছে, যেখানে ১৯৮৪ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ৬৭৬ হ্রদ রয়েছে যার আয়তন বিস্তৃত হয়েছে। এর মধ্যে ১৩০টি ভারতে রয়েছে। সিন্ধু নদীর উপর ৬৫টি হিমবাহী হ্রদ, গঙ্গার উপর ৭টি এবং ব্রহ্মপুত্রে ৫৮ টি হিমবাহী হ্রদ গঠিত হয়েছে। এই ৬৭৬ হ্রদের মধ্যে ৬০১টি আকারে দ্বিগুণেরও বেশি প্রসারিত হয়েছে।

    কেদারনাথ ও সিকিমের স্মৃতি

    উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৬ জুন রাতে সমগ্র কেদারনাথ (Kedarnath) উপত্যকা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পাহাড়ের উপরিভাগে অবস্থিত একটি হ্রদ ফেটে যাওয়ার কারণে এমন বন্যা হয়েছিল যে কিছুক্ষণের মধ্যেই সবকিছু ধ্বংস হয়ে যায়। এই বিপর্যয়ে মারা গেছেন ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে এই দুর্ঘটনার ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন এখনও বিদ্যমান। এই ধ্বংসযজ্ঞের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল যে হিমালয় অঞ্চলের বরফ গলেই সেই বন্যার সৃষ্টি হয়েছিল। বৈজ্ঞানিক ভাষায় একে গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড (GLOF) বলা হয়। সাম্প্রতিককালে, হিমবাহ ফেটে সিকিম ও উত্তরবঙ্গে বিপর্যয় নেমে এসেছিল। সেই স্মৃতি আজও টাটকা।

    গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড (GLOF)

    গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড (GLOF) হল এমন একটি পরিস্থিতি যখন হিমবাহ গলনের ফলে সমতল ভূমিতে অত্যধিক জলের প্রবাহ ঘটে এবং প্রাকৃতিক বাঁধ বা হ্রদে জলের স্তর বৃদ্ধির ফলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সহজ কথায়, একে হ্রদ ফেটে যাওয়াও (Melting Glaciers) বলা হয়। যার কারণে হ্রদ সংলগ্ন এলাকা এবং নিচু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরকে গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাডের (GLOF) জন্য সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর জম্মু-কাশ্মীরের পরেই রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখন্ড। ফলে হিমবাহ গলা জল অন্যান্য সমস্ত দেশের সঙ্গে সঙ্গে ভারতের ওপরেও বিরাট আকার নেবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। আর এমন কিছু ঘটলে আবার ফিরে আসবে কেদারনাথের স্মৃতি।

    উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা

    গোটা ঘটনায় উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা। প্রখ্যাত হিমবাহবিদ অনিল ভি কুলকার্নির আশঙ্কা, এই হ্রদ যে ভাবে বেড়ে চলেছে তা ভবিষ্যতে মানালি লে হাইওয়ে পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। তার জেরে প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা ওই অঞ্চলের জনবসতি। দিভেচা সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর বিজ্ঞানী অনিল জানিয়েছেন, অবিলম্বে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। এ জন্য প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গেও আলোচনা প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গত বছর সিকিমের (Sikkim) লোনাক হ্রদের জল (Melting Glaciers) উপচে বন্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন ওই হিমবাহবিদ। 

    হিমবাহবিদের আশঙ্কা 

    তবে প্রখ্যাত হিমবাহবিদ মিরিয়াম জ্যাকসন গত বছরেই বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানান, হিমবাহ গলে আরও বহু জলাশয় তৈরি হবে। বাড়বে বহু জলাশয়ের আয়তনও। যা ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলে বন্যা তৈরির ইঙ্গিতবাহী। গবেষকদের মতে, আগামী দশকে মধ্য ও পূর্ব হিমালয় অঞ্চলের অধিকাংশ হিমবাহ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কিছু হিমবাহ গলে যাওয়ার আশঙ্কা আরও গুরুতর হবে। যার কারণে আসন্ন বন্যায় (Melting Glaciers) সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারতও রয়েছে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে আগামী শতাব্দীর মধ্যে হিমালয়ের  ৭৫ শতাংশ বিলীন হয়ে যেতে পারে। ফলে পরিবেশের এমন ক্ষতি হবে, যা পূরণ করা সম্ভব নয়।

    পৃথিবী জুড়ে তীব্র জল সংকট

    অন্যদিকে হিমবাহ গলে কয়েক দশক পর নদী শুকিয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। এর ফলে দেখা দিতে পারে পৃথিবী জুড়ে তীব্র জল সংকট। এর মূল কারণ হিসেবে বিশ্ব উষ্ণায়নকেই দায়ী করেছেন গবেষকরা। গত ৪ দশকে হিমালয় পর্বতমালার প্রায় চার ভাগের এক ভাগ হিমবাহ বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য গলে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এশিয়ায় (Asia) মূল নদীগুলির উৎপত্তি এই হিমালয় থেকেই। ফলে এশিয়ার প্রায় ৮০ কোটি মানুষের জীবনধারা এসব নদীর ওপর নির্ভরশীল। দ্বিগুণ গতিতে হিমবাহ গলতে থাকলে বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, ঘনবসতিপূর্ণ এই অঞ্চলে একসময় তীব্র জল সংকটের (water crisis) কারণে ভয়ানক বিপর্যয় নেমে আসবে। তাই সময় থাকতেই এবার সচেতন হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chabahar Port Contract: নির্বাচন-পর্ব মিটলেই স্বাক্ষরিত হবে ভারত-ইরান চাবাহার বন্দর চুক্তি!

    Chabahar Port Contract: নির্বাচন-পর্ব মিটলেই স্বাক্ষরিত হবে ভারত-ইরান চাবাহার বন্দর চুক্তি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসান হতে চলেছে দীর্ঘ অপেক্ষার। রূপায়ণ হতে চলেছে ইরানের চাবাহার বন্দর চুক্তি (Chabahar Port Contract)। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে আলোচনা চলছিল। শেষমেশ রাজি হয়েছে তেহরান (ইরানের রাজধানী)। বর্তমানে ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। এই পর্ব চুকে গেলেই স্বাক্ষরিত হবে চাবাহার বন্দর চুক্তি।

    চিনকে চাপে রাখার কৌশল! (Chabahar Port Contract)

    ভারতকে চাপে রাখতে বিভিন্ন দেশের বন্দরের দখল নিচ্ছে চিন। এর পরেই ভারতও উদ্যোগী হয় বিভিন্ন বন্দরের রাশ হাতে নিতে। ইতিমধ্যেই মায়ানমারের একটি বন্দরের রাশ হাতে নিয়েছে ভারত। ভারত-ইরান চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে চাবাহার বন্দরের রশিও চলে আসবে নয়াদিল্লির হাতে। জানা গিয়েছে, নির্বাচনের পর উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইরানের ওই বন্দর পরিদর্শনে যাবে। চলতি বছরের মাঝামাঝি ওই দল যেতে পারে চাবাহার (Chabahar Port Contract) দর্শনে। চাবাহার বন্দর চুক্তির জল যে অনেক দূর গড়িয়েছে, তা জানিয়েছে ইরানও। ইরানিয়ান দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেন, “চুক্তি শেষ পর্যায়ে। ভারতীয় প্রতিনিধি দল কবে ইরান সফরে যান, আমরা সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছি। এই চুক্তির ফলে উভয় তরফই লাভবান হবে।”

    কী বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী?

    চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব যে খুব কম নয়, সে ইঙ্গিত মিলেছিল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়। ২০১৮ সালে ভারত সফরে এসেছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রওহানি। তাঁর সেই সফরে ভারতের সঙ্গে ইরানের বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তখনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “চাবাহার বন্দর তৈরি হওয়ার পর আফগানিস্তানের মতো স্থলবেষ্টিত একটি দেশের সামনে যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ এসে গেল।”

    আরও পড়ুুন: ‘দাদা’ ধরে চাকরি পাওয়াদের খুঁজে বের করতে মাঠে নেমে পড়ল সিবিআই

    প্রসঙ্গত, শত্রুদেশ পাকিস্তানকে এড়িয়ে ইরান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে ভারতের ট্রানজিট রুট গড়ে তুলতে চাইছে ভারত। সেই কারণেই চাবাহার বন্দরের রাশ হাতে নিতে চাইছে নয়াদিল্লি। এই সমুদ্রবন্দরটি বাড়ানো হচ্ছে সাড়ে ৮ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে। মনে রাখতে হবে, পাকিস্তানের গ্বদরে চিনের অর্থ সাহায্যে যে সমুদ্রবন্দরটি গড়ে তোলা হচ্ছে, সেখান থেকে চাবাহার বন্দরের দূরত্ব ৯০ কিলোমিটার। ভূকৌশলগতভাবে চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব ভারতের কাছে অপরিসীম। ’২২ সালের বাজেটে তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এই বন্দরের উন্নয়নের জন্য বাজেট বরাদ্দ করেছিলেন ১০০ কোটি টাকা (Chabahar Port Contract)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sarbananda Sonowal: “বিজেপি জমানায় ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য বহুগুণ বেড়েছে”, দাবি সোনোয়ালের

    Sarbananda Sonowal: “বিজেপি জমানায় ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য বহুগুণ বেড়েছে”, দাবি সোনোয়ালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি জমানায় ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বহুগুণ বেড়েছে।” বুধবার এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল (Sarbananda Sonowal)। এদিন অসমের শিলচরে বিজেপির একটি নির্বাচনী প্রচার সভায় যোগ দিয়েছিলেন সর্বানন্দ। শিলচর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পরিমল শুক্লাবৈদ্যর সমর্থনে আয়োজন করা হয়েছিল এই জনসভার।

    কী বললেন সোনোয়াল? (Sarbananda Sonowal)

    এই সভায়ই সোনোয়াল বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক স্বাস্থ্যকর। উত্তর-পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভারত সরকার ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি গ্রহণ করেছে। তাই এই অঞ্চলে স্থায়ী একটি ট্রান্স-শিপমেন্ট উন্নত ব্যবস্থা গড়ে উঠছে। ভুটান থেকে আসা জিনিসপত্রও আসামের মাধ্যমে বাংলাদেশে রফতানি করা যাচ্ছে।” ভারত-বাংলাদেশ ঐতিহাসিক গটবন্ধনের জেরে যে অসমের বরাক উপত্যকা উপকৃত হচ্ছে, তাও মনে করিয়ে দেন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি (Sarbananda Sonowal) বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে গিয়ে যাতে সময়, অর্থ এবং ভ্রমণের খরচ অপচয় না হয়, তাই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার কালাদান মাল্টামোডাল প্রজেক্টের কাজ করে চলেছে। এই প্রকল্পে কাজ শেষ হলে কলকাতার সঙ্গে দূরত্ব কমবে বরাক উপত্যকার। মায়ানমার এবং মিজোরামের মধ্যে দিয়েই গড়ে উঠবে যোগাযোগ ব্যবস্থা। যার জেরে কলকাতা থেকে বরাক উপত্যকার দূরত্ব কমবে।”

    কংগ্রেসকে তোপ মন্ত্রীর

    সোনোয়াল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারাক নদীকে জাতীয় জলপথ ঘোষণা করেছেন। এ পথেও ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য হবে অনায়াস।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “যোগাযোগ ব্যবস্থা সুগম করতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার ১০ হাজার কোটিরও বেশি টাকা লগ্নি করেছে। এটা করা হয়েছে বারাক উপত্যকায় যাতায়াতের যে সড়ক যোগাযোগ রয়েছে, তার উন্নয়ন করতে। এই কাজ শেষ হলে এই অঞ্চলে পরিবহন বেড়ে যাবে এক লপ্তে বহুগুণ।” তিনি বলেন, “কংগ্রেস জমানায় এটা উপেক্ষিত ছিল। অথচ এটা একটা বাণিজ্যিক হাব হতে পারত। সুগম হতে পারত ভারতের সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য।”

    আরও পড়ুুন: “মমতা রোহিঙ্গা নন তো?” মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করলেন অভিজিৎ

    মোদি সরকারে প্রশংসার পাশাপাশি সোনোয়াল এদিন আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেসকেও। অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেসের ছ’দশকের অপশাসনে বারাক উপত্যকার মানুষ প্রচুর কষ্ট ভোগ করেছেন। কংগ্রেস সরকারের উদাসীনতার কারণে এই উপত্যকার মানুষকে অনেক কিছুই সহ্য করতে হয়েছে। কংগ্রেসের এই অপশাসন জন্ম দিয়েছে দুর্নীতির, স্বজন-পোষণ এবং বঞ্চনার (Sarbananda Sonowal)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • S Jaishankar: “মুম্বই হামলার পরেও ব্যবস্থা নেয়নি ইউপিএ সরকার”, তোপ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “মুম্বই হামলার পরেও ব্যবস্থা নেয়নি ইউপিএ সরকার”, তোপ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই হামলার পরেও তৎকালীন ইউপিএ সরকার কোনও সামরিক পদক্ষেপ করেনি। অন্তত এমনই অভিযোগ বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar)। পাকিস্তানকে আক্রমণ করলে মূল্য চোকাতে হতে পারে ভারতকে। তাই পাকিস্তানে আক্রমণ চালায়নি নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার এমনই দাবি করলেন জয়শঙ্কর।

    ভারত “গ্লোবাল সাউথে”র স্বর

    ভারতকে তিনি “গ্লোবাল সাউথে”র স্বর বলেও অভিহিত করেন। এই গ্লোবাল সাউথে রয়েছে বিশ্বের ১২৫টি দেশ। জয়শঙ্কর বলেন, “গ্লোবাল সাউথের দেশগুলি ভারতকে বিশ্বাস করে।” এদিন ‘ফরেন পলিসি দ্য ইন্ডিয়া ওয়ে: ফ্রম ডিফিডেন্স টু কনফিডেন্স’ শীর্ষক আলোচনাচক্রে ভাষণ দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “মুম্বই হামলার পরেও আগের ইউপিএ সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লিখেছিলেন যে আমরা বসেছিলাম, আমরা আলোচনা করেছি। আমরা সমস্ত বিকল্প বিবেচনা করেছি। তারপর আমরা কিছুই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের পদক্ষেপ না নেওয়ার পিছনে যুক্তি ছিল যে, পাকিস্তানকে আক্রমণ করলে বেশি মূল্য চোকাতে হবে বলে মনে হয়েছে।”

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এরপর আপনারাই বিচার করুন।” তিনি বলেন, “কিছু দেশের প্রতি ভারতের একটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই দেশগুলি ঔপনিবেশিক শাসনে ছিল এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার বা পুনর্গঠনের কাজ করতে পারেনি, যেমন ভারত করেছে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “সীমান্তে ভারতের কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে এবং সেগুলিকে রক্ষা করার মূল চাবিকাঠি কেবল জনসমক্ষে ভাষণ দেওয়া নয়, বরং পরিকাঠামো তৈরি করা। সামরিক বাহিনীকে সমর্থন করা ও এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা যা সীমান্ত হুমকির মুখে পাল্টা প্রতিক্রায়া জানাবে।

    আরও পড়ুুন: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমরা যখন নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করেছিলাম, আমরা তা করেছিলাম আত্মবিশ্বাসের ভর করেই। আমরা যখন বালাকোটের সীমান্ত অতিক্রম করে আঘাত করি, তখন আমরা একই কাজ করেছি। আগের চেয়ে এখন আমাদের দেশ অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আমেরিকারও মোকাবিলা করছে।” ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আপনার দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছে বলেও মনে করেন রাজনীতির কারবারিরা। কেবল ব্রহ্মোস নয়, অন্যান্য সরঞ্জামও রফতানি করা হবে (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • DRDO: সবচেয়ে হালকা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট তৈরি করে নজির গড়ল ডিআরডিও

    DRDO: সবচেয়ে হালকা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট তৈরি করে নজির গড়ল ডিআরডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যাবৎকালের সবচেয়ে হালকা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট তৈরি করল ডিআরডিও (DRDO)। জানা গিয়েছে, সেনাবাহিনীর ভাষায় থ্রেট লেভেল সিক্স পর্যন্ত সুরক্ষা দিতে সক্ষম এই বুলেটপ্রুফ (Bullet Proof) জ্যাকেট। স্নাইপারের (Sniper) টানা ছটি গুলি পর্যন্ত প্রতিরোধ করতে পারে এই নয়া বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। যা তৈরি হয়েছে মনোলিথিক সিরামিক প্লেট ও পলিমারের সাহায্যে। ফলে অত্যন্ত হালকা হওয়ার সঙ্গে পরনে যথেষ্ট আরামদায়ক হবে এই জ্যাকেট। ভারতীয় প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদনে এ এক অনন্য নজির। 

    কোথায় তৈরি এই বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট (DRDO)

    ডিফেন্স ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড স্টোর রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্টের (DRDO) কানপুর (Kanpur) শাখায় এই বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট তৈরি করা হয়েছে। এই বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটের ডিজাইনের রয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া। এই বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট একদিকে সশস্ত্র বাহিনীকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম অন্যদিকে এই জ্যাকেট বহনেও যথেষ্ট হালকা ও আরামদায়ক। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটটি চণ্ডীগড়ের টার্মিনাল ব্যালিস্টিক রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে (টিবিআরএল) সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। জ্যাকেটটি একটি নতুন ডিজাইনের পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এই জ্যাকেটের সামনের হার্ড আর্মার প্যানেল (HAP) একাধিক হিট বা স্নাইপার রাউন্ড এর ছয়টি শট পর্যন্ত সহ্য করতে পারে। আই সিডব্লু (ICW) হার্ড আর্মার প্যানেল এবং স্বতন্ত্র এইচএপি-এর আঞ্চলিক ঘনত্ব যথাক্রমে ৪০ কেজি (kg/m2) এবং ৪৩ কেজি (kg/m2) থেকেও কম।”

    আরও পড়ুনঃ রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের নতুন অধ্যক্ষ নির্বাচিত হলেন স্বামী গৌতমানন্দ মহারাজ

    জঙ্গি দমনে ব্যবহার হবে এই জ্যাকেট

    জানা গিয়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনীর (Air Force) হেলিকপ্টার বাহিনী এবং জঙ্গি দমন বাহিনীকে এই হালকা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটগুলি প্রথমে দেওয়া হবে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর জন্য উড়ন্ত অবস্থায় সর্বোচ্চ ৪ কেজি এবং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ৮ কেজি ওজনের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট প্রয়োজন রয়েছে। এই জ্যাকেটগুলিতে ক্যাটেগরি থ্রি+ বিভাগভুক্ত করা হয়েছে। এই ক্যাটাগরির বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট (DRDO), একে ৪৭ জাতীয় রাইফেল থেকে ২৫ মিটার রেঞ্জ থেকে সুরক্ষা প্রদান করতে সক্ষম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Real Estate: দশ বছরেই ভারতের রিয়েল এস্টেট সেক্টর পৌঁছবে দেড় ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে! দাবি সমীক্ষায়

    Indian Real Estate: দশ বছরেই ভারতের রিয়েল এস্টেট সেক্টর পৌঁছবে দেড় ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে! দাবি সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র দশ বছরের মধ্যেই ভারতের রিয়েল এস্টেট সেক্টর (Indian Real Estate)  পৌঁছে যেতে পারে ১.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে। বর্তমান হিসেব অনুযায়ী, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১২৫ লক্ষ কোটি টাকা। অন্তত এমনই রিপোর্ট দিয়েছে ভারতীয় শিল্প কনফেডারেশন, সংক্ষেপে সিআইআই এবং নাইট ফ্র্যাঙ্ক ইন্ডিয়া। এই সেক্টরে ব্যাপক বৃদ্ধির পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে ওই রিপোর্টে।

    কী বলা হয়েছে রিপোর্টে? 

    সিআইআই এবং নাইট ফ্র্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার “ইন্ডিয়ান রিয়েল এস্টেট: এ ডিকেড ফ্রম নাও” শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রবৃদ্ধির গতিপথ ভারতের অর্থনৈতিক উৎপাদনকে যে শক্তিশালী করবে, তা প্রত্যাশিত। আগামী দশ বছরের মধ্যে দেশের জিডিপিতে রিয়েল এস্টেট সেক্টরের (Indian Real Estate) অবদান হতে পারে ১০.৫ শতাংশ। ২০৩৪ সালের মধ্যে ভারতের শহরগুলির জনসংখ্যা গিয়ে দাঁড়াতে পারে ১.৫৫ বিলিয়ন বা ১৫৫ কোটি। এই সময়সীমার মধ্যে গগনচুম্বী হতে পারে বাড়ির চাহিদা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় এই চাহিদার যা পরিমাণ হবে, তার মূল্য হতে পারে ৯০৬ মার্কিন বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ থেকে ২০৩৪ সালের মধ্যে গোটা দেশের শহরগুলিতে নতুন বাড়ি তৈরি হবে ৭৮ মিলিয়ন বা ৭.৮ কোটি।

    বাড়বে চাহিদা

    রিয়েল এস্টেট (Indian Real Estate) ক্ষেত্রে চাহিদার এই ঊর্ধ্বগতি মেটাতে প্রয়োজন হবে সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন থেকে বিলাসবহুল পর্যন্ত সব ধরনের বাড়ি। সমাজের বিভিন্ন আয়ের মানুষের জন্যই বাড়ি নির্মাণ হবে। সিআইআইয়ের রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিংয়ের জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান নীল রাহেজা বলেন, “এই সেক্টরের প্রভূত উন্নতি সম্পর্কে আমি ব্যাপক আশাবাদী।” ভারতের রিয়েল এস্টেট বাজার বিনিয়োগকারীদের গুচ্ছ সুবিধা দেবে বলেও প্রত্যয়ী তিনি। এই সেক্টরে ভারতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিও ব্যাপক হবে বলেও জানান রাহেজা। তিনি বলেন, “২০৩৪ সালের আগে ভারতের রিয়েল এস্টেট সেক্টরের সম্ভাবনাগুলি অত্যন্ত আশ্বাসদায়ক বলে মনে হচ্ছে। জনসংখ্যার পরিবর্তন, দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও সহায়ক নীতি গ্রহণের মতো পদক্ষেপের কারণগুলিই রয়েছে এর নেপথ্যে।

    বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনুঘটক

    এই কারণগুলি কৌশলগত দূরদর্শিতা ও উদ্ভাবনী পদ্ধতির দ্বারা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অনুঘটকের কাজ করবে বলেও আশা করা হচ্ছে। প্রত্যাশিতভাবেই এই সেক্টরে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করার সুযোগ পাবেন লগ্নিকারীরা। সিআইআইয়ের রিয়েল এস্টেট (Indian Real Estate) অ্যান্ড হাউজিংয়ের জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, “আগামী দশকে যেহেতু ভোল বদলাবে ভারতীয় অর্থনীতির, তাই রিয়েল এস্টেট শিল্পে খুলে যাবে প্রভূত সুযোগের দ্বার। কনজাম্পশান প্যাটার্নের পাশাপাশি বদলে যাবে রেভেনিউ এক্সপ্যানশানও।” তিনি বলেন, “এই রিপোর্টের দিকে তাকিয়ে রয়েছি আমি। এই রিয়েল এস্টেট সেক্টরই ভারতীয় অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে বলেও মনে করি আমি।”

    ভারতের অর্থনৈতিক উত্থান

    নাইট ফ্রাঙ্ক ইন্ডিয়ার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রিসার্চ, অ্যাডবাইসরি ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ভ্যালুয়েশন গুলাম জিয়া বলেন, “আগামী দশকে ভারতের অর্থনৈতিক উত্থান একটি অভূতপূর্ব উত্থানের দ্বারা চিহ্নিত হবে, যেখানে ভিত্তিপ্রস্তর হয়ে দাঁড়বে রিয়েল এস্টেট সেক্টর। ক্রমবর্ধমান সম্পদ, শক্তিশালী ভোক্তা ব্যয়, পরিকাঠামোগত অগ্রগতি, উদ্যোক্তা উদ্দীপনা এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র মতো বিভিন্ন কৌশলগত উদ্যোগের দ্বারা আমাদের দেশ দাঁড়িয়ে রয়েছে গভীর অর্থনৈতিক বিবর্তনের কিনারে।” এর পরেই তিনি বলেন, “ভারতীয় রিয়েল এস্টেট সেক্টর ২০৩৪ সালের মধ্যে ১.৫ মার্কিন ট্রিলিয়ন অর্থনীতির পাওয়ার হাউসে উন্নীত হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদনের ১০.৫ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াবে।” এই সেক্টরই (Indian Real Estate) সমৃদ্ধ আগামীর পথ প্রশস্ত করবে বলেও আশাবাদী তিনি।

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে ভারতের শীর্ষ ৮টি শহরে অফিস স্টক ছিল ২৭৮ মিলিয়ন বর্গফুট। গত কয়েক বছরে যা বেড়েছে ৯০০+ এমএন বর্গফুট। অফিস রিয়েল এস্টেটের জন্য দেশের টায়ার ২ ও টায়ার ৩ শহরগুলিতে চাহিদা ক্রমবর্ধমান। ব্যবসার সম্প্রসারণ, স্বল্প খরচ, পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, আইটি এবং পরিষেবা শিল্পের উত্থান ও প্রতিভার সহজলভ্যতার মতো কারণগুলি ২ টায়ার ও ৩ টায়ার শহরগুলিতে অফিস স্টক বৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি। ভারতে আনুষ্ঠানিক কর্মশক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ অফিসের জায়গার জন্য চাহিদা তৈরি করবে এই কারণগুলি।

    কেবল রিয়েল এস্টেট (Indian Real Estate) নয়, ওয়্যায়হাউজিং ও ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরেও ব্যাপক উন্নতি হবে। ভারতের শক্তিশালী এবং দৃঢ় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণেই এই দুই শিল্পেও হবে প্রভূত উন্নতি। রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, ২০৩৪ সালের মধ্যে ওয়্যার হাউজিংয়ের জন্য চাহিদা হবে ১১১ মিলিয়ন স্কোয়্যার ফিট। জোয়ার আসবে ম্যান্যুফ্যাকচারিং কাজকর্মে। এসবই উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে দেশের জিডিপিতে। রিটেইল সেক্টরের ওপরও আলোকপাত করা হয়েছে রিপোর্টে। আগামী দশ বছরের মধ্যে সংগঠিত রিটেইল কনজাম্পশান বৃদ্ধিরও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে ওই রিপোর্টে। এই সময়সীমার মধ্যে রিটেইল কনজাম্পশান ২১ শতাংশ হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। রিয়েল এস্টেট সেক্টরে প্রাইভেট ইক্যুইটি লগ্নিও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী দশ বছরের মধ্যে প্রাইভেট ইক্যুইটি বিনিয়োগের পরিমাণ হতে পারে ১৪.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: রেলে এবার ২০ টাকা, ৫০ টাকায় ভরপেট খাবার, ট্রেনেই পাবেন পছন্দের মেনু

    Indian Railways: রেলে এবার ২০ টাকা, ৫০ টাকায় ভরপেট খাবার, ট্রেনেই পাবেন পছন্দের মেনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসাধারণের জন্য স্বল্প মূল্যের খাবারের ব্যবস্থা করতে চলেছে রেল (Indian Railways)। নাম রাখা হয়েছে ইকোনমি মিল (economy meal)। মূলত অসংরক্ষিত কামরা ও দ্বিতীয় শ্রেণীর যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রেলের (Indian Railways)। এই খাবার মিল এবং জল, স্টেশনের কামরাগুলির কাছে অবস্থিত কাউন্টারেই পাওয়া যাবে।

     ১০০টি স্টেশনে মোট ১৫১টি কাউন্টার (Indian Railways)

    রেল (Indian Railways) এই নয়া ভাবনার খাবার আপাতত ৫১টি স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছিল। তাতে সাড়া মিলেছে ভালই। এখন বেড়ে ১০০টি স্টেশনে মোট ১৫১টি কাউন্টারে ইকোনমি মিল দেওয়া হচ্ছে। যাত্রীরা স্বল্পমূল্যে সরাসরি এই কাউন্টার থেকে তাঁদের খাবার ও জল কিনতে পারবেন। তাঁদের আর হকারের মুখাপেক্ষী থাকতে হবে না। কুড়ি টাকার বিনিময়ে খাবার এবং তিন টাকার বিনিময়ে ২০০ মিলি জল কিনতে পাওয়া যাবে। বিভিন্ন জংশন স্টেশনের প্লাটফর্মে সস্তায় খাবারের স্টল বসানো হয়েছে। চলতি বছরের শেষেই দেড়শটি স্টেশনে এই খাবার কিনতে পাওয়া যাবে বলে রেল সূত্রে খবর।

    ইকোনোমি মিলে কী কী থাকবে?

    আইআরসিটিসি-র সহযোগিতায় এই পরিষেবা চালু করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। জানা গিয়েছে ইকোনোমি মিলে পাওয়া যাবে, লুচি তরকারি আর আচার। খিচুড়ি, ছোলা-ভাটুরা, ধোসার মত খাবারও পাওয়া যাবে ৫০ টাকায়। যে কোনও একটি খাবারের প্লেটের দাম মাত্র ৫০ টাকা । ভারতীয় রেল ৫০ টাকার প্লেটে রাজমা ও ভাত, মশলা কুলচা, মশলা ধোসার মত পদ যোগ করতে চলেছে। যে সমস্ত যাত্রীরা বাড়ি থেকে খাবার আনতে ভুলে যান কিংবা দীর্ঘ যাত্রাকালে যাঁদের খাবারের প্রয়োজন তাঁদের জন্য অত্যন্ত উপকারী এই নয়া ব্যবস্থা।

    আরও পড়ুনঃ “রাজ্য সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি করেছে”, বিস্ফোরক চাকরি হারা জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি

    ৫ টাকায় শুরু হয়েছিল মিল

    প্রসঙ্গত রেলের (Indian Railways) সস্তায় খাবারের ভাবনা অনেক পুরোনো। লালু প্রসাদ যাদব রেলমন্ত্রী থাকাকালীন কয়েক দশক আগেই “জনতা আহার” চালু করেছিলেন। ৫ টাকা থেকে শুরু হওয়া ওই খাবারের দাম এখন ২০ টাকায় ঠেকেছে। কিন্তু ওই খাবারের মান নিয়ে চিরকাল প্রশ্ন ছিল। রেলযাত্রীদের অভিযোগ আজও আছে, ৪টে লুচি আর আলুর তরকারির খবার কিন্তু তাতে পেট ভরে না এবং জিভের স্বাদও মেটানো যায় না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramkrishna Math: রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের নতুন অধ্যক্ষ নির্বাচিত হলেন স্বামী গৌতমানন্দ মহারাজ

    Ramkrishna Math: রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের নতুন অধ্যক্ষ নির্বাচিত হলেন স্বামী গৌতমানন্দ মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের (Ramkrishna Math) নতুন অধ্যক্ষ হলেন স্বামী গৌতমানন্দ মহারাজ। এতদিন পর্যন্ত তিনি মঠের সহ-অধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন অধ্যক্ষের নাম ঘোষণা করেন মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ মহারাজ। প্রসঙ্গত, স্বামী স্মরণানন্দজি মহারাজের মৃত্যুর পরেই অন্তর্বর্তীকালীন অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন স্বামী গৌতমানন্দ মহারাজ। রামকৃষ্ণ মিশনের (Ramkrishna Math) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয় এই আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। এর অধ্যক্ষের পদ কখনও শূন্য থাকে না।

    মিশনের সাংবাদিক বৈঠক

    এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে আরও জানানো হয়েছে, অছি পরিষদের সবথেকে প্রবীণ সহ অধ্যক্ষ ছিলেন স্বামী গৌতমানন্দ মহারাজ। তাঁকেই বেছে নেওয়া হল পরবর্তী অধ্যক্ষ হিসেবে। প্রসঙ্গত গত ২৭ মার্চ স্মরণানন্দজি মহারাজের অন্ত্যোষ্টি ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ঘটনাক্রমে সেই দিনেই মিশনের সাধারণ সম্পাদক সুবীরানন্দ মহারাজ জানিয়েছিলেন, নতুন অধ্যক্ষ নির্বাচিত হতে এক মাস মত সময় লাগবে। ২৪ এপ্রিল নাম ঘোষণা হল নতুন মহারাজের। ২৭ মার্চ সুবীরানন্দ মহারাজ বলেছিলেন, ‘‘আমাদের সংঘ গণতান্ত্রিক সংঘ। অছি পরিষদ ও পরিচালন সমিতি পরবর্তী অধ্যক্ষ কে হবেন তা ঠিক করবেন। সেই সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেবেন দীর্ঘ ২০-৩০ বছর ধরে মঠ ও মিশনের (Ramkrishna Math) কার্যভার সামলাচ্ছেন যে সন্ন্যাসীরা।’’

    স্বামী গৌতমানন্দ মহারাজ মিশনে যোগ দেন ১৯৫১ সালে 

    মিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী গৌতমানন্দ রামকৃষ্ণ মিশনে যোগদান করেন ১৯৫১ সালে। পরবর্তীকালে ১৯৬৬ সালে মঠের দশম অধ্যক্ষ স্বামী বিরেশ্বরানন্দজি মহারাজ তাঁকে সন্ন্যাস ধর্মে দীক্ষিত করেন। গৌতমানন্দ মহারাজ অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের গ্রামীণ আদিবাসী জনসাধারণের মধ্যে শিক্ষা প্রসারের কাজ করেছেন বলে জানা যায়। এর পাশাপাশি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর এডুকেশন- এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ বোর্ডেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালের রামকৃষ্ণ মিশন-এর (Ramkrishna Math) ট্রাস্টি হিসেবে নির্বাচিত করা হয় গৌতমানন্দজি মহারাজকে। পরবর্তীকালে ১৯৯৫ সালে রামকৃষ্ণ মিশনের চেন্নাই মঠের দায়িত্বভার পান তিনি।

    মিশনের বিবৃতি

    রামকৃষ্ণ মিশনের (Ramkrishna Math) তরফে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, ‘‘দেশ ও বিদেশে বহু জায়গায় তাঁর বক্তৃতা ভারতের আধ্যাত্মিকতা ও বেদান্ত দর্শনের বিষয়ে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। এমন এক জন প্রাজ্ঞ ও সংস্কৃতিমনস্ক প্রবীণ সন্ন্যাসী রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ পদে অন্তর্বর্তিকালীন কার্যভার গ্রহণ করায় খুশি ভক্ত ও অনুরাগীরা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IMA vs Patanjali: পতঞ্জলির পর ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

    IMA vs Patanjali: পতঞ্জলির পর ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পতঞ্জলি বনাম ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ) মামলায় এবার মুখ পুড়ল চিকিৎসকদের এই সংস্থার। অপ্রয়োজনীয় এবং দামি ঔষধ লেখার জন্য সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court) চিকিৎসকদের সংস্থাকে ভর্ৎসনা করল। প্রশ্ন উঠল আইএমএ-র (IMA vs Patanjali) সদিচ্ছা নিয়েও।

    সুপ্রিম কোর্টের আপত্তি (IMA vs Patanjali)

    মঙ্গলবার মামলার শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে (IMA) নথিভূক্ত চিকিৎসকদের অবাঞ্ছিত কাজকর্ম নিয়ে প্রবল আপত্তি জানিয়েছে। বিশেষ করে এই সংগঠনের  সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের কমদামি এবং কার্যকরী বিকল্প থাকা প্রেসক্রিপশনে দামি ওষুধ লেখার বদভ্যাসকে ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট (S.C.)। এই এই স্বাস্থ্য সংগঠনকে (IMA vs Patanjali) তাঁদের কাজকর্মে সুব্যবস্থা আনার পরামর্শ দিয়েছেন বিচারকেরা।

    আইএমএকে ভর্ৎসনা!

    বিচারপতি হেমা কোহলি এবং এহসানউদ্দিন আমানুল্লার ডিভিশন বেঞ্চে আইএমএ বনাম পতঞ্জলি (IMA vs Patanjali) মামলা চলছে। বেঞ্চ জানিয়েছে, দামি ঔষধ লেখা এবং অপ্রয়োজনীয় ঔষধ লেখার বিষয়ে আইএমএ-কে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে এগুলি বন্ধ করা উচিত। এবিষয়ে সংগঠন নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। বিশেষ করে আইএমএ যখন পতঞ্জলির দিকে আঙ্গুল তুলছে তখন একটি আঙ্গুল তাঁদের দিকেও ওঠে। পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রকাশ করার অভিযোগ উঠেছিল। এর বিরুদ্ধে আইএমএ সর্বোচ্চ আদালতে মামলা করে। এই মামলার শুনানি চলাকালীন আইএমএকে ভর্ৎসনা করা হয়েছে। একদিকে যেমন পতঞ্জলি আয়ুর্বেদকে এফিডেফিট জমা দিয়ে পুনরায় ক্ষমাপ্রার্থনা করে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে আইএমএ-কেও চিকিৎসকদের অতিরিক্ত অর্থনৈতিক লাভের জন্য চালাকি ছাড়তে বলেছে ডিভিশন বেঞ্চ।

    আরও পড়ুনঃহনুমান জয়ন্তীর কীর্তনে হামলা দুষ্কৃতীদের! পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন বিজেপির

    বিচারপতির বক্তব্য

    সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি স্পষ্ট ভাষায় আইএমএকে (IMA vs Patanjali) বলেন, “এলোপ্যাথিক ফিল্ডে আপনাদের চিকিৎসকরা বিকল্প আছে তা সত্ত্বেও রোগীর অর্থনৈতিক অবস্থার কথা না ভেবে দামি ঔষধ লিখে যাচ্ছেন। আগে নিজেদের ভুল সংশোধন করার চেষ্টা করুন।” আদালত এফএমসিজি কোম্পানিগুলির কাজকর্মেও ক্ষুব্ধ। অভিযোগ উঠছে নবজাতক শিশু এবং বাচ্চাদের কথা না ভেবেই বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করছে এফএমসিজি (FMCG) সংস্থাগুলি। এমনকী বৃদ্ধদের জন্যও যে সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে তা তাদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে হচ্ছে না। গুণমান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আদালত কেন্দ্রের কাছে এই সংস্থাগুলির তিন বছরে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ঘিরে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: শ্যাম পিত্রোদার ‘উত্তরাধিকার কর’ মন্তব্য ঘিরে উত্তাল রাজনীতি, কংগ্রেসকে তুলোধনা বিজেপির

    BJP: শ্যাম পিত্রোদার ‘উত্তরাধিকার কর’ মন্তব্য ঘিরে উত্তাল রাজনীতি, কংগ্রেসকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের ইস্তাহারে (পোশাকি নাম ‘ন্যায়পত্র’) সম্পদের পুনর্বণ্টনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আর ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেস চেয়ারপার্সন শ্যাম পিত্রোদা (Sam Pitroda) সওয়াল করলেন আমেরিকার মতো ভারতেও চালু হোক উত্তরাধিকার কর। তার পরেই বিজেপি (BJP) তাক করেছে পিত্রোদাকে। পিত্রোদার মন্তব্য একান্তই তাঁর নিজস্ব বলে জানিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস।

    পিত্রোদার মন্তব্য

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কংগ্রেসের ইস্তাহার-প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে পিত্রোদা (Sam Pitroda) বলেছিলেন, “সম্পদের পুনর্বণ্টনের যে নীতির কথা বলা হয়েছে ইস্তাহারে, তা ধনীদের জন্য নয়, সাধারণ মানুষের জন্য।” আমেরিকায় চালু উত্তরাধিকার ট্যাক্স ব্যবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে পিত্রোদা বলেন, “কারও যদি ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিমাণ সম্পদ থাকে, তাহলে তাঁর মৃত্যুর পর তার মাত্র ৪৫ শতাংশ পেতে পারেন তাঁর উত্তরসূরীরা। বাকি ৫৫ শতাংশ সম্পদ চলে আসবে সরকারের দখলে। এটি একটি সুন্দর আইন। এই আইন আপনাকে বলছে, জীবদ্দশায় আপনি খেটে যে সম্পদ তৈরি করলেন, আপনার মৃত্যুর পর সেই সম্পদের কিছুটা অংশ সাধারণ মানুষের জন্য রেখে গেলেন। তবে পুরোটা নয়, অর্ধেকটা। আমার কাছে বিষয়টা খুব সুন্দর মনে হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ২জি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারিতে ‘সুপ্রিম’ রায়ে পরিবর্তন চেয়ে শীর্ষ আদালতে কেন্দ্র

    বিজেপির (BJP) নিশানায় কংগ্রেস

    পিত্রোদার (Sam Pitroda) মন্তব্যে দেশজুড়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। সম্পদ হরণকারীদের (কংগ্রেস) সম্পর্কে পদ্ম-পার্টি (BJP) সতর্ক করে দিয়েছে দেশবাসীকে। ট্যুইট-বার্তায় বিজেপির মুখপাত্র জয়বীর সেরগিল বলেন, “কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া = অর্থ হারানো + সম্পদ + যাবতীয় জিনিসপত্র! ভোটাররা সাবধান, এখানে আছে সম্পদ হরণকারীরা।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও নিশানা করেছেন পিত্রোদার মন্তব্যকে। বলেন, “কংগ্রেসের উচিত ইস্তাহারে যে অর্থনৈতিক সার্ভে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা উইথড্র করা।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “শ্যাম পিত্রোদার মন্তব্যে কংগ্রেসের স্বরূপ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিষয়টি তুলেছিলেন, তখন রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলেন। আমি আশা করি, ইস্তাহার থেকে কংগ্রেস এটা তুলে নেবে।” বিজেপির তরফে ট্যুইট-বার্তায় শেহজাদ পুন্নাওয়ালা বলেন, “ঘটনাচক্রে, গান্ধীরা বিপুল পরিমাণ সম্পদ করেছেন তাঁদের ছেলেমেয়ে এবং নাতি-নাতনিদের জন্য। কিন্তু তাঁরাই আপনার কষ্টার্জিত সম্পদ কেড়ে নিতে চাইছে (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share